Tag: Madhyom

Madhyom

  • Magnesium Deficiency: প্রায়ই খিটখিটে মেজাজ কিংবা হাঁটতে গেলেই পেশির টান! কীসের লক্ষণ?

    Magnesium Deficiency: প্রায়ই খিটখিটে মেজাজ কিংবা হাঁটতে গেলেই পেশির টান! কীসের লক্ষণ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    স্বাভাবিক হাঁটাচলা করতে গেলেও সমস্যা।‌ মাঝেমধ্যেই পেশিতে টান। খিঁচুনির জেরে ভোগান্তি। হাড়ের মধ্যেও যন্ত্রণা! যার জেরে সাধারণ কাজ করতেও অসুবিধা হয়। আবার মাঝেমাঝেই মন খারাপ! মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। রাতে ঠিকমতো ঘুম হয় না। সামান্য কারণেও রাগ! যার জেরে সম্পর্কে অবনতি। এমন নানান সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। বিশেষত মহিলাদের মধ্যে এই ধরনের সমস্যা বেশি দেখা যাচ্ছে। আর এই সবকিছুর নেপথ্যে রয়েছে একটি খনিজ পদার্থ! যার ঘাটতির জেরেই শরীরে নানান সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে ম্যাগনেশিয়ামের অভাব নানান ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। সম্প্রতি এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, ভারতে বহু মহিলা ম্যাগনেশিয়ামের অভাবে‌ ভুগছেন। এর ফলে তাঁরা নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই খনিজের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে পর্যাপ্ত সচেতনতা নেই। তাই ভোগান্তি আরও বেশি।

    ম্যাগনেশিয়ামের অভাবে শরীরে কী প্রভাব পড়ে?

    পেশিতে খিঁচুনি, স্নায়ুর অসাড়তা!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যাগনেশিয়ামের অভাবে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয় পেশি এবং স্নায়ু। হাত ও পায়ের পেশিতে খিঁচুনি, স্নায়ুর কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া, অসাড় হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা যায়। অনেকেই এই ধরনের সমস্যার জেরে ঠিকমতো হাঁটাচলা করতে পারেন না। হঠাৎ করে হাতে ও পায়ে ঝিঁঝিঁ ধরার অনুভূতির জেরে পড়ে যান। এর ফলে স্বাভাবিক জীবন‌ ব্যহত হয়।

    মানসিক স্বাস্থ্যে জোরালো প্রভাব!

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যাগনেশিয়ামের অভাব শরীরের পাশপাশি মনের উপরেও পড়ে। মানসিক স্বাস্থ্যে এর প্রভাব গভীর। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যাগনেশিয়ামের অভাবে মস্তিষ্কের স্নায়ুর ক্ষমতাও কমে। হরমোনের ভারসাম্যে প্রভাব দেখা যায়। এর ফলে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। যার জেরে ব্যক্তিগত জীবন কিংবা কাজের জগতেও নানান জটিলতা তৈরি হয়। যা মানসিক চাপ তৈরি করে। ম্যাগনেশিয়াম অভাব ব্যক্তিত্বের পরিবর্তন করে।

    অনিদ্রার সমস্যা তৈরি করে!

    ম্যাগনেশিয়ামের অভাব অনিদ্রার সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। বিশেষত রাতে ঠিকমতো গভীর ঘুম হয় না। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনিদ্রার ফলে শরীরে ক্লান্তি বোধ বাড়ে। কাজে মনোযোগ ঠিকমতো হয় না।

    শরীরে দূর্বলতা বাড়ে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতির জেলে পেশি ও স্নায়ুর ক্ষতি হয়। এর ফলে খিদে না পাওয়ার উপসর্গ দেখা দেয়। যার প্রভাবে শরীরে দূর্বলতা বাড়ে।

    হাড়ের সমস্যা তৈরি হয়!

    ম্যাগনেশিয়ামের অভাবে হাড়ের নানান সমস্যা দেখা যায়। হাড়ের মধ্যে যন্ত্রণা হয়। হাড়ের শক্তি কমে। এর ফলে শরীরের কর্মক্ষমতা কমে।

    হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি হলে অনিয়মিত হৃদস্পন্দন দেখা দেয়। এর ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি, বিশেষত হার্ট অ্যাটাকের মতো বিপদ দেখা দিতে পারে।

    ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি পূরণ কীভাবে হবে?

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি মেটাতে পারে খাবার। ঠিকমতো পুষ্টিকর খাবার খেলে এই ধরনের সমস্যা সহজেই এড়ানো যায়। পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, নিয়মিত ব্রোকলি, পালং শাক, কলমি শাকের মতো সবুজ সব্জি ও শাক খেলে শরীর সহজেই ম্যাগনেশিয়াম পায়। ঘাটতি হওয়ার ঝুঁকিও কমে।

    পাশাপাশি সকালের জলখাবার হোক কিংবা সন্ধ্যার স্ন্যাকস টাইম, অন্যান্য খাবার খাওয়ার পাশপাশি নানান ধরনের বীজ খাওয়ার অভ্যাস থাকলে শরীরে ম্যাগনেশিয়ামের অভাব হবে না। তাঁরা জানাচ্ছেন, সূর্যমুখীর বীজ, মিষ্টি কুমড়োর বীজে থাকে পর্যাপ্ত ম্যাগনেশিয়াম। আবার এর পাশপাশি বাদাম ম্যাগনেশিয়াম ভরপুর খনিজ। কাজুবাদাম, কাঠবাদামের মতো বাদাম নিয়মিত খেলে সহজেই ম্যাগনেশিয়ামের চাহিদা পূরণ হয়।

    সোয়াবিন, ছোলার মতো খাবার ম্যাগনেশিয়াম ভরপুর। তাই এই ধরনের খাবার মেনুতে রাখলে ম্যাগনেশিয়ামের চাহিদা সহজেই পূরণ হয়। এগুলোর পাশপাশি দুধ, পনীর, ডার্ক চকলেট খেলেও শরীর ম্যাগনেশিয়াম পায় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 15 December 2025: কল্যাণকর কাজে কিছু অর্থ ব্যয় হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 15 December 2025: কল্যাণকর কাজে কিছু অর্থ ব্যয় হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) অধিক খরচের জন্য চিন্তা বাড়বে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    বৃষ

    ১) শেয়ার বাজারে লগ্নি নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) পেটের কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) সকাল থেকে শরীরে জড়তা বাড়তে পারে।

    ২) মাথার যন্ত্রণা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

    কর্কট

    ১) প্রেমের ব্যাপারে মানসিক যন্ত্রণা বাড়তে পারে।

    ২) বাড়তি আয় করতে গিয়ে বিপদ ঘটতে পারে।

    ৩) নিজেকে সময় দিন।

    সিংহ

    ১) রাজনীতির লোকেদের একটু চিন্তার কারণ দেখা দিতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশযাত্রার সুযোগ আসতে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কন্যা

    ১) প্রেমের ক্ষেত্রে অশান্তি মিটে যেতে পারে।

    ২) কোনও কারণে মনে ভীষণ সংশয় বা ভয় কাজ করবে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    তুলা

    ১) কাউকে কোনও ব্যাপারে কথা দেবেন না।

    ২) আধ্যত্মিক বিষয়ে বিশেষ মনোযোগী হয়ে উঠবেন।

    ৩) সমাজের জন্য কাজ করুন।

    বৃশ্চিক

    ১) গবেষণার কাজে সাফল্য লাভ।

    ২) খুব নিকট কোনও মানুষের জন্য দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    ধনু

    ১) সখ মেটাতে বাড়তি খরচ হতে পারে।

    ২) কোনও বন্ধুর জন্য বিপদ থেকে উদ্ধার লাভ।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মকর

    ১) মহিলাদের জন্য নতুন কিছু শুরু করার ভালো সময়।

    ২) কল্যাণকর কাজে কিছু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কুম্ভ

    ১) চক্ষুরোগ দেখা দিতে পারে।

    ২) মায়ের ব্যবহারে কষ্ট পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মীন

    ১) সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কপালে অপমান জুটতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে হিন্দু ধর্মের ওপর আঘাত অব্যাহত, দেখুন এ সপ্তাহের ছবিটা

    Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে হিন্দু ধর্মের ওপর আঘাত অব্যাহত, দেখুন এ সপ্তাহের ছবিটা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack) চলছেই। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে এই নিপীড়ন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির গভীরতা ও ব্যাপ্তিকে উপেক্ষা করেছে (Roundup Week)। কারণ এর পেছনে রয়েছে ভয়াবহ হিন্দু-বিদ্বেষমূলক মানসিকতা। জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবের ওপর আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই হিন্দুরা এখন তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও অভূতপূর্ব হিন্দু-বিদ্বেষের মুখোমুখি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক গত ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত কী কী ঘটনা ঘটেছে দেশ এবং বিদেশে।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। কর্নাটকের বেলাগাভি জেলার রামদুর্গা তালুকে এক মহিলাকে জোর করে ইসলাম ধর্মী দীক্ষিত করতে চাপাচাপি করা হয়। বছর আঠাশের ওই মহিলাকে স্থানীয় এক মুসলমান লাগাতার হয়রান করত, দিত হুমকিও। নিজের ধর্ম বাঁচাতে নাগাভ্বা দেমাপ্পা ভান্তামুরি নামের ওই মহিলা আত্মহত্যা করেন বলে অভিযোগ। বেঙ্গালুরুতে আবারও একটি উদ্বেগজনক ‘লাভ জিহাদ’ সংক্রান্ত ঘটনা সামনে এসেছে। এখানে এক হিন্দু মহিলা উসমান নামের এক ইসলামপন্থী ব্যক্তির বিরুদ্ধে চরম শারীরিক নির্যাতন, জোরপূর্বক ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরের চেষ্টা, ব্ল্যাকমেল, আর্থিক শোষণ এবং নির্মম হত্যার হুমকির অভিযোগ দায়ের করেন। রকসৌল সীমান্তে সম্প্রতি এক ১৬ বছর বয়সি হিন্দু কিশোরীকে উদ্ধার (Roundup Week) করার হয়েছে। অভিযোগ, তাকে প্রলোভন দেখিয়ে শোষণ করা হয়েছিল এবং ধর্মান্তরের দিকে ঠেলে দিয়ে বোরখা পরিয়ে নেপালের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পূর্ব চম্পারণের স্থানীয় রিপোর্ট অনুযায়ী, সশস্ত্র সীমা বল (SSB)-এর মানব পাচার বিরোধী ইউনিট রাকসৌল সীমান্তের কাস্টমস অফিসের কাছে নেপালে প্রবেশের চেষ্টার সময় এক ব্যক্তি, বোরখা  পরা ১৬ বছরের এক কিশোরী ও এক নাবালককে আটক করে। ওই ব্যক্তি পশ্চিম চম্পারণের বাসিন্দা মহম্মদ আজমুল্লাহ আলি। মেয়েটি বেত্তিয়া থেকে নিখোঁজ হয়েছিল (Hindus Under Attack)।

    মহিলা পুলিশ কনস্টেবলের অভিযোগ

    উত্তরপ্রদেশের মইনপুরী জেলায় কর্মরত এক বিবাহিত মহিলা পুলিশ কনস্টেবলের অভিযোগ, এক মুসলিম ব্যক্তি তাঁকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে, স্বামীকে জানিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেল করেছে, টাকা আদায় করেছে। পুনেতে তাঁকে আটকে রেখে বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করেছে। পুলিশ মহারাষ্ট্র থেকে ওই কনস্টেবলকে উদ্ধার করেছে এবং অভিযুক্ত গুলফাম ওরফে আরকান আহমদকে গ্রেফতার করেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, বিসরাখ থানা এলাকার এক মহিলা অভিযোগ দায়ের করেন যে, সারাই নজর খান, তার বোন গুড়িয়া এবং তার ভগ্নিপতি রাজু খানের সঙ্গে মিলিতভাবে একটি সংগঠিত চক্র পরিচালনা করত। তাঁর অভিযোগ, এরা এবং আরও কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় ইসলামপন্থী যুবক নিজেদের পরিচয় গোপন করে হিন্দু নারীদের প্রলোভিত করত, মিথ্যা সম্পর্ক গড়ে তুলত এবং পরে অশ্লীল ভিডিও ব্যবহার করে ভয় দেখিয়ে তাদের শোষণ করত (Hindus Under Attack)।

    বজরং দলের শোভাযাত্রায় পাথর

    উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বারের জ্বালাপুর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যখন শৌর্য দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত বজরং দলের একটি শোভাযাত্রায় পাথর ছোড়ে দুষ্কৃতীরা। দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। জ্বালাপুর, হরিদ্বার শহর ও কাঁখাল—এই তিন জায়গা থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি রাম চকের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল। দুর্গা চক ও সাইনি আশ্রমের কাছে হামলার ঘটনাটি ঘটে। হতাহতের কোনও খবর মেলেনি। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যখন ক্ষুব্ধ বজরং দলের কর্মীরা বুলডোজার নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হন (Roundup Week)। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। থিরুপারঙ্কুন্দ্রাম কার্তিগাই দীপম ইস্যুতে বিচারপতি জি আর স্বামীনাথনের ওপর আক্রমণটি শুধু একটি প্রদীপকে কেন্দ্র করে বিরোধ নয়; বরং এটি হিন্দু অধিকার, মন্দিরের ঐতিহ্য ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর একটি সমন্বিত রাজনৈতিক আক্রমণ বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এই আক্রমণের নেতৃত্বে রয়েছে তামিলনাড়ুর ডিএমকে সরকার এবং ইন্ডি জোটের সাংসদদের সমর্থন।

    নেহরুকে নিয়ে বিস্ময়কর মন্তব্য রাজনাথের

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সম্প্রতি ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে নিয়ে এক বিস্ময়কর মন্তব্য করে বড় রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেহরু সংক্রান্ত বক্তব্য তথ্যভিত্তিক বলে দাবি করা হয়েছে। নথিপত্রে দেখা যাচ্ছে, জওহরলাল নেহরু বাবরি মসজিদের জন্য সরকারি অর্থ ব্যয়ের পক্ষে ছিলেন (Roundup Week)। মধ্যপ্রদেশের সেহোর জেলায় পুলিশ ছজনকে গ্রেফতার করেছে। অভিযোগ, তারা একটি খ্রিস্টান ধর্মান্তরণ চক্র চালাচ্ছিল। এই চক্রটি দরিদ্র বনবাসী পরিবারগুলিকে লক্ষ্য করে প্রতি ব্যক্তিকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত নগদ অর্থ ও চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্মান্তরণে প্রলুব্ধ করছিল (Hindus Under Attack)। সুরথকল পুলিশের তরফে ইসলামপন্থী দোকান মালিককে এক নাবালককে যৌন হেনস্তার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু করে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তের নাম মহম্মদ ইসমাইল। তিনি সুরথকলের চক্কাবেত্তু জুম্মা মসজিদের কাছের হানি ফ্যাশন শপ অ্যান্ড জেনারেল স্টোরের মালিক।

    কিশোরীকে আঘাত ব্লেড দিয়ে

    মির্জাপুরের গণেশগঞ্জ এলাকায় ১৭ বছরের এক হিন্দু কিশোরীকে ব্লেড দিয়ে আঘাত করা হয় গলা ও কবজিতে। গুরুতর অবস্থায় রয়েছে সে। অভিযোগ, এক ইসলামপন্থী যুবক তাকে ধর্মান্তরণ ও বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিল। অস্বীকার করায় হামলা চালানো হয়েছে। এই ঘটনায় ব্যাপক জনরোষের সৃষ্টি হয়েছে। ধরপাকড় শুরু করেছে পুলিশ। প্রধান অভিযুক্ত আবদুল ওরফে সইফ সম্পর্কে তথ্য দিলে ২৫,০০০ টাকা পুরস্কারের ঘোষণাও করেছে পুলিশ। এখন পর্যন্ত ষড়যন্ত্র ও তাকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে নজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।  ‘প্রজা প্রভুত্ব উলিসি আন্দোলন’ নামে একটি সামাজিক সংগঠন কর্ণাটকের কুদ্রমুখ জাতীয় উদ্যান অঞ্চলে বসবাসকারী দুর্বল জনজাতী পরিবারগুলিকে লক্ষ্য করে চালানো কথিত মিশনারি ধর্মান্তরণ কার্যকলাপ নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে (Roundup Week)।

    খবরে পাকিস্তান-বাংলাদেশ-কানাডা

    এদিকে, পাকিস্তানের কুখ্যাত ইসলামপন্থী সংগঠন পীর সারহিন্দি মিথ্যে অভিযোগ তুলে পাকিস্তানি হিন্দু অধিকারকর্মী শিবা কাচ্ছিকে ইসলামবিরোধী ও পাকিস্তানি রাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করা ‘ভারতীয় এজেন্ট’ আখ্যা দেওয়ার পর থেকেই তাঁর জীবন বিপন্ন হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবাশিবা এক্স হ্যান্ডেলে নিজের অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

    বাংলাদেশের রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলায় এক প্রবীণ হিন্দু দম্পতির গলাকাটা দেহ উদ্ধারে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এঁদের মধ্য একজন মুক্তিযোদ্ধা, বছর পঁচাত্তরের যোগেশচন্দ্র রায় এবং তাঁর স্ত্রীর সুবর্ণা। বিশ্বের ছবিটাও খুব একটা কম ভয়ঙ্কর নয়। কানাডার অন্টারিও প্রদেশের ব্র্যাম্পটনে একটি মন্দিরে থ্যাংকসগিভিং সপ্তাহে প্রকাশ্য দিবালোকে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এতে ভক্তরা হতবাক হয়ে যান, দাবি করেন উপাসনালয়গুলির নিরাপত্তা জোরদারের করারও।

  • Messi Goat Tour: মেসি-কাণ্ডে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে আয়োজক শতদ্রু, হায়দরাবাদে অনুষ্ঠান হল নির্বিঘ্নে

    Messi Goat Tour: মেসি-কাণ্ডে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে আয়োজক শতদ্রু, হায়দরাবাদে অনুষ্ঠান হল নির্বিঘ্নে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার সন্ধ্যায় মেসিকে (Messi Goat Tour) নিয়ে কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে যা হল, তাতে বিশ্বের দরবারে মুখ পুড়েছে তৃণমূল-শাসিত বাংলার। তবে শনিবার সন্ধেয় হায়দরাবাদ সাক্ষী রইল আর্জেন্টিনার তারকা-ফুটবলার লিয়োনেল মেসির ম্যাজিকে (Satadru Dutta)। রবিবার বিশ্বজয়ী ‘লা আলবিসেলেস্তে’র অধিনায়ক পা রাখছেন মুম্বইয়ে। উল্লেখ্য যে, হায়দরাবাদের পর রবিবার মুম্বইয়ে কনসার্ট অনুষ্ঠিত হচ্ছে সফরের প্রধান আয়োজক শতদ্রু দত্তকে ছাড়াই। এদিকে, শনিবার যুবভারতীর ঘটনায় গ্রেফতারির পর বিধাননগর আদালতে তোলা হলে শতদ্রুকে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

    শতদ্রুর বিরুদ্ধে অভিযোগ (Messi Goat Tour)

    যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভাঙচুরের ঘটনায় শতদ্রুর বিরুদ্ধে মেইনটেন্যান্স অব পাবলিক অর্ডার-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। এদিন আদালতে গোট ট্যুরের আয়োজক শতদ্রু দত্তের আইনজীবীর সওয়াল, আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে একাধিক ধারা দেওয়া হয়েছে, এমন কী এমপিও আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। তিনি কী এমন কাজ করেছেন, যার জন্য এই আইনে মামলা হবে। পাশাপাশি জামিনের আবেদনও জানানো হয়।

    শতদ্রুর প্রশ্ন

    এদিন শতদ্রু নিজে পুলিশি হেফাজতের বিরুদ্ধে প্রশ্ন (Messi Goat Tour) তুলে বলেন, “স্টেডিয়ামে যা ঘটেছে, তার জন্য আমার বিরুদ্ধে মামলা কেন? ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতেরই বা প্রয়োজন কেন?” সরকারি আইনজীবী বলেন, “মেসির সামনে কে যাবেন, আর কে যাবেন না, তার সম্পূর্ণ দায়িত্ব আয়োজকের। আয়োজক নিজের লোকজনকে নিয়ে এমনভাবে মেসিকে ঘিরে রেখেছিলেন, যাতে সাধারণ দর্শকরা তাঁকে ঠিকভাবে দেখতে পাননি।” জনসমাগম ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে আয়োজকের দায়িত্ব অবহেলা করা হয়েছে, এই মর্মে সবপক্ষের সওয়াল শোনার পর আদালত শতদ্রুকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠায়।

    এদিকে, যুবভারতীর ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে গঠিত তিন সদস্যের কমিটি তাদের কাজ শুরু করে দিল। রবিবার কমিটির সদস্যরা যুবভারতীতে (Messi Goat Tour) পৌঁছে প্রথমেই মাঠ পরিদর্শন করেন। প্রসঙ্গত, কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অসীম কুমার রায়ের সঙ্গে কমিটির বাকি দুই সদস্য মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ এবং স্বরাষ্ট্রসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী মেসির প্রবেশপথের করিডর, নিরাপত্তা (Satadru Dutta) ব্যবস্থা-সহ বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে খোঁজখবর করেন।

  • Sheikh Mujibur Rahman: বাংলাদেশের জনক মুজিবর রহমানকে বিশ্বাসঘাতক আখ্যা পাক সেনার

    Sheikh Mujibur Rahman: বাংলাদেশের জনক মুজিবর রহমানকে বিশ্বাসঘাতক আখ্যা পাক সেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান নেতৃত্বদানকারী শেখ মুজিবর রহমানকে (Sheikh Mujibur Rahman) বিশ্বাসঘাতক (Traitor) আখ্যা দিল পাক সেনাবাহিনী। মুজিবর বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাবা। গত বছরের ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশান্তরিত হন তিনি। পাক সেনা শেখ মুজিবরকে পাকিস্তানেরই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে তুলনা করেছে। বর্তমানে রাওয়ালপিন্ডি কারাগারে বন্দি রয়েছেন ইমরান। এত সবের পরেও কোনও প্রতিবাদ করেনি বাংলাদেশ। পাক সেনার এই বক্তব্য বিশ্লেষণ করলে এটা স্পষ্ট হয় যে ইসলামাবাদ ও ঢাকার মধ্যে যে সৌহার্দ্য দেখানো হয়, তা আসলে উপরিতলের এবং স্বল্পমেয়াদি। উভয় পক্ষের আধিপত্যবাদী উচ্চাকাঙ্খা পূরণের জন্যই এই সম্পর্ক। যদিও সমস্যার কোনও সমাধান হয়নি ১৯৭১ সালে যুদ্ধের গভীর ক্ষত এখনও দগদগে হয়ে রয়েছে।

    পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে সৌহার্দ্য (Sheikh Mujibur Rahman)

    ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সৌহার্দ্য সত্যিই ভূ-রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছিল। ২০২৪ সালে এক সহিংস ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর ইসলামাবাদ ও ঢাকার ঐতিহাসিক শত্রুতার সম্পর্ক এক ঝটকায় রূপ নেয় বহুল প্রশংসিত কৌশলগত অংশীদারিত্বে। দ্রুত অনুষ্ঠিত হয় দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগ, উচ্চপর্যায়ের এবং সামরিক স্তরের কূটনৈতিক সফর। গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, সামরিক সহযোগিতা ইত্যাদি বিষয়ে একের পর এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় (Sheikh Mujibur Rahman)।

    লোক দেখানো সৌহার্দ্য!

    তবে রাওয়ালপিন্ডি থেকে দেওয়া সাম্প্রতিক এক বিবৃতি দক্ষিণ এশিয়ায় গড়ে ওঠা এই নতুন কূটনৈতিক সম্পর্ককে ঘিরে থাকা উচ্ছ্বাসকে ভেঙে দুরমুশ করে দিয়েছে। এতেই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে লোক দেখানো এই সৌহার্দ্য কি কেবলমাত্র উপরিতলের, আর ভেতরে ভেতরে কি এখনও আগুনের নীচে চাপা পড়ে রয়েছে ছাইয়ের মতো গভীর অবজ্ঞা ও শত্রুতা (Traitor)? যে একই পাক সেনাবাহিনী একদিকে বাংলাদেশের সঙ্গে একের পর এক প্রতিরক্ষা চুক্তি করছে, তেমনি অন্যদিকে সেই সেনাবাহিনীই বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা জনককে হেয় ও অপমান করছে। ফলে ইসলামাবাদ ও ঢাকার মধ্যে গড়ে ওঠা এই ঘনিষ্ঠতার নেপথ্যে প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়েই উঠেছ গুরুতর প্রশ্ন।

    জঙ্গি কার্যকলাপ

    পাকিস্তান কি ভারতবিরোধী অবৈধ জঙ্গি কার্যকলাপ চালানোর জন্য বাংলাদেশকে শুধুই একটি ব্যাকইয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে? বাংলাদেশ কি ধীরে ধীরে ভারতবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য একটি উর্বর ও প্রস্তুত ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে উঠছে? পাকিস্তান কি বাংলাদেশকে কেবলমাত্র ভারত-কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিতেই দেখছে (Sheikh Mujibur Rahman)? শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সাম্প্রতিক মন্তব্য এসব গভীর সন্দেহকে আরও তীব্র করে তুলেছে। প্রসঙ্গত, মুজিবরই সেই মানুষ যিনি বলেছিলেন, “ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়েও বলব আমি বাঙালি, বাংলা আমাদর দেশ, বাংলা আমার ভাষা, বাংলা আমার নিঃশ্বাসে প্রশ্বাসে।” তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হয়ে ওঠার আগেই তিনি এই নামটির সঙ্গে নিজের অস্তিত্ব এক করেছিলেন। তাঁকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস রচিত হতে পারে না। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই অর্থে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ অভিন্ন (Traitor)।

    দেশটাকে বাংলা নামে ডাকেন

    ১৯৫৫ সালের অগাস্ট মাসে করাচিতে পাকিস্তান জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলছিল। দিনটি ছিল ২৫ অগাস্ট। এক পর্যায়ে সংসদে মাইক নিয়ে দাঁড়িয়ে শেখ মুজিবর রহমান তাঁর গমগমে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বরে স্পিকারকে বললেন, স্যার আপনি দেখবেন, ওরা পূর্ববাংলা নামের পরিবর্তে পূর্ব-পাকিস্তান নাম রাখতে চায়। আমরা বহুবার বলেছি, আপনারা এ দেশটাকে বাংলা নামে ডাকেন। বাংলা শব্দটার একটি নিজস্ব ইতিহাস আছে, আছে এর একটা ঐতিহ্য। আপনারা এই নাম পরিবর্তন করতে চাইলে আমাদের জনগণের সঙ্গে আলাপ করতে হবে (Sheikh Mujibur Rahman)।

    বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের

    প্রসঙ্গত, ১৯৪৭ সালের ১৪ অগাস্ট দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে ভাগ হয়েছিল পাকিস্তান। পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত এ দেশের নাম ছিল পূর্ববাংলা। ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের শাসনতন্ত্রে পূর্ব বাংলার নয়া নামকরণ হয় পূর্ব-পাকিস্তান। সুতরাং, এটা পরিষ্কার পূর্ব বাংলাকে পূর্ব-পাকিস্তান করার যে চক্রান্ত চলছিল, বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান জাতীয় সংসদে তার প্রতিবাদ করেছিলেন। তিনি যে এই ভূখণ্ডের নামের ব্যাপারে অত্যন্ত সংবেদনশীল ছিলেন, এটাই তার প্রমাণ (Traitor)। ১৯৬৮ সালের ১৭ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে। তাদের অভিযোগ, শেখ মুজিব পূর্ব-পাকিস্তানকে স্বাধীন করতে চাইছেন। এই মামলা দাঁড় করানোর জন্য যে কাগজপত্র প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, তার মধ্যে ছিল বেনামে লেখা কতগুলো চিঠি ও একটি চিরকুট। তাতে লেখাছিল, বাংলাদেশ (Sheikh Mujibur Rahman)।

  • HECI Bill: ‘বিকশিত ভারত শিক্ষা অধিক্ষণ বিল’  অনুমোদন করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা

    HECI Bill: ‘বিকশিত ভারত শিক্ষা অধিক্ষণ বিল’  অনুমোদন করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘বিকশিত ভারত শিক্ষা অধিক্ষণ বিল’ (HECI Bill) অনুমোদন করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা (Cabinet)। এই ঐতিহাসিক বিলের মাধ্যমে একটি একক উচ্চশিক্ষা নিয়ন্ত্রক সংস্থা গঠিত হবে। এই সংস্থার ছাতার তলায়ই চলে আসবে ইউজিসি, এআইসিটিই এবং এনসিটিই-সহ অন্যান্য উচ্চ শিক্ষা সংস্থাও। তবে এই ছাতার বাইরে থাকবে চিকিৎসা এবং আইন বিদ্যা।

    নাম পরিবর্তন (HECI Bill)

    প্রস্তাবিত এই আইনটি আগে হায়ার এডুকেশন কমিশন অব ইন্ডিয়া (HECI) বিল নামে পরিচিত ছিল। বর্তমানে এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে বিকশিত ভারত শিক্ষা অধিক্ষণ বিল। শুক্রবার অনুমোদিত এই বিলটি জাতীয় শিক্ষানীতির একটি মূল লক্ষ্য পূরণ করেছে। এর মাধ্যমে বর্তমানে একাধিক নিয়ন্ত্রক সংস্থার অধীনে থাকা, পরস্পরের সঙ্গে ওভারল্যাপ করা দায়িত্বযুক্ত একটি খাতকে একীভূত ও সরলীকরণ করা হবে। নয়া ব্যবস্থায় কমিশনটি উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ, স্বীকৃতি দান এবং পেশাগত মান নির্ধারণের দায়িত্ব গ্রহণ করবে। তবে মেডিকেল ও আইন কলেজ এই ব্যবস্থার আওতার বাইরে থাকবে। লক্ষণীয় বিষয় হল, তথাকথিত চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত অর্থায়ন আপাতত নতুন নিয়ন্ত্রক সংস্থার অধীনে আসছে না এবং তা প্রশাসনিক মন্ত্রকের কাছেই থাকবে (HECI Bill)।

    উচ্চশিক্ষা অর্থায়ন কর্তৃপক্ষ

    পরবর্তীকালে সরকার যদি আলাদা কোনও উচ্চশিক্ষা অর্থায়ন কর্তৃপক্ষ গঠন না করে—যেমনটি একসময় জাতীয় শিক্ষানীতির খসড়ায় প্রস্তাব করা হয়েছিল, তাহলে বর্তমান ব্যবস্থাই বহাল থাকবে। সেই অনুযায়ী শিক্ষামন্ত্রকের অধীনে থাকা উচ্চশিক্ষা দফতরই অর্থায়নের দায়িত্ব পালন করবে। দশকের পর দশক ধরে ভারতের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে বিভক্ত ছিল। এর মধ্যে ইউজিসি অ-কারিগরি উচ্চশিক্ষা নিয়ন্ত্রণ করে, এআইসিটিই কারিগরি শিক্ষার তত্ত্বাবধান করে এবং এনসিটিই শিক্ষক শিক্ষার দায়িত্বে রয়েছে।

    জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে বলে অভিহিত করেছিল এবং পৃথক দায়িত্ব পালনের জন্য স্বতন্ত্র ও ক্ষমতাবান সংস্থার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছিল (HECI Bill)।

    প্রসঙ্গত, একটি একক নিয়ন্ত্রক সংস্থা গঠনের উদ্যোগ শুরু হয় ২০১৮ সালে প্রকাশিত খসড়া এইচইসিআই বিলের মাধ্যমে। তবে ২০২১ সালে ধর্মেন্দ্র প্রধান শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রক্রিয়া নতুন করে গতি পায় (Cabinet)। এখন মন্ত্রিসভার অনুমোদন পাওয়ায়, ‘বিকশিত ভারত শিক্ষা অধীক্ষণ কমিশন’ ভারতের উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ পুনর্গঠনের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল বলেই মত বিশেষজ্ঞদের (HECI Bill)।

  • ISRO Data Centre: এবার মহাকাশে ডেটা সেন্টার স্থাপনের ভাবনা ইসরোর! কীভাবে হবে অসাধ্যসাধন?

    ISRO Data Centre: এবার মহাকাশে ডেটা সেন্টার স্থাপনের ভাবনা ইসরোর! কীভাবে হবে অসাধ্যসাধন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশে ডেটা সেন্টার স্থাপনের চেষ্টা চালাচ্ছে ইসরো। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা এ নিয়ে সম্ভাব্য পরীক্ষাও করছে। এ বিষয়ে একটি অভ্যন্তরীণ প্রাথমিক সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। রাজ্যসভায় এই তথ্য জানাল ডিপার্টমেন্ট অফ স্পেস বা মহাকাশ-বিষয়ক দফতর। বিজেপি সাংসদ কার্তিকেয় শর্মার প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অধীনস্থ মহাকাশ-বিষয়ক দফতর জানায়, ইসরো বিভিন্ন নেক্সট-জেনারেশন স্যাটেলাইট প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে, যার মধ্যে অন-বোর্ড ডেটা প্রসেসিং ও ডেটা স্টোরেজ অন্যতম।

    মহাকাশে প্রকৃত ডেটা সেন্টার স্থাপন

    সংসদীয় সূত্রে খবর, শর্মা জানতে চেয়েছিলেন, স্যাটেলাইট ও যোগাযোগ-সংক্রান্ত ডেটা প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণের জন্য ইসরো কি মহাকাশে প্রকৃত ডেটা সেন্টার স্থাপনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে। জবাবে মহাকাশ-বিষয়ক দফতরের তরফে জানানো হয়, অন-বোর্ড ডেটা প্রসেসিং ও স্টোরেজ বিষয়ে ইসরো প্রাথমিক মূল্যায়ন করেছে এবং এতে দেখা গিয়েছে যে স্পেস-এজ কম্পিউটিং অবকাঠামোর একটি প্রুফ অব কনসেপ্ট তৈরি করা সম্ভব। ডিপার্টমেন্ট অফ স্পেস, যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অধীনস্থ, আরও জানিয়েছে যে এই ধরনের একটি ব্যবস্থা ভাবনা-চিন্তার পর্যায়ে রয়েছে। তবে এটি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ের সমীক্ষা মাত্র। পূর্ণাঙ্গ স্পেস-এজ কম্পিউটিং ব্যবস্থার জন্য বেশ কয়েকটি নতুন প্রযুক্তির উন্নতি প্রয়োজন। এর মধ্যে রয়েছে— কক্ষপথে শক্তি উৎপাদন, রেডিয়েশন-প্রতিরোধী জিপিইউ/সিপিইউ, স্যাটেলাইটের সুরক্ষা শিল্ড, ইত্যাদি। ইসরোর মহাকাশে কোনও ডেটা সেন্টার নেই। ইসরো পৃথিবীতেই ডেটা সেন্টার পরিচালনা করে, যেমন বেঙ্গালুরুতে অবস্থিত ইন্ডিয়ান স্পেস সায়েন্স ডেটা সেন্টার (ISSDC), যা মহাকাশ থেকে আসা ডেটা সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণের প্রধান কেন্দ্র। মহাকাশে ডেটা সেন্টার স্থাপনের ধারণাটি নতুন এবং বেসরকারি কোম্পানিগুলো বর্তমানে এই বিষয়ে কাজ করছে, কিন্তু ইসরোর প্রধান ডেটা সেন্টারগুলো পৃথিবীতেই অবস্থিত। তবে, এবার ইসরোও মহাকাশে ডেটা সেন্টার স্থাপনের জন্য ভাবনা চিন্তা করছে।

    কীভাবে কাজ করবে এই ডেটা সেন্টার

    প্রসঙ্গত, পৃথিবীর ডেটা সেন্টারগুলো বিপুল পরিমাণ শক্তি ব্যবহার করে। ফলে মহাকাশে ডেটা সেন্টার স্থাপনে অত্যন্ত শক্তি-দক্ষ যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হবে, যা সৌরশক্তি ও ব্যাটারিতে চলতে সক্ষম। পাশাপাশি মহাকাশের তীব্র রেডিয়েশন থেকে ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতিকে সুরক্ষিত রাখার ব্যবস্থাও জরুরি—যা পৃথিবীতে বায়ুমণ্ডল স্বাভাবিকভাবেই করে থাকে। মন্ত্রকের মতে, অন-বোর্ড ডেটা প্রসেসিং সক্ষম স্যাটেলাইট কেবল প্রয়োজনীয় তথ্যই গ্রাউন্ড স্টেশনগুলোতে পাঠাবে, ফলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও কৌশলগত প্রয়োজনে ডেটা পৌঁছতে দেরি হবে না। অর্থাৎ তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি স্যাটেলাইট নিজেই সেই তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে দ্রুত ফল দিতে পারবে। এছাড়া, অন-বোর্ড প্রসেসিং ব্যবস্থায় যোগাযোগ স্যাটেলাইটকে কক্ষপথেই পুনর্গঠনের (reconfiguration) সুবিধা দেয়, ফলে ব্যবহারে আরও বেশি নমনীয়তা আসে। এজ কম্পিউটিং বলতে বোঝায় এমন এক বিতরণ-ভিত্তিক কম্পিউটিং পদ্ধতি যেখানে ডেটা প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণ ডেটার উৎসের কাছাকাছি করা হয়, কেন্দ্রীয় ক্লাউড বা ডেটা সেন্টারে পাঠানো হয় না। ইসরো যা পরীক্ষা করছে তা হলো স্যাটেলাইট এজ কম্পিউটিং বা স্পেস এজ কম্পিউটিং, যেখানে ডেটা প্রক্রিয়াকরণ সরাসরি মহাকাশেই করা হবে।

  • Daily Horoscope 14 December 2025: ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 14 December 2025: ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) উচ্চপদ লাভ করতে পারেন।

    ২) কিছু কাজ সম্পন্ন না-হওয়ায় মেজাজ খিটখিটে হবে, সতর্ক থাকুন।

    ৩) মায়ের তরফে ধন লাভ হতে পারে।

    বৃষ

    ১) পরিবারে সুখ-শান্তির পরিবেশ থাকবে।

    ২) পরিবারে শুভ অনুষ্ঠান আয়োজিত হতে পারে।

    ৩) বয়স্ক ব্যক্তির কাছ থেকে ধন লাভ।

    মিথুন

    ১) নিজের সন্তানের কাজ দেখে আনন্দিত হবেন।

    ২) আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    ৩) চাকরি ও ব্যবসায়ে অংশীদার এবং সহকর্মীদের পূর্ণ সহযোগিতা লাভ করবেন।

    কর্কট

    ১) সন্তান সুখ বৃদ্ধি পাবে।

    ২) আত্মীয়দের কাছ থেকে বস্ত্র উপহার পেতে পারেন।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্যে মনের হতাশা সমাপ্ত হবে।

    সিংহ

    ১) স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে হবে।

    ২) পেট খারাপ হতে পারে, বদহজমের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) খাওয়া-দাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ রাখুন।

    কন্যা

    ১) কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হবে।

    ২) আপনাদের সমস্ত কাজ সম্পন্ন হবে।

    ৩) আয় বৃদ্ধি হওয়ায় আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    তুলা

    ১) কঠিন পরিস্থিতির শিকার হবেন।

    ২) আপনার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনও কাজ হতে পারে, এর ফলে মন অশান্ত হবে।

    ৩) পরিবারে সমস্ত কিছু ভালো থাকবে, আপনাদের মনোবল বাড়বে।

    বৃশ্চিক

    ১) আপনজনদের সহযোগিতা লাভ করবেন।

    ২) বড় কাজ সম্পন্ন হওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।

    ৩) কোনও অভিজ্ঞ ব্যক্তির সাহায্যে আটকে থাকা টাকা ফিরে পেতে পারেন।

    ধনু

    ১) কর্মক্ষেত্রে কঠিন পরিশ্রম করতে হবে, তখনই সাফল্য লাভ সম্ভব।

    ২) বাণী নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    ৩) সম্পত্তির কারণে বিবাদ হতে পারে।

    মকর

    ১) অর্থ ও যশ বৃদ্ধি পাবে।

    ২) কাজ বাড়বে।

    ৩) শত্রু ধ্বংস হবে।

    কুম্ভ

    ১) সতর্ক থাকলে কাজ সম্পন্ন হবে।

    ২) স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মতভেদ উৎপন্ন হতে পারে।

    ৩) ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।

    মীন

    ১) বাড়িতে কোনও বন্ধু বা আত্মীয়ের আগমন হতে পারে।

    ২) সম্পত্তির মাধ্যমে আয়ের নতুন উৎস আসবে।

    ৩) রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের দিনটি ভালো।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Pakistan: এবার পাকিস্তানেও পড়ানো হবে সংস্কৃত, জানুন আসল কারণ

    Pakistan: এবার পাকিস্তানেও পড়ানো হবে সংস্কৃত, জানুন আসল কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশভাগের পর থেকে পাকিস্তানে (Pakistan) ব্রাত্যই ছিল সংস্কৃত। তবে ভারতীয় এই ভাষাটির গুরুত্ব বুঝতে পাকিস্তানের সময় লাগল প্রায় ৭৭ বছর। যদিও শেষমেশ সংস্কৃতের (Sanskrit Education) গুরুত্ব উপলব্ধি করেছে ভারতের এই প্রতিবেশী দেশটি। দেশভাগের পর এই প্রথম লাহোর ইউনিভার্সিটি অফ ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেসে পড়ানো হবে সংস্কৃত। শুধু তাই নয়, শীঘ্রই গীতা ও মহাভারত নিয়ে পড়াশোনার সুযোগও মিলতে পারে সেখানে। সূত্রের খবর, পড়ুয়া এবং শিক্ষাবিদদের সুপারিশেই সংস্কৃত, গীতা এবং মহাভারতকে পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনাও চলছে। লাহোর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমে তিন মাসের কোর্স হিসেবেই চালু করা হয়েছিল সংস্কৃত শিক্ষা। ক্লাস হত সপ্তাহান্তে। সংস্কৃত ব্যাকরণ থেকে পৌরাণিক রীতি-নীতি সম্পর্কে পড়ানো হত। এতে পড়ুয়া এবং শিক্ষকরা এতই উৎসাহিত হয়ে পড়েন যে, পুরোদমে ফোর ক্রেডিট কোর্স চালু করছে লাহোর বিশ্ববিদ্যালয়।

    পরিস্থিতি পালটাতে পারে (Pakistan)

    এই কোর্সের মাধ্যমে পড়ুয়ারা ‘হ্যায় কথা সংগ্রাম কি’ গানের উর্দু সংস্করণও শিখতে পারবেন। এটি জনপ্রিয় টিভি সিরিয়াল মহাভারতের থিম সং হিসেবে বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল। গুরমানি সেন্টারের ডিরেক্টর আলি উসমান কাসমি বলেন, “১৯৩০ সাল নাগাদ গবেষক জেসিআর উলনার তালপাতায় লেখা বেশ কিছু পাণ্ডুলিপি সংগ্রহে রেখেছিলেন। ১৯৪৭ সাল থেকে কোনও পাকিস্তানি শিক্ষাবিদ সেই সব বিষয় নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করেননি। শুধু বিদেশি গবেষকরাই সেগুলি নেড়েচেড়ে দেখেন (Sanskrit Education)। এবার পরিস্থিতি পাল্টাতে পারে।”

    মহাভারত ও গীতার কোর্স

    লাহোর বিশ্ববিদ্যালয় মহাভারত ও গীতার কোর্সও চালু করতে চলেছে। কাসমি বলেন, “আগামী ১০-১৫ বছরে পাকিস্তান থেকে গীতা ও মহাভারত বিষয়ক পণ্ডিত উঠে আসবেন (Pakistan)।” ফোরম্যান ক্রিশ্চিয়ান কলেজের সোশিওলজি বিভাগের অধ্যাপক শাহিদ রাশিদ বলেন, “ধ্রুপদী ভাষাগুলির মধ্যে মানবজাতির জন্য প্রচুর জ্ঞান নিহিত রয়েছে। আমি আরবি ও ফারসি ভাষা দিয়ে শুরু করেছিলাম, পরে সংস্কৃতও শিখেছি।” তিনি বলেন, “গোটা অঞ্চলকে বেঁধে রাখে সংস্কৃত ভাষা। সংস্কৃত ব্যাকরণের জনক পাণিনি এখানকার গ্রামের বাসিন্দা। সিন্ধু সভ্যতার যুগে অধিকাংশ লেখালেখি তিনি করেছেন এখানেই। সংস্কৃত পর্বতের মতো, সাংস্কৃতিক সৌধ। আমাদের নিজেদের অধিকার বুঝতে হবে। সংস্কৃত কোনও বিশেষ ধর্মের সঙ্গে যুক্ত নয়।”

    নতুন যুগের সূচনা

    তিনি বলেন, “ভেবে দেখুন (Sanskrit Education), ভারতের হিন্দু এবং শিখরা যদিও আরও বেশি করে আরবি শেখেন এবং পাকিস্তানের মুসলমানরা যদি সংস্কৃত শেখেন, তাহলে দক্ষিণ এশিয়ার জন্য তা হতে পারে একটি নতুন যুগের সূচনা। ভাষা তখন প্রতিবন্ধক না হয়ে, হয়ে উঠতে পারে সেতু।” তিনি জানান, ২০২৭ সালের বসন্ত আসতে আসতে বছরভরের কোর্স চালু করতে তাঁরা সফল হবেন বলে আশাবাদী। লাহোর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিমধ্যেই শেখানো হয় সিন্ধি, পাশতু, পঞ্জাবি, বালুচি, আরবি এবং ফারসি। কিন্তু আঞ্চলিক সাহিত্যই হোক বা কবিতা, শিল্পই হোক বা দর্শন, বৈদিক যুগের সঙ্গে সংযোগ রয়েছে সব (Sanskrit Education) কিছুর। তাই জরুরি হয়ে উঠেছে সংস্কৃত শিক্ষা (Pakistan)।

  • Kerala Local Body Polls: ভেঙে পড়ল চার দশকের বামদূর্গ! তিরুঅনন্তপুরমে বিপুল জয় বিজেপির, ধন্যবাদ মোদির

    Kerala Local Body Polls: ভেঙে পড়ল চার দশকের বামদূর্গ! তিরুঅনন্তপুরমে বিপুল জয় বিজেপির, ধন্যবাদ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণে জয়-পতাকা উড়ল বিজেপির। কেরলের স্থানীয় নির্বাচনে (Kerala Local Body Polls) তিরুঅনন্তপুরমে ঐতিহাসিক জয় পেল এনডিএ। পাঁচ দশকের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে ওই পুরনিগমে ক্ষমতা দখল করল বিজেপি। তিরুঅনন্তপুরম কর্পোরেশনের মোট ১০১টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৫১টি ওয়ার্ড গিয়েছে এনডিএ জোটের থলিতে। বামফ্রন্ট এগিয়ে রয়েছে ২৯টি ওয়ার্ডে। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ-এর থলিতে গিয়েছে ১৯টি ওয়ার্ড। দু’টি ওয়ার্ডে জিতেছে দু’জন নির্দলীয় প্রার্থী। বাকি একটি ওয়ার্ডে নির্বাচন হয়নি।

    দলের জয়ে শুভেচ্ছা মোদির

    কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরের কেন্দ্র, কেরলের রাজধানী তিরুঅনন্তপুরমের পুরসভায় কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ এবং সিপিএম নিয়ন্ত্রিত এলডিএফ জোটকে পিছনে ফেলে জয় ছিনিয়ে নিল বিজেপি। এই জয়ের জন্য ইতিমধ্যে তিরুঅনন্তপুরমের বাসিন্দাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এই আঞ্চলিক নির্বাচনে দিবারাত্রি পরিশ্রম করা কার্যকর্তাদেরও। আমি এটাও নিশ্চিত ওই রাজ্যের উন্নয়ন ও বিকাশ নিয়ে মানুষের মনে যে চাহিদা তৈরি হয়েছে, তা আমাদের দলই পূরণ করতে পারবে।’কার্যকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা এতদিন যে পরিশ্রম করলেন, আজ সেগুলির স্মৃতিচারণের দিন। আমি প্রতিটি বিজেপি কার্যকর্তাকে শুভেচ্ছা জানাই। এই সাফল্য সেই পরিশ্রমেরই ফলাফল।’

    বামেদের দুর্গে ফাটল ধরাল বিজেপি

    এর আগে কেরলের ত্রিশূরের লোকসভা নির্বাচনে জিতেছে বিজেপি। তিরুঅনন্তপুরমে লোকসভায় আগের বার দ্বিতীয় স্থানে উঠেছিল গেরুয়া শিবির। এবার পুরনিগম দখল। গেরুয়া শিবির স্বপ্ন দেখছে এবার হয়তো তাদের জন্য কেরল এবং দক্ষিণের রাস্তা খুলবে। তিরুঅনন্তপুরম পুরসভায় বামেদেরই ছিল একচ্ছত্র আধিপত্য। বিরোধী হিসাবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করত কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ। তবে এ বারের নির্বাচন ছিল ত্রিমুখী। ইউডিএফ, এলডিএফ আর বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। শনিবার সকালে ভোট গণনা শুরুর পরে প্রাথমিক ট্রেন্ডে এগিয়ে গিয়েছিল বিজেপি। বেলা গড়াতেই দেওয়াল লিখন স্পষ্ট হয়ে যায়। ১০১ আসনের তিরুঅনন্তপুরম পুরসভার ৫১টিতে জয় হাসিল করে নেয় এনডিএ। একই সঙ্গে টানা ৪৫ বছর পরে লেফট ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট জমানার অবসান ঘটল। ক্ষমতাসীন এলডিএফ জিতেছে মাত্র ২৯টি আসনে। পাশাপাশি এলডিএফের হাত থেকে ত্রিপুনিথুরা পুরসভাও ছিনিয়ে নিয়েছে বিজেপি জোট।

LinkedIn
Share