Tag: Madhyom

Madhyom

  • CV Ananda Bose: নিশীথ প্রামাণিকের উপর তৃণমূলের হামলা, ডিজির কাছে রিপোর্ট তলব রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: নিশীথ প্রামাণিকের উপর তৃণমূলের হামলা, ডিজির কাছে রিপোর্ট তলব রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গের কোচবিহারে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের উপর রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহের অনুগামীরা আচমকা আক্রমণ করলে দুই মন্ত্রীর মধ্যে বচসার জেরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। এই ঘটনায় বিজেপির অভিযোগ, কোনও রকম প্ররোচনা ছাড়াই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে তাঁদের উপর। পাল্টা তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করে বিজেপির উপর দায় ঠেলেছে। এই নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। এবার এই ঘটনায় সত্যানুসন্ধানে নেমেছেন রাজ্যের রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। ঘটনার সত্যতা জানতে রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন তিনি।

    কী বলেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)

    মঙ্গলবারের ঘটনার এক দিন পর বুধবার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose) বাগডোগরা থেকে সড়কপথে কোচবিহারে পৌঁছান রাজ্যপাল। দিনহাটা চৌপতি এলাকা যান রাজ্যপাল। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি তৃণমূল পরিচালিত দিনহাটা পুরসভার চেয়ারম্য়ানের সঙ্গে কথা বলেন। পরে, সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যপাল বলেন, “আমি নির্বাচন কমিশনের কাজে হস্তক্ষেপ করব না। রাজ্য পুলিশের DG-র কাছে রিপোর্ট চেয়েছি। এক্ষেত্রে আমার স্পষ্ট মতামত হল, নির্বাচন চলাকালীন কোনও রকম হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার ঘটনা ঘটেছে, এর পুনরাবৃত্তি হবে না, এটা একটা অঙ্গীকার।’’ এর আগে, এদিন বেলায় কলকাতা থেকে রওনা দেওয়ার সময়ও রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন রাজ্যপাল। রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ যে ভালো নেই সেই নিয়ে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যপাল। সামনেই লোকসভার ভোট। তাই রাজ্যে সন্ত্রাস মুক্ত নির্বাচনের জন্য এখন থেকেই রাজ্যপাল সক্রিয় বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

    নির্বাচন প্রসঙ্গে কী বললেন?

    একই ভাবে এদিন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) আরও বলেন, “আমি নির্বাচন কমিশনের কাজে কোনও রকম হস্তক্ষেপ করবনা।” সেই সঙ্গে তিনি রাজ্য প্রশাসনের ডিজিকে এই রাজনৈতিক আক্রমণের ঘটনায় রিপোর্ট চেয়েছেন। রাজ্যে কোনও রকম অশান্তি কাম্য নয় বলে জানান তিনি। একই ভাবে আগের বারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যে মনোনয়ন থেকে ভোট দেওয়া এবং ফলাফল ঘোষণা থেকে ভোট পরবর্তী সময় পর্যন্ত ব্যাপক সন্ত্রাসের কথা মনে করিয়ে দেন। কোনও ভাবেই যে হিংসাকে বরদাস্ত করবেন না সেই বিষয়ে স্পষ্ট করে দেন তিনি। রাজ্যে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন বিষয়ে কড়া অবস্থান নিয়েছ তিনি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Amrita Sinha: বেআইনি নির্মাণ নিয়ে কড়া নির্দেশ বিচারপতি অমৃতা সিনহার, কী বললেন তিনি?

    Justice Amrita Sinha: বেআইনি নির্মাণ নিয়ে কড়া নির্দেশ বিচারপতি অমৃতা সিনহার, কী বললেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেআইনি নির্মাণ নিয়ে কঠোর অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। হাওড়ার একটি বেআইনি নির্মাণের ঘটনায় প্রোমোটারকে ২ লক্ষ টাকা জরিমানার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি আগামী তিনমাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট আবাসনের বাসিন্দাদের আবাসন খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা (Justice Amrita Sinha)। তারপরই আবাসনটি ভেঙে ফেলার নির্দেশও দিয়েছেন বিচারপতি।

    হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    গার্ডেনরিচ (Garden Reach) বিপর্যয়ে এখনও পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে এখনও আটকে থাকার আশঙ্কা রয়েছে। ভয়াবহ এই ঘটনার পরই বেআইনি নির্মাণ নিয়ে কঠোর পদক্ষেপ করল হাইকোর্ট। গার্ডেনরিচের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে বুধবার বিচারপতি অমৃতা সিনহা বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে কড়া পর্যবেক্ষণ ব্যক্ত করলেন। তিনি বলেন, ‘‘বেআইনি নির্মাণের সঙ্গে যুক্তদের ভাল শিক্ষা দিতে হবে। যাতে আগামীতে বেআইনি নির্মাণ বন্ধ হয়’। বিচারপতি অমৃতা সিনহার (Justice Amrita Sinha) মন্তব্য, ‘আদালত চোখ বন্ধ করে বসে থাকতে পারে না, বিচার না দিলে অন্যায় করা হবে। সিঙ্গেল বেঞ্চের নির্দেশের উপর ডিভিশন বেঞ্চের কোন স্থগিতাদেশ নেই।’’ শুধু তাই নয়, ১ লাখ টাকা জরিমানা দিতে না চাওয়া অভিযুক্তের জরিমানা বাড়িয়ে ২ লাখ টাকা করল আদালত। বাড়ি ভাঙার নির্দেশ কার্যকর করতে পুরসভার আপ-টু-ডেট যন্ত্রপাতি রয়েছে কিনা তাও এদিন জানতে চান বিচারপতি।  এ বিষয়ে পুর কমিশনারের থেকে ৯ এপ্রিলের মধ্যে হলফনামা তলব করেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ভোটের কালি সহজে ওঠে না, জানেন কোথায় তৈরি হয় এই বিশেষ রঙ?

    কড়া নির্দেশ বিচারপতির

    আদালত (Calcutta High Court) সূত্রে জানা গেছে, হাওড়ার কালীপ্রসাদ চক্রবর্তী লেনে কোনরকম অনুমোদন ছাড়াই তৈরি হয়েছিল একটি পাঁচতলা আবাসন। শুধু তাই নয় সেই আবাসনটির প্রত্যেকটি ফ্ল্যাট ৩০ থেকে ৪০ লক্ষ টাকা দরে বিক্রি করে দেয় প্রোমোটার। নির্মাণটিকে কেন্দ্র করে মামলা দায়ের হয়। অভিযোগ, মামলা চলাকালীনই একতলা থেকে সেটিকে পাঁচ তলায় রূপান্তরিত করে দেন প্রোমোটার। এদিন মামলার শুনানিতে গার্ডেনরিচের প্রসঙ্গ উত্থাপন করে বিচারপতি বলেন, ‘আদালত এতদিন নরম ছিল তাই এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। যে পরিস্থিতি এসে দাঁড়িয়েছে তাতে আদালত আর কোন বেআইনি নির্মাণকে রেয়াত করবে না।’ আবাসনের বাসিন্দারা এদিন আদালতের কাছে অতিরিক্ত সময় চান। তাঁদের দাবি ছিল, ব্যাঙ্ক লোন করে সর্বস্ব দিয়ে ফ্ল্যাটগুলি কিনেছেন। ফ্ল্যাটটি খালি করতে তাঁদের অন্তত এক বছর সময় দেওয়া হোক। কিন্তু সেই আবেদন পত্রপাঠ খারিজ করে দিয়েছেন বিচারপতি (Justice Amrita Sinha)। ২ এপ্রিল মামলার পরবর্তী শুনানি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India Economy: পরের অর্থবর্ষে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির হার হতে পারে ৬.৮ শতাংশ, বলছে ‘এস অ্যান্ড পি’

    India Economy: পরের অর্থবর্ষে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির হার হতে পারে ৬.৮ শতাংশ, বলছে ‘এস অ্যান্ড পি’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী অর্থবর্ষে ভারতের (India Economy) আর্থিক বৃদ্ধি হতে পারে ৬.৮ শতাংশ। অন্তত এমনই ইঙ্গিত দিল এস অ্যান্ড পি গ্লোবাল মার্কেট ইন্টেলিজেন্স। এর আগে এই সংস্থাই জানিয়েছিল ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারতের বৃদ্ধির হার হতে পারে ৬.৬ শতাংশ। এখন তারাই জানাল, বৃদ্ধির হার হতে পারে ৬.৮ শতাংশ।

    অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার (India Economy)

    এস অ্যান্ড পি গ্লোবাল মার্কেট ইন্টেলিজেন্স জানিয়েছে, এই সময় বিশ্বব্যাপী আর্থিক বৃদ্ধির গড় হার হতে পারে ২.৩ শতাংশ থেকে ২.৬ শতাংশ। সংস্থার (India Economy) তরফে বলা হয়েছে, ‘‘২০২৪ অর্থবর্ষের পূর্বাভাস আমরা পুনর্মূল্যায়ন করছি। বৃদ্ধির ক্ষেত্রে যা আশা করা হয়েছিল, ভারতের বৃদ্ধি তার চেয়েও বেশি হবে। বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক পরিবেশের উন্নতি এবং গৃহস্থের অর্থনৈতিক অবস্থার ভিত্তিতে চলবে অর্থনৈতিক কাজকর্ম।’’

    ‘মুডি’জ-এর ইঙ্গিত

    ঠিক একদিন আগেই ভারতের বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিয়েছিল মুডি’জ নামে আরও একটি সংস্থা। ভারতের বৃদ্ধির পূর্বাভাস করতে গিয়ে তারা জানিয়েছিল, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারতে বৃদ্ধির পরিমাণ ৬.৬ শতাংশ থেকে বেড়ে হবে ৮ শতাংশ। মুডি’জ বলেছিল, জি২০-র প্রধান দেশগুলির মধ্যে দ্রুততম বৃদ্ধি হবে ভারতের। এ দেশের প্রকৃত জিডিপি বৃদ্ধি হতে পারে প্রায় ৮ শতাংশ। মার্চে যে অর্থবর্ষ শেষ হবে, সেখানেই বৃদ্ধির পরিমাণ হবে ৮ শতাংশ। গত অর্থবর্ষে এর পরিমাণ ছিল ৭ শতাংশ।

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালিতে মহিলাদের তাড়া খেয়ে ছুটে ঘরে ঢুকে প্রাণ বাঁচালেন দুই তৃণমূল নেতা

    সরকারি মূলধন ব্যয় ও উচ্চ অভ্যন্তরীণ চাহিদা ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধিকে জোরালো করবে। অধিকন্তু, বৈশ্বিক বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধির কারণেই পোক্ত হয়েছে ভারতীয় অর্থনীতির ভিত। অক্টোবর-ডিসেম্বরে দেশ রেজিস্টার্ড করেছিল ৮.৪ শতাংশ জিডিপি। ম্যানুফ্যাকচারিং, ইলেকট্রিসিটি এবং নির্মাণ শিল্পে জিডিপির বৃদ্ধি এক লাফে বেড়ে গিয়েছে অনেকখানি। এস অ্যান্ড পি গ্লোবাল মার্কেট ইন্টেলিজেন্স জানিয়েছে, বৈশ্বিক বৃদ্ধি ২.৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ২.৬ শতাংশ হবে। আমেরিকা, ব্রিটেন এবং ভারতের জিডিপির হার বাড়বে বলেই জানিয়েছে এই সংস্থা (India Economy)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Elections 2024: ভোটের কালি সহজে ওঠে না, জানেন কোথায় তৈরি হয় এই বিশেষ রঙ?

    Lok Sabha Elections 2024: ভোটের কালি সহজে ওঠে না, জানেন কোথায় তৈরি হয় এই বিশেষ রঙ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিয়রে ১৮তম লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024)। আগামী ১৯ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে এই ভোট যুদ্ধ। সাত দফার এই লম্বা ভোটপর্ব চলবে ৪ জুন পর্যন্ত৷ ভোট দিলেই হাতে লাগিয়ে দেওয়া হয় কালি, যা আপনার নাগরিকত্বের একটা প্রমাণ। তবে ভোট দেওয়ার সময় হাতের আঙুলে যে কালি লাগানো হয়, তা কে বা কারা তৈরি করেন,জানতে ইচ্ছে করে তো! ১৯৬২ সাল থেকে মাইসোর পেইন্টস অ্যান্ড বার্নিশ লিমিটেড (Mysore Paints) অথবা এমপিভিএল এই ভোটের কালি তৈরি করে আসছে৷ 

    এই সংস্থার পরিচয়

    ভোট প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করতে ১৯৬২ সালে প্রথমবার এই কালি ভোটারদের আঙুলে লাগানো শুরু হয়৷ যেহেতু এই কালি সহজে মোছে না, তাই একজন ভোটার যাতে দু বার ভোট (Lok Sabha Elections 2024) না দিতে পারেন তা নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা করে নির্বাচন কমিশন৷ সেই সময় থেকেই এই কালি তৈরি করছে মাইসোর পেইন্টস অ্যান্ড বার্নিশ লিমিটেড। এটি কর্ণাটক সরকারের অধীনস্ত একটি সংস্থা৷ ১৯৩৭ সালে এই সংস্থা শুরু হয়৷ শুধু ভারত নয়, আরও ২৫টি দেশে এই সংস্থা ভোটের কালি রফতানি করে। এবারও নির্বাচন প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ২৬ লক্ষ ভায়াল (শিশি) কালি তৈরির বরাত পেয়েছে ‘দ্য মাইসোর পেইন্টস অ্যান্ড বার্নিশ লিমিটেড’৷ এমনিতে এই কালি খোলা বাজারে বিক্রি হয় না। নির্বাচন কমিশন বরাত দিয়ে এই কালি বানায়।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে ৩ বিজেপি কর্মীর খুনে অভিযুক্ত শাহজাহান, কেস ডায়েরি তলব হাইকোর্টের

    কোন ফর্মুলায় তৈরি

    কোন ফর্মুলায় এই ভোটের কালি (Lok Sabha Elections 2024) তৈরি করা হয়, তা এমপিভিএল গোপন রাখে৷ ন্যাশনাল ফিজিক্যাল ল্যাবরেটরির সহায়তায় এই ভোটের কালি তৈরি করে এমপিভিএল৷ যাঁরা এই কালি তৈরিতে যুক্ত, তাঁরাও গোটাটা জানেন না। একেক জন এক একেকটি অংশ জানেন। ‘সবে মিলে করি কাজ’ ফর্মুলায় তৈরি হয় ভোটের কালি। এই কালি ভোটদানের চিহ্নস্বরূপ সাধারণ মানুষের বাঁ-হাতের তর্জনীতে লাগানো হয়৷ এমপিভিএল-এর তৈরি এই বিশেষ কালি এক একটি ছোট শিশিতে ১০ এমএল করে থাকে৷ তা দিয়ে প্রায় ৭০০ জনের আঙুলে কালি লাগানো যায়। ভোটে কালির এই দশ এমএল-এর শিশির দাম ১২৭ টাকা। আগে, কালি কাঁচের শিশিতে সরবরাহ করা হলেও এখন প্লাস্টিকের বোতল ব্যবহার করা হয়৷ কালিতে সিলভার নাইট্রেট থাকে, যা ত্বকের সংস্পর্শে এসে কালো হয়ে যায়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Recruitment Case: শুনানি শেষ এসএসসি নিয়োগ মামলার, কী বললেন বিচারপতি?

    SSC Recruitment Case: শুনানি শেষ এসএসসি নিয়োগ মামলার, কী বললেন বিচারপতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে চলা শুনানি শেষ হল বুধবার। প্রতিদিন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রসিদির ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হয়েছে এসএসসি নিয়োগ মামলার (SSC Recruitment Case)। শুনানি শেষ হলেও, স্থগিত রয়েছে রায় ঘোষণা।

    ‘অতিরিক্ত নিয়োগ বাতিল হওয়া উচিত’ (SSC Recruitment Case)

    সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, এদিন আদালত যে মন্তব্য করেছে, তাতেই রায়ের ইঙ্গিত রয়েছে। প্রসঙ্গত, এদিন শুনানি শেষে বিচারপতি বসাক বলেন, “এই নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে ভালো কিছু খুঁজে পাওয়া কঠিন। অতিরিক্ত নিয়োগ সরাসরি বাতিল হওয়া উচিত।” প্রসঙ্গত, এসএসসিতে বহু বেআইনি নিয়োগ হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এসএসসি নিয়োগ (SSC Recruitment Case) সংক্রান্ত একাধিক মামলা দীর্ঘদিন ধরে কলকাতা হাইকোর্টের বিভিন্ন বেঞ্চে ঘোরাফেরা করছে।

    রায় ঘোষণা মুলতুবি

    বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (অধুনা অবসরপ্রাপ্ত), বিচারপতি অমৃতা সিনহা সহ আদালতের সিঙ্গল বেঞ্চ, ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হয়েছে এই মামলার। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এসএসসি সংক্রান্ত মামলা শুনানির জন্য গঠিত হয় বিশেষ বেঞ্চ। বিশেষ বেঞ্চকে ছ’মাসের মধ্যেই শুনানি শেষ করতে বলেছিল দেশের শীর্ষ আদালত। তার পর থেকে প্রতিদিনই শুনানি হয়েছে এই মামলার। এই বেঞ্চেই এদিন শেষ হয় শুনানি। যদিও রায় ঘোষণা মুলতুবি রেখেছে হাইকোর্ট।

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালিতে মহিলাদের তাড়া খেয়ে ছুটে ঘরে ঢুকে প্রাণ বাঁচালেন দুই তৃণমূল নেতা

    এদিন মামলাকারীদের পক্ষে আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য ও ফিরদৌস শামিম সওয়াল করতে গিয়ে বলেন, “এটি একটি সুপরিকল্পিত অপরাধ। শূন্যপদের চেয়েও বেশি সংখ্যক ব্যক্তিকে নিয়োগ করা হয়েছে। এই বেআইনি নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের টাকা নয়ছয় করা হয়েছে। প্রশাসনিক স্তরে যুক্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ করা উচিত। ওই সব দুর্নীতির টাকা ফেরানোর ব্যবস্থা করা উচিত।” বিকাশের বক্তব্য, “এই দুর্নীতির ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ করা উচিত আদালতের। তা না হলে এই ধরনের অপরাধ প্রবণতা কমবে না। অপরাধীরা এই ধরনের অপরাধ করতেই থাকবে।”

    এদিন মামলাকারীদের আইনজীবীরা অতিরিক্ত নিয়োগের খতিয়ানও প্রকাশ করেছেন। তাতে দেখা গিয়েছে, ২০১৬ সালে নবম-দশমের শিক্ষক নিয়োগে কমিশনের তরফে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছিল ১১ হাজার ৪২৫ জনের। সেবার পর্ষদ নিয়োগপত্র দিয়েছিল ১২ হাজার ৯৬৪টি। যার অর্থ, বাড়তি নিয়োগ হয়েছে ১ হাজার ৫৩৯ জনের। ওই বছরই একাদশ-দ্বাদশে বাড়তি নিয়োগ হয়েছে ১৯৯ জনের। গ্রুপ-ডি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে ৬৬৯ জনকে অতিরিক্ত নিয়োগ করা হয়। গ্রুপ-সি পদে বাড়তি নিয়োগ হয়েছিল ৪১৬জন (SSC Recruitment Case)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Made In India: পিছিয়ে পড়ছে চিন, বিশ্ববাজারে বিপুল পরিমাণ খেলনা রফতানি করছে ভারত

    Made In India: পিছিয়ে পড়ছে চিন, বিশ্ববাজারে বিপুল পরিমাণ খেলনা রফতানি করছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথায় বলে, “কারও সর্বনাশ, তো কারও পৌষ মাস।” বহুল প্রচলিত এই প্রবাদ বাক্যটি কিঞ্চিৎ সংধোধন করে বলাই যায়, “চিনের সর্বনাশ, ভারতের পৌষ মাস।” ভনিতা ছেড়ে ফেরা যাক কাজের কথায়। এতদিন বিশ্ববাজারে (Made In India) একচেটিয়া রাজ করছিল চিনে খেলনা। সেই বাজারে গুঁড়ি মেরে থাবা বসাচ্ছিল ভারত।

    বিশ্ব বাজার দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ভারত (Made In India)

    বর্তমানে চিনকে টপকে বিশ্ব বাজার দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ভারতে তৈরি খেলনা। ১৫ অর্থবর্ষ থেকে ২৩ অর্থবর্ষ – এই সময়সীমার মধ্যে বিশ্বে ভারতের খেলনা রফতানির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩৯ শতাংশ। আমদানি কমে গিয়েছে ৫২ শতাংশ। ভারতে খেলনা বিক্রি করতে গেলে ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্সের অনুমোদন প্রয়োজন। তাছাড়া বেসিক কাস্টমস ডিউটি বাড়ানো হয়েছে ৭০ শতাংশ। তার জেরেই পিছিয়ে পড়ছে চিন, চুটিয়ে ব্যবসা করছে ভারতীয় খেলনা কোম্পানিগুলি। মুনাফা ভালো হওয়ায় ভারতে দিন দিন বাড়ছে খেলনা কারখানাও।

    কমেছে চিন নির্ভরতা 

    খেলনাশিল্প সূত্রে খবর, স্পিন মাস্টা, হাসব্রো, ম্যাট্টেলের গ্লোবাল ব্যান্ড খেলনা উৎপাদনকারী সংস্থাগুলি সোর্সিংয়ের জন্য নির্ভর করত ইটালিয়ান মেজর ড্রিম প্লাস্ট, মাইক্রোপ্লাস্ট এবং ইনকাসের। এতদিন এরা চায়না খেলনার ওপর নির্ভর করত। বর্তমানে চিন-প্রীতি ছেড়ে ভারতীয় খেলনার প্রতি আগ্রহী হচ্ছে তারা। চিনে খেলনার ওপর এতদিন নির্ভর করত ভারতও (Made In India)। বর্তমানে চিন নির্ভরতা কমেছে ৮০ শতাংশ। চেন্নাই ভিত্তিক ফানস্কুলের মুখ্য কার্য নির্বাহী আধিকারিক আর জেসওয়ান্ত বলেন, “বিআইএস চিনা ক্ষমতার অনুমোদন দেবে বলে আমি মনে করি না। চিন থেকে খেলনা আমদানি কমেছে। দেশীয় খেলনার উৎপাদন বাড়ায় কমেছে আমদানি।

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালির মডেল এবার মুর্শিদাবাদে, জমি হাতানোয় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    ১০ বছর আগেও ভারত থেকে সোর্সিং হত দৈবাৎ। আর এখন অনেক কোম্পানিই ভারতে সেটআপ তৈরি করেছে।” কেবল খেলনা নয়, ফানস্কুল এমআরএফ নামের টায়ারও উৎপাদন করে। এই কোম্পানিই এখন ভারতে তৈরি খেলনা পাঠাচ্ছে হাসব্রো, স্পিন মাস্টার, ফ্লেয়ার, আর্লি লার্নিং সেন্টার এবং ড্রুমন্ড পার্ক গেমসকে। দিল্লি ভিত্তিক আমদানি-রফতানিকারী সংস্থা আরপি অ্যাসোসিয়েটসের মালিক পবন গুপ্তা বলেন, “ভারতে খেলনা উৎপাদন বাড়ছে। অনেকে ভারতে তাঁদের সেটআপ তৈরি করেছেন। বহু ক্রেতা যারা এতদিন চিন থেকে সোর্সিং করত, তারা এখন চিনের থেকে মুখ ফিরিয়ে অন্য দেশের দিকে তাকাচ্ছে। এদের মধ্যে ভারতও রয়েছে।” তিনি বলেন, “এই তালিকায় মাইক্রোপ্লাস্ট, ড্রিম প্লাস্ট এবং ইনকাসের মতো অনেক বড় বড় কোম্পানিও রয়েছে (Made In India)

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

     

  • Delhi Capitals: ফের বাইশ গজে, দিল্লি ক্যাপিটালসের অধিনায়ক পদে ফিরলেন ঋষভ পন্থ

    Delhi Capitals: ফের বাইশ গজে, দিল্লি ক্যাপিটালসের অধিনায়ক পদে ফিরলেন ঋষভ পন্থ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাড়ি দুর্ঘটনার পর ১৪ মাসের দীর্ঘ লড়াই শেষে ক্রিজে ফিরছেন ঋষভ পন্থ (Rishabh Pant)। প্রায় বছর দেড়েক গাড়ি দুর্ঘটনার কারণে মাঠের বাইরে ছিলেন ঋষভ পন্থ (Rishabh Pant)। কিন্তু আইপিএল (IPL 2024) শুরুর আগে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির ফিটনেস সার্টিফিকেট পেয়ে গিয়েছেন তিনি। বোর্ডের ছাড়পত্র পাওয়ার পরই সরকারিভাবে পন্থকে দলের অধিনায়ক ঘোষণা করেছে দিল্লি ক্যাপিটালস (Delhi Capitals)।  

    পন্থেই আস্থা দিল্লির

    দিল্লি ক্যাপিটালসের (Delhi Capitals) ক্রিকেট প্রধান সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় আগেই জানিয়েছিলেন, পন্থ (Rishabh Pant) ফিরলে তিনিই হবে অধিনায়ক। আর সেটাই হল। মঙ্গলবার রাতে ঋষভকে দলের অধিনায়ক হিসেবে ঘোষণা করে দিল দিল্লি ম্যানেজমেন্ট। দলের সহ কর্ণধার পার্থ জিন্দাল বলেন, ‘আমরা ঋষভ পন্থকে আনন্দের সঙ্গে আমাদের অধিনায়ক হিসেবে স্বাগত জানাচ্ছি। ভয়ডরহীনভাবে ও সবসময় ক্রিকেট খেলেছে এবং এটা ও সুস্থ হওয়ার লড়াইয়েও দেখিয়েছে। ও দলের সঙ্গে ম্যাচ খেলতে হেঁটে আসছে এটা দেখার জন্য আমি অপেক্ষায় আছি।’ দিল্লির অপর কর্ণধার কিরণ কুমার গ্র্যান্ডিও একই কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘নিজের জীবনের অন্যতম চ্যালেঞ্জিং সময়ে ঋষভ দুর্দান্ত লড়াই করেছে। আমার কোনও দ্বিধা নেই যে ওর কামব্যাকের ফলে ওর সতীর্থরা মানসিক দিক থেকে চাঙ্গা থাকবে এবং নতুন মরশুমের দিকে তাকিয়ে থাকবে। অধিনায়ক ঋষভ পন্থ তোমাকে আমাদের শুভেচ্ছা।’

    পন্থের প্রত্যাবর্তন

    ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে গাড়ি চালিয়ে বাড়ি ফেরার সময় দুর্ঘটনার শিকার হন পন্থ (Rishabh Pant)। ১৪ মাস তিনি প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলতে পারেননি। তবে আইপিএলের (IPL 2024) মাধ্যমেই তিনি ক্রিকেটে প্রত্য়াবর্তন ঘটাতে চলেছেন। বিশাখাপত্তনমে জোরকদমে দিল্লির হয়ে অনুশীলন সারার পাশাপাশি পন্থ কিন্তু সতীর্থ, কোচ পন্টিংয়ের সঙ্গে বেশ খোশমেজাজে আড্ডাও দেন। ২৩ মার্চ পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে নিজেদের মরশুম শুরু করছে দিল্লি ক্যাপিটালস। সেই ম্যাচেই পন্থের প্রত্যাবর্তন ঘটতে চলেছে। লোকসভা নির্বাচনের জন্য আইপিএল-এর প্রথম পর্বে দিল্লি ক্যাপিটালস (Delhi Capitals) অবশ্য দিল্লিতে ম্যাচ খেলতে পারবে না। 

    আরও পড়ুন: রাত থেকেই ভিজছে শহর, আগামী তিন দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tax Revenue: দেশে প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহের পরিমাণ বাড়ল ২০ শতাংশ, কত হল জানেন?

    Tax Revenue: দেশে প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহের পরিমাণ বাড়ল ২০ শতাংশ, কত হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ল প্রত্যক্ষ কর (Tax Revenue) সংগ্রহের পরিমাণ। রিফান্ড বাবদ করদাতাদের প্রাপ্য বাদ দিয়ে সরকারের নেট প্রত্যক্ষ কর বাবদ আয় বেড়েছে বার্ষিক ১৯.৮৮ শতাংশ। টাকার অঙ্কে পরিমাণ দাঁড়ায় ১৮.৯ লক্ষ কোটি। সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ডিরেক্ট ট্যাক্স দফতরের তরফে রবিবার এ খবর জানানো হয়েছে।

    প্রত্যক্ষ কর বাবদ আয় (Tax Revenue)

    গত অর্থবর্ষে প্রত্যক্ষ কর বাবদ আয় হয়েছিল ১৫.৭৬ লক্ষ কোটি টাকা। চলতি অর্থবর্ষে সেটাই বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮.৯ লক্ষ কোটি টাকা। নেট ডিরেক্ট ট্যাক্স রিসিপ্টস বেড়েছে ৯৭ শতাংশ (Tax Revenue)। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন চলতি অর্থবর্ষে প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রার পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে ভোট অন অ্যাকাউন্ট পেশ করতে গিয়ে তিনি যে প্রেজেন্টেশন দিয়েছিলেন, তাতেই বাড়িয়ে দিয়েছিলেন লক্ষ্যমাত্রার পরিমাণ।

    অর্থনৈতিক বৃদ্ধির পরিমাণ

    সরকারি সূত্রে খবর, চলতি অর্থবর্ষে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ধরা হয়েছিল ৭.৬। কিন্তু সরকারি অর্থনীতিবিদরা যা অনুমান করেছিলেন, বৃদ্ধি হয়েছে তার চেয়েও বেশি। পরবর্তী অর্থবর্ষে সরকারের অনুমান প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহের পরিমাণ বাড়বে ১৩ শতাংশ। টাকার অঙ্কে এর পরিমাণ হবে ২১.৯৮ লক্ষ কোটি। যাঁরা অ্যাডভান্স ট্র্যাক্স দেন, তাঁদের চতুর্থ ইনস্টলমেন্ট দেওয়ার কথা ছিল ১৫ মার্চ। এজন্য প্রত্যক্ষ কর কর্তৃপক্ষ ই-মেলের মাধ্যমে ই-ক্যাম্পেন করেছিলেন। তাতে যে কাজ হয়েছে প্রত্যক্ষ কর বৃদ্ধির পরিমাণই তা বলে দিচ্ছে।

    আরও পড়ুুন: মহুয়ার বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ লোকপালের, ৬ মাসের মধ্যে রিপোর্ট পেশ

    ভোট অন অ্যাকাউন্ট পেশের দিন সংসদে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণও বলেছিলেন, “গত ১০ বছরে প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহ বেড়েছে প্রায় ৩ গুণ। রিটার্ন দাখিলকারীর সংখ্যা বেড়েছে ২.৪ গুণ।” তিনি এও বলেছিলেন, “নয়া কর ব্যবস্থায় করের হার কমানো হয়েছে। যুক্তিসম্মত করা হয়েছে কর ব্যবস্থাকেও। এখন ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের ক্ষেত্রে কোনও কর দিতে হয় না। দেশীয় সংস্থাগুলির জন্য কর্পোরেট করের হার ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২২ শতাংশ করা হয়েছে। উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত কিছু কিছু নতুন সংস্থার ক্ষেত্রে তা ১৫ শতাংশে নামিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে।” টিডিএস এবং অ্যাডভান্স ট্যাক্সের বিষয়টি কর সংগ্রহের একটি জটিল উপাদান। জানা গিয়েছে, টিডিএস থেকে আয় হয়েছে ১০.৪৪ ট্রিলিয়ন টাকা এবং অ্যাডভান্স ট্যাক্সের কনট্রিবিউশন ৯.১ ট্রিলিয়ন টাকা (Tax Revenue)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • IT Raids: বৃষ্টিভেজা সকালে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপের বাড়িতে আয়কর হানা, বাড়ির সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    IT Raids: বৃষ্টিভেজা সকালে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপের বাড়িতে আয়কর হানা, বাড়ির সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেঘলা আকাশ, বৃষ্টিভেজা সকালে রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের (Arup Biswas) ভাই স্বরূপ বিশ্বাসের বাড়িতে হানা দিল আয়কর দফতর (IT Raids)। তাঁর নিউ আলিপুরের বাড়িতে গিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছেন আয়কর দফতরের আধিকারিকেরা। বাড়ির বাইরে মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। বুধবার ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের নিয়ে আয়কর দফতরের আধিকারিকরা স্বরূপ বিশ্বাসের বাড়িতে যান। কেবলমাত্র স্বরূপ বিশ্বাসের বাড়িতে নয়, কলকাতার আরও ২ প্রমোটারের বাড়িতেও আয়কর দফতরের আধিকারিকরা তল্লাশি চালাচ্ছেন। 

    কেন স্বরূপের বাড়িতে তল্লাশি

    আয়কর দফতর (IT Raids) সূত্রে খবর, বুধবার সকাল থেকে কলকাতার মোট পাঁচ জায়গায় তল্লাশি চলছে। স্বরূপ বিশ্বাসের নিউ আলিপুরের বাড়িতে কাকভোরেই দরজায় টোকা দেন কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকরা। প্রথমেই স্বরূপের গোটা বাড়ি ঘিরে ফেলে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এরপর বাড়ির ভিতরে ঢোকেন আয়কর আধিকারিকরা। ট্যাক্সের বিভিন্ন কাগজপত্র ঘেঁটে দেখছেন তাঁরা। ট্যাক্স সঠিকভাবে না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে মন্ত্রীর ভাইয়ের বিরুদ্ধে। তাঁর বাড়ির সামনে তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা ভিড় জমিয়েছেন। বাড়ির ভিতরে স্বরূপ বিশ্বাস ও তাঁর স্ত্রী জুঁই বিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলছেন আধিকারিকরা। তাঁদের আয়কর রিটার্নে বেশ কিছু গড়মিল রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে আয়কর দফতর সূত্রে জানা যাচ্ছে। 

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে ৩ বিজেপি কর্মীর খুনে অভিযুক্ত শাহজাহান, কেস ডায়েরি তলব হাইকোর্টের

    কোথায় কোথায় তল্লাশি

    কলকাতার আরও পাঁচ জায়গায় বুধবার তল্লাশি চালাচ্ছেন আয়কর আধিকারিকরা (IT Raids)। ইডেন রিয়েল এস্টেট ও মাল্টিকন রিয়েল এস্টেটের বিভিন্ন ঠিকানাতে চলছে আয়কর তল্লাশি। ওই দুই সংস্থার উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের বাড়িতেও হানা দিয়েছেন আয়কর দফতরের অফিসাররা। এই দুটি সংস্থার বিরুদ্ধে কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। বেহালার পর্ণশ্রী এলাকার কয়েকটি জায়গাতেও তল্লাশি চলছে। রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস টালিগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক। টালিগঞ্জের সিনেমাপাড়ায় অরূপের যথেষ্ট প্রভাব আছে বলে শোনা যায়। স্বরূপ টলিউডের কলাকুশলীদের একটি সংগঠনের নেতা। তাই শাসকদলের প্রভাবশালী এই নেতার বিরুদ্ধে আটঘাঁট বেঁধেই তলাশি চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে ৩ বিজেপি কর্মীর খুনে অভিযুক্ত শাহজাহান, কেস ডায়েরি তলব হাইকোর্টের

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে ৩ বিজেপি কর্মীর খুনে অভিযুক্ত শাহজাহান, কেস ডায়েরি তলব হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ৩ বিজেপি সমর্থককে পিটিয়ে মারার অভিযোগ রয়েছে শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বিরুদ্ধে। সেই মামলার শুনানিতে এবার ঘটনার কেস ডায়েরি তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। আগামী শুক্রবার এই মামলার পরবর্তী শুনানিতে কেস ডায়েরি আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ততদিন নিম্ন আদালতের বিচারপ্রক্রিয়া স্থগিত থাকবে। ওই ঘটনার এফআইআর-এ নাম থাকলেও, চার্জশিট থেকে শেখ শাহজাহানের নাম বাদ দিয়েছিল রাজ্য পুলিশ। 

    কোন ঘটনার কেস ডায়েরি

    ২০১৯ সালে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ৩ বিজেপি কর্মী সুকান্ত মণ্ডল, তপন মণ্ডল ও প্রদীপ মণ্ডলকে পুলিশের উপস্থিতিতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে খুন করে শাহজাহানের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। পরিবারের দাবি, ৩ নিহতের মধ্যে ২ জনের দেহ এখনও পাওয়া যায়নি। সেই ঘটনায় শাহজাহানসহ একাধিক দুষ্কৃতীর নামে এফআইআর দায়ের হয়। প্রাথমিকভাবে শাহজাহানকে অভিযুক্ত করা হলেও পরে পুলিশ আদালতে আবেদন করে তার নাম অভিযুক্তের তালিকা থেকে বাদ দেয়। কিন্তু স্থানীয়দের দাবি, ওই ঘটনার পর বেশ কিছুদিনের জন্য গায়েব হয়ে গিয়েছিল শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। পরে ফের তাকে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা যায়।

    আরও পড়ুন: রাত থেকেই ভিজছে শহর, আগামী তিন দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে

    হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    বিজেপির দাবি ছিল, অভিযোগপত্রে নাম থাকা সত্ত্বেও শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) নাম ছিল না চার্জশিটে। এই সংক্রান্ত এক মামলার শুনানির সময়ে কলকাতা হাইকোর্টে রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছিল, গত ৪ বছরে ৪৩ টি এফআইআর হয়েছে, যার মধ্যে ৪২টি মামলায় চার্জশিট পেশ হয়েছিল। কিন্তু আদালত বিস্ময় প্রকাশ করেছিল যে, ৪২টি মামলার চার্জশিট দিতে কেন ৪ বছর সময় লেগেছে। নিহত তপন মণ্ডলের পরিবারের দাবি, ঘটনার দিন পুলিশের উপস্থিতিতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয় তপনবাবুকে। এর পর সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শাহজাহানের লোকেরা তার ভেড়ির মাঝখানে নিয়ে গিয়ে তপনকে নৃশংসভাবে মারধর করে। এর পর একের পর এক গুলি করা হয় তপনবাবুকে। এমনকী তাঁর ২টি চোখেও গুলি করে দুষ্কৃতীরা। ঘটনার পর থেকে ঘরছাড়া নিহতদের পরিবার। হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তাঁরা। এবার সেই ঘটনারই কেস ডায়েরি চেয়ে পাঠাল কলকাতা হাইকোর্ট। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share