Tag: Madhyom

Madhyom

  • ED: সিপিএমের ৭৩ লাখ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত, দলটা কি লাটেই উঠে যাবে?

    ED: সিপিএমের ৭৩ লাখ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত, দলটা কি লাটেই উঠে যাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাটে ওঠার জোগাড় সিপিএম দলটার! বাংলায় হাতে গোণা দু’একজন বাদে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছিল সব বামপ্রার্থীর। আর কেরলে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হল লালপার্টির।শুক্রবার সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে কেরলে (ED) দলের অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি। তিনি এও বলেছিলেন, “দলের আদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এমন কোনও কার্যকলাপ হচ্ছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে হবে।”

    কী বলছে সিপিএম? (ED)

    দিল্লিতে একে গোপালন ভবনে যখন কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের ফল নিয়ে চলছিল কাটাছেঁড়া, সেই সময়ই খবর আসে সমবায় ব্যাঙ্ক কেলেঙ্কারি মামলায় দলের ৭৩ লাখ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি (ED)। এদিন দুপুরে কেরল সিপিএমের ফেসবুক পেজ থেকে পোস্ট করা হয় একটি বিবৃতি। যার সারাংশ হল, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই এহেন পদক্ষেপ।

    একাধিক কেলেঙ্কারিতে নাম সিপিএমের

    গত কয়েকবছরে নানা কেলেঙ্কারিতে নাম জড়িয়েছে কেরল সিপিএমের অনেক নেতার। এই তালিকায় রয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা দলের পলিটব্যুরোর সদস্য পিনরাই বিজয়নের নামও। অভিযোগ, সরকারি ক্ষমতা অপব্যবহার করে মেয়ে টি বীণার সংস্থাকে কোচি মিনারেল-সহ বিভিন্ন সংস্থায় কাজের বরাত পাইয়ে দিয়েছিলেন তিনি। যে কেলেঙ্কারির জেরে বাজেয়াপ্ত হয়েছে সম্পত্তি, সেটি ত্রিশূরের কারুভান্নুর সমবায় ব্যাঙ্কের। এই ব্যাঙ্কের পরিচালন সমিতিতে ছিল সিপিএম। অভিযোগ, বহু মানুষকে ভুয়ো ঋণ দেওয়া হয়েছে ওই ব্যাঙ্কের তরফে। অভিযোগ ওঠায় গত বছর তদন্ত শুরু করে ইডি।

    আর পড়ুন: গণনা চলছে ইরানের নির্বাচনের ভোট, ‘পুতুল’ প্রেসিডেন্ট কে?

    এ পর্যন্ত ইডি বাজেয়াপ্ত করেছে সাড়ে পাঁচ কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি। এবার সিপিএমেরও স্থানীয় একটি কমিটির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই অ্যাকাউন্টে গচ্ছিত রয়েছে ৬০ লাখ টাকা। ১৩ লাখ টাকার একটি জমিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সব মিলিয়ে বাজেয়াপ্ত হওয়া সম্পত্তির পরিমাণ ৭৩ লাখ টাকা। এই ব্যাঙ্ক থেকে যাঁরা ঋণ নিয়েছিলেন, তাঁদের অনেকেই পার্টি ফান্ডে টাকা জমা দিয়েছিলেন। ইডির দাবি, এর পরিবর্তে সিপিএমের ত্রিশূর জেলা কমিটি ডোনেশনের নামে অর্থ সংগ্রহ করেছিল। সুবিধাভোগীদের বেতন থেকেও টাকা কাটা হয়েছিল। সোসাইটি কমিটির সদস্যরা যে বেআইনিভাবে ওই ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন, তার মাধ্যমেও সংগ্রহ করা হয়েছে অর্থ (ED)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • IIRF University Ranking 2024: কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলির র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ আইআইআরএফ-এর, শীর্ষে জেএনইউ

    IIRF University Ranking 2024: কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলির র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ আইআইআরএফ-এর, শীর্ষে জেএনইউ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্য ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউশনাল র‌্যাঙ্কিং ফ্রেমওয়ার্ক (IIRF University Ranking 2024) চলতি বছরে দেশের কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলির র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে। শীর্ষস্থানে রয়েছে জেএনইউ। প্রসঙ্গত, আইআইআরএফ বা ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউশনাল র‌্যাঙ্কিং ফ্রেমওয়ার্ক হল সবথেকে নির্ভরযোগ্য একটি বেসরকারি সংস্থা যারা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাঙ্কিং করে থাকে। জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত হাজারেরও বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই সংস্থা সমীক্ষা চালিয়েছে। আইআইআরএফ কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে র‌্যাঙ্কিং করতে কাজে লাগিয়েছে MACTION Consulting সংস্থাকে। এই এজেন্সি সমস্ত রকমের ডেটা সংগ্রহ, ডেটা বিশ্লেষণ, ডেটা ম্যানেজমেন্ট এবং সমীক্ষা চালিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলির র‌্যাঙ্কিং করতে। র‌্যাঙ্কিং করতে সাতটি মাপকাঠি ধরা হয়েছে এগুলি হল, বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ক্যাম্পাসিং, শিক্ষাদানের কৌশল, গবেষণা, ইন্ডাস্ট্রি ইনকাম অ্যান্ড ইন্টিগ্রেশন, প্লেসমেন্ট স্ট্যাট্রেজিস অ্যান্ড সাপোর্ট, ফিউচার অরিয়েন্টেশন, এক্সটার্নাল পারসেপশন অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল আউট লুক।

    প্রথম দশে কারা

    চলতি বছরে আইআইআরএফ-এর (IIRF University Ranking 2024) র‌্যাঙ্কিং-এ জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম স্থানে উঠে এসেছে। অন্যদিকে, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। চার ধাপ এগিয়ে এসেছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় গতবার ষষ্ঠ স্থানে ছিল। ওই তালিকা অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়। চতুর্থ স্থানে রয়েছে জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া, পঞ্চম স্থানে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়, ষষ্ঠ স্থানে হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়, সপ্তম স্থানে রাজেন্দ্র প্রসাদ সেন্ট্রাল এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটি, অষ্টম স্থানে পন্ডিচেরি বিশ্ববিদ্যালয়, নবম স্থানে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অফ পাঞ্জাব, দশম স্থানে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অফ রাজস্থান।

    ডিমড বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে এগিয়ে কারা

    অন্যদিকে ডিমড ইউনিভার্সিটির (IIRF University Ranking 2024) মধ্যে বেঙ্গালুরুর আইআইএসসি, ইন্ডিয়ান এগ্রিকালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট, হোমি জাহাঙ্গির ভাবা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ইন মুম্বই উপরের দিকেই রয়েছে। তালিকায় দেখা যাচ্ছে, সোনিপথের অশোকা বিশ্ববিদ্যালয়ও শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য স্থান পেয়েছে ধীরুভাই আম্বানি ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি যা গান্ধীনগরে অবস্থিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: তিহাড়েই কেজরিওয়াল, ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত

    Arvind Kejriwal: তিহাড়েই কেজরিওয়াল, ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনই মুক্তি নয়, জেলেই ঠিকানা দিল্লির মুখ্য়মন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের  (Arvind Kejriwal)। সিবিআই-এর (CBI) আর্জি মেনে আবগারি দুর্নীতি মামলায় শনিবার তাঁকে ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত জেলেই থাকতে হবে তাঁকে।

    সিবিআই-এর যুক্তি

    এই মামলার তদন্তকারী দল সিবিআই (CBI) জানিয়েছে কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) হেফাজতে থাকা তদন্তের স্বার্থে সঠিক পদক্ষেপ। এর আগে তিনদিনের সিবিআই হেফাজত হয়েছিল কেজরিওয়ালের। সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, তদন্তের স্বার্থে তাঁদের প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে দিচ্ছেন না কেজরিওয়াল। সিবিআই আরও জানায়, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি। সাক্ষী এবং প্রমাণ নষ্ট করার ক্ষমতা তাঁর রয়েছে। তাই তদন্তের স্বার্থে তাঁকে জামিন না দেওয়া উচিত। প্রসঙ্গত, ২১ মার্চ কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করে ইডি। জেলে থাকাকালীনই আবগারি দুর্নীতি মামলায় কেজরিকে গ্রেফতার করে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থারর দাবি, নতুন আবগারি নীতিতে কেন হোলসেলারদের প্রফিট মার্জিন পাঁচ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১২ শতাংশ করা হয়েছে তারও কোনও যথাযথ ব্যাখ্যা নেই।

    আরও পড়ুন: “প্রতিদিন গুম হয়ে যাচ্ছে সাধারণ বালোচ নাগরিকরা” দাবি মানবাধিকার কর্মী সামি দ্বীনের

    সিবিআই-এর আর্জিতে সম্মতি

    চলতি সপ্তাহের সোমবার তিহাড় জেলে গিয়ে কেজরিকে (Arvind Kejriwal) জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই (CBI)। মঙ্গলবার তাঁকে গ্রেফতার হিসাবে দেখানো হয়। তার পর পাঁচ দিনের হেফাজত চেয়ে বুধবার সিবিআই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে আদালতে পেশ করে। সেই সময় দিল্লির রাউস অ্যাভেনিউ কোর্ট কেজরিকে তিন দিনের সিবিআই হেফাজতে পাঠায়। শনিবার সেই হেফাজতের মেয়াদ শেষ হয়েছে। এদিন কেজরিওয়ালকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআইয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অবকাশকালীন বিচারক সুনেনা শর্মা কেজরিওয়ালকে ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।  গত ২০ মে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত কেজরিওয়ালের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছিল। কিন্তু তিহাড় থেকে তিনি বের হওয়ার আগেই ইডি দিল্লি হাইকোর্টে গিয়ে জামিনের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে মামলা দায়ের করে। জামিন নিয়ে টালবাহানার মধ্যেই সিবিআই-এর হাতে গ্রেফতার হন কেজরি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: কোচবিহারে নির্যাতিতার কাছে বিজেপির প্রতিনিধি দল, সিবিআই তদন্তের দাবি অগ্নিমিত্রার

    Cooch Behar: কোচবিহারে নির্যাতিতার কাছে বিজেপির প্রতিনিধি দল, সিবিআই তদন্তের দাবি অগ্নিমিত্রার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহারের মাথাভাঙা-২ ব্লকে বিজেপির সংখ্যালঘু নেত্রীকে বিবস্ত্র করে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ওই নেত্রী এখন কোচবিহারের (Cooch Behar) এমজেএন মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসাধীন। শনিবার তাঁকে দেখতে কোচবিহারে  যান বিজেপি বিধায়ক তথা মহিলা মোর্চার নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। শাসকদল এবং স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি।

    সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন অগ্নিমিত্রা (Cooch Behar)

    এদিন দুপুরে অগ্নিমিত্রা পলের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল কোচবিহারে (Cooch Behar) আসেন। নির্যাতনের ঘটনার প্রতিবাদে পুলিশ লাইন চৌপথিতে পথ অবরোধ করে বিজেপি। মিনিট ১৫ অবরোধ করার পর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের সঙ্গে দেখা করে ডেপুটেশন দেয় বিজেপির মহিলা মোর্চা। এরপর বিজেপির কোচবিহার জেলা কার্যালয়ে যান অগ্নিমিত্রা। নির্যাতিতার সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এরপর অগ্নিমিত্রা পল বলেন,”বাংলার মা, বাংলার মেয়ে হয়ে এটা আমাদের কাছে লজ্জার। একজন সংখ্যালঘু এক বোনের সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে, তা বলার কোনও ভাষা নেই।আমাদের মহিলা মোর্চা-সহ বেশ কয়েক জন নির্যাতিতার সঙ্গে দেখা করলাম। এই ঘটনায় পুলিশের ওপর আস্থা নেই। তাই, আমরা সিবিআই তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। এদিকে এদিন নির্যাতিতা বলেন, বাড়ি ফিরতে চাইছি। আতঙ্কে ফিরতে পারছি না।

    আরও পড়ুন: মালদায় জাল এসসি সার্টিফিকেট দিয়ে সরকারি চাকরি! প্রশাসনের কাছে নালিশ

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতার (Cooch Behar) বাবা দীর্ঘ দিনের বিজেপি কর্মী। নির্যাতিতা নিজে বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার জেলা কমিটির সদস্যা। অভিযোগ, তিনি মাঠে ছাগল চড়াতে গিয়েছিলেন। সেই সময় তাঁকে গালিগালাজ করে মারধর করেন কয়েকজন মহিলা। এমনকী, তাঁকে বিবস্ত্র করেও পেটানো হয়। এনিয়ে ঘোকসাডাঙা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের পর চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এখনও পুলিশি তদন্ত চলছে।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র পার্থপ্রতিম রায় বলেন,”ওরা সব সময় কেন্দ্রীয় এজেন্সির (CBI) দ্বারস্থ হন। এটা একটা পারিবারিক বিবাদ। ইতিমধ্যে চারজন গ্রেফতার হয়েছে। তার মধ্যে তাঁর পরিবারের সদস্যরাও রয়েছেন। পুলিশ প্রশাসনের কাছে কঠোর শাস্তির দাবি তুলছি আমরা। কিন্তু, বিজেপি শুধু রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার জন্য এসব করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: “প্রতিদিন গুম হয়ে যাচ্ছে সাধারণ বালোচ নাগরিকরা” দাবি মানবাধিকার কর্মী সামি দ্বীনের

    Pakistan: “প্রতিদিন গুম হয়ে যাচ্ছে সাধারণ বালোচ নাগরিকরা” দাবি মানবাধিকার কর্মী সামি দ্বীনের

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: অপরাধ, স্বাধীনতার দাবি জানানো। অন্যায়, নিজেদের অধিকারের জন্য লড়াই করা। এই কারণেই প্রতিদিন পাকিস্তানের বৃহত্তম প্রদেশ বালুচিস্তান থেকে নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছেন শয়ে সয়ে মানুষ। পাক পুলিশের চোখের সামনে দিয়ে পাকিস্তানের (Pakistan) গোয়েন্দারা ধরে নিয়ে গুম করে দিচ্ছেন আন্দোলনকারীদের (Baloch Activist)। তাঁরা বেঁচে রয়েছেন, না মরে গিয়েছেন তা-ও জানতে পারছে না পরিবারের লোকজনেরা। সংবাদ সম্মেলনে এমনই দাবি করলেন মানবাধিকার কর্মী নিখোঁজ ডক্টর দ্বীন মুহাম্মাদ বালোচের মেয়ে সামি দ্বীন বালোচ।

    চিনের হাতে লুট হচ্ছে সম্পদ

    পাকিস্তানের (Pakistan) বৃহত্তম প্রদেশ বালুচিস্তান (Baloch Activist) প্রাকৃতিক ভাবে সবচেয়ে সম্পদশালী। কিন্তু ধীরে ধীরে তা বেহাত হয়ে যাচ্ছে বালোচ নাগরিকদের। ‘চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর’ (সিপিইসি) তৈরির পরে গত কয়েক বছরে সেই লুট আরও বেড়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের একাংশের। পশ্চিম চিনের শিনজিয়াং প্রদেশের কাশগড় থেকে শুরু হওয়া ওই রাস্তা কারাকোরাম পেরিয়ে ঢুকেছে পাকিস্তানে। প্রায় ১,৩০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে শেষ হয়েছে বালুচিস্তান প্রদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে চিন নিয়ন্ত্রিত গ্বদর বন্দরে। ওই রাস্তা ব্যবহার করেই ইসলামাবাদ এবং বেজিংয়ের শাসকেরা বালুচিস্তানের প্রাকৃতিক সম্পদ লুট করছে বলে দাবি সেখানকার বাসিন্দাদের।

    নিখোঁজ কয়েক হাজার মানুষ

    শুক্রবার করাচি প্রেসক্লাবে মানবাধিকার কর্মী সামি দ্বীন বালোচ জানান, ১৫ বছর আগে পাকিস্তান (Pakistan) পুলিশের চোখের সামনে দিয়ে তাঁর বাবা ডঃ দ্বীন মুহম্মদ বালোচকে পাকিস্তানের গোয়েন্দারা তুলে নিয়ে যায়। এখনও তাঁর কোনও খোঁজ নেই। ছোট বোন মেহলাব দ্বীন বালোচকে সঙ্গে নিয়ে সামি জানান ২৮ জুন ২০০৯ সালের সেই রাতের কথা এখনও ভোলেননি তাঁরা। তাঁদের বাবা বেঁচে রয়েছেন কিনা তা-ও জানেন না তাঁরা। পেশায় ডাক্তার তাঁর বাবা সরকারি কর্মচারী ছিলেন, তা-ও তাঁর উদ্ধারে নিষ্ক্রিয় সরকার। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের শিকার তাঁরা।

    আরও পড়ুন: অপহৃত নাবালিকার জন্য জাতিসংঘের কাছে আবেদন সিন্ধি ফাউন্ডেশনের! দাবি স্বাধীন তদন্তের

    রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস

    ১৯৪৭ সালের ১১ অগস্ট ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত হয়েছিল দেশীয় রাজ্য কালাত। ১২ অগস্ট কালাতের শাসক মির সুলেমান দাউদ স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু সেই স্বাধীনতার মেয়াদ ছিল মাত্র সাত মাস। ১৯৪৮-এর ২৭ মার্চ পর্যন্ত। বালুচিস্তানের (Baloch Activist) মানুষের কাছে সেই দিনটা আজও যন্ত্রণার ‘পরাধীনতা দিবস’! সাত দশক আগে ওই দিনেই পাকিস্তানি (Pakistan) সেনা দখল করেছিল বালুচিস্তান। অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তৎকালীন শাসককে বাধ্য করেছিল পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হতে। বালুচিস্তানের পরবর্তী ইতিহাস ফের নতুন স্বাধীনতার যুদ্ধের। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস আর কয়েক হাজার মানুষের নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: মালদায় জাল এসসি সার্টিফিকেট দিয়ে সরকারি চাকরি! প্রশাসনের কাছে নালিশ

    Malda: মালদায় জাল এসসি সার্টিফিকেট দিয়ে সরকারি চাকরি! প্রশাসনের কাছে নালিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক, খাদ্য দফতর, স্বাস্থ্য দফতরে জাল এসসি সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মালদা (Malda) জেলায়। অখিল ভারতীয় চাঁই সাহিত্য সভা নামে একটি তফশিলি সংগঠনের পক্ষ থেকে মালদার ব্লক এবং জেলা প্রশাসনের কাছে গণসাক্ষর সম্বলিত অভিযোগ জানানো হয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Malda)

    কালিয়াচক-৩ নম্বর ব্লকের (Malda) শাহবাজপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ডোমাইচক এবং মোহনপুর এলাকায় মণ্ডল পদবির বহু মানুষের বসবাস। তাঁদের মধ্যে চাঁই সম্প্রদায়ের যাঁরা রয়েছেন, তাঁরাই তফশিলি জাতিভুক্ত। অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, বাকিরা তফশিলি জাতিভুক্ত নয়। পদবির মিল থাকার সুযোগ নিয়ে সার্টিফিকেট জাল করার কারবার চালানো আরও সহজ হচ্ছে। এই এলাকায় উভয় মণ্ডল সম্প্রদায়ের একে অপরের সংস্কৃতিগত বহু পার্থক্য রয়েছে। এমনকী এই চাঁই মণ্ডল সম্প্রদায়ের ভাষাও সম্পূর্ণ আলাদা, যদিও তাঁরা বর্তমানে আঞ্চলিক বাংলা ভাষাতেই কথা বলেন। এলাকার চাঁই মণ্ডল সম্প্রদায়ের অভিযোগ, বিডিও অফিসের একাংশের মদতে এবং মোটা টাকার বিনিময়ে এই শংসাপত্রগুলিকে খতিয়ে না দেখে কোনও তদন্ত ছাড়াই করে দেওয়া হয়েছে। যা সম্পূর্ণ বেআইনি।

    আরও পড়ুন: বিজেপির বুথ এজেন্টের ওপর হামলা, অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি, অভিযুক্ত তৃণমূল

     জাল শংসাপত্র ইস্যুতে বৃহত্তর আন্দোলনের প্রস্তুতি

    এই জাল শংসাপত্র (Fake Certificate) ইস্যুতে বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার প্রস্তুতিও শুরু করা হয়েছে। ওই এলাকারই এক বাসিন্দা তথা অখিল ভারতীয় চাঁই সাহিত্য সভার মালদা জেলার সম্পাদক পরিমল মণ্ডল বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই আমরা দেখছি যে আমাদের এলাকার বেশ কিছু মণ্ডল সম্প্রদায়ের লোক তফশিলি জাতি শংসাপত্র বের করে নিচ্ছে। এরই মধ্যে বেশ কয়েকজন সরকারি চাকরি পেয়েছেন, তাতে দেখা যাচ্ছে তাঁরা নিজেদেরকে তফশিলি জাতির অন্তর্ভুক্ত দেখিয়ে চাকরি করছে।’ বেশ কয়েকটি শংসাপত্র তাঁরা ইতিমধ্যেই হাতে পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন। চাঁই সমাজের গণ স্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগ ইতিমধ্যেই বিভিন্ন সরকারি দফতরে পাঠানো হয়েছে। বিডিও আশ্বাস দিয়েছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, গুরুতর অভিযোগ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Secondary Examination: যোগের হিসেবে ভুল! ১২ হাজার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর নম্বর বাড়ল স্ক্রুটিনিতে

    Secondary Examination: যোগের হিসেবে ভুল! ১২ হাজার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর নম্বর বাড়ল স্ক্রুটিনিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হ্যাঁ যোগ করতেই ভুল! ঠিক শুনেছেন, তাও আবার মাধ্যমিক পরীক্ষায় (Secondary Examination)। ১২ হাজার পরীক্ষার্থীর নম্বর বাড়ল স্ক্রুটিনিতে। কার্যত বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্যজুড়ে। এমন ঘটনা কি ইচ্ছাকৃত ভুল, নাকি অবহেলা? এই প্রশ্ন এখন উঠছে মাধ্যমিক বোর্ডের ওপর। প্রশ্ন উঠছে শিক্ষকদের বিরুদ্ধেও। ঘটনায় শিক্ষা দফতরের বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন পরীক্ষার্থীর অভিভাবকদের একাংশ।

    এক জনের ২২ নম্বর বৃদ্ধি হয়েছে (Secondary Examination)!

    স্কুল ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা হল মাধ্যমিক পরীক্ষা। সদ্য প্রকাশিত হয়েছিল মাধ্যমিকের (Secondary Examination) ফলাফল। আর তাতে মোট ১২ হাজার ৪৬৮ জন পরীক্ষার্থীর নম্বর বেড়েছে। জানা গিয়েছে, স্ক্রুটিনিতে একজনের ২২ নম্বর বৃদ্ধি হয়েছে। এই নম্বর বৃদ্ধির ফলে মেধা তালিকার প্রথম দশে আরও ৭ জনের স্থান হয়েছে। এই ঘটনায় কার্যত চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। অবশ্য মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন, “এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্য জনক। এই ধরনের ঘটনা কাম্যনয়।” তবে এই রকম ভুলে শিক্ষাকদের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ করা শুরু হয়েছে।

    মূল্যায়ন কতটা যুক্তিযুক্ত?

    সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্ট শিক্ষক নিয়োগ মামলায় ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি বাতিল ঘোষণা করেছিল। এরপর হাইকোর্টের এই নির্দেশের উপর সুপ্রিম কোর্ট স্থগিতাদেশ দিয়েছে। জুলাই মাসে হবে পরবর্তী শুনানি। এখন প্রশ্ন হল আদালতের নির্দেশে যে সব শিক্ষকদের চাকরি বাতিল হয়েছে, তাঁদের মধ্যে কি কেউ মাধ্যমিক পরীক্ষার (Secondary Examination) খাতা দেখেছিলেন? আর যদি দেখেই থাকেন তাহলে তার মূল্যায়ন কতটা যুক্তিযুক্ত? এই প্রশ্ন এখন আলোচনার শীর্ষে।

    আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস

    সময়ের আগেই ফল প্রকাশ হয়েছিল

    মাধ্যমিক পরীক্ষা (Secondary Examination) শুরু হয়েছিল ২ ফেব্রুয়ারি, শেষ হয়েছে ১২ ফেব্রুয়ারি। তিনমাস পর ফলাফল প্রকাশের কথা ছিল। কিন্তু সময়ের আগে ১২মে ফল প্রকাশিত হয়েছিল। পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৮০ দিনের মাথায় বের হয়। কাজেই মূল্যায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এবছর রাজ্যে ন’লক্ষেরও বেশি পরীক্ষার্থী মাধ্যমিক দিয়েছিল। এবার মাধ্যমিকে পাশ করেছে ৭ লক্ষ ৬৫ হাজার ২৫২ জন। পড়ুয়াদের মধ্যে অভিভাবকদের একাংশের বক্তব্য, “শিক্ষকরা দায়িত্ব জ্ঞানাহীন কাজ করেছেন। শাস্তি হওয়া উচিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Khardah: খড়দায় আদিবাসী পরিবারের জমি দখলের অভিযোগ, কাঠগড়ায় তৃণমূল কাউন্সিলর

    Khardah: খড়দায় আদিবাসী পরিবারের জমি দখলের অভিযোগ, কাঠগড়ায় তৃণমূল কাউন্সিলর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদিবাসীদের জমি দখল করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে খড়দা (Khardah) পুরসভার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কুলীনপাড়া এলাকায়। দাদাগিরি দেখিয়ে তৃণমূল কাউন্সিলরের এই জমি দখলের ঘটনায় আদিবাসী পরিবারের লোকজন রীতিমতো ক্ষুব্ধ। তাঁরা ইতিমধ্যে পুর কর্তৃপক্ষের কাছে দরবার করেছেন।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Khardah)

    জানা গিয়েছে, ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কুলীনপাড়া (Khardah) এলাকায় বহু আদিবাসী পরিবার দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন। আদিবাসী পরিবারের সদস্যরা বলেন, আমরা এই জমিতে প্রায় ১০০ বছর ধরে বসবাস করছি। জমির কাগজপত্র নেই বলে আমরা কাউন্সিলরের কাছে দরবার করেছিলাম। আমাদের নামে কাগজ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১৫০০ টাকা করে চেয়েছিলেন। সেই টাকা আমরা দিয়েছিলাম। কিন্তু, সেই কাগজ আমরা কেউ পাইনি। আমাদের টাকাও কাউন্সিলর ফেরত দেননি। এখন আমাদের জমিতে কাউন্সিলরের নজর পড়েছে। কোনও আলাপ-আলোচনা না করেই কাউন্সিলর আমাদের জমি দখল করার পরিকল্পনা করে। এই এলাকায় নোংরা ফেলার জন্য আমাদের জমি হাতানোর চেষ্টা করে কাউন্সিলর। এমনিতেই আমরা সামান্য জমিতে বসবাস করছি। তার ওপর যদিও কিছুটা জায়গা কাউন্সিলর দখল করে নেয়, তাহলে আমরা হাঁটাচলা করতে পারব না। বিষয়টি আমরা কাউন্সিলরকে বলার পরও কোনও কর্ণপাত করেননি। এরপর খড়দা থানায় জানাই। একইসঙ্গে আমরা চেয়ারম্যানকে জানাই। তিনি জমি দখল করা হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন। তৃণমূল কাউন্সিলর স্বরাজ দাস বলেন, জোর করে কোনও কিছু করা হয়নি। ওদের জানিয়ে সব কাজ করেছিলাম। আর টাকা নেওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন। আসলে এসব করে আমাকে বদনাম করার চেষ্টা করছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না।

    আরও পড়ুন: বিজেপির বুথ এজেন্টের ওপর হামলা, অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    পুর কর্তৃপক্ষের কী বক্তব্য?

    পুরসভার চেয়ারম্যান (Trinamool Congress) নীলু সরকার বলেন, সরকারি জমিতেই আদিবাসী পরিবারগুলি ১০০ বছর ধরে রয়েছে। ফলে, কাগজপত্র না থাকলেও জমির মালিক তাঁরা। ওই জমি দখল করে কোনও কিছু করা হবে না। বিষয়টি জানার পরই আমি কাজ বন্ধ রেখেছি। আদিবাসী পরিবারের সঙ্গে কথা বলেই পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Artificial intelligence: আরব আমিরশাহিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি ভার্চুয়াল কর্মচারী আয়েশাকে চেনেন?

    Artificial intelligence: আরব আমিরশাহিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি ভার্চুয়াল কর্মচারী আয়েশাকে চেনেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপনারা কি আয়েশার কথা শুনেছেন? তাকে ঘিরে এখন শোরগোল পড়েছে। তার কাজ আলোড়ন ফেলেছে মধ্যপ্রাচ্যে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে এই প্রথম ভার্চুয়াল কর্মচারী, যাকে দিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (Artificial intelligence) মাধ্যমে কাজ করানোর কথা ভাবা হয়েছে। আইনি বিষয়ে নানান তথ্য দিয়ে পরিষেবা প্রদান করবে আয়েশা। 

    বিচার ব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ (Artificial intelligence)

    সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিচার বিভাগকে অত্যাধুনিক মাত্রা দেবে এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial intelligence)। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দ্বারা পরিচালিত ভার্চুয়াল কর্মচারী আয়েশাকে উপভোক্তাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছে। আদালতে মক্কেলদের সহায়তা করার জন্য শীঘ্রই আয়শাকে মোতায়েন করা হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে এক বছর আগে চালু করা হয়েছিল একটি অ্যাপ্লিকেশন। এবার তাকে সফল ভাবে প্রয়োগ করা হবে। এই এআই প্রযুক্তি বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে যেমন কাজ করছে, ঠিক তেমনি এবার বিচার ব্যবস্থায় আইনি সাহায্যেও প্রয়োগের কথা ভাবা হয়েছে।

    কীভাবে কাজ করবে আয়েশা?

    জানা গিয়েছে, আয়েশা (Artificial intelligence) ভার্চুয়ালি আদালতের প্রবেশদ্বারে অবস্থান করবে এবং মক্কলদেরকে তাদের লেনদেন সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করবে। মামলার ভিত্তি, লেনদেন পরিচালনা বিষয়ে প্রয়োজনীয় খসড়া এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা সম্পর্কে তথ্য জ্ঞাপন করবে। বিচার ব্যবস্থার এই উদ্যোগটি এআইকে বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে একীভূত করার ক্ষেত্রে একটি বড় অগ্রগতি বলে মনে করা হচ্ছে। আয়েশা, নতুন এআই সহকারী হিসেবে বিচারক, আইনজীবী এবং উপভোক্তার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক বিষয়ে তথ্য দিয়ে সাহায্য করবে। আয়েশা বিচারকদের কার্যকারিতাকে বৃদ্ধি করতে পুরাতন মামলার রায় দৃষ্টান্ত হিসাবে উপস্থাপন করবে। অতীতের মামলার বিস্তৃত তথ্যকে বিশ্লেষণ করে বিচারকের দেওয়া রায়গুলিকে আয়েশা সেকেন্ডের মধ্যেই সনাক্ত করতে পারবে। মামলায় বিচারকের সিদ্ধান্ত জানাতে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটকে তুলে ধরেও সহযোগিতা করবে।

    আরও পড়ুনঃ গণনা চলছে ইরানের নির্বাচনের ভোট, ‘পুতুল’ প্রেসিডেন্ট কে?

    অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ পরামর্শ প্রদান করবে

    আইনজীবীরা আয়েশাকে (Artificial intelligence) একটি অমূল্য সম্পদ বলে মনে করেছেন। কারণ তার বিস্তৃত ডাটাবেস, একজন সাধারণ আইনজীবীর অভিজ্ঞতার তুলনায় অনেক বেশী কার্যকরী হবে। একই ভাবে মামলার অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ পরামর্শ প্রদানের কাজও করতে পারবে। আইনি গবেষণা প্রক্রিয়াকে উল্লেখযোগ্যভাবে সুগম করবে এই আয়েশা। তবে আইন এবং বিচার বিষয়ে মানুষকে প্রতিস্থাপন করা আয়েশার মূল উদ্দেশ্য নয়, বরং একে কাজকে দ্রুত ও কম সময়ে করার একটি হাতিয়ার বলা যায়। এআইকে গ্রহণ করে কাজের কার্যকারিতা কীভাবে বৃদ্ধি করা যায় এবং জটিলতা কমিয়ে আরও সহজ-সরল করা যায়, সেই বিষয়ের দিকেই মূলত লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rahul Dravid: রোহিতদের কোচ হিসেবে শেষ বার সাজঘরে দ্রাবিড়! পারবেন বিশ্বকাপের স্বাদ নিতে?

    Rahul Dravid: রোহিতদের কোচ হিসেবে শেষ বার সাজঘরে দ্রাবিড়! পারবেন বিশ্বকাপের স্বাদ নিতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় দলের কোচ হিসেবে শনিবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে শেষবার সাজঘরে থাকবেন রাহুল দ্রাবিড় (Rahul Dravid)। যদি না আবার ভবিষ্যতে ভারতীয় দলের দায়িত্ব নেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালের পরই কোচের চেয়ার ছেড়ে চলে যাবেন রাহুল। তাঁকে থেকে যাওয়ার অনুরোধ করেছিলেন ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা, বোর্ড সচিব জয় শাহ। কিন্তু দ্রাবিড় সযত্নে সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করছেন। এবার পরিবারকে সময় দিতে চান মিস্টার ডিপেন্ডবল। 

    রাহুল-রোহিত রসায়ন (Rahul Dravid)

    রাহুল দ্রাবিড় ও রোহিত শর্মার জুটি তৈরি হয় ২০২১ সালের টি-২০ বিশ্বকাপের পর থেকে। এরপর একটা বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ, দুটো টি-২০ বিশ্বকাপ ও একটা ওডিআই বিশ্বকাপের পর ভাঙছে জুটি। দ্রাবিড় যখন কোচের ভূমিকায় এলেন তখন কোহলির হাত থেকে অধিনায়কের ব্যাটন গিয়েছে রোহিতের হাতে। তৎকালীন বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের পছন্দের কোচ দ্রাবিড়, অধিনায়ক রোহিত। কোহলির সঙ্গে বাংলার মহারাজের তিক্ত সম্পর্ক। ব্যর্থতার দায় নিয়ে সরে গিয়েছেন রবি শাস্ত্রী। রোহিত-দ্রাবিড় জুটি সাবধানে পা ফেললেন। কখওনই দলের অন্দরে সেকেন্ড টিম হতে দেননি কোচ দ্রাবিড়। ছোট-বড়, অভিজ্ঞ-তরুণ ক্রিকেটারদের মেলবন্ধন ঘটালেন দ্রাবিড় (Rahul Dravid)। প্রাচীরের মতোই আগলে রাখলেন রোহিত-কোহলি থেকে যশস্বী-বুমরাদের।

    তিন ফরম্যাটে সেরা (Rahul Dravid)

    রোহিত-দ্রাবিড় যুগে ভারত (Team India) এখনও পর্যন্ত কোনও আন্তর্জাতিক ট্রফি জিততে পারেনি তবে দলের উন্নতিতে প্রধান কোচের অবদান অপরিসীম। দ্রাবিড়ের হাত ধরে ভারতীয় ক্রিকেটে অনেক নতুন মুখ উঠে এসেছেন। রবি শাস্ত্রী যেই নতুন প্লেয়ারদের সুযোগ দিয়েছিলেন, দ্রাবিড় (Rahul Dravid) তাঁদের তৈরি করেছেন। তাঁর কোচিংয়েই তিনটে ফরম্যাটের ক্রিকেটেই টিম ইন্ডিয়া এক নম্বর স্থান দখল করেছে। বিশ্বকাপে অপরাজিত থেকে ফাইনালে উঠেছে। মাহি-পরবর্তী সময়ে দ্রাবিড় এক সুতোয় গেঁথেছেন ভারতীয় দলকে। কোচ দ্রাবিড়ের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিনও। 

    ট্রফির স্বাদ

    ওয়েস্ট ইন্ডিজে এখন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চলছে। ২০০৭ সালের বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে তাঁর নেতৃত্বে এই ক্যারিবিয়ান মুলুক থেকেই ছিটকে যেতে হয়েছিল ভারতকে। শনিবার সেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ মুলুকেই রাহুল দ্রাবিড় (Rahul Dravid) প্রায়শ্চিত্ত করার সুযোগ পাচ্ছেন। অধিনায়ক হিসেবে যা পাননি, কোচ হিসেবে সবকিছু পাওনাগণ্ডা বুঝে নেওয়ার আরও একটা সুযোগ তাঁর সামনে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে মহা ফাইনালের আগে ভারতের কোচ বলেছেন, ‘‘ফাইনাল তো ফাইনালই হয়। ক্রিকেটে রিটেক বলে কিছু হয় না, একটা বলেই সব শেষ। তাই ছেলেদের বলেছি ম্যাচে ভুল যাতে খুব কম হয়। ওরা সবাই পেশাদার, জানে কী করলে ভাল হতে পারে, কাপ আসতে পারে। ওরা লড়াইয়ের জন্য প্রস্তত। ট্রফি জিতে আমাকে উৎসর্গ নয়, দেশের জন্য কাপ জেতো, এটাই ছেলেদের বলেছি। ওরা কিছু ক্ষেত্রে বেশি আবেগমুখর হয়ে যাচ্ছে।’’ তবে জ্যামির চোখ-মুখ কিন্তু বলছে অন্য কথা। আসলে বিদায়বেলা রাঙিয়ে দিতে চাইলেও মুখে সেটা প্রকাশ করছেন না ভারতীয় ক্রিকেটের ‘দ্য ওয়াল’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share