Tag: Madhyom

Madhyom

  • ABVP: বামেদের বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে জেএনইউ-তে ‘একাত্মতা যাত্রা’ করল এবিভিপি

    ABVP: বামেদের বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে জেএনইউ-তে ‘একাত্মতা যাত্রা’ করল এবিভিপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাম্প্রতিক সময়ে ফের একবার খবরের শিরোনামে দিল্লির জহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (JNU)। সম্প্রতি, অভিযোগ ওঠে যে জওরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের বাম ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক বিভাজনের মন্তব্য করেছেন। এই মন্তব্যের কারণে সামাজিক সম্প্রীতির পরিবেশ নষ্ট হয়েছে। ঠিক এই আবহে পাল্টা আন্দোলনে নামল এবিভিপি। অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (ABVP) তরফে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরেই ডাক দেওয়া হয় একাত্মতা যাত্রার। এই কর্মসূচিতে ছাত্রীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

    কী জানাল এবিভিপি (ABVP)?

    এবিভিপির-র (ABVP) তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই ধরনের বিক্ষোভের আসল উদ্দেশ্য হল, ভারতের প্রাচীনতম সনাতন সভ্যতা, ঐতিহ্য, সংস্কৃতিতে রক্ষা করা। সামাজিক সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখতেই বামপন্থীদের বিরুদ্ধে এমন বিক্ষোভ দেখানো হয়েছে বলে জানিয়েছে এবিভিপি। বাম ছাত্র সংগঠনগুলির বিভাজনের মন্তব্যের বিরুদ্ধে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা গঙ্গা ধাবা থেকে এই একাত্মতা যাত্রা শুরু হয় এবং তা চলে বারাক হস্টেল পর্যন্ত।

    আগেও এমন আন্দোলন করেছে এবিভিপি (ABVP)

    প্রসঙ্গত, এটাই নতুন নয়, এর আগেও বাম সংগঠনগুলির বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে এবিভিপি রাষ্ট্রীয় একতা যাত্রার আয়োজন করেছে। সেখানে অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে এবিভিপি কর্মীদের অংশগ্রহণ করতে দেখা গিয়েছে। জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের এবিভিপি (ABVP) শাখা জানিয়েছে, তারা যে কোনও ধরনের বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে। এরপাশাপাশি তারা বামেদের এমন বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে পথে নামাতেও প্রস্তুত বলে জানিয়েছে।

    কী বললেন এবিভিপির জেএনইউ-র সভাপতি?

    অখিল ভারতী বিদ্যার্থী পরিষদের (ABVP) জেএনইউ শাখার সভাপতি রাজেশ্বর কান্ত দুবে এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘জেএনইউ-র একটা পরিচয় রয়েছে। এটি বিবিধতার মধ্যে ঐক্যের কথা বলে। এখানে যদি কেউ আঘাত করে তাহলে আমরা তার পাল্টা জবাব দেবই। জেএনইউ-র একাত্মতা যাত্রার মাধ্যমে আমরা এইবার তাই প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে এই বার্তা দিতে চাইলাম যে এই বিশ্ববিদ্যালয় বিভাজনের রাজনীতিকে সমর্থন করেনা।’’

  • Israel Palestine Conflict: সংঘর্ষবিরতি শেষ হতেই গাজায় নতুন করে হামলা ইজরায়েলের! মৃত অন্তত ২০০

    Israel Palestine Conflict: সংঘর্ষবিরতি শেষ হতেই গাজায় নতুন করে হামলা ইজরায়েলের! মৃত অন্তত ২০০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাজায় ফের হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু ইজরায়েলের (Israel Palestine Conflict)। ২ মাসের যুদ্ধবিরতি চুক্তি শেষ হতেই গাজা ভূখণ্ডে নতুন করে হামলা চালাল ইজরায়েলি বাহিনী। সংবাদ সংস্থা রয়টার্স সূত্রে খবর, ইজরায়েলি হানায় শতাধিক প্যালেস্তাইনি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে রয়েছে শিশু এবং মহিলাও। গাজার প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। মঙ্গলবার গাজার মাটিতে বেলাগাম বিমান হামলা চালায় ইজরায়েল।

    হত হামাসের নিরাপত্তা আধিকারিক

    ট্রাম্পের উদ্যোগে গত জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে হামাসের সঙ্গে সংঘর্ষবিরতি চুক্তি করে ইজরায়েল (Israel Palestine Conflict)। কথা ছিল, এই যুদ্ধবিরতির বিনিময়ে বন্দি নাগরিকদের মুক্তি দেবে হামাস। সেইমতো বহু পণবন্দিকে মুক্তিও দেওয়া হয়। তবে ইজরায়েলের অভিযোগ সকল পণবন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। শুধু তাই নয় মার্কিন প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করেছে হামাস। যার জেরেই এই হামলা। মঙ্গলবার কাকভোরে গাজায় বিমান হামলায় শতাধিক জনের মৃত্যু হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ইজরায়েলের অবশ্য দাবি, গাজায় হামাসের ঘাঁটি লক্ষ্য করেই এই হামলা চালানো হয়েছে। প্যালেস্টাইনপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে ইজরায়েলের প্রথম দফার যুদ্ধবিরতির পর থেকে এটিই গাজায় সবচেয়ে বড় হামলা বলে মনে করা হচ্ছে। জানা যাচ্ছে, এই হামলায় হামাসের নিরাপত্তা আধিকারিক মেহমুদ আবু ওয়াতফার মৃত্যু হয়েছে।

    কোথায় কোথায় হামলা চালাল ইজরায়েল

    ইজরায়েলের (Israel Palestine Conflict) প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, গাজা ভূখণ্ডে হামাস গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে থাকা অঞ্চলগুলিতে তারা হামলা চালাচ্ছে। রাজনৈতিক নেতৃত্বের অনুমোদনেই এই হামলা শুরু হয়েছে বলে দাবি ইজরায়েলি বাহিনীর। বস্তুত, গত ১৫ জানুয়ারি কাতার, আমেরিকা এবং মিশরের উদ্যোগে ইজরায়েল এবং হামাস সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে তা কার্যকর হয়। প্রথম দফার যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ফুরিয়েছে ১ মার্চ। দ্বিতীয় দফার যুদ্ধবিরতি নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও আলোচনা হয়নি দুই পক্ষের। তার আগেই গাজার মাটিতে হামলা চালিয়ে বসল ইজরায়েল। মঙ্গলবার ভোরে আকাশপথে গাজায় হামলা চালায় ইজরায়েল। কয়েকঘণ্টায় প্রাণ গিয়েছে বহু। ধ্বংস হয়েছে বহু ঘরবাড়ি। গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, উত্তর গাজা, গাজা সিটি এবং মধ্য ও দক্ষিণ গাজা উপত্যকার দেইর আল-বালাহ, খান ইউনিস এবং রাফাহ সহ একাধিক স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় ভোররাতে। মুহুর্মুহু গোলাবারুদ বর্ষণের শব্দে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন গাজার সাধারণ মানুষেরা। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

  • Mahakumbh: মার্চেও পরিযায়ী পাখিদের ভিড় ত্রিবেণী সঙ্গমে! স্বচ্ছ গঙ্গার প্রমাণ, বলছেন বিশেষজ্ঞরা

    Mahakumbh: মার্চেও পরিযায়ী পাখিদের ভিড় ত্রিবেণী সঙ্গমে! স্বচ্ছ গঙ্গার প্রমাণ, বলছেন বিশেষজ্ঞরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সম্পূর্ণ হয়েছে মহাকুম্ভ (Mahakumbh)। প্রয়াগরাজের ত্রিবেণী সঙ্গমের জলের দূষণ নিয়ে নানা গুজব ছড়ানো হয়, একাধিক মহল থেকে। তবে এমন অভিযোগ বারবার খারিজ হয়েছে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ কমিটির রিপোর্টে। এই আবহে সঙ্গমস্থলে এখনও দেখা যাচ্ছে পরিযায়ী পাখিদের ভিড়। একইসঙ্গে সেখানে ভেসে উঠছে ডলফিন। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই ঘটনাই প্রমাণ করে যে মহাকুম্ভের জল কতটা স্বচ্ছ এবং পরিষ্কার। সাধারণভাবে এই পরিযায়ী পাখিদের ফেব্রুয়ারি শেষের দিকে ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মার্চের অর্ধেক মাস শেষ হয়ে যাওয়ার পরও তাদের অস্তিত্ব দেখা যাচ্ছে। পরিবেশ বিজ্ঞানীরা এখানেই নিশ্চিত হয়েছেন যে মহাকুম্ভের জল সত্যিই স্বচ্ছ! এই সমস্ত পরিযায়ী পাখিরা সাধারণভাবে আসে ডিসেম্বরে কিন্তু মহাকুম্ভের (Mahakumbh) পরেও তারা বর্তমানে অবস্থান করছে।

    কী বলছেন জীব বিজ্ঞানের অধ্যাপক?

    জীব বিজ্ঞানের অধ্যাপক সন্দীপ মলহোত্রা যিনি পরিযায়ী পাখিদের নিয়ে গবেষণা করেন, তিনি জানিয়েছেন, এই পরিযায়ী পাখিরা ডিসেম্বরে শেষে শীত প্রধান অঞ্চল- রাশিয়া, সাইবেরিয়া, পোল্যান্ড থেকে উড়ে আসে এবং তারা ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ পর্যন্ত থাকে। কিন্তু বর্তমানে তারা মার্চের পরেও রয়েছে। এখানেই প্রমাণিত হচ্ছে যে ত্রিবেণী সঙ্গমের (Mahakumbh) জল স্বচ্ছ। এর পাশাপাশি সঙ্গমের বাতাসের গুণগত মানও খুব ভালো। তিনি আরও জানিয়েছেন যে উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদও একই কথা জানিয়েছে।

    গঙ্গাতে বাড়ছে ডলফিন (Uttar Pradesh)

    অন্যদিকে জানা গিয়েছে, গঙ্গাতে ডলফিনের সংখ্যা ক্রমশই বাড়ছে। তার কারণ একটাই, গঙ্গার জলের গুণগত মান। সম্প্রতি একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকারের পরিবেশ মন্ত্রক (Mahakumbh)। গত ৩ মার্চ বিশ্ব বন্যপ্রাণ দিবসে ওই রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়। সেখানেই জানানো হয়েছে যে গঙ্গাতে বর্তমানে বসবাস করছে ৬,৩২৪ টি ডলফিন। যেখানে সিন্ধু নদে রয়েছে মাত্র তিনটি ডলফিন। যে রিপোর্ট প্রকাশ হয়েছে সেখানে দেখা যাচ্ছে, গত তিন বছরে প্রায় দ্বিগুণ সংখ্যায় ডলফিন বেড়েছে। ২০২১ সালে গঙ্গার মূলধারায় ডলফিনের সংখ্যা ছিল ৩,২৭৫। যার মধ্যে উত্তরপ্রদেশেই ছিল সবচেয়ে বেশি। উত্তরপ্রদেশের ফতেপুর, প্রয়াগরাজ, বিহারের পাটনার গঙ্গায় ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে ডলফিন।

  • VHP Leader Arrested: বাংলাদেশে অব্যাহত হিন্দু নিপীড়ন, এবার গ্রেফতার বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা

    VHP Leader Arrested: বাংলাদেশে অব্যাহত হিন্দু নিপীড়ন, এবার গ্রেফতার বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) অব্যাহত হিন্দু নিপীড়ন। মাস কয়েক আগে গ্রেফতার করা হয়েছিল (VHP Leader Arrested) বাংলাদেশের হিন্দু নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে। গত নভেম্বরে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁকে। এখনও নিষ্পত্তি হয়নি সেই মামলার, আদালতে ঝুলে রয়েছে। এমনই আবহে ফের গ্রেফতার করা হল আরও এক হিন্দু নেতাকে। যার জেরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হিন্দুরা।

    ভিএইচপি নেতা গ্রেফতার (VHP Leader Arrested)

    ফেরা যাক খবরে। এবার রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মহাসচিব ও অশ্বিনী সেবা আশ্রমের সভাপতি কপিল কৃষ্ণ মণ্ডলকে। সূত্রের খবর, শনিবার ভোরে গ্রেফতার করা হয় কপিল কৃষ্ণকে। ইতিমধ্যেই তাঁকে আদালতে পেশ করা হয়েছে। বাংলাদেশের বাগেরহাটের চিতলমারি থানার পুলিশ গ্রেফতার করেছে তাঁকে। পুলিশের অভিযোগ, হিন্দু ওই নেতার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের প্রমাণ মিলেছে। তাঁর মোবাইলে বিদেশি নাগরিকদের সঙ্গে বেশ কিছু সন্দেহভাজনের বৈঠকের ছবি ও কথোপকথন মিলেছে। তার ভিত্তিতেই দায়ের হয়েছে মামলা।

    বাংলাদেশ পুলিশের বক্তব্য

    চিতলমারি থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি এসএম শাহাদাত হোসেন জানান, কপিলের বিরুদ্ধে দেশ বিরোধী নাশকতার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। তাই তাঁকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার করা হয়। তিনি জানান, থানার এসআই মোহম্মদ মাহমুদ হাসান বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন। ওসি বলেন, “কপিল তাঁর গ্রামের বাড়িতে বসে রাত ৩টের দিকে ৫-৬জন সহযোগীকে নিয়ে বাংলাদেশের নিরাপত্তা নষ্টের চেষ্টা চালাচ্ছিলেন। সূত্র মারফৎ খবর পেয়ে ভোর সাড়ে ৪টের দিকে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কপিলের সহযোগীরা পালিয়ে যান। কপিলের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে সন্দেহভাজন দেশি ও বিদেশি নাগরিকদের মোবাইল ফোন নম্বর, ছবি ও কথোপকথনের (VHP Leader Arrested) তথ্য প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।”

    হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের প্রতিবাদ

    গত ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়েন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছাত্র বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের জেরে দেশ ছাড়েন তিনি (Bangladesh Crisis)। তার পরেই ভারতের এই পড়শি দেশে শুরু হয় হিন্দু নিধন যজ্ঞ। হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের প্রতিবাদে গত ২৫ অক্টোবর চট্টগ্রামে সমাবেশ করেছিল বাংলাদেশ সনাতন জাগরণ মঞ্চ। সেই সমাবেশেই ভাষণ দিয়েছিলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস। অভিযোগ, সেই সমাবেশেই তিনি অবমাননা করেছিলেন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার। এই অভিযোগেই চট্টগ্রামের একটি থানায় হিন্দু ওই নেতার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করেন বিএনপি নেতা ফিরোজ খান। ৩১ অক্টোবর চিন্ময় কৃষ্ণ-সহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ফিরোজ। সেই মামলার প্রেক্ষিতেই ২৫ নভেম্বর ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয় চিন্ময় কৃষ্ণকে। তাঁকে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় চট্টগ্রামে।

    চিন্ময় কৃষ্ণকে গ্রেফতারির প্রতিবাদে ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালতের বাইরে জড়ো হন বহু হিন্দু। তাঁদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ নির্বিচারে লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ। ওই সংঘর্ষে খুন হন এক আইনজীবী। সেই খুনের ঘটনায় সব মিলিয়ে গ্রেফতার করা হয় ২১ জন হিন্দুকে। চিন্ময় কৃষ্ণের হয়ে যাতে কোনও আইনজীবী মামলা না লড়েন, সেজন্য হুঁশিয়ারি দেয় বাংলাদেশের মুসলমান সম্প্রদায়ের একটা (VHP Leader Arrested) বড় অংশ।

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার

    হাসিনা-উত্তর জমানায় বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের অভিযোগ উঠেছে। হাসিনা দেশ ছাড়তেই হিন্দুদের মন্দির থেকে শুরু করে হিন্দুদের বাড়ি ঘরে ভাঙচুর চালানো হচ্ছে। সেই সময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা থেকে বিএনপি-জামাত দেখেছিল আওয়ামি লিগের ষড়যন্ত্র। তবে কয়েক মাস যাওয়ার পরেও সে দেশে বন্ধ হয়নি হিন্দুদের ওপর অত্যাচার। ধর্মের নামে চাকরি থেকে জোর করে পদত্যাগ করানো হয় সংখ্যালঘুদের। অনেককে ধর্মান্তরিত করানোর অভিযোগও উঠেছে (Bangladesh Crisis)। এরই মাঝে চট্টগ্রামে হিন্দু ও বৌদ্ধদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচারে সেখানে কাঠগড়ায় খোদ বাংলাদেশ সেনা। হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারি ঘিরে উত্তাল হয় বাংলাদেশের পরিস্থিতি।

    এদিকে, বাংলাদেশে ইসকনকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে পথে নেমেছিল বাংলাদেশের কট্টরপন্থীরা। জুলাই বিপ্লবের ছাত্র নেতারাও সরব হয়েছিলেন ইসকনের বিরুদ্ধে। সারসিজ আলম চট্টগ্রামে ইসকন ও হিন্দুদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক ভাষণ দেন। তার প্রতিবাদে ভারতের রাস্তায়ও প্রচুর লোক নেমেছিল। বাংলাদেশি মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে স্লোগানও ওঠে (Bangladesh Crisis)। ভারত সরকারও একাধিকবার বিবৃতি জারি করে বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে (VHP Leader Arrested)।

  • Tulsi Gabbard: বাংলাদেশে ‘হিন্দু নিধন নিয়ে উদ্বিগ্ন’, ভারতে এসে কী বললেন মার্কিন গোয়েন্দাপ্রধান তুলসি?

    Tulsi Gabbard: বাংলাদেশে ‘হিন্দু নিধন নিয়ে উদ্বিগ্ন’, ভারতে এসে কী বললেন মার্কিন গোয়েন্দাপ্রধান তুলসি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ‘ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের হত্যা, নির্যাতন, হিন্দু নিধন’, নিয়ে উদ্বেগে আমেরিকা। ভারতের মাটিতে দাঁড়িয়ে স্পষ্ট এই কথা জানালেন মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান তুলসি গ্যাবার্ড (Tulsi Gabbard)। তিনি আরও জানিয়েছেন, বাংলাদেশে (Hindus in Bangladesh) ‘ইসলামিক সন্ত্রাস’ নিয়েও যথেষ্ট অস্বস্তি রয়েছে আমেরিকার। নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ভাবধারাকে নির্মূল করতে বদ্ধপরিকর বলেও জানিয়েছেন তুলসি।

    হিন্দু-নির্যাতন দুর্ভাগ্যজনক

    সোমবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-কে একটি সাক্ষাৎকার দেন তুলসি (Tulsi Gabbard)। সেখানে তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশে দীর্ঘ দিন ধরে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, ক্যাথলিক-সহ অন্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দুর্ভাগ্যজনক নির্যাতন, হত্যা, হেনস্থা আমেরিকা সরকার, ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর প্রশাসনের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’’ তিনি আরও জানিয়েছেন, ট্রাম্পের নতুন মন্ত্রিসভা এবং বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে এই নিয়ে সবেমাত্র কথাবার্তা শুরু হলেও বিষয়টি উদ্বেগে রেখেছে তাঁদের। উল্লেখ্য, তুলসি গ্যাবার্ড নিজে হিন্দু। এই আবহে বাংলাদেশি হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের ঘটনায় তিনি সহানুভূতিশীল। শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের সর্বত্রই হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের বিষয়ে বরাবরই সরব থেকেছেন তুলসি। তিনি নিজে মার্কিন কংগ্রেসের প্রথম হিন্দু নির্বাচিত সদস্য।

    ইসলামিক সন্ত্রাস নিয়ে সরব তুলসি

    আমেরিকার গোয়েন্দা প্রধানের পদে বসার পরে দ্বিতীয় বার বিভিন্ন দেশের সফরে বেরিয়েছেন তুলসি (Tulsi Gabbard)। রবিবার ভারতে এসেছেন তিনি। সোমবার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর সঙ্গেও বৈঠক করেন গ্যাবার্ড। এর পরে সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘‘ইসলামিক সন্ত্রাসবাদীদের বিভিন্ন গোষ্ঠীর ভাবধারা এবং লক্ষ্য একই— ইসলামিক খলিফার নীতি এবং শাসন চালু করা।’’

    বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন

    গত বছর অগস্টে গণ আন্দোলনের পরে বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। দেশ ছাড়েন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী হাসিনা। তার পর থেকে সে দেশে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এই নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা (Hindus in Bangladesh) নিশ্চিত করার কথাও বলেছে। গত ডিসেম্বরে নয়াদিল্লি জানায়, হাসিনা সরকারের পতনের পরে সে দেশে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের ২,২০০টি ঘটনা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে আগেই সরব হন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমেরিকা সফরের সময় তাঁর সঙ্গে বাংলাদেশ নিয়ে আলোচনা হয় ট্রাম্পের। ট্রাম্প জানান, বাংলাদেশের বিষয়টি তিনি মোদির উপরেই ছাড়ছেন।

    বাংলাদেশের অভিমত

    বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন (Hindus in Bangladesh) প্রসঙ্গে মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান তুলসির (Tulsi Gabbard) কথায় ঘুম উড়েছে বাংলাদেশের। তুলসির এই মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা। ১৭ মার্চ রাতেই এই নিয়ে এক বিবৃতি প্রকাশ করে ইউনূসের সরকার বলে, ‘গভীর উদ্বেগ ও দুঃখের সঙ্গে আমরা লক্ষ্য করেছি যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স প্রধান তুলসি গ্যাবার্ড বাংলাদেশ সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন মন্তব্য করেছেন। তিনি দাবি করেছেন যে বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নির্যাতন ও হত্যা করা হচ্ছে এবং ইসলামি সন্ত্রাসীদের হুমকি রয়েছে।’ ঢাকার তরফ থেকে আরও বলা হয়, ‘আরও দুঃখজনকভাবে, তিনি এসব হুমকির শিকড় ইসলামি খিলাফতের শাসন ও পরিচালনার আদর্শের সঙ্গে যুক্ত করেছেন। বাংলাদেশ বরাবরই শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ইসলামের ঐতিহ্যের জন্য সুপরিচিত। বাংলাদেশ সন্ত্রাস ও চরমপন্থার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। তুলসি গ্যাবার্ডের মন্তব্য নির্দিষ্ট কোনও প্রমাণ বা গ্রহণযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে নয়; বরং এটি একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রকে অন্যায়ভাবে ভুলভাবে উপস্থাপন করে। বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশের মতো বাংলাদেশও চরমপন্থার চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে, তবে এটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সামাজিক সংস্কার ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে যাচ্ছে।’

    বাংলাদেশের বাস্তব চিত্র

    তবে, ঢাকা যাই বলুক না কেন, বিগত দিনে বাংলাদেশে ক্রমেই বেড়েছে মৌলবাদ। হাসিনার বিদায়ের পর থেকেই মন্দির থেকে শুরু করে হিন্দুদের বাড়িঘরে ভাঙচুর চলেছে। সেই সময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা থেকে বিএনপি-জামাত দেখেছিল ‘আওয়ামি লিগের ষড়যন্ত্র’। তবে কয়েক মাস যাওয়ার পরও সেই দেশে হিন্দুদের (Hindus in Bangladesh) ওপর অত্যাচার থামেনি। ধর্মের নামে চাকরি থেকে জোর করে পদত্যাগ করানো হয় সংখ্যালঘুদের। অনেককে ধর্মান্তরিত করানোর অভিযোগও উঠেছে। এরই মাঝে চট্টগ্রামে হিন্দু এবং বৌদ্ধদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। সংখ্যালঘু অত্যাচারে সেখানে অভিযুক্ত খোদ সেনা। হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাস প্রভুর গ্রেফতারি ঘিরে আরও উত্তাল হয় পরিস্থিতি। এদিকে সেখানে ইসকনকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে বাংলাদেশের কট্টরপন্থীরা পথে নেমেছিল। ‘জুলাই বিল্পবের’ ছাত্র নেতারাও ইসকনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। সারজিস আলম চট্টগ্রামে ইসকন এবং হিন্দুদের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক ভাষণ দেন। সম্প্রতি বাংলাদেশে গ্রেফতার করা হয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মহাসচিব ও অশ্বিনী সেবা আশ্রমের সভাপতি কপিল কৃষ্ণ মণ্ডলকে। এই আবহে বাংলাদেশে ‘ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের হত্যা, নির্যাতন’ নিয়ে উদ্বেগে আমেরিকা। বিশেষত, হিন্দু, বৌদ্ধ এবং খ্রিস্টানদের নিয়ে। ভারত সফরে এসে এবার এই কথাই ফের স্পষ্ট করেন তুলসি।

  • Nagpur Clash: ঔরঙ্গজেবের সমাধি অপসারণ আন্দোলন, দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তপ্ত নাগপুর

    Nagpur Clash: ঔরঙ্গজেবের সমাধি অপসারণ আন্দোলন, দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তপ্ত নাগপুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ ঘিরে উত্তপ্ত মহারাষ্ট্রের নাগপুর (Nagpur Clash)। প্রসঙ্গত, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বজরং দলের পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি ছিল ঔরঙ্গজেবের সমাধি অপসারণের দাবিতে আন্দোলন। সেই মতো দুই সংগঠনের কর্মীরা ঔরঙ্গজেবের প্রতীকী কবর দাহ করে। এতেই গুজব ছড়ায় এক বিশেষ সম্প্রদায়ের ধর্মীয় গ্রন্থ পোড়ানো হয়েছে। সম্মুখ সমরে নেমে পড়ে দুই গোষ্ঠী। ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী আহত হন। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হয়।

    মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি

    মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ (Debendra Fadnavis) বলেন, ‘‘নাগপুর (Nagpur Clash) শান্তির শহর, যেখানে প্রত্যেক নাগরিক নিজেদের মধ্যে সুখ দুঃখ ভাগ করে বেঁচে থাকে। এটাই নাগপুরের ঐতিহ্য। কোনও গুজবে কেউ কান দেবেন না।’’ উত্তেজনার এই আবহে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি নাগরিকদের শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘নাগপুর শহর বরাবরই শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রতীক। কেউ যেন গুজবে কান না দেয় এবং আইন নিজের হাতে না তুলে নেয়।’’

    সোমবার সকালে হয় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের বিক্ষোভ

    গতকাল সোমবার সকালে নাগপুরের (Nagpur Clash) মহল নামের এলাকায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং বজরং দলের কর্মীরা ঔরঙ্গজেবের প্রতীকী কবর দাহ করে। সংগঠনের দাবি, ঔরঙ্গজেব ভারতীয় ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির বিরোধী ছিলেন, তাই তাঁর কবরের প্রতীক পুড়িয়ে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। বিক্ষোভ বাড়তে থাকলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু তারপরে গতকাল সোমবার সন্ধ্যা নামতেই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায় এবং সংঘর্ষ বেধে যায়।

    কড়া ব্যবস্থা নেয় মহারাষ্ট্র পুলিশ (Nagpur Clash)

    সংঘর্ষ চলাকালীন প্রচুর সরকারি সম্পত্তি নষ্ট হয় এবং আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। জানা গিয়েছে, নাগপুর পুলিশের পক্ষ থেকে সংঘর্ষে যুক্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই সংঘর্ষের পরেই প্রশাসন নাগপুরের স্পর্শকাতর এলাকায় র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (RAF) মোতায়েন করেছে। দমকল বাহিনী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং পুলিশের কঠোর নজরদারিতে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়।

  • Tiredness: ‘লাঞ্চ ব্রেক’-এর পরেই কাজে অনীহা! কোন খাবারে দূর হবে দিনভর ক্লান্তি?

    Tiredness: ‘লাঞ্চ ব্রেক’-এর পরেই কাজে অনীহা! কোন খাবারে দূর হবে দিনভর ক্লান্তি?

    মাধ্যম ডেস্ক: সকাল থেকে একনাগাড়ে কাজ! এনার্জিও ভরপুর। কিন্তু দুপুরের সাময়িক বিরতি সব কিছু বিগড়ে দেয়।‌ লাঞ্চ ব্রেকের পরেই কাজের গতি কমে যায়। অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ে ঝিমিয়ে থাকতে হয়। কথা বলা বা কাজ করার এনার্জি পাওয়া যায় না। তরুণ প্রজন্মের অনেকেই এই সমস্যায় ভোগেন। যার ফলে তাদের কাজের জায়গায় যথেষ্ট ভোগান্তির শিকার হতে হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এর অন্যতম কারণ ক্লান্তি! শরীরের পেশি, স্নায়ু এবং মস্তিষ্ক ক্লান্ত (Tiredness) হয়ে যায়। আর তার জন্যই কাজের প্রতি অনীহা তৈরি হয়। মনোযোগ নষ্ট হয় এবং কাজের গতিও শ্লথ হয়ে যায়। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, খাবারের (Food) তালিকায় সামান্য রদবদল পরিস্থিতি বদলে দিতে পারে।‌ দূর করতে পারে দিনভর ক্লান্তি। কিন্তু কী রদবদলের পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদরা (Tiredness)?

    সঙ্গে থাকুক কয়েকটা খেজুর

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, খাবার খাওয়ার মাঝে অনেকটা সময় বিরতি থাকলে শরীর বাড়তি ক্লান্ত (Tiredness) হয়ে যায়। সকালের জলখাবার এবং দুপুরে অফিসের লাঞ্চ ব্রেকের মাঝে অনেকটা বিরতি থাকে। এর ফলে অনেকের শরীর বেশি ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তারপরে অনেকটা বেশি‌ পরিমাণ খাবার একসঙ্গে খেয়ে ফেললে কাজের গতি কমে যায়। তাই পুষ্টিবিদদের একাংশ বলেন, নিয়মিত সঙ্গে থাকুক কয়েকটা খেজুর। খেজুর সহজেই খাওয়া যায়, তাই কাজের ফাঁকে একটা খেজুর খেতে বেশি সময় নষ্ট হয় না। লাঞ্চ ব্রেকের আগেই তাই সহজেই খেজুর খাওয়া যায়। আর খেজুরে (Food) থাকে আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামের মতো নানান রকমের খনিজ পদার্থ। এর ফলে এই খাবার মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখতে‌ বিশেষ সাহায্য করে। তাই ক্লান্তি বোধ দূর হয়।

    সপ্তাহে দুদিন এক চামচ ঘিয়ের তৈরি খাবার

    শরীর ক্লান্ত (Tiredness) হয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ ভিটামিন ডি এবং ভিটামিন বি ১২-র অভাব। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশ হাড়ের সমস্যায় ভুগছেন। পেশির নানান সমস্যাও বাড়ছে। আর তার ফলেই কাজের প্রতি মনোযোগ কমছে। মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়ছে। তাই পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, সপ্তাহ অন্তত দু’দিন এক চামচ ঘি-য়ে তৈরি সবজি লাঞ্চের মেনুতে থাকুক। তাঁরা বলেন, শরীরে ভিটামিন ডি এবং ভিটামিন বি ১২ সবচেয়ে সহজে পূরণ করে ঘি। তাই অন্তত দুদিন এক চামচ ঘি (Food) শরীরে পৌঁছলে ভিটামিনের চাহিদা পূরণ হবে। এর ফলে ক্লান্তি দূর হবে।

    কার্বোহাইড্রেট এবং ভিটামিনের ব্যালান্স ডায়েট জরুরি

    তরুণ প্রজন্মের রোগা হওয়ার চাহিদা এবং তার জন্য অপরিকল্পিত ডায়েট ক্লান্তি বোধ (Tiredness) আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে বলেই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে তরুণ প্রজন্মের অনেকেই সারাদিন সম্পূর্ণ কার্বোহাইড্রেট মুক্ত খাবার খাচ্ছেন। এর ফলে শরীরে এনার্জির জোগান‌ হচ্ছে না। তার ফলেই ক্লান্তি বোধ বাড়ছে। মস্তিষ্কও সক্রিয় থাকছে না। তাঁদের পরামর্শ, লাঞ্চে কার্বোহাইড্রেট এবং ভিটামিনের ব্যালান্স ডায়েট জরুরি। রুটি, ডাল, সবজি জাতীয় খাবার (Food), তার সঙ্গে সামান্য ফল থাকলে শরীর এনার্জি সহজেই পাবে। এতে ক্লান্তি বোধ কমবে।

    পর্যাপ্ত জল জরুরি

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে ক্লান্তি বোধ গ্রাস করে জলের ঘাটতি হলে। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেকেই বাইরে থাকলে খুব কম পরিমাণে জল খান (Food)। এর ফলে খাবার খাওয়ার পরেই শরীরের বিভিন্ন পেশির সক্রিয়তা আরও কমে যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খেলে শরীরের সমস্ত পেশি সক্রিয় থাকে। তখন ক্লান্তি (Tiredness) বোধ কম হয়।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 18 March 2025: দিনটি বিশেষ অনুকূল নয় এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 18 March 2025: দিনটি বিশেষ অনুকূল নয় এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো কাটবে।

    ২) নিজের কাজে সাফল্য লাভ করবেন আজ।

    ৩) ব্যবসায়ে নতুন ও লাভজনক পরিকল্পনা শুরুর ভালো সুযোগ পাবেন।

    বৃষ

    ১) আজকের দিনটি বিশেষ ভালো নয়।

    ২) কর্মক্ষেত্রে বিরোধীদের থেকে সতর্ক থাকা জরুরি।

    ৩) কারও ওপর অধিক ভরসা করবেন না।

    মিথুন

    ১) সময় অনুকূল নয়।

    ২) কাজে মনোনিবেশ করতে হবে।

    ৩) ভেবেচিন্তে নিজের কাজে অগ্রসর হন।

    কর্কট

    ১) নিজের সাফল্যকে শীর্ষে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।

    ২) কাজে কঠিন পরিশ্রম করায় ভালো পরিণাম পাবেন।

    ৩) বিরোধীদের থেকে দূরে থাকুন।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি ভালো।

    ২) নিজের জীবনে সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছনোর সুযোগ পাবেন।

    ৩) নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবেন।

    কন্যা

    ১) আজকের দিনটি নানান ওঠাপড়ায় ভরপুর থাকবে।

    ২) মনের মধ্যে নানান ধরনের চিন্তাভাবনা উৎপন্ন হতে পারে।

    ৩) পারিবারিক বিষয়ে চিন্তিত থাকবেন।

    তুলা

    ১) আজকের দিনটি বিশেষ অনুকূল নয়।

    ২) কাজকর্মে বাধা উৎপন্ন হতে পারে।

    ৩) ব্যবসা ও চাকরিতে সাফল্য লাভের জন্য অধিক পরিশ্রম করতে হবে।

    বৃশ্চিক

    ১) আজকের দিনটি শুভ।

    ২) নিজের কাজে সাফল্য লাভ করতে পারবেন।

    ৩) নতুন সুযোগ পাবেন।

    ধনু

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) কাজের ফলাফল পাবেন, সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছবেন।

    ৩) লগ্নির দ্বারা ভালো মুনাফা অর্জন করতে পারেন।

    মকর

    ১) আজকের দিনটি অনুকূল নয়।

    ২) স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

    ৩) খাওয়া-দাওয়ার যত্ন নিতে হবে।

    কুম্ভ

    ১) আজকের দিনটি শুভ ফলাফল প্রদান করবে।

    ২) সমস্ত অসম্পূর্ণ ইচ্ছা পূরণ হবে।

    ৩) মনের মধ্যে আনন্দ থাকবে।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি চ্যালেঞ্জে পরিপূর্ণ।

    ২) সতর্কতার সঙ্গে কাজ এগিয়ে নিয়ে যান।

    ৩) কাজের চাপের কারণে ক্লান্তি অনুভব করবেন।

     

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • BJP: তেল উত্তোলনে রাজ্যের ছাড়পত্র পেল ওএনজিসি, মমতা সরকারকে আক্রমণ বিজেপির

    BJP: তেল উত্তোলনে রাজ্যের ছাড়পত্র পেল ওএনজিসি, মমতা সরকারকে আক্রমণ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকারের উদাসীনতায় অশোকনগরে ওএনজিসির প্রকল্প থেকে তেল-গ্যাসের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হতে পারছে না বলে গত নভেম্বরে অভিযোগ তুলেছিল কেন্দ্র। ওই মাসের (BJP) শেষের দিকে সংসদে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী দাবি করেছিলেন, রাজ্য উত্তোলনের জন্য জমি লিজ মঞ্জুরে গড়িমসি করায়ই দেরি হচ্ছে। ২০২০ সাল থেকে একাধিকবার লিজ মঞ্জুরের জন্য আবেদন করা হয়েছে (Mamata Banerjee)। কিন্তু এখনও তা পাওয়া যায়নি। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রীর সেই অভিযোগের পর কেটে গিয়েছে তিন মাসেরও বেশি সময়। শেষমেশ উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরে তেল উত্তোলনের কাজ শুরু করার ছাড়পত্র পেল ওএনজিসি। সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার ওই ছাড়পত্র দিয়েছে। সরকার এই প্রকল্পের জন্য ৫০ একর জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    তেল ও গ্যাস উত্তোলনের আনুষ্ঠানিক সূচনা (BJP)

    ২০২০ সালে তৎকালীন পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান অশোকনগরে বাণিজ্যিক তেল ও গ্যাস উত্তোলনের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। রাজ্য সরকারের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র না মেলায় তাঁর সেই চেষ্টা আর এগোয়নি। সরকারি ছাড়পত্র মেলায় এবার কোমর বেঁধে নামছে রাজ্য সরকার। উত্তর ২৪ পরপনার চারটি জায়গায় তেল খননের প্রস্তুতি ও জমি লিজ সংক্রান্ত কাজ প্রায় শেষের পথে। পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুর ২ ব্লক ও উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গার চপতলা গ্রাম পঞ্চায়েতে শুরু হয়েছে জমি অধিগ্রহণের কাজ। ওএনজিসি উত্তর ২৪ পরগনার ১৩টি, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩টি, নদিয়া জেলার একটি এবং পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ৫টি জায়গা তেল উত্তোলনের জন্য নির্বাচন করেছে।

    মমতাকে নিশানা বিজেপির

    পাঁচ বছর পরে তেল উত্তোলনের ছাড়পত্র মেলায় মমতা সরকারকে নিশানা করেছেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য। তাঁর মন্তব্য (BJP), “২০২৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি অনুমোদিত এই লিজটি নতুন অনুসন্ধান লাইসেন্সিং নীতির অধীনে ৯৯.০৬ বর্গ কিলোমিটার এলাকা কভার করে। এটি বহু বছর আগেই (Mamata Banerjee) একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক বিলম্বের কারণে বাংলা বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।” সরকারি পরিসংখ্যান উল্লেখ করে তাঁর প্রশ্ন, “বাংলায় রয়েছে অপার জ্বালানি সম্ভাবনা। কিন্তু আমরা কি আবার এমন বিলম্ব সহ্য করতে পারি?” তিনি বলেন, “বাংলার সম্পদ যেন তার উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে তা নিশ্চিত করতে কার্যকর সরকারের সময় এসেছে। এখনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ক্ষমতা থেকে সরানোর সময়।”

    রাজ্য সরকারের গড়িমসি

    পশ্চিমবঙ্গের অশোকনগরে যে তেল-গ্যাসের বিপুল মজুত রয়েছে, তা নিয়ে ২০১৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর জারি করা হয় বিজ্ঞপ্তি। তার পরেই ২০২০ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ওএনজিসি খনন কার্য চালাতে ৫.৮৮ বর্গ কিলোমিটার জমি লিজে নেওয়ার জন্য আবেদন করে রাজ্যের কাছে। ওএনজিসিকে পিএমএল দেওয়ার জন্য যে কেন্দ্র সুপারিশ করেছিল, সেই তথ্যও ওই বছরই ২১ অক্টোবর রাজ্য সরকারকে জানিয়ে দেয় ওএনজিসি। পুরীর দাবি, তার পর থেকে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে এবং গত জানুয়ারিতে ফের রাজ্যের কাছে পিএমএল মঞ্জুরের জন্য দরবার করে ওএনজিসি। ওই বছরের আবেদনটি প্রিন্সিপাল সেক্রেটারির কাছে পেশ করেন ডিরেক্টর জেনারেল (হাইড্রোকার্বন)। পিএমএল মঞ্জুরের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে গত জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত পূর্বাঞ্চলের কাউন্সিলের বৈঠকেও বিষয়টি উত্থাপন করা হয়।

    বিজেপির দাবি

    গত নভেম্বরেই (BJP) সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য দাবি করেছিলেন, “অশোকনগরে উৎপাদনের জন্য ইতিমধ্যেই ওএনজিসি ১০৪৫.৫৪ কোটি টাকা লগ্নি করেছে। জমি লিজ পেতে সংস্থা ১৪ বার ও কেন্দ্রীয় তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক চার বার রাজ্যকে চিঠি দিয়েছে। তেল-গ্যাসের ভান্ডার থাকা সত্ত্বেও তা বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করতে না পারায় রাজ্য বিপুল রয়্যালটি পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে (Mamata Banerjee)।”

    অশোকনগর

    প্রসঙ্গত, অশোকনগর ক্ষেত্রটি (BJP) মহানদী-বাংলা-আন্দামান অববাহিকার অন্তর্গত। পশ্চিমবঙ্গ দীর্ঘদিন ধরে তেল ও গ্যাসের সম্ভাবনাময় স্থান হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। যদিও ওএনজিসি বহু বছর ধরে এই রাজ্যে অনুসন্ধান চালাচ্ছে এবং প্রচুর পরিমাণ বিনিয়োগ করেছে। তবে নমুনার অর্থনৈতিক লাভজনকতা সবসময়ই একটি সমস্যা ছিল। আশোকনগর তৈল ক্ষেত্র থেকে ২০ কিলোলিটার অপরিশোধিত তেল উত্তোলনের পর, ওএনজিসি নমুনাটি প্রক্রিয়াকরণের জন্য ইন্ডিয়ান অয়েলের হলদিয়া শোধনাগারে পাঠায়। পরীক্ষার ফলে দেখা যায়, উৎপাদিত তেলের গুণমান খুবই ভালো।

    ভারত সরকারের (BJP) প্রাথমিক-মুদ্রাকরণ পরিকল্পনা অনুযায়ী, আশোকনগর-১ এখন একটি তেল উৎপাদক ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর অর্থ হল, ওএনজিসি ভারতে তার আটটি অববাহিকার মধ্যে সাতটি আবিষ্কার ও উন্নয়ন করেছে। এটি দেশের মোট পরিচিত তেল ও গ্যাস মজুতের ৮৩%। কোম্পানিটি ভারতের মোট হাইড্রোকার্বন উৎপাদনের ৭২% জোগান দেয়।

  • Tulsi Gabbard: ‘খালিস্তানিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন’, ইন্দো-প্যাসিফিক নিয়েও তুলসীর সঙ্গে কথা রাজনাথের

    Tulsi Gabbard: ‘খালিস্তানিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন’, ইন্দো-প্যাসিফিক নিয়েও তুলসীর সঙ্গে কথা রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-মার্কিন সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইচ্ছাতে ভারতে এসেছেন তুলসি গ্যাবার্ড (Tulsi Gabbard)। সোমবার তিনি প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। সূত্রের খবর, সিং ও গ্যাবার্ডের মধ্যে বৈঠকে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সম্পর্ক বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এদিকে বৈঠকে নাকি রাজনাথ সিং দাবি করেন, মার্কিন নিবাসী খালিস্তানি নেতা গুরপতবন্ত সিং পান্নুনের ‘শিখস ফর জাস্টিস’ সংগঠনটিকে জঙ্গি সংগঠনের তকমা দেওয়া হোক।

    দুই দেশের মধ্যে সমন্বয় সাধন

    সূত্রের খবর, সিং এবং গ্যাবার্ডের মধ্যে এই বৈঠকে ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে সমন্বয় জোরদার করা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এই সফর এবং বৈঠক ভারত-মার্কিন সম্পর্কের কৌশলগত গুরুত্বকে আরও একবার তুলে ধরেছে, বিশেষ করে এমন সময়ে যখন বিশ্বব্যাপী ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। রবিবার ভারত সফরে এসেছেন মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান তুলসি গ্যাবার্ড ৷ সেদিন রাতেই তিনি বৈঠকে বসেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার অজিত ডোভালের সঙ্গে। ওই বৈঠকে ডোভাল ও মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান তুলসী ছাড়াও ছিলেন ভারতের গোয়েন্দা প্রধান, কানাডার গোয়েন্দা প্রধান, ব্রিটেনের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাও। সূত্রের খবর, অজিত ডোভালের সঙ্গে ভারত-মার্কিন সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে সবিস্তারে আলোচনা হয়েছে ৷ ভারতে রওনা দেওয়ার আগে এক্স হ্যান্ডেলে তুলসি লিখেছেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের লক্ষ্যপূরণই হবে তাঁর এই সফরের উদ্দেশ্য।”

    ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতা রক্ষা

    ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা গত দুই দশকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০০৫ সালে দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব শুরু হয় এবং ২০২০ সালে ট্রাম্পের ভারত সফরের সময় এটি একটি ব্যাপক গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপে উন্নীত হয়। গ্যাবার্ডের এই সফর এই সম্পর্কের ধারাবাহিকতা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার একটি প্রতিফলন। রাজনাথ সিং এবং তুলসী গ্যাবার্ডের বৈঠকে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা, সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে। ভারত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দুই দেশই ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়

    এই বৈঠকে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে যৌথ মহড়া, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয়ের বিষয়েও কথা হয়েছে। ভারত সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে উন্নত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয়ের দিকে ঝুঁকেছে। লজিস্টিকস এক্সচেঞ্জ মেমোরেন্ডাম অফ অ্যাগ্রিমেন্ট (LEMOA), কমিউনিকেশনস কম্প্যাটিবিলিটি অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাগ্রিমেন্ট (COMCASA) এবং বেসিক এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড কো-অপারেশন অ্যাগ্রিমেন্ট (BECA)-এর মতো চুক্তিগুলি দুই দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে। গ্যাবার্ডের সঙ্গে এই আলোচনা এই সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করে।

    তুলসী গ্যাবার্ড-এর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদির সম্পর্ক

    ৪৩ বছর বয়সী তুলসী গ্যাবার্ড মার্কিন কংগ্রেসের প্রথম হিন্দু সদস্য হিসেবে পরিচিত। তিনি হাওয়াই থেকে ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি হিসেবে কংগ্রেসে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২২ সালে তিনি ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ত্যাগ করে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন করেন এবং এখন তাঁর প্রশাসনে জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন। তিনি ভগবদ্গীতার হাতে শপথ নিয়ে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন এবং ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে সেই বইটি উপহার দিয়েছিলেন। গ্যাবার্ড ভারতের প্রতি তাঁর সমর্থনের জন্য পরিচিত। তিনি ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী মোদির আমন্ত্রণে ভারত সফর করেছিলেন এবং আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের প্রস্তাবকে সমর্থন করেছিলেন। তিনি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে হিন্দুদের উপর নির্যাতনের বিষয়ে সোচ্চার হয়েছেন, যা ভারতীয়-মার্কিন সম্প্রদায়ের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা বাড়িয়েছে।

    খালিস্তান প্রসঙ্গ

    নিষিদ্ধ খালিস্তানপন্থী জঙ্গিগোষ্ঠী ‘শিখস ফর জাস্টিস’ (এসএফজে) এবং তার প্রতিষ্ঠাতা প্রধান গুরপতবন্ত সিং পান্নুনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের জন্য আমেরিকার গোয়েন্দা প্রধান তুলসী গ্যাবার্ডের কাছে দাবি জানিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সোমবার দিল্লিতে নিরাপত্তা সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সম্মেলনের পার্শ্ববৈঠকে রাজনাথ-গ্যাবার্ড বৈঠকে খলিস্তান-প্রসঙ্গ এসেছে বলেও খবর। জো বাইডেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন খালিস্তান নিয়ে একাধিক বার নয়াদিল্লি-ওয়াশিংটন টানাপড়েন তৈরি হয়েছে। পান্নুনকে হত্যার চেষ্টার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে গত বছর নিখিল গুপ্ত নামে এক ভারতীয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল মার্কিন প্রশাসন। চেক প্রজাতন্ত্র থেকে ওই ব্যক্তিকে নিয়ে আসা হয়েছিল আমেরিকায়। এমনকি, ওই ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে গত সেপ্টেম্বরে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালকে তলব করেছিল আমেরিকার আদালত।

    একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা

    খালিস্তান প্রসঙ্গের পাশাপাশি, ডোভাল এবং রাজনাথের সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকারের গোয়েন্দা প্রধানের বৈঠকে অবৈধ অভিবাসন, মাদক বিরোধিতা, সীমান্ত নিরাপত্তা, গোয়েন্দা সংস্থাগুলির মধ্যে সহযোগিতা, যৌনশোষণ রোধ, মানব পাচার, সাইবার নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলি এসেছে বলে সরকারি সূত্রের খবর। প্রসঙ্গত, ট্রাম্প দ্বিতীয় বার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এই প্রথম কোনও শীর্ষস্থানীয় মার্কিন আধিকারিক ভারত সফরে এলেন। আড়াই দিনের এই সফরে দিল্লিতে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বৈঠকে যোগদানের পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক কৌশলগত সম্পর্কে নিয়ে একাধিক বৈঠক করবেন গ্যাবার্ড। ভারত সফর শেষে তিনি যাবেন জাপান ও সেখান থেকে ফ্রান্সে পৌঁছবেন।

LinkedIn
Share