Tag: Madhyom

Madhyom

  • Daily Horoscope 18 February 2026: আটকে থাকা কাজ সম্পন্ন হবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 18 February 2026: আটকে থাকা কাজ সম্পন্ন হবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজ শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন সুযোগের সন্ধান পাবেন।

    ২) ব্যক্তি বা সংস্থার কাছ থেকে ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করুন।

    ৩) পরিবারের সঙ্গে দিন কাটান।

    বৃষ

    ১) ব্যবসাতে আটকে থাকা কাজ সম্পন্ন হবে।

    ২) লগ্নির জন্য সময় অনুকূল।

    ৩) ভাগ্যের সহায়তা লাভ করবেন।

    মিথুন

    ১) পারিবারিক সম্পত্তি বাড়বে।

    ২) নতুন প্রকল্প শুরুর সুযোগ পাবেন।

    ৩) শারীরিক রোগ নিরাময়ের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

    কর্কট

    ১) মা-বাবার স্বাস্থ্যের বিশেষ যত্ন নিন।

    ২) ভাইবোনের সাহায্যে আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    ৩) পরিবারের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে পারবেন।

    সিংহ

    ১) চোখের সমস্যা হতে পারে।

    ২) এখনই এর চিকিৎসা না-করালে ভবিষ্যতে সমস্যায় পড়তে পারেন।

    ৩) ঋণ নেবেন না, লোকসান হবে।

    কন্যা

    ১) সন্তানের কাছ থেকে আনন্দ সংবাদ পেতে পারেন।

    ২) ধর্মীয় কাজে রুচি বাড়বে।

    ৩) দাম্পত্য জীবন আনন্দে কাটবে।

    তুলা

    ১) প্রেম সম্পর্ক গড়ে উঠবে।

    ২) বরিষ্ঠ আধিকারিকদের সহযোগিতায় সমস্ত কাজ এক এক করে সম্পন্ন হবে।

    ৩) ছাত্রছাত্রীরা গুরুজনদের আশীর্বাদ লাভ করবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) ধৈর্য ধরে ও নিজের প্রতিভার সাহায্যে সমস্ত সমস্যার সমাধান করতে পারবেন।

    ২) শত্রুদের পরাজিত করতে সফল হবেন।

    ৩) প্রেমীরা ভেবেচিন্তে শব্দ ব্যবহার করুন।

    ধনু

    ১) ব্যবসা সম্প্রসারণ হবে।

    ২) সন্ধ্যাবেলায় সাবধানে গাড়ি চালান।

    ৩) বুদ্ধি, শিক্ষা ও জ্ঞান বৃদ্ধি হবে।

    মকর

    ১) ঋণমুক্তির চেষ্টা সফল হবে।

    ২) কঠিন পরিশ্রম করলে কোনও মূল্যবান বস্তু লাভ করতে পারবেন।

    ৩) ব্যবসায়িক যাত্রার দ্বারা লাভ হবে।

    কুম্ভ

    ১) আজ পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করবেন।

    ২) প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থ ব্যয় করুন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে কেউ কেউ আপনার সাফল্য দেখে ঈর্ষান্বিত হবেন।

    মীন

    ১) আটকে থাকা কাজ সম্পন্ন হবে।

    ২) প্রেমের জন্য দিনটি ভালো নয়।

    ৩) সামাজিক সম্মান পাওয়ায় মনোবল বাড়বে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Pakistan Cricket Crisis: ভারতের কাছে হারতেই পাক রাজনীতিতে তোলপাড়, সেনা-পিসিবি সংঘাত চরমে, কুর্সি যাচ্ছে নকভির?

    Pakistan Cricket Crisis: ভারতের কাছে হারতেই পাক রাজনীতিতে তোলপাড়, সেনা-পিসিবি সংঘাত চরমে, কুর্সি যাচ্ছে নকভির?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের কাছে পাকিস্তানের হারের অভিঘাত সীমাবদ্ধ নেই সেদেশের ক্রিকেট বোর্ডের অন্দরে। ক্রমে তা তীব্র আকার নিয়ে পৌঁছে গিয়েছে একেবারে পাকিস্তানের প্রশাসনের শীর্ষ স্তরে। যার জেরে সংঘাত বেঁধেছে পিসিবি ও পাক সামরিক বাহিনীর মধ্যে। পরিস্থিতি এমন যে পিসিবি প্রধানের কুর্সি নিয়েই টানাটানি শুরু হয়ে গিয়েছে।

    ক্রিকেটে হারের জের, পাক রাজনীতিতে তোলপাড়

    বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বড় জয়ের মাধ্যমে সুপার ৮ পর্বে জায়গা নিশ্চিত করে নিয়েছে ভারত। কলম্বোর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে গ্রুপ এ-এর ম্যাচে পাকিস্তানকে ৬১ রানে হারিয়ে ব্যাটে ও বলে একতরফা আধিপত্য দেখায় মেন ইন ব্লু। অন্যদিকে, ভারতের হাতে পাকিস্তানের এই পরাজয় শুধু মাঠের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এমনকি বিষয়টি পৌঁছেছে দেশের ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির পর্যন্ত।

    ক্ষুব্ধ পাক সেনার সর্বেসর্বা আসিম মুনির

    খবরে প্রকাশ, ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের দুর্বল ও নিম্নমানের পারফরম্যান্সে ক্ষুব্ধ পাক সেনার সর্বেসর্বা ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। সেনাবাহিনীর দৃষ্টিতে এই ম্যাচ শুধুমাত্র একটি ক্রিকেটীয় ব্যর্থতা নয়, বরং জাতীয় মর্যাদার বিষয় হিসেবেও দেখা হয়েছে। তাদের মতে, দলটি ম্যাচের জন্য যথাযথভাবে প্রস্তুত ছিল না। পাক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুয়ায়ী, প্রতিরক্ষা সচিবের মাধ্যমে মুনিরের এই অসন্তোষের কথা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে জানানো হয়েছে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) দল নির্বাচন, প্রস্তুতি এবং প্রকাশ্য মন্তব্যের ধরন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এর জেরে পিসিবি চেয়ারম্যান মোহসিন নকভি বর্তমানে তীব্র চাপে রয়েছেন। রিপোর্ট অনুযায়ী, পরিস্থিতি সামাল দিতে তাঁকে পদ থেকে সরানোর সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।

    মোহসিন নকভিকে নিয়ে বিতর্ক

    এর আগে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ আইসিসি বাতিল করার প্রতিবাদ জানিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পাকিস্তান। যদিও পরে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে তারা। পিসিবির ওই আট দিনের নাটকের মাঝেই এক সাংবাদিক সম্মেলনে মোহসিন নকভিকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ না খেললে পাকিস্তানকে আইসিসি শাস্তি দিতে পারে কি না। উত্তরে তিনি ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের নাম উল্লেখ করে বলেন, পাকিস্তান সরকার কাউকে ভয় পায় না। “সবাই আমাদের ফিল্ড মার্শালকে চেনে,” মন্তব্য করেন নকভি।

    সেনা সদর দফতরের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

    মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, ক্রিকেট ও প্রশাসনিক বিষয়ে নিজের নাম জড়ানোয় ক্ষুব্ধ হয়েছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির। অনুমতি ছাড়া তাঁর নাম ব্যবহার করায় সামরিক মহলেও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। তার উপর ভারতের কাছে পাকিস্তানের লজ্জাজনক পরাজয় পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে। সূত্রের দাবি, ওই মন্তব্যের পরই রাওয়ালপিন্ডিতে অবস্থিত সেনা সদর দফতর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায়। সেনা নেতৃত্বের মতে, সেনাপ্রধানের নাম উল্লেখ করে পিসিবি চেয়ারম্যান নকভি সামরিক শিষ্টাচার লঙ্ঘন করেছেন এবং ক্রিকেট প্রশাসনকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে জড়িয়ে ফেলেছেন। এর ফলে একটি ক্রীড়াজনিত পরাজয় এখন পিসিবি চেয়ারম্যান ও সেনা নেতৃত্বের মধ্যে কৌশলগত বিরোধে রূপ নিয়েছে।

    নকভির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

    ইসলামাবাদের সূত্র জানিয়েছে, আসিম মুনির তাঁর সামরিক সচিবের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে নিজের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন এবং পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনার ত্রুটিগুলোর দিকেও নজর আকর্ষণ করেছেন। এই ঘটনার পর জল্পনা বেড়েছে যে, পিসিবি চেয়ারম্যান হিসেবে নকভির ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত। সেনাবাহিনীকে সন্তুষ্ট করা এবং ক্রিকেট প্রশাসনের ওপর আস্থা ফেরাতে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সাংগঠনিক পরিবর্তনের বিষয়টি বিবেচনা করছেন বলে খবর।

  • Pathum Nissanka: দুরন্ত শতরান, উড়ন্ত ক্যাচ! নিশাঙ্কা-ঝড়ে ধরাশায়ী অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কার জয়ের নেপথ্যে ২ প্রাক্তন ভারতীয় কোচ

    Pathum Nissanka: দুরন্ত শতরান, উড়ন্ত ক্যাচ! নিশাঙ্কা-ঝড়ে ধরাশায়ী অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কার জয়ের নেপথ্যে ২ প্রাক্তন ভারতীয় কোচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সোমবার ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দুরন্ত জয় পেয়েছে শ্রীলঙ্কা। দুরন্ত অপরাজিত শতরান করে অজিদের থেকে ম্যাচ ছিনিয়ে নেন ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা। দলের এই দুর্দান্ত জয়ের পরে ২ ভারতীয়ের অবদানের কথা স্বীকার করেন শ্রীলঙ্কার হেড কোচ তথা সেদেশের কিংবদন্তি ক্রিকেটার সনৎ জয়সূর্য।

    ‘টুর্নামেন্টের সেরা ক্যাচ’

    আগের দুই টি-২০ বিশ্বকাপে গ্রুপ-পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হওয়া শ্রীলঙ্কা এবার ২০২১ সালের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে ৮ উইকেটে হারিয়ে সুপার ৮ পর্বে জায়গা করে নিয়েছে। এই ঐতিহাসিক জয়ের নায়ক নিশাঙ্কা। অসাধারণ ব্যাটিং প্রদর্শন করে তিনি টুর্নামেন্টের প্রথম সেঞ্চুরি করেন। শুধু ব্যাটিং নয়, ফিল্ডিংয়েও নজর কেড়েছেন নিশাঙ্কা। পয়েন্ট পজিশনে দাঁড়িয়ে বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে তিনি গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের সুইচ হিট করা বল অসাধারণ দক্ষতায় তালুবন্দি করেন। অনেক সমর্থকই এই ক্যাচকে ইতিমধ্যেই ‘টুর্নামেন্টের সেরা ক্যাচ’ বলে আখ্যা দিচ্ছেন।

    জয়ের কারিগর রাঠৌর-শ্রীধর

    ম্যাচের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জয়সূর্য দলের সাফল্যের কৃতিত্ব দেন ভারতের দুই প্রাক্তন কোচ আর শ্রীধর এবং বিক্রম রাঠৌরকে। গত বছর পর্যন্ত এই দুজন টিম ইন্ডিয়ার কোচ ছিলেন। শ্রীধর ছিলেন ফিল্ডিং কোচ এবং রাঠৌর ছিলেন ব্যাটিং কোচ। বিক্রম রাঠৌর ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের কোচিং স্টাফের সদস্য ছিলেন এবং পাঁচ বছর ভারতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে, শ্রীধর এখন লঙ্কাবাহিনীর ফিল্ডিং কোচের ভূমিকায়। অন্যদিকে, চলতি আইসিসি টুর্নামেন্টের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গত মাসে তাঁকে ব্যাটিং পরামর্শদাতা তথা কোচ হিসেবে নিযুক্ত করেছে শ্রীলঙ্কা। এই দুজন নিজেদের পূর্ণ অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে শ্রীলঙ্কাকে একটা সংঘবদ্ধ দলে পরিণত করেছেন। সেকথা স্বীকার করে নেন জয়সূর্য।

    ভারতীয় কোচেদের প্রশংসায় জয়সূর্য-শানাকা

    সাংবাদিক সম্মেলনে জয়সূর্য বলেন, “শ্রীধর আমাদের ফিল্ডিং কোচ এবং বিক্রম আমাদের ব্যাটিং কোচ। দু’জনেই খুব ভালো মানুষ। অনুশীলনে আমরা যা চাই, তাঁরা সেটাই করান। আইপিএল অভিজ্ঞতা নিয়ে বিক্রম খেলোয়াড়দের সঙ্গে দারুণভাবে কাজ করছেন। আমরা ব্যাটারদের উপর পূর্ণ আস্থা রেখেছি এবং তাঁদের আত্মবিশ্বাস দিয়েছি। বিক্রম ও শ্রীধর সত্যিই অসাধারণ কাজ করেছেন।” শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শানাকাও ব্যাটিং কনসালট্যান্ট বিক্রম রাঠৌরের প্রশংসা করেছেন। তাঁর মতে, রাঠৌর দলের ব্যাটারদের মধ্যে আরও আক্রমণাত্মক মানসিকতা গড়ে তুলতে বড় ভূমিকা নিয়েছেন। তিনি বলেন, “বিক্রম রাঠৌর আমাদের দলের জন্য খুব ভালো সংযোজন। তাঁর জ্ঞান এবং মানসিকতা—তিনি সবসময় চাইতেন আমরা আক্রমণাত্মকভাবে খেলি, যাতে খেলোয়াড়রা নিজেদের আরও মুক্তভাবে প্রকাশ করতে পারে। তিনি সত্যিই দলের জন্য মূল্যবান সংযোজন।”

    কার্যত ছিটকে গিয়েছে অস্ট্রেলিয়া

    এদিকে, প্রথমে জিম্বাবোয়ের কাছে পরাজয়। এবার শ্রীলঙ্কার কাছে ম্যাচ হেরে প্রতিযোগিতা থেকে কার্যত ছিটকে যাওয়ার পথে অস্ট্রিলিয়া। মিচেল মার্শরা এখন খাদের কিনারায়। অন্য দলের খেলার দিকে তাকিয়ে। তবে, সেই সম্ভাবনাও ক্ষীণ। কারণ, আয়ারল্যান্ডকে যদি জিম্বাবোয়ে হারিয়ে দেয়, তাহলে, তারা সুপার-৮ পর্যায়ে চলে যাবে। ছিটকে যাবে অস্ট্রেলিয়া। এই গ্রুপ থেকে সোমবারই সুপার-৮ এ নিজেদের জায়গা পাকা করে ফেলেছে শ্রীলঙ্কা। অস্ট্রেলিয়ার একমাত্র আশা, যদি জিম্বাবোয়ে নিজেদের পরের দুটি ম্যাচই খুব বাজেভাবে হারে। এবং শেষ ম্যাচে যদি অস্ট্রেলিয়া দারুণভাবে যদি জেতে, তাহলে হয়ত কোনও একটা মিরাক্যল হতে পারে।

  • India-Bangladesh Relations: পশ্চিমবঙ্গ-সীমান্ত লাগোয়া বাংলাদেশের জেলাগুলিতে জয়ী জামাত! ভারতের জন্য কতটা উদ্বেগের?

    India-Bangladesh Relations: পশ্চিমবঙ্গ-সীমান্ত লাগোয়া বাংলাদেশের জেলাগুলিতে জয়ী জামাত! ভারতের জন্য কতটা উদ্বেগের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের (India-Bangladesh Relations) রাজনৈতিক মানচিত্রে বড় পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP) বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠনের পথে এগোলেও, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয় পেয়ে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম দলে পরিণত হয়েছে। তাদের ১১-দলীয় জোটের মোট আসন সংখ্যা ৭৭। এই ফলাফল বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ জামায়াতের বেশিরভাগ সাফল্য এসেছে ভারতের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে। বলা ভালো পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলায় যেখানে হিন্দু জনসংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি সেখানে জয়ী হয়েছে জামাত।

    ভারতের জন্য উদ্বেগের

    হাসিনা সরকারের পতনের পর, বাংলাদেশে ভারত বিরোধী জিগির উঠলেও, এবারের ভোটে ভারত বিদ্বেষী জামায়াতে ইসলামি ও ছাত্র জোট কার্যত ধুয়ে মুছে গিয়েছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত বরাবর বাংলাদেশের বেশিরভাগ অংশেই জয়ী হয়েছে ভারতবিদ্বেষী জামাত। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত বরাবর…সাতক্ষীরা, খুলনা, যশোর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙা, মেহেরপুর, রাজশাহি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, জয়পুরহাটের মতো জায়গায় জয়ের খাতা খুলেছে জামাত। বাংলাদেশের এই জেলাগুলির গা ঘেঁসেই রয়েছে মালদা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনার মতো জেলা। যা ভারতের জন্য উদ্বেগের, বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কূটনীতিকদের মতে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া না দেওয়া অনেকটা জায়গা পড়ে রয়েছে। এর অধিকাংশটাই পশ্চিমবঙ্গের। নিরাপত্তার খাতিরে কাউকে জিজ্ঞাসা না করেই কেন্দ্রীয় সরকার যে কোনও জমি নিতে পারে। তাই শীঘ্রই এখানে বেড়া দেওয়া দরকার।

    ভারত-বাংলাদেশ সুসম্পর্ক!

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, সীমান্ত এলাকায় জামাতের শক্তিবৃদ্ধি ভারতের জন্য আশঙ্কার। বিরোধীদেরও দাবি, এই ছবি পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুদের জন্য মোটেই স্বস্তির নয়। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমি মনে করি, একাত্তরের শক্তির খানিকটা জাগরণ ঘটেছে বলে, আরও জাগরণ ঘটত যদি আওয়ামি লিগ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করত। তাহলে এই জামাতিরা ১০টি আসন পেত না।” হাসিনা জমানায় ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর কাছাকাছি আসে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। পদ্মাপারে বাড়তে থাকে কট্টরপন্থীদের দাপট। অভিযোগ, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশের ছাত্র-যুব আন্দোলনে ইন্ধন ছিল ইসলামাবাদের। তারেক রহমানের হাত ধরে ফের ভারত-বাংলাদেশ সুসম্পর্ক তৈরি হবে কি না তা সময় বলবে।

    নির্বাচনের সারসংক্ষেপ

    মোট ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপি ও তার জোট ২১২টি আসন জিতে সরকার গঠনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করে। জামায়াতে ইসলামী এককভাবে ৬৮টি আসন পায়—দলের ইতিহাসে যা এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি। ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলন থেকে উঠে আসা জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP) মাত্র ৬টি আসন জিতে ভরাডুবির মুখে পড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, শহরাঞ্চল, শিক্ষিত ভোটার ও মহিলারা জামায়াতের রক্ষণশীল অবস্থানের বিরোধিতা করেছেন। তবে গ্রামীণ ও সীমান্তবর্তী এলাকায় দলটির প্রভাব বেড়েছে।

    হিন্দু অধ্যুষিত বিভাগ ও জামায়াতের ফল

    বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৮% (প্রায় ১ কোটি ৩০ লক্ষ)। তবে কিছু বিভাগে এই হার ১০%–এর বেশি।

    সিলেট বিভাগ

    হিন্দু জনসংখ্যা: প্রায় ১৩.৫%

    জামায়াতের সাফল্য সীমিত

    উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে সীমান্তবর্তী (আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা)

    তুলনামূলকভাবে ভারত-বিরোধী মনোভাব এখানে কম

    রংপুর বিভাগ

    হিন্দু জনসংখ্যা: প্রায় ১৩%

    রংপুর-১, ২, ৩, ৫, ৬ সহ একাধিক আসনে জামায়াতের জয়

    গাইবান্ধা, জয়পুরহাটেও ভালো ফল

    খুলনা বিভাগ (বিশেষত সাতক্ষীরা)

    হিন্দু জনসংখ্যা: ১১–১২%

    সাতক্ষীরা জেলার চারটি আসনেই জামায়াতের জয়

    পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি, মালদা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া ও ২৪ পরগনার সংলগ্ন এলাকা বাংলাদেশের এই জায়গাগুলো।

    কেন উদ্বিগ্ন ভারত

    সীমান্ত নিরাপত্তা: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের দৈর্ঘ্য ৪,০৯৬ কিমি। রংপুর-খুলনা অঞ্চলে জামায়াতের শক্ত অবস্থান সীমান্তে চোরাচালান, অনুপ্রবেশ বা অস্থিরতার আশঙ্কা বাড়াতে পারে। নির্বাচনী প্রচারে দলটি ভারতের বিএসএফের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছিল।

    ভারত বিরোধী মনোভাব: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানপন্থী অবস্থান নিয়েছিল জামায়াত। সেই অতীতের কারণে ভারতের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক সবসময়ই সন্দেহের চোখে দেখা হয়েছে। সীমান্তবর্তী গ্রামীণ এলাকায় ভারতবিরোধী বক্তব্য তাদের নির্বাচনী সাফল্যে ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    সংখ্যালঘু নিরাপত্তা: যেসব এলাকায় হিন্দু জনসংখ্যা ১০%–এর বেশি, সেখানে জামায়াতের উত্থান সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। রাজনৈতিক মেরুকরণ বাড়লে সামাজিক উত্তেজনাও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা।

    দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক: তিস্তা জলবণ্টনসহ বিভিন্ন বাণিজ্য ও সীমান্ত ইস্যুতে নতুন করে চাপ তৈরি হতে পারে। যদিও বিএনপি সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের ইঙ্গিত দিয়েছে। কিন্তু বিরোধী শক্তি হিসেবে জামায়াত চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

    জনমতের বার্তা

    জাতীয় পর্যায়ে বিএনপির জয় দেখায় যে অধিকাংশ ভোটার চরমপন্থাকে সমর্থন করেননি। শহরাঞ্চল ও মহিলা ভোটারদের বড় অংশ জামায়াতকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তবে গ্রামীণ ও সীমান্তবর্তী এলাকায় ধর্মীয় ও পরিচয়ভিত্তিক রাজনীতি কার্যকর হয়েছে।
    ২০২৬ সালের নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা করলেও, সীমান্তবর্তী এলাকায় জামায়াতের শক্ত অবস্থান ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এবং সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।

  • Daily Horoscope 17 February 2026: পরিবারে সুখ-সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 17 February 2026: পরিবারে সুখ-সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বন্ধুর বাড়িতে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।

    ২) নতুন যোগাযোগ গড়ে উঠবে।

    ৩) পরিবারে সুখ-সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পাবে।

    বৃষ

    ১) ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রে কাজ করেন যাঁরা, তাঁরা সঞ্চয় প্রকল্পে মনোনিবেশ করুন।

    ২) নতুন কাজে লগ্নির সুযোগ পাবেন।

    ৩) সন্তানকে দায়িত্ব দিলে, তারা তা পূরণ করবে।

    মিথুন

    ১) বাণী ও ব্যবহারে মাধুর্য বজায় রাখুন।

    ২) কর্মক্ষেত্রে সকলের সঙ্গে ভালো ভাবে সম্পর্ক বজায় রাখতে পারবেন।

    ৩) ভেবেচিন্তে নিজের প্রকল্প কার্যকরী করুন, তা না-হলে সমস্যা হতে পারে।

    কর্কট

    ১) আজকের দিনটি অত্যন্ত ফলদায়ী।

    ২) কেরিয়ারে বিরোধিতার মুখোমুখি হতে পারেন।

    ৩) এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি ইতিবাচক ফলাফল নিয়ে আসবে।

    ২) নিদের অভিজ্ঞতার দ্বারা লাভান্বিত হবেন।

    ৩) প্রশাসনিক কাজের গতি বাড়বে।

    কন্যা

    ১) আজকের দিনটি ভাগ্যবান।

    ২) মান-সম্মান বাড়বে।

    ৩) কিছু কাজে সহজেই অগ্রসর হবেন, এ সময়ে কিছু সমস্যা হতে পারে।

    তুলা

    ১) আজকের দিনটি ভালো।

    ২) পরিবারে শুভ অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে।

    ৩) বিলাসিতাপূর্ণ জীবনযাপন করবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) আজকের দিনটি গুরুত্বপূর্ণ।

    ২) একাধিক উৎস থেকে লাভ অর্জন করতে পারেন।

    ৩) অংশীদারীর কাজে ভালো প্রদর্শন করবেন।

    ধনু

    ১) আজকের দিনটি ভালো কাটবে।

    ২) কারও ওপর চোখ বন্ধ করে ভরসা করবেন না, লোকসান হবে।

    ৩) অভিজ্ঞতার দ্বারা লাভান্বিত হবেন।

    মকর

    ১) আজ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

    ২)  কর্মক্ষেত্রে শত্রু আপনার ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করবে।

    ৩) চতুর বুদ্ধির প্রয়োগ করে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

    কুম্ভ

    ১)  আজ মিশ্র ফলাফল লাভ করবে।

    ২) পরিবারে সুখ-সুবিধা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) কোনও দামী জিনিস চুরি যেতে পারে।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি উন্নতিদায়ক।

    ২) সকলকে সঙ্গে নিয়ে চলার চেষ্টা করবেন।

    ৩) আইনি মামলা আপনার জন্য সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • India vs Pakistan: ছন্নছাড়া পাক ক্রিকেট! রাগের চোটে টিভি ভাঙলেন সমর্থকরা, দোষারোপের পালা শুরু প্রতিবেশী দেশে

    India vs Pakistan: ছন্নছাড়া পাক ক্রিকেট! রাগের চোটে টিভি ভাঙলেন সমর্থকরা, দোষারোপের পালা শুরু প্রতিবেশী দেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-২০ বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) ভারতের কাছে ৬১ রানে হারের পর পাকিস্তানে আবেগের বিস্ফোরণ। ভাঙল একের পর এক টিভি। ম্যাচের শুরু থেকেই ভারতের দাপট ছিল। পাকিস্তানের খেলা দেখে কোনও সময়েই মনে হয়নি তারা এই ম্যাচে জয় পেতে পারে। ভারতীয় দল নিরঙ্কুশ দাপট দেখিয়ে জয় পেল। ভারতের এই জয়ের পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ছবি, ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, পাকিস্তানে টেলিভিশন সেট ভাঙা হয়েছে। পাকিস্তানে এই দৃশ্য নতুন কিছু নয়। বিশ্বকাপে ভারতের কাছে হারলেই টিভি ভাঙা হয়। এবারও ঠিক সেটাই হল। আসলে পুরোটাই হতাশার ফল। ম্যাচের আগে বয়কট বিতর্ক, উত্তেজনা—সব মিলিয়ে আবহ ছিল তপ্ত। কিন্তু মাঠে পার্থক্য স্পষ্ট। ভারত ছিল পরিকল্পিত, নিয়ন্ত্রিত, আত্মবিশ্বাসী। পাকিস্তান ছিল ছন্নছাড়া।

    পুরনো রীতি ফিরে এল!

    কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে (R Premadasa Stadium) একতরফা ম্যাচের পর সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল এক ভিডিও—ক্ষুব্ধ এক পাক সমর্থক নিজের টিভি সেট ভেঙে ফেলছেন! গ্রুপ এ-র ম্যাচে ভারত ৭ উইকেটে ১৭৫ রান তুলেছিল। জবাবে পাকিস্তান অলআউট হয় ১১৪ রানে। ফল—৬১ রানের ধাক্কা। টি-২০ আন্তর্জাতিক (T20I) ইতিহাসে ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হার। ম্যাচের কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই সমর্থকের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। তিনি লিখেছেন, ‘‘ভারত আবার হারাল পাকিস্তানকে। রাগে টিভি ভেঙে ফেললাম।’’ আরেক পোস্টে যোগ করেন, ‘‘সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছি, লজ্জিত, হতবাক—কিছু বলার নেই।’’ আত্মবিদ্রূপ মেশানো হতাশা যেন গোটা দেশের আবেগের প্রতিফলন। তেমনই একটি পোস্টে বিদ্রুপের সুরে লেখা হয়েছে — ‘ভারতের কাছে ম্যাচ হারার পর মধ্যরাত পর্যন্ত পাকিস্তানিরা সারা দেশে ৫৫০০টিরও বেশি টিভি ভেঙে ফেলেছে। এরই মধ্যে, পাকিস্তানি টিভি সেট নির্মাতারা তাদের শিল্পকে বাঁচানোর জন্য ভারতকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন।’

    ভারতের কাছে হার নিত্য ঘটনা!

    মাঠে হতাশা, গ্যালারিতেও দীর্ঘশ্বাস পাক সমর্থকদের। কলম্বোর (Colombo) আর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে (R Premadasa Stadium) যে পাকিস্তানিরা ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দেখতে গিয়েছিলেন, তাঁরাও ফের ভারতের কাছে হারে হতাশ। এক পাকিস্তানি বলেছেন, ‘‘ভারতের কাছে পাকিস্তানের হার এখন নিত্য ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমার একটু আশা ছিল যে আমরা ম্যাচ জিতব এবং অন্তত একটু লড়াই করব। কিন্তু এখন ভারতের জয় রুটিন হয়ে গিয়েছে। আমাদের কাছে বুমরার জবাব নেই। আমরা হার্দিকের মোকাবিলা করতে পারি না। এখন এই অবস্থা হয়ে গিয়েছে। ভারতীয় দল ভালো খেলেছে।’’

    দোষারোপের পালা পাকিস্তান

    ভারতের কাছে পাকিস্তানের হার মেনে নিতে পারছেন না শাহিদ আফ্রিদি। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে দু’ওভার বল করে ৩১ রান দিয়েছেন শাহিন আফ্রিদি। ঘটনাচক্রে শাহিন ও শাহিদের সম্পর্ক জামাই-শ্বশুরের। সেই জামাইকেই এ বার দল থেকে বাদ দেওয়ার কথা বললেন শ্বশুর। জানিয়ে দিলেন, তাঁর হাতে ক্ষমতা থাকলে শাহিনকে ছাঁটাই করতেন তিনি। আফ্রিদির মতে, দলের সিনিয়র ক্রিকেটারদের হারের দায় নিতে হবে। বার বার একই ক্রিকেটারদের উপর ভরসা দেখানোর মানে নেই। সেটা নির্বাচকদের বুঝতে হবে। আফ্রিদি বলেন, “যদি আমার হাতে ক্ষমতা থাকত তা হলে শাহিন, বাবর ও শাদাবকে বাদ দিয়ে দিতাম। ওদের বদলে নতুনদের সুযোগ দিতাম। এরা তো বছরের পর বছর খেলছে। এখনও ভারতকে হারাতে পারল না। তা হলে কেন ওদেরই খেলিয়ে যাব। আমার মনে হয়, নামিবিয়া ম্যাচেই এই তিন জনকে বসিয়ে দেওয়া উচিত।”

    সিনিয়রদের সমালোচনা

    ভারতের বিরুদ্ধে ৬১ রানে হেরেছে পাকিস্তান। কলোম্বোয় ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং- সব দিকেই ফেল করেছে সলমান আলি আঘা ব্রিগেড। এমন লজ্জাজনক হারের পরই রেগে গিয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন ফাস্টবোলার শোয়েব আখতারও। তিনি শুধু পাকিস্তান দল নিয়ে নয়, এর পাশাপাশি ক্রিকেট বোর্ডের কাজকর্ম নিয়েও চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেন। পাকিস্তানের সিনিয়র প্লেয়ারদের নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেন শোয়েব। তিনি বাবর আজম, শাহিন শাহ আফ্রিদির মতো সিনিয়র প্লেয়ারকে আক্রমণ করেন।। তিনি মনে করেন, এই সব স্টারেরা কোনও বড় ম্যাচে পারফর্ম করেন না। এমনকী স্টার কালচার নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। এই কারণেই পাকিস্তান ক্রিকেট দল হারছে বলে মনে করছেন তিনি।

    অযোগ্য ব্যক্তি চেয়ারে আখতারের টার্গেট নকভি

    আখতার অভিযোগ করেন, কোনও অযোগ্য মানুষকে যদি দায়িত্ব দেওয়া হয়, তাহলে শুধু টিমের নয়, গোটা দলের ক্ষতি হয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বর্তমানে প্লেয়ারদের যোগ্যতা দেখে নয়, অন্য অনেক বিষয় দেখে নির্বাচন করা হয়। আর এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি সোজাসুজি মহসিন নকভির দিকেই ইঙ্গিত করলেন। মাথায় রাখতে হবে নকভি হলেন সেই ব্যক্তি, যাঁর কথায় এবারের বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে চায়নি ভারত। আখতার বলেন, ‘‘গত ১৫-২০ বছরে কোনও বিনিয়োগই হয়নি। এক সময় মাঠে আমরা ভারতের সঙ্গে লড়াই করতাম, আর আজ তাদের হারানোর স্বপ্নও দেখতে পারি না।’’ শোয়েব আখতারের মতে, পাকিস্তান ক্রিকেটে বর্তমান শোচনীয় অবস্থা কয়েক বছর ধরে চলা খারাপ নেতৃত্ব এবং ধারাবাহিক ভুল সিদ্ধান্তের ফল। তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘‘একজন মানুষ যিনি কিছুই জানেন না, তিনি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান হয়ে গিয়েছেন। দল কী ভাবে চলবে?’’ শোয়েব আরও বলেন, ‘‘পাকিস্তান ক্রিকেটের বড় সমস্যা হলো বোর্ডের দায়িত্ব অযোগ্য মানুষের হাতে থাকা।’’ তিনি উল্লেখ করেন, ‘‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় অপরাধ হলো অযোগ্য মানুষকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া। এর ফলে শুধু একজন ব্যক্তি নয়, পুরো দল ও প্রতিষ্ঠানই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’’

  • India Vs Pakistan: ‘‘জায়গা তারিখ বদলায়, ফল একই থেকে যায়’’, ভারতের জয়ে পোস্ট অমিত শাহের

    India Vs Pakistan: ‘‘জায়গা তারিখ বদলায়, ফল একই থেকে যায়’’, ভারতের জয়ে পোস্ট অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এটাই যেন ট্যাডিশন হয়ে গিয়েছে। বাইশ গজ হোক বা যুদ্ধক্ষেত্র, সব জায়গাতেই ফলাফল এক। রবিবার কলম্বোয় ভারতের দাপুটে জয়ের পরই সমাজ মাধ্যমে পাকিস্তানকে তীব্র কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে লিখলেন, ‘‘খেলার ফর্ম্যাট, জায়গা বা তারিখ বদলায়, কিন্তু ভারত বনাম পাকিস্তানের ফলাফল সবসময় একই থেকে যায়। পুরো দলকে অভিনন্দন।’’

    শাহী কটাক্ষ

    ইতিহাস নিজেই নিজের পুনরাবৃত্তি ঘটায়—ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ শেষে প্রত্যেকবারই বলতে হয় এই ক্লিশে কথা। মাঠে গড়ানোর আগেই ম্যাচের যা ফল অনুমান করা হয়, দিন শেষে সেটাই দেখা যায়। ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ যেন তা-ই বোঝাতে চাইলেন। গতকাল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ শেষে প্রতিবেশীদের খোঁচা দিয়েছেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারতকে সবশেষ পাকিস্তান হারিয়েছে দুবাইয়ে ২০২২ এশিয়া কাপের সুপার ফোরের ম্যাচে। গত সাড়ে তিন বছরে দুই দল মুখোমুখি হয়েছে ১০ বার। যার মধ্যে ৯টিতেই জিতেছে ভারত। বৃষ্টিতে ভেসে গেছে এক ম্যাচ। কলম্বোর প্রেমাদাসায় গতকাল পাকিস্তানের বিপক্ষে ভারতের ৬১ রানে জয়ের পর সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্ট পাকিস্তানকে কটাক্ষ অমিত শাহের। নিজের অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লিখেছেন, ‘‘ভারত দারুণ খেলেছে। সংস্করণ, ভেন্যু, তারিখ বদলাতে পারে। তবে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের ফল একই।’’ আসলে শাহ যে সবদিক থেকেই পাকিস্তানকে খোঁচা দিলেন, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    মাঠ ছাড়লেন নকভি

    রবিবার খেলা শুরুর আগে দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। দিয়েছিলেন উৎসাহ। কিন্তু মাঠে সে সব বোঝা গেল না। ভারতের কাছে ৬১ রানে হারল পাকিস্তান। দলের লজ্জার হার মাঠে বসে দেখতে পারেননি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভি। খেলা শেষ হওয়ার আগেই স্টেডিয়াম ছেড়ে পালিয়ে যান তিনি। পাকিস্তানের ৫ উইকেট পড়ে যাওয়ার পরেই স্টেডিয়ামের ভিতর নকভিকে দেখা যায়নি। কিছু ক্ষণ পরে দেখা যায়, স্টেডিয়াম থেকে তাঁর গাড়ি বেরিয়ে যাচ্ছে। সেখানে নকভির ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীরা ছিলেন। এই দৃশ্য থেকে পরিষ্কার, নকভি খেলা শেষ হওয়ার আগেই স্টেডিয়াম থেকে বেরিয়ে গিয়েছেন। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দেখতে স্টেডিয়ামে দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ড ও আইসিসির কর্তারা গিয়েছিলেন। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি মিঠুন মিনহাস, সচিব দেবজিৎ শইকীয়া যেমন ছিলেন, তেমনই আইসিসির চেয়ারম্যান জয় শাহও উপস্থিত ছিলেন। এ দিন জয়ের সঙ্গে নকভির একটি বৈঠক হওয়ারও কথা ছিল। বাকি সকল কর্তা খেলার শেষ পর্যন্ত থাকলেও নকভি আগেই বেরিয়ে যান।

    গুগল ইন্ডিয়ার ‘গুগলি’

    বাংলাদেশকে সমর্থন করে প্রথমে ম্যাচ বয়কটের হুঁশিয়ারি। এর পর মাঠে নামার আগে তর্জন-গর্জন। কিছুই বাকি রাখেনি পাকিস্তান (Pakistan)। কিন্তু ১৫ ফেব্রুয়ারি, রবিবার কলম্বোতে ভারতীয় (India) ব্রিগেডের কাছে মুখ থুবড়ে পড়েছেন সলমন আলি আঘা’রা। ম্যাচ হারার পরেই পাকিস্তান দলকে নিয়ে ট্রোল শুরু হয় সমাজমাধ্যমে। সেই তালিকায় নাম লেখাল গুগল (Google)-ও। ছয় শব্দের পোস্টে পাকিস্তানকে কটাক্ষ করল গুগল ইন্ডিয়া (Google India)। রবিবার, ঈশান কিষাণের ৭৭ রানের উপর ভর করে স্কোর বোর্ডে ১৭৫ রান তুলেছিল ভারত। জবাবে মাত্র ১১৪ রানে অল আউট হয়ে যায় পাকিস্তান। ৬১ রানে বড় জয় পায় টিম ইন্ডিয়া। তার পরেই সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করা হয় গুগল ইন্ডিয়ার তরফে। লেখা হয়, “এই ম্যাচটি আসলে একটি ইমেল হতে পারত।” রবিবার সূর্যকুমারদের কাছে যেভাবে আত্মসমর্পন করেছেন শাহিন আফ্রিদিরা, সেই কথাই তুলে ধরল গুগল (Google)। অর্থাৎ গুগল ইন্ডিয়া একপ্রকার বোঝাতে চেয়েছে, ম্যাচের ফলাফল যেখানে অনুমেয় ছিল, সেখানে একটা ইমেল করে দিলেই হতো, এত সময় ধরে ম্যাচ খেলার প্রয়োজন ছিল না। আর এ নিয়ে জোর চর্চা চলছে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে।

  • AI Impact Summit India: ‘সকলের সুখের জন্য’, নয়াদিল্লিতে এআই সম্মেলন শুরু, উপস্থিত ২০ দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা

    AI Impact Summit India: ‘সকলের সুখের জন্য’, নয়াদিল্লিতে এআই সম্মেলন শুরু, উপস্থিত ২০ দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকলের ভালোর জন্য, সকলের সুখের জন্য এআই। এমনই মনে করে আধুনিক ভারত। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI Impact Summit India)-র প্রভাব নিয়ে পাঁচ দিনের সম্মেলন শুরুতে এই বার্তাই দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে সকাল সাড়ে ৯টায় এই সম্মেলন শুরু হয়েছে। সম্মেলন শুরু হওয়ার পর সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সেখানে তিনি ‘সর্বজন হিতায়, সর্বজন সুখায়’-এর বার্তা দিয়েছেন। এই সম্মেলনে যোগ দেবেন গুগ্‌লের সুন্দর পিচাই, ওপেনএআই-এর স্যাম অল্টম্যান-সহ কমবেশি ৪০টি সংস্থার কর্তাব্যক্তিরা। যোগ দেবেন ২০টি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান কিংবা শীর্ষস্থানীয় নেতারা। আগামী বৃহস্পতিবার এই সম্মেলনে বক্তৃতা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই সম্মেলন চলাকালীন বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধান এবং উদ্যোগপতিদের সঙ্গে বৈঠকও করবেন। এই সম্মেলন চলবে ১৬ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি।

    সর্বজন হিতায়, সর্বজন সুখায়

    সমাজমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “এআই নিয়ে আলোচনায় গোটা বিশ্ব সমবেত হয়েছে। আজ থেকে দিল্লির ভারত মণ্ডপমে ভারত ‘এআই ইমপ্যাক্ট সামিট’-এর আয়োজন করছে। আমি রাষ্ট্রপ্রধান, শিল্পকর্তা, উদ্যোগপতি, নীতিনির্ধারক, গবেষকদের এই সম্মেলনে স্বাগত জানাচ্ছি।” একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “এই সম্মেলনের বিষয়বস্তু হল সর্বজন হিতায়, সর্বজন সুখায়। অর্থাৎ, সকলের ভাল। সকলের সুখ। এটি আসলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে মানুষকেন্দ্রিক উন্নতিতে ব্যবহার করার বিষয়ে আমাদের যৌথ দায়বদ্ধতাকে তুলে ধরে।” এই সম্মেলনের পোশাকি নাম ‘এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬’। এই সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দ্য সিলভা। রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব আন্তোনিয়ো গুতেরেসেরও এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা। এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই ২ লক্ষ মানুষ নাম নথিভুক্ত করেছেন। এঁদের মধ্যে অনেকেই কৃষক এবং অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ করা মানুষ।

    পাঁচ দিনব্যাপী এই সম্মেলনে আলোচনার মূল বিষয়

    এটি গ্লোবাল সাউথে আয়োজিত প্রথম আন্তর্জাতিক এআই শীর্ষ সম্মেলন। পাঁচ দিনব্যাপী এই সম্মেলন নীতি নির্ধারণ, গবেষণা, শিল্পক্ষেত্র এবং জনসম্পৃক্ততা— এই চারটি প্রধান স্তম্ভকে কেন্দ্র করে সাজানো হয়েছে। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের রাষ্ট্রনেতা, নীতিনির্ধারক, প্রযুক্তি সংস্থা, উদ্ভাবক ও বিশেষজ্ঞরা এতে অংশ নেবেন। আলোচনার মূল বিষয় হবে— গভর্ন্যান্স, ইনোভেশন এবং সাসটেনেবল ডেভেলপমেন্টে এআইয়ের ভূমিকা। সম্মেলনের ভিত্তি রাখা হয়েছে তিনটি ‘সূত্র’-এর উপর—পিপল, প্ল্যানেট এবং প্রোগ্রেস। এই তিন নীতিই এআই নিয়ে ভারতের সহযোগিতা ও দৃষ্টিভঙ্গির রূপরেখা নির্ধারণ করে।

    কারা কারা যোগ দেবেন সামিটে

    ৭০ হাজার বর্গমিটারের বেশি এলাকা জুড়ে আয়োজিত ‘ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট এক্সপো’-তে ৩০টি দেশের ৩০০-র বেশি প্রদর্শক অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ১০টি থিম্যাটিক প্যাভিলিয়নে গবেষণা ও পাইলট প্রকল্প থেকে বড় পরিসরে বাস্তব প্রয়োগে এআইয়ের অগ্রগতি তুলে ধরা হবে। এই সম্মেলন ‘ইন্ডিয়া এআই মিশন’ এবং ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। উন্নয়নমুখী এআই ব্যবহারে ভারতের যে জোর, তা এই মঞ্চে আরও স্পষ্ট হবে। লক্ষ্য হল, বৈশ্বিক আলোচনাকে বাস্তব ও মানুষকেন্দ্রিক ফলাফলে রূপ দেওয়া। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে একাধিক দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

    • ১. ভুটান – শেরিং তোবগে, প্রধানমন্ত্রী
    • ২. বলিভিয়া – এডমন্ড লারা মনতানো, ভাইস প্রেসিডেন্ট
    • ৩. ব্রাজিল – লুইজ় ইনাসিও লুলা দা সিলভা, প্রেসিডেন্ট
    • ৪. ক্রোয়েশিয়া – আন্দ্রেই প্লেনকোভিচ, প্রধানমন্ত্রী
    • ৫. এস্তোনিয়া – আলার কারিস, প্রেসিডেন্ট
    • ৬. ফিনল্যান্ড – পেট্টেরি অরপো, প্রধানমন্ত্রী
    • ৭. ফ্রান্স – ইমানুয়েল মাক্রঁ, প্রেসিডেন্ট
    • ৮. গ্রিস – কিরিয়াকোস মিৎসোটাকিস, প্রধানমন্ত্রী
    • ৯. গায়ানা – ড. ভররাত জগদেও, ভাইস প্রেসিডেন্ট
    • ১০. কাজাখস্তান – ওলঝাস বেকতেনভ, প্রধানমন্ত্রী
    • ১১. লিচেনস্টাইন – হেরেডিটারি প্রিন্স অ্যালোয়িস, হেরেডিটারি প্রিন্স অব দ্য প্রিন্সিপ্যালিটি অব লিশটেনস্টাইন
    • ১২. মরিশাস – ড. নাভিনচন্দ্র রামগুলাম, প্রধানমন্ত্রী
    • ১৩. সার্বিয়া – আলেকজ়ান্দার ভুচিচ, প্রেসিডেন্ট
    • ১৪. স্লোভাকিয়া – পিটার পেলেগ্রিনি, প্রেসিডেন্ট
    • ১৫. স্পেন – পেদ্রো সানচেজ় পেরেজ়-কাস্তেহন, প্রেসিডেন্ট
    • ১৬. শ্রীলঙ্কা – অনুরা কুমারা দিসানায়াকা, প্রেসিডেন্ট
    • ১৭. সেশেলস – সেবাস্তিয়ান পিল্লে, ভাইস প্রেসিডেন্ট
    • ১৮. সুইৎজ়ারল্যান্ড – গি পারমেলিন, প্রেসিডেন্ট
    • ১৯. নেদারল্যান্ডস – ডিক স্কুফ, প্রধানমন্ত্রী
    • ২০. সংযুক্ত আরব আমিরশাহি – শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান, ক্রাউন প্রিন্স অব আবুধাবি

    এ ছাড়া ৪৫টিরও বেশি দেশের মন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধিদল সম্মেলনে অংশ নেবে। রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারাও আলোচনায় যোগ দেবেন।

    আর কারা উপস্থিত থাকবেন?

    মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সহ রাষ্ট্রসংঘের শীর্ষস্থানীয় একাধিক কর্মকর্তা নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

    মহাসচিবের সঙ্গে থাকবেন—

    • ভলকার টুর্ক — জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার
    • অমনদীপ সিং গিল — আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল ও ডিজিটাল ও উদীয়মান প্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ দূত
    • ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা — আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর
    • গিলবার্ট এফ. হাউংবো — আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO)-র ডিরেক্টর-জেনারেল
    • ডরিন বগদান-মার্টিন — আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংঘ (ITU)-র সেক্রেটারি-জেনারেল
    • কমল কিশোর— দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ক মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধি

    এছাড়াও উপস্থিত থাকবেন ইউএনডিপি, ইউএন উইমেন, ইউনেস্কো, ইউনিসেফ, ইউএনএফপিএ, এফএও, ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশন,ইউএন ইন্টাররিজিওনাল ক্রাইম অ্যান্ড জাস্টিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

    প্রযুক্তি জগতের শীর্ষকর্তারাও অংশ নিচ্ছেন

    সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী প্রযুক্তি জগতের শীর্ষকর্তাদের তালিকা এরকম—

    • জেনসেন হুয়াং — প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও, এনভিডিয়া
    • জুলি সুইট — চেয়ার ও সিইও, অ্যাকসেঞ্চার
    • স্যাম অল্টম্যান — সিইও, ওপেনএআই
    • সুন্দর পিচাই — সিইও, গুগল ও আলফাবেট
    • শান্তনু নারায়েন — চেয়ার ও সিইও, অ্যাডোবে
    • শ্রীধর ভেম্বু — সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও চিফ সায়েন্টিস্ট, জোহো
    • ইয়ান লেকুন — প্রধান এআই বিজ্ঞানী, মেটা
    • বিল গেটস — চেয়ার, গেটস ফাউন্ডেশন ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা, মাইক্রোসফট
    • ব্র্যাড স্মিথ — প্রেসিডেন্ট ও ভাইস চেয়ার, মাইক্রোসফট
    • ক্রিস্টিয়ানো আমন — প্রেসিডেন্ট ও সিইও, কোয়ালকম
    • দারিও আমোদেই — সিইও, অ্যানথ্রোপিক
    • ডেমিস হাসাবিস — সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও, গুগল ডিপমাইন্ড
    • আর্থি সুব্রহ্মণ্যম — সিওও ও এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর, টিসিএস
    • আলেকজান্ডার ওয়াং — চিফ এআই অফিসার, মেটা
    • অপর্ণা বাওয়া — সিওও, জুম
  • Amit Shah: বুধবার বাংলায় আসছেন অমিত শাহ, মায়াপুর ইসকনে রয়েছে বিশেষ কর্মসূচি

    Amit Shah: বুধবার বাংলায় আসছেন অমিত শাহ, মায়াপুর ইসকনে রয়েছে বিশেষ কর্মসূচি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬। ভোটের প্রস্তুতি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তুঙ্গে। এই পরিস্থিতিতে আগামী মার্চ মাসে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে সভা করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। তবে তার আগেই ফের রাজ্য সফরে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সূত্রের খবর, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি তিনি পশ্চিমবঙ্গ সফরে আসবেন এবং নদিয়ার মায়াপুরে ইসকনের মন্দিরে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

    বুধবার মায়াপুরে অমিত শাহ

    জানা যাচ্ছে, ১৮ ফেব্রুয়ারি, বুধবার মায়াপুরে ইসকনের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সূত্র অনুযায়ী, ওই দিন দুপুরে কলকাতা বিমানবন্দরে নামার পর হেলিকপ্টারে সরাসরি মায়াপুর যাবেন অমিত শাহ। সেখানে তিনি প্রথমে ইসকনের শঙ্খভবনে যাবেন। সেখান থেকে তিনি রাধামাধব এবং পঞ্চতত্ত্বের বিগ্রহ দর্শন করবেন। পরে পদ্মভবনে সাধু-সন্তদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন। এরপর ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুরের ১৫২তম জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। এই অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের অগণিত ভক্ত ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত থাকবেন। জানা যাচ্ছে, মন্দিরে শ্রীকৃষ্ণের আরতিতেও অংশ নিতে পারেন তিনি। মন্দিরে শ্রীকৃষ্ণের আরতিও করতে পারেন অমিত শাহ। অনুষ্ঠান শেষ করে বিকেলেই তিনি পুনরায় হেলিকপ্টারে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেবেন।

    নিরাপত্তার কড়াকড়ি মায়াপুরে

    এদিকে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মায়াপুর সফর ঘিরে শুরু হয়েছে নদিয়া জেলা প্রশাসন ও পুলিশের তৎপরতা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই মায়াপুরে সাজসাজ রব। মন্দির চত্বরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়াকড়ি করা হতে পারে। ইতিমধ্যেই প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা এলাকা পরিদর্শন শুরু করেছেন বলে জানা গিয়েছে। মায়াপুরের অস্থায়ী হেলিপ্যাড থেকে শুরু করে মন্দির চত্বর, শঙ্খ ভবন— সর্বত্র নিরাপত্তা খতিয়ে দেখছেন উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তারা। দফায় দফায় নিরাপত্তা মহড়া এবং এলাকা পরিদর্শন চলছে। এর আগে, অমিত শাহের মায়াপুর আসার কথা থাকলেও বিশেষ কারণে সেই সফর বাতিল হয়েছিল।

  • India Vs Pakistan: “হর হর মহাদেব”, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একতরফা জয় দেশবাসীকে উৎসর্গ সূর্যকুমারের

    India Vs Pakistan: “হর হর মহাদেব”, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একতরফা জয় দেশবাসীকে উৎসর্গ সূর্যকুমারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ফের একবার প্রমাণ করল পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে এখন আর লড়াই হয় না। ম্যাচ হয় এক তরফাই। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যে ম্যাচটা নিয়ে সবচেয়ে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছিল, সেই ম্যাচে একেবারে এক তরফা খেলে পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিল ভারত। কলম্বোর ম্যাচে ৬১ রানে পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিয়ে সুপার এইটে উঠে গেল মেন ই ব্লু। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে পাকিস্তানের বিপক্ষে সব ম্যাচেই জয় পেল ভারত। এই জয়কে দেশবাসীর উদ্দেশে উৎসর্গ করলেন ভারত অধিনায়ক। একই সঙ্গে পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ের পর সূর্য স্মরণ করলেন মহাদেবকে।

    ‘হর হর মহাদেব’ পোস্ট

    কলম্বোতে ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে ভারতের ৬১ রানের বিশাল জয়ের পর, ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব তার নিজস্ব ভঙ্গিতে জয় উদযাপন করেছেন। ম্যাচ জয়ের পর এক্স (পূর্বে টুইটার) -এ গিয়ে, অধিনায়ক ম্যাচের কিছু ছবি শেয়ার করেছেন এবং তিন শব্দের সংক্ষিপ্ত ক্যাপশন দিয়েছেন, “হর হর মহাদেব।” পোস্টটির সময় বিশেষভাবে অনুরণিত হয়েছে, কারণ এটি হিন্দু উৎসব মহা শিবরাত্রির সঙ্গে মিলে যায়, যা তাৎক্ষণিকভাবে ভক্তদের মধ্যে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। এই জয়ের মাধ্যমে, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে অধিনায়ক হিসেবে টানা চতুর্থ টি-টোয়েন্টি জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করেছেন সূর্য। দলের বাকি সদস্যদের মধ্যেও এই উদযাপন ছড়িয়ে পড়ে, তারকা স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী ইনস্টাগ্রামে নিজের শ্রদ্ধাঞ্জলি শেয়ার করেন। বল হাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী চক্রবর্তী মহা শিবরাত্রি উপলক্ষে ঐতিহাসিক জয়টি ভারতের জনগণের উদ্দেশে উৎসর্গ করেন। তার পোস্টটি অধিনায়কের অনুভূতির প্রতিধ্বনি।

    এই জয় ভারতের জন্য

    ম্যাচ বয়কট নিয়ে আইসিসি-র সঙ্গে লম্বা টানাপোড়েনের পর ভারতের মুখোমুখি হয়েছিল পাকিস্তান। আশা করা হয়েছিল, বাইশ গজে ভারতকে অন্তত খানকটা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেবে পাক দল। কিন্তু বাস্তবে হল তার উল্টো। উসমানের স্পিন হোক বা শাহিনের পেস- ভারতীয় ব্যাটারদের আঘাতে সবই ভোঁতা হল শেষমেশ। আর ম্যাচ (India Vs Pakistan) কীভাবে জিততে হয়, তা বুমরা, হার্দিক, বরুণদের থেকে ভালো আর কেই বা জানে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পরিসংখ্যান ৭-১ থেকে ৮-১ করে অধিনায়ক সূর্যকুমার (Suryakumar Yadav) বললেন, “এই জয় ভারতের জন্য।” পাকিস্তানকে আরও একবার হারিয়ে তিনি আরও বলেন, “আমরা যেভাবে খেলতে চেয়েছিলাম, সেভাবেই খেলেছি। এই পিচে প্রথমে ব্যাটিং করাই সুবিধার ছিল। ক্রিজে দাঁড়িয়ে ঈশান যেভাবে স্কোরবোর্ডের দায়িত্ব নিয়েছে, সেটা অসাধারণ। ঈশান ব্যতিক্রমী ইনিংস খেলে গেল। ওর মাথায় হয়তো অন্য কোনও ভাবনা ছিল।” তবে শুধু ব্যাটার নয়, বোলারদের দলগত পারফরম্যান্সেও খুশি সূর্য। এদিকে পাকবধের এই সন্ধ্যার ‘নায়ক’ যে ঈশান কিষান (Ishan Kishan), তা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। তাঁর ৪০ বলে ঝোড়ো ৭৭ রানের ইনিংস থেকেই ভারতীয় দলের জয়ের ভিত তৈরি হয়ে যায়। স্বাভাবিকভাবেই হেইভোল্টেজ এই ম্যাচে মেগা-পারফরম্যান্স করে আরও আত্মবিশ্বাস বাড়বে ভারতীয় দলের এই বাঁ হাতি ওপেনারের। ম্যাচ শেষে একথা তিনি নিজেও জানিয়েছেন। ঈশান বলেন, “ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ সবসময়ই বিশেষ। এই জয় আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।”

    করমর্দন হল না

    কলম্বোয় করমর্দন করলেন না ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও পাকিস্তানের অধিনায়ক সলমন আঘা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও পাক অধিনায়কের সঙ্গে হাত মেলালেন না সূর্য। রবিবার টসের সময় বিপক্ষ অধিনায়কের সঙ্গে করমর্দন এড়িয়ে গেলেন তিনি। গত বছর এশিয়া কাপের তিনটি ম্যাচে যে জিনিস দেখা গিয়েছিল, সেটাই দেখা গেল বিশ্বকাপের ম্যাচেও। গত বছর পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ড এবং অপারেশন সিঁদুরের প্রেক্ষিতে এশিয়া কাপে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত এবং পাকিস্তান। তিন বারের সাক্ষাতে এক বারও দুই অধিনায়ক হাত মেলাননি। একই জিনিস দেখা গেল বিশ্বকাপের ম্যাচেও। বোঝাই গিয়েছে, ভারতের অবস্থানে কোনও বদল হয়নি।

    পাকিস্তান দাঁড়াতেই পারেনি

    ধারাভাষ্য দিতে গিয়ে সুনীল গাওস্কর পরিষ্কার বলে দেন, ‘‘এই ম্যাচে পাকিস্তান দাঁড়াতেই পারেনি। প্রথম ওভারে অভিষেক শর্মার উইকেট পাওয়া ছাড়া আর কখনওই ওরা ম্যাচে ছিল না।’’ যোগ করেন, ‘‘পরের দিকে একটা-দু’টো বল ওরা ভাল করেছিল, উইকেট পেয়েছিল। কিন্তু কখনও ম্যাচের রাশ নিজেদের হাতে নিতে পারেনি।’’ টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাক অধিনায়ক সলমন আলি আঘা। ভারত ২০ ওভারে তোলে ১৭৫-৭। অভিষেক শর্মা খাতা খোলার আগে ফিরলেও অন‌্য ওপেনার ঈশান কিষান দশটি চার ও তিনটি ছক্কার সাহায‌্যে করেন ৪০ বলে ৭৭ রান। শেষ দিকে সূর্যকুমার যাদব (৩২) ও শিবম দুবে (২৭) ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। জবাবে প্রথম থেকেই নিয়মিত ব‌্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে পাকিস্তান। ৭৮-৬ স্কোর হয়ে যাওয়ার পরে ম‌্যাচের ভাগ‌্য কার্যত নির্ধারণ হয়ে যায়। দু’টি করে উইকেট পান হার্দিক, বুমরা, অক্ষর ও বরুণ।

    জয়ের রেকর্ড ভারতের

    রবিবার কলম্বোতে টি২০ বিশ্বকাপে ব্যাটে-বলে দাপুটে পারফরম্যান্স করে দুরন্ত জয়ে পেয়েছে টিম ইন্ডিয়া। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে ৬১ রানে হারিয়ে টুর্নামেন্টে টানা তৃতীয় ম্যাচ জিতল ভারত। এই জয়ে ভারত গ্রুপ থেকে প্রথম দল হিসেবে সুপার এইটে যোগ্যতা অর্জন করেছে। এই জয়ের মাধ্যমে টি২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের মোট জয় দাঁড়াল আটটি, যা এক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সর্বাধিক জয়ের বিশ্বরেকর্ড। আগে কোনও দলই এই প্রতিযোগিতায় একটি নির্দিষ্ট দলের বিরুদ্ধে ছয়টির বেশি ম্যাচ জিততে পারেনি। সামগ্রিক টি২০ আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানে ভারত ১৭ ম্যাচের মধ্যে ১৪টিতে জিতেছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে।

LinkedIn
Share