Tag: Madhyom

Madhyom

  • Recruitment Scam: নিয়োগ মামলায় পার্থ ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলার ভজাকে তলব ইডির, বুধবারই হাজিরার নির্দেশ

    Recruitment Scam: নিয়োগ মামলায় পার্থ ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলার ভজাকে তলব ইডির, বুধবারই হাজিরার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (Enforcement Directorate) রেডারে আরেক পার্থ। এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ কলকাতা পুরসভার ১২৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার তথা বেহালার তৃণমূল নেতা পার্থ সরকার ওরফে ভজাকে এবার তলব করল ইডি। বুধবরাই সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    ‘‘আমি তৃণমূল করি না, পার্থ চট্টোপাধ্যায় করি’’

    তৃণমূলের অন্দরে কান পাতলেই শোনা যেত, তিনি ছিলেন মন্ত্রীমশাইয়ের (পার্থ চট্টোপাধ্যায়) ছায়াসঙ্গী! তিনি ছিলেন মন্ত্রীর ডানহাত! তাঁকে মন্ত্রীর দলীয় এবং বাড়ির অফিসে নিয়মিত দেখা যেত। এলাকাবাসীদের দাবি, বেহালায় নাকি ‘রাজ’ করতেন ভজা। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে রাজনীতিতে প্রবেশ ভজার। বিরোধী নেতা থাকাকালীন পার্থর মালিকানাধীন মিনিবাসের রক্ষণাবেক্ষণ এবং আর্থিক লেনদেনের বিষয় দেখাশোনা করতেন ভজা। ২০০১ সালে বেহালা পশ্চিমের বিধায়ক হন পার্থ। সেই থেকেই বেহালায় শুরু হয় ‘ভজা-রাজ’। বলা হতো, প্রত্যক্ষ ভাবে তৃণমূলের কোনও পদে না থেকে বকলমে তিনিই নাকি স্থানীয় নেতৃত্বকে চালনা করতেন। এমনকী, তাঁকে প্রায়ই বলতে শোনা যেত, ‘‘আমি তৃণমূল করি না, পার্থ চট্টোপাধ্যায় করি।’’

    ভজাই হলেন ‘মিডলম্যান’! চার্জশিটে দাবি ইডির

    এবার বেহালার সেই ‘দাপুটে’ নেতা পার্থ সরকার ওরফে ভজাকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) তলব করল ইডি (Enforcement Directorate)। গত ১২ বছরের তাঁর সমস্ত সম্পত্তি এবং ব্যাঙ্কের আর্থিক লেনদেনের সমস্ত নথি সমেত ভজাকে তলব করা হয়েছে। আজই সকাল সাড়ে ১১টায় তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে হাজির হতে বলা হয়েছে। আদালতে সম্প্রতি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চার্জশিট পেশ করেছে ইডি। সেখানে ভজাকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে তদন্তকারী সংস্থা। ইডি জানিয়েছে, নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় ধৃত তৃণমূলের বহিষ্কৃত ছাত্রনেতা কুন্তল ঘোষ ও মন্ত্রী পার্থর মধ্যে আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে তিনিই ছিলেন অন্যতম ‘মিডলম্যান’। ধৃত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে ‘কালীঘাটের কাকু’র সঙ্গেও ঘনিষ্ঠতা ছিল ভজার। ইডির (Enforcement Directorate) দাবি, এই মামলায় অযোগ্য প্রার্থীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে সম্প্রতি সেই পার্থ সরকার ওরফে ভজার বিরুদ্ধে একাধিক তথ্য তাদের হাতে এসেছে।

    নিয়োগকাণ্ডে বাড়ছে পার্থ-ঘনিষ্ঠের যোগ

    প্রসঙ্গত, এর আগে, নিয়োগকাণ্ডে (Recruitment Scam) ভজার বাড়িতে হানা দিয়েছিল আরেক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। গত ৪ মে, ১২৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার পার্থ সরকারের বেহালার পর্ণশ্রীতে লোকনাথ আবাসনের ফ্ল্যাটে হানা দিয়েছিল সিবিআই। সেই সময় বাড়িতে ছিলেন না পার্থ সরকার। নিয়োগ-কাণ্ডে ক্রমশ নাম উঠে আসছে একের পর এক পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলারদের। এর আগে, গত ৩০ নভেম্বর কলকাতা পুরসভার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর ও কলকাতা পুরসভায় তৃণমূলের মুখ্য সচেতক এবং একদা পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত ও বিধাননগর পুরসভার মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তীর বাড়িতেও সিবিআই-তল্লাশি চলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: বাংলো নিয়ে তৃণমূলের মহুয়ার মামলায় স্থগিতাদেশ দিল্লি হাইকোর্টের

    Mahua Moitra: বাংলো নিয়ে তৃণমূলের মহুয়ার মামলায় স্থগিতাদেশ দিল্লি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাংসদ পদ খুইয়েছেন। তাই ছাড়তে হবে দিল্লির সরকারি বাংলো। এই মর্মে কেন্দ্রের তরফে নোটিশও পান তৃণমূলের বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। ৭ জানুয়ারির মধ্যে বাংলো ছেড়ে দিতে বলা হয়েছে তাঁকে। কেন্দ্রের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেন তৃণমূল নেত্রী।

    মহুয়ার আবেদন

    রিট পিটিশন দাখিল করে মহুয়ার আবেদন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা পর্যন্ত যাতে তিনি ওই বাংলোয় থাকতে পারেন, সেই নির্দেশ দিক আদালত। মঙ্গলবার এই মামলায় স্থগিতাদেশ দিল দিল্লি হাইকোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে সংঘাত এড়াতেই এই নির্দেশ বলে জানান বিচারপতি সুব্রহ্মণ্যম প্রসাদ। বিচারপতি প্রসাদের পর্যবেক্ষণ, “মহুয়া (Mahua Moitra) লোকসভা থেকে তাঁর বহিষ্কারকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের করেছেন সুপ্রিম কোর্টে। সেই মামলার শুনানি এখনও হয়নি। তাই এখন সরকারি বাংলো নিয়ে হাইকোর্ট যদি কোনও নির্দেশ দেয়, তবে বাধাপ্রাপ্ত হবে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপ্রক্রিয়া। তাই আপাতত ওই মামলায় স্থগিতাদেশ দেওয়া হল।

    কী বললেন বিচারপতি?

    তৃণমূলের বহিষ্কৃত সাংসদের উদ্দেশে বিচারপতি প্রসাদের মন্তব্য, “আপনি একটি রিট পিটিশন দায়ের করে সরকারি নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। আবার অন্য মামলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। যদি শীর্ষ আদালত সেই মামলায় স্থগিতাদেশ দেয়, তাহলে এই বিষয়টির শুনানি হতে পারে।” প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গিয়েছে মহুয়ার মামলার শুনানি। এই মামলার শুনানি হতে পারে ৩ জানুয়ারি। ওই দিন পর্যন্ত মহুয়ার বাংলো মামলায় স্থগিতাদেশ দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। তাই ৪ জানুয়ারি মামলাটি শুনবেন বিচারপতি প্রসাদ। এই সময়ের মধ্যে কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিতেও অস্বীকার করেছে দিল্লি হাইকোর্ট।

    আরও পড়ুুন: উপরাষ্ট্রপতিকে ‘মিমিক’ কল্যাণের, ‘মুর্খো কা সর্দারে’র আচরণে ধিক্কার নেটিজেনদের

    ঘুষ নিয়ে প্রশ্নকাণ্ডে অভিযুক্ত হন কৃষ্ণনগরের সাংসদ তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র। অভিযোগ, নগদ টাকা ও দামি দামি উপহার নিয়ে সংসদে প্রশ্ন করেছেন তিনি। সাংসদ নিশিকান্ত দুবের অভিযোগের ভিত্তিতে সংসদের এথিক্স কমিটি তলব করে মহুয়াকে (Mahua Moitra)। এথিক্স কমিটির বৈঠক ছেড়ে মাঝপথে বেরিয়ে যান মহুয়া। তাঁকে বহিষ্কারের সুপারিশ করে এথিক্স কমিটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Sujaykrishna Bhadra: চার মাসেও ‘কাকু’র কণ্ঠস্বর পরীক্ষা হল না! এসএসকেএমের কাছে রিপোর্ট চাইল আদালত

    Sujaykrishna Bhadra: চার মাসেও ‘কাকু’র কণ্ঠস্বর পরীক্ষা হল না! এসএসকেএমের কাছে রিপোর্ট চাইল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও চার মাস হয়ে গেল সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে ‘কালীঘাটের কাকু’র কণ্ঠস্বর পরীক্ষা করা গেল না। এ প্রসঙ্গে রীতিমতো বিস্ময় প্রকাশ করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। এদিন মামলার সওয়াল জবাবে ইডির আইনজীবীর কাছে বিচারপতি জানতে চান, “গত চার মাসে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর ভয়েস স্যাম্পেল টেস্ট করা সম্ভব হয়নি?” এসএসকেএমের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ এনে ইডির আইনজীবী জানান, “তাঁরা নানাভাবে চেষ্টা করেও পারেননি। প্রতিবারই সুজয়কৃষ্ণের নানা ধরনের অসুস্থতার প্রসঙ্গ তুলে ধরেছে এসএসকেএম হাসপাতাল।”

    এসএসকেএম-এর রিপোর্ট মানতে নারাজ ইডি

    ইডির কথা শুনেই বিস্ময় প্রকাশ করে আদালত। এরপরই সুজয়কৃষ্ণের সমস্ত মেডিকেল রিপোর্ট এসএসকেএম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে চেয়ে পাঠান বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ।  তাঁর নির্দেশ, আগামী ৫ জানুয়ারির মধ্যে ‘কাকু’র রিপোর্ট আদালতে জমা দিতে হবে। রিপোর্ট দিতে হবে এসএসকেএম হাসপাতালের সুপারকে। যদিও ইডি জানিয়েছে, ওই রিপোর্টে তাদের ভরসা নেই। হাইকোর্ট জানায়, আগে রিপোর্ট পেয়ে তার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আদালতে ইডি মঙ্গলবার জানিয়েছে, ওই হাসপাতালের উপর কোনও বিশ্বাস নেই। এসএসকেএম হাসপাতালের সুপার তথা চিকিৎসক পীযূষকুমার রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে অভিযোগও তুলেছে ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবী ফিরোজ এডুলজির দাবি, পীযূষকুমার মেডিক্যাল রিপোর্টে কারচুপি করছেন।

    আরও পড়ুন: ষাটোর্ধ্বদের মাস্ক বাধ্যতামূলক! দেশে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘পিরোলা’, সতর্ক স্বাস্থ্য মন্ত্রক

    রিপোর্ট দেখে সিদ্ধান্ত নেবে হাইকোর্ট

    এদিন আদালতে ইডির আইনজীবী এসএসকেএমে সুজয়কৃষ্ণের চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়েই প্রশ্ন তোলেন। ইডির আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি এদিন আদালতে দাবি করেন, “এসএসকেএমের তরফে কাকুর অসুস্থতা নিয়ে যা বলা হচ্ছে তা ঠিক নয়। আমাদের কাছে বেশ কিছু ফুটেজ রয়েছে, যাতে দেখা যাচ্ছে হাসপাতালের কেবিনে বেশ আরামেই রয়েছেন সুজয়কৃষ্ণ।” ইডি জানায়, এসএসকেএমের রিপোর্টকে তারা বিশ্বাস করে না। ইএসআই হাসপাতালে তারা পাল্টা পরীক্ষা করাতে চায়। হাই কোর্ট বলে, ‘‘আগে এসএসকেএমের রিপোর্ট পাই। কী বলে দেখি। তার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাব।’’ এদিকে মানসিক চাপ থেকেই হৃদযন্ত্রে প্রভাব পড়ছে কিনা জানার জন্য সুজয়কৃষ্ণর ‘স্ট্রেস এমপিআই টেস্ট’ করাতে চাইছে এসএসকেএম। এ ব্যাপারে এসএসকেএম হাসপাতালের পাঠানো  চিঠির ভিত্তিতে তাঁদের কী করণীয় তা জানতে চেয়ে এদিন আদালতে আবেদন জানায় প্রেসিডেন্সি জেল কর্তৃপক্ষ। এসএসকেএমের রিপোর্ট পাওয়ার পরই এ ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে আদালত সূত্রের খবর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Winter Session: উপরাষ্ট্রপতিকে ‘মিমিক’! কল্যাণের আচরণে ধিক্কার নেটিজেনদের

    Parliament Winter Session: উপরাষ্ট্রপতিকে ‘মিমিক’! কল্যাণের আচরণে ধিক্কার নেটিজেনদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়কে নকল করে বিতর্কে তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কেবল (Parliament Winter Session) কণ্ঠস্বর নকলই নয়, কুৎসিত অঙ্গভঙ্গিও করতে দেখা যায় ঘাসফুল শিবিরের এই আইনজীবী সাংসদকে। পুরো ঘটনাটি ভিডিও রেকর্ডিং করেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলের কয়েকজন নেতা।

    কল্যাণের কুৎসিত অঙ্গভঙ্গি

    দেশের উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের উদ্দেশে কল্যাণের কুৎসিত অঙ্গভঙ্গি তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করতে দেখা গিয়েছে তাঁদের। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিও দেখে নিন্দার ঝড় দেশজুড়ে। এক নেট-নাগরিক লিখেছেন (Parliament Winter Session), ‘ভারতের উপরাষ্ট্রপতিকে মিমিক্রি করা হচ্ছে। এর থেকে লজ্জার আর কী হতে পারে! কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় মিমিক্রি করছেন আর রাহুল গান্ধী তার ভিডিও করছেন।’ অন্য একজন আবার লিখেছেন, ‘মুর্খো কা সর্দার ও নফরত কা দালাল এই ভিডিও রেকর্ডিং করছেন।’

    উপরাষ্ট্রপতির প্রতিক্রিয়া 

    ঘটনায় মুখ খুলেছেন ধনখড় স্বয়ং। তিনি বলেন, “আমি কৃষক ছিলাম। একজন এমপি, চেয়ারম্যানকে নকল করছেন। অপর মেম্বার ভিডিও করছেন। ইনস্টাগ্রামে সেই ভিডিও পোস্ট করছেন। আপনারা অপমান করেছেন। আমার কৃষক ব্যাকগ্রাউন্ডকে অপমান করেছেন আপনারা। কোনও সাংসদের কাছ থেকে এটা আশা করা যায় না।” 

    ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার। এদিন সাসপেন্ড করা হয় ৪৯ জন সাংসদকে। এর প্রতিবাদে সকাল থেকেই সংসদের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন বিজেপি বিরোধী দলগুলির সাংসদরা। অভিযোগ, সেই সময় ধনখড়কে নিয়ে ‘মিমিক’ করেন কল্যাণ।

    আরও পড়ুুন: লোকসভাকাণ্ডের মূল চক্রী ললিতের কলকাতার ডেরায় হানা দিল্লি পুলিশের

    রাজনীতির পাশাপাশি কল্যাণ একজন আইনজীবীও। এক সময় দুঁদে আইনজীবী ছিলেন ধনখড়ও। পরে হন বাংলার রাজ্যপাল। তারও পরে দেশের উপরাষ্ট্রপতি। পদাধিকার বলে যিনি রাজ্যসভার চেয়ারম্যানও। এহেন এক গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারীকে মিমিক করায় বেজায় চটেছে দেশের শিক্ষিত সমাজ। এদিকে, এদিনই সংসদীয় দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সংসদে বিরোধীদের বিক্ষোভের ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সংসদে বিরোধী সাংসদদের আচরণ খুবই দুঃখজনক। তাঁদের আচরণ থেকে মনে হয় যারা সংসদের নিরাপত্তা ভেঙেছে, তাদের সঙ্গে (Parliament Winter Session) বিরোধী দলের সমর্থন রয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Covid-19 in India: ষাটোর্ধ্বদের মাস্ক বাধ্যতামূলক! দেশে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘পিরোলা’, সতর্ক স্বাস্থ্য মন্ত্রক

    Covid-19 in India: ষাটোর্ধ্বদের মাস্ক বাধ্যতামূলক! দেশে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘পিরোলা’, সতর্ক স্বাস্থ্য মন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে ফের করোনার রক্তচক্ষু। কোভিড (Covid-19 in India) আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ২০০০-এর কাছে। তবে এখনই আতঙ্কিত হতে দেশবাসীকে নিষেধ করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, সংক্রমণ বাড়ছে ঠিকই তবে তা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। দক্ষিণের রাজ্য কেরলেই দাপট দেখাচ্ছে করোনা। সব চেয়ে আতঙ্ক-ছড়ানো ভ্যারিয়েন্ট হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘পিরোলা’ ওরফে ‘বিএ.২.৮৬’ (BA.2.86 or Pirola)। দেখা গিয়েছে, শীত পড়তেই এ বছর বেড়ছে করোনার (Corona Virus) দাপট। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায়  নতুন করে ৩৩৫ জন কোভিড -১৯-এ সংক্রমিত হয়েছেন।

    কেরলে বাড়ছে করোনা

    কেরলে প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে সংক্রমণ। দক্ষিণের এই রাজ্যে কোভিডের (Covid-19 in India) নতুন উপরূপ জেএন.১ ধরা পড়ার পর থেকেই ওই রাজ্য তো বটেই, কেরলের সীমানালাগোয়া কর্নাটকের জেলাগুলিতেও এ বিষয়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসাবে কর্নাটক সরকার ষাটোর্ধ্বদের জন্য মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করেছে রাজ্যে। এ ছাড়াও যাঁদের কোমর্বিডিটি রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রেও মাস্ক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।

    দেশে জেএন.১ ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত রোগীর হদিস মিলেছে সম্প্রতি। কোভিডের এই ভ্যারিয়েন্ট জাপান, কোরিয়াতে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এই আবহে কেন্দ্রীয় সরকার সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে দেশের সব রাজ্যগুলিকে। নিয়মিতভাবে জেলাভিত্তিক করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পর্যবেক্ষণ করতে বলা হয়েছে রাজ্য সরকারগুলিকে। অবশ্য সরকার জানিয়েছে, সার্বিক ভাবে দেশে কোভিড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বর্তমানে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা প্রায় ২০০০। এদিকে কেরলেই কোভিডের বাড়বাড়ন্ত তুলনামূলক ভাবে সবথেকে বেশি। এই আবহে কেরলের স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। ১ থেকে ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে সেই রাজ্যে ১০ জন কোভিড রোগীর মৃত্যু হয়েছে। যার জেরে চিন্তা বাড়ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • JN.1: করোনার নতুন সাবভ্যারিয়েন্ট জেএন ১ কতটা বিপজ্জনক? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    JN.1: করোনার নতুন সাবভ্যারিয়েন্ট জেএন ১ কতটা বিপজ্জনক? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা ভাইরাসের নতুন সাবভ্যারিয়েন্ট জেএন ১ (JN.1)-এ আক্রান্তের খোঁজ মিলেছিল কেরলে। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চের ডিরেক্টর জেনারেল ড. রাজীব বহেল জানিয়েছেন, গত ৮ ডিসেম্বর তিরুঅনন্তপুরম জেলার কারাকুলামে এক করোনা পজিটিভ রোগী মিলেছে, যিনি জেএন ১ সাবভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত। আগেই তামিলনাড়ুর তিরুচিরাপল্লিতে সিঙ্গাপুর থেকে আগত এক পর্যটকের শরীরে এই ভাইরাস পাওয়া গিয়েছে। ভারত ছাড়াও সিঙ্গাপুর, আমেরিকা, চিনে এই সাবভ্যারিয়েন্টের হদিশ মিলেছে। চিনে জেএন ১ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৭ জন। গত ১৫ ডিসেম্বর চিনে এই ভাইরাসের সন্ধান মিলেছে।

    নতুন কোনও উপসর্গ পাওয়া যায়নি এই সাবভ্যারিয়েন্টে

    বিশেষজ্ঞরা এই সাবভ্যারিয়েন্টের ধরন বিশ্লেষণ করে জানিয়েছেন, নতুন কোনও উপসর্গ জেএন১ আক্রান্তদের মধ্যে পাওয়া যায়নি। দেখা যাচ্ছে জেএন ১ আক্রান্তদের শরীরে লক্ষণ কোভিড ১৯-এর মতোই। এখনও পর্যন্ত এই ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে গুরুতর অসুস্থতাও লক্ষ্য করা যায়নি। কোনও ওষুধ ছাড়া অথবা হালকা ওষুধেই তাঁরা সেরে উঠছেন বলে খবর। করোনার চিকিৎসায় যে সমস্ত ওষুধ ব্যবহার করা হয়েছিল, সেগুলিই এক্ষেত্রে কার্যকরী হবে আশাবাদী বিশেষজ্ঞরা। করোনার ভ্যাকসিনও এক্ষেত্রে যথেষ্ট কার্যকরী।

    জেএন১ সাবভ্যারিয়েন্ট সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-

    ১. জেএন ১ (JN.1) সাব-ভ্যারিয়েন্ট প্রথম লুক্সেমবার্গে শনাক্ত করা হয় বলে জানা যায়। তারপরেই তা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

    ২. চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে আমেরিকায় প্রথম আক্রান্তের সন্ধান মিলেছিল।

    ৩. বিজ্ঞানীদের দাবি, করোনার টিকা সাধারণত ভাইরাসের মধ্যে থাকা স্পাইক প্রোটিনকে নষ্ট করার প্রচেষ্টা চালায়। ভারতের আবিষ্কৃত ভ্যাকসিন এই ভ্যারিয়েন্টের (JN.1) বিরুদ্ধেই কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    ৪. তবে এই নতুন ভ্যারিয়েন্টের (JN.1) ব্যতিক্রমী চরিত্রও আছে। তা হল, এটি স্পাইক প্রোটিনের মাধ্যমে মিউটেশন অর্থাৎ বংশবৃদ্ধি করে।

    ৫. জানা গিয়েছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মৃদু উপসর্গ দেখা যায়। এবং রোগীরা প্রায় কোনও চিকিৎসা ছাড়াই বাড়িতে নিজেরাই সুস্থ হয়ে উঠছেন।

    ৬. জ্বর, সর্দি, গলাব্যথা, মাথাব্যথা, এবং ছোটখাট গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যাগুলি এই সাব-ভ্যারিয়েন্টে (JN.1) আক্রান্তদের মধ্যে পাওয়া যায়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha: অভব্য-অসংসদীয় আচরণের বিরুদ্ধ কড়া মোদি সরকার, ২ দিনে সাসপেন্ড ১১৬ সাংসদ

    Lok Sabha: অভব্য-অসংসদীয় আচরণের বিরুদ্ধ কড়া মোদি সরকার, ২ দিনে সাসপেন্ড ১১৬ সাংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারও লোকসভা থেকে সাসপেন্ড করা হল ৪৯ জন সাংসদকে (Lok Sabha)। গত ২ দিনে লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে মোট সাসপেন্ড সংখ্যা দাঁড়াল ১১৬। ইস্যুহীন বিরোধীরা সংসদের কাজ ভেস্তে দিতে যে ধরনের অভব্য আচরণ শুরু করেছে তা যে কোনওভাবে বরদাস্ত করা হবে না, ১০০-এর ওপর সাংসদকে সাসপেন্ড করে সেই বার্তাই পৌঁছে দিল মোদি সরকার। সম্প্রতি ৩ রাজ্যে বিজেপির কাছে নাস্তানাবুদ হয়েছে বিরোধীরা। তাই হতাশার জায়গা থেকেই বিরোধীরা এধরনের আচরণ করছে, এমন কথাই উঠে এল সংসদ বিষয়ক (Lok Sabha) মন্ত্রীর ভাষণে।

    প্রহ্লাদ জোশির বিবৃতি

    এদিন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি বলেন, ‘‘এটা সিদ্ধান্ত হয়েছিল যে প্ল্যাকার্ড হাতে সংসদে বিক্ষোভ দেখানো যাবেনা, তা সত্ত্বেও বিরোধীরা সেই কাজ করল।’’

    সংসদের ঐতিহ্য ও গরিমা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় তাই এমন সিদ্ধান্ত

    বিরোধী সাংসদের সাসপেন্ডের প্রস্তাব এদিন পেশ করেন আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘাওয়াল। ধ্বনি ভোটের মাধ্যমে সেই প্রস্তাব পাশ (Lok Sabha) হয়। ফারুক আবদুল্লা, মণীশ তেওয়ারি, ডিম্পল যাদব, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কার্তী চিদম্বরম সমেত ৪৯ জনকে এদিন সাসপেন্ড করা হয়। সংসদের ঐতিহ্য, গরিমা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে কারণেই বাধ্য হয়ে মোদি সরকারকে এই পদক্ষেপ (Lok Sabha) গ্রহণ করতে হল বলে মনে করছে কোনও কোনও মহল।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: উলট পুরাণ, তৃণমূলের ডাকাবুকো নেতারাও খুন হওয়ার আশঙ্কায় কমিশনারেটের দ্বারস্থ!

    Barrackpore: উলট পুরাণ, তৃণমূলের ডাকাবুকো নেতারাও খুন হওয়ার আশঙ্কায় কমিশনারেটের দ্বারস্থ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এলাকার সাধারণ মানুষকে যাদের রক্ষা করার কথা, ভাটপাড়া এলাকার তৃণমূলের সেই ডাকাবুকো জনপ্রতিনিধিরা চরম আতঙ্কে ভুগছেন। প্রকাশ্যে পোস্টার গলায় ঝুলিয়ে বারাকপুর পুলিশ কমিশনারের কাছে তাঁরা নিজেদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। মূলত দলেরই অন্য গোষ্ঠীর (সাংসদ অর্জুন সিংয়ের অনুগামী) দিকে তাঁরা আঙুল তুলেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। বারাকপুরের (Barrackpore) পুলিশ কমিশনার অলোক রাজোরিয়া বলেন, ‘কয়েকজন এসে স্মারকলিপি দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ শুনেছি। সব কিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে’।

    নতুন করে অশান্তির আশঙ্কা তৃণমূল নেতা-কর্মীদের (Barrackpore)

    পাশাপাশি জগদ্দল, ভাটপাড়া অঞ্চলে নতুন করে অশান্তি পাকানোর অভিযোগ তুলে সোমবার বিকেলে বারাকপুর (Barrackpore) পুলিশ কমিশনারের অফিসের সামনে গলায় ফেস্টুন ঝুলিয়ে মৌন প্রতিবাদ জানালেন জগদ্দল বিধানসভা অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা। সেখানে জগদ্দলের তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুনে মাস্টারমাইন্ডকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়। ওই দলে ছিলেন নিহত তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদবের মা নীলম দেবীও। গত কয়েক মাসে জগদ্দল, ভাটপাড়া অঞ্চলে খুন এবং আক্রান্তদের ছবি সহযোগে গলায় ফেস্টুন ঝুলিয়ে বিক্ষোভকারীরা প্রশ্ন তোলেন, এবার টার্গেট কি আমি? বিক্ষোভকারীদের তরফে ছয় জনের একটি প্রতিনিধিদল পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে একটি স্মারকলিপিও জমা দেন। যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায়, সেখানে শাসক দলেরই লোকজন অশান্তির আশঙ্কায় পুলিশ কমিশনারের অফিসে বিক্ষোভ প্রদর্শনের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    বিক্ষোভকারী জনপ্রতিনিধি কী বললেন?

    বিক্ষোভকারীদের দলে ছিলেন জগদ্দল বিধানসভার অধীন ভাটপাড়া পুরসভার ১৮ জন কাউন্সিলার, চারটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৯৮ জন সদস্য, দুজন জেলা পরিষদ সদস্য এবং সাত জন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য সহ ওই এলাকার তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। ওই প্রতিনিধি দলের সদস্য তথা ভাটপাড়া পুরসভার কাউন্সিলার বিপ্লব মালো বলেন, ২০১৯ সাল পরবর্তী সময়ে যেভাবে বিজেপির বাহিনী (সেই সময় অর্জুন সিং বিজেপিতে ছিলেন) ভাটপাড়া, জগদ্দল জুড়ে অশান্তি পাকিয়েছিল, একই ভাবে গত ছয়-আট মাস ধরে নতুন করে অশান্তি পাকিয়ে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। সম্ভাব্য কিছু জায়গার নাম আমরা পুলিশ কমিশনারকে দিয়েছি, যেখান থেকে দুস্কৃতীরা বেরিয়ে অশান্তি পাকাচ্ছে। পুলিশ কমিশনার আশ্বাস দিয়েছেন যারা জড়িত তাদের সকলকেই ধরা হবে’।

    তৃণমূল বিধায়ক কী বললেন?

    জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম বলেন, ‘দলের কর্মীরা আতঙ্কিত। তাই তাঁরা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন। আমি এতে অন্যায়ের কিছু দেখছি না। আশা করি মেঘনা জুটমিল লাইন সহ যে যে এলাকা থেকে অশান্তি পাকানো হচ্ছে, পুলিশ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে’।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বড়দিনের আগে বাড়বে তাপমাত্রা! কী বলছে আলিপুর হাওয়া অফিস?

    Weather Update: বড়দিনের আগে বাড়বে তাপমাত্রা! কী বলছে আলিপুর হাওয়া অফিস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীত কাতুরেদের কাছে খুশির খবর। আর শীত বিলাসীদের চোখে জল। বড়দিনের আগে ফের বাড়বে কলকাতার তাপমাত্রা (Weather Update)। সোমবার কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের তাপমাত্রা ছিল ১৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস অর্থাৎ স্বাভাবিকের তুলনায় এক ডিগ্রি কম। মঙ্গলবার সকালেই সেই তাপমাত্রা বেড়ে হয়েছে ১৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আলিপুর আবহাওয়া দফতর  সূত্রে খবর, আগামী কয়েকদিনে আরও চড়বে তাপমাত্রার পারদ।

    কবে থেকে হাওয়া-বদল

    ২৫ ডিসেম্বর শীতের আমেজ গায়ে মেখে আনন্দে মেতে উঠতে চান সাধারণ মানুষ। কিন্তু, বড়দিনের আগেই শীতপ্রেমীদের জন্য বড় ধাক্কা। তাপমাত্রার পারদ চড়তে পারে অনেকটাই। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্প ঢুকতে শুরু করেছে। জলীয় বাষ্প ঢুকলে রাতের তাপমাত্রা নামতে পারে না। এছাড়া উত্তর ভারত থেকে শুকনো বাতাস প্রবেশ করতে পারে না, সেই কারণেই শীতের চরিত্র বদলে যাচ্ছে। অর্থাৎ শীত মানে যে শুষ্ক আবহাওয়া আর হিমেল হাওয়া, তার কোনওটাই মিলবে না আগামী কয়েকদিনে। সপ্তাহান্তে অর্থাৎ শনি এবং রবিবার তাপমাত্রা ছুঁতে পারে ১৬ থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 

    আরও পড়ুন: ফের মানতে হবে কোভিড বিধি! করোনার গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী, নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    শুক্রবার পর্যন্ত শীতের আমেজ

    মঙ্গলবার সকালে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা ছিল। পরে প্রায় সর্বত্রই পরিষ্কার হয়ে যায় আকাশ। মঙ্গলবার কলকাতা (Kolkata Winter) ও সংলগ্ন জেলাগুলির তাপমাত্রা ১৪ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকবে। অন্যদিকে, পশ্চিমের জেলাগুলিতে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি তাপমাত্রা থাকবে। কোথাও ১০ ডিগ্রির নিচেও নামতে পারে পারদ। কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫.১ ডিগ্রি। বাঁকুড়া ৯.৪, দার্জিলিং ৪.৮, বর্ধমান ১০। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৪৬ থেকে ৯১ শতাংশ। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে শীতের আমেজ। আপাতত উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টিপাতের কোনও সম্ভাবনা নেই। তাপমাত্রারও খুব একটা বেশি হেরফের হবে না। কিছুদিন আগেই দার্জিলিঙে তুষারপাত হয়েছিল। কিন্তু, নতুন করে আর শৈল শহরে তুষারপাতের সম্ভাবনা নেই। তবে শীতের আমেজ থাকবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • IPL 2024: সামনে লোকসভা ভোট, কবে থেকে শুরু আইপিএল? সম্ভাব্য দিন জানাল বোর্ড

    IPL 2024: সামনে লোকসভা ভোট, কবে থেকে শুরু আইপিএল? সম্ভাব্য দিন জানাল বোর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুক্ষণের মধ্যে বসবে আইপিএল মিনি নিলামের আসর। তার আগেই পরের বছরের প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার সম্ভাব্য দিন জানা গেল। সব ঠিকঠাক থাকলে ২২ মার্চের পর যে কোনও দিন থেকে শুরু হতে পারে আইপিএল। চলবে মে মাসের শেষ পর্যন্ত। এই মর্মে চিঠি পাঠিয়ে সব দলগুলিকে জানিয়ে দিয়েছে ভারতীয় বোর্ড। আগামী বছর লোকসভা নির্বাচন। শুধু তাই নয়, জুন মাসে টি২০ বিশ্বকাপও আছে। সবকিছু মাথায় রেখেই আইপিএল সূচি তৈরি করতে হবে বিসিসিআইকে।

    কবে থেকে শুরু আইপিএল

    সূত্রের খবর, ২২ মার্চ থেকে শুরু হবে আইপিএলের পরবর্তী সংস্করণ। আর ফাইনাল হবে মে-র শেষ দিকে। আইপিএলের চূড়ান্ত সূচি স্থির হবে লোকসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণার পরই। এর আগে যে তিন বার লোকসভা নির্বাচনের মধ্যে আইপিএল পড়েছে, তার মধ্যে দু’বারই অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে প্রতিযোগিতা। ২০০৯ সালে গোটা আইপিএলই হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকায়। ২০১৪ সালে প্রথম পর্ব সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে হয়। পরের পর্ব হয় ভারতে। তবে ২০১৯ সালে পুরো প্রতিযোগিতাই ভারতে আয়োজিত হয়। আইপিএল শুরুর সম্ভাব্য তারিখ ইতিমধ্যেই ১০ ফ্র্যাঞ্চাইজিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। যাতে তারা সেই তারিখ মাথায় রেখে নিজেদের পরিকল্পনা স্থির করতে পারে। পাশাপাশি, কোন ক্রিকেটারকে কত দিনের জন্য পাওয়া যাবে, তাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে আইপিএলের গভর্নিং বডির তরফে। 

    আরও পড়ুন: ক্রিকেটে বিনিয়োগ করলেন বিগ-বি! টেনসি বলের প্রতিযোগিতায় মুম্বই দলের মালিক অমিতাভ

    আইপিএল নিলাম

    আজ, মঙ্গলবার ভারতীয় সময় দুপুর ১ থেকে দুবাইয়ে শুরু হবে আইপিএলের মিনি নিলাম। আইপিএলের নিলাম পর্ব টিভিতে স্টার স্পোর্টসে দেখা যাবে। এছাড়া লাইভ স্ট্রিমিং দেখা যাবে জিও সিনেমায়। এবারের নিলামে মোট ৩৩৩ জন প্লেয়ার তাঁর নাম দিয়েছেন। সেখান থেকে মোট ৭৭ জন প্লেয়ারকে বেছে নেবে ১০টি দল। ফ্র্যাঞ্চাইজিদের মধ্যে চেন্নাইয় সুপারকিংসের (Chenai Super Kings) কাছে রয়েছে ৩১.৪ কোটি টাকা। দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে রয়েছে ২৮.৯৫ কোটি, গুজরাট টাইটান্সের কাছে রয়েছে ৩৮.১৫ কোটি টাকা, কেকেআরের হাতে ৩২.৭ কোটি টাকা, লখনউ সুপার জায়ান্টসের ১৩.১৫ কোটি টাকা, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের রয়েছে ১৭.৭৫ কোটি টাকা, পঞ্জাব কিংসের রয়েছে ২৯.১ কোটি টাকা, আরসিবির হাতে রয়েছে ২৩.২৫ কোটি টাকা। এছাড়া রাজস্থান রয়্যালসের হাতে রয়েছে ১৪.৫ কোটি টাকা ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে রয়েছে ৩৪ কোটি টাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share