Tag: Madhyom

Madhyom

  • PM Modi: “ইউক্রেন-রাশিয়ায় শান্তির সূর্যোদয় দেখতে চাই”, জেলেনস্কিকে বললেন মোদি

    PM Modi: “ইউক্রেন-রাশিয়ায় শান্তির সূর্যোদয় দেখতে চাই”, জেলেনস্কিকে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যে বার্তা মাসখানেক আগে তিনি দিয়েছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে, সেই একই মন্ত্র তিনি দিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকেও। ভলোদিমির জেলেনস্কিকে (Volodymyr Zelenskyy) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বললেন, “যুদ্ধ করে কোনও সমস্যার সমাধান হয় না।”

    শান্তির ললিত বাণী (PM Modi)

    পোল্যান্ড সফর সেরে মোদি গিয়েছেন যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেনে। সেখানে তিনি সাক্ষাৎ করেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গে। সেখানেই বুদ্ধের দেশের প্রতিনিধি আরও একবার বিশ্বকে শোনালেন শান্তির ললিত বাণী। বললেন, “যুদ্ধ করে কোনও সমস্যার সমাধান হয় না। সমাধান পেতে হবে মুখোমুখি কথাবার্তা ও কূটনীতির মাধ্যমে। যুদ্ধ করে সময় নষ্ট না করে আমাদের তাই উচিত সেই পথে হাঁটা।” শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী যখন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে একথা বলছেন, তখন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। তবে মাসখানেক আগে রাশিয়া সফরে গিয়েও মোদি পুতিনের কানে দিয়েছিলেন এই ‘শান্তি-মন্ত্র’।

    ‘যুদ্ধক্ষেত্রে এখন সমাধান মেলে না’

    তার পরেও বন্ধ হয়নি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। মস্কো (রাশিয়ার রাজধানী)-কিয়েভের (ইউক্রেনের রাজধানী) এহেন যুদ্ধের আবহেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা বরাবর যুদ্ধ থেকে দূরে থেকেছি। কিন্তু তার মানে আমরা নিরপেক্ষ নই। আমরা শান্তির পক্ষে। আমরা বুদ্ধ এবং মহাত্মা গান্ধীর দেশের মানুষ। আমি এখানে শান্তির বার্তা নিয়েই এসেছি।” তিনি বলেন, “আমি পুতিনের মুখের ওপর বলেছিলাম, এটা যুদ্ধের সময় নয়। যুদ্ধক্ষেত্রে এখন সমাধান পাওয়া সম্ভব নয়।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি আপনাকে আশ্বস্ত করে বলছি, শান্তি স্থাপনের জন্য সক্রিয় ভূমিকা নিতে ভারত প্রস্তুত। আমি যদি এখানে ব্যক্তিগতভাবে কোনও ভূমিকা নিতে পারি, তা-ও করব। আমি বন্ধু হিসেবে আপনাকে সে বিষয়ে আশ্বস্ত করতে চাই। ইউক্রেন-রাশিয়ায় শান্তির সূর্যোদয় দেখতে চাই।”

    আরও পড়ুন: ‘‘ভারতীয় সংস্কৃতির অঙ্গ’’, পুতিন ও জেলেনস্কিকে মোদির আলিঙ্গন নিয়ে কৌশলী জয়শঙ্কর

    কিছুদিন আগেই ইউক্রেনের একটি শিশু হাসপাতালে রাশিয়ার হানায় মৃত শিশুদের আত্মার শান্তি কামনা করেন মোদি (PM Modi)। পরে বলেন, “যুদ্ধের বলি হয়েছে নিষ্পাপ শিশুরা, এটা হৃদয়বিদারক। মানবিকতায় বিশ্বাসী কোনও ব্যক্তি এই ধরনের ঘটনা মেনে নিতে পারেন না।”

    পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতের পর মোদির সমালোচনা করেছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। এদিন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঘণ্টা তিনেক বৈঠক শেষে সেই তিনিই খুশি। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, “একটি ইতিহাস তৈরি হল। ইউক্রেনের স্বাধীনতার পর এই প্রথম এ দেশে পা রাখলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ইউক্রেনের (Volodymyr Zelenskyy) জাতীয় সার্বভৌমত্বকে সমর্থন করে ভারত (PM Modi)। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Barasat: ‘‘বারাসত মেডিক্যালকে আরজি কর হতে দেব না’’, অধ্যক্ষকে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান পড়ুয়াদের

    Barasat: ‘‘বারাসত মেডিক্যালকে আরজি কর হতে দেব না’’, অধ্যক্ষকে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান পড়ুয়াদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদা মেডিক্যালের আন্দোলনের ঢেউ আছড়ে পড়ল এবার বারাসত (Barasat) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। আরজি করের সদ্য প্রাক্তন অধ্যক্ষ সুহৃতা পালকে বারাসত মেডিক্যালে বদলি করা হয়েছে। বারাসতে অধ্যক্ষ হিসেবে কাজে যোগ দিতেই তাঁর পদত্যাগ দাবি করে আন্দোলন শুরু করলেন চিকিৎসক পড়ুয়ারা। আরজি করে শীর্ষ পদাধিকারীদের যে সব মেডিক্যালে বদলি করা হচ্ছে, সেখানেই আন্দোলন হচ্ছে। ফলে, চরম বিড়ম্বনায় রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।

    বারাসতকে আরজি কর হতে দেব না (Barasat)

    বুধবার রাতের দিকে রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম জানিয়েছিলেন, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের অধ্যক্ষের পাশাপাশি নবনিযুক্ত সুপার-কাম-ভাইস প্রিন্সিপাল (এমএসভিপি), চেস্ট মেডিসিন বিভাগের প্রধান এবং অ্যাসিসট্যান্ট সুপারকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বারাসত (Barasat) মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে বুধবারই সুহৃতা পালের নাম ঘোষণা করা হয়। বিষয়টি জানার পরই তুমুল বিক্ষোভে ফেটে পড়েন পড়ুয়ারা। ফলে, বৃহস্পতিবার তিনি কাজে যোগ দেননি। শুক্রবার সকালের দিকে বারাসত মেডিক্যাল কলেজে এসে অধ্যক্ষ হিসেবে নিজের দায়িত্ব বুঝে নেন তিনি। কিন্তু, বিকেল গড়াতেই তাঁর অপসারণ চেয়ে একদল পড়ুয়া প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে জড়ো হয়ে যান হাসপাতালের গেটের সামনে। আওয়াজ তোলেন, ‘‘বারাসত মেডিক্যাল কলেজকে আরজি কর হতে দেব না। সুহৃতা পাল গো-ব্যাক। বারাসত ছেড়ে চলে যাক।’’ যদিও এনিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়াই দিতে চাননি অধ্যক্ষ সুহৃতা পাল।

    এর আগে, আরজি করের এক অধ্যাপক চিকিৎসককে মালদা মেডিক্যালে বদলি করা হয়। আর ওই চিকিৎসক যাতে কাজে যোগ দিতে না পারে, তার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে সেখানকার পড়ুয়ারা। সন্দীপ ঘোষকে নিয়েও এক পন্থা অবলম্বন করেছিলেন ডাক্তারি পড়ুয়ারা। রাতারাতি ‘পুরস্কার বদলি’ করে ন্যাশনাল মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছিল আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষকে। এর পরই, ন্যাশনাল মেডিক্যালে তুমুল বিক্ষোভ শুরু হয়। চিকিৎসক-পড়ুয়ারা জানিয়ে দিয়েছিলেন, সন্দীপকে তাঁরা সেখানে ঢুকতে দেবেন না। এমনকী, অধ্যক্ষের ঘরে তালাও লাগিয়ে দিয়েছিলেন পড়ুয়ারা। তাঁদের দাবি ছিল, ন্যাশনাল মেডিক্যালের পরিবেশ দূষিত হোক, তাঁরা চান না। মালদা মেডিক্যালে দেখা যায় একই চিত্র। এরার বারাসত মেডিক্যালও সেই ছবি।

    আরও পড়ুন: নেপালের বাস দুর্ঘটনায় মৃত ৪১ ভারতীয়, শোকবার্তা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    আন্দোলনকারীরা কী বললেন?

    প্রসঙ্গত, আরজি কর কাণ্ডে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন চলাকালীন মধ্যরাতে বহিরাগত দুষ্কৃতীরা ঢুকে তাণ্ডব চালায় সেখানে। হামলায় রীতিমতো তছনছ হয়ে যায় আরজি কর হাসপাতালের বেশ কয়েকটি ঘর। সেই সময় আরজি করের অধ্যক্ষ হিসেবে সবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন সুহৃতা পাল। সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের পরও সেদিন একবারের জন্যও হাসপাতালে দেখা যায়নি তাঁকে। তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। শুরু হয় তাঁর অপসারণ চেয়ে আন্দোলন। আন্দোলনের জেরে তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বারাসত (Barasat) মেডিক্যালের আন্দোলনকারীরা বলেন, ‘‘আমরা ওই অধ্যক্ষকে চাই না। আর জি করে এতবড় কাণ্ড হল। তাঁকে দেখা যায়নি। এরকম অধ্যক্ষ আসলে এখানকার পরিবেশ নষ্ট হবে। আমরা তা হতে দেব না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shikhar Dhawan: আবেগঘন বার্তা দিয়ে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর শিখর ধাওয়ানের

    Shikhar Dhawan: আবেগঘন বার্তা দিয়ে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর শিখর ধাওয়ানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক এবং ঘরোয়া সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসরের নিলেন ভারতীয় ওপেনার শিখর ধাওয়ান (Shikhar Dhawan)। শনিবার, সোশ্যাল মিডিয়ায় এক আবেগঘন ভিডিও পোস্ট করে ক্রিকেটকে বিদায় জানান ধাওয়ান। এদিন ধাওয়ান লিখেছেন, ‘‘আমার ক্রিকেট-যাত্রা শেষ হল। সঙ্গে থেকে গেল অসংখ্য স্মৃতি এবং কৃতজ্ঞতা। যে ভালোবাসা এবং সমর্থন পেয়েছি, তার জন্য ধন্যবাদ। জয় হিন্দ।’’

    ভিডিও বার্তা শিখরের

    ২০২২ সালের ডিসেম্বরে একদিনের ফর্ম্যাটে ভারতের হয়ে শিখর ধাওয়ান (Shikhar Dhawan) তার শেষ ম্যাচ খেলেছিলেন। তারপর থেকে তিনি ক্রমাগত দলের বাইরে ছিলেন। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সেই এক দিনের সিরিজের পরেই ভারতীয় দলে শুভমন গিল তাঁর জায়গা নেন। ভিডিও বার্তায় ধাওয়ান বলেন, “আমার একটাই লক্ষ্য ছিল, দেশের হয়ে খেলা। সেই লক্ষ্য পূরণ হয়েছে। অনেককে ধন্যবাদ। প্রথমত আমার পরিবার, আমার ছোটবেলার কোচ তারক সিং এবং মদন শর্মা। এঁদের প্রশিক্ষণেই আমি ক্রিকেট শিখেছি। তার পর ধন্যবাদ দেব আমার গোটা দলকে, যাদের সঙ্গে আমি খেলেছি, আর একটা পরিবার পেয়েছি। সবার ভালবাসা আর সমর্থন পেয়েছি। গল্পের বই পড়তে পড়তে যে রকম পাতা ওল্টাতে হয়, আমিও সেটাই করছি। আন্তর্জাতিক এবং ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে অবসর নিচ্ছি।”  

    সমর্থকদের ধন্যবাদ

    ভারতের হয়ে ৩৪টি টেস্ট, ১৬৭টি ওডিআই এবং ৬৮টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন শিখর (Shikhar Dhawan)। টেস্টে সাতটি শতরান আছে তাঁর। করেছেন ২৩১৫ রান। এক দিনের ক্রিকেটে ৬৭৯৩ রান করা ধাওয়ান করেছেন ১৭টি শতরান। রোহিত শর্মার সঙ্গে তাঁর জুটি ভারতকে বহু ম্যাচ জিতিয়েছে। বিশেষ করে আইসিসি প্রতিযোগিতায় রোহিত এবং ধাওয়ানের সাফল্য ছিল নজরকাড়া। দেশের জার্সিতে টি-টোয়েন্টিতে ১৭৫৯ রান করেছেন ধাওয়ান। বেশ কিছু এক দিনের ম্যাচে ভারতকে নেতৃত্বও দিয়েছেন তিনি। ক্রিকেট মাঠের গব্বর নামে পরিচিত শিখর বলেন, “দেশের হয়ে খেলতে পেরে আমি ধন্য। বিসিসিআই, ডিডিসিএ আমাকে সেই সুযোগ করে দিয়েছিল। সেই সঙ্গে পেয়েছি সমর্থকদের ভালবাসা। নিজেকে বলতে চাই, দেশের হয়ে খেলতে পারবে না বলে দুঃখ পাওয়ার দরকার নেই, বরং এটা ভেবে আনন্দ পাওয়া উচিত যে আমি দেশের হয়ে খেলতে পেরেছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: ‘‘ভারতীয় সংস্কৃতির অঙ্গ’’, পুতিন ও জেলেনস্কিকে মোদির আলিঙ্গন নিয়ে কৌশলী জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: ‘‘ভারতীয় সংস্কৃতির অঙ্গ’’, পুতিন ও জেলেনস্কিকে মোদির আলিঙ্গন নিয়ে কৌশলী জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ায় গিয়ে ‘বন্ধু’ পুতিনকে আলিঙ্গন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এ ছবি মেনে নিতে পারেনি পশ্চিমি দুনিয়া। এবার ইউক্রেন সফরে গিয়ে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকেও আলিঙ্গন করলেন মোদি। তাঁর কাঁধে ‘ভরসার’ হাত রেখে ঘুরলেন কিয়েভের নানা প্রান্ত। যাঁরা মোদির রাশিয়া সফর নিয়ে সরব ছিলেন, এখন তাঁরা চুপ। এই আবহেই বিশ্বকে কৌশলী বার্তা দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। আলিঙ্গনকে ভারতীয় সংস্কৃতির অঙ্গ বলে ব্যাখ্যা করলেন বিদেশমন্ত্রী। ভারতের সংস্কৃতি শেখায় সকলকে ভালবেসে কাছে টেনে নেওয়ার মন্ত্র, অভিমত জয়শঙ্করের। 

    কী বললেন জয়শঙ্কর

    রুশ সফরে পুতিনের সঙ্গে মোদির আলিঙ্গন নিয়ে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) মনে করিয়ে দেন ভারতের সাংস্কৃতিক প্রথার কথা। এদিন বিবিসির এক সাংবাদিকের করা প্রশ্নের জবাবে জয়শঙ্কর বলেন, ‘‘আমাদের এদিকে মানুষের সঙ্গে মানুষের দেখা হলে একে অপরকে আলিঙ্গন করা হয়। এটা আপনার সংস্কৃতির অংশ নাও হতে পারে, এটা আমাদের সংস্কৃতির অংশ।’’ উল্লেখ্য, গত মাসে ৮ থেকে ৯ জুলাই রাশিয়া গিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনকে মোদি আলিঙ্গন করায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। জেলেনস্কি লেখেন, ‘বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের নেতাকে এমন একটি দিনে মস্কোতে বিশ্বের সবচেয়ে রক্তাক্ত অপরাধীকে আলিঙ্গন করতে দেখা, এটি একটি বিশাল হতাশা এবং শান্তি প্রচেষ্টার জন্য একটি বিধ্বংসী আঘাত।’

    ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, ১৯৯২ সালের পর ভারতের কোনও প্রধানমন্ত্রীর ইউক্রেন সফর যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতেই সেদেশে গিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভারত সফরে আসবনে বলেও আশাপ্রকাশ করেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। যৌথ সাংবাদিক বৈঠক করে জেলেনস্কি জানিয়েছেন, ভারত সফর করতে পারলে তিনি আনন্দিত বোধ করবেন। ভারতের মত শক্তিশালী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে পারলে ইউক্রেন লাভবান হবে বলেও জানান জেলেনস্কি।

    আরও পড়ুন: জেলেনস্কির কাঁধে হাত রাখলেন, বুকে জড়িয়ে ধরলেন মোদি, দেখল গোটা বিশ্ব

    মোদি ম্যাজিকে মুগ্ধ ইউক্রেন

    মোদি (PM Modi) ম্যাজিকে মুগ্ধ ইউক্রেন। যেভাবে শান্তির বার্তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবার ইউক্রেন সফর করলেন তা দেখে কার্যত অবাক গোটা বিশ্ব। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানান মোদি। যৌথ সাংবাদিক বৈঠক করে জেলেনস্কি জানিয়েছেন, ভারত সফর করতে পারলে তিনি আনন্দিত বোধ করবেন। ভারতের মত শক্তিশালী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে পারলে ইউক্রেন লাভবান হবে বলেও জানান জেলেনেস্কি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nepal Bus Accident: নেপালের বাস দুর্ঘটনায় মৃত ৪১ ভারতীয়, শোকবার্তা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    Nepal Bus Accident: নেপালের বাস দুর্ঘটনায় মৃত ৪১ ভারতীয়, শোকবার্তা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের বাস দুর্ঘটনায় (Nepal Bus Accident) মৃতের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। বাসটিতে ৪৩ জন যাত্রীর মধ্যে ইতিমধ্যেই ৪১ জন মৃত বলে জানা গিয়েছে। মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী গিরিশ মহাজন শুক্রবার রাতে এই কথা জানান। তিনি জানিয়েছেন, ওই বাসে অধিকাংশ যাত্রীই ছিলেন মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। তাঁদের দেহ দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মহারাষ্ট্র সরকার এ বিষয়ে দিল্লির (Indian Embassy) সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। ভারতীয় বায়ুসেনা দেহগুলি কপ্টারে উড়িয়ে আনবে। বাসটি উত্তরপ্রদেশ থেকে নেপালে গিয়েছিল। 

    প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা

    নেপালে বাস দুর্ঘটনায় (Nepal Bus Accident)  শোকপ্রকাশ করে দুর্ঘটনাগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে থাকার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার বেলায় পোখরা  থেকে কাঠমান্ডুর দিকে যাচ্ছিল বাসটি। তনহুঁ জেলার মারশিয়াংড়ি নদীতে আচমকা বাস উল্টে যায়। খরস্রোতা নদীতে বাসটিকে পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। দ্রুত শুরু হয় উদ্ধারকাজ। কিন্তু যাত্রীদের অনেককেই বাঁচানো যায়নি। এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও। 

    হেল্পলাইন নম্বর বিদেশমন্ত্রকের

    ভারত থেকে নেপালে যাওয়া উত্তরপ্রদেশের ওই বাসে (Nepal Bus Accident) অধিকাংশ যাত্রীই ছিলেন মহারাষ্ট্রের। সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে জানান, তিনি নেপালের বাস দুর্ঘটনার বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে কথা বলেছেন। দেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কেন্দ্র মহারাষ্ট্র সরকারকে সবরকম সাহায্য করবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ভারতীয় বায়ুসেনা দেহগুলি শনিবারই দেশে ফিরিয়ে আনবে। প্রথমে মহারাষ্ট্রের নাসিকে নিয়ে আসা হবে দেহগুলি। সেখান থেকে পরিবারের সদস্যদের হাতে তা তুলে দেওয়া হবে। এই ঘটনায় হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে বিদেশমন্ত্রক। 

    নেপালের ভারতীয় দূতাবাস সূত্রে (Indian Embassy) জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসের ভারতীয় যাত্রীরা নেপালে ঘুরতে গিয়েছিলেন। পোখরা থেকে কাঠমান্ডু যাওয়ার সময় ঘটে দুর্ঘটনা। কীভাবে বাসটি রাস্তা থেকে নদীতে পড়ে গেল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। নেপাল প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। তবে ভরা বর্ষায় নেপালে গত কয়েক দিন ধরেই বৃষ্টি হচ্ছে। নানা জায়গায় ধস নেমে রাস্তা বন্ধও রয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 24 August 2024: সকাল থেকে স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 24 August 2024: সকাল থেকে স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) সম্মানহানির সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) কোনও কাজে সময় নষ্ট হতে পারে। 

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃষ

    ১) মা-বাবার সঙ্গে বিশেষ আলোচনা।

    ২) ব্যবসায় লাভের যোগ।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মিথুন

    ১) ব্যবসার কাজে মাথাগরম করবেন না।

    ২) বুদ্ধির ভুলের জন্য ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    কর্কট

    ১) মনের মতো স্থানে বেড়াতে যাওয়ায় আনন্দ লাভ।

    ২) মিথ্যা বদনাম থেকে সাবধান। 

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    সিংহ

    ১) কর্মক্ষেত্রে উন্নতি শেষ মুহূর্তে গিয়ে আটকে যাওয়ায় মনঃকষ্ট।

    ২) সকাল থেকে স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কন্যা

    ১) ব্যয় বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) পারিবারিক ভ্রমণে বাধা পড়তে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    তুলা

    ১) কোনও নিকটাত্মীয়ের জন্য সংসারে বিবাদ।

    ২) ব্যবসায় বিবাদের যোগ থাকলেও লাভ বাড়তে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃশ্চিক

    ১) দুর্বুদ্ধিকে প্রশ্রয় দেবেন না।

    ২) ব্যবসায় শত্রুর দ্বারা ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) মাথা ঠান্ডা রাখুন।

    ধনু

    ১) ব্যবসার ক্ষেত্রে তর্কবিতর্ক ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    মকর

    ১) কর্মক্ষেত্রে উন্নতির যোগ।

    ২) সকালের দিকে কোনও দুশ্চিন্তা মাথা খারাপ করবে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    কুম্ভ

    ১) বিষয়সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে গুরুজনের সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরে বাড়িতে বিবাদের সম্ভাবনা।

    ২) কোনও মহিলার জন্য বাড়িতে আনন্দ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মীন

    ১) সকালের দিকে পেটের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।

    ২) কেনাকাটার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ৩) চিকিৎসকের কাছে যেতে হতে পারে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: আরজি কর ইস্যুতে রাজ্যজুড়ে বিজেপির থানা ঘেরাও, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, উত্তেজনা

    BJP: আরজি কর ইস্যুতে রাজ্যজুড়ে বিজেপির থানা ঘেরাও, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Incident) ইস্যুতে বিজেপির (BJP) ডাকে শুক্রবার রাজ্যজুড়ে থানা ঘেরাওয়ের ডাক দেওয়া হয়েছিল। রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার স্বাস্থ্য ভবন অভিযানের পর এই কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন। এদিন রাজ্যের সর্বত্র বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান। অনেক জায়গায় পুলিশ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়।

    নন্দীগ্রামে উত্তেজনা (BJP)

    থানা ঘেরাওয়ের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দেখা দেয় নন্দীগ্রামে। জানা গিয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম থানায় ডেপুটেশন দিতে যান বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। পুলিশের তরফে বলা হয়েছিল, তারা একটি নির্দিষ্ট প্রতিনিধি দলকে থানায় প্রবেশের অনুমতি দেবে। কিন্তু বিজেপি কর্মীদের দাবি ছিল, তাঁরা সকলেই থানার ভিতরে ঢুকবেন। এরপর নন্দীগ্রাম থানার গেটের কাছে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের পুলিশ আটকে দেয়। তারপরই শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের তুমুল বচসা। পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতিতেও জড়িয়ে পড়েন বিজেপি কর্মীদের একাংশ। পরে বিজেপি (BJP) কর্মীরা মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে নন্দীগ্রাম থানার সামনে বিক্ষোভও দেখান। পরে অবশ্য বিজেপির একটি প্রতিনিধিদল থানায় ডেপুটেশন জমা দেয়।

    আরও পড়ুন: সন্দীপ, চার চিকিৎসক-পড়ুয়া কি সত্যি বলছেন? আজ হবে পলিগ্রাফ টেস্ট

    ঘোলায় ব্যারিকেড ভাঙল বিজেপি

    এদিন ঘোলা থানায় বিজেপির কর্মসূচি ছিল। সেই কর্মসূচিতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী যোগ দেন। বিজেপি (BJP) কর্মীদের আটকাতে থানার অনেকটা আগে পুলিশ ব্যারিকেড তৈরি করে। কিন্তু, বিজেপি কর্মীরা ব্যারিকেড ভেঙে থানার দিকে এগিয়ে যান। আরজি কর কাণ্ড নিয়ে রাজ্য সরকারকে তোপ দাগেন বিরোধী দলনেতা।

    মেদিনীপুরে বিক্ষোভ মিছিলে দিলীপ ঘোষ

    মেদিনীপুরে বিজেপির (BJP) থানা ঘেরাও কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। যদিও শেষ পর্যন্ত থানা ঘেরাও না করে বিক্ষোভ মিছিল করে বিজেপি। সন্দীপ ঘোষের বয়ানে অসঙ্গতি নিয়ে প্রশ্ন করলে দিলীপ ঘোষ বলেন, “ওঁকে কেউ বাঁচাতে পারবে না। ডাক্তার, প্রিন্সিপালও বাঁচাতে পারবেন না। এই নিয়ে অনেকবার রাস্তায় হেঁটেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার আর তাঁকে কেউ বাঁচাতে পারবে না। একাধিক কারণে গ্রাম ও শহরের মানুষের জমে থাকা ক্ষোভ চোখে পড়ছে। তাই উকিল, ডাক্তার, সাধারণ মানুষ সকলেই প্রতিবাদে নেমেছেন। এর জন্যই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পতনের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।”

    টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ

    নন্দীগ্রাম, ঘোলা, মেদিনীপুরের পাশাপাশি কাঁকসা থানা ঘেরাও করে বিজেপি। কাঁকসার হাটতলা থেকে মিছিল করে আসে বিজেপি কর্মীরা, থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান। থানায় ঢুকে ডেপুটেশন জমা দেয়। মাথাভাঙ্গা থানা ঘেরাও নিয়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। পুলিশ-বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। মাটিগাড়ায় বিজেপি থানা ঘেরাও করে। থানার সামনে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। কৃষ্ণনগরের কোতোয়ালি থানার সামনে বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভ দেখান।

    পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ধস্তাধস্তি

    চুঁচুড়া ঘড়ির মোড় থেকে মিছিল করে চুঁচুড়া থানার সামনে বিজেপি কর্মীরা যেতেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি বেধে যায়। পশ্চিম বর্ধমানের বারাবানি থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি কর্মীরা। নিউ জলপাইগুড়ি থানা করেন অবরোধ বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ঢুকে পড়লেন বিজেপি সমর্থকরা। এই ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ। অন্য দিকে, আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে বীরভূমের সিউড়ির চৈতালি মোড়ে এদিন থেকে লাগাতার অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করল বিজেপি। নেতৃত্বে বীরভূম সাংগঠনিক জেলার সভাপতি ধ্রুব সাহা। দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের কড়া শাস্তি চেয়ে এদিন মিছিল করেন সিউড়ির বিদ্যাসাগর কলেজের ছাত্রছাত্রী এবং অধ্যাপকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nabanna Abhijan: ‘নবান্ন অভিযান’ বাতিলের আবেদন খারিজ, হস্তক্ষেপই করল না হাইকোর্ট

    Nabanna Abhijan: ‘নবান্ন অভিযান’ বাতিলের আবেদন খারিজ, হস্তক্ষেপই করল না হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবান্ন অভিযান নিয়ে হাইকোর্টে ধাক্কা খেল রাজ্য। ২৭ অগাস্টের নবান্ন অভিযানে (Nabanna Abhijan) কোনও হস্তক্ষেপই করল না কলকাতা হাইকোর্ট। ফলে, নবান্ন অভিযানে আপাতত আর বাধা রইল না। হাইকোর্ট (Kolkata High Court) জানিয়েছে, এই ধরনের মিটিং-মিছিল নিয়ে যে নির্দেশিকা রয়েছে, তা নিয়ে একটি হলফনামা দিতে হবে রাজ্যকে। চার সপ্তাহ পরে এই মামলার আবার শুনানির সম্ভাবনা। অভিযান বন্ধ করতে রাজ্যের পক্ষ থেকে যে আবেদন করা হয়েছিল, হাইকোর্টের পক্ষ থেকে তা খারিজ করে দেওয়া হল।

    হাইকোর্ট কী জানাল? (Nabanna Abhijan)

    জানা গিয়েছে, আরজি কর ইস্যুতে ২৭ অগাস্ট, মঙ্গলবার একটি সংগঠনের তরফে নবান্ন অভিযানের (Nabanna Abhijan) ডাক দেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচি আটকাতে বৃহস্পতিবারই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য। শুক্রবার নতুন করে হাইকোর্টের বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন এবং বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে জনস্বার্থ মামলা করা হয়। মামলাটি করেন আইনজীবী দেবরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়। শুনানিতেই মামলার আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়। মামলাকারীর তরফে প্রশ্ন করা হয়, তবে কি কর্মসূচিতে সবুজ সঙ্কেত দিচ্ছে আদালত? ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, কর্মসূচির বিষয়ে তারা হস্তক্ষেপ করবে না। রাজ্যের অভিযোগ ছিল, নবান্ন অভিযানের জন্য পুলিশের কাছ থেকে কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। পুলিশের অনুমতি ছাড়া এই ধরনের কর্মসূচি কী ভাবে আয়োজন করা যায়, সেই প্রশ্নও আদালতে তোলা হয়েছিল। নবান্ন অভিযানের কর্মসূচিতে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি যোগ দিতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল রাজ্য। ফলে, কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে অশান্তির আশঙ্কাও করা হয়েছিল। রাজ্যের আবেদন ছিল, পুলিশের অনুমতি নিয়ে বিকল্প জায়গায় কর্মসূচি করার নির্দেশ দিক আদালত। একইসঙ্গে আগামী ২৭ অগাস্ট ইউজিসির পরীক্ষার কথাও আদালতে উল্লেখ করে রাজ্য। মামলাকারীর তরফে জানানো হয়, অতীতে নবান্নের সামনে বিভিন্ন কর্মসূচিতে বার বার অশান্তি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে এই কর্মসূচিতেও। কিন্তু আদালত এই কর্মসূচিতে হস্তক্ষেপ করবে না বলে জানায়। প্রতিবাদ কর্মসূচি সংক্রান্ত নির্দেশিকা নিয়ে হলফনামা রাজ্যকে দিতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: সন্দীপ, চার চিকিৎসক-পড়ুয়া কি সত্যি বলছেন? আজ হবে পলিগ্রাফ টেস্ট

    সুপ্রিম কোর্টেও নবান্ন অভিযান প্রসঙ্গ

    বৃহস্পতিবারই আরজি কর সংক্রান্ত মামলা চলাকালীন এই নবান্ন অভিযান (Nabanna Abhijan) প্রসঙ্গ তোলেন রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বক্তব্য ছিল, আমরা এ বিষয়ে কেন বলব? আইন নিজের পথে চলবে। কিন্তু শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচিতে কোনও ভাবেই বাধা দেওয়া যাবে না। যাঁরা প্রতিবাদ করবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। তবে নির্বিচারে গ্রেফতারও চলবে না, তাও জানিয়ে দেওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • OBC List in Bengal: ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই একাধিক মুসলিম শ্রেণিকে ‘ওবিসি’ তকমা! সুপ্রিম কোর্টে ‘স্বীকার’ রাজ্যের

    OBC List in Bengal: ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই একাধিক মুসলিম শ্রেণিকে ‘ওবিসি’ তকমা! সুপ্রিম কোর্টে ‘স্বীকার’ রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্ট ২০১০ সালের পর থেকে পাওয়া রাজ্যের সমস্ত ওবিসি সার্টিফিকেট (OBC List in Bengal) বাতিল করে দিয়েছে। ঘটনাচক্রে, ২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল। ফলে আদালতের নির্দেশ মূলত কার্যকর হতে চলেছে তৃণমূল আমলে ইস্যু করা ওবিসি শংসাপত্রের উপরেই। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে গিয়েছে রাজ্য। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) রাজ্য সরকার এ নিয়ে হলফনামা জমা দেয়। সেই হলফনামায় উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। দেখা গিয়েছে, বেশ কয়েকটি মুসলিম জাতিকে ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে ওবিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে! এমনকী, অনেককে তো আবেদনের আগেই অন্তর্ভুক্ত করেছে রাজ্য সরকার! অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস প্রশাসন যে ৭৭টি জাতিকে ওবিসি শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এদের মধ্যে ৭৫টি মুসলিম সম্প্রদায়।

    জটিল তিন-স্তরের অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া 

    সরকার দাবি করেছে যে, ওবিসি তালিকা (OBC List in Bengal) সম্প্রসারণ একটি জটিল তিন-স্তরের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হয়েছে, যার মধ্যে দুটি জরিপ এবং অনগ্রসর শ্রেণির কমিশনের একটি শুনানি অন্তর্ভুক্ত ছিল। সাধারণত, ওবিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য প্রথম ধাপে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আবেদন করতে হয়।শ্রেণি, জনসংখ্যা, বসবাসের স্থান, শিক্ষাগত যোগ্যতা, আর্থিক অবস্থার মতো বিভিন্ন তথ্য দিতে হয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে। সেই আবেদনপত্র পাওয়ার পরে সমীক্ষা চালায় কমিশন। 

    জানা গিয়েছে, কিছু মুসলিম গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে সম্পন্ন হয়েছে, যা সরকারের জটিল কাজের প্রকৃতি বিবেচনায় কার্যত অসম্ভব। হাইকোর্ট জানিয়েছিল, ২০১০ সালের পরে যে সমস্ত ওবিসি সার্টিফিকেট তৈরি করা হয়েছে, তা যথাযথ আইন মেনে বানানো হয়নি। এর ফলে বাতিল হয়ে গিয়েছে পাঁচ লক্ষ ওবিসি সার্টিফিকেট, যার অধিকাংশই মুসলিম সম্প্রদায়ের।

    কবে থেকে শুরু

    প্রসঙ্গত, রাজ্যে মুসলিমদের ওবিসি সংরক্ষণের (OBC List in Bengal) আওতায় আনা হয়েছিল বামফ্রন্ট জমানায়। এরপর পশ্চিমবঙ্গে ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল সরকার। আদালত জানিয়েছে, মূলত ‘নির্বাচনি মুনাফার’ জন্য ওই ৭৭টি শ্রেণিকে ওবিসি তালিকায় যোগ করা হয়েছিল। যা শুধুমাত্র সংবিধানের লঙ্ঘনই নয়, মুসলিমদের অবমাননাও। ২০০৯ সালের ১৩ নভেম্বর খোট্টা মুসলিম সম্প্রদায় আবেদন করে এবং সেদিনই তারা ওবিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। একইভাবে, ২০২০ সালের ২১ এপ্রিল জমাদার মুসলিম গোষ্ঠী আবেদন করে এবং সেদিনই তাদের ওবিসি শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এছাড়া, গায়েন এবং ভাটিয়া মুসলিম গোষ্ঠীর ক্ষেত্রেও একইভাবে দ্রুত অন্তর্ভুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে, সাব-ক্যাটাগোরাইজেশন জরিপ এমন গোষ্ঠীগুলোর জন্যও সম্পন্ন হয়েছে, যারা এখনও কমিশনের কাছে আবেদনই করেনি। যেমন, কাজি, কোটাল, হাজারি, লায়েক, খাস এবং কিছু অন্যান্য মুসলিম গোষ্ঠীর জন্য জরিপ ২০১৫ সালের জুনে সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু তাদের আবেদন অনেক পরে জমা দেওয়া হয়।

    কলকাতা হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    এই বছরের মে মাসে বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চ বাম ও তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের দ্বারা ২০১০ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে ওবিসি শংসাপত্র (OBC List in Bengal) জারি করা ৭৭টি গোষ্ঠীর শংসাপত্র বাতিল করে। বিচারকরা লক্ষ্য করেন যে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার ২০০৬ সালের সাচার কমিটির রিপোর্ট “বিস্তৃতভাবে” ব্যবহার করেছে, যা মুসলিমদের পিছিয়ে থাকার প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু আদালত এই রিপোর্টের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, অনগ্রসর জাতির তালিকায় নতুন ভাবে কয়েকটি সম্প্রদায়কে অন্তুর্ভুক্ত করা এবং ওবিসি শংসাপত্র জারি করার ক্ষেত্রে অনগ্রসর জাতি সংরক্ষণ আইন মানা হয়নি। নিয়মমাফিক জাতিগত সমীক্ষা হয়নি, খসড়া তালিকা সামনে আসেনি, কোন রিপোর্টের ভিত্তিতে এই সংরক্ষণ তাও জানানো হয়নি। কেন কয়েকটি শ্রেণিকে ওই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হল, সে বিষয়েও সঠিক তথ্য পেশ করতে পারেনি রাজ্য সরকার।

    আরও পড়ুন: ‘শান্তির সেতুবন্ধনই লক্ষ্য ভারতের’, কিয়েভে বার্তা মোদির, আজই জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক

    বিতর্কের পটভূমি

    ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে ২০১০ সালের বাম জমানায় সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে। ওই বছর মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর জন্য তখন ক্ষমতায় থাকা বামপন্থীরা ‘ওবিসি-এ’ ক্যাটেগরি তৈরি করেছিল। সে সময় অনগ্রসর জাতি (OBC List in Bengal) কমিশনের তরফে অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির তালিকায় ৪২টি শ্রেণিকে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ জানানো হয়। এর মধ্যে ৪১টি ছিল মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্তর্গত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরর সরকার ক্ষমতায় এলে ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি ক্যাটেগরি মিলিয়ে আরও ৩৭টি শ্রেণিকে ওই তালিকায় যোগ করে। এই পদক্ষেপ নেওয়া হয় ২০১২ সালে। যার মধ্যে ৩৫টি মুসলিম জাতি-গোষ্ঠী। এরাই পরবর্তী সময়ে ভোট রাজনীতির কেন্দ্রে দাঁড়িয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: ১০ বছর কাজ না করেই বেতন তুলছেন দন্ত চিকিৎসক! দক্ষিণ দিনাজপুরে শোরগোল

    Dakshin Dinajpur: ১০ বছর কাজ না করেই বেতন তুলছেন দন্ত চিকিৎসক! দক্ষিণ দিনাজপুরে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক বা দু’দিন নয়। টানা ১০ বছর কাজ না করেই বেতন তুলছেন এক দন্ত চিকিৎসক। শুধু তাই নয়, তিনি এক জেলায় সরকারিভাবে নিযুক্ত থাকলেও বেতন তুলছেন অন্য জেলা থেকে। এই খবর জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরের (Dakshin Dinajpur) চিকিৎসক মহলে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Dakshin Dinajpur)

    দক্ষিণ দিনাজপুরের (Dakshin Dinajpur) অধিকাংশ হাসপাতালই চিকিৎসক অভাবে ধুঁকছে। সামান্য কয়েকজন চিকিৎসক নিয়ে হাসপাতালগুলি কোনওরকমে চলছে। এই পরিস্থিতিতে ১০ বছর আগে কুশমন্ডি গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে ডিটেইলমেন্ট পোস্টিংয়ে মালদা (Malda) মেডিক্যালে চলে যাওয়া এক চিকিৎসকের কাজ জোড়াতালি দিয়ে চালানো হচ্ছে। জানা গিয়েছে, ২০১৪ সালে কুশমন্ডি গ্রামীণ হাসপাতালে পোস্টিং হয়েছিলেন মহিলা দন্ত বিশেষজ্ঞ সুস্মিতা মিত্র। কিন্তু, কোনও এক অদৃশ্য শক্তির প্রভাবে তাঁর ডিটেলমেন্ট পোস্টিং হয়ে যায় মালদা মেডিক্যালে। কুশমন্ডি হাসপাতালের একমাত্র দন্ত বিশেষজ্ঞ হয়েও তিনি ওই পদ ফাঁকা রেখে মালদায় কাজে যোগ দেন। ফলে কুশমন্ডি এলাকার বাদিন্দারা সরকারি হাসপাতালে দাঁতের চিকিৎসা করাতে পারছেন না। পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে কুমারগঞ্জের একমাত্র দন্ত বিশেষজ্ঞ কুশমন্ডি হাসপাতালে সপ্তাহে তিনদিন করে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। অথচ কুশমন্ডির দন্ত বিশেষজ্ঞ হিসেবে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা থেকে বেতন তুলছেন মালদা মেডিক্যালে চলে যাওয়া ওই মহিলা চিকিৎসক। বছরের পর বছর তিনি মালদা মেডিক্যাল থেকেই ওয়ার্কিং রিপোর্ট দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় পাঠিয়ে দিচ্ছেন। অথচ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় কাজ না করেই তিনি ১০ বছর ধরে বেতন তুলছেন। ওই চিকিৎসকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুন: সন্দীপ, চার চিকিৎসক-পড়ুয়া কি সত্যি বলছেন? আজ হবে পলিগ্রাফ টেস্ট

    জেলা স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিক কী বললেন?

    দুর্ভাগ্যের বিষয়, এতদিনেও বিষয়টি নজরে আসেনি দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) স্বাস্থ্য দফতরের। তবে, ওই মহিলা চিকিৎসকের ফাঁকা পদে যেমন কাউকে নিয়োগ করা হয়নি, ঠিক তেমনই মালদা মেডিক্যালেও তাঁকে স্থায়ী পোস্টিং দেওয়া হয়নি। ডিটেলমেন্ট পোস্টিং-এর অর্থ বিশেষ প্রয়োজনে। গত দশ বছর ধরে ওইভাবে তিনি ডিউটি করে যাচ্ছেন। কুশমন্ডি বিএমওএইচ অমিত দাস এনিয়ে কিছু বলতে না চাননি। তবে, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ দাস বলেন, আমি কিছুদিন আগেই দায়িত্ব নিয়েছি। আসার পরেই আমার নজরে বিষয়টি এসেছে। তবে এই মুহূর্তে কুমারগঞ্জ হাসপাতাল থেকে একজন ডাক্তার সপ্তাহে তিনদিন ওখানে বসছেন। তবে, আমরা কুশমন্ডি হাসপাতালে শূন্যপদ দেখিয়ে চিকিৎসক চেয়ে স্বাস্থ্য দফতরকে জানিয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share