Tag: Madhyom

Madhyom

  • Yuge Yugeen Museum: বিশ্বের বৃহত্তম জাদুঘর! মোদি জমানায় দিল্লিতে নির্মাণ হচ্ছে ‘যুগে যুগেন ভারত’

    Yuge Yugeen Museum: বিশ্বের বৃহত্তম জাদুঘর! মোদি জমানায় দিল্লিতে নির্মাণ হচ্ছে ‘যুগে যুগেন ভারত’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি জমানায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় জাদুঘর তৈরি হচ্ছে ভারতে। জাদুঘরের নাম হতে চলেছে ‘যুগে যুগেন ভারত’(Yuge Yugeen Museum)। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নয়া দিল্লির প্রগতি ময়দানে জাতীয় জাদুঘরের ভার্চুয়াল ওয়াক উদ্বোধন করেন। প্রসঙ্গত, ৪৭তম জাতীয় জাদুঘর দিবসে এই উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। নর্থ ব্লক এবং সাউথ ব্লক জুড়ে হতে চলেছে এই মিউজিয়াম।

    দেশের ৫ হাজার বছরের ইতিহাস লিপিবদ্ধ থাকবে (Yuge Yugeen Museum)

    জানা গিয়েছে, এই জাদুঘরের (Yuge Yugeen Museum) আয়তন হতে চলেছে ১ লাখ ১৭ হাজার বর্গমিটার। দেশের পাঁচ হাজার বছরের ইতিহাস লিপিবদ্ধ হবে ৯৫০টি কক্ষে। প্রাচীন সিন্ধু-সরস্বতী সভ্যতা থেকে শুরু হবে ইতিহাসের লিপিবদ্ধকরণ। এদেশ প্রকৃতি পুজোয় বিশ্বাস করে। পাহাড়,সমুদ্র,গাছ এবং নদীকে আজও পুজো করা হয়, এগুলিও স্থান পাচ্ছে জাদুঘরে। বেদ, উপনিষদ যুগের কথা, সমাজ ব্যবস্থা সবকিছুরই উল্লেখ থাকবে জাদুঘরে।

    মৌর্য-সাতবাহন-গুপ্ত, ভারতের স্বর্ণযুগ থাকছে মিউজিয়ামে  

    চন্দ্রগুপ্ত ও চাণক্য গড়ে তুলেছিলেন প্রথম অখণ্ড সাম্রাজ্য। সেই মৌর্য সাম্রাজ্যের উত্থান ও বিস্তারও ঠাঁই পেতে চলেছে জাদুঘরে। পাশাপাশি প্রাচীন ভারতে সাতবাহন, পল্লব ও কুষাণ, গুপ্ত রাজবংশ, রাষ্ট্রকূট,চালুক্য, চেরা,পান্ড্য রাজবংশ সমেত সবকিছুরই উল্লেখ থাকছে জাদুঘরে (Yuge Yugeen Museum)। জানা গিয়েছে, মধ্য যুগের ভারতে রাজপুতদের ইতিহাসও সংকলিত হচ্ছে এখানে। চৌহান,প্রতিহার,পারমার, সোলাঙ্কি,সিসোদিয়া এবং রাজপুত রাজাদের বীরত্বগাথার পাশাপাশি তাদের পৃষ্ঠপোষকতায় শিল্প,নৈপুণ্য ও সংস্কৃতিরও অভূতপূর্ব বিকাশ ঘটেছিল। জাদুঘরে এ সংক্রান্ত তথ্যও পাওয়া যাবে।

    ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্যের সূচনাও থাকছে মিউজিয়ামে

    জানা গিয়েছে, মিউজিয়ামে দেখতে পাওয়া যাবে কীভাবে পলাশি ও বক্সারের যুদ্ধের মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসনের বিস্তার শুরু হয়েছিল। ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহকে দেশের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম বলে উল্লেখ করেছিলেন বীর সাভারকর। সেই মহাবিদ্রোহের প্রতিটি কাহিনীও ছাঁই পাচ্ছে মিউজিয়ামে (Yuge Yugeen Museum)। ২০০ বছরের ব্রিটিশ শাসন এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস সংকলিত হচ্ছে এখানে।

    স্বাধীন ভারতে সংবিধান নির্মাণ

    স্বাধীন ভারতে কীভাবে সংবিধান প্রণয়ন হয়েছিল, সেই ইতিহাসও সংকলিত হচ্ছে। আধুনিক ভারতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নিয়েও নানা তথ্য থাকছে এই জাদুঘরে। একবিংশ শতকের ডিজিটাল ইন্ডিয়াও থাকছে জাদুঘরে। চিকিৎসা ক্ষেত্রে ভারতের অবদান, বিশ্বের অর্থনৈতিক মানচিত্রে ভারতের বর্তমান স্থান। এসব কিছুই থাকছে জাদুঘরে (Yuge Yugeen Museum)। অতীত থেকে আধুনিক ভারতের ঝলক দেখা যাবে জাদুঘরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah Station: প্রি-পেইড বুথ চিরতরে বন্ধ, হাওড়া স্টেশনে ট্যাক্সি পেতে নাজেহাল হচ্ছেন যাত্রীরা

    Howrah Station: প্রি-পেইড বুথ চিরতরে বন্ধ, হাওড়া স্টেশনে ট্যাক্সি পেতে নাজেহাল হচ্ছেন যাত্রীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাত্রী দুর্ভোগ এবং ট্যাক্সি চালকদের যথেচ্ছাচার কমাতে কয়েক বছর আগে হাওড়া (Howrah Station), শিয়ালদহ, কলকাতা স্টেশন, এমনকী কলকাতা বিমানবন্দরে চালু হয় প্রি-পেইড ট্যাক্সি বুথ। সেখান থেকে লাইন দিয়ে টিকিট কেটে ট্যাক্সিতে চড়তেন যাত্রীরা। এবার সেই দিন শেষ। তার বদলে রাজ্য সরকারের তৈরি করা ওলা-উবেরের মতো ‘অ্যাপ’-এ (Yatri Sathi) বুকিং করে তবেই ট্যাক্সি চড়তে পারবেন যাত্রীরা। এর ফলে চড়া দামের টিকিট কেটে ট্যাক্সিতে চড়তে হবে বলে যাত্রীদের আশঙ্কা। গত পাঁচ জুলাই থেকে রাজ্য সরকার এই সমস্ত জনবহুল স্টেশনে এই পরিষেবা চালু করেছে। তার বদলে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে প্রি-পেইড ট্যাক্সি বুথ। এতে একদিকে যেমন চরম দুর্ভোগে পড়ছেন সাধারণ যাত্রীরা, একইভাবে বেশি ভাড়া দিয়ে তাঁদের গন্তব্যে যেতে হচ্ছে বলে অভিযোগ। হাওড়া স্টেশনের পুরনো এবং নতুন কমপ্লেক্সের বাইরে দুটি করে চারটি এই ধরনের প্রি-পেইড ট্যাক্সি বুথ ছিল। যেখান থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ট্যাক্সি বুকিং করে গন্তব্যে যেতেন। বর্তমানে সেখানে প্রি-পেইড ট্যাক্সি বুথে তালা লাগানো। তার বদলে যাত্রীদের নিজেদেরই মোবাইল ফোনে ‘অ্যাপ’ ইন্সটল করে বুকিং করতে হচ্ছে ট্যাক্সি।

    অনেকেই পড়ছেন সমস্যায় (Howrah Station)

    যাত্রীরা জানিয়েছেন, তাঁদের অনেকের কাছেই অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন নেই। ফলে তাঁরা ট্যাক্সি বুকিং (Howrah Station) করতে না পেরে বাধ্য হয়ে ফিরে যাচ্ছেন এবং বাসে করে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে। তাতে তাঁরা খুবই সমস্যায় পড়েছেন। অন্যদিকে যাঁরা ওই অ্যাপ দিয়ে ট্যাক্সি বুকিং করছেন তাঁরা জানিয়েছেন, আগে প্রি-পেইড ট্যাক্সি বুথে একটি নির্দিষ্ট ভাড়ার তালিকা ছিল। সেই অনুযায়ী ভাড়া দিতে হত। কিন্তু বর্তমানে হাওড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে কোনও গন্তব্যে গেলে যে ভাড়া দেখাচ্ছে, একই সময় সেই গন্তব্য থেকে হাওড়া ট্যাক্সিস্ট্যান্ড পর্যন্ত আলাদা ভাড়া দেখাচ্ছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ভাড়া অনেকটাই বেশি। বিশেষ করে রাতের দিকে ভাড়ার অনেকটাই তারতাম্য দেখা যাচ্ছে। যাত্রীদের দাবি, তাঁদের স্বার্থে নিদিষ্ট ভাড়ার তালিকা তৈরি করা হোক।

    কীভাবে চলছে কাজ (Howrah Station)?

    পরিবহণ কর্মীরা জানিয়েছেন, স্মার্টফোনে প্রথমে যাত্রীকে ওই যাত্রী সাথী (Yatri Sathi) নামে একটি অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। এরপর বুকিং করলে একটি ওটিপি নম্বর পাওয়া যাবে। সেই ওটিপি নম্বর ড্রাইভারকে দেখালে তবেই গাড়িতে ওঠা যাবে। আপাতত এই ধরনের সিস্টেম চালু হয়েছে হাওড়া স্টেশন (Howrah Station), শিয়ালদা স্টেশন, কলকাতা বিমানবন্দর, সাঁতরাগাছি স্টেশন এবং কলকাতা স্টেশনে। এখন সমস্যা দেখা দেওয়ায় ওই বুথ থেকেই যাত্রীদের স্মার্টফোনে অ্যাপ ডাউনলোড করে দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে বুথের লাইন দীর্ঘ হচ্ছে। যাত্রীদের বুকিং পেতে বেশ কিছুটা সময় লাগছে। আবার যদি কোনও যাত্রীর স্মার্টফোন না থাকে, তাহলে বুথ থেকেই ট্যাবের মাধ্যমে বুকিং করে দেওয়া হচ্ছে। সেখান থেকেই ওটিপি নাম্বার ড্রাইভারকে দিয়ে যাত্রীদের ট্যাক্সিতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। ওই কাজে হাওড়া সিটি পুলিশের ট্রাফিক অফিসার এবং কনস্টেবল ছাড়াও সিভিক ভলান্টিয়াররা সাহায্য করছেন। অনেক যাত্রী প্রি-পেইড সিস্টেম ভালো ছিল বলে মন্তব্য করলেও বেশিরভাগ যাত্রী জানিয়েছেন, এতে তাঁদের ভালো হয়েছে। চালকরাও জানিয়েছেন, তাঁদের সুবিধা হয়েছে। তবে এই সিস্টেমের মাধ্যমে যাত্রী ভাড়া বেড়েছে গড়ে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBI-ED: আসানসোল কোর্টে চলা কেষ্টর মামলা দিল্লিতে স্থানান্তরিত করার আর্জি ইডির

    CBI-ED: আসানসোল কোর্টে চলা কেষ্টর মামলা দিল্লিতে স্থানান্তরিত করার আর্জি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলের শুনানি চলছিল আসানসোল বিশেষ সিবিআই (CBI-ED) আদালতেও। এবার এই মামলাটি দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে স্থানান্তরিত করার আবেদন জানাল ইডি (CBI-ED)। কেন্দ্রীয় সংস্থা আর্জি জানিয়েছে, তাদের এবং সিবিআইয়ের করা মামলাটি এক জায়গায় আনা হোক এবং তা দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে স্থানান্তরিত করা হোক। সেখানেই চলুক মামলার বিচারপ্রক্রিয়া। ইডির এই আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী আগামী ১৯ অগাস্ট পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন। দিল্লিতে মামলা স্থানান্তর হলে সাক্ষ্যগ্রহণও দিল্লিতে হবে। অর্থাৎ এখানকার সাক্ষীদের শুনানির দিনগুলিতে দিল্লি উড়ে যেতে হবে।

    কী বলছেন কেষ্টর আইনজীবী?

    শুক্রবার কেষ্টর আইনজীবী সোমনাথ চট্টরাজ বলেন, ‘‘গরু পাচারের যে মামলাটি চলছে আসানসোল বিশেষ সিবিআই (CBI-ED) আদালতে, সেটি স্থানান্তরিত করার আবেদন জানানো হয়েছে। দিল্লির রাউজ এভিনিউ আদালতে যেখানে ইডির মামলা চলছে সেখানে স্থানান্তরিত হবে মামলাটি।’’ তবে মামলা স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, ‘‘আমরা আপত্তি জানাব। তার কারণ, এই মামলা দিল্লিতে চলে গেলে সাক্ষীদের দিল্লিতে যেতে হবে সাক্ষ্য দিতে। সমস্ত নথিও দিল্লিতে নিয়ে যেতে হবে। তাই আমরা আপত্তি জানাব। সরকার মনে করলে আসানসোল বিশেষ সিবিআই আদালতকে ইডির (CBI-ED) বিশেষ আদালত হিসেবেও ব্যবহার করতে পারে। যদি তাই হয়, তা হলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে অনেকটা। এখন দেখার আসানসোলের বিচারক কী রায় দেন বা সরকার কী পদক্ষেপ করে।’’

    তিহাড় জেলে বন্দী রয়েছেন কেষ্ট

    গত বছরের ১১ অগাস্ট গ্রেফতার (CBI-ED) হন অনুব্রত। চলতি বছরের মার্চ মাসে তাঁকে স্থানান্তর করা হয় দিল্লিতে। সেখানে অনুব্রতর সঙ্গে রয়েছেন একদা তাঁর সহকারী সায়গল। তিহাড়ে রয়েছেন গরু পাচার মলায় অন্যতম অভিযুক্ত এনামুল হক এবং ধৃত বিএসএফ কমান্ডান্ট সতীশ কুমার। পাশাপাশি কেষ্ট কন্যাও বর্তমানে রয়েছেন তিহাড়ে। একাধিকবার তাঁদের জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: এসএসসি-র ‘দুর্নীতি-তালিকা’য় পার্থ ঘনিষ্ঠ সাইনা সুলতানার নাম, তীব্র চাঞ্চল্য

    Hooghly: এসএসসি-র ‘দুর্নীতি-তালিকা’য় পার্থ ঘনিষ্ঠ সাইনা সুলতানার নাম, তীব্র চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গতকাল একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ৯০৭ জনের তালিকা প্রকাশ করেছে এসএসসি। এই তালিকায় এবার ৬০৯ নম্বরে নাম পাওয়া গেছে হুগলির (Hooghly) জেলা পরিষদে নব নির্বাচিত সাইনা সুলতানার। এই নিয়ে জেলায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    কে এই সাইনা সুলতানা (Hooghly)?

    সুত্রের খবর, প্রথমে সাইনা সুলতানা বাঁকুড়ার রাঙামাটি উদ্বাস্তু কলোনি হাইস্কুলে চাকরি করতেন। কিন্তু পরে হুগলির (Hooghly) রাজহাটি বন্দর হাইস্কুলে যোগদান করেন। ২০১৩ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনি হুগলি জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ ছিলেন। এছাড়াও ২০১৮ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত হুগলি জেলা পরিষদের সাধারণ সদস্য ছিলেন। স্কুল সার্ভিস কমিশন একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতির যে ৯০৭ জনের তালিকা প্রকাশ করেছে, তার মধ্যে এই তৃণমূল নেত্রীর নাম রয়েছে। সূত্রের খবর আরও পাওয়া গেছে, জেলবন্দি প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন এই তৃণমূল নেত্রী সাইনা সুলতানা।

    কী বলছেন সাইনা সুলতানা

    সাইনা সুলতানা (Hooghly) সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, আমি ২০১৬ সালে পরীক্ষা দিয়ে চাকরি পেয়েছি। আমার নাম তালিকায় কীভাবে এল, আমি জানি না। আমি তৃণমূল করি বলে আমার সম্পর্কে অপপ্রচার করা হচ্ছে।

    তৃণমূল ঘনিষ্ঠ আর কার নাম রয়েছে?

    এসএসসিতে কার্যত চুরি করে যে চাকরি হয়েছে, তা সিবিআইয়ের তদন্তে খুব স্পষ্ট হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কমিশন ৯০৭ জনের নাম প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে যেমন হুগলির (Hooghly) তৃণমূল নেত্রীর নাম এসেছে, তেমনি আবার ৩০০ নম্বরে নাম রয়েছে উত্তর দিনাজপুর জেলার প্রাক্তন সভাধিপতি কবিতা বর্মণেরও। ২০১৮ সাল থেকে জেলার তৃণমূলের জেলা পরিষদের সভাধিপতি ছিলেন তিনি। বালিজান হাই স্কুলের কবিতা বর্মণ বাংলার শিক্ষিকা ছিলেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি পরীক্ষায় পাশ করে চাকরি করছি। তিনি, ২০১৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে ১২৮ নম্বর র‍্যাঙ্ক করেন। ৫৫ নম্বরের মধ্যে ৫৩ পেয়েছেন তিনি। সিবিআই তদন্ত করে জানিয়েছে, প্রাথমিক ভাবে কমিশনের দেওয়া চাকরির প্রার্থীদের ওএমআর সিটে নম্বর বদল করে, দুর্নীতি করে চাকরিতে নিয়োগ করছে। এছাড়াও এমন অনেকেই রয়েছেন যারা, সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কমিশনের দেওয়া তালিকায় তৃণমূল নেতাদের নাম ক্রমশ প্রকাশ হওয়ায় রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।    

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ৫৫ দিন উপাচার্যহীন! বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গেট আটকে বিক্ষোভ, উত্তাল ক্যাম্পাস

    Nadia: ৫৫ দিন উপাচার্যহীন! বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গেট আটকে বিক্ষোভ, উত্তাল ক্যাম্পাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ দ্বিতীয় দিন। মোহনপুর (Nadia) বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে ছাত্র আন্দোলন চলছে। গেটের বাইরে আটকে রয়েছেন প্রশাসনিক কর্তারা। প্রায় ৫৫ দিন উপাচার্যহীন হয়ে আছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। অধিকাংশ বিভাগ খোলা থাকলেও ক্লাস হচ্ছে না বলে অভিযোগ। আর তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের পঠনপাঠনকে স্বাভাবিক করতে ছাত্রদের দাবি ঘিরে উত্তাল কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।

    কেন অচলাবস্থা বিশ্ববিদ্যালয়ে (Nadia)?

    উপাচার্য নেই, তাই অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (Nadia)। ক্যাম্পাস খোলা থাকলেও উপাচার্য না থাকায় কোনও বিভাগের ক্লাস ঠিকঠাক হচ্ছে না। তাই গতকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা উপাচার্য নিয়োগ এবং আরও একাধিক দাবিতে বিক্ষোভ আন্দোলন করেছেন। আচার্য হিসাবে রাজ্যপালের কাছে অবিলম্বে উপাচার্য নিয়োগের দাবি জানান ছাত্ররা। এই আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কিছু আধিকারিক, শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মচারীরা অংশ গ্রহণ করেছেন। ছাত্ররা যখন ক্যাম্পাসের গেটের কাছে অবস্থান করছিলেন, সেই সময় অন্য কেউই ভিতর থেকে বাইরে এবং বাইরে থেকে ভিতরে প্রবেশ করতে পারছিলেন না। আর তার ফলেই অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। ছাত্রদের দাবি, যতক্ষণ না লিখিত আকারে আশ্বাস দেওয়া হবে এবং দ্রুত উপাচার্য নিয়োগ না করা হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

    ছাত্রদের মূল দাবি

    বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আন্দোলনের নেতা বিবেকান্দ মাইতি বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের (Nadia) প্রত্যেক ছাত্রই সর্ব ভারতীয় পরীক্ষা দিয়ে এখানে পড়াশুনা করতে এসেছেন। এই বছর যাঁরা ফাইনাল পরীক্ষা দিয়েছেন, তাঁরা ঠিক সময়ে মার্কশিট পাচ্ছেন না। বিভিন্ন বিভাগে প্রত্যেক দিনের গবেষণার কাজে ব্যাঘাত ঘটছে। গবেষণাগারে পর্যাপ্ত সরঞ্জাম নেই। হস্টেলের পরিকাঠামো ঠিকঠাক নেই। তাই অবিলম্বে এই অচলাবস্থা কাটাতে রাজ্যপালের কাছে আমরা উপাচার্য নিয়োগের দাবি জানাই।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের (Nadia) এক সরকারি আধিকারিক বলেন, সত্যি অনেকদিন ধরে ক্যাম্পাসে উপাচার্য নেই। প্রশাসনিক কাজকর্ম চালাতে একপ্রকার অসুবিধাই হচ্ছে। আমরাও সরকারকে বলেছি, দ্রুত সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করব।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue: ডেঙ্গি মোকাবিলায় নেই নয়া দিশা! শুধু গতানুগতিক ফিভার ক্লিনিক সমস্যা রুখতে পারবে?

    Dengue: ডেঙ্গি মোকাবিলায় নেই নয়া দিশা! শুধু গতানুগতিক ফিভার ক্লিনিক সমস্যা রুখতে পারবে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ডেঙ্গি সংক্রমণ চিন্তা বাড়াচ্ছে। গত কয়েক দিনে রাজ্যে সাত জন ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে। আর তার পরেই বৈঠকে বসেন স্বাস্থ্য সচিব। কিন্তু বৈঠকে গতানুগতিক কিছু সিদ্ধান্ত ছাড়া, পরিস্থিতি মোকাবিলায় নতুন কোনও দিশা নেই বলেই মনে করছে প্রশাসনের একাংশ।

    কী সিদ্ধান্ত (Dengue) হল স্বাস্থ্য সচিবের বৈঠকে? 

    নদিয়া, কলকাত সহ একাধিক জেলায় ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তের মৃত্যুর পরেই নড়েচড়ে বসছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার রাজ্যের স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম বৈঠকে বসেছিলেন। এই বৈঠকে স্বাস্থ্য অধিকর্তা ছাড়াও ছিলেন রাজ্যের সমস্ত সরকারি মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ এবং সরকারি হাসপাতালের সুপার। এছাড়াও একাধিক স্বাস্থ্য কর্তা এই বৈঠকে ছিলেন। এই বৈঠকে স্বাস্থ্য সচিব জানান, জ্বর নিয়ে হাসপাতালে কেউ এলেই, তার ডেঙ্গি পরীক্ষা করতে হবে। প্রত্যেক বছরের মতোই হাসপাতালে ফিভার ক্লিনিক চালু হবে। আক্রান্তের চিকিৎসার ক্ষেত্রে শয্যার যাতে সঙ্কট না হয়, তার আগাম ব্যবস্থা করতে হবে। অকারণ রেফার চলবে না। ডেঙ্গি আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার জন্য বিসি রায় শিশু হাসপাতালকে বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হয়। পাশপাশি, রক্তের সঙ্কট আটকাতে প্লেটলেট সংক্রান্ত যে নির্দেশ স্বাস্থ্য দফতর দিয়েছিল, অর্থাৎ, দশ হাজারের কম হলে তবেই প্লেটলেট দেওয়া হবে, সেই নির্দেশ মেনে কাজ করতে হবে বলে এদিন ফের জানান স্বাস্থ্য সচিব। 
    সূত্রের খবর, এদিনের বৈঠকে উত্তর চব্বিশ পরগনা, নদিয়া এবং হুগলি জেলার উপরে বাড়তি নজরদারির কথা বলা হয়েছে। স্বাস্থ্য সচিব জানিয়েছেন, নদিয়া ও উত্তর চব্বিশ পরগনা, এই দুই জেলার বর্ডার এলাকায় বাড়তি নজর দিতে হবে। সংক্রমণ রুখতে প্রয়োজনীয় মোকাবিলা করতে হবে।

    কতখানি কার্যকরী এই সিদ্ধান্ত (Dengue)? 

    ডেঙ্গি মোকাবিলায় এই গতানুগতিক ফিভার ক্লিনিক পর্যাপ্ত নয় বলেই মনে করছে প্রশাসনের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, প্রত্যেক বছর ফিভার ক্লিনিক খোলা হয়। কিন্তু তারপরেও রোগী ভোগান্তি অব্যাহত থাকে। ডেঙ্গি (Dengue) রুখতে প্রত্যেক এলাকায় প্রশাসনের সক্রিয়তা জরুরি। যা হয় না। বর্ষার মরশুমে অধিকাংশ জায়গায় জল জমছে। রাস্তা, পার্ক, বসতি এলাকা অপরিচ্ছন্ন। আর তার জেরেই বাড়ছে মশার উৎপাত। মশা দমন করতে না পারলে ডেঙ্গি কমানো মুশকিল। আর এই কাজের জন্য স্বাস্থ্য ও পুর, পঞ্চায়েত দফতরের একসঙ্গে সক্রিয়তা জরুরি। যে সব জেলা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে, অর্থাৎ, হুগলি, নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, এই সব জেলার বাসিন্দারা নিকাশি ব্যবস্থা নিয়ে একাধিকবার অভিযোগ জানালেও কাজ হয় না। তাই এই সব এলাকায় মশার উপদ্রব বেশি। চিন্তা বাড়ায় ডেঙ্গি সংক্রমণ। তাছাড়া, রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট অনেক ক্ষেত্রে দ্রুত আসে না। ফলে, একদিকে আক্রান্তের চিকিৎসা দেরিতে শুরু হয়, আরেকদিকে সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই প্রশাসনের একাংশ মনে করছে, গতানুগতিক কিছু সিদ্ধান্ত নয়। ডেঙ্গি মোকাবিলায় প্রশাসনের হাতে কলমে কাজ করতে হবে। যার অভাব রয়েছে। তার জেরেই ভোগান্তি বাড়বে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kalighater Kaku: সুজয়কৃষ্ণের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ ইডির! ২০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ

    Kalighater Kaku: সুজয়কৃষ্ণের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ ইডির! ২০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার কালীঘাটের কাকু (Kalighater Kaku) ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করল ইডি। গ্রেফতারির ৫৯ দিনের মাথায় এই চার্জশিট পেশ করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। মোট ১২৬ পাতার এই চার্জশিটে কালীঘাটের কাকুর বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ এনেছে তদন্তকারী সংস্থা। যারমধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ২০ কোটি টাকার তছরূপের অভিযোগ। জানা গিয়েছে, নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করেছেন কালীঘাটের কাকু। প্রিভেনশন অফ কোরাপশন অ্যাক্টের ৪ নম্বর ধারায় চার্জশিট জমা দেয় ইডি।

    কালীঘাটের কাকুর (Kalighater Kaku) বিরুদ্ধে  চার্জশিট পেশ করল ইডি

    এদিন ব্যাঙ্কশাল আদালতে এই চার্জশিট পেশ করে ইডি। সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের বিরুদ্ধে ১২৬ পাতার চার্জশিটে রয়েছে প্রায় ৭০০০ পাতার নথি। এদিন ট্রাঙ্কে করে কাগজ এনে তা জমা দেন ইডির অফিসাররা। সূত্রের খবর, সুজয়কৃষ্ণের বিরুদ্ধে নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকা সাদা করার অভিযোগ এনেছে ইডি। সুজয়কৃষ্ণ দুটি সংস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করতেন। চার্জশিটে নাম রয়েছে ওয়েলথ উইজার্ড প্রাইভেট লিমিটেড এবং এসডি কনসালটেন্সির। এই সংস্থাগুলির সাহায্যে কালো টাকা সাদা করা হতো বলে নিশ্চিত ইডি আধিকারিকরা। পাশাপাশি শেয়ারে বিনিয়োগের মাধ্যমেও সুজয়কৃষ্ণ কালো টাকা সাদা করতেন বলে অভিযোগ। কীভাবে কালো টাকা সাদা করা হতো তার উল্লেখ রয়েছে চার্জশিটে।

    কাকুর জামিনের আবেদন খারিজ

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই কালীঘাটের কাকুর (Kalighater Kaku) জামিনের আবেদন ফের খারিজ করে ব্যাঙ্কশাল আদালত। সম্প্রতি তাঁর হৃদযন্ত্রের ধমনীতে সমস্যা ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ওপেন হার্ট সার্জারিও করানো হতে পারে বলে খবর মিলেছে। শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে বৃহস্পতিবার আদালতে জামিনের আবেদন করেন কাকুর আইনজীবী। এবিষয়ে বিচারক বলেন, ‘‘বাংলার গর্ব হল এসএসকেএম হাসপাতাল। সেখানে চিকিৎসা করান।’’ তবে কালীঘাটের কাকুর (Kalighater Kaku) ধারণা, তাঁর অস্ত্রোপচার বেসরকারি হাসপাতালেও করতে হতে পারে। তাই নিম্নআদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন কাকু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: ইসলামপুরে বাম নেতার ছেলেকে ধারালো অস্ত্রের কোপ, শরীর ক্ষতবিক্ষত!

    Uttar Dinajpur: ইসলামপুরে বাম নেতার ছেলেকে ধারালো অস্ত্রের কোপ, শরীর ক্ষতবিক্ষত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলার ইসলামপুরে ছুরিকাহত হয়ে অসীম সাহার মৃত্যুর রেশ কাটতে না কাটতেই এবার চোপড়ায় বাম নেতার ছেলেকে ধারালো অস্ত্রের কোপ। ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন সেই যুবক। তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে গোটা এলাকা জুড়ে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আহত ওই যুবকের নাম রবিউল হাবিব (৩২)। তার পিতা মোকলেশ্বর রহমান এলাকার প্রভাবশালী বাম নেতা। বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় দলুয়া এলাকায় এক অনুষ্ঠান বাড়িতে গিয়েছিলেন রবিউল। গভীর রাতে সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথে আখতার আলি নামে এক ব্যক্তি তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে আনা হয়। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক রয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তাঁর শরীরের বেশ কিছু জায়গায় ক্ষত রয়েছে।

    শাসক দলের (Uttar Dinajpur) বিরুদ্ধেই অভিযোগ

    এই ঘটনার নেপথ্যে রাজনৈতিক হিংসা রয়েছে বলে অনুমান করছেন স্থানীয় বাম নেতৃত্ব। তাদের অনুমান, শাসক দল তৃণমূলের মদতেই ঘটনাটি ঘটেছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। আহত রবিউলের পিতা মোকলেশ্বর রহমান বলেন, “আমি বাড়িতেই ছিলাম। হঠাৎ দেখি ছেলে রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়িতে আসে। আমি কোনওদিক না দেখে গাড়ি করে ছেলেকে নিয়ে সোজা ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে আসি। ওর শরীরের বেশ কিছু জায়গায় ক্ষত রয়েছে। কী কারণে ওর উপরে হামলা হল, তা এখনই বুঝতে পারছি না।” অপরদিকে, সিপিআইএমের জেলা কমিটির সদস্য বিকাশ দাস বলেন,” আমরা খবর পাই যে আমাদেরই সদস্য মোকলেশ্বর রহমানের ছেলেকে কেউ বা কারা রাতের অন্ধকারে ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা চালিয়েছে। আমরা তড়িঘড়ি ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে (Uttar Dinajpur) ছুটে আসি। ওর অবস্থা আশঙ্কাজনক রয়েছে। চা গাছ কাটার যে ‘হাসুয়া’ রয়েছে সেই অস্ত্র দিয়েই তার ওপর আক্রমণ করা হয়েছে। এর পিছনে রাজনৈতিক কোনও ষড়যন্ত্র রয়েছে বলেই আমাদের অনুমান।”

    কী বললেন তৃণমূল জেলা সভাপতি (Uttar Dinajpur)?

    অপরদিকে, তৃণমূলের জেলা সভাপতি (Uttar Dinajpur) কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, “এ ঘটনার সাথে তৃণমূল জড়িত নয়। অভিযুক্ত যাতে দ্রুত গ্রেফতার হয় এবং আইন-শৃঙ্খলার অবনতি যাতে না হয় তা পুলিশকে জানিয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: প্রতিবাদী কবিতা লিখে তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত নদিয়ার সাহিত্যিক, সর্বত্র নিন্দার ঝড়

    Nadia: প্রতিবাদী কবিতা লিখে তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত নদিয়ার সাহিত্যিক, সর্বত্র নিন্দার ঝড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল নদিয়ার শান্তিপুরের গোবিন্দপুর এলাকার নিজের বাড়িতে যাওয়ার রাস্তায় বেশ কিছু তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী কবি কল্লোল সরকারের ওপর আক্রমণ চালায়। কবির দোষ, কেন সরকারের বিরুদ্ধে কবিতা লিখলেন! আর তাই আক্রান্ত কবি কল্লোল সরকার আজ শান্তিপুর থানার দ্বারস্থ হন। এরপর থানায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এই ঘটনায় সাহিত্যিক মহলে তীব্র নিন্দার ঝড়।

    কবির ঠিক অভিযোগ কী (Nadia)?

    শান্তিপুরের (Nadia) কবি কল্লোল সরকার জানান, পঞ্চায়েত নির্বাচনের কিছু দিন আগেই একটি প্রতিবাদী কবিতা প্রকাশ করেছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। রাজ্যের ধর্ষণ, হিংসা, হানাহানির কথা বলে সরকারের সমালোচনা করেন তিনি। আর তাই নিয়েই শোরগোল পড়ে যায়, এমনকি তাঁকে একাধিকবার শাসকদল তৃণমূলের পক্ষ থেকে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। গতকাল, বিকেলে কলকাতা থেকে বাড়ি ফেরার পথে শান্তিপুরের গলায়দড়ি বটতলা এলাকায় বেশ কিছু তৃণমূলের দুষ্কৃতী তাঁর ওপর আক্রমণ চালায়। তাঁকে একাধিকবার চড়, কিল, লাথি মারা হয়। এরপর এলাকাবাসী সেখান থেকে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। এর পরেই কবি কল্লোল সরকার শান্তিপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

    কবিতায় কী লিখেছেন?

    কবি কল্লোল সরকার (Nadia) বলেন, তাঁর কবিতার মধ্য দিয়ে বাস্তব চিত্র তুলে ধরার কারণেই দুষ্কৃতীর হাতে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। তাঁর কবিতায় রয়েছে, “বুদ্ধিজীবী তকমা নিয়ে/উল্লাসে চিৎকার করে/যারা বাংলাকে ধর্ষণ করে চলে!/আমি ঘৃণা করি,/আমি ঘৃণা করি যারা সরকারের পা চেটে চলে”। যারা এই রাজ্যে ধর্ষণ দেখে চুপ থাকে, সেইসব বুদ্ধিজীবী এবং চটিচাটা মানুষকে ঘৃণা করেন কবি। অরাজক রাজ্যের পরিস্থিতিতে অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ কলরবের কথা বলেছেন। স্বপ্ন দেখার মানুষগুলি শকুনের চঞ্চুতে বন্দি হয়ে রয়েছেন। চারিদিকে বিষাদ আর বিষাদে কবি স্তব্ধ। এই ভাবেই বর্তমান সময়কে তুলে ধরেন কবিতায়। যারা কবিকে মারধর করল, তারা প্রত্যেকে তৃণমূল দলের সঙ্গে যুক্ত। এই ঘটনায় রীতিমতো নিন্দার ঝড় উঠেছে সর্বত্র। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • World Hepatitis Day: বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবসে কী বার্তা দিলেন চিকিৎসকরা?

    World Hepatitis Day: বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবসে কী বার্তা দিলেন চিকিৎসকরা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ওয়ান লাইফ, ওয়ান লিভার! সুস্থ জীবন যাপনের জন্য লিভার সুস্থ থাকা হল প্রাথমিক শর্ত! বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবসে (World Hepatitis Day) এই বার্তাই দিল চিকিৎসক মহল। শুক্রবার ওয়ার্ল্ড হেপাটাইটিস ডে! বিশ্ব জুড়ে বাড়ছে লিভারজনিত সমস্যা। হেপাটাইটিসের জেরে প্রাণ যাচ্ছে বহু মানুষের। আর তাই সচেতনতাকে হাতিয়ার করতে চায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

    হেপাটাইটিস কী (World Hepatitis Day)? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, হেপাটাইটিস লিভারের রোগ। পাঁচ ধরনের হেপাটাইটিস হয় (World Hepatitis Day)। এ, বি, সি, ডি এবং ই। এ এবং ই হল জলবাহিত রোগ। বর্ষার সময় অপরিচ্ছন্ন জল থেকে হতে পারে হেপাটাইটিস এ। বিশেষত শিশুদের জন্য যা মারাত্মক। গর্ভবতী মহিলাদের জন্য অবশ্য হেপাটাইটিস ই প্রাণঘাতী বলে জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। হেপাটাইটিস ই হয় জল থেকেই। গর্ভবতী মহিলার এই লিভারঘটিত সমস্যা প্রাণ সংশয় তৈরি করে। তবে, হেপাটাইটিস বি এবং সি সংক্রমিত হয় রক্তের মাধ্যমে। আবার হেপাটাইটিস বি অসুরক্ষিত যৌন সম্পর্কের মাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মায়ের দেহে হেপাটাইটিস বি থাকলে, সন্তানের দেহে তা সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

    হেপাটাইটিসের (World Hepatitis Day) উপসর্গ কী? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, যে কোনও ধরনের হেপাটাইটিসের উপসর্গে কিছু মিল রয়েছে। যেমন, হেপাটাইটিস আক্রান্তের চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যায়। চামড়া খসখসে হয়ে যায়। এছাড়াও, হাত ও পায়ের পাতা অস্বাভাবিক রকমের ফ্যাকাসে হয়ে যায়। এছাড়াও পেটে যন্ত্রণা হয়। হাত-পায়ের পেশি দুর্বল হয়ে যায়। জ্বর ও বমির মতো উপসর্গও দেখা দেয়।

    কীভাবে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সচেতনতা কমাতে পারে হেপাটাইটিসের বিপদ (World Hepatitis Day)। তাঁদের পরামর্শ পরিশ্রুত জলের দিকে বাড়তি নজর দিতে হবে। হেপাটাইটিস এ ও ই যেহেতু জলবাহিত রোগ, তাই পরিশ্রুত জলের উপর বাড়তি নজর দিতে হবে। বিশেষত, শিশু ও গর্ভবতী মহিলাদের সব সময়েই জল ফুটিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। তবে, হেপাটাইটিস রুখতে টিকাকরণ সবচেয়ে জরুরি বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। হেপাটাইটিস বি-র মতো মারণ রোগ নিয়ন্ত্রণে টিকা সবচেয়ে কার্যকর। তাই টিকা নিতেই হবে। পাশপাশি, হেপাটাইটিস রয়েছে কিনা, তা যাচাই করতে প্রয়োজনীয় শারীরিক পরীক্ষা দরকার। বিশেষত গর্ভবতীদের এই স্ক্রিনিং বা পরীক্ষা আবশ্যিক। যদি কোনও গর্ভবতীর হেপাটাইটিস বি-র মতো সংক্রমণ থাকে, তাহলে তার বাড়তি নজরদারি জরুরি। সদ্যোজাত যাতে হেপাটাইটিস বি রোগে আক্রান্ত না হয়, তার জন্য জন্মের পরেই তার টিকাকরণ প্রয়োজন। এই সব দিক নজরে রাখলে হেপাটাইটিস নিয়ন্ত্রণ সম্ভব, আর সুস্থ দীর্ঘ জীবন যাপন সহজ হবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।
LinkedIn
Share