Tag: Madhyom

Madhyom

  • Daily Horoscope 06 July 2025: নিজের স্বপ্ন পূরণ করার সুযোগ পাবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 06 July 2025: নিজের স্বপ্ন পূরণ করার সুযোগ পাবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজকের দিনটি অশুভ প্রমাণিত হতে পারে।

    ২) চিন্তাভাবনা ও কাজের প্রতি অধিক মনোযোগী হন।

    ৩) নিজের প্রয়োজনীয়তা বোঝার ও তা পুরো করার চেষ্টা করুন।

    বৃষ

    ১)  আজকের দিনটি ভালো।

    ২) কাজে বড়সড় সাফল্য লাভ করতে পারবেন।

    ৩) আর্থিক লাভ হবে।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি ভালো।

    ২) কাজে সফল হলে আপনাদের আর্থিক পরিস্থিতি উন্নত হবে।

    ৩) পরিবারের সঙ্গে অধিক সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন।

    কর্কট

    ১) আজকের দিনটি অনুকূল নয়।

    ২) কাজকর্মে সমস্যার সম্মুখীন হবেন।

    ৩) দায়িত্ব পূরণের জন্য চেষ্টা করতে হবে।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি অনুকূল নয়।

    ২) কাজকর্মে সমস্যা হতে পারে।

    ৩) সাফল্য লাভের জন্য অধিক প্রচেষ্টা করতে হবে।

    কন্যা

    ১) আজকের দিনটি খুব ভালো।

    ২) কাজের ভালো ফল পাবেন।

    ৩) পুরনো লগ্নির মাধ্যমে ভালো রিটার্ন পাবেন।

    তুলা

    ১) আজকের দিনটি অত্যন্ত শুভ।

    ২) সমস্ত অসম্পূর্ণ স্বপ্ন পূরণ হবে।

    ৩) মনে আনন্দ থাকবে।

    বৃশ্চিক

    ১) আজকের দিনটি বিশেষ অনুকূল নয়।

    ২) কাজে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

    ৩) চাকরিতে আর্থিক লাভের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ধনু

    ১) আজকের দিনটি খুব ভালো থাকবে।

    ২) নিজের স্বপ্ন পুরো করার সুযোগ পাবেন।

    ৩) কেরিয়ারে ভালো সুযোগ পাবেন।

    মকর

    ১) আজকের দিনটি সাধারণত অনুকূল নয়।

    ২) ব্যবসা ও কর্মক্ষেত্রে সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন।

    ৩) কাজের বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

    কুম্ভ

    ১) অসম্পূর্ণ ইচ্ছা পূরণ হবে।

    ২) স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

    ৩) ব্যস্ততায় দিনটি অতিবাহিত হবে।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি বিশেষ ভালো নয়।

    ২) ব্যবসা বা চাকরিতে আর্থিক লোকসান সম্ভব।

    ৩) আর্থিক বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • BJP: জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন বিজেপির

    BJP: জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Shyama Prasad Mukherjee) জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করল বিজেপি। রবিবার সকালে দিল্লিতে শ্যামাপ্রসাদকে শ্রদ্ধা জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব, দিল্লি বিজেপির (BJP) সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেবা, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা এবং অন্যান্য দলীয় নেতারা। এদিন রেখা বলেন, এই দেশের মাটিতে যদি কেউ প্রথম জাতীয়তাবাদের বীজ বপন করে থাকেন, তাহলে তিনি হলেন ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি। তিনি দেশে প্রথমে রাষ্ট্র এই চেতনা জাগিয়ে তুলেছিলেন। তৎকালীন বিভিন্ন সরকার যখন দেশীয় স্বার্থের পরিপন্থী কোনও সিদ্ধান্ত নিচ্ছিল, তখন তিনি মন্ত্রীত্ব পদে ইস্তফা দেন। ভারতের ঐক্যের জন্য লড়াইও করেছিলেন তিনি। একটি দেশের দুটি সংবিধান, দুটি প্রধান এবং দুটি পতাকা থাকতে পারে না – এ কথা বলার সাহস ছিল তাঁর।

    কী বললেন যোগী (BJP)

    শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির ১২৫তম জন্ম বার্ষিকীতে তাঁকে শ্রদ্ধা জানালেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও। লখনউতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগী তাঁকে একজন শিক্ষাবিদ হিসেবে উল্লেখ করেন। উল্লেখ করেন শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর অবদানের কথাও। ১৯৪৩ সালে বাংলার দুর্ভিক্ষের সময় তাঁর সেবার কথাও স্মরণ করেন যোগী। ১৯০১ সালের ৬ জুলাই জন্ম শ্যামাপ্রসাদের। মাত্র ৩৩ বছর বয়সে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বকনিষ্ঠ উপাচার্য হয়েছিলেন। তিনি ছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামীও। যোগী বলেন, সরকার যখন জম্মু-কাশ্মীরকে পৃথক মর্যাদা দেওয়ার চেষ্টা করছিল, তখন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছিলেন শ্যামাপ্রসাদ। তিনি বেলন, শ্যামাপ্রসাদের স্বপ্ন পূরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি জম্মু-কাশ্মীরকে মূলধারায় নিয়ে এসেছিলেন (BJP)।

    জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা

    শ্যামাপ্রসাদকে এদিন শ্রদ্ধা জানিয়েছে বঙ্গ বিজেপিও। বিজেপির নয়া রাজ্য সভাপতি পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জানান জনসংঘের এই প্রতিষ্ঠাতাকে। কিছুদিন আগেই তাঁর বলিদান দিবস ছিল। সেদিন কেওড়াতলা মহাশ্মশানে গিয়ে তাঁকে শ্রদ্ধা জানান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভায়ও তিনি মাল্যদান করেছিলেন শ্যামাপ্রসাদের মূর্তিতে। কেওড়াতলায় গিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে এসেছিলেন বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সম্পাদক রাহুল সিনহাও। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপি কার্যালয়ে শ্যামাপ্রসাদকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেছিলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও।

    ভারত কেশরী শ্যামাপ্রসাদকে শ্রদ্ধা জানিয়েছে ত্রিপুরা সরকারও। একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি জানান, আগরতলা টাউন হলের নাম পরিবর্তন করে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির (Shyama Prasad Mukherjee) নামে করা হবে (BJP)।

  • Arijit Singh: জনপ্রিয়তায় শীর্ষে! অরিজিতের টেক্কা হলিউডের তারকাদের

    Arijit Singh: জনপ্রিয়তায় শীর্ষে! অরিজিতের টেক্কা হলিউডের তারকাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হলিউডের তাবড় তারকাদের পিছনে ফেললেন বাংলার গায়ক অরিজিত্‍ সিং (Arijit Singh)। সঙ্গীত স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম স্পটিফাইয়ে ফলোয়ারের সংখ্যায় তিনিই এখন বিশ্বের সেরা শিল্পী। ২০২৫ সালের ১ জুলাই পর্যন্ত অরিজিৎ সিংয়ের ফলোয়ারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫১ মিলিয়ন, যা তাকে টেলর সুইফট, এড শিরান, বিলি আইলিশ, এমনকী কে-পপ ব্যান্ড বিটিএসের চেয়েও এগিয়ে দিয়েছে।

    জনপ্রিয়তার নিরিখে কোথায় কারা

    ২০১৯ সালে ভারতে এসেছে স্পটিফাই। ছয় বছর সময় পেয়েছেন ভারতের শিল্পীরা। তার মধ্যে অরিজিত্‍ (Arijit Singh) যেভাবে এশিয়া থেকে উঠে এলেন তালিকার শীর্ষে, তা নিয়ে এখন চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে। অরিজিৎ সিংয়ের অনুষ্ঠান মানেই মানুষের উপচে পড়া মানুষের ভিড়। তাঁর গানের মূর্ছনায় মুহূর্তে ভাসেন অনুরাগীরা। তাঁর গান যেমন আনন্দ দেয়, তেমনই অবলীলায় আবেগে ভাসাতে পারে। বিশ্বের সংগীতমঞ্চে ইতিহাস গড়লেন অরিজিৎ সিং। আন্তর্জাতিক পপ আইকনদের পিছনে ফেলে স্পটিফাই (Spotify)-র সবচেয়ে বেশি ফলোয়ারের মালিক এখন বাংলার ছেলে! এই মুহূর্তে স্পটিফাই-তে তাঁর ফলোয়ার সংখ্যা ছুঁয়েছে ১৫১ মিলিয়ন—যেখানে আমেরিকান সুপারস্টার টেলর সুইফট রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে (১৩৯.৬ মিলিয়ন) এবং ব্রিটিশ গায়ক এড শিরান তৃতীয় (১২১ মিলিয়ন)। সপ্তাহের শুরুতেই চার্টমাস্টার্স (Chartmasters) এবং ভোল্ট।এফএম (Volt.fm)-এর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তালিকার চতুর্থ স্থানে রয়েছেন বিলি আইলিশ (১১৪ মিলিয়ন), আর পঞ্চম স্থানে দ্য উইকেন্ড (১০৭.৩ মিলিয়ন)। এই শীর্ষ দশের তালিকায় আছেন আরও কিছু হেভিওয়েট নাম—আরিয়ানা গ্র্যান্ডে, এমিনেম, ড্রেক, ব্যাড বান্নি এবং জাস্টিন বিবার।

    অনুরাগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে

    বিশ্বমানের শিল্পী, জগৎজোড়া খ্যাতি। তবু থাকেন মাটির কাছাকাছি। শিকড়ের টানে মুম্বই ছেড়ে আসেন জন্মভিটে জিয়াগঞ্জে। সেখানেই দুই ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে সংসার। সাফল্য ও অর্থ নাকি মানুষের মাথা ঘুরিয়ে দেয়। কিন্তু সেখানেই সকলের থেকে আলাদা অরিজিৎ (Arijit Singh)। তাঁকে নিয়ে এমনটাই দাবি করেছেন সমসাময়িকরা। অর্থ, প্রতিপত্তি কম নেই, কিন্তু দেখনদারি নেই অরিজিতের। জিয়গঞ্জের বাড়ি ছাড়া নাভি মুম্বইয়ে একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট আছে তাঁর এ ছাড়াও প্রায় ৩ কোটির গাড়ি রয়েছে। যদিও অধিকাংশ সময় স্কুটি করেই ঘুরতে দেখা যায় তাঁকে। পোশাকেও নেই কোনও বাহুল্য। মাটির কাছাকাছি থাকতেই ভালবাসেন গায়ক। ২০২৪ সালে অরিজিৎ সিংয়ের গাওয়া কেশরিয়া, তুম কেয়া মিলে, ধুন, জানে তু গানগুলো স্থান পেয়েছে বছরের সর্বাধিক স্ট্রিমিং হওয়া গানের তালিকায়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তাঁর অনুরাগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

  • Shrikant Jichkar: তাঁর ঝুলিতে ৪২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি, চিনে নিন ভারতের সব চেয়ে শিক্ষিত ব্যক্তিকে

    Shrikant Jichkar: তাঁর ঝুলিতে ৪২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি, চিনে নিন ভারতের সব চেয়ে শিক্ষিত ব্যক্তিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর ঝুলিতে রয়েছে ৪২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি। এর মধ্যে ২০টি আলাদা আলাদা বিষয়ে। মনে করা হয়, তিনিই (Shrikant Jichkar) ভারতের (India) সর্বাপেক্ষা শিক্ষিত ব্যক্তি। জীবনে একটা ডিগ্রি অর্জন করতেই কালঘাম ছুটে যায় পড়ুয়াদের একটা বড় অংশের। স্নাতকোত্তরের পর আরও উচ্চশিক্ষিত হতে আর পরিশ্রম করতেই চান না অধিকাংশ মানুষ। তাই স্নাতকোত্তেরর পর পড়াশোনা ছেড়ে চাকরির বাজারে লাইন দেন ছেলেমেয়েরা। এহেন আবহে তাঁর ঝুলিতে রয়েছে ২০টি ডিগ্রি। যে ভারতীয়কে নিয়ে কথা হচ্ছে, তিনি হলেন শ্রীকান্ত জিচকার। দেশের সর্বাধিক ডিগ্রি লাভের পাশাপাশি রাজনীতিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। মাত্র ২৬ বছর বয়সে তিনি হয়েছিলেন বিধায়ক। সেই সময় তিনিই দেশের সর্বকনিষ্ঠ বিধায়ক ছিলেন।

    শ্রীকান্তের জন্ম মারাঠি পরিবারে (Shrikant Jichkar)

    বিস্ময়কর এই মানুষটির জন্ম ১৯৫৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর নাগপুরের একটি মারাঠি পরিবারে। উচ্চ মাধ্যমিকের পাঠ চুকিয়ে তিনি ভর্তি হন নাগপুরের একটি মেডিক্যাল কলেজে। সেখানেই তিনি প্রথমে করেন এমবিবিএস এবং পরে এমডি। এই দুই ডিগ্রি অর্জনের পর শ্রীকান্ত পড়াশোনা করতে শুরু করেন আইন নিয়ে। স্নাতক হওয়ার পর স্নাতকোত্তর করেন আন্তর্জাতিক আইনে। আইনের পাঠ চুকিয়ে শ্রীকান্ত (Shrikant Jichkar) পড়াশোনা করতে শুরু করেন বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন নিয়ে। পরে স্নাতক হন সাংবাদিকতায়। সংস্কৃতে ডিলিটও পান শ্রীকান্ত। এর পর একে একে শ্রীকান্ত সমাজবিজ্ঞান, অর্থনীতি, ইতিহাস, ইংরেজি সাহিত্য, দর্শন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, প্রত্নতত্ত্ব এবং মনোবিজ্ঞানের মতো বিষয়ে ডিগ্রিও অর্জন করেছিলেন তিনি।

    ৪২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় বসেছিলেন

    চিত্রাঙ্কন, ফোটোগ্রাফি এবং অভিনয়েও ডিগ্রি লাভ করেছিলেন শ্রীকান্ত। ১৯৭৩ থেকে ১৯৯০ সালের মধ্যে ৪২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় বসেছিলেন তিনি। দু’-দু’বার উত্তীর্ণ হয়েছিলেন ইউপিএসসি পরিচালিত প্রবেশিকা পরীক্ষায়। প্রথমবার পাশ করে শ্রীকান্ত হন আইপিএস। পরে পদত্যাগ করে ফের পরীক্ষা দিয়ে আইএএস হন ১৯৮০ সালে। মাস চারেক ধরে আইএএসের চাকরি করে সব ছেড়েছুড়ে শ্রীকান্ত চলে আসেন রাজনীতিতে। ১৯৮০ সালেই মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রতীকে জিতে বিধায়ক হন তিনি। পরে হয়েছিলেন মহারাষ্ট্রের প্রভাবশালী মন্ত্রীও। ১৯৯২ থেকে ১৯৯৮ সাল (India) পর্যন্ত রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন শ্রীকান্ত। ২০০৪ সালের ২ জুন একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় শ্রীকান্তের (Shrikant Jichkar)। সেই সময় তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্রই ৫১।

  • Supreme Court: চন্দ্রচূড় কেন দখল করে রেখেছেন সরকারি বাংলো? কেন্দ্রকে চিঠি সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: চন্দ্রচূড় কেন দখল করে রেখেছেন সরকারি বাংলো? কেন্দ্রকে চিঠি সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতির পদ থেকে অবসর নিয়েছেন বছরখানেক আগে। স্বাভাবিকভাবেই হারিয়েছেন সরকারি বাসভবনে থাকার অধিকারও। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় (Supreme Court) তার পরেও সরকারি বাংলো দখল করে রেখেছেন বলে অভিযোগ। এ নিয়ে কেন্দ্রের মোদি সরকারকে চিঠি দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। চিঠিতে (DY Chandrachud) জানানো হয়েছে, অবিলম্বে ওই বাংলো খালি করার ব্যবস্থা করতে হবে এবং শীর্ষ আদালতের বর্তমান বিচারপতিদের জন্য সেটি বরাদ্দ করতে হবে।

    চন্দ্রচূড়কে নিয়ে প্রশ্ন (Supreme Court)

    বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বিআর গাভাই। তাঁকে নিয়ে দেশের শীর্ষ আদালতে বিচারপতির সংখ্যা ৩৩, যদিও থাকার কথা ৩৪। এই ৩৩ জনের মধ্যে এখনও পর্যন্ত বাড়ি বরাদ্দ করা যায়নি চারজন বিচারপতির জন্য। এঁদের মধ্যে তিনজন রয়েছেন আদালতের ট্রানজিট আবাসনে, একজন অতিথিশালায়। কৃষ্ণ মেনন মার্গে রয়েছে ৫ নম্বর বাংলো। এটিই বরাদ্দ করা হয় প্রধানবিচারপতিদের। অবসর নেওয়ার পরেও সেই বাংলো এখনও কেন চন্দ্রচূড় দখল করে রেখেছেন, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। যার জেরে কেন্দ্রকে চিঠি লিখল দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court)।

    কী বললেন চন্দ্রচূড়?

    এ প্রসঙ্গে চন্দ্রচূড় বলেন, “সরকারের তরফে ভাড়ায় নেওয়া বিকল্প বাসস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। তবে বাড়িটি দু’বছর ধরে বন্ধ পড়েছিল। সেখানে সংস্কারের কাজ চলছে। সুপ্রিম কোর্টকে সেকথা জানিয়েওছিলাম। বাড়ির কাজ শেষ হলে পরের দিনই বাংলো ছেড়ে দেব বলেও জানিয়েছিলাম।” তিনি বলেন, “বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন দুই মেয়ে আছে আমার। গুরুতর কোমর্বিডিটিজ রয়েছে ওদের, জিনগত কিছু সমস্যাও রয়েছে, বিশেষ করে নেমালিন মায়োপ্যাথি। এইমসে ওদের চিকিৎসাও চলছে। এগুলো আমার ব্যক্তিগত সমস্যা, জানি। আদালতকেও জানিয়েছি। আর কিছুদিনের ব্যাপার। সর্বোচ্চ পদে আসীন ছিলাম আমি। নিজের দায়িত্ববোধ সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত। তবে অতীতে অন্য বিচারপতিদের নির্ধারিত সময়ের পরও বাসভবন ধরে রাখতে দেওয়া হয়েছে।”

    প্রসঙ্গত, কেন্দ্রকে লেখা চিঠিতে আদালত লিখেছে, ‘দেরি না করে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের কাছ থেকে অবিলম্বে কৃষ্ণ মেনন মার্গের ৫ নম্বর বাংলোটির দখল নিন। ৩১ মে পর্যন্ত বাংলোটি ধরে রাখার যে সময়সীমা ছিল, তা পেরিয়ে গিয়েছে (DY Chandrachud)। ৩বি বিধির আওতায় ১০ মে পর্যন্ত নির্ধারিত ছ’মাসের সময়সীমাও পেরিয়ে গিয়েছে (Supreme Court)।

  • Rath yatra 2025: মুসলমান ভক্তকে দর্শন দিতে যাত্রা পথে দাঁড়ায় জগন্নাথের রথ!

    Rath yatra 2025: মুসলমান ভক্তকে দর্শন দিতে যাত্রা পথে দাঁড়ায় জগন্নাথের রথ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরীর মন্দিরে বিধর্মীদের প্রবেশাধিকার নেই। প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকেও জগন্নাথ দর্শন না করেই পুরী থেকে ফিরতে হয়েছিল শুকনো মুখে (Muslim Devotee)। তবে পুরীর রথযাত্রার (Rath yatra 2025) সঙ্গে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে রয়েছে ভগবান জগন্নাথের এক মুসলমান ভক্তের কাহিনি। আজ আমরা জানব সেই চমকপ্রদ কাহিনি।

    ভক্ত সালবেগা (Rath yatra 2025)

    ওড়িশার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব হল জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা। চন্দ্র মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়ায় রথে চড়ে মাসির বাড়ি গুন্ডিচা মন্দিরে যান জগন্নাথ, বলরাম এবং শুভদ্রা। আটদিন মাসির বাড়িতে কাটিয়ে ত্রিদেব ফিরে যান শ্রীমন্দিরের রত্নবেদিতে। এই রথযাত্রার সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছেন জগন্নাথের মুসলিম ভক্ত সালবেগার ভক্তিগাথা। তিনি ছিলেন ওড়িশার ভক্ত-কবি। মুসলমান পরিবারে জন্ম নিয়েও তিনি তাঁর পুরো জীবন উৎসর্গ করেছিলেন জগন্নাথদেবের উপাসনায়।

    জীবন উৎসর্গ করেন জগন্নাথের সেবায়

    এক মুঘল সুবেদার ও হিন্দু ব্রাহ্মণ মহিলার পুত্র সালবেগা। এক মারাত্মক আঘাত পেয়েও দৈবীবলে বেঁচে যাওয়ায় তিনি হয়ে ওঠেন জগন্নাথ দেবের একনিষ্ঠ ভক্ত। তিনি স্বপ্নে দেখেন, জগন্নাথ স্বয়ং তাঁর চিকিৎসা করছেন। আর তিনি প্রতিদিনই সুস্থ হচ্ছেন একটু একটু করে। সুস্থ হয়ে উঠে সালবেগা তাঁর জীবন উৎসর্গ করেন জগন্নাথের সেবায়। রচনা করেন চিরস্মরণীয় একাধিক ভজন ও ভক্তিগীতি। এর মধ্যে সব চেয়ে জনপ্রিয় হল ‘আহে নীলা শৈল’ (Rath yatra 2025)।

    কিংবদন্তী অনুসারে, একবার রথযাত্রার সময় মাঝ পথে আচমকাই থেমে যায় জগন্নাথের রথ। খবর পেয়ে ছুটে আসেন সালবেগা। তারপর ফের রথ চলতে শুরু করে। পরে ওই জায়গায় একটি মন্দির নির্মাণ করা হয়। সালবেগার প্রতি জগন্নাথদেবের ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে আজও ওই মন্দিরের সামনে কয়েক মুহূর্তের জন্য থেমে যায় জগন্নাথদেবের রথ। সালবেগার ভক্তিভাবনায় পরিপূর্ণ ভজন ও গান আজও মুখে মুখে ফেরে ওড়িশাবাসীর। স্থানীয়দের বিশ্বাস, সেই গানের মাধ্যমে (Muslim Devotee) ভক্ত সালবেগার ভক্তিরস পৌঁছে যায় স্বয়ং জগন্নাথ দেবের কানে।

    তিনি যে ভক্তের ভগবান (Rath yatra 2025)!

  • Amaranth Yatra: প্রবল বৃষ্টি উপেক্ষা করেই রবিবার অমরনাথের পথে ফের ৭ হাজারেরও বেশি পুণ্যার্থী

    Amaranth Yatra: প্রবল বৃষ্টি উপেক্ষা করেই রবিবার অমরনাথের পথে ফের ৭ হাজারেরও বেশি পুণ্যার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩ জুলাই শুরু হয়েছে অমরনাথ যাত্রা (Amaranth Yatra)। ইতিমধ্যেই দেবদর্শন করে ফেলেছেন ৫০ হাজারেরও বেশি তীর্থযাত্রী (Holy Cave)। রবিবার ভোরে জম্মুর বেস ক্যাম্প থেকে ফের রওনা দিলেন ৭ হাজার ২০০ জনেরও বেশি পুণ্যার্থীর একটি দল। ৩ জুলাই শুরু হওয়া এই তীর্থযাত্রা চলবে ৩৮ দিন ধরে। এদিন যে পুণ্যার্থীর দল অমরনাথ গুহার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ১ হাজার ৫৮৭ জন নারী এবং ৩০ জন শিশু। ভগবতী নগর বেস ক্যাম্প থেকে এদিন ভোর ৩.৩৫ থেকে ৪.১৫-এর মধ্যে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে পৃথক দুটি কনভয়ে যাত্রা শুরু করেন তীর্থযাত্রীরা। বুধবারের পর সব চেয়ে বড় তীর্থযাত্রীর দল এদিন রওনা দেন দেব দর্শনে।

    অমরনাথের পথে (Amaranth Yatra) 

    পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ডের জেরে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে অমরনাথ যাত্রাপথে। এদিন প্রথম কনভয়ে ছিল ১৪৭টি গাড়ি। এই গাড়িগুলি ৩ হাজার ১৯৯ জন তীর্থযাত্রী নিয়ে গাঁদারবাল জেলার খাড়া ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ বালতাল রুটে যাত্রা শুরু করে। দ্বিতীয় কনভয়ে গাড়ি ছিল ১৬০টি, পুণ্যার্থী ছিলেন ৪ হাজার ৯জন। এঁরা যাত্রা করেন অনন্তনাগ জেলার ঐতিহ্যবাহী ৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ পহেলগাঁও রুটে। শনিবার রাতভর প্রবল বৃষ্টি হয়েছে জম্মুতে। এদিন ভোরেও বৃষ্টি হচ্ছিল ঝমঝমিয়ে। বৃষ্টি উপেক্ষা করেই দেব দর্শনের বেরিয়ে পড়েন তীর্থযাত্রীরা। ইতিমধ্যেই ৫০ হাজার তীর্থযাত্রী পৌঁছেছেন ৩ হাজার ৮৮০ মিটার উচ্চতার গুহা মন্দিরে।

    নাম নথিভুক্ত করেছেন তিন লাখেরও বেশি মানুষ 

    জানা গিয়েছে, এখনও (Amaranth Yatra) পর্যন্ত সাড়ে তিন লাখেরও বেশি মানুষ তীর্থযাত্রার জন্য অনলাইনে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করেছেন। জম্মুজুড়ে ৩৪টি আবাসন কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। তীর্থযাত্রীদের দেওয়া হয়েছে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন ট্যাগ। পুণ্যার্থীদের নাম নথিভুক্ত করণের উদ্দেশ্যে খোলা হয়েছে ১২টি কাউন্টার।

    প্রসঙ্গত, গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁও হামলায় বেছে বেছে হত্যা করা হয় ২৬ জন হিন্দু পর্যটককে। তার পরেও পুণ্য যাত্রায় অংশ নিয়েছে হাজার হাজার মানুষ। তবে (Holy Cave) জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় বহুস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে ভগবতীনগর বেস ক্যাম্প (Amaranth Yatra)।

  • PM Modi: ব্রাজিলে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী, পরিবেশিত নৃত্যের থিম ‘অপারেশন সিঁদুর’

    PM Modi: ব্রাজিলে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী, পরিবেশিত নৃত্যের থিম ‘অপারেশন সিঁদুর’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে শেষমেশ ব্রাজিলে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এর আগে তিনি সফর করেছেন তিন দেশ। ব্রাজিল (Brazil) হল চতুর্থ দেশ। ভারতে ফেরার পথে তিনি আসবেন নাবিমিয়া হয়ে। ব্রাজিলে পৌঁছে যারপরনাই উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ব্রাজিলের ভারতীয় সম্প্রদায়ের সদস্যরা রিও ডি জেনেইরোয় খুবই উজ্জ্বল ও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন। তাঁরা কীভাবে এখনও ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন এবং ভারতের উন্নয়ন নিয়ে এতটাই আগ্রহী — তা সত্যিই বিস্ময়কর!”

    নৃত্যের থিম নেওয়া অপারেশন সিঁদুর থেকে (PM Modi)

    ব্রাজিলে পৌঁছানোর পর ভারতীয় সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে এক প্রাণবন্ত অভ্যর্থনা পান প্রধানমন্ত্রী। এই অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল একটি সাংস্কৃতিক নৃত্য পরিবেশনা, যার থিম অপারেশন সিঁদুর থেকে নেওয়া। এদিন রিও ডি জেনেইরোর হলঘরটি প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছিল ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় নৃত্য ও লোকসঙ্গীতের ছোঁয়ায়। প্রধানমন্ত্রী নিজেও প্রশংসা ও করতালির মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান। পরে তিনি নৃত্যশিল্পীদের সঙ্গে ছবিও তোলেন এবং তাঁদের উৎসাহিত করেন। এই নৃত্যশিল্পীদের মধ্যে ছিলেন রেখাও। তিনি বলেন, “আমরা প্রধানমন্ত্রী মোদীর জন্য একটি আধা-ধ্রুপদী নৃত্যের পরিকল্পনা করেছিলাম। এটি অপারেশন সিঁদুরকে কেন্দ্র করে তৈরি করা হয়েছিল এবং আমাদের সাহসী সৈন্যদের প্রতি আন্তরিকভাবে উৎসর্গ করা হয়েছিল।”

    কী বলছেন স্থানীয়রা?

    আর একজন অংশগ্রহণকারী স্নেহা বলেন, “আমি আমাদের পরিবেশনায় অপারেশন সিঁদুরের একটি চিত্রকর্ম অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম। মহিলা শিল্পী হিসেবে আমরা এটি প্রধানমন্ত্রী মোদীর পাশাপাশি শক্তি এবং অনুপ্রেরণার প্রতিনিধিত্বকারী ব্যোমিকা সিং এবং সোফিয়া কুরেশিকে উৎসর্গ (PM Modi) করেছি।” উত্তেজনা কেবল শিল্পীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, ব্রাজিলের বাসিন্দারাও প্রধানমন্ত্রীর আগমনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদীর সফর দেখে আমি রোমাঞ্চিত। এটা ব্রাজিলের জন্য সত্যিই সম্মানের।” আর একজন বলেন, “এটা স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো মনে হচ্ছে। আমরা খুব ভাগ্যবান যে তাঁর সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পেয়েছি। আমরা কতটা গর্বিত তা প্রকাশ করার কোন ভাষা নেই।”

    প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী রিও ডি জেনিরোয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন। এই সম্মেলন হবে ৬-৭ জুলাই। এই সফরে তিনি ব্রাজিলের (Brazil) রাষ্ট্রপতি লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভারের সঙ্গে বৈঠক করবেন। শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে তিনি কয়েকজন বিশ্বনেতার সঙ্গে পার্শ্ববৈঠকও করতে পারেন বলে খবর (PM Modi)।

  • Elon Musk: নয়া দল গড়লেন ইলন মাস্ক, পার্টির নাম কি জানেন?

    Elon Musk: নয়া দল গড়লেন ইলন মাস্ক, পার্টির নাম কি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার পুরোদস্তুর রাজনীতিক হয়ে গেলেন মার্কিন বিলিয়নেয়ার ইলন মাস্ক (Elon Musk)। শনিবার একটি নয়া দল গঠনের কথা ঘোষণা করেন তিনি। দলের নাম আমেরিকা পার্টি। দল গড়ার আগে অনেক কাঠখড় পুড়িয়েছেন এই ধনকুবের। সোশ্যাল মিডিয়া এক্স হ্যান্ডেলে নয়া দলের ধারণা (Donald Trump) নিয়ে জনমত যাচাই করতে ভোটাভুটি করিয়েছিলেন তিনি। সেখানে মেলে বিপুল সাড়া। তার পরেই ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘বিগ বিউটিফুল বিল’ পাশ হওয়ার পরেই নয়া রাজনৈতিক দল খুলে ফেললেন মাস্ক। নয়া পার্টির ঘোষণা করে এক্স হ্যান্ডেলে মাস্ক লেখেন, ‘২ টু ১ এর ফ্যাক্টরে আপনারা একটি নয়া রাজনৈতিক দল চান এবং আপনি সেটাই পাবেন। আজ আমেরিকা পার্টি আপনাকে আপনার স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য গঠিত হয়েছে।’

    মাস্কের হুঁশিয়ারি (Elon Musk)

    প্রসঙ্গত, ট্রাম্প যখন দ্বিতীয়বারের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে বসেন, তার আগে তাঁর হয়ে প্রচারে শত শত মিলিয়ন ডলার ঢেলেছিলেন মাস্ক। ট্রাম্প ক্ষমতায় বসে মাস্ককে বসিয়েছিলেন ডিপার্টমেন্ট অফ গভর্নমেন্ট এফিসিয়েন্সির নেতৃত্বে। সরকারি ব্যয় হ্রাস করার পক্ষে ছিলেন মাস্ক। পরে নানা কারণে ট্রাম্পের সঙ্গে মতবিরোধ দেখা দেয় মাস্কের। ট্যাক্স কাট এবং ব্যয় বিল – দ্য বিগ বিউটিফুল বিল নিয়ে ট্রাম্প-মাস্কের বিরোধ চরমে ওঠে। মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই সামান্য ব্যবধানে পাশ হয়ে যায় ট্রাম্পের বিল। এর পরেই মাস্ক হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, এই বিল আইনে পরিণত হলে নয়া দল গড়বেন তিনি। মাস্কের বক্তব্য, ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানরা আসলে একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। ৪ জুলাই বিলটিতে সই করেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি। বিলটি পরিণত হয় আইনে। তার পরেই এদিন মাস্ক জন্ম দেন আমেরিকান পার্টির।

    সিঁদুরে মেঘ দেখছেন রিপাবলিকানরা

    মাস্ক (Elon Musk) নয়া দল খোলায় সিঁদুরে মেঘ দেখছেন রিপাবলিকানরা। কারণ মাস্কের সমর্থকদের সিংহভাগই রিপাবলিকান। আগামী বছর মধ্যবর্তী কংগ্রেসনাল নির্বাচনে মাস্কের দল নির্বাচনী ময়দানে নামলে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ট্রাম্পের দল। ভোট কাটাকুটির খেলার সুযোগ নিতে পারেন ডেমোক্র্যাটরা। মার্কিন কংগ্রেসে আটকে যেতে পারে বহু বিল। ট্রাম্প (Donald Trump) প্রেসিডেন্ট পদ না খোয়ালেও, ক্ষমতার রাশ রিপাবলিকানদের হাতে নাও থাকতে পারে (Elon Musk)।

  • PM Modi: ফের বঙ্গ সফরে প্রধানমন্ত্রী, ১৮ জুলাই জনসভা দুর্গাপুরে

    PM Modi: ফের বঙ্গ সফরে প্রধানমন্ত্রী, ১৮ জুলাই জনসভা দুর্গাপুরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসেই ফের বাংলায় আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ১৮ জুলাই তিনি সভা করতে পারেন দক্ষিণবঙ্গের দুর্গাপুরে। ২১ জুলাই তৃণমূলের সমাবেশ হবে ধর্মতলায় (Samik Bhattacharya)। তার ঠিক তিন দিন আগেই প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে এ রাজ্যে সভা করিয়ে তৃণমূলকে মাত দিতে চাইছে মোদি-শাহের দল। বাংলার নয়া রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে পাশে নিয়েই ওই সভা করতে পারেন মোদি। বিহারে নির্বাচনী প্রচারে যাওয়ার আগেই দুর্গাপুরে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। বিহার যাওয়ার পথে দুর্গাপুর ছুঁয়ে যাওয়া নিয়ে দিল্লি থেকে যোগাযোগ করা হয়েছিল বঙ্গ বিজেপির নেতৃত্বের সঙ্গে। তখনই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, বাংলায় একটি সভা করতে চান প্রধানমন্ত্রী। সভা সেরে তিনি চলে যাবেন বিহারে। তার আগেই তিনি সভা করবেন দুর্গাপুরে।

    জনসভা হবে দুর্গাপুরে (PM Modi)

    দিল্লির কথা শুনে রাজ্য নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নেন প্রধানমন্ত্রীর জনসভা হবে ১৮ জুলাই, দুর্গাপুরে। এজন্য দু’টি মাঠ পছন্দ হয়েছে পদ্ম নেতৃত্বের। এর মধ্যেই চূড়ান্ত করা হবে একটি (PM Modi)। দমদম বিমানবন্দর থেকে নোয়াপাড়া পর্যন্ত মেট্রো রেলের কাজ প্রায় সম্পূর্ণ হয়ে এসেছে। এটি উদ্বোধন করার কথা প্রধানমন্ত্রীর। কিন্তু নানা কারণে বার বার পিছিয়ে গিয়েছে সেটি। এই সমাবেশ থেকেই যাতে প্রধানমন্ত্রী মেট্রোরেলের উদ্বোধন করেন, সেজন্য তৎপরতা শুরু করে দিয়েছেন মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ।

    পঞ্চবাণে বিদ্ধ করেছিলেন তৃণমূলকে

    এর আগে ২৯ মে রাজ্যে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। আলিপুরদুয়ারের সভা থেকে হিংসা, অরাজকতা, নারীর নিরাপত্তাহীনতা, বেকারত্ব, দুর্নীতি এবং গরিবের অধিকার হরণ – এই পঞ্চবাণে বিদ্ধ করেছিলেন রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে। সেদিন তিনি বলেছিলেন, “আজ বাংলা এক সঙ্গে একাধিক সঙ্কটে। প্রথম সঙ্কট সমাজে হিংসা ও অরাজকতা। দ্বিতীয় সঙ্কট মা-বোনেদের নিরাপত্তাহীনতা (PM Modi), তাঁদের বিরুদ্ধে ঘটে চলা জঘন্য অপরাধ। তৃতীয় সঙ্কট, তরুণ সমাজের মধ্যে বাড়তে থাকা বেকারত্ব ও হতাশা। চতুর্থ সঙ্কট দুর্নীতি। এখানে সিস্টেমের ওপর বিশ্বাস কমেছে। আর পঞ্চম সঙ্কট হল গরিবের হক ছিনিয়ে নেওয়ার শাসক দলের স্বার্থের রাজনীতি।” ১৮ জুলাই ফের রাজ্যে এসে প্রধানমন্ত্রী রাজ্যের শাসক দলকে কোনও তিরে বিদ্ধ করেন, এখন তা-ই দেখার।

    শমীককে নিয়ে সভা!

    ৩ জুলাই রাজ্য বিজেপির নয়া সভাপতি হয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। বিজেপি সূত্রের খবর, তাঁকে পাশে নিয়েই দুর্গাপুরে জনসমাবেশ করবেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপির এই সভার প্রস্তুতির জন্য ইতিমধ্যেই সাত সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। ২১ জুলাই ধর্মতলায় তৃণমূলের সমাবেশ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তার আগেই প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে জনসভা করিয়ে তৃণমূলকে খানিকটা হলেও ব্যাকফুটে ঠেলে দিতে চাইছে পদ্ম শিবির।

    জনসভার প্রস্তুতিপর্ব দেখলেন বঙ্গ বিজেপির নেতারা

    গেরুয়া শিবিরের খবর, ১৮ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর জনসভার প্রস্তুতি দেখতে শনিবার দুর্গাপুরের নেহরু স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা সতীশ ধন্ড, বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক বিজেপির লক্ষ্ণণ ঘোড়ুই, বিজেপির বাঁকুড়া জেলা সভাপতি প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি, বিজেপির বর্ধমান সাংগঠনিক জেলার সভাপতি অভিজিৎ তা, সহ-সভাপতি চন্দ্রশেখর-সহ পদ্ম শিবিরের অন্যান্য নেতৃত্ব। এদিন ওই স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেন বিজেপির যুব নেতা পারিজাত গঙ্গোপাধ্যায়, জেলা মুখপাত্র সুমন্ত মণ্ডল, সম্পাদক অভিজিৎ দত্ত-সহ অন্যরা। সেখান থেকে তাঁরা গিয়েছিলেন এএসপি স্টেডিয়ামেও (Samik Bhattacharya)।

    তৃণমূলকে উৎখাত করতে পদ্ম শিবিরে নয়া রথী

    ২০২৬ সালে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে রাজ্য থেকে তৃণমূলকে উৎখাত করতে পদ্ম শিবির বেছে নিয়েছে বাগ্মী তথা লড়াকু নেতা শমীক ভট্টাচার্যকে (PM Modi)। কলকাতার সায়েন্স সিটির মঞ্চে বঙ্গ বিজেপির দায়িত্ব নিয়েই তিনি ঘোষণা করেছিলেন, “এবার আর দু’শো পার নয়, তৃণমূলের পরপার নিশ্চিত।” তিনি বলেন, “একদিন বাংলায় বিজেপি অপাঙক্তেয় ছিল। আমাদের ভোট এক শতাংশেরও নীচে ছিল। আর আজ বাংলার মানুষ তৃণমূলকে হঠিয়ে বাংলায় বিজেপি সরকার গঠনের জন্য তৈরি হচ্ছেন।” শমীক বলেছিলেন, “মমতার বিকল্প মুখ কোথায়? বাংলার মানুষ স্থির করে নিয়েছেন, ছাব্বিশের ভোটে তৃণমূলকে তাঁরা বিদায় দেবেন। কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সততার প্রতীক আর কাজে লাগছে না। দুর্নীতির সরকারকে হঠাতে মানুষ এখন বদ্ধপরিকর।”

    মাসখানেক আগে উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ারে জনসভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ১৮ জুলাই জনসভা করবেন দক্ষিণবঙ্গে। সেই সভায় প্রধানমন্ত্রী প্রচারের কী সুর বেঁধে দেন, সেদিকেই তাকিয়ে বিজেপির নেতা-কর্মী-সমর্থকরা। সেই সুর ধরেই (Samik Bhattacharya) কোমর কষে লড়াইয়ের ময়দানে নেমে পড়বেন পদ্ম নেতারা (PM Modi)।

LinkedIn
Share