Tag: Madhyom

Madhyom

  • ED Summons: ইডির নজরে প্রতীক জৈনের পরিবার, আইপ্যাকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতার ভাই ও স্ত্রীকে তলব

    ED Summons: ইডির নজরে প্রতীক জৈনের পরিবার, আইপ্যাকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতার ভাই ও স্ত্রীকে তলব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অর্থ পাচার মামলায় ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাক-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক জৈনের স্ত্রী এবং ভাইকে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED Summons)। মঙ্গলবারই সংস্থার অন্যতম কর্ণধার ভিনেশ চান্ডেলকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সংবাদসংস্থা এএনআই জানিয়েছে, আইপ্যাক মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত হাওয়ালা লেনদেনের অভিযোগের তদন্তে নেমে ইডি প্রতীকের ভাই পুলকিত জৈন এবং স্ত্রী বার্বি জৈনকে ১৫ এপ্রিল, অর্থাৎ বুধবার ডেকে পাঠিয়েছে। দিল্লিতে সংস্থার সদর দফতরে যেতে বলা হয়েছে আইপ্যাক কর্তার স্ত্রী এবং ভাইকে।

    অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনে জিজ্ঞাসাবাদ

    জানুয়ারিতেই কয়লা পাচার সংক্রান্ত মামলায় কলকাতায় প্রতীক জৈনের বাড়িতে হানা দেয় ইডি (ED Summons)। এরপর ফের একবার ইডি হানা। একই মামলায় হায়দরাবাদ, দিল্লি এবং বেঙ্গালুরুতে আই-প্যাকের বিভিন্ন অফিসে তল্লাশি চলে এপ্রিল মাসের শুরুতে। হায়দরাবাদ, দিল্লি এবং বেঙ্গালুরুতে আই-প্যাকের বিভিন্ন অফিসে হানা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। পাশাপাশি, সংস্থার আরেক ডিরেক্টর ঋষি রাজ সিং-এর বেঙ্গালুরুর বাড়িতেও হানা দিয়েছে সংস্থা। উল্লেখ্য, পুলকিতও আইপ্যাকের সঙ্গে যুক্ত। ওই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম সহ-প্রতিষ্ঠাতা তিনি। ইডি-র সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা জানিয়েছে, বুধবার অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন (পিএমএলএ)-এর মামলায় তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

    শীর্ষ আদালতে পিছোলো শুনানি

    সোমবার আইপ্যাক-কর্তা ভিনেশের দিল্লির ঠিকানায় হানা দিয়েছিল ইডি (ED Summons)। ওই রাতেই তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থাটির অন্যতম পরিচালক ও সহ-প্রতিষ্ঠাতাকে তারা গ্রেফতার করে। মঙ্গলবার ভোরে পটীয়ালা হাউস কোর্টের অতিরিক্ত দায়রা বিচারক (এএসজে) শেফালি বার্নালা ট্যান্ডন বিনেশের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন। আদালতে ইডি জানিয়েছে, আইপ্যাকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বিনেশ সংশ্লিষ্ট সংস্থার ৩৩ শতাংশের অংশীদার। অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন (পিএমএলএ)-এর অধীনে একটি মামলায় তিনি তদন্তাধীন রয়েছেন। দিল্লি পুলিশের দায়ের করা একটি এফআইআর থেকে এই মামলার সূত্রপাত। এই মামলার উত্তাপ ছড়িয়েছে কলকাতাতেও। গত ৮ জানুয়ারি যখন কলকাতার আইপ্যাক দপ্তর এবং প্রতীকের বাসভবনে ইডি তল্লাশি চালায়, তখন সেখানে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি নিয়ে বিতর্ক দানা বাঁধে। ইডির অভিযোগ, তদন্ত চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রী নথিপত্র এবং ল্যাপটপ সরিয়ে তদন্তে বাধা দিয়েছেন। এই অভিযোগে ইডি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেও, মঙ্গলবার শীর্ষ আদালত সেই শুনানি অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে দিয়েছে।

     

     

     

     

     

  • PM Modi: “আইনসভাগুলোতে মহিলাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা একান্ত জরুরি”, বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi: “আইনসভাগুলোতে মহিলাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা একান্ত জরুরি”, বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতরত্ন ডঃ বি.আর. আম্বেদকরের ১৩৫তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন এবং এই বিশেষ দিনটিতে আইনসভায় মহিলা সংরক্ষণ বিল নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম বাস্তবায়নের (Women In legislative Bodies) পক্ষে জোরালো সওয়াল করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) মতে, ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে শক্তিশালী করতে আইনসভাগুলোতে মহিলাদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো অপরিহার্য।

    আম্বেদকর জয়ন্তীতে শ্রদ্ধা (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (টুইটার) একটি চিঠির মাধ্যমে বলেন, “১৪ এপ্রিল ভারতের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। জাতি গঠনে বাবাসাহেব আম্বেদকরের অসামান্য অবদান এবং সাংবিধানিক মূল্যবোধের (Women In legislative Bodies) প্রতি তাঁর অঙ্গীকার আজও দেশকে পথ দেখাচ্ছে।

    নারী শক্তির জয়গান

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বিভিন্ন ক্ষেত্রে মহিলাদের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্প, সংগীত, সিনেমা, এমনকি স্টার্টআপ এবং বিজ্ঞানের জগতেও মহিলারা আজ নেতৃত্বের ভূমিকায় রয়েছেন।

    খেলাধুলায় বিপ্লব

    মোদী বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, ভারতীয় মহিলা ক্রীড়াবিদরা রেকর্ড ভাঙছেন এবং পুরনো ধ্যানধারণাকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন। তাঁদের এই সাফল্য কোটি কোটি তরুণীকে অনুপ্রাণিত করছে।

    আইনসভায় সংরক্ষণ

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, মহিলারা যখন সব ক্ষেত্রে সফল হচ্ছেন, তখন আইনসভাগুলোতেও তাঁদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা অত্যন্ত স্বাভাবিক এবং জরুরি। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, ১০০ বছর আগে আমেদাবাদ মিউনিসিপ্যালিটির সভাপতি থাকাকালীন সরদার প্যাটেল মহিলাদের (Women In legislative Bodies) জন্য আসন সংরক্ষণের কাজ শুরু করেছিলেন।

    নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম

    আগামী ১৬ এপ্রিল থেকে সংসদে এই গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক সংশোধনী নিয়ে আলোচনা শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন এবং বিধানসভা নির্বাচনগুলো যেন মহিলা সংরক্ষণ মেনেই অনুষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন, “ভারতের কন্যারা (Women In legislative Bodies) তাদের ন্যায্য অধিকারের জন্য আর অনন্তকাল অপেক্ষা করতে পারে না।”

    বিকশিত ভারত ২০৪৭

    ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার যে স্বপ্ন দেশ দেখছে, তা অর্জনে দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা অর্থাৎ মহিলাদের নীতি নির্ধারণে সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। মহিলারা যখন সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী পর্যায়ে থাকবেন, তখনই গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী ও প্রাণবন্ত হবে।

    সব দলের প্রতি আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) সমস্ত রাজনৈতিক দলের কাছে এই বিল বাস্তবায়নে সমর্থনের আবেদন জানিয়েছেন। তিনি দেশের মহিলাদের প্রতিও অনুরোধ করেছেন যাতে তাঁরা তাঁদের স্থানীয় সাংসদদের চিঠি লিখে এই ঐতিহাসিক সংসদীয় অধিবেশনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত করেন। সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আগামী উৎসবের মরসুমের জন্য দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান এবং সকলের সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

  • PM Modi: প্রথম বড় কূটনৈতিক পদক্ষেপ, প্রধানমন্ত্রীর মোদির ভারত সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন

    PM Modi: প্রথম বড় কূটনৈতিক পদক্ষেপ, প্রধানমন্ত্রীর মোদির ভারত সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র বালেন শাহ (Nepal PM Balendra) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ভারত সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। একদিকে যখন তিনি নেপালের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনে ভিআইপি সংস্কৃতি, আমলাতন্ত্র ও শিক্ষাঙ্গনে রাজনৈতিক প্রভাব বন্ধ করতে ১০০ দফার এক আমূল পরিবর্তনকারী কর্মসূচি শুরু করেছেন, ঠিক তখনই এই কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের কথা সামনে এল।

    বালেন শাহের প্রথম বড় সফর (PM Modi)

    নেপালের বিদেশমন্ত্রী শিশির খানাল জানিয়েছেন, “নেপাল সরকার এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছে এবং দুই দেশের বিদেশ মন্ত্রক এখন এই সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছে।” দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই হবে বালেন শাহের প্রথম বড় কোনো বৈদেশিক বা কূটনৈতিক সফর। এর আগে ২০২৩ সালের জুন মাসে নেপালের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দাহাল “প্রচণ্ড” ভারত সফর করেছিলেন।

    নেপালে আমূল সংস্কারের উদ্যোগ

    ভারত সফরের (PM Modi) প্রস্তুতির পাশাপাশি কাঠমাণ্ডুতে নতুন সরকার বেশ কিছু বৈপ্লবিক পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে। স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো রাজনৈতিক দলের ছাত্রসংগঠন থাকতে পারবে না। আগামী ৯০ দিনের মধ্যে সমস্ত দলীয় ছাত্রসংগঠন ভেঙে দিয়ে সেগুলোর পরিবর্তে অরাজনৈতিক ‘স্টুডেন্ট কাউন্সিল’ বা ‘ভয়েস অফ স্টুডেন্টস’ প্ল্যাটফর্ম গঠন করতে হবে।

    ভিআইপি সংস্কৃতি নির্মূল

    সরকারি অফিস থেকে রাজনৈতিক নেতাদের ছবি সরিয়ে ফেলা এবং ব্যক্তিগত সংবাদমাধ্যমে সরকারি বিজ্ঞাপন দেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

    মন্ত্রণালয় হ্রাস

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা কমিয়ে ১৭টি করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সরকারি কর্মচারী ও মন্ত্রীদের সন্তানদের বাধ্যতামূলকভাবে সরকারি স্কুলে পাঠাতে হবে।

    স্বাস্থ্য ও পরিষেবা

    গরিবদের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমাতে ‘জিরো পেন্ডিং ফাইল’ অভিযান শুরু হয়েছে।

    বালেন শাহ স্পষ্ট জানিয়েছেন, “স্কুল ও কলেজগুলো আর রাজনীতির আখড়া হিসেবে ব্যবহৃত হবে না, বরং সেগুলো শুধুমাত্র শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে পরিচালিত হবে।”

    ভারতের সাথে সম্পর্ক

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) গত মাসে বালেন শাহকে (Nepal PM Balendra) সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছিলেন এবং ভারত-নেপাল বন্ধুত্বকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আশা প্রকাশ করেছিলেন। নেপাল সরকারের এই সফরের সিদ্ধান্তকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • Vaibhav Sooryavanshi: ভেঙে যাবে সচিনের ৩৭ বছর আগের রেকর্ড! ভারতীয় দলে অভিষেকের অপেক্ষায় বৈভব

    Vaibhav Sooryavanshi: ভেঙে যাবে সচিনের ৩৭ বছর আগের রেকর্ড! ভারতীয় দলে অভিষেকের অপেক্ষায় বৈভব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার অবসান! আর মাত্র দু’মাস পরেই সচিন তেন্ডুলকরের রেকর্ড ভেঙে দিতে পারে বৈভব সূর্যবংশী (Vaibhav Sooryavanshi)। আইপিএল শেষ হওয়ার পর জুনে আয়ারল্যান্ড সফরে ভারতের টি-টোয়েন্টি দলে ১৫ বছরের বৈভবকে রাখা হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। যদি সত্যিই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় বৈভবের, তবে সবচেয়ে কম বয়সে ভারতের হয়ে খেলার রেকর্ড গড়বে বৈভব। ভেঙে দেবে সচিনের ৩৭ বছরের পুরনো রেকর্ড।

    ভাঙার মুখে সচিনের রেকর্ড

    প্রায় চার দশক আগে বাইশ গজ দেখেছিল এক বিস্ময় বালককে। ১৯৮৯ সালে ১৬ বছর ২০৫ দিন বয়সে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টেস্ট খেলেছিলেন সচিন তেন্ডুলকর। সেই শুরু বাকিটা ইতিহাস। চলতি আইপিএল শেষের পরেই জুন মাসে আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুই ম্যাচে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে টিম ইন্ডিয়া। ২৬ ও ২৮ জুন বেলফাস্টে আয়োজিত হবে ম্যাচগুলি। একাধিক রিপোর্টে প্রকাশ, এই সিরিজের জন্য পূর্ণশক্তির দল নামাবে না ভারত। তরুণ ক্রিকেটারদের দেখে নিতে চায় বিসিসিআই। তাই সুযোগ পেতে পারে বৈভব। বোর্ডের সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তি বলেন, ‘আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ট্যুরে সুযোগ পাওয়ার দৌড়ে রয়েছে বৈভব। বাকি অনেক ক্রিকেটারদের সঙ্গে ওর নামও তালিকায় রেখেছেন নির্বাচকরা।’আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে আসন্ন টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভারতীয় দলের হয়ে অভিষেক ঘটলে তখন বৈভবের বয়স হবে ১৫ বছর ৯১ দিন।

    আয়ারল্যান্ডের পর জিম্বাবোয়ে

    আয়ারল্যান্ডে ভাল খেলতে পারলে পরবর্তী জিম্বাবোয়ে সফরের দলেও বৈভবকে রাখা হবে বলে খবর। সেখানে ২৩ থেকে ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে ভারতের তিনটি ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে। যেহেতু আয়ারল্যান্ড এবং জিম্বাবোয়ের মতো তুলনায় দুর্বল দু’টি দলের সঙ্গে ভারতের খেলা রয়েছে, নির্বাচকেরা এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইছেন না। বিভিন্ন মহল থেকে দাবি উঠেছে, আর অপেক্ষা না করে বৈভবকে এখনই জাতীয় দলে খেলানো হোক। বোর্ডেরই প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ এবং বর্তমান আইপিএল চেয়ারম্যান অরুণ ধুমল কিছু দিন আগেই সামাজমাধ্যমে লিখেছিলেন, “এ বারের আইপিএলে বৈভব সূর্যবংশীর কী অসাধারণ ব্যাটিং প্রদর্শনী! ওর পারফরম্যান্স বিবেচনা করলে এই বলতেই হয়, এই বিস্ময়কর প্রতিভা অবশ্যই সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে ভারতের হয়ে অভিষেকের দাবি রাখে। এত কম বয়সে এমন প্রতিভাবান কাউকে খুঁজে পাওয়া বিরল। ভারতের সর্বকনিষ্ঠ অভিষেককারী হিসেবে ওর খেলার সুযোগ পাওয়া উচিত।”

    বিস্ময় বালক বৈভব

    ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ভন বিসিসিআই-এর কাছে বৈভবকে বিবেচনা করার আহ্বান জানান। এ বারের আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের প্রথম ম্যাচেই চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে বৈভব ১৭ বলে ম্যাচ জেতানো ৫২ রান করে। তার পরেই ভন এই মন্তব্য করেন। এর পর ইরফান পাঠান, হরভজন সিং-সহ আরও অনেক প্রাক্তন ক্রিকেটার বিসিসিআইকে বলেছেন, আইপিএলের পরেই বৈভবকে ভারতীয় দলে নেওয়া হোক। অজিত আগরকরের নেতৃত্বাধীন নির্বাচক কমিটি অবশেষে এই আবেদনে সাড়া দিচ্ছে বলে অনুমান ক্রিকেট মহলের। গত মরশুমে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে আইপিএল অভিষেকের পরেই চর্চায় উঠে আসে বৈভব। তারপর ভারতের বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দলের হয়ে নজর কেড়েছে সে। টেস্ট হোক বা টি-টোয়েন্টি, যে কোনও ফর্ম্যাটেই নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে ১৫ বছর বয়সি এই ক্রিকেটার। তাই বৈভবকে জাতীয় দলে সুযোগ দেওয়ার দাবি জোরালো হয়েছে আরও।

  • Uttarakhand: উত্তরাখণ্ডে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের জোয়ারের মূলে মোদি-পুষ্করসিং ধামির ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকার’

    Uttarakhand: উত্তরাখণ্ডে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের জোয়ারের মূলে মোদি-পুষ্করসিং ধামির ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকার’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের যৌথ প্রচেষ্টায় গত চার বছরে উত্তরাখণ্ডের উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলো এক অভূতপূর্ব গতি পেয়েছে। বিজেপির তরফে দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্দেশনায় এবং উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামির নেতৃত্বে “ডাবল ইঞ্জিন সরকার” (Double Engine Government)-এর ধারণাটি বাস্তবে রূপায়িত হয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারের সহায়তায় রাজ্যে ২ লক্ষ কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজ চলছে।

    যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি (Uttarakhand)

    উত্তরাখণ্ডে (Uttarakhand) রাস্তা, রেল এবং আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটছে “ডাবল ইঞ্জিন সরকার” (Double Engine Government)-এর সরকারে। চারধাম যাত্রাকে সহজতর করতে ‘অল-ওয়েদার রোড’ প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে। পাশাপাশি, দিল্লি-দেরাদুন এক্সপ্রেসওয়ে চালু হওয়ায় রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড়সড় পরিবর্তন এসেছে। সিতারগঞ্জ-তানাকপুর, পাওন্টা সাহেব-দেরাদুন এবং ঋষিকেশ-ভানিয়াওয়ালা সহ একাধিক বাইপাস ও সংযোগকারী রাস্তার কাজ বিভিন্ন পর্যায়ে চলছে।

    রেল ও আকাশপথের উন্নয়ন

    ঋষিকেশ-কর্ণপ্রয়াগ রেল প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষের মুখে। এছাড়া, ৪৮,০০০ কোটি টাকার তানাকপুর-বাঘেশ্বর রেললাইনের অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র। ‘অমৃত ভারত স্টেশন’ প্রকল্পের অধীনে রাজ্যের ১১টি রেল স্টেশনকে আধুনিক করা হচ্ছে “ডাবল ইঞ্জিন সরকার” (Double Engine Government)-এর মদতে।

    আকাশপথ

    গত চার বছরে জলি গ্রান্ট, পন্তনগড় এবং পিথোরাগড় (Uttarakhand) বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ করা হয়েছে। ‘উড়ান’ (UDAN) প্রকল্পের আওতায় ১৮টি হেলিপোর্ট তৈরি করা হচ্ছে, যার মধ্যে ১২টিতে ইতিমধ্যে পরিষেবা শুরু হয়েছে। ২০২১-২২ সালে যেখানে হেলিপ্যাডের সংখ্যা ছিল ৬০, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৮-তে।

    পর্যটন ও রোপওয়ে

    ‘পর্বতমালা’ প্রকল্পের অধীনে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় রোপওয়ে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হচ্ছে। এর মধ্যে রানিবাদ-নৈনিতাল, ঋষিকেশ-নীলকণ্ঠ মহাদেব (Uttarakhand) এবং গৌরিকুণ্ড-কেদারনাথ ধাম রোপওয়ে অন্যতম। কেদারনাথ ও বদ্রীনাথ ধামের পুনর্গঠনের কাজও দ্রুত চলছে। কুমায়ুন অঞ্চলের মন্দিরগুলোর উন্নয়নে ‘মানসখন্ড মন্দির মালা মিশন’ শুরু হয়েছে।

    স্বাস্থ্য ও শিক্ষা

    স্বাস্থ্যক্ষেত্রে কিচ্ছাতে এইমস (AIIMS) স্যাটেলাইট সেন্টারের (Uttarakhand) কাজ শুরু হয়েছে এবং এইমস ঋষিকেশে ভারতের প্রথম হেলিকপ্টার অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা চালু করা হয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নতির জন্য রাজ্যের ২২৬টি স্কুলকে ‘পিএম শ্রী’ (PM SHRI) স্কুল হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে।

    শিল্প ও অন্যান্য প্রকল্প

    উধম সিং নগরে (Uttarakhand) একটি স্মার্ট ইন্ডাস্ট্রিয়াল টাউনশিপ তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়া ভারত-সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোর উন্নয়নের জন্য ‘ভাইব্রেন্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম’-এর অধীনে পরিকাঠামো সম্প্রসারণ করা হচ্ছে “ডাবল ইঞ্জিন সরকার” (Double Engine Government)-এর মদতে। যমরানি ও লাখওয়ারের মতো বড় বাঁধ প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে পানীয় জল ও সেচ ব্যবস্থারও উন্নতি ঘটানো হচ্ছে। সব মিলিয়ে, কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় উত্তরাখণ্ড উন্নয়নের এক নতুন শিখরে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে।

  • Ambedkar jayanti: ১৪ এপ্রিল আম্বেদকর জয়ন্তী, বিশ্বজনীন মর্যাদার জন্য ভ্রাতৃত্বমূলক সাম্য

    Ambedkar jayanti: ১৪ এপ্রিল আম্বেদকর জয়ন্তী, বিশ্বজনীন মর্যাদার জন্য ভ্রাতৃত্বমূলক সাম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪ই এপ্রিল ভারতজুড়ে পালিত হচ্ছে বাবাসাহেব ডঃ বিআর আম্বেদকরের জন্মজয়ন্তী (Ambedkar jayanti)। ভারতের সংবিধানের প্রধান স্থপতি হিসেবেই শুধু নয়, আধুনিক গণতন্ত্রের অন্যতম গভীর নৈতিক চিন্তাবিদ হিসেবে বাবাসাহেবকে আজ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে সারা দেশ। তার জীবন ছিল সমাজের প্রান্তিক মানুষের মর্যাদা রক্ষার এক নিরলস সংগ্রাম। সামাজিক সমরসতা এবং ন্যায় বিচারের (Equality For Universal) জন্য আজীবন কাজ করে গিয়েছেন বাবা সাহেব।

    আম্বেদকরের দৃষ্টিভঙ্গি ও সামাজিক গণতন্ত্র (Ambedkar jayanti)

    আম্বেদকরের (Ambedkar jayanti) চিন্তাধারা কেবল সংবিধানের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, রাজনৈতিক গণতন্ত্র কখনওই সামাজিক গণতন্ত্র ছাড়া স্থায়ী হতে পারে না। স্বাধীনতা, সাম্য এবং ভ্রাতৃত্ব (Fraternity) — এই তিনটি আদর্শ একে অপরের পরিপূরক। এর মধ্যে ‘ভ্রাতৃত্ব’ বা বন্ধুত্থ-কেই তিনি সবথেকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তাঁর মতে, ভ্রাতৃত্বই পারে অধিকারকে (Equality For Universal) সম্পর্কের রূপ দিতে এবং সহাবস্থানকে একটি প্রকৃত সমাজে পরিণত করতে।

    আম্বেদকর এবং উপাধ্যায়ের ভাবনার মেলবন্ধন

    প্রতিবেদনটিতে পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের ‘অন্ত্যোদয়’ (Antyodaya) ভাবনার সঙ্গে আম্বেদকরের দর্শনের এক গভীর সংযোগের কথা বলা হয়েছে। অন্ত্যোদয়ের মূল কথা হলো — সমাজের শেষ ব্যক্তিটিকে অগ্রাধিকার দেওয়া।

    আম্বেদকর: গুরুত্ব দিয়েছেন ‘ন্যায়’-এর (Equality For Universal) ওপর, যাতে আইন ও সংস্কারের মাধ্যমে প্রান্তিক মানুষ মর্যাদা পায়।

    উপাধ্যায়: জোর দিয়েছেন ‘সংবেদন’-এর ওপর, যাতে সমাজের শেষ ব্যক্তিটি কেবল সরকারি সুরক্ষা নয়, বরং সামাজিক স্নেহ ও মমতায় সিক্ত হয়।

    এই দুই মহান চিন্তাবিদের দর্শনই এক জায়গায় মিলেছে — তা হলো সমাজের সবথেকে নিচু স্তরের মানুষের উন্নয়ন। তাদের মতে, কোনো সমাজ যদি তার একটি অংশকে পেছনে ফেলে রাখে, তবে সেই উন্নয়ন কখনোই নৈতিকভাবে বৈধ হতে পারে না।

    বর্তমান ভারতের প্রেক্ষাপটে প্রাসঙ্গিকতা

    সমকালীন ভারতে এই দুই দর্শনের সমন্বয় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বর্তমানে চ্যালেঞ্জটি কেবল অর্থনৈতিক বৃদ্ধির নয়, বরং সেই উন্নয়নকে অন্তর্ভুক্তিমূলক (Inclusive) এবং মানবিক করে তোলা। সমাজের প্রান্তিক স্তরে থাকা ব্যক্তির মর্যাদা নিশ্চিত করাই হলো আমাদের গণতন্ত্রের আসল পরীক্ষা।

    আম্বেদকর জয়ন্তীতে বাবাসাহেবের (Ambedkar jayanti) উত্তরাধিকার আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, সাম্য যেন কেবল খাতা-কলমে না থাকে, বরং তা যেন মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বাস্তবায়িত হয়। ন্যায়বিচার (Equality For Universal) যখন মর্যাদাকে পুনরুদ্ধার করে এবং অন্ত্যোদয় যখন সেই মর্যাদাকে শেষ ব্যক্তিটির কাছে পৌঁছে দেয়, তখনই একটি প্রকৃত ভ্রাতৃত্ববোধ সম্পন্ন মানবিক সমাজ গড়ে ওঠে।

    আজকের এই দিনে বাবাসাহেবের দেখানো পথে সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের সমাজ গড়ার অঙ্গীকারই হোক আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

  • Bangladesh: বাংলাদেশে মাদক সংক্রান্ত বিবাদে মুসলিমের হাতে মুসলিম খুন! রংপুরে নির্দোষ হিন্দুদের বাড়ি ও দোকানে হামলা

    Bangladesh: বাংলাদেশে মাদক সংক্রান্ত বিবাদে মুসলিমের হাতে মুসলিম খুন! রংপুরে নির্দোষ হিন্দুদের বাড়ি ও দোকানে হামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) নতুন করে সাম্প্রদায়িক হিংসার খবর পাওয়া গিয়েছে। রংপুরে দুই মুসলিম ব্যক্তির মধ্যে মাদক সংক্রান্ত ব্যক্তিগত বিবাদকে কেন্দ্র করে খুনের ঘটনা ঘটলেও, তার জেরে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের (Hindu) ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। ফের আরেকবার বিপর্যস্ত হিন্দু জনজীবন।

    ৪০ থেকে ৬০ জনের একটি দল আক্রমণ করে (Bangladesh)

    রংপুরের (Bangladesh) দাসপাড়া বাজার এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদক ব্যবসা নিয়ে পুরনো শত্রুতার জেরে রাকিব হাসান নামে এক মুসলিম যুবককে কুপিয়ে হত্যা করে মোহাম্মদ মোমিন নামের এক সন্দেহভাজন মাদক ব্যবসায়ী।

    আশ্চর্যের বিষয় হলো, নিহত এবং অভিযুক্ত উভয়ই মুসলিম হওয়া সত্ত্বেও একদল সশস্ত্র উগ্র জনতা দাসপাড়া এলাকার হিন্দু বসতিতে হামলা চালায়। উল্লেখ্য, এই এলাকায় প্রায় ১০০টি হিন্দু পরিবারের বসবাস। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ৪০ থেকে ৬০ জনের একটি দল অন্তত ২০টি হিন্দু মালিকানাধীন দোকান ভাঙচুর করে এবং বেশ কিছু বাড়ির দরজা-জানলা গুঁড়িয়ে দেয়। হামলাকারীরা গালিগালাজ করার পাশাপাশি একটি মন্দিরের দানবাক্স লক্ষ্য করেও হামলা চালায়।

    রংপুর (Hindu) পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ মজিদ আলী জানিয়েছেন, তদন্ত ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে একটি ‘তৃতীয় পক্ষ’ এই হামলা চালিয়েছে। নিহতের মা নূর জাহান বেগমও সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, হিন্দুদের সঙ্গে তাদের কোনো বিরোধ ছিল না এবং এটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে ঘটেছে।

    অতিরিক্ত পুলিশ ও র‍্যাব মোতায়েন

    একই সাথে কুষ্টিয়াতেও (Bangladesh) এক আধ্যাত্মিক নেতা শামীম রেজাকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। সেখানেও হামলার পর স্থানীয় বেশ কিছু হিন্দু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    হামলার সময় এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা জানিয়েছেন, দীর্ঘক্ষণ ধরে সশস্ত্র হামলা (Hindu) চললেও পুলিশ সময়মতো ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও র‍্যাব (RAB) মোতায়েন করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অপরাধীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে

  • PM Modi: ১২,০০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে ২১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ছয় লেনের দিল্লি-দেরাদুন ইকোনমিক করিডোর উদ্বোধন মোদির

    PM Modi: ১২,০০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে ২১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ছয় লেনের দিল্লি-দেরাদুন ইকোনমিক করিডোর উদ্বোধন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ মঙ্গলবার উত্তরাখণ্ড ও উত্তরপ্রদেশ সফর করবেন। এই সফরে তিনি দেরাদুন-দিল্লি ইকোনমিক করিডোর (Delhi-Dehradun Economic Corridor) জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন। দুপুর নাগাদ দেরাদুনে একটি জনসভায় প্রধানমন্ত্রী দিল্লি-দেরাদুন ইকোনমিক করিডোরের উদ্বোধন করবেন এবং উপস্থিত জনগণের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন।

    সাহারানপুরে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (PMO) সূত্রে জানা গেছে, আজ বেলা ১১টা ১৫ মিনিট নাগাদ প্রধানমন্ত্রী উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরে পৌঁছাবেন। সেখানে তিনি দিল্লি-দেরাদুন ইকোনমিক করিডোরের এলিভেটেড সেকশনে নির্মিত ‘ওয়াইল্ডলাইফ করিডোর’ বা বন্যপ্রাণী করিডোরটি পরিদর্শন করবেন। এরপর তিনি দেরাদুনের নিকটবর্তী মা ডাট কালী মন্দিরে পূজা ও দর্শন সারবেন।

    প্রকল্পের সুবিধা

    খরচ ও দৈর্ঘ্য: ২১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই ছয় লেনের ইকোনমিক করিডোরটি তৈরি করতে ১২,০০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয় হয়েছে।

    সময় সাশ্রয়: এই করিডোরটি দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডের মধ্য দিয়ে বিস্তৃত। এর ফলে দিল্লি থেকে দেরাদুন যাওয়ার সময় বর্তমানের ৬ ঘণ্টা থেকে কমে মাত্র আড়াই ঘণ্টায় নেমে আসবে।

    উন্নত পরিকাঠামো: এই প্রকল্পে ১০টি ইন্টারচেঞ্জ, ৩টি রেলওয়ে ওভার ব্রিজ (ROB), ৪টি বড় সেতু এবং যাত্রীদের সুবিধার জন্য ১২টি ‘ওয়েসাইড অ্যামেনিটি’ তৈরি করা হয়েছে। যাতায়াত আরও নিরাপদ করতে এখানে অ্যাডভান্সড ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ATMS) ব্যবহার করা হয়েছে।

    ওয়াইল্ডলাইফ করিডোর

    পরিবেশের ভারসাম্য ও বন্যপ্রাণীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে এই করিডোরে বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এখানে ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি এলিভেটেড ওয়াইল্ডলাইফ করিডোর তৈরি করা হয়েছে, যা এশিয়ার অন্যতম দীর্ঘ। এ ছাড়াও প্রাণীদের চলাচলের জন্য ৮টি অ্যানিম্যাল পাস, হাতির চলাচলের জন্য ২টি আন্ডারপাস এবং ডাট কালী মন্দিরের কাছে ৩৭০ মিটার দীর্ঘ একটি টানেল তৈরি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এই ইকোনমিক করিডোরটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করবে এবং পর্যটন ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

  • Charak Festival: “আমরা দুটি ভাই শিবের গাজন গাই…” বাংলায় উদযাপিত একটি সনাতন ধর্মীয় লোক উৎসব গাজন

    Charak Festival: “আমরা দুটি ভাই শিবের গাজন গাই…” বাংলায় উদযাপিত একটি সনাতন ধর্মীয় লোক উৎসব গাজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা দুটি ভাই শিবের গাজন গাই…” গ্রাম বাংলায় এক বহুল প্রচলিত উৎসব গাজন। পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশেও সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষরা শিবের গাজনের মাধ্যমে নিজেদের ইষ্টের সঙ্গে মিলিত হওয়ার চেষ্টা করেন। তার জন্য অনেকে পুরো চৈত্র মাস ধরে পালন করেন সন্ন্যাস। যার অবসান হয় চৈত্র মাসের শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠিত গাজন উৎসবের মধ্যে দিয়ে। আর গাজনের পরিসমাপ্তি হয় চড়ক পুজোতে (charak puja)। বাংলা ক্যালেন্ডার অনুসারে পয়লা বৈশাখের আগের দিন বা চৈত্র সংক্রান্তিতে পালিত হয় চড়কের পুজো। চৈত্র সংক্রান্তি (Chaitra Sankranti Gajon) থেকে শুরু হয়ে নববর্ষের প্রথম দু-তিন দিন ধরে চড়ক পুজোর (Charak Festival)  উৎসব চলে। এই উৎসবের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হল মেলা।

    চড়কের ইতিহাস নিয়ে নানা কাহিনি

    এই চড়কের ইতিহাস নিয়ে নানা কাহিনি প্রচলিত আছে। লিঙ্গপুরাণ, বৃহদ্ধর্মপুরাণ এবং ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণে চৈত্র মাসে মহাদেবের পুজো ও সেই উপলক্ষ্যে উৎসবের উল্লেখ থাকলেও চড়ক পুজোর কথা বলা নেই। তবে প্রাচীনকালে পাশুপত সম্প্রদায়ের মানুষেরা এই উৎসব পালন করতেন। প্রচলিত কাহিনি অনুসারে ১৪৮৫ খ্রিস্টাব্দে সুন্দরানন্দ ঠাকুর নামের এক রাজা প্রথম চড়ক পুজোর প্রচলন করেছিলেন। চড়ক পুজো উপলক্ষ্যে গাজনের মেলা বসে এই সময়। একটি লম্বা কাঠকে চড়ক গাছ হিসেবে পুজো করা হয়। এই চড়কগাছে একজন ভক্ত বা সন্ন্যাসীকে চাকার সঙ্গে বেঁধে দ্রুতবেগে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। তাঁর পিঠে, হাতে, পায়ে এবং শরীরের অন্যান্য অঙ্গে জ্বলন্ত বাণ শলাকা ঢুকিয়ে দেওয়ার রীতিও প্রচলিত রয়েছে। তবে এখনকার দিনে এই প্রথা প্রায় বিলুপ্ত হয়ে এসেছে। ১৮৬৫ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ সরকার আইন করে এই নিয়ম বন্ধ করে দেয়। তবে গ্রাম বাংলার সাধারণ মানুষের মধ্যে কোথাও কোথাও এখনও তা প্রচলিত আছে।

    কীভাবে হয় চড়ক পুজো

    শিব পার্বতীর বিয়ের উত্‍সব হিসেবেও চড়ক পালন করেন অনেকে। চড়ক সংক্রান্তির আগের দিন দিন নীল পুজো থেকে সন্ন্যাসীরা উপোস থাকেন। পরদিন বিকেলে এই বিশেষ চড়ক পুজো শেষ করেই তারা নিজেদের উপোস ভাঙেন। এই পুজোর আর এক নাম গম্ভীরাপুজো বা শিবের গাজন। আগের দিন চড়ক গাছটিকে ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করে রাখা হয়। এতে জলভরা একটি পাত্রে শিবলিঙ্গ রাখা হয়, যা বুড়োশিব নামে পরিচিত। যেখানে চড়ক গাছ থাকে, সেই জায়গাটিকে গ্রামের দিকে বুড়ে শিবতলাও বলা হয়ে থাকে অনেক জায়গায়। কোনও পতিত ব্রাহ্মণ এই পুজোর পুরোহিতের দায়িত্ব পালন করেন।

    গাজন-গান, বহুরূপী

    গাজনের সন্ন্যাসী বা ভক্তরা নিজেদের শরীরকে বিভিন্ন উপায়ে যন্ত্রণা দিয়ে কৃচ্ছ্রসাধনের মাধ্যমে ইষ্ট দেবতাকে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করেন। গাজন উপলক্ষ্যে তাঁরা শোভাযাত্রা সহকারে দেবতার মন্দিরে যান। শিবের গাজনে দু’জন সন্ন্যাসী শিব ও গৌরী সাজেন এবং অন্যান্যরা নন্দী, ভৃঙ্গী, ভূতপ্রেত ও দৈত্য-দানব প্রভৃতির সং সেজে নাচ করতে থাকেন। শিবের নানান লৌকিক ছড়া, আবৃত্তি ও গান করা হয়। চৈত্র সংক্রান্তির গাজনে কালীর নাচও একটি উল্লেখযোগ্য অনুষ্ঠান। অনেক জায়গায় শিব পার্বতী সেজেও গ্রামের রাস্তায় বাড়ি বাড়ি ঘুরে নানা ভাবে মনোরঞ্জন করে থাকেন অনেকে। এই ভাবে বাড়ি বাড়ি ঘুরে দান সংগ্রহ করেন এঁরা। এঁদের বহুরূপী বলা হয়ে থাকে। আগেকার দিনের বাংলা সাহিত্যে বহুরূপীর উল্লেখ অনেক স্থানে পাওয়া যায়।

    সনাতন ধর্মীয় লোক উৎসব

    গাজন উৎসব (Chaitra Sankranti Gajon) ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ও বাংলাদেশে উদযাপিত একটি সনাতন ধর্মীয় লোক উৎসব। এই উৎসব শিব, মনসা ও ধর্মরাজ ঠাকুরের পুজোকেন্দ্রিক উৎসব। মালদায় এই গাজনের নাম গম্ভীরা আর জলপাইগুড়িতে গমীরা। চৈত্র মাসের শেষ সপ্তাহজুড়ে সন্ন্যাসী বা ভক্তদের মাধ্যমে শিবের গাজন অনুষ্ঠিত হয়। আর চৈত্র সংক্রান্তিতে চড়ক পুজোর সঙ্গে সঙ্গে এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটে। প্রাচীনকাল থেকেই রাঢ়বঙ্গের শৈব-সংস্কৃতির একটি বিশেষ অঙ্গ হচ্ছে গাজন। গাজন কথাটির মানে হল, গাঁ বা গ্রাম এবং জন বা জনগণ। অর্থাৎ গাজন হল গ্রামের জনগণের নিজস্ব উৎসব। অন্য মতে, গাজন শব্দটি এসেছে ‘গর্জন’ থেকে। অনেকে বলেন, সন্ন্যাসীদের হুঙ্কারই শিবসাধনায় গাজন নামে প্রচলিত হয়।

    বাংলা সাহিত্যে চড়ক

    বাংলার মঙ্গলকাব্যেও গাজনের উল্লেখ মেলে। ধর্মমঙ্গল কাব্যে রানি রঞ্জাবতী ধর্মকে তুষ্ট করতে গাজন পালন করেছিলেন বলে উল্লেখ রয়েছে। সাহিত্যেও গাজনের উল্লেখ মেলে। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পথের পাঁচালী’তে গ্রামবাংলায় গাজন উৎসবের উল্লেখ রয়েছে। তিনি লিখেছেন– ‘চড়কের আর বেশি দেরি নাই। বাড়ি বাড়ি গাজনের সন্ন্যাসী নাচিতে বাহির হইয়াছে। দুর্গা ও অপু আহার নিদ্রা ত্যাগ করিয়া সন্ন্যাসীদের পিছনে পিছনে পাড়ায় পাড়ায় ঘুরিয়া বেড়াইল।’ শিবের আরাধনায় গাজনের সাড়ম্বর রূপের বিস্তার বাংলায় কমবেশি সর্বব্যাপী। আঞ্চলিক বিভিন্নতায় রীতিনীতিতে প্রভেদ থাকলেও, শিবগাজন একান্ত ভাবে সাধারণ মানুষের। গাজন-সংশ্লিষ্ট নাচ, গান, নাটক, মেলা নিয়ে যে সার্বিক আবহ তা গ্রাম-সংস্কৃতির এক অনন্য ছন্দোবদ্ধ প্রকাশ। ছো, সঙ, গম্ভীরা, গমীরা, বোলান ইত্যাদি কত বঙ্গীয় সংগীত-নৃত্য-নাট্যধারা মিশে থাকে গাজনের সঙ্গে।
    কলকাতার দুজায়গায় চড়ক-গাজন খুব ভালো ভাবে হয়– একটি হল উত্তরে ছাতুবাবু-লাটুবাবুর বাজারে, অন্যটি দক্ষিণে কালীঘাট অঞ্চলে। কলকাতার এ দুটি জায়গা ছাড়াও হাওড়ার বাইনান, নদিয়ার শান্তিপুরে এবং বর্ধমানের অম্বিকা কালনাতেও গাজন খুব বর্ণময়। কলকাতার গাজন-চড়ক নিয়ে হুতোম প্যাঁচার নকশায় উল্লেখ হয়েছে। তারও আগে এর উল্লেখ রয়েছে দেওয়ান রামকমল সেনের লেখায়। এশিয়াটিক সোসাইটির সচিব রামকমল সেন লিখেছেন চড়ক (Charak Festival)  শব্দটি এসেছে চক্র থেকে, যা চক্রাকারে ঘোরে। চড়কগাছে কিন্ত এই বৃত্তকার ঘোরার বিষয়টি রয়েছে।

     

  • I-PAC Director Arrested: গ্রেফতার আই-প্যাকের ডিরেক্টর ও সহ প্রতিষ্ঠাতা ভিনেশ চান্ডেল, ১০ দিনের ইডি হেফাজত

    I-PAC Director Arrested: গ্রেফতার আই-প্যাকের ডিরেক্টর ও সহ প্রতিষ্ঠাতা ভিনেশ চান্ডেল, ১০ দিনের ইডি হেফাজত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার মামলায় (coal scam case) গ্রেফতার হলেন আই-প্যাকের (I-PAC) অন্যতম ডিরেক্টর ও সহ প্রতিষ্ঠাতা ভিনেশ চান্ডেল (Vinesh Chandel Arrested)। পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ১০দিন আগে এই গ্রেফতারি তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। বেআইনি লেনদেন সংক্রান্ত মামলায় গ্রেফতার ভিনেশ চান্ডেল। তাঁকে দিল্লি থেকে গ্রেফতার করেছে ইডি। গত ২ এপ্রিল ভিনেশের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চলেছিল। সেই সময় বেশ কিছু নথিপত্রও বাজেয়াপ্ত করা হয় বলে ইডি সূত্রে দাবি।

    কেন গ্রেফতার

    ইডি সূত্রে খবর, ভোটের সঙ্গে এই গ্রেফতারির কোনও যোগ নেই। কয়লা পাচার মামলায় আগে থেকেই তদন্ত চলছিল। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গায় অভিযান চালানো হয়। ইডি সূত্রে খবর, অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনের অধীনে ভিনেশ চান্ডেলকে দিল্লিতে গ্রেফতার (I-PAC Director Arrested) করা হয়েছে। গত ২ এপ্রিল দিল্লিতে চান্ডেলের বাড়ি ছাড়াও, বেঙ্গালুরুতে আই-প্যাকের আরেক সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক ঋষি রাজ সিংয়ের বাসভবনে তল্লাশি করে কেন্দ্রীয় সংস্থা। এর আগেই আইপ্য়াকের ২ কর্তা প্রতীক জৈন ও ঋষিরাজ সিংকে দিল্লির অফিসে তলব করে নোটিস দেওয়া হয়। ৩০ এপ্রিলের পরে হাজিরা দিতে চেয়ে দিল্লি হাইকোর্টে যান তাঁরা। ১৭ এপ্রিল দিল্লি হাইকোর্টে সেই মামলার শুনানি রয়েছে। ডির তরফে দাবি, ভিনেশের বাড়িতে তল্লাশির পরও তাঁদের তদন্ত চলছিল। তদন্তকারীদের হাতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আসে। সেই তথ্যের উপর ভিত্তি করেই এই গ্রেফতারি বলে দাবি কেন্দ্রীয় এজেন্সির। ইডি সূত্রে খবর, আইপ্যাকের অন্যতম ডিরেক্টরের উত্তরে সন্তুষ্ট না হওয়ার কারণেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    কে এই ভিনেশ চান্ডেল

    ভিনেশ চান্ডেল ভোটকুশলী হিসেবে কর্মরত। তিনি ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি বা আই-প্যাক, এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা। প্রশান্ত কিশোর, প্রতীক জৈন এবং ঋষিরাজ সিং এক সঙ্গে আই-প্যাক তৈরি করেন। এই মুহূর্তে চান্ডেল আইপ্যাকের স্ট্র্যাটেজি ঠিক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে থাকেন। ইডি কর্তারা জানিয়েছেন, ‘প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট’ (PMLA)-এর বিধান অনুযায়ী দিল্লিতে চান্ডেলকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সোমবার গভীর রাতেই তাঁকে দিল্লির পাটিয়ালা কোর্টের বিচারকের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চলে শুনানি। ভোর পর্যন্ত শুনানি হয়। ভিনেশকে ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির দাবি, বাংলায় কয়লা পাচারের প্রায় ২০ কোটি টাকা ‘হাওয়ালা’র মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে।

LinkedIn
Share