Tag: Madhyom

Madhyom

  • BJP: শুক্রবার ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন‍্‍ধ ডাকল বিজেপি, কেন?

    BJP: শুক্রবার ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন‍্‍ধ ডাকল বিজেপি, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালিয়াগঞ্জে পুলিশের গুলিতে রাজবংশী যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় চাপ বাড়াচ্ছে বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবারই রায়গঞ্জ হাসপাতালে বিজেপি সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী মৃত যুবকের পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন। গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবকের মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে এবং পুলিশের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবিতে রায়গঞ্জ শহরের শিলিগুড়ি মোড় এলাকায় অবস্থান-বিক্ষোভে সামিল হন বিজেপি নেতৃত্ব।  রায়গঞ্জের সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী, বিজেপির জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকার সহ বিজেপি নেতৃত্বরা এই অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সামিল হন। গুলিকাণ্ডে অভিযুক্ত পুলিশ অফিসার সহ কালিয়াগঞ্জ থানার আইসি-র কঠোরতম শাস্তির দাবি তুলেছে জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। এদিন দিনভর অবস্থান বিক্ষোভ করা হয়। বিকেলের (BJP) পর বিজেপি সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী বলেন, কালিয়াগঞ্জে ছাত্রীর মৃত্যুর উপযুক্ত তদন্ত এবং পুলিশের গুলিতে রাজবংশী যুবকের মৃত্যুর প্রতিবাদে শুক্রবার ১২ ঘণ্টা উত্তরবঙ্গ বনধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই বনধ সফল করার জন্য উত্তরবঙ্গবাসীর কাছে আমরা আবেদন জানাচ্ছি।

    পুলিশের গুলিতে রাজবংশী যুবকের মৃত্যু নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?

    বৃহস্পতিবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী একটি অরাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে বীরভূমে যান। সেখানে কালিয়াগঞ্জে গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবকের মৃত্যু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজবংশী, নমশূদ্র এবং পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের ওপর বারে বারে এই ধরনের আক্রমণ হচ্ছে। এটা নিন্দার কোনও ভাষা নেই। কালিয়াগঞ্জ থানায় তাণ্ডবের পর মুখ্যমন্ত্রী দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। তারপরই ওদের রেজিস্ট্রার গুন্ডা পুলিশ এই কাজ করেছে। যে অভিযোগে বিজেপি-র (BJP) সদস্য বিষ্ণু বর্মনকে গ্রেফতার করতে গিয়েছিল পুলিশ, সে সেদিন থানার ওই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে ছিল না। তৃণমূলের উপ প্রধানই সে কথা সংবাদ মাধ্যমের সামনে বলেছেন। এটা নিন্দনীয় ঘটনা। বিজেপি (BJP) এর বিরুদ্ধে আন্দোলন আরও তীব্রতর করবে। আর রাজবংশী যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় সার্বিক ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া দরকার। এনআইএ তদন্ত হলে ভাল হয়। আর দলীয় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য বিষ্ণু বর্মনের যেখানে বাড়়ি, সেখানে কাঁটাতার পেরিয়ে যেতে হয়। পুলিশ বিএসএফের অনুমতি নিয়ে সেখানে গিয়েছিল কি না তা খতিয়ে দেখা দরকার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Summer Vacation: শনিবারই শেষ ক্লাস! রাজ্যে সরকারি স্কুলে গরমের ছুটি ২ মে থেকেই

    Summer Vacation: শনিবারই শেষ ক্লাস! রাজ্যে সরকারি স্কুলে গরমের ছুটি ২ মে থেকেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২ মে থেকেই সরকারি স্কুলে গ্রীষ্মের ছুটি (Summer Vacation) পড়বে, সেকথা ফের জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চলতি বছরে ২ মে মঙ্গলবার হচ্ছে। আগের দিন সোমবার মে দিবসের সরকারি ছুটি। তার আগেরদিন রবিবার। অর্থাৎ শনিবার অর্ধদিবস স্কুল হওয়ার পরেই ছুটি পড়ে যাবে। তবে কতদিন পর স্কুল খুলবে সেকথা এখনও জানানো হয়নি। পরে তা বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানাবে শিক্ষা দফতর। প্রসঙ্গত, দার্জিলিঙের পাহাড়ি এলাকা ও কালিম্পঙ জেলা ছাড়া গরমের কারণে রাজ্যের সরকারি, সরকার-পোষিত স্কুলগুলির ক্ষেত্রে এই গ্রীষ্মের ছুটি কার্যকর হবে। চলতি মাসের ১৩ এপ্রিলই স্কুলশিক্ষা দফতরের নির্দেশে মধ্যশিক্ষা ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ রাজ্যের সরকারি, সাহায্যপ্রাপ্ত এবং পোষিত সব স্কুলে ২ মে থেকে গ্রীষ্মের ছুটি (Summer Vacation) ঘোষণা করেছিল।

    এগিয়ে এল গরমের ছুটি (Summer Vacation)

    নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ২৪ মে থেকে সরকারি স্কুলে গরমের ছুটি (Summer Vacation) পড়ার কথা ছিল। কিন্তু, এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে শুরু হয় প্রবল তাপপ্রবাহ। তখনই পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে মুখ্যমন্ত্রী ২ মে থেকে গরমের ছুটি (Summer Vacation) পড়ার কথা জানান। পরে তাপপ্রবাহের প্রকোপ আরও বেড়ে যাওয়ায় ১৭ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি স্কুল ছুটির কথা ঘোষণা করেন মমতা। এখন আবহাওয়ার উন্নতি হওয়ায়, শিক্ষকদের দাবি ছিল, ২ মে নয়, আগের সূচি অনুযায়ী ২৪ মে থেকেই গ্রীষ্মের ছুটি পড়ুক। প্রবল তাপপ্রবাহে মাঝে রাজ্যের বেশির ভাগ বেসরকারি স্কুলও বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে, সেই সব স্কুলে অনলাইন ক্লাস হয়েছে। এখন সেখানে নিয়মিত স্কুল শুরু হয়েছে এবং মে-র মাঝামাঝি গ্রীষ্মের ছুটি পড়বে বলে জানিয়েছে বেশির ভাগ বেসরকারি স্কুল। সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের একাংশের এমনও দাবি ছিল, গ্রীষ্মকালে সকালে স্কুল হোক। এতে নির্ধারিত সময়েই গরমের ছুটি দেওয়া যেতে পারে বলে জানিয়েছিলেন তাঁরা। তবে মুখ্যমন্ত্রী এদিন তাঁর পূর্ব পরিকল্পনার কথাই ঘোষণা করলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayet Road: বর্ষাকালে কর্দমাক্ত আলপথে পড়ুয়াদের হাতে ওঠে জুতো, চলে না সবুজসাথীর সাইকেলও

    Panchayet Road: বর্ষাকালে কর্দমাক্ত আলপথে পড়ুয়াদের হাতে ওঠে জুতো, চলে না সবুজসাথীর সাইকেলও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি পালিত হয়ে গেল দেশজুড়ে। দুর্গাপুরের বুদবুদ থানার আউশগ্রাম ব্লকের আমানিডাঙার বাসিন্দারা পেলেন না সামান্য রাস্তাটুকুও। একাধিকবার ভোট বয়কট করেও মেলেনি সুরাহা। পথশ্রী, রাস্তাশ্রী ইত্যাদি নিয়ে গোটা বাংলা যখন মাতোয়ারা, তখনও চরম বঞ্চনায় ক্ষোভে ফুঁসছেন পূর্ব-বর্ধমান জেলার অন্তর্গত আউশগ্রামের আমানিডাঙা, বাবলাবনি, ধডাঙা গ্রামের বাসিন্দারা। রাস্তার (Panchayet Road) দাবিতে বিগত ৮ বছর ধরে ভোট বয়কট করছেন গ্রামবাসীরা। তাতে রাস্তা আংশিক কংক্রিট হলেও, জমিজটে উধাও প্রায় ৩ হাজার ফুট রাস্তা। ফলে দুর্ভোগ মেটেনি। সমস্যা সেই তিমিরেই রয়েছে। শীত, গ্রীষ্ম কিংবা বর্ষায় কাদামাখা আলপথই ভরসা। এমনই পরিস্থিতিতে আবার আসছে পঞ্চায়েত নির্বাচন!

    সদর বাজারে যেতে হলে কর্দমাক্ত আলপথই ভরসা

    কুনুর নদীর পাড়ে বহু পুরনো গ্রাম আমানিডাঙা, বাবলাবনি, ধডাঙা। আউশগ্রামের দেবশালা পঞ্চায়েতের ওই গ্রাম তিনটিতে ৬৫টি পরিবারের বসবাস। বেশিরভাগই আদিবাসী সম্প্রদায়ের দিনমজুর। গ্রামের ভিতর রাস্তার অবস্থা বেহাল। মোরামের দানাটুকুও পড়েনি। গ্রাম থেকে প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার দূরে কাঁকসার পিয়ারিগঞ্জ। সদর বাজারে যেতে হলে কর্দমাক্ত আলপথই ভরসা। বছর কয়েক আগে বীরভুম থেকে ফেরার পথে পিয়ারিগঞ্জ স্কুলের সামনে ক্ষুদে পড়ুয়াদের দেখে দাঁড়িয়ে পড়েছিল মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়। সেখান থেকেই রাজ্যে ক্ষুদে পড়ুয়াদের জুতো দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইমতো জুতো পেলেও বর্ষাকালে মেঠো আলপথে হাতে জুতো নিয়ে স্কুলে যেতে হয় পড়ুয়াদের। পায়ে পরার উপায় নেই। পড়ুয়াদের সবুজসাথীর সাইকেলও জুটেছে। তবে বর্ষাকালে সেটা চালিয়ে স্কুলে যাওয়ার উপায় নেই। কাদামাখা মেঠো আলপথে সাইকেল চালানোও দায়। গ্রামের মধ্যে মোটরগাড়ি তো দূর অস্ত, সাইকেল বা রিকশ যাতায়াতের রাস্তাটুকু (Panchayet Road) নেই।

    ভোট বয়কটেও সমস্যা মেটেনি

    গত ২০১৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনে রাস্তার (Panchayet Road) দাবিতে ভোট বয়কট করেছিলেন গ্রামবাসীরা। ২০১৯ ও ২০২১ সালেও ভোট বয়কট করেন গ্রামবাসীরা। তারপর কুনুর নদী দিয়ে বয়ে গেছে অনেক জল। যদিও খবর চাউর হতে ২০১৯-২০ অর্থবছরে সাংসদ তহবিলের টাকায় প্রায় ১৪০০ ফুট রাস্তা কংক্রিট করা হয়। তবে গ্রামের রাস্তা আগের মতোই বেহাল রয়েছে। তারপরও প্রায় ৪ হাজার ফুট মেটো আলপথ রয়েছে। ফলে সমস্যা সেই তিমিরেই রয়েছে। 

    উন্নয়নের ফিরিস্তি শুনে ক্লান্ত, বলছেন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা

    উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পথশ্রী ও রাস্তাশ্রী প্রকল্পে ১২ হাজার কিলোমিটার রাস্তার নতুন করে নির্মাণ ও পুনরায় সংস্কারের সূচনা করেন। তাছাড়াও গ্রামীণ সড়ক তৈরিতে রাজ্য ও কেন্দ্র উভয় সরকারই তৎপর। আদিবাসী গ্রামে ঢালাও উন্নয়নের ফিরিস্তি শোনা যায়। কিন্তু তারপরও কেন দুর্দশায় আমানিডাঙা, বাবলাবনি, ধডাঙার গ্রামবাসীরা? প্রশ্ন থেকেই যায়। স্থানীয় বাসিন্দা তাপস সোরেন, সনাতন সোরেন প্রমুখ তরুণরা জানান, “উন্নয়নের ফিরিস্তি শুনে ক্লান্ত। ২০১৬ সালে ভোট বয়কটের পর বছর খানেক হল বিদ্যুৎ পেয়েছি। রাস্তার (Panchayet Road) দাবিতে বহুবার আবেদন করেছি। এক-চতুর্থাংশ রাস্তা ঢালাই হয়েছে। এখনও অনেকটাই রাস্তা নেই। মেঠো পথ। বর্ষায় চরম সমস্যায় পড়তে হয়। গ্রামে কেউ অসুস্থ হলে খাটিয়াতে করে নিয়ে যেতে হয়। ছেলে মেয়েদের স্কুলে যেতে অসুবিধা হয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kaliaganj: কালিয়াগঞ্জে গুলিবিদ্ধ হয়ে রাজবংশী যুবকের মৃত্যু, অভিযোগের তিরে পুলিশ

    Kaliaganj: কালিয়াগঞ্জে গুলিবিদ্ধ হয়ে রাজবংশী যুবকের মৃত্যু, অভিযোগের তিরে পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বাদশ শ্রেণীর স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ ঘিরে উত্তপ্ত কালিয়াগঞ্জ (Kaliaganj)। আর এই ঘটনার জেরে দুদিন আগেই থানায় রাজবংশী ও আদিবাসী সংগঠনের ডেপুটেশন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়। থানায় আগুন লাগানো থেকে শুরু করে পুলিশের গাড়ি জ্বালানোর ঘটনা ঘটে। এরই মধ্যে বুধবার রাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক রাজবংশী যুবকের মৃত্যু ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় কালিয়াগঞ্জের (Kaliaganj) রাধিকাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের চাঁদগাঁ গ্রামে। জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম মৃত্যুঞ্জয় বর্মন (৩৩)। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু, কিভাবে এই ঘটনা ঘটল তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এই ঘটনা নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এই ঘটনা নিয়ে টুইটও করেছেন।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    বিষ্ণু বর্মন কালিয়াগঞ্জের (Kaliaganj) বিজেপি-র পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য। কালিয়াগঞ্জ (Kaliaganj) থানায় তাণ্ডব চালানোর ঘটনার সূত্র ধরে বুধবার রাতে তাঁর বাড়িতে পুলিশ হানা দেয়। কিন্তু, তাঁকে না পেয়ে তাঁর বৃদ্ধ বাবাকে টেনে হিঁচড়ে মারতে মারতে পুলিশ গাড়িতে তোলে বলে অভিযোগ। চোখের সামনে এই ঘটনা দেখে বিষ্ণুর ভাইপো মৃত্যুঞ্জয় এর প্রতিবাদ করেন। এরপরই পুলিশ গুলি চালায়। তাতে মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যু হয়।

    কী বললেন মৃত যুবকের পরিবারের লোকজন?

    মৃত্যুঞ্জয়ের বাবা রবীন্দ্রনাথ বর্মন বলেন, ছেলে শিলিগুড়িতে একটি কোম্পানিতে চাকরি করত। সেখানেই পরিবার নিয়ে সে থাকত। খুড়তুতো ভাইয়ের বিয়ের জন্য সে সপরিবারে এসেছিল। বৃহস্পতিবারই ট্রেনে করে তাদের শিলিগুড়ি ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। তার আগেই বুধবার রাতে পুলিশ পাশের বাড়িতে একজনকে ধরতে আসে। আমার দুই ছেলে প্রতিবাদ করতে গিয়েছিল। পুলিশের গুলিতে আমার ছোট ছেলের মৃত্যু হয়।

    কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দারা?

    স্থানীয় বাসিন্দারা বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁদের বক্তব্য, এলাকার কেউ কালিয়াগঞ্জ (Kaliaganj) থানায় গণ্ডগোলের ঘটনায় যায়নি। তাহলে পুলিশ কেন এই এলাকায় অভিযান চালাল? একজনকে ধরে নিয়ে গেল? একজন নিরীহ যুবককে পুলিশ গুলি করে খুন করল। মৃত যুবকের পরিবারের লোকজনকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারের কাছে আমরা আবেদন জানাচ্ছি। একইসঙ্গে দোষী পুলিশের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

    কী বললেন স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান?

    স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান বলেন, কালিয়াগঞ্জ (Kaliaganj) থানায় গণ্ডগোলের দিন গ্রামে বিয়ে ছিল। সেদিন গ্রাম থেকে কেউ সেখানে যায়নি। পুলিশ কেন এই গ্রামে অভিযান চালাতে এসেছিল তা জানি না। আর পুলিশের গুলি চালানোর ঘটনাকে আমরা সমর্থন করি না।

    পুলিশের গুলি চালানোর ঘটনা নিয়ে সরব হলেন বিজেপি সাংসদ

    বৃহস্পতিবার রায়গঞ্জ হাসপাতালে যান বিজেপি সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী। সেখানে তিনি মৃত যুবকের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে, এই ঘটনা নিয়ে তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে পুলিশ বিজেপি কার্যকর্তাদের ওপর অত্যাচার ও গ্রেফতার করছে। কালিয়াগঞ্জে (Kaliaganj) থানা জ্বালানো কিংবা পুলিশের ওপর আক্রমণের ঘটনার সঙ্গে কোথাও বিজেপি যুক্ত নেই। বিজেপি-র এস পি অফিস ঘেরাওয়ের আলাদা কর্মসূচি ছিল। সেখানে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রী পুলিশকে নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতার, অত্যাচার, গুলি করে, খুন করে বিজেপিকে শেষ করতে চাইছে। যদি তিনি মনে করেন এভাবে বিজেপিকে শেষ করা যাবে তা কোনওদিনই সম্ভব না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanya Mondal: ‘‘কে জানে?’’ উত্তর জানতে কেষ্ট-সুকন্যা-মণীশকে মুখোমুখি জেরা করবে ইডি?

    Sukanya Mondal: ‘‘কে জানে?’’ উত্তর জানতে কেষ্ট-সুকন্যা-মণীশকে মুখোমুখি জেরা করবে ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার মামলার তদন্তে আগেই গ্রেফতার হয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল ও তাঁর হিসেবরক্ষক মণীশ কোঠারি। গতকাল সন্ধ্যায় গ্রেফতার করা হয়েছে কেষ্ট-কন্যা সুকন্যাকেও (Sukanya Mondal)। সূত্রের খবর, বাবা-মেয়ে এবং তাঁদের হিসাবরক্ষককে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইডি। কারণ এর আগে সুকন্যা মণ্ডল তদন্তের সব প্রশ্নই এড়িয়ে গেছেন একটা উত্তরে, ‘বাবা সব জানে’। তাই এবার কে জানে তা জানতে একসঙ্গে বসিয়ে জেরা-পর্ব শুরু করতে চায় তদন্তকারী সংস্থা।

    আজ আদালতে পেশ সুকন্যাকে (Sukanya Mondal)

    বুধবার দিল্লিতে ইডির সদর দফতরে তলব করা হয়েছিল সুকন্যাকে (Sukanya Mondal)। বেশ কিছু বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল, কিন্তু কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসাররা তাঁর থেকে কোনও সদুত্তর পাননি। শেষ পর্যন্ত সন্ধে সাড়ে ছ’টা নাগাদ তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। রাত্রে তাঁকে খেতে দেওয়া হয়েছে রুটি, সবজি ও স্যুপ। এক বান্ধবী তাঁর জামাকাপড় পৌঁছে দেন প্রবর্তন ভবনে। জানা যাচ্ছে, আজ রাউজ এভিনিউ কোর্টে তাঁকে পেশ করা হবে। অন্দরের খবর, তাঁকে পাঁচদিনের হেফাজতে চাইতে পারে ইডি।

    কেষ্ট-কন্যাকে (Sukanya Mondal) জেরায় তিন মহিলা অফিসার

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, কেষ্ট কন্যাকে (Sukanya Mondal) এদিন জেরা করেন তিনজন মহিলা অফিসার। মণীশ কোঠারিকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি জানিয়েছিলেন, অনুব্রত মণ্ডল এবং তাঁর কন্যা যে সমস্ত তথ্য পাঠাতেন তাঁর কাছে, সেই সমস্ত তথ্য অনুযায়ী সমস্ত অ্যাকাউন্ট দেখে দিতেন তিনি। এক্ষেত্রে বুধবার যখন অনুব্রত মণ্ডলের কন্যা সুকন্যা মণ্ডলকে নানা হিসেবের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, সেই প্রসঙ্গে সুকন্যা বলেন, ”এই বিষয়ে আমি কিছু জানি না। যা বলার আমার বাবা এবং মণীশ কোঠারি বলতে পারবেন।”

    কেন গ্রেফতার সুকন্যাকে (Sukanya Mondal)?

    জানা যাচ্ছে, সুকন্যাকে গ্রেফতার করার পিছনে একাধিক কারণ রয়েছে। প্রথমত, গরু পাচার মামলার তদন্তে অসহযোগিতা করা, তদন্তের কাজে বিভ্রান্তি তৈরি করা এবং তদন্তকে ভুল পথে চালিত করার চেষ্টা করেছেন সুকন্যা (Sukanya Mondal)। সূত্র মারফত এমনই জানা যাচ্ছে। দ্বিতীয়ত, এর আগেও একাধিকবার কেষ্টকন্যাকে দিল্লিতে ইডির অফিসে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন তিনি। সূত্রের খবর, সেই সময় গরহাজিরার যে কারণ তদন্তকারীদের কাছে উল্লেখ করা হয়েছে, সেই কারণও সঠিক বা গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    কেষ্ট-কন্যার (Sukanya Mondal) নামে বিপুল জমির হদিশ

    ইডি সূত্রে খবর, দুটি কোম্পানির ডিরেক্টর পদে রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল (Sukanya Mondal)। একটি সংস্থা, নীর ডেভলপার এবং অন্য একটি সংস্থা এএনএম অ্যাগ্রোকেম। এই এএনএম অ্যাগ্রোকেমের অধীনে রয়েছে ভোলে ব্যোম রাইস মিল। এর পাশাপাশি বোলপুরের মকরমপুরে দুটি প্লট রয়েছে সুকন্যার নামে। বল্লভপুরেও রয়েছে চারটি প্লট। কালিকাপুর ও গয়েশপুর মিলিয়ে সুকন্যার নামে ২৮টি জমির নথির সন্ধান পেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। নিউটাউনেও দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে সুকন্যার নামে।

    প্রাথমিক স্কুল-শিক্ষিকার (Sukanya Mondal) ব্যাঙ্কে এত টাকা?

    গরুপাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে যে ৩৫ পৃষ্ঠার চার্জশিট পেশ করেছে সিবিআই, তাতে দেখা গিয়েছিল সুকন্যার সম্পত্তিও লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। প্রাথমিক শিক্ষিকা সুকন্যার (Sukanya Mondal) ২০১২-১৩ আর্থিক বছরে বার্ষিক আয় ছিল ৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। পরের বছর তা বেড়ে হয়েছিল সাড়ে ৮ লক্ষ টাকা। তার পরের বছর ১০ লক্ষ টাকার কিছু বেশি। কিন্তু ২০১৫-১৬ আর্থিক বছরে সুকন্যার আয় বাড়ে রকেট গতিতে। বেড়ে হয় ৪৯ লক্ষ ৩২ হাজার টাকা। তার পরের বছর আয় আরও ২ লক্ষ টাকা বাড়ে। ২০১৮-১৯ সালের আয় বৃদ্ধি তাঁর আগের রেকর্ড সব ভেঙে দেয়। ওই বছর আয়কর রিটার্নে সুকন্যা (Sukanya Mondal) তাঁর আয় দেখিয়েছিলেন ১ কোটি ২৯ লক্ষ টাকা। ১৯-২০ সালে তাঁর আয় ছিল প্রায় ১ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা। আর ২০-২১-এ তাঁর আয় হয়েছে ৯২ লক্ষ ৯৭ হাজার টাকা। তবে এই হিসেবের সবই ছিল তাঁর ব্যক্তিগত আয়। তাঁর নামে থাকা চালকল বা সংস্থাগুলির আয়ের হিসাব আলাদা। এছাড়া তাঁর নামে ৩ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিটও রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • WhatsApp New Feature: এবার থেকে এক সঙ্গে ৪টি ডিভাইসে চলবে এক নম্বরের হোয়াটসঅ্যাপ!

    WhatsApp New Feature: এবার থেকে এক সঙ্গে ৪টি ডিভাইসে চলবে এক নম্বরের হোয়াটসঅ্যাপ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্ক জুকেরবার্গের হোয়াটসঅ্যাপ টিম একের পর এক নতুন ফিচার (WhatsApp New Feature) এনেই চলেছে। ব্যবহারকারীরাও খুশি এতে। কারণ, নতুন ফিচারগুলির (WhatsApp New Feature) ফলে তাঁদের কাজ আরও সহজ হয়ে উঠছে। হোয়াটসঅ্যাপ এখন আর ব্যক্তিগত চ্যাটিং এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। প্রায় সবরকমের অফিসিয়াল কাজেই এখন হোয়াটসঅ্যাপ দরকার পড়ে। এবার হোয়াটসঅ্যাপ নিয়ে এল এমন একটি নতুন ফিচার যেখানে একসঙ্গে ৪টি ডিভাইসে খোলা যাবে একই নম্বরের হোয়াটসঅ্যাপ। অর্থাৎ একটি ডিভাইসে একটি হোয়াটসঅ্যাপ! এটা এখন পুরনো তত্ত্ব হয়ে গেল। অর্থাৎ এখন থেকে এই মাল্টি ডিভাইস ফিচারের মাধ্যমে আপনি চাইলে আপনার হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টটি আপনার প্রধান ফোন বাদ দিয়ে অতিরিক্ত কোনও ফোন থাকলে তাতে খুলে রাখতে পারেন। আবার চাইলে কোনও ট্যাব,  কম্পিউটারেও সেই একই নম্বরের অ্যাকাউন্ট খুলে রাখতে পারবেন।

    কী বললেন মেটার কর্ণধার

    মঙ্গলবার এমনটাই ঘোষণা করলেন মেটার কর্ণধার মার্ক জুকেরবার্গ। তিনি তাঁর সমাজমাধ্যমে এই ঘোষণা করেন। জুকেরবার্গ লিখেছেন, “এখন থেকে চারটি ফোনে একই সঙ্গে একটি হোয়াটস্‌অ্যাপ অ্যাকাউন্টে লগ ইন করা যাবে।”

    আগামী সপ্তাহের মধ্যেই চালু হবে পরিষেবা (WhatsApp New Feature)

    হোয়াটসঅ্যাপ সূত্রে খবর, এই পরিষেবাটি আগামী সপ্তাহের মধ্যে সমস্ত ব্যবহারকারীদের জন্য চালু হবে। এখনও পর্যন্ত, ব্যবহারকারীরা শুধুমাত্র একটি ফোন এবং একাধিক ডেস্কটপ ডিভাইসে তাঁদের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট লগ ইন করতে পারেন। নতুন এই পরিষেবার মাধ্যমে, ব্যবহারকারী তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টের তথ্য মূল ফোন ছাড়াও অন্য ফোনগুলিতেও একই সঙ্গে দেখেতে পারবেন। তাই একটি ডিভাইস বন্ধ থাকলেও তাঁরা অন্য ডিভাইসে হোয়াট্‌সঅ্যাপ (WhatsApp New Feature) ব্যবহার করতে পারবেন। জানা গিয়েছে, নতুন ফোনে অ্যাকাউন্ট সেটআপের সময় ফোন নম্বর দেওয়া এবং  সাধারণভাবে লগ ইন করার বদলে, ‘link to existing account’ অপশনে যেতে  হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mango Side Effects: গরমে দেদার আম খাচ্ছেন? অজান্তেই নিজের বিপদ ডেকে আনছেন না তো?

    Mango Side Effects: গরমে দেদার আম খাচ্ছেন? অজান্তেই নিজের বিপদ ডেকে আনছেন না তো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিমসাগর, আম্রপালি, ল্যাংড়া, গোলাপখাস আরও কত গোত্র তার। পুরাণ থেকে ইতিহাস সবেতেই ঠাঁই মিলেছে আমের। গ্রীষ্মকাল মানেই আমের মরসুম শুরু। গোটা আম খোসা ছাড়িয়ে খাওয়াতো আছেই, পাশাপাশি আমের সরবত, আমের জুশ, আম ডাল, আমের চাটনি, আমের আচার এখনও সমান জনপ্রিয় বাঙালি বাড়িতে। আম রসনা মেটায়, তাছাড়া আমের মধ্যে রয়েছে বেশ কিছু পুষ্টিগুণও। আমে থাকে ভরপুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা স্ট্রেস কমায়। এছাড়া আম হল ভিটামিন সি-এর ভাল উৎস। নিয়ন্ত্রিতভাবে আম খেলে কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত আম (Mango Side Effects) খেতে মানা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    কোন কোন ক্ষেত্রে আম এড়িয়ে (Mango Side Effects) চলা উচিত

    ১) ওবেসিটিতে ভুগলে নিয়ন্ত্রিতভাবে আম খান 

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমে ভিটামিন সি ও ক্যালোরি দুই-ই ভরপুর মাত্রায় থাকে। মাঝারি সাইজের আমে থাকে ১৩৫ ক্যালোরি। কিন্তু যাঁরা স্থূলতার সমস্যায় ভুগছেন এবং ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন, তাঁরা বেশি আম খেলে ওজন তো কমবেই না বরং বাড়বে।

    ২) ডায়াবেটিস রোগীরা আম (Mango Side Effects) থেকে দূরে থাকুন 

    আম রক্তে চিনির মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এটি ফ্রুকটোজ়ে ভরপুর। তাই যাঁরা ডায়াবিটিসের রোগী, তাঁদের পক্ষে আম বড় বিপদ হয়ে দেখা দিতে পারে। রক্তে শর্করার মাত্রা আয়ত্তে রাখতে তাই নিয়ম-নীতি ভেঙে ও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া আম একেবারেই নয়। খেলেও নিয়ন্ত্রণ রেখে খান।

    ৩) অতিরিক্ত আম খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে 

    অতিরিক্ত আম খেলে আরও বড় যে সমস্যা হয়, সেটি হল হজমের সমস্যা। গরমের দিনে এমনিতেই অনেকে হজমের সমস্যায় ভোগেন। রোজ বেশি পরিমাণে আম (Mango Side Effects) খেলে হজমশক্তির উপর তার প্রভাব পড়ে। শুধু তা-ই নয়, দিনের পর দিন অতিরিক্ত আম গ্যাসটাইট্রিসের সমস্যাকেও উস্কে দেয়। তাই হজমের ক্ষমতাকে ঠিক রাখতে চাইলে ঘন ঘন আম খাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

    ৪) বাতের ব্যাথায় ভুগলে আম এড়িয়ে চলুন 

    আর্থারাইটিস বা বাতের ব্যথায় যাঁরা ভোগেন, তাঁরা আম এড়িয়ে (Mango Side Effects) চলুন। আম খেলে এই ধরনের ব্যথা বাড়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। একান্তই আম খেতে চাইলে চিকিৎসকদের পরামর্শ নিন।

    ৫) অ্যালার্জির সমস্যা থাকলে নিয়ন্ত্রিতভাবে আম খান 

    যাঁদের ত্বকে অ্যালার্জির প্রবণতা আছে, তাঁরাও আম খাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ আনুন। আম খেলে চোখ জ্বালা, হাঁচি, পেটে ব্যথা, ঠান্ডা লেগে যাওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে। তাই আম খাওয়ার আগে সচেতন থাকুন।

    ৬) বেশি আম খেলে হতে পারে ব্রণ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, আম বেশি খেলে মুখে দেখা দিতে পারে ব্রণ। আমের রসনার স্বাদ নিয়ন্ত্রণ করা বেশ কঠিন। কিন্তু মনে রাখবেন স্বাস্থ্যের কারণে তা নিয়ন্ত্রিত রাখতেই হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: বিয়ের জন্য চাপ দিতেই কালিয়াচকে নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন, দাবি পুলিশের

    Malda: বিয়ের জন্য চাপ দিতেই কালিয়াচকে নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন, দাবি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদহের (Malda) কালিয়াচক থানার উজিরপুরে নাবালিকা খুনের কিনারা করল পুলিশ। খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম বিশ্বজিৎ মণ্ডল। তার বয়স ৩০ বছর। তার বাড়ি কালিয়াচক থানার রামনগর এলাকায়। সে দিনমজুরের কাজ করে। যে জায়গায় নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়েছে, সেখান থেকে ধৃত যুবকের বাড়ি প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে। ইতিমধ্যেই ধৃত যুবককে ১৪ দিনের হেফাজতে নিয়ে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।

    নাবালিকাকে কেন খুন করা হল?

    নাবালিকার দেহ উদ্ধারের পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ। মালদহ (Malda), গাজোল, কালিয়াচক এবং ইংরেজবাজার থানার আধিকারিকদের নিয়ে একটি টিম তৈরি করা হয়। নাবালিকার দেহ উদ্ধারের পর বিভিন্ন সূত্র পেয়ে পুলিশ তল্লাশি শুরু করে। দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। পরে, একজন খুনের কথা স্বীকার করে। পরে, তাকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পেরেছে, ৯ দিন আগে মিসডকল থেকেই ওই নাবালিকার সঙ্গে আলাপ হয়। ফোনেই দুজনের মধ্যে কথাবার্তার সূত্র ধরে সম্পর্ক গভীর হয়। এরপরই ওই নাবালিকা দেখা করার জন্য জোরাজুরি করে। ধৃত যুবক ফোনে তাকে একটি ঠিকানা বলে দেয়। সোমবার বাসে করে ওই কিশোরী সেখানে আসে। এরপর তারা দুজনে হাঁটতে হাঁটতে ঘটনাস্থল উজিরপুরে আসে। সেখানে দুজনের মধ্যে শারীরীক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে, ওই কিশোরী তাকে বিয়ে করার জন্য চাপ দেয়। আর ধৃত যুবক বিবাহিত। তার দুই সন্তান রয়েছে। তার পরিবারের অবস্থা বোঝানোর পর সে তা মানতে চায়নি। বরং, বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে। এরপরই তার গলায় ওড়না জড়িয়ে ওই যুবক তাকে খুন করে বলে অভিযোগ।

    কী বললেন জেলা পুলিশ সুপার?

    মালদহের (Malda) পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব বলেন, ভিডিওগ্রাফি করে ময়না তদন্ত করা হয়েছে। ৯ দিন আগে আলাপ হলেও সোমবারই তাদের দুজনের প্রথম দেখা হয়। ওই নাবালিকা বিয়ের পাশাপাশি ধৃত যুবকের বাড়ি যাওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে থাকে। তারপরই সে শ্বাসরোধ করে খুন করেছে বলে জানিয়েছে। আমরা সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। এই ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Covid 19: রাজ্যে করোনা পরীক্ষায় গাফিলতি ও উপসর্গহীন রোগীরাই বিপদ বাড়াচ্ছে প্রবীণদের

    Covid 19: রাজ্যে করোনা পরীক্ষায় গাফিলতি ও উপসর্গহীন রোগীরাই বিপদ বাড়াচ্ছে প্রবীণদের

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    করোনার নতুন প্রজাতি শক্তি বাড়ালেও, স্বাস্থ্য দফতরের পরীক্ষা প্রক্রিয়ার শক্তি বাড়ছে না। আর তাতেই রাজ্যবাসীর বিপদ বাড়ছে বলে আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা। দিন কয়েক হল করোনা সংক্রমণ (Covid 19) বাড়ছে। রাজ্যে করোনার পজিটিভিটি রেট ১৯ শতাংশ ছাড়িয়েছে। কলকাতা, উত্তর চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, হুগলি জেলায় মাস্ক পরার উপর গুরুত্ব দিয়েছে প্রশাসন। কিন্তু, করোনা রুখতে সবচেয়ে জরুরি প্রক্রিয়াতেই ঢিলেঢালা মনোভাব। অভিযোগ, করোনা পরীক্ষা পর্যাপ্ত হচ্ছে না।

    বিপদ ঠিক কোথায়? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, করোনার (Covid 19) নতুন প্রজাতি আর্কটুরাসে আক্রান্তের অধিকাংশ কিন্তু উপসর্গহীন। আক্রান্তদের মধ্যে বেশিরভাগের বয়স ২০-৪৫ বছরের মধ্যে। আর উপসর্গহীন রোগী হওয়ার জেরে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা আরও বেড়ে যাচ্ছে। এর ফলেই বিপদ বাড়ছে প্রবীণদের। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, পরিবারের কম বয়সী সদস্যরা বাইরে থেকে আক্রান্ত হচ্ছেন। উপসর্গহীন হওয়ার জেরে তাঁরা বুঝতেও পারছেন না। কিন্তু তাঁদের থেকেই রোগ সংক্রমিত হচ্ছে পরিবারের প্রবীণ সদস্যদের মধ্যে। আর বয়স্কদের নানান কো-মরবিডিটি থাকার জেরে শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে উঠছে! 

    স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য কী বলছে? 

    রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত এক সপ্তাহে রাজ্যে যে ৭ জন করোনা (Covid 19) আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে ৬ জনের বয়স ৭০ বছরের বেশি। সোম ও মঙ্গলবার, এই দুদিনে রাজ্যে যে নতুন করে ৩০ জন করোনা রোগী ভর্তি হয়েছেন, তার মধ্যে ১৮ জন রোগীই ৬০-র চৌকাঠ পেরিয়েছেন। তাই করোনার এই নতুন প্রজাতির উপসর্গহীন রোগীরা বিপদ বাড়াচ্ছে প্রবীণদের।

    ব্যাপক হারে করোনা পরীক্ষা জরুরি

    রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ব্যাপক হারে করোনা (Covid 19) পরীক্ষার ব্যবস্থা করা জরুরি বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। গত দু’সপ্তাহে কিন্তু সেই পরীক্ষা একেবারেই হয়নি। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের শুরুতেও পরীক্ষা ঠিকমতো না হওয়ার জেরে সমস্যা বেড়ে গিয়েছিল। উপসর্গহীন রোগীদের থেকে ব্যাপক হারে সংক্রমণ ছড়িয়েছিল। কিন্তু পরে করোনা পরীক্ষা বাড়ানোর জেরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এবারেও প্রথম থেকে সেই একই রকম ঢিলেঢালা মনোভাব দেখাচ্ছে রাজ্য। অধিকাংশ সরকারি হাসপাতালে করোনা পরীক্ষার কিট পর্যাপ্ত নেই। কোনও রোগীকে হাসপাতালে ভর্তির সময়ও আবশ্যিকভাবে করোনা পরীক্ষা করা হচ্ছে না। যা বিপদ বাড়াচ্ছে। ব্যাপক হারে করোনা পরীক্ষা না হলে এই সংক্রমণ আটকানো কঠিন হয়ে উঠবে বলেই আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা। 

    বিশেষজ্ঞ মহলের পরামর্শ কী? 

    বয়স্কদের বাড়তি সতর্কতা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ষাটোর্ধ্ব নাগরিকরা যতটা সম্ভব ভিড় এড়িয়ে চলুন। মাস্ক ব্যবহার অপরিহার্য। শারীরিক দূরত্ববিধি বজায় রাখতে হবে। বারবার সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস রাখতে হবে। তবে শুধু প্রবীণরাই নন, কম বয়সীদেরও সচেতন থাকতে হবে। তারা বাইরে যেমন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবে, তেমনি বাড়িতেও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবে। বাইরে থেকে এসে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, কিংবা স্যানিটাইজার ব্যবহারে নজর দিতে হবে। সর্দি-কাশির মতো উপসর্গ সামান্য দেখা দিলেও অবহেলা করা চলবে না। দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। দেরি করলেই সংক্রমণ ছড়িয়ে যাবে। তাই দ্রুত করোনা (Covid 19) পরীক্ষা করাতে হবে।

    স্বাস্থ্যকর্তারা কী বলছেন? 

    রাজ্যের স্বাস্থ্যকর্তারা অবশ্য বলছেন, তাঁরা করোনা (Covid 19) মোকাবিলায় তৎপর। প্রয়োজনমতো পরীক্ষা করানো হচ্ছে। তবে, করোনার টিকা না থাকার জেরেই পরিস্থিতি জটিল হতে পারে বলে তাঁদের আশঙ্কা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। কপিতে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি/ডায়েট পরামর্শস্বরূপ। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলুন ও সেই মতো পরামর্শ মেনে চলুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: তৃণমূলের প্রধান, অঞ্চল সভাপতি সহ ৩০ জন পদাধিকারীর গণ ইস্তফা! কেন?

    TMC: তৃণমূলের প্রধান, অঞ্চল সভাপতি সহ ৩০ জন পদাধিকারীর গণ ইস্তফা! কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠী কোন্দল তত প্রকাশ্যে চলে আসছে। ঘর গোছাতে যখন উত্তরবঙ্গে নবজোয়ার যাত্রায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যস্ত, তখন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পটাশপুর-২ ব্লকে তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠীকোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। যার জেরে দলীয় নেতা থেকে শুরু করে পঞ্চায়েতের পদাধিকারীরা গণ ইস্তফা দিলেন।

    কতজন গণইস্তফা দিয়েছেন?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে জোটবদ্ধ হয়ে দলীয় কর্মীদের কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূলের (TMC) শীর্ষস্থানীয় নেতারা। সেই সব নির্দেশকে তোয়াক্কা না করেই তৃণমূলের একদল নেতা, পঞ্চায়েত সদস্য পদত্যাগ করেছেন। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পটাশপুর-২ ব্লকের মথুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি, অঞ্চল যুব সভাপতি, পঞ্চায়েত সদস্য, তৃণমূলের (TMC) বুথ কমিটির সভাপতি সহ মোট ৩০ জন তৃণমূলের পদাধিকারী ইস্তফা দিয়েছেন। এই পটাশপুর-২ ব্লকের মথুরা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা ভগবানপুর বিধানসভার মধ্যে পড়ে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    গণইস্তফা প্রসঙ্গে কী বললেন পঞ্চায়েত প্রধান?

    দলের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করে এই গণইস্তফা বলে জানিয়েছেন তাঁরা। মূলত পঞ্চায়েত ভোটের আগে জেলা, ব্লক, অঞ্চল ও বুথ স্তর থেকে নেতৃত্বে রদবদল এনেছে তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব। সেই মতোই বিভিন্ন অঞ্চলের পাশাপাশি মথুরা পঞ্চায়েত এলাকায় অঞ্চল কমিটি ঘোষণা করা হয়। সেই কমিটিতে জায়গা না পেয়ে ব্লক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে দলবাজির অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং সেই সঙ্গে পদত্যাগ করেছেন। মথুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অমিত মণ্ডল বলেন, ব্লক স্তরে দলীয় কোন্দল এবং দ্বিচারিতার জন্যই আমরা পদত্যাগ করেছি। তবে, আমি প্রধান হিসেবে একা নই, অধিকাংশ পঞ্চায়েত সদস্য পদত্যাগ করেছেন।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    কাঁথি সাংগঠনিক জেলা যুব তৃণমূলের (TMC) সভাপতি সুপ্রকাশ গিরি বলেন, দলকে ভালোবাসতে গিয়ে কর্মীরা অনেক আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন। তাই কিছু কর্মী এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পদ থেকে পদত্যাগ করা কোনও সমাধান নয়। বরং, সকলে মিলে জোটবদ্ধ হয়ে বিজেপিকে বাংলা থেকে উত্খাত করতে হবে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    গণ ইস্তফার বিষয়টিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপিও। বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি স্বপন রায় বলেন, আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটে পরাজয় নিশ্চিত, বুঝে গেছে তৃণমূল (TMC) কংগ্রেসের নীচু তলার নেতা কর্মীরা। তাই এই গণ ইস্তফার সিদ্ধান্ত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share