Tag: Madhyom

Madhyom

  • Burdwan: বর্ধমানে চোর সন্দেহে গণ-পিটুনি! পুলিশের গায়ে হাত তুললেন উত্তেজিত জনতা

    Burdwan: বর্ধমানে চোর সন্দেহে গণ-পিটুনি! পুলিশের গায়ে হাত তুললেন উত্তেজিত জনতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েকদিন ধরেই ছেলে ধরা সন্দেহে গণ-পিটুনির অভিযোগ উঠছিল রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। একাধিক জায়গায় গণ-পিটুনির জেরে মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। ছেলে ধরার জের কাটতে না কাটতেই এবার চোর সন্দেহে আটকে মারধরের অভিযোগ উঠল পূর্ব বর্ধমানের (Burdwan) দেওয়ানদিঘি এলাকায়। আর পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে আক্রান্ত হল পুলিশও।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Burdwan)

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশের কাছে খবর আসে আলমপুরে (Burdwan) চারজনকে ঘিরে চোর সন্দেহে মারধর করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, এলাকায় কয়েকদিন ধরে ঘর ভাড়া নিয়ে থাকছিলেন ওই ব্যক্তিরা। প্লাস্টিকের জিনিস বিক্রি করতেন তাঁরা। মূলত মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা সকলে। তাঁদেরকে চোর সন্দেহ করে এলাকার লোকজন বেধড়ক পেটান। পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করতে গেলে পুলিশের ওপরও চড়াও হন গ্রামের লোকজন। হেনস্থার শিকার হন পুলিশ কর্মীরা। গ্রামের লোকজনের বক্তব্য, এলাকায় এসে তাঁরা চুরির ছক কষছিলেন। আমাদের আশঙ্কা, পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে গিয়ে ছেড়ে দেবে। সেটা চলবে না। এটা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বচসা হয়। জানা গিয়েছে, চারজনকে উদ্ধারে বাধা দেন এলাকাবাসী। পরে, বিশাল বাহিনী গিয়ে পুলিশ কর্মীর পাশাপাশি চারজনকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়।

    আরও পড়ুন: ঢাকায় আওয়ামি লিগ কাউন্সিলরের নেতৃত্বে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলা, জখম ৬০

    পুলিশ-প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    জেলা পুলিশ (Police) সুপার (Burdwan) আমন দীপ বলেন, “আমাদের কাছে খবর আসে চোর সন্দেহে গ্রামে চারজনকে মারধর করা হয়েছে। এরপরই পুলিশের দু’টো গাড়ি পৌঁছয় ঘটনাস্থলে। পুলিশ (Police) সেখানে গিয়ে চারজনকে উদ্ধারের চেষ্টা করে। সেই সময় পুলিশের ওপর হামলা করা হয়। ফলে, পরিস্থিতি সামাল দিতে ফের ডিএসপির নেতৃত্বে একটা টিম সেখানে ফের যায়। বড় বাহিনী পাঠানো হয়। পুলিশের গায়ে হাত তোলার অভিযোগে আমরা মোট ১৪ জনকে গ্রেফতার করেছি। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। আমরা হেফাজতে নিতে চাই তাদের।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Zorawar: চিনের ‘টাইপ ১৫’ ট্যাঙ্কের মোকাবিলায় ভারতের ‘জোরাওয়ার’ কতটা শক্তিশালী? জেনে নিন…

    Zorawar: চিনের ‘টাইপ ১৫’ ট্যাঙ্কের মোকাবিলায় ভারতের ‘জোরাওয়ার’ কতটা শক্তিশালী? জেনে নিন…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের টাইপ ১৫ ট্যাঙ্ককে টেক্কা দিতে ভারতীয় সেনার হাতে আসতে চলেছে জোরাওয়ার (Zorawar) লাইট ট্যাঙ্ক। এই হালকা ট্যাক টি-৯০ বা টি-৭২ ট্যাঙ্কের তুলনায় অনেকটাই হালকা (Light Tank)। তবে হালকা হওয়ার আসল সুবিধা পাওয়া যায় পাহাড়ি এলাকায়। যেখানে দ্রুত এই ট্যাঙ্ক এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় মোতায়েন করা সম্ভব। এই ট্যাঙ্ক তৈরি করেছে ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা (DRDO) ও লারসেন এবং টুব্রো (L&T) যৌথ উদ্যোগে, দেশীয় প্রযুক্তিতে মাত্র দুবছরে এই ট্যাঙ্ক তৈরি করেছে। ২০২৭ সালে এই ট্যাঙ্কের ভারতীয় সেনাবাহিনীর হাতে চলে আসবে। 

     

    চিনের টাইপ ১৫ বনাম ভারতের জোরাওয়ার (Zorawar)

    চিনের টাইপ ১৫ ট্যাঙ্কে ১০৫ এমএম আর্টিলারি গন রয়েছে। তা দিয়ে তিন কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত আনা যায়। এটাই অন্যদিকে ভারতের জোরাওয়ার (Zorawar) ট্যাঙ্কেও ১০৫ এমএম আর্টিলারি গান রয়েছে। কিন্তু ভারতীয় ট্যাঙ্ক, টাইপ ১৫-এর তুলনায় ক্ষমতা বনাম ওজন অনুপাতে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। আগ্নেয়াস্ত্র ক্ষমতাতেও এগিয়ে রয়েছে জোরাওয়ার। সুরক্ষা, নজরদারি এবং যোগাযোগের দিক থেকেও এই ট্যাঙ্ক চিনা ট্যাঙ্কের চেয়ে অনেক বেশি আধুনিক। টাইপ ১৫ কে কৌশলগত দিক থেকে জারাওয়ারকে টেক্কা দেওয়ার জন্য অনেকগুলি আপগ্রেড করতে হবে। নিচ থেকে উড়ে যাওয়া হেলিকপ্টার, ড্রোন, শত্রুপক্ষের প্রতিরোধ ব্যবস্থা, শক্ত ঘাঁটি সবকিছুই ধ্বংস করতে সক্ষম ভারতীয় হালকা ট্যাঙ্ক। ৭০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা গতিতে স্থলে এবং জলে উভয়ে চলতে পারে এই ট্যাঙ্ক। মাত্র তিনজনের দল এই ট্যাঙ্ক চালাতে সক্ষম। তবে দুটি ট্যাঙ্কেরই এক হাজার হর্সপাওয়ার উৎপাদন করতে পারে।  

    ডিআরডিওর বক্তব্য (Light Tank)

    ডিআরডিওর নির্দেশক রাজেশ কুমার বলেন, “ মাত্র দু বছরে আমরা (Zorawar) ট্যাঙ্ক তৈরি করে ফেলেছি। আগামী ৬ মাস সেনার এর প্রাথমিক ট্রায়াল করবে। গালওয়ানের ঘটনার পর সেনার এই ধরণের হালকা ট্যাঙ্কের (Light Tank) প্রয়োজন হয়। সাধারণত তিন ধরনের ট্যাঙ্ক হয়ে থাকে। ওজনের নিরিখে সবচেয়ে বেশি ক্ষমতাশালী হল ভারী ট্যাঙ্কের। এরপর আসে মাঝারি ওজনের ট্যাঙ্ক। পাহাড়ি রাস্তার জন্য তৈরি হয় হালকা ট্যাঙ্ক। প্রতিটি ট্যাঙ্কের নিজস্ব ভূমিকা রয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে সবরকম ট্যাঙ্ক আত্মরক্ষা এবং আক্রমণ করতে পারে।” সেনাবাহিনীর তরফে আধিকারিক ভাবে জানানো না হলেও চীনকে লক্ষ্য করেও লক্ষ্য করেই তৈরি হয়েছে জোরাওয়ার ট্যাঙ্ক। কারণ চীনের সঙ্গে ভারতের যে অনির্ধারিত সীমানা রয়েছে, সেই অঞ্চল পুরোটাই পাহাড়ি। ফলে সেখানে ভারী ট্যাঙ্ক ব্যবহার করার অনেক দুর্বল দিক রয়েছে। সেখানে হালকা ট্যাঙ্ক অনেক বেশি কার্যকর।। চিনের কাছে আগেভাগেই টাইপ ১৫ টাইম থাকলেও ভারতের কাছে এই বিভাগে কোন ট্যাঙ্ক ছিল না।।

    আরও পড়ুন: আবগারি দুর্নীতি মামলায় জামিন হল কেজরির, তবু মুক্তি অধরা

    চিনের টাইপ ১৫ ট্যাঙ্ককে প্রতিরোধ করার কথা মাথায় রেখেই তৈরি হয়েছে জোরাওয়ার। পরে তৈরি হওয়ায় অনেক বেশি আধুনিক আত্মরক্ষামূলক ও আক্রমণাত্মক ব্যবস্থা এই ট্যাঙ্কে যুক্ত করা হয়েছে। গালওয়ান উপত্যকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষের পর হালকা ট্যাঙ্কের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে সেনা। যদিও সেবার দুপক্ষের সংঘর্ষ যুদ্ধে পরিণত না হওয়ায় ভারত এই বিভাগে একটি ভালো ট্যাঙ্ক তৈরি করার সময় পেয়ে যায়।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bagda: নাইনএমএম পিস্তল হাতে তৃণমূল কর্মী? ছবি ফাঁস করে গ্রেফতারের দাবি বিজেপির

    Bagda: নাইনএমএম পিস্তল হাতে তৃণমূল কর্মী? ছবি ফাঁস করে গ্রেফতারের দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাইনএমএম পিস্তল হাতে এক যুবকের ছবি আনল বিজেপি। বাগদায় (Bagda) উপনির্বাচনের দিনে কার্যত এই তৃণমূল (TMC) নেতা বন্দুক হাতে নিয়ে দাপিয়ে বেরিয়েছেন। যদিও এই মারাত্মক অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ এখনও কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। ইতিমধ্যে সামজিক মাধ্যমে এই ছবি ব্যাপক ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।

    কেন পুলিশ গ্রেফতার করেনি (Bagda)?

    গত বুধবার ১০ জুলাই, বাগদা (Bagda) উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ পর্ব ছিল। এই দিনে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্যের কথা সংবাদ মাধ্যমে শিরোনাম হয়ে উঠেছিল। বিজেপি বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি দেবদাস মণ্ডল বলেছেন, “পিস্তল হাতে এই ব্যক্তি তৃণমূল কর্মী। এই উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থীর উপর হামলা হয়েছিল। ১৮৬, ১৮৭, ১৮৮ এবং মালিপোঁতা পঞ্চায়েতে হামলা হয়েছে। এই লোকটি পিস্তল নিয়ে দাপিয়ে বেরিয়েছে। আমরা কোন রাজ্যে বসবাস করছি? পুলিশকে তথ্য দিয়ে অভিযোগ করলেও কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। গ্রেফতার পর্যন্ত করা হয়নি।” আবার বিজেপি নেতা রাহুল সিন্‌হা বলেছেন, “তৃণমূল নেতারা আইনের কথা বলে দুষ্কৃতীদের উস্কানি দিচ্ছেন। দোষীদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে শাসক দল।”

    সরকারি রিভলভার কীভাবে বাইর পৌঁছচ্ছে?

    অবসর প্রাপ্ত পুলিশ কর্তা অরিন্দম আচার্য এই বিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, “এই পিস্তল (Bagda) কারা বিক্রি করছে, আর কারাই বা বাইরে সরবরাহ করেছে, তা নম্বর দেখেই খুব সহজেই চিহ্নিত করা যায়। এই সব বিষয়ে সঠিক ভাবে তদন্ত না হলে আগামীদিনে আরও ভয়ঙ্কর অবস্থা নেবে। সরকারি রিভলভার কীভাবে বাইরে পৌঁছচ্ছে?”

    আরও পড়ুনঃ সিকিম যাওয়ার পথে বন্ধ ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক! বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ, বিপাকে পর্যটকরা

    নির্বাচন একেবারে শান্তিপূর্ণ হয়েছে

    তৃণমূলের জেলা (Bagda) সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস বলেছেন, “এই নির্বাচন একেবারে শান্তিপূর্ণ হয়েছে। মানুষ উৎসবের মেজাজে ভোট দিয়েছেন। আমরা বিপুল সংখ্যক ভোটে জয়ী হব বলে, বিজেপি কুৎসা ছড়ানোর চেষ্টা করছে। বিজেপি সমাজ বিরোধীদের আশ্রয় দিয়ে থাকে। দুই একজন সমাজ বিরোধীদের ছবি প্রকাশ করে কার্যত নিজেদের মুখ ঢাকতে চেষ্টা করছে। কিন্তু এই ভাবে কাজ হবে না। মানুষ আমাদের পাশে রয়েছেন।” আবার তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেছেন, “ভোটের দিনে এমন ঘটনা ঘটলে কেন্দ্রীয় বাহিনী কী করছিল? নির্বাচন কমিশনই কোথায় ছিল? দেবদাসবাবু কেন বাহিনীকে ডেকে ধরিয়ে দিলেন না।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Akshay Kumar: করোনা আক্রান্ত অক্ষয়, থাকতে পারছেন না অনন্ত-রাধিকার বিয়েতে

    Akshay Kumar: করোনা আক্রান্ত অক্ষয়, থাকতে পারছেন না অনন্ত-রাধিকার বিয়েতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্নত আম্বানির বিয়েতে হাজির থাকতে পারছেন না বলিউডের খিলাড়ি। করোনা আক্রান্ত অক্ষয় কুমার (Akshay Kumar)। ১২ জুলাই অক্ষয়ের ছবি ‘সরফিরা’র মুক্তি। জোরকদমে চলছিল ছবির প্রচার। হঠাৎই অসু্স্থ বোধ করেন অভিনেতা। সূত্রের খবর, প্রচার চলাকালীন অসুস্থ বোধ করায় তৎক্ষণাৎ রক্ত পরীক্ষা করান অক্ষয়। তাতেই ধরা পড়ে, করোনা হয়েছে তাঁর। সঙ্গে সঙ্গে নিভৃতবাসে চলে যান অভিনেতা।

    করোনা পজিটিভ অক্ষয়ের (Akshay Kumar)

    সাধারণত কোনও বিবাহ অনুষ্ঠানে বা পার্টিতে সচরাচর  উপস্থিত থাকেন না বলিউডের খিলাড়ি অক্ষয় কুমার (Akshay Kumar)। কিন্তু এবার অনন্ত নিজে গিয়ে তাঁকে নিমন্ত্রণ করে এসেছিলেন। আসবেন বলে কথাও দিয়েছিলেন অক্ষয়। কিন্তু বাধ সাধল শরীর। সূত্রের খবর, শেষ ছবি সরফিরে-র প্রমোশনের সময় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তারপরই তিনি স্থির করেন করোনা পরীক্ষা করবেন। কারণ তাঁর সেটের বেশ কয়েকজন করোনা পজিটিভ হয়েছেন। তারপরই এই সিদ্ধান্ত নেন অভিনেতা। শুক্রবার সকালেই এসেছে রিপোর্ট। যার ফলে ছবির শেষ প্রমোশন ও অম্বানিদের বিয়ে, দুটো অনুষ্ঠানেই উপস্থিত থাকতে পারলেন না। এই খবর খারাপ হলেও, অক্ষয় কুমার যে ধরনের ব্যক্তিত্ব, তিনি সকলের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে খবর পেতেই নিজেকে সকলের থেকে আলাদা করে নিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: রাম সেতুর রহস্য ফাঁস! সমুদ্রের নীচের মানচিত্র প্রকাশ্যে আনলেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা

    অনন্ত-রাধিকার বিয়ে (Anant Radhika Wedding)

    শুক্রবারই মুম্বইয়ে বসছে অনন্ত-রাধিকার (Anant Radhika Wedding) বিয়ের আসর। প্রায় ২৫০০ কোটি টাকার বিয়েতে হাজির থাকছেন দেশ-বিদেশের নামী তারকা-সহ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বেরাও। হিন্দু রীতিনীতি মেনেই এদিন তাঁদের শুভ বিবাহ সম্পন্ন হবে। বলিউড তারকা থেকে শুরু করে স্পোর্টস, রাজনীতি, ব্যবসা, বিদেশের তারকা সহ বিভিন্ন ফিল্ডের খ্যাতনামা ব্যক্তিরা এদিন উপস্থিত থাকবেন অনন্ত রাধিকার বিয়ে দেখার জন্য। শাহরুখ খান থেকে শুরু করে সলমন খান, আমির খান, আলিয়া ভাট, রণবীর কাপুর, দীপিকা পাড়ুকোন, রণবীর সিং, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, নিক জোনাস, কিম কার্দাশিয়ান প্রমুখকে দেখা যাবে এই বিয়েতে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bajaj Freedom 125: বিশ্বের প্রথম সিএনজি বাইক আনল বাজাজ, টক্কর দিচ্ছে কোন কোন বাইককে?

    Bajaj Freedom 125: বিশ্বের প্রথম সিএনজি বাইক আনল বাজাজ, টক্কর দিচ্ছে কোন কোন বাইককে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পেট্রোল চালিত বাইকে দূরে যাওয়া যায় ঠিকই, কিন্তু খরচ বেশি। ব্যাটারি চালিত বাইক বা স্কুটিতে বেশি দূরে যাওয়া যায় না। তাহলে উপায় কী? সেই উপায় নিয়ে এল বাজাজ। বাইক এবং স্কুটি প্রস্তুতকারী সংস্থা নিয়ে এসেছে সিএনজি বাইক (CNG Bike) ‘ফ্রিডম ১২৫’ (Bajaj Freedom 125)। ১২৫ সিসির এই বাইকে সিএনজি সিলিন্ডার ছাড়াও রয়েছে ২ লিটারের পেট্রোল ট্যাঙ্ক। ড্রাম ব্রেক, ড্রাম ব্রেক এবং এলইডি, ডিস্ক ব্রেক এবং এলইডি ভার্সনে বাইকটি পাওয়া যাবে। ড্রাম ব্রেক সহ বাইকের দাম ৯৫ হাজার টাকা এক্স শোরুম। ড্রাম ব্রেক এবং এলইডি সহ বাইকের দাম ১.০৫ লক্ষ টাকা এক্স শোরুম। ডিস্ক ব্রেক এবং এলইডি ভার্সনে বাইকের দাম ১.১০ লক্ষ টাকা এক্স শোরুম। সিএনজিতে ১০২ কিলোমিটার প্রতিলিটার হিসেবে ২০৪ কিলোমিটার এবং ২ লিটার পেট্রোলে ১১০ কিলোমিটার যাওয়া যাবে। যদিও কোম্পানির দাবি করছে সিএনজি এবং পেট্রোল ফুল ট্যাঙ্ক করে ৩৩০ কিলোমিটার যাওয়া যাবে। তবে বাস্তব পরিস্থিতিতে সিএনজি এবং পেট্রোল ফুল ট্যাঙ্ক করে ৩০০ কিলোমিটার আরাম করে চালানো যাবে এই বাইক। এই বাইক ১২৫ সিসি বিভাগে কোন কোন বাইককে টক্কর দেবে দেখে নেওয়া যাক।

    হন্ডা শাইন ১২৫

    এই বাইকের দাম 79,800 টাকা এক্স-শোরুম। ১২৫ সিসি বিভাগে এটি ভারতের সবথেকে জনপ্রিয় মোটরসাইকেল। এই কমিউটার বাইকে রয়েছে ১২৫ সিসি ইঞ্জিন। মাইলেজ খুবই ভাল। পাশাপাশি দামও দুশ্চিন্তার কারণ নয়। নিত্য যাতায়াতের জন্য এই বাইক খুবই কার্যকর। তবে বাজাজ সিএনজি বাইকে (CNG Bike) রয়েছে অনেক বেশি মাইলেজ। সেই জায়গায় হন্ডা সাইনকে টেক্কা দিতে পারে বাজাজ (Bajaj Freedom 125)।

    হিরো গ্ল্যামার

    হিরো গ্ল্যামার বাইকটি হন্ডা শাইনের পর ভারতীয়দের এই বিভাগে দ্বিতীয় সবচেয়ে পছন্দের বাইক। এই বাইকের দাম ৮২,৫৯৮ টাকা (এক্স-শোরুম)। প্রিমিয়াম লুকের পাশাপাশি এতেও দারুণ মাইলেজ পাওয়া যায়। বহু অফিস যাত্রীর ভরসা এই বাইক।

    হিরো স্প্লেন্ডর এক্সটেক

    নতুন প্রজন্মের কাছে হিরোর এই বাইক খুবই পছন্দের, কারণ এতে রয়েছে দুর্দান্ত মাইলেজের পাশাপাশি রয়েছে একগুচ্ছ ফিচার্স। হিরো দাবি করে ৬৯ কিমি প্রতি লিটার মাইলেজ দিয়ে থাকে এই বাইক। এছাড়াও ডিজিটাল ইনস্ট্রুমেন্ট ক্লাস্টার, ইউএসবি চার্জার, ব্লুটুথ কানেক্টিভিটি ইত্যাদি। তবে বাজাজ ফ্রিডমেও (CNG Bike) রয়েছে একই ডিজিটাল ইনস্ট্রুমেন্ট ক্লাস্টার এবং ব্লুটুথ কানেক্টিভিটি।    

    টিভিএস রেইডার

    বর্তমান সময়ে টিভিএস সবচেয়ে বেশি এই মোটরসাইকেল বিক্রি করে থাকে। আপাচের জায়গায় বাজার দখল করেছে এই বাইক। ফিচার্স, মাইলেজ এবং লুক সব দিক থেকে সেরা টিভিএস রেইডার। দাম ৯৫,২১৯ টাকা এক্স-শোরুম। দামের দিক দিয়ে টিভিএসকে টক্কর দিচ্ছে বাজাজ ফ্রিডম (Bajaj Freedom 125)। কারণ এই সিএনজি বাইকের (CNG Bike) দাম শুরু ৯৫,০০০ টাকা এক্স-শোরুম।

    বাজাজ পালসার ১২৫

    পালসার পরিবারের অন্যতম সেরা এবং সস্তা বাইক এটি। সম্প্রতি এটির নতুন ডিজিটাল ইনস্ট্রুমেন্ট ক্লাস্টার এবং ব্লুটুথ কানেক্টিভিটি-সহ আপডেট ভার্সন বাজারে এসেছে। তবে বাইকের ডিজাইন বেশ সাদামাটা। আজকাল অনেকেই স্পোর্টি লুকের কমিউটার বাইক চালাতে পছন্দ করেন। এই বাইকের দাম ৯৩,২২১ টাকা এক্স-শোরুম।

    আরও পড়ুন: ভারতে শাওমি আনছে বিলাসবহুল বৈদ্যুতিক গাড়ি, কেমন দেখতে, কত দাম?

    বাজাজের বাইকে আবার কয়েকবছর চালালে ইঞ্জিনের আওয়াজ বদলে যাওয়া, মেইন্টেনেন্স এবং মাইলেজের সমস্যার অভিযোগ করেন চালকরা। এখন দেখার সিএনজি (Bajaj Freedom 125) বাইক কতটা বাজার দখল করতে পারে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Rahul Gandhi: জানেন কেন ভারতে বিরোধী দলগুলি অন্যের হাতের পুতুলের মতো আচরণ করছে?

    Rahul Gandhi: জানেন কেন ভারতে বিরোধী দলগুলি অন্যের হাতের পুতুলের মতো আচরণ করছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের শাসনব্যবস্থাকে অস্থির করে তুলে, ভারতের শাসনক্ষমতা পরিবর্তনের ষড়যন্ত্র করছে এমন কিছু বৈদেশিক সংস্থার হাতের পুতুল হয়ে কাজ করতে চাইছেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। ভারতে গণতন্ত্র বা তার অভাব নিয়ে বিশ্বমঞ্চে উদ্বেগ তৈরি করে এই ধরনের সংস্থাগুলি নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধি করতে চাইছে। আর তাতে মদত দিচ্ছে দেশের বিরোধী দলগুলি (Opposition in India)। সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা তারই প্রমাণ। 

    এক অস্পষ্ট জোটের প্রভাব

    যে কোনও দেশের অভ্যন্তরে বা দেশের বাইরে জনমত গঠনের জন্য কয়েকটি গোষ্ঠী একযোগে কাজ করে। সারা বিশ্বে ভারতের অগ্রগতি রুখতে পশ্চিমের গোয়েন্দা সংস্থা, বড় বড় ফাউন্ডেশন, বহুজাতিক সংস্থা, সিভিল সোসাইটি, রাজনৈতিক কর্মী, মানবাধিকার সংস্থা, গণতন্ত্র রেটিং সংস্থা, মিডিয়া সবাই মিলে একযোগে কাজ করে। এরা প্রাচ্যের আধিপত্য মানতে নারাজ। এই সংস্থাগুলি প্রায়ই একে অপরের স্বার্থ রক্ষা করে এবং আমেরিকার পররাষ্ট্রনীতি, উদারনীতিবাদ এবং গ্লোবালাইজেশনের প্রধান লক্ষ্যগুলোকে এগিয়ে নিয়ে যায়। ভারতে, বিরোধী দল প্রায়শই সরকারের সাথে দোষারোপের খেলা খেলে। এটাকেই হাতিয়ার করে ওই সংস্থাগুলি। দেশীয় শক্তির দ্বারাই দেশ-বিরোধী প্রচার চালায়।

    চিন সম্পর্কিত তথ্য

    উদাহরণস্বরূপ, বিরোধী দল (Opposition in India) নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বাধীন সরকারকে চিনা সেনাবাহিনীর ভারতীয় জমিতে অবকাঠামো নির্মাণের উপগ্রহ চিত্রগুলি উপেক্ষা করার কথা বলেছিল। কিন্তু বাস্তবে এই চিত্রগুলি ব্ল্যাকস্কাই দ্বারা প্রকাশিত। যা স্পেসফ্লাইট ইন্ডাস্ট্রিজের একটি সহায়ক প্রতিষ্ঠান এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীর সাথে যুক্ত। আমেরিকার চির শত্রু চিন। ভারতের সঙ্গে সীমান্ত নিয়ে চিনের সমস্যা রয়েছে। তাই এটাকে হাতিয়ার করা হয়েছিল। 

    ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা

    ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা সম্পর্কিত রিপোর্ট নিয়ে সরকারকে কোণঠাসা করার বিষয়ে বিরোধীরা বরাবর একজোট। কিন্তু এই রিপোর্ট ইউএসসিআইআরএফ-এর দেওয়া। যা মার্কিন পররাষ্ট্র বিভাগ দ্বারা প্রকাশিত হয়, এটি ভারতীয় রাজনীতিতে একটি বিশেষ সংবেদনশীল বিষয়। ভারতীয় রাজনীতিবিদরা প্রায়ই এটি ব্যবহার করেন।

    সূচকগুলির খেলা 

    নানা বিষয়ে সারা বিশ্বে সূচক তুলে ধরে আমেরিকার বিভিন্ন সংস্থা। তারা তাদের মতো করে গবেষণা চালিয়ে এই সূচক তুলে ধরে। এর গ্রহণযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন থেকে যায়। ক্ষুধা সূচক, প্রেস স্বাধীনতা সূচক এবং গণতন্ত্র সূচকে ভারতের ক্রমহ্রাসমান অবস্থানের কারণে বিরোধীরা (Opposition in India) বারবার সংসদ উত্ত্বাল করেন। কিন্তু এই সংস্থাগুলি মার্কিন ধনকুবের জর্জ সোরেসের প্রভাবিত। অক্সফামের রিপোর্টের ভিত্তিতে পুঁজিবাদ এবং আয় বৈষম্য বাড়ানোর জন্য সরকারকে সমালোচনা করে। কিন্তু অক্সফাম সংস্থাটি মার্কিন পররাষ্ট্র বিভাগ এবং ধনকুবের জর্জ সোরোস দ্বারা অর্থায়িত।

    আরও পড়ুন: বাজেটের আগে বিশেষ বৈঠক, অর্থনীতিবিদদের থেকে পরামর্শ নিলেন মোদি

    হিন্ডেনবার্গ রিপোর্ট

    বিরোধী দল (Opposition in India), বিশেষ করে রাহুল গান্ধী, গৌতম আদানির উপর একটি রিপোর্টও তুলে ধরেছেন, যা মার্কিন ভিত্তিক হিন্ডেনবার্গ এজেন্সি দ্বারা মার্ক কিংডন নামক মার্কিন হেজ ফান্ড বিনিয়োগকারীর অনুরোধে প্রকাশিত হয়েছিল। এই সংযোগটি এখন প্রকাশ্যে চলে এসেছে, তবে যা উদ্বেগজনক তা হল এখনও এরা নানা মিথ্যা গল্প রচনা করে চলেছে। এর থেকেই বোঝা যায় কেন কিছুদিন আগে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এই দেশগুলি ভ্রমণ করেছিলেন। কিন্তু রাহুল বা বিরোধী জোট এটা বুঝতে পারছেন না যে তাঁরা কীভাবে ভারতের বিরুদ্ধে বর্ণনা প্রচারের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছেন।

    রাহুলের মনোভাব (Rahul Gandhi)

    মার্কিন মানাবাধিকার কর্মী সুনিতা বিশ্বনাথের সঙ্গে রাহুল গান্ধীর বৈঠক তার প্রমাণ। ভারত বিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গে ওই মানবাধিকার কর্মী জড়িত বলে অভিযোগ। রাহুলের (Rahul Gandhi) গত মার্কিন সফরের সময় এই বৈঠকটি হয় বলে দাবি। জর্জ সোরেসের ঘনিষ্ঠ এবং নরেন্দ্র মোদি সরকারের কট্টর সমালোচক হিসেবে পরিচিত সুনিতার সঙ্গে দেশের বাইরে সাক্ষাত রাহুল গান্ধীর মনোভাব নিয়ে প্রশ্ন তোলে। এই ধরনের নানা ঘটনা থেকে মনে হয়, যদি বিরোধী দল সরকারের কার্যকলাপের সাথে একমত না হয়, তবে কেন তারা তাদের মূল এবং প্রকৃত অভিযোগ বা গঠনমূলক সমালোচনা উপস্থাপন করছে না? কেন তারা আমেরিকা দ্বারা পরিচালিত সংস্থাগুলির মুখপাত্রের ভূমিকা পালন করছে, যা ভারতীয় বিরোধী দলকে কেবল শাসন ব্যবস্থা পতনের একটা যন্ত্র হিসেবে রেখে দিচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে কেন ভারতে বিরোধী দলগুলি (Opposition in India) অন্যের হাতের পুতুলের মতো আচরণ করছে? 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sikkim: সিকিম যাওয়ার পথে বন্ধ ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক! বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ, বিপাকে পর্যটকরা

    Sikkim: সিকিম যাওয়ার পথে বন্ধ ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক! বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ, বিপাকে পর্যটকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিকিম (Sikkim) যাওয়ার রাস্তা বন্ধ হয়ে গেল, সড়ক পথ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যে খারাপ আবহাওয়ার কারণে রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন পর্যটকরা। উত্তরবঙ্গে টানা বৃষ্টি চলেছে। প্রবল বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক (National highway 10)। ইতিমধ্যে কালিম্পং, সিকিম যেতে ব্যাপক সমস্যায় পড়েছেন স্থানীয় মানুষ। আর তার সরাসরি প্রভাব পড়েছে স্থানীয় পর্যটন ব্যবসার উপর। যদিও মেরামতির কাজ শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    কালিম্পং জেলা প্রশাসনের বক্তব্য(Sikkim)

    কালিম্পং জেলা প্রশাসন থেকে বলা হয়েছে, আগামী ১৪ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত এই রাস্তা বন্ধ থাকবে। পূর্ত দফতর এই সড়কের মেরামতি করবে। বিকল্প পথ হিসেবে মনসং হয়ে রংপো লাভা রোড খোলা থাকছে। সেখান দিয়েই চলাচল করছে গাড়ি। লাভা হয়ে কালিম্পং শিলিগুড়ির রাস্তায় খোলা থাকছে। যদিও এতদিন আলগাড়া লাভা হয়ে ঘুরপথে সিকিমে (Sikkim) যাওয়া হচ্ছিল। এই পথ গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তাই সিকিম সড়কপথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

    তিস্তার একাংশ নদীর জলে ভেসে গিয়েছে

    টানা ভারী বর্ষণের ফলে পাহাড়ের একাধিক জায়গায় ধস নামতে শুরু করেছে। শ্বেতী ঝোড়া থেকে চিত্রে, সেলফি দাড়ার কাছে বিশাল ধসের ফলে রাস্তা বন্ধ হয়ে পড়েছে। কিন্তু দার্জিলিং থেকে সিকিম (Sikkim) যাওয়ার পথ খোলা রয়েছে। আবার পাবনু হয়ে কালিম্পং, শিলিগুড়ির রাস্তা খোলা আছে। এই পথে পৌঁছানো যাবে সিকিম। তবে যেতে সময় লাগবে ৭ ঘণ্টা। যেতে অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হবে। এই ভূমি ধসের ফলে এখন কবে ১০ নম্বর সড়ক (National highway 10) খোলে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। তিস্তার একাংশ নদীর জলে ভেসে গিয়েছে। সেবক থেকে তিস্তাবাজার যাওয়ার পথে বেশ কিছু এলাকার জাতীয় সড়কের অংশ জলের তলায় তলিয়ে গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ কপিল মুনির আশ্রমের রাস্তায় ধস! কোটি কোটি টাকা কি জলে? তৃণমূলকে তোপ বিজেপির

    আবহাওয়া দফতরের বক্তব্য

    এদিকে আবহাওয়া দফতর থেকে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের তীব্র সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরের পাঁচ জেলায় হবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাত। শনিবার দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। অতিরিক্ত বৃষ্টির ফলে নদীগুলির জলস্তর যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, ঠিক তেমনি জমির ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নিচু জায়গাগুলি ইতি মধ্যে বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: ভাঙা খাটে দড়ি দিয়ে বাঁধা আশি বছরের বৃদ্ধ, গুণধর ছেলেদের কীর্তি দেখে সকলে থ

    Durgapur: ভাঙা খাটে দড়ি দিয়ে বাঁধা আশি বছরের বৃদ্ধ, গুণধর ছেলেদের কীর্তি দেখে সকলে থ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন ছেলে। একজন দুর্গাপুর (Durgapur) ইস্পাত কারখানার কর্মী। বাকি দুজন বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন। তা সত্বেও আশি বছরের বৃদ্ধ বাবাকে খাটে দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলে রাখা হয়েছে ডিএসপির (DSP) পরিত্যক্ত আবাসনে। তাঁকে জল দেওয়ার কেউ নেই। শুক্রবার চরম অমানবিক ছবি ধরা পড়ল দুর্গাপুরের ডিএসপি টাউনশিপের বি-জোনের জয়দেব এলাকায়।

    পরিত্যক্ত আবাসনে ঢুকে স্বাস্থ্যকর্মীরা থ! (Durgapur)

    শুক্রবার সকালে ওই এলাকায় দুর্গাপুর পুরসভার স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে কেউ ডেঙ্গি আক্রান্ত কি না তা দেখার জন্য সার্ভে করছিলেন। হঠাৎ তাঁরা ডিএসপি’র (Durgapur) একটি পরিত্যক্ত আবাসনের ভিতর থেকে গোঙানির শব্দ শুনতে পান। তাঁরা ভিতরে ঢুকে দেখেন, একটি ভাঙা খাটে হাত, পায়ে দড়ি বাঁধা অবস্থায় পড়ে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, বৃদ্ধের নাম মাগারাম ঘোষ। তিনি অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের কর্মী ছিলেন। স্বাস্থ্যকর্মীরা মাগারাম ঘোষের হাত-পায়ের দড়ি খুলে তাঁকে নিয়ে যান দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে। গুণধর ছেলের কীর্তি দেখে হতবাক। পরিত্যক্ত ঘরের ভিতেরে বৃদ্ধকে অসহায়র মতো দড়ি বাঁধা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে সকলেই হতবাক হয়ে যান।

    আরও পড়ুন: ঢাকায় আওয়ামি লিগ কাউন্সিলরের নেতৃত্বে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলা, জখম ৬০

    কী বললেন গুণধর ছেলে?

    বড় ছেলে দয়াময় অবশ্য নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মানতে চাননি। তিনি বলেন, “বাবা বরাবর এখানেই থাকতেন। সেই জন্য এখানেই রাখা হয়েছে তাঁকে। বাবা অসুস্থ। যাতে বিছানা থেকে তিনি না পড়ে যান, সেই জন্য দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। আমি নিয়মিত আসি। বাবার দেখভাল করি। আমাদের আর্থিক অবস্থা খারাপ। তাই বাবার আবাসন (DSP) ভাড়া দেওয়া হয়েছে। বাবাকে দখল করা আবাসনে রাখা হয়েছে। অমানবিক কিছু ঘটেনি।”

    কী বললেন প্রাক্তন কাউন্সিলর?

    প্রাক্তন কাউন্সিলর মণি দাশগুপ্ত বলেন,”এমন নির্মম ঘটনা আগে কোনওদিন দেখিনি। মাগারামবাবু এলাকায় খুব ভালো মানুষ হিসাবে পরিচিত। কিন্তু, তাঁর ছেলেরা যে এরকম করতে পারেন তা কেউ কল্পনা করতে পারছেন না। আমি পুলিশকে জানিয়েছি। প্রয়োজনে ছেলেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করব। এই ধরণের ঘটনা যাতে সমাজে না ঘটে সে বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jai Anmol Ambani: দেউলিয়া বাবার আশার আলো আনমোল আম্বানি! তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ কত জানেন?

    Jai Anmol Ambani: দেউলিয়া বাবার আশার আলো আনমোল আম্বানি! তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের অন্যতম ধনী পিতার সন্তান জয় আনমোল আম্বানি (Jai Anmol Ambani)। কার্যত সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মেছিলেন তিনি। কিন্তু বছর কয়েক আগে তাঁর বাবা অনিল আম্বানিকে (Ambani Family) দেউলিয়া বা ‘ব্যাঙ্করাপ্ট’ বলে ঘোষণা করা হয়। তবে এখন সেই ছেলেই দেউলিয়া বাবার আশার আলো হয়ে উঠেছে। বর্তমানে তিনি বেশ বিলাসবহুল জীবনযাপন করেন বলে শোনা যায়। জানা যায়, তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ বর্তমানে ২০০০ কোটি টাকা। কাজের প্রতি তাঁর নিষ্ঠাও নাকি চোখে পড়ার মতো। 

    মাত্র ১৮ বছর বয়সেই ইন্টার্ন হিসেবে কাজে যোগ 

    খুব কম বয়সেই পারিবারিক ব্যবসায় যোগ দেন অনিল ও টিনা আম্বানির জ্যেষ্ঠ সন্তান আনমোল আম্বানি (Jai Anmol Ambani)। কাজে যোগদানের আগে মুম্বইয়ের ক্যাথিড্রাল অ্যান্ড জন ক্যানন স্কুলে পড়াশোনা করেছেন তিনি। উচ্চশিক্ষার জন্য ইউকেও যান আনমোল। এরপর সেভেন ওকস স্কুল থেকে ম্যানেজমেন্টে স্নাতক হন। স্নাতক পাশ করেই মাত্র ১৮ বছর বয়সে রিলায়েন্স মিউচুয়াল ফান্ড-এ ইন্টার্ন হিসেবে কাজে যোগ দেন তিনি। পরে ট্রেনি হিসেবে কাজ শুরু করেন রিলায়েন্স ক্যাপিটালে। এরপর ২০১৬-তে তিনি বোর্ডের সদস্য হিসেবে কাজ শুরু করেন রিলায়েন্স ক্যাপিটালে। এই সময় সংস্থার আর্থিক বৃদ্ধির জন্য নানা কৌশল তৈরি করেন আনমোল। তাঁর হাত ধরেই সংস্থা লাভের মুখ দেখতে শুরু করে। এরপর ২০১৭ সালে রিলায়েন্স ক্যাপিটালের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টরের পদ পান তিনি। এর ঠিক এক বছরের মধ্যে রিলায়েন্সেক নিপ্পন লাইফ অ্যাসেটে যোগ দেন জয় আনমোল আম্বানি। তাঁর হাত ধরে রিলায়েন্স গ্রুপের স্টক প্রাইস প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়ে যায়। 

    ছেলের হাত ধরেই ফের ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন অনিল আম্বানি

    এক সময়ে বিশ্বের ষষ্ঠ ধনী ব্যক্তি ছিলেন অনিল আম্বানি (Ambani Family)। নিট সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ১.৮৩ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি। কিন্তু, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউকে-র একটি আদালত অনিল আম্বানিকে দেউলিয়া ঘোষণা করেছিল। তবে ছেলে আনমোলের (Jai Anmol Ambani) হাত ধরেই ফের ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন অনিল আম্বানি। গত বছরে তাঁর সংস্থা রিলায়েন্স পাওয়ারের শেয়ারদর ১২০ শতাংশ বেড়েছে। ছেলের এই সাফল্যে অনিল আম্বানি বড় ছেলে আনমোলের ভুয়সী প্রশংসা করেছেন। 

    আরও পড়ুন: জামিন পাইয়ে দিতেও ঘুষ চেয়েছিল পুলিশ! ঢোলাহাটকাণ্ডে অভিযোগ মৃতের পরিবারের

    আনমোলের বিলাসবহুল জীবনযাপন (Jai Anmol Ambani)

    বরাবরই প্রচারের আলো থেকে দূরে থাকতে ভালবাসেন জয় আনমোল আম্বানি। তবে তাঁর বিলাসবহুল জীবন চোখে পড়ার মতো। শোনা যায়, তিনি বেশ বিলাসবহুল জীবনযাপন করেন। ল্যাম্বরগিনি গ্যালার্দো, রোলস-রয়েস ফ্যান্টমের মতো বিলাসবহুল গাড়ি রয়েছে তাঁর। এমনকি তাঁর একটি নিজস্ব হেলিকপ্টার এবং বিমানও রয়েছে। এই কপ্টার-বিমান তিনি ব্যবসায়িক সফরের জন্য ব্যবহার করে থাকেন। তবে নিজের কর্ম গুনেই সফলতার শিখরে পৌঁছেছেন আম্বানি পরিবারের এই সন্তান। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi Liquor Scam: আবগারি দুর্নীতি মামলায় জামিন হল কেজরির, তবু মুক্তি অধরা

    Delhi Liquor Scam: আবগারি দুর্নীতি মামলায় জামিন হল কেজরির, তবু মুক্তি অধরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি দুর্নীতি (Delhi Liquor Scam) মামলায় ধৃত দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Kejriwal) অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করল সুপ্রিম কোর্ট। তবে এখনই আম আদমি পার্টির প্রধানের কারামুক্ত হওয়ার ইঙ্গিত নেই। বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ শুক্রবার অন্তর্বর্তী জামিনের নির্দেশ দিয়েছে। যদিও কেজরিওয়াল এখনও সিবিআই হেফাজতে থাকায় সেই মামলায় পৃথকভাবে জামিন নিতে হবে তাঁকে। ১৭ই জুলাই সেই মামলার শুনানি হবে দিল্লি হাইকোর্টে। তার আগে তিহার থেকে মুক্তি মেলার সম্ভাবনা নেই কেজরির।  

    ২১ মার্চ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী গ্রেফতার হন (Delhi Liquor Scam)

    ২১ মার্চ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী এবং আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে (Kejriwal) গ্রেফতার করে ইডি। দিল্লির আবগারি দুর্নীতি (Delhi Liquor Scam) ও আর্থিক তছরুপের অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁকে গ্রেফতারের বিষয়ে সরবরাহ করা হয়নি, এই অভিযোগে জামিনের আবেদন চেয়ে কেজরির আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। এর আগে দিল্লি হাইকোর্টেও তিনি জামিনের আবেদন করেছিলেন, কিন্তু সেখানে আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছিল। অবশেষে সুপ্রিমকোর্ট থেকে এল স্বস্তি। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরের আইনজীবী বিবেক জৈন বলেন, “আমরা শীর্ষ আদালতকে বলেছিলাম প্রয়োজনীয় নথি এবং তথ্য ছাড়াই গ্রেফতারি হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট সেই যুক্তির ভিত্তিতেই অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছে। ১৭ জুলাই দিল্লি হাইকোর্টকেও আমরা একই কথা বলব।”

    জামিন হলেও মুক্তি নয় (Kejriwal)

    লোকসভা ভোটের সময় কেজরিকে কিছুদিনের জন্য অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। তাঁর মেয়াদ শেষ হলে ২ জুন তিনি আবার তিহার জেলে গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। এরপর ২০ জুন দিল্লির রাউস এভিনিউ আদালত কেজরিওয়ালের স্থায়ী জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছিল। ইডির তরফে বৃহস্পতিবার কেজরিওয়ালের (Kejriwal) জামিন ৪৮ ঘন্টা পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করা হলেও বিচারক এক লক্ষ টাকার বন্ধে জামিন দিয়েছিলেন। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে দেওয়া জামিনের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্ট আবেদন করেছিল ইডি। আবগারি দুর্নীতি মামলায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী একশো কোটি টাকার ঘুষ (Delhi Liquor Scam)  চেয়েছিলেন বলেও হাইকোর্টকে জানায় তদন্তকারী সংস্থা। এবং বেআইনি আর্থিক লেনদেন প্রতিরোধ আইন আইনের ৪৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী জামিনের বিরোধিতা করে জমা দেওয়া নথিগুলি যথাযথভাবে রাউস এভিনিউ আদালতের বিচারক যথাযথভাবে বিবেচনা করেননি বলে অভিযোগ জানানো হয়।

    আরও পড়ুন: আজ থেকে রাঁচিতে বসছে আরএসএস-এর সর্বভারতীয় বৈঠক, চলবে তিনদিন

    এরপর ২৫ জুন এদের আবেদন মেনে বিচারপতি সুধীর কুমার জৈন এবং বিচারপতি রবীন্দ্র দুদেজার অবকাশকালীন বেঞ্চ জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয়। জামিনের আবেদন খারিজ হতেই ২৫ জুন তিহারে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর জেলবন্দি কেজরিকে নিজেদের হেফাজতে নেয় দিল্লি আবগারি দুর্নীতি মামলায় অপর তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share