Tag: Madhyom

Madhyom

  • RG Kar: সূর্যাস্তের পর ময়নাতদন্ত! আপত্তিতে আমল দেয়নি পুলিশ-হাসপাতাল, প্রকাশ্যে সেই চিঠি

    RG Kar: সূর্যাস্তের পর ময়নাতদন্ত! আপত্তিতে আমল দেয়নি পুলিশ-হাসপাতাল, প্রকাশ্যে সেই চিঠি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সূর্যাস্তের পরে ময়নাতদন্ত করা যায় না। কিন্তু, আরজি করের (RG Kar) তরুণী চিকিৎসকের ক্ষেত্রে তাই করা হয়েছিল। ২০২১-র ২৩ ডিসেম্বর স্বাস্থ্যভবনের নির্দেশিকার চার নম্বর পয়েন্টে স্পষ্ট বলা রয়েছে, ধর্ষণ করে খুনের ক্ষেত্রে সূর্যাস্তের পর ময়নাতদন্ত করা যাবে না। যদি না আইনশৃঙ্খলা জনিত সমস্যা হয়। সেই নির্দেশিকার প্রতিলিপি পাঠানো হয়, জেলা পুলিশ সুপার, হাসপাতালের প্রিন্সিপ্যাল, সুপারকে। দেখা যাচ্ছে, সাব ইন্সপেক্টর ফরেন্সিক বিভাগের প্রধানকে চিঠি লিখছেন। ময়নাতদন্তের অনুমতি চেয়েছেন। আর ফরেন্সিক বিভাগের প্রধানই হলেন মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্য। তিনি সন্দীপ ঘোষ ঘনিষ্ঠ বলেও অভিযোগ ওঠে। অভয়ার ক্ষেত্রে তা মানাই হয়নি। তাতে আপত্তি জানিয়ে নোট দিয়েছিলেন ময়না তদন্তের বোর্ডে থাকা এক সদস্য। কিন্তু তাতে আমল না দিয়েই পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তড়িঘড়ি পদক্ষেপ করেছিলেন বলেই অভিযোগ।

    ঠিক কী অভিযোগ? (RG Kar)

    মঙ্গলবার ওই নোট এবং আরজি করের ফরেন্সিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান চিকিৎসককে টালা থানার তরফে দেওয়া চিঠি প্রকাশ্যে এসেছে। আর তা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। ৯ অগাস্ট তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধারের পর ওই দিনই ময়নাতদন্ত সেরে ফেলতে চেয়েছিল প্রশাসন। সেই মতো আরজি করের (RG Kar) সুপার একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করেন। তাতে ওই মেডিক্যাল কলেজের ফরেন্সিক মেডিসিনের প্রফেসর অপূর্ব বিশ্বাস, অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর রিনা দাস এবং নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজের (Kolkata) অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর মলি বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাখা হয়। বোর্ড গঠনের নির্দেশিকায় এক সদস্য নোট দিয়ে জানান, বিকেল ৪টের পরে ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া শুরু করতে হলে পুলিশের নির্দিষ্ট নির্দেশিকা লাগবে। সেই বিষয়ে ২০২১ সালে স্বাস্থ্য দফতরের একটি নির্দেশিকার মেমো নম্বরও তিনি উল্লেখ করেন। তাতে বলা হয়, রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের ওই এসওপি-তে বলা ছিল, আইনশৃঙ্খলাজনিত সমস্যা ছাড়া খুন, আত্মহত্যা, ধর্ষণ, উদ্ধার হওয়া পচাগলা দেহ এবং রহস্যজনক মৃত্যুর ক্ষেত্রে রাতে ময়নাতদন্ত করা যাবে না।

    চিঠিতে কী বলা হয়েছিল?

    সূর্যাস্তের পর অভয়ার ময়নাতদন্ত করতে চেয়ে আরজি করের ফরেন্সিক বিভাগকে (RG Kar) সরাসরি চিঠি দেন টালা থানার এক সাব ইন্সপেক্টর। চিঠিতে লেখা ছিল, জরুরি বিষয়, ‘স্পেশ্যাল ইস্যু’। কিন্তু কী সেই স্পেশ্যাল ইস্যু, তা স্পষ্ট করেনি পুলিশ। আইনের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশিকা অমান্য করেছে পুলিশ। নিয়ম অনুযায়ী, বিকাল চারটের পর ময়নাতদন্ত করতে হলে এসপি পদমর্যাদার পুলিশকে অনুরোধ করতে হবে। হাসপাতালের সুপার কিংবা প্রিন্সিপ্যালকে সেই অনুরোধে শীলমোহর দিতে হবে। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কেন সাব ইন্সপেক্টর চিঠি লিখলেন? প্রিন্সিপ্যাল কিংবা সুপারকে এড়িয়ে কেন সরাসরি ফরেন্সিক বিভাগকে চিঠি? সাব ইন্সপেক্টরের চিঠি পেয়ে কেন ময়নাতদন্তে রাজি হল ফরেন্সিক বিভাগ? প্রসঙ্গত, এই খামতির অভিযোগই সোমবার সুপ্রিম কোর্টে উত্থাপিত করেছেন আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় ময়নাতদন্তের চালান দেখতে চান। কিন্তু তা দেখাতে পারেনি রাজ্য। তা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল। এখন নতুন করে এই চিঠি সামনে আসায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘ইলিশ দেব না’ হুঁশিয়ারি দেওয়া বাংলাদেশ ভারতের কাছে হাত পেতে নিল ডিম!

     চিকিৎসককে কী ভাবে বোর্ডে রাখা হল?

    আরজি করের (RG Kar) ঘটনায় ওই মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ কীভাবে বোর্ড গঠন করে নির্দেশিকা জারি করলেন? এই সমস্ত প্রশ্নের প্রেক্ষিতে অভিযোগ ওঠে, ‘উত্তরবঙ্গ লবি’র ঘনিষ্ঠ দুই চিকিৎসককে ‘ইচ্ছাকৃত ভাবে’ বোর্ডে রাখা হয়েছিল। সোমবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময়েও ময়নাতদন্তের বোর্ডে ‘উত্তরবঙ্গ লবি’র ঘনিষ্ঠদের থাকার বিষয়টি উত্থাপিত হয়। সিনিয়র চিকিৎসকদের দাবি, তরুণী চিকিৎসকের বাবা-মা অভিযোগ করেছেন যে, তাঁরা দেহ রাখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু, পুলিশ তা করতে দেয়নি। এই নোট এবং চিঠি সামনে আসায় সেই অভিযোগ জোরদার হল বলে মনে করা হচ্ছে।

    অভয়ার বন্ধু কী বলেছেন?

    ময়নাতদন্তের ক্ষেত্রে নিয়ম যে মানা হয়নি, সে প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন অভয়ার বিশেষ বন্ধু, যিনি নিজেও একজন চিকিৎসক। তিনি বলেন, “আমার যতটুকু জ্ঞান তাতে, অন্ধকার হয়ে গেলে কালার চেঞ্জগুলো বোঝা যায় না। শরীরে বিষ থাকলে, যদি শরীরের বিশেষ অংশের রঙ পরিবর্তন হয়ে যায়, তাহলে তা ধরা যায় না। তাই সূর্যাস্তের পর ময়নাতদন্ত (RG Kar) করা হয় না।” সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী শুনানির আগে এই বিষয়টি মামলাকারীর আইনজীবীর হাতে যথেষ্ট সাক্ষ্য, বলছেন আইন বিশেষজ্ঞরাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cybercrime: “সাইবার নিরাপত্তা ছাড়া জাতীয় নিরাপত্তাও অসম্ভব”, বললেন শাহ

    Cybercrime: “সাইবার নিরাপত্তা ছাড়া জাতীয় নিরাপত্তাও অসম্ভব”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সাইবার ক্রাইমের (Cybercrime) কোনও সীমানা নেই। সাইবার নিরাপত্তা ছাড়া জাতীয় নিরাপত্তাও অসম্ভব।” কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বড় পদক্ষেপ নেওয়া হল কেন্দ্রের তরফে (Cyber Commandos)।

    সাইবার কমান্ডোদের প্রশিক্ষণ (Cybercrime)

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পাঁচ হাজার সাইবার কমান্ডোকে প্রশিক্ষণ, ওয়েব ভিত্তিক ডেটা রেজিস্ট্রি স্থাপনের পাশাপাশি সাইবার অপরাধের তথ্য ভাগ করার জন্য একটি পোর্টাল এবং একটি জাতীয় রেজিস্ট্রি সহ বেশ কয়েকটি নয়া উদ্যোগের কথা ঘোষণা করেন তিনি। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ইন্ডিয়ান সাইবার ক্রাইম কো-অর্ডিনেশন সেন্টারের প্রথম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপিত হয়। সেই অনুষ্ঠানেই যোগ দিয়েছিলেন শাহ।

    সাইবার ফ্রড মিটিগেশন সেন্টার

    বক্তৃতা দেওয়ার সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বড় ব্যাঙ্ক, আর্থিক মধ্যস্থতাকারী, পেমেন্ট এগ্রিগেটরদের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সাইবার ফ্রড মিটিগেশন সেন্টার গঠন করা হবে। রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির প্রতিনিধিরাও থাকবেন এই সেন্টারে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এই সব সংস্থা অনলাইন আর্থিক অপরাধ মোকাবিলায় তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ ও নিরবচ্ছিন্ন সহযোগিতার জন্য একযোগে কাজ করবে।” তিনি জানান, সিএফএমসি আইন প্রয়োগে সহযোগিতামূলক ফেডারেলিজমের উদাহরণ হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: ‘সুপ্রিম’ ডেডলাইন পার, পথে ঠায় বসে জুনিয়র ডাক্তাররা

    শাহ বলেন (Cybercrime), “জামতাড়া, আমেদাবাদ, মেওয়াত, হায়দরাবাদ, চণ্ডীগড়, বিশাখাপত্তনম ও গুয়াহাটিতে সাতটি যৌথ সাইবার সমন্বয় দল গঠন করায় ভালো ফল মিলেছে। সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলগুলিতে একটি কার্যকর সচেতনতামূলক প্রচার শুরু হয়েছে।” তিনি বলেন, “লক্ষ্যে পৌঁছতে আমাদের একটি সুনির্দিষ্ট কৌশল তৈরি করতে হবে এবং একই দিকে, এক সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।”

    সাইবার নিরাপত্তায় ‘সমন্বয় প্ল্যাটফর্ম’

    জানা গিয়েছে, ‘সমন্বয় প্ল্যাটফর্ম’টি আদতে একটি যৌথ সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ফেসিলিটেশন সিস্টেম। এটা একটা ওয়েব-বেসড মডিউল। এটা ওয়ান স্টেপ পোর্টাল হিসেবে কাজ করবে, কাজ করবে সাইবার ক্রাইমের ডেটা রিপোজিটরি হিসেবে। ডেটা শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবেও কাজ করবে। ক্রাইম ম্যাপিং, ডেটা অ্যানালিটিক্স কো-অপারেশন এবং কো-অর্ডিনেশনের কাজও করবে এই সমন্বয় প্ল্যাটফর্ম। সাইবার কমান্ডোদের ট্রেনিংও দেওয়া হবে। তাঁরা (Cyber Commandos) রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় বিভিন্ন এজেন্সিগুলোকে সাহায্য করবেন (Cybercrime)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: রেকর্ড মুদ্রাস্ফীতি! অস্থিরতার জেরে চরম অর্থনৈতিক সংকটের মুখে বাংলাদেশ

    Bangladesh Crisis: রেকর্ড মুদ্রাস্ফীতি! অস্থিরতার জেরে চরম অর্থনৈতিক সংকটের মুখে বাংলাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হলেও পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। আর এই অস্থির পরিস্থিতির জেরে বর্তমানে চরম অর্থনৈতিক সংকটের (Economic crisis) সম্মুখীন বাংলাদেশ। বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে মুদ্রাস্ফীতির (Inflation) হার ছিল ১১.৬৬ শতাংশ। যা গত ১২ বছরের মধ্যে সর্বাধিক। শুধু তাই নয়, জুলাই মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতিও গত ১৩ বছরের রেকর্ড ভেঙে ১৪ শতাংশে পৌঁছেছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কে বিধিনিষেধ

    সারা বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) জুড়ে বিক্ষোভের কারণে পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা (Supply chain) ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হিন্দু বিরোধিতা এবং কোটা সংস্কার আন্দোলনের জেরে সংকটের মুখোমুখি হচ্ছে দেশের ব্যবসায়িক খাতও। কারণ শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরই কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক নগদ তোলার সর্বোচ্চ পরিমাণে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে বাংলাদেশের নাগরিকরা ব্যাঙ্ক থেকে একদিনে ২ লক্ষ বাংলাদেশি টাকার বেশি তুলতে পারছেন না। মাস্টারকার্ড ইকোনমিক ইনস্টিটিউটের (MEI) নতুন পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৫ অর্থবর্ষে বাংলাদেশের জিডিপি বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতি ধীরগতিতে নামবে। ২০২৫ আর্থিক বছরে দেশের জিডিপি বৃদ্ধি ৫.৭ শতাংশে এবং মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশে নেমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে, যেখানে ২০২৪ অর্থবছরে জিডিপি বৃদ্ধি ৯.৮ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ৯.৮ শতাংশে দাঁড়াবে।

    আরও পড়ুন: ‘ইলিশ দেব না’ হুঁশিয়ারি দেওয়া বাংলাদেশ ভারতের কাছে হাত পেতে নিল ডিম!

    বাংলাদেশি টাকার মান কমছে

    বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার ৩১ জুলাই ২০.৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের মাসে ২১.৭৮ বিলিয়ন ডলার ছিল। এইভাবে বাংলাদেশের মুদ্রাভান্ডার থেকে প্রায় ১.৩ বিলিয়ন ডলার হ্রাস পাওয়ায় বিপাকে পড়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। ঢাকার সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার কাওরান বাজারের (Kawran Bazar) বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশি টাকার মান কমতে থাকলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার চাপে রয়েছেন খুচরো ব্যবসায়ীরা। ফলে ব্যবসায় লাভ করতে পারছেন না তাঁরাও। যদিও ব্যবসায়ীদের একাংশ জানিয়েছেন, আগামী মাসে দাম বাড়ানো যাবে বলে সরকারের তরফে তাঁদের আশ্বস্ত করা হয়েছে। ভারত সহ প্রতিবেশী দেশগুলি থেকে ডাল, ড্রাই ফ্রুটস, মশলাপাতি সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করে বাংলাদেশ। কিন্তু পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ার কারণে বিভিন্ন জিনিসপত্রের দাম আগামী দিনে আরও বাড়বে বলে অনুমান ব্যবসায়ীদের। এই পরিস্থিতিতে কবে জিনিসপত্রের দাম স্বাভাবিক হবে সেদিকেই তাকিয়ে সকলে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: আরজি করে ক্রাইম সিনে থাকার অভিযোগ, অপসারিত মালদার আইএমএ সভাপতি

    RG Kar Incident: আরজি করে ক্রাইম সিনে থাকার অভিযোগ, অপসারিত মালদার আইএমএ সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর জি কর-কাণ্ডের (RG Kar Incident) পর পরই একাধিক সরকারি মেডিক্যাল কলেজ থেকে সামনে এসেছে থ্রেট কালচারের অভিযোগ। ভাইরাল হয়েছে বেশ কয়েকটি অডিও ক্লিপ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া চলছে। এই আবহের মধ্যে এবার আরজি কর কাণ্ডের সঙ্গে যোগসূত্রের অভিযোগ তুলে আইএমএ মালদার (Malda) সভাপতিকে অপসারণ করা হল। আইএমএ মালদার সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল চিকিৎসক তাপস চক্রবর্তীকে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (RG Kar Incident)

    আইএমএ-র রাজ্য শাখার তরফে জানানো হয়, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সুশান্ত রায়, অভীক দে, তাপস চক্রবর্তী, দীপাঞ্জন হালদার ও বিরূপাক্ষ বিশ্বাসকে সাসপেন্ড করুক রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল। রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট সুদীপ্ত রায়কে চিঠি পাঠিয়ে পদত্যাগ করতে অনুরোধ করে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য শাখা। আর এবার সরিয়ে দেওয়া হল আইএমএ-র মালদা শাখার সভাপতি তাপস চক্রবর্তীকে। গত ৯ অগাস্ট আরজি কর (RG Kar Incident) সেমিনার রুমে তিনিও ছিলেন। এই ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার সঙ্গে তিনিও জড়িত থাকতেও পারেন বলে অভিযোগ বহু চিকিৎসকের। আইএমএ-র মালদা শাখার সহ সভাপতির দাবি, ৯ অগাস্ট আরজি কর মেডিক্যালের ক্রাইম সিনে কেন ছিলেন তাপস চক্রবর্তী? এই প্রশ্নের উপযুক্ত ব্যাখ্যা না দেওয়া পর্যন্ত আইএমএ-র মালদা শাখার সভাপতি পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘ইলিশ দেব না’ হুঁশিয়ারি দেওয়া বাংলাদেশ ভারতের কাছে হাত পেতে নিল ডিম!

    আইএমএ-র মালদা শাখার প্রাক্তন সভাপতির কী বক্তব্য?

    আইএমএ-র মালদা শাখার সভাপতি পদ থেকে সরানোর পর তাপস চক্রবর্তীর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে আনা এই রেজোলিউশন অবৈধ। আগামী ১৪ তারিখ বৈঠক রয়েছে। তাতে সুরাহা না হলে, তিনি দিল্লি আইএমএ-র দ্বারস্থ হবেন। তবে, তিনি স্বীকার করেছেন, ৯ অগাস্ট তিনি আরজি কর হাসপাতালের সেমিনার রুমে ছিলেন। তিনি বলেন, ‘‘রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের বৈঠকে যোগ দিতে কলকাতায় গিয়েছিলাম। ৯ অগাস্ট বৈঠকের মাঝে হঠাৎই আরজি কর মেডিক্যালে মর্মান্তিক ঘটনার খবর আসে। রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আরজি কর (RG Kar Incident) মেডিক্যালে গিয়েছিলাম। রাত সাড়ে চারটে থেকে ৬টা-সোয়া ৬টা পর্যন্ত ছিলাম। আর এটা ঠিক, আমিও আরজি কর সেমিনার রুমে ছিলেন। দেহ তখনও ছিল ঘরের মধ্যেই। বহু মানুষই উপস্থিত ছিলেন সেখানে। ছিল বহু ফটোগ্রাফারও।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paralympics 2024: ঐতিহাসিক সাফল্য! প্যারালিম্পিক্সে পদকজয়ীদের আর্থিক পুরস্কার কেন্দ্রের

    Paralympics 2024: ঐতিহাসিক সাফল্য! প্যারালিম্পিক্সে পদকজয়ীদের আর্থিক পুরস্কার কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্যারিস প্যারালিম্পিক্সে (Paralympics 2024) ঐতিহাসিক সাফল্য ভারতীয় প্যারা অ্যাথলিটদের। এখনও পর্যন্ত  সেরা পারফরম্যান্স। প্যারিস প্যারালিম্পিক্সে ভারতের পদক সংখ্যা এবার ২৯, যার মধ্যে সাতটি সোনা, ৯টি রুপো, ১৩টি ব্রোঞ্জ রয়েছে, যা ভারতের সর্বকালীন রেকর্ড। তারই ফল পেলেন অ্যাথলিটরা। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য ঘোষণা করেন, প্যারালিম্পিকে পদকজয়ী প্রত্যেক অ্যাথলিটকে বিশেষ আর্থিক পুরস্কার দেবে কেন্দ্র (Sports Ministry)।

    পদকজয়ীদের পুরস্কার মূল্য

    রবিবার শেষ হয়েছে প্যারিস প্যারালিম্পিক্স (Paralympics 2024)। তার পরে মঙ্গলবার দেশে ফেরেন ভারতীয় প্যারাঅ্যাথলিটরা। প্রায় ১০০ জন ক্রীড়াপ্রেমী তাঁদের স্বাগত জানান বিমানবন্দরে। সেখান থেকে কেন্দ্রের বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যান অ্যাথলিটরা। সেই অনুষ্ঠানেই কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী ঘোষণা করেন, পদকজয়ী অ্যাথলিটদের দেওয়া হবে বিশেষ আর্থিক পুরস্কার। সোনাজয়ীদের প্রত্যেককে ৭৫ লক্ষ, রুপোজয়ীদের ৫০ লক্ষ এবং ব্রোঞ্জজয়ীদের ৩০ লক্ষ টাকা আর্থিক পুরস্কার দেবে কেন্দ্র (Sports Ministry)। পদকজয়ী নন, যাঁরা মিক্সড টিম ইভেন্টে নজরকাড়া পারফরম্যান্স করেছেন তাঁদেরও সাড়ে ২২ লক্ষ টাকা পুরস্কার দেবে কেন্দ্র। 

    আগাম শুভেচ্ছা

    এদিন দিল্লি বিমানবন্দরে প্যারা অ্যাথলিটদের রাজকীয়ভাবে অভ্যর্থনা জানানো হয়। যেভাবে মনু ভাকের, শ্রীজেশদের অভ্যর্থনা জানানো হয়েছিল ঠিক একই রকমভাবে স্বাগত জানানো হল পদকজয়ী প্যারালিম্পিয়ানদের। প্যারিস প্যারালিম্পিক্সে (Paralympics 2024) ভারতের পদক সংখ্যা এবার ২৯। টোকিতে ১৯ পদক জিতেছিল ভারত। পদক জয়ের নিরিখে নয়া ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে। মোট ২৯টি পদকের মধ্যে অ্যাথলেটিক্স বিভাগ থেকেই এসেছে ১৭টি পদক। ক্রীড়ামন্ত্রী মাণ্ডব্য (Sports Ministry) জানান, ২০২৮ সালের আগামী প্যারালিম্পিক্সে ভার‍ত যেন আরও বেশি পদক জিততে পারে তার জন্য সর্বতোভাবে পাশে থেকে সহযোগিতা করবে কেন্দ্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ‘সুপ্রিম’ ডেডলাইন পার, পথে ঠায় বসে জুনিয়র ডাক্তাররা

    RG Kar Incident: ‘সুপ্রিম’ ডেডলাইন পার, পথে ঠায় বসে জুনিয়র ডাক্তাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল। তা সত্ত্বেও বিকেল ৫টা বাজলেও, কর্মবিরতি প্রত্যাহার করলেন না জুনয়র ডাক্তাররা। মঙ্গলবার স্বাস্থ্যভবন (Swasthya Bhawan) অভিযান করেন (RG Kar Incident) তাঁরা। বিকেল পাঁচটার পরেও তাঁরা ঠায় বসে রয়েছেন সেখানে। দাবি মানা না হলে তাঁরা যে সেখান থেকে নড়বেন না, তাও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। প্রসঙ্গত, সোমবারই সুপ্রিম কোর্ট আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে কাজে যোগ দিতে বলেছিল।

    বিচার না পাওয়া অবধি আন্দোলন (RG Kar Incident)

    এদিকে, ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্যভবনের সামনে চলে এসেছে ভ্রাম্যমাণ শৌচাগার। ছাত্রদের বক্তব্য, দাবি মানা না হলে লাগাতার অবস্থান চলবে। সোমবারই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “এক মাস তো হয়ে গেল। আমি অনুরোধ করব, পুজোয় ফিরে আসুন, উৎসবে ফিরে আসুন।” মুখ্যমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে জুনিয়র ডাক্তাররা সাফ জানিয়ে দিলেন, বিচার না পাওয়া অবধি তাঁরা কোনও উৎসবে শামিল হবেন না। মুখ্যমন্ত্রীর ওই মন্তব্যকে ‘অসংবেদনশীল’ বলেও আখ্যা দেন তাঁরা।

    আন্দোলনকারীদের দাবি

    আন্দোলনকারীরা পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করা, অপরাধের উদ্দেশ্য সামনে আনা এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। কলকাতা পুলিশের কমিশনার বিনীত গোয়েলের ইস্তফাও দাবি করেন তাঁরা। রাজ্যের সব মেডিক্যাল কলেজ, হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবিও জানান তাঁরা।

    আরও পড়ুন: বারবার রেল দুর্ঘটনা ঘটানোর চক্রান্ত! নেপথ্যে জঙ্গিদের হাত?

    দিন কয়েক আগে লালবাজার অভিযান করেছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। তখন তাঁদের হাতে ছিল প্রতীকী মেরুদণ্ড। এদিন দেখা গেল প্রতীকী মস্তিষ্ক হাতে স্বাস্থ্যভবন অভিযানে শামিল হয়েছেন তাঁরা। চিকিৎসকদের দাবি, তাঁদের আন্দোলন দমানোর নানা চেষ্টা হচ্ছে। প্রতিটাই বিফলে যাচ্ছে। এবার অন্তত ‘মাথা খাটিয়ে কাজ করুন’, এই বার্তা দিতেই প্রতীকী মস্তিষ্ক হাতে মিছিলে হেঁটেছেন তাঁরা। আন্দোলনকারীদের কয়েকজনের হাতে ঝাঁটাও ছিল। তাঁদের দাবি, স্বাস্থ্যভবন সাফাই অভিযান করছেন তাঁরা। তাঁরা স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম, স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিকর্তা (Swasthya Bhawan), স্বাস্থ্য অধিকর্তা ও প্রিন্সিপাল সেক্রেটারির পদত্যাগও দাবি করেন (RG Kar Incident)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: ‘বিচার পাবে অভয়া তবে হবে মহালয়া’, নয়া স্লোগান ডাক্তারদের

    RG Kar Protest: ‘বিচার পাবে অভয়া তবে হবে মহালয়া’, নয়া স্লোগান ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Protest) নিয়ে রাজ্যজুড়ে আন্দোলন চলছে। প্রতিদিনই বিচার চেয়ে রাস্তায় নামছেন সাধারণ মানুষ। এই আবহে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উৎসবে ফেরার কথা বলেছেন। যা নিয়ে আন্দোলনকারী থেকে নাগরকি মহল সর্বত্র চর্চা হয়েছে। আর মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

    ‘বিচার পাবে অভয়া তবে হবে মহালয়া’ (RG Kar Protest)

    সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বলেছিলেন, “১ মাস তো হয়ে গেল। আজ ৯ তারিখ। এক মাস এক দিন। ৩১-এ মাস গিয়েছে। আমি অনুরোধ করব, পুজোতে ফিরে আসুন, উৎসবে ফিরে আসুন।” তা নিয়েই চলছে বিতর্ক। এদিন জুনিয়র চিকিৎসকদের স্বাস্থ্য ভবন অভিযান (RG Kar Protest) থেকে মমতার এ মন্তব্যের প্রতিবাদে উঠল লাগাতার স্লোগান। ‘কাঁদছে আমার বোনের শব, চাই না এমন নোংরা উৎসব’, এই লাইনে চলল গান।  চিকিৎসকরা আরও বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী আজ সব ভুলে মানুষকে উৎসবে ফিরতে বলেছেন। আমরা তাঁর এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। অভয়ার বিচারহীন শবের উপর দাঁড়িয়ে উৎসবের ডাক দেওয়া এক ন্যক্কারজনক নির্লজ্জতার পরিচয়। বিচার না পাওয়া অবধি, উৎসবে ফেরার আবেদন অশ্লীল ও অমানবিক।”

    এদিন প্রতিবাদ মুখর রাস্তায় দাঁড়িয়েই এক আন্দোলনকারী (Junior Doctors) বলেন, “৩২ দিন হয়ে গিয়েছে। আজও বিচার পাওয়া যায়নি। আমাদের কোনও দাবি মানা হচ্ছে না। শুধু কোনওভাবে আমাদের ডিউটি প্রবেশ করিয়ে হাত তুলে নিতে চাইছে। উৎসব করতে বলছে। কিন্তু ওটা দিয়ে হবে না। এখন গোটা বাংলা, দেশ, গোটা বিশ্ব জেগে উঠেছে। সেই আগুন নেভানো যাবে না। উৎসবে যাঁরা ফিরতে চায় ফিরুক। কিন্তু আমাদের মধ্যে সেই মনোভাব কারও রয়েছে বলে মনে হয় না।” জুনিয়র ডাক্তাররা জানিয়ে দিয়েছেন, ‘বিচার পাবে অভয়া তবে হবে মহালয়া’। তারা উৎসবে ফিরছেন না বলেও জানিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য অমানবিক, অশ্লীল, অসংবেদনশীল বলেও দাবি প্রতিবাদীদের। মুখ্যমন্ত্রীকে অবিলম্বে এই বক্তব্য ফিরিয়ে নিতে হবে বলেও দাবি আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের।

    আরও পড়ুন: ‘থ্রেট কালচার’-এর অভিযোগ! আন্দোলনকারীদের প্রবল চাপে সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ ৫১ জনকে নোটিস

    সরব হয়েছেন নির্যাতিতার মা

    মমতার পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন নির্যাতিতার মা-ও। তিনি বলেন, “দেশের মানুষ যদি ভাবেন উৎসবে ফিরবেন তাহলে ফিরবেন। তাঁরা তো আমার মেয়েটাকে (RG Kar Protest) নিজের পরিবারের মেয়ে ভাবছেন। তাঁরা যদি ফিরতে পারেন, তাহলে আমার কিছুই বলার নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandip Ghosh: ‘ধর্ষক’ সন্দীপ! ফাঁসির দাবিতে স্লোগান আদালতে, গাড়ি লক্ষ্য করে এল জুতো

    Sandip Ghosh: ‘ধর্ষক’ সন্দীপ! ফাঁসির দাবিতে স্লোগান আদালতে, গাড়ি লক্ষ্য করে এল জুতো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুনানি শেষ হতেই একেবার ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হল আলিপুর কোর্টে। এজলাস থেকে বের হতে গিয়ে মহিলা আইনজীবীদের তুমুল বিক্ষোভের মুখে পড়তে দেখা যায় সন্দীপ ঘোষকে (Sandip Ghosh)। শুনানি শেষে আদালত কক্ষের ভিতরেই সন্দীপের বিরুদ্ধে লাগাতার স্লোগান দিতে দেখা যায় আইনজীবীদের। এভাবে তুমুল বিক্ষোভের মুখে পড়বে তা কেউ ভাবতে পারেনি।

    বিচারক কী নির্দেশ দিলেন? (Sandip Ghosh)

    মঙ্গলবার আলিপুর আদালতে সশরীরে হাজির করানো হয় সন্দীপ-সহ চার জনকে। এদিন শুনানিতে সন্দীপকে (Sandip Ghosh) নিজেদের হেফাজতে চায়নি সিবিআই। কারণ, হিসেবে বলা হয়, ইতিমধ্যেই এই ডিজিটাল এভিডেন্স ক্লোনিং করার আবেদন করা হয়েছে। সেই রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত জেল হেফাজতে রাখার আবেদন করা হয় সিবিআইয়ের (CBI) তরফে। আরজি কর হাসপাতালে দুর্নীতির অভিযোগের মামলায় ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সন্দীপ, সুমন হাজরা, বিপ্লব সিং এবং আফসর আলিকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

    আরও পড়ুন: ‘থ্রেট কালচার’-এর অভিযোগ! আন্দোলনকারীদের প্রবল চাপে সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ ৫১ জনকে নোটিস

    আদালতে ঠিক কী ঘটেছে?

    জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়ে আদালত কক্ষ থেকে সবে বেরিয়েছেন বিচারক। তখনও এজলাসেই বসে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ (Sandip Ghosh) এবং আরও তিন অভিযুক্ত। তাঁদের ঘিরে তৈরি রাখা কড়া নিরাপত্তার বলয়। রয়েছেন পুলিশ কর্মী। রয়েছেন সিবিআইয়ের আধিকারিকেরা। এর মাঝেই সন্দীপকে ‘ধিক্কার’ জানাতে থাকেন এক মহিলা। ক্রমে স্লোগান উঠতে শুরু করে, ‘চোর চোর’, ‘ফাঁসি চাই’। উড়ে আসতে তাকে নানাবিধ হুমকি। সেই সময়েই আদালত কক্ষে ফিরে আসেন বিচারক। হাত জোড় করে বাকিদের চুপ করার অনুরোধ জানান। পরিস্থিতি সামাল দিতে বাইরে মোতায়েন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। শেষ পর্যন্ত কড়া প্রহরায় আদালত থেকে বার করিয়ে গাড়িতে চাপানো হয় সন্দীপদের।

    ‘‘তোর বডিগার্ড কোথায়?”

    তবে সেখানেও বাধে গোল। সন্দীপকে পুলিশের যে গাড়িতে তোলা হয়, এ বার সেটি লক্ষ্য করে ছোড়া হয় জুতো। কেউ বিচারের দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। মূলত মহিলা আইনজীবীরা সন্দীপের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন। সন্দীপকে ‘ধর্ষক’ সম্বোধন করেও চিৎকার করতে থাকেন কেউ কেউ। তাঁর ফাঁসির দাবিও ওঠে আদালত কক্ষে। এখানেই শেষ নয়। সন্দীপের দাঁত ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেন এক জন। তিনি বলেন, “অপরাধী হাসতে পারে না। দাঁত ভেঙে দেব।” এক জন বলেন, “জেলের ভাত কেন খাবে? সরকারের খরচ হবে।” এ ভাবে সন্দীপের উদ্দেশে একের পর এক স্লোগান উঠতে থাকে আদালতকক্ষে। জনৈক এক মহিলা চিৎকার করে বলেন, ‘‘তোর বডিগার্ড কোথায়?”  ‘We Want Justice’ ‘কালপ্রিট সন্দীপ ঘোষ নিপাত যাক’ লাগাতার এই সব স্লোগান উঠতে থাকে সন্দীপের সামনে। সূত্রের খবর, অবস্থা দেখে কার্যত মুখ ঘুরিয়ে নেন সন্দীপ। ততক্ষণে ‘সন্দীপ ঘোষ ধর্ষক। You are a Rapist।’ স্লোগান উঠতে শুরু করেছে।

    আইনজীবীরা কী বললেন?

    সিমন দাস নামে এক আইনজীবী বলেন, “কেন ধর্ষকের (Sandip Ghosh) জন্য বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে? আমর প্রতিবাদ করেছি বলে আমাদের আদালত কক্ষ থেকে বার করে দেওয়া হয়েছে।” অন্য এক আইনজীবী ইশা পাল বলেন, “আদালতের যে দরজা নিয়ে বিচারকেরা যাতায়াত করেন, সেখান দিয়ে সন্দীপকে বার করে নিয়ে আসা হয়েছে। কেন এই বিশেষ ব্যবস্থা?”

    সশরীরে আদালতে হাজিরের নির্দেশ

    প্রসঙ্গত, গত ৩ সেপ্টেম্বর যখন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপকে আদালতে হাজির করেছিল সিবিআই। তখনও আদালতের সামনে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। সন্দীপকে আদালত থেকে বার করার সময়েই শুরু হয়েছিল গোলমাল। ‘চোর চোর’ চিৎকার করে একদল মানুষ সন্দীপের দিকে এগিয়ে যায়। সেই সময়েই কোনও এক জন সন্দীপের মাথ পিছন থেকে চাঁটি মারেন বলেও অভিযোগ ওঠে। সেই পরিস্থিতি থেকে কোনও রকমে সন্দীপকে নিরাপত্তাবেষ্টনী তৈরি করে গাড়িতে তুলেছিলেন সিবিআই আধিকারিকেরা। সে দিনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই মঙ্গলবার সন্দীপদের ভার্চুয়াল শুনানির আবেদন করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তবে সেই আবেদন খারিজ করে দেয় আলিপুর আদালত। মঙ্গলবার সশরীরে আদালতে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: আইএসআই-এর সঙ্গে গোপন সাক্ষাত ছাত্রনেতাদের! বাংলাদেশের গণ আন্দোলন কি চক্রান্ত?

    Bangladesh Crisis: আইএসআই-এর সঙ্গে গোপন সাক্ষাত ছাত্রনেতাদের! বাংলাদেশের গণ আন্দোলন কি চক্রান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) গণ অভ্যুত্থান বা ছাত্র আন্দোলন পুরোটাই ষড়যন্ত্র নয় তো! বাংলাদেশ কি উপলক্ষ! মূল লক্ষ্য, ভারতকে কবজা করা? এর পিছনে কার হাত রয়েছে পাকিস্তান, চিন না আমেরিকা? বারবার উঠেছে এই প্রশ্ন। সাম্প্রতিক এক তদন্তে বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্ব এবং পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স অর্থাৎ আইএসআই এবং মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে চমকপ্রদ সংযোগ প্রকাশ পেয়েছে। ওই তদন্তে দেখা গিয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে পাকিস্তান, দুবাই এবং দোহায় গোপন বৈঠক করা হয়েছিল।

    সু-সমন্বিত ষড়যন্ত্রের অংশ 

    বাংলাদেশে ছাত্র আন্দোলন, (Bangladesh Crisis) প্রাথমিকভাবে বৈষম্য ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসাবে শুরু হয়েছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে এই আন্দোলন  ব্যাপক আকার ধারণ করে। শেষ পর্যন্ত ক্ষমতাচ্যুত হন শেখ হাসিনা। প্রাথমিকভাবে যা গণতান্ত্রিক সংস্কারের জন্য তৃণমূলস্তরের আন্দোলন হিসাবে বিবেচিত হয়েছিল, তা এখন বিদেশি অপারেটিভদের একটি বৃহত্তর, সু-সমন্বিত ষড়যন্ত্রের অংশ। 

    আইএসআই -যোগ

    প্রায় এক বছর আগের কথা। ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে, কয়েকজন বাংলাদেশি ছাত্রকে (Bangladesh Crisis) বেছে নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীকালে এরাই আন্দোলনে মূল ভূমিকা নেয়।  এই ছাত্ররা বাংলাদেশি গোয়েন্দা সংস্থার রাডার এড়িয়ে পাকিস্তান, দুবাই এবং দোহায় ভ্রমণ করেছিল। সেখানেই তারা আইএসআই ও মার্কিন গোয়েন্দাদের সঙ্গে বৈঠক করে। একজন অবসরপ্রাপ্ত আইএসআই লেফটেন্যান্ট জেনারেল পুরো বিষয়টি দেখভাল করছিলেন। ছাত্রদের সঙ্গে বৈঠক করা, আন্দোলনের রূপরেখা এঁকে দেওয়ার কাজ করেছিলেন তিনি। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশকে অশান্ত করেছে পাকিস্তান। সেক্ষেত্রে পদ্মাপারে অভ্যুত্থান বা সেনা শাসন প্রতিষ্ঠায় পাক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর ভূমিকা রয়েছে তা বলাই যায়। বস্তুত, এই আন্দোলনে আইএসআই-এর  মদতপুষ্ট মৌলবাদী শক্তি ও এনজিও-কে অংশ নিতে দেখা গিয়েছে। বাংলাদেশে সরকার বিরোধী আন্দোলন শেষ পর্যন্ত হয়ে ওঠে অভ্য়ুত্থান! প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়তে হয় হাসিনাকে। অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়।

    মার্কিন-যোগ 

    এই গোলমালের পেছনে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) পূর্বের সেন্ট মার্টিন দ্বীপ আমেরিকার হাতে তুলে দিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে থাকতে পারতেন বলে, দাবি করেছিলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি জানান, সেন্ট মার্টিন আমেরিকার হাতে তুলে না দেওয়ার ফলে তাঁকে দেশ ছাড়তে হয়েছে। সেন্ট মার্টিন নিয়ে সংসদে আগেও ইঙ্গিত দিয়ে ছিলেন হাসিনা। সেন্ট মার্টিনে সামরিক ঘাঁটি তৈরি করতে চায় আমেরিকা। ওই ঘাঁটি তৈরি হলে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় আমেরিকার কর্তৃত্ব বাড়ত। তাতে ভারতের মাথাব্যথার কারণ ছিল। সেক্ষেত্রে অবশ্য সমস্যা ছিল চিনেরও। তবে, যাই হোক পদ্মাপারের আন্দোলনের পিছনে আমেরিকারও পরোক্ষ হাত ছিল বলেই অনুমান। ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলিও ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে মার্কিন নিরাপত্তা কর্মকর্তা এবং স্টেট ডিপার্টমেন্টের কর্মীদের যুক্ত থাকার প্রমাণ পেয়েছে। আমেরিকা থেকে প্রচুর টাকা বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকেছিল। গত নির্বাচনের সময় থেকেই হাসিনা বিরোধী সুর তুলেছিল ওয়াশিংটন। 

    জামাত-যোগ

    গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ জুড়ে (Bangladesh Crisis) যে ব্যাপক হিংসাত্মক কার্যকলাপ চলছে তার নেপথ্যে রয়েছে জামাতের ছাত্র সংগঠন ইসলামি ছাত্র শিবির। চলতি বছরের শুরুতেই ব্যাপক আর্থিক সাহায্য পায় আইএসআই সমর্থিত জামাত-ই-ইসলামি। এই টাকার একটি বড় অংশ এসেছিল পাকিস্তান থেকে। সাম্প্রতিক তদন্তে দেখা গিয়েছে ছাত্র আন্দোলন এবং নিষিদ্ধ ইসলামী সংগঠন যেমন হিজবুত তেহরীর এবং জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র শাখা ইসলামী ছাত্র শিবিরের মধ্যে যোগসূত্র রয়েছে। মোহাম্মদ মাহফুজ আলমের মতো ব্যক্তিত্ব, যিনি ঢাকায় ছাত্র আন্দোলনের নেতা, জামাতের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগ ছিল। আলম এখন অন্তর্বর্তী প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী।

    আরও পড়ুন: ভারতের দাবিই সত্যি প্রমাণিত হল, কার্গিল যুদ্ধে জড়িত থাকার কথা কবুল পাকিস্তানের!

    চিনের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখলেও কূটনীতির নিয়ম মেনে প্রতিবেশী তথা বন্ধু ভারতকেই বরাবর অগ্রাধিকার দিয়েছেন মুজিবকন্যা হাসিনা। বেজিংয়ের চাপ থাকলেও ভারত বিরোধী শক্তিগুলিকে প্রশ্রয় দেননি তিনি। পাকিস্তানকে গুরুত্ব দিতে একেবারেই নারাজ ছিলেন হাসিনা। তাই তাঁকে সরিয়ে বাংলাদেশে ভারত-বিরোধী সরকার তৈরির লক্ষ্য ছিল চিন-পাকিস্তানের। একইসঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রভাব বিস্তারে বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) একটা শক্ত জমি চেয়েছিল আমেরিকা। তাই মুক্ত বাংলাদেশ জনগণের ইচ্ছায় না ষড়যন্ত্রের  ভিত্তিতে রচিত, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: ক্রমশ দুর্বল হচ্ছে বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ, সরছে ছত্তিশগড়ের দিকে

    Weather Update: ক্রমশ দুর্বল হচ্ছে বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ, সরছে ছত্তিশগড়ের দিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্বল হয়ে ওড়িশা থেকে ছত্তিশগড়ের দিকে যাচ্ছে বঙ্গোসাগরের নিম্নচাপ (Weather Update)। এই রাজ্যেও বৃষ্টির ওপর ব্যাপক প্রভাব পড়বে। নিম্নচাপের জন্য রাজ্যের একাধিক জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। একই ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে রাজ্যের ৬ জেলায়। মঙ্গলবার কলকাতায় বৃষ্টি ভেজা ভোর দিয়ে শহরের দিন শুরু হয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মঙ্গল-বুধের দুদিনও আকাশ থাকবে মেঘলা। তবে জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর (Weather Update)

    উপগ্রহের চিত্র বিশ্লেষণ করে আবহাওয়া দফতর থেকে বলা হয়েছে, নিম্নচাপটি (Weather Update) মধ্য-ওড়িশা হয়ে উত্তরে ছত্তিশগড়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এই বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ দুর্বল হলেও মঙ্গলবার রাজ্যের একাধিক জেলায় বিক্ষিপ্ত ভাবে বৃষ্টিপাত হবে। পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূমে বিক্ষিপ্ত হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুরে। আবার বৃহস্পতিবার ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ জেলায়।

    উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টিপাত

    উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা এবং মাঝারি বৃষ্টিপাতের (Weather Update) সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার বজ্রবিদ্যুত-সহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বেশ কিছু জেলায়। কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি, মালদায় হতে পারে ভারী বৃষ্টি। অপর দিকে বুধবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং এবং আলিপুরদুয়ারেও ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ রয়েছে দুর্নীতির তথ্যপ্রমাণ! ইডির হাতে এল সন্দীপ ঘোষের ল্যাপটপ, লুকানো ছিল কোথায়?

    ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সমুদ্র উপকূলে সতর্কতা

    পশ্চিম-মধ্য এবং উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে যে নিম্নচাপ (Weather Update) ছিল, তা গত ২৪ ঘণ্টায় ক্রমে উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে এসেছে। গতি ছিল ঘণ্টায় সাত কিমি। সোমবারেই তার শক্তি অনেকটা ক্ষয় হয়ে দুর্বল হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার ছত্তিশগড়ের দিকে এগিয়ে যাবে। নিম্নচাপের কারণে সমুদ্রের উপর ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৫৫ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়া বইছে। পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশায় জারি করা হয়েছে সতর্কতা। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সমুদ্র উপকূলে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share