Tag: Madhyom

Madhyom

  • Bangladesh Protest: জ্বলছে বাংলাদেশ! ঢাকার পরিস্থিতির দিকে নজর ভারতের

    Bangladesh Protest: জ্বলছে বাংলাদেশ! ঢাকার পরিস্থিতির দিকে নজর ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে এখনও স্বাভাবিক হয়নি পরিস্থিতি।  বাংলাদেশের কোটা সংস্কার আন্দোলনে (Bangladesh Protest) এখনও পর্যন্ত কমপক্ষে ১১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন বহু মানুষ। জারি হয়েছে কার্ফু। পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হয়েছে সেনা। এমত পরিস্থিতিতে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, নয়াদিল্লি বিষয়টি নিয়ে কী ভাবছে। এ প্রশ্নে তিনি এক লাইনে জবাব দিয়েছিলেন, ‘‘এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়।’’

    কূটনৈতিক মহলের মন্তব্য 

    রণধীর জয়সওয়ালের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কূটনৈতিক মহল বলছে, ভারতের সঙ্গে দীর্ঘতম সীমান্ত ভাগ করে নেওয়া দেশে প্রবল রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়ার ঘটনায় (Bangladesh Protest) সাউথ ব্লকের গভীর অস্বস্তি এবং উদ্বেগকেই আড়াল করতে চেয়েছেন রণধীর। কারণ এখন এ নিয়ে রা কাড়াও ভারতের পক্ষে বুমেরাংয়ের সমান। গত ছমাসেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ জুড়ে ভারত-বিরোধিতার যে ঢেউ দেখা গিয়েছে, তা-ই নতুন মোড়কে ফিরে এসেছে এখন। ঢাকার রাজপথে গর্জন শোনা গিয়েছে, ‘ভারত যাদের মামাবাড়ি, বাংলা ছাড়ো তাড়াতাড়ি।’ ফিরে এসেছে ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক, ‘ভারতীয় আগ্রাসনের’ বিরুদ্ধে, ‘ভারতের তাঁবেদার সরকার’ আওয়ামী লীগকে হটানোর ডাক। আর এ সবই ঘটেছে নয়াদিল্লির নাকের ডগায়।

    এ প্রসঙ্গে নয়াদিল্লির মন্তব্য (Bangladesh Protest) 

    সব মিলিয়ে শীর্ষ নেতৃত্ব স্তরে ‘সোনালি অধ্যায়ের’ একটি ছবি দক্ষিণ এশিয়া দেখতে পেলেও, দুদেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বিভিন্ন স্তরে আরও বাড়ানোর কথাই যে এ বার ভাবতে হবে, তা ঘরোয়া ভাবে স্বীকার করছে নয়াদিল্লি। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশি ছাত্রদের জন্য আরও বেশি স্কলারশিপ বাড়ানো, নজরদারি বহাল রেখে ভিসা আরও শিথিল করা, ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া সহজ করার মতো বিষয়গুলিতে কত দূর এগোনো যায়, সে বিষয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে।

    দেশে ফিরল ৪৫০০ জন ভারতীয় পড়ুয়া (Indian students) 

    অন্যদিকে কোটা সংস্কার আন্দোলন (Bangladesh Protest) ঘিরে উত্তাল বাংলাদেশে আটকে পড়েছিলেন কয়েক হাজার ভারতীয় পড়ুয়া। জানা গিয়েছে, বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রক, অভিবাসন দপ্তর, স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (BSF)-এর সঙ্গে সমন্বয় রেখে ভারতীয় নাগরিকদের দেশে ফেরাচ্ছে বিদেশ মন্ত্রক। হিসেব বলছে ৪৫০০ জন ভারতীয় শিক্ষার্থী বাংলাদেশ থেকে নিরাপদে দেশে ফিরেছে। তবে শুধু ভারতীয় পড়ুয়াই নয়, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপের বহু পড়ুয়ারাও বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে এসেছেন। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ফেরত এক ভারতীয় পড়ুয়া বলেছেন, ”অনেক শিক্ষার্থী বিমানের টিকিট বুক করেছিলেন। কিন্তু যেহেতু সেখানে কার্ফু রয়েছে, তাই তাঁরা বিমানবন্দরে যেতে পারেননি। বেশ কয়েকটি ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে। এখনও অনেক ভারতীয় ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়গুলির হস্টেলে রয়েছেন।” 

    আরও পড়ুন: নাশকতার ছক বানচাল! রাজৌরিতে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে আহত ১ জওয়ান

    প্রসঙ্গত, রবিবার বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট আন্দোলনের (Bangladesh Protest) পক্ষে রায় দিয়েছে। সেই রায় অনুযায়ী সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে যে ৫৬ শতাংশ সংরক্ষণ ছিল, তা কমিয়ে ৭ শতাংশ করার কথা বলা হয়েছে। যেখানে এতদিন ‘মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের’ জন্য ৩০ শতাংশ সংরক্ষণ ছিল,  তা কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। বাকি ২ শতাংশ পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য এবং বিশেষ ভাবে সক্ষম ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। সুপ্রিম রায়ে আন্দোলনের জয়জয়কার হলেও বাংলাদেশ এখনও অশান্ত। এই পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সে দেশে পড়তে যাওয়া বিদেশি পড়ুয়ারা। তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই ভারতীয় (Indian students)। বিষয়টি সামনে আসতেই ভারতের তরফে শুরু হয় তৎপরতা। এরপর ধাপে ধাপে তাঁদের ভারতে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Quota Reform Movement: জামাত-বিএনপির চক্রান্তে ছড়িয়েছে হিংসা, অভিযোগ হাসিনার ছেলের

    Quota Reform Movement: জামাত-বিএনপির চক্রান্তে ছড়িয়েছে হিংসা, অভিযোগ হাসিনার ছেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে কোটা-বিরোধী (Quota Reform Movement) আন্দোলনের তদন্ত করতে গিয়ে বিচার বিভাগীয় কমিশন ঘটেছে গঠন করেছে বাংলাদেশ সরকার। এরই মাঝে একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য এসেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও গণ জ্ঞাপন বিষয়ক উপদেষ্টা সাজিদ-ওয়াজেদ জয়ের তরফে। তিনি বলেন, “শান্তিপূর্ণভাবে পড়ুয়ারা যে আন্দোলন (Bangladesh Quota Protest) শুরু করেছিল, সেটাকে হিংসাত্মক আন্দোলনে পরিণত করেছে বিরোধী দল বিএনপি এবং জামাত-এ-ইসলামী। নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে হিংসার পথ অবলম্বন করেছে এই জোট। বাংলাদেশে শেষ কয়েকদিন ধরে যে হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেছে, তার সঙ্গে পড়ুয়াদের বিক্ষোভের কোন সম্পর্ক নেই।”

    জামাত বিএনপির চক্রান্তে হিংসা (Bangladesh Quota Protest)

    প্রধানমন্ত্রীর ছেলে তরফে এমন সময় মন্তব্য এসেছে, যখন হাইকোর্টের রায় খারিজ করে দিয়েছে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট। ৫ জুন সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণের বাতিলের সিদ্ধান্তকে অবৈধ বলে রায় দিয়েছিল হাইকোর্ট। এরপর থেকে পড়ুয়ারা বিক্ষোভ (Bangladesh Quota Protest) দেখাতে শুরু করে। ১ জুলাই থেকে আন্দোলন ধীরে ধীরে তীব্র হতে শুরু করে। ছড়িয়ে পড়ে হিংসা। জুলাই মাসের মাঝামাঝি দিক থেকে চরম হিংসাত্মক আন্দোলন শুরু হয়। আন্দোলনের সামিল হয় জামাত-এ- ইসলামী ও বিএনপি। শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের বিরুদ্ধেও পাল্টা হামলায় জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর রবিবার ৫৬ শতাংশের সংরক্ষণকে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট। সেই রায়ের পরেই প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও গণ জ্ঞাপন বিষয়ক উপদেষ্টা জানান, হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল হাসিনা সরকার। দ্রুত শুনানির জন্য অ্যাপিল বিভাগে আবেদন করা হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: সংরক্ষণ ব্যবস্থায় সংস্কার হবে, হাইকোর্টের রায় খারিজ করে জানাল বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট

    রবিবার সরকারের চেষ্টাতেই সুপ্রিম কোর্ট সংরক্ষণের ঊর্ধ্বসীমা কমিয়ে এনেছে। মোট সাত শতাংশের কোটার মধ্যে পাঁচ শতাংশ থাকবে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য। এক শতাংশ থাকবে অনগ্রসর শ্রেণীর জন্য। বাকি এক শতাংশ প্রতিবন্ধী এবং তৃতীয় লিঙ্গের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। মোট আসনের ৯৩ শতাংশ নিয়োগ হবে মেধার ভিত্তিতে।

    ১৫৫ জনের মৃত্যুতেও থামছে না আন্দোলন (Quota Reform Movement)

    সাজিদ ওয়াজেদ জয়ের অভিযোগ, জামাত এবং বিএনপির লোকজন আক্রমণ চালিয়েছে সুরক্ষা বাহিনী, সাংবাদিক এবং সরকারি আধিকারিদের উপরে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভবন এবং সরকারি ভবনে ভাঙচুর চালানো হয়েছে এবং অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। সংবাদ সংস্থা এএফপির খবর অনুযায়ী, কোটাবিরোধী আন্দোলনে (Quota Reform Movement) মোট ১৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। সরকার কঠোরভাবে (Bangladesh Quota Protest) আন্দোলন দমনের চেষ্টা করছে। সেনার ট্যাঙ্ক নামানো হয়েছে। ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেশ জুড়ে কারফিউ লাগু করা হয়েছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Job in America: বছরে দেড় কোটি টাকার চাকরি পেয়েও বাবা-মাকে ছেড়ে আমেরিকায় গেলেন না বাংলার যুবক

    Job in America: বছরে দেড় কোটি টাকার চাকরি পেয়েও বাবা-মাকে ছেড়ে আমেরিকায় গেলেন না বাংলার যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছরে দেড় কোটি টাকার বেতনের চাকরি পেয়েও আমেরিকায় (Job in America) গেলেন না বাংলার এই যুবক। বললেন, ‘বাবা-মা একলা হয়ে যাবেন’। কিন্তু সাধারণত কেরিয়ার নিয়ে সকলেই বিশেষ নজর দিয়ে থাকেন। মোটা টাকার বেতনের চাকরি তাও আবার বিদেশের মাটিতে, তাকে অস্বীকার করে ব্যাতিক্রমি দৃষ্টান্ত রেখেছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটির ছাত্র আয়ুষ শর্মা। তাঁর এই এই সিদ্ধান্তে চোখে জল এনে দিয়েছে পরিবারের। বাবা-মায়ের জন্য মোটা প্যাকেজ এবং বিদেশ দুটোকেই ত্যাগ করেছেন তিনি।

    দেশ ছেড়ে বিদেশের মাটিতে কাজ করবনে না (Job in America)

    আয়ুষ শর্মা আমেরিকায় (Job in America) মোটা বেতনের চাকরির ডাক পেয়েছেন। ভারতীয় মুদ্রায় সেই দেশের টাকা বছরে প্রায় দেড় কোটির সমান। কিন্তু বাবা-মাকে এই দেশে রেখে এই লোভনীয় চাকরিতে যোগ দিতে রাজি হননি তিনি। কেউ কেউ হয়তো ভাবতে পারেন ভীতু, বাইরে থাকার অভ্যাস নেই, ঘরের কোণে থাকতে পছন্দ করেন। রাজ্য-দেশের গণ্ডির বাইরে বের হতে পারলেন না! কিন্তু বিষয়টা তা নয়, আয়ুষ মূলত দেশ ছেড়ে বিদেশের মাটিতে গিয়ে কোনও রকম কাজ করতে চান না। দেশে থেকে বাবা-মাকে পাশে নিয়ে দেশের জন্য কাজ করতে চান।

    আরও পড়ুনঃ অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ থেকে প্রায় দেড় হাজারের বেশি পড়ুয়া দেশে ফিরলেন বিএসএফের উদ্যোগে

    দেশে কিছু করতে চাই

    আয়ুষের বাড়ি কলকাতার বাগুইআটিতে। তিনি ক্যালকাটা পাবলিক স্কুলে পড়াশুনা করতেন। এরপর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। মা গৃহবধূ এবং বাবা বীমা সংস্থায় চাকরি করেন। পরিবার অত্যন্ত মধ্যবিত্ত। ছোট বেলা থেকেই মেধাবী ছাত্র ছিলেন তিনি। কিন্তু জানা গিয়েছিল প্রথমে যে আইটি কোম্পানির কাজ, ওয়ার্ক ফ্রম হোম হবে কিন্তু পরে জানা গিয়েছে আমেরিকার (Job in America) অফিসে গিয়েই করতে হবে কাজ, তাই চাকরি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু কেন চাকরিতে যোগদান করেননি জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেছেন, “প্রথম কারণ হল বাবা-মা। তাঁদের বাড়িতে রেখে বিদেশে যাওয়া সম্ভবপর নয়। আমি চলে গেলে তাঁরা একলা হয়ে পড়বেন। বর্তমানে দেশে কিছু করতে চাই। এখন ওয়ার্নার্স ব্রাদার্সের চাকরিটা করবো। এখানে বাৎসরিক প্যাকেজ ২৪ লাখ। এই চাকরি বেঙ্গালুরুতে গিয়ে করতে হবে। তবে দেশের মধ্যেই থাকব এটা ভালো। বাবা-মা সমস্যায় পড়লে দ্রুত ফিরতে পারব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ChatGPT: ভারতে ৯২ শতাংশ অফিসের দৈনন্দিন কাজে ব্যবহৃত হয় চ্যাটজিপিটি! দাবি রিপোর্টে

    ChatGPT: ভারতে ৯২ শতাংশ অফিসের দৈনন্দিন কাজে ব্যবহৃত হয় চ্যাটজিপিটি! দাবি রিপোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরে শুরু হয় চ্যাটজিপিটির (ChatGPT) পথ চলা। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের চ্যাটজিপিটি টুল অনেক জটিল সমস্যাকেই সহজে সমাধান করে দিতে পারে সেকেন্ডের মধ্যে। সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, ৯২ শতাংশ ভারতের অফিসে প্রতিদিনের কাজকর্মে ব্যবহার করা হয় চ্যাটজিপিটি। সম্প্রতি, এই সমীক্ষা চালায় ডেস্কটাইম (DeskTime study) নামের একটি সংস্থা। এই সংস্থার সিইও আর্টিস্ট রোজেন্টালস সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, চ্যাটজিপিটির ব্যবহার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কাজের পরিবেশকে আরও দক্ষ করে তুলতে সংস্থাগুলি ব্যবহার করছে এই টুল। 

    ২৯৭টি কোম্পানি থেকে ডেটা (ChatGPT) সংগ্রহ করেছিল ডেস্কটাইম

    প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০২৪ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত ডেক্সটাইম সারা ভারতে ২৯৭টি কোম্পানি থেকে ডেটা সংগ্রহ করেছিল। এই কোম্পানিগুলিতে কাজ করেন ১৪ হাজার ৮১৮ জন কর্মী। সেখানেই উঠে এসেছে এই নয়া তথ্য যে ৯২ শতাংশ ভারতীয় অফিসেই প্রতিদিনের কাজকর্মে ব্যবহার করা হয় চ্যাটজিপিটি (ChatGPT)। ২০২৪ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে ভারতীয় অফিসগুলির ৪২.৬ শতাংশ কর্মীই সক্রিয়ভাবে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করেছেন। উল্লেখযোগ্যভাবে উঠে এসেছে, এই সংখ্যা ২০২৩ সালে তুলনায় দ্বিগুণ হারে বেড়েছে।

    ৯৫.৫ শতাংশ ভারতীয় কোম্পানি মনে করে চ্যাটজিপিটি (ChatGPT) একটি উৎপাদনশীল টুল 

    এই সমীক্ষায় আরও প্রকাশ পেয়েছে ৯৫.৫ শতাংশ ভারতীয় কোম্পানি মনে করে চ্যাটজিপিটি একটি উৎপাদনশীল টুল। এর পাশাপাশি ভারতীয় কর্মীরা সর্বদাই চ্যাটজিপিটির (ChatGPT) ব্যবহারে উৎসাহ দিচ্ছেন। চ্যাটজিপিটি চালু হওয়ার পরেই সবথেকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল মাসের মধ্যে। এই সময় ভারতের বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রের কর্মীদের মধ্যে এর ব্যবহার ১৩ শতাংশ থেকে ২৮ শতাংশে পৌঁছে যায়। ওই সমীক্ষাতে আরও প্রকাশ পেয়েছে প্রতি বছরে গড়ে ২৪১ ঘণ্টা করে এআই সরঞ্জামগুলি ব্যবহার করেন ভারতীয় কর্মীরা (DeskTime study)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Saumitra Khan: “পশ্চিমবঙ্গকে পশ্চিম বাংলাদেশ বানাতে চাইছেন মমতা”, তোপ দাগলেন সৌমিত্র

    Saumitra Khan: “পশ্চিমবঙ্গকে পশ্চিম বাংলাদেশ বানাতে চাইছেন মমতা”, তোপ দাগলেন সৌমিত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ থেকে আসা উদ্বাস্তুদের পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় দেওয়া নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করলেন বিজেপি (BJP) সাংসদ সৌমিত্র খাঁ (Saumitra Khan)। তৃণমূল নেত্রীকে তুলোধনা করলেন। একইসঙ্গে সীমান্তে নিরাপত্তা আরও কড়া করতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি দেওয়ার কথাও ঘোষণা করলেন।

    ঠিক কী বলেছেন বিজেপি সাংসদ? (Saumitra Khan)

    বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ (Saumitra Khan) বলেন, “পশ্চিমবঙ্গকে পশ্চিম বাংলাদেশ বানানোর ডাক দিয়েছেন মমতা। আমি প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করব, অবিলম্বে বিএসএফকে সতর্ক করা হোক। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সতর্ক করা হোক। যাতে একটাও রোহিঙ্গাও ঢুকতে না পারে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রোহিঙ্গাদের নিয়ে এসে গ্রেটার বাংলাদেশ তৈরি করবেন, ২১ জুলাই তিনি এই বার্তা দিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য ভারতের গণতন্ত্র প্রশ্নের মুখে পড়বে। ভারতবর্ষ কোনও পান্থশালা নয়, যে কেউ আসবে খাবে আর চলে যাবে। বাংলাদেশের রোহিঙ্গাদের কোনও মতে প্রবেশ করতেআমরা দেব না। সেজন্য আমরা প্রাণ দিতে রাজি আছি। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে চিঠি লিখব যে অবিলম্বে সীমান্তে পাহারার কড়াকড়ি করা হোক। নইলে ভারতবর্ষের বড়ই বিপদ।”

    আরও পড়ুন: ‘অবৈধ বাংলাদেশিদের ঠাঁই দেওয়ার ভয়ংকর পরিকল্পনা’ মমতার মন্তব্যের বিরোধিতায় বিজেপি

    ঠিক কী বলেছিলেন মমতা?

    রবিবার ২১ জুলাইয়ের সভামঞ্চ থেকে মমতা বলেন, “বাংলাদেশ নিয়ে কিছু বলব না। ওটা আলাদা দেশ। যা বলবে ভারত সরকার বলবে। তবে আমি এটুকু বলতে পারি, যদি অসহায় মানুষ বাংলার দরজায় কড়া নাড়ে তাহলে আমরা নিশ্চিত ভাবে আশ্রয় দেব। রাষ্ট্রসংঘের একটা নির্দেশ আছে, কেউ যদি শরণার্থী হন, তাহলে তার পাশের এলাকাকে সেই বিষয়টা সম্মান জানাতে হবে। তবে বাংলাদেশ নিয়ে কোনও প্ররোচনায় পা দেবেন না। আমরা যেন কোনও অশান্তি না করি। বাংলাদেশ নিয়ে আমরা যেন কোনও উত্তেজনায় না জড়াই। তবে তাদের প্রতি আমাদের সহমর্মিতা রয়েছে।” মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের বিরোধিতা করল বিজেপি (BJP)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Protest: পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ থেকে দেড় হাজারের বেশি পড়ুয়া ফিরলেন দেশে

    Bangladesh Protest: পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ থেকে দেড় হাজারের বেশি পড়ুয়া ফিরলেন দেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জন্য সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনে সারা বাংলাদেশ (Bangladesh Protest) এখন অগ্নিগর্ভ। সেই দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ভারতীয় পড়ুয়ারা দেশে ফিরে আসছেন। তাঁদের মধ্যে অধিকাংশ পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত দিয়ে ভারতে ফিরে আসছেন। আবার একই ভাবে নেপাল, ভুটান এবং মলদ্বীপের পড়ুয়ারাও সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে এসে তারপর নিজের দেশে ফিরছেন। পড়ুয়াদের নিরাপদে নিজের দেশে ফিরতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় সীমান্ত সুরক্ষা বল অর্থাৎ বিএসএফ (BSF)।

    দক্ষিণবঙ্গ সীমান্ত দিয়ে ১২০৮ জন পড়ুয়া ঢুকেছে (Bangladesh Protest)

    ভারতের বিএসএফ সূত্রে বলা হয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনার পেট্রাপোল, ঘোজাডাঙা, নদিয়ার গেদে এবং মালদার মহদিপুর বর্ডারে বিশেষ হেল্প লাইন খোলা হয়েছে। গত ১৮ জুলাই থেকে রবিবার বিকেল পর্যন্ত এই চারটি সীমান্তবর্তী এলাকায় বিএসএফ সহযোগিতা করে প্রায় ১২০৮ জন পড়ুয়াকে বাংলাদেশ (Bangladesh Protest) থেকে ভারতে ঢুকতে সহযোগিতা করা হয়েছে। তার মধ্যে ১০৪৫ জন ভারতীয়, ১৫২ জন নেপালি, ৮ জন ভুটানি এবং ৭ জন বাংলাদেশি নাগরিক। একই ভাবে উত্তরবঙ্গের হিলি, চ্যাংরাবান্ধা, ফুলবাড়ি দিয়ে অনেকই প্রবেশ করেছেন। কোচবিহারের চ্যাংরাবান্ধা দিয়ে রবিবার ৪৪১ জন পড়ুয়া দেশে ফিরেছেন। তাঁদের মধ্যে ২৪৩ জন ভারতীয়, ১৭৩ জন নেপাল, ২৫ জন ভুটান এবং একজন মলদ্বীপের ছাত্র। আবার শিলিগুড়ির ফুলবাড়ি সীমান্ত দিয়ে ১৪ জন পড়ুয়া দেশে ফিরেছেন। এই দলে উত্তর প্রদেশের ১ জন, নেপালের ১০ জন এবং ভুটানের ৩ জন পড়ুয়া রয়েছেন। একই ভাবে অশান্ত বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় পড়ুয়াদের দেশে ফেরাতে উদ্যোগী হয়েছে ভারত সরকার। বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, “ভুটান এবং নেপালের অনুরোধ এই দুটি দেশের পড়ুয়াদেরও ভারতে আসতে সাহায্য করা হচ্ছে।”

    বিএসএফ আধিকারিকের বক্তব্য

    বিএসএফের (BSF) দক্ষিণবঙ্গের সীমান্তের ডিআইজি এ কে আর্য বলেছেন, “বাংলাদেশ (Bangladesh Protest) থেকে পড়ুয়াদের নিরাপদে ভারতে ফেরাতে আমরা অত্যন্ত সচেতন। বিজিপির সঙ্গে আমরা সবসময় যোগাযোগ রেখে চলেছি। রাতের বেলাতেও যাতে নিরাপদে ফিরতে পারেন সেই দিকে নজর রাখা হয়েছে। বর্ডারে বিশেষ হেল্প ডেস্ক সহ, মেডিক্যাল সুবিধার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ উৎসবের মেজাজে মদ-মাংস খেয়ে শহিদ দিবস উদযাপন তৃণমূল কর্মীদের

    পড়ুয়াদের বক্তব্য

    ঢাকা থেকে ২০জনের একটি ভারতীয় পড়ুয়াদের দল দেশে ফিরেছেন। এই দলের মধ্যে গুজরাট এবং কাশ্মীরের বাসিন্দা রয়েছেন। তাঁরা সকলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়া। এক ছাত্র ফাইজা বলেছেন, “বাংলাদেশে (Bangladesh Protest) কার্ফু চলছে। তাই দেশে ফিরে এলাম। নিজেদের অত্যন্ত সুরক্ষিত মনে করছি।” একই ভাবে রংপুর কমিউনিটি মেডিক্যাল কলেজ সহ বগুড়া, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জায়গার ভারতীয় ডাক্তারি পড়ুয়ারা দেশে ফিরছেন। ত্রিপুরা সীমান্ত দিয়েও অনেক পড়ুয়াকে ভারতে ফেরাতে সক্রিয় ভাবে কাজ করছে সীমান্ত সুরক্ষা বল।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Union Budget 2024: “সংসদের সময় নষ্ট করবেন না”, বাজেটের আগে বিরোধীদের উদ্দেশে বার্তা মোদির

    Union Budget 2024: “সংসদের সময় নষ্ট করবেন না”, বাজেটের আগে বিরোধীদের উদ্দেশে বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদকে সচল রাখতে বিরোধী সাংসদের কাছে অনুরোধ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাজেট অধিবেশন (Union Budget 2024) শুরুর আগে সোমবার বিরোধীদের উদ্দেশে মোদির আর্জি, “আগামী পাঁচ বছর দেশের জন্য লড়তে হবে। দলগত রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে।” রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে দেশের উন্নয়নের জন্য় সবাইকে এগিয়ে আসার অনুরোধ করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)।

    বিরোধীদের উদ্দেশে মোদির বার্তা

    আগামিকাল, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই যে বাজেট (Union Budget 2024) পেশ হবে সেটা অমৃতকালের জন্য বাজেট বলে দাবি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “আমাদের ৫ বছরের যে সুযোগ মিলেছে। এই বাজেট সেই লক্ষ্য়েই তৈরি হয়েছে। বিকশিত ভারতের স্বপ্ন পূরণ করার জন্য ওই বাজেট তৈরি হচ্ছে। ৬০ বছর পর কোনও সরকার তৃতীয়বারের জন্য ফেরত এসেছে। তৃতীয় বারের জন্য প্রথম বাজেট তৈরির সৌভাগ্য হয়েছে। এটা অত্যন্ত গৌরবের কথা।” সংসদ অধিবেশন শুরুর আগে এদিন বিরোধীদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, “নির্বাচিত সব সাংসদ ও রাজনৈতিক দলগুলির কর্তব্য হল আগামী ৫ বছর দেশের জন্য লড়াই করা। আসুন আমরা আগামী ৪ থেকে সাড়ে ৪ বছর রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করি। ভোটের সময় যা করার করবেন, কিন্তু তার আগে পর্যন্ত ২০৪৭-এর স্বপ্ন পূরণের জন্য লড়াই করুন। ১৪০ কোটি দেশবাসী যে সরকারকে সেবার সুযোগ দিয়েছে, তার কণ্ঠস্বর রুদ্ধ করবেন না। সব দলের কাছে আবেদন যাঁরা প্রথম সংসদে এসেছেন তাঁদের সংসদে আলোচনার সুযোগ দিন। এই সদন দেশের জন্য, দলের জন্য নয়।”

    বিরোধীদের উদ্দেশে মোদির বার্তা

    বাজেট (Union Budget 2024) অধিবেশনের আগে একসঙ্গে কাজ করার বার্তা দিলেও বিরোধীদের হুঁশিয়ারি দিতেও ছাড়েননি প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। মোদি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠরোধ করার কোনও অধিকার তাঁদের নেই। দেশবাসী বিরোধীদের দেশের জন্য পাঠিয়েছে, দলের জন্য পাঠায়নি। দেশ নেতিবাচক রাজনীতি চায় না, উন্নতির বিচারধারা চায়।” কণ্ঠরোধ করা হলেও বিরোধীদের কোনও অনুশোচনা নেই বলেও অভিযোগ মোদির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Terrorist attack: নাশকতার ছক বানচাল! রাজৌরিতে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে আহত ১ জওয়ান

    Terrorist attack: নাশকতার ছক বানচাল! রাজৌরিতে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে আহত ১ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝরল রক্ত। ফের অশান্ত জম্মু-কাশ্মীর (Jammu-Kashmir)। সোমবার সাতসকালে রাজৌরির সেনাঘাঁটিতে বড়সড় জঙ্গিহানার (Terrorist attack) খবর মিলল। ঘটনার পরে ইতিমধ্যেই গোটা এলাকায় নেমেছে সেনা, চলছে তল্লাশি অভিযান। নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে খবর, পাকিস্তান থেকে জঙ্গিরা এ দেশে ঢুকে কাশ্মীরে গা-ঢাকা দিয়ে রয়েছে। তাদের খুঁজে বার করতে জম্মুতে মোতায়েন করা হয়েছে প্যারা স্পেশ্যাল ফোর্সের ৫০০ জন কমান্ডোকে। শুধু তাই নয়, উপত্যকায় বাহিনী পুনর্বিন্যাসের কথাও ভাবছে নিরাপত্তা বাহিনী।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Terrorist attack) 

    নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে খবর, সোমবার ভোরে প্রচুর পরিমাণে গোলাবারুদ নিয়ে একদল জঙ্গি জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরির সেনাছাউনিতে অতর্কিতে হামলা চালায়। ভোর চারটে নাগাদ প্রথমে গুলি চালানো শুরু করে জঙ্গিরা। পাল্টা গুলি চালান জওয়ানেরাও। প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলে গুলির লড়াই। জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষে এক জওয়ান জখম হয়েছেন। তবে শেষ পর্যন্ত সেনাবাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে পেরে না উঠে পিছু হটতে বাধ্য হয় জঙ্গিরা। বানচাল হয় জঙ্গি নাশকতার ছক। এ প্রসঙ্গে সেনা মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল সুনীল বার্টওয়াল বলেন, ”রাজৌরির একটি দূর প্রান্তের গ্রামের সেনা ঘাঁটিতে বড়সড় হামলা চালিয়েছে সেনারা। জঙ্গিদের ধরতে অপারেশন চলছে।”
    প্রসঙ্গত, শনিবারই সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী জম্মুতে গিয়েছিলেন। জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu-Kashmir) লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা ও অন্যান্য আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আলোচনা করেছেন উপত্যকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে। সেই বৈঠকের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের সেনা ছাউনিতে হামলা (Terrorist attack) চালাল জঙ্গিরা।

    আরও পড়ুন: ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সেন্টারে ১০ লাখ ডলার দেবে ভারত! ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

    একের পর এক জঙ্গি হামলা 

    এটাই প্রথম নয়, এর আগেও গত কয়েক বছরে একের পর এক জঙ্গি হামলার (Terrorist attack) খবর মিলেছে জম্মু-কাশ্মীরে। সপ্তাহ দুয়েক আগে রাজৌরি জেলার মাঞ্জাকোটে সেনা ক্যাম্পের কাছে গুলি চালানোর খবর এসেছিল। সে সময় জঙ্গিরা মাঞ্জাকোটের ওই সেনা ক্যাম্পে রাতের অন্ধকারে হামলা চালানোর ছক কষে। সেনার সঙ্গে জঙ্গিদের সংঘর্ষে আহত হয় এক জওয়ান। এর দিন ছয়েক আগে ডোডা জেলাতেও নিরাপত্তারক্ষী বাহিনীর সঙ্গে জঙ্গিদের সংঘর্ষ চলে। প্রাণ হারান একজন ভারতীয় সেনা অফিসার সহ চারজন নিরাপত্তারক্ষী। ফলে সব মিলিয়ে জম্মু এলাকায় ৩২ মাসে ৪৮ জন সেনা শহিদ হয়েছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NCERT: ‘হরপ্পা’র বদলে ‘সিন্ধু-সরস্বতী সভ্যতা’, এনসিইআরটির ষষ্ঠ শ্রেণির বইয়ে ৬টি বড় বদল

    NCERT: ‘হরপ্পা’র বদলে ‘সিন্ধু-সরস্বতী সভ্যতা’, এনসিইআরটির ষষ্ঠ শ্রেণির বইয়ে ৬টি বড় বদল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত শুক্রবারই প্রকাশিত হয়েছে এনসিআরটির (NCERT) সোশ্যাল সায়েন্স বা সামাজিক বিজ্ঞানের ষষ্ঠ শ্রেণির বই। এই বইয়ের সিলেবাসে বেশ কিছু রদবদল করা হয়েছে। মোট ছয়টি (Class 6 Social Science Book of NCERT) উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন সেখানে দেখা গিয়েছে।

    পাঠ্য পুস্তকে ৬টি উল্লেখযোগ্য বদল (NCERT)

    ‘হরপ্পা সভ্যতা’র বদলে ‘সিন্ধু-সরস্বতী সভ্যতা’ 

    উল্লেখযোগ্য ভাবে এনসিআরটির (NCERT) ষষ্ঠ শ্রেণির বইতে ‘হরপ্পা সভ্যতা’র নাম বদল করে করা হয়েছে ‘সিন্ধু-সরস্বতী সভ্যতা’। ভারতীয় সভ্যতার সূচনা ব্যাখ্যা করতে এই বইতে একাধিকবার ব্যবহার করা হয়েছে সরস্বতী নদীর কথা।

    তিনটি আলাদা বইকে একত্রিত করা হয়েছে

    আগে এনসিইআরটির (NCERT) ষষ্ঠ শ্রেণিতে ইতিহাস, রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও ভূগোলের জন্য তিনটি আলাদা আলাদা বই ছিল। কিন্তু বর্তমানে সেই ভাগ উঠে গিয়েছে এবং এই তিনটি আলাদা বইকে একত্রিত করে একটি বইকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এই ভাগ গুলি হল, ভারত ও বিশ্ব: ভূমি ও মানুষ, অতীত ইতিহাস, আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও জ্ঞান, শাসন ও গণতন্ত্র এবং আমাদের চারপাশের অর্থনৈতিক জীবন।

    ‘হরপ্পা সভ্যতা’র পতনের কারণ

    পুরনো এনসিইআরটি-এর পাঠ্য পুস্তকে (Class 6 Social Science Book of NCERT) কখনও উল্লেখ করা হয়নি, সরস্বতী নদীর শুকিয়ে যাওয়ার কারণেই হরপ্পা সভ্যতার পতন হয়েছিল। নতুন বইয়ে উল্লেখ করা হয়েছে হরপ্পা সভ্যতার পতনের দুটি কারণ, এক জলবায়ু পরিবর্তন এবং দ্বিতীয় হল সরস্বতী নদীর শুকিয়ে যাওয়া।

    ভূগোল বিভাগে এসেছে কালিদাসের রচনা

    পাঠ্য পুস্তকের ভূগোল বিভাগে কালিদাসের রচনা ‘কুমারসম্ভব’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। হিমালয় পর্বতমালাকে ব্যাখ্যা করতে কালিদাসের এই রচনা ব্যবহৃত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    ভারতের নিজস্ব প্রাইম মেরিডিয়ান

    বইয়ে উল্লেখ করা হয়েছে গ্রিনিচ মেরিডিয়ান বিশ্বের প্রথম প্রাইম মেরিডিয়ান নয়। বহু শতাব্দী আগে মধ্যপ্রদেশের উজ্জ্বয়িনীতে ভারতের নিজস্ব একটি প্রাইম মেরিডিয়ান ছিল বলে লেখা হয়েছে বইতে।

    বর্ণ শব্দটি শুধুমাত্র একবারই উল্লেখ করা হয়েছে

    ষষ্ঠ শ্রেণির এই বইটিতে বর্ণ শব্দটি শুধুমাত্র একবারই উল্লেখ করা হয়েছে। আগের বইতে বি আর আম্বেদকর, দলিত সম্প্রদায়ের অধিকারের জন্য তাঁর লড়াই এবং বর্ণ বৈষম্য সম্পর্কে সম্পূর্ণ আলাদা একটি অধ্যায় ছিল বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Weather: উত্তর ও দক্ষিণে বৃষ্টির পূর্বাভাস, কোথায় কবে ভারী বৃষ্টি? দেখে নিন একনজরে…

    West Bengal Weather: উত্তর ও দক্ষিণে বৃষ্টির পূর্বাভাস, কোথায় কবে ভারী বৃষ্টি? দেখে নিন একনজরে…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার থেকে বৃষ্টি বাড়বে দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলায়। বিক্ষিপ্ত থেকে ভারী বৃষ্টির (West Bengal Weather) পূর্বাভাস রয়েছে বিভিন্ন জেলায়। মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধ করেছে আবহাওয়া দফতর। আগামী কয়েক দিন সমুদ্র উত্তাল থাকবে।

    দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টি (Rainfall Update)

    সোমবার ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। মঙ্গলবারও বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। মঙ্গলবার ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস (Rainfall Update) রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব বর্ধমান জেলায়।

    বৃষ্টির ঘাটতি দক্ষিণবঙ্গে (West Bengal Weather)

    সোমবার কলকাতা শহরে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সকাল থেকে আকাশ থাকবে আংশিক মেঘলা। তবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে এই বর্ষায় এখনও পর্যাপ্ত পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে। এ বছর (West Bengal Weather) বর্ষার শুরুই হয়েছিল উত্তরবঙ্গ থেকে। মৌসুমী বায়ু প্রবেশ করার পর উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির জেরে বিভিন্ন নদী ফুঁসতে শুরু করেছে। সোমবার উত্তরবঙ্গের উপরের দিকের জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হবে। ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উত্তরবঙ্গের পার্বত্য জেলা কালিম্পং ও জলপাইগুড়িতে।

    আরও পড়ুন: নামখানায় ভগ্নদশা আইসিডিএস সেন্টারের, ত্রিপল খাটিয়ে চলছে ক্লাস!

    প্রসঙ্গত জুন মাসের মত জুলাই মাসেও বৃষ্টির ঘাটতি রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। পরিসংখ্যান বলছে, সামগ্রিকভাবে ৪৯ শতাংশ বৃষ্টির ঘাটতি রয়েছে এখন পর্যন্ত। বিক্ষিপ্তভাবে দু-এক জায়গায় ভারী বৃষ্টি হলেও জুলাই মাসে (Rainfall Update) এই ঘাটতি পূরণ হবে না বলেই মত আলিপুর আবহাওয়া দফতরের।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share