Tag: Madhyom

Madhyom

  • Daily Horoscope 12 January 2025: ব্যবসায় মন্দা দেখা দিতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 12 January 2025: ব্যবসায় মন্দা দেখা দিতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) ব্যবসায় অশান্তি বাধার আশঙ্কা।

    ২) বুকের সমস্যা বৃদ্ধি।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) বুদ্ধির ভুলে কোনও ক্ষতি হতে পারে, একটু সাবধান থাকা দরকার।

    ২) ভালো কাজে নিরাশ হয়ে ফিরে আসতে হবে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    মিথুন

    ১) প্রেমের ব্যাপারে অবসাদগ্রস্ত হতে পারেন।

    ২) ব্যবসায় লাভ বৃদ্ধি, তবে খরচও বাড়বে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কর্কট

    ১) কোনও সন্দেহজনক ব্যক্তি থেকে সাবধান।

    ২) নতুন কাজের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) সতর্ক থাকতে হবে।

    সিংহ

    ১) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    ২) বাড়ির কাছে ভ্রমণের ব্যাপারে আলোচনা।

    ৩) কারও সঙ্গে বিবাদে জড়াবেন না।

    কন্যা

    ১) পুরনো রোগ থেকে মুক্তিলাভ।

    ২) ব্যবসায় মন্দা দেখা দিতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    তুলা

    ১) শিক্ষাগত যোগ্যতার কারণে ভাল কাজ হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে।

    ২) সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়ে সমস্যা হতে পারে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    বৃশ্চিক

    ১) সন্দেহজনক কোনও ব্যক্তির পাল্লায় পড়ে অর্থক্ষতি। 

    ২) মধুর কথাবার্তা দ্বারা শ্রোতাদের মন জয় করতে পারবেন।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    ধনু

    ১) সকালের দিকে কাজের ব্যাপারে শুভ যোগাযোগ আসতে পারে।

    ২) কর্মস্থানে গুপ্তশত্রু হতে পারে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    মকর

    ১) কোনও উচ্চপদস্থ ব্যক্তির সঙ্গে বিবাদ।

    ২) স্বামীর সঙ্গে তর্ক না করাই ভালো হবে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কুম্ভ

    ১) বাড়িতে গুরুজনদের স্বাস্থ্যের উন্নতি হতে পারে।

    ২) অতিরিক্ত বিশ্বাসের খেসারত দিতে হতে পারে। 

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মীন

    ১) কর্মক্ষেত্রে বিরোধী ব্যক্তির সঙ্গে মিত্রতা হয়ে যেতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীদের চিকিৎসার জন্য সময় ব্যয়।

    ৩) সমাজে খ্যাতি বাড়বে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: ফের টার্গেট হিন্দু! বাংলাদেশের তিনটি মন্দিরে ভাঙচুর, লুট চালাল মৌলবাদীরা

    Bangladesh: ফের টার্গেট হিন্দু! বাংলাদেশের তিনটি মন্দিরে ভাঙচুর, লুট চালাল মৌলবাদীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পালাবদলের পর থেকে উত্তপ্ত বাংলাদেশ। ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার (Bangladesh) গঠনের পর থেকেই সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন ও অত্যাচারের যেন ক্রমেই বেড়ে চলেছে, দাবি একাংশের। ধর্মান্তকরণের চাপ জাঁকিয়ে বসেছে সেদেশের সংখ্যালঘুদের মাথায়। ঢাকা-সহ দেশের একাধিক জায়গায় চলেছে মন্দির ভাঙচুর। আর নতুন বছরের শুরুতে ফের বাংলাদেশে মৌলবাদী তাণ্ডব। চট্টগ্রামের হাটহাজারিতে ৩টি মন্দিরে হামলা। দেদারে চলল লুট। খোয়া গেল মন্দিরের প্রণামী বাক্সে থাকা হাজার পঞ্চাশেক টাকা, গয়না, নিত্য পুজোর জিনিসপত্রও। ফলে, হিন্দুদের ওপর অত্যাচার নিয়মিত হয়ে চলেছে, এই ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ।

    ঠিক কী  ঘটনা ঘটেছে? (Bangladesh)

    চট্টগ্রামের (Bangladesh) হাটহাজারি এলাকায় শ্রী বিশ্বেশ্বরী মন্দির, শ্রী সত্যনারায়ণ সেবাশ্রম-সহ একাধিক মন্দিরে হামলা ও লুট চালায় দুষ্কৃতীরা। এর আগেও একই প্রকার সন্ত্রাসের সাক্ষী থেকেছে বাংলাদেশ। গত বছরের শেষ মাসেই নাটোরের শ্বশানকালী মন্দিরে হামলা চালিয়েছিল এক দল দুষ্কৃতী। চলে লুটপাট। তবে সেখানেই থেমে থাকেনি তারা। হাত-পা বেঁধে খুন করা হয় মন্দিরের পুরোহিতকেও। এমনকি নতুন বছর থেকে মৌলবাদী কোপ পড়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতেও। অভিযোগ তিতুমির কলেজের অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবি ঘিরে সরব হয়েছে শিক্ষার্থীরা। ধর্মকে আধার করেই সংখ্যালঘু অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে চলছে হুমকি, হুঁশিয়ারি।

    আরও পড়ুন: দার্জিলিং থেকে পুরুলিয়ার ফারাক মাত্র দেড় ডিগ্রি! ১২ ডিগ্রিতে নামল কলকাতার তাপমাত্রা

    হামলা নিয়ে সরব কলকাতা ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট

    লালমোহন হাটে (Bangladesh) স্থানীয় জমিদার তুষভাণ্ডার জমিদার বাড়ির ভবতারিণী কালী মন্দির চুরি করেছে দুষ্কৃতীরা। সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস। এর আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মৌলবাদের উত্থান ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছিলেন তিনি। মন্দিরের হামলা নিয়ে রাধারমণের পোস্টে দাবি, শুক্রবার পুজো করতে যখন পুরোহিত আসেন, তখনই তিনি দেখতে পান যে, মন্দিরের দরজা ভাঙা। বিগ্রহ উধাও। নেই কোনও সোনার অলংকার, ঠাকুরের মূর্তি বা পুজোর সামগ্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Varanasi: এক শতাব্দী বন্ধ থাকার পর ফের খুলেছে বারাণসীর এই মহাদেব মন্দির, হবে বিশেষ পুজো

    Varanasi: এক শতাব্দী বন্ধ থাকার পর ফের খুলেছে বারাণসীর এই মহাদেব মন্দির, হবে বিশেষ পুজো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের বারাণসীর (Varanasi) সিদ্ধেশ্বর মহাদেব মন্দির এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে তালাবন্ধ অবস্থায় পড়ে ছিল। স্থানীয় ও প্রশাসনিক সহায়তায় পুনরায় তা খুলেছে সনাতন রক্ষা দল। কিন্তু এবার নতুন করে মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়ায় মন্দিরের ভিতরে পুরাতন তিনটি শিবলিঙ্গ পাওয়া গিয়েছে। পুরোহিতদের সঙ্গে পরামর্শ করে আগামী ১৪ জানুয়ারি শুভমুহূর্তে পুজো শুরু করা হবে বলে জানা গিয়েছে। শিবভক্তদের মধ্যে এখন বিরাট উচ্ছ্বাস।

    কাশী বিদ্যা পরিষদ, অন্নপূর্ণা মন্দিরের তরফে অংশ গ্রহণ থাকবে

    উত্তরপ্রদেশের (Varanasi) এই পুরাতন শিব মন্দিরটি রয়েছে একটি মুসলিম জনবহুল এলাকায়। আনুমানিক এক শতাব্দী সময় ধরে তালবন্ধ অবস্থায় থাকার পর এবার হিন্দু সমাজের দাবিতে প্রশাসন মন্দির খুলে দেওয়ার কাজ করেছে। এরপর এখন এই মন্দিরে পুজোর উদ্বোধন মুহূর্ত হিসেবে আগামী ১৪ জানুয়ারিকে ঠিক করা হয়েছে। ইতিমধ্যে একই কর্মকাণ্ডে কাশী বিদ্যা পরিষদ, অন্নপূর্ণা মন্দির, এবং অন্যান্য পণ্ডিতেরা অংশ গ্রহণ করবেন।

    আরও পড়ুনঃ আজ প্রাণপ্রতিষ্ঠার প্রথম বর্ষপূর্তি, পঞ্চামৃত অভিষেক সম্পন্ন হল রামলালার

    তিনটি ক্ষয়িষ্ণু শিবলিঙ্গের পুজো হবে

    কাশীর (Varanasi) ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ গৌরব বনসাল বলেন, “মন্দিরটি শতাব্দীর বেশি সময় ধরে তালাবন্দি অবস্থায় পড়ে ছিল। এখন উদ্ধার কাজ চলছে। প্রাচীন বেশকিছু প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান উদ্ধার করা হয়েছে। তিনটি ক্ষয়িষ্ণু শিবলিঙ্গেরও সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এখন সকল ধ্বংসস্তূপগুলিকে পরিষ্কার করা হচ্ছে।” অতিরিক্ত জেলা শাসক আলোক ভার্মা বলেন, “মন্দিরটিকে উদ্ধারকাজে এবং পুনরায় খুলে দেওয়ার সময় কোনও প্রকার বিবাদ হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা বেশ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। দেওয়াল এবং ভূ-মণ্ডলের উপরে জমে থাকা ২ ফুটের বেশি মাটির শক্ত আবরণের স্তরকে পরিষ্কারের কাজ করা হচ্ছে। মন্দিরে পুজো যত দ্রুত সম্ভব এখন চালু করা হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Economy Growth 2025: ২০২৫ সালেও বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতি হবে ভারত, বলছে রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্ট

    Economy Growth 2025: ২০২৫ সালেও বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতি হবে ভারত, বলছে রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি জমানায় দ্রুত উন্নতির পথে দেশ। অর্থনীতির ভিত ক্রমেই হচ্ছে মজবুত। ২০২৫ সালেও যে অব্যাহত থাকবে ভারতীয় অর্থনীতির লেখচিত্র, তা জানিয়ে দিল রাষ্ট্রসংঘ (Economy Growth 2025)। রাষ্ট্রসংঘের অনুমান, বিগত বছরের মতো, এ বছরও বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতি হিসেবে ভারত তার অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হবে। হামিদ রাশিদের নেতৃত্বাধীন রাষ্ট্রসংঘের বিশ্ব অর্থনৈতিক পর্যবেক্ষণ ইউনিটের প্রকাশিত রিপোর্টের মতে, এ বছর ভারতের অর্থনীতি বৃদ্ধি পাবে ৬.৬ শতাংশ হারে। বুধবার রাষ্ট্রসংঘের (UN Report) এক রিপোর্টেই এমনতর দাবি করা হয়েছে। বলা হয়েছে, ভারতের অর্থনৈতিক শক্তিবৃদ্ধি দক্ষিণ এশিয়ার আর্থিক অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করবে।

    রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্ট (Economy Growth 2025)

    রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্টে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম অর্থনীতি হল ভারত। তাই ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির কারণে দক্ষিণ এশিয়ায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তবে এই অঞ্চলের আর্থিক অগ্রগতিতে অবদান থাকবে নেপাল, ভুটান ও শ্রীলঙ্কার মতো দেশগুলিরও। কীভাবে হবে ভারতের অর্থনৈতিক ‘শ্রীবৃদ্ধি’? সেই ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়েছে রাষ্ট্রসংঘের ওই রিপোর্টে। বলা হয়েছে, মূলত শক্তিশালী বেসরকারি খরচ ও বিনিয়োগের জন্যই ২০২৫ সালে ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ৬.৬ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

    ভারতের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড

    পরিষেবা এবং নির্দিষ্ট পণ্য, বিশেষ করে ওষুধ ও বৈদ্যুতিন সরঞ্জামের ক্ষেত্রে রফতানি বৃদ্ধি পাবে বলেও দাবি করা হয়েছে ওই রিপোর্টে (Economy Growth 2025)। এর জেরে শক্তিশালী হবে ভারতের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। উৎপাদন ও পরিষেবা খাতের সম্প্রসারণও চালিত করবে ভারতীয় অর্থনীতির চাকাকে। গত বছর ভালো বর্ষা হয়েছে। তাই কৃষিক্ষেত্রেও বৃদ্ধি ভালো হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: “হিন্দুরা জোটবদ্ধ না হলে এখানেও বাংলাদেশের মতো সংখ্যালঘু হয়ে পড়বেন”, বার্তা শুভেন্দুর

    ২০২৪ সালে ভারতীয় অর্থনীতি বৃদ্ধি পেয়েছে ৬.৮ শতাংশ। এ বছর ৬.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। আগামী বছর ভারতীয় অর্থনীতি ফের ৬.৮ শতাংশ বৃদ্ধিতে ফিরে আসবে বলে অনুমান। রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্টে আশা করা হয়েছে, পরিকাঠামো উন্নয়নে মূলধন ব্যয় আগামী বছরগুলিতে অর্থনৈতিক বৃদ্ধির ওপর শক্তিশালী বহুমুখী প্রভাব ফেলবে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ভারতে লেবার ইন্ডিকেটর ২০২৪ সালে ভালো ছিল। আগামী বছরও (UN Report) ভালো থাকবে। এ বছর বেকারত্বের হার থাকবে ৬.৬ শতাংশ (Economy Growth 2025)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

      

     

  • Mahakumbh Mela 2025: মহাকুম্ভের নাগা সন্ন্যাসীদের জীবন দর্শন কেমন? কীভাবে পিন্ডদান করে পুণ্যলাভ হয় জানেন?

    Mahakumbh Mela 2025: মহাকুম্ভের নাগা সন্ন্যাসীদের জীবন দর্শন কেমন? কীভাবে পিন্ডদান করে পুণ্যলাভ হয় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকুম্ভের (Mahakumbh Mela 2025) আধ্যাত্মিক সাধনার ভরকেন্দ্রে রয়েছেন নাগা সন্ন্যাসীরা (Naga)। ভারতীয় আধ্যাত্মিক সাধনায় নাগাদের জীবন দর্শন কেমন তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে একটা কৌতূহল রয়েছে। সাধুদের জীবন অভিপ্রায় কেমন? তাঁদের সাধ্য-সাধনতত্ত্বের বিষয়বস্তু কেমন? কীভাবে সাধনা করেন? সারা বছর কীভাবে জীবন অতিবাহিত করেন? লোক সমাজের অন্তরালে কীভাবে সাধনায় অবিচল থাকেন?— ইত্যাদি এই রকম নানা জানা-অজানা প্রশ্নে রহস্য জড়িয়ে রয়েছে কুম্ভমেলার সাধুদের জীবন। সাধারণত কুম্ভে সকল আগত দর্শনার্থী বা তীর্থযাত্রীদের কাছে আকর্ষণীয় দর্শনীয় বিষয় থাকে নাগা সাধুদের শোভাযাত্রা এবং প্রদর্শনী। আসুন এবার নাগা সাধুদের সম্পর্কে কিছু অজানা কথা জেনে নিই।

    শঙ্কারাচার্যের অদ্বৈতবাদের দ্বারা প্রভাবিত (Mahakumbh Mela 2025)

    বলা হয়ে থাকে, নাগারা আদিগুরু শঙ্করাচার্য, অদ্বৈত বেদান্তের মতবাদ দ্বারা অনুপ্রাণিত এবং দীক্ষিত। নাগাদের একটি বিশেষ আখড়া বা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় উত্থান, মন্দির ও আধ্যাত্মিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রক্ষা তথা সর্বোপরি ধর্মরক্ষা-ধর্মসংরক্ষণের জন্য নাগা সাধুর বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকেন। সাধারণত ১২ বছর অন্তর অন্তর মহাকুম্ভ পালিত হয় উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বার, উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজ, মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িন এবং মহারাষ্ট্রের নাসিকে। এই বছর পূর্ণ মহাকুম্ভ হবে প্রয়াগরাজে। কুম্ভে কোটি কোটি ভক্ত, সাধু এবং সন্ন্যাসীদের মধ্যে নাগারা বিশেষ রূপ বহন করে থাকেন। তাঁদের ছাই ভস্ম মাখা উলঙ্গ দেহে চলাচল এবং তাঁদের হাতে অস্ত্র কিংবা ত্রিশূল অনন্যরূপে কুম্ভমেলার (Mahakumbh Mela 2025) মূল আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। তাঁদের শোভাযাত্রা এবং অস্ত্র প্রশিক্ষণ শিবিরগুলিতে আগত পুণ্যার্থিদের ভিড় চোখে পড়ার মতো থাকে।

    নাগাদের উৎপত্তি

    ভারতের ইতিহাস এক বৈচিত্র্যপূর্ণ জীবন দর্শন। সনাতন হিন্দু ধর্মের নানা রূপে ভগবান বিরাজিত হন। পথ অনেক হলেও শেষ পর্যন্ত সমুদ্রেই নিমজ্জিত হয় নদী। প্রধান পাঁচটি ধর্মীয় শাখা হল— শৈব, শাক্ত, বৈষ্ণব, সৌর এবং গাণপত্য। এই পাঁচ শাখার মধ্যে নাগারা (Naga) হলেন পরম শৈব। তাঁরা শিবের উপাসক। বলা হয়ে থাকে ভারতীয় প্রাচীন ধর্মীয় রূপগুলির মধ্যে শৈব প্রধান মত। পণ্ডিতদের মতে, সংস্কৃতে ‘নাগা’ শব্দের অর্থ ‘পর্ব’, পাহাড়ী অঞ্চলে বসবাসকারী লোকদের বোঝায়, যাঁদের ‘পাহাড়ি’ বা ‘নাগা’ বলা হয়ে থাকে। এই সন্ন্যাসী সম্প্রদায়ের ভৌগলিক এবং সাংস্কৃতিক শিকড় অনেক গভীরে। অনেকটা দিগম্বর জৈনদের মতো। পোশাক না পরিধান করে নগ্ন অবস্থায় থাকেন তাঁরা। শৈব দর্শন হল তাঁদের মূল সাধন মার্গ। কুম্ভে (Mahakumbh Mela 2025) সাধুরা সনাতনী ভাবনাকেই বার বার ফুটিয়ে তুলতে সচেষ্ট থাকেন।

    পিন্ডদানের আচার পালন করতে হয়

    নাগা (Naga) সাধু হওয়া কোনও সহজ সাধনা নয়। নিজেকে জাগতিক সকল সুখ-ভোগ বিষয় ঐশ্বর্যকে ত্যাগ করতে জয়। সাধুদের প্রথমে ব্রহ্মচর্য এবং আধ্যাত্মিক অনুশাসন পালন করতে হয়। প্রতিশ্রুতি বদ্ধ হয়ে ১২ বছর ধরে কঠোর সাধনায়রত থাকেন সাধকরা। পার্থিব আনন্দ থেকে মুক্ত হয়ে ব্রহ্মচর্য পালন করতে হয়। পঞ্চগুরু, পিন্ডদানের আচার পালন করতে হয়। পিন্ডদানের মাধ্যমে পূর্ব পুরুষদের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া করা হয়ে থাকে। সনাতন ধর্মের পাঁচটি মার্গের দর্শনকে গভীরভাবে আত্মস্থ করতে হয়। এরপর গুরুরা দীক্ষা দিয়ে নির্দেশিকা দিয়ে থাকেন। তবে এই মতে দীক্ষা নিলে নতুন করে আবার পুনর্জন্মও হয়। এটাই নাগাদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য, করা হয় সেই সঙ্গে নামকরণও। মেলায় (Mahakumbh Mela 2025) তাঁদের ধর্মীয় লৌকিক এবং অলৌকিক বাস্তবতার প্রয়োগও চোখে পড়ে।

    আরও পড়ুনঃ জমি মাফিয়াদের বোর্ড হল ওয়াকফ, তীব্র আক্রমণ যোগী আদিত্যনাথের  

    ভিক্ষাকরে জীবন অতিবাহিত করতে হয়

    অঙ্গকে কঠোর সংযম এবং সাধনার বলে আসক্তিকে মুক্ত করতে হয়। আখড়ার পতাকার নিচে দাঁড়িয়ে ২৪ ঘণ্টা উপবাসে নিমগ্ন হয়ে থাকতে হয় নাগাদের। তাঁদের মাথার চুল কামানো যায় না, মাথায় জটাধারী চুল হল শিবের প্রতীক। স্বয়ং ভোলানাথের কেশ ছিল জটাবৃত। তীব্রভাবে শারীরিক এবং মানসিক দিক থেকে যে কোনও কামনা-বাসনাকে ত্যাগ করতে হয়। তাঁদের কাছে আধ্যাত্মিক জ্ঞান এবং পরম ঈশ্বর প্রাপ্তি হল প্রধান লক্ষ্য। মূলত তাঁদের ভিক্ষা করে জীবন অতিবাহিত করতে হয়। এক দিনে ৭ বাড়ির বেশি ভিক্ষা করা যায় না, আর যদি ওই দিন ভিক্ষা না পেয়ে থাকেন তাহলে ক্ষুদাকে আলিঙ্গন করতে হয়। তাঁদের মাটিতে বিছানা করে ঘুমাতে হয়। বিলাসিতা এবং সকল স্বাচ্ছন্দ্যকে বর্জন করতে হয়। নাগারা একই ভাবে মনের অহং ভাবনাকে সম্পূর্ণভাবে ত্যাগ করে পরমশক্তিমান শিবের আরাধনা করে থাকেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Bangladesh Border: চোরাচালান, অনুপ্রবেশে মদত করতেই কি সীমান্তে বিএসএফকে বেড়া দিতে বাধা বিজিবি-র?

    India Bangladesh Border: চোরাচালান, অনুপ্রবেশে মদত করতেই কি সীমান্তে বিএসএফকে বেড়া দিতে বাধা বিজিবি-র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে উড়ছে কোটি কোটি টাকা। কাঁটাতারের বাইরে ফাঁকা অংশে নজর বাংলাদেশের (India Bangladesh Border) চোরাচালানকারীদের। হু হু করে ঢুকছে রোহিঙ্গারা। মদত রয়েছে ইউনূস সরকারের। দোসর বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বা বিজিবি। বাংলাদেশের অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যে এবার ফাঁকা অংশে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা বিএসএফ। রাজ্যের একাধিক জেলার সীমান্ত এলাকায় এখন কাঁটাতার দেওয়ার কাজ চলছে। আর সেখানে বার বার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে বিজিবি। আর তাতে মদত রয়েছে ইউনূস সরকারের। তবে, বিএসএফের কড়া হুঁশিয়ারিতে বার বার পিছু হটছে বিজিবি।

    রোহিঙ্গাদের অনুপ্রেবেশের স্বার্থেই কি বিজিবির এই বিরোধিতা? (India Bangladesh Border)

    মালদা, কোচবিহার, দক্ষিণ দিনাজপুর, নদিয়া সহ একাধিক জায়গায় বিজিবি সীমান্তে (India Bangladesh Border) বিএসএফকে কাঁটাতারের বেড়া দিতে বাধা দিচ্ছে। মূলত, সীমান্তে চোরাচালান, অনুপ্রবেশে ইউনূস সরকারের মদত রয়েছে। সরকারের নির্দেশ পেয়ে সীমান্তে সক্রিয় হয়ে উঠেছে বিজিবি। নানা অছিলায় বিএসএফকে কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে। মূলত, সীমান্তে যাতে বেড়া দিতে না পারে তার উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু, প্রতিবারই বিএসএফের চাপে পিছু হটছে বিজিবি। জানা গিয়েছে, মালদার ভারত-বাংলা সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া স্থাপনে আবারও বিজিবির পক্ষ থেকে ভারতের কেন্দ্রীয় পূর্ত সড়ক বিভাগকে বাধা দেয়। তাদের দাবি, বেড়া নির্মাণের জন্য খুঁটির গর্ত খোঁড়া যাবে না। যেখানে গর্ত খোঁড়া হচ্ছে, সেই জায়গা নাকি বাংলাদেশের। তাদের বাধায় বৃহস্পতিবার সকালে বন্ধ হয়ে যায় বেড়া দেওয়ার কাজ। বিকেলে ইংরেজবাজারের মহদিপুরে দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে ফ্ল্যাগ মিটিং হয়। সেই বৈঠকে বাংলাদেশি সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে ম্যাপ খুলে সবকিছু দেখানোর পর, তারা নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসে। শুক্রবার সকাল থেকে ফের শুরু হয়েছে বেড়া দেওয়ার কাজ, বলে জানিয়েছেন মালদার জেলাশাসক। তবে সীমান্ত লাগোয়া এলাকার ভারতীয়রা বলছেন, এর পিছনে রয়েছে বাংলাদেশের অভিসন্ধি। যেখানে তারা এই ঘটনা ঘটাচ্ছে, সেখানে সীমান্তের ওপারে রোহিঙ্গারাও জড়ো হয়েছে বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। তবে কি বাংলাদেশি রোহিঙ্গাদের অনুপ্রেবেশের স্বার্থেই কি বিজিবির এই বিরোধিতা? প্রশ্ন তুলছেন এপারের মানুষ।

    আরও পড়ুন: দার্জিলিং থেকে পুরুলিয়ার ফারাক মাত্র দেড় ডিগ্রি! ১২ ডিগ্রিতে নামল কলকাতার তাপমাত্রা

    বেড়া দিতে বার বার বাধা দিচ্ছে বিজিবি!

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সম্প্রতি ইন্দো-বাংলা সীমান্তের (India Bangladesh Border) অরক্ষিত সীমান্তে ত্রিস্তর কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি থেকে সেই কাজ শুরু হয়েছে। কালিয়াচক ৩ নম্বর ব্লকের বাখরাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের সুকদেবপুরেও চলতি সপ্তাহে সেই কাজ শুরু হয়। কিন্তু গত সোমবার সেখান প্রথমবার কাজে বাধা দেন বেশকিছু বাংলাদেশি। তাঁদের সমর্থনে এগিয়ে আসে বিজিবিও। তারা দাবি করে, যেখানে বেড়া দেওয়া হচ্ছে সেই জায়গা বাংলাদেশ ভূখণ্ডের মধ্যে পড়ে। যদিও কালিয়াচক ৩ নম্বর ব্লক প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে ম্যাপ খুলে বিজিবিকে প্রমাণ দেন, যে তাদের দাবি সঠিক নয়। মঙ্গলবার কাজ ফের শুরু হয়। একদিন কাজ হতে না হতে ফের বাধা আসে। নকশা অনুযায়ী, কাঁটাতারের বেড়া দিতে ওই এলাকায় মরাগঙ্গা নদীর ধারে মোট ৪০০টি খুঁটি পুঁততে হবে। তার জন্য ইতিমধ্যে শতাধিক গর্ত করা হয়ে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার বিজিবির তরফে দাবি করা হয়, যে জায়গায় গর্ত খোঁড়া হচ্ছে, সেটা বাংলাদেশের রাজশাহী জেলার মধ্যে পড়ে।

    স্থানীয় প্রধান কী বললেন?

    বাখরাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান আবদুর রহিম জানাচ্ছেন, “বিজিবি ও অল্প কিছু সংখ্যক বাংলাদেশির (India Bangladesh Border) বাধায় বারবার এই কাজ বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। আমরা চাই, দ্রুত এই বেড়া দেওয়া হোক। এতে এলাকার নিরাপত্তা যেমন বাড়বে, তেমনই চোরা কারবার আর অনুপ্রবেশের উপরেও নিয়ন্ত্রণ রাখা সহজ হবে। এই মুহূর্তে বাংলাদেশে অস্থির অবস্থা চলছে। বিনা কারণে বাংলাদেশিরা কাঁটাতারের ওপারে ভারতীয় জমিতে চাষ করতে যাওয়া চাষিদের গালাগালি করছে। তবে বিএসএফ সক্রিয় রয়েছে। সীমান্তে নিরাপত্তা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।”

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    সুকদেবপুরের বাসিন্দা (India Bangladesh Border) মহম্মদ ফইজুদ্দিন, বাবলু শেখরা বলেন, “এমনিতেই এই এলাকা দুষ্কৃতীদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। মাঝেমধ্যেই জাল নোট কিংবা নেশার কফ সিরাপ উদ্ধার হয়। বিএসএফ জওয়ানদের ওপর বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের হামলার ঘটনাও ঘটেছে। নিজেদের নিরাপত্তায় আমরা দীর্ঘদিন ধরেই সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলাম। অবশেষে কেন্দ্রীয় সরকার সেই কাজ শুরু করেছে। যে কোনও মূল্যে কাঁটাতারের বেড়া দিতে হবে।” স্থানীয় রমজান আলির বক্তব্য, “আমরা খবর পেয়েছি, এই অরক্ষিত সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশি আর রোহিঙ্গাদের এদেশে অনুপ্রবেশ করানোর চেষ্টা করছে বিজিবি। সেই কারণেই তারা বারবার ঝামেলা পাকাচ্ছে। বিএসএফ আমাদের একবার সুযোগ দিক, আমরা সব ঠান্ডা করে দেব।”

    বিএসএফের কর্তা কী বললেন?

    বিএসএফের (BSF) এক আধিকারিক (India Bangladesh Border) হনুমান প্রসাদ জানাচ্ছেন, “বিজিবির বাধায় গতকাল সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সমস্যা মেটাতে মহদিপুরে দু’দেশের ফ্ল্যাগ মিটিং হয়েছে।  ফের কাজ শুরু হয়েছে। সীমান্তে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সুকদেবপুর বিওপি থেকে শবদলপুর বিওপি পর্যন্ত জওয়ানদের মোতায়েন করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: দার্জিলিং থেকে পুরুলিয়ার ফারাক মাত্র দেড় ডিগ্রি! ১২ ডিগ্রিতে নামল কলকাতার তাপমাত্রা

    Weather Update: দার্জিলিং থেকে পুরুলিয়ার ফারাক মাত্র দেড় ডিগ্রি! ১২ ডিগ্রিতে নামল কলকাতার তাপমাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মকর সংক্রান্তির আগে শীতে কাঁপছে কলকাতা থেকে গঙ্গাসাগর। ১২ ডিগ্রিতে নেমে গেল কলকাতার তাপমাত্রা (Weather Update)। শনিবার সকালে শহরের পারদ নেমেছে স্বাভাবিকের চেয়ে নীচে। তবে রবিবার থেকেই তাপমাত্রা আবার বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। শনিবার পুরুলিয়ার তাপমাত্রা অনেকটাই কম ছিল। ঠান্ডায় দার্জিলিংকে প্রায় ছুঁয়ে ফেলেছে পশ্চিমের এই জেলা। পুরুলিয়ার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬.৫ ডিগ্রি। দার্জিলিঙের (৫ ডিগ্রি) সঙ্গে ব্যবধান মাত্র দেড় ডিগ্রির। 

    শীতের দাপট শহরে

    প্রতি বছর এই সময়টা শীতের (Weather Update) কামড় বেশ গভীর হয়। তবে এবার পশ্চিমী ঝঞ্ঝার পর রবিবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে বলে মনে করছে আবহাওয়া দফতর। আগামী সপ্তাহের শুরুতেই সামান্য বাড়তে পারে উষ্ণতা। তিন দিনে দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়বে মঙ্গলবারের মধ্যে। তবে তার আগে হাড় কাঁপানো শীত উপভোগ করল শহরবাসী। শনি ও রবিবার শীতের কলকাতায় ভালই বনভোজনে মাতবে শীতবিলাসীরা। ভিড় জমেছে চিড়িয়াখানা, ভিক্টোরিয়া, যাদুঘরেও। ইকো-পার্ক, নিকো পার্কেও কচিকাচাদের ভিড়। কলকাতায় শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ১.২ ডিগ্রি কম। শুক্রবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২২.২ ডিগ্রির বেশি হয়নি। তা-ও স্বাভাবিকের চেয়ে আড়াই ডিগ্রি কম। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বা আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৫০ থেকে ৯৬ শতাংশ। 

    জেলায় জেলায় নামল তাপমাত্রা

    শনিবার রাজ্যের একাধিক জেলায় তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নীচে (Weather Update) নেমে গিয়েছে। কল্যাণীতে ৯.৫, ঝাড়গ্রামে ৯.৫, শ্রীনিকেতনে ৯৯ এবং বর্ধমানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া, উলুবেড়িয়ায় ১০.৫, বাঁকুড়ায় ১০.৫, বহরমপুরে ১০.৪, পানাগড়ে ১০.৩ এবং আসানসোলে ১০.১ ডিগ্রি পর্যন্ত পারদ নেমেছিল। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রার পরিবর্তন হবে না। তার পর থেকে আগামী তিন দিনে তাপমাত্রা দুই থেকে তিন ডিগ্রি বাড়তে পারে। তবে, রবিবার থেকেই হবে হাওয়া বদল। শীত কমার সঙ্গে সঙ্গে উত্তরবঙ্গে ঘন কুয়াশার ফলে  দৃশ্যমানতা কমবে। রবি ও সোমবার দার্জিলিং ও কালিম্পঙের উঁচু এলাকায় তুষারপাতও হতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hush Money Case: পর্নস্টারকে ঘুষ মামলায় নিঃশর্ত রেহাই ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্টের, কী বলল আদালত?

    Hush Money Case: পর্নস্টারকে ঘুষ মামলায় নিঃশর্ত রেহাই ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্টের, কী বলল আদালত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মসনদে বসার দিন দশেক আগে বড় স্বস্তি পেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। পর্নস্টারকে ঘুষ দিয়ে মুখ বন্ধ করার চেষ্টার মামলায় (Hush Money Case) নিঃশর্ত রেহাই পেলেন আমেরিকার হবু প্রেসিডেন্ট। পর্নস্টার স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে ঘুষ দেওয়ার ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন তিনি (Donald Trump)। তার পরেই শুরু হয়েছিল আদালত কী সাজা দেয় ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্টকে, তা নিয়ে জল্পনা। শেষমেশ স্বস্তির শ্বাস ফেললেন রিপাবলিকান পার্টির এই নেতা।

    কী বলল আদালত? (Hush Money Case)

    আদালত জানিয়ে দিয়েছে, জেল কিংবা জরিমানা, কিছুই হচ্ছে না তাঁর। ট্রাম্পকে যে জেলে যেতে হবে না, এক একপ্রকার জানাই ছিল। কারণ মার্কিন আইন অনুয়ায়ী, ট্রাম্পের কারাদণ্ডের সম্ভাবনা প্রায় ছিলই না। তবে আর্থিক জরিমানা হওয়ার আশঙ্কা করছিলেন ট্রাম্পের অনুগামীদের একাংশ। শেষ পর্যন্ত নিঃশর্ত রেহাই মেলায় স্বস্তির শ্বাস ফেললেন ট্রাম্প ও তাঁর অনুগামীরা। শুক্রবার ফ্লোরিডা থেকে ভার্চুয়ালি আদালতে হাজিরা দেন ট্রাম্প। জানান, তিনি নির্দোষ (Hush Money Case)। এর পরেই বিচারক জুয়ান মার্চান বলেন, “এই আদালত নির্ধারণ করেছে যে, দেশের সর্বোচ্চ পদের ওপর হস্তক্ষেপ না করেই রায় বা দোষী সাব্যস্ত হওয়ার একমাত্র আইনসঙ্গত শাস্তি হল নিঃশর্ত অব্যাহতি।”

    স্টর্মিকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ

    ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে স্টর্মিকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল ট্রাম্পের বিরুদ্ধে। গত মে মাসে নিউ ইয়র্কের আদালতে দোষী সাব্যস্ত হন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তাতে অবশ্য ট্রাম্পের রাজনৈতিক কেরিয়ারের কোনও ক্ষতি হয়নি। কারণ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য সাজা ঘোষণা স্থগিত রেখেছিল আদালত (Hush Money Case)। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জো বাইডেনের দলের প্রার্থীকে কার্যত ধরাশায়ী করে জয়ী হন ট্রাম্প।

    আরও পড়ুন: “হিন্দুরা জোটবদ্ধ না হলে এখানেও বাংলাদেশের মতো সংখ্যালঘু হয়ে পড়বেন”, বার্তা শুভেন্দুর

    এর পরেই মামলার (Hush Money Case) শাস্তি থেকে অব্যাহতি চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। ভাবী প্রেসিডেন্টের সেই আর্জি খারিজ করে আদালত সাফ জানিয়ে দেয়, প্রেসিডেন্ট পদে বসলেও, রক্ষাকবচের কোনও প্রশ্নই নেই। তার পরেই গুঞ্জন ছড়ায়, তাহলে কি দ্বিতীয়বারের জন্য প্রেসিডেন্ট পদে বসার আগেই অস্বস্তিতে পড়তে চলেছেন ট্রাম্প। শুক্রবার সেই জল্পনায় জল ঢেলে দিল আদালত। স্বস্তি পেলেন ট্রাম্প। প্রসঙ্গত, আগামী ২০ জানুয়ারি ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেবেন ট্রাম্প (Donald Trump)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “হিন্দুরা জোটবদ্ধ না হলে এখানেও বাংলাদেশের মতো সংখ্যালঘু হয়ে পড়বেন”, বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “হিন্দুরা জোটবদ্ধ না হলে এখানেও বাংলাদেশের মতো সংখ্যালঘু হয়ে পড়বেন”, বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে লাগাতার হিন্দু নির্যাতনের প্রসঙ্গ তুলে সনাতনীদের ঐক্যবদ্ধ ও একজোট হওয়ার ডাক দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। শুক্রবার রানিগঞ্জের নতুন এগরার সভায় তাঁর (Suvendu Adhikari) দাবি, “সনাতনী হিন্দুরা জোটবদ্ধ না হলে এখানেও তাঁরা পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের মতো সংখ্যালঘু হয়ে পড়বেন। দেশছাড়া হতে হবে তাঁদের। ”আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভার রানিগঞ্জের নতুন এগরায় এদিন বিকেলে ‘সংকল্প রামরাজ্য’ শীর্ষক সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সভামঞ্চ থেকে সনাতনীদের একতার বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি নানা ইস্যুতে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ শানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।

    হিন্দুদের একজোট হওয়ার বার্তা (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে একটা সময় হিন্দু, শিখ ও পার্সিদের সংখ্যা অনেক ছিল। তাঁদের প্রচুর সম্পত্তি ছিল। কিন্তু তাঁদের সব কিছু ছেড়ে চলে আসতে হয়েছে। বাংলাদেশের কথাই ধরুন না। ১৯৪৭ সালে ওই দেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের সংখ্যা ৩৩ শতাংশ। ১৯৭১ সালে তা হয় ২২ শতাংশ। আর এখন সাড়ে ৭ শতাংশ। ১৭ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে হিন্দু মেরেকেটে ২ কোটি হবে। তাই বলছি, সব হিন্দুরা একজোট হন।” পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি বিরোধী দলেনতা বলেন, “এখন রাজ্যের সব হিন্দু এককাট্টা হয়েছেন। বাঙালি হিন্দুরাও বুঝতে পেরেছেন। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল আর সরকারে আসবে না।” এদিনের সভায় ছিলেন আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল সহ একাধিক বিধায়ক ও জেলা নেতৃত্ব।

    তৃণমূলের দুর্নীতি নিয়ে সরব

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ফের সরব হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অভিযোগ (Suvendu Adhikari) করেন, বেআইনি কয়লা ও বালি কারবারের। তিনি বলেন, “আসানসোল, রানিগঞ্জ, জামুড়িয়া, বারাবনি, পাণ্ডবেশ্বরে অবৈধ খননের জেরে মাটির নীচে ফাঁকা হয়ে গিয়েছে। যে কোনও সময় ধসে পড়বে। বৈধর থেকে দশগুণ অবৈধ খনি রয়েছে।” তাঁর দাবি, “কিছু দিন কয়লা চুরি বন্ধ ছিল। ৩ জানুয়ারি থেকে আবার রমরমা কারবার শুরু হয়েছে। এ ছাড়া, বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুরে নদী এবং আসানসোলে অজয় ও দামোদর নদে বালি মাফিয়ারা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। যন্ত্রের সাহায্যে বালি তোলার মতো বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে জাতীয় পরিবেশ আদালতের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। এ নিয়ে আসানসোল দক্ষিণের বিধায়ক (অগ্নিমিত্রা) লাগাতার আন্দোলন করছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Modi Government: মমতার বঞ্চনার দাবি মিথ্যে, কর বাবদ বাংলাকে ১৩,০১৭ কোটি টাকা দিল মোদি সরকার

    Modi Government: মমতার বঞ্চনার দাবি মিথ্যে, কর বাবদ বাংলাকে ১৩,০১৭ কোটি টাকা দিল মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরে সুখবর। রাজ্যগুলিকে কর বাবদ ১,৭৩,০৩০ কোটি টাকা বণ্টন করল কেন্দ্রীয় সরকার (Modi Government)। পশ্চিমবঙ্গ পেল ১৩০১৭.০৬ কোটি টাকা। ডিসেম্বর ২০২৪-এ ৮৯,০৮৬ কোটি টাকা বণ্টন করা হয়েছিল। যার তুলনায় এবারের পরিমাণ অনেক বেশি বলে দাবি করা হয়েছে। এই বাড়তি অর্থ রাজ্যগুলিকে উন্নয়নমূলক কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং জনকল্যাণ প্রকল্পগুলির খরচ মেটাতে সাহায্য করবে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিয়মমাফিক কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তোলেন। সেই দাবি যে সর্বৈব মিথ্যে ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, তা এই বাড়তি অর্থ বরাদ্দের ঘটনায় পরিষ্কার।

    আরও পড়ুনঃ ২২ জানুয়ারি মুর্শিদাবাদে রাম মন্দিরের সূচনা, ঘোষণা অম্বিকানন্দের, কারা কারা আমন্ত্রিত?

    জিএসটি বাবদ প্রাপ্য টাকা দিল কেন্দ্র

    বয়েকা অর্থ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে (Central Government) বারবার নিশানা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। প্রাপ্য টাকা না দেওয়া এবং বিভিন্ন প্রকল্পের বরাদ্দ টাকা আটকে থাকার অভিযোগ তিনি বারবার সামনে এনেছেন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে, বারবারই রাজ্যের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে মোদি সরকার (Modi Government)। এবারও কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কর বাবদ পশ্চিমবঙ্গকে (West Bengal) ১৩ হাজার ১৭ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় বাজেট (Union Budget 2025) পেশ হবে। তার আগে এই অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। 

    কেন্দ্রের মতে, রাজ্যগুলির আর্থিক শক্তি বাড়াতে এবং সামগ্রিক উন্নয়নে সরকারের এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ। প্রসঙ্গত, বিগত কয়েক বছরে একাধিকবার কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তুলেছে মমতা সরকার। কিন্তু কেন্দ্রের তরফে প্রতিবারই তৃণমূল সরকারের দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আনা হয়েছে। খরচের হিসেব চাওয়া হয়েছে। কিন্তু সেভাবে সঠিক তথ্য দিতে পারেনি রাজ্য সরকার। যদিও চাপানউতোরের মধ্যেই কর বাবদ বড় অংশের টাকা রাজ্যকে দিল কেন্দ্র (Modi Government)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share