Tag: Madhyom

Madhyom

  • Kalighater Kaku : জামিনের আবেদন খারিজ, এসএসকেএমেই হবে ‘কালীঘাটের কাকু’র চিকিৎসা

    Kalighater Kaku : জামিনের আবেদন খারিজ, এসএসকেএমেই হবে ‘কালীঘাটের কাকু’র চিকিৎসা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) ধৃত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর জামিনের আবেদনের পিছনে যুক্তি ছিল, ৩টি ধমনীতে ব্লকেজ রয়েছে। বাইপাস সার্জারি করাতে হবে। কোনও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে চেয়ে জামিন মঞ্জুরের আবেদন জানান কালীঘাটের কাকু। যদিও সেই আবেদন খারিজ করে দিল ব্যাঙ্কশাল কোর্ট। আদালতের সাফ বক্তব্য, এসএসকেএমেই হবে ‘কালীঘাটের কাকু’র চিকিৎসা।

    এসএসকেএম-এ চিকিৎসা

    সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে ‘কালীঘাটের কাকু’ গত ১১ দিন ধরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এসএসকেএম হাসপাতালে। হার্টে ব্লকেজ ধরা পড়েছে সুজয় ভদ্রের। অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন। সুজয়ের আইনজীবীর বক্তব্য ছিল, পছন্দমতো হাসপাতালে তাঁকে অস্ত্রোপচার করাতে দেওয়া হোক। এসএসকেএম-নিয়ে আপত্তির কথা সরাসরি না বললেও আজ আদালতে ঠারেঠোরে সেকথা বুঝিয়ে দিয়েছেন সুজয় ভদ্রর আইনজীবী। আর এই পছন্দমতো জায়গায় চিকিৎসা করানোর জন্য যাতে জামিন কিংবা অন্তর্বতী জামিন দেওয়া হয়, সেই আর্জিও জানানো হয়েছিল। পাল্টা ইডি সওয়াল করে, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী এসএসকেএমেই চিকিৎসা করান, তাহলে সুজয়কৃষ্ণ নয় কেন?’’  শেষপর্যন্ত ধোপে টিকল না সেই আবেদন। সুজয়কৃ্ষ্ণ ভদ্রের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আদালত। ফলে এসএসকেএম হাসপাতালেই থাকতে হচ্ছে তাঁকে। 

    আরও পড়ুন: কেন জামিনের বিরোধিতা? পার্থ কতটা প্রভাবশালী, আদালতে জানাল ইডি

    এদিন বিচারক তাঁর নির্দেশনামায় লিখেছেন, ‘‘মেডিক্যাল রিপোর্ট অনুযায়ী এসএসকেএম হাসপাতালে তাঁর অস্ত্রোপচারের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি প্রায় হয়ে গিয়েছে। তাছাড়া এমন ঝুঁকিপূর্ণ শারীরিক অবস্থায় তাঁকে অন্যত্র স্থানান্তর করতে গেলে বিপদ বাড়ার আশঙ্কা থাকে।’’ রাজ্যের মন্ত্রিসভার হাইপ্রোফাইল ব্যক্তিরাও যে কিছু প্রয়োজন পড়লেই এসএসকেএম হাসপাতালে যান সেই কথাও উল্লেখ করা হয়েছে নির্দেশনামায়। বিচারক লিখেছেন, ‘‘এসএসকেএম হল রাজ্যের সেরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। রাজ্য মন্ত্রিসভার হাই প্রোফাইল ব্যক্তিরা জরুরি কোনও প্রয়োজন হলে এসএসকেএম হাসপাতালেই যান। এসএসকেএম হাসপাতালে সেরা পরিকাঠামো ও চিকিৎসক রয়েছেন।’’ সূত্রের খবর, শীঘ্রই সুজয়কৃষ্ণর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিতে চলেছে ইডি। চার্জশিটে কালীঘাটের কাকুর যাবতীয় সম্পত্তির হিসেব, নিয়োগ দুর্নীতিতে তিনি কীভাবে জড়িত, তার তথ্যপ্রমাণ পেশ করা হবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Dengue Outbreak: ‘‘ডেঙ্গি আসছে বাংলাদেশ থেকে’’! রাজ্যে প্রকোপ বাড়তেই সাফাই মমতার

    West Bengal Dengue Outbreak: ‘‘ডেঙ্গি আসছে বাংলাদেশ থেকে’’! রাজ্যে প্রকোপ বাড়তেই সাফাই মমতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষার মরশুম শুরু হতেই রাজ্যে শুরু ডেঙ্গির (West Bengal Dengue Outbreak) প্রকোপ। সরকারের পেশ করা হিসেব অনুযায়ী, গত ২ সপ্তাহে ডেঙ্গিতে রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। বেসরকারি মতে এ পর্যন্ত ডেঙ্গিতে রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা আড়াই হাজার ছাড়িয়েছে। কিন্তু, কেন বর্ষা নামতেই রাজ্যে ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত শুরু হয়ে গেল কেনই বা, গত বছরের থেকে শিক্ষা নিল না রাজ্য প্রশাসন (West Bengal Health Department)?

    ডেঙ্গি নিয়ে কী সাফাই প্রশাসনের?

    এরাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সেই নিরিখে, বৃহস্পতিবার বিধানসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) দাবি করেন, রাজ্যে ডেঙ্গি (West Bengal Dengue Outbreak) সমস্যা প্রধানত এসেছে বাইরে থেকে। তাঁর মতে, ডেঙ্গি সমস্যা আসছে বাংলাদেশ থেকে। তিনি জানান, মূলত বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় ডেঙ্গির বেশি প্রাদুর্ভাব দেখা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী যেখানে বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ তত্ত্ব শোনাচ্ছেন, সেখানে জেলা প্রশাসন আবার পঞ্চায়েত ভোটকে ঢাল হিসেবে খাড়া করছে। প্রতিবারের মতো, এবছরও ডেঙ্গির প্রকোপ ধরা পড়েছে উত্তর ২৪ পরগনায়। সেই জেলার প্রশাসনিক কর্তাদের আবার দাবি, পঞ্চায়েত ভোটের জন্য ব্যাহত হয়েছে ডেঙ্গি প্রতিরোধের কাজ।

    মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মুখ্যমন্ত্রীর এহেন দাবিকে অবশ্য কটাক্ষ করতে ছাড়েননি শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার মতে, তাহলে তো এখন বাংলাদেশে প্রতিনিধিদল পাঠানো উচিত। সেদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসা উচিত মুখ্যমন্ত্রীর। শুভেন্দু বলেন, ‘‘ওঁর উচিত অবিলম্বে চার্টার্ড বিমান নিয়ে ঢাকা যাওয়া। সঙ্গে ক্যানিংয়ের শওকত মোল্লা, ভাঙড়ের আরাবুল ইসলাম, ফলতার জাহাঙ্গিরদের নিয়ে যাবেন। কারণ, সীমান্ত এলাকায় এঁরা কাজকর্ম করেন, কে কী ভাবে ঢুকবে না ঢুকবে, নিয়ন্ত্রণ করেন। ডেঙ্গি বাংলাদেশ থেকে এলে এঁদেরও ব্যাপারটা দেখা উচিত। এই প্রতিনধিদল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আলোচনায় বসুন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে!’’

    এদিকে, ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণে (West Bengal Dengue Outbreak) দুই পর্যায়ে বৈঠক করল রাজ্য সরকার। প্রথমে, সব জেলার স্বাস্থ্য আধিকারিক, হাসপাতালের সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করেন স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম। পরে বিকেলে সব জেলা-কর্তাদের সঙ্গে পৃথক ভাবে বৈঠক করেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। এর পরই, রাজ্যের তরফে ডেঙ্গি মোকাবিলায় একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করা হয়। হাসপাতালগুলি ও চিকিৎসকদের জন্য বিশেষ গাইডলাইন প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য ভবন (West Bengal Health Department)।

    আরও পড়ুন: দশ হাজারের নিচে নামলে তবেই প্লেটলেট! ডেঙ্গি নিয়ে স্বাস্থ্য ভবনের নয়া নির্দেশিকায় বিতর্ক

    ডেঙ্গি মোকাবিলায় একগুচ্ছ নির্দেশিকা রাজ্যের

    নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, পরীক্ষার বিষয়টাতে এতটাই জোর দিতে হবে যাতে কোনও ডেঙ্গি বা ম্যালেরিয়ার ঘটনা চোখ এড়িয়ে না যায়, পরীক্ষায় যেন দেরি না হয়। প্রত্যেক হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে জ্বরে আক্রান্ত রোগীর হিসেব রাখা হয়। ডেঙ্গি পরীক্ষার ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, ২ থেকে ৭ দিন জ্বরে অসুস্থ থাকলেও পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এছাড়া মাথা ব্যাথা, রক্তক্ষরণ, দেহে র‌্যাশ বেরনোর মতো উপসর্গ থাকলেই ডেঙ্গি পরীক্ষা বাধ্যতামূলক বলে উল্লেখ করেছে স্বাস্থ্য দফতর। অর্থাৎ মশাবাহিত এই দুই রোগ নিয়ে যাতে কোনও রকম গা ছাড়া মনোভাব না দেখা যায়, সে ব্যাপারেই সতর্ক করেছে রাজ্য।

    বৈঠকে স্থির হয়েছে, প্রতিটি হাসপাতালে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ‘ফিভার ক্লিনিক’ চালু রাখতে হবে সর্বক্ষণ। সেটি দেখাশোনার দায়িত্ব এক জন সহকারী সুপারের। জেলায় ডেঙ্গি দমনে ৯০০০ চিকিৎসক, প্যারা মেডিক্যাল কর্মীকে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, হাসপাতালগুলি এবং ব্লাড ব্যাঙ্কে অণুচক্রিকার (প্লেটলেট) জোগানে যাতে কোনও ঘাটতি না থাকে। রাজ্যের যে সব হাসপাতালে ডেঙ্গি (West Bengal Dengue Outbreak) আক্রান্ত রোগী ভর্তির সংখ্যা বেশি, সেখানে ডেঙ্গি পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রতিটি হাসপাতালকেও ডেঙ্গি রোগীদের জন্য বেড তৈরি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Partha Chatterjee: কেন জামিনের বিরোধিতা? পার্থ কতটা প্রভাবশালী, আদালতে জানাল ইডি

    Partha Chatterjee: কেন জামিনের বিরোধিতা? পার্থ কতটা প্রভাবশালী, আদালতে জানাল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) জামিনের বিরোধিতায় আবার ‘প্রভাবশালী’ তত্ত্বকেই হাতিয়ার করল ইডি। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত পার্থের জামিনের মামলার শুনানি ছিল বৃহস্পতিবার। এর জন্য তাঁকে বৃহস্পতিবার কলকাতার নগর দায়রা আদালতে হাজির করানো হয়। শুনানি চলাকালীন পার্থর জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করেন ইডির আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি। ইডির অভিযোগ, পার্থ রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থাকে একা হাতে ‘ধ্বংস’ করে দিয়েছেন। তাই তাঁর কোনও মতেই জামিন পাওয়া উচিত নয়।

    মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যোগ

    প্রায় এক বছর হয়ে গেল জেলবন্দি রয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। আদালতে জামিনের আবেদন করলেও এখনও পর্যন্ত স্বস্তি পাননি তিনি। চার্জশিট পেশ হয়ে যাওয়ার পর কেন জেলে রাখা হচ্ছে পার্থকে? এই প্রশ্ন তুলে জামিনের আবেদন জানিয়েছেন তিনি। সেই মামলার শুনানিতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট আদালতে বোঝাল, কেন তারা পার্থর জামিন দেওয়া উচিত বলে মনে করছে না। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে বলা হয়, পার্থকে যখন গ্রেফতার করা হয়েছিল, তখন তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করেছিলেন। যদিও ফোন ধরেননি মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়া ইডি জানিয়েছে, গ্রেফতার মেমোতে মুখ্যমন্ত্রীকে আত্মীয় বলে পরিচয় দিয়েছিলেন পার্থ।  তিনি যদি প্রভাবশালী না হতেন, তা হলে এমন উল্লেখ থাকত না বলে দাবি ইডির।

    অসুস্থতার অজুহাত

    গ্রেফতারির পর অসুস্থতার কারণে পার্থকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। কিন্তু আদালতে ইডি দাবি করেছে, পার্থ আদপে অসুস্থ ছিলেন না। ইডির যুক্তি, হাই কোর্টের নির্দেশে পার্থকে ভুবনেশ্বর এমসে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেখানকার চিকিৎসকেরা পার্থের শরীরে অসুস্থতার কোনও ছাপ পাননি। ইডির দাবি, গ্রেফতারি এড়াতে পার্থ অসুস্থতার ‘ভান’ করেছিলেন। আর তিনি প্রভাবশালী বলেই এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হতে পেরেছিলেন, যুক্তি ইডির।

    ‘জেল কোড’ ভঙ্গ

    ইডি আদালতে জানিয়েছে, শুনানির দিন আদালতে নিয়ে আসার সময় পার্থের জন্য পৃথক গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু অন্য বন্দিদের নিয়ে আসা হয় প্রিজন ভ্যানে চাপিয়ে। পার্থের জন্য পৃথক ব্যবস্থা কেন? প্রশ্ন তুলেছে ইডি। ইডির যুক্তি, পার্থ প্রভাবশালী হওয়ার কারণেই তিনি এই বাড়তি সুবিধা পেয়েছেন। ‘জেল কোড’ অনুযায়ী সংশোধনাগারে কোনও বন্দির আংটি পরার অনুমতি নেই। কিন্তু পার্থ দীর্ঘ দিন জেলের মধ্যে আংটি পরেছিলেন। ইডির যুক্তি, তিনি প্রভাবশালী হওয়ার কারণেই এমনটা সম্ভব হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: মহরমের দিন ড্রাম বাজবে কতক্ষণ? শব্দবিধি নিয়ে পুলিশকে কড়া নির্দেশ হাইকোর্টের

    আগামী সপ্তাহে রায়দান!

    এই মামলায় আগেই সওয়াল করেছিলেন পার্থর (Partha Chatterjee) আইনজীবী। আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী সপ্তাহে রায়দান হবে। রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে চুরমার করে দেওয়ার জন্য ও শিক্ষায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নষ্ট করে দেওয়ার জন্যও পার্থকে দায়ী করেছে ইডি। আইনজীবী মন্তব্য করেন, ‘স্কুলে অযোগ্য শিক্ষক পাঠানোর অর্থ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে শেষ করে দেওয়া। প্রসঙ্গত, শিক্ষায় নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে গত বছরের ২২ জুলাই দক্ষিণ কলকাতার নাকতলায় পার্থের বাড়িতে হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। ২৩ জুলাই মধ্যরাতে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। গত, রবিবারই পার্থের গ্রেফতারির এক বছর পূর্ণ হয়েছে। বর্তমানে পার্থের ঠিকানা প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: মহরমের দিন ড্রাম বাজবে কতক্ষণ? শব্দবিধি নিয়ে পুলিশকে কড়া নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: মহরমের দিন ড্রাম বাজবে কতক্ষণ? শব্দবিধি নিয়ে পুলিশকে কড়া নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহরম (Muharram) নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং রাজ্যের দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের উদ্দেশে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcuuta High Court)। আদালতের নির্দেশ, মহরমকে কেন্দ্র করে অযথা তারস্বরে ড্রাম বাজানো ও খোলা আকাশের নিচে রান্নাঘর তৈরি করে জনগণের কোনও সমস্যা তৈরি করা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদকে তা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। 

    শব্দবিধি মেনে চলার নির্দেশ

    মহরম সংক্রান্ত এক জনস্বার্থ মামলায় বৃস্পতিবার এই নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্টে (Calcuuta High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ। মামলার আবেদনকারী সগুপ্তা সুলেমান দাবি করেছেন, তাঁর এলাকায় গভীর রাত পর্যন্ত ড্রাম বাজানো হয় মহরমে। সুলেমানের অভিযোগ, পুলিশকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। পুলিশ তাঁকে কোর্টের অর্ডার নিয়ে আসতে বলেছে।  এছাড়া মহরমের আগে থেকে শহরের অনেক জায়গায় সারাদিন ধরে গান বাডানো হয়। সমস্যায় পড়ে বাচ্চা ও  বয়স্করা। এ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে অভিযোগ জমা পড়ে। এদিন এই মামালার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি নির্দেশ দিয়েছেন, সকালে ২ ঘণ্টা ও বিকেলে ২ ঘণ্টা বেঁধে দিতে হবে ড্রাম বাজিয়ে মিছিল করার জন্য। আদালত আরও বলেছে, শব্দবিধি মেনে প্রতীকী রণডঙ্কা বাজানো হচ্ছে কি না তার উপর নজরদারি করবে রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ। 

    আরও পড়ুন: দেশীয় ‘এস-৪০০’! নিজস্ব ত্রিস্তরীয় এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম তৈরি করছে ভারত?

    পুলিশকে একগুচ্ছ নির্দেশ 

    ২৯ জুলাই শনিবার মহরম। ওইদিন কোনওভাবেই অনুষ্ঠানে ড্রাম বা মাইকের শব্দসীমা ৬০ ডেসিবেল ছাড়াতে পারবে না। যে ক্লাব বা যে গোষ্ঠী ড্রাম বাজিয়ে মহরমের মিছিল করতে চায়, তাদের পুলিশের অনুমতি নিতে হবে। মহরমের দিন পর্যন্ত জারি থাকবে এই নির্দেশিকা। মহরমের আগে পুলিশকে পাবলিক নোটিশ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশে উৎসবে কখন মিটিং, কতক্ষন জমায়েত ইত্যাদি নির্দিষ্ট করতে হবে। ক্লাব বা বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ আগে অনুমতি নেবে র‍্যালি করার জন্য। যেহেতু সময় অল্প অনুমতি সবাই নাও জোগাড় করতে পারে। প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘সকালে ৮টার আগে কখনই ড্রাম বাজানো চালু করা উচিত নয়। এতে স্কুল পড়ুয়া, বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষদের সমস্যা হতে পারে। সেই কারণে সকালে দু’ঘণ্টা ও বিকেলে দু’ঘণ্টা সময় বরাদ্দ করা হোক।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ‘আটটি বাড়ি নিল কে? কাকা-ভাইপো ছাড়া আবার কে’, তৃণমূলের বিরুদ্ধে পোস্টার ঘিরে শোরগোল

    TMC: ‘আটটি বাড়ি নিল কে? কাকা-ভাইপো ছাড়া আবার কে’, তৃণমূলের বিরুদ্ধে পোস্টার ঘিরে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুবরাজপুরের অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারের গেটে পড়ল আবাস যোজনার বাড়ি নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টার। পোস্টারে আবাস যোজনার দুর্নীতির কথা বলা হয়েছে। তৃণমূল (TMC) নেতার কাছে দুর্নীতির জবাব চাওয়া হয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    পোস্টারে কী লেখা রয়েছে?

    পোস্টারে লেখা রয়েছে, ‘আটটি বাড়ি নিল কে? কাকা ভাইপো ছাড়া আবার কে? পৌরপিতা জবাব দেন। যার মূল্য ৩০ লাখ টাকা। মমতা ব্যানার্জী, অভিষেক ব্যানার্জী জিন্দাবাদ।’ কিন্তু, কে এই কাকা ভাইপো? তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। বৃহস্পতিবার দুবরাজপুর পুরসভা এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কুলুপাড়ার একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে ঠিক এমনই পোস্টার দেখা যায়। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র খুলতে এসে কর্মীদের এই পোস্টার চোখে পড়ে। রাজনৈতিক মহলের দাবি, আবাস যোজনার বাড়ি নিয়েই দুর্নীতি হয়েছে। তা বিরুদ্ধে এই পোস্টার, রাতের অন্ধকারে লাগানো হয়েছে। কিন্তু কে বা কারা এই পোস্টার লাগালো তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।

    কী বললেন পুরসভার চেয়ারম্যান?

    এ বিষয়ে তৃণমূল (TMC) নেতা তথা দুবরাজপুর পুরসভার চেয়ারম্যান পীযূষ পান্ডে বলেন, উপভোক্তাদের চিহ্নিত করেন ওয়ার্ড কাউন্সিলররা। পরে, উপভোক্তারা নিজেরাই বাড়ি করেন। কাকা, ভাইপোকে আটটা বাড়ি দেওয়া হয়েছে এরকম অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কেউ নেশা করে এই ধরনের পোস্টার লাগিয়েছে। তবুও আমি ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য বলেছি।

    কী বললেন পুরসভার কাউন্সিলার?

    ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলার ভাস্কর রুজ বলেন, কেউ অসৎ উদ্দেশ‍্য নিয়ে এরকম কাজ করেছে। তবে, এই ওয়ার্ডে স্বচ্ছভাবে আবাস যোজনার কাজ হয়েছে। দলকে বদনাম করার জন্য এই কাজ করা হয়েছে। কোথাও কোনও দুর্নীতি হয়নি।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এই ঘটনা প্রসঙ্গে দুবরাজপুর বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক অনুপ সাহা বলেন, রাজ্যের পিসি ভাইপোর কথা আমরা জানি। কিন্তু, দুবরাজপুরে কাকা, ভাইপো কে আছেন এর জবাবটা একমাত্র পৌর প্রধানই দিতে পারেন। সারা রাজ্য জুড়ে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার যে দুর্নীতি হয়েছে সেটা বারংবার আমরা বলেছি। আজকে দুবরাজপুর পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে পোস্টার দিয়ে আবাস যোজনার বাড়ি নিয়ে যে দুর্নীতি হয়েছে তা পোস্টারের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। আবাস যোজনার বাড়িগুলি নিয়ে যে দুর্নীতি হয়েছে তাতে চেয়ারম্যান, কাউন্সিলার এবং তাঁর ঘনিষ্ঠরা যুক্ত রয়েছেন। কাকা ভাইপোর নামে পোস্টার দিয়ে সেই ইঙ্গিতই দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Enforcement Directorate: ‘দেশের স্বার্থে’ ইডি ডিরেক্টর সঞ্জয় কুমার মিশ্রের মেয়াদ বাড়াল সুপ্রিম কোর্ট

    Enforcement Directorate: ‘দেশের স্বার্থে’ ইডি ডিরেক্টর সঞ্জয় কুমার মিশ্রের মেয়াদ বাড়াল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের আবেদন মেনেই ইডি প্রধান (Enforcement Directorate Chief) হিসাবে সঞ্জয় কুমার মিশ্রের মেয়াদ বাড়ানোর অনুমতি দিল সুপ্রিম কোর্ট। ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সঞ্জয় কুমার মিশ্র ইডি-র প্রধান পদে থাকতে পারবেন বলে নির্দেশ জারি করেছে শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। বিচারপতি আরএস গাভাইয়ের নেতৃত্বাধীন শীর্ষ আদালতের বেঞ্চ, বৃহস্পতিবার কেন্দ্রের কৌঁসুলি, সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার আবেদনে সাড়া দেন। ‘দেশের স্বার্থে’ই সঞ্জয় কুমারের মেয়াদ কিছুটা বাড়ানো হল বলে সুপ্রিম কোর্টের তরফে জানানো হয়েছে।

    কেন বাড়ানো হল মেয়াদ

    আদালত সূত্রে খবর, ইডি-র (Enforcement Directorate) ডিরেক্টর পদে সঞ্জয় কুমার মিশ্রের মেয়াদ আগামী ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত করার আবেদন জানিয়েছিল কেন্দ্র। এব্যাপারে কেন্দ্রের যুক্তি ছিল, সঞ্জয় কুমার মিশ্রের ইডি-র অধিকর্তা পদে থাকার বিষয়টি দেশের স্বার্থের সঙ্গে জড়িত। তাঁর অনুপস্থিতি ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (FATF)-এর পর্যালোচনার ক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব ফেলবে। কেন্দ্রের এই যুক্তির প্রেক্ষিতেই সঞ্জয় কুমার মিশ্রের ইডি অধিকর্তা পদে মেয়াদ বাড়ানোর অনুমতি দিল সুপ্রিম কোর্ট। এই নিয়ে চতুর্থ বার ইডির ডিরেক্টর পদে মেয়াদ বাড়ল সঞ্জয়ের। 

    আরও পড়ুন: হুবহু মিলে গেল মোদির ‘ভবিষ্যদ্বাণী’! সেই বাদল অধিবেশনেই অনাস্থা পেশ বিরোধীদের

    ইন্ডিয়ান রেভিনিউ সার্ভিসের অফিসার সঞ্জয়কুমার মিশ্রকে ২০১৮ সালে প্রথম বার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর (Enforcement Directorate) ডিরেক্টর পদে নিয়োগ করা হয়েছিল। সে বার দু’বছরের জন্য তাঁকে ওই দায়িত্ব দিয়েছিল কেন্দ্র। এর পর ২০২০ সালে তাঁর মেয়াদ আরও এক বছর বৃদ্ধি করা হয়। আর্থিক দুর্নীতির বহু গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তে জড়িত রয়েছে ইডি। ফলে সে সব তদন্তের স্বার্থেই ডিরেক্টর হিসাবে সঞ্জয়ের কার্যকালের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে, বৃহস্পতিবার বিচারপতি গাভাই বলেন, ‘‘কোনও অবস্থাতেই ১৫ সেপ্টেম্বরের পরে সঞ্জয়কুমার মিশ্রকে ইডির ডিরেক্টর পদে রাখা যাবে না।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indigenous LRSAM: দেশীয় ‘এস-৪০০’! নিজস্ব ত্রিস্তরীয় এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম তৈরি করছে ভারত?

    Indigenous LRSAM: দেশীয় ‘এস-৪০০’! নিজস্ব ত্রিস্তরীয় এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম তৈরি করছে ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতার লক্ষ্যে আরও এক ধাপ এগলো ভারত। এবার দেশের আকাশসীমার (Air Defence System) সুরক্ষার্থে, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি নিজস্ব অত্যাধুনিক দূরপাল্লার মিসাইল তৈরি করছে ভারত। জানা যাচ্ছে, রুশ নির্মিত ‘এস-৪০০’ ক্ষেপণাস্ত্রের মতোই নতুন এই লং রেঞ্জ সারফেস টু এয়ার মিসাইল (Indigenous LRSAM) বা দূরপাল্লার ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা হবে ৪০০ কিলোমিটার।

    কেন নতুন দূরপাল্লার এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম প্রয়োজন?

    বর্তমানে, দেশের আকাশসীমাকে রক্ষা (Air Defence System) করার জন্য রাশিয়া থেকে কেনা ‘এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ’ ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেমকে চিন ও পাকিস্তান সীমান্তে মোতায়েন করেছে ভারত। ৪০০ কিমি দূরত্বের মধ্যে যে কোনও টার্গেটে আঘাত হানতে সক্ষম এই অত্যাধুনিক মিসাইল। বিশ্বের সেরা এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমগুলির অন্যতম রাশিয়ার এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। এই মিসাইলের তিনটি স্কোয়াড্রন ইতিমধ্যেই ভারতে পৌঁছে গিয়েছে। তাদের মতোয়েনও করা হয়ে গিয়েছে। কিন্তু, বাকি আরও ২টি সিস্টেম কবে আসবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েই গিয়েছে।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, স্বদেশীয় এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম (Air Defence System) নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনা চলছিল। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতা বাড়াতে এবং নিজস্ব ক্ষমতা দেশকে রক্ষা করার লক্ষ্যেই এই বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির ভাবনাচিন্তা করা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মিসাইলের (Indigenous LRSAM) নির্মাণ-পর্ব কার্যকর হলে, ৪০০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত যে কোনও শত্রু বিমান, ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন ধ্বংস করা অত্যন্ত সহজ হয়ে যাবে। এর ফলে, দেশের আকাশসীমা সুরক্ষা অনেক বেশি সুরক্ষিত ও নিশ্ছিদ্র হবে। 

    এই সিস্টেম তৈরি হলে কতটা লাভ ভারতের?

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অভ্যন্তরীণ বৈঠকে এই স্বদেশীয় ত্রিস্তরীয় ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেম (Indigenous LRSAM) তৈরির প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। হয়ত শীঘ্রই এই মিসাইল সিস্টেম উৎপাদনের সবুজ সঙ্কেত মিলতে পারে। এই ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রজেক্টে আনুমানিক ২৫০ কোটি মার্কিন ডলার (আনুমানিক ২০ হাজার ৪৮৫ কোটি টাকা) খরচ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে, প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, একবার এই মিসাইল সিস্টেম তৈরি হলে, তা হবে অত্যন্ত গর্বের। ভারত বিশ্বের হাতেগোনা কয়েকটি দেশের তালিকায় ঢুকে পড়বে, যাদের স্বদেশীয় ত্রিস্তরীয় এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম (Air Defence System) রয়েছে। 

    আকাশসীমার সুরক্ষায় বর্তমানে ‘এস-৪০০’ ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি, ভারতের নিজস্ব ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেমের কয়েকটি নির্মাণ-পর্বে ও কয়েকটি গবেষণা ও পরীক্ষামূলক স্তরে রয়েছে। তবে, কোনওটাই ‘এস-৪০০’ সমকক্ষ নয়। ‘মৈত্রী কুইক রিয়্যাকশন এসএএম’ (QRSAM) নিয়ে পরীক্ষা চলছে। এটির সাফল্যের হার অত্যন্ত ভালো। ভারতের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা এই মিসাইল নিয়ে ভীষণই আশাবাদী। এটি তৈরি করছে দেশের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিও। এছাড়া, ভারতের আস্তিনে রয়েছে ‘আকাশ’, ‘ত্রিশূল’, ‘আকাশ-এনজি’। এছাড়া রয়েছে ‘অ্যাডভান্সড এয়ার ডিফেন্স’ মিসাইল যা ১০ কিমি পর্যন্ত শত্রু-টার্গেটকে ধ্বংস করতে সক্ষম। এটি ভারতীয় বায়ুসেনা ব্যবহার করে।

    কী থাকবে এই সিস্টেমে?

    জানা যাচ্ছে, দেশীয় এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমে (Air Defence System) তিন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র মজুত থাকবে, যা মূলত তিন ধরনের দূরত্বের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে। এক-একটি সিস্টেমে ৩ ধরনের পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র থাকবে। একটি দূরপাল্লার— যা আনুমানিক ৪০০ কিমি দূরত্বে যে কোনও লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংস করতে পারবে। দ্বিতীয় স্তর হলো মাঝারি পাল্লার, যা ৭০ কিমি পর্যন্ত বস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হবে। তৃতীয় তথা শেষ স্তর হবে স্বল্পপাল্লার। যা ৩৫ কিমি পর্যন্ত যে কোনও বস্তুকে ধ্বংস করতে পারবে। ইতিমধ্যে, ইজরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে মাঝারি পাল্লার সারফেস টু এয়ার মিসাইল (MRSAM) প্রযুক্তি তৈরির কাজ চলছে। যা ৭০ কিমি দুরত্বে যে কোনও লক্ষ্যকে আঘাত হানতে সক্ষম হবে। প্রতিটা এলআরএসএএম সিস্টেমের (Indigenous LRSAM) অঙ্গ হিসেবে থাকবে তিন ধরনের মিসাইল, রেডার, কন্ট্রোল সিস্টেম, ভার্টিকাল লঞ্চার ও দু-ওয়ে কমিউনিকেশান লিঙ্ক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: চিকিৎসার জন্য বিদেশ গেলেন অভিষেক! ‘‘স্বাস্থ্যসাথী কাজে দিলো না?’’ কটাক্ষ সুকান্তর

    Abhishek Banerjee: চিকিৎসার জন্য বিদেশ গেলেন অভিষেক! ‘‘স্বাস্থ্যসাথী কাজে দিলো না?’’ কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোখের চিকিৎসার জন্য ফের বিদেশ যেতে হল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে(Abhishek Banerjee)। অভিবাসন সূত্রে খবর, বুধবার কলকাতা থেকে এমিরেটসের উড়ানে সস্ত্রীক দুবাই উড়ে গিয়েছেন অভিষেক। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কেন চিকিৎসা করাতে বিদেশে গেলেন, তা নিয়ে ফের প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। 

    দুবাই যাত্রা অভিষেকের

    জানা গিয়েছে, কলকাতা বিমানবন্দর থেকে দুবাই যাত্রা করেছেন অভিষেক। সেখান থেকে চোখের চিকিৎসার জন্য আমেরিকা যাবেন। এই বিদেশ যাত্রা নিয়ে অভিষেককে কটাক্ষ  করতে ছাড়েননি বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডের বিদেশ যাত্রা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে সুকান্ত বলেন, “খবর পেয়েছি চিকিৎসার জন্য গিয়েছেন। ভেবেছিলাম স্বাস্থ্য সাথী নিয়ে চিকিৎসা করাবেন। কেন করালেন না বুঝতে পারছি না।” তবে গেরুয়া শিবিরের তরফে সরাসরি এ প্রসঙ্গে কিছু বলা হয়নি। কারণ বিষয়টা এখনও সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ এ প্রসঙ্গে বলেন, “শুধু অভিষেক নয়, তৃণমূলের নেতা-নেত্রীদের ডাকা হলে বারবার তাঁরা হাজিরা এড়ানোর চেষ্টা করেন। আদালত আর সিবিআই বিষয়টা দেখছে। তিনি বলেন, “আইনের ব্যাপার আছে। কোর্ট বুঝবে।”

    আদালতের অভিমত

    বারবার বিদেশ যাত্রায় বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিষয়ে শীর্ষ আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছিলেন তিনি। আইনজীবী কপিল সিব্বল আদালতে জানিয়েছিলেন, ২৬ জুলাই চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে চান অভিষেক। আগামী ৮ অগাস্ট তাঁর অ্যাপয়েন্টমেন্ট রয়েছে। এ ব্যাপারে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের বক্তব্য জানতে চেয়েছিল আদালত। আগামী শুক্রবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। কয়লা পাচার মামলায় অভিষেক ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। তদন্ত চলাকালীন বিদেশ যাত্রার ক্ষেত্রে একাধিকবার বাধার মুখে পড়তে হয়েছে অভিষেকের পরিবারকে। কিছুদিন আগেই বিমানবন্দরে বাধা দেওয়া হয়েছিল রুজিরাকে।

  • Suvendu Adhikari: হাইকোর্টের এফআইআর-নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম দুয়ারে শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: হাইকোর্টের এফআইআর-নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম দুয়ারে শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উচ্চ আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দুর বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণ থাকলে এফআইআর দায়ের করা যাবে। সে ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিতে হবে না। গত বৃহস্পতিবার এমন নির্দেশই দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই নিয়ে শীর্ষ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন শুভেন্দু। তবে তাঁর দ্রুত শুনানির আর্জি খারিজ হয়ে গিয়েছে। শীর্ষ আদালতে আগামী ৪ অগাস্ট রয়েছে শুভেন্দুর মামলার শুনানি।

    হাইকোর্টের নির্দেশ

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা জনৈক সুমন সিংয়ের দায়ের করা এক জনস্বার্থ মামলায় গত বৃহস্পতিবার বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় এবং বিচারপতি বিশ্বরূপ চৌধুরীর ডিভিশন বেঞ্চ একটি অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেন। তাতে জানানো হয়, রাজ্যের বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ উঠলে তা খতিয়ে দেখবে পুলিশ। সে ক্ষেত্রে আইনানুগ পদক্ষেপ করবে প্রশাসন। ওই দুই বিচারপতি আরও জানান, অভিযোগ গ্রহণযোগ্য হলে পুলিশ এফআইআর দায়ের করতে পারবে। তবে গ্রেফতার বা কড়া পদক্ষেপ করার আগে আদালতের অনুমতি নিতে হবে। হাইকোর্টের নির্দেশের পরই শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয় থানায়। গত ২৫ জুলাই প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মোহনপুর থানায়। 

    আরও পড়ুন: এবার বুলেট ট্রেনের মানচিত্রে জুড়ল বাংলা! লোকসভায় ঘোষণা অশ্বিনী বৈষ্ণবের

    সুপ্রিম কোর্টে আবেদন

    এরপর হাইকোর্টের ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কিষাণ কাউলের ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি হবে। শুভেন্দু অধিকারীর পক্ষে সওয়াল করবেন আইনজীবী বাঁশুরি স্বরাজ। আইনজীবী জানিয়েছেন, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ২৬টি এফআইআর হয়েছে। সেগুলি থেকে অব্যাহতি চান তিনি। আইনজীবী দ্রুত শুনানির আর্জি জানিয়ে বলেছিলেন, এক সপ্তাহ একটু বেশি সময় হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু তাঁর সেই আর্জি খারিজ হয়ে যায়। এর আগে হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চ রক্ষাকবচ দিয়েছিল শুভেন্দুকে। তাঁর বিরুদ্ধে হওয়া ২৬টি এফআইআর-এর ক্ষেত্রেই স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেও, মামলা আবার ফেরানো হয় হাইকোর্টেই। এখন রাজ্যের বিরোধী দলনেতার আর্জির ক্ষেত্রে দেশের শীর্ষ আদালত কী ব্যবস্থা নেয় তার অপেক্ষায় রাজনৈতিক মহল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • NDA: মোদির পাশেই জগন মোহন! অনাস্থা প্রস্তাবে সরকারকেই ভোট দেওয়ার ঘোষণা

    NDA: মোদির পাশেই জগন মোহন! অনাস্থা প্রস্তাবে সরকারকেই ভোট দেওয়ার ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদির পাশেই (NDA) অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জগন মোহন রেড্ডি। বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবে সরকার পক্ষেই ভোট দেবে তাঁর দল। অন্যদিকে রাজ্যসভায়  জন্য কেন্দ্রের আনা ‘দিল্লি সার্ভিস অর্ডিন্যান্স’ বিলেও মোদির পাশেই থাকছেন জগনমোহন। প্রসঙ্গত, ওয়াইএসআর কংগ্রেস পার্টির রাজ্যসভায় নয়জন এবং লোকসভায় ২২ জন সাংসদ রয়েছেন। অন্যদিকে এই বিলকে সমর্থনের কথা ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে ওড়িশার বিজু জনতা দলও। এর ফলে রাজ্যসভায় অনায়াসেই বিল পাশ করিয়ে নিতে পারবে কেন্দ্রীয় সরকার, এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। এই বিল আইনে পরিণত হলে দিল্লির আমলাদের নিয়ন্ত্রণ সরাসরি কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে চলে যাবে।

    আরও পড়ুন: এবার বুলেট ট্রেনের মানচিত্রে জুড়ল বাংলা! লোকসভায় ঘোষণা অশ্বিনী বৈষ্ণবের

    মোদির পাশে নবীন ও জগন মোহন

    তবে শুধুই কি বিল পাশ? ওয়াকিবহাল মহলের মতে, নবীন পট্টনায়ক এবং জগন মোহনের বিজেপিকে সমর্থন (NDA) বিরোধী জোটের কাণ্ডারীদের কাছে বড় ধাক্কা। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ‘‘আঞ্চলিক বঞ্চনার প্রতিবাদে এবং ফেডারেল কাঠামো মেনে চলার দাবিতেই মূলত একত্রিত হয়েছিল তৃণমূল-আরজেডি-সমাজবাদী পার্টির নেতারা। কিন্তু ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশের মতো রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের এনডিএ-এর (NDA) দিকে চলে যাওয়া, বিরোধীদের দাবিকেই নস্যাৎ করে দিল।’’ তবে এই প্রথম নয় একাধিক কর্মসূচি এবং ইস্যুতে মোদির পাশে থাকতে দেখা গিয়েছে নবীন পট্টনায়েক এবং জগন মোহনকে।

    আরও পড়ুুন: ভোট-হিংসায় সিবিআই, বিস্ফোরণে এনআইএ চাই, রিপোর্ট পেশ ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের

    ৩১ জুলাই বিল পেশ হবে রাজ্যসভায়

    জানা গিয়েছে ৩১ জুলাই রাজ্যসভায় পেশ হতে চলেছে এই বিল। বর্তমানে এনডিএ (NDA) জোটের ১০১ জন সদস্য রয়েছেন রাজ্যসভায়। অন্যদিকে ইন্ডিয়া জোটের কাছে রয়েছে ১০০ জন সদস্য। নবীন পট্টনায়েক এবং জগন মোহনের দলের রাজ্য সভায় সদস্য আছে ৯ জন করে। এরফলে মোদি সরকার কার্যত বিনা বাধায় বিল পাশ করে নিতে পারবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share