Tag: Madhyom

Madhyom

  • Suvendu Adhikari: এসএসকেএম নিয়ে প্রশ্ন, অভিষেকের বাবার বাড়িতে অনাথ আশ্রম খুলতে চান শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: এসএসকেএম নিয়ে প্রশ্ন, অভিষেকের বাবার বাড়িতে অনাথ আশ্রম খুলতে চান শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি থাকা ভিআইপিদের তালিকা চেয়ে পাঠিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এবার এবিষয়ে আদালতের নজরদারিতে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখার দাবি জানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এরই মধ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাবা অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি নিলামে কেনার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। বললেন, ওই বাড়িতে অনাথ আশ্রম বানাবেন তিনি।

    অভিষেকের সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন

    সোমবারই আদালতে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের প্রায় সাড়ে সাত কোটি টাকার সম্পত্তি অ্যাটাচের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে কলকাতা হাইকোর্টকে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। তার মধ্যে রয়েছে কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাবা অমিত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের নামে কেনা ২টি বাড়ি। বৃহস্পতিবার পশ্চিম মেদিনীপুরের ছোট আঙারিয়ায় বিজেপির সভা থেকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘এই ভিখারি পিসি থাকে খালপাড়ে, কত বাড়ি করেছে জানেন? ২টো বাড়ি ইডি অ্যাটাচ করেছে। একটা কয়লা ভাইপোর বাপের বাড়ি। আরেকটা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের বাড়ি। ২টো বাড়ি হচ্ছে প্রাসাদ। আমি ইডিকে বলব তাড়াতাড়ি নিলাম করুন। আমার হাতে লোক আছে। বাড়িটা কিনবে। বাড়িটা কিনে একটা অনাথ আশ্রম তৈরি করব।’’

    আরও পড়ুন: হরিকৃষ্ণকে সরকারি বাংলোয় রাখতে ঘরছাড়া ৩ মন্ত্রী, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    এসএসকেএম নিয়ে সন্দেহ

    বৃহস্পতিবার পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতায় ছোট আঙারিয়া গণহত্যার বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে সমাবেশের আয়োজন করেছিল বিজেপি। এখানেই এসএসকেএম প্রসঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu on SSKM) বলেন, “আদালতের তত্বাবধানে এসএসকেএমের সব সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা উচিত। আসার সময় দেখলাম, এসএসকেএমের বারান্দা থেকে জ্যোতিপ্রিয় কাকে যেন হাত নাড়ছে! হাসপাতালটাকে পাঁচতারা হোটেল বানিয়ে ফেলেছে। কাকুর মতো অপরাধীদের আড়াল করার ক্ষেত্রে কিছু ডাক্তারও জড়িত। তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।” শুভেন্দুর দাবি, “সিপিএম ৩৪ বছর ক্ষমতায় থাকলেও এত ঔদ্ধত্য সিপিএমের মধ্যেও ছিল না। কাকুর কালকে রাতে ধোঁয়া বেরিয়ে গিয়েছে। এবার সব খেলা শেষ!”

    মহুয়া প্রসঙ্গ

    মহুয়া মৈত্রকে বাংলো ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এই প্রসঙ্গে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) কটাক্ষ, “১ বছর আগে উনি মা কালীকে নিয়ে বলেছিলেন যে মা কালী নাকি মদ খায়, সিগারেট খায়! ১ বছরের মধ্যে মা কালী ওকে ধ্বংস করে দিল। সবই মা কালীর খেলা।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India China Relation: সীমান্তে উত্তেজনা নিরসনে সমাধান সূত্র খুঁজছে ভারত-চিন, জানাল বিদেশমন্ত্রক

    India China Relation: সীমান্তে উত্তেজনা নিরসনে সমাধান সূত্র খুঁজছে ভারত-চিন, জানাল বিদেশমন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে ভারত যে বরাবরই সুসম্পর্ক চায়, তা নানা সময় বিভিন্নভাবে বুঝিয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি। সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে চিনের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনাও চালিয়ে যাচ্ছে ভারত (India China Relation)।

    কী বলল বিদেশমন্ত্রক?

    বৃহস্পতিবার ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রাজিন্দর জয়সওয়াল বলেন, “পড়শি দেশ চিনের ক্ষেত্রে ভারতের অবস্থান সুবিদিত। এটা এমন একটা সম্পর্ক, যেটা স্বাভাবিক নয়। কিন্তু আমরা দুই দেশই আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। মিলিটারির পাশাপাশি কূটনৈতিক আলোচনাও হয়েছে গত অক্টোবর ও নভেম্বরে। আমরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি যাতে কোনও সমাধান সূত্রে পৌঁছানো যায়।” জয়সওয়াল বলেন (India China Relation), “অক্টোবর মাসে দুই দেশের কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। আলাপ-আলোচনা এবং নেগোসিয়েশন নিয়ে মিলিটারি ও কূনৈতিক মেকানিজম নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে তারা যাবতীয় যা করার, তা করবে বলে প্রতিশ্রুত হয়েছে।”

    শান্তি বজায় রাখতে চায় দুই দেশই

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র বলেন, “ভারত ও চিনের মধ্যে ২০তম ওয়ার্কিং মেকানিজম ফর কনসাল্টেশন অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন অন ইন্ডিয়া-চায়না বর্ডার অ্যাফেয়ার্স বৈঠকটি হয়েছে। এটা কূটনৈতিক স্তরের বৈঠক। আমাদের ইস্ট এশিয়ার জয়েন্ট সেক্রেটারিও অংশ নিয়েছিলেন ওই বৈঠকে। তাঁদের মধ্যে ভালো আলোচনা হয়েছে। আলোচনা হয়েছে গঠনমূলক, মুক্তভাবে। সীমান্তে যা সমস্যা আছে, তা মেটাতে দু পক্ষই যে প্রস্তাব দিয়েছে, সেগুলির বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দুই দেশই যে সীমান্তে উত্তেজনা কমিয়ে শান্তি বজায় রাখতে চায়, সে বিষয়ে সহমত পোষণ করেছে। সীমান্তে একটা স্থিতাবস্থা বজায় রাখতেও সম্মত হয়েছে দুই দেশ। কোনও অবাঞ্ছিত ঘটনাও যাতে না ঘটে, সেই বিষয়েও একমত হয়েছে ভারত এবং চিন।”

    আরও পড়ুুন: বাম মুখে ‘রাম’ নাম! প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ চিনের সরকারি দৈনিক

    তিনি বলেন, “সেই কারণেই দুই দেশই কথাবার্তা চালিয়ে যেতে রাজি হয়েছে। মিলিটারি এবং কূটনৈতিক দুই চ্যানেলেই আলোচনা চলবে। কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছতে সিনিয়র কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠকও হবে।” ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারত-চিন সীমান্তের পশ্চিমাঞ্চলে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে দুই দেশই (India China Relation)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dubai Jackpot: ভাগ্যর চাকা ঘুরল! নতুন বছরে দুবাই জ্যাকপটে ৪৪ কোটি পেলেন ভারতীয় গাড়িচালক

    Dubai Jackpot: ভাগ্যর চাকা ঘুরল! নতুন বছরে দুবাই জ্যাকপটে ৪৪ কোটি পেলেন ভারতীয় গাড়িচালক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাড়ি চালিয়ে পেট চলত। কাজের সন্ধানেই পাড়ি দিয়েছিলেন দুবাইতে। সেখানে গিয়ে একটি লটারির টিকিট কাটতেই কেল্লাফতে। নতুন বছরেই ঘুরে গেল ভাগ্য। লটারি জিতে রাতারাতি কোটিপতি হলেন এক ভারতীয়। জ্যাকটপট জিতে ভাগ্য ফিরল মুনাওয়ার ফাইরুস নামে পেশায় ওই ভারতীয় গাড়িচালকের। জিতলেন ৪৪ কোটি টাকা। সোশ্যাল সাইটে এখন ভাইরাল তাঁর খবর।

    ৪৪ কোটি টাকার মালিক

    সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে গিয়েও একটি বেসরকারি সংস্থায় গাড়ির চালক হিসেবে যোগ দেন মুনাওয়ার। গত পাঁচ বছর ধরে প্রতি মাসে লটারির টিকিট কেটে আসছিলেন। কিন্তু জ্যাকপট জিতবেন, তা কখনও কল্পনাই করেননি। নতুন বছরে দুবাইয়ে প্রথম কোনও ব্যক্তি জ্যাকপট জয়ী হলেন। প্রথম পুরস্কার হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মুদ্রায় ২০ মিলিয়ন দিরহাম বা ভারতীয় মুদ্রায় ৪৪ কোটি টাকা জিতলেন মুনাওয়ার। ভারতীয় মুদ্রায় ৪৪ কোটি টাকা জ্যাকপট জেতার ঘোর কিছুতেই কাটছে না তাঁর। তবে, পুরো ৪৪ কোটি টাকা পাবেন না মুনাওয়ার। দুবাইয়ের নিয়ম অনুসারে কর দিতে হবে তাঁকে। সেই সঙ্গে রয়েছে অনেক স্টেকহোল্ডার। তাদেরও অর্থের ভাগ দিতে হবে ভারতীয় গাড়িচালককে। 

    আরও পড়ুুন: “ক’জন ভিআইপি রয়েছেন? কী কী সুবিধা পাচ্ছেন?’’ এসএসকেএমের জবাব তলব হাইকোর্টের

    মুনাওয়ারের স্বপ্ন

    জানা গিয়েছে, নতুন বছরে মুনাওয়ার সহ মোট ১০ জন জ্যাকপট জিতেছেন। এই তালিকায় ভারতীয় ছাড়াও রয়েছে প্যালেস্তাইন, লেবানন এবং সৌদি আরবের নাগরিক। মুনাওয়ারের আগে জ্যাকপট জিতেছিলেন সুতেশ কুমার নামে একটি ভারতীয়। ২ কোটি টাকা বেশি পেয়েছিলেন তিনি। প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে রাতারাতি কোটিপতি হয়েছিলেন আরেক ভারতীয় গাড়িচালক। রুজির টানে দুবাইয়ে গিয়ে জ্যাকপট জিতে ভাগ্য ফিরে পেয়েছিলেন অজয় অগুলা নামে ওই ভারতীয়। লটারি কেটে ১৫ মিলিয়ন দিরহাম জিতেছিলেন অজয়। ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৩৩ কোটি টাকা। ভারতীয় ওই গাড়িচালক ছিলেন দক্ষিণ ভারতের বাসিন্দা। জ্যাকপট জিতে মুনাওয়ার বলেন, “আমি এখনও নিশ্চিত নই কারণ আমি এটি ঘটবে বলে আশা করিনি। আমি এখনও হতবাক এবং আমার বিকল্পগুলি সম্পর্কে চিন্তা করার জন্য কিছু সময় নিতে হবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: রেশন দুর্নীতির অভিযানে তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের বাড়িতে গিয়ে আক্রান্ত ইডি

    Ration Scam: রেশন দুর্নীতির অভিযানে তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের বাড়িতে গিয়ে আক্রান্ত ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতির (Ration Scam) অভিযানে গিয়ে আক্রান্ত ইডি। স্থানীয় তৃণমূল নেতার অনুগামীদের রোষের মুখে পড়লেন ইডি অফিসরা থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। মারমুখী জনতার হাত থেকে কোনও ক্রমে রক্ষা পান ইডি আধিকারিকরা। 

    বালু-ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে অভিযান

    রেশন দুর্নীতির (Ration Scam) তদন্তে শুক্রবার সকালে রাজ্যের একাধিক জায়াগায় হানা দিয়ে ইডি-র বিভিন্ন দল। একটি দল গিয়েছিল উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালিতে। সেখানে বালু-ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের সরবেড়িয়ার বাড়িতে পৌঁছে যান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির আধিকারিকরা। শাহজাহান উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ কর্মাধ্যক্ষ। একই সঙ্গে সন্দেশখালি ১-ব্লকের তৃণমূল সভাপতিও।

    শাহজাহান শেখের অনুগামীদের বিক্ষোভ

    জানা গিয়েছে, বহু ডাকাডাকির পরও শাহজাহানের বাড়ি থেকে কারও সাড়া পাননি ইডির আধিকারিকরা। প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষার পর সেই বাড়ির তালা ভাঙার চেষ্টা করেন ইডির (Enforcement Directorate) তদন্তকারী আধিকারিকরা। সেই সময়েই বেশ কয়েক জন স্থানীয় ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান। তাঁরা নিজেদের তৃণমূল নেতার অনুগামী পরিচয় দিয়ে ইডি আধিকারিকদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ইডি আধিকারিও বাহিনীর জওয়ানদের ধাক্কা মেরে সরিয়ে দেওয়া হয়। প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়েন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। 

    ২ ইডি আধিকারিকের মাথা ফেটেছে

    ইডি আধিকারিকরা সেখান থেকে বেরিয়ে যেতেই কেন্দ্রীয় আধিকারিক (Enforcement Directorate) ও বাহিনীকে দেখেই রণংদেহি আকার ধারণ করে নেতার অনুগামীরা। বেশ কয়েকটি রাস্তা কাঠের গুঁড়ি দিয়ে অবরোধ করা হয়। টায়ারে আগুন ধরিয়ে প্রতিবাদ করতেও দেখা যায় একাংশকে। এরা পাশাপাশি, ইট-পাটকেল হাতে রাস্তায় নামেন বেশ কয়েক জন। মুহুর্মুহু ইট পড়তে থাকেন ইডি ও বাহিনীর গাড়ির ওপর। দুই আধিকারিকের মাথা ফেটে যায়। আক্রান্ত এক ইডি আধিকারিক বলেন, “আচমকা হামলা শুরু হল। তাতেই ২জনের মাথা ফেটেছে। আমরা ফিরে যাচ্ছি।”

    আরও এক বালু-ঘনিষ্ঠ শঙ্কেরর ডেরায় ইডি

    একই সময়ে ইডির (Enforcement Directorate) আর একটি তদন্তকারী দল উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্যর শ্বশুরবাড়িতে হানা (Ration Scam) দেয়। বনগাঁর শিমূলতলায় তৃণমূল নেতার শ্বশুর বিনয়কুমার ঘোষের বাড়ি। সেই বাড়িতেই তল্লাশি অভিযান শুরু করে ইডি। পরে কলকাতাক ইএম বাইপাসে শঙ্করের বাড়িতেও হানা দেন ইডি আধিকারিকেরা। শঙ্কর এবং শাহজাহান, দু’জনেই প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (বালু)-র ‘ঘনিষ্ঠ’।

    ১২ জায়গায় একযোগে হানা ইডির

    ইডি সূত্রে খবর, রেশন দুর্নীতি (Ration Scam) তদন্তে এদিন বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে মোট ১২টি জায়গায় হানা দেয় ইডি (Enforcement Directorate)। কলকাতার এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও হানা দিয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। গোপাল মল্লিক নামে ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি শুরু করেছেন তদন্তকারীরা। তবে এক্ষেত্রে বাড়ির ভেতরে লোক থাকলেও কেউ দরজা খুলছেন না বলে অভিযোগ। বিজয়গরের একটি আবাসনেও হানা দিয়েছেন তদন্তকারীরা। কল্যাণ সিংহ রায় নামে ওই ব্যক্তি পেশায় চাটাড একাউন্টে। সকাল সাড়ে সাতটা থেকে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি শুরু হয়েছে।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pro Khalistan Movement: আবারও ক্যালিফোর্নিয়ায় মন্দিরের গায়ে লেখা হল খালিস্তানপন্থী স্লোগান

    Pro Khalistan Movement: আবারও ক্যালিফোর্নিয়ায় মন্দিরের গায়ে লেখা হল খালিস্তানপন্থী স্লোগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও হিন্দু মন্দিরে হামলা খালিস্তানপন্থীদের (Pro Khalistan Movement)। আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ায় মন্দিরের গায়ে লিখে দেওয়া হল খালিস্তানপন্থী স্লোগান। এই ক্যালিফোর্নিয়ায়ই গত সপ্তাহে স্বামী নারায়ণ মন্দিরের গায়ে লেখা হয়েছিল ভারত-বিরোধী স্লোগান। দেওয়ালে লিখে দেওয়া হয়েছিল খালিস্তানপন্থী স্লোগান। সেই ঘটনায় সোচ্চার হয়েছিলেন আমেরিকায় বসবাসকারী হিন্দুরা। তার তদন্তও শুরু করেছে সে দেশের প্রশাসন। তার ঠিক এক সপ্তাহ পরেই আবারও হিন্দু মন্দিরে তাণ্ডব খালিস্তানপন্থীদের। খালিস্তানপন্থীদের এহেন তাণ্ডবে শঙ্কিত সে বসবাসকারী হিন্দুরা।

    মা শেরওয়ালির মন্দির

    শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়ায় হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশনের তরফে যে পোস্ট করা হয়েছে, তাতে দেখা গিয়েছে এবার খালিস্তানপন্থীদের (Pro Khalistan Movement) নজর ছিল মা শেরওয়ালির মন্দিরের ওপর। এই মন্দিরের দেওয়ালেই লেখা হয়েছে ভারত-বিরোধী স্লোগান। স্লোগান লেখা হয়েছে খালিস্তানের পক্ষেও। ফাউন্ডেশনের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, ঘটনার সঙ্গে পুলিশেরও যোগ রয়েছে। ফাউন্ডেশনের তরফে হিন্দু মন্দিরগুলিতে সিকিউরিটি ক্যামেরা লাগাতে বলা হয়েছে। ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে অ্যালার্মেরও। দেশে যাতে হিন্দু বিরোধী কার্যকলাপ প্রশ্রয় না পায় এবং খালিস্তানপন্থীদের হুমকিতে যাতে হিন্দুরা দমে না যায়, তাই এসব ব্যবস্থা করতে হবে।

    ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দু মন্দির

    ক্যালিফোর্নিয়ার নিউইয়র্কে ২৩ ডিসেম্বর খালিস্তানপন্থী স্লোগান লিখে দেওয়া হয়েছিল হিন্দু মন্দিরে। সেবারও হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশনের তরফে মন্দিরের ছবি শেয়ার করা হয়েছিল এক্স হ্যান্ডেলে। সেদিন বিকৃত করা হয়েছিল স্বামী নারায়ণ মন্দিরের দেওয়াল। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা ছবিতে দেখা গিয়েছিল, মন্দির গাত্রে লেখা হয়েছে ভারত-বিরোধী স্লোগান। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধেও স্লোগান লেখা হয়েছিল মন্দিরের দেওয়ালে।

    আরও পড়ুুন: বাম মুখে ‘রাম’ নাম! প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ চিনের সরকারি দৈনিক

    ওই ঘটনার পরে পরেই ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়েছিলেন, বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং জঙ্গিদের পা রাখার জায়গা দেওয়া উচিত নয়। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, “আমি এটি (মন্দির বিকৃতির ছবি) দেখেছি। জঙ্গি, বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং এই জাতীয় কোনও শক্তিকে কখনওই পা রাখার জায়গা দেওয়া উচিত নয়। আমাদের দূতাবাসের তরফে সরকারের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। বিষয়টি পুলিশকেও জানানো (Pro Khalistan Movement) হয়েছে। প্রশাসনের তরফে তদন্ত শুরু হয়েছে বলেও জেনেছি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • ICC Test Championship: শীর্ষে ভারত! বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় বিরাট বদল 

    ICC Test Championship: শীর্ষে ভারত! বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় বিরাট বদল 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে হারের পর পয়েন্ট তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে নেমে গিয়েছিল ভারত। এবার কেপ টাউনে দেড় দিনে ম্যাচ জিতে পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষে উঠে গেল রোহিতরা।  দক্ষিণ আফ্রিকা শীর্ষস্থান থেকে নেমে গেল দুয়ে। ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের পর  গুরুত্বপূর্ণ ১২ পয়েন্ট পায় ভারত।

    কে কোন জায়গায়

    বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের তৃতীয় রাউন্ড চলছে এখন। প্রথম দুবার ফাইনাল খেললেও একবারও বিশ্বজয়ের স্বাদ পায়নি রোহিত বাহিনী। প্রথমটি জিতেছিল নিউ জিল্যান্ড এবং দ্বিতীয়টি অস্ট্রেলিয়া। কেপ টাউনে ভারত ম্য়াচ জেতার পর বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ সাইটের ট্র্যাফিক এতটাই বেশি হয়ে গিয়েছিল যে সাইট একটা সময় ক্র্যাশ করে যায়। পরে অবশ্য সেটাকে ঠিক করা হয়। এই মুহূর্তে ভারতের পয়েন্ট শতাংশ ৫৪.১৬। ২টি ম্যাচ জিতেছে তারা। একটি হার এবং একটি পয়েন্ট। শাস্তি বাবদ ২ পয়েন্ট কাটা গিয়েছে। তাই তাদের পয়েন্ট ২৬। অন্য দিকে, ৫০ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বিতীয় স্থানে। একই পয়েন্ট শতাংশ নিয়ে তিন, চার এবং পাঁচে রয়েছে যথাক্রমে নিউ জিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া এবং বাংলাদেশ। পাকিস্তান ৪৫.৮৩ পয়েন্ট শতাংশ নিয়ে রয়েছে ষষ্ঠ স্থানে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৬.৬৭ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে সপ্তম স্থানে। আটে রয়েছে ইংল্যান্ড। তাদের পয়েন্ট শতাংশ ১৫। 

    টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের এই সাইকেলটি ২০২৩ সালের অ্যাশেজ থেকে শুরু হয়েছে। ভারতীয় দল টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের এই চক্রের প্রথম সিরিজ ১-০ ব্যবধানে জিতেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এই সিরিজ ড্র করল রোহিতরা। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্টের নিয়ম হল, ম্যাচ জিতলে পাওয়া যাবে ১২ পয়েন্ট। ড্র বা টাই হলে ৪ পয়েন্ট করে পাবে দু’টি দল। হারলে কোনও পয়েন্ট নেই। তবে পয়েন্ট নয় এই প্রতিযোগিতায় লিগ তালিকায় গুরুত্ব পায় মোট পয়েন্টের প্রাপ্ত শতাংশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: বাম মুখে ‘রাম’ নাম! প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ চিনের সরকারি দৈনিক

    PM Modi: বাম মুখে ‘রাম’ নাম! প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ চিনের সরকারি দৈনিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি ঘোরতর দক্ষিণপন্থী। আর তাঁর প্রশস্তি গাওয়া হয়েছে যে দেশে, সেই দেশটি কট্টর বামপন্থী। আসলে উন্নয়নের বোধহয় কোনও পন্থা নেই! কেবল তাই নয়, ভারতের প্রতিবেশী এই দেশটি সদা সর্বদা ব্যস্ত ভারতেরই ক্ষতি করতে। ফেরা যাক আসল কথায়।

    চিনের প্রতিবেদনে মোদি-স্তুতি

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) প্রশংসা করে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে চিনের পত্রিকা ‘গ্লোবাল টাইমসে’ (Global Times)। প্রতিবেদনটিতে মোদির অর্থনৈতিক, সামাজিক শাসন ও বিদেশনীতির ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জমানায় অর্থনৈতিক, সামাজিক শাসন ও বিদেশনীতির ক্ষেত্রে ভারতের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। উন্নয়নের ক্ষেত্রে ভারত কৌশলগতভাবে আরও আত্মবিশ্বাসী ও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ভারত তাদের নিজস্ব একটি ব্যাখ্যাও তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।

    মোদির সাফল্য

    লাল পার্টির দেশ চিনে সংবাদপত্রও রয়েছে রাষ্ট্রের অধীনে। প্রতিবেদনটি যিনি লিখেছেন, তিনি সাংহাইয়ের ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার সাউথ এশিয়ান স্টাডিজের ডিরেক্টর ঝাং জিয়াডং। প্রতিবেদনটিতে (Global Times) গত চার বছরে ভারতের উল্লেযোগ্য সাফল্যগুলি তুলে ধরা হয়েছে। ভারতের শক্তপোক্ত অর্থনৈতিক বৃদ্ধি, শাসন ব্যবস্থার উন্নতি এবং চিন-সহ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের প্রতি মনোভাবের পরিবর্তনেরও ভূসয়ী প্রশংসা করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনটিতে। প্রতিবেদক লিখেছেন (PM Modi), “চিন ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা নিয়ে আলোচনা করার সময় ভারতীয় প্রতিনিধিরা আগে প্রাথমিকভাবে বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা কমাতে চিনের পদক্ষেপের ওপর দৃষ্টি দিতেন। কিন্তু এখন তারা ভারতের রফতানি সম্ভাবনার ওপর বেশি জোর দিচ্ছেন।”

    আরও পড়ুুন: “ক’জন ভিআইপি রয়েছেন? কী কী সুবিধা পাচ্ছেন?’’ এসএসকেএমের জবাব তলব হাইকোর্টের

    ঝাং জিয়াডং লিখেছেন, “রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক রাজনীতির ভারতীয় বৈশিষ্ট্য তুলে ধরার জন্য পশ্চিমের সঙ্গে তার গণতান্ত্রিক ঐক্যমত্যের ওপর জোর দেওয়া থেকে সরে এসেছে ভারত। বর্তমানে গণতান্ত্রিক রাজনীতির ভারতীয় উৎসের ওপর বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে।” প্রতিবেদক লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় বসার পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, রাশিয়া ও অন্যান্য দেশ এবং আঞ্চলিক সংস্থাগুলির সঙ্গে ভারতের সম্পর্ককে উন্নীত করে বহু সংখ্যাবদ্ধ কৌশলের পক্ষে সওয়াল করছেন তিনি (PM Modi)। ভারতের বহু ভারসাম্য থেকে বহু সারিবদ্ধতায় স্থানান্তরিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে মাত্র ১০ বছরেরও কম সময়ে। (এই সময়টাই মোদির আমল।) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ইতিহাসে এমন পরিবর্তনের গতি খুব কমই দেখা যায়।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: হরিকৃষ্ণকে সরকারি বাংলোয় রাখতে ঘরছাড়া ৩ মন্ত্রী, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: হরিকৃষ্ণকে সরকারি বাংলোয় রাখতে ঘরছাড়া ৩ মন্ত্রী, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি বাংলো নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একটি সরকারি বাংলোতে রাজ্য়ের নয়া অর্থ উপদেষ্টা ও প্রাক্তন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে রাখার জন্য় তা কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে সাজানো হচ্ছে বলে অভিযোগ বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari)। পাশাপাশি, ওই বাংলোয় বর্তমানে রাজ্য়ের যে তিন মন্ত্রী থাকতেন, তাঁদেরকে সরানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন শুভেন্দু।

    কী অভিযোগ শুভেন্দুর?

    শুভেন্দু অধিকারী নিজের এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডেলের মাধ্যমে জানিয়েছেন, কলকাতায় কোয়েস্ট মলের কাছেই, প্রাসাদোপম সরকারি বাংলোতে প্রাক্তন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে রাখার বন্দোবস্ত করছে রাজ্য। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) অভিযোগ, যে বাংলোতে বিদ্যুৎ দফতরের প্রতিমন্ত্রী জনাব আখরুজ্জামান, বিধায়ক জনাব গিয়াসউদ্দিন মোল্লা এবং সেচ দফতরের প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন থাকতেন সেখান থেকে তাঁদের সরিয়ে একজন অবসরপ্রাপ্ত আধিকারিককে রাখা হচ্ছে।

    শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, ‘‘এটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আসল প্রকৃতি। মুসলিম নেতারা নিছক মুখ, টিএমসি পার্টির ধর্মনিরপেক্ষ চেহারাকে উজ্জ্বল করতে এবং মুসলিম ভোটকে আকর্ষণ করার জন্য প্রয়োজন। ক্যামেরা বন্ধ থাকলে তাঁদের সঙ্গে অসম্মান করা হয়।’’

    বাংলো সাজানোয় বিপুল খরচ

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) আরও অভিযোগ, সরকারি বাংলোটি রক্ষণাবেক্ষণ ও সুসজ্জিত করে তোলার জন্য বিপুল অর্থ খরচ করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, ৭০০০ বর্গফুট জায়গা জুড়ে থাকা এই বাংলো সাজাতে প্রায় ২ কোটি টাকা মতো খরচ করা হচ্ছে। নন্দীগ্রামের বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন, ‘‘কেন শুধুমাত্র একজন কলঙ্কিত অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বসানোর জন্য এই মুসলিম মন্ত্রী ও বিধায়কদের  বের করে দেওয়া হবে?’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jeffrey Epstein: ‘নাবালিকা’ পছন্দ ছিল ক্লিন্টনের! যৌনদাসী কেনাবেচা মামলায় জড়িয় বহু প্রভাবশালী

    Jeffrey Epstein: ‘নাবালিকা’ পছন্দ ছিল ক্লিন্টনের! যৌনদাসী কেনাবেচা মামলায় জড়িয় বহু প্রভাবশালী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যৌন অপরাধ মামলায় উঠে এল বিশ্বের তাবড় তাবড় প্রভাবশালীর নাম। মার্কিন আদালতে যে রিপোর্ট জমা পড়েছে, তাতে নাম রয়েছে ১৭০ জনের। এই তালিকায় যেমন রয়েছেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টন, ডোনাল্ড ট্রাম্প, তেমনি রয়েছেন ব্রিটেনের যুবরাজ প্রিন্স অ্যান্ড্রু, প্রয়াত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংও। এতদিন রিপোর্টটি গোপন রাখা হলেও, জেলা আদালতের বিচারক লরেটা এ প্রেস্কার নির্দেশে প্রকাশ করা হয়েছে সেটি (Jeffrey Epstein)। তার পরেই প্রকাশ্যে এসেছে প্রভাবশালীদের নাম।

    দোষী সাব্যস্ত হন জেফ্রি

    যৌনদাসী বেচাকেনা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন জেফ্রি এপস্টিন। ২০১৫ সালে তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হয় মামলা। সেই মামলারই রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়। তার পরেই প্রকাশ্যে আসে ‘কেচ্ছা’। জেফ্রির নিজস্ব একটি দ্বীপ রয়েছে। এই দ্বীপে ফূর্তি করতে আসতেন প্রভাবশালীরা। জেফ্রির এই দ্বীপে গিয়েছিলেন ক্লিন্টনও। অভিযোগকারিনী ভার্জিনিয়া জিওফ্রের দাবি, জেফ্রির দ্বীপে দুই মহিলার সঙ্গে সময় কাটিয়েছিলেন ক্লিন্টন। ক্লিন্টনের পছন্দ বাচ্চা মেয়েরা। প্রাক্তন আর এক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গেও সাক্ষাৎ হয়েছিল জেফ্রির।

    কারা রয়েছেন তালিকায়

    জোয়ানা সোবার্গ নামে আর এক অভিযোগকারিনী জানান, ম্যানহাটনে জেফ্রির বাড়িতে তাঁর অনুমতি না নিয়েই তাঁকে স্পর্শ করেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। প্রিন্সের সঙ্গে তাঁর তিনবার যৌন সম্পর্ক হয়েছিল বলে জানিয়েছেন ভার্জিনিয়া  নামে আর এক অভিযোগকারিনী। আদালতে জমা দেওয়া রিপোর্টে যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁদের মধ্যে (Jeffrey Epstein) রয়েছেন প্রয়াত পপ সম্রাট মাইকেল জ্যাকসন, জাদুকর ডেভিড কপারফিল্ডও। তবে পপ সম্রাট তাঁর কাছে ‘ম্যাসাজ’ নেননি বলেও জানিয়েছেন জোয়ানা। জেফ্রির দ্বীপে গিয়েছিলেন মাইক্রোসফ্টের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসও। গুগলের প্রতিষ্ঠাতা সেরগেই ব্রিন, জনপ্রিয় মডেল নেওমি ক্যাম্পবেলের নামও রয়েছে ওই রিপোর্টে। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালের প্রাক্তন অধ্যাপক একাধিক মেয়ের ধর্ষণ দেখতেও অংশ নিতেন।

    আরও পড়ুুন: সিঙ্গুর মামলায় রাজ্যের কৈফিয়ত তলব কলকাতা হাইকোর্টের, কেন জানেন?

    বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং সহ প্রায় ২০ জন বিজ্ঞানীও গিয়েছিলেন ওই দ্বীপে। তিনি শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছিলেন নাবালিকাদের সঙ্গে। এক নাবালিকার সঙ্গে মিলে হকিংয়ের সঙ্গে তাঁকে জেফ্রি সঙ্গমে লিপ্ত হতে বাধ্য করেছিলেন বলে দাবি (Jeffrey Epstein) অভিযোগকারিণীর ভার্জিনিয়ার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Calcutta High Court: সিঙ্গুর মামলায় রাজ্যের কৈফিয়ত তলব কলকাতা হাইকোর্টের, কেন জানেন?

    Calcutta High Court: সিঙ্গুর মামলায় রাজ্যের কৈফিয়ত তলব কলকাতা হাইকোর্টের, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাততাড়ি গুটিয়ে সিঙ্গুর ছেড়ে চলে গিয়েছে টাটারা। যে সিঙ্গুর আন্দোলনের জেরে রাজ্যে বাম সরকারের পতন ঘটিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল তৃণমূল, সেখানেও জমেছে সময়ের শ্যাওলা। সিঙ্গুরের জমিহারাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। তার পরেও ক্ষতিপূরণ পাননি তাঁরা। এরপর তাঁরা দ্বারস্থ হন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)। বৃহস্পতিবার সেই মামলায় রাজ্যের কাছে কৈফিয়ত তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞনমের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, এ ব্যাপারে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে জানাতে হবে নিজেদের অবস্থান।

    ট্রাইবুনালে টাটারা

    সিঙ্গুরে ন্যানো কারখানা না হওয়ায় রাজ্যকে দায়ী করে ক্ষতিপূরণ চেয়ে ট্রাইবুনালে মামলা করে টাটারা। ট্রাইবুনাল জানিয়ে দেয়, পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে ক্ষতিপূরণ বাবদ টাটাকে দিতে হবে ৭৬৬ কোটি টাকা। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে এই টাকার ওপর ১১ শতাংশ হারে সুদও দিতে হবে। রাজ্য সরকার যতক্ষণ না ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত গুনে যেতে হবে সুদ। ২০০৬ সালে সিঙ্গুরে (Calcutta High Court) ন্যানো কারখানা গড়তে টাটাদের হাজার একর কৃষি জমি দিয়েছিল তৎকালীন বাম সরকার। কৃষি জমিতে শিল্প স্থাপনের প্রতিবাদে আন্দোলনে নামেন তৎকালীন বিরোধী দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আন্দোলন হয় ‘জমিরক্ষা কমিটি’র ব্যানারে। আন্দোলনের ধাক্কায় ২০১১ সালে পতন ঘটে বাম সরকারের। ক্ষমতায় আসে মমতার নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকার।

    ‘সুপ্রিম’ নির্দেশেও মেলেনি ক্ষতিপূরণ

    সিঙ্গুর থেকে পাততাড়ি গুটিয়ে গুজরাটের সানন্দে চলে যায় টাটারা। সেখানেই গড়ে ওঠে ন্যানো কারখানা। ক্ষতিপূরণের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন চাষিরা। অবিলম্বে চাষিদের ক্ষতিপূরণ ও জমি ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল দেশের শীর্ষ আদালত। তার পরেও মেলেনি ক্ষতিপূরণ। কারখানা না হওয়ায় চাকরিও হয়নি। কংক্রিটের চাঙড় সরিয়ে জমি ফেরানো হলেও, ততদিনে উর্বরতা শক্তি হারিয়েছে সিঙ্গুরের উর্বর কৃষি জমি। যদিও ক্ষমতায় আসার পরে পরে ওই অনুর্বর জমিতেই সর্ষের বীজ ছড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী দেখিয়েছিলেন, সিঙ্গুরের জমি উর্বরই রয়েছে। তবে উর্বরতা হারানো জমিতে আক্ষরিক অর্থেই সেদিন সর্ষেফুল দেখেছিলেন চাষিরা, সর্ষে ঘরে তুলতে পারেননি। তার পরেই জোরালো হয়েছে ক্ষতিপূরণের দাবি। আদালতের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছেন চাষিরা।

     

    আরও পড়ুুন: “অভিষেক নাদান, কুণাল ননসেন্স!” মমতার পাশে দাঁড়িয়ে আক্রমণ তৃণমূল বিধায়কের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share