Tag: Madhyom

Madhyom

  • Narendra Modi: ৪১ বছর পরে অস্ট্রিয়া সফরে ভারতের রাষ্ট্রপ্রধান, ভিডিও প্রকাশ করলেন মোদি

    Narendra Modi: ৪১ বছর পরে অস্ট্রিয়া সফরে ভারতের রাষ্ট্রপ্রধান, ভিডিও প্রকাশ করলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৪১ বছর পরে অস্ট্রিয়া সফরে গেলেন কোনও ভারতীয় রাষ্ট্রপ্রধান। তাঁর এই সফরে ভারত ও অস্ট্রিয়ার বন্ধুত্ব এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছবে, এমন বার্তাও দিতে শোনা গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। সম্প্রতি, দুদিনের সফরে রাশিয়া ও অস্ট্রিয়া যান তিনি। বুধবারই অস্ট্রিয়াতে প্রবাসী ভারতীয়দের উদ্দেশে ভাষণও দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। অস্ট্রিয়া সফরের নানা মুহূর্তের ছবি-ভিডিও নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টও করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তাঁর দুদিনের সফরে তিনি কোন কোন কর্মসূচিতে (Modi visits Vienna) যোগ দিয়েছেন সে কথাও নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন প্রধানমন্ত্রী।

    ভিয়েনায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে আমি অত্যন্ত খুশি 

    মোদির (Narendra Modi) ওই এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে দেখা যাচ্ছে, অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর মোদির সঙ্গে সেলফি তুলছেন। তাঁদের একান্ত আড্ডার মুহূর্তের ছবিও ধরা পড়েছে ভিডিওতে। অস্ট্রিয়া সফর শেষে সেদেশের চ্যান্সেলরকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী। অস্ট্রিয়া সফরকে ঐতিহাসিক বলে আখ্যায়িত করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, “অস্ট্রিয়া সফর ঐতিহাসিক। দুই দেশের বন্ধুত্ব আরও একধাপ এগোল। ভিয়েনায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে আমি অত্যন্ত খুশি।”

    অস্ট্রিয়াতেও মোদি-মোদি (Narendra Modi) ধ্বনি

    বুধবারই ভিয়েনায় এক বিশেষ কমিউনিটি ইভেন্টে যোগ দেন তিনি। সেখানে গিয়ে তিনি জানান, ৭৫ বছর পূর্ণ হল ভারত ও অস্ট্রিয়ার বন্ধুত্বের। প্রধানমন্ত্রী মঞ্চে ওঠার পরই চারপাশ থেকে ‘মোদী-মোদী’ (Narendra Modi) ধ্বনি শোনা যায়। শুধু এই অনুষ্ঠান নয়, অস্ট্রিয়ায় একাধিক নেতার সঙ্গে দেখা করেছেন তিনি। এর পাশাপাশি তাঁর সঙ্গে কথা হয়েছে শিল্পপতিদেরও। প্রসঙ্গত, ভিয়েনার (Modi visits Vienna) আগে মস্কো যান মোদী। সেখানে ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kamarhati: পুরসভার অনুমতি ছাড়াই জমি দখল করে অট্টালিকা! জয়ন্তর আরও কীর্তি প্রকাশ্যে

    Kamarhati: পুরসভার অনুমতি ছাড়াই জমি দখল করে অট্টালিকা! জয়ন্তর আরও কীর্তি প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কামারহাটি (Kamarhati) পুরসভার আড়িয়াদহে রাজত্ব চালাত জয়ন্ত সিং। তাঁর মুখের ওপর কথা বলার সাহস পর্যন্ত কারও ছিল না। ক্লাবে নিয়ে এসে নৃশংস অত্যাচার করার পাশাপাশি জমি দখলও করত জয়ন্তর বাহিনী। এমনকী নিজেও একটি জমি দখল করে অট্টালিকা তৈরি করছিল। পুরসভার অনুমতি নেওয়ার পর্যন্ত প্রয়োজন বোধ করেননি। আর জয়ন্তকে ঘাঁটানোর সাহস দেখাননি কেউ। জয়ন্ত গ্রেফতার হতেই তাঁর বেআইনি অট্টালিকা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    জমি দখল করে অট্টালিকা (Kamarhati)

    জানা গিয়েছে, শাসকদলের মদতেই নাকি অন্যের জমি (Kamarhati) রাতারাতি দখল করে সেখানে নির্মাণ কাজ শুরু করেন জয়ন্ত সিং। বছর খানেকের মধ্যেই সেই বিলাসবহুল বাড়ির নির্মাণ কাজ শেষ হয়। বাড়ির প্রতিটি কোণ বিদেশি মার্বেল এবং কাঁচ দিয়ে মোড়া। রয়েছে দুষ্প্রাপ্য পাথরও। চোখ ধাঁধানো তিনতলা এই বাড়িতে কী নেই! দামি টিভি, ফ্রিজ, এসি থেকে আমোদ-প্রমোদের সমস্ত উপকরণই রয়েছে। আছে কয়েক লক্ষ টাকার মাহিন্দ্রা থর-এর মতো গাড়িও। ইতিমধ্যে বাইরের অংশে সিসিটিভি বসানো হয়ে গেলেও ভিতরে এখনও চলছে কাজ।

    আরও পড়ুন: শীতলকুচিতে তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে ছোড়া হল বোমা! রক্তাক্ত বিজেপি কর্মীর দুই মেয়ে

    তৃণমূল নেতার বাড়ি ভাঙচুর করে জয়ন্তর বাহিনী

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক বছর আগেও বাড়ি তৈরির জায়গাটি (Kamarhati) ছিল জঙ্গলে ভরা। তারপর গত বছর সেখানে অট্টালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়। একবছরের মধ্যেই নাকি বাড়িটি তৈরি হয়ে যায়। তবে এই বাড়ি তৈরি নিয়েও একাধিক অভিযোগ উঠেছে। পুকুরের অনেকটা অংশ বুজিয়ে বাড়ি তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বাড়ি তৈরির কোনও বৈধ অনুমতিও পুরসভার থেকে নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। তৃণমূলের (Trinamool Congress) প্রাক্তন কাউন্সিলর সুবীর বসু বলেন, বেআইনি নির্মাণ করছিল। বিষয়টি আমি মুখ্যমন্ত্রীকে জানাব বলেছিলাম। জয়ন্তর বাহিনী আমার বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছিল। আসলে ওর মাথায় (Trinamool Congress) কারও হাত ছিল বলেই ওর এত সাহস বেড়ে গিয়েছিল। কেউ ওর ভয়ে কথা বলার সাহস দেখাতো না। ফলে, পুরসভার অনুমতি ছাড়াই রমরমিয়ে সে অট্টালিকা তৈরি করছিল।

    জয়ন্তর আরও এক শাগরেদ গ্রেফতার

    জয়ন্ত কাণ্ডে ইতিমধ্যেই ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এবার বেলঘরিয়ার আড়িয়াদহে একটি ক্লাবের ভিতরে এক কিশোরকে বিবস্ত্র করে সাঁড়াশি দিয়ে যৌনাঙ্গ টেনে ধরার ঘটনা ভাইরাল হওয়ার ঘটনায় এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল বেলঘরিয়া থানার পুলিশ। ধৃতের নাম প্রসেনজিৎ দাস ওরফে লাল্টু। বুধবার রাতে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে। বৃহস্পতিবার তাকে বারাকপুর মহাকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। উল্লেখ্য, আড়িয়াদহ তালতলা স্পোর্টিং ক্লাবের কিশোরের ওপর যে নির্মম অত্যাচারের ভিডিও সামনে এসেছে তাতে এই লাল্টুকেই দেখা গিয়েছিল সাঁড়াশি দিয়ে ওই কিশোরের যৌনাঙ্গ টেনে ধরতে। লাল্টু জয়ন্ত ওরফে জায়ান্ট সিংয়ের শাগরেদ বলেই জানা গিয়েছে। তবে তার সঙ্গে সেসময় আর কারা কারা উপস্থিত ছিল এবং তাদের ভূমিকা কি ছিল সেদিকটিও পুলিশ ধৃতকে জেরা করে জানার চেষ্টা করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Anant Radhika Wedding: আজ অনন্ত-রাধিকার বিয়ে, আম্বানি পরিবারের মেনুতে সোনায় মোড়ানো পান!

    Anant Radhika Wedding: আজ অনন্ত-রাধিকার বিয়ে, আম্বানি পরিবারের মেনুতে সোনায় মোড়ানো পান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেজে উঠেছে জিও গার্ডেন। আজ শুক্রবার সেখানেই বিয়ের আসর বসছে অনন্ত আম্বানি-রাধিকা মার্চেন্টের। ইতিমধ্যেই অতিথিরা আসতে শুরু করেছেন। প্রাক-বিবাহের অনুষ্ঠানের যেখানে এত চমক ছিল, সেখানে বিয়েতে যে আরও ধুমধাম হবে, তা জানাই ছিল সকলের। এবার অনন্ত আম্বানি-রাধিকা মার্চেন্টের বিয়েতে মেনু থেকে শুরু করে অতিথিদের রিটার্ন গিফট কী থাকছে, সেই খবর প্রকাশ্যে এল। মুম্বইতে বিয়ে হলেও, বারাণসীর গলি থাকবে অনন্ত-রাধিকার বিয়েতে। বিয়ে ও রিসেপশনের অনুষ্ঠানে বসানো হচ্ছে বিশেষ চাট সেন্টার। সরাসরি বারাণসী থেকে উড়িয়ে আনা হচ্ছে কারিগরদের। কাশী চাট ভান্ডার থেকে টমেটো চাট, পালং শাক, আলু টিক্কি এবং চানা কচুরি পরিবেশন করা হবে অতিথিদের বিশেষ কুলহার বা মাটির ভাঁড়ে অতিথিদের খাবার পরিবেশন করা হবে। এখানেই শেষ নয়। অনন্ত-রাধিকার বিয়েতে অতিথিদের মিষ্টিমুখও করানো হবে বারাণসীর বিখ্যাত মিষ্টি দিয়েই। ‘ক্ষীর সাগর’ নামক একটি নামকরা মিষ্টি বিক্রেতার দোকান থেকে ক্ষীর কদম আনানো হচ্ছে। এছাড়া বারাণসীর বিখ্যাত রামচন্দর পান ভান্ডার থেকে ‘বেনারস গলি’তে অতিথিদের পান দিয়ে মুখশুদ্ধি করানো হবে। যাঁরা পান তৈরি করবেন, তাঁরাও ইতিমধ্যে মুম্বই পৌঁছে গিয়েছেন। তবে এর সব চেয়ে বড় বিশেষত্ব হলপ্রতিটি পান সোনায় মোড়ানো থাকবে। 

    অনন্ত-রাধিকার সঙ্গীত অনুষ্ঠান

    মুম্বইয়ে আয়োজিত হয়েছিল অনন্ত-রাধিকার সংগীত অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠানেই উপস্থিত ছিলেন দেশ-বিদেশের তারকারা। মঞ্চ মাতান আলিয়া, রনবীর থেকে শুরু করে জাস্টিন বিবার। শুধু তাই নয় শাহরুখের ছবি ‘ওম শান্তি ওম’-এর টাইটেল ট্র্যাকে নেচে উঠেছিল গোটা আম্বানি পরিবার। ঘন্টা দুয়েকের জন্য মঞ্চ কাঁপিয়ে দিলেন জাস্টিন বিবার। স্টেজে দেখা মিলল আলিয়া ভাট, রণবীর কাপুর, সলমন খান, মাধুরী দীক্ষিত, ভিকি কৌশলদেরও। ‘তু ঝুটি ম্যায় মক্কার’ এর  সুপার হিট গান ঠুমকা গানে  নাচতে দেখা গেল হবু দম্পতিকে

    আম্বানিদের নতুন অনুষ্ঠান

    মশালু সেলিব্রেশন আর সংগীত অনুষ্ঠানের পর এবার নতুন অনুষ্ঠানে মাতেন আম্বানিরা। রাধিকা ও অনন্তের বিয়ের উপলক্ষে হয়ে গেল গ্রহ-শান্তি পুজো। রবিবারই অ্যান্টিলিয়াতে জাঁকজমক করে হয় এই অনুষ্ঠান। এদিনও বলিউডের এক ঝাঁক তারকা উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানে। ট্র্যাডিশনাল লুকে ধরা দিলেন হব দম্পতি। গোল্ডেন কালার শাড়ির সঙ্গে মানানসই গয়নায় হাজির হয়েছিলেন রাধিকা। সেই সঙ্গে লাল কুর্তার সঙ্গে গোল্ডেন জ্যাকেটে ধরা দেন অনন্ত।

    অনন্ত-রাধিকার গায়ে হলুদে চাঁদের হাট

    মশালু সেলিব্রেশন আর সংগীত অনুষ্ঠানের পর নতুন অনুষ্ঠানে মাতেন আম্বানিরা । মুম্বইতে হয় অনন্ত ও রাধিকার গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান। এদিনও বলিউডের এক ঝাঁক তারকা উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানে। হলুদ রঙের কুর্তাতে দেখা যায় রনবীর সিং ও সলমন খানকে। হলুদ শাড়িতে হাজির হয়েছিলেন জাহ্নভি কাপুর, পিচ কালারের চুড়িদারে নজর কাড়েন অনন্যা পাণ্ডে। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন সারা আলি খান, অর্জুন কাপুরের মতো একাধিক বলি সেলেব।

    ফুলের সাজে রাধিকা

    গায়ে হলুদে লেহেঙ্গাতে সেজে ওঠেন রাধিকা। সেই সঙ্গেই ফুলের গয়নায় সাজিয়েছেন নিজেকে। কিন্তু এক অভিনব স্টাইল স্টেটমেন্ট নিয়ে হাজির হয়েছেন রাধিকা। বিশেষত্ব ছিল তাঁর লেহেঙ্গার ওড়নাতে। ওড়নাটি তৈরি হয়েছিল বেলফুল ও গাঁদা ফুল দিয়ে। জুঁই ফুলের ওড়ানায় হলুদ গাদার বর্ডার আর তাতেই অপরূপ হয়ে উঠেছিলেন রাধিকা। ছবিটি প্রকাশ্যে আসতেই মুগ্ধ নেট নাগরিকরা।

    আরও পড়ুন: রাম সেতুর রহস্য ফাঁস! সমুদ্রের নীচের মানচিত্র প্রকাশ্যে আনলেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা

    অনন্ত-রাধিকার বিয়ের রিটার্ন গিফট

    বিশেষ অতিথিদের জন্য থাকছে রিটার্ন গিফট। জানেন কী কী সেই স্পেশাল গিফট? ভিভিআইপি অতিথিরা পেতে চলেছেন, কয়েক কোটি টাকা দামের ঘড়ি। তবে শুধু ভিভিআইপিরা নন বাকি অতিথিদের জন্য কাশ্মীর এবং বেনারস থেকে থেকে আনা হচ্ছে শাল ও বেনারসি শাড়ি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Union Budget 2024: বাজেটের আগে বিশেষ বৈঠক, অর্থনীতিবিদদের থেকে পরামর্শ নিলেন মোদি

    Union Budget 2024: বাজেটের আগে বিশেষ বৈঠক, অর্থনীতিবিদদের থেকে পরামর্শ নিলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  দেশে ফিরেই কাজ শুরু করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দেশের অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে বৈঠকে বসলেন প্রধানমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। আসন্ন বাজেট (Union Budget 2024) নিয়ে পরামর্শ নিতে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে বৈঠক করেন তাঁরা। কেন্দ্রীয় সরকারের এক শীর্ষ আধিকারিক একথা জানান৷ অর্থনীতিবিদরা ছাড়াও এই জরুরি বৈঠকে ছিলেন বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞরা৷ নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্য়ান সুমন বেরি ও অন্য সদস্য়রা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

    কী নিয়ে বৈঠক (Union Budget 2024) 

    আগামী ২৩ জুলাই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন ২০২৪-২৫ আর্থিক বছরের বাজেট (Union Budget 2024) পেশ করবেন লোকসভায় ৷ তাঁর আগে উন্নত ভারত গড়ার লক্ষ্যে দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)। এদিনে এই বৈঠকে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। অর্থনীতিবিদদের পরামর্শ মতোই বাজেটে বরাদ্দ করা হবে বলে জানান, নির্মলা। ওই বৈঠকে ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী রাও ইন্দ্রজিৎ সিং, মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টা ভি অনন্ত নাগেশ্বরণ ৷ অর্থনীতিবিদের মধ্যে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম হল সুরজিৎ ভাল্লা ও অশোক গুলাটি ৷ বর্ষীয়ান ব্যাংকার কেভি কামাথও এ দিনের বৈঠকে হাজির ছিলেন৷

    আরও পড়ুন: মেড ইন ইন্ডিয়ার সাফল্য! প্রথম বার স্নাইপার রাইফেল রফতানির বরাত পেল ভারত

    প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটের অপেক্ষা (Union Budget 2024) 

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) রাশিয়া ও অস্ট্রিয়া, দুই দেশের সরকারি সফর শেষ করে এদিন সকালেই নয়া দিল্লি পৌঁছন। বাজেট (Union Budget 2024) নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনা শুরু করেছে৷ কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনও এই নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছেন৷ তিনিও অর্থনীতিবিদ ও শিল্পজগতের লোকজনের সঙ্গে বৈঠক করেন ৷ বিভিন্ন মহল থেকে সাধারণ মানুষকে সুরাহা দেওয়ার জন্য করছাড়ের দাবি জানানো হয়েছে৷ এর মাধ্যমে মূল্যবৃদ্ধিতে রাশ টানা যাবে ও অর্থনৈতিক বৃদ্ধি গতি পাবে বলে বিশেষজ্ঞদের মত৷ তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর মোদি সরকারের এটাই প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এই বাজেট নিয়ে দেশবাসীর আকাঙ্খা সীমাহীন। ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তোলার দিকনির্দেশ এই বাজেটে থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা ৷

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: ৫০ লক্ষ টাকা তোলা না পেয়ে মালদায় বেসরকারি বিএড কলেজে তালা! অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    Malda: ৫০ লক্ষ টাকা তোলা না পেয়ে মালদায় বেসরকারি বিএড কলেজে তালা! অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতার দাদাগিরিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন মালদার (Malda) বেসরকারি বিএড কলেজের মালিক। তৃণমূল নেতা নিজের দাপট দেখাতে বিএড কলেজে তালাও ঝুলিয়েছেন। যদিও পরে পুলিশ প্রশাসনকে বলার পর কলেজ গেটে তালা খোলা হয়। তবে, তৃণমূল নেতার কারণে চরম আতঙ্কে রয়েছেন বিএড কলেজের মালিক।

    ৫০ লক্ষ টাকা তোলা দাবি তৃণমূল নেতার (Malda)

    জানা গিয়েছে, তোলার টাকা না পেয়ে এক বেসরকারি বিএড কলেজের গেটে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে মালদা (Malda) জেলার মোথাবাড়ি বিধানসভার সংখ্যালঘু সেলের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা নাসির আহমেদ ওরফে ভাস্করের বিরুদ্ধে। বিএড কলেজের মালিক মাজেদ আলি বলেন, তৃণমূল নেতা নাসির আহমেদ আমার কাছে ৫০লক্ষ টাকা তোলা চান। আমি তা দিতে অস্বীকার করায় এই মাসের এক তারিখে ওই নেতার নেতৃত্বে আমার ওপর হামলা চালানো হয়। আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেন। বিষয়টি গুরুত্ব দিইনি। এবার মালদা থানায় মাধাইপুর এলাকায় অবস্থিত আমার বিএড কলেজে ভাঙচুর করে এবং  গেটে তালা মেরে দেয়। এরপর আমি পুলিশের দারস্থ হই। গেটের তালা ভেঙে বিএড কলেজটি দখলমুক্ত করি। তবে, ঘটনার পর চরম আতঙ্কে রয়েছি। যদিও অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেস নেতাকে বারংবার ফোন করা হয়। কিন্তু, ফোনে তাঁকে পাওয়া যায়নি। ইতিমধ্যে এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে মালদা জেলার পুলিশ প্রশাসন।

    আরও পড়ুন: শীতলকুচিতে তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে ছোড়া হল বোমা! রক্তাক্ত বিজেপি কর্মীর দুই মেয়ে

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি নেতা অজয় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, বাংলাজুড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে (Trinamool Congress) নেতারা এমন দাদাগিরি করে চলেছে। কল কারখানা থেকে যে কোনও প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষকে হুমকি দিয়ে তোলাবাজি করা তৃণমূল কংগ্রেসের এখন রেওয়াজ। আমরা দোষীর শাস্তি দাবি করছি। তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Congress) মালদা জেলার মুখপাত্র আশিস কুণ্ডু বলেন, দল এমন তোলাবাজি বা দাদাগিরি করার অনুমতি দেয় না। কেউ যদি দলের নাম করে এই সব করে তবে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। দল কোন হস্তক্ষেপ করবে না।  

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Malda: ‘কাটমানি’ না দেওয়ায় সরকারি কর্মীর রোষানলে ছাত্রী, বিবাহিত দেখিয়ে কন্যাশ্রী থেকে নাম বাতিল!

    Malda: ‘কাটমানি’ না দেওয়ায় সরকারি কর্মীর রোষানলে ছাত্রী, বিবাহিত দেখিয়ে কন্যাশ্রী থেকে নাম বাতিল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাটমানি না দেওয়ায় সরকারি কর্মীর রোষানলে ছাত্রী। কন্যাশ্রী ফর্ম বাতিলের অভিযোগ উঠেছে। বিডিও থেকে শুরু করে রতুয়া থানায় নালিশ জানিয়েও লাভ হয়নি। এরপর দ্বারস্থ হয়েছেন জেলা শাসকের কাছে। অবশেষ চাপে পড়ে বিডিও জানিয়েছেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে ওঁই সরকারি কর্মীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে মালদায় (Malda)।

    বিবাহিত বলে রিপোর্ট দেন সরকারি কর্মচারী (Malda)!

    মালদার (Malda) চাঁদমণি ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের এক কর্মী, কন্যাশ্রী প্রকল্পের ফর্ম ভেরিফিকেশনের সময় কাটমানি দাবি করেন। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় আবেদনকারী ছাত্রীকে বিবাহিত দেখিয়ে কন্যাশ্রী প্রকল্পের ফর্ম বাতিল করে দেওয়া হয়। এরপর ন্যায় বিচার চেয়ে বিডিও-র কাছে আবেদন করেছেন ছাত্রী। ছাত্রীর নাম সুলতানা পারভিন, তিনি স্থানীয় জেএমও সিনিয়র মাদ্রাসার একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী। দেড় বছর আগেই সুলতানার বয়স ১৮ পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল। এরপর মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের কাছে কন্যাশ্রী প্রকল্পের কে-২ ফর্ম পূরণ করেছিলেন। এই ফর্ম ভেরি ফিকেশনের জন্য পাঠানো হয় স্থানীয় পঞ্চায়েত অফিসে। এই পঞ্চায়েত অফিস থেকেই ব্লক অফিসে কন্যাশ্রীর নাম পাঠানো হয়। সুলতানা অভিযোগ করে জানিয়েছেন, “পঞ্চায়েত থেকে আমাকে বিবাহিত বলে রিপোর্ট জমা করেছে। ফলে আমার ফর্ম বাতিল হয়ে গিয়েছে। এনিয়ে আমি বিডিওকে অভিযোগ দায়ের করেছি৷”

    আরও পড়ুনঃ মঙ্গলাহাটে প্রকাশ্যেই চলছে অবাধে ‘তোলাবাজি’, অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে

    মাদ্রাসা শিক্ষকের বক্তব্য

    মালদার (Malda) বাটনা জেএমও সিনিয়র মাদ্রাসার ভার প্রাপ্ত শিক্ষক আনওয়ারুল হক, বলেছেন, “ছাত্রীর কাছে সকল অভিযোগের কথা শুনে আমি, পঞ্চায়েত দফতরের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেছি। ছাত্রীকে কেন বিবাহিত হিসেবে দেখানো হল? আমি জানতে চেয়েছিলাম। তবে কোনও সঠিক উত্তর না পেয়ে ব্লক অফিসে আমি জানিয়েছি। কেন মেয়েটির নাম এই প্রকল্পে তোলা হল না ভেবে অবাক হলাম। তবে ছাত্রী অবিবাহিত হলেও এই বিষয়ে রিপোর্ট দেওয়ার অধিকার আমার নেই।” আবার বিডিও রাকেশ টোপ্পো বলেছেন, “অভিযোগ পেয়ে আমরা তদন্ত শুরু করেছি। তবে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আমরা উপযুক্ত শাস্তির বিষয়ে পদক্ষেপ নেবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ram Setu Secrets: রাম সেতুর রহস্য ফাঁস! সমুদ্রের নীচের মানচিত্র প্রকাশ্যে আনলেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা

    Ram Setu Secrets: রাম সেতুর রহস্য ফাঁস! সমুদ্রের নীচের মানচিত্র প্রকাশ্যে আনলেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও ভারতীয় বিজ্ঞানীদের সাফল্য। অ্যাডামস ব্রিজকেই ভারতীয়রা রাম সেতু হিসেবে চিহ্নিত করেন। এটি চুনাপাথরের তৈরি একটি সেতু যা শ্রীলঙ্কার মান্নার এবং তামিলনাড়ুর রামেশ্বরম বা পামবান দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত। এবার সেই রাম সেতুরই রহস্য (Ram Setu Secrets) ফাঁস করলেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা। নাসার (NASA) আইসিইস্যাট-২ (ICESat-2) স্যাটেলাইট ব্যবহার করে ইসরো (ISRO Scientists) রাম সেতুর একটি মানচিত্র তৈরি করেছে। ২০১৮ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৩ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ওই স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার করে রাম সেতুর নিমজ্জিত অংশের ওই মানচিত্র তৈরি করা হয়েছে।

    কী জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা? (ISRO Scientists) 

    এ প্রসঙ্গে ইসরোর যোধপুর এবং হায়দরাবাদ ন্যাশনাল রিমোট সেন্সিং সেন্টারের গবেষকরা জানিয়েছেন, সমুদ্রের নীচে ডুবে থাকা সেতুটি প্রাকৃতিকভাবেই তৈরি। রাম সেতু (Ram Setu Secrets) আসলে, ভারতের ধনুশকোডি থেকে শ্রীলঙ্কার তালাইমান্নার দ্বীপ পর্যন্ত সমুদ্রের নীচে স্থলভাগের ‘ধারাবাহিকতা’ বলে নিশ্চিত হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। সায়েন্টিফিক রিপোর্টে ইসরোর এই বিজ্ঞানীরা বলেছেন, “ধনুশকোডি এবং তালাইমান্নার দ্বীপের একটি নিমজ্জিত স্থলভাগের ধারাবাহিকতা হল রাম সেতু, আমাদের গবেষণার ফলাফলগুলি এই বিষয়ে আমরা নিশ্চিত হতে পেরেছি। রাম সেতুর দুই পাশে প্রায় ১.৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা অত্যন্ত ঢেউ খেলানো। অতি-অগভীর জলের মধ্যে আকস্মিক গভীর খাদ রয়েছে।”

    আরও পড়ুন: অস্ট্রিয়াতেও মোদি ম্যাজিক! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে মুগ্ধ পদার্থবিজ্ঞানী অ্যান্টন জেলিঙ্গার

    রাম সেতুর রহস্য উন্মোচন

    বিজ্ঞানীরা আরও জানিয়েছেন, রাম সেতুর (Ram Setu Secrets) কাঠামো বরাবর ১১টি সংকীর্ণ জলের চ্যানেল রয়েছে। এই চ্যানেলগুলি থেকেই মান্নার উপসাগর এবং পক প্রণালীর মধ্যে জল প্রবাহিত হয়। এই চ্যানেলগুলি থাকার জন্যই সমুদ্রের ঢেউয়ের থেকে রক্ষা পেয়েছে রাম সেতুর কাঠামো। এর আগে, স্যাটেলাইট থেকে রাম সেতুর সমুদ্রের উপরে উন্মুক্ত অংশগুলির মানচিত্র তৈরি করা হয়েছিল। এই এলাকার সমুদ্র অত্যন্ত অগভীর। কোথাও এক মিটার, কোথাও দশ মিটার গভীরতা। ফলে এই এলাকায় জাহাজে করে মানচিত্র তৈরি করা কঠিন। তাই নাসার স্যাটেলাইট থেকে সমুদ্রপৃষ্ঠে লেজার রশ্মি বাউন্স করিয়ে এই নয়া মানচিত্র তৈরি করা হয়েছে। সমুদ্রের জলে প্রায় ৪০ মিটার গভীর পর্যন্ত সমুদ্রতলের হদিশ দিতে পারে নাসার উপগ্রহের এই লেজার।

    রামসেতুর ইতিহাস

    রামায়নেও এই রামসেতুর (Ram Setu Secrets) উল্লেখ রয়েছে। রামায়ণের কাহিনি অনুসারে, শ্রীলঙ্কায় যাওয়ার জন্য বানরসেনার সাহায্যে সমুদ্রের উপর এই সেতু তৈরি করেছিলেন রাম। এছাড়াও বিভিন্ন ভূতাত্ত্বিক প্রমাণ থেকে জানা যায় যে এই আন্ডারওয়াটার অংশটি ভারত ও শ্রীলঙ্কার সঙ্গে যুক্ত একটি স্থল সেতু ছিল। খ্রীস্ট পূর্বাব্দ ৯ম শতাব্দীতে পারস্য নাবিকরা এটিকে ‘সেতু বান্ধাই’ নামে উল্লেখ করেন। যার অর্থ সমুদ্রের উপর একটি সেতু। তবে রামেশ্বরমের মন্দিরগুলির নথি থেকে জানা যায় সেতুটি ১৪৮০ সাল পর্যন্ত সমুদ্রের উপর ছিল, পরে একটি ঘূর্ণিঝড়ে এটি ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assam Government: বৃদ্ধ বাবা-মায়ের সঙ্গে সময় কাটান, কর্মীদের দু’দিনের বিশেষ ছুটি দিল অসম সরকার

    Assam Government: বৃদ্ধ বাবা-মায়ের সঙ্গে সময় কাটান, কর্মীদের দু’দিনের বিশেষ ছুটি দিল অসম সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়িতে বয়স্করা অনেক সময় একাকিত্বে ভোগেন। বাড়ির ছলে-বৌমা দুজনেই কর্মরত। নাতি-নাতনি ব্যস্ত পড়াশোনায়। বৃদ্ধ মানুষটির সঙ্গী হয় টিভি নইলে মোবাইল। তাই অনেক সময় বয়স্করা একাকিত্বে বোগেন। মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। বাবা-মা, শ্বশুড় শাশুড়ি বাড়ির বৃদ্ধ সদস্যের সঙ্গে সময় কাটাতে দুই দিনের বিশেষ ছুটি (Special Leave) দিল অসমে হিমন্ত বিশ্বশর্মার সরকার (Assam Government)।

    কবে কবে ছুটি (Assam Government)

    অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার (Assam Government) দফতর থেকে বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য বিশেষ ছুটির (Special Leave) ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী নভেম্বর মাসের ৬ এবং ৮ তারিখ ওই ছুটি পাওয়া যাবে। ছুটির উদ্দেশ্যের কথা মাথায় রেখে সরকার এ-ও জানিয়েছে, যে সমস্ত কর্মীর বাবা-মা কিংবা শ্বশুর-শাশুড়ি নেই, তাঁরা ওই ছুটি পাবেন না। অসম সরকারের অধীনে যে কর্মীরা জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের ক্ষেত্রে নিয়ম কিছুটা আলাদা। তাঁরা পর্যায়ক্রমে এই ছুটি নিতে পারবেন। কারণ, সকলে একসঙ্গে ছুটি নিলে জরুরি পরিষেবা থমকে যেতে পারে। উল্লেখ্য, সরকার দু’দিন ছুটি দিলেও হিসাব বলছে, ওই সময়ে পর পর পাঁচ দিন ছুটি পাবেন কর্মীরা। কারণ ৬ এবং ৮ নভেম্বরের মাঝে ৭ তারিখ রয়েছে ছট পুজো উপলক্ষে ছুটি। এ ছাড়া, ৯ তারিখ মাসের দ্বিতীয় শনিবার এবং তার পর রবিবারের ছুটি রয়েছে। টানা পাঁচ দিন ছুটি উপভোগ করতে পারবেন কর্মীরা।

    আরও পড়ুন: আজ বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস, জানেন এর ইতিহাস ও গুরুত্ব

    সরকারি বিবৃতি (Assam Government)

    ২০২১ সালে অসমে ক্ষমতায় এসেছিলেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Assam Government)। সে সময়েই এই বিশেষ ছুটির (Special Leave) ঘোষণা করা হয়েছিল। সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‘এই বিশেষ ছুটি শুধুমাত্র বয়স্ক বাবা-মা কিংবা শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গেই কাটাতে হবে। তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে, তাঁদের যত্ন করতে সময় দিতে হবে কর্মীদের। কেউ এই ছুটি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করতে পারবেন না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: “আমাকে ভোটে হারানো দলের বেইমান, গদ্দারদের জেলা ছাড়া করব”, হুঁশিয়ারি মন্ত্রী বিপ্লব মিত্রর

    Balurghat: “আমাকে ভোটে হারানো দলের বেইমান, গদ্দারদের জেলা ছাড়া করব”, হুঁশিয়ারি মন্ত্রী বিপ্লব মিত্রর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যারা আমাদের হারিয়ে দিয়েছে, সেই সব বেইমান, গদ্দারদের খুঁজে বের করুন। আমরা তাদের জেলা ছাড়া করব। ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভায় এভাবে হুঁশিয়ারি দিলেন ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র। মন্ত্রীর এই হুঁশিয়ারির জেরে বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভা কেন্দ্র জুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে।  

    একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা (Balurghat)

    সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে বালুরঘাট কেন্দ্রে প্রায় সাড়ে ১০ হাজার ভোটে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কাছে পরাজিত হয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র। ভোটে পরাজয়ের পর থেকে দলের গোষ্ঠী কোন্দলের দিকে আঙুল ওঠে। হারের কারণ নিয়ে দলের অন্দরে কাদা ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। কিন্তু এবার হারের কারণ নিয়ে প্রকাশ্যে ‘বেইমানদের’ খুঁজে বের করতে কর্মীদের নির্দেশ দিলেন মন্ত্রী। বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভার তপন রবীন্দ্র ভবনে ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা ডাকা হয়। সভায় হাজির হন ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র। এছাড়াও সেখানে উপস্থিত ছিলেন জেলা তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress) সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল, গঙ্গারামপুর পুরসভার পুরপ্রধান প্রশান্ত মিত্র, জেলা পরিষদের সভাধিপতি চিন্তামণি বিহা সহ অন্যন্যরা।

    ঠিক কী বলেছেন মন্ত্রী?

    দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিপ্লব মিত্র বলেন, হেরে গেলেও আমার ব্যক্তিগত কোনও ক্ষতি হয়নি। আমি মন্ত্রী ছিলাম। মন্ত্রী আছি। কিন্তু ক্ষতি হল দলের। আমরা এখানে জিতে গেলে বিজেপি দলটাকে তুলে দিতে পারতাম। বাংলায় বিজেপি টুকরো টুকরো হয়ে যেত। এই একটা সিটের এতটাই গুরুত্ব ছিল। বেইমানরা টাকা খেয়ে দলকে হারিয়ে দিল। সেজন্য ঐক্যবদ্ধ হয়ে আওয়াজ তুলে বেইমান, বিশ্বাসঘাতকদের চিহ্নিত করতে হবে। ওদের আমরা দলটা করতে দেব না। যাক না সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে গিয়ে দিল্লিতে থাকুক। যে কোনও মূল্যে আমাদের গঙ্গারামপুর, তপন বিধানসভা জিততে হবে। তাই জোর করে হারিয়ে দেওয়া আমরা আর মানব না। বিপ্লব মিত্র আরও বলেন, আমরা যেমন বলি বিজেপিকে বাংলা ছাড়া করব। আমরা এবার বেইমান, বিশ্বাসঘাতকদের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা ছাড়া করব।

    আরও পড়ুন: শীতলকুচিতে তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে ছোড়া হল বোমা! রক্তাক্ত বিজেপি কর্মীর দুই মেয়ে

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এই বিষয়ে বিজেপির জেলা সম্পাদক বাপি সরকার বলেন, এটা তৃণমূলের (Trinamool Congress) ব্যাক্তিগত ব্যাপার। দলের লোকেরা জানেন যে বিপ্লব মিত্র জিতলে জেলার কোনও লাভ হবে না, লাভ হবে তাঁর পরিবারের। তাই মানুষ ভালো বুঝে সুকান্ত মজুমদারকে ভোট দিয়েছেন। আর তিনি কাকে জেলা থেকে বের করবেন, সেটা তাঁর ব্যাপার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Protest in Bangladesh: সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থার প্রতিবাদে উত্তাল বাংলাদেশ

    Protest in Bangladesh: সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থার প্রতিবাদে উত্তাল বাংলাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা তুলে দেওয়ার দাবিতে বাংলাদেশ জুড়ে ছাত্র আন্দোলন (Protest in Bangladesh) চলছে। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ছাত্ররা অবরোধ শুরু করেছে। ঢাকার কমপক্ষে ৫০টি রাস্তা তিন দিন টানা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত স্তব্ধ ছিল, ঢাকার সঙ্গে গোটা দেশের রেল ও সড়ক যোগাযোগও সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ চাকরিতে সংরক্ষণ বা কোটা ব্যবস্থার (Quota System) উপর স্থগিতাদেশ দেয়। একইসঙ্গে পড়ুয়াদের রাস্তা ছাড়তে পরামর্শ দিয়েছে। কিন্তু নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা উচ্ছেদের দাবিতে আন্দোলনকারীরা টানা রেল ও সড়ক অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    বিতর্কিত কোটা ব্যবস্থা (Protest in Bangladesh)

    প্রসঙ্গত বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে ৫৬ শতাংশ আসন সংরক্ষিত (Quota System) এবং ৪৪ শতাংশ অসংরক্ষিত। এই ৫৬ শতাংশের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য ৩০ শতাংশ, মেয়েদের জন্য ১০ শতাংশ, বিভিন্ন জেলার জন্য ১০ শতাংশ, জনজাতিদের জন্য ৫ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ সংরক্ষিত পদ ছিল। এর আগেও ২০১৮ সালে কোটা-বিরোধী আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছিল। তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ জারি করে মুক্তিযোদ্ধার স্বজনদের জন্য ৩০ শতাংশ, নারীদের জন্য ১০ শতাংশ এবং জেলা খাতে ১০ শতাংশ সংরক্ষণ বাতিল করে দেন। রাখা হয় শুধু জনজাতিদের ৫ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধীদের ১ শতাংশ সংরক্ষণ। তখনকার মত আন্দোলন (Protest in Bangladesh) প্রত্যাহার করেন ছাত্ররা।

    মামলা এখন সুপ্রিম কোর্টে (Quota System)

    ৭ জন মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সদস্য ২০১৮ সালের সংরক্ষণ বাতিলের সরকারি নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ২০২১ সালে হাইকোর্টে যান। ৫ জুন হাইকোর্ট রায় দেয়, সরকারি নির্দেশ অবৈধ। নির্দেশ বাতিলের অর্থ ফের আগের মতো সংরক্ষণ ফিরে আসা। এর প্রতিবাদেই ফের আন্দোলনে (Protest in Bangladesh) নেমেছেন ছাত্ররা। তাঁরা দাবি করেন, স্থায়ী ভাবে সরকারি নিয়োগ থেকে সব ধরনের কোটা ব্যবস্থা বাতিল করতে হবে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সরকারের তরফে হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অ্যাপিল বিভাগে আবেদন করা হয়েছে। প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে অ্যাপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ বুধবার গোটা বিষয়টির উপর এক মাসের স্থগিতাদেশ দিয়েছে।

    আরও পড়ুন: “ভারত বিশ্বকে বুদ্ধ দিয়েছে, যুদ্ধ নয়”, অস্ট্রিয়ায় বললেন প্রধানমন্ত্রী

    সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ জানিয়েছে, হাই কোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হওয়ার পরে তা খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পরবর্তী শুনানি হবে ৭ অগস্ট। আন্দোলনকারীরা চাইলে এই মামলায় অংশ নিতে পারেন। কিন্তু অবিলম্বে তাঁদের রাস্তা ছেড়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরতে হবে এবং জনজীবনকে এভাবে অতিষ্ঠ করা চলবে না। সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিতে হবে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share