Tag: Madhyom

Madhyom

  • Sukanta Majumdar: “ময়না তদন্তের রিপোর্টে ধর্ষণ না লেখার চাপ দেওয়া হচ্ছিল”, বিস্ফোরক দাবি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “ময়না তদন্তের রিপোর্টে ধর্ষণ না লেখার চাপ দেওয়া হচ্ছিল”, বিস্ফোরক দাবি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে হত্যার ঘটনায় রাজ্য রাজনীতি উত্তাল। বিরোধী রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি থেকে শুরু করে মেয়েদের রাত দখল, একাধিক সামাজিক ও নাগরিক সংগঠনের লাগাতার মিছিল-অভিযান, ডাক্তারি পড়ুয়াদের আন্দোলন— জনমনে ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। সিবিআই-এর তদন্তে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। এই প্রেক্ষিতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) অভিযোগ তুলে বলেন, “ময়না তদন্তের রিপোর্টে ধর্ষণ না লেখার জন্য চিকিৎসকদের চাপ দেওয়া হচ্ছিল।”

    ঠিক কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) তৃণমূল সরকার এবং পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক হয়ে বলেন, “৯ অগাস্টের দিন থেকেই ধর্ষণ করে খুনের বিষয়ে পুলিশ তৃণমূলের নির্দেশে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এই ঘটনায় আরও অনেকে জড়িত। নির্যাতিতার বাড়ির লোকজনকে আত্মহত্যার কথা বলা হয়েছিল। হাসপাতালের প্রাক্তন অ্যাসিস্ট্যাণ্ট সুপার দাবি করেছেন, খবর শুনে পরিবার অসুস্থ হতে পারেন তাই আত্মহত্যার কথা বলেছিলেন। চাদর বদলের অভিযোগ উঠেছে, একটি ভিডিও থেকে দেখা যাচ্ছে ঘটনাস্থলে থিকথিক করছে মানুষের ভিড়। ময়না তদন্তের রিপোর্টের শেষ লাইনে লেখা হয়েছে ধর্ষণ। সেই লাইনটা বাদ দিতে চেয়েছিলেন সন্দীপ ঘোষ এবং তাঁর দলবল। তবে যাঁরা তদন্ত করেছিলেন তাঁদের মধ্যে দুই মহিলা চিকিৎসক বলেন, এই লাইন বাদ দিলে আমরা সই করব না। আমি ধন্যবাদ জানাই ওই দুই মহিলা চিকিৎসককে।”

    আরও পড়ুনঃ ‘‘আপনার মা-বোনেদের…’’! কুরুচিকর মন্তব্য তৃণমূল নেতার, তুলোধনা সুকান্তর

    ধর্মতলায় টানা ধর্না অবস্থান বিক্ষোভ

    আরজি কর-কাণ্ডে এখনও পর্যন্ত মাত্র সঞ্জয় রায়কেই গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রথমে পুলিশ তদন্ত করলেও কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্তে নেমেছে। রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্ট তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। প্রাক্তন অধ্যক্ষকে টানা জিজ্ঞাসবাদ করছে সিবিআই। দেহপাচার থেকে আর্থিক তছরুপ, প্রায় ১৫টি অভিযোগ ঝুলে আছে সন্দীপের মাথার উপর। এদিকে রাজ্যের বিরোধী দল হিসেবে বিজেপি শ্যামবাজারের পর ধর্মতলায় টানা ধর্না অবস্থান বিক্ষোভ চলছে। ইতিমধ্যে রাজ্যের মহিলা কমিশনের দফতরে মহিলা মোর্চার পক্ষ থেকে অভিযান করে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। জেলায় জেলায় থানা এবং ব্লক অফিস ঘেরাও কর্মসূচিও করছে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “প্রস্তুত থাকুন…বিধানসভায় দেখা হবে”, মমতার উদ্দেশে হুঙ্কার শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “প্রস্তুত থাকুন…বিধানসভায় দেখা হবে”, মমতার উদ্দেশে হুঙ্কার শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রস্তুত থাকুন। কী ভাষায় উত্তর দিতে হয়, আমরা বুঝিয়ে দেব। বিধানসভায় দেখা হবে।” এই ‘হুঙ্কার’ যাঁকে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), সেই তাঁকেই রবিবার কটাক্ষ করেছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও।

    বিশেষ অধিবেশন (Suvendu Adhikari)

    আরজি করকাণ্ডের (RG Kar Incident) জেরে আজ, সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে দু’দিনের বিশেষ অধিবেশন। ধর্ষকদের ফাঁসির সাজার ব্যবস্থা করতেই বসছে বিশেষ অধিবেশন। মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত বিল পেশ হবে বিধানসভায়। সোমবার দুপুর ২টোয় বসবে অধিবেশন। এদিন শোকপ্রস্তাবের পরেই শেষ হয়ে যাবে অধিবেশন। শোকপ্রস্তাবে আরজি করকাণ্ডে নির্যাতিতার উল্লেখ থাকবে কিনা, সে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। তবে বিধানসভার এই বিশেষ অধিবেশন যে উত্তাল হবে, সে ব্যাপারে পদ্ম শিবিরে ইঙ্গিত মিলেছিল আগেই। রবিবার বিকেলে রীতিমতো হুঙ্কার দিলেন শুভেন্দু। ধর্মতলায় চলছে বিজেপির সপ্তাহব্যাপী ধর্না অবস্থান। সেখানে আসেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    শুভেন্দুর হুঙ্কার

    শুভেন্দু বলেন (Suvendu Adhikari), “আরজি কর ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কোন ভাষায় জবাব দিতে হয়, তা আমাদের জানা আছে। দল হিসেবে বিজেপি বিধানসভায় তা দেখিয়েও দেবে।” ধর্ষণ করলেই ফাঁসির সাজা হবে। এই মর্মে আইন করতে বিধানসভায় বিল আনতে চলেছে রাজ্য সরকার। দশ দিনের মধ্যে এই বিল পাশ করানো হবে বলেও মেয়ো রোডে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সমাবেশে ঘোষণা করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। সেই মতো এদিন বসতে চলেছে বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন।

    আরও পড়ুন: “নাটক বন্ধ করুন মমতা”, ধর্ষণ-বিরোধী বিলকে কটাক্ষ দিলীপের

    রবিবারই বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ  ধর্ষণ-বিরোধী বিল আনতে উদ্যোগী হওয়ায় রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করেছিলেন। বলেছিলেন, “প্রকাশ্যে মহিলাদের ওপর হামলা হচ্ছে। আরজি করে মহিলার মৃতদেহের ময়না তদন্তের সময় বাড়ির লোককে রাখা হয়নি। যারা অপরাধীদের আড়াল করছে, তারা কোন মুখে বড় বড় কথা বলে?” তিনি বলেছিলেন, “আজ নাটক করছে, ফাঁসির আইন আনবে। কে অধিকার দিয়েছে আইন করার? এই নাটক বন্ধ করুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”

    বস্তুত, ধর্ষণ রুখতে কড়া সাজার সংস্থান রয়েছে কেন্দ্রেরই নয়া আইনে। তার পরেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর আলাদা আইন আনার (RG Kar Incident) উদ্যোগ আসলে আইওয়াশের চেষ্টা বলেই দাবি (Suvendu Adhikari) ওয়াকিবহাল মহলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Morning Walk: মর্নিং ওয়াকেই রয়েছে ম্যাজিক! সকালে নিয়মিত হাঁটলে গায়েব হবে কোন কোন রোগ?

    Morning Walk: মর্নিং ওয়াকেই রয়েছে ম্যাজিক! সকালে নিয়মিত হাঁটলে গায়েব হবে কোন কোন রোগ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠা। আর তার পরেই অন্তত তিরিশ মিনিট বাড়ির সামনের পার্কে হাঁটা (Morning Walk)। ব্যাস! তাতেই রয়েছে ম্যাজিক! সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি রয়েছে এই অভ্যাসেই। এমনটাই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, সুস্থ জীবন যাপনের জন্য কম বয়স থেকেই এই অভ্যাস রপ্ত করা জরুরি। সকালে হাঁটার এই অভ্যাস একাধিক রোগের মোকাবিলা করে। শরীর সুস্থ রাখে। পাশপাশি মানসিক স্বাস্থ্যও ভালো রাখে। আসুন, এক নজরে দেখে নিই, কোন কোন রোগের মোকাবিলা করতে পারে মর্নিং ওয়াক?

    হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, মর্নিং ওয়াক হৃদযন্ত্র সুস্থ ও কার্যকর রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। তারা জানাচ্ছে, সকালে নিয়মিত হাঁটলে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা ঠিক মতো হয়। শরীরে রক্তসঞ্চালন ঠিকমতো হলেই হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। তাই নিয়মিত মর্নিং ওয়াক হার্ট অ্যাটাকের মতো ঝুঁকিও (Disease) কমাতে সাহায্য করে।

    কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ (Morning Walk)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, নিয়মিত সকালে হাঁটলে কমবে কোলেস্টেরলের ঝুঁকি। নিয়মিত মর্নিং ওয়াক করলে এলডিএল নামক ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে। আবার এইচডিএলের মতো ভালো কোলেস্টেরল তৈরি হয়। ফলে একাধিক শারীরিক সমস্যার ঝুঁকি কমে। কোলেস্টেরলের পাশপাশি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতেও সাহায্য করে। নিয়মিত মর্নিং ওয়াক করলে রক্ত সঞ্চালন ভালোভাবে হয়। তাই উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা তৈরির ঝুঁকি কমে।

    স্থূলতা মোকাবিলায় সাহায্য করে

    নিয়মিত সকালে হাঁটলে (Morning Walk) স্থূলতাকে সহজেই কাবু করা সম্ভব। এমনটাই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, সকালে হাঁটলে ক্যালরি সহজেই ঝরে যায়। মেদ কমানোর সহজ উপায় মর্নিং ওয়াক। তাই স্থূলতার সমস্যা থেকে নিস্তার মেলা সহজ হয়।

    পেশি ও হাড়ের সমস্যা কমায়

    পেশি ও হাড়ের সমস্যা কমানোর জন্য শারীরিক কসরত খুব গুরুত্বপূর্ণ। মর্নিং ওয়াক শারীরিক কসরতের একটি অত্যন্ত ভালো উপায়। শরীরের বিভিন্ন পেশির কার্যক্ষমতা বাড়ায়, আবার দেহের জয়েন্টগুলোকেও সচল রাখে। তাই পেশি ও হাড়ের ব্যথা কমাতে নিয়মিত মর্নিং ওয়াক বিশেষ উপকারী।

    মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখে (Morning Walk)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, শরীরের পাশপাশি মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও মর্নিং ওয়াক বিশেষ উপকারী। মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, মানসিক চাপ, অবসাদের মতো একাধিক মানসিক সমস্যা বাড়ছে। নিয়মিত মর্নিং ওয়াক করলে এই ধরনের সমস্যা কমবে। তারা জানাচ্ছে, মর্নিং ওয়াক করলে স্ট্রেস হরমোন নিয়ন্ত্রণে থাকে। এছাড়াও একাধিক হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে। এর জেরেই মানসিক চাপ কিংবা অবসাদের মতো সমস্যার মোকাবিলা করা সহজ হয়।

    মস্তিষ্ক সক্রিয় রাখে, অ্যালজাইমারের ঝুঁকি কমায়

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, অ্যালজাইমারের মতো রোগের প্রকোপ বাড়ছে‌। স্মৃতিশক্তি জনিত সমস্যায় অনেকেই ভুগছেন। নিয়মিত মর্নিং ওয়াক করলে এই ধরনের রোগের ঝুঁকি কমবে।মর্নিং ওয়াক করলে একদিকে হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকছে, আরেকদিকে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হচ্ছে। স্নায়ু সক্রিয় থাকছে। এর ফলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই স্মৃতিশক্তিও ভালো থাকছে।

    কীভাবে মর্নিং ওয়াক করলে বাড়তি উপকার পাওয়া যাবে?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, মর্নিং ওয়াকের সময় কয়েকটি দিকে বিশেষ খেয়াল রাখা জরুরি। তবেই বাড়তি উপকার পাওয়া সম্ভব। 
    মর্নিং ওয়াকের শুরুতেই খুব দ্রুত হাঁটা কিংবা দৌড়ে হাঁটার মতো অভ্যাস না করারই পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌ তারা জানাচ্ছে, এতে খুব কম সময়েই হাঁফিয়ে উঠতে পারেন।‌ ফলে তিরিশ মিনিট হাঁটা সম্ভব হবে না। পায়ের জুতো খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, মর্নিং ওয়াক করার জন্য আরামদায়ক জুতো পরতে হবে। পেশিতে যাতে টান‌ না ধরে, সেদিকে খেয়াল রেখে জুতো নির্বাচন জরুরি। মর্নিং ওয়াক শুরুর আগে হালকা ওয়ার্ম আপ করা দরকার। যাতে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। ঘুম ভাব সম্পূর্ণ কেটে যায়। তবে মর্নিং ওয়াক শুরুর আগে পর্যাপ্ত জল খাওয়া জরুরি। কারণ মর্নিং ওয়াক করলে অনেকের অতিরিক্ত ঘাম হয়। এর ফলে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি (Disease) তৈরি হয়। তাই জল খাওয়া নিয়ে সচেতনতা জরুরি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: ‘‘আপনার মা-বোনেদের…’’! কুরুচিকর মন্তব্য তৃণমূল নেতার, তুলোধনা সুকান্তর

    North 24 Parganas: ‘‘আপনার মা-বোনেদের…’’! কুরুচিকর মন্তব্য তৃণমূল নেতার, তুলোধনা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর জি কর ইস্যুতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিরোধীরা। মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানানো হয়েছে। তৃণমূল সরকারকে তুলোধনা করেছেন আন্দোলনকারীরা। মুখ্যমন্ত্রী এই ইস্যুতে কয়েকদিন আগে দলীয় কর্মীদের ‘ফোঁস’ করার নিদান দিয়েছিলেন। এই আবহের মধ্যে আরজি করকাণ্ডের প্রেক্ষিতে যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে কুৎসা করছেন, তাঁদের মা-বোনের বিকৃত ছবি বাড়ির দেওয়ালে টাঙিয়ে দিয়ে আসার হুঁশিয়ারি দিলেন উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) অশোকনগরের তৃণমূল নেতা অতীশ সরকার ওরফে ঝঙ্কু। তাঁর এ হেন মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জোর চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।  

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল নেতা? (North 24 Parganas)

    মেয়ো রোডে তৃণমূলের ছাত্র পরিষদের সমাবেশে বক্তৃতা করতে গিয়ে  মুখ্যমন্ত্রী দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে বলেছিলেন, “যে আপনাকে রোজ কামড়াচ্ছে, তাকে কামড়াবেন না। কিন্তু, ফোঁস তো করতে পারেন।” দলনেত্রীর সেই ‘ফোঁস’ প্রসঙ্গ টেনে অশোকনগরের তৃণমূল নেতা অতীশ সরকার বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন। এক দলীয় কর্মসূচি থেকে অতীশ বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফোঁস করতে বলেছেন, সাবধান হয়ে যান। আমরা যদি পাড়ায় পাড়ায় ফোঁস করতে শুরু করি, তবে বাড়ি থেকে বার হতে পারবেন তো?” মমতার বিরোধিতা করলে ফল ভালো হবে না, এমন হুমকিও দেন অশোকনগরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর অতীশ। তাঁর স্ত্রী বর্তমানে ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। রবিবার সেখানেই আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে আয়োজিত এক পথসভা থেকে অতীশ বলেন, “আমরা যদি ফোঁস করি, তবে আপনার বাড়ির মা-বোনদের কুৎসা রটিয়ে যদি দরজায় টাঙিয়ে দিয়ে আসি, তা হলে সেই পোস্টার খুলতে পারবেন না। ওই দিন আর বেশি দূরে নেই। আমি এখানে দায়িত্ব নিয়ে বলে গেলাম।” অতীশের মন্তব্য প্রসঙ্গে অশোকনগরের তৃণমূল বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী বলেন, “এই বিষয়ে রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে আমার এবং আমাদের জেলা সভাপতি কাকলি ঘোষদস্তিদারের কথা হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: কৌশিকী অমাবস্যা শুরু, তারাপীঠে দেবীর ভোগে আজ থাকছে বিশেষ পদ

    ‘তৃণমূলের গুণধর লুম্পেন বাহিনী’, কটাক্ষ সুকান্তর

    বালুরঘাটের সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, অতীশের ওই বক্তব্যের অংশ এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছেন। সেখানে অতীশকে ‘তৃণমূলের গুণধর লুম্পেন বাহিনী’ বলে কটাক্ষ করেছেন সুকান্ত।

    <

    কী বলল বিজেপি?

     বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “রাজনীতি করলে এই ধরনের কথা বলার অধিকার কোথা থেকে এসেছে। পুলিশের (North 24 Parganas) উচিত ওদের গ্রেফতার করা।” রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র এবং কনভেনার দীপ্তিমান বসু জানিয়েছেন, এ ভাবে ভয় দেখিয়ে, হুমকি দিয়ে আন্দোলন রোখা যাবে না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “নাটক বন্ধ করুন মমতা”, ধর্ষণ-বিরোধী বিলকে কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Ghosh: “নাটক বন্ধ করুন মমতা”, ধর্ষণ-বিরোধী বিলকে কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডের (RG Kar Incident) জেরে আজ, সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে দু’দিনের বিশেষ অধিবেশন। ধর্ষকদের ফাঁসির সাজার ব্যবস্থা করতেই বসছে বিশেষ অধিবেশন। মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত বিল পেশ হবে বিধানসভায়। ধর্ষণ-বিরোধী যে বিল আনতে চলেছে রাজ্যের তৃণমূল সরকার, তা নিয়ে রাজ্যের শাসকদলকে নিশানা করলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।

    কী বললেন দিলীপ ঘোষ? (Dilip Ghosh)

    তিনি বলেন, “প্রকাশ্যে মহিলাদের ওপর হামলা হচ্ছে। আরজি করে মহিলার মৃতদেহের ময়নাতদন্তের সময় বাড়ির লোককে রাখা হয়নি। যারা অপরাধীদের আড়াল করছে, তারা কোন মুখে বড় বড় কথা বলে?” বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি বলেন, “আজ নাটক করছে, ফাঁসির আইন আনবে। কে অধিকার দিয়েছে আইন করার? এই নাটক বন্ধ করুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।” রবিবার বিকেলে হাওড়া থানা ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে বিজেপি। এদিন হাওড়া থানায় এসেছিলেন দিলীপও (Dilip Ghosh)। তিনি অবশ্য এসেছিলেন নবান্ন অভিযানে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া বিক্ষোভকারীদের দেখতে। হাওড়া হাসপাতালের ঘটনা প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, “গত ১২ বছর ধরে একজনই সুপারের পদে বসে রয়েছেন। এটা কীভাবে সম্ভব? নাবালিকাকে সিটি স্ক্যান করতে ভেতরে নিয়ে যাওয়া হল। অথচ সেখানে কোনও মহিলা কর্মী ছিলেন না!”

    আরও পড়ুন: ‘বাইরে অপরাধীরা, ভয়ে নির্যাতিতারা’, ধর্ষণের মামলার বিলম্ব নিয়ে সরব রাষ্ট্রপতি

    আইওয়াশের চেষ্টা রাজ্য সরকারের!

    প্রশ্ন হল, কেন ধর্ষণ-বিরোধী যে বিল বিধানসভায় আনা হচ্ছে, তাকে নাটক বললেন দিলীপ? রাজনৈতিক মহলের মতে, নিছক আইওয়াশ করতেই বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন ডেকে আরজি করকাণ্ডে উদ্ভুত পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই চেষ্টা তিনি আগেও করেছেন। চিকিৎসক খুনের পরে পরেই ধর্ষকের শাস্তির দাবিতে পথে নেমে পড়েছিলেন তিনি। এবার আনতে চলেছেন বিল। অথচ, দেশের নয়া আইনেই ধর্ষককে কড়া শাস্তি দেওয়ার সংস্থান রয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং।

    দিন দুই আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অন্নপূর্ণ দেবী জানিয়েছিলেন, রাজ্যে একাধিক অতিরিক্তি ফাস্ট ট্র্যাক স্পেশাল কোর্ট চালু হয়নি। মন্ত্রীর দাবি, তার জেরে বকেয়া রয়েছে ধর্ষণ ও পকসো সংক্রান্ত কয়েক হাজার মামলা। সে সব ব্যাপারে কোনও উদ্যোগ না নিয়েই বিশেষ অধিবেশন ডেকে মমতা যে ‘নাটক’ করছেন, দিলীপ (Dilip Ghosh) তাঁকেই কটাক্ষ করেছেন (RG Kar Incident) বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশেষজ্ঞ নন, লাল জামা পরা ব্যক্তি অভীক দে-ই! পুলিশের দাবি খারিজ আইএমএ-র

    RG Kar Incident: ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশেষজ্ঞ নন, লাল জামা পরা ব্যক্তি অভীক দে-ই! পুলিশের দাবি খারিজ আইএমএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যালে (RG Kar Incident) চিকিৎসকের দেহ উদ্ধারের দিন সেমিনার হলে কারা ছিলেন? বারবার ফিরে আসছে এই প্রশ্ন। তথ্য প্রোমাণ লোপাটের চেষ্টায় সেদিন কী সেমিনার রুমে জড়ো হয়েছিল অনেক মাথা, এমন প্রশ্নও উঠছে। আরজি কর মেডিক্যালের সেমিনার হলে লাল জামা পরা ব্যক্তি এসএসকেএম মেডিক্যাল কলেজের সার্জারি বিভাগের প্রথম বর্ষের পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনি অভীক দে। নিজেদের দাবিতে অনড় রয়েছে আইএমএ-র রাজ্য শাখা। যদিও ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (IMA) পশ্চিমবঙ্গ শাখার দাবি খারিজ করে লালবাজার সূত্রে খবর, ওই ব্যক্তি কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশেষজ্ঞ আনিসুর রহমান। চুলের ধরন দেখে আনিসুরকে অভীক বলে মনে হচ্ছে বলে পুলিশের সূত্র উদ্ধৃত করে ওই রিপোর্টে জানানো হয়েছে। 

    কী বলছে আইএমএ

    কলকাতা পুলিশের দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে চিকিৎসকদের সংগঠন ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন। পাশাপাশি, এই বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করার জন্য কলকাতা পুলিশকে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে চিকিৎসকদের সংগঠন। প্রাথমিকভাবে আএএমএ-র দাবি খারিজ করলেও, এবিষয়ে নতুন করে আর কোনও বক্তব্য মেলেনি কলকাতা পুলিশের তরফে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তারা লিখেছে, ‘আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে পারি ওই ব্যক্তি অভীক দে। ৪১ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও কলকাতা পুলিশ বলেনি, লাল জামা পরা ব্যক্তি অভীক দে নন। অভীক দে নিজেও সামনে এসে সেমিনার হলে থাকার কথা অস্বীকার করেননি।’ আইএমএ বেঙ্গল অ্যাকশন কমিটির সদস্য অভীক ঘোষ বলেন, মানুষের কাছে এটা খুব পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে যে, সেদিনকে আরজি করে ক্রাইম সিনে ঘটনা ঘটার পর বহু মানুষ ঢুকেছেন। বহু মানুষ ঢোকার জন্য নিশ্চিতভাবে সেখানে তথ্যপ্রমাণ বিকৃতি হতে বাধ্য।

    পুলিশের দাবি

    গত শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়ায় দুটি ছবি ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল। তাতে দাবি করা হয়েছিল যে আরজি কর (RG Kar Incident) মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের সেমিনার হলের মধ্যে ওই ছবি তোলা হয়েছে। সাদা চাদর দিয়ে ঘেরা অংশের মধ্যেই তরুণী চিকিৎসকের (স্নাতকোত্তরের দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়া) দেহ ছিল। সেই পরিস্থিতিতে ‘ক্রাইম সিন’-এ এত লোকজন ছিলেন কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। পরবর্তীতে কলকাতা পুলিশের তরফে সাংবাদিক বৈঠক করে দাবি করা হয় যে ওই দুটি ছবিতে যাঁদের যাঁদের দেখা গিয়েছে, তাঁদের সকলেই পুলিশ বা ফরেন্সিক বিভাগের প্রতিনিধি। তাঁরা কেউ বহিরাগত নন। তবে দ্বিতীয় ছবিতে লাল জামা পরিহিত এক ব্যক্তিকে নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। পুলিশের তরফে দাবি করা হয় যে ওই ব্যক্তি হলেন ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশেষজ্ঞ। যাঁর মাথায় মধ্যবর্তী অংশে টাক ছিল।

    আরও পড়ুন: ‘বাইরে অপরাধীরা, ভয়ে নির্যাতিতারা’, ধর্ষণের মামলার বিলম্ব নিয়ে সরব রাষ্ট্রপতি

    অভীক দে-এর পরিচয়

    অভিযোগ উঠেছে, স্বাস্থ্যক্ষেত্রে যে সিন্ডিকেট আছে, সেটা চালায় ‘উত্তরবঙ্গ লবি’। আর অভীক সেই লবির অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি। ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের পশ্চিমবঙ্গ শাখার দাবি, যেভাবে স্নাতকোত্তর কোর্সে ভর্তি হয়েছিলেন অভীক, তা নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে। সার্ভিস কোটায় যাতে ভর্তি হতে পারেন, সেজন্য তাঁকে ভুয়ো সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছিল। অভীক সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ বলেও দাবি করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “শহরটা যুদ্ধক্ষেত্র নয়”, নির্মম পুলিশি অত্যাচারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “শহরটা যুদ্ধক্ষেত্র নয়”, নির্মম পুলিশি অত্যাচারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্যের উপর হামলা চালানোটা হল একটা অপরাধ। এই শহরটা যুদ্ধক্ষেত্র নয়। ঠিক এই ভাবেই পুলিশ সামজিক মাধ্যমে বক্তব্য উপস্থাপন করেছে। এবার তার জবাব দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সাম্প্রতিক নবান্ন অভিযানের একটি ভিডিও শেয়ার করেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে পুলিশ বেধড়কভাবে আন্দলনকারীদের মারধর করছেন। শুভেন্দু মনে করিয়ে দেন, এভাবেই সেদিন পুলিশ মানবাধিকারকে লঙ্ঘন করেছিল। ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম।

    শহরকে যুদ্ধক্ষেত্র বানিয়েছে পুলিশ (Suvendu Adhikari)

    পুলিশের অমানবিক আচরণের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এক্স হ্যান্ডলে বলেছেন, “আমি রাজ্য পুলিশের সঙ্গে একমত যে অপরজনকে আঘাত করাটা একটা অপরাধ। এই শহরটা যুদ্ধক্ষেত্র নয়। কিন্তু ২০২৪ সালের ২৭ অগাস্ট ভুলে গেলেন? কেন কলকাতা পুলিশ এভাবে আন্দোলনকারীদের বেধড়ক মারধর করলেন? মেট্রো রেল স্টেশনে অরাজনৈতিক বিক্ষোভকারীদের উপর হামলা চালালেন হকি স্টিক নিয়ে! তাঁরা কী ওখানে কোনও ব্যারিকেড ভেঙেছিলেন? আপনারা এই শহরকে যুদ্ধক্ষেত্র বানিয়েছেন, আপনারা যুদ্ধের অপরাধকে সংগঠিত করছেন। নিজেদের একবার দেখুন এই ভিডিওতে। আপনারাও সাধু নন। তাই নিজেদের এভাবে উপস্থাপন করবেন না।”

    নির্মম অত্যাচারের ভিডিও

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, কলকাতা পুলিশ রীতিমতো টানতে টানতে নিয়ে যাচ্ছে বিক্ষোভকারীদের। মাটিতে ফেলে করা হচ্ছে মারধর। এরপর আরও এক আন্দোলনকারীকে বেধড়ক লাঠি দিয়ে পেটানো হচ্ছে। বড় বাজার এলাকায় এই ভাবে পুলিশ নির্মম অত্যাচার করেছে। টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছে সকলকে। একই ভাবে বিক্ষোভকারীদের দিকে পাথর ছুড়তেও দেখা গিয়েছে পুলিশকে।

    আরও পড়ুনঃ ফের প্রশ্নে বাংলার নারী নিরাপত্তা! নাবালিকা রোগী ও নার্সের শ্লীলতাহানির অভিযোগে তোলপাড়

    জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতি

    অপর দিকে,  আরজি কর হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে ন্যায়বিচারের দাবিতে জুনিয়র ডাক্তাররা কর্ম বিরতির ডাক দিয়েছেন। একাধিক কর্মসূচি নিয়েছেন তাঁরা। ঘরের আলো বন্ধ করে প্রদীপ জ্বালিয়ে প্রতীকী প্রতিবাদের কথা জানিয়েছেন। আজ সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর লালাবাজার অভিযানের ডাক দিয়েছেন তাঁরা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paris Paralympics: প্যারালিম্পিক্সের চতুর্থ দিনে জোড়া পদক! ২০০ মিটারে প্রীতির ব্রোঞ্জ, হাইজাম্পে রুপো নিশাদের

    Paris Paralympics: প্যারালিম্পিক্সের চতুর্থ দিনে জোড়া পদক! ২০০ মিটারে প্রীতির ব্রোঞ্জ, হাইজাম্পে রুপো নিশাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্যারিসে প্যারালিম্পিক্সের (Paris Paralympics) দৌড়ে এগিয়ে চলেছে ভারত। চতুর্থ দিনটা ভালোই গেল ভারতের জন্য। প্যারালিম্পিক্সে সুপার সানডে ভারতের শাটলারদের। গেমসের চতুর্থ দিনে ব্যাডমিন্টনে তিনটে রুপোর পদক জয় নিশ্চিত হয়ে গেল ভারতের। এবারে প্যারিস অলিম্পিক্সে ভারত পেয়েছিল ৬টি পদক। ইতিমধ্যেই সেই সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গিয়েছে প্যারালিম্পিক্সে (Paralympics 2024) ভারতের পদক জয়ের সংখ্যা। এখনও পর্যন্ত ৭টি পদক পেয়েছে ভারত। নিশ্চিত পদকের প্রত্যাশা করছেন অনেকেই। পদকজয়ীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    ব্যাডমিন্টনে বাজিমাত

    এতদিন প্যারালিম্পিক্সে (Paris Paralympics) ভারতের ছেলে শাটলাররাই পদক এনেছিলেন। মেয়েরা পিছিয়ে ছিলেন এবারই প্রথম পদক জেতা নিশ্চিত হয়েছে। মেয়েদের সিঙ্গলসের সেমিফাইনালে মুখোমুখি দুই ভারতীয়—মণীষা রামাদাস আর তুলাসিমাথি মুরুগেসান। এঁর মধ্যে একজন ফাইনালে উঠছেনই। যার অর্থ একটা কমপক্ষে রুপোর পদক প্রাপ্তি নিশ্চিত। ছেলেদের এসএল-৪ ক্যাটাগরির সেমিফাইনালেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন দুই ভারতীয় সুকান্ত কদম আর সুভাষ যতিরাজ। সুভাষ টোকিওতে রুপো পেয়েছিলেন। এই ম্যাচে সুভাষ বা সুকান্ত যেই জিতুন, কমপক্ষে রুপো ভারতের ঘরেই আসবে। ছেলেদের ব্যাডমিন্টনের এসএল-৩ ক্যাটাগরির সিঙ্গলসের ফাইনালে উঠেছেন ভারতেরই নীতেশ কুমার। ফাইনালে তাঁর সামনে ইংল্যান্ডের ড্যানিয়েল বেথেল। অর্থাৎ নীতেশ ফাইনালে হারলেও রুপোর পদক পাচ্ছেনই। 

    নজরে জ্যাভলিন

    সোমবার রাতে ভারতের সকলের নজরে থাকবেন জ্যাভেলিন থ্রোয়ার সুমিত আন্টিল। টোকিওতে সোনা জেতার পরে বিশ্ব মিটে বিশ্বরেকর্ড সহ সোনা পেয়েছিলেন পানিপতের এই যুবক। বিশ্ব প্যারা জ্যাভেলিন মহলে তাঁকে নীরজ চোপড়ার সঙ্গে তুলনা করা হয়। নীরজ প্যারিসে সোনা ধরে রাখতে পারেননি। সুমিতকে নিয়ে এবার সোনার স্বপ্ন দেখছে ভারত। 

    ইতিহাস প্রীতির

    প্যারিসে (Paris Paralympics) এবার ইতিহাস লিখলেন ভারতের প্রীতি পাল। গতবার শ্যুটার অবনী লেখারা দুটি পদক জিতেছিলেন একই সংস্করণে। এবার ভারতের দৌড়বিদ প্রীতি পালও সেই একই নজির গড়ে ফেললেন। আগেই ১০০ মিটারে জিতেছিলেন পদক, এবার ২০০ মিটারেও দেশকে পদক এনে দিলেন প্রীতি। এদিকে টোকিও অলিম্পিক্সে জেতা নিজের রুপোর পদক এবারও নিজের দখলেই রাখলেন ভারতীয় হাইজাম্পার। হাইজাম্পে টি৪৭ বিভাগে রুপো জিতলেন ভারতের নিশাদ কুমার। প্রীতি ও নিশাদের সাফল্যকে কুর্নিশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Draupadi Murmu: ‘বাইরে অপরাধীরা, ভয়ে নির্যাতিতারা’, ধর্ষণের মামলার বিলম্ব নিয়ে সরব রাষ্ট্রপতি

    Draupadi Murmu: ‘বাইরে অপরাধীরা, ভয়ে নির্যাতিতারা’, ধর্ষণের মামলার বিলম্ব নিয়ে সরব রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্যাতিতারা সমাজ থেকে পর্যাপ্ত সহযোগিতা পান না, এবার এমনই দাবি করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। আরজি কর কাণ্ড নিয়ে আগেই মুখ খুলেছিলেন তিনি। রবিবার নয়াদিল্লিতে সুপ্রিম কোর্টের ৭৫ বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে এবার বিচারবিভাগের কাছে তিনি প্রশ্ন করলেন, ধর্ষণের মতো সংবেদনশীল ঘটনায় কেন দেরিতে বিচার পাবেন নির্যাতিতারা? কেন মামলা ঝুলে থাকবে মাসের পর মাস? (President on Woman Safety)

    ‘ভয়ে কাটাচ্ছেন নির্যাতিতারা

    সুপ্রিম কোর্টের ৭৫ তম বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি (Draupadi Murmu) বলেন, ‘‘এটা খুবই দুর্ভাগ্যের যে আমাদের সামাজিক জীবনে একজন অপরাধী অপরাধ করার পরও নির্ভয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আর তাদের অপরাধের শিকার যাঁরা, তাঁরা ভয়ে রয়েছেন। যেন তাঁরাই কোনও অপরাধ করেছেন। অপরাধের শিকার হওয়া মহিলাদের অবস্থা তো আরও খারাপ। কারণ, সমাজের মানুষজনও তাঁকে সমর্থন করেন না।’’ তাঁর (President on Woman Safety) কথায়, ‘‘ধর্ষণের মতো মামলায় যখন বহু দেরিতে বিচার মেলে, তখন বিচার ব্যবস্থার উপর আস্থা হারিয়ে ফেলেন সাধারণ মানুষ। তখন তাঁদের মনে ধারণা হয়, বিচার প্রক্রিয়া এমনই অসংবেদনশীল।’’

    বিচারালয় মন্দির

    রাষ্ট্রপতির (Draupadi Murmu) মত, গ্রামের মানুষের কাছে বিচার বিভাগ ‘ঈশ্বরের সমান’। কারণ তাঁরা সেখানে ন্যায়বিচার খুঁজে পান। এর পরেই দ্রৌপদী বলেন, ‘‘একটা কথা আছে, ‘ভগবান কা ঘর দের হ্যায়, অন্ধের নেহি’। অর্থাৎ ভগবানের বিচারে বিলম্ব হতে পারে, কিন্তু অন্যায় হতে পারে না। এখন প্রশ্ন হল, কত বিলম্ব? বিচার পেতে কত দিন অপেক্ষা করবেন মানুষ? আমাদের এ বিষয়ে ভাবা উচিত। যত দিনে মানুষ শেষমেশ বিচার পান, তত দিনে তাঁর জীবন থেকে হাসি মুছে গিয়েছে। কেউ কেউ হয়তো বেঁচেও নেই। এ বার এই ধরনের ঘটনায় দ্রুত এবং সুষ্ঠু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার কথা ভাবতে হবে বিচার ব্যবস্থাকে।’’

    মামলায় বারবার স্থগিতাদেশ নয়

    আরজি কর কাণ্ডে আগে রাষ্ট্রপতি (Draupadi Murmu) বলেছিলেন, “যথেষ্ট হয়েছে। ছাত্র, ডাক্তার এবং নাগরিকরা যখন কলকাতায় প্রতিবাদ জানাচ্ছেন, তখন অপরাধীরা অন্যত্র ঘাপটি মেরে আছে। কোন সভ্য সমাজে মেয়ে-বোনদের উপর এমন নৃশংস নির্যাতন চলতে পারে না।” বলেছিলেন, মহিলাদের (President on Woman Safety) বিরুদ্ধে এই ধরনের জঘন্য অপরাধ প্রতিরোধে সামাজিক পরিবর্তনের আশু প্রয়োজন। এদিন তিনি এই সূত্র ধরেই বলেন, ‘‘সবার আগে বদলাতে হবে এই ‘স্থগিতাদেশের সংস্কৃতি’কে। মামলায় বারবার স্থগিতাদেশ জারি করার এই রীতি এ বার বদলানোর সময় এসেছে।’’

    আরও পড়ুন: ১৫৬টি ককটেল ওষুধ নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র, জানেন তালিকায় কী কী?

    বিচারবিভাগে মহিলারা

    এদিন শুধু সমালোচনাই নয়, সেই সঙ্গে বিচার ব্যবস্থায় মহিলাদের সংখ্যা বৃদ্ধি হতে দেখে খুশি রাষ্ট্রপতি। প্রসঙ্গত, রবিবারের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। ছিলেন কেন্দ্রীয় আইন ও বিচার প্রতিমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়ালও। এদিন সুপ্রিম কোর্টের পতাকা ও প্রতীকেরও উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি (President Draupadi Murmu)। একই সঙ্গে বিচারবিভাগীয় ব্যবস্থা যেসব সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে, সবাইকে একজোট হয়ে তার মোকাবিলা করার কথাও বলেন রাষ্ট্রপতি President on Woman Safety। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jagdeep Dhankhar: আরজি করকাণ্ডে সিব্বলকে নিশানা ধনখড়ের, কী বললেন জানেন?

    Jagdeep Dhankhar: আরজি করকাণ্ডে সিব্বলকে নিশানা ধনখড়ের, কী বললেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কলকাতার একটি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা মানবতাকে লঙ্ঘিত করেছে। কিছু বিচ্ছিন্ন কণ্ঠ এই যন্ত্রণাকে আরও বাড়িয়ে তুলছে।” কথাগুলি বললেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। ধনখড় এক সময় পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল ছিলেন। তাই শহর (RG Kar Incident) কলকাতা এবং এ রাজ্যের রাজনৈতিক আবহ তাঁর চেনা।

    সিব্বলকে আক্রমণ (Jagdeep Dhankhar)

    উপরাষ্ট্রপতির নিশানায় যিনি, তিনি প্রবীণ আইনজীবী তথা রাজ্যসভার সাংসদ কপিল সিব্বল। সিব্বল সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের হয়ে ধর্ষণ হত্যা মামলা লড়ছেন তিনি। এদিনের আগেও একবার ধনখড়ের চাঁদমারি ছিলেন সিব্বল। এক জনসভায় উপরাষ্ট্রপতি বলেছিলেন, “সুপ্রিম কোর্টের বারের একজন সদস্য ও সংসদেরও একজন সদস্য বলছেন যে কলকাতার ঘটনা একটি লক্ষণীয় ব্যাধি। এমন ঘটনা সাধারণত ঘটে থাকে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।”

    কী বললেন ধনখড়?

    রবিবার এইমস হৃষিকেশের একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল ধনখড় বলেন, “কলকাতার ঘটনার মতো ঘটনাগুলি সমগ্র সভ্যতাকে লজ্জায় ফেলে দেয়।” এর পরেই উপরাষ্ট্রপতি বলেন, “যখন মানবতা লজ্জিত হয়েছে, তখন কিছু বিচ্ছিন্ন কণ্ঠস্বর ওঠে। এই কণ্ঠস্বর উদ্বেগের কারণ হয়। তারা কেবল আমাদের অসহনীয় যন্ত্রণাকে আরও বাড়িয়ে দেয়। সংক্ষেপে বলতে গেলে, তারা আমাদের আহত বিবেকের ওপর নুনের ছিটে দিচ্ছে।” তারা বলে, “এটি একটি লক্ষনীয় অসুস্থতা, আকছার ঘটে এমন ঘটনা। যখন এমন মন্তব্য কারও কাছ থেকে আসে, যিনি একজন সাংসদ, একজন প্রবীণ আইনজীবী, তখন দোষের মাত্রা অত্যন্ত গুরুতর।”

    আরও পড়ুন: আর নমাজ বিরতি পাবেন না অসমের মুসলমান বিধায়করা, কেন জানেন?

    উপরাষ্ট্রপতি বলেন, “এই ধরনের শয়তানি চিন্তার কোনও অজুহাত হতে পারে না। আমি এমন ভুল পথে হাঁটা আত্মাগুলিকে তাদের চিন্তাভাবনা পর্যালোচনা করার এবং প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করার আহ্বান জানাই।” তিনি (Jagdeep Dhankhar) বলেন, “এটা এমন একটা মুহূর্ত নয়, যেখানে আপনাকে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে হবে। এই রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ একটি বিপজ্জনক। এটি আপনার পক্ষপাতিত্বকে হত্যা করে।”

    কর্মস্থলে চিকিৎসকদের নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন উপরাষ্ট্রপতি। বলেন, “একজন চিকিৎসক নিজেকে ঈশ্বরের পর্যায়ে রূপান্তরিত করতে পারেন না। তিনি কেবল একটি সীমা পর্যন্ত সাহায্য করতে পারেন। তিনি ঈশ্বরের নিকটস্থ।” ধনখড় বলেন, “চিকিৎসক, নার্স, কম্পাউন্ডার ও স্বাস্থ্যযোদ্ধাদের নিরাপত্তা অটুটভাবে (RG Kar Incident) সুরক্ষিত রাখা উচিত (Jagdeep Dhankhar)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share