Tag: Madhyom

Madhyom

  • PM Modi in Bengal: বঙ্গ সফরের আগে বিশেষ বার্তা! রাজ্যে দু’দিন কোথায়, কখন থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    PM Modi in Bengal: বঙ্গ সফরের আগে বিশেষ বার্তা! রাজ্যে দু’দিন কোথায়, কখন থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের বঙ্গ সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ১৭ তারিখ মালদহ ও ১৮ তারিখ হুগলির সিঙ্গুরে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Bengal)। কোটি কোটি টাকার রেল প্রকল্পের সূচনা করবেন মোদি। যা ভারত তথা বাংলার রেল মানচিত্রে নিয়ে আসবে বড় বদল। নিজের সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে বাংলায় আসা নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। জানিয়েছেন, কেবল মালদায় ৩,২৫০ কোটিরও বেশি টাকার উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন কিংবা শিলান্যাস হবে। হাওড়া ও গুয়াহাটির মধ্যে প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের শুভ সূচনা করা হবে।

    বঙ্গ সফরের আগে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

    নিজের পোস্টে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Bengal) লেখেন, “পশ্চিমবঙ্গে রেল পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাই আগামীকালের অনুষ্ঠানে বালুরঘাট–হিলি নতুন রেললাইন, নিউ জলপাইগুড়িতে অত্যাধুনিক মালবাহী ট্রেনের রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র, শিলিগুড়ির লোকো শেডের উন্নয়ন এবং জলপাইগুড়িতে বন্দে ভারত ট্রেনের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলির শিলান্যাস করা হবে।” পাশাপাশি, ৪টি নতুন অমৃত ভারত ট্রেনেরও শুভ সূচনা করা হবে বলেও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ১২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ মালদা স্টেশনে দেশের প্রথম হাওড়া-কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি ভার্চুয়ালি গুয়াহাটি (কামাখ্যা)–হাওড়া বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনটিরও উদ্বোধন করবেন। এর পর পৌনে ২টো নাগাদ সাহাপুর মালদা বাইপাস সংলগ্ন মাঠে মোদির সভা রয়েছে। সেখানে ৩,২৫০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের একাধিক রেল ও সড়ক পরিকাঠামো প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন তিনি। ধূপগুড়ি-ফালাকাটা (৩১ডি) জাতীয় সড়কের কিছু অংশের সংস্কার ও চার লেনের শিলান্যাস করবেন মোদি। যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহনের যাতায়াত আরও সহজ করে তুলবে এই সংস্কার এবং নতুন চার লেনের রাস্তা।

    সিঙ্গুরে রবিবার

    রবিবার ১৮ তারিখ প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi in Bengal) সরকারি সভা রয়েছে হুগলির সিঙ্গুরে। সেখান থেকে ৮৩০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। বালাগড়ে বর্ধিত বন্দর গেট সিস্টেমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এই প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে রোড ওভার ব্রিজও। বিজেপি নেতৃত্বের কথায় ১৭ জানুয়ারি উত্তরবঙ্গের রেল মানচিত্রে ঐতিহাসিক দিন হতে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর আসন্ন রাজ্য সফর সম্পর্কে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলার উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রেখেছেন এবং রেখে চলেছেন। তাঁর এই সফর এই উন্নয়নের যাত্রায় আরও একটি সংযোজন। বাংলার জনগণের উপকারের জন্য তিনি ধারাবাহিক অবদান রেখে চলেছেন।”

    প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বার্তা

    শুধু প্রকল্প উদ্বোধনই আসন্ন বিধানসভা ভোটের আগে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াইতেও অংশ নেবেন বলে হুঙ্কার দিয়ে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তাঁর মতে, রাজ্যের সাধারণ মানুষ তৃণমূলকে নিয়ে তিতিবিরক্ত। তাঁরা চায় উন্নয়নমুখী বিজেপি সরকার। নিজের পোস্টে এই বিষয়টা স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Bengal)। তিনি লেখেন, ‘আগামীকাল বিজেপির সমাবেশে আমি মালদা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষের কাছে যাওয়ার সুযোগের অপেক্ষায় আছি। প্রতিদিনই তৃণমূলের অপশাসনের কোনও না কোনও নতুন উদাহরণ সামনে আসছে। তৃণমূলের শাসনে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ তিতিবিরক্ত এবং এই সরকারকে প্রত্যাখ্যান করতে তাঁরা প্রস্তুত। মানুষ চায় উন্নয়নমুখী বিজেপি সরকার।’

  • 114 Rafale Jets: ৩.২৫ লক্ষ কোটি টাকার রাফাল চুক্তিতে সম্মতি প্রতিরক্ষা ক্রয় বোর্ডের, আগামী মাসে মাক্রঁর ভারত সফরে সই?

    114 Rafale Jets: ৩.২৫ লক্ষ কোটি টাকার রাফাল চুক্তিতে সম্মতি প্রতিরক্ষা ক্রয় বোর্ডের, আগামী মাসে মাক্রঁর ভারত সফরে সই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্স থেকে ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার প্রকল্প বাস্তবায়ন করার বিষয়ে একধাপ এগলো ভারত। শুক্রবার এই প্রস্তাবে ছাড়পত্র দিয়েছে প্রতিরক্ষা ক্রয় বোর্ড (ডিফেন্স প্রোকিউরমেন্ট বোর্ড বা ডিপিবি)। এখন প্রস্তাবটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সভাপতিত্বে থাকা ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিলের (ডিএসি) সামনে অনুমোদনের জন্য পেশ করা হবে। এরপর খরচ সংক্রান্ত দরকষাকষি সম্পন্ন করা হবে এবং শেষপর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটির (সিসিএস) চূড়ান্ত অনুমোদন নেওয়া হবে। প্রস্তাবিত এই চুক্তির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। প্রস্তাবটি চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে এটি হবে ভারতের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ প্রতিরক্ষা চুক্তি। এই চুক্তির মাধ্যমে ভারতীয় সামরিক বাহিনীতে রাফাল যুদ্ধবিমানের মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ১৭৫। বর্তমানে ভারতীয় বায়ুসেনার কাছে ৩৫টি রাফাল রয়েছে এবং নৌবাহিনী ইতিমধ্যেই ২৬টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার অর্ডার দিয়েছে।

    ফেব্রুয়ারিতে মাক্রঁর সফরে চুক্তি স্বাক্ষর?

    প্রতিরক্ষা সূত্র জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারি মাসে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর ভারত সফরের সময় ভারত ও ফ্রান্সের মধ্যে রাফাল চুক্তিতে সই হতে পারে। ১৬ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশ নেবেন মাক্রঁ। একইসঙ্গে, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তাঁর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা। এই সময়কালেই দুই দেশের মধ্যে চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চুক্তিটি যদি ২০২৭ সালের শুরুতে স্বাক্ষরিত হয়, তবে ২০৩০ সাল থেকে প্রথম ১৮টি রাফাল যুদ্ধবিমান ‘ফ্লাই-অ্যাওয়ে’ অবস্থায় ভারতকে সরবরাহ করবে ফ্রান্স। প্রস্তাবে ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য ১২ থেকে ১৮টি প্রস্তুত রাফাল সরাসরি কেনার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। বাকি বিমানগুলি ভারতে নির্মাণ করা হবে, যেখানে প্রায় ৩০ শতাংশ দেশীয় উপাদান ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।

    ‘নন-নেগোশিয়েবল ক্লজ’ ভারতের

    ফরাসি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বড় চুক্তির কথ মাথায় রেখে ভারত ফরাসি বিমান নির্মাতা সংস্থা দাসো অ্যাভিয়েশনের জন্য বেশ কয়েকটি ‘নন-নেগোশিয়েবল ক্লজ’ বা আপসহীন শর্ত নির্ধারণ করেছে। শর্তগুলির মধ্যে রয়েছে—১১৪টি যুদ্ধবিমানের প্রতিটিতে ভারতীয় অস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদের সংযোজন; পাশাপাশি বিমান প্রস্তুতকারক সংস্থাকে এমন সুরক্ষিত ডেটা লিঙ্ক সরবরাহ করতে হবে, যার মাধ্যমে ভারতীয় রেডার ও সেন্সরের সঙ্গে ডিজিটালভাবে যুদ্ধবিমানগুলিকে সংযুক্ত করা যাবে এবং সেই তথ্য ও ছবি গ্রাউন্ড কন্ট্রোল সেন্টারগুলিতে পাঠানো সম্ভব হবে। এর ফলে, রাফাল যুদ্ধবিমানের এভিওনিক্স ও রেডার এবং উইপন সিস্টেমে একাধিক বদল করতে হবে বিমান নির্মাণকারী ফরাসি সংস্থাকে। তবে বিমানের সোর্স কোড ফরাসি পক্ষের কাছেই থাকবে বলে সূত্রের দাবি। এছাড়াও দাসো এভিয়েশন এয়ারফ্রেম নির্মাণের জন্য প্রযুক্তি হস্তান্তর করবে। এই প্রযুক্তি হস্তান্তর প্রক্রিয়ার জন্য ইঞ্জিন নির্মাতা সাফরান এবং অ্যাভিওনিক্স সরবরাহকারী থ্যালেসের মতো সংস্থাগুলিও রাফাল-চুক্তিতে অংশ নেবে।

    ৯০টি রাফাল এফ-৪, ২৪টি এফ-৫ সংস্করণ!

    জানা যাচ্ছে, চুক্তির প্রথম পর্যায়ে ভারত স্বল্প ও মধ্যমেয়াদে ৯০টি নতুন রাফালের আপগ্রেডেড এফ-৪ সংস্করণ যুদ্ধবিমান পাবে। একইসঙ্গে ভারতীয় বায়ুসেনার বহরে থাকা এফ-৩আর সংস্করণের ৩৫টি রাফালকে এফ-৪ সংস্করণের মানে উন্নীত করবে ফ্রান্স। এই আপগ্রেডের মধ্যে রয়েছে পরবর্তী প্রজন্মের অ্যাক্টিভ ইলেকট্রনিক্যালি স্ক্যানড অ্যারে (AESA) রেডার, যা আরও দীর্ঘ দূরত্বে লক্ষ্য শনাক্ত করতে সক্ষম এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধের বিরুদ্ধে বেশি প্রতিরোধশক্তি দেবে। এতে নতুন বিপদ শনাক্ত ও প্রতিহত করার জন্য উন্নত আত্মসুরক্ষা ব্যবস্থা থাকবে। এই আপগ্রেড ফরাসি বায়ুসেনা ও নৌবাহিনীর রাফাল বিমানের আপগ্রেডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। এই সক্ষমতার আওতায় থাকবে আরও উন্নত দীর্ঘ-পাল্লার সনাক্তকরণ ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে অনেক দূর থেকেই শত্রুকে চিহ্নিত করা সম্ভব হবে এবং তাকে ধ্বংস করতে অধিক দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা যাবে। পাশাপাশি এই যুদ্ধবিমানে উন্নত স্যাটেলাইট লিঙ্ক যুক্ত করা হবে এবং পাইলটের সামনে আরও ভালোভাবে পরিস্থিতি তুলে ধরা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) অ্যালগরিদমও অন্তর্ভুক্ত করা হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদে ২৪টি রাফাল (সর্বাধুনিক) এফ-৫ সংস্করণ যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা রয়েছে, যা সম্পূর্ণভাবে দাসো অ্যাভিয়েশন তৈরি করবে ফ্রান্সেই।

    রাফাল ও সু-৫৭ ভিন্ন প্রকল্পের আওতায়!

    প্রতিবেদন বলছে, সাধারণত ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পে এই হার ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ হয়ে থাকে। কিন্তু, এই চুক্তিতে দেশীয় উপাদানের পরিমাণ প্রায় ৩০ শতাংশতেই সীমাবদ্ধ থাকবে। তা সত্ত্বেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া ভারতকে যথাক্রমে তাদের পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান এফ-৩৫ এবং সু-৫৭ যুদ্ধবিমান দেওয়ার প্রস্তাব করলেও ভারত রাফাল চুক্তির দিকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তবে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, সু-৫৭ প্রস্তাবের সঙ্গে এই রাফাল চুক্তি গুলিয়ে ফেললে চলবে না। কারণ, দুটি ভিন্ন।একটি অন্যটির বিকল্প নয়।
    তাঁদের মতে, মাল্টি-রোল ফাইটার এয়ারক্রাফ্ট (MRFA) কর্মসূচির অধীনে ভারতীয় বায়ুসেনা চতুর্থ প্রজন্মের অতিরিক্ত রাফাল যুদ্ধবিমান সংগ্রহের প্রস্তাব দিয়েছে। অন্যদিকে, দেশীয় পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান অ্যাডভান্সড মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্রাফ্ট (AMCA)-এর অন্তত একটি স্কোয়াড্রন অন্তর্ভুক্ত না হওয়া পর্যন্ত কার্যকরী ঘাটতি পূরণে সরকারকে দুই থেকে তিনটি স্কোয়াড্রন পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমান সংগ্রহের প্রস্তাবও দিয়েছে বায়ুসেনা। সেখানে বিবেচনার মধ্যে রয়েছে রুশ সু-৫৭।

    সিসিএস-এর ছাড়পত্র মিললেই সবুজ সঙ্কেত

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের একটি সূত্র জানিয়েছে, “ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার স্টেটমেন্ট অফ কেস (SoC) কয়েক মাস আগেই মন্ত্রকের কাছে জমা দিয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অনুমোদনের পর প্রস্তাবটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি (CCS)-এর কাছে পাঠানো হবে।” রাফালের সাম্প্রতিক কার্যকারিতা এই প্রস্তাবকে এগিয়ে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে। ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অভিযানে রাফাল যুদ্ধবিমান স্পেকট্রা ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্যুটের মাধ্যমে চিনা পিএল-১৫ আকাশ-থেকে-আকাশ ক্ষেপণাস্ত্রের সফলভাবে মোকাবিলা করেছে।

    এদিকে, ফরাসি পক্ষ হায়দরাবাদে রাফাল বিমানে ব্যবহৃত এম-৮৮ ইঞ্জিনের জন্য একটি মেইনটেন্যান্স, রিপেয়ার ও ওভারহল (MRO) কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা করছে। দাসো অ্যাভিয়েশন ইতিমধ্যেই যুদ্ধবিমানের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি সংস্থা গঠন করেছে। টাটা-সহ একাধিক ভারতীয় এয়ারোস্পেস সংস্থাও এই প্রকল্পে যুক্ত হতে পারে। ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ভারতীয় বায়ুসেনা দ্রুত নতুন যুদ্ধবিমান অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজন অনুভব করছে। ভবিষ্যতে বায়ুসেনার ফাইটার ফোর্স স্ট্রাকচার মূলত সুখোই-৩০এমকেআই, রাফাল এবং দেশীয় যুদ্ধবিমান প্রকল্পের উপর নির্ভর করবে। ভারত ইতিমধ্যেই ১৮০টি এলসিএ তেজস মার্ক ১এ যুদ্ধবিমানের অর্ডার দিয়েছে এবং ২০৩৫ সালের পর বড় সংখ্যায় দেশীয় পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান অ্যামকাও অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছে।

  • Daily Horoscope 17 January 2026: মানসিক শান্তি পাবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 17 January 2026: মানসিক শান্তি পাবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) নতুন কাজের প্রস্তাব আসতে পারে।

    ২) তাড়াহুড়ো করবেন না কোনও কাজে।

    ৩) ধৈর্য্য ধরুন।

    বৃষ

    ১) কাউকে কটূ কথা বলবেন না।

    ২) বিনিয়োগের জন্য শুভ দিন।

    ৩) শরীরের দিকে নজর দিন।

    মিথুন

    ১) স্বাস্থ্যগত কারণে কাজে বাধা পড়বে।

    ২) নিজের যত্ন নেওয়া আবশ্যক।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    কর্কট

    ১) পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মনোমালিন্য এড়িয়ে চলুন।

    ২) নেতিবাচক চিন্তা রাখবেন না।

    ৩) বিরোধীদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

    সিংহ

    ১) কোনও দরকারি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

    ২) বিনিয়োগ করা আপনার পক্ষে ভালো হবে।

    ৩) শুভ কাজে অংশ নিতে পারেন।

    কন্যা

    ১)  ভালো ডায়েট চার্ট ফলো করুন।

    ২) পরিবারের লোকেদের কথা শুনে চলুন।

    ৩)  সহকর্মীর কাছে আপনার অনুভূতি প্রকাশ করতে পারেন।

    তুলা

    ১)  শেয়ার বাজারের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের লাভের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) মায়ের চোখ সংক্রান্ত কিছু সমস্যা হতে পারে।

    ৩) শ্বশুরবাড়ির কাছ থেকে আর্থিক সুবিধে পেতে পারেন।

    বৃশ্চিক

    ১) সামাজিক ক্ষেত্রে পরিবেশ অনুকূল থাকবে।

    ২) রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা নতুন পদ পেতে পারেন।

    ৩) জীবনের চাহিদার প্রতি পূর্ণ মনোযোগ দিতে হবে।

    ধনু

    ১) আগামীকাল আধ্যাত্মিক কাজে যুক্ত হতে পারেন।

    ২) ধর্মীয় স্থানে যেতে পারেন।

    ৩) মানসিক শান্তি পাবেন।

    মকর

    ১) দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

    ২) মায়ের সঙ্গে মনোমালিন্য।

    ৩) পুরনো বন্ধু অনেকদিন পর দেখা করতে আসতে পারেন।

    কুম্ভ

    ১) আজকের দিনটি ক্ষতিকর হতে পারে।

    ২)  স্বেচ্ছাচারী আচরণের জন্য ক্ষতির আশঙ্কা আছে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে কেউ আপনার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করতে পারে।

    মীন

    ১) আনন্দদায়ক পরিবেশ থাকবে বাড়িতে।

    ২) সারপ্রাইজ পার্টির আয়োজন করতে পারেন।

    ৩) স্ত্রীর কাছ থেকে সব বিষয়ে সমর্থন পাবেন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Mumbai Election Results: মুম্বই পুর নির্বাচনে বিজেপি ও শিবসেনা জোটের জয়জয়কার, নেপথ্যে ফ্যাক্টরগুলো কী কী?

    Mumbai Election Results: মুম্বই পুর নির্বাচনে বিজেপি ও শিবসেনা জোটের জয়জয়কার, নেপথ্যে ফ্যাক্টরগুলো কী কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বই থেকে পুণে, নাগপুর থেকে আকোলা— মহারাষ্ট্রের পুরভোটে বিজেপি এবং তার জোটের জয়জয়কার। শুক্রবার বৃহন্মুম্বাই মিউনিসিপ্যাল ​​কর্পোরেশন (Mumbai Election Results) নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু হওয়ার পর, ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-নেতৃত্বাধীন মহাযুতি জোট ১১৯টি আসনে এগিয়ে থেকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। অন্যদিকে, মহা বিকাশ আঘাদি (এমভিএ) ৭১টি আসনে পিছিয়ে রয়েছে। অন্যান্যরা দশটি আসনে এগিয়ে আছে। মহারাষ্ট্রের পুরসভা নির্বাচনে বিজেপি–শিন্ডে সেনা জোটের নিরঙ্কুশ জয় রাজ্যের রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক মোড় এনে দিয়েছে। দীর্ঘ কয়েক দশক পর বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (বিএমসি) দখল করে ঠাকরে পরিবারের রাজনৈতিক আধিপত্যে সবচেয়ে বড় আঘাত হানল এই জোট। মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীসের নেতৃত্বে বিজেপি ২০১৭ সালের তুলনায় মুম্বইয়ে নিজের আসনসংখ্যা বাড়িয়েছে, আর একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন শিবসেনা গোষ্ঠীর সমর্থনে জোট অনায়াসেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অতিক্রম করেছে। ফলে বিএমসিতে বিজেপি–শিন্ডে সেনার মেয়র হওয়ার পথও পরিষ্কার হয়েছে। মহারাষ্ট্রের পুরসভা নির্বাচনে মহাযুতির বড় জয়ের পিছনে রয়েছে বেশ কিছু কারণ।

    মহারাষ্ট্রের এক নম্বর রাজনৈতিক দল

    মারাঠাদের এই রায় স্পষ্ট করে দিচ্ছে, মহারাষ্ট্রের শহুরে রাজনীতিতে এক গভীর পরিবর্তন চলছে। উদ্ধব ঠাকরে ও রাজ ঠাকরের বহু আলোচিত রাজনৈতিক সমঝোতাও বিজেপির উত্থান থামাতে ব্যর্থ হয়েছে। বিভক্ত বিরোধী শিবির, বদলে যাওয়া জনসংখ্যাগত বাস্তবতা এবং ভোটারদের নতুন অগ্রাধিকার মিলিয়ে শাসক জোটের পক্ষেই পাল্লা ভারী হয়েছে—শুধু মুম্বই নয়, রাজ্যের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পুরসভাতেও। এই ফলাফল বিজেপিকে মহারাষ্ট্রের এক নম্বর রাজনৈতিক দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করল। শুধু বিধানসভা বা লোকসভা নয়, শহুরে নাগরিক প্রশাসনেও বিজেপির প্রভাব এখন স্পষ্ট।

    হিন্দুত্ব প্লাস উন্নয়ন

    ‘হিন্দুত্ব প্লাস উন্নয়ন’—বিজেপির এই রাজনৈতিক বার্তা তরুণ শহুরে ভোটারদের কাছে বিশেষভাবে গ্রহণযোগ্য হয়েছে। আবেগী ঐতিহ্যের চেয়ে শাসন, পরিকাঠামো ও কল্যাণমূলক প্রকল্পই তাঁদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দেবেন্দ্র ফড়নবীস রাজ্যের বিজেপিতে সবচেয়ে প্রভাবশালী নেতার জায়গা আরও শক্ত করলেন। এই জয়ের মাধ্যমে তিনি রাজ্যের অন্যতম প্রধান গণনেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ঠাকরে ব্র্যান্ডের স্পষ্ট অবক্ষয় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মুম্বই আর শিবসেনার ঐতিহ্যগত ঘাঁটি হিসেবে একচেটিয়া ভোট দিচ্ছে না—এটাই বড় ইঙ্গিত। পওয়ার পরিবারের রাজনৈতিক প্রভাব, বিশেষ করে শহুরে অঞ্চলে, ক্রমশ কমছে। শুধুমাত্র পারিবারিক পরিচয় দিয়ে ভোটারদের টানার ক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে। বিজেপির নারী-কেন্দ্রিক কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলি আবারও ভোটে সাফল্য এনে দিয়েছে, যা এই ধরনের প্রকল্পের রাজনৈতিক গুরুত্বকে আরও জোরালো করে।

    বিভক্ত ও অসংগঠিত বিরোধী শিবির

    কংগ্রেস মহারাষ্ট্রের শহরাঞ্চলে তার ভোটব্যাংক হারাচ্ছে, যা নগরভিত্তিক নির্বাচনে দলের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। বিভক্ত ও অসংগঠিত বিরোধী শিবির বিজেপিকে বড় সুবিধা করে দিয়েছে। মুম্বইয়ের বদলে যাওয়া জনসংখ্যাগত কাঠামো শিবসেনার ঐতিহ্যগত রাজনীতির পক্ষে আর সহায়ক নয়। মারাঠি ভোট একাধিক দলে ভাগ হয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে উত্তর ভারতীয় ও অ-মারাঠি ভোটের বড় অংশ বিজেপির পক্ষে একত্রিত হয়েছে। রাজ ঠাকরের আক্রমণাত্মক ‘বহিরাগত বিরোধী’ রাজনীতি তরুণ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী শহুরে ভোটারদের মধ্যে তেমন সাড়া ফেলতে পারেনি।

    পাওয়ার গোষ্ঠীর ভরাডুবি

    শরদ এবং অজিত পওয়ারের এনসিপি মুম্বইয়ে এখনও খাতাই খুলতে পারেনি। অনেক ঢাকঢোল পিটিয়ে পুণে এবং পিম্পরি ছিঁচওয়াড়ে একসঙ্গে লড়েছিল দুই এনসিপি। দুই পুরসভাতেই বিজেপির সামনে তারা কার্যত উড়ে গিয়েছে। গেরুয়া ঝড়ে উড়ে গিয়েছে এনসিপি (শরদ) এবং এনসিপি (অজিত পাওয়ার)-এর জোট। কাকা শরদ পাওয়ারের দলে ভাঙন ধরিয়ে বেরিয়ে এসে বিজেপি-র হাত ধরেছিলেন অজিত। এমনকি কাকার দলের প্রতীকও ছিনিয়ে নেন তিনি। এরপরেও, পিম্প্রি দখলে রাখতে কাকার হাত ধরেই লড়েন অজিত। সেই জোটকেও ঝড়ে উড়িয়ে দিয়েছে গেরুয়া শিবির। পুণের ১৬৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে বিজেপি ৪৩টি, কংগ্রেস ৭টি, এনসিপি (অজিত পাওয়ার) ৫টি এবং এনসিপি (শরদ পাওয়ার) ৩টি ওয়ার্ডে এগিয়ে রয়েছে। পিম্প্রি-চিঞ্চওয়াড় পৌরসভায় ১২৮টি আসনের মধ্যে বিজেপি ৭০টি ওয়ার্ডে, এনসিপি ৪০টি ওয়ার্ডে এগিয়ে রয়েছে। পশ্চিম মহারাষ্ট্রের অন্যান্য শহর, যেমন কোলাপুর, সাতারা, সোলাপুর এবং সাঙ্গলি পৌরসভাতেও বিজেপি শীর্ষস্থান দখল করেছে।

    ঠাকরে দুর্গের পতন

    মহারাষ্ট্রের ২৯টি পৌর কর্পোরেশনের নির্বাচনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল বৃহন্মুম্বাই মিউনিসিপ্যাল ​​কর্পোরেশন (বিএমসি)-এর নির্বাচন, যা ভারতের সবচেয়ে ধনী এবং এশিয়ার অন্যতম ধনী পৌর সংস্থা। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস রাজ্যের বিজেপি সভাপতি রবীন্দ্র চৌহানকে ফোন করে পৌরসভা নির্বাচনে জোটের বিশাল অগ্রগতির জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। এক্স-এ একটি পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী ফড়নবিস বলেছেন, ২০২৫-২৬ সালের পৌরসভা নির্বাচনে বিজেপি আবারও ইতিহাস সৃষ্টি করল। এই ফলাফল কেবল রাজ্য রাজনীতিতে ক্ষমতার ভারসাম্যই বদলে দিয়েছে না, বরং আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের গতিপথও অনেকটাই বদলে দিয়েছে। মুম্বাই পৌর কর্পোরেশনে (বিএমসি) বিজেপি এবং তার মিত্রদের জয় মহারাষ্ট্রের নগর রাজনীতিতে এক নতুন যুগের ইঙ্গিত দেয়। এই নির্বাচনের সবচেয়ে আশ্চর্যজনক দিক হল ঠাকরে ব্র্যান্ড দুর্বল হয়ে পড়া। মুম্বইতে, যেখানে ঠাকরে পরিবার গত ২৫ বছর ধরে প্রভাব বিস্তার করেছিল, সেখানে বিজেপি এবং শিন্ডে গোষ্ঠীর উত্থান ঠাকরে দুর্গকে ভেঙে দিয়েছে। যুবসমাজ রাজ ঠাকরের “বহিরাগত বনাম স্থানীয়” রাজনীতিকে সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যান করেছে।

     

     

     

  • Operation Sindoor: “আমাদের শত্রুদের কাপুরুষতার মূল্য চোকাতে হবে”, সেনা দিবসে অপারেশন সিঁদুরের নয়া ভিডিও

    Operation Sindoor: “আমাদের শত্রুদের কাপুরুষতার মূল্য চোকাতে হবে”, সেনা দিবসে অপারেশন সিঁদুরের নয়া ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেনা দিবস উপলক্ষে অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) নতুন একটি তিন মিনিটের ভিডিও প্রকাশ করল ভারতীয় সেনা। ১৫ জানুয়ারি আর্মি ডে ২০২৬-এ প্রকাশিত ওই ভিডিও-তে অপারেশন সিঁদুর-এর বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। পহেলগাঁওয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার প্রতিক্রিয়ায় চালানো এই অভিযানের মাধ্যমে জঙ্গি ঘাঁটি ও সামরিক স্থাপনায় নিখুঁত আঘাত হানার বিরল দৃশ্য প্রথমবার প্রকাশ্যে আনল সেনা। ভারতীয় সেনার ভাষায়, এই অভিযান বাহিনীর “অদম্য সাহস, বীরত্ব ও অটল সংকল্প”-এর প্রতিফলন।

    সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের নীতির প্রেক্ষাপট

    ভিডিওর শুরুতেই গত দুই দশকে ভারতের উপর সংঘটিত বড় সন্ত্রাসী হামলাগুলির কথা স্মরণ করানো হয়—২০০১ সালের সংসদ ভবনে হামলা, ২০০২ সালের অক্ষরধাম মন্দিরে আক্রমণ, ২০০৮ সালের মুম্বই হামলা, ২০১৬ সালের উরি, ২০১৯ সালের পুলওয়ামা এবং ২০২৫ সালের পহেলগাঁও হামলা। প্রতিটি ঘটনাকে “মানবতার উপর আক্রমণ” হিসেবে বর্ণনা করে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের নীতির প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়েছে। ভিডিও অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৭ মে রাতে ভারতীয় বাহিনী সীমান্তের ওপারে নয়টি সন্ত্রাসী লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। অপারেশন সিঁদুরের অধীনে সমন্বিত ও নিখুঁত হামলার মাধ্যমে জঙ্গিদের লঞ্চপ্যাড ও লজিস্টিক হাব ধ্বংসের দৃশ্য ফুটে উঠেছে। যদিও ভিডিওতে পাকিস্তানের নাম সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি, তবু লাইন অফ কন্ট্রোল ও জম্মু-কাশ্মীরের আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় সীমান্ত-পার অভিযানের স্পষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে।

    কী কী রয়েছে ভিডিও-য়

    ওই ভিডিও ফুটেজে জম্মু ও কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারী গোলাবর্ষণের পরবর্তী পরিস্থিতিও দেখানো হয়েছে, যা ভারতীয় হামলার পর পাকিস্তানের পাল্টা প্রতিক্রিয়া বলে দাবি করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত অসামরিক এলাকার দৃশ্যের পাশাপাশি ভারতীয় বাহিনীর তৎপরতা—শত্রুপক্ষের ড্রোন ভূপাতিত করা এবং সামনের সারির সামরিক পোস্টে আঘাত হানার চিত্র—তুলে ধরা হয়েছে। আরও এক ধাপ উত্তেজনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত হিসেবে ভিডিওতে সীমান্তের ওপারের এয়ার ডিফেন্স রেডার ব্যবস্থা ও গুরুত্বপূর্ণ এয়ারবেসে হামলার দৃশ্যও দেখানো হয়েছে। এর মাধ্যমে সন্ত্রাসী পরিকাঠামোর পাশাপাশি প্রতিপক্ষের নজরদারি দুর্বল করার কৌশলগত উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়েছে।

    সেনা দিবসে বিশেষ বার্তা

    আর্মি ডে-র এই ভিডিওর শেষে সেনার তরফে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে, “আমাদের শত্রুদের জন্য সতর্কবার্তা। তাদের কাপুরুষতার মূল্য চোকাতে হবে।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদ ও তাকে মদতদাতাদের বিরুদ্ধে ভারতের কঠোর প্রতিক্রিয়া নীতিই পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পরই অপারেশন সিঁদুরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। ৭ মে ২০২৫-এ শুরু হওয়া এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল সীমান্তের ওপার থেকে পরিচালিত জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করা। সরকারি সূত্রে দাবি করা হয়েছিল, অভিযানে সন্ত্রাসী পরিকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পরবর্তীতে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ড্রোন অনুপ্রবেশ ও আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংলগ্ন অসামরিক এলাকায় গোলাবর্ষণের অভিযোগ ওঠে। এর জবাবে ভারত রাডার স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ এয়ারবেস লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায়। ভিডিওতে দেখানো এই পদক্ষেপগুলির উদ্দেশ্য ছিল প্রতিপক্ষের নজরদারি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ভেঙে দেওয়া। সেনা দিবসে অপারেশন সিঁদুরের ভিডিও প্রকাশকে একদিকে যেমন সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য হিসেবে দেখা হচ্ছে, তেমনই এটিকে ভারতের প্রস্তুতি ও দৃঢ়তার কৌশলগত বার্তা বলেও মনে করা হচ্ছে। এই অভিযানের অংশবিশেষ প্রকাশ্যে এনে সেনা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিল—সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত নিখুঁত, সমন্বিত ও দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

  • Pak Drone in Border: সজাগ সেনা, জম্মু-কাশ্মীরের আকাশে ফের পাক ড্রোন! গুজরাট উপকূলে আটক পাকিস্তানি নৌকা

    Pak Drone in Border: সজাগ সেনা, জম্মু-কাশ্মীরের আকাশে ফের পাক ড্রোন! গুজরাট উপকূলে আটক পাকিস্তানি নৌকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের কাশ্মীরের আকাশে দেখা গেল পাকিস্তানের ড্রোন (Pak Drone in Border)। শীতের সন্ধ্যায় অন্ধকার নামতেই রামগড় সেক্টর, পুঞ্চ এবং জম্মু-কাশ্মীরের একাধিক অংশে উড়ে এল পাকিস্তানের ড্রোন। ভারতীয় সেনার তরফে একের পর এক ড্রোনকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। বেশ কয়েকটি ড্রোন ভেঙে পড়েছে বলে ভারতীয় সেনা সূত্রে খবর। তাতে বারুদ ছিল বলে জানানো হয়েছে। সামরিক ঘাঁটিগুলোর ওপরে এই ড্রোনগুলি দিয়ে আঘাত করার ছক কষা হচ্ছে বলে সেনার অনুমান।

    বারুদ-বোঝাই ড্রোন

    বেশ কয়েকদিন ধরে পাকিস্তানের তরফ থেকে জম্মু ও কাশ্মীরের সীমান্তে ড্রোন পাঠানো হচ্ছে। এই সব ড্রোনের মাধ্যমে ভারতীয় দিকের ওপর নজরদারি চালানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান। এরই সঙ্গে অস্ত্র এবং আরও সরঞ্জাম পাচারেরও চেষ্টা করছে তারা। এই পরিস্থিতিতে সীমান্তে সদা সজাগ রয়েছে ভারতীয় সেনা এবং অন্যান্য নিরাপত্তারক্ষীরা। এরই মাঝে জানা গিয়েছে, ১৫ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ ফের জম্মু ও কাশ্মীরের ৩ জায়গায় আকাশে দেখা গেল পাক ড্রোন। রিপোর্টে বলা হয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীরের সাম্বায় আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর একটি পাকিস্তানি ড্রোন দেখা গিয়েছিল। এদিকে রামগড় সেক্টরেও একটি পাক ড্রোনকে আকাশে উড়তে দেখা গিয়েছিল। এর কিছু পড়ে জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ এলাকায় আরও একটি পাকিস্তানি ড্রোন নজরে পড়েছিল ভারতীয় সেনার। এই সব ক্ষেত্রে গুলি চালানো হয়েছিল ড্রোনগুলো লক্ষ্য করে।

    বড় ছক পাকিস্তানের!

    ভারতীয় সেনার অনুমান, বড়সড় কোন পরিকল্পনা রয়েছে পাকিস্তানের। সম্প্রতি ভারতীয় সেনার প্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী পাকিস্তানকে হুঁশিয়ার করে দিয়েছিলেন ড্রোন অনুপ্রবেশ নিয়ে। এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি রাজৌরির কেরি সেক্টরে নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে আকাশে পাকিস্তনি ড্রোন দেখা গিয়েছিল। দেখামাত্রই সেই ড্রোন লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল সেনা। তার আগে গত ১১ জানুয়ারির সন্ধ্যায় জম্মুর আকাশে পাঁচটি ড্রোন উড়তে দেখা গিয়েছিল। এর আগে গত ৯ জানুয়ারি পাকিস্তানের একটি ড্রোনে করে দু’টি পিস্তল, তিনটি কার্তুজ, ১৬টি বুলেট, একটি গ্রেনেড ভারতীয় ভূখণ্ডে ফেলা হয়েছিল।

    গুজরাট উপকূলে পাকিস্তানের নৌকা

    অন্যদিকে, গুজরাট উপকূলে আটক করা হল পাকিস্তানের সন্দেহজনক নৌকা। ভারতীয় উপকূল রক্ষীবাহিনী সূত্রে খবর, আরব সাগরে নজরদারি চালানোর সময় এই সন্দেহজনক নৌকাটিকে ভেসে থাকতে দেখে তারা। পাকিস্তানের পতাকা লাগানো এই নৌকাটির গায়ে নাম হিসেবে লেখা ছিল আল মদিনা। তাতেই ঘনাচ্ছে রহস্য। নৌকার মধ্যে থেকে বেশ কিছু সন্দেহজনক বস্তু এবং কাগজ পাওয়া গিয়েছে। এই নৌকা করে কোন অনুপ্রবেশ ঘটেছে নাকি এর নেপথ্যে বড়সড় কিছুর পরিকল্পনা ছিল, সেটা খুঁজে দেখা হচ্ছে। ৯ জন পাকিস্তানিকে আটক করা হয়েছে বলেও জানতে পারা যাচ্ছে।

  • Lashkar Leader Confession: “পৃথিবীর কোথাও জঙ্গি নিয়োগ পাকিস্তানের মতো সহজ নয়”, লস্কর নেতার স্পষ্ট স্বীকারোক্তি

    Lashkar Leader Confession: “পৃথিবীর কোথাও জঙ্গি নিয়োগ পাকিস্তানের মতো সহজ নয়”, লস্কর নেতার স্পষ্ট স্বীকারোক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান জিহাদের জন্য খোলাখুলি স্বাধীনতা দিয়েছে। পৃথিবীর কোথাও জঙ্গি নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ এত সহজ নয়। পাকিস্তানের জঙ্গিনীতি নিয়ে লস্কর-ই-তৈবার (Lashkar commander) শীর্ষ কমান্ডার হাফিজ আবদুল রউফ (Hafiz Abdul Rauf)-এর বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি সামনে এল। কোনও গোয়েন্দা রিপোর্ট নয়, ভারতের বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতি নয়, স্বয়ং লস্কর কম্যান্ডারের মুখ থেকেই বেরল সত্য-কথন। ভারত বারবার যা দাবি করেছে তা মেনে নিল লস্কর নেতা। ভারতের অপারেশন সিঁদুর অভিযান মুরিদকেতে থাকা লস্করের প্রধান ঘাঁটিতে ভয়াবহ ধাক্কা দিয়েছে (Operation Sindoor), বলেও মেনে নিল রউফ। তার কথায়, “হেডকোয়ার্টার (Muridke HQ) পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।”

    মুরিদকে ঘাঁটির ক্ষয়ক্ষতি স্বীকার

    বিস্তর অস্বীকার, কূটনৈতিক ধোঁয়াশা আর দ্বিচারিতার পর অবশেষে প্রকাশ্য মঞ্চে মুখ খুলল লস্কর-ই-তৈবার (LeT) নেতা হাফিজ আবদুল রউফ (Lashkar commander Hafiz Abdul Rauf confession)। স্বীকার করে নিল, অপারেশন সিঁদুরে মারকাজ-ই-তৈবা কমপ্লেক্স কার্যত গুঁড়িয়ে গিয়েছে। ২০২৫ সালের ৬-৭ মে রাতের সেই হামলার কথা বলতে গিয়ে রউফ বলেছে, “ভারতের লক্ষ্যবস্তু একদম ঠিক ছিল। এখন আর ওখানে আর কোনও মসজিদ নেই। আমরা সেখানে বসতেও পারি না। সব শেষ হয়ে গিয়েছে। ভারতের হামলায় ভেঙে পড়েছে মুরিদকে ঘাঁটি।”

    কে এই হাফিজ রউফ

    পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে পাকিস্তান সেনার সহায়তাপ্রাপ্ত লঞ্চপ্যাড থেকে জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে ভারতে ঢোকানোর দায়িত্বে বহুদিন ধরেই রয়েছে হাফিজ আবদুল রউফ। শুধু তাই নয়, এর আগে অপারেশন সিঁদুরের পরবর্তী সময়ে ভারতীয় হামলায় খতম হওয়া লস্কর জঙ্গিদের জানাজায় নেতৃত্ব দিচ্ছে রউফ – সেই ছবিও ভাইরাল হয়েছিল। কয়েক মাস পর এবার তিনিই কার্যত পাকিস্তান ও লস্করের শেষ আড়ালটুকু উন্মুক্ত করে দিল রউফ।

    চিনা অস্ত্রেই চলে হামলা!

    ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে পহেলগাঁওয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা চালায় লস্কর-সমর্থিত সংগঠন, দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (TRF)। সেই হামলায় প্রাণ হারান ২৬ জন নিরীহ ভারতীয় পর্যটক। তার পরই জঙ্গি দমনে ভারত চালায় অপারেশন সিঁদুর। এই অভিযানে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে থাকা জঙ্গি ঘাঁটিগুলো ধ্বংস করে ভারতীয় সেনাবাহিনী। এতে ভেঙে গুঁড়িয়ে ফেলা মুরিদকের লস্কর-ই-তৈবা এবং বাহাওয়ালপুরের জইশ-ই-মহম্মদের ঘাঁটি। তদন্তে উঠে আসে, হামলাকারীদের হাতে ছিল চিনের তৈরি অস্ত্র ও সরঞ্জাম, যা পাকিস্তান-সমর্থিত জঙ্গিগোষ্ঠীর সরঞ্জাম যোগানের ক্রমবর্ধমান পরিকাঠামোর দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছিল। এ বার স্বয়ং রউফও স্বীকার করে নিল যে, লস্কর ও পাকিস্তান ওই সংঘর্ষে চিনা অস্ত্র ও সামরাস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহার করেছে।

    পাকিস্তানের মদতেই চলে জঙ্গি-নিয়োগ

    ভারতের বহু বছরের দাবি, জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো শুধু আশ্রয় নয়, পাক-রাষ্ট্রের প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থন পায়। আন্তর্জাতিক মঞ্চে যা বারবার অস্বীকার করেছে পাকিস্তান। রউফের কথায়, “পাকিস্তান জিহাদের জন্য খোলাখুলি স্বাধীনতা দিয়েছে। পৃথিবীর কোথাও জঙ্গি নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ এত সহজ নয়। রাষ্ট্র সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেই আমরা এটা করতে পারছি।” উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি মুরিদকের সেই মারকাজ-ই-তৈবা কমপ্লেক্সেই নতুন জঙ্গিদের পাসিং-আউট অনুষ্ঠান হয়েছিল। অনুষ্ঠানে হাজির ছিল রউফ, হাফিজ সইদের ছেলে হাফিজ তালহা সইদ, এবং লস্করের ডেপুটি চিফ সাইফুল্লাহ কাজুরি-সহ লস্করের শীর্ষ নেতৃত্ব। অর্থাৎ, অপারেশন সিঁদুরের পরেও পাকিস্তানের মদতেই জঙ্গি পরিকাঠামো হয় পুনর্গঠিত হচ্ছে, নয়তো অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে – এটাই প্রমাণ করে সেই অনুষ্ঠান।

    পাকিস্তানকে সাহায্য করেছে চিন

    রউফ দাবি করেছে, ‘বুনিয়ান-এ-মারসুস’ নামে যে পর্যায়ে ভারত-পাক উত্তেজনা বাড়ে, সেই সময় পাকিস্তানকে রিয়েল-টাইম গোয়েন্দা তথ্য দিয়েছিল চিন। তার বক্তব্য, চিনা যুদ্ধবিমান ও সরঞ্জামের এখন বিশ্বে চাহিদা রয়েছে, আর “অনেক দেশের বিমান নাকি এখন স্ক্র্যাপে পরিণত”। রউফের এই মন্তব্য শুধু লস্করের অস্ত্রসজ্জা নয়, বেজিং-ইসলামাবাদ ঘনিষ্ঠতার দিকেও ইঙ্গিত করে। রউফের দাবি, পাকিস্তানের হাতে ছিল ভারত সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্য “শেষ খুঁটিনাটি পর্যন্ত”, আর সংঘর্ষের প্রতিধ্বনি “আমেরিকা-ইউরোপ পর্যন্ত পৌঁছেছিল” – যা বৈশ্বিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তুলে ধরে লস্কর কমান্ডার।

    পাকিস্তানের সুদিন!

    সুদিন ফিরছে পাকিস্তানের। ইসলামাবাদের পক্ষে হতে চলেছে বিশ্ব মেরুকরণ। চাঞ্চল্যকর এই দাবিও করেছে, লস্কর-ই-তৈবা (এলইটি) কমান্ডার রউফ। তার কথায়, “গতকাল পর্যন্ত আমরা একা ছিলাম এবং পুরো বিশ্ব ভারতের সঙ্গে ছিল। আজ পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে। তুরস্ক পাকিস্তানের সঙ্গে আছে, বাংলাদেশের সেনাপ্রধানও ইসলামাবাদের পক্ষে। এখন পুরো বিশ্ব পাকিস্তানের দিকে ঝুঁকছে। মুজাহিদদের একটি নতুন যুগ শুরু হয়েছে, যেখানে পাকিস্তান জয়ী হচ্ছে।” জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদ কমে গিয়েছে, ভিডিওতে রউফ এই দাবিও খারিজ করে দিয়েছে এবং আক্রমণাত্মক ভাষায় দাবি করেছে যে- সংঘাত আরও তীব্র হবে। সে দাবি করেছে যে, কাশ্মীর “যুদ্ধ” শেষ হতে অনেক বাকি এবং যারা অন্যকিছু বিশ্বাস করছে তারা ভুল করছে বলে সতর্ক করেছে। এই বয়ান আসলে উপত্যকায় ক্রমাগত হিংসার জন্য চাপ দেওয়ার ইঙ্গিত বলে মনে করা হচ্ছে।

    লস্কর-জঙ্গি নেতার স্বীকারোক্তি তাৎপর্যপূর্ণ

    রউফের বক্তব্য পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের অস্বীকারকে ভেঙে দিয়েছে। প্রথমবার পাকিস্তানের শীর্ষ জঙ্গি নেতৃত্ব প্রকাশ্যে স্বীকার করল তারা এখনও রাষ্ট্রের ভেতরেই সুরক্ষিত ও সক্রিয়। মার্কিন নিষিদ্ধ ‘ঘোষিত’ গ্লোবাল টেররিস্টের এই স্বীকারোক্তি, ইসলামাবাদের জন্য নিঃসন্দেহে কঠিন প্রশ্ন তুলে দেবে। দীর্ঘ সময় ধরে রউফ লস্কর-এর সঙ্গে রয়েছে। রউফ একজন ঘোষিত সন্ত্রাসবাদী। হাফিজ সইদের ঘনিষ্ঠ এই জঙ্গির বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা আছে আমেরিকারও। সে কারণেই তার মুখে এই স্বীকারোক্তি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ভারত বারবার বিশ্ব মঞ্চে বলেছে পাকিস্তান জঙ্গি-রাষ্ট্র। এবার কার্যত সেই দাবিকেই মান্যতা দিল লস্কর।

  • SIR in Bengal: এসআইআরে ভুল সংশোধন আবেদনের সময়সীমা বাড়াল কমিশন, কতদিন পর্যন্ত করা যাবে?

    SIR in Bengal: এসআইআরে ভুল সংশোধন আবেদনের সময়সীমা বাড়াল কমিশন, কতদিন পর্যন্ত করা যাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশেষ নিবিড় সংশোধন অর্থাৎ এসআইআর (SIR in Bengal)-এর খসড়া তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পরে তাতে কোনও ভুল বা আপত্তি থাকলে তা সংশোধন করার আবেদনের মেয়াদ ছিল ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। সেই সময়সীমা আরও আরও ৪ দিন বাড়াল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। তথ্য সংশোধনের আবেদন জানানো যাবে আগামী ১৯ জানুয়ারি, সোমবার পর্যন্ত। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও এই অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছে গোয়া, লাক্ষাদ্বীপ, রাজস্থান ও পুদুচেরিকে।

    কোন কোন দলের কত তরফে আবেদন

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, তালিকা সংশোধনের জন্য বিভিন্ন দলের তরফে এখনও পর্যন্ত কমিশনের কাছে মাত্র আটটি অভিযোগ জমা পড়েছে। সবচেয়ে বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে তৃণমূলের তরফে। তালিকায় তিন জন ভোটারের নাম তোলার আবেদন জানিয়ে তৃণমূল ৩টি অভিযোগ জানিয়েছে। তৃণমূলের দাবি, খসড়া তালিকা থেকে ওই সব ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল। সিপিএম দু’টি, ফরওয়ার্ড ব্লক ও বিজেপি একটি করে এবং বহুজন সমাজ পার্টির তরফে ১টি অভিযোগ রয়েছে। প্রত্যেক দলই তালিকায় নাম নথিভুক্তির আবেদন জানিয়েছে। নাম বাদ দেওয়ার আবেদন কোনও দলের তরফেই জানানো হয়নি।

    পাঁচ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সময়সীমা বৃদ্ধি

    এসআইআর-এর (SIR in Bengal) পর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি। উল্লেখ্য, গত ১৬ ডিসেম্বর বিশেষ নিবিড় সংশোধনের খসড়া তালিকা প্রকাশ করেছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ওই তালিকা থেকে ৫৮ লক্ষের বেশি নাম বাদ যায়। তবে ওই তালিকা চূড়ান্ত ভোটার তালিকা নয়। সেখানে ভুল থাকতে পারে। আপত্তি বা অভিযোগের জন্য এক মাস সময় দেওয়া হয়েছিল। সেই সময়সীমা আরও চার দিন বাড়ানো হল। সমস্ত অভিযোগ দেখে সেগুলি যাচাই ও সংশোধন করার পরে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। সব মিলিয়ে পাঁচ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-কে চিঠি দিয়ে কমিশন জানিয়েছে সময়সীমা বৃদ্ধির কথা।

  • Daily Horoscope 16 January 2026: আত্মীয়দের কাছ থেকে সুসংবাদ পাবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 16 January 2026: আত্মীয়দের কাছ থেকে সুসংবাদ পাবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বাড়িতে অতিথি আগমন হতে পারে।

    ২) পরিবারে ব্যস্ততা বাড়বে।

    ৩) ছোট বাচ্চারা হইহুল্লোড়ে ব্যস্ত থাকবেন।

    বৃষ

    ১) সন্ধ্যা নাগাদ বাবার পরামর্শে বিবাদের সমাধান হবে।

    ২) বাণী নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    ৩) ছাত্রছাত্রীরা নতুন কিছু করতে চাইবেন।

    মিথুন

    ১) ছাত্রছাত্রীরা নতুন কিছু শিখতে পারবেন।

    ২) অনাবশ্যক ব্যয় এড়িয়ে যেতে হবে।

    ৩) সুসংবাদ পাবেন।

    কর্কট

    ১) সুখ-সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পাবে।

    ২) মা-বাবার আশীর্বাদ পাবেন।

    ৩) ভাই-বোনকে কিছু পরামর্শ দিতে পারেন।

    সিংহ

    ১) রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে দিন কাটাবেন।

    ২) কর্মক্ষেত্রে পরিবেশ আপনার অনুকূলে থাকবে।

    ৩) বিরোধী প্রবল হবে।

    কন্যা

    ১) অতীত সমস্যার সমাধান হবে।

    ২) শত্রুতা ও বিবাদের সমাধান হবে।

    ৩) পরিবারে শুভ অনুষ্ঠান আয়োজিত হতে পারে।

    তুলা

    ১) আত্মীয়দের কাছ থেকে সুসংবাদ পাবেন।

    ২) ব্যবসায়ীদের ধনলাভ হবে আজ।

    ৩) আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    বৃশ্চিক

    ১) বহুদিন ধরে দেখা করতে চান এমন কোনও ব্যক্তির সঙ্গে আজ সাক্ষাৎ হতে পারে।

    ২) কাছের বা দূরের যাত্রা করতে পারেন।

    ৩) খাওয়া-দাওয়া নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    ধনু

    ১) ভাই-বোনের কাছ থেকে সুখ ও সহযোগিতা লাভ করবেন।

    ২) আত্মবিশ্বাস চরমে থাকবে।

    ৩) সন্ধ্যা ও রাতে কোনও বিশেষ বিষয়ে আলোচনা করতে পারেন।

    মকর

    ১) আর্থিক লেনদেনে সতর্কতা অবলম্বন করুন।

    ২) ভাগ্যের সঙ্গ পাবেন না।

    ৩) কারও ওপর ভরসা করবেন না।

    কুম্ভ

    ১) আজকের দিনটি আইনি কাজের জন্য ফলদায়ী।

    ২) আটকে থাকা কাজ সম্পন্ন হবে।

    ৩) ব্যবসায়ীরা নিজের কথা অন্যের সামনে রাখতে পারবেন।

    মীন

    ১) ধর্মীয় কাজে রুচি বাড়বে।

    ২) পরিবারে পুজোর আয়োজন করতে পারেন।

    ৩) আজকের দিনটি আপনাদের জন্য ভালো।

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।..

  • IPAC Raid Case: আইপ্যাক-মামলায় সুপ্রিম কোর্টেও ধাক্কা তৃণমূলের, ইডি-র বিরুদ্ধে এফআইআরে স্থগিতাদেশ

    IPAC Raid Case: আইপ্যাক-মামলায় সুপ্রিম কোর্টেও ধাক্কা তৃণমূলের, ইডি-র বিরুদ্ধে এফআইআরে স্থগিতাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপ্যাক মামলায় (IPAC Raid Case) সুপ্রিম দুয়ারে অ্যাডভান্টেজ ইডি। ইডির বিরুদ্ধে পুলিশের দায়ের করা এফআইআরের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করল সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি, পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত পুলিশি তদন্তের উপরেও স্থগিতাদেশ দিল শীর্ষ আদালত। মামলায় সব পক্ষকে (ইডির বিরুদ্ধে মামলাকারী সব পক্ষ) নোটিস জারি করেছে দুই বিচারপতির বেঞ্চ। দু’সপ্তাহের মধ্যে তাদের আদালতে হলফনামা জমা দিতে হবে। যে দুই এলাকায় ইডি তল্লাশি চালিয়েছে, সেখানে এবং তার আশপাশের এলাকার সব সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

    পুলিশের এফআইআর-এ স্থগিতাদেশ

    কেন্দ্রীয় সংস্থার দাবিই বৈধতা পেল দেশের সর্বোচ্চ আদালতে। শেক্সপিয়র সরণী এবং সল্টলেকের ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানায় ইডি-র (IPAC Raid Case) বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া চারটি এফআইআর-এই স্থগিতাদেশ দিল আদালত। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বজায় থাকবে। অর্থাৎ ওই সময়কাল পর্যন্ত পুলিশের দায়ের করা এফআইআর-এর ভিত্তিতে কোনও তদন্ত হবে না। আদালত জানিয়েছে, উপযুক্ত অনুমতি এবং নথি নিয়ে কেউ তদন্ত করতে চায়, তাহলে তাদের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্নের জায়গা থাকে না। এই ঘটনার শুরু থেকেই ইডি (IPAC Raid Case) দাবি করছিল, যেভাবে তদন্তকারী অফিসারদের বিরুদ্ধে কলকাতা পুলিশ এবং বিধাননগর পুলিশের এফআইআর দায়ের করেছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। নিয়ম মেনেই তদন্ত করতে গিয়েছিলেন ইডি-র অফিসাররা। তথ্য নষ্ট করতে, ইডি-র অফিসারদের হেনস্থা করতেই পুলিশ এফআইআর দায়ের করেছে। তাই পুলিশের দায়ের করা এফআইআরগুলির উপর স্থগিতাদেশ দিতে এদিন আদালতে আর্জি জানায় ইডি। সেই মতোই চারটি এফআইর-এ স্থগিতাদেশ জারি করল আদালত।

    মমতার নিয়ে যাওয়া নথি সংরক্ষণের নির্দেশ

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তল্লাশির মাঝে সেদিন প্রতীক জৈনের বাড়ি থেকে যে সমস্ত জিনিস, ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস নিয়ে গিয়েছিলেন, তা সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তা যাতে কোনওভাবে বিকৃত করা না হয়, সেটাও নিশ্চিত করতে হবে তদন্তকারীকে। পাশাপাশি এই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র ও বিচারপতি বিপুল মনুভাই পাঞ্চোলির বড় পর্যবেক্ষণ, কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার যেমন নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে হস্তক্ষেপ কাম্য নয়, তেমনই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এজেন্সি যদি স্থানীয় থানার অনুমোদনপত্র হাতে নিয়ে বৈধ তদন্ত করে, তাহলেও তা আইনসিদ্ধ।

    ইডি-র তদন্ত আইনসিদ্ধ

    রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে ইডি (ED At Supreme Court) তাদের নির্বাচনী তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে গোড়া থেকে দাবি করে আসছিল তৃণমূল। যদিও ইডি-র দাবি ছিল, রাজনীতির সঙ্গে তাদের তদন্তের কোনও সংযোগ নেই। কয়লাপাচার নিয়ে তদন্ত চলছে। সেই নিয়ে এদিন শীর্ষ আদালত জানায়, উপযুক্ত অনুমতি এবং নথি নিয়ে তদন্ত করতে গেলে, সেই সংস্থার উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্নের অবকাশ থাকে না। অর্থাৎ ইডি যদি উপযুক্ত তথ্য়ের ভিত্তিতে, আইন মেনে তদন্ত চালায়, তাহলে তাদের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায় না।

    রাজ্যের হস্তক্ষেপ গুরুতর বিষয়

    সুপ্রিম কোর্ট এদিন জানিয়েছে, ইডি (ED At Supreme Court) বা কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির কাজে রাজ্যের সংস্থার হস্তক্ষেপ গুরুতর বিষয়। প্রত্যেক সংস্থা যাতে স্বতন্ত্রভাবে তদন্ত করতে পারে, তা দেখতে হবে। দেশে আইনের শাসন বজায় রাখা এবং কেন্দ্র ও রাজ্য সংস্থা যাতে স্বাধীন ভাবে নিজের কাজ করতে পারে, তার জন্য এই বিষয়টি খতিয়ে দেখা অত্যন্ত জরুরি। এটা দেখা দরকার— যাতে কোনও অপরাধী রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার আড়ালে লুকিয়ে রক্ষা না পেয়ে যান। এই মামলায় বহু বড় ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জড়িয়ে আছে। এই প্রশ্নগুলোর যদি মীমাংসা না হয়, তবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে এবং দেশের এক বা একাধিক রাজ্যে আইন না মানার অবস্থা তৈরি হতে পারে। কারণ, দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক দল সরকার চালাচ্ছে।

    ইডি সৎ উদ্দেশ্যেই কাজ করেছে

    সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, এটা ঠিক যে, কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থারই কোনও রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী কাজে হস্তক্ষেপ করার অধিকার নেই। আবার একই সঙ্গে আদালতের প্রশ্ন, যদি কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থা সৎ উদ্দেশ্যে কোনও গুরুতর অপরাধের তদন্ত করে, তাহলে কি শুধুমাত্র এটা দলের কাজ এই অজুহাতে তাদের তদন্ত চালানোর ক্ষমতা থেকে বঞ্চিত করা যেতে পারে? পিএমএলএ আইনের ৬৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী যদি ইডি অফিসারেরা অনুমোদনপত্র নিয়ে তল্লাশি চালিয়ে থাকেন, তা হলে ধরে নেওয়া যায় যে তাঁরা সৎ উদ্দেশ্যে কাজ করছিলেন।

    সব পক্ষকেই নোটিস

    এই মামলায় সব পক্ষকেই নোটিস দিয়েছে আদালত। পশ্চিমবঙ্গ সরকার, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পশ্চিমবঙ্গের ডিজিপি রাজীব কুমার, কলকাতা পুলিশের কমিশনার মনোজ ভার্মা, দক্ষিণ কলকাতার ডেপুটি কমিশনার প্রিয়ব্রত রায়ের আইনজীবীকেও নোটিস দেওয়া হয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা জমা দিতে হবে সকলকে। পাশাপাশি, প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং সল্টলেকে আইপ্যাকের দফতর এবং তার আশেপাশের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সমস্ত নথিপত্রও সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে। সব পক্ষের বক্তব্য শুনে চূড়ান্ত রায়দান করবে আদালত।

    মমতার প্যাটার্ন

    বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র স্পষ্ট করে বলে দেন, এই মামলা অত্যন্ত সংবেদনশীল। ইডি- বা কোনও তদন্তকারী সংস্থার হাতে যদি ‘অথরাইজেশন লেটার’ থাকে, তাহলে তদন্ত চালিয়ে যেতে পারবেন। অর্থাৎ প্রতীক জৈন কিংবা এই তদন্ত যাঁদের বিরুদ্ধে হচ্ছে, তাঁদের কোনও নিরাপত্তার মোড়ক দেওয়া হয়নি। অর্ডার দেওয়ার আগে বিচারপতি এও তুলে ধরেন, কীভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর আগেও কেন্দ্রীয় এজেন্সির কাজে হস্তক্ষেপ করেছেন। কার্যত এটা একটা প্যাটার্নে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিচারপতি। একই সঙ্গে কলকাতায় ইডি-সিবিআই অফিসারদের তদন্তের বিরুদ্ধে যেভাবে ধরনা হয়েছে, বিক্ষোভ হয়েছে, সেটাও অর্ডার দেওয়ার আগে বিচারপতি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি, হাইকোর্টে কেন শুনানি শুনানি হবে না, সেই প্রশ্ন তোলা হয় রাজ্যের তরফে। তবে আদালত জানিয়েছে, বৃহত্তর প্রশ্ন জড়িয়ে রয়েছে। তাই সুপ্রিম কোর্টেই শুনানি হবে। মামলার পরবর্তী শুনানি ৩ ফেব্রুয়ারি।

LinkedIn
Share