Tag: Madhyom

Madhyom

  • Jharkhand: ছত্তিশগড়ের পর এবার ঝাড়খণ্ড! বাহিনীর গুলিতে নিহত চার মাওবাদী

    Jharkhand: ছত্তিশগড়ের পর এবার ঝাড়খণ্ড! বাহিনীর গুলিতে নিহত চার মাওবাদী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের পর এবার ঝাড়খণ্ড (Jharkhand)। সোমবার সাতসকালে মাওবাদী এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে রক্ত ঝরল ঝাড়খণ্ডে। দু’‌পক্ষের মধ্যে গুলির লড়াই হলেও মাওবাদীরা এঁটে উঠতে পারেনি। পশ্চিম সিংভূম জেলায় গুলির লড়াইয়ে চার জন মাওবাদীকে নিকেশ করেছে পুলিশ। 

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Maoists Encounter) 

    জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) টন্টো এবং গোইলকেরা এলাকায় কয়েকজন মাওবাদী লুকিয়ে রয়েছে বলে খবর পায় রাজ্যের পুলিশ। খবর পেয়েই মাওবাদী দমনে গোপন অভিযান চালানো হয়। তবে অভিযানের শুরুতেই লুকিয়ে থাকা মাওবাদীরা অতর্কিতে পুলিশবাহিনীর ওপর হামলা চালায়। শুরু হয় গুলির লড়াই। আর সেই গুলির লড়াইতেই মৃত্যু হয়েছে ৪ জন মাওবাদীর। একইসঙ্গে এদিন একজন মহিলা মাওবাদী নেত্রী সহ ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একাধিক অস্ত্র। ঘটনার পরে এলাকায় শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। মনে করা হচ্ছে, এই ঘটনায় যুক্ত আরও কয়েকজন মাওবাদী সেই এলাকায় লুকিয়েও থাকতে পারে।  

    আরও পড়ুন: বহরমপুরে বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি-বোমাবাজি! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    সিংভূম জেলার পুলিশ সুপারের মন্তব্য  

    এ প্রসঙ্গে সিংভূম জেলার পুলিশ সুপার আশুতোষ শেখর বলেছেন, “গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সোমবার সকালে জঙ্গল এলাকায় তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়। সে সময় নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় মাওবাদীরা। পাল্টা জবাব দেয় নিরাপত্তা বাহিনীও। তখনই এনকাউন্টারে মৃত্যু (Maoists Encounter) হয় চার জন মাওবাদীর।” পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যে চারজন মাওবাদীর মৃত্যু (Maoists Encounter) হয়েছে তার মধ্যে ছিল—একজন জোনাল কমান্ডার, একজন সাব জোনাল কমান্ডার এবং একজন এরিয়া কমান্ডার। তাছাড়া একজন সাধারণ মাওবাদীও ছিল। আর যে দু’জন মাওবাদীকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের মধ্যে একজন এরিয়া কমান্ডার। আর একজন সাধারণ মাওবাদী। 

    উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনের আগেও মাওবাদীদের উৎপাত শুরু হয়েছিল। আর এবার লোকসভা নির্বাচন শেষ হলেও মাওবাদীরা দাপট দেখাচ্ছে। দিন দুয়েক আগেই ছত্তিশগড়ের বস্তার ডিভিশনের নারায়ণপুর জেলার অবুঝমাড়ের জঙ্গলে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয়েছিল নিষিদ্ধ সংগঠন সিপিআইএমএল (মাওবাদী)-র অন্তত আট সদস্যের। আর এই ঘটনার দুদিনের মধ্যেই আবারও ঝাড়খণ্ডে (Jharkhand) মাওবাদী দমনে সাফল্য এল।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kanchanjunga Express: কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস ট্রেন দুর্ঘটনার জন্য সোম-মঙ্গল বাতিল একাধিক ট্রেন

    Kanchanjunga Express: কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস ট্রেন দুর্ঘটনার জন্য সোম-মঙ্গল বাতিল একাধিক ট্রেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস (Kanchanjunga Express) ট্রেন দুর্ঘটনার পর একাধিক ট্রেন সোমবার এবং মঙ্গলবারের জন্য বাতিল করা হয়েছে। আবার রাজধানী, বন্দে ভারত-সহ একাধিক ট্রেনের গতিপথও বদল করা হয়েছে। ইতিমধ্যে রেলের তরফ থেকে সেই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। আবার যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে শিলিগুড়ি থেকে কলকাতার উদ্দেশে অতিরিক্ত বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থা।

    বাতিল একাধিক ট্রেন (Kanchanjunga Express)

    সোমবার রেল দুর্ঘটনার (Kanchanjunga Express) জন্য একাধিক ট্রেন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। বাতিল হওয়া ট্রেনের মধ্যে হল-শিলিগুড়ি-রাধিকাপুর ডেমু, রাধিকাপুর-শিলিগুড়ি আইসি, মালদা টাউন-নিউ জলপাইগুড়ি স্পেশ্যাল, নিউ জলপাইগুড়ি-মালদা টাউন স্পেশাল ট্রেন। আবার মঙ্গলবারের জন্য বাতিল করা হয়েছে, নিউ জলপাইগুড়ি-মালদা টাউন স্পেশাল, মালদা টাউন-নিউ জলপাইগুড়ি স্পেশাল ট্রেন।

    কোন কোন ট্রেনের গতিপথ বদল?

    রেলের তরফ থেকে যে যে ট্রেনের গতিপথ বদল করা হয়েছে তা হল, ১৯৬০২ নিউ জলপাইগুড়ি-উদয়পুর সিটি এক্সপ্রেস, ২০৫০৩ ডিব্রুগড়-নয়াদিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেস, ১২৪২৩ ডিব্রুগড়-নয়াদিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেস, ০১৬৬৬ আগরতলা-রানি কমলাপতি হাবিবগঞ্জ স্পেশাল ট্রেন। এই ট্রেনগুলির গতিপথ ঠিক করা হয়েছে, নিউ জলপাইগুড়ি-শিলিগুড়ি-বাগডোগরা-আলুয়াবাড়ি রোড জংশন লাইনে। আবার ১২৩৭৭ শিয়ালদা-নিউআলিপুরদুয়ার পাদাতিক এক্সপ্রেস, ০৬১০৫ নারকোলি-ডিব্রুগড় স্পেশাল, ২০৫০৬ নয়াদিল্লি-ডিব্রুগড় রাজধানী এক্সপ্রেস, ১২৪২৪ নয়াদিল্লি-ডিব্রুগড় রাজধানী এক্সপ্রেস, ২২৩০১ হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ঘুরিয়ে দেওয়া হবে আলুয়াবাড়ি রোড জংশন-বাগডোগরা-শিলিগুড়ি-নিউ জলপাইগুড়ি লাইনে।

    দুর্ঘটনায় ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে

    সোমবার সকালে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে শিয়ালদার দিকে যাত্রা শুরু করছিল কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস (Kanchanjunga Express)। ফাঁসিদেওয়ার রাঙাপানি স্টেশনের কাছে আচমকা পিছন থেকে একটি মালগাড়ি এসে ধাক্কা মারে। কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের চারটি বগি লাইন চ্যুত হয়ে যায়। তাঁর মধ্যে দুটি বগি মালবাহী ট্রেনের। এখনও পর্যন্ত এই দুর্ঘটনায় ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আহতের সংখ্যা মোট ৩০ জনের বেশি।

    আরও পড়ুনঃ বহরমপুরে বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি-বোমাবাজি! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    কী বলেন মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক?

    পূর্বরেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র জানিয়েছেন, “এই রেলের দুর্ঘটনায় (Kanchanjunga Express) উত্তরবঙ্গে রেল চলাচলে খুব একটা সমস্যা হবে না। অপর আরেকটি লাইন এখনও সচল রয়েছে। সোমবার হাওড়া ও শিয়ালদা থেকে উত্তরবঙ্গগামী সমস্ত ট্রেন নির্ধারিত সময়েই ছাড়বে।” একই সঙ্গে পূর্বরেলের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, চারটি কামরা বাদ দিয়ে ডাউন কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের বাকি অংশ যাত্রীদের নিয়ে রওনা দিয়েছে। মাঝে আলুয়াবাড়ি রোড স্টেশনে দাঁড় করানো হয় ট্রেনটিকে। সেখানে যাত্রীদের জন্য জল এবং খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। ১২৯৩ জন যাত্রীকে নিয়ে ওই ট্রেন কলকাতার দিকে রওনা দিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Haridwar: গঙ্গার ঘাটে অপূর্ব সন্ধ্যারতি, শান্ত কঙ্খল আশ্রম! হরিদ্বার যেন সত্যিই ‘মায়াপুরী’

    Haridwar: গঙ্গার ঘাটে অপূর্ব সন্ধ্যারতি, শান্ত কঙ্খল আশ্রম! হরিদ্বার যেন সত্যিই ‘মায়াপুরী’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধুমাত্র জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবেই নয়, ভারতের অন্যতম পবিত্র তীর্থস্থান হল উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বার (Haridwar)। পুণ্যতোয়া গঙ্গা এই হরিদ্বার থেকেই নেমে এসেছে সমতল ভূমিতে। প্রত্যেক ১২ বছর অন্তর এখানেই বসে পূর্ণকুম্ভের আসর। উপনিষদে এর নাম পাওয়া যায় ‘মায়াপুরী’ বলে। পুরাণেও উল্লেখ আছে এই স্থানের।

    পাহাড়ের শীর্ষে মনসাদেবীর মন্দির (Haridwar)

    হরিদ্বারে এলে দেখে নিন চণ্ডী পাহাড়। ছোট্ট একটা পাহাড়, পাহাড়ের শীর্ষে রয়েছে চণ্ডীদেবীর মন্দির। আদি শঙ্করাচার্যের আমলে চণ্ডী বিগ্রহ প্রতিষ্ঠিত হয় এই মন্দিরে। এর কাছেই রয়েছে আরও একটি ছোট্ট পাহাড় ‘মনসা পাহাড়’। এই পাহাড়ের শীর্ষে রয়েছে মনসাদেবীর মন্দির। চণ্ডী পাহাড় আর মনসা পাহাড়ে ওঠা-নামার জন্য রয়েছে রোপওয়ের ব্যবস্থা।

    সন্ধ্যারতি, কঙ্খল, হৃষিকেশ

    হরিদ্বারের (Haridwar) অন্যতম সেরা আকর্ষণ এখানকার বিখ্যাত ‘হর কি পৌড়ি’ ঘাটের সন্ধ্যারতি। পুরাণ মতে, রাজা বিক্রমাদিত্য তাঁর ভাইয়ের স্মরণে এখানে ব্রহ্মকুণ্ডে ঘাট নির্মাণ করেন। প্রতিদিন সন্ধ্যায় এখানে গঙ্গার বুকে আরতি দর্শনের জন্য প্রচুর দর্শনার্থীর ভিড় হয। কঙ্খল হর কি পৌড়ি ঘাট থেকে প্রায় ৪-৫ কিমি দূরে। এই কঙ্খলে রয়েছে একাধিক মন্দির ও আশ্রম। এর মধ্যে রয়েছে সপ্তর্ষি আশ্রম, আনন্দময়ী মায়ের আশ্রম, ভারতমাতা মন্দির, দক্ষ প্রজাপতির মন্দির, হরিহর আশ্রম, দক্ষেশ্বর শিব মন্দিরটিও। পুরাণ মতে, এখানেই নাকি দক্ষ মহারাজ দেবাদিদেব মহাদেবকে নিমন্ত্রণ না করেই যজ্ঞের আয়োজন করেছিলেন। কঙ্খলের শান্ত, অনাবিল, আশ্রমিক পরিবেশ মনকে শান্ত করে। হরিদ্বার থেকে অটো বা রিকশ নিয়ে ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই ঘুরে আসা যায় কঙ্খল থেকে। ইচ্ছে হলে বা হাতে সময় থাকলে হরিদ্বার থেকেই অটো বা গাড়ি নিয়ে ঘুরে আসা যায় মাত্র ২৪ কিমি দূরের হৃষিকেশ থেকেও।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন? (Haridwar)

    যাতায়াত, থাকা-খাওয়া-নৈনিতাল, দিল্লি, আগ্রা থেকে নিয়মিত বাস যাচ্ছে হরিদ্বার। দূরত্ব যথাক্রমে ২৪৫, ২১৪ এবং ৩৮৬ কিমি। হাওড়া থেকে সরাসরি হরিদ্বার যাচ্ছে দুন এক্সপ্রেস, উপাসনা এক্সপ্রেস, কুম্ভ এক্সপ্রেস প্রভৃতি ট্রেন। এখানে থাকার জন্য রয়েছে জিএমভিএন (GMVN)-এর ট্যুরিস্ট রেস্ট হাউস রাহি মোটেল ফোন (০১৩৩৪) ২২৮৬৮৬ এবং হোটেল অলকানন্দা (০১৩৩) ২২৬৩৭৯। এছাড়াও এখানে রয়েছে বহু বিভিন্ন দাম ও মানের হোটেল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: রাজ্যের চার বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা বিজেপির, রইল তালিকা

    BJP: রাজ্যের চার বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা বিজেপির, রইল তালিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০ জুলাই রাজ্যের চার বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। এই উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপি (BJP)। সোমবার পদ্ম-পার্টির তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে, কলকাতার মানিকতলায় লড়বেন প্রাক্তন ফুটবলার তথা সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশেনর সভাপতি কল্যাণ চৌবে, উত্তর ২৪ পরগনার বাগদায় বিনয় বিশ্বাস, নদিয়ার রানাঘাট দক্ষিণে মনোজকুমার বিশ্বাস এবং উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে মানসকুমার ঘোষ।

    চার কেন্দ্রে ৫ ইনচার্জ বিজেপির (BJP)

    এই চার বিধানসভায় উপনির্বাচন হবে ১০ জুলাই। তার আগে রাজ্য বিজেপির কোর কমিটির বৈঠকের পরে দিল্লিতে পাঠানো হয়েছিল ১২ জনের নাম। সেই তালিকা থেকেই বেছে নেওয়া হয়েছে এই চারজনকে (BJP)। উপনির্বাচনে রাজ্যের চার আসনেই পদ্ম ফোটাতে ৫ জন ইনচার্জ নিয়োগ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রায়গঞ্জের ইনচার্জ বিধায়ক নিখিলরঞ্জন দে, রানাঘাট দক্ষিণ কেন্দ্রের ইনচার্জ প্রবাল রাহা, মানিকতলার ইনচার্জ বিজেপির রাজ্য সম্পাদক দীপাঞ্জন কুমার গুহ। আর বাগদার জন্য ইনচার্জ রয়েছেন দুজন। একজন কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায় এবং অন্যজন অনল বিশ্বাস।

    হেরো দলবদলুদের প্রার্থী করেছে তৃণমূল

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনে রায়গঞ্জে জয়ী হয়েছিলেন বিজেপির কৃষ্ণ কল্যাণী। রানাঘাট দক্ষিণে জিতেছিলেন পদ্ম-পার্টিরই মুকুটমণি অধিকারী। পদ্ম চিহ্নে জয়ী হয়েও তাঁরা যোগ দেন ঘাসফুল শিবিরে। দলবদলু এই দুই বিধায়কই ইস্তফা দেন বিধানসভায়। পরে তাঁদের প্রার্থী করা হয় অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে। সেখানে মুখ থুবড়ে পড়েন ঘাসফুলের এই দুই দলবদলু প্রার্থী। বাগদায় বিজেপির টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন বিশ্বজিৎ দাস। শিবির বদলান তিনিও। লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে তাঁকেও বাজি ধরে তৃণমূল। বিজেপির শান্তনু ঠাকুরের কাছে পর্যুদস্ত হন তিনিও। লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আগে বিধায়ক পদে ইস্তফা দেন বিশ্বজিৎ। মানিকতলায় জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের সাধন পাণ্ডে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রয়াত হন তিনি। সেই কারণেই হচ্ছে উপনির্বাচন। এই কেন্দ্রে বিজেপির বাজি কল্যাণ।

    আরও পড়ুন: পোপকে ‘অপমান’, ক্ষমা চাইতে বাধ্য হল কেরল কংগ্রেস

    লোকসভা নির্বাচনে ‘হেরো’ দলবদলু দুই নেতাকে বিধানসভা উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী করলেও, বাগদায় সেই জুতোয় পা গলায়নি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। ঠাকুরবাড়ির সেন্টিমেন্ট কুড়িয়ে ভোট-বৈতরণী পার হতে তৃণমূল এই কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে রাজ্যসভার সাংসদ ঠাকুরবাড়ির মমতাবালা ঠাকুরের কন্যা মধুপর্ণাকে। ঠাকুরবাড়ির ‘সেন্টু’ বাগদায় তৃণমূলকে অক্সিজেন জোগায় কিনা, এখন সেটাই দেখার (BJP)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

       

  • Rail Accident: “নিশ্চিত মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফিরলাম”, বললেন রেল দুর্ঘটনায় জখম যাত্রী বিশ্বনাথ

    Rail Accident: “নিশ্চিত মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফিরলাম”, বললেন রেল দুর্ঘটনায় জখম যাত্রী বিশ্বনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিশ্চিত মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলাম। বেঁচে আছি বিশ্বাসই হচ্ছে না। নিজের গায়ে চিমটি কেটে দেখছি সত্যিই বেঁচে আছি তো। হাসপাতালের বেডে শুয়ে একথায় বললেন শিলিগুড়ির রাঙাপানিতে রেল দুর্ঘটনায় (Rail Accident) জখম যাত্রী বিশ্বনাথ শর্মা। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তিনি। তাঁর বাড়ি নদিয়ার কৃষ্ণনগরে।  

    ঝাঁকুনি দিয়ে উঠল আস্ত কামরা (Rail Accident)

    সোমবার এনজেপির কাছে রাঙাপানি ও নিজবাড়ি স্টেশনের মাঝে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের পিছনে ধাক্কা মারে একটি মালগাড়ি। রেল দুর্ঘটনায় (Rail Accident) বহু যাত্রী জখম হন। সর্বশেষ পাওয়া খবরে, আটজন জন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। সেই অভিশপ্ত কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের যাত্রী ছিলেন বিশ্বনাথ শর্মা। তিনি বলেন, “আমি ট্রেনের পিছনের দিক থেকে দুনম্বর কোচে ছিলাম। ঘুম থেকে ভোরবেলায় উঠেছি। অসম থেকে বাড়ি ফিরছিলাম। এনজেপি স্টেশন ছাড়ার পর চা-বিস্কুট খেয়ে বসেছিলাম। হঠাৎ একটা ধাক্কায় ঝাঁকুনি দিয়ে উঠল আমার বগি। কোনও কিছু বুঝে ওঠার আগেই দেখি ট্রেনের বগির দুধারে দেওয়াল, সিট আমাকে দুদিক দিয়ে চেপে ধরছে। ওপরে তাকাতেই দেখি বগির সিলিং তিন ভাগ হয়ে ত্রিশূলের মতো আকৃতি নিয়ে আমার বুকের ওপর নেমে আসছে। সঙ্গে সঙ্গে দুই হাত দিয়ে তা ঠেকানোর চেষ্টা করি। সেই চেষ্টায় একটা রড ধরতে পারি। সেই রড ধরেই এক ঝটকা মেরে পাশ কাটিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করলাম। কোনওরকমে বাইরে ছিটকে পড়লাম। তারপর আর কিছু মনে নেই। জ্ঞান ফিরতেই দেখি হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছি।  যেভাবে সিলিং ভেঙে তিনটি ফলা ত্রিশূলের মতো হয়ে নেমে আসছিল,আমি যদি না ধরতাম তাহলে তার একটি আমার বুকে ঢুকে যেত। ঢুকলেই আমার মৃত্যু নিশ্চিত ছিল।”

    আরও পড়ুন: শিলিগুড়িতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা, কাঞ্চনজঙ্ঘায় ধাক্কা মালগাড়ির, মৃত ৮, জখম ৬০

      জানি না কোন শক্তি দিয়ে, ভেঙে পড়া কোচের সিলিং আটকাতে পারলাম! 

    জানা গিয়েছে, বিশ্বনাথ শর্মা পেশায় পাচক। ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন জায়গায় রান্নার কাজ করেন। গুয়াহাটি থেকে অসম, ডিব্রুগড় বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে রান্নার কাজ করে বাড়ি ফিরছিলেন। তিনি বলেন, “এখন হাতে কোনও কাজ ছিল না। তাই বাড়ি ফিরছিলাম। এদিন রাতে শিয়ালদা স্টেশনে নেমে লোকাল ট্রেন ধরে কৃষ্ণনগরে বাড়ি পৌঁছে যাওয়ার কথা ছিল। বাড়িতে সকলে অপেক্ষা করছে, আমি কতক্ষণে বাড়ি যাব। জানি না এখন বাড়ির লোক খবর পেয়েছে কিনা। ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞ, আমার ও আমার পরিবারের কথা ভেবে আমাকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন। আমি এখনও ভেবে উঠতে পারছি না, কোন শক্তি দিয়ে, দুর্ঘটনায় ভেঙে পড়া কোচের সিলিং আটকাতে পারলাম।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kerala Congress: পোপকে ‘অপমান’, ক্ষমা চাইতে বাধ্য হল কেরল কংগ্রেস

    Kerala Congress: পোপকে ‘অপমান’, ক্ষমা চাইতে বাধ্য হল কেরল কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের কাছে ক্ষমা চাইতে বাধ্য হল কেরল কংগ্রেস (Kerala Congress)। জি৭ সম্মেলনে যোগ দিতে ইটালিতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে তিনি সাক্ষাৎ করেন পোপ ফ্রান্সিসের সঙ্গে। তা নিয়ে বিরুপ মন্তব্য করে কেরল কংগ্রেস। তার জেরে ওঠে সমালোচনার ঝড় (BJP)। তার জেরে চাইতে হল ক্ষমা।

    কংগ্রেসের পোস্ট (Kerala Congress)

    রবিবার মোদির সঙ্গে পোপের সাক্ষাতের একটি ছবি পোস্ট করে কেরল রাজ্য কংগ্রেস লিখেছে, ‘শেষমেশ পোপ ভগবানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার একটা সুযোগ পেলেন।’ সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি কথার সূত্র ধরে এই বক্রোক্তি কেরল কংগ্রেসের। এর প্রেক্ষিতেই দক্ষিণের এই রাজ্যের বিজেপির দাবি, এই পোস্টের মাধ্যমে কংগ্রেস (Kerala Congress) খ্রিস্টান সম্প্রদায়কে অপমান করেছে। বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জর্জ কুরিয়েন বলেন, “কংগ্রেসের এই ট্যুইটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে প্রভু যিশুর সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। এটা পুরোপুরি অনাকাঙ্খিত এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতি অপমান। এটা লজ্জাজনক যে কংগ্রেস কোথায় নেমেছে!”

    আরও পড়ুন: “পলিটিক্যাল ট্যুরিজম নয়, মমতাকে জাগাতে এসেছি”, বলেন বিপ্লব দেব

    ক্ষমা প্রার্থনা

    কেরল বিজেপির (BJP) সভাপতি কে সুরেন্দ্রন বলেন, “কংগ্রেস এখন পোপকেও উপহাস করছে। এর পিছনে কি রাহুল গান্ধী এবং খাড়্গের সমর্থনও রয়েছে?” পদ্ম-পার্টির সমালোচনার তিরে বিদ্ধ হয়ে সম্বিত ফেরে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির। গত রাতে ক্ষমা প্রার্থনা করে কেরল কংগ্রেস। এবং জানিয়ে দেয়, কোনও ধর্মকে অপমান করার ঐতিহ্য তাদের ছিল না। তাদের বক্তব্য, সমগ্র ভারতবাসী জানে কাউকে অপমান করাটা ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের ঐতিহ্য নয়। কোনও ধর্ম, ধর্মীয় প্রধান এবং বিগ্রহকে অপমান বা অশ্রদ্ধা করাও তাদের ঐতিহ্য নয়। কংগ্রেস একটা আন্দোলন। এই দল সব ধর্মকে একসূত্রে বেঁধে রাখে, সমস্ত বিশ্বাসকে মর্যাদা দেয়। বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার চেষ্টা করে। পোপ, যাঁকে খ্রিস্টানরা ঈশ্বরের প্রতিনিধি হিসেবে দেখেন, তাঁকে অপমান কিংবা অসম্মান করার কথা কোনও কংগ্রেস কর্মীই সহ্য করে না। এক্স হ্যান্ডেলে কংগ্রেস নেতৃত্ব লিখেছেন, ‘এই পোস্টের জেরে যদি কোনও খ্রিস্টানের আবেগে আঘাত লাগে, তাহলে আমরা ক্ষমাপ্রার্থী (Kerala Congress)।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: বহরমপুরে বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি-বোমাবাজি! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Murshidabad: বহরমপুরে বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি-বোমাবাজি! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের বোমাবাজিতে উত্তপ্ত বহরমপুরের (Murshidabad) গোয়ালজান এলাকা। ভোট-পরবর্তী সময়ে চাপা উত্তেজনা ছিলই, গতকাল রাত্রি বেলায় ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বিজেপি কর্মী-সমর্থক এবং বাড়ির মহিলাদের ব্যাপক মারধর করে। আবার এই পঞ্চায়েত এলাকা, আগে থেকেই বিজেপির দখলে ছিল, এইবার লোকসভাতে এগিয়ে রয়েছে পদ্মশিবির। ফলে তৃণমূল রাজনৈতিক হিংসার বহিঃপ্রকাশ ঘটায় এদিন। উল্লেখ্য, মুর্শিদাবাদ জেলার তিনটি লোকসভায় জয়ী হয়েছে তৃণমূল, দ্বিতীয়স্থানে উঠে এসেছে বিজেপি। একই ভাবে লোকসভা ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই কোচবিহার থেকে ডায়মন্ড হারবার সর্বত্র অশান্তির খবর উঠে আসছে।

    ঘটনা কিভাবে ঘটল (Murshidabad)?

    স্থানীয় সূত্র খবর, বেশ কিছুদিন আগে এই এলাকায় এক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল। কিন্তু গতকাল রবিবার রাতে তাকে ঘিরে সামজিক মাধ্যমে পোস্ট করা হয়। পোস্টে দেখা যায় সেখানে অভিযুক্তকে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে পুলিশের হাতে। এরপরেই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা রাতে গোয়ালজান (Murshidabad) এলাকার জলকালী ক্লাব পাড়ায় বিজেপির কর্মীদের উপর আক্রমণ করে। চলে ইটবৃষ্টি ও বোমাবাজি। একই সঙ্গে একাধিক বাড়ি ও বেশ কিছু বাইক ভাঙচুর করা হয়। পুলিশকে খবর দিলে গাড়িকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি করা হয়। রাস্তায় এখনও লেগে রয়েছে বোমার দাগ। আবার পরের দিন সোমবার এই এলাকায় গঙ্গাপুজো ছিল। তাকে ঘিরে মন্দিরের আশেপাশে চালানো হয় ব্যাপক ভাঙচুর। যদিও ভোটের আগে থেকে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা হুমকি দিচ্ছিল বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী টহল দিচ্ছে। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে বহরমপুর থানার পুলিশ। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    অন্যদিকে বিজেপি সমর্থকদের বক্তব্য, “এই এলাকায় গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বিপুল পরিমাণের লিড পেয়েছে। আর তাই তৃণমূল দুষ্কৃতীরা তাণ্ডব চালিয়েছে। গঙ্গাপুজো উপলক্ষে রিফিউজি ফেরিঘাটের (Murshidabad) পাশে প্রতিবছর একটি বড় পুজোর আয়োজন করা হয়ে থাকে। কিন্তু এই পুজোকে বানচাল করতে তৃণমূলের গুন্ডারা বিভিন্ন রকমভাবে আক্রমণ করে। জলকালী ক্লাবের সামনে বিজেপি সমর্থকরা যেতেই তৃণমূলের লোকেরা বোমাবাজি করে। পুলিশকে খবর দিলে উল্টে তৃণমূলের হয়ে বিজেপি কর্মীদেরই ব্যাপক মারধর করে।”

    আরও পড়ুনঃ সন্দেশখালিতে তৃণমূলের হিংসা অব্যাহত, বিজেপি কর্মীদের টোটো ও দোকান বন্ধের অভিযোগ

    তৃণমূলের বক্তব্য

    বিজেপির অভিযোগকে অস্বীকার করে জেলা (Murshidabad) তৃণমূলের পক্ষ থেকে বলা হয় বিজেপি তৃণমূলকে বদনাম করতে এই ধরনের কথা বলছে। তৃণমূলের কোনও কর্মী এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নয়। বিজেপির অন্দরে নিজেদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের বহিঃপ্রকাশ ছাড়া আর কিছুই না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • J&K Encounter: জম্মু কাশ্মীরে শুরু বাহিনীর অ্যাকশন, খতম এক জঙ্গি, নজরে টেরর ফান্ডিং নেটওয়ার্ক

    J&K Encounter: জম্মু কাশ্মীরে শুরু বাহিনীর অ্যাকশন, খতম এক জঙ্গি, নজরে টেরর ফান্ডিং নেটওয়ার্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরের বান্দিপুরা জেলায় জঙ্গিদের সঙ্গে বাহিনীর গুলি বিনিময়ে (J&K Encounter) এক জঙ্গির মৃত্যু হল। জানা গিয়েছে উত্তর কাশ্মীরের বান্দিপোরা জেলার আরগাম এলাকায় জঙ্গিদের সঙ্গে সুরক্ষা বাহিনীর গুলি বিনিময় হয়। সন্ত্রাস দমনে এমন আরও অভিযান আসন্ন জানিয়েছে সেনাবাহিনী।  

    জম্মু কাশ্মীরের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা

    প্রসঙ্গত অমিত শাহ‌ জম্মু-কাশ্মীরের সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জম্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা, সেনা প্রধান জেনারেল মনোজ পান্ডে, লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সচিব অজয় ভাল্লা, আইবি প্রধান তপন ডেকা, সিআরপিএফের ডিরেক্টর জেনারেল আনিস দয়াল সিং, বিএসএফের ডিরেক্টর জেনারেল নিতিন আগরওয়াল, জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিজিপি আর আর সোয়েইন। জম্মু-কাশ্মীরে সুরক্ষা ব্যবস্থা, অমরনাথ যাত্রার আগাম ব্যবস্থা, বর্তমান জঙ্গি হানার প্রত্যুত্তর সহ বেশ কয়েকটি বিষয়ে আলোচনা হয়। জম্মু-কাশ্মীরের সন্ত্রাস দমনের অ্যাকশন প্ল্যান  নিয়ে আলোচনা হয়। এর পরেই সুরক্ষা বাহিনী সন্ত্রাস দমনে অপারেশন (J&K Encounter) শুরু করেছে।

    ময়দানে নামলেন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ

    জানা গিয়েছে সিডিএস অনিল চৌহান জম্মু-কাশ্মীর পরিদর্শন করবেন এবং পরিস্থিতির খতিয়ান নেবেন। সেনা সূত্রে খবর নাগরোটায় অবস্থিত হোয়াইট নাইট কর্পসের হেডকোয়ার্টারেও যাবেন তিনি সেখানেই তাকে বর্তমান অবস্থা (J&K Encounter)নিয়ে ব্রিফ দেওয়া হবে। গত দুই সপ্তাহে জম্মু-কাশ্মীরের চার জায়গায় জঙ্গি হানা হয়েছে। এর মধ্যে রিয়াসি ও কঠুয়ার ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এই চার জঙ্গি হানায় ১১ জন সাধারণ মানুষ এবং একজন সিআরপিএফ জওয়ান সহ দুই জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে।

    টেরার ফান্ডিং বন্ধ করার চেষ্টা শুরু (J&K Encounter)

    তবে শুধু জঙ্গি দমন (J&K Encounter)  অভিযান নয়, জঙ্গিদের টেরার ফান্ডিং-এর উপরেও নজর রয়েছে সেনার। কুপওয়াড়ার এসএসপি সৌভিক সাক্সেনা বলেন, “পুলিশ এবং সেনার যৌথ উদ্যোগে টেরার ফান্ডিং-এর জন্য ব্যবহার হওয়া মাদকের নেটওয়ার্ক ভাঙ্গার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যেই সাফিক আহমেদ শেখ এবং তারিখ আহমদ মালিক নামে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে ৫০০ গ্রাম হিরোইন বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ছত্তিশগড়ের জঙ্গলে যৌথবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াই, নিহত ৮ মাওবাদী, শহিদ ১ জওয়ান

    প্রসঙ্গত জাল টাকা ও মাদকের মাধ্যমে একদা কাশ্মীরে জঙ্গি নেটওয়ার্ক বিস্তার করেছিল। জাল টাকার কারবার ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়েছে। মাদকের কারবারও দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। পুনরায় মাদকের কারবার ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে পাকিস্তান। “সন্ত্রাস ও মাদক একে অপরের সাথে জড়িত এবং একে অপরের পরিপূরক। সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো তাদের অপরাধমূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য অর্থের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে মাদক পাচারকে ব্যবহার করে। মাদক-সন্ত্রাস জম্মু-কাশ্মীরের শান্তির জন্য এবং স্থায়ী স্থিতিশীলতার জন্য একটি বিশাল হুমকি,” বলেন সৌভিক সাক্সেনা।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: রাজভবনের সুরক্ষায় আর প্রয়োজন নেই কলকাতা পুলিশের! অবিলম্বে খালি করার নির্দেশ বোসের

    CV Ananda Bose: রাজভবনের সুরক্ষায় আর প্রয়োজন নেই কলকাতা পুলিশের! অবিলম্বে খালি করার নির্দেশ বোসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লালবাজারের নিরাপত্তায় সুরক্ষিত নন রাজ্যপাল। অবিলম্বে রাজভবন খালি করুন। সোমবার সকালে রাজভবনে মোতায়েন কলকাতা পুলিশের কর্মীদের এমনটাই নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। ইতিমধ্যেই রাজভবন চত্বরে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের সরানোর নির্দেশ দিয়ে নবান্নে চিঠি দিয়েছেন রাজ্যপাল। এ প্রসঙ্গে রাজভবনের (Raj Bhavan) ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক জানিয়েছেন, রাজ্যপাল রাজভবনের ভিতরে মোতায়েন পুলিশ কর্মীদের অবিলম্বে প্রাঙ্গন খালি করার নির্দেশ দিয়েছেন।  

    কী জানিয়েছেন রাজ্যপাল? (CV Ananda Bose)

    চিঠিতে রাজ্যপাল জানিয়েছেন যে, রাজভবনের (Raj Bhavan) নিরাপত্তায় থাকা পুলিশ কর্মীরা তাঁর নির্দেশনা মানছে না। ফলে রাজভবন চত্বরে থাকা কলকাতা পুলিশের নিরাপত্তায় তিনি একেবারেই সুরক্ষিত বোধ করছেন না। তাই অবিলম্বে রাজভবনের (Raj Bhavan) নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশকর্মীদের সরিয়ে ফেলা হোক। যদিও রাজ্যপালের এই চিঠির প্রেক্ষিতে নবান্নের তরফে এখনও কোনও বক্তব্য মেলেনি।

    আরও পড়ুন: শিলিগুড়িতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা, কাঞ্চনজঙ্ঘায় ধাক্কা মালগাড়ির, মৃত ৮, জখম ৬০

    আগে কী ঘটেছিল?  

    গত বৃহস্পতিবার রাজ্যে ভোট-পরবর্তী হিংসায় ‘আক্রান্তদের’ নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে আসেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কিন্তু সে সময় তাঁকে রাজভবনের ভিতরে ঢুকতে দেয়নি কর্তব্যরত কলকাতা পুলিশ। রাজভবনের বাইরে ১৪৪ ধারা জারি থাকার কারণ দেখিয়ে শুভেন্দু সহ শো দুয়েক লোককে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ফলে রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) অনুমতি থাকা সত্ত্বেও রাজভবনে প্রবেশ করতে না পেরে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন বিরোধী দলনেতা। শুনানিতে বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, রাজ্যপাল কি গৃহবন্দী নাকি। তাঁর অনুমতি সত্ত্বেও কেন দেখা করার অনুমতি দেওয়া হল না। আর বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই এবার রাজভবন (Raj Bhavan) চত্বর থেকে লালবাজারের নিরাপত্তা সরিয়ে নেওয়ার জন্যে নবান্নকে চিঠি পাঠালেন রাজ্যপাল।

    যদিও রবিবার বিরোধী দলনেতা একশোর বেশি ঘরছাড়াকে নিয়ে রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) সঙ্গে দেখা করেন। সেই সময় রাজ্যপাল শুভেন্দু অধিকারীকে বলেন, পশ্চিমবঙ্গকে তিনি হিংসা মুক্ত করবেন। তিনি এর শেষ দেখে ছাড়বেন বলেও জানিয়েছিলেন। কিন্তু এসবের মাঝেই এবার বিচারপতির ওই মন্তব্যের পর সোমবার সকালে রাজ্যপাল এই নির্দেশ দেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kanchenjunga Express Accident: কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতির

    Kanchenjunga Express Accident: কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস (Kanchenjunga Express Accident) দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) দফতর । যাঁদের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের পরিবারকে দু’লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পিএমও।

    কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতের সংখ্যা ৬০ জন। তবে রেল সূত্রে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা আট। দুর্ঘটনাগ্রস্ত মালগাড়ির চালকও মৃত বলে জানা গিয়েছে। এই প্রেক্ষিতে, এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডলে মোদি লেখেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে রেল দুর্ঘটনা দুঃখজনক। যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন তাঁদের প্রতি সমবেদনা। আমি প্রার্থনা করি আহতরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন। কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতির বিষয়ে খোঁজ নিয়েছি। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার জন্য উদ্ধারকার্য চলছে। রেলমন্ত্রী শ্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবজিও দুর্ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন।’’

    শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (Kanchenjunga Express accident)

    এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন দেশের রাষ্ট্রপতিও। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Draupadi Murmu) সোমবার পশ্চিমবঙ্গের মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনার জন্য গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন, নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। “পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং-এ ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রাণহানির খবর গভীরভাবে বেদনাদায়ক। আমার চিন্তা ও প্রার্থনা শোকসন্তপ্ত পরিবারের সাথে রয়েছে। আমি আহতদের দ্রুত আরোগ্য এবং ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযানের সাফল্যের জন্য প্রার্থনা করছি”, মুর্মু তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন।

    আর্থিক সাহায্য ঘোষণা রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবেরও

    কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস (Kanchenjunga Express Accident) দুর্ঘটনায় গভীর দুঃখপ্রকাশ করেছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান, “এনএফআর জোনে দুর্ভাগ্যজনক দুর্ঘটনা। উদ্ধার তৎপরতা চলছে যুদ্ধকালীন পর্যায়ে। রেল, এনডিআরএফ এবং এসডিআরএফ নিবিড় সমন্বয়ে কাজ করছে। আহতদের হাসপাতালে স্থানান্তর করা হচ্ছে। ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন।” দুর্ঘটনায় ইতিমধ্যেই আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করা হয়েছে রেলমন্ত্রীর পক্ষ থেকে। এক্স হ্যান্ডেলে জানান হয়েছে, মৃতদের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা, গুরুতর আহতদের ২.৫ লাখ টাকা ও কম আহতদের ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। 

    প্রভাব পড়েছে উত্তরবঙ্গে রেল পরিষেবায়

    এদিকে, কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে (Kanchenjunga Express Accident) মালগাড়ির ধাক্কায় প্রভাব পড়েছে উত্তরবঙ্গে রেল পরিষেবায়। মালদা টাউন স্টেশনে আটকে পড়েছে কলকাতা থেকে নিউ জলপাইগুড়িগামী বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। রেলের তরফে মালদায় হেল্প লাইন নম্বর চালু হয়েছে। পাশাপাশি শিয়ালদহ ডিভিশনে চালু করা হয়েছে হেল্পলাইন নম্বর। নম্বর দুটি হল- ০৩৩-২৩৫০৮৭৯৪ এবং ০৩৩-২৩৮৩৩৩২৬। 

    আরও পড়ুন: সিগন্যালেই সমস্যা! কীভাবে একই লাইনে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস আর মালগাড়ি?

     জানা গিয়েছে মালগাড়ির ধাক্কায় লাইনচ্যুত হয়ে যায় কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের (Kanchenjunga Express Accident) দু’টি কামরা। বেসরকারি মতে এই ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ১৫ জন যাত্রীর, এছাড়াও কমপক্ষে ৫০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। সোমবার সকালে দার্জিলিং জেলার রুইধাসায় নীচবাড়ি এবং রাঙাপানি স্টেশনের মাঝে মালগাড়ির ধাক্কায় বেলাইন হয়ে যায় শিয়ালদহগামী ১৩১৭৪ কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস। মালগাড়ির ধাক্কায় ট্রেনের পিছন দিকের দু’টি কামরা লাইনচ্যুত হয়।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share