Tag: Madhyom

Madhyom

  • Swadeshi Blessings: মাটির হাঁড়ি-কলসি-থালা-বাসন ফিরিয়ে আনছে ‘স্বদেশি ব্লেসিংস’, জানেন এর পরিচয়

    Swadeshi Blessings: মাটির হাঁড়ি-কলসি-থালা-বাসন ফিরিয়ে আনছে ‘স্বদেশি ব্লেসিংস’, জানেন এর পরিচয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছোটবেলায় রাজস্থানের তীব্র গরমে মাটির কলসির (Swadeshi Blessings) জল তাঁকে দিত অমৃত সুধা। মাটির হাঁড়ির স্বতন্ত্র গন্ধ তাঁর ছিল খুব প্রিয়। কিন্তু ছোট থেকে কৈশোর পেরিয়ে যখন তিনি তারুণ্য়ে প্রবেশ করেছেন, তখন মাটির হাঁড়-কলসি প্রায় হারিয়ে যেতে চলেছে। তার জায়গায় বাজার দখল করেছে প্লাস্টিক। আধুনিক প্রযুক্তি, নতুন কায়দা ঐতিহ্যকে দূরে ঠেলে দিয়েছে। প্লাস্টিকের বোতল হোক বা ফাইবারের পাত্র কোনওটাই স্বাস্থ্যকর নয়, তবু সহজলভ্য। মানুষ ঝুঁকেছে তার দিকেই। কাজ হারিয়েছেন শয়ে শয়ে মৃৎশিল্পী। এটা মেনে নিতে পারেনি মাটির ছেলে দত্তাত্রেয় ব্যাস। ১০০-র বেশি মৃৎশিল্পীকে নিয়ে তিনি তৈরি করলেন ‘স্বদেশি ব্লেসিংস’ নামে একটি সংস্থা। যাঁরা ফিরিয়ে আনলেন মাটির হাঁড়ি-কলসি-থালা-বাসন।

    কবে থেকে শুরু

    দত্তাত্রেয় জানান, “আমি কর্পোরেট জগতে খুশি ছিলাম। আমার পরিবারে কেউ কখনও উদ্যোক্তা হতে চাননি এবং আমারও এমন কোনও পরিকল্পনা ছিল না। লকডাউনের সময় বাড়ি থেকে কাজ চলছিল। বিকেলের দিকে গ্রামের পথে হাঁটতে বেরিয়েই একদিন চোখে পড়ল কুমোর-পাড়া (Artisanal Clay Utensils)। আমরা কয়েকজন মৃৎশিল্পীকে তাঁদের কারুকার্য বিক্রি করতে দেখলাম, তাঁদের জীবিকা পর্যটনের উপর নির্ভরশীল। লকডাউনের কারণে, তাঁরা কোনমতে দিন কাটাচ্ছিলেন।” দত্তাত্রেয় পরিবারের সকলের সঙ্গে কথা বলে ঠিক করেন, এই শিল্পীদের নিয়েই কিছু করবেন। 

    পথচলার প্রথম দিন

    দত্তাত্রেয় বলেন, “আমার পরিবার এবং আমি ওই শিল্পীদের (Swadeshi Blessings) সঙ্গে যোগাযোগ করি। আমার মা, বউদি, ভাই এবং আমি তাদের সাহায্য করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি।” তৈরি হয় ‘স্বদেশি ব্লেসিংস’। ২০২৩ সালে, চাকরি ছেড়ে পুরোপুরি ব্যবসায় নিবেদিত হন দত্তাত্রেয়। সীমিত সম্পদ এবং জ্ঞানের মাধ্যমে এই ব্যবসাকে ধীরে ধীরে বাড়াতে থাকেন তাঁরা। প্রথমে ইউটিউব, সোশ্যাল সাইটের সাহায্য নেন দত্তাত্রেয়রা। বর্তমানে, স্বদেশি ব্লেসিংস-এ রাজস্থান এবং তার বাইরের ১২০ জনেরও বেশি কারিগরের সঙ্গে কাজ করছে। দত্তাত্রেয় বলেন, “আমাদের কারিগররা আমাদের মেরুদণ্ড, তারা দক্ষ কারিগর, যাদের মধ্যে অনেকেই রাষ্ট্রপতি পুরস্কার বা ইউনেস্কো পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।” 

    আরও পড়ুন: টোকিও-র পর গীতাই ছিল আশ্রয়, খেলার সঙ্গে পড়াশোনাতেও উজ্জ্বল মনু

    মহিলা কারিগর

    স্বদেশি ব্লেসিংস-এর (Swadeshi Blessings) কারিগররা, প্রধানত মহিলা। উৎপাদনের প্রতিটি দিকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তাঁরা। মাটি সংগ্রহ (Artisanal Clay Utensils) এবং মেশানো থেকে শুরু করে সবকিছু কাজ তাঁরা নিজেরা করেন। এখানকার তৈরি পণ্যগুলি সীসা মুক্ত এবং ব্যবহারের জন্য নিরাপদ। কোম্পানিটি মগ, বাটি, ওয়াইন গ্লাস, কুকার, রান্নার হাঁড়ি, সসপ্যান, তাওয়া, কড়াই, মাটির হাঁড়ি, চা-প্রদীপের হোল্ডার, মূর্তি আরও অনেক কিছু তৈরি করে — সবই মাটি ব্যবহার করে। দত্তাত্রেয়র মতে, বর্তমানে তারা ৬৫ ধরনের রান্নার পাত্র বিক্রি করছে। প্রতিটি পণ্য ঐতিহ্যবাহী শিল্পকর্ম এবং আধুনিক সংবেদনশীলতার মিশ্রণ প্রতিফলিত করে। বিশ্বের প্রায় ২০টি দেশে মাটির তৈরি এই বাসন রফতানি করছে স্বদেশি ব্লেসিংস। বার্ষিক আয় আনুমানিক ৫ কোটি টাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ED: জ্যোতিপ্রিয় ঘনিষ্ঠ বারিকের রাজারহাটের ফ্ল্যাট থেকে ২০ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    ED: জ্যোতিপ্রিয় ঘনিষ্ঠ বারিকের রাজারহাটের ফ্ল্যাট থেকে ২০ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ঘনিষ্ঠ আব্দুল বারিক বিশ্বাসের ডেরায় হানা দেয় ইডি (ED)। বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে তাঁর উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বসিরহাটের সংগ্রামপুরের বাড়ি এবং রাজারহাটে ফ্ল্যাটে সাত সকালে হাজির হন ইডি আধিকারিকরা। দিনভর চলে তল্লাশি অভিযান। আর তাঁর বাড়়ি থেকে ইডি আধিকারিকরা কী কী বাজেয়াপ্ত করেছেন তা নিয়ে রাজ্যবাসীর বাড়তি আগ্রহ ছিল।

    রাজারহাটের ফ্ল্যাট থেকে কী মিলল? (ED)

    মঙ্গলবার ভোরে বসিরহাটের সংগ্রামপুরে বারিকের বাড়িতে ইডি (ED)  আধিকারিকরা আসেন। বেলা ২টো ২০ মিনিট নাগাদ বেরিয়ে যান তাঁরা। বারিকের রাইসমিলে প্রায় ১৩ ঘণ্টা ৫০ মিনিট অভিযান চালানোর পর সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিট নাগাদ বেরিয়ে যান ইডি আধিকারিকেরা। ইডি সূত্রে খবর, রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্তে বারিকের বসিরহাটের বাড়ি এবং রাজারহাটের ফ্ল্যাটে গিয়েছিলেন তাঁরা। সেখান থেকে মঙ্গলবার প্রায় ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে ইডি। ফ্ল্যাট থেকে প্রায় ৯ ঘণ্টা ২০ মিনিট পর বেরিয়ে যান ইডির আধিকারিকেরা।

    আরও পড়ুন: টোকিও-র পর গীতাই ছিল আশ্রয়, খেলার সঙ্গে পড়াশোনাতেও উজ্জ্বল মনু

    ট্রাক চালক থেকে কোটিপতি!

    স্থানীয় সূত্রের দাবি, এক সময় বারিক ছিলেন ট্রাকচালক। হতদরিদ্র পরিবার। পাচারচক্রে হাত পাকানোর পর তাঁর হাতে কোটি কোটি টাকা আসে। এরপরই প্রতিবেশীদের কাছে থেকে ৫ কাঠা জায়গা কিনে সংগ্রামপুরে (North 24 Parganas) অট্টালিকা তৈরি করেন। সিসি ক্যামেরা মোড়া তাঁর বাড়ি রাজপ্রাসাদকে হার মানাবে। বারিকের বিরুদ্ধে সোনা পাচারেরও অভিযোগ উঠেছিল। ২০১৫ সালে প্রচুর সোনা-সহ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল শুল্ক দফতর। কয়েক বছরের জন্য জেলেও গিয়েছিলেন। পরে, জামিনে মুক্তি পান। সূত্রের খবর, জেল থেকে বেরিয়ে পাচারের বদলে একাধিক ব্যবসা শুরু করেন বারিক। ইটভাটা, কয়লা, ট্রাকের ব্যবসা শুরু করেন। ওই সূত্রের দাবি, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও চালু করেন তিনি। এর পর ধীরে ধীরে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি পায় বারিকের। অভিযোগ, সেই সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক সভা- সমাবেশে নেতাদের সঙ্গে তাঁকে দেখা গিয়েছিল। সূত্রের দাবি, সেই সময়ে জ্যোতিপ্রিয়ের সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠতা’ তৈরি হয় বারিকের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paris Olympics 2024: টোকিও-র পর গীতাই ছিল আশ্রয়, খেলার সঙ্গে পড়াশোনাতেও উজ্জ্বল মনু 

    Paris Olympics 2024: টোকিও-র পর গীতাই ছিল আশ্রয়, খেলার সঙ্গে পড়াশোনাতেও উজ্জ্বল মনু 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টোকিওতে পিস্তল ঠিক থাকলে হয়ত আরও তিন বছর আগেই অলিম্পিক্স (Paris Olympics 2024) পদক জিততে পারতেন মনু ভাকের। কিন্তু ভাগ্য সেদিন সঙ্গ দেয়নি মনুর। তাই চোখের জলকে সঙ্গী করে খালি হাতেই দেশে ফিরেছিলেন অষ্টাদশী। কিন্তু হার মানেননি। অপরাজেয় মন্ত্র তাঁকে শিখিয়েছে গীতা। সময় পেলেই গীতা পড়েন তিনি। অর্জুনের উক্তি, কৃষ্ণের বাণী তাঁর পাথেয়। “কর্ম করে যাও, ফলের আশা করো না”, এটাই মনুর জীবনের একমাত্র মন্ত্র। তাই টোকিও থেকে ফিরেই লক্ষ্য স্থির করেছিলেন, মনু (Manu Bhaker)। প্যারিস ছিল পাখির চোখ। সেখানেই ইতিহাস গড়ে জোড়া পদক মনুর।

    প্রতি দিন পাঁচ ঘণ্টা অনুশীলন

    প্যারিস অলিম্পিক্সে (Paris Olympics 2024) ভারতের প্রথম পদক নিয়ে আসেন মনু (Manu Bhaker)। ১০ মিটার এয়ার পিস্তল শুটিংয়ে ব্রোঞ্জ পদক পান তিনি। এই প্রথম কোনও ভারতীয় মহিলা শুটার পদক জেতেন। ২০০২ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি হরিয়ানার ঝাজ্জর জেলার গরিয়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাঁর বাবা রামকিষণ ভাকের ছিলেন মার্চেন্ট নেভির ইঞ্জিনিয়র। মা সুমেধা একটি স্কুলের প্রিন্সিপাল। সেই স্কুলেই পড়াশোনা করেছেন মনু। ২০১৬ সালে প্রথম বার বন্দুক হাতে নেন তিনি। সেই বন্দুকটার দাম ছিল এক লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। ২৫ কিলোমিটার দূরে একটি শুটিং রেঞ্জে অনুশীলন করতে যেতেন মনু। প্রতি দিন পাঁচ ঘণ্টা করে অনুশীলন করতেন। ২০১৮-য় যুব অলিম্পিক্স গেমসে সোনার পদক জেতেন ভারতের পোস্টার-গার্ল।

    পাঁচ খেলায় পারদর্শী

    ১৪ বছর বয়সে শুটিং শুরু করেন মনু। তার আগে বক্সিং, টেনিস, স্কেটিং, ভলিবল, মার্শাল আর্টসের মতো খেলায় যুক্ত ছিলেন। জাতীয় গেমসে বক্সিং, টেনিস এবং স্কেটিংয়ে পদকও আছে মনুর। স্কুলে ভলিবল খেলতে গিয়ে চোখে চোট লাগে মনুর। ছোটবেলা থেকে বিভিন্ন খেলায় পারদর্শী হলেও তিনি বাধ্য হয়েছিলেন এমন খেলা বেছে নিতে যেখানে শারীরিক সংঘর্ষ নেই। তাই বক্সিং, টেনিস, স্কেটিং, ভলিবল ছেড়ে মনু বেছে নেন শুটিং। চোখে চোট লাগলেও লক্ষ্য স্থির মনুর। দ্রুত উন্নতি করেন শুটিংয়ে। পদক জয়ের পর  মনু বলেন, ”আমি খুব গীতা পড়ি। গীতা আমায় অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। অর্জুনের উক্তিটা আমার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। (আজ ফাইনালে) সেটা আমায় অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।” অদম্য লড়াই, জেদ, খেলার প্রতি মুহূর্তে মনের মধ্যে রেখেছেন গীতার বাণীকেই। শক্তি পেয়েছেন তা থেকেই। 

    আরও পড়ুন: কেরল থেকে সাইকেলে প্যারিস! ৩০টি দেশ ঘুরে অলিম্পিক্সের আসরে নীরজ-ভক্ত

    দিল্লি ও পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী

    মনুর (Manu Bhaker) বয়স এখন ২২ বছর। আরও একটি বা দুটি অলিম্পিক্সে অংশ নিতে পারেন তিনি। পেতে পারেন আরও সাফল্য। চলতি অলিম্পিক্সে (Paris Olympics 2024) ব্যক্তিগত বিভাগের পর ১০ মিটার এয়ার পিস্তলের মিক্সড ইভেন্টেও ব্রোঞ্জ জমিতেছেন মনু। এখনও মহিলাদের ২৫ মিটার এয়ার পিস্তল ইভেন্ট বাকি আছে। সেখানেও তাঁর দিকে তাকিয়ে আছে ভারত। শুটিং রেঞ্জের সঙ্গেই পড়াশোনাতেও স্বপ্রতিভ মনু ভাকের। দিল্লির লেডি শ্রীরাম কলেজে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছেন তিনি। ২০২১ সালে, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে বিএ (অনার্স) সহ স্নাতক হন। বর্তমানে, তিনি পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন নিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Daily Horoscope 31 july 2024: এই রাশির জাতকদের ভ্রমণে গিয়ে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা

    Daily Horoscope 31 july 2024: এই রাশির জাতকদের ভ্রমণে গিয়ে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) ব্যবসায় মুনাফা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) ঋণমুক্তির সুযোগ পাবেন। 

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) প্রেমে নৈরাশ্য থেকে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর অশান্তির দায় আপনার কাঁধে চাপতে পারে। 

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মিথুন

    ১) সকালের দিকে বন্ধুদের দ্বারা বিব্রত হতে পারেন।

    ২) শরীরে ব্যথা-বেদনা বৃদ্ধি পাবে। 

    ৩) চিকিৎসকের কাছে যেতে হতে পারে।

    কর্কট

    ১) ভ্রমণে গিয়ে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা।

    ২) প্রেমের প্রতি ঘৃণাবোধ দেখা দিতে পারে। 

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে হবে অনেক বেশি।

    সিংহ

    ১) প্রেমের ব্যাপারে আবেগ সংযত রাখুন।

    ২) শরীরে ক্ষয় বৃদ্ধি। 

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কন্যা

    ১) খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বৈরী মনোভাবের জন্য ব্যবসায় শত্রু বৃদ্ধি পাবে। 

    ৩) ব্যবসায় লোকসান হবে।

    তুলা

    ১) আপনার বিষয়ে সমালোচনা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) সকালের দিকে একই খরচ বার বার হবে। 

    ৩) নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত নিন।

    বৃশ্চিক

    ১) রক্তশূ্ন্যতা বাড়তে পারে।

    ২) বাইরের লোকের জন্য দাম্পত্য সম্পর্কে বিবাদ। 

    ৩) চিন্তিত থাকবেন।

    ধনু

    ১) বিলাসিতার কারণে খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে বিবাদের জন্য মনঃকষ্ট।

    ৩) কোনও ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    মকর

    ১) অতিরিক্ত কাজের চাপে ক্লান্তিবোধ।

    ২) সন্তানের জন্য সম্মান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা। 

    ৩) ধৈর্য্য ধরুন।

    কুম্ভ

    ১) ধর্ম সংক্রান্ত ব্যাপারে তর্কে জড়াতে পারেন।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সামান্য কারণে তর্ক হতে পারে। 

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    মীন

    ১) কর্মস্থানে বন্ধুদের বিরোধিতা আপনাকে চিন্তায় ফেলবে।

    ২) বুদ্ধির ভুলের জন্য চাপ বৃদ্ধি। 

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: মমতার নির্দেশকে অমান্য! শিলিগুড়িতে উচ্ছেদ অভিযানে বাধা তৃণমূল নেতার

    Siliguri: মমতার নির্দেশকে অমান্য! শিলিগুড়িতে উচ্ছেদ অভিযানে বাধা তৃণমূল নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশকে ফুৎকারে উড়িয়ে উচ্ছেদে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল শিলিগুড়ির (Siliguri) তৃণমূল নেতা দিলীপ বর্মনের বিরুদ্ধে। তিনি আবার শিলিগুড়ি পুরসভার মেয়র পরিষদ সদস্যও। সাধারণত এই ধরনের উচ্ছেদ অভিযানে বিরোধীরাও এই ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকেন, সেখানে তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতার এই ভূমিকা দলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে।

    হাজার টাকা ভাতা, রেশন লাগবে না (Siliguri)

    মঙ্গলবার শিলিগুড়ির (Siliguri) চম্পাসারি মোড়ে বাজার উচ্ছেদ অভিযানে যান শিলিগুড়ি পুরসভার কর্মীরা। তৃণমূল নেতা দিলীপ বর্মন সেই উচ্ছেদ অভিযানে বাধা দেন। উচ্ছেদ না করেই ফিরে যান পুরসভার কর্মীরা। ব্যবসায়ীরা সাফ বলেন, মাসে মাসে হাজার টাকা ভাতা, রেশন কিছুই লাগবে না। ডালরুটি খেয়েই আমাদের চলবে। ছেলেমেয়ে মানুষ করা ও সংসার চালাতে দোকান  করার জন্য একটু জায়গা ভিক্ষা চাই। 

    আরও পড়ুন: টয়োটা ফরচুনার, পাজেরো, জিপ কম্পাস, মারুতি জেন, তৃণমূল ব্লক সভাপতির গ্যারাজ যেন শো-রুম

    কী বললেন তৃণমূল নেতা?

    ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের দাবিতে সরব হয়ে উচ্ছেদ আটকে দেন দিলীপ বর্মন। ডাকাবুকো মেজাজে মেয়র গৌতম দেব ও  তৃণমূল কংগ্রেসকে কার্যত চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তৃণমূল নেতা বলেন, পুনর্বাসন দিয়েই উচ্ছেদ করতে হবে। তার জন্য আমি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে রাস্তায় বসব। এর জন্য দল আমাকে বাদ দিলে, কাউন্সিলর পদ কেড়ে নিলে আমি তা মেনে নেব। কিন্তু, ব্যবসায়ীদের জন্য এই লড়াই থেকে সরব না। আমি এখানে কাউন্সিলর হওয়ার পর ২০২২ সালে চম্পাসারিতে সাড়ে ১১ বিঘা জমি উদ্ধার করে দিয়েছি। সেই জমি আজও পুরসভা নিজের দখলে নেয়নি। একদিকে কেউ সরকারি জমি নিয়ে ব্যবসা করবে, অন্যদিকে উচ্ছেদের নামে গরিব মানুষকে পথে বসাবে, এটা আমি হতে দেব না। পুরসভার দায়িত্বে যিনি রয়েছেন এর দায় তাকে নিতে হবে।

    কী বলছেন ব্যবসায়ীরা?

    শিলিগুড়ি (Siliguri) চম্পাসারি মোড়ে এই বাজারে ১৩৯ জন ব্যবসায়ী রয়েছেন। কেউ ৩১ কেউ বা ৩৫ বছর ধরে এখানে দোকান করে আসছেন।  এদিন তাঁরা তৃণমূলের পতাকা নিয়েই পুরসভার অভিযানের প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।  শ্রীরাম সাহানি,মাম্পি সাহা, দুর্গাদেবীরা বলেন, পুনর্বাসন দিয়েই উচ্ছেদ করতে হবে। আমরা ডাল রুটি খেয়ে থাকতে চাই। দোকান করার মতো একটু জায়গা ভিক্ষা চাই।

     কী বললেন মেয়র?

    দলের মেয়র পরিষদ সদস্য এভাবে পুরসভার উচ্ছেদ অভিযানে বাধা দেওয়ায় কিছুটা হলেও চাপে পড়েছেন মেয়র (Trinamool Congress) গৌতম দেব। তিনি বলেন, জোর করে কিছু করব না। সকলের সঙ্গে আলোচনা করেই  উচ্ছেদ করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: উর্দি পরা অবস্থায় পুলিশ অফিসারকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মার তৃণমূল নেতার, শোরগোল

    Barrackpore: উর্দি পরা অবস্থায় পুলিশ অফিসারকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মার তৃণমূল নেতার, শোরগোল

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্তব্যরত অবস্থায় পুলিশের সাব ইন্সপেক্টরকে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল কাউন্সিলর ও তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বারাকপুর (Barrackpore) পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডে রানি রাসমণি ঘাট এলাকায়। আক্রান্ত পুলিশ অফিসারের নামে ওমকার বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের ট্র্যাফিক বিভাগে কর্মরত।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Barrackpore)

    জানা গিয়েছে, হামলার ঘটনাটি ঘটেছে গত ৩০শে এপ্রিল। পুরানো হলেও হামলার ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম) আর তাতেই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। পুলিশ অফিসারের বাড়ির (Barrackpore) কাছে দলীয় ব্যানার লাগানোকে কেন্দ্র করে গন্ডগোল বাধে। ঘটনাটি লোকসভা ভোটের সময়। তৃণমূল কাউন্সিলর রমেশ সাউ ও তাঁর দলবল এলাকায় দলীয় ব্যানার লাগাচ্ছিলেন। পুলিশ অফিসারের বাড়ির কাছে তৃণমূলের (Trinamool Congress) ব্যানার লাগানো নিয়ে তিনি আপত্তি জানান। এনিয়ে কাউন্সিলর রমেশ সাউ এবং তাঁর ছেলে বিমল সাউয়ের নেতৃত্বে গুন্ডা বাহিনী পুলিশ অফিসারের বাড়িতে রাত ১১ টা নাগাদ চড়াও হন। পুলিশ অফিসার ও তাঁর পরিবারের লোকজনকে অকথ্য ভাষায় তাঁরা গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ। পুলিশ অফিসার উর্দি পরে ছিলেন। তিনি এসবের আপত্তি জানান। সেই সময় পুলিশ অফিসারকে কাউন্সিলর এবং তাঁর ছেলে প্রকাশ্যে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক পেটান বলে অভিযোগ। হামলার ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল কাউন্সিলর জড়িত থাকায় বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া হয়। তাই, গত চার মাস বিষয়টি সামনে আসেনি। পরে, হামলার ভিডিও ভাইরাল হতেই চরম বেকায়দায় শাসক দল।

    আরও পড়ুন: টয়োটা ফরচুনার, পাজেরো, জিপ কম্পাস, মারুতি জেন, তৃণমূল ব্লক সভাপতির গ্যারাজ যেন শো-রুম

    অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর কী বললেন?

    অভিযুক্ত তৃণমূল (Trinamool Congress) কাউন্সিলর রমেশ সাউ বলেন, সামান্য ব্যানার লাগানো নিয়ে গন্ডগোল হয়েছিল। ওই পুলিশ অফিসারের স্ত্রী আমাদের গালাগালাজ করছিলেন। আমরা তার আপত্তি করি। এরপর ওই পুলিশ অফিসার এসে আমাকে মারধর করে। ছেলের ওপর হেলমেট নিয়ে চড়াও হয়। বঁটি দিয়ে কাটতে যায়। সেই সময় আমরা তাঁকে বাধা দিয়েছি। তাতে কিছুটা লেগে থাকতে পারে। পুরানো ঘটনা। আলোচনা করে বিষয়টি মিটে গিয়েছে। সেটা নিয়ে এখন চর্চা হওয়ার কথা নয়।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপি নেতা কৌস্তব বাগচী বলেন, এই রাজ্যে সাধারণ মানুষ, বিরোধী দলের সমর্থক তো দূরে থাক,পুলিশের নিরাপত্তাও বলে কিছু নেই। একজন পুলিশ কর্মীকে রাস্তায় ফেলে তৃণমূলের (Trinamool Congress) কাউন্সিলর পেটালেন, তার কোনও বিচার হবে না। আমরা চাই, দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি হোক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: বিধানসভার রাজনীতিকরণের অভিযোগে স্পিকারে অনাস্থা বিজেপির

    Suvendu Adhikari: বিধানসভার রাজনীতিকরণের অভিযোগে স্পিকারে অনাস্থা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অনাস্থা (No Confidence) আনল বিজেপি। মঙ্গলবার বিধানসভার সচিবের সঙ্গে দেখা করে বিমান বাবুর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সহ বিজেপি বিধায়করা। অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেওয়ার সময় অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন বিজেপি বিধায়করা। শুভেন্দু বাবু জানিয়েছেন, পক্ষপাতিত্তের অভিযোগে স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছেন তাঁরা।

    বিধানসভাকে দশকর্মা ভান্ডারে পরিণত অভিযোগ শুভেন্দুর (No Confidence)

    এদিন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “বিধানসভাকে দশকর্মা ভান্ডারে পরিণত করেছেন বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিধানসভা কার্যত দলীয় কার্যালয়ে পরিণত হয়ে গেছে। আমরা ফিরহাদ হাকিমের সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রতিবাদ করেছিলাম। আমাদের মুলতবি প্রস্তাব পড়তে পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। উল্টে আমাদের প্রতিবাদ, স্লোগানকে বাধা দেওয়ার জন্য দুই মিনিটের বেশি বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি। লোকসভা ভোটে যিনি তৃণমূলের প্রচার করেছেন, তাঁকে বিজেপির সদস্য বলে উল্লেখ করেছেন স্পিকার। যাহা মুখ্যমন্ত্রী তাহাই বিমান দা। মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ। তাই অধ্যক্ষের (No Confidence)  অপসারণ চাই। এই দলতন্ত্রের হাত থেকে মুক্তি চাই।”

    অহেতুক প্রসঙ্গে বিধানসভায় আলোচনার অভিযোগ (Suvendu Adhikari)

    জানা গিয়েছে, অনাস্থা প্রস্তাবে (No Confidence) মোট ১৮ টি নির্দিষ্ট অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে বিজেপির তরফে। বিজেপির অভিযোগ, বিধানসভার প্রশ্নোত্তর পর্বে কোনও আলোচনা হয় না। বিধানসভায় সব সময় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক মন্তব্য করা হয়। বিধানসভা এবং রাজ্য সংক্রান্ত বিষয়ের তুলনায় অন্যান্য রাজ্য এবং কেন্দ্র নিয়ে বেশি আলোচনা হয়। এহেন কর্মকাণ্ড বিধানসভার রীতি নয়। প্রধানমন্ত্রীকে অপমানজনক মন্তব্য করা হয় বিধানসভা থেকে। রাজ্যের বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে চাইলে, বিরোধীদের সেই আলোচনা করতে দেওয়া হয় না। উল্টে মনিপুর, উত্তরপ্রদেশের অবাঞ্ছিত ঘটনার উদাহরণ দেওয়া হয়। প্রতি সোমবার বিধানসভায় পুলিশ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা।

    আরও পড়ুন: জ্যোতিপ্রিয়-ঘনিষ্ঠ বারিক ট্রাকচালক থেকে কোটি কোটি টাকার মালিক! উল্কার গতিতে উত্থান কোন পথে?

    কিন্তু পুলিশ মন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী ওই আলোচনা সময় বিধানসভায় উপস্থিত থাকেন না বলে অভিযোগ (Suvendu Adhikari) বিজেপি বিধায়কদের।

     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Metro: ৫ অগাস্ট থেকে বাড়ছে মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের সময়সীমা, জানুন টাইমটেবিল

    Kolkata Metro: ৫ অগাস্ট থেকে বাড়ছে মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের সময়সীমা, জানুন টাইমটেবিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা মেট্রো (Kolkata Metro) যাত্রীদের জন্য দারুণ খবর। আগামী ৫ অগাস্ট থেকে বদলে যাচ্ছে সময়সূচি। কবি সুভাষ (Kabi Subhash) থেকে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় পর্যন্ত মেট্রো অরেঞ্জ লাইনের পরিষেবার সময় বাড়ানো হচ্ছে বলা জানা গিয়েছে। সকালে প্রথম মেট্রো ছাড়ার সময় কিছুটা পিছিয়ে আনা হয়েছে এবং শেষ মেট্রো ছাড়ার সময় রাত পর্যন্ত কিছুটা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে আগে থেকে সময় অনেকটাই বেড়েছে। যাত্রীর সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকে সপ্তাহে ৫ দিন নয়, ৬ দিন মিলবে মেট্রো।

    মেট্রো রেলের বিবৃতি (Kolkata Metro)

    মেট্রো একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, পরিষেবা আরও উন্নত সহজ করতে মেট্রো রেক চালানো হবে স্টেশনগুলিতে। এতদিন এই ‘অরেঞ্জ’ লাইনের আপ এবং ডাউন লাইনে মোট ৪৮টি রেক চলতো। এবার থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪। দুই স্টেশনেই এবার থেকে মেট্রো চলবে সকাল ৮টা থেকে। যদিও এতদিন চলছিল সকাল ৯টা থেকে। অপর দিকে এত দিন পর্যন্ত বিকেল ৪টে ৪০ মিনিট পর্যন্ত শেষ মেট্রো চলত। এবার থেকে সেই ট্রেনের সময় বেড়ে দাঁড়াল রাত্রি ৮টা পর্যন্ত। ক্রমশ যাত্রীদের সংখ্যা বৃদ্ধি হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    জনসংযোগ আধিকারিকের বক্তব্য

    মেট্রোরেলের (Kolkata Metro) জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলেছেন, “মেট্রোরেল মূলত চালানো হয় কলকাতাবাসীর সুবিধার কথা মাথায় রেখেই। অনেক দিন ধরেই অরেঞ্জ লাইনে পরিষেবা বৃদ্ধি করার জন্য অনুরোধ বার বার আসছিল। ওই লাইনে বেশ কয়েকটি হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সে ক্ষেত্রে অনেকেই প্রতিদিন যাতায়াত করেন। এই সব কথা চিন্তা করেই পরিষেবা বৃদ্ধি করছি আমরা।”

    আরও পড়ুনঃ জামিন পেলেও এখনই ছাড়া পাচ্ছেন না কেষ্ট মণ্ডল, থাকতে হবে তিহাড়েই

    বাসনো হবে এএসসিআরএম মেশিন

    মেট্রোতে (Kolkata Metro) অরেঞ্জ লাইনে নিউ গড়িয়া (Kabi Subhash) থেকে রুবি পর্যন্ত যেতে মানুষের ব্যাপক সাড়া মিলেছে বলে জানা গিয়েছে। আবার অপর দিকে, পার্পল লাইনের তারাতলা, সখের বাজারে যাত্রী সংখ্যা কম হওয়ার কারণে টিকিট কাউন্টার তুলে নেওয়া হবে। সেখানে টিকিট ব্যবস্থা হবে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে। বাসানো হবে এএসসিআরএম মেশিন। যাত্রীরা নিজেরাই টিকিট কাটতে পারবেন। এই তালিকায় যুক্ত করা হবে অরেঞ্জ লাইনের কবি সুকান্ত স্টেশনকেও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajrappa Chhinnamasta: উদ্ধত খড়্গ, ছিন্ন মস্তক! ভয়াল রূপের পিছনেও রয়েছে মাতৃরূপ

    Rajrappa Chhinnamasta: উদ্ধত খড়্গ, ছিন্ন মস্তক! ভয়াল রূপের পিছনেও রয়েছে মাতৃরূপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ডের অন্যতম প্রধান শক্তিপীঠ রাজরাপ্পা ছিন্নমস্তা মন্দির (Rajrappa Chhinnamasta)। দামোদর আর ভোরা বা ভৈরবী নদীর সঙ্গমস্থলে অবস্থিত এই দেবী ছিন্নমস্তা দশমহাবিদ্যার অন্যতম। রাজরাপ্পা নামটির পিছনেও এক লোককথা প্রচলিত আছে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, “রাজা” নামের এক জনপ্রিয় স্থানীয় রাজার স্ত্রীর নাম ছিল “রুম্পা”। এই রাজা এবং রুম্পার নাম থেকেই নাম হয়েছে “রাজরাপ্পা”। এই মন্দিরের আরাধ্যা দেবী হলেন মা ছিন্নমস্তা। তাঁর দুই হাতের এক হাতে উদ্ধত খড়্গ এবং অপর হাতে তিনি ধারণ করে রয়েছেন তাঁর ছিন্ন মস্তক। তাঁর মুণ্ডবিহীন গলদেশ থেকে তিনটি ধারায় ফিনকি দিয়ে রক্ত ঝরছে। লোল জিহ্বায় তিনি সেই শোনিত ধারা পান করে চলেছেন। তাঁর কণ্ঠে নরমুণ্ড মালা। কাম ও রতির ওপরে দেবী দন্ডায়মান। তবে তাঁর এই ভয়াল রূপে ভয়ের চেয়েও বেশি করে ধরা পড়ে তাঁর মাতৃরূপের।

    কী সেই চমকপ্রদ লোককাহিনি? (Rajrappa Chhinnamasta)

    মায়ের এই রূপের পিছনেও রয়েছে এক চমকপ্রদ লোককাহিনি। কথিত, একদা ডাকিনী ও যোগিনীর সঙ্গে এক সরোবরে স্নান করছিলেন দেবী। সেই সময় ডাকিনী, যোগিনীর প্রচণ্ড ক্ষুধা পেলে তাঁদের ক্ষুধাতুর অবস্থা দেখে এবং অন্য কোথাও কোনও খাবারের সন্ধান করতে না পেরে বিচলিত হয়ে নিজেই নিজের মুণ্ডচ্ছেদ করেন। তাঁর মুণ্ডহীন গলদেশ থেকে যে রক্তের তিনটি ধারা নির্গত হয়, তা এসে পড়ে ডাকিনী, যোগিনী এবং স্বয়ং দেবীর মুখে। এভাবেই তিনি ডাকিনী, যোগিনীর ক্ষুধা নিবারণ করেন। এর থেকেই দেবীর মমতাময়ী মাতৃরূপের পরিচয় দেন দেবী। একদিকে দামোদর আর অন্যদিকে ভৈরবী নদীর সঙ্গমস্থলে এক অনুচ্চ টিলার উপর অবস্থিত এই দেবী ছিন্নমস্তা মন্দির।

    ৬০০ বছরেরও বেশি প্রাচীন (Jharkhand)

    এখানকার এই ছিন্নমস্তা মন্দিরের সঠিক ইতিহাস জানা যায় না। তবে বিশেষজ্ঞদের অনেকেরই অভিমত, এই মন্দিরটি (Rajrappa Chhinnamasta) প্রায় ৬০০ বছরেরও বেশি প্রাচীন। এখানে এই মন্দিরটি ছাড়াও রয়েছে মহাদেব ও দক্ষিণাকালীর মন্দির। এর কাছেই অষ্টমাতৃকা মন্দির। মায়ের ভৈরবরূপী শিবলিঙ্গটিও প্রকাণ্ড এবং সুউচ্চ। ইচ্ছে হলে নৌবিহার করাও যায় দামোদর নদের বুকে। আশেপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও অসাধারণ। আবার ফেরার পথে দেখে নেওয়া যায় রামগড়ের সুপ্রাচীন শিবমন্দিরটিও। বহু ইতিহাসের সাক্ষী এই শিবমন্দিরটির বহুলাংশই বর্তমানে বিনষ্ট হয়ে গেলেও যতটুকু অবশিষ্ট আছে সেটুকুই সেই অতীত দিনের ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

    কীভাবে যাবেন? (Rajrappa Chhinnamasta)

    যাতায়াত–ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচি থেকে প্রায় ৬৮ কিমি দূরে এই স্থান। রাঁচি থেকে বাসে আসতে হবে রামগড়। রামগড় থেকে অটো বা গাড়িতে আসতে হবে রাজরাপ্পা। আবার রাঁচি থেকে গাড়ি নিয়ে এসে আবার রাঁচি ফিরে গিয়ে রাত্রিবাস করা যায় রাঁচিতেই। রাজরাপ্পায় থাকার ব্যবস্থা অত্যন্ত অপ্রতুল। কাজেই রাঁচি থেকে ঘুরে নেওয়াই ভালো। রাঁচিতে থাকা খাওয়া, গাড়ি অথবা প্যাকেজ ট্যুরে রাজরাপ্পা (Jharkhand) ঘুরে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন ০৯৮৩১৩৯০৫২৪ অথবা ০৭৭৩৯০৮৯০৫২ নম্বরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • US Immigration Issues: আমেরিকায় প্রায় আড়াই লক্ষ অভিবাসী অনিশ্চতায়, বেশিরভাগ ভারতীয়! ফিরতে হবে দেশে?

    US Immigration Issues: আমেরিকায় প্রায় আড়াই লক্ষ অভিবাসী অনিশ্চতায়, বেশিরভাগ ভারতীয়! ফিরতে হবে দেশে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী নভেম্বরেই প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আমেরিকায়। কমলা হ্যারিস না ডোনাল্ড ট্রাম্প কে আসবেন তা নিয়ে জোর জল্পনা মার্কিন রাজনীতির অন্দর মহলে। মার্কিন নির্বাচনে অভিবাসন নীতি (US Immigration Issues) একটা বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্বাচন মিটলেই হয়তো অভিবাসীদের সন্তানদের দেশে ফেরত পাঠাতে উদ্যোগী হবে আমেরিকা। এর মধ্যে একটা বড় অংশই ভারতীয়দের। তাই তাঁদের কপালে চিন্তার ভাঁজ।

    নাগরিকত্বের আশা

    বহু অভিবাসী (US Immigration Issues) আমেরিকায় গিয়ে সেখানকার নাগরিকদের বিয়ে করেছেন এবং তাঁদের সন্তানও রয়েছে। সেই সংখ‌্যাটা প্রায় আড়াই লক্ষ। এবার তাঁদের দেশে ফেরত পাঠাতে চাইছে মার্কিন প্রশাসন। এর গোটা দায়ভার পূর্বতন রিপাবলিক‌ান সরকারের উপর চাপিয়েছে হোয়াইট হাউস। যদিও এ দায় অস্বীকার করেছে রিপাবলিকানরা। বিদেশি পড়ুয়ারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্নাতক হলেই ‘অটোমেটিক’ গ্রিন কার্ড পেয়ে যাবেন বলে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দীর্ঘদিন ধরে কট্টর অভিবাসী-বিরোধী বলে নিন্দিত ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর ফলে আমেরিকার স্থায়ী নাগরিক হিসেবে গণ্য হবেন সেখানে স্নাতকস্তরে পড়তে যাওয়া ভারতীয় ছাত্রছাত্রীরা। পড়া শেষ করেই পাততাড়ি গুটিয়ে ফিরে আসতে হবে না দেশে।

    হোয়াইট হাউসের কথা

    রীতিমতো আইনকানুন মেনেই মার্কিন মুলুকে পা রেখেছেন বহু ভারতীয়। পরে সেখানেই থিতু হয়েছেন। তবে তাঁদের সন্তানদের জন‌্য অপেক্ষা করছে অনিশ্চয়তা। কারণ অভিবাসী (US Immigration Issues) ও মার্কিন নাগরিকের সন্তানদের আর মার্কিন ভূমে রাখা হবে না। এই তরুণ সম্প্রদায়ের অনেকেই এখন ‘ইয়ং অ‌্যাডাল্ট’ অর্থাৎ প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার দ্বারপ্রান্তে অপেক্ষা করছেন। এখন তাঁরা স্বপ্ন দেখছেন মার্কিন মুলুকের পাকাপাকি নাগরিক হওয়ার। সেই দায় বইতে চাইছে না প্রশাসন। এই গোটা জটিল প্রক্রিয়ার জন‌্য রিপাবলিকানদের দিকে দায় ঠেলে হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব, কেরিন জঁ পিয়ের বলেন, “আগেও তাদের ফেরত পাঠানোর জন‌্য আলোচনা হয়। কিন্তু এই প্রস্তাব রিপাবলিক‌ানরা দুবার বাতিল করেছে।”  তিনি জানিয়েছেন, “এই তরুণ প্রজন্ম এখানেই স্কুলে কলেজে পড়েছে। বড় হয়েছে। দীর্ঘদিন গ্রিন কার্ড ইস্যু করা হয়নি। ফলে অনেক অভিবাসীই এই তালিকায় অপেক্ষায় রয়েছেন।”

    আরও পড়ুন: পাইন গাছের বর্জ্য ব্যবহার করেই জীবিকা অর্জনের সুযোগ, পথ দেখাচ্ছেন দুই বোন

    উল্লেখ্য, আমেরিকায় অবৈধভাবে বসবাস করা কয়েক হাজার অভিবাসীকে নাগরিকত্ব দিতে একটি নতুন উদ্যোগের কথা আগেই অবশ্য ঘোষণা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এই উদ্যোগের আওতায় মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করেছেন এমন প্রায় পাঁচ লাখ অভিবাসীকে নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। যদিও এই অভিবাসন নীতি (US Immigration Issues) রিপাব্লিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির ঘোর বিপরীত। তব ভবিষ্যতে কী হবে তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তাতেই দিন কাটাচ্ছেন অভিবাসীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share