Tag: Madhyom

Madhyom

  • Abhishek Banerjee: ‘‘তুমি আসবে বলে…’’! ‘যুবরাজ’-এর আসার পথ মসৃণ করতে তড়িঘড়ি রাস্তা মেরামতি

    Abhishek Banerjee: ‘‘তুমি আসবে বলে…’’! ‘যুবরাজ’-এর আসার পথ মসৃণ করতে তড়িঘড়ি রাস্তা মেরামতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাংসদ এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) জনসংযোগ কর্মসূচিতে আগামিকাল, শনিবার শিলিগুড়িতে আসছেন। শিলিগুড়ির কাছে জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জে তাঁর দলীয় কর্মসূচি রয়েছে। যুবরাজের আগমনের পথ মসৃণ করতে শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (এসজেডিএ) ফুলবাড়ির বেহাল ক্যানাল রোড মেরামতির কাজ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু করেছে। কেননা এই রাস্তা দিয়েই যাবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আগমনের জন্যই যে ফুলবাড়িতে এই ক্যানাল রোড এসজেডিএ সংস্কার করছে, তা কবুল করেছেন এসজেডিএ-র সদ্য প্রাক্তন চেয়ারম্যান, তৃণমূল নেতা সৌরভ চক্রবর্তী। গত বৃহস্পতিবার এসজেডিএ-র প্রেস হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সৌরভ চক্রবর্তী ওই রাস্তা সংস্কারের কাজের ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, “সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আগমনে রাস্তার কাজ চলছে ফুলবাড়িতে।” সংবাদমাধ্যমকেও সৌরভবাবু একই কথা বলেছেন। 

    বাসিন্দারা বলছেন, ভাগ্যিস অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আসছেন

    জাতীয় সড়ক থেকে গ্রাম হয়ে শিলিগুড়ি শহরের সঙ্গে সংযোগের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা এই ফুলবাড়ি ক্যানাল রোড। এহেন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল হয়ে পড়েছিল। পিচ উঠে গিয়ে খানাখন্দে ভরে গিয়েছিল। ভারী ভারী লরি চলাচল করত ঝুঁকি নিয়ে। স্থানীয় বাসিন্দারাও নিত্যদিনের কাজে, রুজি-রোজগারের জন্য এই রাস্তা দিয়ে যেতেন হাতে প্রাণ নিয়ে। রাস্তা বেহাল হওয়ার কারণে মাঝেমধ্যেই দুর্ঘটনা ঘটত। বৃহস্পতিবার এই রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হওয়াতে স্থানীয় বাসিন্দারা খুশি। তবে তাঁদের প্রশ্ন রয়েছে। এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, ভাগ্যিস অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আসছেন, তাই আমাদের দীর্ঘদিনের দাবিমতো এই রাস্তা অবশেষে মেরামত হচ্ছে। রাস্তা সংস্কারের দাবিতে অনেক আন্দোলন হয়েছে। পথ অবরোধ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবুও প্রশাসনের ঘুম ভাঙেনি। আর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আসছেন বলে তড়িঘড়ি রাস্তা মেরামতের উদ্যোগ নিয়েছে এসজেডিএ। তাতে প্রশ্ন উঠেছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) সাংসদ হলেও রাজ্য সরকারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কী। আর তিনি আসছেন দলীয় কর্মসূচিতে। তাহলে তাঁর সফরের জন্য কেন সরকারি অর্থে রাস্তা মেরামত করা হবে? এই প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নরেন বর্মন, ফুলমণি বর্মনদের মতো বাসিন্দারা বলছেন, রাস্তা হচ্ছে আমরা খুশি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য তড়িঘড়ি রাস্তা মেরামত করা হচ্ছে। তাহলে প্রতিদিনই যুবরাজের মতো তৃণমূল নেতারা আমাদের এলাকায় আসুন। তাহলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। কেননা সাধারণ মানুষের কথা শোনে না তৃণমূল সরকারের প্রশাসন। 

    তাঁকে ও তাঁর পিসি মুখ্যমন্ত্রীকে খুশি করতে প্রশাসন তৎপর, কটাক্ষ বিজেপির

    বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি ও মাটিগাড়া-নকশালবাড়ির বিধায়ক আনন্দময় বর্মন বলেন, যুবরাজ শিকারে বেরিয়েছেন। তাই রাজ্য প্রশাসন তাঁর শিকার সফরকে সফল করতে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। এটা প্রত্যাশিত। কেননা রাজ্যের তৃণমূল সরকার সারা বছর সাধারণ মানুষের কথা ভাবে না। সেই কারণেই এই রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে বেহাল হয়ে পড়েছিল। যুবরাজ আসছেন। তাই তাঁকে (Abhishek Banerjee) ও তাঁর পিসি মুখ্যমন্ত্রীকে খুশি করতে প্রশাসন যে তৎপর, সেটাই প্রমাণ হচ্ছে রাতারাতি ফুলবাড়িতে রাস্তা মেরামতের কাজ শুরু করায়। তৃণমূলের পরিবারতন্ত্র রাজনীতির কারণেই আজ রাজ্য ডুবতে বসেছে। কোটি কোটি টাকা দুর্নীতিতে এই রাজ্যকে শেষ করে দিয়েছে তৃণমূল। তাই এধরনের কাজ তারা করতে পারে। এতে বিস্মিত নই। কিন্তু সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দাবিকে উপেক্ষা করে থাকার পর হঠাৎ দলীয় নেতার সফরকে মসৃণ করতে প্রশাসনের ঝাঁপিয়ে পড়ার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। 

    কী বলছে এসজেডিএ?

    সৌরভ চক্রবর্তী বলেন, এই রাস্তার কাজ আমরা আগেই হাতে নিয়েছিলাম। কিছুদিন বাদেই এর কাজ শুরু হত। কিন্তু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) এই রাস্তা দিয়ে আসবেন। তাই সেই কাজ এগিয়ে আনা হল। তাহলে এই বক্তব্যের জন্যই কি চেয়ারম্যান পদ থেকে সরতে হল সৌরভ চক্রবর্তীকে। সেকারণেই কি শুক্রবার সকালে তাঁকে সরিয়ে শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেবকে আবার এসজেডিএ-র চেয়ারম্যান করা হল? এই প্রশ্ন সব মহলের। কিন্তু তৃণমূলের কেউ এনিয়ে মুখ খুলতে চাইছেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vande Bharat: হাওড়া-পুরী বন্দে ভারতের ট্রায়াল রান শুরু! বাণিজ্যিকভাবে ছুটবে কবে?

    Vande Bharat: হাওড়া-পুরী বন্দে ভারতের ট্রায়াল রান শুরু! বাণিজ্যিকভাবে ছুটবে কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের দ্বিতীয় বন্দে ভারত (Vande Bharat) এক্সপ্রেসের ট্রায়াল হল শুক্রবার সকালে। এদিন সকালে হাওড়া থেকে পুরীর উদ্দেশে রওনা দেয় রেকটি আবার সেখান থেকে হাওড়া ফিরে আসবে। রেল সূত্রে খবর, বন্দে ভারত (Vande Bharat) এক্সপ্রেসের সফল ট্রায়াল চালানোর পরে, খুব শীঘ্রই সম্পূর্ণ ফেজ অপারেশন শুরু হবে। ট্রেনটি বাণিজ্যিকভাবে কবে থেকে ছুটবে তা অবশ্য জানা যায়নি। রেল জানিয়েছে, চূড়ান্ত তারিখ নিশ্চিত হওয়ার পরে জানিয়ে দেওয়া হবে। শুক্রবার এবং রবিবার দুটি পর্বে ট্রায়াল করা হবে। শুক্রবার এই রেকটি হাওড়া থেকে সকাল ৬.১০ মিনিটে যাত্রা শুরু করে এবং রাত সাড়ে ৮টায় ফিরে আসবে হাওড়ায়। সকালে ট্রেনটি খড়গপুর স্টেশনে ৭.৩৮ মিনিটে পৌঁছয়, দু’মিনিট পর পুরীর উদ্দেশ্যে রওনা দেবে। ট্রেনটি ১২.৩৫ মিনিটে পুরী পৌঁছবে। পুরী থেকে ১.৫০ মিনিটে যাত্রা শুরু করবে।

    কেন হাওড়া-পুরী রুটকে বাছল রেল?

    হাওড়া-পুরী ও হাওড়া-রাঁচী রুটে বন্দে ভারত (Vande Bharat) চালানোর বিষয়ে আগ্রহের কথা বোর্ডকে জানিয়েছিল দক্ষিণ-পূর্ব রেল। এমনিতেই হাওড়া-পুরী রুটের যাত্রী বেশি। রেললাইনের সমস্যাও সেক্ষেত্রে খুব বেশি অন্তরায় হয়ে উঠবে না। তীর্থক্ষেত্র ও পর্যটনের নিরিখে পুরীর গুরুত্ব অনেকটাই বেশি। দুই বিভাগের জন্য ১৬ কোচের পূর্ণাঙ্গ ‘বন্দে ভারত’ বরাদ্দ করা হয়। আজ তার ‘ট্রায়াল রান’ হল।

    চলতি বছরের ১ জানুয়ারি হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি রুটে চালু হয়েছিল প্রথম বন্দে ভারত (Vande Bharat) 

    প্রসঙ্গত,  চলতি বছরের ১ জানুয়ারি হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়িগামী প্রথম বন্দে ভারত এক্সপ্রেস পেয়েছিল রাজ্য। শীঘ্রই দ্বিতীয় বন্দে ভারতও পেতে চলেছে বাংলা। প্রথম ট্রেনটির মতো দ্বিতীয় ট্রেনটিতেও একই ধরনের সুবিধা পাওয়া যাবে বলে রেল সূত্রে খবর।

    আরও পড়ুন: বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের! এই শর্ত মানলেই ৪২টি বাড়তি ছুটি পাবেন সরকারি কর্মীরা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: মুখ্যমন্ত্রীর সভাস্থলে আগুন লাগানো ঘিরে উত্তাল মণিপুর! মিশনারিদের বিরুদ্ধে উস্কানির অভিযোগ

    Manipur: মুখ্যমন্ত্রীর সভাস্থলে আগুন লাগানো ঘিরে উত্তাল মণিপুর! মিশনারিদের বিরুদ্ধে উস্কানির অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার মণিপুরে (Manipur) মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের সভাস্থলে ভাঙচুর ও আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনাকে ঘিরে অশান্তি ছড়িয়েছে মণিপুরে। সরকারের তরফে আপাতত বড় জমায়েতের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবাও। জানা গিয়েছে, শুক্রবার মণিপুরের (Manipur) রাজধানী ইম্ফল থেকে ৬৩ কিলোমিটার দূরে চূড়াচাঁদপুর জেলাতে মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের সভা ছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাতেই পূর্বনির্ধারিত ওই অনুষ্ঠানস্থলে ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ। ভাঙচুরের পর আগুনও লাগিয়ে দেওয়া হয় সভাস্থলে। এই ঘটনাকে ঘিরেই অশান্তি-উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

    অভিযোগের তীর খ্রিষ্টান মিশনারিদের বিরুদ্ধে 

    মণিপুর (Manipur) প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় একটি আদিবাসী সংগঠনের সদস্যরাই এই হামলা চালিয়েছে। সেরাজ্যে খ্রিষ্টান মিশনারিদের বিরুদ্ধে ধর্মান্তকরণের অভিযোগ আগেও উঠেছে। অর্থ ও অন্যান্য প্রলোভন দেখিয়ে আদিবাসী সমাজকে খ্রিষ্টান ধর্মে ধর্মান্তকরণ করা হচ্ছে, এই অভিযোগে বারবার সরব হয়েছে বিজেপি তথা সঙ্ঘ পরিবার। বৃহস্পতিবার রাতে সভাস্থল ভাঙচুরের ঘটনায় খ্রিষ্টান মিশনারিদের (Manipur) প্ররোচনা থাকতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। কারণ আদিবাসী সংগঠনটির পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে বলা হয়েছে রাজ্যের একাধিক চার্চকে ভেঙেছে রাজ্যের বিজেপি শাসিত সরকার। নিয়ম বহির্ভূত নির্মাণের অজুহাতে।

    আরও পড়ুন: বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের! এই শর্ত মানলেই ৪২টি বাড়তি ছুটি পাবেন সরকারি কর্মীরা

    হামলার ভিডিও ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়  

    ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে গতকালের হামলার ভিডিও। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, বেশ কিছু যুবক মুখ্যমন্ত্রীর সভাস্থলে রাখা চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করছে। আজ, শুক্রবারই চূড়াচাঁদপুর জেলায় একটি জিমের উদ্বোধন করার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের। উদ্বোধনের আগেই বৃহস্পতিবার রাতে দুষ্কৃতীরা সেখানে ভাঙচুর করে এবং আগুন লাগিয়ে দেয়। মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বাতিল করে দেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনও তথ্য জানানো হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Employment Corruption: টাকা দিয়েও মেলেনি চাকরি, অভিযুক্তের মাকে তুলে নিয়ে গেল প্রতারিতরা! তারপর?

    Employment Corruption: টাকা দিয়েও মেলেনি চাকরি, অভিযুক্তের মাকে তুলে নিয়ে গেল প্রতারিতরা! তারপর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক মহিলাকে অপহরণ। আর তার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অপহৃত মহিলা সহ অপহরণকারীদের আটক করল পুলিশ। এক রুদ্ধশ্বাস থ্রিলারের পরিসমাপ্তি, যা শুরু হয়েছিল দুর্গাপুরের পলাশডিহায়, শেষ হল মুর্শিদাবাদের সালারে। কিন্তু এই ঘটনাও প্রকাশ্যে নিয়ে এল এমন এক কাহিনী, যার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে সেই নিয়োগ-দুর্নীতিই (Employment Corruption)। আরও মর্মান্তিক হল, টাকা দিয়ে চাকরি না হওয়ায় প্রতারিতরা তুলে নিয়ে গিয়েছিল আশ্বাসকারীর মাকে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা নাগাদ দুর্গাপুরের পলাশডিহায় একটি বাড়ির সামনে দুটি বোলেরো গাড়ি এসে থামে। দুটি গাড়িতে ছিল একাধিক পুরুষ ও মহিলা। ওই এলাকায় এক প্রৌঢ়াকে রীতিমতো চ্যাংদোলা করে বোলেরো গাড়িতে তুলে নেয় কয়েকজন মহিলা। এরপরেই দুটি গাড়ি তড়িঘড়ি এলাকা ছাড়ে। ঘটনার আকস্মিকতায় কার্যত হতভম্ব হয়ে যান এলাকার বাসিন্দারা। কোনও কিছু বোঝার আগেই দুটি গাড়ি উধাও হয়ে যায় ওই মহিলাকে নিয়ে। 

    চাকরি না পেয়েই মাকে অপহরণ?

    এরপর খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে এসিপি তথাগত পাণ্ডের নেতৃত্বে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী। সূত্রের খবর, অপহৃত মহিলার ছেলে বাপন মজুমদার মুর্শিদাবাদের কিছু ব্যক্তির কাছ থেকে ডিভিসিতে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়েছিল। চাকরি না হওয়ায় (Employment Corruption) ওই ব্যক্তিরা বারংবার বাপনকে চাপ দিচ্ছিল। এদিন বাপনের খোঁজেই এসেছিল তারা, না পেয়ে প্রৌঢ়া মাকে তুলে নিয়ে যায়। দুর্গাপুরের পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে পার্শ্ববর্তী সমস্ত জেলায় খবর পাঠায়। অবশেষে মুর্শিদাবাদের সালারে ওই দুটি গাড়িকে আটক করে সেখানকার পুলিশ। উদ্ধার হয় অপহৃতা মহিলা। ইতিমধ্যেই দুর্গাপুর থেকে পুলিশের একটি টিম মুর্শিদাবাদের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। ডিসিপি পূর্ব কুমার গৌতম জানান, অপহৃতা মহিলা সহ আটক ব্যক্তিদের দুর্গাপুরে আনা হচ্ছে। তবে কতজনকে আটক করা হয়েছে, সেটা দুর্গাপুর পৌঁছনোর পরই জানা যাবে বলে জানান পুলিশের ওই আধিকারিক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mobile Network: ধীরে ধীরে ভারতবর্ষ হয়ে উঠছে 5G, এর সর্বোচ্চ স্পিড জানলে চমকে উঠবেন!

    Mobile Network: ধীরে ধীরে ভারতবর্ষ হয়ে উঠছে 5G, এর সর্বোচ্চ স্পিড জানলে চমকে উঠবেন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার মানুষের হাতের মুঠোয় দ্রুততম ইন্টারনেট পরিষেবা। ইতিমধ্যে বাজারে এসে পৌঁছেছে 5G। দ্রুত গতি, বিশাল নির্ভরযোগ্যতা এবং নগণ্য লেটেন্সি সহ এই 5G পরিষেবা পৃথিবীকে এক অন্য মাত্রায় নিয়ে যেতে চলেছে। 2G, 3G ছাড়িয়ে আমরা যখন 4G জমানায় আছি, তখন গোটা ভারতবর্ষ জুড়ে আসতে চলেছে 5G। ভারতের কিছু নেটওয়ার্ক (Mobile Network) পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা ইতিমধ্যে 5G নিয়ে এসেছে। যেগুলি সফলভাবে চলছে, তারা হল Airtel, JIO ।

    প্রথমে জানা দরকার 5G কী?

    এখানে G শব্দের অর্থ জেনারেশন (Generation)। 5G নেটওয়ার্কের স্পিড 4G নেটওয়ার্কের (Mobile Network) স্পিডের থেকে প্রায় ১০০ গুণ বেশি। এই ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের মাধ্যমে একসঙ্গে বহু ডিভাইসকে যোগ করা যাবে। অনেক দ্রুত গতিতে বড় বড় ফাইল ও ভিডিও ট্রান্সফার করা যাবে, ডাউনলোড করা যাবে খুব দ্রুত। এর মূল লক্ষ্য হল আল্ট্রা লো লেটেন্সি ও মাল্টি-জিবিপিএস ডেটার গতি সরবরাহ করা। 5G টেকনোলজি পাঁচটি প্রযুক্তি থেকে গঠিত হয়-মিলিমিটার ওয়েভ, স্পিড সেল, ম্যাক্সিমাম মিমো, বিমফর্মিং, ফুল ডুপ্লেক্স।

    কোন দেশ প্রথম 5G পরিষেবা  চালু করে?

    ২০১৯ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে 5G নেটওয়ার্ক (Mobile Network) শুরু হয়েছিল। এখনও পৃথিবীর সব দেশে 5G নেটওয়ার্ক উপলব্ধ নয়। বর্তমানে কিছু দেশে 5G নেটওয়ার্ক রয়েছে, যেমন সিঙ্গাপুর, সাউথ কোরিয়া, জাপান, চিন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, মালয়েশিয়া, ভারত ইত্যাদি।

    ভারতে 5G পরিষেবা

    ২০২২ এর অক্টোবর মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতে 5G পরিষেবা (Mobile Network) চালু করা হয়। ভারতে প্রথম এয়ারটেল ও জিও কোম্পানি এই পরিষেবা প্রদান করে। জিও কোম্পানি প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে দিল্লি, বারাণসী, কলকাতা এবং মুম্বইতে তাদের পরিষেবা শুরু  করেছিল। বর্তমানে প্রায় সমগ্র ভারতে এই পরিষেবা এখন উপলব্ধ। 

    5G পরিষেবা নিতে গেলে কী কী প্রয়োজন?

    5G পরিষেবা নিতে গেলে প্রথমে দেখতে হবে আপনি যে ফোনটি ব্যবহার করেন, সেটি 5G সাপোর্ট করে কি না। যদি করে তাহলে আপনার পুরনো 4G সিমটিকেই 5G তে পরিবর্তন করে নিতে পারেন কোনও রকম নম্বর না বদলে। আপনি যে কোম্পানির সিম ব্যবহার করেন, সেই কোম্পানির নিজস্ব অ্যাপ থেকেই আপনি 5G পরিষেবা (Mobile Network) চালু করতে পারেন।

    5G নেটওয়ার্কের সর্বোচ্চ স্পিড কেমন?

    বর্তমানে এখন যাঁরা এই পরিষেবা ব্যবহার করছে তাঁদের তথ্য অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ স্পিড ৭০০ MBPS এর কাছাকাছি, যা সাধারণ মানুষের কাছে চমকে দেওয়ার মতো একটি স্পিড। ভবিষ্যতে আরও অনেক আপডেট আসতে চলেছে এই 5G পরিষেবায়। তাই আশা করাই যায়, আরও উন্নতি লাভ করবে এই পরিষেবা। আস্তে আস্তে সমগ্র ভারতবর্ষ হয়ে উঠবে 5G (Mobile Network)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই ইডি-র সঙ্গে অসহযোগিতা করেছেন সুকন্যা, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই ইডি-র সঙ্গে অসহযোগিতা করেছেন সুকন্যা, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে অসহযোগিতা করেছিল অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মণ্ডল। বৃহস্পতিবার কেষ্ট গড়ে একটি অরাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেখানে একটি প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী এর আগে সুকন্যার বাবা অনুব্রতকে ডুবিয়েছিলেন। একজন বিধায়ক, সাংসদ না হয়েও এই জেলার তাকে সম্রাট তৈরি করে দেওয়া হয়েছিল। জেলাশাসক, পুলিশ সুপারদের কেষ্টর কথা শোনার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ ছিল। দুর্নীতির তদন্তে সুকন্যা সহযোগিতা করলে কেন্দ্রীয় এজেন্সি তাঁকে নিয়ে হয়তো ভাবনা চিন্তা করত। আসলে তিনি তা করেননি। তিনি বাবার কাছে থাকতে চেয়েছিলেন, তাঁর ইচ্ছা পূর্ণ হল। তবে, এটা বলতে পারি, সুকন্যার ফোনের কললিস্ট খতিয়ে দেখলে বোঝা যাবে, মুখ্যমন্ত্রী নিজে বা ফিরহাদ হাকিম, রানা সিংহ, বিকাশ রায়চৌধুরীকে দিয়ে হোক কেন্দ্রীয় এজেন্সির কাছে না যাওয়ার জন্য সুকন্যাকে বলেছিলেন। নিজে তো ডুববেন, অন্যদের তিনি এভাবে ডুবিয়ে ছাড়বেন। তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, বাবার পাপের ফল মেয়েকে ভুগতে হচ্ছে। আসলে দুর্নীতির জন্য মানিক ভট্টাচার্য এবং অনুব্রত মণ্ডলের গোটা পরিবার জেলে রয়েছেন। রাজ্যে এই ধরনের সংস্কৃতি নতুন। এই লজ্জা রাখার জায়গা নেই।

    সন্ন্যাসীর মৃত্যু নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    কয়েকদিন আগেই বীরভূমের সিউড়ির পুরন্দরপুরে বাহিরি কালীতলা এলাকায় ভুবন ব্রহ্মচারী নামে এক সন্ন্যাসীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পরে, ময়না তদন্তের রিপোর্টে ওই সন্ন্যাসী আত্মহত্যা করেছে বলে উল্লেখ রয়েছে। যদিও গ্রামবাসীরা ওই সন্ন্যাসী আত্মহত্যা করেছে বলে মানতে নারাজ। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যের একাধিক মঠের মহারাজ, সন্ন্যাসীরা বৃহস্পতিবার হাজির হন। প্রতিবাদ মিছিল করেন। সেই কর্মসূচিতে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা সামিল হয়েছিলেন। শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, যে ভাবে তাঁর দেহ ঝুলছিল তাতে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে মনে হয় না। আমরা তাঁর ওই মৃত্যুর নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করছি। এদিন একজন সনাতনী হিসেবে ওই সন্ন্যাসীকে শ্রদ্ধা জানাতেই এখানে হাজির হয়েছি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • BJP: শুক্রবার ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন‍্‍ধ ডাকল বিজেপি, কেন?

    BJP: শুক্রবার ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন‍্‍ধ ডাকল বিজেপি, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালিয়াগঞ্জে পুলিশের গুলিতে রাজবংশী যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় চাপ বাড়াচ্ছে বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবারই রায়গঞ্জ হাসপাতালে বিজেপি সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী মৃত যুবকের পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন। গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবকের মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে এবং পুলিশের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবিতে রায়গঞ্জ শহরের শিলিগুড়ি মোড় এলাকায় অবস্থান-বিক্ষোভে সামিল হন বিজেপি নেতৃত্ব।  রায়গঞ্জের সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী, বিজেপির জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকার সহ বিজেপি নেতৃত্বরা এই অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সামিল হন। গুলিকাণ্ডে অভিযুক্ত পুলিশ অফিসার সহ কালিয়াগঞ্জ থানার আইসি-র কঠোরতম শাস্তির দাবি তুলেছে জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। এদিন দিনভর অবস্থান বিক্ষোভ করা হয়। বিকেলের (BJP) পর বিজেপি সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী বলেন, কালিয়াগঞ্জে ছাত্রীর মৃত্যুর উপযুক্ত তদন্ত এবং পুলিশের গুলিতে রাজবংশী যুবকের মৃত্যুর প্রতিবাদে শুক্রবার ১২ ঘণ্টা উত্তরবঙ্গ বনধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই বনধ সফল করার জন্য উত্তরবঙ্গবাসীর কাছে আমরা আবেদন জানাচ্ছি।

    পুলিশের গুলিতে রাজবংশী যুবকের মৃত্যু নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?

    বৃহস্পতিবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী একটি অরাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে বীরভূমে যান। সেখানে কালিয়াগঞ্জে গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবকের মৃত্যু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজবংশী, নমশূদ্র এবং পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের ওপর বারে বারে এই ধরনের আক্রমণ হচ্ছে। এটা নিন্দার কোনও ভাষা নেই। কালিয়াগঞ্জ থানায় তাণ্ডবের পর মুখ্যমন্ত্রী দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। তারপরই ওদের রেজিস্ট্রার গুন্ডা পুলিশ এই কাজ করেছে। যে অভিযোগে বিজেপি-র (BJP) সদস্য বিষ্ণু বর্মনকে গ্রেফতার করতে গিয়েছিল পুলিশ, সে সেদিন থানার ওই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে ছিল না। তৃণমূলের উপ প্রধানই সে কথা সংবাদ মাধ্যমের সামনে বলেছেন। এটা নিন্দনীয় ঘটনা। বিজেপি (BJP) এর বিরুদ্ধে আন্দোলন আরও তীব্রতর করবে। আর রাজবংশী যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় সার্বিক ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া দরকার। এনআইএ তদন্ত হলে ভাল হয়। আর দলীয় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য বিষ্ণু বর্মনের যেখানে বাড়়ি, সেখানে কাঁটাতার পেরিয়ে যেতে হয়। পুলিশ বিএসএফের অনুমতি নিয়ে সেখানে গিয়েছিল কি না তা খতিয়ে দেখা দরকার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Summer Vacation: শনিবারই শেষ ক্লাস! রাজ্যে সরকারি স্কুলে গরমের ছুটি ২ মে থেকেই

    Summer Vacation: শনিবারই শেষ ক্লাস! রাজ্যে সরকারি স্কুলে গরমের ছুটি ২ মে থেকেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২ মে থেকেই সরকারি স্কুলে গ্রীষ্মের ছুটি (Summer Vacation) পড়বে, সেকথা ফের জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চলতি বছরে ২ মে মঙ্গলবার হচ্ছে। আগের দিন সোমবার মে দিবসের সরকারি ছুটি। তার আগেরদিন রবিবার। অর্থাৎ শনিবার অর্ধদিবস স্কুল হওয়ার পরেই ছুটি পড়ে যাবে। তবে কতদিন পর স্কুল খুলবে সেকথা এখনও জানানো হয়নি। পরে তা বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানাবে শিক্ষা দফতর। প্রসঙ্গত, দার্জিলিঙের পাহাড়ি এলাকা ও কালিম্পঙ জেলা ছাড়া গরমের কারণে রাজ্যের সরকারি, সরকার-পোষিত স্কুলগুলির ক্ষেত্রে এই গ্রীষ্মের ছুটি কার্যকর হবে। চলতি মাসের ১৩ এপ্রিলই স্কুলশিক্ষা দফতরের নির্দেশে মধ্যশিক্ষা ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ রাজ্যের সরকারি, সাহায্যপ্রাপ্ত এবং পোষিত সব স্কুলে ২ মে থেকে গ্রীষ্মের ছুটি (Summer Vacation) ঘোষণা করেছিল।

    এগিয়ে এল গরমের ছুটি (Summer Vacation)

    নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ২৪ মে থেকে সরকারি স্কুলে গরমের ছুটি (Summer Vacation) পড়ার কথা ছিল। কিন্তু, এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে শুরু হয় প্রবল তাপপ্রবাহ। তখনই পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে মুখ্যমন্ত্রী ২ মে থেকে গরমের ছুটি (Summer Vacation) পড়ার কথা জানান। পরে তাপপ্রবাহের প্রকোপ আরও বেড়ে যাওয়ায় ১৭ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি স্কুল ছুটির কথা ঘোষণা করেন মমতা। এখন আবহাওয়ার উন্নতি হওয়ায়, শিক্ষকদের দাবি ছিল, ২ মে নয়, আগের সূচি অনুযায়ী ২৪ মে থেকেই গ্রীষ্মের ছুটি পড়ুক। প্রবল তাপপ্রবাহে মাঝে রাজ্যের বেশির ভাগ বেসরকারি স্কুলও বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে, সেই সব স্কুলে অনলাইন ক্লাস হয়েছে। এখন সেখানে নিয়মিত স্কুল শুরু হয়েছে এবং মে-র মাঝামাঝি গ্রীষ্মের ছুটি পড়বে বলে জানিয়েছে বেশির ভাগ বেসরকারি স্কুল। সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের একাংশের এমনও দাবি ছিল, গ্রীষ্মকালে সকালে স্কুল হোক। এতে নির্ধারিত সময়েই গরমের ছুটি দেওয়া যেতে পারে বলে জানিয়েছিলেন তাঁরা। তবে মুখ্যমন্ত্রী এদিন তাঁর পূর্ব পরিকল্পনার কথাই ঘোষণা করলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayet Road: বর্ষাকালে কর্দমাক্ত আলপথে পড়ুয়াদের হাতে ওঠে জুতো, চলে না সবুজসাথীর সাইকেলও

    Panchayet Road: বর্ষাকালে কর্দমাক্ত আলপথে পড়ুয়াদের হাতে ওঠে জুতো, চলে না সবুজসাথীর সাইকেলও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি পালিত হয়ে গেল দেশজুড়ে। দুর্গাপুরের বুদবুদ থানার আউশগ্রাম ব্লকের আমানিডাঙার বাসিন্দারা পেলেন না সামান্য রাস্তাটুকুও। একাধিকবার ভোট বয়কট করেও মেলেনি সুরাহা। পথশ্রী, রাস্তাশ্রী ইত্যাদি নিয়ে গোটা বাংলা যখন মাতোয়ারা, তখনও চরম বঞ্চনায় ক্ষোভে ফুঁসছেন পূর্ব-বর্ধমান জেলার অন্তর্গত আউশগ্রামের আমানিডাঙা, বাবলাবনি, ধডাঙা গ্রামের বাসিন্দারা। রাস্তার (Panchayet Road) দাবিতে বিগত ৮ বছর ধরে ভোট বয়কট করছেন গ্রামবাসীরা। তাতে রাস্তা আংশিক কংক্রিট হলেও, জমিজটে উধাও প্রায় ৩ হাজার ফুট রাস্তা। ফলে দুর্ভোগ মেটেনি। সমস্যা সেই তিমিরেই রয়েছে। শীত, গ্রীষ্ম কিংবা বর্ষায় কাদামাখা আলপথই ভরসা। এমনই পরিস্থিতিতে আবার আসছে পঞ্চায়েত নির্বাচন!

    সদর বাজারে যেতে হলে কর্দমাক্ত আলপথই ভরসা

    কুনুর নদীর পাড়ে বহু পুরনো গ্রাম আমানিডাঙা, বাবলাবনি, ধডাঙা। আউশগ্রামের দেবশালা পঞ্চায়েতের ওই গ্রাম তিনটিতে ৬৫টি পরিবারের বসবাস। বেশিরভাগই আদিবাসী সম্প্রদায়ের দিনমজুর। গ্রামের ভিতর রাস্তার অবস্থা বেহাল। মোরামের দানাটুকুও পড়েনি। গ্রাম থেকে প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার দূরে কাঁকসার পিয়ারিগঞ্জ। সদর বাজারে যেতে হলে কর্দমাক্ত আলপথই ভরসা। বছর কয়েক আগে বীরভুম থেকে ফেরার পথে পিয়ারিগঞ্জ স্কুলের সামনে ক্ষুদে পড়ুয়াদের দেখে দাঁড়িয়ে পড়েছিল মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়। সেখান থেকেই রাজ্যে ক্ষুদে পড়ুয়াদের জুতো দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইমতো জুতো পেলেও বর্ষাকালে মেঠো আলপথে হাতে জুতো নিয়ে স্কুলে যেতে হয় পড়ুয়াদের। পায়ে পরার উপায় নেই। পড়ুয়াদের সবুজসাথীর সাইকেলও জুটেছে। তবে বর্ষাকালে সেটা চালিয়ে স্কুলে যাওয়ার উপায় নেই। কাদামাখা মেঠো আলপথে সাইকেল চালানোও দায়। গ্রামের মধ্যে মোটরগাড়ি তো দূর অস্ত, সাইকেল বা রিকশ যাতায়াতের রাস্তাটুকু (Panchayet Road) নেই।

    ভোট বয়কটেও সমস্যা মেটেনি

    গত ২০১৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনে রাস্তার (Panchayet Road) দাবিতে ভোট বয়কট করেছিলেন গ্রামবাসীরা। ২০১৯ ও ২০২১ সালেও ভোট বয়কট করেন গ্রামবাসীরা। তারপর কুনুর নদী দিয়ে বয়ে গেছে অনেক জল। যদিও খবর চাউর হতে ২০১৯-২০ অর্থবছরে সাংসদ তহবিলের টাকায় প্রায় ১৪০০ ফুট রাস্তা কংক্রিট করা হয়। তবে গ্রামের রাস্তা আগের মতোই বেহাল রয়েছে। তারপরও প্রায় ৪ হাজার ফুট মেটো আলপথ রয়েছে। ফলে সমস্যা সেই তিমিরেই রয়েছে। 

    উন্নয়নের ফিরিস্তি শুনে ক্লান্ত, বলছেন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা

    উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পথশ্রী ও রাস্তাশ্রী প্রকল্পে ১২ হাজার কিলোমিটার রাস্তার নতুন করে নির্মাণ ও পুনরায় সংস্কারের সূচনা করেন। তাছাড়াও গ্রামীণ সড়ক তৈরিতে রাজ্য ও কেন্দ্র উভয় সরকারই তৎপর। আদিবাসী গ্রামে ঢালাও উন্নয়নের ফিরিস্তি শোনা যায়। কিন্তু তারপরও কেন দুর্দশায় আমানিডাঙা, বাবলাবনি, ধডাঙার গ্রামবাসীরা? প্রশ্ন থেকেই যায়। স্থানীয় বাসিন্দা তাপস সোরেন, সনাতন সোরেন প্রমুখ তরুণরা জানান, “উন্নয়নের ফিরিস্তি শুনে ক্লান্ত। ২০১৬ সালে ভোট বয়কটের পর বছর খানেক হল বিদ্যুৎ পেয়েছি। রাস্তার (Panchayet Road) দাবিতে বহুবার আবেদন করেছি। এক-চতুর্থাংশ রাস্তা ঢালাই হয়েছে। এখনও অনেকটাই রাস্তা নেই। মেঠো পথ। বর্ষায় চরম সমস্যায় পড়তে হয়। গ্রামে কেউ অসুস্থ হলে খাটিয়াতে করে নিয়ে যেতে হয়। ছেলে মেয়েদের স্কুলে যেতে অসুবিধা হয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kaliaganj: কালিয়াগঞ্জে গুলিবিদ্ধ হয়ে রাজবংশী যুবকের মৃত্যু, অভিযোগের তিরে পুলিশ

    Kaliaganj: কালিয়াগঞ্জে গুলিবিদ্ধ হয়ে রাজবংশী যুবকের মৃত্যু, অভিযোগের তিরে পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বাদশ শ্রেণীর স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ ঘিরে উত্তপ্ত কালিয়াগঞ্জ (Kaliaganj)। আর এই ঘটনার জেরে দুদিন আগেই থানায় রাজবংশী ও আদিবাসী সংগঠনের ডেপুটেশন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়। থানায় আগুন লাগানো থেকে শুরু করে পুলিশের গাড়ি জ্বালানোর ঘটনা ঘটে। এরই মধ্যে বুধবার রাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক রাজবংশী যুবকের মৃত্যু ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় কালিয়াগঞ্জের (Kaliaganj) রাধিকাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের চাঁদগাঁ গ্রামে। জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম মৃত্যুঞ্জয় বর্মন (৩৩)। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু, কিভাবে এই ঘটনা ঘটল তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এই ঘটনা নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এই ঘটনা নিয়ে টুইটও করেছেন।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    বিষ্ণু বর্মন কালিয়াগঞ্জের (Kaliaganj) বিজেপি-র পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য। কালিয়াগঞ্জ (Kaliaganj) থানায় তাণ্ডব চালানোর ঘটনার সূত্র ধরে বুধবার রাতে তাঁর বাড়িতে পুলিশ হানা দেয়। কিন্তু, তাঁকে না পেয়ে তাঁর বৃদ্ধ বাবাকে টেনে হিঁচড়ে মারতে মারতে পুলিশ গাড়িতে তোলে বলে অভিযোগ। চোখের সামনে এই ঘটনা দেখে বিষ্ণুর ভাইপো মৃত্যুঞ্জয় এর প্রতিবাদ করেন। এরপরই পুলিশ গুলি চালায়। তাতে মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যু হয়।

    কী বললেন মৃত যুবকের পরিবারের লোকজন?

    মৃত্যুঞ্জয়ের বাবা রবীন্দ্রনাথ বর্মন বলেন, ছেলে শিলিগুড়িতে একটি কোম্পানিতে চাকরি করত। সেখানেই পরিবার নিয়ে সে থাকত। খুড়তুতো ভাইয়ের বিয়ের জন্য সে সপরিবারে এসেছিল। বৃহস্পতিবারই ট্রেনে করে তাদের শিলিগুড়ি ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। তার আগেই বুধবার রাতে পুলিশ পাশের বাড়িতে একজনকে ধরতে আসে। আমার দুই ছেলে প্রতিবাদ করতে গিয়েছিল। পুলিশের গুলিতে আমার ছোট ছেলের মৃত্যু হয়।

    কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দারা?

    স্থানীয় বাসিন্দারা বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁদের বক্তব্য, এলাকার কেউ কালিয়াগঞ্জ (Kaliaganj) থানায় গণ্ডগোলের ঘটনায় যায়নি। তাহলে পুলিশ কেন এই এলাকায় অভিযান চালাল? একজনকে ধরে নিয়ে গেল? একজন নিরীহ যুবককে পুলিশ গুলি করে খুন করল। মৃত যুবকের পরিবারের লোকজনকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারের কাছে আমরা আবেদন জানাচ্ছি। একইসঙ্গে দোষী পুলিশের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

    কী বললেন স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান?

    স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান বলেন, কালিয়াগঞ্জ (Kaliaganj) থানায় গণ্ডগোলের দিন গ্রামে বিয়ে ছিল। সেদিন গ্রাম থেকে কেউ সেখানে যায়নি। পুলিশ কেন এই গ্রামে অভিযান চালাতে এসেছিল তা জানি না। আর পুলিশের গুলি চালানোর ঘটনাকে আমরা সমর্থন করি না।

    পুলিশের গুলি চালানোর ঘটনা নিয়ে সরব হলেন বিজেপি সাংসদ

    বৃহস্পতিবার রায়গঞ্জ হাসপাতালে যান বিজেপি সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী। সেখানে তিনি মৃত যুবকের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে, এই ঘটনা নিয়ে তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে পুলিশ বিজেপি কার্যকর্তাদের ওপর অত্যাচার ও গ্রেফতার করছে। কালিয়াগঞ্জে (Kaliaganj) থানা জ্বালানো কিংবা পুলিশের ওপর আক্রমণের ঘটনার সঙ্গে কোথাও বিজেপি যুক্ত নেই। বিজেপি-র এস পি অফিস ঘেরাওয়ের আলাদা কর্মসূচি ছিল। সেখানে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রী পুলিশকে নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতার, অত্যাচার, গুলি করে, খুন করে বিজেপিকে শেষ করতে চাইছে। যদি তিনি মনে করেন এভাবে বিজেপিকে শেষ করা যাবে তা কোনওদিনই সম্ভব না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share