Tag: Madhyom

Madhyom

  • Pakistan: দেড় লক্ষ সরকারি কর্মীর চাকরি গেল, বন্ধ ছয় মন্ত্রক! ফের ঋণ চাইল ‘ভিখারি’ পাকিস্তান

    Pakistan: দেড় লক্ষ সরকারি কর্মীর চাকরি গেল, বন্ধ ছয় মন্ত্রক! ফের ঋণ চাইল ‘ভিখারি’ পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ দেউলিয়া হওয়ার মুখে দাঁড়িয়ে থাকলেও তা মানতে রাজি নয় ইসলামাবাদ। গত বছর প্রায় দেউলিয়া অবস্থায় পৌঁছে গিয়েছিল পাকিস্তান (Pakistran)। অর্থনীতি বাঁচাতে আইএমএফের কাছে হাত পাতে ইসলামাবাদ। আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডার থেকে ওই সময় ৩০০ কোটি ডলার ঋণ পেয়েছিল পশ্চিমের এই প্রতিবেশী দেশ। বছর ঘুরতে না ঘুরতে অর্থনীতির কঙ্কালসার চেহেরা ফের প্রকাশ্যে। অর্থনীতি বাঁচাতে আইএমএফের কাছে ফের হাত পাতে শাহবাজ শরিফ সরকার। আর্থিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই ঋণ না পেলে নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করা ছাড়া পাকিস্তানের কাছে আর কোনও দ্বিতীয় রাস্তা খোলা ছিল না।

    দেড় লক্ষ সরকারি কর্মচারীর চাকরি বাতিল (Pakistran)

    দেড় লক্ষ সরকারি কর্মচারীর চাকরি বাতিলের পাশাপাশি ছ’টি মন্ত্রক পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসলামাবাদ (Pakistran)। ২৯ সেপ্টেম্বর যা ঘোষণা করেন পাক অর্থমন্ত্রী মহম্মদ অওরঙ্গজেব। যে মন্ত্রকগুলি বন্ধ হচ্ছে সেখানকার সিংহভাগ কর্মীকেই ছাঁটাইয়ের তালিকায় রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এ ছাড়া খরচ কমাতে দু’টি মন্ত্রক মিলিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছে পাক সরকার। ফলে সেখানকার কর্মীদের কাজ হারানোর আশঙ্কা রয়েছে। যদিও এই নিয়ে স্পষ্ট ভাবে কিছু জানায়নি ইসলামাবাদ। সূত্রের খবর, এখনই ওই দুই মন্ত্রকের কর্মচারীদের ছাঁটাই করবে না শরিফ সরকার। আগামী এক-দেড় মাসের মধ্যে সেই প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। পশ্চিমের প্রতিবেশী দেশটিতে গণবিক্ষোভের জন্ম দিতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞেরা।

    আরও পড়ুন: শিশুকন্যাকে ধর্ষণ-খুনে ৬ বছর পর মিলল বিচার, তান্ত্রিকের মৃত্যুদণ্ড দিল আদালত

    ফের ৭০০ কোটি ডলার ঋণ

    চরম আর্থিক সঙ্কট থেকে বেরিয়ে আসতে আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডার বা ইন্টারন্যাশনাল মানিটারি ফান্ড (আইএমএফ) থেকে ঋণ নিতে চলেছে ইসলামাবাদ। সেই টাকা দেওয়ার শর্ত হিসেবে পাকিস্তানকে (Pakistran) বেশ কিছু কড়া সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়েছে। যে কারণে মন্ত্রক তুলে দিয়ে কর্মচারীদের ছাঁটাই করতে হয়েছে বলে জানিয়েছে শরিফ সরকার। আইএমএফের থেকে ৭০০ কোটি ডলার ঋণ বাবদ পেতে চলেছে পাকিস্তান। চলতি বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর যার অনুমোদন দিয়েছে এই আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থা। ঋণ পেতে পাক সরকারকে খরচ কমাতে বলেছিল আইএমএফ। পাশাপাশি, কর-জিডিপির অনুপাত বৃদ্ধি, কৃষি ও রিয়েল এস্টেটের মতো অপ্রচলিত খাতে কর বসানো এবং ভর্তুকি কমিয়ে দেওয়ার মতো শর্তও মানতে হচ্ছে ইসলামাবাদকে।

    কী বললেন পাক অর্থমন্ত্রী?

    এ প্রসঙ্গে পাক অর্থমন্ত্রী বলেছেন, “আইএমএফের সঙ্গে একটি ত্রাণ প্যাকেজ চূড়ান্ত করা হয়েছে, যা পাকিস্তানের জন্য শেষ প্যাকেজ হবে। আমরা আমাদের অর্থনীতির উন্নতির জন্য আইএমএফের সব দাবি মেনে নিয়েছি।” পাকিস্তান জি-২০ ভুক্ত দেশগুলির সংগঠনে যোগ দিতে চাইছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তবে তার জন্য দেশের অর্থনীতিকে অনেক বেশি সমৃদ্ধিশালী করার কথা বলেছেন অওরঙ্গজেব। অর্থমন্ত্রী অওরঙ্গজেব আরও জানিয়েছেন, “অর্থনীতি সঠিক পথে চলছে। দেশের বিদেশি মুদ্রার ভান্ডার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।” পাকিস্তানের জাতীয় রফতানি বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

    গাড়ি-সম্পত্তি কেনায় নিষেধাজ্ঞা জারি

    দেশের (Pakistran) করদাতাদের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন পাক অর্থমন্ত্রী। অওরঙ্গজেব জানিয়েছেন, “গত বছরের (২০২৩) নতুন করদাতার সংখ্যা ছিল আনুমানিক তিন লক্ষ। এ বছর এখনও পর্যন্ত নতুন করদাতা হিসেবে নাম নথিভুক্ত করেছেন ৭ লক্ষ ৩২ হাজার জন। অর্থাৎ দেশে করদাতার সংখ্যা এক লাফে দ্বিগুণ হয়েছে।”যাঁরা করদাতা নন, তাঁদের সম্পত্তির ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম চালু হতে চলেছে বলে জানিয়েছে পাক অর্থমন্ত্রী। এই ধরনের বাসিন্দারা আর সম্পত্তি বা গাড়ি কিনতে পারবেন না বলেও জানিয়েছেন তিনি। পাকিস্তান বার বার আইএমএফের থেকে টাকা পাওয়ায় সিঁদুরে মেঘ দেখছে নয়াদিল্লি। কারণ ইসলামাবাদের সিন্দুকে টাকা এলেই তা যে সন্ত্রাসবাদের পিছনে খরচ হয়, তা কারও অজানা নয়। সে ক্ষেত্রে এ দেশে জঙ্গি হামলার মাত্রা বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘স্বচ্ছতা হি সেবা’ প্রচারের সূচনা, “স্বচ্ছ ভারত মিশন সব চেয়ে বড় আন্দোলন”, বললেন মোদি

    PM Modi: ‘স্বচ্ছতা হি সেবা’ প্রচারের সূচনা, “স্বচ্ছ ভারত মিশন সব চেয়ে বড় আন্দোলন”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘স্বচ্ছতা হি সেবা’ (Swachhata Campaign) প্রচারের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এবার এই সেবার ১০ বছর পূর্তি। তিনি বলেন, “স্বচ্ছ ভারত মিশন এই শতাব্দীর সব চেয়ে বড় ও সব চেয়ে বেশি সফল আন্দোলন। এই আন্দোলন লোকে দীর্ঘ দিন মনে রাখবে।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    তিনি বলেন, “স্বচ্ছ ভারত মিশন জনগণের অংশগ্রহণ ও পাবলিক লিডারশিপের প্রদর্শনের মাধ্যমে জণগণের শক্তিকে প্রতিফলিত করেছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বচ্ছ ভারত মিশন কোটি কোটি ভারতবাসীর নিঃস্বার্থ দায়বদ্ধতার প্রতীক। কোটি কোটি ভারতবাসী এই মিশন গ্রহণ করেছেন। এটিকে তাঁরা তাঁদের দৈনন্দিন জীবনের অঙ্গ করে ফেলেছেন।” তিনি বলেন, “স্বচ্ছ ভারত অভিযান আগামী হাজার বছর পরেও স্বীকৃত হবে। যখন ইতিহাসবিদরা ২১ শতাব্দীর ভারতকে পর্যবেক্ষণ করবেন। স্বচ্ছ ভারত মিশন যত সফল হবে, ততই আমাদের দেশ উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।”

    সব চেয়ে সফল জন আন্দোলন

    বুধবার বিজ্ঞান ভবনে এক অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “হাজার বছর পরে যখন ২১ শতাব্দীর ভারতের ওপর গবেষণা করা হবে, তখন স্বচ্ছ ভারত অভিযান স্মরণ করা হবে।” এর পরেই তিনি বলেন, “এই শতাব্দীতে স্বচ্ছ ভারত বিশ্বের সব চেয়ে বড় এবং সব চেয়ে সফল জন আন্দোলন, যা মানুষের দ্বারা পরিচালিত ও মানুষের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে রণদামামা! ইজরায়েলে হামলা ইরানের, “মাশুল গুণতে হবে”, বলছেন নেতানিয়াহু

    ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হন নরেন্দ্র মোদি। ওই বছরেরই ২ অক্টোবর স্বচ্ছতা অভিযান শুরু করেন তিনি। এই অভিযান হল দেশব্যাপী একটি প্রচার, যার মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধির প্রচার ও উন্মুক্ত স্থানে শৌচকর্ম নির্মূল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই মিশনটি জনগণের শক্তিশালী উদ্দীপনা প্রতিফলিত করেছে। কারণ তারা স্বচ্ছ ভারত মিশনে যোগ দিয়েছে। স্বচ্ছ ভারত মিশন যত সফল হবে, আমাদের দেশ তত উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এতে অংশগ্রহণ করেছে।” তিনি বলেন, “আমি জানতে পেরেছি যে সেবা পক্ষদার ১৫ দিনের মধ্যে স্বচ্ছ ভারত মিশন সম্পর্কিত ২৭ লাখেরও বেশি ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেখানে ২৮ কোটিরও বেশি মানুষ অংশ নিয়েছে।” তিনি বলেন, “ক্রমাগত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা আমাদের ভারতকে পরিষ্কার (Swachhata Campaign) করার কাজ করতে পারি (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Arambagh: শিশুকন্যাকে ধর্ষণ-খুনে ৬ বছর পর মিলল বিচার, তান্ত্রিকের মৃত্যুদণ্ড দিল আদালত

    Arambagh: শিশুকন্যাকে ধর্ষণ-খুনে ৬ বছর পর মিলল বিচার, তান্ত্রিকের মৃত্যুদণ্ড দিল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে চিকিৎসক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। এই ঘটনা নিয়ে দেশজুড়ে আন্দোলন হয়েছে। এখনও জুনিয়র ডাক্তাররা বিচারের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এই আবহের মধ্যে এবার চার বছরের শিশুকন্যাকে খুন করে ধর্ষণ করার ঘটনায় ঐতিহাসিক রায় দিল আরামবাগ আদালত। ঘটনায় অভিযুক্ত তান্ত্রিকের স্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ড দিল আরামবাগ (Arambagh) আদালত। পাশাপাশি খুনের ঘটনায় সহযোগিতা করার অভিযোগে শিশুকন্যার দিদিমা সুশীলা মাঝিকে আজীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিলেন বিচারক কিষেণ কুমার আগরওয়াল। অপরদিকে, অভিযুক্ত তান্ত্রিকের জেল হেফাজতে থাকাকালীন মৃত্যু হয়েছে। আদালতে এই রায়দান নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (Arambagh)

    তন্ত্রসাধনার বলি হয়েছিল এক শিশুকন্যা। ঘটনাটি ২০১৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারির। খানাকুলের (Arambagh) বাসিন্দা ওই শিশুকন্যার বাবা তাঁর চার বছরের মেয়ের নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ দায়ের করেন খানাকুল থানায়। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। নিখোঁজ শিশুকন্যার খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালায় পুলিশ। অবশেষে খানাকুলেই প্রতিবেশী এক ব্যক্তির বাড়ির শৌচালয়ের চেম্বারের মধ্যে থেকে মুখে গামছা বাঁধা অবস্থায় ওই শিশুকন্যাকে উদ্ধার করা হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, মৃত শিশুকন্যার দিদিমা স্থানীয় ওই তান্ত্রিকের তন্ত্রসাধনার জন্য তাঁর নিজের নাতনিকে দিয়ে দেন। জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে, ওই তান্ত্রিক ও তাঁর স্ত্রী প্রথমে ওই শিশুকন্যাকে ধর্ষণ করে। পরে, তার মৃতদেহ স্থানীয় এক ব্যক্তির বাড়ির শৌচালয়ের চেম্বারের মধ্যে ফেলে দেয়। শিশুকন্যাকে খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ঘটনার পরেই অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারপর থেকে টানা প্রায় ছ’বছর ধরে এই ঘটনার বিচার-প্রক্রিয়া চলে। এই ঘটনায় একাধিক সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। এদিন এই অভিযোগের রায়দান করেন বিচারক। ইতিমধ্যেই শুনানি চলাকালীন জেল হেফাজতেই শারীরিক অসুস্থতার জেরে মৃত্যু হয় অভিযুক্ত তান্ত্রিকের।

    আরও পড়ুন: ‘দেবীপক্ষ চলে এল, অসুর নিধন হবেই’, আরজি কর-কাণ্ডে বললেন নির্যাতিতার মা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: আবার অশান্ত বাংলাদেশ! ইউনূসের বাসভবন দখলের চেষ্টা, হাসিনার মতোই কি পরিণতি?

    Bangladesh Crisis: আবার অশান্ত বাংলাদেশ! ইউনূসের বাসভবন দখলের চেষ্টা, হাসিনার মতোই কি পরিণতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্দোলনের রাস্তা থেকে সরল না বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis)। এবার বিক্ষোভের মুখে পড়তে হল মহম্মদ ইউনূসকেও। সরকারি চাকরির বয়সসীমা ৩১ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ করার দাবিতে সোমবার থেকে ফের ঢাকার (Fresh protests in Bangladesh) রাজপথে নতুন করে শুরু হয়েছে আন্দোলন। হাসিনার মতো এবার ইউনূসের বাসভবনের দিকেও ছুটল উন্মত্ত জনতা।

    নতুন করে আন্দোলন

    সম্প্রতি ঢাকার শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে জড়ো হন আন্দোলনকারীরা। সেখান থেকে মিন্টো রোডে অবস্থিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’র দিকে পদযাত্রা করে তারা। এদিকে ইউনূসের বাসভবনের সামনে সভা-সমাবেশে করার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) পুলিশ। কিন্তু সেই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই যমুনা দখল করার চেষ্টা করেন আন্দোলনকারীরা। তবে মিছিল এগোতে থাকলে সেখানে মোতায়েন পুলিশ বিক্ষোভকারীদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশ এবং আন্দোলনকারীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ও রাবার বুলেট ছোড়ে পুলিশ।

    আন্দোলন দমনে সক্রিয় পুলিশ

    গত অগাস্ট মাসে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে পড়েছিলেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়তে হয়েছিল তাঁকে। জুলাই-অগাস্টের সুদীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে এখনও পুরোপুরি মুক্ত হতে পারেনি বাংলাদেশ। এদিকে তার মধ্যেই বিক্ষোভের মুখে পড়তে হল বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) অন্তর্বর্তী সরকারকে। সোমবারই, ঢাকার উপকণ্ঠে অবস্থিত আশুলিয়ায়, বকেয়ার দাবিতে বিক্ষোভ দেখান পোশাক শ্রমিকরা। ওই এলাকায় দোকানপাট ও পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করে তারা। এই হিংসাত্মক আন্দোলন দমন করতে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় পুলিশ। ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয় এবং আরও ৫০ জনের মতো আহত হয়েছেন। 

    আরও পড়ুন: বন্যার জন্য মমতা দায়ী করেছিলেন কেন্দ্রকে, বৈরিতা ভুলে মোদিই রাজ্যকে দিলেন ৪৬৮ কোটি টাকা!

    এরপর সরকারি চাকরিতে বয়সসীমা বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলন। এই নিয়ে বাংলাদেশে (Fresh protests in Bangladesh) এর আগেও বিক্ষোভ-আন্দোলন হয়েছে। তখন ক্ষমতায় ছিল শেখ হাসিনার আওয়ামি লিগ সরকার। সেই সময়, এই ধরনের বেশ কয়েকটি আন্দোলন হয়েছিল। হাসিনা সরকার অবশ্য তাদের দাবি মানেনি। তবে, এখন সরকার পাল্টে গিয়েছে। কিন্তু নতুন অন্তর্বর্তী সরকারও এই দাবি মানবে কি না তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে ঘনাচ্ছে যুদ্ধের মেঘ, উদ্বিগ্ন ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে ঘনাচ্ছে যুদ্ধের মেঘ, উদ্বিগ্ন ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে ক্রমেই ঘনাচ্ছে যুদ্ধের মেঘ। মঙ্গলবারই ইজরায়েলে (Israel Iran War) হামলা চালিয়েছে ইরান। পাল্টা হুমকি দিয়েছে ইজরায়েলও। এহেন আবহে মধ্যপ্রাচ্যের এই দ্বন্দ্ব নিয়ে ভারত যে যারপরনাই উদ্বিগ্ন, তা স্পষ্ট করে দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। ভারত যে এই যুদ্ধে জড়াবে, তাও জানিয়ে দিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী।

    কী বললেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)

    তিনি বলেন, “ভারত আলোচনা ও কূটনীতির মাধ্যমে এই যুদ্ধে জড়াবে।” ইজরায়েলের দাবি, ইরান সব মিলিয়ে ১৮১টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। তার আগেই ইরান-ইজরায়েল সম্ভাব্য যুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন জয়শঙ্কর। বলেন, “জটিল পরিস্থিতিতে কমিউনিকেশনের গুরুত্বকে ছোট করে দেখা উচিত নয়।” তিনি বলেন, “যদি কিছু বলার ও আদান-প্রদান করার থাকে, তবে আমি মনে করি সেগুলোই আমাদের কনট্রিবিউশন হতে পারে এবং আমরা তা করি…।” জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, “আমরা সংঘাতের বিস্তারের সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বিগ্ন। কেবল লেবাননে যা ঘটেছে, তা নয়, বরং হুথিদের সঙ্গে রেড সি পর্যন্ত, এবং ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে যা কিছু ঘটতে পারে, তা-ও।”

    অসামরিক জনগণের ক্ষতি নয়

    তিনি বলেন, “যে কোনও দেশের প্রতিক্রিয়া অবশ্যই হতে হবে আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। অসামরিক জনগণের যাতে ক্ষতি না হয়, সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে।” বিদেশমন্ত্রী বলেন, “৭ অক্টোবরকে আমরা সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে বিবেচনা করি। আমরা বুঝতে পারি যে ইজরায়েলকে প্রতিক্রিয়া জানাতে হয়েছিল। তবে আমরা এটাও বিশ্বাস করি যে, যে কোনও দেশের প্রতিক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের কথা বিবেচনা করতে হবে। অসামরিক জনগণের ক্ষতি বা তাদের ওপর এর প্রভাব সম্পর্কে সতর্ক হতে হবে।

    আরও পড়ুন: মমতা জমানায় নারী নির্যাতনের বধ্যভূমি বাংলা! ‘ব্ল্যাক পেপার’ বই প্রকাশ রাজ্য বিজেপির

    প্রসঙ্গত, ইজরায়েলি সেনার দাবি, ইরান ইজরায়েলে অন্তত ১৮১টি মিসাইল ছুড়েছে। তার বেশিরভাগই প্রতিরোধ করা গিয়েছে। তেল আভিভের (ইজরায়েলের রাজধানী) কিছু এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জখমও হয়েছেন বেশ কিছু মানুষ। এর পরেই ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেন, “বিরাট ভুল করে ফেলেছে (Israel Iran War) ইরান। যথা সময়ে ওরা এর জবাব পেয়ে যাবে (S Jaishankar)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2024: আরও এক বছরের অপেক্ষা, প্রতিমাকে পঞ্চতত্ত্বে বিলীন করতেই দশমীতে বিসর্জন!

    Durga Puja 2024: আরও এক বছরের অপেক্ষা, প্রতিমাকে পঞ্চতত্ত্বে বিলীন করতেই দশমীতে বিসর্জন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দুধর্ম বিশ্বাস অনুসারে, মানুষের দেহ আকাশ, বায়ু, অগ্নি, জল ও মাটি-এই পাঁচ উপাদান দিয়ে তৈরি। একই ভাবে পাঁচ উপাদান দিয়েই তৈরি হয় প্রতিমাও (Durga Puja 2024)। মাটির মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করার পর তাকে প্রতিমা বলে। পুজো শেষে বিদায় বেলায় সেই মূর্তি আবার প্রাণহীন হয়ে পড়ে। আর সেই মূর্তিকে (Bijoya Dashmi) আবার পঞ্চতত্ত্বে বিলীন করতেই বিসর্জনের রেওয়াজ রয়েছে। প্রতিমা পুজোর শেষ ধাপ হল বিসর্জন (Durga Visarjan)। পুজো শেষে প্রতিমাকে জলে বিসর্জন দিয়ে আবার প্রকৃতিতে পুনরায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়। সনাতন ধর্মে শুরু থেকেই গঙ্গাজলে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়ার রীতি প্রচলিত আছে। হিন্দু শাস্ত্রবিদদের মতে, আমাদের হৃদয়ে যে নিরাকার ঈশ্বর রয়েছেন, উপাসনার জন্য মাটির প্রতিমা তৈরি করে তাকে সাকার রূপ দেওয়া হয়। পুজোর (Durga Puja 2024) শেষে পুনরায় সেই সাকার রূপকে বিসর্জন দিয়ে নিরাকার ঈশ্বরকে হৃদয়ে ফিরিয়ে আনা হয়। সেই কারণেই দুর্গাপুজোর সময় প্রতিমা বিসর্জন দিয়ে পরের বছর আবার আসার আমন্ত্রণ জানানো হয়।

    কিছু বনেদি বাড়িতে প্রথা মেনে দেওয়া হয় কনকাঞ্জলি (Durga Puja 2024)        

    ‘দশমী’ কথাটির মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে বিদায় বেলার যন্ত্রণা। আরও এক বছরের অপেক্ষা। দুর্গাপুজোর আনন্দে তাল কাটে এই দশমীতেই। বাঙালিদের কাছে মা দুর্গা ঘরের মেয়ে। আর ঘরের মেয়ে ঘরে ফিরলে যেমন আনন্দ উপচে পড়ে, ঠিক সেভাবেই চলে যাওয়ার সময় মন খারাপের সুর বাজে সানাইয়ে। বিজয়া দশমীতেই (Bijoya Dashmi) ভেজা চোখে হিন্দুরা বিদায় জানায় তার ঘরের মেয়ে উমাকে। ওই দিনই শ্বশুর বাড়ির উদ্দেশে যাত্রা করেন উমা। এই দিন বনেদি বাড়ির পুজোর পাশাপাশি বারোয়ারি পুজোতেও বাড়ির মহিলারা একে একে বরণ করেন প্রতিমাকে। তার পর চলে মহিলাদের সিঁদুর খেলা। কিছু বনেদি বাড়িতে প্রথা মেনে দেওয়া হয় কনকাঞ্জলি। এর পর প্রতিমা নিয়ে যাওয়া হয় গঙ্গার ঘাটে। সেখানে নৌকোতে চেপে বিসর্জন দেওয়া হয়। 

    বিজয়া দশমীর অন্যান্য গুরুত্ব    

    দশমীকে ‘বিজয়া’ বলার পিছনে পৌরাণিক কাহিনি রয়েছে। পুরাণের মহিষাসুর বধ কাহিনিতে বলা হয়েছে, মহিষাসুরের সঙ্গে ৯ দিন ৯ রাত্রি যুদ্ধ করার পর দশম দিনে তাঁর বিরুদ্ধে বিজয় লাভ করেছিলেন দেবী দুর্গা। তাই তাকে ‘বিজয়া’ বলা হয়। এছাড়াও শ্রীশ্রীচণ্ডী কাহিনি অনুসারে, দেবীর আবির্ভাব হয় আশ্বিন মাসের কৃষ্ণা চতুর্দশীতে। পরে শুক্লা দশমীতে মহিষাসুর বধ করেছিলেন তিনি। তাই বিজয়াকে দশমী বলা হয়। উত্তর ও মধ্য ভারতে এই দিনে দশেরা উদযাপিত হয়। তবে তার তাৎপর্য সম্পূর্ণ আলাদা। ‘দশেরা’ শব্দটির উৎপত্তি সংস্কৃত শব্দ ‘দশহর’ থেকে। যার অর্থ দশানন রাবণের মৃত্যু। বাল্মীকি রামায়নে বলা হয়েছে, আশ্বিন মাসের ৩০ তম দিনে অযোধ্যা প্রত্যাবর্তন করেন রাম, সীতা, ও লক্ষণ। রাবণবধ ও রামচন্দ্রের এই প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যেই যথাক্রমে দশেরা (Durga Puja 2024) ও দীপাবলি পালন করা হয়ে থাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2024: “যেও না নবমী নিশি…”, মহানবমীতে হয় দক্ষিণান্ত, কোথাও হয় শত্রু বলিও!

    Durga Puja 2024: “যেও না নবমী নিশি…”, মহানবমীতে হয় দক্ষিণান্ত, কোথাও হয় শত্রু বলিও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহানবমী (Maha Nabami) মানেই মন খারাপের দিন। কারণ এর পরেই মা দুর্গা ফিরে যাবেন কৈলাসে। তাই তো সেই কবেই কবি বলেছিলেন, যেও না নবমী নিশি…। তবে প্রকৃতির নিয়ম মেনেই আসে নবমী তিথি। মহাপুজোর মহানবমী। দিনটির গুরুত্ব কম নয়। নবমীতে হয় দক্ষিণান্ত। দেবীকে (Durga Puja 2024) দিতে হয় কৈলাসে ফেরার পাথেয়।

    মহানবমীর (Durga Puja 2024) আগে হয় সন্ধিপুজো

    মহানবমীর (Durga Puja 2024) আগে হয় সন্ধিপুজো। অষ্টমীর শেষ ২৪ মিনিট ও নবমীর প্রথম ২৪ মিনিট মিলিয়ে মোট ৪৮ মিনিট। এই সময়টা কেবলই মহামায়ার এক রূপ দেবী চামুণ্ডার পুজো হয়। অষ্টমীতে যেহেতু অসুর, সিংহ, বিভিন্ন দেবদেবীর বাহন এবং অস্ত্রশস্ত্রের প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়, সেহেতু নবমীর দিন তাঁদের প্রত্যেকের পুজো করতে হয়। এদিনই যেহেতু মহাপুজো সমাপনের দিন, সেহেতু এই দিনেই সম্পন্ন করতে হয় হোম। শাস্ত্র মতে, হোমের আগুন হল দেবদেবীর জিহ্বা স্বরূপ। তাই হোমাগ্নি প্রজ্জ্বলিত করে দিতে হয় আহুতি। এই আহুতি দেওয়া হয় প্রতিটি দেবদেবীর বীজমন্ত্র সহযোগে। যেহেতু দুর্গাই প্রধান দেবী, তাই এদিন তাঁর উদ্দেশে দিতে হয় একশো আটটি বেলপাতার আহুতি। বাকি দেবদেবীদের (Maha Nabami) উদ্দেশে ৮টি করে বেলপাতা। যজ্ঞ শেষে দেওয়া হয় পূর্ণাহুতি। এতে দেওয়া হয় একটি গোটা নারকেল, সোনার টুকরো এবং ফুলের মালা। যেসব পরিবারে সপ্তমীতে হোম শুরু হয়, তাঁরা হোমাগ্নি জ্বালিয়ে রাখেন নবমী পর্যন্ত। এই নবমীতে তাঁরাও দেন পূর্ণাহুতি।

    নবমীতে আরও একটি প্রথা পালিত হয়, সেটি হল শত্রু বলি

    নবমীতে (Durga Puja 2024) আরও একটি প্রথা পালিত হয় কোনও কোনও পরিবারে। সেটি হল শত্রু বলি। মানকচুর পাতায় চালের পিটুলি দিয়ে তৈরি করা হয় শত্রু। তার গায়ে মাখানো হয় রক্তচন্দন। পরে হাঁড়িকাঠে নিয়ে গিয়ে বলি করা হয় ওই কৃত্রিম শত্রু। অনেক পরিবারে আবার সন্দেশের শত্রু বানিয়ে বলি দেওয়া হয়। যাঁদের পরিবারে পশু বলি দেওয়ার চল রয়েছে, তাঁরা বলি দেন এদিন। অনেক পরিবারে আবার শত্রু নয়, কেবল কুমড়ো, আখ, কলা বলি দেওয়া হয়। নবমীতে দক্ষিণান্ত হয়ে গেলেই পুজো শেষ বলা যায়। কারণ দশমীতে দেবীর (Durga Puja 2024) পুজো হয় নমো নমো করে। তাই সপ্তমী, অষ্টমী এবং নবমীর আগে মহা শব্দটি যোগ করা হলেও, দশমীতে তা হয় না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RRB Recruitment: উচ্চ মাধ্যমিক পাশে কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরি, হাজার হাজার লোক নিচ্ছে রেল

    RRB Recruitment: উচ্চ মাধ্যমিক পাশে কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরি, হাজার হাজার লোক নিচ্ছে রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলের পরিকাঠামো উন্নয়নে জোর দিচ্ছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রক। আর তাই রেলের বিভিন্ন শূন্য পদে হাজার হাজার ছেলেমেয়ে নিয়োগ (RRB Recruitment) হতে চলেছে। জানা গিয়েছে, সব মিলিয়ে প্রায় ১১ হাজার ৫০০ জন নিয়োগ করা হবে। ইতিমধ্যেই নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ভারতীয় রেল (Indian Railway)। গ্র্যাজুয়েট এবং উচ্চ মাধ্যমিক পাশ, দু’ধরনের পদের জন্যই আবেদন নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সিইএন নম্বর ০৫/২০২৪ (CEN No. 05/2024) ও সিইএন নম্বর ০৬/২০২৪ (CEN No. 06/2024), আবেদনের জন্য এই দুই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।

    আবেদনের শেষ তারিখ ২০ অক্টোবর (RRB Recruitment)

    রেলের (RRB Recruitment) সিইএন নম্বর ০৫/২০২৪ (CEN No. 05/2024) বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মোট ৩ হাজার ৪৪৫ শূন্যপদ রয়েছে। কমার্শিয়াল কাম টিকিট ক্লার্ক পদে ২০২২ জন, অ্যাকাউন্ট ক্লার্ক কাম টাইপিস্ট ৩৬১ জন, জুনিয়র ক্লার্ক কাম টাইপিস্ট ৯৯০ জন ও ট্রেন ক্লার্কের পদে ৭২ জনের নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। এই শূন্যপদে আবেদন শুরু হয়ে গিয়েছে, আবেদনের শেষ তারিখ ২০ অক্টোবর। শিক্ষাগত যোগ্যতা: এই পদে আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চ মাধ্যমিক (+২) পাশ বা সমতুল্য ডিগ্রি। বয়সসীমা: এই বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করতে গেলে ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৩৩ বছরের মধ্যে। তবে সংরক্ষিত শ্রেণির ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বয়সসীমা দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘দেবীপক্ষ চলে এল, অসুর নিধন হবেই’, আরজি কর-কাণ্ডে বললেন নির্যাতিতার মা

    নির্বাচন পদ্ধতি কী রয়েছে?

    নির্বাচন পদ্ধতি: প্রথমে দুই ধাপের কম্পিউটার বেসড পরীক্ষা (RRB Recruitment) হবে। তারপর প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে টাইপিং স্কিল টেস্ট হবে। তারপর ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন ও মেডিক্যাল টেস্ট হবে। কম্পিউটার বেসড পরীক্ষার দ্বিতীয় স্টেজে শূন্যপদের প্রায় ১৫ গুণ আবেদনকারী পরীক্ষা দেবে। আবেদন ফি: ছাড় পাওয়া আবেদনকারী ছাড়া বাকিদের ৫০০ টাকা আবেদন ফি দিতে হবে। বিশেষভাবে সক্ষম, মহিলা, রূপান্তরকামী, সেনাবাহিনীর প্রাক্তন সদস্য, তফশিলি জাতি, তফশিলি উপজাতি, সংখ্যালঘু ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া শ্রেণিদের জন্য এই আবেদন ফি ২৫০ টাকা। যদিও পরীক্ষায় উপস্থিত হলে যথাক্রমে ৪০০ ও ২৫০ টাকা ফেরত পাওয়া যাবে।

    আবেদনের শেষ তারিখ ১৩ অক্টোবর

    রেলের (RRB Recruitment) বিজ্ঞপ্তি সিইএন নম্বর ০৬/২০২৪ (CEN No. 06/2024) অনুযায়ী, মোট ৮ হাজার ১ শূন্যপদ রয়েছে। চিফ কমার্শিয়াল কাম টিকিট সুপারভাইজার পদে ১৭৩৬ জন, স্টেশন মাস্টার পদে ৯৯৪ জন, গুডস ট্রেন ম্যানেজার পদে ৩১৪৪ জন, জুনিয়র অ্যাকাউন্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট কাম টাইপিস্ট পদে ১৫০৭ জন, সিনিয়র ক্লার্ক কাম টাইপিস্ট পদে ৭৩২ জনের নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। এই শূন্যপদে আবেদন শুরু হয়ে গিয়েছে, আবেদনের শেষ তারিখ ১৩ অক্টোবর। শিক্ষাগত যোগ্যতা: এই পদে আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা কোনও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েশন বা সমতুল ডিগ্রি। বয়সসীমা: এই বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করতে গেলে ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৩৬ বছরের মধ্যে। তবে সংরক্ষিত শ্রেণির ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বয়সসীমায় ছাড় দেওয়া হয়েছে।

    নির্বাচন পদ্ধতি কী রয়েছে?

    নির্বাচন পদ্ধতি: প্রথমে দুই ধাপের কম্পিউটার পরীক্ষা (RRB Recruitment) হবে। তারপর কম্পিউটার বেসড অ্যাপ্টিটিউড পরীক্ষা বা টাইপিং স্কিল টেস্টের মধ্যে যেটা প্রয়োজনীয় সেই পরীক্ষা হবে। তারপর ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন ও মেডিক্যাল টেস্ট হবে। কম্পিউটার বেসড পরীক্ষার দ্বিতীয় স্টেজে শূন্যপদের প্রায় ১৫ গুন আবেদনকারী পরীক্ষা দেবে। আবেদন ফি: ছাড় পাওয়া আবেদনকারী ছাড়া বাকিদের ৫০০ টাকা আবেদন ফি দিতে হবে। বিশেষভাবে সক্ষম, মহিলা, রূপান্তরকামী, সেনাবাহিনীর প্রাক্তন সদস্য, তফশিলি জাতি, তফশিলি উপজাতি, সংখ্যালঘু ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া শ্রেণিদের জন্য এই আবেদন ফি ২৫০ টাকা। যদিও পরীক্ষায় উপস্থিত হলে যথাক্রমে ৪০০ ও ২৫০ টাকা ফেরত পাওয়া যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahatma Gandhi: “ওঁর জীবন অনুপ্রেরণার”, জাতির জনক গান্ধীর জন্মজয়ন্তীতে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    Mahatma Gandhi: “ওঁর জীবন অনুপ্রেরণার”, জাতির জনক গান্ধীর জন্মজয়ন্তীতে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অহিংসার পথ প্রদর্শক তথা জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর জন্মজয়ন্তীতে তাঁকে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। নয়াদিল্লির রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধীর সমাধিস্থলে গিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন প্রধানমন্ত্রী। গান্ধীর জীবনদর্শন স্মরণ করে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা৷ বাপুকে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়।

    প্রধানমন্ত্রী মোদির শ্রদ্ধা

    জাতির জনককে শ্রদ্ধা জানিয়ে এদিন এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘সকল দেশবাসীর তরফ থেকে শ্রদ্ধেয় বাপুকে তাঁর জন্মজয়ন্তীতে শত শত প্রণাম। ওঁর জীবন ও আদর্শ সত্য, সম্প্রীতি ও সাম্যের উপর ভিত্তি করে, ওঁর জীবন দেশবাসীর কাছে সর্বদা অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।’ বিশেষ এই দিনে স্কুলপড়ুয়াদের সঙ্গে স্বচ্ছতা অভিযানেও অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। মহাত্মা গান্ধীর পাশাপাশি দেশের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রীর জন্মদিন আজ। প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকেও এদিন শ্রদ্ধা জানান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী। এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘দেশের সৈনিক ও কৃষকদের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন লালবাহাদুর শাস্ত্রী। জন্মজয়ন্তীতে তাঁকে বিনম্র শ্রদ্ধা।’

    জাতির জনককে স্মরণ রাষ্ট্রপতির

    বুধবার মহাত্মা গান্ধীর ১৫৫ তম জন্মবার্ষিকী। দেশব্যাপী পালন করা হচ্ছে ‘গান্ধী জয়ন্তী’। এদিন রাষ্ট্রপতি মুর্মু মহাত্মা গান্ধীকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, “গান্ধিজির মতে, যে দর্শন জীবনের জন্য উপযোগী নয়, তা হল ধূলোর মতো প্রাণহীন। তাঁর কথায়, কাজে ও চিন্তায় ছিল পূর্ণ ঐক্য। এই কারণেই তাঁর কথা আজও আমাদের সবার জন্য প্রাসঙ্গিক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2024: দুর্গাপুজো শেষে উমার ঘরে ফেরার পালা! জেনে নিন বিজয়া দশমী তিথির মাহাত্ম্য

    Durga Puja 2024: দুর্গাপুজো শেষে উমার ঘরে ফেরার পালা! জেনে নিন বিজয়া দশমী তিথির মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজয়া দশমী। দশমী মানেই দুর্গাপুজোর শেষ। বন্ধুদের সঙ্গে খাওয়া-দাওয়া, রাত পর্যন্ত মণ্ডপের চেয়ারে বসে আড্ডা, অষ্টমীর সন্ধিক্ষণের উপবাস, মণ্ডপে-মণ্ডপে প্রতিমা দর্শন, নবমীর পুষ্পাঞ্জলি-সব কিছুতে ইতি টানে দশমী তিথি‌। অপেক্ষায় থাকতে হয় আরও একটা বছর। বেশিরভাগ দুর্গাপুজো (Durga Puja 2024) শেষ হয় দশমীতেই। এই দিনেই মা দুর্গার প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম থাকে, যেমন বিজয়া দশমী বৃহস্পতিবারে হলে সাধারণত প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয় না। আশ্বিন মাসের শুক্ল পক্ষের দশমী তিথিতে পিতৃগৃহ মানে সোজা কথায় বাপের বাড়ি ছেড়ে কৈলাসে স্বামীগৃহে পাড়ি দেন দেবী উমা। সেই কারণেই এই তিথিকে বিজয়া দশমী (Durga Puja 2024) বলা হয়। মা উমা সকলকে কাঁদিয়ে নিজের চার সন্তানকে সঙ্গে করে কৈলাসে ফিরে যান।

    দশমী প্রসঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের একটি কাহিনি (Durga Puja 2024)

    দশমী প্রসঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের একটি কাহিনি উল্লেখযোগ্য। রানি রাসমণির জামাতা মথুরবাবু এক সময় আবেগপ্রবণ হয়ে দশমীর দিনেও মা দুর্গাকে (Durga Puja 2024) বিসর্জন দেবেন না বলে জেদ ধরে বসেন। তখন রামকৃষ্ণদেব তাঁকে বোঝান, বিজয়ার অর্থ দেবী মা ও সন্তানের বিচ্ছেদ নয়। তিনি আরও বলেন, মা কখনও তার সন্তানের থেকে মুখ ফিরিয়ে থাকতে পারেন না। এতদিন মা দালানে বসে পুজো নিয়েছেন, এরপর মা মনের মন্দিরে বসে পুজো নেবেন। এরপরেই মথুর শান্ত হন এবং বিসর্জন দেওয়া হয় মা দুর্গার প্রতিমা।

    মহিষাসুর বধ, দেবকূল মাতে উৎসবে (Bijoya Dashmi)

    দশমী (Durga Puja 2024) ঘিরে একটি পৌরাণিক কাহিনিও রয়েছে। পুরাণ অনুযায়ী, মা দুর্গা ন’দিন ন’রাত্রি ব্যাপী প্রবল যুদ্ধ করেন মহিষাসুরের বিরুদ্ধে। অবশেষে দশমী তিথিতে মায়ের হাতে বধ হয় রম্ভাপুত্র মহিষাসুর। মহিষাসুরমর্দিনী হয়ে ওঠেন মা দুর্গা। ঋষি কাত্যায়নের আশ্রমে এই মহিষাসুর বধের জন্যই ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বরের তেজ থেকে সৃষ্ট হয়েছিল এক নারী মূর্তি। মহিষাসুরের ওপর ব্রহ্মার বরদান ছিল যে কোন পুরুষ তাকে বধ করতে পারবে না। এই কাহিনি আমরা সকলেই শুনেছি। সমস্ত আসুরিক শক্তির ওপর বিজয় প্রাপ্তি হয়েছিল অত্যাচারী মহিষাসুর বধের মধ্যে দিয়ে। সমস্ত দেবতাকূল বিজয় উৎসবে মেতেছিল। তাই এই একে বিজয়া দশমী বলা হয়।

    অন্য একটি পৌরাণিক কাহিনি

    অন্য একটি কাহিনি অনুযায়ী, দেবী দুর্গার দক্ষকন্যা সতী হয়ে জন্মগ্রহণ এবং স্বামী-নিন্দা সইতে না পেরে মৃত্যুবরণ। ৫১টি অংশে সতীর মৃতদেহ ভারতবর্ষের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়ার পর শিব যখন তাণ্ডব থামালেন, তখন বিষ্ণু তাঁকে অনুরোধ করেছিলেন দক্ষরাজকে ক্ষমা করে দিতে। শিব সেই অনুরোধ ফেলতে পারেননি। উপরন্তু সন্তানহারা বাবার দুঃখ ঘোচানোর জন্য শিব বলেন, এর পরের জন্মে সতী জন্ম নেবেন হিমালয়রাজ হিমাবতকন্যা পার্বতী রূপে। তখন প্রতি বছর বিজয়া দশমীর (Durga Puja 2024) দিন পার্বতী আসবেন দক্ষপুরীতে। সতীর বাবা-মায়ের সঙ্গে একটি দিনের জন্য দেখা করতে! তাই এই দিনটি পার্বতীর ঘরে ফেরার দিনও বটে বলে পৌরাণিক মত রয়েছে‌। এই তিথিতেই রাক্ষসরাজ রাবণের উপর ভগবান রামচন্দ্র বিজয়প্রাপ্ত করেছিলেন বলে মনে করা হয়। তাই এটা বিজয়া দশমী। এদিন ছোটরা বড়দের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে, মিষ্টি মুখ করানো হয় মা উমার। মহিলাদের মধ্যে সিঁদুর খেলার রীতি  (Bijoya Dashmi)
     দেখা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share