Tag: Madhyom

Madhyom

  • Balurghat: সুকান্ত লিড পাওয়ায় বালুরঘাটে বন্ধ নাগরিক পরিষেবা! মহকুমা শাসককে নালিশ পুরবাসীর

    Balurghat: সুকান্ত লিড পাওয়ায় বালুরঘাটে বন্ধ নাগরিক পরিষেবা! মহকুমা শাসককে নালিশ পুরবাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি করার অপরাধে পাচ্ছেন না কোনও নাগরিক পরিষেবা। ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে অভিযোগ জানাতে গেলেই কাউন্সিলর বলেন সুকান্ত মজুমদারকে বলেন। এমনই অভিযোগ বালুরঘাটের (Balurghat) ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের সুকান্ত কলোনির বাসিন্দাদের। পুরসভার পরিষেবা না পেয়ে অবশেষে এলাকার বাসিন্দারা দ্বারস্থ হলেন বালুরঘাট মহকুমা শাসকের। সোমবার মহকুমা শাসকের দফতরে এলাকায় পুর পরিষেবা স্বাভাবিক করার জন্য ডেপুটেশন দেন এলাকাবাসী।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Balurghat)

    বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের সুকান্ত কলোনি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আবর্জনা পরিষ্কার করা হচ্ছে না। রাস্তায় ডাঁই হয়ে পড়ে রয়েছে আবর্জনা। রাস্তায় চলাচল করতে সাধারণ মানুষের সমস্যা হচ্ছে। পাশাপাশি রাস্তার আলো বন্ধ থাকছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ এ বিষয়ে পুরসভার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরকে জানানো হলে তিনি বলছেন, লোকসভা ভোটে সুকান্ত মজুমদারকে ভোট দিয়েছেন, তাঁকে গিয়েই অভিযোগ করুন। জানা গিয়েছে, গত লোকসভা ভোটে বালুরঘাট পুরসভায় ব্যাপক জয় পায় বিজেপি। শুধুমাত্র বালুরঘাট পুরসভার ২৫ টি ওয়ার্ডে ২৫ হাজার ভোটে লিড পান বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত  মজুমদার। এলাকাবাসীদের অভিযোগ সেই কারণেই পরিষেবা বন্ধ রেখেছে বালুরঘাট পুরসভা।  যাতে ওয়ার্ডের কাজ হয় সেই জন্য আমরা মহকুমা শাসকের কাছে অভিযোগ জানালাম।

    আরও পড়ুন: ‘অবৈধ বাংলাদেশিদের ঠাঁই দেওয়ার ভয়ংকর পরিকল্পনা’ মমতার মন্তব্যের বিরোধিতায় বিজেপি

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এই বিষয়ে বিজেপির (BJP) টাউন সভাপতি সমীর প্রসাদ  দত্ত বলেন, গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি জেতার পর বালুরঘাট পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছেন বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভার তৃণমূলের কাউন্সিলাররা। প্রতিটি ওয়ার্ডে কাউন্সিলরদের কাছে কোনও বিষয়ে অভিযোগ জানাতে গেলে তৃণমূলের কাউন্সিলররা বলেন, সুকান্ত মজুমদারের কাছে যান। এমন অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। যদি পুরসভার চেয়ারম্যান বা কাউন্সিলররা যদি তাঁদের কাজ না করতে পারেন তাহলে পদ ছেড়ে দিন আমরা চালিয়ে নিচ্ছি সব।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    এই বিষয়ে বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব থাকা কাউন্সিলর মুনমুন কর বলেন, এটা পুরোটা মিথ্যে অভিযোগ। বিজেপি আলোতে থাকার জন্য এই নোংরা কাজটা করছে। আমাদের পুরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে কাজ ঠিকঠাক হয়। আর আমাদের কোনও কাউন্সিলর এমন কথা বলেনি বলেই আমার বিশ্বাস। এটা বিজেপির (BJP) চক্রান্ত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohun Bagan: মেসির বিপক্ষে খেলা, ৫ সোনার বুটের মালিক! মোহনবাগানে অসি বিশ্বকাপার জেমি ম্যাকলারেন

    Mohun Bagan: মেসির বিপক্ষে খেলা, ৫ সোনার বুটের মালিক! মোহনবাগানে অসি বিশ্বকাপার জেমি ম্যাকলারেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে সমস্ত জল্পনার অবসান। অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপার জেমি ম্যাকলারেন সই করলেন মোহনবাগান সুপার জায়ান্টে (Mohun Bagan)। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে লিয়োনেল মেসির আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে খেলেছিলেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার এ লিগে পাঁচ বার সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে সোনার বুট জিতেছিলেন ম্যাকলারেন (Jamie Maclaren)। চার বছরের চুক্তিতে এবার তাঁকে নিয়েছে সবুজ-মেরুন।

    ডার্বি খেলতে মুখিয়ে আছেন জেমি (Jamie Maclaren)

    আগামী ২৯ জুলাই মোহনবাগান (Mohun Bagan) দিবসে কলকাতায় আসতে চলেছেন জেমি ম্যাকলারেন। তারপর থেকেই শুরু করবেন প্র্যাকটিস। কলকাতায় খেলা এবং মোহনবাগানে সই করার বিষয়ে ম্যাকলারেন জানিয়েছেন, “বহু বছর ধরেই আমি কলকাতা তথা ভারতীয় ফুটবল ফলো করি। আইএসএল-এ এর আগে অনেক বিশ্বমানের ফুটবলাররা খেলে গিয়েছেন বিভিন্ন ক্লাবে। তবে আমি মোহনবাগানে এসেছি ওঁদের ট্রফি জেতার খিদে দেখে। সবুজ-মেরুন সমর্থকদের সামনে মাঠে নামার জন্য মুখিয়ে আছি। আশা করি নিজে আরও ট্রফি জিততে পারব আর দলকেও আরও সাফল্য এনে দিতে পারব।” ডার্বি খেলতে মুখিয়ে আছেন জেমি (Jamie Maclaren)। তিনি বলেছেন, “এই ম্যাচ আমি আগেও দেখেছি। একটা স্টেডিয়ামে ৬০,০০০ দর্শকের সামনে খেলা যে কোনও প্লেয়ারের স্বপ্ন। আর যে দেশই হোক, কোনও ডার্বি খেলা সবসময় আমার কাছে অন্যরকম একটা অনুভূতি দেয়।” ভারতীয় খাবারও তাঁর বেশ পছন্দ জানালেন  ম্যাকলারেন।

    মোহনবাগানে তিন বিশ্বকাপার (Mohun Bagan)

    ৩০ বছর বয়সি এই স্ট্রাইকার এ লিগের ইতিহাসে সর্বাধিক (১৫৪) গোল করেছেন। গত মরসুমেই মেলবোর্ন সিটির হয়ে ২৪টি গোল করেছেন তিনি। এই ক্লাবে টানা পাঁচ বছর খেলেছেন ম্যাকলারেন (Jamie Maclaren)। ১৪২টি ম্যাচে করেছেন ১০৩টি গোল, যা ক্লাবের ইতিহাসে সর্বাধিক। মেলবোর্নের আগে পার্থ গ্লোরি ও ব্রিসবেন রোয়ার্সের মতো দলেও খেলেছেন তিনি। আইএসএলের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও ক্লাবের জার্সিতে একসঙ্গে তিন জন বিশ্বকাপার খেলবেন। আগেই দিমিত্রি পেত্রাতোস ও জেসন কামিংস মোহন বাগানে (Mohun Bagan) ছিলেন। এ বার দলে জুড়লেন ম্যাকলারেন।  অস্ট্রেলীয় ফুটবলার বলেন, “পেত্রাতোস ও কামিংসের সঙ্গে একই দলে ও বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা আমার আছে। ওদের খুব ভাল ভাবে চিনি। তাই আবার একই দলের হয়ে নামতে ভাল লাগবে। আশা করছি তিন জনে ক্লাবকে জেতাতে বড় ভূমিকা নেব। ওরা থাকায় বাকিদের সঙ্গে মানিয়ে নিতে আমার বেশি সময় লাগবে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: পানিহাটিতে তৃণমূলের ২ গোষ্ঠীর মধ্যে মারপিট! প্রতিবাদে থানা ঘেরাও, এলাকায় উত্তেজনা

    North 24 Parganas: পানিহাটিতে তৃণমূলের ২ গোষ্ঠীর মধ্যে মারপিট! প্রতিবাদে থানা ঘেরাও, এলাকায় উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পানিহাটিতে (North 24 Parganas) তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক মারপিট, অফিস ভাঙচুর এবং প্রতিবাদে খড়দা থানা ঘেরাও-এর ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলর এবং যুব নেতার দুই গোষ্ঠীর মধ্যে এই কোন্দলের চিত্র লক্ষ্য করা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে নামানো হয়েছে পুলিশ।

    ঘটনা কীভাবে ঘটেছে (North 24 Parganas)?

    তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়িয়েছে পানিহাটি( North 24 Parganas) পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ড রেল পার্ক এলাকায়। অভিযোগ, রবিবার রাতে তৃণমূল কর্মী রানা বিশ্বাসকে মারধর করে আরেক তৃণমূল কর্মী পরিতোষের গোষ্ঠীর লোকজন। এরপর দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে খড়দা থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কাউন্সিলর প্রবীর ভট্টাচার্যের দলবল। কিন্তু সোমবার সকালে, পাল্টা আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা অভিযুক্ত যুব তৃণমূল নেতা বুবাই মল্লিকের অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। কার্যত অফিসে ঢুকে দুষ্কৃতীরা ভাঙচুর করে জিনিসপত্র বাইরে বের করে দেয়। চেয়ার, টেবিল, কাচের দরজায় ভাঙচুর করে। ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।

    তৃণমূল কাউন্সিলরের বক্তব্য

    তৃণমূল নেতা এবং কাউন্সিলর (North 24 Parganas) প্রবীর ভট্টাচার্য এই সংঘর্ষ সম্পর্কে বলেছেন, “তৃণমূল করি তাই আমাদের দায়িত্ব আছে। এলাকার মানুষ এতটাই ক্ষিপ্ত হয়ে রয়েছেন যে তার ফলাফল স্বরূপ এই প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। ক্রিয়ার প্রতিক্রিয়া এমনই হয়। এলাকায় দুষ্কৃতীদের ব্যাপক দৌরাত্ম্য শুরু হয়েছে। তবে তৃণমূল দল এই কাজের অনুমোদন দেয় না। প্রশাসনের কাছে আমরা অভিযোগ জানিয়েছি। মানুষের শান্তি শৃঙ্খলা চায়। বুবাই এবং পরিতোষ এলাকার গুন্ডা। তাঁদের কারণে কোনও মা-বোন সুরক্ষিত নয়। আমরা জেলা নেতৃত্বের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি।”

    আরও পড়ুনঃ বছরে দেড় কোটি টাকার চাকরি পেয়েও বাবা-মাকে ছেড়ে আমেরিকায় গেলেন না বাংলার যুবক

    তৃণমূল যুব নেতা বুবাই মল্লিকের বক্তব্য

    আবার যুব তৃণমূল (TMC) নেতা বুবাই মল্লিক বলেছেন, “দলের একাংশ আমাকে কাজ করতে দিচ্ছে না। আমার অফিস খুলতেও বাধা দিচ্ছে। এলাকায় (North 24 Parganas) দীর্ঘ দিন ধরে আমাকে টার্গেট করছে দলেরই কিছু দুষ্কৃতী। তৃণমূল দল যাতে আমি না করি সেই জন্য আমাকে বার বার ভয় দেখানো হচ্ছিল। আমার অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর করেছে। এতো হুমকির মধ্যে আমি রবিবার ২১ জুলাই অনুষ্ঠানে যোগদান করেছিলাম। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আমি থানায় অভিযোগ জানিয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IPL 2025: রোহিত, সূর্যকুমার, পন্থ, কে এল রাহুলের দলবদলের সম্ভাবনা জোরদার, মেগা নিলামে এবার বড় চমক

    IPL 2025: রোহিত, সূর্যকুমার, পন্থ, কে এল রাহুলের দলবদলের সম্ভাবনা জোরদার, মেগা নিলামে এবার বড় চমক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারের আইপিএলে বড় রদবদল হবে বিভিন্ন দলে। রোহিত শর্মা এবং সূর্যকুমার যাদব মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ছেড়ে দিতে পারেন। আসন্ন ২০২৫-এর আইপিএলে (IPL 2025) কেকেআর, দিল্লী ক্যাপিটলস ও গুজরাত টাইটান্স এই দুই ব্যাটসম্যানের উপর ঝাঁপাতে পারে। অন্যদিকে মালিক সঞ্জীব গোয়েঙ্কার সঙ্গে সম্পর্ক তলানিতে ঠেকায় কে এল রাহুল দল ছেড়ে দিতে পারেন। ২০১৩ সালে রাহুলের আইপিএল সফর শুরু হয়েছিল আরসিবি থেকে। পরবর্তীতে তিনি সানরাইজার্স হায়দরাবাদে খেলেছেন ২০১৪-২০১৫ দুটো মরসুম। তারপর আবার তিনি ফেরেন আরসিবিতে। এরপর ২০১৮-২১ অবধি কিংস ইলেভেন পঞ্জাবের হয়ে আইপিএলে খেলেন তিনি। তারপর ২০২২ থেকে তিনটে মরসুম লখনউয়ের জার্সিতে তাঁকে দেখা গিয়েছে।

    বড় নামের দলবদল হবে এবার (IPL 2025)

    ২০২৫-এর আইপিএলের (IPL 2025) আগে মেগা নিলাম অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে। তাঁর আগে নানান দলে বদল হবে। প্রথম নামটাই কে এল রাহুলের। সঞ্জীব গোয়েঙ্কা প্রকাশ্যে তাঁর উপর চিৎকার করায় বিষয়টা ভালোভাবে নেননি কে এল রাহুল। চলতি বছরই দল বদল হওয়ার প্রভূত সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর। অন্যদিকে রোহিত শর্মা এবং সূর্যকুমার যাদব মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ছেড়ে দিতে পারেন। গত বছরই রোহিত শর্মার বদলে হার্দিক পান্ডিয়া মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ক্যাপ্টেন হয়েছিলেন। টিমের মধ্যেও এ নিয়ে অসন্তোষ ছিল।

    আরও পড়ুন: আগামী বিশ্বকাপেও দলে রোহিত-কোহলি! বিরাটের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে অকপট গম্ভীর

    শোনা যাচ্ছে রোহিত শর্মা গুজরাট টাইটান্স বা দিল্লী ক্যাপিটালসে (IPL Schedule 2025) যোগ দিতে পারেন। তবে তাঁর জন্য কলকাতা নাইট রাইডার্স ঝাঁপাতে পারে।

    চেন্নাই সুপার কিংসে ঋষভ পন্থ (IPL Schedule2025)

    অন্যদিকে ঋষভ পন্থ দিল্লি ক্যাপিটালস ছেড়ে চেন্নাই সুপার কিংস দলে যোগ দিতে পারেন। কারণ গত মরশুমে তাঁর পারফরম্যান্সে খুশী ছিল না দিল্লীর দল। এবছরই (IPL 2025) চেন্নাই সুপার কিংস থেকে পাকাপাকি ভাবে (IPL Schedule 2025) রিটায়ার হয়ে যেতে পারেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। ফলে একজন উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান দরকার। ঋষভ পন্থ মহেন্দ্র সিং ধোনির সেই জায়গাটা পূরণ করতে পারেন।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mangala Gouri 2024: শ্রাবণ সোমবার পালন করলে মঙ্গলে করুন মঙ্গলা গৌরী ব্রত, জানুন পদ্ধতি

    Mangala Gouri 2024: শ্রাবণ সোমবার পালন করলে মঙ্গলে করুন মঙ্গলা গৌরী ব্রত, জানুন পদ্ধতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দুধর্মে ও জ্যোতিষশাস্ত্রে শ্রাবণ মাসের গুরুত্ব অপরিসীম। এই মাস শিবের অত্যন্ত প্রিয় মাস। এই মাসে ভগবান শিবের পুজো করলে জীবনে সাফল্য পাওয়া যায়। রীতি অনুযায়ী শ্রাবণ মাসের সোমবার শিবকে উৎসর্গ করা হয় এবং মঙ্গলবার উৎসর্গ করা হয় দেবী পার্বতীকে। এই মঙ্গলবার গুলোতে পালন করা হয় মঙ্গলা গৌরী ব্রত (Mangala Gouri 2024)। 

    কেন পালিত হয় মঙ্গলা গৌরী ব্রত? (Mangala Gouri 2024)

    প্রথা অনুযায়ী, এই দিনে বিবাহিত মহিলারা অবিচ্ছিন্ন সৌভাগ্য, স্বামীর দীর্ঘায়ু এবং সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য উপবাস করে, অন্যদিকে অবিবাহিত মেয়েরা একটি ভালো জীবনসঙ্গী পাওয়ার জন্য পালন করে এই উপবাস। কথিত আছে, এই উপবাস পালন করলে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক মধুর হয়ে ওঠে।

    আরও পড়ুন: অল্পতেই সন্তুষ্ট হন মহাদেব, শ্রাবণ মাসের প্রথম সোমবার কীভাবে পালন করবেন?

    কবে পালন হবে এই ব্রত? 

    এ বছর মঙ্গলা গৌরী ব্রত (Mangala Gouri 2024) শুরু হবে ২৩ জুলাই থেকে। এদিন প্রথম মঙ্গলা গৌরী উপবাস পালিত হবে। এরপর দ্বিতীয় মঙ্গলা গৌরী ব্রত পালিত হবে ৩০ জুলাই, তৃতীয় ব্রত ৬ আগস্ট এবং চতুর্থ তথা শেষ মঙ্গলা গৌরী ব্রত পালন করা হবে ১৩ অগাস্ট।

    পুজোর নিয়মাবলী

    মঙ্গলা গৌরী ব্রত (Mangala Gouri 2024) উপলক্ষে মঙ্গলবার ব্রহ্মমুহূর্তে ঘুম থেকে উঠে স্নান করে শিব-পার্বতীর পুজো করে শুরু করা হয় উপবাস। এরপর লাল কাপড়ের উপর মাতা পার্বতীর দেবী মঙ্গলা গৌরী রূপের মূর্তি স্থাপন করা হয়। মা গৌরীর পুজোর জন্য নিবেদন করা হয় ফুলের মালা, ফল, পান, লাড্ডু, লবঙ্গ, সুপারি, এলাচ, বিয়ের উপকরণ সহ ১৬টি চুড়ি ও মিষ্টি। 

    মঙ্গলা গৌরী ব্রতের পৌরাণিক কাহিনী (Mangala Gouri 2024)

    প্রাচীনকালে, ধর্মপাল নামে এক বণিক ছিলেন, যার অর্থের অভাব ছিল না। তিনি নিজে সকল গুণে ধন্য ছিলেন। শেঠ ধরমপাল একজন মেধাবী কন্যাকে বিয়ে করেন। তবে বিয়ের পর বেশ কয়েক বছর পরও তাঁদের কোনও সন্তান হয়নি। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন ব্যবসায়ী। এরপর একদিন শেঠ ধর্মপালের স্ত্রী তাঁকে সন্তানের বিষয়ে একজন মহান পণ্ডিতের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন। স্ত্রীর পরামর্শে ব্যবসায়ী শহরের সবচেয়ে বিখ্যাত পণ্ডিতের সঙ্গে দেখা করতে গেলেন। সেই সময় সেই পণ্ডিত ব্যবসায়ী দম্পতিকে শিব ও মা পার্বতীর পুজো করার পরামর্শ দেন। পরে ব্যবসায়ীর স্ত্রী রীতি অনুযায়ী ভগবান শিব ও মা পার্বতীর পুজো করেন। ধর্মপালের স্ত্রীর ভক্তিতে খুশি হয়ে একদিন দেবী পার্বতী আবির্ভূত হয়ে বললেন- আমি তোমার ভক্তিতে প্রসন্ন, তুমি যাহা চাও তাই চাও। তোমার ইচ্ছা অবশ্যই পূরণ হবে। সে সময় ধর্মপালের স্ত্রী সন্তান চেয়েছিলেন। দেবী পার্বতী তাকে পুত্র লাভের আশীর্বাদ করেছিলেন। এক বছর পর ধর্মপালের স্ত্রী একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন। কিন্তু সেই শিশু ক্ষণজন্মা ছিল। পুত্রের নামকরণ হলে ধর্মপাল জ্যোতিষীকে তাঁর পুত্রের ক্ষণজন্মা হওয়ার কথা বলেন। তখন জ্যোতিষী ধর্মপালকে পরামর্শ দেন যে মঙ্গলা গৌরী উপবাস (Mangala Gouri Brata) পালনকারী একটি মেয়ের সঙ্গে তার ছেলের বিয়ে দিতে। জ্যোতিষীর পরামর্শ অনুযায়ী শেঠ ধর্মপাল তাঁর ছেলেকে মঙ্গলা গৌরী উপবাস পালনকারী একটি মেয়ের সঙ্গে বিয়ে দেন। সেই মেয়ের পুণ্যের কারণে ধর্মপালের ছেলে মৃত্যুর কবল থেকে মুক্তি পান। এই ভাবে ছড়িয়ে পড়ে এই ব্রত। 

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Economy: চলতি অর্থবর্ষে বৃদ্ধির হার কত হবে? সংসদে আর্থিক সমীক্ষার রিপোর্ট পেশ নির্মলার

    Indian Economy: চলতি অর্থবর্ষে বৃদ্ধির হার কত হবে? সংসদে আর্থিক সমীক্ষার রিপোর্ট পেশ নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারই সংসদে বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তার আগে সোমবার আর্থিক সমীক্ষা রিপোর্ট (Indian Economy) পেশ করলেন তিনি। রিপোর্ট পেশ করার সময় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘‘করোনা পরিস্থিতির পর একাধিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল দেশের অর্থনীতি। তবে বর্তমানে দেশের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে।’’ এদিন অর্থমন্ত্রীর পেশ করা রিপোর্টে (Economic Survey) বলা হয়েছে, ২০২৪-২০২৫ অর্থবর্ষে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ৬.৫ শতাংশ থেকে ৭ শতাংশের মধ্যে থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি জানানো হয়েছে, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া মুদ্রাস্ফীতির সূচক ৪.৫ শতাংশ স্থির করেছে।

    ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করে অর্থনীতি এখন স্থিতিশীল 

    এদিন যে রিপোর্ট (Indian Economy) পেশ করা হয়েছে সেখানে এও বলা হয়েছে, দেশে বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অন্যদিকে, চলতি অর্থবর্ষে বৃষ্টিপাত এবং দক্ষিণ-পশ্চিমী মৌসুমী বায়ুর সন্তোষজনক বিস্তারের ফলে কৃষিক্ষেত্রে উন্নতি হওয়া সম্ভাবনা রয়েছে বলে বলা হয়েছে রিপোর্টে। আর্থিক সমীক্ষা রিপোর্টে (Economic Survey) বলা হয়েছে, ‘‘ভারতীয় অর্থনীতি একটি শক্তিশালী স্তম্ভ। ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করে অর্থনীতি এখন স্থিতিশীল।’’ অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘শেষ অর্থবর্ষের চারটি ত্রৈমাসিকের মধ্যে তিনটিতেই আর্থিক বৃদ্ধি (Indian Economy) ছিল ৮ শতাংশের বেশি। ২০২৩ এবং ২০২৪ অর্থবর্ষে উপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়া অর্থনৈতিক বৃদ্ধি আগামী বছরেও দেখা যাবে।’’

    ২০২৩ অর্থবর্ষ থেকে ২০২৪ অর্থবর্ষে (Indian Economy) মুদ্রাস্ফীতি ১.৩ শতাংশ কমেছে

    অন্যদিকে ২০২৩ অর্থবর্ষের ক্ষেত্রে মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ৬.৬ শতাংশ ২০২৪ অর্থবর্ষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭.৫ শতাংশ। মুদ্রাস্ফীতির হার বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ হিসেবে রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে খাদ্য উৎপাদনে প্রভাব পড়েছিল। কৃষকরা কৃষি কাজ করতে গিয়ে প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিলেন।

    আগামী অর্থবর্ষে দেশে বেকারত্বের হার কমতে পারে

    এদিন অর্থমন্ত্রীর পেশ করা রিপোর্টে বেকারত্বের কথাও উল্লেখ রয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, আগামী অর্থবর্ষে দেশে বেকারত্বের হার কমতে পারে। এর পাশাপাশি করোনা পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কর্মসংস্থান বেড়েছে বলেও বলা হয়েছে ওই রিপোর্টে (Indian Economy)। এর ফলে ভারতের অর্থনীতিতে প্রভাব পড়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, মহিলাদের কাজ করার হারও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে মহিলাদের কাজ করার হার ছিল ২৩.৩ শতাংশ। গত ছয় বছর ধরে সেই হার বেড়েই গিয়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে এই হার দাঁড়ায় ৩৭ শতাংশে। রিপোর্ট উল্লেখ করা হয়েছে গ্রামের মহিলাদের কাজ করার প্রবণতা অনেকটাই বেড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gautam Gambhir: আগামী বিশ্বকাপেও দলে রোহিত-কোহলি! বিরাটের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে অকপট গম্ভীর

    Gautam Gambhir: আগামী বিশ্বকাপেও দলে রোহিত-কোহলি! বিরাটের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে অকপট গম্ভীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় দলের কোচের পদে আসার পর থেকেই কোহলির সঙ্গে তাঁর সমীকরণ নিয়ে জল্পনা শুনতে হয়েছে গৌতম গম্ভীরকে (Gautam Gambhir)। ভারতের কোচ হিসেবে প্রথম প্রেস কনফারেন্সেও উড়ে এল একই প্রশ্ন। তবে সেই প্রশ্নকে সোজা বাউন্ডারির বাইরে পাঠালেন গুরু গম্ভীর। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সীমিত ওভারের সিরিজ খেলতে মঙ্গলবার কলম্বো রওনা দিল ভারতীয় টিম। তার আগে মুম্বইয়ে প্রেস কনফারেন্স করেছেন গম্ভীর। সেখানে কোহলির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে গৌতম বলেন, ‘এই বিষয় নিয়ে আলোচনা টিআরপির জন্য ভালো। কিন্তু আমাদের সম্পর্ক কেমন, সেটা আমরা ভালো জানি। বিরাট কোহলি ও আমার সমীকরণ কেমন, সেটাও আমাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার।’ 

    গম্ভীর-কোহলি রসায়ন

    অতীতে বহুবার আইপিএলের সময় বিরাট ও গম্ভীরের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় দেখা গিয়েছে। তবে, এবারের আইপিএলে অবশ্য ছবিটা বদলে যায়। কেকেআরের মেন্টর গৌতম (Gautam Gambhir) হাসিমুখে কোহলির সঙ্গে কথা বলেন, আলিঙ্গন করেন। যা দেখে চমকে গিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা। গম্ভীর-বিরাট সেই সময় জানিয়েছিলেন, অনেকের এটা পছন্দ হয়নি। কারণ, তাঁরা মশলা পেলেন না। গম্ভীর জানিয়েছেন, কোহলির সঙ্গে তাঁর কোনও ঝামেলা নেই। এখন তাঁদের উদ্দেশ্য একটাই। দলকে সাফল্য দেওয়া।

    জিতে ড্রেসিংরুমে ফেরাই আসল

    গম্ভীর (Gautam Gambhir) এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘মাঠের মধ্যে যে কোনও টিমের যে কেউ নিজের সেরাটা দিয়ে লড়তে পারে। তবে জিতে ড্রেসিংরুমে ফেরাই আসল। আমরা এখন ভারতীয় টিমের হয়ে একসঙ্গে প্রতিনিধিত্ব করব। ১৪০ কোটি ভারতীয়র হয়ে আমরা প্রতিনিধিত্ব করব। ভারতকে গর্বিত করাই আমাদের লক্ষ্য। মাঠের বাইরে আমাদের সম্পর্ক বেশ ভালো। আর সেটাই আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। ওর সঙ্গে আমার চ্যাট হয়। আমরা একে অপরকে মেসেজও করি। অনেক সময় এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়, শিরোনাম পাওয়ার জন্য। আমার মনে হয়, সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়।’

    বিশ্বকাপে খেলবেন রোহিত-কোহলি

    রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলি কি ২০২৭ ওডিআই বিশ্বকাপ পর্যন্ত খেলতে পারেন? এই প্রশ্নের জবাবে গম্ভীরের সোজাসাপ্টা জবাব, ‘খেলতেই পারেন। বড় মঞ্চে তাঁরা কীরকম খেলতে পারেন, তা তাঁরা ইতিমধ্যেই দেখিয়েছেন। দু’জনের মধ্যেই অনেক ক্রিকেট বাকি আছে। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিটা হোক। তাঁরা ফিটনেস ধরে রাখলে ২০২৭ বিশ্বকাপেও খেলতে পারেন। তাঁরা যেমন খেলেন তা দেখে আমার মনে হয়, তাঁরা এখনও বিশ্বমানের এবং যে কোনও দল তাঁদের দু’জনকেই রাখতে চাইবে।’ 

    ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট

    ক্রিকেটারদের ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট এবং সিনিয়রদের সব সিরিজে খেলা নিয়ে গম্ভীর বলেন, ‘আমি আগেও বলেছি, বুমরার মতো ক্রিকেটারের জন্য ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট গুরুত্বপূর্ণ। তবে আপনি যদি ব্যাটার হন এবং ভালো ফর্মে থাকেন, তাহলে সব খেলাই খেলতে পারেন। অবশ্য ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট শুধু বুমরার জন্য নয়, বেশিরভাগ ফাস্ট বোলারদের জন্যই এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

    তিন ফর্ম্যাটে ভিন্ন দল

    ভবিষ্যতে ভারতীয় ক্রিকেট দলের তিন ফর্ম্যাটে ভিন্ন দল হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে গম্ভীর (Gautam Gambhir) বলেন, ‘ভবিষ্যতে এমনটা হলেও হতে পারে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তো তেমনটা বলা যায় না। তবে টি২০ দলে বড়সড় পরিবর্তন আসবে। রোহিত, কোহলি, জাদেজার মতো ক্রিকেটাররা অবসর নিয়েছেন। তবে যে ক্রিকেটাররা সব ফর্ম্যাটে খেলতে পারেন, তাঁদের দলে রাখাই ভালো।’

    গম্ভীরের সহযোগী নায়ার

    গম্ভীর এদিন নিজের সহকারীদের নামও জানান। তিনি বলেন, ‘আমি আগেই বলেছি, শ্রীলঙ্কা সফরের পর প্রায় এক মাস সময় পাব সাপোর্ট স্টাফদের চূড়ান্ত করার জন্য়। আমি অভিষেক নায়ার,  রায়ান টেন ডসখাতের মতো লোকদের সঙ্গে আইপিএলে কাজ করেছি। ভীষণ পেশাদার ওরা। আশা করি রায়ান-অভিষেক শ্রীলঙ্কায় সফল হবে। আশা করি কোচ হিসেবে আমরা সাফল্য় পাব। বাকিদের সঙ্গেও কাজ করার জন্য় মুখিয়ে আছি। বাকিদের ব্য়াপারেও প্লেয়ারদের থেকে খুব ভালো ফিডব্য়াক পেয়েছি। আমি খুব সহজ-সরল ভাবে শিখি।’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Potato Traders Strike: আলু বোঝাই ট্রাক লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে, চলছে ধর্মঘট, হুঁশ নেই তৃণমূল সরকারের!

    Potato Traders Strike: আলু বোঝাই ট্রাক লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে, চলছে ধর্মঘট, হুঁশ নেই তৃণমূল সরকারের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আলুর চাহিদা মেটানো না পর্যন্ত ভিন রাজ্যে আলু রফতানি করা যাবে না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘোষণা করেই দায় সেরেছেন। এমনই মনে করছেন সাধারণ মানুষ। তাঁদের বক্তব্য, আলু নিয়ে রাজ্যজুড়ে কী হচ্ছে তা দেখার বিষয়ে রাজ্য সরকারের হেলদোল নেই। এই আবহের মধ্যে সোমবার থেকে আলু ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট (Potato Traders Strike) ডেকেছেন। স্বাভাবিকভাবে পরিস্থিতি কোনদিকে যাবে তা নিয়ে উদ্বিগ্ন রাজ্যবাসী।

    ধর্মঘটের জেরে বাজারে আলুর টান! (Potato Traders Strike)

    এমনিতেই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরেই পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলের বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমানার ডুবুরডিহি চেকপোস্টে একাধিক আলু বোঝাই ট্রাক আটকে রয়েছে। পুলিশই আলু বোঝাই ট্রাক আটকে দিয়েছে। এরফলে বিপাকে পড়েছেন ট্রাক চালকেরা। লিটন মল্লিক নামে এক ট্রাক চালক বলেন, এভাবে গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকলে আলু নষ্ট হয়ে যাবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। এমনিতেই প্রগতিশীল আলু ব্যবসায়ীদের ডাকা ধর্মঘটের (Potato Traders Strike) জেরে সোমবার সকাল থেকে আলু বের হচ্ছে না হিমঘর থেকে। আলু ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, বাজারে সোমবার থেকেই জোগান কমতে শুরু করেছে আলুর। হিমঘর থেকে শনিবার যে আলু বের করা হয়েছিল তা বাজারে প্রায় শেষের দিকে। সোমবার থেকেই বেশির ভাগ বাজারে দেখা মিলবে না আলু। যেটুকু আলু মজুত করা রয়েছে, তার মূল্য হবে আগুনছোঁয়া। রাজ্যে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার মেট্রিক টন আলুর প্রয়োজন হয়। কিন্তু, সোমবার  হিমঘর থেকে আলু বের হওয়া বন্ধ হয়ে পড়ছে। মঙ্গলবার থেকে বাজারে আলুর টান পড়তে শুরু করবে।

    আরও পড়ুন: ‘অবৈধ বাংলাদেশিদের ঠাঁই দেওয়ার ভয়ংকর পরিকল্পনা’ মমতার মন্তব্যের বিরোধিতায় বিজেপি

    রাজ্য সরকারের হুঁশ নেই!

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বাজার বের হলে আলুর (Potato Price) দাম শুনে আমাদের মাথায় হাত পড়ছে। রাজ্য সরকারের কোনও হুঁশ নেই। আগে কিছুনা হলে মানুষ বলত আলুসেদ্ধ ভাত খাব, কিন্তু এখন সেই পরিস্থিতিটাও আর নেই। মানুষ সেটাই বা বলে কীভাবে। সরকার উদ্যোগ গ্রহণ না করলে আলু নিয়ে বাজারে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হবে। আর তারজন্য রাজ্য সরকারই দায়ী থাকবে।

    প্রগতিশীল আলু ব্যবসায়ী সমিতির কর্মকর্তারা কী বললেন?

    প্রগতিশীল আলু ব্যবসায়ী সমিতির কর্মকর্তারা বলেন, ভিন রাজ্যে আলু যাতে না যায়, তারজন্য দুই রাজ্যের বর্ডারে রীতিমতো পুলিশি জুলুমবাজি চলে। বর্ডারে দিনের পর দিন গাড়ি দাঁড়িয়ে থেকে আলু নষ্ট হয়। প্রশাসনকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। তাই, এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RSS: সরকারি কর্মীদের আরএসএস করতে রইল না বাধা, কংগ্রেস-আমলের আদেশনামা বাতিল কেন্দ্রের

    RSS: সরকারি কর্মীদের আরএসএস করতে রইল না বাধা, কংগ্রেস-আমলের আদেশনামা বাতিল কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি কর্মীরা আরএসএস (RSS) করতে পারবেন না, এই বিষয়ে ৫৮ বছর আগে ১৯৬৬ সালে আদেশনামা জারি করেছিল কংগ্রেস সরকার। অবশেষে সেই নির্দেশকে তুলে দিল মোদি সরকার। জানা গিয়েছে, এর আগে ভারতীয় মজদুর সঙ্ঘ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে গত ২০১৮ সালেই আবেদন করেছিল যে সরকার যেন বিষয়টি ফের বিবেচনা করে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করে বলা হয়েছিল যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক যেন আগের সরকারি নির্দেশ প্রত্যাহার করে নেয়। কারণ সরকারি চাকরিরতরাও চান যাতে তাঁরাও দেশ গঠনের কাজে অংশ নিতে পারেন।

    কী বলছেন আরএসএস-এর (RSS) সর্বভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর

    আরএসএস-এর সর্বভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর এই প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘‘শুধুমাত্র রাজনৈতিক স্বার্থে আগের সরকার সঙ্ঘের মতো একটি গঠনমূলক সংগঠনের কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে নিষেধ করেছিল সরকারি কর্মীদের। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS) গত ৯৯ বছর ধরে জাতির পুনর্গঠনে এবং সমাজের সেবায় নিযুক্ত রয়েছে।’’ সুনীল আম্বেকর আরও উল্লেখ করেন, ‘‘জাতীয় সুরক্ষা, ঐক্যের ক্ষেত্রে অথবা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় সাহায্য করার জন্য বারবার প্রশংসিত হয়েছে আরএসএস।’’

    অমিত মালব্যর ট্যুইট

    বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য এনিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ৫৮ বছর আগে করা ‘অসাংবিধানিক’ একটা নিষেধাজ্ঞা অবশেষে তুলে নিল মোদি সরকার।

    ১৯৬৬ সালে কংগ্রেসের সরকারের আদেশনামা

    প্রসঙ্গত ১৯৬৬ সালের ৩০ নভেম্বর কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা যাতে আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত হতে না পারেন, সেই নির্দেশ দিয়েছিল কংগ্রেস সরকার। এমনকি সেই সময় আরএসএসের সঙ্গে মিটিং করা ও এমন ধরনের মিটিংয়ে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। যে কোনও ধরনের আরএসএস-এর (RSS) সংষ্পর্শে না যাওয়ার ক্ষেত্রে আদেশ জারি করেছিল কংগ্রেস সরকার। পরে জনতা সরকারের আমলে এই নিষিদ্ধকরণ সাময়িকভাবে তোলা হয়েছিল। ফের ১৯৮০ সালে কেন্দ্রীয় সরকার এই নির্দেশ পুনরায় লাগু করে। ২০০০ সালে গুজরাটের বিজেপি সরকার এই নিষেধাজ্ঞা তুলেছিল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Protest: জ্বলছে বাংলাদেশ! ঢাকার পরিস্থিতির দিকে নজর ভারতের

    Bangladesh Protest: জ্বলছে বাংলাদেশ! ঢাকার পরিস্থিতির দিকে নজর ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে এখনও স্বাভাবিক হয়নি পরিস্থিতি।  বাংলাদেশের কোটা সংস্কার আন্দোলনে (Bangladesh Protest) এখনও পর্যন্ত কমপক্ষে ১১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন বহু মানুষ। জারি হয়েছে কার্ফু। পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হয়েছে সেনা। এমত পরিস্থিতিতে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, নয়াদিল্লি বিষয়টি নিয়ে কী ভাবছে। এ প্রশ্নে তিনি এক লাইনে জবাব দিয়েছিলেন, ‘‘এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়।’’

    কূটনৈতিক মহলের মন্তব্য 

    রণধীর জয়সওয়ালের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কূটনৈতিক মহল বলছে, ভারতের সঙ্গে দীর্ঘতম সীমান্ত ভাগ করে নেওয়া দেশে প্রবল রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়ার ঘটনায় (Bangladesh Protest) সাউথ ব্লকের গভীর অস্বস্তি এবং উদ্বেগকেই আড়াল করতে চেয়েছেন রণধীর। কারণ এখন এ নিয়ে রা কাড়াও ভারতের পক্ষে বুমেরাংয়ের সমান। গত ছমাসেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ জুড়ে ভারত-বিরোধিতার যে ঢেউ দেখা গিয়েছে, তা-ই নতুন মোড়কে ফিরে এসেছে এখন। ঢাকার রাজপথে গর্জন শোনা গিয়েছে, ‘ভারত যাদের মামাবাড়ি, বাংলা ছাড়ো তাড়াতাড়ি।’ ফিরে এসেছে ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক, ‘ভারতীয় আগ্রাসনের’ বিরুদ্ধে, ‘ভারতের তাঁবেদার সরকার’ আওয়ামী লীগকে হটানোর ডাক। আর এ সবই ঘটেছে নয়াদিল্লির নাকের ডগায়।

    এ প্রসঙ্গে নয়াদিল্লির মন্তব্য (Bangladesh Protest) 

    সব মিলিয়ে শীর্ষ নেতৃত্ব স্তরে ‘সোনালি অধ্যায়ের’ একটি ছবি দক্ষিণ এশিয়া দেখতে পেলেও, দুদেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বিভিন্ন স্তরে আরও বাড়ানোর কথাই যে এ বার ভাবতে হবে, তা ঘরোয়া ভাবে স্বীকার করছে নয়াদিল্লি। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশি ছাত্রদের জন্য আরও বেশি স্কলারশিপ বাড়ানো, নজরদারি বহাল রেখে ভিসা আরও শিথিল করা, ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া সহজ করার মতো বিষয়গুলিতে কত দূর এগোনো যায়, সে বিষয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে।

    দেশে ফিরল ৪৫০০ জন ভারতীয় পড়ুয়া (Indian students) 

    অন্যদিকে কোটা সংস্কার আন্দোলন (Bangladesh Protest) ঘিরে উত্তাল বাংলাদেশে আটকে পড়েছিলেন কয়েক হাজার ভারতীয় পড়ুয়া। জানা গিয়েছে, বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রক, অভিবাসন দপ্তর, স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (BSF)-এর সঙ্গে সমন্বয় রেখে ভারতীয় নাগরিকদের দেশে ফেরাচ্ছে বিদেশ মন্ত্রক। হিসেব বলছে ৪৫০০ জন ভারতীয় শিক্ষার্থী বাংলাদেশ থেকে নিরাপদে দেশে ফিরেছে। তবে শুধু ভারতীয় পড়ুয়াই নয়, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপের বহু পড়ুয়ারাও বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে এসেছেন। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ফেরত এক ভারতীয় পড়ুয়া বলেছেন, ”অনেক শিক্ষার্থী বিমানের টিকিট বুক করেছিলেন। কিন্তু যেহেতু সেখানে কার্ফু রয়েছে, তাই তাঁরা বিমানবন্দরে যেতে পারেননি। বেশ কয়েকটি ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে। এখনও অনেক ভারতীয় ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়গুলির হস্টেলে রয়েছেন।” 

    আরও পড়ুন: নাশকতার ছক বানচাল! রাজৌরিতে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে আহত ১ জওয়ান

    প্রসঙ্গত, রবিবার বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট আন্দোলনের (Bangladesh Protest) পক্ষে রায় দিয়েছে। সেই রায় অনুযায়ী সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে যে ৫৬ শতাংশ সংরক্ষণ ছিল, তা কমিয়ে ৭ শতাংশ করার কথা বলা হয়েছে। যেখানে এতদিন ‘মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের’ জন্য ৩০ শতাংশ সংরক্ষণ ছিল,  তা কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। বাকি ২ শতাংশ পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য এবং বিশেষ ভাবে সক্ষম ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। সুপ্রিম রায়ে আন্দোলনের জয়জয়কার হলেও বাংলাদেশ এখনও অশান্ত। এই পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সে দেশে পড়তে যাওয়া বিদেশি পড়ুয়ারা। তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই ভারতীয় (Indian students)। বিষয়টি সামনে আসতেই ভারতের তরফে শুরু হয় তৎপরতা। এরপর ধাপে ধাপে তাঁদের ভারতে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share