Tag: Madhyom

Madhyom

  • PM Modi: “একেবারে ঘরের মতো অনুভব করছি”, ইথিওপিয়ার সংসদে বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi: “একেবারে ঘরের মতো অনুভব করছি”, ইথিওপিয়ার সংসদে বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আজ আপনাদের সামনে দাঁড়াতে পারা আমার জন্য এক বিরাট সম্মানের মুহূর্ত। সিংহের দেশ ইথিওপিয়ায় এসে সত্যিই ভালো লাগছে। আমি এখানে নিজেকে একেবারে ঘরের মতো অনুভব করছি। কারণ ভারতে আমার নিজ রাজ্য গুজরাটও সিংহের আবাসভূমি।” এক নাগাড়ে কথাগুলি বলে চললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বুধবার ইথিওপিয়ার সংসদের (Ethiopia Parliament) যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। উল্লেখ্য যে, এটি ছিল বিশ্বের ১৮তম সংসদ যেখানে ভাষণ দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এর পরেই তিনি বলেন, “আমি ইথিওপিয়ায় নিজেকে ঘরের মতো অনুভব করছি। কারণ ইথিওপিয়া এবং আমার নিজের রাজ্য গুজরাট দুই জায়গায়ই সিংহের আবাসভূমি।”

    ইথিওপিয়ার গণতান্ত্রিক যাত্রার প্রশংসা (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী মোদি ইথিওপিয়ার গণতান্ত্রিক যাত্রার প্রশংসা করেন এবং ভারতের জনগণের পক্ষ থেকে বন্ধুত্বের শুভেচ্ছা জানান। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে ভারতের জাতীয় সংগীত ও ইথিওপিয়ার জাতীয় সঙ্গীত—উভয়ই মানুষকে তাদের মাতৃভূমি নিয়ে গর্ব করতে প্রাণিত করে। তিনি বলেন, “আপনাদের সংসদ, আপনাদের জনগণ এবং আপনাদের গণতান্ত্রিক যাত্রার প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। ভারতের ১৪০ কোটি মানুষের পক্ষ থেকে আমি বন্ধুত্ব, সদ্ভাবনা ও ভ্রাতৃত্বের শুভেচ্ছা নিয়ে আপনাদের কাছে এসেছি।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারতের জাতীয় সংগীত ‘বন্দে মাতরম’ এবং ইথিওপিয়ার জাতীয় সঙ্গীত—উভয়েই আমাদের ভূমিকে ‘মা’ হিসেবে উল্লেখ করে। এগুলি আমাদের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সৌন্দর্যের প্রতি গর্ববোধ জাগায় এবং মাতৃভূমিকে রক্ষা করতে প্রাণিত করে।”

    ইথিওপিয়ার সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান

    এদিন ইথিওপিয়ার সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ‘দ্য গ্রেট অনার নিশান অফ ইথিওপিয়া’ গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমি বিনীতভাবে এবং করজোড়ে ভারতের জনগণের পক্ষ থেকে এই সম্মান গ্রহণ করছি।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গতকাল আমিও ‘গ্রেট অনার নিশান অব ইথিওপিয়া’ গ্রহণ করে সম্মানিত হয়েছি। ভারতের জনগণের পক্ষ থেকে করজোড়ে এবং বিনয়ের সঙ্গে আমি এই পুরস্কার গ্রহণ করছি (PM Modi)।” ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই ২৮তম আন্তর্জাতিক সম্মান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি বিশ্বের আস্থার প্রতিফলন এবং বিশ্বমঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান মর্যাদাকে তুলে (Ethiopia Parliament) ধরে। একই সঙ্গে এটি ভারত ও ইথিওপিয়ার দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব ও ক্রমবর্ধমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এক শক্তিশালী প্রতীক।

    বিদেশি বিনিয়োগকারী

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইথিওপিয়ায় বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ভারতীয় সংস্থাগুলি অন্যতম বৃহৎ। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে ভারত ও ইথিওপিয়া—উভয়েরই একে অপরের কাছ থেকে শেখার এবং একে অপরকে দেওয়ার মতো অনেক কিছু রয়েছে।” তিনি বলেন, “ইথিওপিয়ায় ভারতীয় সংস্থাগুলি অন্যতম বৃহৎ বিনিয়োগকারী। তারা বিভিন্ন খাতে ৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ করেছে এবং ৭৫ হাজারেরও বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। আমরা ভারত–ইথিওপিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে একটি কৌশলগত অংশীদারিত্বে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারত ও ইথিওপিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা স্বীকার করে বলেন, দুই দেশের বন্ধন কেবল বাণিজ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি ইথিওপিয়ার (PM Modi) মুক্তি আন্দোলনে ভারতীয় সৈন্যদের অংশগ্রহণের কথাও তুলে ধরেন।

    মনন ও চেতনায়ও একে অপরের সঙ্গে উষ্ণতা ভাগ করে নেয়

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত ও ইথিওপিয়া শুধু জলবায়ুতেই নয়, মনন ও চেতনায়ও একে অপরের সঙ্গে উষ্ণতা ভাগ করে নেয়। প্রায় ২ হাজার বছর আগে আমাদের পূর্বপুরুষরা বিশাল সমুদ্র পেরিয়ে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেছিলেন। ভারত মহাসাগর পেরিয়ে ব্যবসায়ীরা মশলা ও সোনা নিয়ে যাত্রা করতেন, কিন্তু তাঁরা শুধু পণ্য নয়—ভাবনা ও জীবনযাপনের ধরণও আদান-প্রদান করতেন। আদ্দিস ও ধোলেরা মতো বন্দরগুলি কেবল বাণিজ্যকেন্দ্রই ছিল না, বরং (Ethiopia Parliament) সভ্যতার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করেছিল। আধুনিক যুগে আমাদের সম্পর্ক এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে, যখন ১৯৪১ সালে ইথিওপিয়ার মুক্তির সংগ্রামে ভারতীয় সৈন্যরা ইথিওপিয়ানদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছিলেন (PM Modi)।”

    প্রসঙ্গত, ভারত সফরে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যখন এসেছিলেন, তখন প্রোটোকল ভেঙে তিনি নিজের গাড়িতেই তাঁকে সঙ্গে নিয়ে রওনা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার সেই রকমই ছবি দেখা গেল ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে। জর্ডনের রাজার পর এদিন ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ আলিও প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে এসেছিলেন ভারতে। তার পরেই (Ethiopia Parliament) মোদিকে নিজের গাড়িতে তুলে নিয়ে রওনা দেন হোটেলের উদ্দেশে (PM Modi)।

  • India Visa Centre: নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ! ঢাকায় ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার বন্ধ করল ভারত

    India Visa Centre: নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ! ঢাকায় ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার বন্ধ করল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণ দেখিয়ে ঢাকায় ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র (India Visa Centre) বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল ভারত। বুধবার দুপুর ২টো থেকে এই ভিসা কেন্দ্রটি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Security Situation)। বাংলাদেশের ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারের তরফে একটি বিবৃতি জারি করে এই বিষয়টি জানানো হয়েছে। তবে কবে বা কতক্ষণ পর্যন্ত এটি বন্ধ থাকবে, তা ওই বিবৃতিতে বলা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, যে সব ভিসা আবেদনকারী বুধবারের জন্য স্লট বুক করেছিলেন, তাঁদের জন্য নয়া তারিখ এবং সময় নির্ধারণ করা হবে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি চলছে (বাংলাদেশে), তার পরিপ্রেক্ষিতে আপনাদের অবগত করা যাচ্ছে যে, আজ দুপুর ২টো থেকে আইভিএসি জেএফপি ঢাকা বন্ধ থাকবে। তবে কী ধরনের নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই এ নিয়ে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।

    বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে তলব (India Visa Centre)

    ঘটনাচক্রে বুধবারই দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম রিয়াজ হামিদুল্লাকে তলব করেছিল ভারতের বিদেশমন্ত্রক। সূত্রের খবর, বাংলাদেশের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের একাংশের দল জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা হাসনাত আবদুল্লার ভারত বিরোধী বক্তৃতার প্রেক্ষিতেই এই তলব। সম্প্রতি হাসনাত তাঁর বক্তৃতায় সেভেন সিস্টার্সকে (ভারতের উত্তর-পূর্বের ৭ রাজ্য) ভারতের মানচিত্র থেকে আলাদা করে দেওয়ার ডাক দেয়। শুধু তাই নয়, উত্তর-পূর্ব ভারতের উদ্বাস্তুদের (Security Situation) আশ্রয় দেওয়ার কথাও বলেন। তার পরেই ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাসের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করে ভারত। তার জেরেই বিদেশমন্ত্রক ডেকে পাঠায় দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম রিয়াজ হামিদুল্লাকে (India Visa Centre)।

    ভারতের ভিসাকেন্দ্র

    পদ্মা পারের দেশে ভারতের ভিসাকেন্দ্রটি রয়েছে ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কে। নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণটি ঠিক কী, তা নিয়ে যেমন নয়াদিল্লির তরফে কিছু জানানো হয়নি, বলা হয়নি ভিসা কেন্দ্রের তরফেও, তেমনিই বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস প্রশাসনের তরফেও এই বিষয়ে এখনও কিছু বলা হয়নি। তাই বুধবার দুপুর পর্যন্তও জানা যায়নি, ঠিক কী কারণে আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হল ফিউচার পার্কের ভিসা কেন্দ্রটি। এর ঠিক এক দিন আগেই নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের হাই কমিশন সে দেশের স্বাধীনতা স্মরণে বিজয় দিবস পালন করেছিল। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হাই কমিশনার হামিদুল্লাহ দ্বিপাক্ষিক (Security Situation) সম্পর্কের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে বলেন, “ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আমাদের যৌথ স্বার্থের মধ্যেই নিহিত। আমরা পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল। এই অঞ্চলে সমৃদ্ধি, শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য (India Visa Centre)।”

    ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের সদ্য গঠিত ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ সোমবার বলেছিলেন, যদি নয়াদিল্লি তাঁর দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে, তবে ঢাকার উচিত ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলিকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া এবং ওই অঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তিগুলিকে সমর্থন করা। আবদুল্লাহ দাবি করেছিলেন, উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি ‘ঝুঁকিপূর্ণ’, কারণ ভারতীয় মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য তারা সংকীর্ণ শিলিগুড়ি করিডরের ওপর নির্ভরশীল। এদিকে, মঙ্গলবার অসমের কাছাড় জেলায় ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে অবৈধ চলাচল ঠেকাতে প্রশাসন নিষেধাজ্ঞামূলক নির্দেশ জারি করেছে। শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করতে পারে—এমন চরমপন্থী তৎপরতা এবং অনুমতিহীন সীমান্ত পারাপার রোধ করতেই জেলা প্রশাসন এই পদক্ষেপ করেছে।

    মানুষের যাতায়াত নিষিদ্ধ

    জেলার সীমান্তবর্তী এক কিলোমিটার এলাকায় সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত মানুষের যাতায়াত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি, ভারতীয় ভূখণ্ডের মধ্যে সুরমা নদী এবং নদীর উঁচু পাড় বরাবর রাতের বেলায় যাতায়াতও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সুরমা নদীতে নৌ-চালনা ও মাছ ধরার ওপরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে (India Visa Centre)। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হবে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন। ওই দিনই একই সঙ্গে হবে জুলাই সনদ নিয়ে গণভোটও। এই নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরেই বাংলাদেশে ঘটতে শুরু করেছে বিক্ষিপ্ত হিংসার ঘটনা। সে দেশের বিভিন্ন নেতার মুখে শোনা যাচ্ছে ভারতবিরোধী নানা বক্তব্যও। এহেন আবহে বাংলাদেশে বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের নিয়ে দৃশ্যতই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে নয়াদিল্লির। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, অশান্তও ততই (Security Situation) বাড়তে থাকবে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। এমনই আশঙ্কা করে সম্প্রতি একটি বিবৃতিও জারি করে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস।

  • West Bengal SIR: এসআইআর হিয়ারিংয়ে আপনাকে ডাকা হয়েছে কীভাবে জানবেন? সঙ্গে কী কী নথি রাখবেন?

    West Bengal SIR: এসআইআর হিয়ারিংয়ে আপনাকে ডাকা হয়েছে কীভাবে জানবেন? সঙ্গে কী কী নথি রাখবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর প্রকাশিত হয়েছে খসড়া ভোটার তালিকা। আপাতত সেই তালিকায় রয়েছে ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩১ জনের নাম। একইসঙ্গে প্রকাশিত হয়েছে রাজ্যজুড়ে বাদের তালিকা। যাতে রয়েছে ৫৮,২০,৮৮৯ নাম। এবার শুরু হতে চলেছে বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর-এর দ্বিতীয় ধাপ— হিয়ারিং। এখন প্রশ্ন হল, খসড়া তালিকায় আপনার নাম থাকা মানেই কি চূড়ান্ত তালিকাতেও আপনার নাম থাকবে? একেবারেই তা নয়। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, এখন প্রায় ২ মাস ধরে চলবে চুলচেরা বিশ্লেষণ। ১৭ ডিসেম্বর থেকে ২২ বা ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে নোটিস পাঠানোর কাজ। তারপরই শুরু হবে হিয়ারিং। অন্যদিকে, যদি আপনার নাম খসড়া ভোটার তালিকায় না থাকে, তাহলে আপনাকে নির্বাচন কমিশনের কাছে নতুন আবেদন করতে হবে। আপনাকে প্রমাণ করতে হবে যে আপনি একজন ভারতীয় নাগরিক এবং যোগ্য ভোটার।

    সমন আসলে দিতে হবে হাজিরা

    কমিশন সূত্রে খবর, খসড়া ভোটার তালিকা ম্যাপিং হয়েছে ৩ ভাগে— প্রোজেনি ম্যাপিং, সেল্ফ ম্যাপিং ও নো-ম্যাপিং। কমিশন সূত্রে খবর, প্রোজেনি ম্যাপিং ও সেল্ফ ম্যাপিংয়ে নাম থাকা ভোটারদের হিয়ারিংয়ে ডাকার সম্ভাবনা কম। কিন্তু, যাঁদের নো-ম্যাপিং হয়েছে, তাঁদের ডাক পড়ার সম্ভাবনা বেশি। খসড়া তালিকায় নাম ওঠা ভোটারদের মধ্যে যাঁদের ২০০২ সালের তালিকার সঙ্গে সঠিক ম্যাপিং হয়নি, অথবা যাঁদের তথ্যে গরমিল বা সংশয় রয়েছে, তাঁদের শুনানির জন্য ডাকা হতে পারে। অর্থাৎ, আপনার কোনও তথ্য নিয়ে কমিশনের যদি সন্দেহ হয়, আপনার কাছে চলে আসবে সমন। আপনার দিতে হবে হাজিরা। কমিশন সূত্রে খবর, অসঙ্গতি রয়েছে প্রায় দেড় কোটিরও বেশি মানুষের নামে। হিয়ারিংয়ে ডাকা হতে পারে ফর্মে অসঙ্গতি থাকা ভোটারদের।

    কীভাবে জানা যাবে?

    উল্লেখ্য, আপনাকে নোটিস আকারে সমন পাঠাবে নির্বাচন কমিশন। আর সেই নোটিস নিয়ে আপনার কাছে আসবেন বিএলওরা। অর্থাৎ, আপনার বিএলওই আপনাকে জানাবে আপনাকে কোথায় যেতে হবে হিয়ারিংয়ের জন্য। এ ছাড়াও আপনার মোবাইল নম্বরে মেসেজ করে আপনাকে জানাতে পারে ইলেকশন কমিশন। তবে এই হিয়ারিং কোথায় হবে, তা এখনও নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি। ডিইও-দের থেকে রিপোর্ট চেয়েছে রাজ্যের সিইও দফতর। প্রতিটি বিধানসভার জন্য একজন করে ইআরও, ১০ জন এইআরও রয়েছেন। এই ১১ জন আধিকারিক হিয়ারিং টেবিলে থাকতে পারেন বলে প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে। প্রতিদিন ১০০ জনকে হিয়ারিংয়ে ডাকা হতে পারে।

    হিয়ারিংয়ের দিন হাজির না হলে…

    এসআইআরে হিয়ারিং পর্ব চলবে আগামী ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। এর মধ্যেই সব ভোটারকে শুনানিতে ডাকা হবে। হিয়ারিংয়ে থাকবেন ইআরও বা এইআরও। শুনানির ক্ষেত্রে ভোটারদের স্বার্থ দেখা হবে বলে জানিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানান, উল্লেখিত দিনে কোনও ভোটার যদি শুনানিতে হাজির হতে না পারেন, তা হলে সঙ্গত কারণ দেখালে তাঁকে পরবর্তীতে ফের সময় দেওয়া হবে। শুনানির দিন পাল্টানোর জন্য ইআরও-র কাছে আবেদন করতে হবে। শারীরিক অসুস্থতা বা অন্য কোনও কারণে শুনানিতে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি না থাকলে প্রয়োজনে ভার্চুয়াল শুনানির ব্য়বস্থাও করতে পারে।

    হিয়ারিংয়ে লাগতে পারে কী কী নথি?

    ১) রাজ্য বা কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী অথবা পেনশনভোগী হিসেবে পরিচয়পত্র

    ২) ১৯৮৭ সালের আগে পোস্ট অফিস, ব্যাংক, এলআইসি বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নথি

    ৩) জন্ম শংসাপত্র

    ৪) পাসপোর্ট

    ৫) মাধ্যমিক বা অন্য যে কোনও শিক্ষাগত যোগ্যতার শংসাপত্র

    ৬) রাজ্য সরকারের অধীন কোনও সংস্থার দেওয়া আবাসিক শংসাপত্র

    ৭) ফরেস্ট রাইটসের শংসাপত্র

    ৮) জাতিগত শংসাপত্র বা কাস্ট সার্টিফিকেট

    ৯) ন্যাশনাল রেজিস্টার অব সিটিজেনস (NRC) — শুধুমাত্র আসামের ক্ষেত্রে

    ১০) স্থানীয় প্রশাসনের জারি করা পারিবারিক রেজিস্টার

    ১১) সরকারের দেওয়া জমি লিজ বা বাড়ি লিজ সংক্রান্ত শংসাপত্র

    — উপরে উল্লিখিত নথিগুলির সঙ্গে আধার পরিচয়পত্রও রাখবেন।

     

    খসড়া ভোটার তালিকাতে নেই নাম, ডাকা হয়নি শুনানির জন্যও, কী করবেন?

    এ ক্ষেত্রে ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য ফর্ম ৬ পূরণ করতে হবে। এর সঙ্গে জমা দিতে হবে অ্যানেক্সচার-৪ এবং অন্যান্য নথিও।

    কেউ যদি ভুয়ো নথি জমা দেন, তাহলে…

    ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারা ৩৩৭ অনুযায়ী, কেউ নথি জাল করলে তার সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত জেল এবং জরিমানা হতে পারে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, প্রতিটি ফর্ম কমিশনের নিজস্ব অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে ভোটারের দেওয়া সমস্ত তথ্য খুঁটিয়ে পরীক্ষা করে তবেই ঠিক করা হবে যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে শুনানির জন্য ডাকা হবে কি না। আগে প্রতি বিধানসভা কেন্দ্রে দিনে সর্বোচ্চ ৫০টি শুনানি নির্ধারিত ছিল। কিন্তু এখন কমিশন সূত্রে খবর, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শুনানি শেষ করতে প্রয়োজনে দিনে একশোর বেশিও শুনানি হতে পারে।

  • Constipation Problem: শীত এলেই বেড়ে যায় কোষ্ঠকাঠিন্য! কীভাবে সমস্যা এড়াবেন?

    Constipation Problem: শীত এলেই বেড়ে যায় কোষ্ঠকাঠিন্য! কীভাবে সমস্যা এড়াবেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তাপমাত্রার পারদ কমছে! সকালের কুয়াশা আর সন্ধ্যার ঠান্ডা হাওয়ায় কাবু বঙ্গবাসী। তবে শীতের মরশুমে ভোগান্তি বাড়াচ্ছে কোষ্ঠকাঠিন্য। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীত পড়তেই অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগছেন। বয়স্কদের পাশপাশি শিশুরাও এই সমস্যায় জেরবার। তাঁরা জানাচ্ছেন, শীতে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়ে। তার উপরে সঠিক খাদ্যাভ্যাস না থাকলে সমস্যা আরও জটিল হয়ে যায়। তাই এই সময়ে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা মোকাবিলায় বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

    কেন শীতে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়ে?

    জল পর্যাপ্ত পরিমাণে না খাওয়া!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের মরশুমে জল তেষ্টা কম পায়। তাই অনেকেই ফি-দিনের জল খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দেন। শরীর সুস্থ রাখতে, কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা এড়াতে শরীরে পর্যাপ্ত জল প্রয়োজন। নিয়মিত কমপক্ষে চার লিটার জল খাওয়া দরকার। শিশুদের নিয়মিত দুই থেকে তিন লিটার জল খাওয়া জরুরি। কিন্তু শীতে অনেকেই এই পর্যাপ্ত জল খায় না। তার জেরেই কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা বাড়ে।

    অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার খাওয়া!

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা এড়াতে শরীরে ফাইবারের জোগান ঠিকমতো থাকা জরুরি। কিন্তু শীতের মরশুমে অনেকেই নানান উৎসব উদযাপন করেন। পারিবারিক অনুষ্ঠান হোক কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে পিকনিক, বিভিন্ন উদযাপনেই থাকে দেদার খানাপিনা। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই ধরনের অনুষ্ঠানের খাবারের মেনুতে পর্যাপ্ত ফাইবার থাকে না। অর্থাৎ প্রয়োজনীয় শাক-সব্জি থাকে না। শরীর সবুজ শাক-সব্জি থেকেই প্রয়োজনীয় ফাইবার সংগ্রহ করে। এই ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে। অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়িয়ে দেয়।

    শারীরিক কসরতের অভাব!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের মরশুমে ক্লান্তিভাব বাড়ে। অনেকেই বছরভর শারীরিক কসরত করলেও, শীতে নিয়মিত যোগাভ্যাস কিংবা নিয়ম মাফিক হাঁটাচলা করেন না। এর ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা বাড়ে। শারীরিক কসরত করলে এই ধরনের সমস্যা এড়ানো সহজ হয়।

    হজমের সমস্যা!

    হজম ঠিকমতো না হলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়বে। শীতের মরশুমে হজমের সমস্যা বাড়ে‌। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে অনেকেই অতিরিক্ত তেল মশলা জাতীয় খাবার কিংবা তেলেভাজা বেশি খান। আর এর ফলেই হজমের সমস্যা হয়। যার জেরেই এই মরশুমে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়ে‌।

    কীভাবে সমস্যা কমবে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত কয়েকটি বিষয়ে নজরদারি করলেই কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ভোগান্তিও কমবে।

    ফাইবার জাতীয় খাবার জরুরি!

    পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, শীতের মরশুমে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা এড়াতে শিশু থেকে বয়স্ক, সকলের নিয়মিত ফাইবার জাতীয় ফল ও সব্জি খাওয়া জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন পালং শাক, গাজর, ব্রোকলির মতো সব্জি, কলা, কমলালেবুর মতো ফল নিয়মিত খাওয়ার পাশাপাশি ওটস কিংবা বাজরার মতো দানাশস্য নিয়মিত খাবারের তালিকায় রাখলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমবে।

    নিয়মিত অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা জরুরি!

    শরীর সুস্থ থাকলে নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ। শীতের মরশুমে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতেও সাহায্য করবে এই অভ্যাস। বিশেষত বয়স্কদের জন্য এই অভ্যাস খুব উপকারি। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত ৩০ মিনিট হাঁটতে হবে। এর ফলে হজম ভালো হবে। অন্ত্র, পাকস্থলী, লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়বে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমবে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমাতে শিশুদের নিয়মিত যোগাভ্যাসের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    জল পর্যাপ্ত খাওয়া হচ্ছে কিনা সে দিকে নজর জরুরি!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতেও শরীর সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত জল খেতে হবে। নিয়ম মাফিক প্রতিদিন প্রয়োজনীয় জল খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমবে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Bondi Beach Attacker: বন্ডি বিচে হামলা, পাকিস্তানের হয়ে গুলি চালিয়েছিল হায়দরাবাদের সাজিদ!

    Bondi Beach Attacker: বন্ডি বিচে হামলা, পাকিস্তানের হয়ে গুলি চালিয়েছিল হায়দরাবাদের সাজিদ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ সিডনির বন্ডি বিচে সাম্প্রতিক ঘটনার সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন ব্যক্তির ভ্রমণ ইতিহাস সম্পর্কে আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনগুলির কথাই কবুল করে নিল পাকিস্তান। সে দেশের বিদেশমন্ত্রক ২০২৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করে জানায়, চলতি মাসের শুরুতে অভিযুক্তরা রাওয়ালপিন্ডিতেই ছিল। ইসলামাবাদ থেকে প্রকাশিত ওই বিবৃতি অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ২০২৫ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাওয়ালপিন্ডি ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ছিল। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওই ব্যক্তিরা “নন-স্টেট অ্যাক্টর কালচারাল এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে”র অংশ হিসেবে রাওয়ালপিন্ডিতে ছিল। তাদের ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াকরণ করা হয়েছিল “স্পেশাল গেস্টস অব দ্য এস্টাবলিশমেন্ট” শ্রেণির অধীনে।

    গণগুলিবর্ষণ (Bondi Beach Attacker)

    এদিকে, ভারতের তেলঙ্গনা পুলিশ বন্ডি বিচে সংঘটিত গণগুলিবর্ষণের ঘটনাকে ঘিরে একটি প্রেস নোট জারি করেছে। এতে অভিযুক্তদের পরিচয় ও ভারতের সঙ্গে তাদের যোগসূত্র স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিকে জঙ্গি হামলা হিসেবে বিবেচনা করার পর বহু প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার প্রেক্ষিতেই এই ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর সিডনির বন্ডি বিচে হনুক্কা উৎসব চলাকালীন এই গণগুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এতে ১৫ জন নিহত হন এবং দুই হামলাকারীর মধ্যে একজন নিহত হয়।

    সাজিদ আক্রম

    হামলাকারীদের পরিচয় হিসেবে ৫০ বছর বয়সি সাজিদ আক্রম এবং তার ২৪ বছর বয়সি ছেলে নবীদ আক্রমের নাম উঠে আসে। প্রেস নোটে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক প্রতিবেদনে ইঙ্গিত মিলেছে যে হামলাকারীরা আইএসআইএসের মতাদর্শে প্রাণিত হয়েছিল। ওই নোটেই বলা হয়েছে, সাজিদ আক্রম ভারতের হায়দরাবাদের বাসিন্দা ছিল। সে সেখানে বিকম পাশ করে কাজের খোঁজে ১৯৯৮ সালের নভেম্বর মাসে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি দেয়। পরবর্তীকালে সে ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত মহিলা মিস ভেরা গ্রসোর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়। স্থায়ীভাবে অস্ট্রেলিয়ায়ই বসবাস করতে শুরু করে সে। এই দম্পতির দুই সন্তান, একজন ছেলে নবীদ আক্রম, যে হামলাকারীদের একজন, এবং এক কন্যা। সাজিদের কাছে রয়েছে ভারতীয় পাসপোর্ট, নবীদ অষ্ট্রেলিয়ার নাগরিক।

  • PM Modi: মোদির জর্ডন সফরে সাফল্য, একাধিক মউ স্বাক্ষর করল ভারত-জর্ডন

    PM Modi: মোদির জর্ডন সফরে সাফল্য, একাধিক মউ স্বাক্ষর করল ভারত-জর্ডন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাধিক মউ স্বাক্ষর করল ভারত ও জর্ডন। সোমবার স্বাক্ষরিত হয়েছে ওই চুক্তি। এর প্রধান লক্ষ্য হল নবায়নযোগ্য শক্তি, জলসম্পদ, ডিজিটাল রূপান্তর এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও বাড়ানো (PM Modi)। এই উদ্যোগ এমন একটা সময়ে নেওয়া হয়েছে, যখন আম্মান আন্তর্জাতিক সৌর জোটের মতো শক্তিও ভারত-নেতৃত্বাধীন বড় বৈশ্বিক উদ্যোগে যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এই চুক্তিগুলি জর্ডন সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দু’দিনের সরকারি সফরের সময় চূড়ান্ত হয়।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য (PM Modi)

    বিদেশমন্ত্রকের তরফে প্রকাশিত ফলের তালিকা অনুযায়ী, এই মউগুলির মধ্যে রয়েছে নতুন ও নবায়নযোগ্য শক্তি ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নে যৌথ কাজ, পেট্রা ও ইলোরার মধ্যে ‘টুইনিং’ চুক্তি, ২০২৫–২০২৯ সময়কালের জন্য সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচির নবায়ন, এবং ডিজিটাল রূপান্তরের লক্ষ্যে বৃহৎ জনসংখ্যাভিত্তিক ডিজিটাল সমাধান ভাগাভাগি সংক্রান্ত একটি ইচ্ছেপত্র।

    জর্ডনের ইচ্ছে

    আন্তর্জাতিক সৌর জোট, গ্লোবাল বায়োফুয়েল অ্যালায়েন্স এবং দুর্যোগ-সহনশীল পরিকাঠামো জোটে যোগদানের ইচ্ছে প্রকাশ করেছে জর্ডন। অন্যদিকে, ভারত আম্মানের আল হুসেইন টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে স্থাপিত ইন্ডিয়া–জর্ডন সেন্টার অব এক্সেলেন্সকে সমর্থন করার কথা ঘোষণা করেছে। এখানে তিন বছরের মধ্যে ১০ জন মাস্টার ট্রেনারকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে জর্ডনের রাজা আবদুল্লাহ দ্বিতীয়ের বৈঠকের সময়ই এই অগ্রগতির কথা সামনে আসে। বৈঠকে দুই নেতা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, বাণিজ্য, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ এবং পরমাণু সহযোগিতা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতে তিনি একটি আট দফা দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন (PM Modi)।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি?

    এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ওই আট দফা দৃষ্টিভঙ্গির কথা জানান। এতে বাণিজ্য ও অর্থনীতি, সার ও কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা, পরিকাঠামো, গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত খনিজ, অসামরিক পরমাণু সহযোগিতা এবং মানুষে মানুষে যোগাযোগ—এই ক্ষেত্রগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে জর্ডনের রাজা আবদুল্লাহ দ্বিতীয়ের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের ছবি শেয়ার করে লেখেন, “আম্মানে মহামান্য রাজা আবদুল্লাহ দ্বিতীয়ের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। প্রাণবন্ত ভারত–জর্ডন সম্পর্ক গড়ে তুলতে তাঁর ব্যক্তিগত অঙ্গীকার বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এ বছর আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫তম বার্ষিকী উদ্‌যাপন করছি। এই গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ভবিষ্যতের দিনে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যেতে আমাদের অনুপ্রাণিত করবে (PM Modi)।”

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক্স হ্যান্ডেলে এই ফলাফলগুলির তালিকা শেয়ার করেন। তার জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই ফলাফলগুলি ভারত-জর্ডন অংশীদারিত্বের এক অর্থবহ সম্প্রসারণের প্রতীক। নতুন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে আমাদের সহযোগিতা পরিচ্ছন্ন প্রবৃদ্ধি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং জলবায়ু দায়বদ্ধতার প্রতি উভয় দেশের যৌথ অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে। পেট্রা ও ইলোরার মধ্যে টুইনিং চুক্তি ঐতিহ্য সংরক্ষণ, পর্যটন এবং শিক্ষাক্ষেত্রে আদান-প্রদানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে। আমাদের ডিজিটাল উদ্ভাবন ভাগ করে নেওয়া জর্ডনের ডিজিটাল রূপান্তরকে সাহায্য করবে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থাকে উৎসাহিত করবে (PM Modi)।”

  • Suvendu Adhikari: ‘মেসি-মেসে’র পর পদত্যাগ ক্রীড়ামন্ত্রীর, সাদা কাগজে ইস্তফা কেন?

    Suvendu Adhikari: ‘মেসি-মেসে’র পর পদত্যাগ ক্রীড়ামন্ত্রীর, সাদা কাগজে ইস্তফা কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ‘মেসি-মেসে’র পর পদত্যাগ করেছেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। অরূপের (Arup Biswas) পদত্যাগকে নাটক বলে দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর পদত্যাগ নিয়েই প্রশ্ন তুললেন রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলনেতা। তিনি অরূপের এই পদত্যাগকে সম্পূর্ণভাবে পরিকল্পিত বলে উল্লেখ করেছেন। শুভেন্দু বলেন, “এটা নাটক ছাড়া আর কিছুই নয়। এই নাটক অনেক পুরানো নাটক।” তিনি বলেন, “সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই মেসিকাণ্ডে মুখ পুড়েছে মমতা সরকারের। তাই এখন নিজেদের ভাবমূর্তি বজায় রাখতে এই নাটক করছেন মমতা।

    শুভেন্দুর বক্তব্য (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “আন্তর্জাতিক প্লেয়ার মেসিকে নিয়ে কী যে হল আপনারা তা দেখলেন। তবে এটায়ও কয়েকশো কোটি টাকা চুরি হয়েছে। অরূপ বিশ্বাসের পদত্যাগে কিছুই হবে না মুখ্যমন্ত্রী। আমরা অরূপের গ্রেফতারি চাই। অরূপ বিশ্বাস ও সুজিত বসুর গ্রেফতারি চাই।” তিনি বলেন, “আপনারা যুবক ছেলের ইমোশন নিয়ে খেলা করেছেন। তাই টাকাগুলো ফেরত দিন। টাকা আপনাকে ফেরত দিতেই হবে। আপনার পুলিশ দর্শকদের পিটিয়েছে। যাঁদের জেলে ভরেছেন, আগে তাঁদের জামিন দিন। তারপর আপনার সঙ্গে কথা হবে।”

    এ কোন নাটক!

    রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ইস্তফা প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা যে মন্তব্য করেছেন, তা নিছক কথার কথা নয়। কারণ তিনি পদত্যগপত্র লিখে পাঠিয়েছেন একটি সাদা কাগজে। সেই চিঠি পাঠানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। সেই চিঠির ছবি ভাইরাল হয়েছে নেটমাধ্যমে। যা নিয়েও বিস্তর জলঘোলা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এই চিঠির গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করছেন নেটাগরিকরা। কেন অরূপ বিশ্বাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যের একজন মন্ত্রী পোড় খাওয়া রাজনীতিবিদ এমন ‘সাদা কাগজে’ পদত্যাগপত্র লিখলেন? কারণ মন্ত্রী স্থানীয় কেউ যদি ইস্তফা দেন তাহলে তাঁকে অবশ্যই নিজের বা মন্ত্রীর লেটারহেডে পদত্যাগপত্র লিখতে হবে (Suvendu Adhikari)। এভাবে সাদা পাতায় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠানো (Arup Biswas) যায় কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। দ্বিতীয়ত, কোথাও অরূপ বিশ্বাসের নাম নেই। এমনকি চিঠির শেষে অরূপ বিশ্বাসের সইও দেখা যাচ্ছে না। গোটা চিঠির একটি জায়গায় মাত্র লেখা রয়েছে, ‘তাই নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে আমি ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে আপনার কাছে অব্যাহতি চাইছি।’ এছাড়া আর কোথাও ক্রীড়ামন্ত্রী বা অরূপ বিশ্বাসের নামোল্লেখ দেখা যায়নি।

    নেটিজেনদের প্রশ্ন

    নেটিজেনদের তৃতীয় প্রশ্ন হল, ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের কাছে যদি ব্যক্তিগত বা অফিশিয়াল লেটারহেড নাও থেকে থাকে, তাহলে তিনি এই ডিজিটাল যুগে মেইল করে বা কেন পদত্যাগপত্র পাঠালেন না? এখন ইমেইল করে পদত্যাগ পাঠানো অনেকক্ষেত্রেই গ্রহণযোগ্য (Suvendu Adhikari)। নেটিজেনদের অনেকে সাদা পাতায় পদত্যাগপত্র লেখার বিষয়টি নিয়ে তুলোধনা করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেতাকে। অনেকে অবার বলেছেন, রাজ্যের মানুষকে ধোঁকা দেওয়ার জন্যই এই কারসাজি। কেউ আবার বলেছেন, অভিষেক আর আইপ্যাকের চাপে বাধ্য হয়েই অরূপ পদত্যাগ করেছেন। আবার কারও মতে, মেসি-মেস থেকে আমজনতার দৃষ্টি ঘোরাতে এই নাটকের অবতারণা। যদিও অরূপ এখনও এ ব্যাপারে কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি (Arup Biswas)।

    এখন দেখার, সাদা কাগজে অরূপের পাঠানো এই পদত্যাগপত্র মুখ্যমন্ত্রী গ্রহণ করেন কি না (Suvendu Adhikari)!

  • VB G Ram G Bill: লোকসভায় ‘ভিবি-জিরামজি’ বিল পেশ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজের, কী এটা?

    VB G Ram G Bill: লোকসভায় ‘ভিবি-জিরামজি’ বিল পেশ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজের, কী এটা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ দিনের কাজের মেয়াদবৃদ্ধি এবং প্রকল্পের নামবদল সংক্রান্ত বিল (VB G Ram G Bill) পেশ করা হল লোকসভায়। মঙ্গলবার বিলটি পেশ করেন কেন্দ্রের কৃষি এবং গ্রামোন্নয়নমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান। এত দিন ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের নাম ছিল মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপাওয়ারমেন্ট গ্যারান্টি অ্যাক্ট, ২০০৫ (সংক্ষেপে মনরেগা)। বিলে এই প্রকল্পের নতুন নাম হয়েছে ‘বিকশিত ভারত- গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ)’। সংক্ষেপে ‘জিরামজি’। মঙ্গলবার লোকসভায় বিলটি পেশ করেন গ্রামীণ উন্নয়ন এবং কৃষি ও কৃষক কল্যাণ বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। এই বিলটির মাধ্যমে বর্তমান গ্রামীণ কর্মসংস্থান আইন মনরেগা-কে প্রতিস্থাপন করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিল উত্থাপনের সঙ্গে সঙ্গেই এতে মহাত্মা গান্ধীর নাম বাতিলের অভিযোগে সরব হন বিরোধীরা (Lok Sabha)।

    নয়া বিল (VB G Ram G Bill)

    বিকশিত ভারত গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ) বিল অনুযায়ী, যেসব গ্রামীণ পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যরা অদক্ষ শারীরিক শ্রমে স্বেচ্ছায় কাজ করতে ইচ্ছুক, সেই পরিবারগুলিকে বছরে ১২৫ দিনের মজুরি-ভিত্তিক কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি, এই বিল ক্ষমতায়ন, প্রবৃদ্ধি, সমন্বয় এবং সর্বব্যাপী বাস্তবায়নের ওপর জোর দেয়, যাতে বিকশিত ভারত @২০৪৭–এর জাতীয় লক্ষ্য পূরণের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় থাকে।

    বিকশিত গ্রাম পঞ্চায়েত পরিকল্পনা

    বিল অনুযায়ী, গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি ‘স্যাচুরেশন’ ভিত্তিতে “বিকশিত গ্রাম পঞ্চায়েত পরিকল্পনা” তৈরি করবে এবং সেগুলি জুড়ে দেওয়া হবে পিএম গতি শক্তি প্রকল্পের সঙ্গে। এর ফলে, সমস্ত গ্রামীণ উন্নয়নমূলক কাজ একত্রিত হয়ে “বিকশিত ভারত ন্যাশনাল রুরাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার স্ট্যাক”-এর আওতায় আসবে, যা গ্রামীণ গণপরিকাঠামো নির্মাণের জন্য একটি অভিন্ন কাঠামো তৈরি করবে। এছাড়াও, বিলটি জল-নিরাপত্তা, গ্রামীণ এলাকার মূল পরিকাঠামো, জীবিকা-সংক্রান্ত প্রকল্প এবং চরম আবহাওয়া পরিস্থিতির প্রভাব মোকাবিলার ব্যবস্থাগুলিকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। কৃষিকাজের ব্যস্ত বপন ও ফসল কাটার মরসুমে পর্যাপ্ত কৃষিশ্রমিক নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকারগুলি বছরে সর্বোচ্চ ৬০ দিন পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখার নোটিশ জারি করতে পারবে।

    স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি

    স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি এই আইনের একটি কেন্দ্রীয় দিক (Lok Sabha)। গ্রাম পঞ্চায়েত ভবনে সাপ্তাহিক তথ্য প্রকাশের সভা, রিয়েল-টাইম ড্যাশবোর্ড, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নির্ভর বিশ্লেষণ, বায়োমেট্রিক প্রমাণ এবং শক্তিশালী সামাজিক নিরীক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও সততা নিশ্চিত করা হবে (VB G Ram G Bill)। এছাড়া, কাজের আবেদন করার ১৫ দিনের মধ্যে কাজ না দেওয়া হলে বেকারভাতা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নতুন মজুরি হার বিজ্ঞপ্তি জারি না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান এমজিএনরেগা মজুরি হারই কার্যকর থাকবে। এই প্রকল্পটি কেন্দ্রীয় পৃষ্ঠপোষকতাপ্রাপ্ত প্রকল্প  হিসেবে পরিচালিত হবে, যেখানে উত্তর-পূর্ব ও হিমালয়ান রাজ্যগুলির জন্য কেন্দ্র ও রাজ্যের অর্থ ভাগাভাগির অনুপাত হবে ৯০:১০ এবং অন্যান্য রাজ্যের ক্ষেত্রে ৬০:৪০।

    এই ঐতিহাসিক আইনটির লক্ষ্য হল সমন্বয়ভিত্তিক ও সর্বাঙ্গীণ কভারেজে কেন্দ্রিত একটি গ্রামীণ উন্নয়ন কাঠামো গড়ে তোলা (Lok Sabha)। এর মাধ্যমে পরিবর্তিত আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উন্নয়নের পথ পুনর্গঠন, বৈষম্য হ্রাস এবং উন্নত জীবিকা-নিরাপত্তার মাধ্যমে গ্রামীণ পরিবারগুলিকে ক্ষমতায়িত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে (VB G Ram G Bill)।

  • ECI ASD List: ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৮! খসড়া তালিকার সঙ্গে বাদ পড়া নামের তালিকা প্রকাশ কমিশনের

    ECI ASD List: ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৮! খসড়া তালিকার সঙ্গে বাদ পড়া নামের তালিকা প্রকাশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার নির্ধারিত দিনেই খসড়া তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের কত ভোটারের নাম প্রথম তালিকায় জায়গা পেল না, তা জানাতে খসড়া তালিকার আগে কমিশন নাম বাদের তালিকা প্রকাশ করেছে। কমিশন প্রদত্ত ওয়েবসাইট- ceowestbengal.wb.gov.in/asd_SIR –এ গেলেই দেখা যাচ্ছে নাম বাদের তালিকা। রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভা এবং বুথভিত্তিক কত নাম বাদ পড়ল সেই সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে এই ‘বাদের খাতায়’। ওয়েবসাইটে ক্লিক করলেই ডাউনলোড করা যাচ্ছে সেই তালিকা।

    কীভাবে দেখবেন?

    প্রথমেই ক্লিক করে চলে যান এই ওয়েবসাইটে। তারপর আপনার চোখের সামনে ভেসে উঠবে তিনটি অপশন –

    এপিক নম্বর সার্চ

    বিধানসভা ভিত্তিক এএসডি তালিকা

    বিএলও-বিএলএ-র তালিকা

    এপিক নম্বর অপশনে ক্লিক করলে আপনাকে দিতে হবে আপনার ভোটার কার্ডে উল্লেখিত এপিক নম্বর। যদি আপনার নাম বাদ না যায়, তা হলে এই সার্চের পর কোনও কিছু পাবেন না। কিন্তু কোনও নাম বাদ গেলে, তা উঠে আসতে পারে।

    সার্চ বাই এপিক নম্বরের পাশে রয়েছে নাম বাদের তালিকা অর্থাৎ বিধানসভা-ভিত্তিক এএসডি তালিকা। এই অপশনে ক্লিক করার পর ভোটারকে দু’টি তথ্য দিতে হবে। প্রথম জেলা, দ্বিতীয় তাঁর বিধানসভা কেন্দ্র। তারপর সেই অনুযায়ী চলে আসবে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের অধীনস্থ ভোটকেন্দ্রগুলি। তার পাশেই থাকবে ডাউনলোড অপশন। তাতে ক্লিক করলেই ভেসে উঠবে নাম বাদের তালিকা। সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্র থেকে কাদের নাম বাদ গেল, কেন বাদ গেল, সবটাই লেখা রয়েছে এই তালিকায়।

    কতজন বাদ গেলেন?

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুসারে, ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৮ জনের নাম বাদ পড়েছে। এর মধ্যে মৃত ভোটারের নাম, ২৪ লক্ষ ১৬ হাজার ৮৫২। নিখোঁজ ভোটার ১২ লক্ষ ২০ হাজার ৩৮ জন। স্থানান্তরিত ভোটার ১৯ লক্ষ ৮৮ হাজার ৭৬ জন। ডুপ্লিকেট ভোটার ১ লক্ষ ৩৮ হাজার ৩২৮। অন্যান্য কারণে ৫৭ হাজার ৬০৪ নাম বাদ গিয়েছে। এছাড়া কমিশন জানাচ্ছে, ৩০ লক্ষ আনম্যাপড- তাদের শুনানিতে ডাকা হবে। এদের ২০০২-এ কারও সঙ্গে কোনও লিঙ্ক হয়নি।

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুসারে, ১ কোটি ৬৭ লক্ষের মতো এরকম ভোটার ছিল, যাদের তথ্যগত কিছু অসঙ্গতি পাওয়া গিয়েছিল। নাম, বয়স, মা-বাবার সঙ্গে বয়সের ফারাক, একাধিক জনের সঙ্গে ম্যাপিং, এরকম নানা অসঙ্গতি পাওয়া গিয়েছিল। এদের হিয়ারিংয়ে ডাকা হতে পারে। সেক্ষেত্রে কাকে শুনানিতে ডাকা হবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরও। মঙ্গলবার থেকেই বিএলও-রা বাড়ি বাড়ি যাবেন। ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত শুনানি চলবে। সে সব পর্যালোচনা করা হবে। ১৪ ফেব্রুয়ারি তারিখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। এছাড়া, আর যে ৩০ লক্ষের মতো ব্যক্তি আনম্যাপড, তাঁদেরও ইআরও, এইআরও হিয়ারিং পর্বে ডাকবেন।

    শুনানির প্রস্তুতি শুরু কমিশনের

    খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর এবার শুনানির প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে কমিশন। শুনানির জন্য বুথে বাধ্যতামূলকভাবে বসতে হবে বিএলও-দের। মঙ্গলবার থেকে ১৫ জানুয়ারি এক মাস বিএলও-দের বসতে হবে সংশ্লিষ্ট বুথে। জেলায় জেলায় স্কুলের রুম চেয়ে চিঠি জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের চিঠি দিচ্ছে কমিশন। সেইসব স্কুলের রুমেই অভিযোগ বা আপত্তি বিএলও-কে জানাতে পারবেন ভোটাররা।

    কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, নাম না থাকলেও পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা হলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এবার ডাকা হবে শুনানিতে। ফর্ম ৬ পূরণ করতে হবে। অনলাইনেই ওই ফর্ম পূরণ করতে পারবেন। অফলাইনেও জেলাশাসকের দফতর থেকেও সংগ্রহ করা যাবে ফর্ম ৬। খসড়া তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর ৪ থেকে ৭ দিনের মধ্যে নোটিস যাবে নাম না থাকা ভোটারের কাছে। একদিনে অন্তত ১০০ জনের শুনানি হবে। প্রয়োজনে বাড়ানো হতে পারে সংখ্যাটা।

  • India Slams Pakistan: জম্মু-কাশ্মীর ইস্যুতে ‘বিশ্ব সন্ত্রাসের ভরকেন্দ্র’ পাকিস্তানের দাবি ওড়াল ভারত

    India Slams Pakistan: জম্মু-কাশ্মীর ইস্যুতে ‘বিশ্ব সন্ত্রাসের ভরকেন্দ্র’ পাকিস্তানের দাবি ওড়াল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের এক বার বিশ্বমঞ্চে জম্মু-কাশ্মীর সংক্রান্ত পাকিস্তানের দাবি খারিজ করে দিল ভারত। সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেশ সাফ জানিয়ে দিল, জন্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখ – এই দুই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলই (India Slams Pakistan) দেশের অবিচ্ছেদ্য ও অখণ্ড অংশ এবং চিরকাল একই থাকবে। প্রসঙ্গত, এদিন একটি (UNSC) বিতর্ক চলাকালীন পাকিস্তান ফের জন্মু-কাশ্মীর ইস্যুটি তুলে ধরেন। তার পরেই রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত হরিশ পার্বতনেনি এই মন্তব্য করেন। পাকিস্তানকে তিনি বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্রবিন্দু বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, “ভারত ও ভারতের জনগণের ক্ষতি করার লক্ষ্যে পাকিস্তান রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চকে ক্রমাগত ব্যবহার করে চলেছে। তার আবেগগ্রস্ত মনোযোগ বজায় রেখেই চলেছে।”

    পাকিস্তানকে বার্তা (India Slams Pakistan)

    তিনি বলেন, “আজকের উন্মুক্ত বিতর্কে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জম্মু ও কাশ্মীর প্রসঙ্গ অযাচিতভাবে তোলা হয়েছে, যা ভারত ও তার জনগণের ক্ষতি সাধনে পাকিস্তানের আবেশগ্রস্ত মনোযোগেরই প্রমাণ।” পাকিস্তানকে মুখের মতো জবাব দিতে গিয়ে রাষ্ট্রসংঘে ভারতের প্রতিনিধি পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও কটাক্ষ করেন। তোলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের গ্রেফতারির প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, “এটি একটি গণতান্ত্রিক স্বাধীন ইচ্ছেকে দমন করার একটি উপায়। ২০২৩ সালের অগাস্ট থেকে ইমরান খান জেলবন্দি রয়েছেন। পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) এবং তাঁর পরিবার লাগাতারভাবে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর গ্রেফতারির সমালোচনাও করে আসছে।”

    প্রধানমন্ত্রীকে কারাগারে!

    পার্বতনেনি বলেন, “পাকিস্তান অবশ্যই তার জনগণের ইচ্ছেকে সম্মান করার একটি অনন্য পদ্ধতি অনুসরণ করে। একজন প্রধানমন্ত্রীকে কারাগারে পাঠিয়ে, ক্ষমতাসীন (India Slams Pakistan) রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে এবং ২৭তম সংশোধনীর মাধ্যমে তার সশস্ত্র বাহিনীকে একটি সাংবিধানিক অভ্যুত্থান ঘটাতে দিয়ে, পাশাপাশি প্রধান প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধানকে আজীবন (UNSC) দায়মুক্ত করে।”

    সিন্ধু জলচুক্তি

    সিন্ধু জলচুক্তি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার ভারতের সিদ্ধান্তের সাফাই দিতে গিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, “পাকিস্তান বারবার এই চুক্তি লঙ্ঘন করেছে, তিনটি যুদ্ধ চালিয়েছে এবং একাধিক জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে।” তিনি ২২ এপ্রিল পাহেলগাঁওয়ে সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলার প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন, যেখানে ২৬ জন প্রাণ হারান। পার্বতনেনির বক্তব্য, পাকিস্তান এখনও সন্ত্রাসবাদে মদত জুগিয়ে চলেছে (India Slams Pakistan)। তিনি বলেন, “ভারত ৬৫ বছর আগে সদিচ্ছা, শুভকামনা ও বন্ধুত্বের মনোভাব নিয়ে সিন্ধু জলচুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল। এই সাড়ে ছ’দশক ধরে পাকিস্তান তিনটি যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়ে এবং হাজার হাজার সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে চুক্তির মূল ভাবনাকেই লঙ্ঘন করেছে।” পার্বতনেনি বলেন, “এই প্রেক্ষাপটেই ভারত শেষ (UNSC) পর্যন্ত ঘোষণা করেছে যে, সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত থাকবে ততদিন, যতদিন না বিশ্ব সন্ত্রাসের ভরকেন্দ্র পাকিস্তান বিশ্বাসযোগ্য ও অপরিবর্তনীয়ভাবে সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ-সহ সব ধরনের সন্ত্রাসবাদে তার সমর্থন বন্ধ করে (India Slams Pakistan)।”

     

LinkedIn
Share