Tag: Madhyom

Madhyom

  • Rishi Sunak: “হিন্দু হিসাবে এসেছি”, রামকথা শুনতে কেমব্রিজে ধর্মীয় গুরুর কাছে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী সুনক

    Rishi Sunak: “হিন্দু হিসাবে এসেছি”, রামকথা শুনতে কেমব্রিজে ধর্মীয় গুরুর কাছে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী সুনক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সঙ্গে আত্মিক টানের প্রমাণ আবারও দিলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক (Rishi Sunak)। জন্ম, বেড়ে ওঠা বিদেশের মাটিতে হলেও তিনি শিকড় ভোলেননি। লন্ডনেই ‘রাম কথা’ শুনলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী। জানালেন তিনি হিন্দু, রামচন্দ্র তাঁর প্রেরণা। মঙ্গলবার কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত রাম কথায় যোগ দিতে এসে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জানান, তাঁর কাছে বিশ্বাস অত্যন্ত ব্যক্তিগত একটি বিষয় এবং জীবনদর্শনের প্রতিটি পদে তা পথ প্রদর্শন করে। 

    রাম কথা শুনতে পেরে গর্বিত

    কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জেসুস কলেজে আধ্যাত্মিক নেতা মোরারি বাপু আয়োজিত ‘রাম কথা’ (Morari Bapu Ram Katha in UK) অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী সুনক (Rishi Sunak) বলেন, “ভারতের স্বাধীনতা দিবসে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে মোরারি বাপুর রাম কথা শুনতে পেরে আমি অত্যন্ত খুশি ও গর্বিত। আজ আমি এখানে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নয়, হিন্দু হিসাবে এসেছি।” সেখানে তাঁকে ‘জয় সিয়া রাম’ ধ্বনি দিতেও শোনা যায়। তাঁর কথায়, হিন্দু ধর্ম তাঁকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে গাইড করে এবং ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সেরা কাজ করার সাহস দেয়। শৈশবের স্মৃতি রোমন্থন করে তিনি জানান, সাউথ হ্যাম্পটনে থাকাকালীন তিনি প্রায়সময়ই ভাইবোনেদের সঙ্গে এলাকার মন্দিরগুলিতে যেতেন।

    আরও পড়ুুন: পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসে ‘কালো দিন’ পালন সিন্ধ-বালোচ ফোরামের

    ভগবান রামের উদ্দেশ্যে আরতি

    প্রদীপ জ্বালিয়ে ভগবান রামের উদ্দেশ্যে আরতিও করেন তিনি। ভগবান হনুমানের ছবির উদ্দেশ্যে প্রণাম করে ঋষি সুনক (Rishi Sunak) বলেন, “ঠিক যেরকমভাবে বাপুর (Morari Bapu) পিছনে সোনালি রঙের হনুমানজি রয়েছেন, ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে আমার ডেস্কও আলো করে বসে রয়েছেন সোনালি রঙের গণেশ।” তাঁর বক্তব্যে শোনা যায়, “আমি এখান থেকে রামায়ণ, ভগবত গীতা ও হনুমান চালিশার পাঠ স্মৃতি হিসাবে নিয়ে যাচ্ছি। আমার কাছে শ্রী রাম সবসময় অনুপ্রেরণামূলক ব্যক্তিত্ব, যিনি দেখিয়েছেন কীভাবে সাহসের সঙ্গে জীবনের প্রতিবন্ধকতার সঙ্গে লড়তে হয়, কীভাবে মানবতা ছড়িয়ে দিতে হয় এবং নিঃস্বার্থভাবে কাজ করতে হয়।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sulabh International: বিশিষ্ট সমাজসেবী সুলভ ইন্টারন্যাশনালের পুরোধা বিন্দেশ্বর পাঠক প্রয়াত

    Sulabh International: বিশিষ্ট সমাজসেবী সুলভ ইন্টারন্যাশনালের পুরোধা বিন্দেশ্বর পাঠক প্রয়াত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুলভ ইন্টারন্যাশনালের (Sulabh International) প্রতিষ্ঠাতা বিন্দেশ্বর পাঠক আজ দিল্লিতে প্রয়াত হয়েছেন। তিনি আজ দিল্লির এইমস হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হয়েছেন বলে জানা গেছে। মূলত তিনি একজন সমাজ কর্মী ছিলেন। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরের বহু পুরস্কারের সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শোকজ্ঞাপন করেছেন তাঁর মৃত্যুতে।

    কে ছিলেন বিন্দেশ্বর পাঠক (Sulabh International)?

    বিশিষ্ট সমাজকর্মী মূলত সমাজ সেবামূলক কাজ করতেন। তাঁর জন্ম ১৯৪৩ সালের ২রা এপ্রিল বিহারের হাজীপুরে। বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশুনা করেন। তিনি ১৯৮৫ সালে পাটনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি লাভ করেন। তিনি কাজের মাধ্যমে সমাজকে কীভাবে সংস্করণ করা যায়, সেই বিষয়ে বিশেষ প্রচেষ্টা করতেন। বিশেষ করে পরিচ্ছন্নতা, স্বাস্থ্য বিধি, সুরক্ষাবিধি, কীভাবে সমাজকে উন্নত এবং সুরক্ষিত রাখতে পারে, সেই বিষয়ে বিশেষ চিন্তা ভাবনার প্রকাশ রেখে গেছেন। সুলভ শৌচালয় নির্মাণকে কীভাবে কম খরচে, সস্তায় বেশি পরিমাণে ব্যবহারযোগ্য করে তোলা যায়, সেই বিষয়ে বিশেষ কাজের দৃষ্টান্ত রেখেছেন তিনি। তাঁর সুলভ (Sulabh International) প্রকল্প মূলত প্যান ইন্ডিয়া যোজনার আওতায় ছিল। প্রথম জীবনে গান্ধী সেন্টেনারি কমিটিতে কাজ করতেন। মহাত্মা গান্ধীকে তাঁর জীবনের আদর্শ হিসাবে মান্যতা দিতেন তিনি। সামজিক অস্পৃশ্যতা এবং সামজিক অধিকারের জন্য মানবাধিকার বিষয়ে অনেক ইতিবাচক কাজ করেছেন।

    নানা সম্মানে ভূষিত

    বিন্দেশ্বর পাঠক (Sulabh International) নিজে উদ্যোগী হয়ে ১৭৪৯ টি শহরে আনুমানিক ১ লক্ষ ৬০ হাজারের বেশি শৌচলায় নির্মাণ করছেন। তিনি এনার্জি গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড এবং দুবাই ইন্টার ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড সম্মানে সম্মানিত হয়েছিলেন। এছাড়াও প্যারিসের ফরাসি সনেট লিজ্যান্ড অফ প্ল্যানেট সম্মানে ভূষিত হয়েছিলেন। ২০১৬ সাল থেকে নিউইয়র্কে ‘বিন্দেশ্বর পাঠক দিবস’ হিসাবে পালন করা হয় ১৪ই এপ্রিল দিন টিকে।

    প্রধানমন্ত্রীর শোক বার্তা

    দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিশেষ শোক জ্ঞাপন করেছেন। তিনি বলেন, বিন্দেশ্বর পাঠকের (Sulabh International) সমাজ সংস্কারকের কাজ থেকে অনেক মানুষ অনুপ্রাণিত হবেন। আমাদের দেশের জন্য একটি জাতীয় শূন্যতার সৃষ্টি হল। ভারতের স্বচ্ছতার অভিযানে অন্যতম নায়ক ছিলেন বিন্দেশ্বর পাঠক। তাঁর পরিবারের প্রতি বিশেষ সমবেদনা জানাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • IIT Kharagpur: আজকের খড়্গপুর আইআইটির পুরনো ভবন ছিল বিপ্লবীদের জন্য হিজলী জেল

    IIT Kharagpur: আজকের খড়্গপুর আইআইটির পুরনো ভবন ছিল বিপ্লবীদের জন্য হিজলী জেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে। বিপ্লবীদের উপর নির্মম অত্যাচারে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছিলেন তাঁর প্রশ্ন কবিতা। দেশকে স্বাধীন করতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল একদল তরুণ তরুণী। আজ যেখানে আইআইটি খড়গপুর (IIT Kharagpur), সেখানেই ছিল বিপ্লবীদের বন্দিনিবাস। সশস্ত্র আন্দোলন হোক কিংবা অসহযোগ আন্দোলন, ব্রিটিশ পুলিশের হাতে বন্দি হতে হয়েছিল একাধিক স্বাধীনতার সংগ্রামীকে। বন্দি করা হয় হিজলী বন্দি নিবাসে। এই জেলের মধ্যে অন্যতম বন্দি ছিলেন বিপ্লবী সন্তোষ মিত্র।

    কার নামে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার?

    ছাত্রাবস্থায় রাজনীতিতে আকৃষ্ট হন সন্তোষ মিত্র। তাঁর জন্ম ১৯০০ সালের ১৫ অগাস্ট এবং মৃত্যু ১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৩১। মাত্র ৩১ বছরের জীবন, দেশের স্বাধীনতার জন্য নিবেদন করেছিলেন। ১৯২১ সালে অসহযোগ আন্দোলনে যোগ দেওয়ার ফলে কারাদণ্ড হন। এছাড়াও শ্রমিক আন্দোলনের সাথে যুক্ত হয়েছিলেন। ১৯২৩ সালে গুপ্ত বিপ্লবী দলের সঙ্গে যোগদান করে বিপ্লবী কর্মে প্রত্যক্ষ সংগ্রাম করেন ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে। চট্টগ্রামে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দলেনের সময় গোপনে অস্ত্র সরবরাহ করতেন বিপ্লবীদের। এরপর গ্রেপ্তার হলে তাঁকে হিজলী (IIT Kharagpur) জেলে পাঠানো হয়। কলকাতা শহরে আজকের দিনে সবথেকে বড় দুর্গা পুজো গুলির মধ্যে একটি পুজো হল, বিপ্লবী সন্তোষ মিত্রের নামাঙ্কিত পার্কের পুজো সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো।

    হিজলী জেল (IIT Kharagpur) এক ঐতিহাসিক পীঠস্থান

    ১৯৩১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর রাত্রি প্রায় সাড়ে নটা নাগাদ, নিরস্ত্র বন্দিদের উপর অতর্কিতে আক্রমণ চালায় ব্রিটিশ সেনাবাহিনী। চালানো হয় গুলিও। নিরস্ত্র বন্দিদের উপর গুলি চালানোর ঘটনায় মৃত্যু হয় দুই বীর বিপ্লবীর। এই দুই বিপ্লবীরা হলেন সুভাষচন্দ্র বসুর সহপাঠী সন্তোষ মিত্র এবং মাস্টারদা সূর্যসেনের অনুগামী তারকেশ্বর সেনগুপ্ত। ১৯১৯ সালের জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে নাইট উপাধি ত্যাগ করেছিলেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। হিজলী (IIT Kharagpur) হত্যাকাণ্ডের পর রবীন্দ্রনাথ লিখলেন প্রশ্ন কবিতা, “ভগবান তুমি যুগে যুগে দূত পাঠায়েছ বারে বারে, দয়াহীন সংসারে।”

    আজকের আইআইটি খড়্গপুর

    এখন যেখানে খড়্গপুর আইআইটির (IIT Kharagpur) পুরনো ভবন, পরাধীন ভারতে সেখানেই ছিল হিজলি বন্দিনিবাস। অদূরে প্রথম মহিলা জেল। ১৬ সেপ্টেম্বরের সেই রাতে হিজলি বন্দি নিবাসে ‘পাগলা ঘন্টা’ বাজিয়ে নির্বিচারে গুলি চালায় ইংরেজ পুলিশ। খবর পেয়ে সুভাষচন্দ্র ও যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্ত হিজলিতে আসেন। হিজলি ও চট্টগ্রাম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ওই বছর ২৬ সেপ্টেম্বর কলকাতায় একটি সভা হয়। সভাপতিত্ব করেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বর্তমানে আইআইটি নির্মিত হয়েছে বন্দিনিবাসের বিশাল ইমারতে। বর্তমান প্রজন্ম মনে রাখে না ইতিহাস, মনে রাখে না সংগ্রামের কালো দিনের কথা। স্বাধীনতা দিবসে ফের স্মৃতিতে অম্লান হিজলীর সেদিনের সেই কালো ঘটনার কথা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Ro Khanna: মন্দিরে খলিস্তানি হামলার নিন্দা করলেন মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য রো খান্না

    Ro Khanna: মন্দিরে খলিস্তানি হামলার নিন্দা করলেন মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য রো খান্না

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে ভারতীয় কনস্যুলেটে এবং কানাডায় হিন্দু মন্দিরে খলিস্তানি হামলার নিন্দা করলেন আমেরিকার কংগ্রেসের ভারতীয় বংশোদ্ভূত সদস্য রো খন্না। তিনি বলেন, “কোনও ধর্মস্থানে হিংসা কাম্য নয়। সমস্যা থাকলে আলোচনা হোক। কিন্তু পাঞ্জাব ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। এর কোনও অন্যথা হবে না।”

    শাস্তিযোগ্য অপরাধ

    প্রসঙ্গত, খান্নার দাদু অমরনাথ বিদ্যালঙ্কার বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন। পরবর্তী সময়ে তিনি পাঞ্জাব সরকারের মন্ত্রী এবং লোকসভার সাংসদও হয়েছিলেন। ক্যালিফোর্নিয়া থেকে আমেরিকার কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেনটেটিভসে নির্বাচিত খান্না ভারতীয় বংশোদ্ভূত সমাজের অন্যতম জনপ্রিয় নেতা। ১৫ আগাস্ট স্বাধীনতা দিবসে লাল কেল্লার অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে ভারতে এসেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জাতির উদ্দেশে ভাষণ শুনবেন তিনি। এদিন সানফ্রান্সিসকোর ঘটনার কড়া নিন্দা করেছেন রো খান্না। তিনি বলেন, “আমরা যে কোনও রকমের হিংসা ও ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপের তীব্র বিরোধী। হিন্দু মন্দিরের উপর হামলা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।”

    আরও পড়ুন: চাঁদেও ট্রাফিক জ্যাম! চন্দ্রযান-৩ ছাড়াও কক্ষপথে একাধিক স্যাটেলাইট

    শনিবার ফের খালিস্তানি জঙ্গিদের আক্রমণে উত্তাল হয়ে উঠেছিল কানাডা। ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় ভারত-বিরোধী (Anti India) এবং খালিস্তানি (Pro Khalistani) বিক্ষোভকারীরা ব্যাপকভাবে ভাঙচুর চালালো একটি হিন্দু মন্দিরে। তাণ্ডবের পর লক্ষ্মী নারায়ণ মন্দিরের সামনের দরজায় খালিস্তান পন্থীদের বিতর্কিত পোস্টারও সাঁটিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। মন্দিরটির সামনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ থেকে পাগড়ি বাঁধা এবং চাদরে মুখ ঢাকা দুই ব্যক্তিকে ওই পোস্টার সাঁটাতে দেখা গিয়েছে। 

    আমেরিকার পাশাপাশি কানাডার খালিস্তানপন্থীদের নিয়েও ক্রমশ উদ্বেগ বাড়ছে কেন্দ্র সরকারের। ইতিমধ্যেই ‘কিল ইন্ডিয়া’ নামে পোস্টার পড়েছে কানাডায়। পোস্টারে ভারতীয় হাই কমিশনার সঞ্জয় কুমার বর্মা ও টরোন্টোর ভারতীয় কনসাল জেনারেল অপূর্ব শ্রীবাস্তবের ছবি রয়েছে।গত মাসে ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় একটি গুরুদ্বারের সামনে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি তথা খলিস্তান টাইগার ফোর্সের প্রধান হরদীপ সিং নিজ্জর। এর পর থেকেই টরোন্টো ও ভ্যাঙ্কুভারের মতো কানাডার প্রায় সমস্ত শহরে ভারতীয় দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ দেখায় খালিস্তানপন্থীরা। এই দূতাবাসগুলিতেও হামলা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Moon Traffic Jam: চাঁদেও ট্রাফিক জ্যাম! চন্দ্রযান-৩ ছাড়াও কক্ষপথে একাধিক স্যাটেলাইট

    Moon Traffic Jam: চাঁদেও ট্রাফিক জ্যাম! চন্দ্রযান-৩ ছাড়াও কক্ষপথে একাধিক স্যাটেলাইট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদের কক্ষপথেও ট্রাফিক জ্যাম! চাঁদের মাটি স্পর্শ করা এবং সেখানে পরীক্ষানিরীক্ষা করার জন্য পাঠানো হয়েছে চন্দ্রযান-৩ কে। পৃথিবী ছাড়িয়ে চাঁদের কক্ষপথে ঢুকে পড়েছে সে। তবে এই মুহূর্তে কেবল ভারতের স্যাটেলাইটই যে চাঁদের কক্ষপথে একমাত্র যান হিসেবে অগ্রসর হচ্ছে, তা নয়। চাঁদের কক্ষপথে আরও একাধিক কার্যকলাপ হতে চলেছে। তার ফলেই সেখানে একপ্রকার ট্রাফিক জ্যামের সৃষ্টি হয়েছে। এখন প্রশ্ন এর ফলে কি সময়ের চেয়ে দেরিতে চাঁদে পৌঁছবে চন্দ্রযান-৩?

    লুনার ট্রাফিক

    ২০২৩ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত চাঁদ মোট ছয়টি সক্রিয় চন্দ্র কক্ষপথ এবং আরও বেশ কিছু মিশনের একটি আলোড়ন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এই ঘটনাকে বলা হচ্ছে লুনার ট্রাফিক। এই মুহূর্তের লুনার ট্রাফিকে রয়েছে নাসার লুনার রিকনেসান্স অর্বিটার (LRO), আর্টেমিসের অন্তর্ভুক্ত নাসার থেমিস মিশনের দুটি প্রোব, ভারতের চন্দ্রযান-২, কোরিয়া পাথফাইন্ডার লুনার অর্বিটার (KPLO) এবং নাসার ক্যাপস্টোন। এদের পাশ কাটিয়েই চাঁদের মাটিতে ল্যান্ড করতে হবে চন্দ্রযান-৩কে। জ্যামে ফেঁসে যাওয়ার বিপদও একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিজ্ঞানীরা। তবে কীভাবে এই নভো-যানজট এড়িয়ে চাঁদে পৌঁছন যায় সেই চিন্তাতেই মগ্ন ইসরো।

    অন্যদিকে, ভারতকে টক্কর দিতে চাঁদে যাচ্ছে রাশিয়ার লুনা। রাশিয়ার চন্দ্রাভিযানের প্রায় অর্ধ শতক পেরনোর পর ১১ অগাস্ট ফের চাঁদের উদ্দেশে ল্যান্ডার লুনা পাঠিয়েছে পুতিনের দেশ। চন্দ্রযান-৩ এর যেদিন চন্দ্রপৃষ্ঠ ছোঁয়ার কথা, সেই একই দিনে রাশিয়ার লুনাও চাঁদের বুকে অবতরণ করবে, এমনটাই জানা গিয়েছে। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে হাঁটাচলা করার কথা রয়েছে রাশিয়ার পাঠানো এই নভোযানের। এই মিশনের লক্ষ্য হল, চাঁদের দক্ষিণ মেরু অন্বেষণ করা এবং তার মধ্যে দিয়ে ৪৭ বছরের বিরতির পর চন্দ্রপৃষ্ঠে রাশিয়ার প্রত্যাবর্তন চিহ্নিত করা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India-China Border: রিপোর্ট ঘিরে চাঞ্চল্য! গালওয়ান সংঘর্ষের পর পূর্ব লাদাখে ৬৮ হাজারের বেশি জওয়ান 

    India-China Border: রিপোর্ট ঘিরে চাঞ্চল্য! গালওয়ান সংঘর্ষের পর পূর্ব লাদাখে ৬৮ হাজারের বেশি জওয়ান 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গালওয়ান সংর্ঘষের পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ্যে এল। সেনাবাহিনী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, ভারত-চিন (India-China Border) সেনা সংঘর্ষের পর যুদ্ধ প্রায় বেঁধে গিয়েছিল। ২০২০-র ১৫ জুন। গালওয়ান (Galwan) উপত্যকায় ভয়াবহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ভারত-চিন সেনা। জানা গেছে, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে তার সামাল দেওয়ার জন্য ওই ঘটনার পর রাতারাতি নিরাপত্তা বাড়িয়ে দেওয়া হয় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর। ৬৮ হাজারের বেশি সেনা জওয়ান, প্রায় ৯০টি ট্যাঙ্ক এবং অন্যান্য অস্ত্রশস্ত্র রাতারাতি আকাশপথে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয় ভারতীয় বায়ুসেনার মাধ্যমে। তাঁদের পূর্ব লাদাখে মোতায়েন করা হয়। 

    ভারত-চিন বৈঠক

    ওই সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, খুব অল্প সময়ের মধ্যে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ‘বিতর্কিত’ অংশে যুদ্ধাস্ত্র মজুত রাখা হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থাকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। চিনের সঙ্গে সীমান্ত নিয়ে এখনও স্থির ঐকমত্যে পৌঁছতে পারেনি নয়াদিল্লি। এই আবহে সেনার এই পদক্ষেপ ঘিরে জল্পনা তৈরি হয়েছে। প্রসঙ্গত, পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে সোমবার বৈঠকে বসতে চলেছেন ভারত এবং চিনের শীর্ষ সেনা আধিকারিকেরা। সীমান্ত নিয়ে ১৯তম এই বৈঠকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে বলে সেনা সূত্রের খবর। ভারতের তরফে এই বৈঠকে নেতৃত্ব দেবেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল রশিম বালি।

    আরও পড়ুন: স্বাধীনতা দিবসে ‘সেলফি’! ১০,০০০ টাকা পুরস্কার, বড় পরিকল্পনা কেন্দ্রের

    বায়ুসেনার নজরদারি 

    রিপোর্টকে উদ্ধৃত করে সূত্রের খবর, নজরদারি হিসেবে বায়ুসেনার সু-৩০ এমকেআই এবং জাগুয়ার যুদ্ধবিমানকে ব্যবহার করা হয়েছিল। নজরদারি চালানোর পাশাপাশি গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহের কাজ ছিল তাদের। রিপোর্ট অনুযায়ী, খুব অল্প সময়ের মধ্যে বাহিনী সহ অস্ত্রশস্ত্র পূর্ব লাদাখের নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর মজুত করা হয়েছিল। প্রতিবেশী দেশ আক্রমণ করলে যাতে উপযুক্ত জবাব দেওয়া যায়, তারজন্য সমস্ত ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। সংঘর্ষের পরেও নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর উত্তেজনা থাকায়, ভারতীয় বায়ুসেনা চিনা কার্যকলাপের উপর বাজপাখি নজরদারি রাখার জন্য প্রচুর পরিমাণে দূরবর্তী পাইলট বিমান (আরপিএ) মোতায়েন করে। প্রকাশিত রিপোর্ট থেকে আরও জানা গেছে গেছে যে খুব অল্প সময়ের মধ্যে মোট ৯ হাজার টন ওজন বহন করেছিল বায়ুসেনার বিমানগুলি। নিয়ন্ত্রণরেখা থেকে ৫০ কিলোমিটারের মধ্যে লালফৌজের গতিবিধির উপর নজরদারি চালাতে মোতায়েন করা হয় মিগ এবং রাফাল যুদ্ধবিমান।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Thane Hospital: থানের সরকারি হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টায় ১৮ জন রোগীর মৃত্যু, তদন্তের নির্দেশ 

    Thane Hospital: থানের সরকারি হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টায় ১৮ জন রোগীর মৃত্যু, তদন্তের নির্দেশ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একই হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টায় ১৮ জন রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের থানের (Thane Hospital) ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ হাসপাতালে। ইতিমধ্যে হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়ে অভিযোগ তুলেছে রোগীর পরিবারেরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই মৃত্যুর ঘটনা স্বীকার করেছে। এ বিষয়ে হাসপাতালের ডিনকে দুদিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলেছেন মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তানজি সাওয়ান্ত। ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে (CM Eknath Shinde)।

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, বেসরকারি হাসপাতাল থেকে অধিকাংশ রোগীকে এই হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। অনেকের বয়স ৮০-এর ঊর্ধ্বে। ফলে হাসপাতালের (Chhatrapati Shivaji Maharaj Hospital) ওপর চাপ বেড়েছে। মৃত রোগীদের সকলেই প্রাপ্তবয়স্ক। তাঁদের মধ্যে ১২ জনের বয়স ৫০ বছরের ঊর্ধ্বে। জানা গিয়েছে, হাসপাতালে ইন্টেন্সিভ কেয়ার ইউনিটে ১৩ জন, জেনারেল ওয়ার্ডের ৪ জন মারা গিয়েছে। মৃতদের মধ্যে ১০ জন মহিলা, ৮ জন পুরুষ। এঁদের মধ্যে ৬ জন থানে শহরের বাসিন্দা, ৪ জন কল্যাণ এলাকার, ৩ জন সাহাপুরের এবং ভিওয়ান্ডি, উলহাসনগর ও গোবান্দির একজন করে রয়েছেন। এছাড়া মৃত আরেক রোগী অন্য এলাকার বাসিন্দা এবং আরেকজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। মৃত রোগীদের কেউ কিডনির সমস্যা, কেউ ক্রনিক প্যারালাইসিস, কেউ আলসার, কেউ সেপ্টিসিমিয়া-সহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিলেন। আবার কেরোসিন পান করায় বিষক্রিয়ার জেরেও একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।

    আরও পড়ুন: সোশ্যাল মিডিয়াতেও রাহুল গান্ধীকে জোর ধাক্কা মোদির, বলছে রিপোর্ট

    রাজনৈতিক টানাপড়েন

    এদিকে, এই মৃত্যুর ঘটনা নিয়েও রাজনৈতিক টানাপড়েন শুরু হয়েছে। এই হাসপাতাল থানে পৌরনিগমের অন্তর্গত। মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের শিবসেনা গোষ্ঠী এই পুরনিগমের ক্ষমতায় রয়েছে। ফলে তাদের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা গোষ্ঠী। অন্যদিকে, ২৪ ঘণ্টায় ১৮ জন রোগীর মৃত্যুর ঘটনাটি ‘দুর্ভাগ্যজনক’ আখ্যা দিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধেই তোপ দেগেছেন এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার (Sharad Pawar)। গত কয়েক দিনে ৫ রোগীর মৃত্যুর পরেও ‘প্রশাসনের ঘুম ভাঙেনি’ বলে তোপ দেগেছেন তিনি। প্রশাসনের তরফে অবশ্য গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন থানের পুর কমিশনার অভিজিৎ ভাঙ্গার। তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে স্বয়ং এই ঘটনার নজরদারি করছেন। স্বাস্থ্য কমিশনের নেতৃত্বে স্বতন্ত্র একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। ওই কমিটিতে জেলা কালেক্টর, পুরপ্রধান, স্বাস্থ্য অধিকর্তা সহ মুম্বইয়ের জে.জে হাসপাতালের দুই চিকিৎসক রয়েছেন। আগামী ২ দিনের মধ্যে এই তদন্ত কমিটিকে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India vs West Indies: ১৭ বছর পর! ক্যারিবিয়ানদের কাছে লজ্জার হার ভারতের

    India vs West Indies: ১৭ বছর পর! ক্যারিবিয়ানদের কাছে লজ্জার হার ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে পঞ্চম তথা নির্ণায়ক টি-২০ ম্যাচে ৮ উইকেটে হারল টিম ইন্ডিয়া (India vs West Indies)। প্রথমে ব্যাট করে ভারতের তোলা ১৬৫-৯ রান ৮ উইকেট বাকি থাকতেই তুলে দিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অপরাজিত ৮৫ রান করে নায়ক ব্রেন্ডন কিং। ভাল খেললেন নিকোলাস পুরানও। ভারতের কোনও বোলার দাগ কাটতে পারলেন না। এর ফলে ক্যারিবিয়ানদের কাছে পাঁচ ম্যাচের এই টি-২০ সিরিজ ৩-২ ব্যবধানে হারল ভারত। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৭ বছর পর ভারতকে প্রথমবার দ্বিপাক্ষিক সিরিজে পরাস্ত করল।

    পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফল

    এই সিরিজের শুরু থেকেই ভারতীয় ক্রিকেট দল ‘এক্সপেরিমেন্ট’-এর পথে হেঁটেছিল। আর তাই প্রথম দুটো ম্যাচ হারতে হয়েছিল হার্দিক ব্রিগেডকে। গত দুটো ম্যাচে জিতে সিরিজে সমতা ফেরালেও রবিবার নির্ণায়ক ম্যাচে হারল ভারত।  ব্যর্থ সূর্যকুমার যাদবের অর্ধশতরান। পরের বছরের বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে খেলতে নেমেছিল ভারত। কিন্তু সিরিজের ফলাফল বোঝাল, এখনও অনেকটা পথ হাঁটা বাকি। ব্যাটিং, বোলিং দুই বিভাগেই ব্যর্থ ভারত।

    আরও পড়ুন: এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতল ভারত, হকি দলকে শুভেচ্ছা জয় শাহের

    ম্যাচে দাপট ওয়েস্ট ইন্ডিজের

    এদিন টসে জিতে ভারতীয় দল ব্যাট করতে নামলেও শুরুটা তাদের ভাল হয়নি। যশস্বী জয়সওয়াল (৫) এবং শুভমান গিল (৯) তিন ওভারের মধ্যেই প্যাভিলিয়নে ফিরে যান। সূর্য এবং তিলক বর্মা তৃতীয় উইকেটে ৪৯ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন। অষ্টম ওভারে আউট হয়ে যান তিলক বর্মা। সঞ্জু স্যামসন (১৩) এবং হার্দিক পান্ডিয়া (১৪) বিশেষ নজর কাড়তে পারলেন না। ১৮ ওভারে সূর্যও আউট হয়ে ফিরে যান। আর্শদীপ সিং (৮) এবং কুলদীপ যাদব (০) ১৯ ওভারের মধ্যেই নিজেদের উইকেট খুইয়ে আসেন। অক্ষর প্যাটেল (১৩) শেষ ওভারে আউট হলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলারদের মধ্যে রোমারিও শেফার্ড চারটে, আকিল হুসেন এবং জেসন হোল্ডার দুটো করে উইকেট শিকার করেছেন। 

    বল হাতে অবশ্য শুরুটা খারাপ হয়নি ভারতের। দ্বিতীয় ওভারেই মারমুখী কাইল মেয়ার্সকে তুলে নেন আর্শদীপ। কিন্তু দ্বিতীয় উইকেটে চালিয়ে খেলতে থাকেন ব্রেন্ডন কিং এবং পুরান। ওখানেই ম্যাচ বেরিয়ে যায় ভারতের হাত থেকে। একমাত্র কুলদীপ যাদব রানের গতি কিছুটা থামান। তাঁকে খেলতে গিয়ে সমস্যা পড়েন ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই ক্রিকেটার। ভারতের আর কোনও বোলারকে খেলতে সমস্যা হয়নি। ছয় মেরে নিজের অর্ধশতরান পূরণ করেন কিং। এদিন ম্যাচের শেষ পর্যায় তিলক  বর্মা ও যশস্বীকে দিয়ে বল করিয়ে চমকে দেন হার্দিক। তিসক সাফল্য পেলেও ম্যাচ ততক্ষণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পকেটে চলে গিয়েছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durand Derby: সাড়ে চার বছর পরে ডার্বি জয়! মোহনবাগানকে ১-০ গোলে হারাল ইস্টবেঙ্গল

    Durand Derby: সাড়ে চার বছর পরে ডার্বি জয়! মোহনবাগানকে ১-০ গোলে হারাল ইস্টবেঙ্গল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চার বছর পর ডার্বি জিতল ইস্ট বেঙ্গল। ডুরান্ড কাপে মোহনবাগানকে ১-০ গোলে হারাল লাল হলুদ ব্রিগেড। ম্যাচের নায়ক নন্দকুমার শেখর। সাড়ে চার বছর পর নন্দকুমারের গোলে ডার্বি জয় লাল হলুদ শিবিরের। এর আগে টানা আটটি ডার্বি জিতেছিল মোহনবাগান। ম্যাচের শুরু থেকেই তাগিদ স্পষ্ট ছিল ইস্টবেঙ্গলের। মোহনবাগান অনেকবার পেনাল্টি বক্সের কাছে পৌঁছলেও বক্সের ভিতরে ঢুকতে পারছিল না প্রতিবার। উগো বুমো কয়েকটা শট নেন বক্সের বাইরে থেকেই। ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্স বেশ জমাট দেখায় প্রথম থেকেই। উল্টো দিকে, ইস্টবেঙ্গল প্রথমার্ধেই কয়েকবার পৌঁছে গিয়েছিল গোলের কাছে। কখনও ডিফেন্ডাররা বের করে দেন। কখনও কিপার বাঁচান। তবে সাকুল্যে গোলের লক্ষ্যে শট ছিল মাত্র দুটি। মোহনবাগান ১১টা শট নিলেও তার বেশিরভাগই ছিল গোলের বাইরে। 

    ইস্টবেঙ্গলের অনবদ্য জয়

    আবেগের বড় ম্যাচে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে অনেকটাই এগিয়ে ছিল সবুজ মেরুন। অন্য দিকে, আন্ডারডগ তকমাই যেন অ্যাডভান্টেজ ইস্টবেঙ্গলের। বড় ম্যাচে কাউকেই এগিয়ে পিছিয়ে রাখা যায় না। এ বারও পরিস্থিতি অন্যথা হল না। সিলেবাসের বাইরে থেকে ইস্টবেঙ্গলের অনবদ্য জয়। শনিবার কলকাতার যুবভারতী স্টেডিয়ামে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে ১-০ গোলে জয়লাভ করেছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। ২৭ বছর বয়সি চেন্নাইয়ের ফুটবলার নন্দকুমার শনিবারই প্রথম ডার্বি ম্যাচ খেলতে নেমেছিল। ম্যাচের ৬০ মিনিটে তিনি ইস্টবেঙ্গল দলকে ১-০ গোলে এগিয়ে দিলেন। জয়সূচক গোলও সেটাই। ম্যাচ শেষে ইস্টবেঙ্গলের ডার্বি জয়ের নায়ক বললেন, “বলে বোঝাতে পারব না। এখানে আসার পর থেকেই সমর্থকদের উৎসাহ চোখে পড়ছে। আর আজকের মত পরিবেশে খেলা তো যে কোনো ফুটবলারের স্বপ্ন।”

    কোচ কুয়াদ্রাত অবশ্য টুর্নামেন্টের পরের ম্যাচের দিকে নজর দিচ্ছেন বেশি করে। জানালেন, সমর্থকদের জন্য খুব খুশি। গত দু বছর খুব একটা সাফল্য পায়নি ক্লাব তা সত্ত্বেও এই সমর্থন উৎসাহ দিয়েছে খেলোয়াড়দের। কুয়াদ্রাত আরও বলেন, মোহনবাগানের সামনে বড় টুর্নামেন্ট রয়েছে, সে কারণে হয়তো অনেক বেশি পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে চেয়েছিল ওরা। আমি শুধু ফুটবলারদের বলেছিলাম কাউন্টার অ্যাটাক আর সেটপিস গুলো কাজে লাগাতে।

    আরও পড়ুন: গোল খেয়ে ধরাশায়ী জাপান! এশীয় হকির ফাইনালে ভারত

    অন্যদিকে , ডার্বিতে হার মেনে নিতে পারছেন না মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্ত। তিনি বলেন, ‘ইস্টবেঙ্গলকে অভিনন্দন। আটটা ম্যাচ পর তারা জয় পেল। এটা অত্যন্ত ভালো ওদের জন্য। ম্যাচের পর ম্যাচ একটা দল হারতে পারে না। একদিন না একদিন তো জিততেই হত। ওরা ভালো খেলেছে। আজ অনেক ভালো খেলেছে। আমরা যে খেলা খেলেছি তাতে জেতার যোগ্যতা ছিল না। ওরা অনেক ভালো ফুটবল খেলেছে।’

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • JP Nadda: হাওড়ায় কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে জেপি নাড্ডা, কী করলেন?

    JP Nadda: হাওড়ায় কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে জেপি নাড্ডা, কী করলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের পঞ্চায়েত রাজ সম্মেলনে বঙ্গে এসে বিজেপির ‘আমার মাটি আমার দেশ’ কর্মসুচীর অঙ্গ হিসাবে কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টপাধ্যায়ের বাড়ি দেউলটি থেকে মাটি সংগ্রহ করলেন বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডা (JP Nadda)। শুক্রবার রাতেই কলকাতায় এসে পৌঁছান বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। বাংলা, বিহার, ঝাড়খণ্ড-সহ পূর্ব ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের জেলা পরিষদ সভাধিপতিদের নিয়ে হাওড়ার দেউলটির একটি হোটেলে এদিন সকালে একটি  কর্মশালার উদ্বোধন করেন নাড্ডা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখান থেকে দুপুরে দেউলটিতে কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মভিটে পরিদর্শনে আসেন জে পি নাড্ডা।

    ভিজিটার্স বুকে কী লিখলেন জে পি নাড্ডা (JP Nadda)?

    দেউলটিতে শরৎচন্দ্রের বাড়ি থেকে মাটি সংগ্রহ করেন জে পি নাড্ডা (JP Nadda)। “আমার মাটি আমার দেশ” কর্মসূচির সূচনা করেন তিনি। সেই মাটি নিয়ে যাওয়া হবে দিল্লির কর্তব্যপথ বাগানে। এদিন দেউলটিতে এসে শরৎচন্দ্রের বাসভবনে, সেখানকার লাইব্রেরি রুমে ঘুরে দেখেন তিনি। সেখানকার ভিজিটার্স বুকে নিজের অভিজ্ঞতার কথা লিখে রাখেন তিনি। তিনি লেখেন ‘আজ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতো মহান মানুষের নিবাস স্থানে আসতে পেরে নিজেকে খুবই সৌভাগ্য প্রাপ্ত মনে করছি। এই জায়গা থেকে অনেক প্রেরণা পেলাম।’ তিনি প্রথমে ওই বসতবাড়িতে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করেন। এরপর তিনি ওই বাসভবন চত্বরে একটি আম গাছ রোপণ করেন। পরে, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রূপনারায়ণ নদীতীরে এই বাড়িতে যে কক্ষতে বসে তাঁর সাহিত্যকর্ম সৃষ্টি করেছিলেন সেই ঘর পরিদর্শন করেন। এরপর জেপি নাড্ডা আরেকটি কক্ষে গিয়ে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ব্যবহৃত জিনিসগুলো পরিদর্শন করেন। পরে, ওই বাড়ির দোতলার ঘরগুলিও তিনি ঘুরে দেখেন। দোতলা বাড়ির বারান্দাতে উঠে উপস্থিত সমর্থক মানুষদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়েন। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির সঙ্গে দলের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সভাপতি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার, অনুপম হাজরা, রাঁচির মেয়র আশা লাকড়া, অমিত মালব্য, বিজেপির হাওড়া গ্রামীণ জেলার সভাপতি অরুণ উদয় পাল চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এদিন সেখানে এক জাতীয় পতাকা বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন নাড্ডা। জে পি নাড্ডার সফর উপলক্ষে দেউলটির সামতাবেড়ে শরৎচন্দ্রের বসতবাড়ি এলাকাকে সকাল থেকেই কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়। দুপুরে জে পি নাড্ডা সেখানে আসেন। ১.৪০ নাগাদ তিনি দেউলটি আসেন। প্রায় আধ ঘন্টা ছিলেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share