Tag: Madhyom

Madhyom

  • Snowfall in Sikkim: তুষারপাতের জেরে বিপর্যস্ত সিকিম! নাথুলার পথে আটকে কয়েক হাজার পর্যটক, উদ্ধারকাজ চলছে

    Snowfall in Sikkim: তুষারপাতের জেরে বিপর্যস্ত সিকিম! নাথুলার পথে আটকে কয়েক হাজার পর্যটক, উদ্ধারকাজ চলছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আচমকা তুষারপাতে বিপর্যস্ত সিকিম (Snowfall in Sikkim)। মঙ্গলবার ছাঙ্গু লেকের কাছে শেরথাং এলাকায় প্রবল তুষারপাতের জেরে আটকা পড়েন দেশ-বিদেশের কয়েক হাজার পর্যটক। পর্যটন দফতর সূত্রের খবর, ১৫ মাইল এলাকা থেকে ছাঙ্গুর মাঝে বরফের স্তূপে আটকে পড়ে ৫৪১টি গাড়ি। রাস্তায় গাড়ির দীর্ঘ লাইন। অনেকে আবার গাড়িতেও আটকে রয়েছেন। তবে ধীরে ধীরে তাঁদের উদ্ধারের কাজ শুরু হয়েছে। বুধবার সকালে পূর্ব সিকিম থেকে ২৭০০ জন পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে। তুষারপাতের আনন্দ উপভোগ করতে গিয়ে বিপাকে পড়া পর্যটকেরা এখন উদ্ধারের অপেক্ষা করছেন।

    ২,৭৩৬ জন পর্যটক উদ্ধার

    জানা গিয়েছে, সিকিমের হাড়কাঁপানো ঠান্ডার মধ্যে সব মিলিয়ে প্রায় ২,৭৩৬ জন পর্যটক কার্যত বন্দি হয়ে পড়েছিলেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তড়িঘড়ি ময়দানে নামে সিকিম প্রশাসন। পর্যটন দফতর, পুলিশ ও বিআরও-এর জওয়ানরা স্থানীয় চালক ও বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। প্রতিকূল আবহাওয়ার তোয়াক্কা না করেই পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে আনার কাজ চলে। এই ঘটনায় কোনও প্রাণহানি বা বড় বিপত্তি ঘটেনি। এই সাফল্যের জন্য সিকিম পুলিশ থেকে শুরু করে স্থানীয় চালক সংগঠন- সকলকেই ধন্যবাদ জানিয়েছে পর্যটন দফতর। প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, শেরথাং-এ প্রবল তুষারপাত হচ্ছে। ওই এলাকার রাস্তাগুলিতেও কয়েক ইঞ্চি বরফের পুরু আস্তরণ পড়েছে। ফলে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

    তুষারপাত নিয়ে সতর্কতা

    রাজ্য পর্যটন দফতরের তরফে পর্যটক এবং পর্যটন সংস্থাগুলিকে আবহাওয়া সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য অনুসরণ করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তুষারপাতপ্রবণ এলাকায় ভ্রমণের সময় গাড়িতে বাধ্যতামূলক ভাবে ‘স্নো চেন’ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আগামী দিনে এমন পরিস্থিতি এড়াতে পর্যটক ও ট্রাভেল এজেন্সিগুলির জন্য কড়া নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। অন্যদিকে, মঙ্গলবার ২৪ ফেব্রুয়ারি ছিল মরশুমের প্রথম তুষারপাত। সাদা চাদরে ঢেকে গেল উত্তরবঙ্গের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ সান্দাকফু। ভোর হওয়ার পর থেকেই হালকা তুষারপাত শুরু হয়, যা বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গোটা পাহাড়ি অঞ্চলকে এক মনোরম শীতের আবহে মুড়ে দেয়।

  • Lashkar-e-Taiba Attack: ২৬/১১-র ধাঁচে সামুদ্রিক পথে জঙ্গি হামলার হুমকি লস্করের! পশ্চিম উপকূলে বাড়ল নজরদারি

    Lashkar-e-Taiba Attack: ২৬/১১-র ধাঁচে সামুদ্রিক পথে জঙ্গি হামলার হুমকি লস্করের! পশ্চিম উপকূলে বাড়ল নজরদারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে আবারও জঙ্গি হামলা চালানো হবে! যে ঘটনা মনে করাবে ২৬/১১-এর ভয়ঙ্কর স্মৃতি। পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবা-র (Lashkar-e-Taiba) ডেপুটি চিফ সইফুল্লাহ কাসুরির একটি বিতর্কিত ভিডিও বার্তা ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে নিরাপত্তা মহলে। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, ভিডিওতে তিনি ভারতের বিরুদ্ধে ২৬/১১-র ধাঁচে (Lashkar-e-Taiba Attack) সামুদ্রিক পথে বড়সড় জঙ্গি হামলার হুমকি দিয়েছে। ২০০৮ সালের সেই হামলায় জঙ্গিরা আরব সাগর পেরিয়ে মুম্বইয়ে ঢুকে একাধিক স্থানে নৃশংস আক্রমণ চালিয়েছিল। ফলে এবারও সমুদ্রপথ ব্যবহার করে অনুপ্রবেশের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।

    ভারতের বিরুদ্ধে “জল সন্ত্রাস”

    ভিডিও বার্তায় কাসুরি দাবি করেছে, ২০২৫ সালে পাকিস্তান “আকাশে আধিপত্য” দেখিয়েছে এবং ২০২৬ সালে তারা “সমুদ্রে আধিপত্য” প্রতিষ্ঠা করবে। তার কথায়, স্থল, জল ও আকাশ— কোনও ক্ষেত্রেই ভারতের জন্য নিরাপদ স্থান থাকবে না। কাসুরি ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দেয় এবং সাম্প্রতিক ভারতীয় সামরিক অভিযানের সমালোচনা করে। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, চলতি বছরের ২২ এপ্রিল পাহেলগাঁওে সংঘটিত জঙ্গি হামলার নেপথ্য কারিগর হিসেবেও কাসুরির নাম উঠে এসেছে। ওই ঘটনার পর ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামে পাল্টা সামরিক অভিযান চালায়, যেখানে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গি ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা করা হয়। ভিডিওতে কাসুরি মুরিদকে ও বহাওয়ালপুরে ভারতের জঙ্গি ঘাঁটি উড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে কাসুরি। এই দুই স্থানকে দীর্ঘদিন ধরেই লস্কর-ই-তৈবার কার্যকলাপের কেন্দ্র বলে মনে করা হয়। তিনি ভারতের বিরুদ্ধে “জল সন্ত্রাস”-এর অভিযোগ তোলে এবং কাশ্মীরে চাপ বাড়ালে অন্যত্র অশান্তি ছড়ানোর হুমকিও দেয় লস্করের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। এমনকী,  ভারতীয় ধর্মীয় স্থানগুলিও সম্ভাব্য লক্ষ্য হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন— যা নিয়ে নিরাপত্তা মহলে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

    পশ্চিম উপকূলে কড়া নজরদারি

    প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের নভেম্বর মাসে পাক সন্ত্রাসবাদীদের হামলায় রক্তাক্ত হয়েছিল বাণিজ্যনগরী। মুম্বইয়ের তাজ হোটেলের পাশাপাশি ছত্রপতি শিবাজি টার্মিনাস, ওবেরয় ট্রাইডেন্টের মতো আটটি জায়গায় হামলা চালায় আজমল কসাব ও তার দলবল। ২০২ সালের ২১ নভেম্বর কসাবের ফাঁসি হয়। এই হামলার অন্যতম চক্রী ডেভিড কোলম্যান হেডলি আমেরিকায় ৩৫ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছে। এই হামলায় নিহত হন ১৬৪ জন মানুষ। আহত হন তিনশো’রও বেশি। জানা গিয়েছিল, করাচি থেকে সমুদ্র পার করে মুম্বই এসে হামলা চালায় ১০ পাক জঙ্গি। হামলার পিছনে লস্কর-ই-তৈবার (Lashkar-e-Taiba Attack) যোগ ছিল। ভারত বরাবরই অভিযোগ করে এসেছে যে পাকিস্তানের কিছু গোয়েন্দা সংস্থা জঙ্গি সংগঠনগুলিকে মদত দেয়। যদিও পাকিস্তান এই অভিযোগ অস্বীকার করে। কাসুরির বক্তব্যে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। সম্ভাব্য সামুদ্রিক হুমকির প্রেক্ষিতে ভারতের পশ্চিম উপকূলে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। উপকূলরক্ষী বাহিনী ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা অতীতের অনুপ্রবেশ রুটগুলিতে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে। যদিও গোয়েন্দাদের মতে, এই হুমকির কিছু অংশ প্রচারমূলকও হতে পারে, তবু কোনও ঝুঁকি নিতে রাজি নয় প্রশাসন।

  • Bomb Scare in Courts: এসআইআর-এর কাজ শুরু হতেই বোমাতঙ্ক! কেন রাজ্যের আদালতগুলিকে টার্গেট করা হল?

    Bomb Scare in Courts: এসআইআর-এর কাজ শুরু হতেই বোমাতঙ্ক! কেন রাজ্যের আদালতগুলিকে টার্গেট করা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা-সহ রাজ্যের একাধিক জেলা আদালতে মঙ্গলবার একযোগে বোমাতঙ্কের (Bomb Scare in Courts) ইমেল ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এর জেরে বেশ কিছুক্ষণের জন্য ব্যাহত হয় বিচারপ্রক্রিয়া। আতঙ্কে আদালত চত্বর থেকে বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের সরাতে গিয়ে তৈরি হয় বিশৃঙ্খলা। সবচেয়ে বেশি চাঞ্চল্য ছড়ায় কলকাতার সিটি সিভিল কোর্টে। আদালত সূত্রে খবর, প্রধান বিচারকের ইমেলে বোমা রাখার দাবি করা হয়। খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ বম্ব স্কোয়াড ও ডগ স্কোয়াড নিয়ে পৌঁছে যায় পুলিশ। পুরো ভবন খালি করে চিরুনি তল্লাশি চালানো হয়। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর সন্দেহজনক কিছু মেলেনি।

    এসআইআর-এর কাজ শুরু হতেই বোমাতঙ্ক

    শুধু কলকাতা নয়। আসানসোল, বহরমপুর, চুঁচুড়া, দুর্গাপুরে জেলা আদালতেও বোমাতঙ্ক ছড়ায়। সূত্রের খবর মেল ও ফোনে বোমা থাকার হুঁশিয়ারি এসেছে৷ কোনও একটা জায়গাতে নয়, একাধিক জেলা আদালতে প্রায় একই প্যাটার্নে বোম থাকার হুশিয়ারি দিয়েছে কেউ বা কারা! কিন্তু কেন? কেন রাজ্যের আদালতগুলিকে হঠাৎ টার্গেট করা হচ্ছে? কেনই বা রাজ্যের একাধিক জেলা আদালতে বোম থাকার খবর কেউ বা কারা ছড়িয়ে দিচ্ছে? সম্প্রতি এসআইআর নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট৷ কলকাতা হাইকোর্টের নজরদারিতে হবে এসআইআর প্রক্রিয়া। এসআইআর-এ সমস্ত রকমের অসঙ্গতি দেখার জন্য জুডিসিয়াল অফিসার নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত৷ জেলা স্তরের জাজদের জুডিসিয়াল অফিসার হিসেবে নিয়োগের কথা বলে আদালত। আবার এই জুডিসিয়াল অফিসারদের পরামর্শ দেবেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিরা। এসআইআর-এর কাজে গতি এনে ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ‍্যে তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সম্পূর্ণ তালিকা প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে বাকিটা পরে অতিরিক্ত তালিকা হিসেবে প্রকাশ করা যাবে বলেও জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশের পরই সোমবার কাজে নেমে পড়েছেন অনেক জাজ। তারপরই জেলায় জেলায় আদালতে এই বোমাতঙ্ক কি নেহাত কাকতালীয় নাকি কোনও ষড়যন্ত্র? উঠছে সেই প্রশ্নও।

    বিচারকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করাই লক্ষ্য

    এদিকে, বিচারকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে রাজ্য সরকার বদ্ধপরিকর বলে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী জানিয়েছন। নবান্নে আজ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, কলকাতা, কৃষ্ণনগর, বহরমপুর-সহ একাধিক আদালতে বোমা রাখার হুমকি ইমেল এসেছে। সাধারণ মানুষ ও বিচারকরা সমস্যায় পড়েছেন ঠিকই, তবে পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করেছে। নিরাপত্তা নিয়ে কোনও আপস করা হবে না বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি। রাজ্য পুলিশের ডিজি পীযূষ পান্ডে জানান, প্রশাসন সব পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রস্তুত। কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার বলেন, ব্যাঙ্কশাল ও সিটি সিভিল কোর্টে হুমকি ইমেল এসেছিল। দু’টিই ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়েছে। তবে কে বা কারা আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা করেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • Loneliness in Children: সন্তানের সামাজিক আচরণে চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে একাকিত্ব! কী প্রভাব পড়ছে শিশুমনে?

    Loneliness in Children: সন্তানের সামাজিক আচরণে চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে একাকিত্ব! কী প্রভাব পড়ছে শিশুমনে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    একরত্তি ছানা! বাবা-মায়ের সঙ্গ পায়নি। অন্যদের সঙ্গেও মানিয়ে নিতে পারে না। সময় মতো খাবার পেলেও, সে ভালো নেই। পুষ্টিকর খাবার শরীরের চাহিদা মেটালেও, মনের চাহিদা পূরণ করতে পারছে না। সুস্থ রাখতে তাকে দেওয়া হল একখানা পুতুল! আর তাতেই বাজিমাত! সর্বক্ষণের সঙ্গী হয়ে উঠল সেই পুতুল! ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠে একরত্তি! মিশতে শেখে। মানিয়ে নিতেও শেখে! জাপানের চিড়িয়াখানার সেই একরত্তি ম্যাকাকের (এক প্রজাতির বাঁদর) একাকিত্ব আর সেরে ওঠার ঘটনায় উত্তাল বিশ্ব। তবে তার এই একাকিত্বের সমস্যা কেবল পশুজগতের সমস্যা নয়। মানব শিশুর জীবনেও একাকিত্বের সমস্যা (Loneliness in Children) প্রবল ভাবে বাড়ছে‌।‌ সামাজিক আচরণে (Social Isolation) যার প্রভাব গভীর ভাবে পড়ছে! এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুর আচরণ (Child Mental Health) সংযত ও স্বাভাবিক রাখার পথে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে এই একাকিত্ব!

    শিশুর আচরণে কেন সমস্যা হয়ে উঠছে একাকিত্ব?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুর আচরণে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে একাকিত্ব। তাঁরা জানাচ্ছেন, আধুনিক ব্যস্ত জীবনে অধিকাংশ পরিবার ছোটো। বাবা-মা দুজনেই কাজে ব্যস্ত থাকেন। দিনের অধিকাংশ সময় তাদের অফিসেই কাটে। পরিবারের একরত্তির সঙ্গে নির্ভেজাল সময় কাটানোর সুযোগ খুব কম। অধিকাংশ শহুরে পরিবারে শিশু পরিবারের সদস্যদের বিশেষ কাছে পায় না। যার ফলে তাদের মধ্যে এক ধরনের একাকিত্ব (Loneliness in Children) গ্রাস করে। মনরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, একাকিত্ব শিশুকে আত্মবিশ্বাসহীন করে তোলে। পরিবারের যথেষ্ট সময় না পেলে শিশু হীনমন্যতায় ভোগে। এর ফলে তার মধ্যে আত্মবিশ্বাস নষ্ট হয়‌। তাই সে সমাজের অন্যান্যদের সঙ্গেও মিশতে পারে না।

    পরিবারই পৃথিবী, একাকিত্ব শিশুমনে তৈরি করে মানসিক অবসাদ

    একাকিত্ব একধরনের মানসিক অবসাদ তৈরি করে। শিশুর কাছে প্রাথমিক পর্বে, তার পরিবার তার পৃথিবী। পরিবারের কাছে পর্যাপ্ত যত্ন ও সময় না পেলে, তার মধ্যে অবসাদ তৈরি হবে। যার ফলে সে কোনও কাজ সময় মতো করতে চাইবে না। তার মধ্যে অনীহা তৈরি হবে। স্কুল যাওয়া ও পড়াশোনার প্রতিও অনাগ্রহ বাড়বে। এমনকি বন্ধু তৈরি করার ইচ্ছেও থাকবে না। যা একাকিত্বের সমস্যাকে আরও জটিল করবে। শিশুর একাকিত্ব একদিকে তার সামাজিক যোগাযোগ তৈরির ক্ষমতা নষ্ট করে (Social Isolation)। আবার শিশুকে জেদি করে তোলে। এমন মানসিক পরিস্থিতি তৈরি হয়, যাতে সে কোনোভাবেই অন্যদের সঙ্গে সময় কাটানোর ইচ্ছে হারিয়ে ফেলে। এর ফলে নিজের মতো থাকে। যেকোনও কাজ বললেই একধরনের অনীহা তৈরি হয়‌। জেদ তৈরি হয়।

    সন্তানের একাকিত্ব কাটিয়ে আচরণ ‘স্বাভাবিক’ রাখতে কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সন্তানের একাকিত্ব কাটাতে এবং সামাজিক আচরণ স্বাভাবিক রাখতে দিনের অন্তত ২০ মিনিট সময় বরাদ্দ করতেই হবে। তাঁদের পরামর্শ, সন্তানের সঙ্গে প্রতি দিন অন্তত ২০ মিনিট গল্প করতে হবে। সন্তানের বয়স অনুযায়ী সেই গল্প হবে। পাঁচ থেকে সাত বছরের শিশুর সঙ্গে বসে গল্পের বই পড়া, সারা দিন তার কেমন কাটলো সেই সম্পর্কে গল্প করা জরুরি। আবার বয়ঃসন্ধিকালে থাকা সন্তানের সঙ্গেও তার কেমন সময় কাটছে সে নিয়ে গল্প করা, বা তার পছন্দের গান শোনা, তার পছন্দের যে কোনও বিষয় নিয়ে গল্প করা জরুরি। এতে সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে। একাকিত্ব গ্রাস করে না। তার মনের অবস্থা (Child Mental Health) সম্পর্কেও অভিভাবক বুঝতে পারে।

    অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের ফলে মস্তিষ্কে পড়ছে বাড়তি চাপ

    আধুনিক ব্যস্ত জীবনে সন্তানকে অনেকটা সময় দেওয়া কঠিন। কিন্তু তার বিকল্প কখনই স্ক্রিন টাইম নয়। এমনটাই মত মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের। তাঁরা জানাচ্ছেন, ছোটো থেকেই অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের ফলে মস্তিষ্কে বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে। খিটখিটে মেজাজ হচ্ছে। তাই স্ক্রিন টাইম নয়। বরং খেলাধুলা সঙ্গে যাতে সন্তান যুক্ত হয় সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি। তাঁদের পরামর্শ, সন্তানের বয়স পাঁচ বছর হলেই যেকোনও ধরনের খেলার সঙ্গে যুক্ত করা জরুরি। এতে শারীরিক বিকাশের পাশপাশি মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত হয়। একাকিত্ব (Loneliness in Children) গ্রাস করে না। মেলামেশার অভ্যাস তৈরি হয়। বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। জেদ, একঘেয়েমি দূর হয়।

    সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্য গঠনে বাবা-মায়ের সজাগ থাকা জরুরি

    শিশুর গ্রুপ অ্যাক্টিভিটি জরুরি বলেই মত শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের। তাঁরা জানাচ্ছেন, একসঙ্গে অনেকে মিলে নাচ, গান বা নাটক করা। কিংবা যে কোনও ধরনের খেলাধুলা করলে শিশুর সামাজিক আচরণ স্বাভাবিক ও সংযত হয়। নানান জটিলতা এড়ানো সম্ভব হয়। তবে চিকিৎসকদের পরামর্শ, সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্য (Child Mental Health) ভালো রাখতে বাবা-মায়ের সজাগ থাকা জরুরি। শিশুর সুস্থ মানসিক গঠনের জন্য তাকে পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে। তার কথা শুনতে হবে। তাহলেই অনেক সমস্যা কমবে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 25 February 2026: ব্যবসায় বিশেষ লাভের শুভ যোগ এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 25 February 2026: ব্যবসায় বিশেষ লাভের শুভ যোগ এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আপনার কর্মদক্ষতার কারণে জীবিকার স্থানে শত্রু বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে বদনাম থেকে সবাই খুব সতর্ক থাকুন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) জমি বা সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করার শুভ দিন।

    ২) শেয়ারে বাড়তি লগ্নি চিন্তাবৃদ্ধি ঘটাতে পারে।

    ৩) সতর্ক থাকবেন সব বিষয়ে।

    মিথুন

    ১) সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দেওয়া উচিত।

    ২) শরীরে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম জরুরি।

    কর্কট

    ১) সন্তানের ব্যবহারে আমূল পরিবর্তন লক্ষ করতে পারবেন।

    ২) শরীরে কোথাও আঘাত লাগার আশঙ্কা রয়েছে।

    ৩) সবাইকে ভালোভাবে কথা বলুন।

    সিংহ

    ১) ব্যবসা বা অন্য কোনও কাজে বাড়তি বিনিয়োগ না করাই শ্রেয়।

    ২) মাথাগরম করার ফলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যাবে।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

    কন্যা

    ১) ব্যবসা গতানুগতিক ভাবেই চলবে।

    ২) ভাই-বোনের কাছ থেকে ভালো সাহায্য পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    তুলা

    ১) উচ্চশিক্ষার্থীদের সামনে ভালো যোগ রয়েছে।

    ২) পারিবারিক ভ্রমণে আনন্দ লাভ।

    ৩) দিনটি মোটামুটি কাটবে।

    বৃশ্চিক

    ১) অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ করার ফলে শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিতে পারে।

    ২) কোনও অসৎ লোকের জন্য আপনার বদনাম হতে পারে।

    ৩) আশাপূরণ।

    ধনু

    ১) কারও কুপ্রভাবে সংসারে অশান্তি হতে পারে।

    ২) সামাজিক সুনাম বৃদ্ধি বা প্রতিপত্তি বিস্তারের যোগ।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    মকর

    ১) অবাক করে দেওয়া কোনও সুখবর পেতে পারেন।

    ২) কাউকে টাকা ধার দিলে বিপদ ঘটতে পারে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কুম্ভ

    ১) সম্পত্তি নিয়ে সমস্যা মিটে যাওয়ায় আনন্দ লাভ।

    ২) সংসারে শান্তি বজায় থাকবে।

    ৩) আশা পূরণ।

    মীন

    ১) আপনার রূঢ় আচরণে বাড়িতে বিবাদ বাধতে পারে।

    ২) ব্যবসায় বিশেষ লাভের শুভ যোগ দেখা যাচ্ছে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Prahaar: ভারতের প্রথম সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী নীতি ‘প্রহার’ প্রকাশ কেন্দ্রের, নাশকতায় ‘জিরো টলারেন্সে’ জোর

    Prahaar: ভারতের প্রথম সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী নীতি ‘প্রহার’ প্রকাশ কেন্দ্রের, নাশকতায় ‘জিরো টলারেন্সে’ জোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রথম পূর্ণাঙ্গ সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী নীতি ‘প্রহার’ (PRAHAAR) প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (MHA)। এই নীতির মূল লক্ষ্য— সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় “জিরো টলারেন্স” (Zero Tolerance) অবস্থান বজায় রেখে ডিজিটাল যুগে গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক প্রতিরোধ, সমন্বিত প্রশাসনিক ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা। নীতিটি এমন সময়ে প্রকাশ পেল, যখন একদিন আগেই ভারতীয় সেনা, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফের যৌথ অভিযানে কিশতওয়ার জেলায় তিন জঙ্গি খতম হয়। নিহতদের মধ্যে একজন কুখ্যাত লস্কর কমান্ডার সইফুল্লা বলে শনাক্ত হয়েছে।

    প্রহার (PRAHAAR) কী?

    ‘প্রহার’ (হিন্দিতে যার অর্থ আঘাত) নামে এই নীতিতে একটি বহুস্তরীয় কৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে, যার লক্ষ্য সন্ত্রাসবাদী, তাদের অর্থ জোগানদাতা ও সমর্থকদের অর্থ, অস্ত্র এবং নিরাপদ আশ্রয় পাওয়ার সুযোগ বন্ধ করা। মন্ত্রক স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, এই সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী কৌশল কয়েকটি মূল আদর্শের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এর মধ্যে রয়েছে প্রতিরোধ, দ্রুত প্রতিক্রিয়া, অভ্যন্তরীণ সক্ষমতার সমন্বয় ইত্যাদি।

    সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে ‘প্রহার’ (PRAHAAR)-এর পূর্ণ অর্থ হল:

    • P – প্রিভেনশন (Prevention) বা প্রতিরোধ: ভারতীয় নাগরিক ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় আগাম সন্ত্রাসী হামলা ঠেকানো
    • R – রেসপন্স (Response) বা প্রতিক্রিয়া: হুমকির মাত্রা অনুযায়ী দ্রুত ও উপযুক্ত জবাব
    • A – অ্যাগ্রিগেশন (Aggregation) বা সমন্বয়: সমগ্র সরকারের সমন্বিত অংশগ্রহণে অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা একত্রিত করা
    • H – হিউম্যান রাইটস (Human Rights) বা মানবাধিকার ও আইনের শাসন: আইনসম্মত ও মানবাধিকারভিত্তিক প্রক্রিয়ায় সন্ত্রাস মোকাবিলা
    • A – অ্যাটেনুয়েশন (Attenuation) বা কারণ দুর্বল করা: উগ্রপন্থা ও মৌলবাদের উৎসগুলো কমিয়ে আনা
    • A – অ্যালাইনমেন্ট (Alignment) বা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা: বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী উদ্যোগের সঙ্গে সামঞ্জস্য ও নেতৃত্ব
    • R – রিকভারি (Recovery) বা পুনরুদ্ধার: সমাজভিত্তিক অংশগ্রহণে স্থিতিস্থাপকতা ও পুনর্গঠন

    এই কাঠামো স্পষ্ট করে যে, নীতিটি শুধু নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান নয়, বরং প্রশাসনিক, সামাজিক ও কূটনৈতিক স্তরেও সমন্বিত উদ্যোগের কথা বলছে।

    সীমান্ত পারের “স্পনসরড টেররিজম”-এর উল্লেখ

    নীতিনথিতে বলা হয়েছে, ভারতের আশপাশের অঞ্চলে “ছিটেফোঁটা অস্থিরতার ইতিহাস” রয়েছে এবং কয়েকটি দেশ কখনও কখনও “রাষ্ট্রনীতির হাতিয়ার হিসেবে সন্ত্রাসবাদ ব্যবহার করেছে।” এতে সীমান্তপারের “স্পনসরড টেররিজম”-এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে জিহাদি সংগঠন ও তাদের সহযোগী নেটওয়ার্ক ভারতের নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। “ভারত সবসময় সন্ত্রাসবাদের শিকারদের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে বিশ্বের কোথাও হিংসার কোনও যুক্তি থাকতে পারে না,” নথিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ভারতের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির পুনরুল্লেখ করা হয়েছে। তবে একই সঙ্গে মন্ত্রক জোর দিয়ে জানিয়েছে, “ভারত সন্ত্রাসবাদকে কোনও নির্দিষ্ট ধর্ম, জাতিসত্তা, জাতীয়তা বা সভ্যতার সঙ্গে যুক্ত করে না।” এটি নীতিগতভাবে ভারতের অবস্থানকে ধর্মনিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলে।

    প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ: ডার্ক ওয়েব ও ক্রিপ্টো অর্থনীতি

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নীতিনথিতে উল্লেখ করেছে যে, আধুনিক সন্ত্রাসবাদ এখন কেবল অস্ত্রনির্ভর নয়, বরং প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠেছে। আল কায়েদা (Al-Qaeda) ও ইসলামিক স্টেট (ISIS)-এর মতো সংগঠন বিদেশ থেকে পরিচালিত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভারতের ভেতরে হামলার ষড়যন্ত্র করছে বলে দাবি করা হয়েছে।

    নথিতে বলা হয়েছে—

    • ● ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে পাঞ্জাব ও জম্মু-কাশ্মীরে অস্ত্র ও বিস্ফোরক পাচার
    • ● সামাজিক মাধ্যম ও ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে প্রচার ও নিয়োগ
    • ● এনক্রিপশন, ডার্ক ওয়েব ও ক্রিপ্টো ওয়ালেটের মাধ্যমে গোপন আর্থিক লেনদেন
    • ● এই প্রবণতা মোকাবিলায় সাইবার নজরদারি ও আর্থিক গোয়েন্দা ব্যবস্থার গুরুত্ব বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

    কেন ‘প্রহার’ গুরুত্বপূর্ণ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘প্রহার’ নীতির গুরুত্ব তিনটি ক্ষেত্রে—

    • ● সমন্বিত পদ্ধতি: শুধুমাত্র সামরিক বা পুলিশি ব্যবস্থা নয়, গোটা সরকার ও সমাজভিত্তিক অংশগ্রহণের উপর জোর
    • ● ডিজিটাল হুমকি মোকাবিলা: এনক্রিপশন, ক্রিপ্টো ও সোশ্যাল মিডিয়াকে কেন্দ্র করে নতুন নিরাপত্তা কৌশল
    • ● আন্তর্জাতিক বার্তা: সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের অবস্থানকে আরও স্পষ্ট ও কূটনৈতিকভাবে জোরালো করা

    একটি দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপ

    ‘প্রহার’ নীতি ভারতের সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী দৃষ্টিভঙ্গিকে একটি কাঠামোবদ্ধ রূপ দিয়েছে। সীমান্তপারের হুমকি, প্রযুক্তিনির্ভর জঙ্গি কার্যকলাপ এবং আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক—এই তিনটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপ হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। নীতিটির বাস্তব প্রয়োগ ও বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয় কতটা কার্যকর হয়, সেটাই আগামী দিনে ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা কৌশলের সফলতা নির্ধারণ করবে।

  • Rubella in Children: খামখেয়ালি আবহাওয়ায় বিপদ বাড়ছে রুবেলার! ভাইরাস আক্রমণ থেকে সন্তানকে সুস্থ রাখবেন কীভাবে?

    Rubella in Children: খামখেয়ালি আবহাওয়ায় বিপদ বাড়ছে রুবেলার! ভাইরাস আক্রমণ থেকে সন্তানকে সুস্থ রাখবেন কীভাবে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    হঠাৎ করেই বেড়েছে তাপমাত্রার পারদ। বেলা বাড়তেই রোদের দাপট বাড়ছে। এমনকি সন্ধ্যার পরেও অস্বস্তি হচ্ছে। এদিকে ভোরে বেশ ঠান্ডা ভাব। হঠাৎ বৃষ্টিতে সাময়িক স্বস্তি হলেও তাপমাত্রার পারদ ঊর্ধ্বমুখী থাকবে বলেই জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। আর এই পরিস্থিতিতে বিপদ বাড়াচ্ছে রুবেলা ভাইরাস (Rubella in Children)। তাই চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বাড়তি সতর্কতা জরুরি। এই আবহাওয়ায় সুস্থ থাকতে বাড়তি সচেতনতা প্রয়োজন। বিশেষত পরিবারের খুদে সদস্যকে (Child Immunity Care) সুস্থ রাখার জন্য সজাগ থাকতে হবে। কারণ রুবেলা ভাইরাসের দাপট শিশু শরীরেই সবচেয়ে বেশি হয়।

    কেন এই আবহাওয়ায় রুবেলা ভাইরাসের দাপট বাড়ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বসন্ত ঋতুতে রুবেলা ভাইরাসের (Rubella in Children) দাপট বাড়ে। তার মূল কারণ আবহাওয়া। তাঁরা জানাচ্ছেন, শীতে তাপমাত্রা কম থাকে। কিন্তু বসন্ত হলো শীত আর গরমের মাঝের সময়। এই সময়ে শীতের দাপট থাকে না। আবার প্রবল গরমের দাপট ও থাকে না। এই সময়ে তাপমাত্রা বাড়তে থাকে। অর্থাৎ মরশুমের পরিবর্তন হয়। তার ফলে বাতাসে নানান ভাইরাসের সক্রিয়তা বেড়ে যায়। বিশেষত ফুসফুস কাবু করতে পারে এমন ভাইরাসের দাপট আরও বেশি বাড়তে থাকে। তাই চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই সময়ে রুবেলার মতো ভাইরাসের দাপট বাড়ে।

    স্কুল থেকেই ছড়িয়ে পড়ে সংক্রামক রুবেলা

    তাছাড়া, বছরের এই সময়ে আবহাওয়া মনোরম থাকায় বহু মানুষ বেড়াতে যান। নানান উৎসব হয়। তাই এই সময়ে যে কোনও সংক্রামক রোগের দাপট বাড়ে। রুবেলা ভাইরাস (Rubella in Children) একটি সংক্রামক রোগ। হাঁচি-কাশির মাধ্যমে একজনের দেহ থেকে আরেকজনের দেহে সংক্রামিত হতে পারে। তাই এই ভাইরাসের ক্ষমতা এই সময়ে বাড়ে। বসন্ত ঋতুতে যেমন নানান উৎসব রয়েছে, তেমনি এটা পরীক্ষার মরশুম। তাই চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, স্কুলে শিশুকে পাঠানোর সময় অভিভাবকদের বাড়তি সতর্কতা জরুরি (Child Immunity Care)। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, জ্বর-সর্দি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে তবেই স্কুলে পাঠানো উচিত। না হলে অন্যদের মধ্যেও যে কোনও রোগ সংক্রামিত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে রুবেলার মতো ভাইরাস স্কুল থেকেই ছড়িয়ে পড়ে।

    রুবেলা ভাইরাসের জেরে কী হতে পারে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রুবেলা ভাইরাসের (Rubella in Children) জেরে হাম হতে পারে। জ্বর-সর্দি-কাশির মতো নানান উপসর্গ দেখা দেওয়ার পাশপাশি হাত-পা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে লাল ফুসকুড়ি দেখা দেয়। এই উপসর্গগুলো রুবেলা সংক্রমণের জানান দেয়।

    সন্তানকে সুস্থ রাখবেন কীভাবে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রুবেলা ভাইরাসের দাপট রুখতে মূল হাতিয়ার টিকাকরণ। ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণকের নিয়ম অনুযায়ী, শিশুর জন্মের পরে ৯ থেকে ১২ মাসের মধ্যেই এমএমআর টিকার (MMR vaccination) প্রথম ডোজ দেওয়া হয়। যা রুবেলা সংক্রমণ রুখতে পারে। এছাড়াও ১৫ থেকে ১৮ মাসের এই টিকার দ্বিতীয় ডোজ এবং ৪ থেকে ৬ বছরের মধ্যে এই টিকার তৃতীয় ডোজ দেওয়া হয়। সময় মতো নিয়ম মেনে টিকাকরণ করালে শিশুর এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়।

    নিয়মিত মাস্ক পরে থাকা

    তবে বাড়তি কয়েকটি নজরদারি রাখলে রুবেলার (Rubella in Children) মতো যে কোনও ভাইরাস ঘটিত সংক্রমণের ঝুঁকি কমানো সহজ হয় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুকে নিয়মিত মাস্ক পরার অভ্যাস করানো জরুরি। বাইরে যাওয়ার সময় নাক ও মুখ ঢাকা দেওয়া মাস্ক পরার অভ্যাস তৈরি করতে পারলে একাধিক সংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমে (Child Immunity Care) । রুবেলা ভাইরাস মূলত হাঁচি-কাশির মাধ্যমে সংক্রামিত হয়। তাই এই রোগের দাপট কমবে। শিশুর বারবার জ্বর হলে তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা জরুরি। স্কুলে পাঠানোর আগে অভিভাবকদের সজাগ থাকতে হবে, যাতে অন্যদের শরীরে এই রোগ না ছড়িয়ে পড়ে।

  • Daily Horoscope 24 February 2026: আশাপূরণ হবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 24 February 2026: আশাপূরণ হবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আপনার কর্মদক্ষতার কারণে জীবিকার স্থানে শত্রু বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে বদনাম থেকে সবাই খুব সতর্ক থাকুন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) জমি বা সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করার শুভ দিন।

    ২) শেয়ারে বাড়তি লগ্নি চিন্তাবৃদ্ধি ঘটাতে পারে।

    ৩) সতর্ক থাকবেন সব বিষয়ে।

    মিথুন

    ১) সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দেওয়া উচিত।

    ২) শরীরে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম জরুরি।

    কর্কট

    ১) সন্তানের ব্যবহারে আমূল পরিবর্তন লক্ষ করতে পারবেন।

    ২) শরীরে কোথাও আঘাত লাগার আশঙ্কা রয়েছে।

    ৩) সবাইকে ভালোভাবে কথা বলুন।

    সিংহ

    ১) ব্যবসা বা অন্য কোনও কাজে বাড়তি বিনিয়োগ না করাই শ্রেয়।

    ২) মাথাগরম করার ফলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যাবে।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

    কন্যা

    ১) ব্যবসা গতানুগতিক ভাবেই চলবে।

    ২) ভাই-বোনের কাছ থেকে ভালো সাহায্য পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    তুলা

    ১) উচ্চশিক্ষার্থীদের সামনে ভালো যোগ রয়েছে।

    ২) পারিবারিক ভ্রমণে আনন্দ লাভ।

    ৩) দিনটি মোটামুটি কাটবে।

    বৃশ্চিক

    ১) অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ করার ফলে শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিতে পারে।

    ২) কোনও অসৎ লোকের জন্য আপনার বদনাম হতে পারে।

    ৩) আশাপূরণ।

    ধনু

    ১) কারও কুপ্রভাবে সংসারে অশান্তি হতে পারে।

    ২) সামাজিক সুনাম বৃদ্ধি বা প্রতিপত্তি বিস্তারের যোগ।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    মকর

    ১) অবাক করে দেওয়া কোনও সুখবর পেতে পারেন।

    ২) কাউকে টাকা ধার দিলে বিপদ ঘটতে পারে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কুম্ভ

    ১) সম্পত্তি নিয়ে সমস্যা মিটে যাওয়ায় আনন্দ লাভ।

    ২) সংসারে শান্তি বজায় থাকবে।

    ৩) আশা পূরণ।

    মীন

    ১) আপনার রূঢ় আচরণে বাড়িতে বিবাদ বাধতে পারে।

    ২) ব্যবসায় বিশেষ লাভের শুভ যোগ দেখা যাচ্ছে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Kolkata Wetlands Case: ‘রাজ্য না পারলে আধা সামরিক বাহিনী নামাতে হবে’, জলাভূমি ভরাট রুখতে কড়া বার্তা হাইকোর্টের

    Kolkata Wetlands Case: ‘রাজ্য না পারলে আধা সামরিক বাহিনী নামাতে হবে’, জলাভূমি ভরাট রুখতে কড়া বার্তা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব কলকাতা জলাভূমি (Wetland) এলাকায় বেআইনি নির্মাণ এবং জলা ভরাট সংক্রান্ত মামলায় রাজ্য প্রশাসনকে ভর্ৎসনা করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা (Amrita Sinha)। এবার কেন্দ্রীয় সরকারকে মামলায় যুক্ত করার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি। বিচারপতির সাফ বক্তব্য, রাজ্য যদি না-পারে তাহলে কেন্দ্রের সহযোগিতা নিতে হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে বেআইনি নির্মাণ ভাঙার কাজ করতে হবে। বারবার নির্দেশ দেওয়ার সত্ত্বেও রাজ্য এবং পুরনিগম পদক্ষেপ করছে না বলে উল্লেখ করেন বিচারপতি।

    ‘রিপোর্ট নয়, কাজ কই?’

    পূর্ব কলকাতা জলাভূমিতে বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে রাজ্য সরকার ও পুর কর্তৃপক্ষের ভূমিকায় চরম ক্ষুব্ধ কলকাতা হাইকোর্ট। সোমবার, এই সংক্রান্ত মামলার শুনানির শুরুতেই বিচারপতি সিনহা (Justice Amrita Sinha) ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আদালতে রিপোর্টের পর রিপোর্ট জমা পড়ছে, কিন্তু বাস্তবে কাজ হওয়ার কোনও তথ্য নেই। আর রিপোর্ট নেব না, এবার হাতেনাতে কাজ দেখতে চাই।” জলাভূমি রক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা ‘ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অথরিটি’ (EKWMA)-র পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়, তারা বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে জেলাশাসককে (DM) বারবার অনুরোধ করলেও কোনও সাহায্য মিলছে না। এমনকি চৌবাগা-সহ সংলগ্ন এলাকায় বেআইনি বিদ্যুৎ সংযোগ কাটতে গিয়ে স্থানীয়দের প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে তাঁদের। সেই বিক্ষোভ সামলানোর ক্ষমতা বা পরিকাঠামো— কোনওটিই ওই সংস্থার নেই।

    কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে ভাঙার নির্দেশ

    এদিন বিচারপতি অমৃতা সিনহা বলেন, জলাভূমি সংলগ্ন ৫০৫টি বেআইনি নির্মাণ (Illegal Building) ভাঙার কাজে রাজ্য যদি পরিকাঠামো বা পুলিশি সাহায্য দিতে ব্যর্থ হয়, তবে আধা সামরিক বাহিনী দিয়ে সেই কাজ করানো হবে। এই মর্মে কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্র, আবাসন এবং পরিবেশ মন্ত্রককে অবিলম্বে মামলায় যুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। জলাভূমি ভরাটের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের যে কড়া নির্দেশিকা রয়েছে, পরবর্তী শুনানিতে তার প্রতিলিপি জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। ১৬ মার্চ মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

  • Election Commission of India: ২৭ বছর পর রাজ্য শাখাগুলির সঙ্গে রাউন্ড টেবিল বৈঠক ডেকেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন

    Election Commission of India: ২৭ বছর পর রাজ্য শাখাগুলির সঙ্গে রাউন্ড টেবিল বৈঠক ডেকেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ২৭ বছর পর ২৪ ফেব্রুয়ারি দেশের নির্বাচন কমিশন (ইসিআই) এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনার (এসইসি)-দের নিয়ে একটি জাতীয় গোলটেবিল সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। এই গোলটেবিল সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ভারত মণ্ডপমে। শেষ বার এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯৯ সালে। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে চলা এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের মূল লক্ষ্য কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনগুলির মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।

    কারা থাকবেন বৈঠকে

    সূত্রের খবর, ১৯৯৯ সালের পর এই প্রথম এমন বৈঠক আয়োজন করা হচ্ছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। উপস্থিত থাকবেন নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক জোশী। সকল রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের রাজ্য নির্বাচন কমিশনাররা তাঁদের আইনি ও প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে এই বৈঠকে অংশ নেবেন। ৩৬টি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিও সম্মেলনে যোগ দেবে। দিনভর এই বৈঠকে কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকরা বিভিন্ন প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক উদ্যোগ নিয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা করবেন। সম্প্রতি চালু হওয়া ইসিআইনেট ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের কার্যকারিতা এবং নির্বাচনী পরিষেবা সহজতর করতে তার সম্ভাবনাও তুলে ধরা হবে।

    বৈঠকের প্রধান উদ্দেশ্য

    বৈঠকের প্রধান উদ্দেশ্য হল, নিজ নিজ সাংবিধানিক ও আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে ইসিআই ও এসইসি-গুলির মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করা। আলোচনায় প্রযুক্তি ভাগাভাগি, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (EVM) ব্যবহার এবং ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিষয়গুলি বিশেষ গুরুত্ব পাবে। এছাড়া ইভিএম-এর স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে বিশেষ উপস্থাপনা থাকবে। ১৯৫০ সালের জনগণের প্রতিনিধিত্ব আইন (Representation of the People Act, 1950) অনুযায়ী ভোটার যোগ্যতার বিষয়ে বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের তুলনামূলক চিত্রও তুলে ধরা হবে, যাতে ভোটার তালিকা প্রস্তুতির আইনি কাঠামো নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা সম্ভব হয়। উল্লেখ্য, ৭৩তম ও ৭৪তম সংবিধান সংশোধনের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট রাজ্য আইন অনুযায়ী রাজ্য নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়। সংবিধানের ২৪৩কে এবং ২৪৩জেডএ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পঞ্চায়েত ও পুরসভা নির্বাচনের ভোটার তালিকা প্রস্তুতি এবং নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব রাজ্য নির্বাচন কমিশনগুলির উপর ন্যস্ত।

LinkedIn
Share