Tag: Madhyom

Madhyom

  • Jay Shah: বিশ্ব ক্রিকেটের শীর্ষস্থানে জয় শাহ, কীভাবে উপকৃত হবে ভারতের বাইশ গজ?

    Jay Shah: বিশ্ব ক্রিকেটের শীর্ষস্থানে জয় শাহ, কীভাবে উপকৃত হবে ভারতের বাইশ গজ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইসিসির মসনদে পা রেখেছেন জয় শাহ (Jay Shah)। তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের সর্বকনিষ্ঠ চেয়ারম্যান। বোর্ড সচিব হিসেবে ভারতীয় ক্রিকেটে বড় ভূমিকা রেখেছেন জয়। এ বার আইসিসির (ICC) দায়িত্বে এসে ক্রিকেটের আরও উন্নতি করার দায়িত্ব তাঁর কাঁধে। ক্রিকেট প্রশাসনের শীর্ষস্থানে এর আগেও চার ভারতীয় নিজেদের স্বাক্ষর রেখেছেন। এবার পালা জয়ের। তিনি বিশ্ব ক্রিকেটের মসনদ লাভ করায় ভারত আরও সুবিধা পাবে বলে মনে করছে ক্রিকেট মহল। তবে এখন কিন্তু শুধু ভারতীয় ক্রিকেট নয় বিশ্ব ক্রিকেটের উন্নতির কথা ভাবতে হবে তাঁকে এমনই দাবি আইসিসির অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির।

    ক্রিকেটে জয়-যাত্রা

    ১৯৮৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর গুজরাটে জয়ের জন্ম। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং সোনাল শাহের পুত্র তিনি। জয়ের ছোটবেলা কেটেছে গুজরাটেই। সেখানেই পড়াশোনা করেছেন। আমেদাবাদের নিরমা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিটেক করেন জয়। ২০০৯ সালে জিসিএ-র এক্সিকিউটিভ বোর্ডের সদস্য হয়েছিলেন তিনি। তারপর ২০১৩ সালে সহ-সচিব। বিসিসিআই-এর অন্দরে প্রথম পা রাখেন ২০১৫ সালে। হন ফিনান্স কমিটির সদস্য। এরপর ২০১৯-এ পান সচিবের দায়িত্ব। বর্তমানে দ্বিতীয় দফায় এই আসন সামলাচ্ছেন তিনি। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট নিযুক্ত হন জয়। এবার সেসব পিছনে ফেলে আইসিসি’র মসনদে বসছেন তিনি। নিউজিল্যান্ডের গ্রেগ বার্কলে জানিয়ে দিয়েছিলেন যে ৩০ নভেম্বরের পর আসন আর ধরে রাখতে চান না তিনি। তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময়সীমা ছিল ২৭ অগাস্ট অবধি। জয় শাহের (Jay Shah) বিরুদ্ধে কোনও প্রার্থী না দাঁড়ানোয় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরবর্তী সচিব হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

    ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ

    আইসিসির দায়িত্ব নেওয়ার পরই জয় শাহর প্রথম চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নির্বিঘ্নে আয়োজন করা। পাকিস্তান আগামী বছরের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজক। ২০০৮ সালের এশিয়া কাপের পর ভারতীয় ক্রিকেট টিম পাক সফরে যায়নি। জয় শাহ আইসিসি-র দায়িত্বে থাকায় ভারত কি পাকিস্তানে খেলতে যাবে? এখন এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে ক্রীড়া বিশ্বে। তবে এক্ষেত্রে ভারতের প্রতিরক্ষা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক বা কেন্দ্র সরকার যা সিদ্ধান্ত নেবে তাই চূড়ান্ত বলে জানিয়েছে বিসিসিআই। এখন জয় শাহ মধ্যস্থতা করে ভারতেকে পাকভূমে খেলাতে নিয়ে যেতে পারেন। আবার ভারত না চাইলে নিরপেক্ষ কোনও জায়গাতেও হতে পারে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। 

    ভারতে মহিলা ক্রিকেটের উন্নতি

    জয় শাহের নেতৃত্বে বিসিসিআই মহিলাদের ক্রিকেটের উন্নয়নের জন্য উইমেন্স প্রিমিয়ার লিগ (ডব্লিউপিএল) শুরু করেছিল, যা অত্যন্ত সফল। এই লিগ মহিলাদের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে চুক্তির পরিমাণ বাড়ায়, যা মেয়েদের ক্রিকেটে আসতে উৎসাহ দিয়েছে। শাহ ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের জন্য অভিন্ন ম্যাচ ফি প্রয়োগ করে খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করেছেন। এবার বিশ্ব ক্রিকেটের দায়িত্ব নিয়ে তিনি যে মহিলা ক্রিকেটের আরও উন্নতির চেষ্টা করবেন তা বলাই বাহুল্য।

    ঘরোয়া ক্রিকেটে গুরুত্ব

    জয় শাহ খেলোয়াড়দের ঘরোয়া ক্রিকেটকে অগ্রাধিকার দিতে উৎসাহিত করেন। ভারতের জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমি (এনসিএ) কে নতুনভাবে সাজিয়েছেন জয়। বর্তমানে অ্যাকাডেমিটি শ্রেষ্ঠত্বের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। আমদাবাদে প্রধানমন্ত্রীর নামাঙ্কিত নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি। জয় আইসিসি-র দায়িত্ব নিলেও তাঁর নজর যে সবসময় দেশের ক্রিকেটকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যাওয়ার দিকে থাকবে তা মনে করছে ক্রীড়ামহল।

    টেস্ট ক্রিকেটের উন্নতি

    আইসিসির চেয়ারম্যান হওয়ার পরে দিন-রাতের টেস্ট নিয়ে ইতিবাচক কথা বলেছেন শাহ। টেস্ট ক্রিকেটের উন্নতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “হতে পারে এখন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের রমরমা। কিন্তু আমাদের ভুললে চলবে না যে ক্রিকেটের ভিত হল টেস্ট। তাই সকলে যাতে ক্রিকেটের বড় ফরম্যাট খেলতে চায় সে দিকে নজর দিতে হবে। টেস্টকে আরও জনপ্রিয় করে তুলতে হবে। এখন টি-টোয়েন্টির মতো টেস্টেও দর্শকেরা মাঠ ভরাচ্ছেন। এটা ভাল ছবি। দিন-রাতের টেস্ট শুরু হয়েছে। সেটাও আকর্ষণীয়।” চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পরই জয়ের হাতে থাকবে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দায়িত্ব। গত দুবার বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠলেও জিততে পারেনি ভারত। এবার জয়ের অপেক্ষায় রোহিতরা।

    কবে দায়িত্বগ্রহণ

    আইসিসির কনিষ্ঠতম চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন ৩৫ বছরের জয় শাহ। এখন আইসিসির সদস্য সংখ্যা ১৬। মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর্বে জয়কে সমর্থন করেছিলেন ১৫ জন সদস্য। শুধু পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সমর্থন পাননি বিসিসিআই সচিব। জয় শুরুতেই অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ডের ক্রিকেট বোর্ডকে পাশে পেয়েছিলেন। পরে অন্য সদস্য দেশগুলির সমর্থন পেতেও সমস্যা হয়নি তাঁর। সব দেখেশুনে পিসিবি জয়ের বিরোধিতার রাস্তায় হাঁটেনি। আনুষ্ঠানিক ভাবে ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর দায়িত্ব গ্রহণ করবেন জয়। বোর্ড সচিব হিসেবে ভারতীয় ক্রিকেটে বড় ভূমিকা রেখেছেন জয়। ২০২২ সালে তাঁর আমলেই আইপিএলের মিডিয়া স্বত্ব রেকর্ড ৪৮,৩৯০ কোটি টাকায় বিক্রি হয়। এই চুক্তির পরেই আইপিএল বিশ্বের দ্বিতীয় সবচেয়ে মূল্যবান ক্রীড়া লিগে পরিণত হয়। এবার বিশ্ব ক্রিকেটে সফল প্রশাসক হিসেবে একজন ভারতীয়ের ‘জয়’যাত্রার অপেক্ষায় ক্রিকেট অনুরাগীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Rape-Murder: সহকর্মীর হত্যার বিচারের দাবিতে সিবিআই দফতরে অভিযানের ডাক

    RG Kar Rape-Murder: সহকর্মীর হত্যার বিচারের দাবিতে সিবিআই দফতরে অভিযানের ডাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Rape-Murder) হত্যাকাণ্ডে মৃত মহিলা চিকিৎসকের ন্যায় বিচারের দাবিতে শনিবার মহামিছিলের ডাক দিলেন ডাক্তাররা। আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা বলেন, “আমাদের সহকর্মীর নৃশংস নির্মম খুনের প্রতিবাদে মহামিছিল করে অভিযান হবে সিবিআই দফতর (CBI office) পর্যন্ত। ইতিমধ্যেই ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যের জেলায় জেলায় একাধিক সামাজিক রাজনৈতিক সংগঠন সোচ্চার হয়েছে। চারিদিকে একটাই দাবি, দোষীর শাস্তি চাই। বিজেপির পক্ষ থেকে আগামী ১ সেপ্টেম্বর কলেজ স্ক্যোয়ার থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে।

    ‘সিবিআইকে তথ্য-নথি দেব'(RG Kar Rape-Murder)

    ইতিমধ্যে কলকাতার রাস্তায় প্রতিবাদ বিক্ষোভে (RG Kar Rape-Murder) শামিল হয়েছেন ডাক্তাররা। আরজি কর হাসপাতালেও তাঁদের বিক্ষোভ ধর্না জারি রয়েছে। ডাক্তার মানস গুমটা বলেন, “সারা রাজ্য থেকে কয়েক হাজার ডাক্তার শনিবার মিছিলে আমাদের সঙ্গে যোগ দেবেন। আমরা অভয়ার দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চাই। সেই সঙ্গে ধর্ষক এবং খুনিরা যাদের ছত্রছায়ায় ছিল, তাদের কঠোর সাজা চাই। এই দাবি নিয়ে আমরা পদযাত্রা করব। মিছিল করে সিজিও কমপ্লেক্স (CBI office) পর্যন্ত যাব। তবে যদি আমাদের সিবিআই অফিসারদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ থাকে, তাহলে আমরা কথা বলব। আমাদের কাছে যা তথ্য এবং নথি রয়েছে, তা আমরা তুলে দেওয়ারও চেষ্টা করব।”

    আরও পড়ুনঃ আরজি করে ভুল প্রক্রিয়ায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে! দাবি সিবিআইয়ের, প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা?

    ২০ দিন ধরে কর্মবিরতি পালন

    ইতিপূর্বে জুনিয়র ডাক্তাররা সহকর্মীর নির্মম হত্যার (RG Kar Rape-Murder) বিরুদ্ধে সিজিও কমপ্লেক্সে অভিযান করেছিলেন। জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অব ডক্টরস আরজিকর হাসপাতালে প্ল্যাটিনাম জুবলি বিল্ডিংয়ের সামনে ধর্নায় বসেছিল। স্বাস্থ্য ভবন অভিযান হয়েছিল। সরকার পক্ষের সঙ্গে আশানুরূপ কোনও আলোচনা হয়নি বলেই দাবি। এবার ন্যায় বিচার এবং দোষীদের শাস্তির দাবিতে সিবিআই দফতর (CBI office) অভিযান করবেন চিকিৎসকরা। এদিকে, টানা ২০ দিন ধরে জুনিয়র ডাক্তাররা কর্মবিরতি পালন করে যাচ্ছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কাজে যোগদান করতে অনুরোধ করা হয়েছে তাঁদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 31 August 2024: প্রেমে অশান্তি মিটে যেতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 31 August 2024: প্রেমে অশান্তি মিটে যেতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) চক্ষুরোগ দেখা দিতে পারে।

    ২) মায়ের দিক থেকে কষ্ট পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিবাদ বাধতে পারে।

    ২) কপালে অপমান জুটতে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    মিথুন

    ১) অধিক খরচের জন্য চিন্তা বাড়বে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হতে পারে।

    ৩) সখ পূরণ হবে।

    কর্কট

    ১) শেয়ার বাজার নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) পেটের কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) চিকিৎসকের কাছে যেতে হতে পারে।

    সিংহ

    ১) সকাল থেকে শরীরে জড়তা বাড়তে পারে।

    ২) মাথার যন্ত্রণা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) মন শান্ত থাকবে না।

    কন্যা

    ১) প্রেমের ব্যাপারে মানসিক যন্ত্রণা বাড়তে পারে।

    ২) বাড়তি আয় করতে গিয়ে বিপদ ঘটতে পারে।

    ৩) প্রতিকূল দিন।

    তুলা

    ১) রাজনীতির লোকেদের একটু চিন্তার কারণ দেখা দিতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশযাত্রার সুযোগ আসতে পারে। 

    ৩) ধর্মস্থানে ভ্রমণ।

    বৃশ্চিক

    ১) প্রেমে অশান্তি মিটে যেতে পারে।

    ২) কোনও কারণে মনে ভীষণ সংশয় বা ভয় কাজ করবে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিন।

    ধনু

    ১) কাউকে কোনও ব্যাপারে কথা দেবেন না।

    ২) আধ্যাত্মিক বিষয়ে বিশেষ মনোযোগী হয়ে উঠবেন।

    ৩) আশা পূরণ হবে।

    মকর

    ১) গবেষণার কাজে সাফল্য লাভ।

    ২) খুব নিকট কোনও মানুষের জন্য দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    কুম্ভ

    ১) সখ মেটাতে গিয়ে বাড়তি খরচ হতে পারে।

    ২) কোনও বন্ধুর জন্য বিপদ থেকে উদ্ধার লাভ।

    ৩) সমাজের কাজে সুনাম পাবেন।

    মীন

    ১) মহিলাদের জন্য নতুন কিছু শুরু করার ভালো সময়।

    ২) কল্যাণকর কাজে কিছু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Rape-Murder: ঘটনার দিন কাকে কাকে ফোন? সন্দীপের বয়ানের সঙ্গে কল রেকর্ড মেলাচ্ছে সিবিআই

    RG Kar Rape-Murder: ঘটনার দিন কাকে কাকে ফোন? সন্দীপের বয়ানের সঙ্গে কল রেকর্ড মেলাচ্ছে সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Rape-Murder) ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে শুক্রবার ফের হাজিরা দিলেন প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh)। এদিন বেলা ১১টা নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সের সিবিআই দফতরে পৌঁছান তিনি। এই নিয়ে টানা ১৪ দিন সিবিআই দফতরের জেরার মুখোমুখি হলেন তিনি। গত ১৩ দিনে ১০০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে তদন্তকারী অফিসাররা জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে ইতিমধ্যে তাঁর বাড়িতেও তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছে।

    ঘটনার দিন কাকে কাকে ফোন করেন সন্দীপ (RG Kar Rape-Murder)?

    নির্যাতিতা চিকিৎসক তরুণীর মা-বাবা বারবার সাক্ষাৎকারে বলেন, “হাসপাতাল (RG Kar Rape-Murder) কর্তৃপক্ষ প্রথমেই বলেছে মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। বারবার আমরা জানতে চেয়েছি মেয়ের কী হয়েছে? কিন্তু হাসপাতাল থেকে কোনও স্পষ্ট করে উত্তর দেয়নি।” ওই দিন সন্দীপের (Sandip Ghosh) ভূমিকা কেমন ছিল তাই জানতে চায় সিবিআই। সন্দীপ অবশ্য তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, সকাল ১০টা নাগাদ বাড়িতে ছিলেন তিনি। সেই সময় হাসপাতাল থেকে সুমিত রায় তপাদার ফোন করেছিলেন। কিন্তু সেই সময় ফোন ধরতে পারেননি। এরপর কল ব্যাক করেন এবং জানতে পারেন দেহ উদ্ধার হয়েছে। এরপর হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দেন। এরপর পথে যেতে যেতেই টালা থানার ওসিকে এবং এমএসভিপিকে ফোন করেন। সেই সঙ্গে ফোন করেন রোগী কল্যাণ সমিতির সুদীপ্ত রায়কে। একইভাবে চেস্ট মেডিসিনের বিভাগীয় প্রধানকেও ফোন করেছিলেন তিনি। সকাল ১১টায় হাসপাতালে পৌঁছান। ঘটনারক্রমের সঙ্গে সিডিআর, টাওয়ার লোকেশন ইত্যাদির বিষয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্টও প্রশ্ন তুলেছে।

    আরও পড়ুনঃ আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে এবার পুজোর অনুদান প্রত্যাখ্যান কলকাতার ক্লাবের

    অধ্যক্ষ হিসেব সন্দীপ দুর্নীতিগ্রস্ত (Sandip Ghosh)

    চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের মামলার পাশাপাশি একইভাবে হাসপাতলে (RG Kar Rape-Murder) আর্থিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাঁর অধ্যক্ষ থাকাকালীন হাসাপাতালে দুর্নীতি হওয়ায় সন্দীপের দিকেই অভিযোগের আঙুল উঠেছে। ওই হাসপাতালের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি আদালতে বলেন, “অধ্যক্ষ হিসেব সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh) ব্যাপক ভাবে দুর্নীতিগ্রস্ত লোক। চিকিৎসায় জৈব বর্জ্য দুর্নীতি, সরকারি টাকার দুর্নীতি, ভেন্ডার নির্বাচনে দুর্নীতি, স্বজনপোষণ, নির্মাণে আইন ভেঙে টেন্ডার দেওয়া ইত্যাদি কাজ করেছেন।” সিবিআই এই সূত্র ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এর মধ্যে রবিবার তাঁর বাড়িতে আর্থিক অনিয়মের তদন্ত করার জন্য তল্লাশিও চালিয়েছিল সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: “পাকিস্তানের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন আলোচনার যুগ শেষ”, সোজাসাপটা জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: “পাকিস্তানের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন আলোচনার যুগ শেষ”, সোজাসাপটা জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পাকিস্তানের (Pakistan) সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন আলোচনার যুগ শেষ।” পাকিস্তানের প্রতি ভারতের বর্তমান অবস্থান বোঝাতে গিয়ে এ কথাই বললেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি বলেন, “কর্মের ফল ভোগ করতে হবে।” পাকিস্তান স্পনসর্ড সন্ত্রাসবাদের প্রতি ইঙ্গিত করে নয়াদিল্লির অবস্থান ফের স্পষ্ট করে দিলেন তিনি। বললেন, “সন্ত্রাস এবং আলোচনা এক সঙ্গে চলতে পারে না।”

    কী বললেন জয়শঙ্কর? (S Jaishankar)

    এর পরেই ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, “পাকিস্তানের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন আলোচনার যুগ শেষ। কর্মের ফল আছে।” শুক্রবার দিল্লিতে একটি বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে পাকিস্তান সম্পর্কে ভারতের অবস্থান ব্যাখ্যা করলেন বিদেশমন্ত্রী। এই অনুষ্ঠানেই তিনি বলেন, “যেহেতু জম্মু-কাশ্মীর এর সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাই বাতিল করা হয়েছে ৩৭০ ধারা। তাই এখন ইস্যু হল, আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে কীরকম সম্পর্ক স্থাপন করব।” সন্ত্রাসবাদ এবং আলোচনা যে এক সঙ্গে চলতে পারে না, এবং ভারত যে এর সঙ্গে কোনও কম্প্রোমাইজ করবে না, তা-ও স্পষ্ট করে দেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar)। 

    সন্ত্রাসের সঙ্গে আপোস নয়

    একইভাবে, পাকিস্তানের সঙ্গে ডিল করার ক্ষেত্রে ভারত যে নিষ্ক্রিয় হয়ে বসে থাকবে না, এদিন তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন জয়শঙ্কর। বলেন, “আমি আপনাদের এটা বলতে চাই যে, আমরা নিষ্ক্রিয় নই। ইতিবাচক বা নেতিবাচক, ঘটনাপ্রবাহ যেদিকেই গড়াক না কেন, আমরা প্রতিক্রিয়া দেব।” এর আগে ভারতের বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar) বলেছিলেন, “পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার প্রচেষ্টায় কেন্দ্র সন্ত্রাসবাদকে উপেক্ষা করতে পারে না।” তিনি বলেন, “পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদ শিল্পের পর্যায়ে চলে গিয়েছে।” ভারত আর এসব সহ্য করবে না বলেও জানান তিনি। ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, “পাকিস্তানের কৌশল হল ভারতকে আলোচনার টেবিলে আনতে গেলে হাতিয়ার করতে হবে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসকে। কিন্তু ভারত এই শর্তে রাজি নয়। ভারত ওই নীতিকে বর্তমানে বাতিল করে দিয়েছে।”

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানে এসসিও সম্মেলন, মোদিকে আমন্ত্রণ শরিফের, যোগ দেবেন কি প্রধানমন্ত্রী?

    এই অনুষ্ঠানেই বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও মুখ খুলেছেন জয়শঙ্কর। বলেন, “বর্তমানে সে দেশে যে সরকার রয়েছে, আমরা তার সঙ্গেই ডিল করব।” দুই পড়শি দেশের মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতা ও সহযোগিতার ওপরও জোর দেন তিনি। বলেন, “প্রতিবেশীরা সব সময়ই প্রহেলিকা। আমায় এমন একটা দেশের উদাহরণ আপনারা (Pakistan) দিতে পারেন, যেখানে দুই পড়শি দেশের মধ্যে চ্যালেঞ্জ নেই (S Jaishankar)?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: সম্পাদক সুরাবর্দির উত্তরসূরি! তাই কি হিন্দু নিধনের খবর চাপল ‘ঢাকা ট্রিবিউন’?

    Bangladesh Crisis: সম্পাদক সুরাবর্দির উত্তরসূরি! তাই কি হিন্দু নিধনের খবর চাপল ‘ঢাকা ট্রিবিউন’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) চলেছে হিন্দু নিধন যজ্ঞ। সে দেশের বেশ কিছু সংবাদপত্র সে খবর ‘চেপে’ গিয়েছে বলে অভিযোগ। পাছে সরকারের রোষে পড়তে হয়, তাই খবর চাপা হয়েছে বলে অভিযোগ। সরকারের ধামাধরা পত্রপত্রিকাগুলো তো আবার হিন্দুদের ওপর নির্যাতন হয়নি বলেই দাবি করেছে। এই তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশের দৈনিক ‘ঢাকা ট্রিবিউন’ও। সে দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর যে নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে, সেই নৃশংসতা হোয়াইটওয়াশ করতে চেষ্টার ত্রুটি করেনি ‘ঢাকা ট্রিবিউন’। বাংলাদেশে জনপ্রিয় এই দৈনিকের সম্পাদক পদে রয়েছেন জাফর শোভন (Zafar Sobhan)। তিনি হুসেন সইদ সুরাবর্দির বংশের উত্তরসূরী। এই সুরাবর্দিকে সবাই চেনেন ‘দ্য গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’-এর মাস্টারমাইন্ড হিসেবে। তাঁর জন্যই স্বাধীনতার আগে আগে প্রাণ খোয়াতে হয়েছিল অখণ্ড ভারতের বহু হিন্দুকে।

    ‘ঢাকা ট্রিবিউনে’র প্রতিবেদন (Bangladesh Crisis)

    গত ২৩ অগাস্ট, শুক্রবার একটা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় ‘ঢাকা ট্রিবিউনে’। শিরোনাম ছিল ‘টেন থিংস ইন্ডিয়া নিডস টু নো অ্যাবাউট বাংলাদেশ’। এই প্রতিবেদনে জাফর সে দেশে নৈরাজ্য ও অনাচারের পরিণতি হিসেবে হিন্দুদের ওপর হামলাকে যুক্তিযুক্ত বলে প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করেছেন। প্রতিবেদনের শুরুতেই তিনি লিখেছেন, ‘হিন্দুরা বিপদে নেই। হ্যাঁ, শেখ হাসিনার পালানোর পর প্রাথমিক বিশৃঙ্খলায় অল্প সময় দেশে অরাজকতা ও অনাচার ছিল। এবং হ্যাঁ, দুর্ভাগ্যবশত, যাদের টার্গেট করা হয়েছিল, তাদের মধ্যে হিন্দু সম্প্রদায়ের কিছু সদস্যও ছিল।’ নিজের দাবি সত্য বলে প্রতিপন্ন করতে ভারতের সঙ্গে তুলনা টেনেছেন ‘ঢাকা ট্রিবিউনে’র সম্পাদক। ভারতে এটি ‘রেগুলার ইভেন্ট’ বলে দাবি করেছেন তিনি। লিখেছেন, ‘এরকম সময় যাদের টার্গেট করা হয়েছে, তারা প্রায়ই সব চেয়ে ক্ষমতাহীন ও আমরা সবাই জানি দক্ষিণ এশিয়ায় দুঃখজনকভাবে সংখ্যালঘুরা সব সময়ই অরক্ষিত থাকে।’

    হিন্দুদের ওপর নৃশংসতার ঘটনা আড়ালের চেষ্টা 

    বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) হিন্দুদের ওপর নৃশংসতার ঘটনা আড়াল করতে পত্রিকা সম্পাদক উন্মত্ত মুসলমান জনতা দ্বারা সংঘটিত হিংসাকে রাজনৈতিক লক্ষ্যবস্তুর পরিণতি হিসেবে মানতে রাজি নন। হিন্দুদের ওপর হামলার ঘটনার নেপথ্যে যে ধর্মীয় উদ্দেশ্যই ছিল, তাও স্বীকার করেননি তিনি। সম্পাদক লিখেছেন, ‘হিন্দুরা যে গণহত্যার লক্ষ্যবস্তু ছিল, এটা সম্পূর্ণ ভুল। এটা ছিল বিপ্লবেরই একটা অংশ। তাদের লক্ষ্যবস্তু ও ক্ষমতাচ্যুত করা আসলে বিপ্লবেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল নিছকই একটি কল্পকাহিনি।’ বস্তুত, এর আগে প্রায় একই ধরনের কৌশল অবলম্বন করেছিল ব্রিটেনের জাতীয় সম্প্রচার সংস্থা বিবিসি। তারাও হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর আক্রমণকে লঘু করে দেখিয়েছিল বলে অভিযোগ।

    পরিস্থিতি শান্ত!

    হিন্দুদের ওপর সে দেশের মুসলমানরা কতটা সহমর্মী, তা প্রমাণ করতে ‘ঢাকা ট্রিবিউনে’র সম্পাদক (Zafar Sobhan) দেখানোর চেষ্টা করেছেন, কীভাবে বাংলাদেশে হামলাকারীদের হাত থেকে হিন্দুদের মন্দির রক্ষা করছেন মুসলমানরা, সেই ছবি। প্রতিবেদনে তিনি দাবি করেছেন, ‘পরিস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে শান্ত হয়েছে। হিন্দুদের ওপর হামলার পাশাপাশি কীভাবে হিন্দু-মুসলমান হাত ধরাধরি করে মন্দির রক্ষা করেছে, সেটাও উল্লেখযোগ্য বই কি!’ তাঁর দাবি, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা ভারতের চেয়ে ঢের বেশি সুরক্ষিত রয়েছেন। সংখ্যালঘুদের অধিকারের ক্ষেত্রে বিষয়গুলি বাংলাদেশে নিখুঁত নয় বলেও ওই প্রতিবেদনে স্বীকার করে নিয়েছেন ‘ঢাকা ট্রিবিউনে’র সম্পাদক।

    কিন্তু, প্রশ্ন হল, ভারতে যদি সংখ্যালঘুরা সুরক্ষিত না হন, তবে মুসলমান জনসংখ্যা কীভাবে বাড়ছে? স্বাধীনতার সময় যে দেশে মুসলমান জনসংখ্যা ছিল ৯.৮৪ শতাংশ, সেখানে ২০১১ সালের জনগণনায় দেখা গেল তাদের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৪.৯ শতাংশ। এটা কীভাবে হল, তার কোনও ব্যাখ্যা ওই প্রতিবেদনে নেই। যেমন ছিল না বাংলাদেশে কীভাবে দিন দিন কমছে হিন্দু জনসংখ্যা, তার কৈফিয়ত।

    জাফর শোভনের এই ‘মিথ্যাচারে’র কারণ

    জাফর শোভনের এই ‘মিথ্যাচারে’র কারণ রয়েছে বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের। মনে রাখতে হবে, জাফরের শরীরে বইছে ‘দ্য গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’-এর মাস্টারমাইন্ডের রক্ত। জাফর বাংলাদেশি সমাজকর্মী তথা আইনজীবী সালমা শোভনের ছেলে। এই সালমার সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে বাংলার ঘাতক হুসেন সইদ সুরাবর্দির। ১৯৪৬ সালের ৬ অগাস্ট কলকাতা চাক্ষুষ করেছিল ‘ডায়রেক্ট অ্যাকশন ডে’। মুসলিম লিগ নেতা মহম্মদ আলি জিন্নার নির্দেশে এটা কার্যকর করা হয়েছিল। এই সময় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সুরাবর্দি। তাঁর নির্দেশেই হিন্দুদের ওপর ব্যাপক অত্যাচার করে মুসলমানরা (Bangladesh Crisis)।

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানে এসসিও সম্মেলন, মোদিকে আমন্ত্রণ শরিফের, যোগ দেবেন কি প্রধানমন্ত্রী?

    সুরাবর্দির কীর্তি

    সুরাবর্দি মুসলমান জনতার উদ্দেশে উস্কানিমূলক বক্তৃতা দেন। হিন্দুদের আক্রমণ করতে উৎসাহিতও করেছিলেন তিনি। সুরাবর্দি পুলিশকে নিষ্ক্রিয় করে রেখেছিলেন বলে অভিযোগ। তাই অত্যাচারিত হয়ে, সাহায্য চাইলেও, হিন্দুদের ডাকে (Zafar Sobhan) সাড়া দেয়নি পুলিশ। প্রসঙ্গত, ‘ডায়রেক্ট অ্যাকশন ডে’-র সাফল্যে উৎসাহিত হয়ে কট্টরপন্থী মুসলমানরা নোয়াখালি হিংসার মতো হত্যাকাণ্ড চালাতে থাকে। সুরাবর্দির এই ‘ডায়রেক্ট অ্যাকশন ডে’-ই ইতিহাসে ‘দ্য গ্রেট কিলিং ডে’ হিসেবে বিখ্যাত (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • India’s Rail Network: ভারতে প্রায় ১০০ শতাংশ রেলপথের বৈদ্যুতিকরণ সম্পন্ন, যুক্তরাষ্ট্রে মাত্র ১%!

    India’s Rail Network: ভারতে প্রায় ১০০ শতাংশ রেলপথের বৈদ্যুতিকরণ সম্পন্ন, যুক্তরাষ্ট্রে মাত্র ১%!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় রেলের নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে রয়েছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রেল নেটওয়ার্ক হল ভারতীয় রেল। দেশের সমস্ত ব্রডগেজ লাইনে ইলেক্ট্রিফিকেশনের কাজ শেষ করতে উদ্যোগী ভারত। ভারতীয় রেলে ইলেক্ট্রিফিকেশন বা বৈদ্যুতিকরণের কাজ শুরু হয়েছিল ১৯২৫ সালে। তখন দেড় হাজার ভোল্ট ডিসি লাইনের বৈদ্যুতিক লাইন বসানো হয়েছিল। পরে তা তিন হাজার ভোল্টে রূপান্তরিত হয়। ১৯৫৭ সালে রেল মন্ত্রক সব বৈদ্যুতিক লাইনকে ২৫ কিলোভোল্ট এসি ট্রাকশনে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যমাত্র নেয়। দেশের প্রথম বিদ্যুৎ চালিত ট্রেন চলেছিল সেন্ট্রাল রেলওয়েতে। বম্বে টার্মিনাস (এখন ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস) থেকে কুরলা পর্যন্ত চলেছিল সেই ট্রেন। এখন দেশে অধিকাংশ ইলেক্ট্রিক ইঞ্জিন বা ইএমইউ ট্রেন চলে। গত কয়েক বছর ধরেই প্রতি বছর ৬ হাজার কিলোমিটার রেলপথে ইলেক্ট্রিফিকেশন করা হয়েছে।  বর্তমানে এটি ৯৬ শতাংশেরও বেশি বিদ্যুতায়িত। এর বিপরীতে, যুক্তরাষ্ট্রে এই হার মাত্র ১ শতাংশ!

    ভারতের নেট-জিরো লক্ষ্য

    ভারতীয় রেলওয়ে, ২০৩০ সালের মধ্যে নেট-জিরো অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে ১০০ শতাংশ ব্রডগেজ লাইন বৈদ্যুতিক করবে রেল। সম্প্রতি রেলের তরফে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই দেশের ৯৬ শতাংশ ব্রডগেজ লাইনে ইলেক্ট্রিফিকেশনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ৪ শতাংশ কাজও খুব শীঘ্রই শেষ করা হবে। গত কয়েক বছর ধরেই রেললাইনে ইলেক্ট্রিফিকেশনের কাজে জোর দেওয়া হয়েছে রেলের তরফে। সেই লক্ষ্যে কাজও চলছে নিরন্তর। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত, ভারতীয় রেলওয়ে ১৪,৫০০টি ট্রেনের মধ্যে ১০,০০০টিরও বেশি বৈদ্যুতিক ট্রেন পরিচালনা করছিল। কিছু ক্ষেত্রে, পুরানো ডিজেল ট্রেনগুলোকে বৈদ্যুতিক ট্রেনে রূপান্তরিত করা হয়েছিল, তবে বেশিরভাগই ছিল নতুন। গত বছর ১,৩০০টি নতুন বৈদ্যুতিন লোকোমোটিভের জন্য একটি অর্ডার ছিল, যা সিমেন্স মবিলিটি তাদের বৃহত্তম অর্ডার হিসেবে উল্লেখ করেছে।

    কেন বিদ্যুতায়ন

    ডিজেল ট্রেনের ব্যবহার বন্ধ করার প্রধান উদ্দেশ্য শুধুমাত্র জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করা নয় বা দূষণ থেকে স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব কমানো নয়। বৈদ্যুতিক ট্রেন চালানো সস্তাও। এসব ট্রেন বেশি পরিমাণ মাল বহন করতে পারে বা ডিজেল লোকোমোটিভগুলোর চেয়ে বেশি সংখ্যক যাত্রী পরিবহণ করতে সক্ষম। এছাড়া এই পরিবর্তন দেশের আমদানি করা অপরিশোধিত তেলের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে দেয়। “ডিজেল রেল সিস্টেম থেকে বিদ্যুতায়িত রেল সিস্টেমে দ্রুত পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ভারত একটি চমৎকার উদাহরণ” বলেছেন পরিবেশ সংরক্ষণে নিবেদিত অ-লাভজনক প্রতিষ্ঠান আর্থজাস্টিস-এর সিনিয়র অ্যাটর্নি ইয়াসমিন আগেলিডিস। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি দুর্দান্ত মডেল হতে পারে ভারত, এমনই দাবি তাঁর। একসময় ভারতেও প্রচুর ডিজেল ট্রেন ছিল, এখন যুক্তরাষ্ট্রে সেই একই পরিস্থিতিতে রয়েছে।

    ভারত কীভাবে এগিয়ে গেল

    ২০১১ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ভারতে ১২,০০০ মাইল রেলপথ বিদ্যুতায়িত হয়েছিল, এবং ২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে আরও ১২,০০০ মাইল রেলপথ বিদ্যুতায়িত করা হয়েছে। এর জন্য সবরকম সাহায্য করেছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। আগেলিডিস-এর কথায়, “ভারতের প্রধানমন্ত্রী খুব স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, তিনি দেশের ১০০ শতাংশ রেলপথ বিদ্যুতায়িত চান। আমি মনে করি এই স্পষ্ট নির্দেশনা এবং নীতিগত লক্ষ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।” রেলপথ সরকারের মালিকানাধীন হওয়ার কারণে এই প্রক্রিয়াটি দ্রুত সম্পন্ন হয়েছে। সরকার ভূমি, বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য সংশ্লিষ্ট অ্যাক্সেস এবং নির্মাণের অনুমতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ডব্লিউআরআই ভারতের পরিবহণ কর্মসূচির প্রধান পাওয়ান মুলুকুটলা। 

    আরও পড়ুন: ভয় পাচ্ছে চিন-পাকিস্তান! পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম দ্বিতীয় ডুবোজাহাজ পেল নৌসেনা

    আমেরিকা কেন পিছিয়ে

    যুক্তরাষ্ট্রে, বেশিরভাগ রেলপথ বেসরকারি মালিকানাধীন, সেখানে বৈদ্যুতিক অবকাঠামোতে বিনিয়োগের প্রতি কম আগ্রহ দেখা গিয়েছে। আগেলিডিস বলেন, “সময়ের সঙ্গে সঙ্গে, বৈদ্যুতিক রেল আসলে ডিজেলের চেয়ে সস্তা হতে পারে কারণ এটি একটি অনেক সস্তা জ্বালানি উৎস।”  তাঁর দাবি, “এটি একটি বিশাল কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারীও বটে। তবে আমি মনে করি বেসরকারি রেলওয়ের মডেলটি শুধু স্বল্পমেয়াদী লাভের দিকে তাকিয়ে আছে এবং তারা তাদের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কী দিতে পারে তার ওপর সবকিছু নির্ভর করছে। এটি একটি বড় সমস্যা, কারণ এটি শেয়ারহোল্ডারদের মুনাফাকে জনস্বাস্থ্য এবং আমাদের জলবায়ু লক্ষ্যগুলোর চেয়ে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Rape-Murder: আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে এবার পুজোর অনুদান প্রত্যাখ্যান কলকাতার ক্লাবের

    RG Kar Rape-Murder: আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে এবার পুজোর অনুদান প্রত্যাখ্যান কলকাতার ক্লাবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোর অনুদান (Durga Puja donation) ফেরত দিল কলকাতার একটি নামী ক্লাব। এর আগে, হুগলির চারটি ক্লাব দুর্গাপুজোয় সরকারি অনুদান প্রত্যাখ্যান করার কথা জানিয়ে দিয়েছে। তবে, এই প্রথম কলকাতার কোনও ক্লাব একই পথে হাঁটল। এই বছর দুর্গাপুজোয় আয়োজক ক্লাবগুলিকে রাজ্যে সরকারের পক্ষ থেকে ৮৫ হাজার টাকা করে অনুদানের কোথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আরজি কর হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে (RG Kar Rape-Murder) এবার এই টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করল গার্ডেনরিচের ‘মুদিয়ালি আমরা ক’জন ক্লাব’ উদ্যোক্তারা।

    মুদিয়ালি আমরা ক’জন ক্লাব’-এর বক্তব্য (RG Kar Rape-Murder)

    গার্ডেনরিচের ‘মুদিয়ালি আমরা ক’জন ক্লাব’-এর পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘‘আরজি কর হাসপাতলে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুনের ঘটনার (RG Kar Rape-Murder) প্রতিবাদে এই অনুদান প্রত্যাখ্যান (Durga Puja donation) করা হচ্ছে। নির্যাতিতার ন্যায় বিচারের জন্য এই সিদ্ধান্ত। পুজোর জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া ৮৫ হাজার টাকা প্রতিবাদ স্বরূপ গ্রহণ করলাম না।’’ একই ভাবে এই ক্লাবের প্রেসিডেন্ট বলেন, “প্রতিবছর আমরা মা দুর্গার আগমনের জন্য অপেক্ষা করে থাকি। আমরা দেখছি বর্তমান তৃণমূল সরকার মাকে নিয়ে আসার জন্য ৮৫ হাজার টাকা দিচ্ছে, আর বিসর্জনের জন্য ১০ লক্ষ টাকার কথা বলা হচ্ছে। আমরা নির্যাতিতার বিচার চাই। একজন মহিলাকে নৃশংস ভাবে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে আমার এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।”

    আমারা সরকারি অর্থে পুজো করব না

    আরজি কর হত্যাকাণ্ডের (RG Kar Rape-Murder) প্রতিবাদে আগেই উত্তরপাড়ার তিনটি ক্লাব তৃণমূল সরকারের পুজোর অনুদান প্রত্যাখান করেছে। উত্তরপাড়ার মহিলাদের পুজো ‘বৌঠান সঙ্ঘ’,  ‘উত্তরপাড়া শক্তি সঙ্ঘ’, ‘আপনাদের দুর্গাপুজো’— এই তিনটি ক্লাব অনুদান নিতে অস্বীকার করেছে। তিনটি ক্লাবের বক্তব্য, “আমরা সরকারি অর্থে পুজো করব না। আগে মহিলা চিকিৎসক খুনের ন্যায় বিচার চাই।” ক্লাবগুলির পক্ষ থেকে জেলাশাসকের কাছে এই বিষয়ে চিঠি করা হয়েছে। এরপর কোন্নগরের ক্লাব ‘মাস্টারপাড়া সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি’ একই পথে হেঁটেছে। এলাকার মানুষের বক্তব্য, “প্রতিবাদের ফলে যদি পরের বছর রাজ্য অনুদান (Durga Puja donation) না দেয়, তাহলেও আমাদের পুজো আটকাবে না।”

    আরও পড়ুনঃ নবান্ন অভিযান-বন‍্ধে পুলিশি অত্যাচার, পুলিশ কমিশনারকে নোটিশ মানবাধিকার কমিশনের

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং পুলিশমন্ত্রীর দায়!

    উল্লেখ্য, রাজ্যে মমতার সরকার প্রতি বছর রাজ্যের পুজো উদ্যোক্তাদের অনুদান দিয়ে থাকে। আগে টাকার পরিমাণ ছিল ২৫ হাজার টাকা। ২০২২ সালে বেড়ে হয় ৬০ হাজার টাকা। ২০২৩ সালে অনুদানের পরিমাণ আরও বেড়ে হয় ৭০ হাজার টাকা। এই বছর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক সম্মলেন করে সেই অঙ্ক ৮৫ হাজার টাকা করেছেন। একই ভাবে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার খরচ মকুব করেছেন। প্রসঙ্গত, ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতলে শিক্ষানবিশ-চিকিৎসককে ধর্ষণ (RG Kar Rape-Murder) করে খুনের ঘটনা ঘটেছিল। মুখ্যমন্ত্রী এবং পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং পুলিশমন্ত্রী মমতা হওয়ায় ঘটনার দায় তিনি এড়াতে পরেন না, এমনটাই দাবি তুলে সাধারণ মানুষ প্রতিবাদে নেমেছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: পাকিস্তানে এসসিও সম্মেলন, মোদিকে আমন্ত্রণ শরিফের, যোগ দেবেন কি প্রধানমন্ত্রী?

    PM Modi: পাকিস্তানে এসসিও সম্মেলন, মোদিকে আমন্ত্রণ শরিফের, যোগ দেবেন কি প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার কি তবে পাকিস্তান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)? অন্তত এমনই জল্পনা দানা বেঁধেছে। কারণ ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে সরকারিভাবে পাকিস্তানে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছে শেহবাজ শরিফের সরকার। জানা গিয়েছে, এ বছর সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO) সম্মেলনের আয়োজক দেশ পাকিস্তান। সম্মেলন হবে অক্টোবরের মাঝামাঝি। এই সম্মেলনেই (SCO Summit) যোগ দেওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে পাকিস্তানের সরকার।

    কী বলছে পাকিস্তান? (PM Modi)

    পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মুমতাজ জাহরা বালোচ বলেন, “এসসিও সম্মেলনে যোগ দিতে সব সদস্য দেশের সরকারকেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও। ইসলামাবাদে এসসিও-র সদস্য দেশগুলোর সরকারের প্রধানদের নিয়ে কাউন্সিল অফ হেডস অফ গভর্নমেন্টের বৈঠক হবে।” এসসিও সম্মেলনে যে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হবে, দিন দুই আগেই তা জানিয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। তিনি বলেছিলেন, “পাকিস্তান অবশ্যই এই আঞ্চলিক বৈঠকে (ভারতের) প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi) আমন্ত্রণ জানাবে।” অক্টোবরের ১৫ ও ১৬ এই দুদিন ধরে সম্মেলন হবে ইসলামাবাদে।

    কী বলছে ভারত?

    গত বছর এসসিও সম্মেলনের আয়োজক দেশ ছিল ভারত। সম্মেলন হয় জুলাই মাসে। সেবার ভারত আমন্ত্রণ জানিয়েছিল পাকিস্তানকে। তার আগে মে মাসে গোয়ায় বৈঠকে বসেন এসসিও-র সদস্য রাষ্ট্রগুলির বিদেশমন্ত্রীরা। এই বৈঠকে যোগ দিতে ভারতে এসেছিলেন পাকিস্তানের তৎকালীন বিদেশমন্ত্রী বিলওয়াল জারদারি ভুট্টো। ভুট্টো এলেও, এসসিও-র মূল সম্মেলনে আসেননি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। এখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানে যান কিনা, সেটাই দেখার। যদিও বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে একটি খবর ঘুরে বেড়াচ্ছে, ‘পাকিস্তানে এসসিও-র বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী যোগ দেবেন না। বা বিদেশমন্ত্রক পাকিস্তানে এই এসসিও বৈঠকে যাবে। স্পষ্ট করে দেওয়া ভালো যে, বিদেশমন্ত্রক এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। এই জাতীয় খবরগুলো উপেক্ষা করা উচিত।’

    আরও পড়ুন: নবান্ন অভিযান-বন‍্ধে পুলিশি অত্যাচার, পুলিশকে নোটিশ মানবাধিকার কমিশনের

    প্রসঙ্গত, ২০০১ সালের ১৫ জুন প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয় এসসিও-র। প্রথমে সদস্য দেশ ছিল পাঁচটি। বর্তমানে সদস্য দেশ ৯টি। এগুলি হল, ভারত, পাকিস্তান, উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, চিন, রাশিয়া এবং ইরান। ফি বছর একটি করে (PM Modi) দেশ আয়োজন করে সম্মেলনের (SCO Summit)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kaushiki Amavasya 2024: কৌশিকী অমাবস্যায় তারাপীঠে চমক, বারাণসীর ধাঁচে দ্বারকাতীরে হবে আরতি

    Kaushiki Amavasya 2024: কৌশিকী অমাবস্যায় তারাপীঠে চমক, বারাণসীর ধাঁচে দ্বারকাতীরে হবে আরতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই কৌশিকী অমাবস্যায় (Kaushiki Amavasya 2024) তারাপীঠে (Tarapith) ভক্তদের জন্য থাকছে বিশেষ চমক। পুণ্যার্থী, ভক্ত এবং পর্যটকদের জন্য দ্বারকা নদীর পাড়ে বিশেষ গঙ্গা আরতির আয়োজন করা হয়েছে। কৌশিকী অমাবস্যার অন্ধকার রাতে দ্বারকার পাড় এবার নতুন করে সেজে উঠবে। এই নিয়ে তারা মায়ের ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা দেখা দিয়েছে।

    আরতির প্রস্তুতি শুরু (Tarapith)

    বীরভূম জেলাশাসক এই আরতির বিষয় নিয়ে তারাপীঠ (Tarapith) উন্নয়ন পর্ষদের অফিসে বৈঠক করেন। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়, এই বছর কৌশিকী অমাবস্যা (Kaushiki Amavasya 2024) থেকে শুরু হবে দ্বারকার নদীতে আরতি। তাকে মাথায় রেখে ইতিমধ্যে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। নদীর পাড় বাঁধানোর কাজে হাত দেওয়া হয়েছে। একই ভাবে আরতির জায়গা ঠিক করা হয়েছে। অত্যন্ত তৎপর হয়ে প্রশাসন কাজ করেছে। তবে এতো দিন পর্যন্ত মন্দিরে পুজো দেওয়ার পর আটলা মন্দির, বীরচন্দ্রপুর ছাড়া আর তেমন কোনও জায়গা ছিল না দেখার মতো। এবার থেকে আরতি একটি আকর্ষণীয় কেন্দ্র হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    মন্দির কমিটির বক্তব্য (Kaushiki Amavasya 2024)

    হাতে যেহেতু মাত্র আর কয়েকটা দিন তাই দ্রুত কাজ করছে টিআরডিএ। তারাপীঠ (Tarapith) মন্দির কমিটির সভাপতি তারাপদ মুখোপাধ্যায় বলেন, “ঘাট বাঁধানোর কাজ আমরা শুরু করে দিয়েছি। শ্মাশান ঘাটে রেলিং দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের জন্য বসার জায়গা তৈরি করা হয়েছে। টাইলস দিয়ে সব কাজে সৌন্দর্যায়ণ চলছে। সেই সঙ্গে লাগানো হয়েছে রঙ্গিন ফুলের গাছ।”

    আরও পড়ুনঃ “সাধুসঙ্গ, প্রার্থনা, গুরুর উপদেশ এই সব প্রয়োজন, তবে চিত্তশুদ্ধি হয়, তাঁর দর্শন হয়”

    পঞ্চপ্রদীপ হাতে আরতি (Tarapith)

    বারাণসীর মতো দ্বারকাতেও আরতির দর্শন করতে পারবেন পুণ্যার্থীরা। পঞ্চপ্রদীপ হাতে তারা মায়ের সেবাইতরা প্রতিদিন সন্ধ্যা আরতি (Kaushiki Amavasya 2024) করবেন। সারা বছর যেমন কাশীর গঙ্গার ঘাটে আরতি হয়, ঠিক সেই ভাবে আরতি করা হবে। তবে ভক্ত, পর্যটক, পুণ্যার্থীদের আগ্রহ এবং উৎসাহকে মাথায় রেখে আগেই কলকাতার গঙ্গাতীরে সন্ধ্যারতি শুরু হয়েছে। এবার তারা মায়ের মন্দিরকে আরও আকর্ষণীয় করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share