Tag: Madhyom

Madhyom

  • India Nepal Relation: নয়া প্রধানমন্ত্রী ওলি, কোন খাতে বইবে ভারত-নেপাল সম্পর্কের জল?

    India Nepal Relation: নয়া প্রধানমন্ত্রী ওলি, কোন খাতে বইবে ভারত-নেপাল সম্পর্কের জল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের নেপালের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন কেপি শর্মা ওলি (KP Sharma  Oli)। ১৫ জুলাই, সোমবার সে দেশের রাষ্ট্রপতি ভবন ‘শীতল নিবাসে’ গিয়ে শপথবাক্য পাঠ করেন ওলি। নয়া (India Nepal Relation) প্রধানমন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পৌডেল। এ নিয়ে চতুর্থবার নেপালের প্রধানমন্ত্রী পদে বসলেন বছর বাহাত্তরের ওলি। তাঁর নয়া মন্ত্রিসভায় ঠাঁই হয়েছে বাইশজনের।

    প্রচণ্ডের পরাজয় (India Nepal Relation)

    শুক্রবারই আস্থা ভোটে পরাজিত হয়েছিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কুমার দহল ওরফে প্রচণ্ড। নেপালের সংসদে তাঁর পক্ষে পড়ে মাত্র ৬৩ জন সাংসদের ভোট। যদিও সরকার বাঁচানোর জন্য প্রয়োজন ছিল ১৩৮ জনের সমর্থন। নেপালি সংসদের আসন সংখ্যা ২৭৫। আস্থা ভোটে হেরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন প্রচণ্ড। এক সময় ভারত-বিরোধী কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন ওলি। তারপর থেকেই ভাঁটা পড়ে ভারত-নেপাল সম্পর্কে। চিনের কমিউনিস্ট সরকারের সঙ্গে হাত মেলান কমিউনিস্ট ওলি। তার জেরেই ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভে’র অধীনে বিভিন্ন প্রকল্পে বেজিংয়ের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে নেপাল।

    ভারত-নেপাল সম্পর্ক কোন পথে

    ২০১৫ সালের ভারত-বিরোধী (India Nepal Relation) অবস্থান নিয়েছিলেন ওলি। গত ন’বছরে পৃথিবীর ওপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে সময়ের স্রোত। নয়া ওলি সরকার চাইছে, ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে। ওলির দলের তরফে বলা হয়েছে, নেপাল এবার তার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব গড়ে তুলবে। সে দেশের মাটিতে আর ভারত-বিরোধী কোনও শক্তিকে মাথা তুলতে দেবে না। ওলির দলের এক প্রবীণ নেতা বলেন, “ওলি জানিয়েছেন তাঁর এই দফার মেয়াদে ভারত-নেপাল সম্পর্ককে এক নয়া উচ্চতায় নিয়ে যেতে চান তিনি।”

    আরও পড়ুন: নিষিদ্ধ করা হবে ইমরানের দলকে, ঘোষণা পাক সরকারের, অথঃ কিম?

    এদিকে প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর ওলিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি যে তাঁর সঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে রয়েছেন, তাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ভারত-নেপালের মধ্যে যে দীর্ঘ দিন ধরে সুসম্পর্ক বজায় রয়েছে, সেই সম্পর্ক যাতে বজায় থাকে, সে ব্যাপারেও তাঁর আগ্রহের কথা ওলিকে (KP Sharma  Oli) জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী (India Nepal Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Hooghly: ক্ষমতা দখলে তৃণমূলে কোন্দল চরমে, মাথা ফাটল পঞ্চায়েত সমিতির মহিলা সভাপতির!

    Hooghly: ক্ষমতা দখলে তৃণমূলে কোন্দল চরমে, মাথা ফাটল পঞ্চায়েত সমিতির মহিলা সভাপতির!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত সমিতির দখলকে ঘিরে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ধুন্ধুমার খানাকুল (Hooghly) ১ পঞ্চায়েত সমিতিতে। দলের এক গোষ্ঠীর মারে পঞ্চায়েত সমিতির মহিলা সভাপতির মাথা ফেটেছে। একই সঙ্গে বেশ কিছু কর্মী মারের আঘাতে আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাতে লাঠি নিয়ে ময়দানে নামে পুলিশ। ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে কোন্দল চরম আকার নিয়েছে।

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Hooghly)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, খানাকুল (Hooghly) ১ পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ডগঠন তৃণমূল (TMC) করার পর থেকেই পঞ্চায়েত সমিতির পুর্ত কর্মাধ্যক্ষ নইমুল হক ওরফে রাঙার গোষ্ঠীর সঙ্গে খানাকুল ১ ব্লক তৃণমূল সভাপতি দিপেন মাইতি গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। দিপেনের অনুগামীরা কর্মাধ্যক্ষ এবং পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করে, পঞ্চায়েত সামিতির সভাপতি শম্পা মাইতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা করেন। এরপর পঞ্চায়েত সমিতির স্থায়ী কমিটি ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়। অপর দিকে পঞ্চায়েত সমিতিতে নিজের একাধিপত্য ধরে রাখতে অতি সক্রিয় হয়ে পড়েন নইমুল হক ওরফে রাঙা। এরপর এই পরিস্থিতিতে রক্ষা পেতে একটি বৈঠক ডাকা হয়। বৈঠকে তীব্র উত্তেজনা শুরু হয়। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শম্পা মাইতির মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। অপর দিকে মিটিংয়ের বাইরে দুই পক্ষের শতাধিক লোক জমায়েত হন। শুরু হয় মারামারি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশাল পুলিশ বাহিনী এবং র‍্যাফ নামানো হয়। সমিতির অফিসে চলে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক ভাঙচুর।

    আরও পড়ুনঃ দুষ্কৃতী ধরতে গিয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি! আটক দুই মহিলা, শোরগোল কুলতলিতে

    রাঙা তোলা তুলত এখানে!

    তৃণমূলের (TMC) নইমুল হক গোষ্ঠীর দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হয়ে তাপস ঘোষ বলেছেন, “আমাকে মেরে পোশাক ছিঁড়ে দিয়েছে। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শম্পা ম্যাডামের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। পনেরো বছর ধরে এই রাঙা এখানে তোলা তুলে খাচ্ছে। আজকের এই হামলার নায়ক এই নেতা।” অপর দিকে হুগলি (Hooghly) গ্রামীণ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কৃশানু রায়, আরামবাগ এসডিপিও সুপ্রভাত চক্রবর্তী, আইসি রাকেশ সিং এবং বিশাল পুলিশ বাহিনী নামানো হয়েছে। তবে দুই গোষ্ঠীকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan-3: চন্দ্রযান ৩ বর্ষ পূর্তি! নতুন এক ইতিহাস রচনা ভারতের

    Chandrayaan-3: চন্দ্রযান ৩ বর্ষ পূর্তি! নতুন এক ইতিহাস রচনা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেখতে দেখতে অতিক্রান্ত এক বছর। ২০২৩ সালের ১৪ জুলাই ভারতের মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে এক সোনালি অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল। এই দিনে চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি জমিয়েছিল চন্দ্রযান ৩ (Chandrayaan-3)। সফল এই চন্দ্রাভিযান ভারতকে এক লহমায় মহাকাশ গবেষণা ক্ষেত্রে এলিট ক্লাসে উঠিয়ে দিয়েছিল। এই অভিযান দেশের মুকুটে যোগ করেছে নতুন পালক। 

    পুরানো সেই দিনের কথা 

    কোটি কোটি ভারতবাসী আশা-স্বপ্নের এক উড়ান হয়ে চাঁদকে ছুঁয়ে দেখার নেশায় ঠিক এক বছর আগে চাঁদের উদ্দেশে ছুটে গিয়েছিল চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3)। এরপর এক মাসের বেশি সময় পর পূরণ হয়েছিল আপামর ভারতবাসীর স্বপ্ন। ২৩ অগাস্ট সফল ভাবে চাঁদকে ছুঁয়ে দেখেছিল ভারতের চন্দ্রযান। বিশ্বের মধ্য়ে চতুর্থ দেশ হিসেবে চাঁদ জয়ের খেতাব অর্জনের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বের মধ্যে প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরু জয়ের পালক জুড়েছিল ভারতের মুকুটে। চন্দ্রযানের সাফল্যের পর বিশ্বের দরবারে ভারতের মহাকাশ গবেষণার কদর বহুগুণ বেড়েছে।

    সফল অভিযান কী দিল (Chandrayaan-3)

    চন্দ্রযান-২-এর ব্যর্থতার পর বেশ কয়েক বছর ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করে বিজ্ঞানীরা তৈরি করেছিলেন চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3)। ‘চাঁদের বাড়ি’ সব গল্প জানার জন্য তৈরি হয়েছিল ভারত।  চাঁদের বুকে একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে নানা অজানা তথ্যের সন্ধান দিয়েছে চন্দ্রযান-৩। চন্দ্রযান-৩ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে আরও সমৃদ্ধ হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ল্যান্ডার ‘বিক্রম’ চাঁদের মাটি ছোঁয়ার পর কাজে নামে রোভার ‘প্রজ্ঞান’। চাঁদের মাটিতে শুরু হয় তার পথ চলা। পরবর্তী দুই সপ্তাহে চাঁদের মাটিতে ১০০ মিটার পথ অতিক্রম করে সেটি। চাঁদের মাটিতে একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোর পাশাপাশি, পৃথিবীতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠাতে শুরু করে। রোভার ‘প্রজ্ঞানে’র পাঠানো একাধিক তথ্য মহাকাশ গবেষণার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চাঁদের মাটির মূল উপাদানগুলিকে শনাক্ত করতে সফল হয় সে। চাঁদের মাটিতে সালফারের খোঁজ পায়। 

    আরও পড়ুন: নাসায় আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল এয়ার অ্যান্ড স্পেস প্রোগ্রামে ডাক পেলেন কাকদ্বীপের ঋত্বিকা

    জলের অণুর সন্ধান

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে আবিষ্কারটি করে রোভার ‘প্রজ্ঞান’, তা হল, চাঁদের মাটিতে জলের অণুর উপস্থিতি। ভবিষ্যতের চন্দ্রাভিযান তো বটেই, আগামী দিনে চাঁদে উপনিবেশ গড়ার যে স্বপ্ন দেখছেন বিজ্ঞানীরা, এই আবিষ্কার সেই কাজের সহায়ক হবে আগামী দিনে। চাঁদের ভৌগলিক ইতিহাস সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পৃথিবীতে পাঠিয়েছে চন্দ্রযান-৩। বিশেষ করে চাঁদের দক্ষিণ মেরুরু ভৌগলিক পরিবেশ সম্পর্কে অনেক কিছু জানা গিয়েছে। চাঁদের মাটিতে শিলার গঠন সম্পর্কেও তথ্য পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: রাজ্যের অভিযোগ অস্বীকার, রাজভবনে একটিও বিল আটকে নেই, বললেন রাজ্যপাল

    CV Ananda Bose: রাজ্যের অভিযোগ অস্বীকার, রাজভবনে একটিও বিল আটকে নেই, বললেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের পাঠানো বিল আটকে রাখার অভিযোগ অস্বীকার করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। রাজ্যের একাধিক বিল আটকে রেখেছেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। সম্প্রতি  এই ইস্যুতে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য। সোমবার রাজ্যের অভিযোগের পালটা মুখ খুললেন রাজ্যপাল। বললেন, ”রাজভবনে একটিও বিল নেই, এই অভিযোগ ভুল।” 

    সরকারের অভিযোগ

    রাজ্য সরকারের অভিযোগ ছিল, বিধানসভায় পাশ করা আটটি বিল দীর্ঘদিন ধরে আটকে রেখেছেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। সম্প্রতি এই অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেছিল রাজ্য সরকার। রাজ্যের তরফে আদালতে রাজভবনে (Raj Bhavan) বিল আটকে রাখা নিয়ে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে। আইনজীবী আস্থা শর্মা এই পিটিশন দায়ের করেছেন। তিনি অভিযোগ তুলেছেন, রাজ্যপাল ওই বিলগুলি আটকে রেখে সংবিধানের ২০০ নম্বর বিধি ভঙ্গ করছেন। এটা সংবিধান বিরোধী। 

    রাজ্যপালের মন্তব্য (CV Ananda Bose)

    রাজ্যের এই অভিযোগের পরেই এ প্রসঙ্গে রাজ্যপাল বলেন, ”রাজ্য সরকারের পাঠানো ৮টি মধ্যে ৬ টি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে বিবেচনার জন্য পাঠানো হয়েছে। তাঁর কাছে সেই বিলগুলি এখনও রয়েছে। একটি এখনও বিবেচনা করা হচ্ছে, আর অষ্টম বিলটিতে বেশ কিছু অস্পষ্টতা রয়েছে। তার জন্য রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিকে তিনি ডেকে পাঠিয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও রাজ্যের তরফে কোনও প্রতিনিধি রাজ্যপালের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। আমার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ ভুল। কারণ রাজভবনে (Raj Bhavan) একটিও বিল আটকে নেই।”

    আরও পড়ুন: গ্যাসের কালোবাজারি রুখতে এবার আধারে বায়োমেট্রিক যোগ!

    প্রসঙ্গত, যে ৮টি বিল রাজ্যপালের কাছে পড়ে রয়েছে সেগুলি হল- পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য বিজ্ঞান সংক্রান্ত বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত আইন (সংশোধনী) বিল, পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় আইন (সংশোধনী) বিল, পশ্চিমবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত আইন (দ্বিতীয় সংশোধনী) বিল, পশ্চিমবঙ্গ পশু এবং মৎসবিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত আইন (সংশোধনী) বিল, পশ্চিমবঙ্গ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত আইন (সংশোধনী) বিল। এছাড়াও, পশ্চিমবঙ্গ আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত আইন(সংশোধনী) বিল, পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত আইন(সংশোধনী) বিল এবং পশ্চিমবঙ্গ নগর পরিকল্পনা এবং নগরোন্নয়ন বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত আইন (সংশোধনী) বিল। এই সমস্ত বিলের মধ্যে জগদীপ ধনখড় রাজ্যপাল থাকাকালীন ৬টি পাশ হয়েছিল রাজ্য বিধানসভায়। আর বাকি দুটি বিল সিভি আনন্দের (CV Ananda Bose) সময়ে পাশ হয়েছে। তবে উল্লেখ্য, রাজ্যের দায়ের করা পিটিশন নিয়ে এতদিন চুপ ছিলেন রাজ্যপাল। কিন্তু এদিন তিনি সমস্ত অভিযোগের জবাব দেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • WhatsApp: আসছে হোয়াটসঅ্যাপের ট্রান্সলেশন ফিচার, পছন্দের ভাষায় চ্যাট করা যাবে এবার

    WhatsApp: আসছে হোয়াটসঅ্যাপের ট্রান্সলেশন ফিচার, পছন্দের ভাষায় চ্যাট করা যাবে এবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিনিয়ত হোয়াটসঅ্যাপ মজাদার এবং আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। প্রসঙ্গত, মেসেজিং অ্যাপের দুনিয়ায় সবথেকে বেশি ব্যবহৃত প্ল্যাটফর্ম হল হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp)। প্রতিদিনই কিছু না কিছু নতুন ফিচার (New Chat Translation Feature) যোগ হচ্ছে অ্যাপে। এবার সেরকমই একটি দারুণ অপশন যুক্ত হতে চলেছে চ্যাট অপশনে। এর ব্যবহারে আপনি যে কোনও ভাষায় চ্যাট অনুবাদ করে পাঠাতে পারবেন। হিন্দি, স্প্যানিশ, রাশিয়ান ইত্যাদি যেকোনও ভাষার চ্যাট সহজেই অনুবাদ করা যাবে। ইউজারদের জন্য চ্যাট ট্রান্সলেশন ফিচার আনছে হোয়াটসঅ্যাপ।

    কীভাবে কাজ করবে এই ফিচার (WhatsApp)? 

    জানা গিয়েছে, চ্যাটে রিয়েল টাইম ট্রান্সলেশনের (New Chat Translation Feature) সুবিধা পাওয়া যাবে। চ্যাট অপশনেই যোগ হবে একটি আইকন। তাতে ক্লিক করলে ‘Read your message in your preferable language’ লেখা দেখা যাবে। এই জায়গাতেই একাধিক ভাষার বিকল্প থাকবে বলে জানিয়েছে মেটা। ইউজারের যে ভাষাটি পছন্দ সেটি সিলেক্ট করতে পারবেন। তারপর অপর প্রান্ত থেকে যা মেসেজ আসবে, তা আপনার সিলেক্ট করা ভাষায় অনুবাদ হয়ে যাবে। এরফলে ব্যবহারকারীদের অনেক সুবিধাই হবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    ফিচারটি এখনই চালু হচ্ছে না

    তবে মেটা আরও জানিয়েছে, ফিচারটি (WhatsApp) এখনই চালু হচ্ছে না। বিটা ভার্সনে পরীক্ষা করা হচ্ছে এই ফিচার। প্রত্যেকটি ফিচার রোল আউট করার আগে তার পরীক্ষা করে হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp)। তারপর পরবর্তী আপডেটের সঙ্গে এটি রোল আউট করা হয়। এই ফিচারটির সুবিধা নিতে চাইলে লেটেস্ট ভার্সনে হোয়াটসঅ্যাপ আপডেট (New Chat Translation Feature) করে রাখতে হবে। তবে শোনা যাচ্ছে প্রাথমিক পর্যায়ে ভারতের সব আঞ্চলিক ভাষার সাপোর্ট থাকবে না। ভারতীয় ভাষার মধ্যে শুধুমাত্র হিন্দির অপশনই কেবল পাওয়া যাবে প্রথমে। এছাড়াও ইংরেজি, পোর্তুগিজ, স্প্যানিশ, রাশিয়ান, আরবি ভাষার অপশন থাকবে। পরে ধীরে ধীরে ভারতের অন্যান্য অঞ্চলিক ভাষা যুক্ত হতে পারে অ্যাপে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vertical Lift Sea Bridge: এই ধরণের সেতু ভারতের এই প্রথম, জানুন নতুন পামবান সেতুর বৈশিষ্ট্য

    Vertical Lift Sea Bridge: এই ধরণের সেতু ভারতের এই প্রথম, জানুন নতুন পামবান সেতুর বৈশিষ্ট্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ুর রামেশ্বরমে একটি নতুন পামবান সেতু (Pamban Bridge) শীঘ্রই বাস্তবে পরিণত হতে চলেছে। এটি হবে ভারতের প্রথম ‘ভার্টিক্যাল লিফট ব্রিজ” (Vertical Lift Sea Bridge) । কেন্দ্র সরকারের তরফে পীযূষ গোয়েল জানিয়েছেন, “প্রস্তাবিত ২.০৭ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন পামবান সেতু তীর্থযাত্রী এবং ভক্তদের জন্য একটি আশীর্বাদে পরিণত হতে চলে।ছে যারা তামিলনাড়ু রাজ্যের রামেশ্বরম ও ধনুষকোডি বেড়াতে কিংবা আধ্যাত্মিক সফর করতে যাবেন তাঁরা নতুন ব্রিজ চালু হলে উপকৃত হবেন।” জানা গেছে আগামী দু মাসের মধ্যে শুরু হবে এর ট্রায়াল রান।

    ৫৩৫ কোটি টাকায় তৈরি ভারতের প্রথম “ভার্টিক্যাল লিফট রেলওয়ে সি-ব্রিজ” (Vertical Lift Sea Bridge)

    নতুন সেতু (Pamban Bridge)  ভারতের মন্ডপম শহরকে পামবান দ্বীপ এবং রামেশ্বরমের সঙ্গে যুক্ত করবে। পুরোনো শতাধিক প্রাচীন ব্রিটিশদের নির্মিত ব্রিজকে প্রতিস্থাপন করতে সাহায্য করবে নয়া ব্রিজ। ভারতের প্রথম “ভার্টিক্যাল লিফট রেলওয়ে সি ব্রিজ” (Vertical Lift Sea Bridge) তৈরি করতে রেল বিকাশ নগম লিমিটেডের ৫৩৫ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। ভার্টিকাল লেফট ব্রিজ বর্তমান ব্রিজের তুলনায় ৩ মিটার বেশি উচ্চতা সম্পন্ন হবে। এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২২ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত থাকবে। এই ব্রিজের কাজ প্রায় ৯০% সম্পন্ন হয়েছে বলে রেলসুত্রের খবর।

    ২০১৯ সালে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন মোদি

    প্রসঙ্গত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০১৯ সালে এই সেতুটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। এটিকে দুই দিকগামী রেল লাইন রেললাইন এবং ভবিষ্যতের বিদ্যুতায়নের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এই ব্রিজে ১৮.৩ মিটার লম্বা গার্ডার এবং ৯৯ টি স্পেন থাকবে। এর নেভিগেশনাল স্প্যান হবে ৬৩ মিটার। নতুন পামবান সেতুর সবচেয়ে অনন্য বৈশিষ্ট্য হল, এর উল্লম্ব লিস্ট সুবিধা (Vertical Lift Sea Bridge)। ফলে সময়-সময় নৌকা গুলি সেতুর নিচ দিয়ে চলাচল করতে পারবে।

    আরও পড়ুন: মন্দির ভেঙে মসজিদ? ভোজশালার ওপর সমীক্ষা রিপোর্ট জমা পড়ল আদালতে

    নতুন সেতুটিকে আগের তুলনায় আরো মজবুত বলে দাবি করা হয়েছে। আগের সেতুটি এখন আর চালু নেই। ওই সেতুর (Pamban Bridge) সেন্সরগুলি রেড অ্যালার্ট পাঠানো শুরু করার পর, ২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে সেতুর ওপর রেল চলাচল স্থগিত করা হয়েছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PTI Banned In Pakistan: নিষিদ্ধ করা হবে ইমরানের দলকে, ঘোষণা পাক সরকারের, অথঃ কিম?

    PTI Banned In Pakistan: নিষিদ্ধ করা হবে ইমরানের দলকে, ঘোষণা পাক সরকারের, অথঃ কিম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হতে পারে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পার্টি পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফকে (PTI Banned In Pakistan)। যার জেরে আরও গাড্ডায় পড়বেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। বছর একাত্তরের ইমরান পিটিআই গঠন করেছিলেন ১৯৯৬ সালে। ২০১৮ সালে পাকিস্তানের (Shahbaz Government) মসনদে বসে পিটিআই সরকার, যার নেতৃত্ব দেন ক্রিকেটার-রাজনীতিক ইমরান স্বয়ং।

    ইমরানের দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ (PTI Banned In Pakistan)

    ইমরানের সরকারের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাবে হারের জেরে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি খোয়াতে হয় ইমরানকে। ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে পতন ঘটে ইমরান সরকারের। তার পরেই তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হয় একাধিক মামলা। যার জেরে এখনও বন্দিদশা কাটাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে তিনি রয়েছেন রাওয়ালপিন্ডি কারাগারে। ইমরানের দলকে যে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হতে পারে, তার আঁচ মিলেছিল গত বছরই, মে মাসে। সেই সময়ই পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আশিস জানিয়েছিলেন, পাক সরকার ইমরানের পার্টি তেহরিক-ই-ইনসাফকে নিষিদ্ধ করার কথা ভাবনাচিন্তা করছে। তিনি এ-ও বলেছিলেন, ৯ই মে (২০২৩) পিটিআই সমর্থকরা দেশে যে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে, তারপর তাদের রাজনৈতিক দলের স্বীকৃতি থাকতে পারে না।

    কেন নিষিদ্ধ করা হবে পিটিআইকে?

    পিটিআইকে নিষিদ্ধ ঘোষণার (PTI Banned In Pakistan) সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে পাকিস্তানের তথ্য বিষয়ক মন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানান, গত মে মাসের ওই ঘটনায়  প্রাক্তন ক্ষমতাসীন দলের জড়িত থাকার অভিযোগ এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সঙ্গে পাকিস্তানের চুক্তিতে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ানোয় পিটিআইয়ের প্রাক্তন বা বর্তমান নেতাদের প্রচেষ্টার প্রেক্ষিতে এই দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। পাকিস্তানের অর্থনীতির হাঁড়ির হাল। এহেন আবহে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হাত পেতেছে শাহবাজ খানের সরকার। তারপরেও সাহায্য মেলেনি।

    আরও পড়ুন: বাড়িতে তৃণমূলের ঝান্ডা পুঁতে বিজেপি কর্মীদের সামাজিক বয়কটের ডাক! শোরগোল

    পরিস্থিতি সামাল দিতে ফের একবার আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডারের সঙ্গে চুক্তি করতে চলেছে পাকিস্তানের সরকার। সেই প্রক্রিয়ায় পিটিআই নেতারা বাগড়া দিচ্ছে বলে অভিযোগ। তার জেরেই ইমরানের দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হতে পারে বলে ধারণা পাক রাজনৈতিক মহলের। তারার জানান, ফেডারেল গভর্নমেন্ট পিটিআইকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে জানাবে।প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে পাকিস্তানের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে সবচেয়ে বড় দল ইমরানের পার্টি তেহরিক-ই-ইনসাফই। পাক সুপ্রিম কোর্টেরও সাম্প্রতিক (Shahbaz Government) একাধিক নির্দেশ গিয়েছে পিটিআইয়ের (PTI Banned In Pakistan) ফেভারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • CUET-UG: ১৯ জুলাই ১ হাজারেরও বেশি পড়ুয়ার পুনরায় সিইউইটি (ইউজি) পরীক্ষা নেবে এনটিএ

    CUET-UG: ১৯ জুলাই ১ হাজারেরও বেশি পড়ুয়ার পুনরায় সিইউইটি (ইউজি) পরীক্ষা নেবে এনটিএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১৯ জুলাই প্রায় ১,০০০-এরও বেশি পরীক্ষার্থীর জন্য পুনরায় সিইউইটি (CUET-UG) পরীক্ষা হবে। এমন রিটেস্টের সিদ্ধান্ত নিল ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA)। রবিবারই এমন ঘোষণা করেছে এনটিএ। জানা গিয়েছে, পছন্দের ভাষার প্রশ্নপত্র চেয়েও যে পরীক্ষার্থীরা পাননি তাঁদের জন্যই কম্পিউটার ভিত্তিক পরীক্ষা (সিবিটি) মোডে এই পরীক্ষা নেওয়া হবে।

    পরীক্ষার্থীদের (CUET-UG) বিভিন্ন রিভিউ সংক্রান্ত অভিযোগ জমা নিয়েছিল এনটিএ

    প্রসঙ্গত, এনটিএ (NTA) চলতি বছরের  ১৫-১৮ মে, ২১-২৪ মে, এবং ২৯ মে বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে সিইউইটি  (CUET-UG) পরীক্ষা নিয়েছিল। জানা গিয়েছে, দেশের মোট ২৬টি শহরের প্রায় ১৩ লাখ ৪৮ হাজার পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এরপর গত ৭ জুলাই পাবলিক নোটিফিকেশন জারি করে এনটিএ। ৭-৯ জুলাই পর্যন্ত পরীক্ষার্থীদের বিভিন্ন রিভিউ সংক্রান্ত অভিযোগ জমা নিয়েছিল এনটিএ। অনলাইন মাধ্যমে পরীক্ষার্থীরা যে সব অভিযোগ দায়ের করেছিল তা সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিশেষজ্ঞদেরও দেখানো হয়। এরপরই চূড়ান্ত সমীক্ষা এবং বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে ফের পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনটিএ ৷

    এনটিএ-এর প্রেস বিজ্ঞপ্তি 

    সিইউইটি (CUET-UG) – 2024 পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে গত ৩০ জুন পর্যন্ত এবং পরে ৭ জুলাই থেকে ৯ জুলাই অনলাইনে এবং মেইল মারফৎ পাওয়া যাবতীয় অভিযোগগুলি পর্যালোচনা করা হয়েছে বলেও সংস্থা জানিয়েছে। এনটিএ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলে, ‘‘এই অভিযোগগুলির উপর ভিত্তি করে, ১৯ জুলাই, ২০২৪ শুক্রবার, কম্পিউটার ভিত্তিক পরীক্ষা (সিবিটি) মোডে ক্ষতিগ্রস্থ প্রার্থীদের জন্য পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হবে ৷’’ এনটিএ আরও জানিয়েছে, এই জাতীয় ক্ষতিগ্রস্থ প্রার্থীদের কাছে তাঁদের বিষয় কোড-সহ ইমেইলের মাধ্যমে তথ্য পাঠানো হয়েছে। শীঘ্রই সমস্ত ক্ষতিগ্রস্ত প্রার্থীদের প্রবেশপত্র দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈন চর্চা হবে জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে! কবে থেকে শুরু পঠনপাঠন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Anant Radhika Wedding: অনন্ত-রাধিকার বিয়েতে নজর কাড়ল কার নেকলেস, কার ঘড়ি? দেখে নিন একনজরে

    Anant Radhika Wedding: অনন্ত-রাধিকার বিয়েতে নজর কাড়ল কার নেকলেস, কার ঘড়ি? দেখে নিন একনজরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক মাসের প্রি-ওয়েডিং সমারোহের পর অবশেষে সাতপাকে বাঁধা পড়লেন অনন্ত আম্বানি এবং রাধিকা মার্চেন্ট (Anant Radhika Wedding)। কয়েক দশক ধরে এই বিবাহ অভিযান মনে রাখা হবে। কারণ এটিই ছিল আজ পর্যন্ত পৃথিবীর সবথেকে দামি বিবাহ অভিযান। এর আগে প্রিন্স চার্লস এবং ডায়নার বিবাহ হয়েছিল ৩৯৮ কোটি টাকা ব্যয়ে। লক্ষী মিত্তলের মেয়ে ওয়ানিশা মিত্তল ও অমিত ভাটিয়ার বিয়ে হয়েছিল প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে। কিন্তু খরচের দিক থেকে অনন্ত আম্বানির বিয়ের ধারেকাছে নেই কোনওটাই। অনন্ত রাধিকার বিয়ের খরচ প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    নজরকাড়া ঘড়ি, জুয়েলারি (Anant Radhika Wedding)

    আম্বানি পরিবারের সদস্য এবং নববধূর জামা, জুয়েলারি, ঘড়ি এসবই ছিল নজর কাড়া তালিকায়। ছেলের বিয়েতে (Anant Radhika Wedding) নিতা আম্বানি যে নেকলেস করেছিলেন তার মূল্য ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই ধরনের নেকলেস আর শাড়ি পড়তে দেখা গিয়েছিল শ্লোক আম্বানিকেও। বিয়ের দিন অনন্ত আম্বানি ‘প্যাটেক ফিলিপের’ যে ঘড়িটি পড়েছিলেন তার দাম ৬৭.৫ কোটি টাকা বলে জানা যাচ্ছে। এমনকি বিশেষ- বিশেষ অতিথিদেরও দেওয়া হয়েছে দামি রিটার্ন গিফট। অনন্ত তাঁর বলিউডের পরিচিত মুখদের প্রায় ২ কোটি টাকার রিটার্ন গিফট দিয়েছেন। রিটার্ন গিফট প্রাপকদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন শাহরুখ খান, রণবীর সিং, ভিকি কৌশল।

    আরও পড়ুন: অনন্ত-রাধিকাই প্রথম নয়! আর যারা রাজকীয় বিয়ের আসর বসিয়েছিলেন

    বেশ কয়েকজনকে ‘লুই ভুঁটো’-র ব্যাগ, সোনার চেন এবং ডিজাইনের জুতো দেওয়া হয়েছে। রিটার্ন গিফট প্রাপকদের মধ্যে বেশ কয়েকজন গায়কও ছিলেন বলে জানা যায়।

    লন্ডনে পোস্ট ওয়েডিং (Ambani Wedding)

    তবে আম্বানি পরিবারের (Anant Radhika Wedding) বিয়ে নিয়ে আলোচনা, তর্ক-বিতর্ক কম হয়নি। বিয়ের মাসে জিও রিচার্জ রিচার্জের মূল্য বাড়িয়ে দেওয়া নিয়ে কম ট্রোল হয়নি নেট দুনিয়ায়। এমনকি আম্বানিদের খরচের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেনদের একাংশ। যদিও তাতে কিছু আসে যায় না আম্বানিদের। কারণ শোনা যাচ্ছে বিবাহ অভিযান এখনই শেষ হচ্ছে না। লন্ডনে পোস্ট ওয়েডিং (Ambani Wedding) সেলিব্রেশন হবে বলে বেশ জানা যাচ্ছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Aadhaar And Biometric Verification: গ্যাসের কালোবাজারি রুখতে এবার আধারে বায়োমেট্রিক যোগ!

    Aadhaar And Biometric Verification: গ্যাসের কালোবাজারি রুখতে এবার আধারে বায়োমেট্রিক যোগ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্যাসের কালোবাজারি রুখতে এবার কড়া পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক। আসলে গৃহস্থের গ্যাস অনেক সময়ই বানিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হয়। একাধিকবার নানান ক্ষেত্রে উঠেছে এমন অভিযোগ। এবার সেই অভিযোগের সুরাহা করতেই গ্রাহকদের আধার কার্ড নম্বর ও বায়োমেট্রিক যুক্ত (Aadhaar And Biometric Verification) করার কাজ শুরু করেছে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক। 

    ঠিক কী জানিয়েছে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক? 

    হোটেল-রেস্তরাঁ থেকে শুরু করে ফুটপাতের রোল-চাইমিনের দোকান। দীর্ঘদিন ধরেই যত্রতত্র আম-জনতার রান্না ঘরের এলপিজি সিলিন্ডার (Domestic Lpg Cylinder) দেদার ব্যবহারের রয়েছে অভিযোগ। তাই এবার বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে গৃহস্থের এলপিজি রান্নার গ্যাসের ব্যবহার আটকাতে এই বিশেষ পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক জানিয়েছে, বর্তমানে ভর্তুকি প্রাপ্ত উপভোক্তাদের এলপিজি সংযোগের সঙ্গে আধার নম্বর সংযুক্ত (Aadhaar And Biometric Verification) রয়েছে। সেই রান্নার গ্যাস কোথায়, কী ভাবে ব্যবহার হচ্ছে, এবার তা জানতে বায়োমেট্রিক যুক্ত করা হচ্ছে। সব তথ্য হাতে এলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।  

    এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরদের মন্তব্য (Domestic Lpg Cylinder) 

    এই ধরনের অভিযোগ বৃদ্ধি পাওয়ার প্রবণতার কারণ হিসাবে নজরদারির অভাবকেই দায়ী করছেন এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরেরা। তাঁদের বক্তব্য, পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক ডিজেল, পেট্রল বা এলপিজি বরাদ্দ করে ঠিকই। কিন্তু সেই বরাদ্দ কোন রাজ্যে কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, তার উপরে কোনও নজরদারি নেই। ফলে গৃহস্থালির জন্য বরাদ্দ এলপিজি বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে যত্রতত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। তাই এবার এসমস্ত অভিযোগের কারণেই গ্রাহকদের আধার কার্ড নম্বর-সহ বায়োমেট্রিক যুক্ত (Aadhaar And Biometric Verification) করার কাজ শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ, জানাল ইডি

    বেয়াইনি গ্যাস ব্যবহারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা 

    এ প্রসঙ্গে গত ৯ জুলাই নিজের এক্স হ্যান্ডলে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিংহ পুরী বলেছেন, ‘‘তেল বিপণন সংস্থাগুলি এলপিজি গ্রাহকদের জন্য ই-কেওয়াইসি আধার যাচাইকরণের উদ্যোগ নিচ্ছে। যাতে ভুয়ো গ্রাহকদের ছাঁটাই করা যায়। এমন এলপিজি সিলিন্ডার সংযোগ সাধারণ গ্রাহকদের নামে নেওয়া আছে, যে সিলিন্ডারগুলি ব্যবহার করা হচ্ছে কোনও বাণিজ্যিক কাজে।’’ গত আট মাস ধরে এই কাজ (Aadhaar And Biometric Verification) চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এছাড়াও তিনি জানিয়েছেন, এবার থেকে ব্যক্তিগত এলপিজি গ্যাস বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে ব্যবহার করে ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট ডিস্ট্রিবিউটরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক। 
    উল্লেখ্য, আম জনতার হেঁসেলের রান্নার গ্যাসের অপব্যবহার রুখতে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক পদক্ষেপ গ্রহণ করায় সতর্কতা অবলম্বন করছেন ডিস্ট্রিবিউটাররাও। এবার নিজে থেকে উদ্যোগী হয়ে উপভোক্তাদের ডেকে পাঠাচ্ছেন তাঁরা। ডিস্ট্রিবিউটারদের মাধ্যমেই হচ্ছে বায়োমেট্রিকের সংযুক্তিকরণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share