Tag: Madhyom

Madhyom

  • India’s Sports Industry: উন্নতির জোয়ার! ২০৩০ সালের মধ্যে ১৩ হাজার কোটি ডলারে উন্নীত হবে ভারতের ক্রীড়া শিল্প

    India’s Sports Industry: উন্নতির জোয়ার! ২০৩০ সালের মধ্যে ১৩ হাজার কোটি ডলারে উন্নীত হবে ভারতের ক্রীড়া শিল্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রিকেট থেকে ফুটবল, হকি থেকে কাবাডি, তীরন্দাজি, ব্যাডমিন্টন, টেনিস, দাবা ক্রীড়াক্ষেত্রে ভারত (India’s Sports Industry) এখন উল্লেখযোগ্য নাম। মোদি সরকারের হাত ধরে ক্রিকেট-ফুটবলের বাইরেও ছোট বড় অন্য নানা খেলার উন্নতি ঘটেছে। ভারতের ক্রীড়া শিল্প ২০২৩ সালে ৫২ বিলিয়ন (৫ হাজার ২০০ কোটি) ডলার থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে ১৩০ বিলিয়ন (১৩ হাজার কোটি) ডলারে উন্নীত হতে চলেছে। সম্প্রতি গুগলের একটি গবেষণায় এই ভারতীয়দের মধ্যে ক্রমে ক্রিকেট-ফুটবল ছাড়াও নানা খেলার দিকে আগ্রহ বাড়ছে। যা বিনিয়োগকারীদের উৎসাহ দিচ্ছে।

    ভারতে খেলাধুলার ইতিহাস

    খেলাধুলা (India’s Sports Industry) সব সময়ই মানবজাতির বিকাশ ঘটায়। জাতীয় গর্ব ও ঐক্যের অনুভূতি তৈরি করে। পাশাপাশি, একজন ব্যক্তির স্বাস্থ্য শৃঙ্খলা ও নেতৃত্ব দানের ক্ষমতার বিকাশ ঘটায়। ভারতের খেলাধুলার প্রচলন শুরু হয় সিন্ধু সভ্যতার যুগে অর্থাৎ আজ থেকে কয়েক হাজার বছর আগে। সেই যুগের পাওয়া বিভিন্ন সিলমোহর থেকে প্রাচীন কালে খেলাধুলার চর্চার প্রমাণ পাওয়া যায়। জানা গিয়েছে প্রাচীন সেই সমস্ত মুদ্রার মধ্যে দাবা, পাশা খেলা, পশু শিকার এবং বক্সিং যা বৈদিক যুগে দেহবাদ নামে পরিচিত ছিল। এই সমস্ত খেলার নিদর্শন পাওয়া যায়। শুধু তাই নয়, প্রাচীন ভারতীয় মহাকাব্য রামায়ণ ও মহাভারতেও পাশা খেলার উল্লেখ রয়েছে। এই প্রাচীন কাব্যগ্রন্থ গুলিতে আরও বিভিন্ন ধরনের শারীরিক কসরত দৌড়, তীরন্দাজ, ঘোড়দৌড়, সামরিক কৌশল, ভারোত্তোলন, শিকার, সাঁতার এবং বল খেলার উল্লেখ পাওয়া যায়। যা থেকে উপলব্ধি করা যায় যে সেই সময়ে এই খেলাগুলি যথেষ্ট জনপ্রিয় ছিল। মধ্যযুগীয় কালে নালন্দা তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে পেহেলওয়ানী অর্থাৎ কুস্তি প্রচলন হয়। এমনকী, মনে করা হয় সাপ লুডো, তাস খেলা, কুস্তি, পোলো, তীরন্দাজি সব খেলাগুলির উৎপত্তি হয় ভারতে। পরবর্তীকালে তা বিদেশে প্রেরণ করা হয় সেখান থেকেই তাদের আধুনিকীকরণ ঘটে।

    গুগলের গবেষণা

    গুগল ইন্ডিয়ার তরফে রোমা দত্ত চৌবে বলেন, “এটি ভারতের খেলাধুলার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। আমরা মাল্টি-স্পোর্ট ফ্যানডমের বৃদ্ধি, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এবং ভারতের ক্রীড়া অনুরাগীদের বৃহত্তম অংশের প্রতিনিধিত্বকারী জেনারেশন জেডের (জেন জি) গভীর সম্পৃক্ততা প্রত্যক্ষ করছি৷ এই প্রবণতাগুলি ব্যবসার জন্য উদ্ভাবন, উৎসাহী অনুরাগীদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন এবং বাস্তুতন্ত্র জুড়ে বৃদ্ধির জন্য অনন্য সুযোগ উপস্থাপন করে।” 

    বৈচিত্র্যময় ক্রীড়া সংস্কৃতি

    ভারতে খেলার জনপ্রিয়তা প্রসঙ্গে রোমা জানান, ৭০ শতাংশ ভারতীয় ক্রিকেট খেলা পছন্দ করেন। তাঁদের মধ্যে আবার অনেকে অন্য খেলার প্রতিও আকৃষ্ট। ভারতে (India’s Sports Industry) অধিকাংশ মানুষ খেলার প্রতি আকৃষ্ট। বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার এখন ছোট ছোট খেলাগুলোকেও প্রচারের আলোয় আনার চেষ্টা করছে। অধিকাংশ ভারতীয় এখন ২০ শতাংশ বেশি সময় ব্যয় করে নন-লাইভ (রেকর্ডেড) সম্প্রচার যেমন হাইলাইটস এবং শর্ট-ফর্ম ভিডিওতেও খেলা দেখেন। এর ফলে জিডিপি বাড়ছে। 

    অর্থনৈতিক ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি

    গবেষণা বলছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ক্রীড়াক্ষেত্রে ভারতে ১ কোটির বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। বাড়বে রাজস্বের হারও। ২০৩০ সালের মধ্যে ২১০০ কোটি ডলার পরোক্ষ কর রাজস্ব উৎপন্ন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। ক্রীড়া সামগ্রী এবং পোশাকের বাজার দ্বিগুণ ৫৮০০ কোটি ডলার হবে, যা ফিটনেস-সচেতন জনসংখ্যার দ্বারা চালিত হবে এবং পছন্দের দলগুলির পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে। 

    আরও পড়ুন: ভারত-জাপান বিশেষ প্রতিরক্ষা-চুক্তি, নৌসেনার রণতরীগুলিতে বসবে ‘স্টেলথ’ মাস্তুল

    আইপিএলের প্রভাব

    ভারতীয় ক্রিকেটে মিলিয়ন ডলার ক্রিকেট লিগ নামে পরিচিত আইপিএল। এই লিগের এতটাই জৌলুশ এবং বিশ্বব্যাপি দাপট যে বহুদেশই ওই সময় ক্রিকেটারদের ছেড়ে দেন আইপিএলে খেলতে, শুধু তাই নয়। ক্রিকেটারদের তাঁরা জাতীয় দলেও রাখেন না। ২০২৩ সালে আইপিএল থেকে আয়ের অঙ্ক ছিল ৫১২০ কোটি টাকা। এর আগে বছর পর অর্থাৎ ২০২২ সালের আইপিএলে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড এই লিগ থেকে আয় করেছিল ২৩৬৭ কোটি টাকা, অর্থাৎ এক বছরে ২০২৩ সালে আয়ের শতাংশ ১১৬ গুন বৃদ্ধি পায়। আইপিএল ভারতের ক্রীড়াক্ষেত্রে সম্প্রচার অধিকার এবং স্পনসরশিপ আয়ও নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) একাই বছরে ১২০ কোটি ডলার উপার্জন করছে।  আইপিএল-এর সাফল্য দেখে ধীরে ধীরে ভারতে চালু হয়েছে ফুটবল লিগ আইএসএল, খেলো কাবাডির মতো টুর্নামেন্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur: মণিপুরে নারী ও শিশুদের নৃশংস হত্যার তীব্র নিন্দা, কেন্দ্র-রাজ্যকে সমাধানের বার্তা আরএসএস-এর

    Manipur: মণিপুরে নারী ও শিশুদের নৃশংস হত্যার তীব্র নিন্দা, কেন্দ্র-রাজ্যকে সমাধানের বার্তা আরএসএস-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে (Manipur) নারী ও শিশুদের নৃশংস হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS)। কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের কাছে অবিলম্বে সমাধান চেয়েছে এই হিন্দুত্ববাদী সামাজিক সংগঠন। ইতিমধ্যে খুনের পাশাপাশি দেখা গিয়েছে বহু মানুষ এখনও নিখোঁজ! গোটা রাজ্যজুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। উল্লেখ্য গত বছরের ৩ মে থেকেই এই রাজ্যে হিংসার ধারা অব্যাহত। এখনও পর্যন্ত ৫০ হাজার মানুষ ঘরছাড়া এবং ২২০ জনের বেশি মানুষ গোষ্ঠী সংঘর্ষের বলি হয়েছেন। সাধারণ জনজীবন অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন।

    নিরপরাধ মানুষের দুর্ভোগ অব্যাহত (Manipur)

    মণিপুর (Manipur) প্রান্তের রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS) হিংসা কবলিত এলাকার পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত। বিবৃতি দিয়ে তারা জানিয়েছে, “নিরপরাধ মানুষের দুর্ভোগ অব্যাহত। সংঘাতের জেরে রাজ্য গভীর সঙ্কটে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া হিংসার ঘটনার আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। নারীহত্যা, শিশুহত্যা এবং অপহরণ অত্যন্ত কাপুরুষোচিত ঘটনা, যা মানব সমাজের জন্য অত্যন্ত লজ্জার। সভ্যতার নিরিখে মানব স্বার্থের পরিপন্থী। এই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের উচিত সদর্থকভাবে এগিয়ে আসা। প্রচুর সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তাই সামাজিকভাবে আইনশৃঙ্খলাও বলবৎ করতে হবে।”

    জিরি ও বরাক নদীর মিলনস্থলে উদ্ধার দেহ!

    চলতি বছরের নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকেই মণিপুরে (Manipur) ফের দুষ্কৃতীরা নাশকতার পন্থা অবলম্বন শুরু করেছিল। গত ১১ নভেম্বর থেকে জিবিরাম জেলায় বেশ কিছু নারী এবং শিশু নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছিল। এরপর ১৫ এবং ১৬ নভেম্বর তাঁদের মধ্যে মোট ছ’জনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। যার মধ্যে ৩ জন নারী এবং ৩ জন শিশু। এই মৃতদেহগুলি মণিপুর-অসম সীমান্তের কাছে জিরি এবং বরাক নদীর মিলনস্থলের কাছে খুঁজে পাওয়া যায়। তবে সবগুলি দেহ এখনও শনাক্ত করা যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য অসমের শিলচর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    কুকি জঙ্গিদের সঙ্গে সিআরপিএফ-এর সংঘর্ষ

    জানা গিয়েছে, গত ১১ নভেম্বর কুকি জঙ্গিদের সঙ্গে সিআরপিএফ-এর ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এই লড়াইতে মোট ১০ জন সন্দেহজনক জঙ্গি নিহত হয়। আবার অন্য আরেকটি ঘটনায় জিবিরাম জেলায় বোরোবেকরা মহকুমায় অবস্থিত জাকুরাধোর একটি ত্রাণশিবির থেকে জঙ্গিরা ১০ জন সাধারণ নাগরিককে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযানের ফলে মাইবাম কেশো (৭৫) এবং লাইশরাম বেরল (৬১) নামে দুই প্রবীণ নাগরিকের দেহ উদ্ধার হয়েছে। তবে এই হিংসার ঘটনায় কুকি জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে মেইতি গোষ্ঠী দাবি করেছে, “উদ্ধার হওয়া তিন নারী এবং তিন শিশুকে প্রথমে অপহরণ করে রাখা হয়েছিল। এরপর তাঁদের নির্মম ভাবে খুন করা হয়েছে। যদিও তাঁদের পরিচয় এখনও স্পষ্ট ভাবে জানা যায়নি। মানুষের মনে হিংসাকে আরও বড়িয়ে দিচ্ছে এইসব ঘটনা। যার জেরে মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভেরও সঞ্চার হয়েছে।”

    মন্ত্রী, বিধায়কের বাড়িতে হামলা 

    সম্প্রতি এই রাজ্যের (Manipur) রাজনৈতিক জনপ্রতিনিধি, মন্ত্রী, বিধায়ক, সরকারি আমলা-সহ একাধিক ব্যক্তির বাড়িতে পর্যন্ত হামলা হয়। বিশেষ করে ইম্ফল পূর্ব ও পশ্চিমে বহু ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। ক্রমবর্ধমান অশান্তির ঘটনা ক্রমে মারাত্মক রূপ নিচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে আরএসএস দুই গোষ্ঠীর রক্তপাতের বিষয়ে আলোচনা, পরস্পর সহাবস্থান এবং সরকারের ভূমিকাকে বিশেষ ভাবে ইঙ্গিত করে সমাধানের দাবি জানিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ হিংসার আগুনে ফের অগ্নিগর্ভ মণিপুর, ৩টি মূল মামলার তদন্তে এনআইএ

    সরব আরএসএস

    উল্লেখ্য, গত এক বছরের বেশি সময় ধরে আরএসএস (RSS) হিংসার বিরুদ্ধে সরব। মণিপুর (Manipur) সরকারের প্রত্যক্ষ ভূমিকা নিয়েও বার বার প্রশ্ন তুলেছে তারা। সরকারি ক্ষমতার অক্ষমতাকে ইঙ্গিত করে সতর্কবার্তা দিয়েছে এদিন। গত ১৯ মাসের বেশি সময় ধরে মণিপুর উত্তপ্ত। গত লোকসভা নির্বাচনের পর একটি সভায় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্খের সঙ্ঘ চালক মোহন ভাগবত বলেছিলেন, “মণিপুরের সমস্যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কেন্দ্র সরকারের উচিত অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। শান্ত পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার পক্ষকে সবরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Leh Pangong Lake: খরচ ৬ হাজার কোটি টাকা, লেহ্-প্যাংগং লেককে জুড়তে নতুন টানেল গড়বে ভারত

    Leh Pangong Lake: খরচ ৬ হাজার কোটি টাকা, লেহ্-প্যাংগং লেককে জুড়তে নতুন টানেল গড়বে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেলা পাসের মধ্যে দিয়ে জোড়া টিউব টানেল করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কেলা পাস ভারতের সর্বোচ্চ মোটরযানযোগ্য একটি পাস, যেটা লেহ্ এবং প্যাংগং লেকের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ হিসেবে কাজ করে। এখানে টানেল তৈরির বিষয়ে লাদাখের প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রায় ৭-৮ কিলোমিটার দীর্ঘ হবে এই সব মরশুমে ব্যবহারযোগ্য টানেল (Tunnel)। এই সুড়ঙ্গ তৈরি হয়ে গেলে লেহ্ (Leh) থেকে যাঁরা প্যাংগং লেক পর্যন্ত যেতে চান, তাঁরা খুব সহজেই যেতে পারবেন। এর মাধ্যমে সুবিধা হবে পর্যটকদের। সুবিধা হবে সামরিক বাহিনীরও।

    প্রকল্পের খরচ কত? (Leh)

    জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এই টানেল নির্মাণের বিষয়ে একটি বৈঠক করেছিল। এই প্রকল্পের জন্য খরচ হতে পারে প্রায় ৬০০০ কোটি টাকা। এটা অত্যন্ত কঠিন একটা প্রকল্প। এর প্রকল্প ব্যয়ও প্রচুর। এনিয়ে শীঘ্রই উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে। এর মাধ্যমে লেহ্ (Leh) থেকে প্যাংগং যাওয়ার দূরত্ব অনেকটাই কমবে। তবে এই প্রকল্প একেবারেই প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। সূত্রের খবর, বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন নাকি ন্যাশানাল হাইওয়ে অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন কারা এই প্রকল্পকে বাস্তবায়িত করবে সেটা এখনও পরিস্কার নয়। কেলা পাস লেহ্ ও প্যাংগংয়ের মধ্যে সংযোগকারী গিরিপথ। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৮,৬০০ ফুট উচ্চতায় এর অবস্থান। এর আগে লাদাখ প্রশাসন ২০২২ সালে খারদুংলা, ফোটু লা, নামিকা লা ও কেলা এই চারটি জায়গায় টানেল করার প্রস্তাব দিয়েছিল। প্রস্তাবিত কেলা পাস টানেলটি এই অঞ্চলে চলাচলের গতি অনেকটাই বাড়িয়ে দেবে। বিশেষ করে শীতের সময় যখন রাস্তাগুলি প্রায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে যায়।  

    আরও পড়ুন: ব্যাট হাতে প্রস্তুত শীত! কলকাতায় ১৮ ডিগ্রি, পুরুলিয়ায় ১২, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    সরকারি আধিকারিক কী বললেন?

    সরকারি এক আধিকারিক বলেন, এটি একটি চ্যালেঞ্জিং এবং উচ্চ খরচের প্রকল্প। তবে, এই প্রকল্পটি কার্যকরী হলে লেহ্ (Leh) থেকে প্যাংগং পর্যন্ত যাতায়াতের সময়কে যথেষ্ট পরিমাণে কমিয়ে দেবে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Karnataka Lokayukta: কমিশন মামলায় কর্নাটকের পূর্বতন বিজেপি সরকারকে ক্লিনচিট দিল লোকায়ুক্ত

    Karnataka Lokayukta: কমিশন মামলায় কর্নাটকের পূর্বতন বিজেপি সরকারকে ক্লিনচিট দিল লোকায়ুক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটকের পূর্বতন বিজেপি সরকারকে ক্লিনচিট দিল লোকায়ুক্ত (Karnataka Lokayukta)। রবিবার, ১৮ নভেম্বর রাজ্যের ঠিকাদারদের অ্যাসোসিয়েশনের প্রয়াত সভাপতি ডি. কেম্পান্না এবং সহ-সভাপতি আর অম্বিকাপথীর দায়ের করা ৪০ শতাংশ কমিশন (BJP) মামলায় আগের বাসবরাজ বোম্মাই সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ খারিজ করে দিল লোকায়ুক্ত। গত বছরই বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা এবং হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন ডি. কেম্পান্না এবং আর অম্বিকাপথী।

    কী বলছে বিজেপি? (Karnataka Lokayukta)

    সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি নেতা আর অশোক বলেন, “অভিযোগকারীরা কখনওই ৪০ শতাংশ কমিশনের কোনও প্রমাণ দিতে পারেননি। অথচ  ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে এই অস্ত্রই প্রয়োগ করা হয়েছিল।” তিনি বলেন, “লোকায়ুক্ত কখনওই ঠিকাদারদের দেওয়া ৪০ শতাংশ কমিশনের কোনও প্রমাণ পায়নি। কেম্পান্না এবং অম্বিকাপথী কংগ্রেস পার্টির হাতিয়ার হিসেবে কাজ করেছিলেন এবং মামলা দায়ের করেছিলেন। কিন্তু লোকায়ুক্ত মামলাটি খারিজ করে দিয়েছে। কারণ অভিযোগ প্রমাণ করার জন্য কোনও প্রমাণ দেওয়া হয়নি।” অশোক আরও বলেন (Karnataka Lokayukta), “বর্তমান কংগ্রেস সরকার বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা দাবি এবং ভোটারদের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে কর্নাটকে ক্ষমতায় এসেছে।” তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী, “শাসক কংগ্রেস ভবিষ্যতে পরাজিত হবে এবং তাদের নেতারা বাড়িতে থাকতে বাধ্য হবেন।”

    লোকায়ুক্তের বক্তব্য

    লোকায়ুক্তও সাফ জানিয়ে দিয়েছে, অভিযোগের স্বপক্ষে কোনও মুখ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া বলেন, “ক্লিন চিট দেওয়া মানে কোনও অন্যায় হয়নি, এমন নয়।” তিনি বলেন, “বিজেপি দাবি করেছে যে তারা ক্লিন চিট পেয়েছে, তবে এর অর্থ এই নয় যে কোনও ভুল হয়নি। আদালতে একটি মামলা খারিজ হওয়ার দুটি উপায় রয়েছে। একটি উপায় হল পেশ হওয়া প্রমাণ অপরাধ প্রমাণ করতে সক্ষম নয়। আমি নিজে নির্দেশটি পড়িনি, তবে আমি এটি খতিয়ে দেখব।”

    আরও পড়ুন: পিএম-কিষানের টাকায় অর্থ সংগ্রহ! ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করার জঙ্গি-ছক ফাঁস

    প্রসঙ্গত, গত বছরই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কংগ্রেসকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন এই বলে যে, যদি তাদের কাছে ওই মামলায় বিজেপির বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ থাকে, তবে তারা আদালতে যেতে পারে। শাহের এই মন্তব্যের আগে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছিলেন, বিজেপি হল ভারতের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দল। দুর্নীতির ওই টাকা অন্যান্য দলের বিধায়কদের কিনে নিতে ব্যবহার করা (BJP) হয়েছে। তার প্রেক্ষিতেই কংগ্রেসকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন শাহ (Karnataka Lokayukta)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • India Russia: শঙ্কিত চিন-পাকিস্তান! ভারত-রাশিয়া পন্টসার এয়ার ডিফেন্স চুক্তি স্বাক্ষরিত, কী উপকারিতা?

    India Russia: শঙ্কিত চিন-পাকিস্তান! ভারত-রাশিয়া পন্টসার এয়ার ডিফেন্স চুক্তি স্বাক্ষরিত, কী উপকারিতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আকাশ প্রতিরক্ষাকে আরও শক্তিশালী করতে বড় পদক্ষেপ নিল ভারত। ভারত ডাইনামিক্স লিমিটেড (BDL) এবং রাশিয়ার রোসোবোরন এক্সপোর্ট সংস্থা সম্প্রতি একটি মেমোরান্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং (MoU) বা মউ স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির অধীনে রাশিয়ার থেকে ভারত পন্টসার মোবাইল এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম সংগ্রহ করবে, যা ভারতীয় বিমানবাহিনী এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে। 

    পন্টসার সিস্টেম কী?

    পন্টসার সিস্টেম হল একটি অত্যাধুনিক এবং বহুমুখী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যা ক্ষেপণাস্ত্র এবং বন্দুকের সংমিশ্রণ দ্বারা আকাশ প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করে। পন্টসার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় একটি ট্রাকের উপর রেডার, ১২টি ‘ভূমি থেকে আকাশ’ ক্ষেপণাস্ত্র (সারফেস টু এয়ার মিসাইল), ড্রোন এবং ’দুটি বিমান বিধ্বংসী কামান থাকে। ক্ষেপণাস্ত্রগুলির সাধারণ ভাবে ১৮ কিলোমিটার পাল্লার। কিন্তু নতুন ‘১-এস’ সংস্করণে ‘বুস্টার’ ব্যবহার করে সেগুলির পাল্লা বাড়ানো হয়েছে। ভারত সেগুলি কিনতে চলেছে। নয়া চুক্তিটি গোয়াতে অনুষ্ঠিত পঞ্চম ভারত-রাশিয়া আন্তঃসরকারি কমিশন (IRIGC) অধিবেশনের সময় স্বাক্ষরিত হয়। ভারত ডায়নামিক্স এবং রাশিয়ার রোসোবোরন এক্সপোর্ট সংস্থার মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মউ’ অনুযায়ী রুশ প্রযুক্তিগত সহায়তায় এই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভারতে নির্মাণ করা হবে।

    শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা

    প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার এই চুক্তি প্রতিবেশী পাকিস্তান, চিন ও বাংলাদেশকে শঙ্কিত করার পক্ষে যথেষ্ট। পন্টসার সিস্টেম ভারতের হাতে এলে বায়ুসেনা আরও শক্তিশালী হবে। এই সিস্টেম অ্যাংগ্রি ড্রোন অ্যাটাক এবং প্রেসিশন-গাইডেড মিউনিশন থেকে মিলিটারি ইনস্টলেশনগুলো রক্ষা করতে সক্ষম। সিস্টেমটি বিশেষভাবে সামরিক ঘাঁটি বা কেন্দ্র, বিমানবন্দর, ইন্ডাস্ট্রিয়াল সাইটগুলিকে রক্ষা করে। চুক্তি অনুযায়ী, রাশিয়া ভারতকে এই সিস্টেমের সর্বশেষ সংস্করণ সরবরাহ করবে, যা আরও শক্তিশালী এবং আধুনিক প্রযুক্তি সমৃদ্ধ। এই চুক্তি ভারতকে আরও শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা এবং সেনা নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Howrah Bridge: চার দশক পর হচ্ছে হাওড়া ব্রিজের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, কতদিন চলবে?

    Howrah Bridge: চার দশক পর হচ্ছে হাওড়া ব্রিজের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, কতদিন চলবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের হাওড়া ব্রিজের (Howrah Bridge) স্বাস্থ্য পরীক্ষার কাজ শুরু করা হল। শেষবার আশির দশকে হয়েছিল। চার দশকের পর এবার সেই উদ্যোগ গ্রহণ করা হল। ইতিমধ্যেই সেই কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে। শনিবার ব্রিজে যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখার জন্য ট্রাফিক ব্লক নিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা (Health Examination) সংক্রান্ত বিষয়ে কাজ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই কাজ আরও তিন-চারমাস চলবে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তবে, আর ট্রাফিক ব্লক নেওয়ার প্রয়োজন হবে না বলে সংস্থার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

    কেন স্বাস্থ্য পরীক্ষা? (Howrah Bridge)

    জানা গিয়েছে, ১৯৮৩-৮৮ সালের মধ্যে রেলওয়ে কনসালটেন্সি বা রাইটস (RITES) সর্বশেষ এই ধরনের সমীক্ষা (Howrah Bridge) পরিচালনা করেছিল, এবারও কাজটি এই সংস্থায় দায়িত্ব নিয়ে করছে। ব্রিজটির মূল ডিজাইনার ব্রিটিশ ফার্ম রেন্ডেল পামার এবং ট্রাইটন (আরপিটি) তাদের সঙ্গে যোগ দেবে বলে জানা গিয়েছে। শ্যামা প্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দরের (পূর্ববর্তী কলকাতা বন্দর বা KOPT) একজন কর্মকর্তা বলেন, ব্রিজের অবস্থা খতিয়ে দেখার পর তা বিশ্লেষণ করা হবে। ২০২৫ সালের মার্চের মধ্যে এই বিষয়ে একটি বিস্তৃত রিপোর্ট পাব বলে আমরা আশা করি।”  আর ট্রাফিক ব্লক প্রসঙ্গে কর্মকর্তারা ব্যাখ্যা করেছেন, ব্রিজে গাড়ি চলাচল করলে সেতুর অবস্থার একটি পরিষ্কার চিত্র পাওয়া যেত না। ব্রিজের বেশ কিছু বিষয় পরীক্ষা করা হয়েছে। মূলত, শনিবার রাত ১১.৩০ থেকে ভোর ৪.৩০ টার মধ্যে ব্রিজটিকে যানবাহন মুক্ত করা হয়েছিল। মূলত ব্রিজটি মহানগরে পরিষেবা দেওয়ার জায়গা রয়েছে কি না তা গণনা করার দরকার। ব্রিজের শত শত জয়েন্ট ক্ষয়প্রাপ্ত হয়েছে। সেগুলি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হবে।

    আরও পড়ুন: ব্যাট হাতে প্রস্তুত শীত! কলকাতায় ১৮ ডিগ্রি, পুরুলিয়ায় ১২, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    বিশ্বের ষষ্ঠ দীর্ঘতম ক্যান্টিলিভার ব্রিজ

    হাওড়া সেতু (Howrah Bridge) বা রবীন্দ্র সেতুটি ১৯৪৩ সালে চালু হয়েছিল। ৪০ বছর ধরে একটানা সেবা করার পর ১৯৮৩ সালে শেষ স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছিল। শেষ সমীক্ষায়, RITES RPT- সঙ্গে  সহযোগিতা করেছিল।  সেতুটির ক্যারেজওয়ে ৭১-ফুট চওড়া, দুপাশে দুটি ১৮.৫ ফুট চওড়া ফুটপাথ রয়েছে। গত মে মাসে বিটুমিনাস রাস্তার ওপরিভাগ স্ক্র্যাপ করে কলকাতার সবচেয়ে স্বীকৃত ল্যান্ডমার্কের লোড কমানোর জন্য একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছিল। হুগলি জুড়ে ক্যান্টিলিভার ব্রিজটি বিশ্বের ষষ্ঠ দীর্ঘতম কাঠামো। এটি প্রতিদিন প্রায় ১ লক্ষ যানবাহন এবং দেড় লক্ষের এরও বেশি পথচারী চলাচল করেন। ব্রিজটি তৈরি হওয়ার পর প্রথম যানবাহন ছিল একটি ট্রাম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pather Panchali: চলে গেলেন ‘পথের পাঁচালী’র দুর্গা! প্রয়াত অভিনেত্রী উমা দাশগুপ্ত

    Pather Panchali: চলে গেলেন ‘পথের পাঁচালী’র দুর্গা! প্রয়াত অভিনেত্রী উমা দাশগুপ্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত অভিনেত্রী উমা দাশগুপ্ত (Uma Dasgupta)। সোমবার সকাল ৮টা নাগাদ মৃত্যু হয়েছে তাঁর। মাত্র একটি ছবিতে অভিনয় করেছিলেন তিনি। তাতেই বিশ্বজোড়া খ্যাতি। ১৯৫৫ সালে সত্যজিৎ রায়ের ‘পথের পাঁচালী’তে (Pather Panchali) তিনি ‘অপু’র দিদি ‘দুর্গা’-র চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। কিশোরী বয়সের দুর্গাকে পর্দায় জীবন্ত করেছিলেন উমা। এর পর তাঁকে আর পর্দায় দেখা যায়নি। পেশাগত জীবনে তিনি ছিলেন শিক্ষক। ফলে ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল ক্ষীণ। অভিনেতা চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তীর আবাসনের বাসিন্দা উমা দাশগুপ্ত। বিধায়ক-পরিচালক-অভিনেতা চিরঞ্জিৎ দুর্গার চলে যাওয়ার খবর দেন।

    মারণ ব্যাধির সঙ্গে লড়াই

    কয়েক বছর আগে ক্যান্সার হয়েছিল তাঁর। তার পর প্রাথমিক চিকিত্‍সায় সাড়াও দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই মারণরোগ আবারও শরীরে বাসা বাঁধে তাঁর। শেষ রক্ষা হল না। চিকিত্‍সার জন্য তাঁকে ভর্তি করানো হয়েছিল হাসপাতালে। সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন উমাদেবী। যদিও এখনও তাঁকে ‘দুর্গা’ হিসাবেই মনে রেখেছেন সবাই। মাঝে অনেক বারই তাঁর মৃত্যুর ভুয়ো সংবাদ শোনা গিয়েছিল। তবে এবার আর কোনও রটনা নয়। চিরবিদায় নিলেন ‘পথের পাঁচালী’র দুর্গা। তবে অসীমের মাঝে তিনি বিলীন হলেও বাঙালির মনে তাঁর আসন চিরস্থায়ী। দুর্গার বিসর্জনে তাই মন খারাপ বিশ্ব জোড়া বাঙালির।

    আরও পড়ুন: ভারত-জাপান বিশেষ প্রতিরক্ষা-চুক্তি, নৌসেনার রণতরীগুলিতে বসবে ‘স্টেলথ’ মাস্তুল

    ‘পথের পাঁচালী’র দুর্গার সম্পর্কে সত্যজিৎ রায়ের পুত্র পরিচালক সন্দীপ রায় জানান,  “তখন আমি শিশু। ফলে, সে ভাবে কোনও স্মৃতিই আর নেই। উমাদি তখন মাত্র ১৪। পরে আর অভিনয় করেননি। ফলে, ওঁর সঙ্গে আমাদের আর যোগাযোগ ছিল না।” পরিচালক-পুত্রের আফসোস, সেই সময়ের সব স্মৃতি প্রয়াত অভিনেত্রী সঙ্গে নিয়ে চলে গেলেন! ‘পথের পাঁচালী’র পর আর কোনও ছবিতে কেন অভিনয় করেননি তিনি, তা এক রহস্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Nirmala Sitharaman: মধ্যবিত্তের স্বার্থে সীতারামনকে আন্তরিক অনুরোধ নেটাগরিকের, কী জবাব দিলেন অর্থমন্ত্রী?

    Nirmala Sitharaman: মধ্যবিত্তের স্বার্থে সীতারামনকে আন্তরিক অনুরোধ নেটাগরিকের, কী জবাব দিলেন অর্থমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি ও মূল্যবৃদ্ধির মধ্যে মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য কিছু স্বস্তি প্রদানের অনুরোধ করা হয়েছিল কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের কাছে (Nirmala Sitharaman)। ১৭ নভেম্বর এক নেটিজেন তাঁকে ওই অনুরোধ করেন।

    অর্থমন্ত্রীর উদ্দেশে পোস্ট (Nirmala Sitharaman)

    জনৈক তুষার শর্মা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর উদ্দেশে এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছিলেন, “সীতারামন আমরা আপনার প্রচেষ্টা ও দেশের প্রতি অবদানের গভীর প্রশংসা করি এবং আপনার প্রতি আমাদের সর্বোচ্চ সম্মান রয়েছে। আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি যে আপনি মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য কিছু স্বস্তি প্রদানের (Inflation) বিষয় বিবেচনা করুন। আমি জানি এর সঙ্গে জড়িত বিশাল চ্যালেঞ্জগুলি, কিন্তু এটি কেবল একটি আন্তরিক অনুরোধ।”

    অর্থমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া

    পোস্টটি দেখে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানান কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। চ্যালেঞ্জগুলি স্বীকার করার জন্য শর্মাকে ধন্যবাদও জানান মন্ত্রী। জানিয়ে দেন, কেন্দ্রীয় সরকার একটি প্রতিক্রিয়াশীল সরকার। সীতারামন তাঁর উত্তর দিতে গিয়ে লিখেছেন, “আপনার দয়ালু শব্দ এবং আপনার বোঝার জন্য ধন্যবাদ। আমি আপনার উদ্বেগ স্বীকার করি এবং তার মূল্যায়ন করি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার একটি রেসপন্সিভ সরকার। জনগণের কণ্ঠ শোনে এবং তাঁদের সমস্যা সমাধানে মনোযোগ দেয়। আবার একবার আপনার বোঝার (চ্যালেঞ্জগুলো) জন্য ধন্যবাদ। আপনার মতামত মূল্যবান।”

    জানা গিয়েছে, ভারতের পাইকারি মূল্য সূচক (WPI) ভিত্তিক মুদ্রাস্ফীতি অক্টোবর মাসে খাদ্যমূল্যের দর বৃদ্ধির কারণে ২.৩৬ শতাংশে পৌঁছেছে, যা চার মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক সমীক্ষায় অর্থনীতিবিদরা প্রত্যাশা করেছিলেন যে, অক্টোবর মাসে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি হবে ২.২ শতাংশের কাছাকাছি। সেপ্টেম্বর মাসে এটাই ছিল ১.৮৪ শতাংশ। পাইকারি মূল্য সূচক, যা উৎপাদকের মূল্য সূচক হিসেবে কাজ করে, নভেম্বর ২০২৩ থেকে ইতিবাচকই ছিল। এক বছর আগে এটি ছিল -০.২৬ শতাংশ (Nirmala Sitharaman)।

    আরও পড়ুন: পিএম-কিষানের টাকায় অর্থ সংগ্রহ! ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করার জঙ্গি-ছক ফাঁস

    খাদ্য মুদ্রাস্ফীতি, যা সূচকের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, বার্ষিক ভিত্তিতে ১১.৫৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি সেপ্টেম্বরে ছিল ৯.৪৭ শতাংশ, আগস্টে ছিল ৩.২১ শতাংশ। উচ্চ খাদ্যমূল্যের কারণে ভারতের খুচরা মুদ্রাস্ফীতি, যা উপভোক্তা মূল্য সূচক ভিত্তিক, অক্টোবরে ১৪ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬.২১ শতাংশে পৌঁছেছে। এই বৃদ্ধির প্রধান কারণ ছিল শাকসবজি ও ফলমূলের দাম (Inflation), যেগুলোর দাম যথাক্রমে ৬৩.০৪ ও ১৩.৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে (Nirmala Sitharaman)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • Birbhum: বীরভূমে কাজল শেখের অনুগামীদের হাতে মার খেলেন কেষ্ট-অনুগামীরা! তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    Birbhum: বীরভূমে কাজল শেখের অনুগামীদের হাতে মার খেলেন কেষ্ট-অনুগামীরা! তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত বীরভূমের (Birbhum) নানুর। কাজল শেখ গোষ্ঠীর অনুগামীদের হামলায় আক্রান্ত হলেন অনুব্রত মণ্ডলের অনুগামীরা। আর এই ঘটনায় তৃণমূলের (Trinamool Congress) দলীয় কোন্দল ফের প্রকাশ্যে চলে এসেছে। অনুব্রত জেলায় থাকা অবস্থায় তাঁর অনুগামীদের এভাবে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা নিয়ে জেলা জুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Birbhum)

    তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল তিহার জেলে থাকার সময় কাজল শেখের অনুগামীদের দাপাদাপির সাক্ষী ছিলেন বীরভূমবাসী (Birbhum)। বার বার আক্রান্ত হয়েছেন অনুব্রত অনুগামীরা। অনুব্রত জেলায় ফিরতে বুকে বল পেয়েছিলেন তাঁর অনুগামীরা। সম্প্রতি তৃণমূল কার্যালয়ে কোর কমিটির বৈঠক হয়েছে। কোর কমিটির বৈঠকের নির্যাস অনুযায়ী, অনুব্রত মণ্ডলের ক্ষমতা কিছুটা হলেও খর্ব হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই আরও বেশি অক্সিজেন পেয়েছে অনুব্রতর বিরোধী গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত কাজল শেখ গোষ্ঠী। জানা গিয়েছে, রবিবার নানুরের বাহিরিতে চায়ের দোকানে এক ব্যক্তি বসেছিলেন। তখনই কাজল শেখের অনুগামীরা সেখানে যান। দোকানের মধ্যে কোনও একটি বিষয়কে কেন্দ্র তাঁর সঙ্গে ঝামেলা বাঁধে। তখনই ওই ব্যক্তির ওপর কাজল শেখের অনুগামীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন অনুব্রতর মণ্ডলের বেশ কয়েকজন অনুগামীও। আক্রান্তদের উদ্ধার করে ইতিমধ্যেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে আটক কিংবা গ্রেফতার করা হয়নি।

    আরও পড়ুন: ব্যাট হাতে প্রস্তুত শীত! কলকাতায় ১৮ ডিগ্রি, পুরুলিয়ায় ১২, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    শুরু হয়েছে তরজা

    কাজল শেখের অনুগামী তথা বাহিরির (Birbhum) পঞ্চায়েত প্রধান জানাচ্ছেন, সম্পূর্ণই পারিবারিক বিবাদ। তা থেকেই হাতাহাতি। অন্যদিকে, আক্রান্তদের অভিযোগ, কাজল শেখের অনুগামীরা সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবেই হামলা চালিয়েছে। এই প্রসঙ্গে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত তৃণমূল নেতা জামশেদ আলি খানের বক্তব্য, হামলার জেরে বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। প্রশাসন অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনত পদক্ষেপ গ্রহণ করুক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Israeli Strikes: লেবাননে ইজরায়েলের বিমান হামলায় নিহত হিজবুল্লার মুখপাত্র মহম্মদ আফিফ

    Israeli Strikes: লেবাননে ইজরায়েলের বিমান হামলায় নিহত হিজবুল্লার মুখপাত্র মহম্মদ আফিফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েলের হামলায় (Israeli Strikes) নিহত হিজবুল্লার (Hezbollah) মুখপাত্র মহম্মদ আফিফ। লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লা জানিয়েছে, তাদের মিডিয়া চিফ মহম্মদ আফিফ রবিবার মধ্য বেইরুটের একটি ভবনে নিহত হয়েছেন ইজরায়েলি হামলায়।

    লেবাননে হিজবুল্লার ডেরায় হামলা (Israeli Strikes)

    ইজরায়েল সাধারণত হিজবুল্লার এমন ব্যক্তিদের ওপর হামলা চালায় না, যারা সরাসরি যুদ্ধের সঙ্গে যুক্ত নয়। তাদের বিমান হামলা প্রধানত বেইরুটের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকণ্ঠেই কেন্দ্রীভূত। সেখানেই আস্তানা গেড়েছে হিজবুল্লা। রবিবার সন্ধ্যায় ইজরায়েলের সামরিক বাহিনী বিবৃতি জারি করে জানিয়েছিল, তারা আফিফকে ‘খতম’ করেছে। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, এই হামলায় একজন নিহত ও তিনজন জখম হয়েছেন।

    হামলা বেইরুটেও

    এদিনই বেইরুটের আর একটি কেন্দ্রীয় এলাকায় মার এলিয়াস স্ট্রিটে আর একটি হামলা হয়। হিজবুল্লার আল-মানার টেলিভিশন জানিয়েছে, এই হামলায় অন্তত দু’জন নিহত হয়েছে। জখম হয়েছেন ২২ জন। এই তথ্য নিশ্চিত করেছে লেবাননের স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে লড়াই চলছে ইজরায়েলের সঙ্গে হিজবুল্লার। ইজরায়েলের ওপর প্রথম আঘাত হানে হিজবুল্লা, ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর। তেলআভিভের (ইজরায়েলের রাজধানী) সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে রকেট নিক্ষেপ শুরু করে হিজবুল্লা। এর একদিন আগেই তাদের মিত্র হামাস দক্ষিণ ইজরায়েলে হামলা চালায়। ওই হামলায় নিহত হয় ১ হাজার ২০০ এর কাছাকাছি মানুষ।

    আরও পড়ুন: পিএম-কিষানের টাকায় অর্থ সংগ্রহ! ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করার জঙ্গি-ছক ফাঁস

    সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ইজরায়েল লেবাননে সামরিক অভিযান চালায়। দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চল এবং বেইরুটের দক্ষিণ উপকণ্ঠে ভারী বোমা বর্ষণ করা হয়। সীমান্তে স্থল অভিযানও শুরু করে ইজরায়েল।লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রক রবিবার জানিয়েছে, গত এক বছরে ইজরায়েলের (Israeli Strikes) লেবানন অভিযানে ৩ হাজার ৮৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছেন প্রায় ১৫ হাজার মানুষ। এর মধ্যে সামরিক ও অসামরিক দুই ধরনের ব্যক্তিই রয়েছেন। হিজবুল্লার রকেট হামলায় ইজরায়েলে কয়েক ডজন সৈনিক ও অসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইজরায়েল (Israeli Strikes)।

    প্যালেস্তাইনের গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে ইজরায়েলের যুদ্ধেও ৪৩ হাজার জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এঁদের বেশিরভাগই নিরীহ নাগরিক বলে দাবি প্যালেস্তাইনের স্বাস্থ্য কর্তাদের। এদিন ইজরায়েলের এয়ার স্ট্রাইকে হতাহত হয়েছেন লেবাননের সেনাবাহিনীর কয়েকজন জওয়ানও। রবিবার আল-মারি শহরের একটি (Hezbollah) সেনা পোস্টে হামলা চালায় ইজরায়েল। মৃত্যু হয় দুই জওয়ানের। জখম হন দু’জন (Israeli Strikes)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share