Tag: Madhyom

Madhyom

  • Indian Economy: ভারতের অর্থনীতির ভিত মজবুত, বলছে আরবিআইয়ের রিপোর্ট

    Indian Economy: ভারতের অর্থনীতির ভিত মজবুত, বলছে আরবিআইয়ের রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতির যেখানে হাঁড়ির হাল, সেখানে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ক্রমেই উন্নতির শিখরে উঠছ ভারত (Indian Economy)। বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে ভারত। দেশ যে অচিরেই জাপানকে সরিয়ে চতুর্থ স্থান দখল করবে, সে বিষয়ে আশাবাদী অর্থনীতিবিদদের একটা বড় অংশ।

    কী বলছে আরবিআইয়ের রিপোর্ট (Indian Economy)

    এবার রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়াও জানিয়ে দিল ভারতের অর্থনীতি এবং ফাইনানসিয়াল সিস্টেম দাঁড়িয়ে রয়েছে মজবুত ভিতের ওপর। ভারতের এই কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক ২৭ জুন প্রকাশ করে ২৯তম ফাইনানসিয়াল স্টেবিলিটি রিপোর্ট (Indian Economy)। সেখানেই জানা যাচ্ছে, দেশের অর্থনীতির ভিত্তি যথেষ্ঠ মজবুত। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের এই রিপোর্টেই প্রকাশ, ভারতের তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলির আর্থিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হচ্ছে, বাড়ছে লভ্যাংশ। এর পাশাপাশি তাৎপর্যপূর্ণভাবে হ্রাস পেয়েছে নন পারফর্মিং অ্যাসেটসের পরিমাণ।

    ভারতের বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলির অর্থনীতি

    জানা গিয়েছে, চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত ভারতের বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলির গ্রস নন পারফর্মিং অ্যাসেটস রেসিও এবং নেট নন পারফর্মিং অ্যাসেটস রেসিও একধাক্কায় কমে গিয়েছে অনেকখানি। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই হ্রাসের পরিমাণ যথাক্রমে ২.৮ এবং ০.৬ শতাংশ। যার জেরে মজবুত হয়েছে বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলির অর্থনীতি। শুধু তাই নয়, ক্যাপিটেল টু রিস্ক-ওয়েট অ্যাসেটস রেসিও এবং কমন ইক্যুয়ালিটি টায়ার ওয়ান রেসিও দাঁড়িয়ে রয়েছে যথাক্রমে ১৬.৮ শতাংশ এবং ১৩.৯ শতাংশে।

    আর পড়ুন: হড়পা বানে ভেসে গেল সেনার ট্যাঙ্ক, আধিকারিক-সহ মৃত ৫

    নন-ব্যাঙ্কিং ফাইনানসিয়াল কোম্পানিগুলির পারফরম্যান্সও চোখ ধাঁধানো। এদের ক্যাপিটেল টু রিস্ক ওয়েড অ্যাসেটস রেসিও দাঁড়িয়েছে ২৬.৬ শতাংশে, গ্রস নন পারফর্মিং অ্যাসেটস রেসিও দাঁড়িয়েছে ৪ শতাংশে। মার্চের শেষে রিটার্ন অন অ্যাসেটসের পরিমাণ হয়েছে ৩.৩ শতাংশ। এই সব পরিসংখ্যানই জানিয়ে দেয় ভারতীয় অর্থনীতির মজবুত ভিতের কথা।

    ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের চতুর্থ বা শেষ ত্রৈমাসিকে এই প্রথমবার ভারতের কারেন্ট অ্যাকাউন্ট সারপ্লাস দাঁড়িয়েছে ৫.৭ বিলিয়ন ডলার, যেটাকে অন্যভাবেও বলা যায় যে কারেন্ট অ্যাকাউন্ট সারপ্লাস দাঁড়িয়েছে জিডিপির ০.৬ শতাংশ। এই বৃদ্ধি পূর্বতন ত্রৈমাসিকের তুলনায় যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ সেইসময়ে (Indian Economy) কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্সে ডেফিসিট ছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Terrorist Arrest: হাবিবুল্লা, হেরাজের পর আনোয়ার, চেন্নাই থেকে আরও এক জঙ্গিকে গ্রেফতার করল এসটিএফ

    Terrorist Arrest: হাবিবুল্লা, হেরাজের পর আনোয়ার, চেন্নাই থেকে আরও এক জঙ্গিকে গ্রেফতার করল এসটিএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহম্মদ হাবিবুল্লা, হেরাজ শেখের পর এবার আনোয়ার শেখ। ফের রাজ্যে আরও এক জঙ্গিকে (Terrorist Arrest) গ্রেফতার করল এসটিএফ। জানা গিয়েছে, আনোয়ার বাংলাদেশের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার-আল-ইসলাম ওরফে শাহাদাতের সদস্য। আনোয়ারের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোর্ট। সবমিলিয়ে জঙ্গি কার্যকলাপ সন্দেহে রাজ্যে মোট ৩ জনকে গ্রেফতার করা হল।

    কীভাবে খোঁজ মিলল আনোয়ারের? (Terrorist Arrest)

    চলতি মাসেই দুর্গাপুরের কাঁকসা থেকে মহম্মদ হাবিবুল্লাকে প্রথম জঙ্গি সন্দেহে এসটিএফ গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধি এবং ইউএপিএ ধারায় মামলা রুজু হয়েছিল। গোয়েন্দাদের দাবি ছিল, বাংলাদেশের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার-আল-ইসলাম এর একটি মডিউল বাংলাদেশ ও বাংলায় সক্রিয়। শাহাদত নামে সেই মডিউলে প্রধান বা আমীর হিসেবে কাজ করত হাবিবুল্লা। কাঁকসায় তার বাড়ি থেকেই হাবিবুল্লাকে গ্রেফতার করেছিল এসটিএফ। সে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়রের ছাত্র। হাবিবুল্লা গ্রেফতার হওয়ার পর নদিয়ার মায়াপুরের হেরাজ শেখ বাংলাদেশ পালানোর ছক কষেছিল। যদিও মাঝপথেই তাকে গ্রেফতার করা হয়। হাবিবুল্লা গ্রেফতারের পর আনোয়ারও (Terrorist Arrest) ভিন রাজ্যে গা ঢাকা দেয়। হাবিবুল্লাকে জেরা করেই আনোয়ারের খোঁজ মেলে। এরপর মোবাইলে তার টাওয়ার লোকেশন খতিয়ে দেখে তাকে চেন্নাই থেকে গ্রেফতার করা হয়। আনোয়ারকে গ্রেফতার করে চেন্নাই আদালতে পেশ করা হয়। ট্রানজিট রিমান্ডে আনোয়ারকে কলকাতায় নিয়ে আসছে বেঙ্গল এসটিএফ।

    আরও পড়ুন: বিজেপির বুথ এজেন্টের ওপর হামলা, অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    রাজ্যে সক্রিয় বাংলাদেশের জঙ্গি মডিউল?

    একের পর এক জঙ্গি গ্রেফতার হওয়ার ঘটনায় বোঝা যাচ্ছে, রাজ্যে সক্রিয় বাংলাদেশের জঙ্গি মডিউল? গোয়েন্দা (STF) সূত্রে খবর, জঙ্গি কার্যকলাপ পরিচালনার জন্য রাজ্যে ১৫ জনকে নিয়োগ করা হয়েছে। হাবিবুল্লা মগজ ধোলাই করে এসব করেছে, অনুমান গোয়েন্দাদের। এই মডিউলের সদস্যরা নিজেদের মধ্যে বিশেষভাবে সুরক্ষিত বা এনক্রিপটিক মেসেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে কথা বার্তা বলত। সন্ত্রাসবাদী সংগঠন আল কায়দা-র সঙ্গে যোগাযোগে থাকা আনসার আল ইসলামের মডিউল ভারত ও বাংলাদেশে নাশকতামূলক কাণ্ড ঘটাবে বলেই গোপনে কাজ করছিল বলে মনে করছিল এসটিএফ। বাংলাদেশের ‘শাহাদাত’ জঙ্গি সংগঠনের এরাজ্যে অন্যতম মাথা মহম্মদ হাবিবুল্লার সঙ্গে যোগ ছিল আনোয়ারের। আনোয়ারের সঙ্গে হাবিবুল্লার কীভাবে আলাপ। আনোয়ারের কী কাজ ছিল তা এসটিএফ কর্তারা খোলসা করে কিছু বলেননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kerala: কেরলের পালাক্কাদ উপনির্বাচনে ইতিহাস গড়তে পারে বিজেপি, কেমন হবে ভোটের সমীকরণ?

    Kerala: কেরলের পালাক্কাদ উপনির্বাচনে ইতিহাস গড়তে পারে বিজেপি, কেমন হবে ভোটের সমীকরণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের অব্যবহিত পরে, কেরলের (Kerala) দুটি বিধানসভা আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দুটি কেন্দ্রের মধ্যে সকলের দৃষ্টি পালাক্কাদের দিকে। এই কেন্দ্রে ভারতীয় জনতা পার্টি দ্বিতীয়বারের মতো রাজ্যে বিধায়ক নির্বাচন করার একটি উল্লেখযোগ্য সুযোগ পেতে পারে। এর আগে, ২০১৬ সালে, দলের প্রবীণ নেতা ও রাজাগোপাল নেমোম থেকে ঐতিহাসিক জয় অর্জন করেছিলেন। আসুন জেনে নিই কেমন অবস্থানে রয়েছে বিজেপি।

    বিজেপির সম্ভাবনা (Kerala)

    পালাক্কাদে (Kerala) বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা বেশি বলে মনে করা হয় কারণ বিজেপি এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (আরএসএস)-এর এখানে শক্তিশালী প্রভাব রয়েছে। গত দুই বিধানসভা নির্বাচনেও বিজেপির ফল বেশ ভালো ছিল। সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে ভাদাকারা থেকে কংগ্রেসের বর্তমান বিধায়ক শফি পারম্বিলের জয়ের কারণে এই উপনির্বাচন প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। বিজেপি, ২০২১ এবং ২০১৬ উভয় ক্ষেত্রেই পালাক্কাদে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছিল। উল্লেখ্য ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) তৃতীয় স্থানে নেমে এসেছিল। আবার পারম্বিলে বিজেপির ‘মেট্রো ম্যান’ ই শ্রীধরনকে মাত্র ৩,৮৫৯ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হতে হয়েছিল। কংগ্রেস ৩৮.০৬ শতাংশ ভোট পেয়েছিল, যেখানে বিজেপি ৩৫.৩৪ শতাংশ এবং সিপিআই(এম) ২৫.৬৪ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। আবার ২০১৬ সালে, দ্বিতীয় স্থানে থাকা বিজেপি এবং সিপিআই(এম)-এর মধ্যে ব্যবধান আরও কম ছিল। কংগ্রেস পেয়েছিল ৪১.৭৭ শতাংশ ভোট, বিজেপি পেয়ছিল ২৯.০৮ শতাংশ এবং সিপিআই(এম) পেয়েছিল ২৮.০৭ শতাংশ ভোট।

    ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে কেমন ফল ছিল?

    কেরলে (Kerala) ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে বিজেপি আবার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। কংগ্রেস প্রার্থী ভি কে শ্রীকন্দন পেয়েছেন ৫২৭৭৯ ভোট, আর বিজেপির সি কৃষ্ণকুমার পেয়েছেন ৪৩০৭২ ভোট। সিপিআই(এম) এর এ বিজয়রাঘবন পেয়েছেন ৩৪৬৪০ ভোট।

    উপনির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী

    কেরল (Kerala) বিজেপি এখনও উপনির্বাচনের জন্য প্রার্থী বাছাই করেনি, তবে দল সি কৃষ্ণকুমার বা শোভা সুরেন্দ্রনকে প্রার্থী করতে পারে বলে সম্ভাবনা রয়েছে। শোভা ২০১৬ সালে পালাক্কাদ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং আলাপ্পুঝাতে দলের ভোট উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করিয়েছিলেন। কংগ্রেস নেতা কে মুরলীধরনের বোন এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কে করুণাকরণের মেয়ে পদ্মজা ভেনুগোপালের নামও আলোচনায় রয়েছে। সম্প্রতি তিনিও বিজেপিতে যোগদান করেছেন।

    চ্যালেঞ্জ ও কৌশল

    যদিও কেরলে (Kerala) বিজেপির অবস্থান ভালো মনে হচ্ছে, তবে সবকিছু সহজ নয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিজেপির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল সংখ্যালঘু ভোট, বিশেষ করে মুসলিম ভোট। গত নির্বাচনে, শ্রীধরনের ব্যক্তিগত ইমেজের কারণে বিজেপি প্রচুর ভোট পেয়েছিল। তবে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করায়, এই ফ্যাক্টরটি এবার থাকবে না। অতএব, বিজেপিকে দ্বিতীয়স্থান থেকে বিজয়ী হতে গেলে সিপিআই(এম)-র হিন্দু ভোটের দিকে গুরুত্বপূর্ণ নজর দিতে হবে।

    আরও পড়ুনঃ সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে মার্কিন রিপোর্ট ‘পক্ষপাতদুষ্ট’, জানাল নয়াদিল্লি

    সম্ভাব্য প্রার্থীদের উপর চিন্তা

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেছেন, “কেরলে (Kerala) বিজেপির পক্ষে একটি নতুন মুখ উপস্থাপন করা ভাল হবে। কারণ ভোটাররা কৃষ্ণকুমারকে নিয়ে ক্লান্ত। শোভা সুরেন্দ্রনের জন্য, আলাপুজায় ফোকাস করা পক্ষে ভাল হতে পারে। তিনি কায়মকুলাম থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন, কারণ এখানে দল ভাল পারফর্ম করেছে। কংগ্রেস প্রার্থী করতে পারে রাহুল মামকুতাথিলকে, যিনি রাজ্য যুব কংগ্রেসের সভাপতি। তবে, এমনও জল্পনা রয়েছে যে ভিটি বলরামকে প্রার্থী করা হতে পারে। তিনি অবশ্য পালাক্কাদ জেলার থ্রিথালা থেকে দুবার বিধায়ক হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ladakh: হড়পা বানে ভেসে গেল সেনার ট্যাঙ্ক, আধিকারিক-সহ মৃত ৫

    Ladakh: হড়পা বানে ভেসে গেল সেনার ট্যাঙ্ক, আধিকারিক-সহ মৃত ৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাহাড়ি নদী পার হতে গিয়েই বিপত্তি। হড়পা বানে ভেসে গেলে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ট্যাঙ্ক। ঘটনায় পাঁচ জওয়ানের মৃত্যু। এঁদের মধ্যে একজন জুনিয়র কমিশনড অফিসার, বাকি চারজন জওয়ান। শুক্রবার সন্ধেয় ঘটনাটি ঘটে লাদাখের কাছে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার নিকটবর্তী দৌলত বেগ ওল্ডি এলাকায়। মৃত জওয়ানদের দেহ উদ্ধার হয়েছে বলে শনিবার জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কর্তারা।

    হড়পা বানে বিপত্তি (Ladakh)

    জানা গিয়েছে, এদিন টি-৭২ ট্যাঙ্কে চড়ে নদী পার হচ্ছিলেন ওই জওয়ানরা (Ladakh)। রাতের অন্ধকারে কীভাবে পাহাড়ি নদী পার হতে হয়, চলছিল তারই অনুশীলন। হঠাৎই নদীতে চলে আসে হড়পা বান। জলের তোড়ে ভেসে যায় ট্যাঙ্কটি। দ্রুত শুরু হয় উদ্ধারকাজ। একে একে উদ্ধার হয় পাঁচজনেরই দেহ। জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনাটি ঘটে লাদাখ থেকে ১৪৮ কিলোমিটার দূরে মন্দির মোড় এলাকায়।

    হড়পা বানে আগেও ভেসেছেন জওয়ান

    গত বছর জম্মু-কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলায় হড়পা বানে ভেসে গিয়ে মৃত্যু হয়েছিল ভারতীয় সেনাবাহিনীর দুই জওয়ানের। কাকতালীয়ভাবে সেই দিনটিও ছিল শনিবার। সেনা সূত্রে খবর, সেদিন সুরানকোট এলাকার দগরা নালা পার হওয়ার চেষ্টা করছিলেন নায়েব সুবেদার কুলদীপ সিং এবং সিপাই তেলু রাম। সেই সময়ই চলে আসে হড়পা বান। জলের তোড়ে ভেসে যান দুই জওয়ানই। পরে দেহ উদ্ধার হয়েছিল তাঁদের।

    আর পড়ুন: সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে মার্কিন রিপোর্ট ‘পক্ষপাতদুষ্ট’, জানাল নয়াদিল্লি

    কৌশলগতভাবে লাদাখের গুরুত্ব ভারত এবং চিন দুই দেশের কাছেই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই বছরভর এখানকার তাপমাত্রার পারদ নীচের দিকে থাকলেও, শত্রুর চোখে চোখ রেখে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকেন ভারতীয় সেনা বাহিনীর জওয়ানরা। এজন্য তাঁদের পার হতে হয় কঠোর অনুশীলন-পর্ব। এই অনুশীলন-পর্বের মধ্যেই রয়েছে রাতের অন্ধকারের বুক চিরে কীভাবে চালাতে হয় ট্যাঙ্ক, কীভাবেই বা পার হতে হয় পাহাড়ি নদী। সমস্তরকমের প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও শত্রুর মোকাবিলা কীভাবে করতে, তাও শেখানো হয় জওয়ানদের। এদিন গভীর রাতে সেরকমই এক প্রশিক্ষণ-পর্ব চলাকালীন ঘটে দুর্ঘটনা। যে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে পাঁচ জওয়ানের (Ladakh)।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: বিজেপির বুথ এজেন্টের ওপর হামলা,  অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: বিজেপির বুথ এজেন্টের ওপর হামলা, অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসা এখনও অব্যাহত। বিজেপির বুথ এজেন্টকে মারধর করার পাশাপাশি হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমান থানার মির্জাপুর এলাকায়। আক্রান্ত বিজেপি (BJP) কর্মীর নাম বলরাম গোস্বামী। তিনি ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    কেন হুমকি?(BJP)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এবারের লোকসভা ভোটে বলরামবাবু বিজেপির (BJP) বুথ এজেন্ট ছিলেন। ভোটের দিন বুথের মধ্যে তৃণমূলের বেনিয়মের প্রতিবাদ করেছিলেন। তার জেরে তাঁকে বিভিন্নভাবে তৃণমূলের লোকজনের হুমকির মুখে পড়তে হয়। ঘটনার পরই থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু, সেই মামলা তুলে নেওয়ার জন্য এখন তাঁকে ফের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ ওই বিজেপি কর্মীর।

    কী বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী?

    আক্রান্ত বিজেপি (BJP) কর্মী বলেন, “ভোটে আমি বিজেপির বুথ এজেন্ট ছিলাম। বুথের মধ্যে তৃণমূলের অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছিলাম। তারজন্য আমাকে কখনও হাত-পা ভেঙে দেওয়ার ভয় দেখানো, কখনও বাড়িছাড়া করার হুমকি দেয় তৃণমূলের লোকজন। এসব নিয়ে আগেই থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলাম। শুক্রবার আমি স্ত্রীর ডাক্তার দেখানো সংক্রান্ত প্রয়োজনে বর্ধমান শহরের দিকে যাচ্ছিলাম। সেই সময়েই আমার পথ আটকে তৃণমূলের লোকজন থানা থেকে অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য ফের হুমকি দেয়। এমনকী আমাকে মারধরও করে। থানায় ফের অভিযোগ করেছি। চরম আতঙ্কে রয়েছি।”

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    তৃণমূলের বর্ধমান জেলার মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন ‘একমাস আগে নির্বাচন হয়ে গিয়েছে। ভোট পরবর্তী হিংসা (Post Poll Violence) বলে কিছু নেই। সবাই ঘরে আছে। আমরা মানুষের ব্যাপক সমর্থন পেয়েছি। কারও ওপরে আমাদের রাগ নেই। এই অভিযোগ মিথ্যা। তা সত্বেও যদি তিনি মনে করেন, তাঁর ওপর দলের নাম করে কেউ কোনও অন্যায় করেছে তবে তিনি প্রশাসনের দ্বারস্থ হোন। প্রশাসন তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mummy: মিশরের আসোয়ান শহরে একসঙ্গে ১৪০০ মমি উদ্ধার

    Mummy: মিশরের আসোয়ান শহরে একসঙ্গে ১৪০০ মমি উদ্ধার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিশরের একটি শহর থেকে ১৪০০ মমির খোঁজ পেয়েছেন পুরাতত্ববিদরা। মোট ৩৬ টি কবর থেকে ১৪০০ মমি (Mummy) উদ্ধার হয়েছে। জানা গিয়েছে প্রায় ৯০০ বছর ধরে এই কবর ব্যবহার হয়েছিল। যাদের মৃতদেহ মমি বানিয়ে কবর দেওয়া হয়েছিল তাঁরা সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলেন।

    আসোয়ান শহর থেকে উদ্ধার হাজারো মমি (Mummy)

    যেখান থেকে মমি পাওয়া গিয়েছে সেই শহরটিকে আসোয়ান (Aswan) নামে জানা যায়। যার পুরোনো নাম ছিল সোয়ান। স্থানীয় ভাষায় সোয়ানের অর্থ হল বাজার। এই শহর ৪৫০০ বছর আগে তৈরি হয়েছিল। বাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য, খননকার্য হত। এমনকি মিশরের খুব গুরুত্বপূর্ণ সামরিক এলাকা ছিল সোয়ান। নীল নদীর পূর্ব তীরে অবস্থিত এই শহরে মিশরের পাশাপাশি রোমান, গ্রীক, পার্সি এমনকি আফ্রিকান মানুষের বাস করেছেন। পুরাতত্ত্ববিদরা পাঁচ বছর ধরে এই ভূখণ্ডে কাজ করেছেন। সাইন্স টাইমসের রিপোর্ট অনুসারে আগা খান তৃতীয়ের সমাধিস্থলের পাশে যে পাহাড় রয়েছে সেখানে এই প্রাচীন মমির (Mummy) কবরস্থান রয়েছে। কবর দেওয়ার ক্ষেত্রেও সামাজিক শ্রেণীর খেয়াল রাখা হয়েছিল। অভিজাত শ্রেণীর মানুষের কবর চূড়ার দিকে অবস্থিত ছিল। অন্যদিকে মধ্যবিত্তদের কবর নিচের দিকে সমাধিস্ত করা হয়েছিল।

    ৯০০ বছর ব্যবহার হয় কবর স্থল

    পুরাতত্ত্ববিদরা জানিয়েছেন এই কবর ৬০০ খ্রিস্টপূর্ব থেকে তৃতীয় শতক পর্যন্ত এই কবর ব্যবহার হয়েছে। সেই সময় কলেরা, প্লেগ, বসন্ত রোগ সহ আরও বহু রোগের প্রকোপ দেখা দিত। যারা এই সকল রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যেতেন তাঁদের এখানে মমি (Mummy) বানিয়ে সমাধি দেওয়া হত। এই সময়টি ইতিহাসের দিক থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেই সময় এখানে পার্সি, গ্রীক, টলেমিক এবং এমনকি রোমান সাম্রাজ্যও এই এলাকায় বিরাজ করছিল। এই কবর মিশরের এমন একটি শহর থেকে পাওয়া গিয়েছে যাকে মৃতকে শহরের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। প্রজেক্ট ডিরেক্টর পেট্রিজিয়া পিয়াসেন্টিনি জানিয়েছেন এই মমি আসলে মিসিং লিংক।

    আরও পড়ুন: এক বছর টানা বিলাসবহুল ক্রুজ জাহাজে, স্বপ্ন পূরণ কেভিনের

    মিশর সাম্রাজ্যের পতনের পরেও কেন মমি করা হচ্ছিল তা বোঝার চেষ্টা চলছে। মিশর সাম্রাজ্যের পতনের পরেও মানুষ এই রীতি বহন করে চলছিলেন। সমাধিক্ষেত্রে থেকে বহু সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। সেগুলি পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হবে। গত বছর এই অঞ্চল থেকে একাধিক মমির উপর থেকে গ্রীক ভাষায় মৃতের নামের ফলক পাওয়া গিয়েছিল। এবার যে স্মাধিস্থলের খোঁজ মিলেছে সেটি ২ লক্ষ ৭০ হাজার ফুট চওড়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalki 2898 AD: প্রথম দিনেই বাজিমাত ব্যয়বহুল ছবি ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’-র! জানেন কার কত পারিশ্রমিক?

    Kalki 2898 AD: প্রথম দিনেই বাজিমাত ব্যয়বহুল ছবি ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’-র! জানেন কার কত পারিশ্রমিক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুক্তি পেল নাগ অশ্বিন পরিচালিত বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’ (Kalki 2898 AD)।  চলতি বছরের অন্যতম বড় বাজেটের ছবি কল্কি বৃহস্পতিবার মুক্তি পেয়েছে প্রেক্ষাগৃহে। ৬০০ কোটি টাকার বাজেটে তৈরি এই ছবি প্রথম দিনেই সাড়া ফেলেছে। প্রথম দিনই  ছবিটি সারা বিশ্বে সংগ্রহ করেছে ১৯১.৫ কোটি টাকা। বক্স অফিসে প্রথম দিনে ব্যবসার নিরিখে এখনও পর্যন্ত তৃতীয় স্থানে রয়েছে ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’। এই ছবিতে অভিনয় করেছেন প্রভাস, অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchan), দীপিকা পাড়ুকোন, কমল হাসন, দিশা পটানি প্রমুখ।

    প্রথম দিনে কত আয় (Kalki 2898 AD)

    তামিল, তেলুগু, হিন্দি, কন্নড় ও মালয়ালম ভাষায় মুক্তি পেয়েছে ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’ (Kalki 2898 AD)। তেলুগু সংস্করণটি সবচেয়ে বেশি টাকার ব্যবসা করেছে এখনও পর্যন্ত। বক্স অফিস সংগ্রহের পরিমাণ ৬৪.৫ কোটি টাকা। হিন্দিতে এই ছবি এখনও পর্যন্ত ২৭.৫ কোটি, তামিলে ৪ কোটি, মালয়ালমে ২.২ কোটি ও কন্নড়ে ৩০ লক্ষ টাকার ব্যবসা করেছে। বক্স অফিসে প্রথম দিনে ব্যবসার দিক থেকে ‘বাহুবলী ২’ ও ‘আরআরআর’-এর পরেই জায়গা করে নিয়েছে ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’। প্রভাসের ‘বাহুবলী ২’-এর প্রথম দিনের বক্স অফিস সংগ্রহ ছিল ২১৭ কোটি টাকা। ‘আরআরআর’ প্রথম দিনে বক্স অফিসে ২২৩ কোটি টাকার ব্যবসা করেছিল।

    কার কত পারিশ্রমিক (Kalki 2898 AD)

    এই ছবিতে অভিনয়ের জন্য সবথেকে বেশি পারিশ্রমিক নিয়েছেন তেলুগু সুপারস্টার প্রভাস। এই ছবির (Kalki 2898 AD) জন্য প্রভাস নিয়েছেন ৮০ কোটি টাকা। তবে দীপিকা পাড়ুকোন, অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchan) এবং কমল হাসান একই পরিমাণ পারিশ্রমিক নিয়েছেন। দীপিকা তাঁর প্রথম তেলুগু কাজের জন্য ২০ কোটি টাকা চেয়েছিলেন। আসলে ওই ছবিতে দীপিকাকে দেখা যাবে সুমতি চরিত্রে। আর সুমতি এমন একজন মহিলা, যিনি সন্তানধারণ করছেন। সেই সন্তানই কল্কি ২৮৯৮-এর দুনিয়ায় বিপ্লব ঘটাবে। ট্রেলারে গর্ভবতী সুমতির চরিত্রে দেখা গিয়েছে দীপিকাকে। তিনি নিজের সন্তানকে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করছেন। অমিতাভ বচ্চন এবং কমল হাসান পারিশ্রমিক নিয়েছেন ২০ কোটি টাকা করে। এমনকী দীপিকাও ওই একই পরিমাণ অর্থ পারিশ্রমিক হিসেবে নিয়েছেন। অমিতাভ বচ্চনকে দেখা গিয়েছে অশ্বত্থামার চরিত্রে। এই ছবিতে বিগ-বির অভিনয় সকলের নজর কেড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Religious Freedom In India: সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে মার্কিন রিপোর্ট ‘পক্ষপাতদুষ্ট’, জানাল নয়াদিল্লি

    Religious Freedom In India: সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে মার্কিন রিপোর্ট ‘পক্ষপাতদুষ্ট’, জানাল নয়াদিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ধর্মীয় স্বাধীনতা (Religious Freedom In India) নিয়ে মার্কিন রিপোর্টকে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ বলে উড়িয়ে দিল নয়াদিল্লি। ‘ধর্মীয় স্বাধীনতা’ রিপোর্ট ২০২৩-এ দাবি করা হয়েছিল ভারতে সংখ্যালঘুদের ওপরে হিংসাত্মক হামলা, ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা বেড়েছে। এই রিপোর্টকে ‘অত্যন্ত পক্ষপাতদুষ্ট’ বলে দাবি করল  বিদেশমন্ত্রক। এর পাশাপাশি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ভারতের সামাজিক কাঠামো সম্পর্কে ধারণার অভাবও এমন রিপোর্ট তৈরির পিছনে অন্যতম কারণ।

    রিপোর্ট নিয়ে কী বলছে বিদেশমন্ত্রক (US report)?

    প্রসঙ্গত, ওই রিপোর্টে (Religious Freedom In India) ভারতকে ‘বিশেষ উদ্বেগের দেশ’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে বাড়তে থাকা ঘৃণাভাষণের অভিযোগ নিয়েও। সংখ্যালঘুদের বাড়ি ও উপাসনাস্থলও নাকি ধ্বংস করা হয় ভারতে এমন অভিযোগও করা হয়েছে রিপোর্টে। এবার সেই রিপোর্ট উড়িয়ে দিল বিদেশমন্ত্রক। মন্ত্রকের মুখপাত্র রণবীর জয়সওয়াল বলেছেন, ‘‘আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা সংক্রান্ত মার্কিন রিপোর্টটি আমাদের নজরে এসেছে। অতীতের মতো এবারের রিপোর্টটিও অত্যন্ত পক্ষপাতদুষ্ট। ভারতের সামাজিক কাঠামো সম্পর্কে বোঝাপড়ার অভাব রয়েছে। আমরা এটা প্রত্যাখ্যান করেছি।’’

    আগেই রিপোর্টের তীব্র নিন্দা করেছে ভারতের সংখ্যালঘু সংগঠন আইএমএফ

    তবে এটাই প্রথম বা নতুন নয় গত বছরও একই রকম রিপোর্ট পেশ করেছিল আমেরিকা। মার্কিন বিদেশ দফতরের ২০২২ সালের রিপোর্টটিতেও একই অভিযোগ করা হয়েছিল (Religious Freedom In India)। সেবারও ওই দাবিকে উড়িয়ে দিয়েছিল বিদেশমন্ত্রক। ‘ত্রুটিপূর্ণ’, ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ ও ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ বলে পালটা তোপ দেগেছিল নয়াদিল্লি। প্রসঙ্গত, রিপোর্টের তীব্র নিন্দা করেছে ভারতের সংখ্যালঘু সংগঠন আইএমএফ। আফগানিস্তান, উত্তর কোরিয়া, রাশিয়া, কিউবা, চিনের মতো ‘স্বৈরাচারী শাসনে’র সঙ্গে ভারতের তুলনা যে আসলে এদেশের ভাবমূর্তি নষ্টের চেষ্টা, তেমনই দাবি করেছে তারা। রিপোর্টটিকে (US report) ‘বিভ্রান্তিকর’বলে উল্লেখ করা হয়েছে আইএমএফ-র বিবৃতিতে। ২০২০ সাল থেকেই এমন প্রবণতা চলছে বলেও দাবি আইএমএফের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Central Govt Job: অদক্ষ কর্মীদের জনস্বার্থে অবসরগ্রহণে বাধ্য করা হবে, নির্দেশিকা জারি কেন্দ্রের

    Central Govt Job: অদক্ষ কর্মীদের জনস্বার্থে অবসরগ্রহণে বাধ্য করা হবে, নির্দেশিকা জারি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্র সরকারের (Central Govt Job) কর্মীদের কর্মদক্ষতা খতিয়ে দেখা হবে। নথি ঘেঁটে দেখা হবে তাঁদের কাজের রেকর্ড। যদি অদক্ষতা ধরা পড়ে তাহলে জনস্বার্থেই তাঁদের অবসরগ্রহণে বাধ্য করা হবে। সম্প্রতি, এমনটাই জানাল কেন্দ্র। সূত্রের খবর, প্রতিটি কেন্দ্রীয় দফতরে এই সার্ভিস রেকর্ড রিভিউ চালু হতে চলেছে। সরকারি বেতনভুক কর্মীর কর্মদক্ষতা বিচার করা হবে মৌলিক বিধি ৫৬ (J)এবং ৫৬ (I), এছাড়া সেন্ট্রাল সিভিল রুল ১৯৭২ এর ৪৮ (১) ধারার আওতায়। এই ধারা অনুযায়ী জনস্বার্থে যে কোনও সরকারি কর্মচারীকে অবসর গ্রহণে বাধ্য করার এক্তিয়ার থাকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। দেখা হবে, সংশ্লিষ্ট পদে কাজ করার দক্ষতা কর্মীর আছে কি না, তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আছে কি না। দেখা হবে তাঁর কর্মজীবনের সার্ভিস রেকর্ড, অ্যানুয়াল পারফরম্যান্স অ্যাপ্রাইজাল রিপোর্ট (APR)। সংশ্লিষ্ট কর্মীর ফাইল ও রিপোর্টও পরীক্ষা করে দেখা হতে পারে।

    ‘ডিপার্টমেন্ট অফ পার্সোনাল অ্যান্ড ট্রেনিং’ পর্যালোচনা করবে কর্মদক্ষতা 

    সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকার (Central Govt Job) একটি নির্দেশিকা জারি করেছে এবং সেখানেই ‘ডিপার্টমেন্ট অফ পার্সোনাল অ্যান্ড ট্রেনিং’- এই দফতরকে বলা হয়েছে, যেকোনও ধরনের পাবলিক সেক্টর, ব্যাঙ্ক, স্বশাসিত প্রতিষ্ঠান- এ সমস্ত ক্ষেত্রে কর্মীদের দক্ষতা যাচাই করতে। এই নির্দেশিকাতে আরও বলা হয়েছে, কর্মীদের চাকরিতে রাখা উচিত নাকি সময়ের আগে তাদেরকে চাকরি থেকে অবসর নেওয়া উচিত, তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই কর্মীদের কর্ম দক্ষতা পর্যালোচনা করা হবে।

    ২০২০ সালেও এসেছিল এমন নির্দেশ

    বিভিন্ন দফতর ও মন্ত্রকের (Central Govt Job) প্রতিটি কর্মীকেই যাচাই করার কথা জানিয়েছে কেন্দ্র। নির্দেশ জারি করা হয়েছে গত ২৭ জুন। এমন নির্দেশ তবে প্রথম নয়, এর আগে ২০২০ সালেও সমস্ত মন্ত্রক এবং কেন্দ্রীয় সরকারের দফতরগুলিকে কর্মীদের দক্ষতা পর্যালোচনা নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলতে বলা হয়। বর্তমানে যে নির্দেশ কেন্দ্রীয় সরকার দিল তা ২০২০ সালের দেওয়া নির্দেশেরই (Retire Non-Performers) একটি বিস্তৃত রূপ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ২৭ জুনের ওই নির্দেশিকায় প্রতিমাসের ১৫তম দিনে ‘ডিপার্টমেন্ট অফ পার্সোনাল অ্যান্ড ট্রেনিং’- কে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UGC NET: নেট পরীক্ষার নতুন দিন ঘোষণা! ওএমআর-এ নয়, পরীক্ষা হবে কম্পিউটারে

    UGC NET: নেট পরীক্ষার নতুন দিন ঘোষণা! ওএমআর-এ নয়, পরীক্ষা হবে কম্পিউটারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউজিসি নেট-সহ (UGC NET) স্থগিত পরীক্ষাগুলির নতুন দিন ঘোষণা করল ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA)। পরীক্ষার ধরনেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর আগে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা দিতে হয়েছিল ওএমআর শিটে। এনটিএ জানিয়েছে, এ বার পরীক্ষা হবে কম্পিউটারে অর্থাৎ কম্পিউটার বেসড্‌ টেস্ট (CBT)। শুক্রবার রাতেই জাতীয়স্তরের একাধিক পরীক্ষার (NET Exam) নতুন দিনক্ষণ ঘোষণা করে পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থা।

    কবে কবে পরীক্ষা

    ইউজিসি-নেট (UGC NET) পরীক্ষা হবে আগামী ২১ জুলাই থেকে ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। নির্দিষ্ট দিন এখনও ঘোষণা করা হয়নি। একইভাবে সিএসআইআর-নেট পরীক্ষা হবে আগামী ২৫-২৭ জুলাইয়ের মধ্যে। ১০ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে চার বছরের স্পেশাল কোর্স করার প্রবেশিকা (ইন্টিগ্রেটেড টিচার এডুকেশন প্রোগ্রাম বা আইটিইপি) ন্যাশনাল কমন এন্ট্রান্স টেস্ট (এনসিইটি)। স্নাতকোত্তর আয়ুষ প্রবেশিকা (এআইএপিজিইটি) পরীক্ষার সূচিতে অবশ্য কোনও বদল আনা হয়নি। পূর্ব নির্ধারিত ৬ জুলাইয়েই হবে এই পরীক্ষা। 

    পরীক্ষার নয়া ধরন

    গত বছর পর্যন্ত ইউজিসি নেট (UGC NET) পরীক্ষা নেওয়া হত কম্পিউটারে। কম্পিউটারের পর্দায় প্রশ্ন আসত। প্রত্যেক প্রশ্নের জন্য চারটি উত্তর দেওয়া থাকত। সেখানেই চারটি উত্তরের মধ্যে একটি বেছে নিতে হত। এবারের পরীক্ষায় ওই পদ্ধতি বদলে ওএমআর শিটের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। প্রশ্নফাঁসের জেরে আবার পুরনো পদ্ধতিতে ফিরল এনটিএ। বিস্তারিত তথ্যের জন্য www.nta.ac.in – এ পরীক্ষার্থীদের নজর রাখতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: “সরকার সব রকম আলোচনার জন্য প্রস্তুত” নিট বিতর্কে বললেন শিক্ষামন্ত্রী

    কেন ফের পরীক্ষা

    যাঁরা গবেষণামূলক পড়াশোনা করতে চান বা যাঁরা কলেজে অধ্যাপনা করতে চান, তাঁদের কাছে ইউজিসি নেট (UGC NET) পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এবারের জুন মাসের ইউজিসি নেটের প্রশ্ন ডার্ক ওয়েবে ফাঁস হওয়ার অভিযোগ উঠতেই সঙ্গে সঙ্গে পরীক্ষা (NET Exam) বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্র। ১৮ জুন পরীক্ষা ছিল। নয় লক্ষ পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। তার একদিন পরেই ১৯ জুন ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছিল পরীক্ষা বাতিল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনস্থ সাইবার ক্রাইম কোঅর্ডিনেশন সেন্টার থেকেই প্রথম শিক্ষামন্ত্রককে বিষয়টি জানানো হয়েছিল। এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশও দিয়েছে শিক্ষামন্ত্রক। দেশের বিভিন্ন প্রবেশিকা এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেনিয়ম এবং প্রশ্নফাঁস রুখতে নতুন পরীক্ষা আইন কার্যকর করার কথাও ঘোষণা করেছে কেন্দ্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share