Tag: Madhyom

Madhyom

  • ED Raid: ফের পার্থের নাকতলার বাড়িতে ইডি! ‘মিডলম্যান’ প্রসন্নের দফতরেও চলছে তল্লাশি

    ED Raid: ফের পার্থের নাকতলার বাড়িতে ইডি! ‘মিডলম্যান’ প্রসন্নের দফতরেও চলছে তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে রাজ্যে ফের তৎপর ইডি (ED Raid)। শনিবার সকালে প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) নাকতলার বাড়িতে ফের পৌঁছে গেল ইডি। শিক্ষক নিয়োগের মামলাতেই ফের পার্থকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে অনুমান। জামিন পাওয়ার পর একাধিক বার তাঁকে ইডি ডেকে পাঠিয়েছিল। কিন্তু পার্থ হাজিরা দেননি বলে অভিযোগ। প্রতি বারই তিনি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন। মনে করা হচ্ছে, সেই কারণেই এবার পার্থকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে তাঁর বাড়িতে যায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। একই সঙ্গে ইডির একটি দল পৌঁছে গিয়েছে নিউ টাউনে প্রসন্ন রায়ের দফতরেও। নিয়োগ মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত ‘মিডলম্যান’ এই প্রসন্ন। তাঁর বাড়িতেও ইডি গিয়েছে বলে খবর।

    কেন পার্থর বাড়িতে ইডি

    শনিবার বেলা পৌনে ১১টা নাগাদ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলার বাড়িতে যান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকেরা৷ সঙ্গে ছিল বিরাট কেন্দ্রীয় বাহিনী৷ তারা পার্থর বাড়ি দ্রুত ঘিরে ফেলে বলে খবর৷ ভোটের আগে এসএসসি নিয়োগ মামলা সূত্রেই তাঁকে ইডি জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় বলে সূত্রের খবর৷ জামিন পাওয়ার পরে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দু’বার সমনও পাঠিয়েছে ইডি৷ কিন্তু, কোনওবারই তিনি হাজিরা দেননি বলে অভিযোগ৷ প্রতিবারই দিয়েছেন অসুস্থতার ‘অজুহাত’৷ চিঠিতে জানানো হয়েছিল, প্রয়োজনে ইডি যদি মনে করে ভিডিও কল বা তাঁর বাড়িতে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে৷ মনে করা হচ্ছে, সেই কারণেই এবার পার্থকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে গেল কেন্দ্রীয় সংস্থা। উল্লেখ্য, নাকতলার বাড়ি থেকেই ২০২২ সালে নিয়োগ মামলায় পার্থকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। নিয়োগ মামলায় তিন বছরেরও বেশি সময় জেল খেটেছেন পার্থ।

    বেআইনি আর্থিক লেনদেন ঠেকানোই লক্ষ্য

    ইডির একটি দল পৌঁছে গিয়েছে নিউ টাউনে প্রসন্ন রায়ের দফতরেও। নিয়োগ মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত ‘মিডলম্যান’ এই প্রসন্ন, পার্থের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তাঁকেও গ্রেফতার করা হয়েছিল। ইডির একাধিক চার্জশিটে পার্থ, প্রসন্নের নাম রয়েছে। গত কয়েক দিন ধরেই কলকাতায় ইডি সক্রিয়। পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইতিমধ্যে একাধিক বার রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু এবং রথীন ঘোষকে তলব করা হয়েছে। সুজিত বসু হাসপাতালে ভর্তি থাকায় নথিপত্র নিয়ে সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছেন তাঁর ছেলে সমুদ্র। জমি সংক্রান্ত মামলায় শহরের কিছু ব্যবসায়ীর বাড়িতেও ইডি হানা দিয়েছে। সূত্রের খবর, ভোটের আগে বেআইনি আর্থিক লেনদেন ঠেকাতে চায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। তার জন্যই বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চলছে।

  • Artemis-2: সফল আর্টেমিস-২ মিশন, মানবজাতির জন্য ‘ওয়াটারশেড মোমেন্ট’, বলছেন ভারতীয় মহাকাশচারীরা

    Artemis-2: সফল আর্টেমিস-২ মিশন, মানবজাতির জন্য ‘ওয়াটারশেড মোমেন্ট’, বলছেন ভারতীয় মহাকাশচারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ পাঁচ দশকের প্রতীক্ষার অবসান। চাঁদের চারপাশ ঘুরে আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার চার নভশ্চর পৃথিবীতে ফিরে এলেন। ১০ দিন মহাকাশে কাটানোর পর শনিবার সকালে (ভারতীয় সময় ভোর ৫টা ৩৭ মিনিটে) তাঁরা পৃথিবীতে অবতরণ করেছেন। দক্ষিণ ক্যালিফর্নিয়ার উপকূলে প্রশান্ত মহাসাগরে নির্বিঘ্নেই নেমেছে নাসার ক্যাপসুল ‘ওরিয়ন’ (Orion)। তার ভিতর থেকে ধীরে ধীরে চার জনকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসা হয়েছে। এই সাফল্যকে মানবজাতির জন্য এক “ওয়াটারশেড মোমেন্ট” হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন ভারতীয় মহাকাশচারীরা।

    এবার লক্ষ্য মঙ্গল

    নাসা এই চন্দ্রাভিযানের নাম দিয়েছিল ‘আর্টেমিস’ (Artemis-2)। এটি তার দ্বিতীয় ধাপ। ২০২৮ সালে এই অভিযানের তৃতীয় ধাপেই চাঁদে ফের মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে মার্কিন সংস্থার। নাসার মহাকাশচারীরা পৃথিবীতে অবতরণ করতেই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁদের শুভেচ্ছা জানিয়ে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন। সেই সঙ্গে বেঁধে দিয়েছেন নতুন লক্ষ্যও। ট্রাম্প লিখেছেন, ‘‘আর্টেমিস ২-এর এই অসাধারণ এবং অত্যন্ত মেধাবী সদস্যদের অভিনন্দন। সমগ্র সফরটি দুর্দান্ত ছিল। অবতরণও হয়েছে নিখুঁত। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসাবে এটা আমার কাছে খুব গর্বের একটা দিন। হোয়াইট হাউসে আপনাদের সকলের সঙ্গে শীঘ্রই দেখা হবে। আমরা এই কাজটা আবার করব এবং তার পর আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য মঙ্গলগ্রহ!’’ চাঁদে মানুষ পাঠানোর অভিযান শেষ করার পর মঙ্গলে আমেরিকা যে মনোনিবেশ করবে, স্পষ্ট করে দিয়েছেন ট্রাম্প।

    সুস্থ রয়েছেন চার মহাকাশচারী

    নাসা (NASA) তাদের ব্লগে জানিয়েছে, এ ওরিয়ন স্পেসক্রাফ্ট পৃথিবীতে ফিরে এল ৷ মহাকাশযানটি সফলভাবে স্যান দিয়েগোর একটি এলাকায় প্যারাসুটে নির্ভর করে স্প্ল্যাসডাউন করেছে ৷ তারপর ইঞ্জিনিয়ররা একাধিক পরীক্ষা করেন এবং সম্পূর্ণভাবে মহাকাশযানটির পাওয়ার-ডাউন করা হয় ৷ নাসার রিকভারি ডায়েক্টরের নির্দেশে মার্কিন সেনাবাহিনীর ছোটো নৌকা স্পেসক্রাফ্টের কাছে পৌঁছয় ৷ সঙ্গে ছিলেন ইঞ্জিনিয়রদের একটি দল ৷ তাঁরা স্পেসক্রাফ্টটি পরীক্ষা করার পর সম্পূর্ণভাবে পাওয়ার ডাউন করেন ৷ প্রায় এক ঘণ্টা পর চার মহাকাশচারীকে ওরিঅন থেকে বের করা হয় ৷ তারপর বায়ুসেনার হেলিকপ্টারে করে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁদের জন্য রাখা নির্দিষ্ট জাহাজে ৷ এবং সেই জাহাজে করে তাঁরা ফিরে আসেন ৷ সর্বপ্রথম চার মহাকাশচারীকে নিয়ে যাওয়া হয় নির্দিষ্ট হাসপাতালে ৷ সেখানে তাঁদের শারীরিক বিষয় পরীক্ষা করা হয় ৷ সেখান থেকে নাসা-র হউসটন সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয় ৷

    উচ্ছ্বসিত ভারতীয় মহাকাশচারীরা

    ভারতীয় বায়ুসেনার গ্রুপ ক্যাপ্টেন অঙ্গদ সিং বলেন, “৫০ বছরেরও বেশি সময় পর মানুষ আবার চাঁদের পথে গিয়েছে—এটি সমগ্র মানবজাতির জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত।” তিনি আরও জানান, এই মিশন প্রমাণ করেছে সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি, দৃঢ়তা ও আধুনিক প্রযুক্তি থাকলে অসম্ভব বলে কিছু নেই। মিশনের সময় আর্টেমিস-২-এর ক্রুরা পৃথিবী থেকে সর্বাধিক দূরত্বে যাওয়ার মতো একাধিক রেকর্ডও গড়েছে। মহাকাশ অভিযানের পেছনে বিপুল পরিশ্রম, সাহস ও অর্থের প্রয়োজন হয় বলেও উল্লেখ করেন অঙ্গদ সিং। একই সুরে কথা বলেন এয়ার কমোডর পি বালাকৃষ্ণন নায়ার। তিনি এই মিশনকে এক নতুন যুগের সূচনা হিসেবে দেখছেন। তাঁর কথায়, “এই সাফল্য মানবজাতির সামনে অসীম সম্ভাবনার দরজা খুলে দিল।”

    গগনযান-এর জন্য অনুপ্রেরণা

    গত ২ এপ্রিল ভোরে (ভারতীয় সময়) চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছিল নাসার মহাকাশযান। তাতে ছিলেন কমান্ডার রিড ওয়াইসম্যান (প্রাক্তন নৌসেনা পাইলট, ১৬৫ দিন মহাকাশে কাটানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে), পাইলট ভিক্টর গ্লোভার (নাসার ক্রু-১ অভিযানে শামিল হয়েছিলেন), অভিযান বিশেষজ্ঞ ক্রিস্টিনা কচ (মহিলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি সময় স্পেসফ্লাইট চালিয়েছেন) এবং জেরেমি হানসেন (কানাডার মহাকাশচারী, প্রথম বার মহাকাশে)। প্রায় ১০ দিন পৃথিবীর বাইরে কাটিয়ে চাঁদের কাছ থেকে ঘুরে আবার তাঁরা ফিরে এলেন। ‘আর্টেমিস ২’-এর লক্ষ্য চাঁদের মাটিতে পা রাখা নয়। বরং চাঁদের সামনে থেকে ঘুরে আসা। উল্লেখ্য, অ্যাপোলো প্রোগ্রামের (Apollo program) পর এই প্রথম মানুষ আবার চাঁদের নিকটবর্তী অঞ্চলে পৌঁছাল। বিশেষজ্ঞদের মতে, আর্টেমিস-২-এর এই সাফল্য ভবিষ্যতে চাঁদের মাটিতে মানুষ নামানোর পথ প্রশস্ত করবে। ভারতের ক্ষেত্রেও এই মিশন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, দেশ ইতিমধ্যেই নিজস্ব মানব মহাকাশযাত্রা প্রকল্প গগনযান (Gaganyaan)-এর প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আর্টেমিস-২ ভারতের জন্য একদিকে অনুপ্রেরণা, অন্যদিকে একটি মানদণ্ড হিসেবেও কাজ করবে।

    নাসার বিজ্ঞানীরা বিস্মিত

    গভীর মহাকাশে ভ্রমণের সময় এবং চাঁদকে প্রদক্ষিণ করার সময়, মহাকাশচারীরা হাজার হাজার ছবি তুলেছেন। তাঁরা একটি সূর্যগ্রহণও দেখেছন, সেই সঙ্গে চন্দ্রপৃষ্ঠে অস্বাভাবিক উল্কাপিণ্ডের আঘাতও পর্যবেক্ষণ করেছেন। যা নাসার বিজ্ঞানীদের বিস্মিত করেছে। এই অভিযানে বেশ কিছু মাইলফলক স্থাপিত হয়েছে। গ্লোভার প্রথম অশ্বেতাঙ্গ ব্যক্তি হিসেবে চাঁদ প্রদক্ষিণ করেন, কচ প্রথম মহিলা অভিযাত্রী এবং কানাডিয় নভোচারী হ্যানসেন প্রথম অ-আমেরিকান হিসেবে এই কৃতিত্ব অর্জন করেন।

    ২০২৮-এ চাঁদে মানুষ!

    সব কিছু ঠিক থাকলে ২০২৮ সালে অভিযানের তৃতীয় ধাপে চাঁদে নামবে মানুষ। দীর্ঘ পাঁচ দশক পরে চাঁদে মানুষ পাঠাচ্ছে নাসা। ১৯৬৯ সালে আমেরিকার এই সংস্থার অ্যাপোলো অভিযানেই চাঁদে প্রথম নেমেছিল মানুষ। ১৯৭২ সালে সেই অভিযান শেষ হয়। ৫৩ বছর পর ফের ‘আর্টেমিস’ অভিযানের হাত ধরে চাঁদ ছুঁতে চাইছে আমেরিকা। চার মহাকাশচারীকে নিয়ে নাসার মহাকাশযান ১১ লক্ষ ১৭ হাজার ৫১৫ কিলোমিটার পাড়ি দিয়েছে। পৃথিবীর দু’টি কক্ষপথ পেরিয়ে চাঁদের সামনে থেকে ঘুরে এসেছেন মহাকাশচারীরা। ক্যালিফর্নিয়ার উপকূলে সূর্যাস্তের ঘণ্টা দুয়েক আগে তাঁদের অবতরণের সরাসরি সম্প্রচার করেছে নাসা। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জানিয়েছে, এটি ছিল আগামী দিনে চাঁদে মানুষের স্থায়ী বসতি গড়ার একটি ‘ড্রেস রিহার্সাল’।

  • NEP 2020: সিবিএসই-র বড় সিদ্ধান্ত; ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক, ৭ দিনের মধ্যে কার্যকরের নির্দেশ

    NEP 2020: সিবিএসই-র বড় সিদ্ধান্ত; ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক, ৭ দিনের মধ্যে কার্যকরের নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের স্কুল শিক্ষা ব্যবস্থায় বড়সড় পরিবর্তনের পথে কেন্দ্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড (CBSE)। জাতীয় শিক্ষানীতি (NEP 2020)-এর সুপারিশ মেনে এখন থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ‘তৃতীয় ভাষা’ (Third Language) শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ দিয়েছে। বোর্ড স্পষ্ট জানিয়েছে, আগামী ৭ দিনের মধ্যেই সমস্ত অনুমোদিত স্কুলকে এই নিয়ম কার্যকর করতে হবে।

    ভাষা শিক্ষার বিস্তার (NEP 2020)

    এতদিন অনেক স্কুলে তৃতীয় ভাষা ঐচ্ছিক হিসেবে থাকলেও, নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী ষষ্ঠ শ্রেণি (NEP 2020) থেকে এটি আবশ্যিক বিষয় হিসেবে গণ্য হবে। এর উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে বহুভাষিক দক্ষতা বৃদ্ধি করা।

    ৭ দিনের সময়সীমা

    সিবিএসই-র (NEP 2020) পক্ষ থেকে স্কুলগুলোকে অত্যন্ত অল্প সময় দেওয়া হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এই শিক্ষাক্রম চালুর পরিকাঠামো তৈরি এবং শিক্ষার্থীদের (CBSE) ভাষা নির্বাচনের সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক নিয়োগ ও পরিকাঠামোর উপরেও বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে যোগ্য ভাষা শিক্ষক নিশ্চিত করা এবং ক্লাসের সময়সূচী বা রুটিন পরিবর্তন করা স্কুলগুলোর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    জাতীয় শিক্ষানীতির প্রতিফলন

    কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন শিক্ষানীতিতে (NEP 2020) ভারতীয় ভাষাগুলোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সিবিএসই-র এই পদক্ষেপ সেই লক্ষ্য পূরণেরই একটি অংশ। বোর্ডের (CBSE) মতে, স্কুল স্তরে একাধিক ভাষা শিখলে শিক্ষার্থীদের বৌদ্ধিক বিকাশ ঘটে এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সংস্কৃতি ও সাহিত্যের সঙ্গে তাদের মেলবন্ধন তৈরি হয়। বিশেষ করে ভারতীয় ধ্রুপদী ভাষা বা আধুনিক কোনো ভারতীয় ভাষাকে এই তালিকায় অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

    স্কুল ও অভিভাবকদের প্রতিক্রিয়া

    হঠাৎ করে আসা এই নির্দেশে স্কুল কর্তৃপক্ষগুলোর (CBSE) মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অনেক স্কুলই মনে করছে, মাত্র ৭ দিনের মধ্যে নতুন ভাষা শিক্ষক নিয়োগ বা পাঠ্যক্রম গুছিয়ে নেওয়া কঠিন হবে। অন্যদিকে, শিক্ষাবিদদের একাংশ মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদী ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের (NEP 2020) ভাষাগত জ্ঞান বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। সিবিএসই-র এই কড়া নির্দেশের পর দেশের হাজার হাজার স্কুল এখন দ্রুততার সঙ্গে তাদের শিক্ষানীতি পরিবর্তনের প্রস্তুতি শুরু করেছে।

  • Amarnath Yatra 2026 Registration: অমরনাথ যাত্রার রেজিস্ট্রেশন শুরু এপ্রিলেই, এর ভিত্তিতেই মিলবে ভ্রমণ পারমিট

    Amarnath Yatra 2026 Registration: অমরনাথ যাত্রার রেজিস্ট্রেশন শুরু এপ্রিলেই, এর ভিত্তিতেই মিলবে ভ্রমণ পারমিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের অমরনাথ যাত্রার রেজিস্ট্রেশনের (Amarnath Yatra 2026 Registration) তারিখ ঘোষণা করা হল। পুণ্যার্থীরা ১৫ এপ্রিল থেকে অমরনাথ যাত্রার জন্য রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। শ্রী অমরনাথ শ্রাইন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, তীর্থযাত্রীরা দেশজুড়ে ৫৫৪টি নির্ধারিত ব্যাঙ্ক শাখার মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। এর ভিত্তিতেই ভ্রমণ পারমিট জারি করা হবে। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ ভক্ত অমরনাথ যাত্রা করেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ পবিত্র অমরনাথ গুহা দর্শন করতে আসেন। পহেলগাঁও থেকে ২৯ কিলোমিটার দূরত্বে অমরনাথের গুহা অবস্থিত। হিমবাহ ও বরফের পাহাড়ে ঘেরা এই গুহা বছরের বেশিরভাগ বরফে আচ্ছাদ্দিত থাকে। এই তীর্থক্ষেত্রে ভক্তদের হেঁটে কিংবা হেলিকপ্টারের করে পৌঁছতে হয়। তাই এক্ষেত্রে লাগবে হেল্থ সার্টিফিকেটও।

    সফরের আনুষ্ঠানিক তারিখ

    মোদি সরকার অমরনাথ যাত্রার প্রতিটি পথে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করছে। কোনও তীর্থযাত্রী কোনও সমস্যা বা দুর্ঘটনার সম্মুখীন হলে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নিতে হবে। ভক্তদেরও সমস্ত সুরক্ষা বিধি মেনে চলার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। এই তীর্থযাত্রার আনুষ্ঠানিক তারিখ শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে। ভক্তদের সময়মতো রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ২০২৬ সালের অমরনাথ যাত্রায় অংশগ্রহণের জন্য পূর্ব-রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক। এই বছর আনুষ্ঠানিকভাবে রেজিস্ট্রেশন শুরু হচ্ছে এবং অনুমোদিত ব্যাঙ্ক ও শ্রী অমরনাথজি শ্রাইন বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইন ও অফলাইন উভয়ভাবেই তা করা যাচ্ছে। তবে, এবারও সীমিত সংখ্যক তীর্থযাত্রীকে—প্রতিদিন প্রায় ১৫,০০০ জনকে—অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হবে।

    কবে হবে রেজিস্ট্রেশন

    রেজিস্ট্রেশন ‘আগে এলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে করা হবে। নির্ধারিত ব্যাঙ্ক শাখাগুলির মাধ্যমে ১৫ এপ্রিল থেকে অমরনাথ যাত্রা ২০২৬-এর রেজিস্ট্রেশন শুরু হবে। পহেলগাঁও এবং বালতাল উভয় পথের জন্যই রেজিস্ট্রেশন খোলা থাকবে। ১৩ বছরের কম এবং ৭০ বছরের বেশি বয়সীদের এই তীর্থযাত্রায় অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হবে না। বোর্ড কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই বছর আধার-ভিত্তিক বায়োমেট্রিক ই-কেওয়াইসি যাচাইকরণের পর এনআইসি পোর্টাল-ভিত্তিক একটি সিস্টেমের মাধ্যমে ভ্রমণ অনুমতিপত্র ইস্যু করা হবে। যাচাইকরণে কোনও প্রযুক্তিগত ত্রুটি দেখা দিলে, ব্যাঙ্ক শাখা ম্যানুয়ালি ছবি ও তথ্য এন্ট্রির মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগ্রহী ব্যক্তিরা দেশজুড়ে ৫৫৪টি ব্যাঙ্ক শাখায় রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। এর জন্য আধার কার্ড ও স্বাস্থ্য শংসাপত্র প্রয়োজন হবে। এবার সরকার যাত্রীদের আরামদায়ক যাত্রা নিশ্চিত করতে আরও উন্নত সুবিধা প্রদান করবে। নিরাপত্তার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হবে।

  • West Bengal Elections 2026: এক বছরের মধ্যে ‘ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান’ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি, ডেবরায় বড় ঘোষণা অমিত শাহের

    West Bengal Elections 2026: এক বছরের মধ্যে ‘ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান’ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি, ডেবরায় বড় ঘোষণা অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতি যখন তুঙ্গে, তখন বঙ্গবাসীকে বড় আশার কথা শোনালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit shah)। রাজ্যের অন্যতম দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা মেটাতে এবং সীমান্ত নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে একগুচ্ছ সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন তিনি।

    ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন (West Bengal Elections 2026)

    ঘাটালবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের কথা উল্লেখ করে অমিত শাহ প্রতিশ্রুতি দেন যে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি (West Bengal Elections 2026) ক্ষমতায় এলে আগামী এক বছরের মধ্যেই ‘ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান’ কার্যকর করা হবে। বছরের পর বছর বন্যার কবলে পড়া এই অঞ্চলের মানুষের স্থায়ী সমাধানের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার বদ্ধপরিকর বলে তিনি জানান। অমিত শাহ বলেন, “নরেন্দ্র মোদিজি এই প্রকল্পের জন্য দেড় হাজার কোটি টাকা পাঠিয়েছিলেন। ৬০ শতাংশ অর্থ কেন্দ্রীয় সরকার দিতে চেয়েছিল। কিন্তু তৃণমূল সরকারই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানকে আক্ষরিক অর্থে জঞ্জালে পরিণত করেছে। আপনারা রাজ্যে বিজেপির সরকার আনুন, আমি কথা দিচ্ছি মাত্র এক বছরের মধ্যে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান তৈরি করে এই অঞ্চলের নিকাশি সমস্যার স্থায়ী সমাধান করে দেব।”

    অনুপ্রবেশ রুখতে কঠোর পদক্ষেপ

    আন্তর্জাতিক সীমান্তে নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না বলে কড়া বার্তা দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit shah)। তিনি আশ্বাস দেন, বিজেপি সরকার গঠন করলে সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ এবং চোরাচালান সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা হবে। বাংলার সীমান্তকে সুরক্ষিত করাই তাঁদের অন্যতম অগ্রাধিকার। অমিত শাহ বলেন, “বাংলার মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং গরিব মহিলাদের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। তাঁদের ক্ষমতায়নের বদলে কেবল রাজনীতির বোড়ে হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এই পরিস্থিতি বদলাতেই বিজেপির বড় প্রতিশ্রুতি — মাসের ১ থেকে ৫ তারিখের মধ্যেই সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে ৩,০০০ টাকা।” তৃণমূলের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পাল্টা হিসেবেই এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিজেপি।

    রাজ্য সরকারের সমালোচনা

    বর্তমান রাজ্য সরকারের (West Bengal Elections 2026) কঠোর সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন যে, কেন্দ্রের জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে অনীহা দেখানো হচ্ছে। তাঁর দাবি, ডবল ইঞ্জিন সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে রাজ্যের উন্নয়নের গতি কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে। ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের মতো সংবেদনশীল ইস্যুকে সামনে আনা এবং অনুপ্রবেশের প্রশ্নে কঠোর অবস্থান নেওয়া—এই দুই কৌশলী প্রচারের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দক্ষিণ ও উত্তরবঙ্গ উভয় প্রান্তের ভোটারদের বিশেষ বার্তা দিতে চেয়েছেন। অমিত শাহের এই উচ্চাভিলাষী প্রতিশ্রুতি ২০২৬-এর নির্বাচনী লড়াইয়ে বিজেপিকে অনেকটাই সুবিধা করে দেবে বলে বলছেন বিজেপি সমর্থকরা।

    দিদির সদিচ্ছার অভাব

    অমিত শাহ (Amit shah) সরাসরি আক্রমণ করে বলেন, “দিদি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) বছরের পর বছর ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে কেবল প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, কিন্তু তা বাস্তবায়নে কোনো আন্তরিকতা দেখাননি।” তাঁর দাবি, রাজ্য সরকারের অসহযোগিতা ও সঠিক পরিকল্পনার অভাবেই এই প্রকল্প থমকে রয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বলেন, “ঘাটালবাসীর বন্যার কষ্টকে তৃণমূল সরকার স্রেফ ভোটের রাজনীতিতে পরিণত করেছে। প্রতি বছর বর্ষায় সাধারণ মানুষ যখন ঘরবাড়ি হারান, তখন রাজ্য সরকার কেন্দ্রের ওপর দোষ চাপিয়ে নিজের দায় এড়াতে চায়।”

    বিজেপির সংকল্প

    অমিত শাহ (Amit shah) পুনরায় প্রতিশ্রুতি দেন যে, বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন করলেই অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান সম্পন্ন করা হবে। তাঁর কথায়, “আমরা যা বলি, তা করে দেখাই। মেদিনীপুরের মানুষকে আর বন্যার আতঙ্কে দিন কাটাতে হবে না।” প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য যুবকদের ১৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। যাঁরা দুর্নীতির জন্য চাকরি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, তাঁদের ৫ বছর পর্যন্ত বয়সে ছাড় দেওয়া হবে। বিজেপি-র ইস্তেহারে আরও বলা হয়েছে, যোগ্যদের মেধার ভিত্তিতে স্থায়ী চাকরি নিশ্চিত করা হবে। রাজ্যের সব চাকরিতে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করা হবে।

    তৃণমূলের পাল্টা অবস্থান

    অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বরাবরের মতোই দাবি করা হয়েছে যে, ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের জন্য প্রয়োজনীয় কেন্দ্রীয় বরাদ্দ আটকে রেখেছে দিল্লি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার জানিয়েছেন, কেন্দ্র টাকা না দিলে রাজ্য সরকার নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী এই কাজ শেষ করার চেষ্টা করবে। বিজেপি নেতার এই সফরকে ‘নির্বাচনী গিমিক’ বলেও কটাক্ষ করেছে শাসক শিবির।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, মেদিনীপুর ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। নির্বাচনের আগে অমিত শাহের এই সরাসরি আক্রমণ এবং প্রকল্পের দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এর ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটারদের মনে যে নতুন করে আশার সঞ্চার হবে, তা বলাই বাহুল্য।

  • Daily Horoscope 11 April 2026: অর্থপ্রাপ্তির সম্ভাবনা রয়েছে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 11 April 2026: অর্থপ্রাপ্তির সম্ভাবনা রয়েছে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ
    ১) কর্মক্ষেত্রে নতুন সুযোগ আসতে পারে।
    ২) আর্থিক বিষয়ে সতর্ক থাকুন।
    ৩) পরিবারের কারও পরামর্শ কাজে লাগবে।

    বৃষ
    ১) পারিবারিক পরিবেশ শান্ত থাকবে।
    ২) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।
    ৩) ছোটখাটো লাভের সম্ভাবনা আছে।

    মিথুন
    ১) কাজের চাপ বাড়তে পারে।
    ২) ভ্রমণের সুযোগ পেতে পারেন।
    ৩) নতুন যোগাযোগ গড়ে উঠবে।

    কর্কট
    ১) অর্থপ্রাপ্তির সম্ভাবনা রয়েছে।
    ২) সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভুল বোঝাবুঝি এড়িয়ে চলুন।
    ৩) মানসিক শান্তি বজায় রাখুন।

    সিংহ
    ১) সম্মান ও প্রতিপত্তি বাড়তে পারে।
    ২) নতুন কাজে সাফল্য মিলবে।
    ৩) গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।

    কন্যা
    ১) স্বাস্থ্য নিয়ে একটু চিন্তা থাকতে পারে।
    ২) পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করলে লাভ হবে।
    ৩) অপ্রয়োজনীয় চিন্তা এড়িয়ে চলুন।

    তুলা
    ১) দাম্পত্য জীবনে সুখ বজায় থাকবে।
    ২) ব্যবসায় উন্নতির যোগ আছে।
    ৩) অর্থ সঞ্চয়ের দিকে নজর দিন।

    বৃশ্চিক
    ১) হঠাৎ কোনও সুসংবাদ পেতে পারেন।
    ২) খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
    ৩) পুরনো কাজ শেষ করার সুযোগ পাবেন।

    ধনু
    ১) শিক্ষাক্ষেত্রে সাফল্য আসতে পারে।
    ২) নতুন কিছু শেখার সুযোগ পাবেন।
    ৩) আত্মবিশ্বাস বাড়বে।

    মকর
    ১) কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতির সম্ভাবনা।
    ২) পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান।
    ৩) নতুন দায়িত্ব পেতে পারেন।

    কুম্ভ
    ১) নতুন যোগাযোগ তৈরি হবে।
    ২) অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হবে।
    ৩) ভ্রমণের যোগ রয়েছে।

    মীন
    ১) মানসিক শান্তি বজায় থাকবে।
    ২) সৃজনশীল কাজে আগ্রহ বাড়বে।
    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Yashwant Verma: দিল্লির বাড়িতে মিলেছিল টাকার পাহাড়, অবশেষে ইস্তফা বিচারপতি ভর্মার

    Yashwant Verma: দিল্লির বাড়িতে মিলেছিল টাকার পাহাড়, অবশেষে ইস্তফা বিচারপতি ভর্মার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদীয় ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া চূড়ান্ত রূপ নেওয়ার আগেই পদত্যাগ করলেন এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি যশবন্ত ভার্মা (Justice Yashwant Varma)। বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল সরাসরি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে নিজের পদত্যাগপত্র (Justice Yashwant Varma Resignation) পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি। দিল্লিতে বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধারের ঘটনাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের জেরে অবশেষে ইস্তফা দিলেন দিল্লি হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি যশবন্ত ভর্মা। জানা গিয়েছে, তিনি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু-র কাছে নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন। ইতিমধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনা হয়েছিল, তবে স্বেচ্ছায় ইস্তফা দেওয়ায় সেই প্রক্রিয়ার আর প্রয়োজন রইল না।

    কেন বিতর্ক?

    ২০২৫ সালের ১৪ মার্চ দিল্লির লুটিয়েন্স এলাকায় বিচারপতি ভর্মার সরকারি বাসভবনে আগুন লাগে। আগুন নেভাতে গিয়ে দমকল কর্মীরা সার্ভেন্ট কোয়ার্টারের পাশে একটি স্টোররুম থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার করেন। টাকার বেশিরভাগই আগুনে পুড়ে যাওয়ায় সঠিক অঙ্ক জানা যায়নি, তবে টাকার স্তূপ প্রায় দেড় ফুট উঁচু ছিল বলে জানা যায়। ঘটনার সময় বিচারপতি ভর্মা ও তাঁর স্ত্রী ভোপালে ছিলেন। তিনি দাবি করেন, উদ্ধার হওয়া টাকা তাঁর নয় এবং তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকায় তাঁকে দায়ী করা যায় না।

    তদন্ত ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ

    ঘটনার এক সপ্তাহের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। ওই কমিটি তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না-র কাছে রিপোর্ট জমা দেয়। সেই রিপোর্টে উদ্ধার হওয়া টাকার ছবি ও ভিডিওও সংযুক্ত ছিল। এরপর তাঁকে দিল্লি হাইকোর্ট থেকে সরিয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টে বদলি করা হয়। পাশাপাশি তাঁকে কোনও বিচারিক কাজও দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেন। যদিও বিচারপতি ভর্মা সেই কমিটির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। হাজারো বিতর্কের মাঝে অবশেষে তিনি নিজে থেকেই বিচারপতি পদ থেকে ইস্তফা দিলেন।

    কী লেখা আছে পদত্যাগের চিঠিতে?

    রাষ্ট্রপতিকে লেখা সংক্ষিপ্ত অথচ গম্ভীর চিঠিতে বিচারপতি ভার্মা তাঁর এই সিদ্ধান্তের কোনও সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করেননি। তিনি লিখেছেন, “কেন আমি এই পদত্যাগপত্র দিতে বাধ্য হলাম, সেই কারণগুলো জানিয়ে আপনার দফতরকে ভারাক্রান্ত করতে চাই না। তবে অত্যন্ত ব্যথিত হৃদয়ে আমি এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতির পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছি। এটি অবিলম্বে কার্যকর করা হোক।”

     

     

     

     

     

  • West Bengal Elections 2026: বিচারের আর্তনাদ নিয়ে বিজেপির প্রচারে মুর্শিদাবাদে নিহত হরগোবিন্দ দাস-চন্দন দাসের পরিবার

    West Bengal Elections 2026: বিচারের আর্তনাদ নিয়ে বিজেপির প্রচারে মুর্শিদাবাদে নিহত হরগোবিন্দ দাস-চন্দন দাসের পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পশ্চিমবঙ্গ। এই আবহে মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) সংঘটিত পূর্বতন হিংসার স্মৃতি উসকে দিয়ে নির্বাচনী প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ করল ভারতীয় জনতা পার্টি। গত বছর ওয়াকফ বিল নিয়ে সৃষ্টি হিংসায় প্রাণ হারানো হরগোবিন্দ দাস এবং চন্দন দাসের পরিবারের সদস্যরা এবার বিজেপির হয়ে ময়দানে নেমেছেন।

    স্বজনহারাদের লড়াই (West Bengal Elections 2026)!

    শামসেরগঞ্জের (West Bengal Elections 2026) ধুলিয়ানে গত বছর ওয়াকফ কেন্দ্রিক গোলমালে নৃশংসভাবে খুন হন বাবা হরগোবিন্দ ও ছেলে চন্দন দাস। এই নির্বাচনে তাঁদের বিধবা স্ত্রীরা বিজেপির নির্বাচনী কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের উপস্থিতি প্রচারের ময়দানে (Murshidabad) এক আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করেছে।

    পদ্ম শিবির এই হত্যার ঘটনাকে ‘আইনশৃঙ্খলার অবনতি’ এবং ‘তোষণ নীতির ফল’ হিসেবে বর্ণনা করছে। নিহতদের পরিবারের মাধ্যমে তারা ভোটারদের কাছে হিন্দু সামাজের নিরাপত্তার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

    আবেগ ও ন্যায়বিচার

    নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) জনসভাগুলোতে নিহতদের পরিবারের সদস্যরা বিচারের দাবি জানাচ্ছেন। তাঁদের কান্নায় ভেজা আবেদনকে সামনে রেখে বিজেপি সাধারণ মানুষের সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করছে।

    রাজনৈতিক মহলের মতে, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) মতো সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলায় ওয়াকফ বিতর্ক এবং সেই সংক্রান্ত হিংসার শিকার পরিবারগুলোকে প্রচারে নামানো বিজেপির একটি অত্যন্ত সুচিন্তিত রাজনৈতিক কৌশল। এর মাধ্যমে তারা মূলত হিন্দু সুরক্ষা এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার ইস্যুটিকে জনমানসে বড় করে তুলে ধরতে চাইছে।

    ভোটদাতাদের মনে প্রভাব ফেলবে

    তৃণমূল কংগ্রেস অবশ্য এই প্রচারকে ‘লাশের রাজনীতি’ বলে পাল্টা আক্রমণ করেছে। শাসক দলের মতে, বিজেপি একটি দুঃখজনক ব্যক্তিগত ঘটনাকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছে। অন্যদিকে, জেলাজুড়ে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে প্রচার চালালেও, হরগোবিন্দ ও চন্দন দাসের পরিবারের এই সক্রিয় উপস্থিতি ভোটদাতাদের মনে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে চলছে জোর চর্চা।

  • BJP Sankalp Patra: অনুপ্রবেশে ‘জিরো টলারেন্স’, ৪৫ দিনে সপ্তম বেতন কমিশন! বিজেপির নির্বাচনী “সংকল্প পত্র”-এ আর কী কী?

    BJP Sankalp Patra: অনুপ্রবেশে ‘জিরো টলারেন্স’, ৪৫ দিনে সপ্তম বেতন কমিশন! বিজেপির নির্বাচনী “সংকল্প পত্র”-এ আর কী কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন থেকে শুরু করে কৃষকদের সহায়তা বৃদ্ধি, সমস্ত কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বাস্তবায়ন থেকে রাজ্যে নতুন উপনগরী তৈরির বার্তা উঠে এল বিজেপির সংকল্প পত্রে। বাদ যায়নি সিঙ্গুরের পড়ে থাকা জমি থেকে তাজপুরের সমুদ্র বন্দর প্রসঙ্গ। গুরুত্ব পেয়েছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বাস্তবায়নের কথাও। শুধু উন্নয়নের বার্তাই নয়, তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে হওয়া দুর্নীতির বিচার ও অভিযুক্তদের শাস্তি দেওয়ারও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে বিজেপির সংকল্প পত্রে। শুক্রবার নিউ টাউনের একটি হোটেলে সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপির এই নির্বাচনী ইস্তেহার ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    অনুপ্রবেশে ‘জিরো টলারেন্স’

    বাংলার জন্য সংকল্প পত্রে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া মনোভাব ফের একবার স্পষ্ট করল বিজেপি ৷ সংকল্প পত্রে বলা হয়েছ, ‘‘অনুপ্রবেশে ‘জিরো টলারেন্স’। আমরা ডিটেক্ট, ডিলিট এবং ডিপোর্ট নীতির মাধ্যমে বেছে বেছে অনুপ্রবেশকারীদের রাজ্য থেকে বার করব। দেশকে সুরক্ষিত করব।’’ বিজেপির দাবি, ‘‘বাংলায় সকল নাগরিকের জন্য এক আইন নিশ্চিত করা হবে। অনুপ্রবেশকারীদের জন্য সীমানা সুরক্ষিত করার পাশাপাশি গরু পাচার একেবারে বন্ধ করে দেওয়া হবে।’’

    সংকল্প পত্রে কী কী বলা হল

    ডিএ সুনিশ্চিত: সকল সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের ডিএ সুনিশ্চিত করা হবে। ৪৫ দিনের মধ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু করা হবে।

    বেকারত্ব ঘুচবে: নতুন রোজগারের পথ খুলবে বিজেপি। তাতে বেকারত্ব ঘুচবে। বেকারদের মাসে তিন হাজার টাকা করে অর্থসাহায্য করা হবে।

    রাজনৈতিক হিংসার তদন্ত: সকল রাজনৈতিক হিংসার তদন্তের জন্য সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের দিয়ে কমিটি গড়ে দ্রুত তদন্তের ব্যবস্থা করা হবে।

    বিশেষ স্কোয়াড: মহিলাদের সুরক্ষায় বিশেষ স্কোয়াড গঠন করা হবে। আলু চাষিদের জন্যেও বিশেষ ব্যবস্থা করার আশ্বাস রয়েছে বিজেপির ইস্তাহারে।

    নতুন প্রতিষ্ঠান: উত্তরবঙ্গে এমস, আইআইটি, আইআইএম এবং ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ের প্রতিষ্ঠান গঠন করা হবে আলাদা আলাদা জেলায়। রাজ্যে বন্দেমাতরম মিউজিয়াম গঠন করার কথাও জানালেন অমিত শাহ।

    মাফিয়ারাজের মোকাবিলা: যে সব জমির কাজ আটকে আছে, ৪৫ দিনের মধ্যেই ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক তা ছেড়ে দেবে। মাফিয়ারাজের মোকাবিলার রোড ম্যাপ সরকারে এলে প্রথম ছ’দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হবে।

    মেধার ভিত্তিতে স্থায়ী চাকরি: সুনির্দিষ্ট ও দুর্নীতিমুক্ত প্রক্রিয়ায় যোগ্যদের মেধার ভিত্তিতে স্থায়ী চাকরি নিশ্চিত করা হবে। এ ছাড়া, যাঁরা দুর্নীতির জন্য চাকরি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, তাঁদের পাঁচ বছর পর্যন্ত বয়সে ছাড় দেওয়া হবে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য যুবদের ১৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।

    মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ : রাজ্যের সব চাকরিতে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করা হবে। সব মণ্ডলে মহিলা থানা থাকবে। প্রতি পুলিশ জেলায় মহিলা ডেস্ক থাকবে। দিনরাত সেখানে কাজ হবে। আমাদের মুখ্যমন্ত্রীকে কখনও এমন কথা বলতে হবে না যে, মহিলারা কেন রাতে বাইরে বেরিয়েছেন। মহিলাদের জন্য ১০০ শতাংশ বিনা শুল্ক পরিবহণ নিশ্চিত করবে বিজেপি সরকার। সন্দেশখালির মতো ঘটনা আটকাতে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণে তদন্ত হবে।

    প্রধান রফতানি ক্ষেত্র : তাজপুর, কুলপিতে বিশেষ ডিপ সি পোর্ট তৈরির পরিকল্পনা। চা এবং পাট শিল্পেও জোর দেওয়া হবে। পশ্চিমবঙ্গকে ব্লু ইকনমির প্রধান রফতানি ক্ষেত্র বানানো হবে।

    চারটি নতুন উপনগরী: রাজ‍্যে চারটি নতুন উপনগরী তৈরি করা হবে। জায়গা বেছে করা হবে। আগামীর সম্ভাবনাকে আরও বিকশিত করাই লক্ষ্য। হলদিয়া বন্দরের বিকাশের জন্য আলাদা পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাকে একসঙ্গে রেখে পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন করা হবে। দার্জিলিংকে হেরিটেজ পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হবে। পর্যটন শিল্পে জোর দেওয়া হবে। কলকাতাকে সারা বিশ্বের সামনে ‘লিভিং সিটি’ হিসাবে প্রকাশ করা হবে।

    ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় গঠন: উত্তরবঙ্গে একটি ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় গঠন করা হবে। কৃষকদের ধানের মূল্য নির্দিষ্ট করা হবে। আয়ুষ্মান ভারতের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর যোজনাও যোগ করা হবে। প্রত্যেক গরিব মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে। উত্তরবঙ্গে নতুন ক্যানসার হাসপাতাল তৈরি হবে যেখানে সব সুবিধা থাকবে।

    প্রধানমন্ত্রী কিসান প্রকল্প: প্রধানমন্ত্রী কিসান প্রকল্পের টাকা বাড়ানো হবে। কেন্দ্রের ৬০০০ টাকার সঙ্গে রাজ্য সরকারের ৩০০০ টাকা যোগ করে মোট ৯০০০ টাকা করে দেওয়া হবে। চৈতন্য মহাপ্রভু আধ্যাত্মিক সার্কিটের উন্নয়ন হবে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র তৈরি করা হবে। থিয়েটারের জন‍্য আধুনিক ইনস্টিটিউট তৈরি করা হবে। থিয়েটারের বার্ষিক অনুদান বাড়িয়ে এক লক্ষ করা হবে।

  • Fast Breeder Reactor: ব্যর্থ হয় আমেরিকা, ডাহা ফেল ফ্রান্স-জাপানও! পরমাণু প্রযুক্তিতে ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন ভারতের

    Fast Breeder Reactor: ব্যর্থ হয় আমেরিকা, ডাহা ফেল ফ্রান্স-জাপানও! পরমাণু প্রযুক্তিতে ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বে পরমাণু শক্তি প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বড়সড় সাফল্য অর্জন করল ভারত। তামিলনাড়ুর কালপাক্কমে (KNPP) ৫০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রোটোটাইপ ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর (PFBR) প্রথম বারের মতো ‘ক্রিটিক্যালিটি’ অর্জন করেছে। যার অর্থ রিঅ্যাক্টরে স্বনির্ভর পারমাণবিক চেন বিক্রিয়া সফলভাবে শুরু হয়েছে।

    এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ…

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি শুধুমাত্র একটি প্রযুক্তিগত সাফল্য নয়, বরং ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বনির্ভরতার পথে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। এই অর্জনের ফলে ভারত এমন একটি সক্ষমতা অর্জন করল, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স এবং জাপানের মতো উন্নত দেশগুলো দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখতে পারেনি। বর্তমানে বাণিজ্যিক স্তরে শুধুমাত্র রাশিয়াই এই প্রযুক্তি সফলভাবে ব্যবহার করছে। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (PIB) জানিয়েছে, “সম্পূর্ণরূপে চালু হলে ভারত রাশিয়ার পর বিশ্বের দ্বিতীয় দেশ হবে, যারা বাণিজ্যিকভাবে ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর পরিচালনা করবে।”

    কী এই ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর?

    সাধারণ পারমাণবিক রিঅ্যাক্টর যেখানে ইউরেনিয়াম জ্বালানি ব্যবহার করে শক্তি উৎপাদন করে, সেখানে ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর (Fast Breeder Reactor) ব্যবহার করা জ্বালানির থেকেও বেশি পরিমাণে নতুন জ্বালানি উৎপাদন করতে সক্ষম। এই ‘ফিসাইল’ জ্বালানি ভবিষ্যতের বিদ্যুৎ উৎপাদনে কাজে লাগে। এই রিঅ্যাক্টরে মিশ্র অক্সাইড (MOX) জ্বালানি ব্যবহার করা হয় এবং তরল সোডিয়াম কুল্যান্ট হিসেবে কাজ করে। এখন এটি নিম্ন-ক্ষমতার বিভিন্ন পরীক্ষা পর্যায় অতিক্রম করবে, এরপর পূর্ণ বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবে।

    ভারতের জন্য কেন তা তাৎপর্যপূর্ণ?

    ভারতের জন্য এই প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দেশে ইউরেনিয়ামের মজুত সীমিত হলেও থোরিয়ামের ভাণ্ডার বিপুল। ওড়িশা, কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাড়ুর উপকূলে এই থোরিয়াম মজুত রয়েছে। কালপাক্কমের এই রিঅ্যাক্টরটি সীমিত ইউরেনিয়াম ও বিপুল থোরিয়ামের বাস্তবতাকে একত্রে কাজে লাগায়। প্রথম পর্যায়ে ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে শুরু হলেও, পরবর্তী পর্যায়ে থোরিয়াম-ভিত্তিক জ্বালানিতে এটি চালানো সম্ভব হবে। এর ফলে ইউরেনিয়াম আমদানির ওপর ভারতের নির্ভরতা কমবে। এই রিঅ্যাক্টর শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনই করবে না, বরং যতটা জ্বালানি ব্যবহার করবে তার থেকেও বেশি জ্বালানি তৈরি করতে পারবে। ফলে ভবিষ্যতে থোরিয়াম ব্যবহার করে শতাব্দীর পর শতাব্দী বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথ খুলে যাবে। এটি যেমন বৈজ্ঞানিক সাফল্য, তেমনই একটি কৌশলগত জয়।

    তিন-পর্যায়ের পরমাণু কর্মসূচিতে বড় অগ্রগতি

    এই সাফল্যের মাধ্যমে ভারত তার তিন-পর্যায়ের পরমাণু কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবেশ করল। এই কর্মসূচির ধারণা প্রথম দেন ভারতের পরমাণু কর্মসূচির জনক ডক্টর হোমি জেহাঙ্গির ভাবা।

    • ● প্রথম পর্যায়: প্রাকৃতিক ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও প্লুটোনিয়াম তৈরি
    • ● দ্বিতীয় পর্যায়: ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টরে সেই প্লুটোনিয়াম ব্যবহার করে আরও জ্বালানি উৎপাদন
    • ● তৃতীয় পর্যায়: থোরিয়াম ব্যবহার করে ইউরেনিয়াম-২৩৩ তৈরি এবং দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ উৎপাদন

    কেন ব্যর্থ হয় আমেরিকা ও ফ্রান্স?

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৬০-এর দশকে ‘ফার্মি-১’ রিঅ্যাক্টর তৈরি করলেও প্রযুক্তিগত ত্রুটি ও দুর্ঘটনার কারণে প্রকল্পটি ব্যর্থ হয়। পরে ‘ক্লিঞ্চ রিভার’ প্রকল্পও ব্যয়বৃদ্ধি ও নিরাপত্তা সমস্যার জন্য বাতিল করা হয়। ফ্রান্সের ‘সুপারফেনিক্স’ রিঅ্যাক্টরও সোডিয়াম লিক, আগুন ও রাজনৈতিক বিরোধিতার কারণে দীর্ঘদিন টেকেনি এবং ১৯৯৮ সালে বন্ধ হয়ে যায়। জাপানের ‘মনজু’ রিঅ্যাক্টরও একাধিক দুর্ঘটনার জেরে শেষ পর্যন্ত ২০১৬ সালে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় ভূমিকা

    বর্তমানে ভারত প্রায় ৮ গিগাওয়াট পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। সরকারের লক্ষ্য ২০৪৭ সালের মধ্যে তা বাড়িয়ে ১০০ গিগাওয়াটে পৌঁছানো। ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর এই লক্ষ্য পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, কারণ এটি আমদানিকৃত ইউরেনিয়াম ও জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাবে। এটি স্থিতিশীল ও পরিষ্কার বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করবে এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা থেকেও ভারতকে সুরক্ষা দেবে। কালপাক্কমের এই রিঅ্যাক্টর প্রায় ৩০ লক্ষ পরিবারের জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হবে এবং ভবিষ্যতের জন্য অতিরিক্ত জ্বালানি তৈরি করবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কালপাক্কমের ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর ভারতের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি স্বনির্ভরতা এবং কৌশলগত স্বাধীনতার ভিত্তি মজবুত করবে। দশকের পর দশক গবেষণা, বিনিয়োগ এবং ধৈর্যের ফল এই সাফল্য এসেছে। এই ঐতিহাসিক সাফল্য নিঃসন্দেহে ভারতের জন্য গর্বের মুহূর্ত।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই সাফল্যকে ভারতের অসামরিক পরমাণু কর্মসূচির “একটি নির্ধারক পদক্ষেপ” বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, এই প্রযুক্তি ভারতের বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার প্রতিফলন এবং থোরিয়াম ব্যবহারের পথে নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA) ভারত, প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং ভারতীয় বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের এই সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছে। তারা বলেছে, “এই রিঅ্যাক্টর কম জ্বালানি ব্যবহার করে এবং একটি ক্লোজড ফুয়েল সাইকেলের পথে দিশা দেখাবে।”

LinkedIn
Share