Tag: Madhyom

Madhyom

  • Daily Horoscope 03 December 2025: আজকের দিনটি অত্যন্ত শুভ এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 03 December 2025: আজকের দিনটি অত্যন্ত শুভ এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজকের দিনটি ভালো কাটবে।

    ২) জীবনে একাধিক শুভ সংকেত পাবেন।

    ৩) কাজে সফল হবেন ও নতুন সুযোগ লাভ করবেন।

    বৃষ

    ১) আজকের দিনটি অনুকূল নয়। কাজের প্রতি সতর্ক থাকুন।

    ২) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন।

    ৩) নিজের কথা শোনার পরিবর্তে অন্যের কথায় সহজে প্রভাবিত হবেন।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) কেরিয়ারে অগ্রসর হওয়ার সুযোগ পাবেন।

    ৩) কাজের প্রশংসা হবে।

    কর্কট

    ১) আবেগ ও অহংকার নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    ২) শান্ত ও স্থির থেকে কাজ করুন।

    ৩) চিন্তাভাবনা স্পষ্ট রাখুন।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি বিশেষ শুভ নয়।

    ২) একাধিক সমস্যার মুখোমুখি হবেন।

    ৩) কাজ সম্পন্ন করতে অধিক সমস্যার মুখোমুখি হবেন।

    কন্যা

    ১) আজকের দিনটি ভালো।

    ২) নিজের কার্যশৈলীর দ্বারা বরিষ্ঠদের প্রভাবিত করার সুযোগ পাবেন।

    ৩) আধিকারিকরা আপনার কাজের প্রশংসা করবেন।

    তুলা

    ১) আজকের দিনটি ভালো কাটবে।

    ২) অসম্পূর্ণ ইচ্ছাপূরণ হবে।

    ৩) মনে আনন্দ থাকবে, স্বাস্থ্যের ওপর এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

    বৃশ্চিক

    ১) আজকের দিনটি বিস্তর ওঠাপড়ায় ভরে থাকবে।

    ২) মনের মধ্যে নানান ধরনের চিন্তাভাবনা থাকবে।

    ৩) পারিবারিক বিষয়ে চিন্তিত থাকবেন।

    ধনু

    ১) আজকের দিনটি অনুকূল নয়।

    ২) চিন্তাভাবনা ও কাজকর্মে মনোনিবেশ করার প্রয়োজন রয়েছে।

    ৩) ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হবেন।

    মকর

    ১) আজকের দিনটি অত্যন্ত শুভ।

    ২) সাফল্যের সঙ্গে কিছু করার সুযোগ পাবেন।

    ৩) ব্যবসায়ে নতুন লগ্নি করতে পারেন।

    কুম্ভ

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো কাটবে।

    ২) জীবনে নতুন সম্পর্কের সূচনার সুযোগ পাবেন।

    ৩) বিয়ে পাকা হতে পারে।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি অনুকূল নয়।

    ২) নিজের কাজকর্মে নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবেন।

    ৩) কাজে মনোনিবেশ করুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Putin Modi Meet: বৃহস্পতিবার ভারতে আসছেন পুতিন, মোদির সঙ্গে কী কী বিষয়ে হবে আলোচনা?

    Putin Modi Meet: বৃহস্পতিবার ভারতে আসছেন পুতিন, মোদির সঙ্গে কী কী বিষয়ে হবে আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে ২৩তম ভারত-রাশিয়া বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে (Annual Summit) যোগ দিতে ভারতে আসছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Putin Modi Meet)। আগামী ৪-৫ তারিখ ভারতে কাটাবেন তিনি। এই সময়ের মধ্যেই পুতিন বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। সাক্ষাৎ করবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গেও। উল্লেখ্য, এটি গত চার বছরে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতির প্রথম ভারত সফর। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, রুশ প্রেসিডেন্টের এই সফর দুই দেশের নেতাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পর্যালোচনা, ভবিষ্যৎ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এবং গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ করে দেবে।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য (Putin Modi Meet)

    বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “আসন্ন রাষ্ট্রীয় সফরটি ভারত ও রাশিয়ার নেতৃত্বকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অগ্রগতির পর্যালোচনা করার, ‘বিশেষ এবং সুবিধাপ্রাপ্ত কৌশলগত অংশীদারিত্ব’কে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য নির্ধারণ করার এবং পারস্পরিক স্বার্থসম্পন্ন আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয়গুলিতে মতবিনিময় করার সুযোগ করে দেবে।” ক্রেমলিনের তরফেও বলা হয়েছে, আলোচনার বিস্তৃত পরিসর রয়েছে, যেখানে রাজনীতি, বাণিজ্য, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি ও বৈশ্বিক বিষয়-সহ বহু ক্ষেত্র অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সরকারি একটি নোটে ক্রেমলিন জানিয়েছে, “এই সফরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি রাশিয়া-ভারত সম্পর্কের ব্যাপক অ্যাজেন্ডা বিশেষাধিকারপ্রাপ্ত কৌশলগত অংশীদারত্বের আওতায় সর্বাঙ্গীনভাবে আলোচনা করার সুযোগ দেবে। এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়েও বিবেচনা করা হবে।”

    প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি সহযোগিতা

    সূত্রের খবর, শীর্ষ সম্মেলনে (Annual Summit) ভারত ও রাশিয়া মূলত প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করবে। ভারত আরও এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিনতে চায়। কারণ ‘অপারেশন সিঁদুরে’র সময় এগুলি খুবই কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। তিনটি ইউনিট এসে গিয়েছে। আরও দুটি আসার কথা আগামী বছরে। কেন সরবরাহে দেরি হচ্ছে রাশিয়ার কাছে তা জানতে চাইবে ভারত। প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিং নয়াদিল্লিতে আয়োজিত ন্যাশনাল সিকিউরিটি সামিটে বলেন, “এস-৪০০ সংক্রান্ত আলোচনা হলেও এই বৈঠকে এ সম্পর্কে কোনও ঘোষণা আশা করবেন না। এই বৈঠক দুপক্ষের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বৃহত্তর দিকগুলিতে কেন্দ্রীভূত থাকবে।” শুধু তা-ই নয়, ভারত অন্যান্য প্রকল্পে দেরির বিষয়টিও উত্থাপন করবে, যার মধ্যে রয়েছে সুখোই আপগ্রেড। রাশিয়ার সু–৫৭ যুদ্ধবিমানের প্রতি সম্ভাব্য আগ্রহ নিয়েও আলোচনা করবে দুই দেশ। এদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার জেরে ভারত রাশিয়া থেকে কম তেল কিনছে। তাই রাশিয়া ভারতকে অপরিশোধিত তেলের ওপর অতিরিক্ত ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে (Putin Modi Meet)।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ইতি

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ইতি টানা এবং শান্তি প্রচেষ্টা নিয়েও আলোচনা হবে দুই রাষ্ট্রনেতার। ভারত দীর্ঘদিন ধরেই এই সংঘাতের দ্রুত অবসানের আহ্বান জানিয়ে আসছে। সম্প্রতি ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে বলেছেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি প্রচেষ্টা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি লিখেছেন, “এই সংঘাতের দ্রুত অবসান এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি।” প্রসঙ্গত, এই আলোচনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরে ভারতের ঘনিষ্ঠ অংশীদার, এবং ভারত শান্তিকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি এই সম্পর্ককে ভারসাম্যপূর্ণ রাখতে চায়। পুতিন-মোদির আলোচনার আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে বাণিজ্য। ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মূল কারণ হল, ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে প্রচুর পরিমাণে তেল কিনছে। তবে রাশিয়ার প্রধান তেল কোম্পানির ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নয়া নিষেধাজ্ঞা কমিয়ে দিতে পারে এই আমদানি (Annual Summit)।

    বাণিজ্য বৃদ্ধিতে প্রভাব

    ভবিষ্যতে বাণিজ্য বৃদ্ধিতে এর প্রভাব পড়তে পারে বলে ভারত ও রাশিয়া উভয় দেশই ভারতের রফতানি বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করবে, বিশেষ করে ওষুধ শিল্প, যন্ত্রপাতি এবং কৃষি পণ্যের ক্ষেত্রে। বৈঠকে অসামরিক বিমান চলাচল, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ, বিনিয়োগ প্রকল্প এবং শ্রমিকদের যাতায়াতের বিষয়গুলিও আলোচনায় থাকবে (Putin Modi Meet)। আলোচনায় উঠে আসবে ভারত-রাশিয়া অংশীদারিত্ব পুনরুজ্জীবনের কথাও। পুতিনের এই সফরটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ইউক্রেন যুদ্ধ এবং পশ্চিমী দেশগুলির চাপের কারণে ভারত কিছুদিন ধরে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ককে অপেক্ষাকৃত নীরব ও সীমিত রেখেছিল। সাম্প্রতিক মাসগুলিতে দুই দেশের সম্পর্ক আবারও শক্তিশালী হতে শুরু করেছে, বিশেষ করে প্রতিরক্ষা খাতে। ভারত প্যান্টসার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ভরোনেজথ রাডার-সহ বেশ কয়েকটি প্রকল্পে আগ্রহ দেখিয়েছে। ক্রেমলিন জানিয়েছে, এই সফর উভয়পক্ষকে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক এবং সাংস্কৃতিক বিভিন্ন বিষয়ে রাশিয়া-ভারত সম্পর্কের বিস্তৃত অ্যাজেন্ডা নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ দেবে।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান চাপ

    ভারত ও রাশিয়ার এই আলোচনার নেপথ্যে একটি বড় কারণ হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান চাপ। ওয়াশিংটন ভারতীয় পণ্যের ওপর চড়া শুল্ক আরোপ করেছে এবং ভারতকে রাশিয়া থেকে কম তেল কেনার জন্য চাপ দিচ্ছে (Putin Modi Meet)। আমেরিকার নয়া আইন অনুযায়ী, রাশিয়ার জ্বালানি খাতের সঙ্গে ব্যবসা করা দেশগুলির জন্য আরও কঠোর শাস্তি আরোপ হতে পারে। এই সব বিষয়ই ভারতকে এই সম্মেলনে বিশেষ গুরুত্ব দিতে বাধ্য করেছে। কারণ ভারত চায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া – দুই দেশের সঙ্গেই শক্তিশালী সম্পর্ক বজায় রাখতে। এজন্য অবশ্য দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিতে রাজি নয় নরেন্দ্র মোদির ভারত (Annual Summit)।

    ভারতে আসছেন পুতিন

    সাত বছর আগে দিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের উপস্থিতিতে সই হয়েছিল এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের ঐতিহাসিক চুক্তি। শুক্রবার সেখানেই ফের বৈঠক করতে চলেছেন এই দুই রাষ্ট্র প্রধান। সরকারি সূত্রের খবর, সেখানে অন্তত ৫৬ হাজার কোটি টাকার প্রতিরক্ষা সমঝোতা সংক্রান্ত মউ স্বাক্ষরিত হতে পারে।২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যুদ্ধ শুরুর পরে এই প্রথমবার ভারতে আসছেন পুতিন। প্রতিরক্ষার পাশাপাশি তাঁর এই সফরে নির্মাণক্ষেত্র, বয়নশিল্প, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ইলেকট্রনিক্স ক্ষেত্র নিয়ে নতুন পথে হাঁটার সূচনা করতে পারে ভারত ও রাশিয়া। রাশিয়ার ওই ক্ষেত্রগুলিতে ভারতীয় পেশাদারদের জন্য বিশেষ সুবিধা দেওয়ার বিষয়টিও ঘোষণা করতে পারেন পুতিন (Putin Modi Meet)।

    পোল্যান্ডের ডেপুটি বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্য

    এদিকে, পুতিনের ভারত সফর নিয়ে যখন নয়াদিল্লিতে চলছে চূড়ান্ত ব্যস্ততা, তখন ভারতে এসেছেন পোল্যান্ডের ডেপুটি বিদেশমন্ত্রী ওয়াদিস্লাও তোফিল বার্তোজুক্সি। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমি খুব আশাবাদী এই ভেবে যে উনি (পুতিন) যখন দিল্লিতে আসবেন, তখন প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁকে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বলবেন। আমি আগেই বলেছি, ছ-সাত মাস আগেই যখন আমি এখানে ছিলাম, তখন প্রধানমন্ত্রী মোদি, চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং পুতিনকে ইউক্রেনে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে না বলেছিলেন। তাঁরা দুজনেই সঠিক কাজটিই করেছেন। তাই আমি আশা করি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পুতিনকে বলবেন, দেখুন (Annual Summit) প্রেসিডেন্ট, আপনার ইউক্রেনের সঙ্গে শান্তি চুক্তি করা উচিত। কারণ এই সংঘর্ষ থেকে আমাদের, আপনার বা অন্য কারও কোনও লাভ নেই। কারণ এটি ভারতকেও প্রভাবিত করে। কারণ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প রাশিয়ার দুটি বড় কোম্পানি থেকে তেল কেনা নিষিদ্ধ করেছেন। রাশিয়া থেকে ভারতের একটি বিশাল সরবরাহ রয়েছে, যা ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে (Putin Modi Meet)।”

  • Brahmos Missile: ব্রহ্মসের সফল উৎক্ষেপণ, সিঁদুর-পর্বে নজরকাড়া ক্ষেপণাস্ত্রের বাড়ছে পাল্লা

    Brahmos Missile: ব্রহ্মসের সফল উৎক্ষেপণ, সিঁদুর-পর্বে নজরকাড়া ক্ষেপণাস্ত্রের বাড়ছে পাল্লা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিঁদুর অভিযান চলাকালীন শত্রুঘাঁটিতে অব্যর্থ নিশানা শানিয়েছে। তার ক্ষমতা চাক্ষুষ করেছে গোটা বিশ্ব। সেই সুপারসনিক (শব্দের চেয়ে বেশি গতিবেগ সম্পন্ন) ক্রুজ় ক্ষেপণাস্ত্র ব্রহ্মসকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে উদ্যোগী হয়েছে ভারত। এরই মধ্যে সোমবার বঙ্গোপসাগরে পরীক্ষামূলক ভাবে একটি ব্রহ্মস উৎক্ষেপণ করল ভারতীয় সেনা। দূরপাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্রের ক্ষমতা ফের একবার পরখ করে নিল বাহিনী। ওই উৎক্ষেপণে পরীক্ষার সব মাপকাঠিতেই সফল হয়েছে ব্রহ্মস।

    বিভিন্ন মাপকাঠিতে পরখ করে দেখা হয় ব্রহ্মস

    সোমবার সেনার ব্রহ্মস ইউনিটের দক্ষিণ কমান্ড এবং তিন বাহিনীর আন্দামান-নিকোবর কমান্ড যৌথভাবে পরীক্ষাটি চালিয়েছে। ব্রহ্মসের পাল্লা, প্রযুক্তিগত নানা দিক পরীক্ষা করে নেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট লক্ষ্যে নির্ভুলভাবে আঘাত হানার ক্ষেত্রে আরও একবার সফল হয়েছে ক্ষেপণাস্ত্রটি। যুদ্ধক্ষেত্রে যে ধরনের পরিস্থিতি থাকে, তারই অনুরূপ পরিস্থিতিতে ব্রহ্মসটি পরীক্ষা করা হয়। তাতে দেখা গিয়েছে, সব ধরনের পরিস্থিতিতে এটি সফল হয়েছে। অর্থাৎ, অপারেশনাল উদ্দেশ্য পূরণ হয়েছে। ভারতীয় সেনার ব্রহ্মস ইউনিটগুলির রিয়েল টাইম প্রস্তুতি এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হানায় নির্ভুলতা খতিয়ে দেখার ক্ষেত্রেও এই পরীক্ষাটি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ব্রহ্মসের পাল্লা-সহ বিভিন্ন মাপকাঠিতে পরখ করে দেখা হয় ক্ষেপণাস্ত্রটি। এই পরীক্ষার মাধ্যমে ব্রহ্মসের উন্নত দিক্‌নির্দেশনা ব্যবস্থা, নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা, বেশি গতিতে ছুটে যাওয়ার সময়ে স্থিতিশীলতা, নির্ভুলতা এবং নির্দিষ্ট ভাবে নিশানায় আঘাত হানার ক্ষেত্রে ফের সফল হয়েছে ক্রুজ় ক্ষেপণাস্ত্রটি।

    নয়া ব্রহ্মস আরও আধুনিক

    সিঁদুর অভিযানের পর থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। এমনকি, পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের বক্তৃতাতেও উঠে এসেছিল রাশিয়ার সহযোগিতায় ভারতে তৈরি সেই ব্রহ্মস ক্রুজ সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের কথা। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ইসলামাবাদকে হুঙ্কার দিয়েছিলেন, সিঁদুর অভিযান শুধুই ঝলক ছিল। পাকিস্তানের প্রতিটি কোনাই ব্রহ্মসের নাগালের মধ্যে রয়েছে বলে জানিয়েছিলেন তিনি। এরই মধ্যে সম্প্রতি দক্ষিণ চিন সাগরে ইসলামাবাদের বন্ধু বেজিঙের আগ্রাসন রুখতে ভারত থেকে কেনা সেই ক্ষেপণাস্ত্রেই ভরসা রেখেছে ফিলিপিন্স। সেখানে ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে তারা। অপারেশন সিঁদুরের পর থেকে ব্রহ্মসের পাল্লা আরও বৃদ্ধি করতে উদ্যোগী হয়েছে ভারত। স্থলভূমি বা যুদ্ধজাহাজ থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য ব্রহ্মসের পাল্লা ২৯০ থেকে ৪০০ কিলোমিটার। বিমান বা ডুবোজাহাজে ব্যবহৃত সংস্করণের কিছুটা কম। নতুন পাঁচ দফা পরিকল্পনায় ব্রহ্মসের পাল্লা এবং গতিবেগ দু’টিই বাড়ানো হচ্ছে। দাবি করা হচ্ছে, নয়া সংস্করণে স্থলভূমি বা যুদ্ধজাহাজ থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য ব্রহ্মসের পাল্লা হবে ৮০০ কিলোমিটার। পাশাপাশি, সুপারসনিক থেকে হাইপারসনিক (শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণ বা তার বেশি গতিবেগসম্পন্ন) ক্ষেপণাস্ত্রের স্তরে উন্নীত হবে ব্রহ্মস।

  • Operation Sindoor: অপারেশন সিঁদুরের ভয়! ৭২টি জঙ্গি লঞ্চপ্যাড সরিয়েছে পাকিস্তান, বলল বিএসএফ

    Operation Sindoor: অপারেশন সিঁদুরের ভয়! ৭২টি জঙ্গি লঞ্চপ্যাড সরিয়েছে পাকিস্তান, বলল বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিঁদুর অভিযানের পরে সীমান্ত থেকে জঙ্গি শিবির এবং লঞ্চপ্যাডগুলি সরিয়ে ফেলেছে পাকিস্তান। সম্প্রতি এ কথা জানাল বিএসএফ। অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) পর থেকে আরও সতর্ক হয়েছে পাকিস্তান (Pakistan)। জঙ্গি লঞ্চপ্যাডগুলি বন্ধ না করলেও বদলে দেওয়া হয়েছে তাদের ঠিকানা। এখন গভীর জঙ্গলে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে এই লঞ্চপ্যাডগুলি। এই তথ্য় দিয়েছে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (BSF)। তাই সরকার যদি নির্দেশ দেয়, প্রয়োজনে ‘সিঁদুর ২’ অভিযানের জন্যও প্রস্তুত রয়েছে বাহিনী। সিঁদুর অভিযানে সেনার ভূমিকারও প্রশংসা করেছে বিএসএফ। ৭-১০ মে যে ভাবে দেশের বাহিনী কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছে, তা অনবদ্য বলে জানান বিএসএফের এক শীর্ষ কর্তা।

    জঙ্গি-কারখানা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান

    বদলায়নি পাকিস্তানের জঙ্গি কারখানাগুলো। বর্তমানে পাকিস্তানে কমপক্ষে ৭২টি জঙ্গি লঞ্চপ্যাড সক্রিয় রয়েছে, যার মধ্যে শিয়ালকোট এবং জাফরওয়ালের কাছে ১২টি। সম্প্রতি এই তথ্য় দিয়েছে সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী (বিএসএফ)। বিএসএফের তরফে বলা হয়েছে, জম্মু অঞ্চলে সন্ত্রাসবাদীদের অনুপ্রবেশ বন্ধ রাখতে বাহিনী সম্পূর্ণ সতর্ক রয়েছে। বিএসএফের ডিআইজি বিক্রম কুঁয়ার বলেন, ‘‘অপারেশন সিঁদুরের সময় বিএসএফ সীমান্তের ওপারে বহু জঙ্গিশিবির ধ্বংস করেছে। বেশ কয়েকটি লঞ্চপ্যাডও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। হামলার মুখে পড়ে পাক সরকার জঙ্গি লঞ্চপ্যাডগুলি সীমান্ত এলাকা থেকে সরিয়ে ফেলেছে। সিয়ালকোট এবং জাফরওয়ালে ১২টি জঙ্গি লঞ্চপ্যাড রয়েছে। যেগুলি সীমান্ত থেকে অনেকটাই ভিতরে। সেগুলি এখনও সক্রিয়।’’

    কোথায়-কোথায় সক্রিয় জঙ্গিঘাঁটি

    তিনি আরও বলেন, ‘‘আজ পর্যন্ত, শিয়ালকোট ও জাফরওয়ালের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে প্রায় ১২টি লঞ্চপ্যাড কাজ করছে, যেগুলি ঠিক সীমান্তে আর নেই। অন্যদিকে ৬০টি লঞ্চপ্যাড নিয়ন্ত্রণ রেখার ওপারে গভীরতা এলাকায় কাজ করছে। এই ক্যাম্পগুলি স্থায়ীভাবে এক জায়গায় থাকে না। এই লঞ্চপ্যাডগুলি সাধারণত ভারতে হামলা করার সময় সক্রিয় থাকে। তাদের দুই বা তিনটির বেশি দলে রাখা হয় না। বর্তমানে আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় কোনও প্রশিক্ষণ শিবির নেই।’’ ২০২৫ সালে বাহিনীর সাফল্যের ঘটনা বর্ণনা করতে গিয়ে অপারেশন সিঁদুরের প্রসঙ্গ টেনে আনেন বিএসএফের ডিআইজি। সাংবাদিক বৈঠকে ডিআইজি ছাড়াও ছিলেন জম্মু ফ্রন্টিয়ারের বিএসএফ আইজি শশাঙ্ক আনন্দ, ডিআইজি কুলবন্ত রাই শর্মা। বিএসএফ জানিয়েছে, জঙ্গি লঞ্চপ্যাডগুলির সংখ্যা অনবরত বদলাতে থাকে। তাদের কথায়, ‘‘এই লঞ্চপ্যাডগুলি কখনওই নিষ্ক্রিয় ভাবে থাকে না। যখনই ভারতে জঙ্গি অনুপ্রবেশ করানোর প্রয়োজন হয়, তখনই সেগুলি আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে। এক একটি লঞ্চপ্যাডে জঙ্গিদের দুই থেকে তিনটি দল থাকে।’’

    সুযোগ পেলেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ

    ডিআইজি কুঁয়ারের দাবি, অপারেশন সিঁদুরের পর আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে এখন কোনও জঙ্গি শিবির নেই। ডিআইজি জানিয়েছেন, আগে জইশ জঙ্গিগোষ্ঠীর লঞ্চপ্যাডগুলি ছিল নিচু এলাকায়। আর লশকরের লঞ্চপ্যাডগুলি ছিল উপরের দিকে। কিন্তু অপারেশন সিঁদুরের পর সেগুলি সব ওলটপালট হয়ে গিয়েছে। এখন আর আলাদা ভাবে জঙ্গি প্রশিক্ষণের জন্য শিবির নেই। দুই গোষ্ঠীর জঙ্গিরা একসঙ্গে ওই লঞ্চপ্যাডগুলিতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। এর পরই ডিআইজি বলেন, ‘‘বিএসএফ যে কোনও পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত। সুযোগ পেলেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করব।’’

    অপারেশন সিঁদুর ২.০

    অপারেশন সিঁদুর ২.০-এর ক্ষেত্রে বাহিনীর প্রস্তুতি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে জম্মু সীমান্তের বিএসএফের ইন্সপেক্টর জেনারেল শশাঙ্ক আনন্দ বলেন, ‘‘সরকার যদি সীমান্তে অভিযান পুনরায় শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে বাহিনী তার নির্দেশ মেনে চলতে প্রস্তুত। আমরা যদি ১৯৬৫, ১৯৭১, ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধ, অথবা অপারেশন সিঁদুর সম্পর্কে কথা বলি, তাহলে বিএসএফের সকল ধরনের যুদ্ধের ভালো অভিজ্ঞতা রয়েছে, তা সে প্রচলিত বা হাইব্রিড যুদ্ধই হোক না কেন। যদি আমরা সুযোগ পাই, আমরা মে মাসে যা করেছি তার চেয়ে বেশি ক্ষতি করতে সক্ষম। সরকার যে নীতিই সিদ্ধান্ত করুক না কেন, বিএসএফ এতে তার ভূমিকা পালন করবে।’’ আইজি আরও বলেন যে, ‘‘অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানি রেঞ্জার্স, যারা তাদের পোস্ট ছেড়ে চলে গিয়েছিল, তারা আবার ফিরে এসেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে গেলে, পোস্টগুলিতে ফিরে আসা বাধ্যতামূলক। বিএসএফের দ্বারা সৃষ্ট ক্ষত কাটিয়ে উঠতে তাদের অনেক সময় লেগেছে। কিছু জায়গায়, তারা তাদের প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করার চেষ্টা করেছে। তবে তাদের সমস্ত কার্যকলাপ আমাদের নজরদারিতে রয়েছে।’’

  • Election Commission: এসআইআর করে ভোটারদের নাম বাদ দিচ্ছে কমিশন! রাজ্যের অভিযোগ খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    Election Commission: এসআইআর করে ভোটারদের নাম বাদ দিচ্ছে কমিশন! রাজ্যের অভিযোগ খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর করে বহু ভোটারের নাম বাদ দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এমনই গুরুতর অভিযোগ তুলেছিলেন মোদি-বিরোধীরা। এসআইআর নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ুর মামলায় সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে সেই সব অভিযোগ তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। তাদের বক্তব্য, বিপুল সংখ্যক বৈধ ভোটারের (Supreme Court) নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ অতিরঞ্জিত। কমিশন আরও জানিয়েছে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই এই ধরনের অভিযোগ করা হচ্ছে। বিষয়টি অনুমান ছাড়া আর কিছুই নয়।

    এসআইআর প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ (Election Commission)

    পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুর এসআইআর প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল, ডিএমকে, সিপিএম এবং কংগ্রেসের বাংলা শিবির। বিরোধী দলগুলির সেই আবেদনের ভিত্তিতে কমিশনের বক্তব্য হলফনামা আকারে জমা দিতে বলেছিল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির বেঞ্চ। সেই মামলায় পৃথক হলফনামা দাখিল করে এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলি খারিজ করার আবেদন জানান কমিশনের সচিব পবন দিওয়ান। গত ২৬ নভেম্বর সাংসদ তৃণমূলের দোলা সেন এবং অন্যদের দাখিল করা আবেদনের প্রেক্ষিতে ৮১ পাতার হলফনামা দিয়েছে কমিশন। তারা জানিয়েছে, বিপুল পরিমাণে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ রাজনৈতিক স্বার্থপূরণের উদ্দেশ্যেই। হলফনামায় কমিশন আরও জানিয়েছে, এসআইআর কোনও নতুন প্রক্রিয়া নয়। ভোটার তালিকায় যাতে কোনও সমস্যা না থাকে তা দেখার দায়িত্ব কমিশনেরই। বহু বছর ধরেই এই প্রক্রিয়া চলছে। ভারতের সংবিধানও কমিশনকে সেই অধিকার দেয় (Election Commission)।

    হলফনামায় পশ্চিমবঙ্গের নাম

    আদালতে জমা দেওয়া হলফনামায় পশ্চিমবঙ্গের নাম আলাদা করে উল্লেখ করেছে কমিশন। তারা জানিয়েছে, বাংলায় ইতিমধ্যেই ৯৯.৭৭ শতাংশ ভোটারের কাছে এনুমারেশন ফর্ম পৌঁছে গিয়েছে (Supreme Court)। তার মধ্যে ৭০.১৪ শতাংশ ফর্ম পূরণের পর ফেরতও চলে এসেছে। বুথ লেভেল আধিকারিকরা প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে এনুমারেশন ফর্ম বিলি করছেন। পরে ফর্ম পূরণের পর তা সংগ্রহ করে পাঠাচ্ছেন কমিশনের কাছে। কোনও বাড়িতে কেউ না থাকলে, বিএলওরা সেখানে তিনবার করে যাচ্ছেন। কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নামই বাদ দেওয়া হচ্ছে না। কমিশন তার দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন। এসআইআর প্রক্রিয়া সফলভাবে বাস্তবায়িত এবং কোনও বৈধ ভোটারের নাম ভোটার লিস্ট থেকে বাদ না পড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার সম্ভাব্য সব রকম চেষ্টা করছে কমিশন।

    নেপথ্যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য!

    হলফনামায় কমিশন বার বার দাবি করেছে, বিপুল সংখ্যক বৈধ ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ শুধুমাত্র অনুমানের ভিত্তিতে তোলা হচ্ছে। বিষয়টি অতিরঞ্জিত করে পরিবেশন করার চেষ্টা চলছে (Election Commission)। আর এর নেপথ্যে রয়েছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য। কমিশনের দাবি, রাজনৈতিক দলগুলি এসআইআর প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার বদলে হাঁটছে সমালোচনার পথে। কমিশনের আইনজীবীর অভিযোগ (Supreme Court), রাজনৈতিক দলগুলি বিএলওদের নানাভাবে বিভ্রান্ত করছে। তাঁদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। এদিন আদালতের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এর আগে দেশে এসআইআর হয়নি এই যুক্তি দেখিয়ে একাধিক রাজ্যে নির্বাচন কমিশনের এই প্রক্রিয়া চালানোর সিদ্ধান্ত বৈধ কিনা, তা পরীক্ষা করা যাবে না। সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, ৬ নম্বর ফর্মের শুদ্ধতা নির্ণয় করার অন্তর্নিহিত ক্ষমতা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। কোনও ব্যক্তিকে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে গেলে তাঁকে নিজেকে ৬ নম্বর ফর্ম পূরণ করতে হয়।

    আধার কার্ড নাগরিকত্বের সার্বিক প্রমাণ নয়

    দেশের শীর্ষ আদালত ফের একবার জানিয়ে দিয়েছে, আধার কার্ড নাগরিকত্বের সার্বিক প্রমাণ নয়। তাই আমরা বলেছি, প্রামাণ্য নথিগুলির মধ্যে অন্যতম নথি এটি। কিন্তু কারও নাম বাদ গেলে কেন নাম বাদ দেওয়া হল, সে সংক্রান্ত নোটিশ দিতে হবে। বেঞ্চ বলে, “কিছু সরকারি সুবিধা পাওয়ার জন্য আধার কার্ড তৈরি করা হয়েছিল। কোনও (Election Commission) ব্যক্তিকে রেশন পাওয়ার জন্য আধার কার্ড দেওয়া হয়েছে। তাহলে কি শুধু সেই কারণেই তিনি ভোটার হবেন? এমনও তো হতে পারে, কেউ প্রতিবেশী দেশের নাগরিক এবং তিনি এখানে একজন শ্রমিকের কাজ করেন।” আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, “আপনারা বলছেন, নির্বাচন কমিশন পোস্ট অফিস। যেখানে ৬ নম্বর ফর্ম জমা দেওয়া হবে এবং তারা আপনার নামটি নথিভুক্ত করবে।” এর পরেই বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, নির্বাচন কমিশনের সব সময় এই সাংবিধানিক এক্তিয়ার রয়েছে (Supreme Court), তারা নথিটি সত্য কি না, তা যাচাই করতে পারে (Election Commission)।

  • Virat Rohit Relation With Gambhir: বিরাট-ব্যাটে মুগ্ধ সতীর্থরা, ‘রো-কো’র সঙ্গে দূরত্ব মেটাতে গম্ভীর-আগরকরদের বার্তা বোর্ডের?

    Virat Rohit Relation With Gambhir: বিরাট-ব্যাটে মুগ্ধ সতীর্থরা, ‘রো-কো’র সঙ্গে দূরত্ব মেটাতে গম্ভীর-আগরকরদের বার্তা বোর্ডের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনও তাঁদের মধ্যে কতটা ক্রিকেট বাকি রাঁচিতে তা বুঝিয়ে দিয়েছেন বিরাট কোহলি-রোহিত শর্মা। এখনও দলকে জেতাচ্ছেন রো-কো জুটিই। মাঠে দেখে মনে হচ্ছে, সবচেয়ে তরুণ তাঁরাই। রোহিত, কোহলির হাত ধরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে জিতেছে ভারত। একই সঙ্গে টেস্টে ডাহা ফেলের পর একদিনের ক্রিকেটের পরীক্ষায় উতরে গিয়েছেন গুরু গম্ভীর। রবিবার রাঁচিতে বিরাট কোহলির শতরান ও রোহিত শর্মার অর্ধ শতরান শুধু সমর্থকদের নয়, মুগ্ধ করেছে তাঁর সতীর্থদেরও।

    কুলদীপের কোহলি-বন্দনা

    বোর্ডের পোস্ট করা ভিডিয়োয় কুলদীপ বলেন, “বিরাট ভাই যখন অধিনায়ক তখন আমার ক্রিকেটজীবন শুরু হয়। যে ভাবে ও ব্যাট করল, দেখে মনে হল আট-ন’বছর আগের দিনে ফিরে গিয়েছে। ঠিক যে ভাবে ২০১৭, ২০১৮ বা ২০১৯-এ ব্যাট করত। অসাধারণ একটা ইনিংস খেলল। ওকে দেখে খুব আত্মবিশ্বাসী মনে হয়েছে। অসাধারণ সব শট বেরোল ওর ব্যাট থেকে।” কুলদীপ জানিয়েছেন, কোহলি পাশে থাকলে তিনি আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন। কারণ, বোলিংয়ের সময় অনেক পরামর্শ দেন কোহলি। কুলদীপের কথায়, “কোহলি দলে থাকলে খুব ভালো লাগে। সব সময় কোনও না কোনও পরামর্শ পাওয়া যায়। বোলিংয়ের সময়ও ও এসে বলে যায় কী করতে হবে। ওর মতো সিনিয়রেরা পাশে থাকলে সব সময়েই ভালো। দলের মধ্যেও আলাদা শক্তি এবং স্ফূর্তি আসে। সেদিন মাঠেই সেটা দেখেছেন। ওকে পেয়ে আমরা ভাগ্যবান।”

    সামনে থেকে ওর খেলা দেখা ভাগ্যের ব্যাপার

    প্রথমবার কোহলির শতরান চোখের সামনে দেখেছেন তিলক। তাঁর বিশ্বাসই হচ্ছে না এই ইনিংস। বলেছেন, “আমরা কোহলির অন্যতম সেরা ইনিংস দেখতে পেলাম। প্রথম বার সামনে থেকে বিরাট ভাইয়ের শতরান দেখতে পেয়ে খুব খুশি। গত ১৭ বছর ধরে দুর্দান্ত খেলে যাচ্ছে ও। ব্যাটিং, ফিল্ডিং, সবেতে সেরা। সব সময়ে নিজেকে সকলের আগে রাখতে ভালবাসে। অনেক কিছু শিখেছি ওর থেকে। সামনে থেকে ওর খেলা দেখা ভাগ্যের ব্যাপার। আমি চেষ্টা করি যতটা সম্ভব ওর সঙ্গে কথা বলে কিছু না কিছু শিখতে।”

    রোহিত-বিরাটে মুগ্ধ রাহুল

    ম্যাচের আগে রাহুল বলেছিলেন, “রোহিত ও কোহলির গুরুত্ব আমাদের দলে খুব বেশি। ওদের মতো সিনিয়র ক্রিকেটার সাজঘরে থাকলে সকলের আত্মবিশ্বাস অনেকটা বেড়ে যায়। ওদের অভিজ্ঞতা দলের সকলকে অনেক সাহায্য করে। তাই ওদের পেয়ে আমি খুব খুশি।” রবিবার ম্যাচ হওয়ার পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এসে তিনি বলেন, “রোহিত আর কোহলিকে এ ভাবে খেলতে দেখলে খুব মজা লাগে। ওরা যে স্বাধীনতা নিয়ে খেলে সেটা গোটা কেরিয়ার জুড়েই করেছে। নতুন কিছু নয় ওদের কাছে। অনেক দিন ধরে ওদের চোখের সামনে দেখছি। সাজঘরে ওদের দেখতে পাওয়া আমার কাছে সব সময়েই খুব মজার।”

    গম্ভীর-আগরকে তলব

    এদিকে, গম্ভীর এবং আগরকরকে জরুরি তলব করা হয় বিসিসিআই-এর তরফে। তাঁদের কাছে জানতে চাওয়া হয়, কোহলি-রোহিতের সঙ্গে তাঁদের দূরত্ব বা বিরোধ তৈরি হয়েছে কিনা। কারণ শোনা যাচ্ছে, গত অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়া সফরের সময় থেকে কোচের সঙ্গে বিশেষ কথা বলছেন না কোহলি। আবার এক দিনের দলের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর আগরকরের সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করেছেন রোহিত। মাঠে এবং সাজঘরের তাঁদের বিভিন্ন আচরণ দেখে সব কিছু স্বাভাবিক রয়েছে বলে মনে করছেন না বিসিসিআই কর্তারা। দুই সিনিয়র ক্রিকেটারের সঙ্গে এই ধরনের দূরত্ব ভালো ভাবে নিচ্ছেন না বোর্ড কর্তারা। গম্ভীর এবং আগরকরের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন কর্তারা।

    রোহিত-কোহলিকে নিয়ে বৈঠক

    ওডিআই ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ২ ব্যাটসম্যান রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলির ভবিষ্যৎ নিয়ে চর্চা চলছে সমাজ মাধ্যমে। টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণার পর ওডিআই সিরিজ থেকেও অধিনায়কত্ব হারান রোহিত শর্মা (Rohit Sharma)। তাঁর বদলে দলের অধিনায়ক বানানো হয় শুভমন গিলকে (Shubman Gill)। ভাইস ক্যাপ্টেনের পদ দেওয়া হয়েছে শ্রেয়স আইয়ারকে (Shreyas Iyer)। আর এই সিদ্ধান্তের পরেই, ২০২৭ সালের বিশ্বকাপে রোহিত ও কোহলির ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা চলছে। হেড কোচ গৌতম গম্ভীরের সঙ্গে সম্পর্ক নাকি তলানিতে ঠেকেছে দুই তারকা ক্রিকেটারের। বোর্ডের এক কর্তা জানিয়েছেন, “গৌতম গম্ভীরের সঙ্গে বিরাট কোহলি এবং রোহিত শর্মার সম্পর্ক যে জায়গায় থাকা উচিত ছিল সে জায়গাতে নেই খুব শীঘ্রই দুই তারকার সঙ্গে তাদের ক্রিকেট ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করতে চলেছে বিসিসিআই। সম্ভাবত দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় ওডিআই ম্যাচের মাঝেই মিটিংটি অনুষ্ঠিত হবে।”

    রোহিত-কোহলির গুরুত্ব

    বুধবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচের আগে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) ভারতের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর, নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান অজিত আগরকর এবং আরও কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে জরুরি বৈঠক ডেকেছে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে নেওয়া হল যখন টিম ইন্ডিয়ার তারকা খেলোয়াড় বিরাট কোহলি এবং রোহিত শর্মার ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা চলছে। সাম্প্রতিক ম্যাচগুলিতে দুর্দান্ত পারফর্ম করে উভয় খেলোয়াড়ই নিজেদের স্কিল ফের একবার চিনিয়ে দিয়েছেন৷ বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া, যুগ্ম সচিব প্রভাতেজ সিং ভাটিয়া, প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর এবং জাতীয় নির্বাচন কমিটির চেয়ারম্যান অজিত আগরকর এই বৈঠকে যোগ দিতে পারেন। এই বৈঠকের আগে দলের ভিতরে রোহিত-কোহলির গুরুত্ব নিয়ে আলোচনায় মেতেছেন ক্রিকেটাররা। বিরাট-ব্যাটে মুগ্ধতা ছড়িয়েছে রাহুল-কুলদীপ-তিলকদের মধ্যে।

  • SIR in Bengal: এনুমারেশন ফর্মে ভুল এন্ট্রি সংশোধনের সুযোগ! বিজ্ঞপ্তি জারি কমিশনের

    SIR in Bengal: এনুমারেশন ফর্মে ভুল এন্ট্রি সংশোধনের সুযোগ! বিজ্ঞপ্তি জারি কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বিরোধীদের দাবি মেনেই বিএলও অ্যাপে আনা হল বড় বদল। সোমবারই বদল আনা হয় অ্যাপে। এনুমারেশন ফর্ম (SIR in Bengal) সংগ্রহ করার পর বিএলও-রা অ্যাপের মাধ্যমে এন্ট্রি করে থাকেন। সেই অ্যাপে এবার এল ‘এডিট‘ অপশন। বিএলও-রা একবার নাম এন্ট্রি করে ফেললে সেটি আর বদলানোর কোনও উপায় ছিল না এতদিন পর্যন্ত। এবার নির্বাচন কমিশন এমন ব্যবস্থা চালু করল যে ইআরও-রা ওই অ্যাপে এডিট করতে পারবে। অর্থাৎ বিএলও-দের কোনও ভুল হলে ইআরও-রা তা পরিবর্তন করতে পারবে।

    ভুল এন্ট্রি হয়ে থাকলে সংশোধন

    কমিশন সূত্রে খবর, ভোটারদের তথ্য এন্ট্রি করার ক্ষেত্রে কোনও ভুল হয়ে থাকলে এ বার তা সংশোধন করা যাবে। সোমবারই এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করছে কমিশন (Election Commission)। জানানো হয়েছে, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর জন্য যে অতিরিক্ত সময় পাওয়া গিয়েছে, তার মধ্যে এই ভ্রম সংশোধনের কাজ সেরে ফেলতে হবে। ভোটারদের তথ্য ডিজিটাইজ করার সময় ‘ভুল এন্ট্রি’ করা নিয়ে সম্প্রতি নানা জায়গা থেকে অভিযোগ উঠছিল। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কমিশনের কাছে বিএলও এবং ইআরও-দের বিরুদ্ধে ভুল এন্ট্রি করার অভিযোগ এনেছিলেন। কারও কারও দাবি, বিএলএ-দের চাপে পড়ে অনেক ক্ষেত্রে ভুল এন্ট্রি করতে বাধ্য হচ্ছিলেন বিএলও-রা। সেই আবহেই এই পদক্ষেপ করেছে কমিশন। কমিশন সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এর কাজ ইতিমধ্যে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। তার পরেও অতিরিক্ত সময় পাওয়া গিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে কোথাও কোনও ভুল এন্ট্রি হয়ে থাকলে তা সংশোধন করতে পারবেন বিএলও-রা।

    বিরোধী দলনেতার অভিযোগকে মান্যতা

    উল্লেখ্য, শুভেন্দু অধিকারী সোমবার সংবাদমাধ্যমের সামনে অভিযোগ জানিয়েছেন, বিএলও-দের চাপ দিয়ে ওটিপি নিয়ে আইপ্যাকের লোকেরা অবৈধভাবে নাম ঢুকিয়ে দিচ্ছে। সোমবার শুভেন্দুর নেতৃত্বে বিজেপির প্রতিনিধিরা সিইও দফতরে হাজির হন। একাধিক দাবি জানিয়ে এদিন ডেপুটেশন দিয়েছেন তাঁরা। তারপরই কমিশনের এই সিদ্ধান্ত। পর্যবেক্ষক আসার পর বিএলও অ্যাপে এই আমুল পরিবর্তন করা হল বলে জানা যাচ্ছে। কমিশনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এমনিতেও ভুল এন্ট্রি থাকলে শুনানিপর্বে সব তথ্য যাচাই করা হবে। কিন্তু এখন জানানো হচ্ছে, ভুল এন্ট্রি আগে থেকেই সংশোধন করে ফেলতে হবে।

  • Khaleda Zia: “ভারত সহায়তা দিতে প্রস্তুত”, এবার প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানাল বাংলাদেশের বিএনপি

    Khaleda Zia: “ভারত সহায়তা দিতে প্রস্তুত”, এবার প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানাল বাংলাদেশের বিএনপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিলেন বাংলাদেশের পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র মার্কিন প্রবাসী সজিব ওয়াজেদ। তাঁর মাকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য মোদিকে ধন্যবাদও জানিয়েছিলেন তিনি। আওয়ামি লিগের পর এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করলেন বাংলাদেশের আর একটি রাজনৈতিক দল বিএনপি। সম্প্রতি বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার (Khaleda Zia) দ্রুত আরোগ্য কামনা করে বার্তা পাঠিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার পরেই মঙ্গলবার বিএনপির তরফে ধন্যবাদ জানানো হয় প্রধানমন্ত্রীকে।

    প্রধানমন্ত্রীর বার্তা (Khaleda Zia)

    বর্তমানে সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন খালেদা। বাংলাদেশের বছর আশির এই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবনতি সম্পর্কে জানতে পেরে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের জনজীবনে অবদান রেখে এসেছেন। তাঁর দ্রুত আরোগ্যের জন্য আমাদের আন্তরিক প্রার্থনা এবং শুভকামনা। আমরা যেভাবে পারি, ভারত সকল ধরনের সম্ভাব্য সহায়তা দিতে প্রস্তুত।” প্রসঙ্গত, শারীরিক অসুস্থতার কারণে খালেদা ভর্তি রয়েছেন এভারকেয়ার হাসপাতালে।

    বিএনপির প্রতিক্রিয়া

    প্রত্যুত্তরে, অফিসিয়াল অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিএনপি বলেছে, তাদের নেতার শারীরিক অবস্থার হঠাৎ অবনতি হওয়ার সময়ে সদিচ্ছাপূর্ণ উদ্যোগের জন্য তাঁরা প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছে। এক্স হ্যান্ডেলে তারা লিখেছে, “বিএনপি এই সদিচ্ছার উদ্যোগ এবং সাহায্য দেওয়ার প্রস্তুতি প্রকাশের খবর গভীরভাবে মূল্যায়ন করে (PM Modi)।” বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইতিহাসে নাম তুলে নিয়েছেন খালেদা। সম্প্রতি ফুসফুসের সংক্রমণের কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। পরে অবস্থা আরও খারাপ হওয়ায় চিকিৎসকরা তাঁকে হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে স্থানান্তর করেন। বিএনপি নেতারা জানান, তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। বিদেশি বিশেষজ্ঞ-সহ একটি মেডিক্যাল টিমের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন তিনি (Khaleda Zia)। হৃদযন্ত্র ও ফুসফুস সংক্রান্ত জটিলতা হঠাৎ করে তীব্র হয়ে ওঠায় ২৩ নভেম্বর তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    কী বলছে বিএনপি

    বিএনপি নেতারা বলেছেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কোনও উন্নতি হয়নি। দলের ভাইস-চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান জানান, চিকিৎসকরা প্রায় সব ধরনের চিকিৎসার পথ ব্যবহার করে দেখেছেন। তিনি বলেন, “তিনি অত্যন্ত সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছেন। সারা জাতির কাছে আবেদন দোয়া চাওয়া ছাড়া আর করার কিছুই করার নেই।” মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগিরও একই ধরনের মন্তব্য করেছেন। তিনি জানান, দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা দিন-রাত কাজ করে চলেছেন। তিনি বলেন, “তিনি (খালেদা) গুরুতর অসুস্থ। তাঁরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন।” সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভি জানান, রবিবার পর্যন্ত তাঁর অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয়নি।উল্লেখ্য, খালেদা (Khaleda Zia) দীর্ঘদিন ধরে লিভার ও কিডনির জটিলতা, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস এবং চোখের সমস্যা-সহ বেশ কয়েকটি দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করে আসছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য চার মাস লন্ডনে থাকার পর গত ৬ মে ঢাকায় ফিরে আসেন তিনি।

    শারীরিক অবস্থার উন্নতি

    বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, খালেদার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। সোমবার তিনি সামান্য নড়াচড়া করেছেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে কথাবার্তায় সাড়াও দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা। খালেদার চিকিৎসা করছে চিকিৎসকদের যে টিম, তাদের বক্তব্য, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেও, তিনি এখনও ঝুঁকি মুক্ত নন। লিভারজনিত জটিলতা, কিডনির কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট-সহ একাধিক সমস্যা সামলে তাঁর চিকিৎসা করতে হচ্ছে বিশেষ সতর্কতায়। পরে ফের অবস্থার অবনতি হওয়ায় খালেদাকে রাখা হয়েছে আইসিইউ সমমানের হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ)। মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, খালেদা জিয়া চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন। তবে বিদেশযাত্রার মতো স্থিতিশীলতা এখনও আসেনি। চিকিৎসকদের লক্ষ্য, তাঁকে ধীরে ধীরে এমন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া, যেখানে বিমানযাত্রা করতে কোনও কষ্ট না হয় তাঁর (PM Modi)।

    চিন থেকে এল চিকিৎসক দল

    এদিকে, সোমবারই চিন থেকে বাংলাদেশে গিয়েছেন একদল চিকিৎসক (Khaleda Zia)। সন্ধ্যায়ই তাঁরা খালেদার চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় আলোচনাও সেরে নিয়েছেন। এই মেডিক্যাল বোর্ডে বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ছাড়াও রয়েছেন আমেরিকার জন হপকিনস হাসপাতালের এক চিকিৎসক এবং লন্ডনের এক চিকিৎসক। এর পরেও সাহায্য নেওয়া হচ্ছে চিনা বিশেষজ্ঞদের। অন্যদিকে, ভারত ছাড়াও খালেদার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আরও কয়েকটি দেশও। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত তুরস্ক ও রাশিয়ার দূতাবাস থেকেও তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করা হয়েছে (PM Modi)। দিন কয়েক আগে খালেদার আরোগ্য কামনা করে বার্তা পাঠিয়েছিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও (Khaleda Zia)।

  • SIR in Bengal: মৃত ২১ লক্ষ, নিখোঁজ ৫ লক্ষ, ভুয়ো…! বাংলায় এখনও পর্যন্ত বাদের খাতায় ৪৩ লক্ষের বেশি ভোটার

    SIR in Bengal: মৃত ২১ লক্ষ, নিখোঁজ ৫ লক্ষ, ভুয়ো…! বাংলায় এখনও পর্যন্ত বাদের খাতায় ৪৩ লক্ষের বেশি ভোটার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR in Bengal) প্রক্রিয়ায় এখনও পর্যন্ত ৪৩ লক্ষ ৩০ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। কমিশনের (Election Commission) দেওয়া তথ্য় অনুযায়ী, সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মোট চারটি ক্ষেত্রে ভাগ করে প্রাথমিক পরিসং‌খ্যান জানানো হয়েছে। আপাতত খসড়া তালিকায় থাকছেন না এই ভোটাররা। এনুমারেশন ফর্ম বিলি এবং সংগ্রহের মাধ্যমেই তৈরি হয়েছে এই ‘বাদের তালিকা’। যাতে রয়েছে মৃত, স্থানান্তরিত, নিখোঁজ এবং ভুয়ো ভোটার।

    কাদের নাম বাদ যাচ্ছে তালিকায়

    কমিশন জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ২১ লক্ষ ৪৫ হাজার মৃত ভোটার চিহ্নিত হয়েছে। নিখোঁজ ভোটারের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৫৩ হাজার। স্থানান্তরিত ভোটারের সংখ্যা সোমবার পর্যন্ত ১৫ লক্ষ ১৩ হাজার। ৯৮ হাজার ৬০০ ভুয়ো ভোটার চিহ্নিত হয়েছে। কমিশন সূত্রে বলা হয়েছে, এর মধ্যে নিঁখোজ ভোটারের যে পরিসংখ্যান প্রাথমিক ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, তার হেরফের হতে পারে। কারণ, নিখোঁজ হিসেবে যে ভোটারদের চিহ্নিত করা হয়েছে, তাঁদের কারও কারও খোঁজ মিললেও মিলতে পারে। কারণ, রবিবারই কমিশনের তরফে এসআইআর-এর সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ৪ ডিসেম্বরের বদলে ফর্ম বিলি ও সংগ্রেহর কাজ চলবে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। যদিও সংখ্যার অদলবদল হলেও, তা খুবই নগণ্য হবে বলেই মনে করছেন কমিশনের কর্তারা।

    কোন জেলায় কীরকম কাজ

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত শতাংশের বিচারে সবচেয়ে বেশি মৃত ভোটার চিহ্নিত হয়েছে উত্তর কলকাতা লোকসভা এলাকায়। আর সংখ্যার দিক থেকে তা সর্বাধিক উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। ফলে কমিশনের খাতায় এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারেই বলেই প্রাথমিক অনুমান সিইও দফতরের আধিকারিকদের। কিন্তু নির্দিষ্ট সংখ্যা কত, তা স্পষ্ট হবে ১৬ ডিসেম্বর। ওই দিনই খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। তাঁরা জানিয়েছে, রাজ্যে এখনও পর্যন্ত মোট ‘আনকালেক্টেড ফর্ম’ অর্থাৎ বিএলও-র কাছে ভোটারের তরফ থেকে জমা না পড়া এনুমারেশন ফর্মের পরিসংখ্যান ৭ শতাংশ। এছাড়াও একাধিক বিধানসভা কেন্দ্রে প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে ফর্ম ডিজিটাইজডের কাজ। এখনও পর্যন্ত এই ডিজিটাইজডের নিরিখে এগিয়ে রয়েছে বসিরহাট উত্তর। সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সেখানে ডিজিটাইজড হয়েছে ৯৬.০৫ শতাংশ ফর্ম। আনকালেক্টেড ফর্মের নিরিখেও ‘সাফল্য‘ পেয়েছে এই বিধানসভা কেন্দ্র। মাত্র ৩.৩৭ শতাংশ ফর্ম এখনও ‘আনকালেক্টেড‘, যা গোটা রাজ্য়ের নিরিখে সবচেয়ে কম। আর সবচেয়ে বেশি ‘আনকালেক্টেড ফর্ম‘ রয়েছে ব্যারাকপুরে। মোট ১৫.৬২ শতাংশ।

  • Daily Horoscope 01 December 2025: খরচ বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 01 December 2025: খরচ বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) ব্যবসায় মুনাফা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) ঋণমুক্তির সুযোগ পাবেন।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) প্রেমে নৈরাশ্য থেকে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর অশান্তির দায় আপনার কাঁধে চাপতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মিথুন

    ১) সকালের দিকে বন্ধুদের দ্বারা বিব্রত হতে পারেন।

    ২) শরীরে ব্যথা-বেদনা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) চিকিৎসকের কাছে যেতে হতে পারে।

    কর্কট

    ১) ভ্রমণে গিয়ে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা।

    ২) প্রেমের প্রতি ঘৃণাবোধ দেখা দিতে পারে।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে হবে অনেক বেশি।

    সিংহ

    ১) প্রেমের ব্যাপারে আবেগ সংযত রাখুন।

    ২) শরীরে ক্ষয় বৃদ্ধি।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কন্যা

    ১) খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বৈরী মনোভাবের জন্য ব্যবসায় শত্রু বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) ব্যবসায় লোকসান হবে।

    তুলা

    ১) আপনার বিষয়ে সমালোচনা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) সকালের দিকে একই খরচ বার বার হবে।

    ৩) নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত নিন।

    বৃশ্চিক

    ১) রক্তশূ্ন্যতা বাড়তে পারে।

    ২) বাইরের লোকের জন্য দাম্পত্য সম্পর্কে বিবাদ।

    ৩) চিন্তিত থাকবেন।

    ধনু

    ১) বিলাসিতার কারণে খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে বিবাদের জন্য মনঃকষ্ট।

    ৩) কোনও ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    মকর

    ১) অতিরিক্ত কাজের চাপে ক্লান্তিবোধ।

    ২) সন্তানের জন্য সম্মান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা।

    ৩) ধৈর্য্য ধরুন।

    কুম্ভ

    ১) ধর্ম সংক্রান্ত ব্যাপারে তর্কে জড়াতে পারেন।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সামান্য কারণে তর্ক হতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    মীন

    ১) কর্মস্থানে বন্ধুদের বিরোধিতা আপনাকে চিন্তায় ফেলবে।

    ২) বুদ্ধির ভুলের জন্য চাপ বৃদ্ধি।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

LinkedIn
Share