Tag: Madhyom

Madhyom

  • Post Poll Violence: “মিছিল থেকেই বাড়িতে চড়াও হয়ে ভাঙচুর করল তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    Post Poll Violence: “মিছিল থেকেই বাড়িতে চড়াও হয়ে ভাঙচুর করল তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই একের পর এক হিংসার (Post Poll Violence) ছবি উঠে এসেছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বহু বিজেপি কর্মী ঘরছাড়া রয়েছেন। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সোমবারই জেলায় এসে আক্রান্তদের সঙ্গে দেখা করে যান। তারপরই ফের আরও এক বিজেপি কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ এলাকায়। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Post Poll Violence)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কাকদ্বীপের শ্রীনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের  মধুসূদনপুর গ্রামে তৃণমূলের পক্ষ থেকে মিছিল বের করা হয়। সেই মিছিল থেকে বিজেপি কর্মী রাজারাম প্রধানের বাড়িতে হামলা (Post Poll Violence) চালানো হয় বলে অভিযোগ। বিজেপি কর্মী রাজারাম প্রধান বলেন, “আমি বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। সেই সময় তৃণমূলের মিছিল আমার বাড়ির সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। মিছিল থেকে কয়েকজন আমার দিকে তেড়ে যাই। আমি ছুটে বাড়ির মধ্যে ঢুকে দরজা লাগিয়ে দিই। এরপরই বাঁশ, লাঠি দিয়ে আমার বাড়ি ভাঙচুর করে ওরা। এমনকী বাড়ির সামনে থাকা সিসি ক্যামেরা ওরা ভেঙে দিয়েছে। আমরা খুবই আতঙ্কিত। মূলত স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মনোরমা মিদ্দা পন্ডিত ও তাঁর স্বামী পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে।” তবে, বিজেপি কর্মীর বাড়ির আশপাশে থাকা সিসিটিভি ফুটেছে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে, একদল দুষ্কৃতী ওই বিজেপি কর্মীর বাড়িতে হামলা চালাচ্ছে। ওই বিজেপি কর্মী পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও তুলেছেন। এই বিষয়ে ওই বিজেপি কর্মী স্থানীয় থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    অভিযুক্ত তৃণমূলের প্রধান কী সাফাই দিলেন?

    অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মনোরমা মিদ্দা পন্ডিত। তিনি বলেন, “এটা ওদের পারিবারিক বিষয়। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল কোনওভাবেই জড়িত নই। দুই ভাইয়ের গন্ডগোল। এরসঙ্গে তৃণমূলের নাম জড়িতে রাজনৈতিক ফয়দা তোলার চেষ্টা করছে। তৃণমূল এই ধরনের নোংরা রাজনীতি করে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi 3.0: মোদির নতুন মন্ত্রিসভায় সর্বকনিষ্ঠ ও বয়োজ্যেষ্ঠ মন্ত্রী কারা? জানুন

    PM Modi 3.0: মোদির নতুন মন্ত্রিসভায় সর্বকনিষ্ঠ ও বয়োজ্যেষ্ঠ মন্ত্রী কারা? জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা তৃতীয় মেয়াদে (PM Modi 3.0) ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর নতুন লোকসভা গঠন করেন নরেন্দ্র মোদি। এবারে তাঁর জোট সরকারে মোট মন্ত্রী সংখ্যা ৭২ জন। এদের একজন প্রধানমন্ত্রী মোদি নিজে আর বাকি ৭১ জনের মধ্যে ৩০ জন ক্যাবিনেট মন্ত্রী, পাঁচজন স্বতন্ত্র দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং ৩৬ জন প্রতিমন্ত্রী। তবে মোদির নতুন মন্ত্রিসভায় (Modi Cabinet) সর্বকনিষ্ঠ ও বয়োজ্যেষ্ঠ মন্ত্রী কারা হলেন জানেন!

    মোদি মন্ত্রিসভার সর্বকনিষ্ঠ ও বয়োজ্যেষ্ঠ মন্ত্রী কারা?    

    জানা গিয়েছে, অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকাকালুমের তেলেগু দেশম পার্টির (TDP) সাংসদ, কিঞ্জরাপু রাম মোহন নাইডু, মোদির মন্ত্রিসভার সর্বকনিষ্ঠ মন্ত্রী৷ তাঁর বয়স বর্তমানে ৩৬ বছর। অন্যদিকে হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চার (ধর্মনিরপেক্ষ) প্রতিষ্ঠাতা জিতন রাম মাঞ্জি সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ মন্ত্রী। তার বয়স ৭৯ বছর। তবে সর্বকনিষ্ঠ মন্ত্রীর তালিকায় রাম মোহন নাইডুর পরেই নাম রয়েছে ৩৭ বছর বয়সী রক্ষা খডসের। এবারের লোকসভা নির্বাচনে, তিনি (Raksha khadse) রাভারে জয়ী হয়েছিলেন। ২,৭২,১৮৩ ভোটের ব্যবধানে নিকটতম এনসিপি-শারদ পাওয়ার প্রার্থীর বিরুদ্ধে তিনি জয়লাভ করেন। 

    কে এই রাম মোহন নাইডু?  

    রাজনীতির পরিবার থেকে আসা রাম মোহন নাইডু প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ইয়েরান নাইডুর ছেলে। এবছর লোকসভা ভোটে টিডিপির টিকিটে জেতা রাম মোহন নাইডু জায়গা পেলেন মোদির তৃতীয় দফার (PM Modi 3.0) ক্যাবিনেটে। এর আগে, রাম মোহন লং আইল্যান্ড ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাওয়ার পর সিঙ্গাপুরে কর্মরত ছিলেন। তবে ২০১২ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবার মৃত্যুর পর চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে যোগ দেন তিনি। প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী দেবগৌড়ার মন্ত্রিসভায়, দেশের সর্বকনিষ্ঠ ক্যাবিনেট মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছিলেন কিঞ্জারাপু ইয়েরান নাইডু। তারপর ২৮ বছর তাঁর সেই রেকর্ড অক্ষত ছিল। তবে এবার ২০২৪ সালের ৯ জুন, সেই রেকর্ড ভেঙে দিলেন তাঁর ছেলে রামমোহন নাইডু।

    আরও পড়ুন: পেয়েছেন নাসার ‘হল অফ ফেম’ স্বীকৃতি, এথিক্যাল হ্যাকিংকেই পেশা করেছেন কাশ্মীরের মুনীব

    জিতন রাম মাঞ্জির পরিচয় 

    জিতন রাম মাঞ্জি বিহারের রাজনৈতিক ক্ষেত্রে একজন উল্লেখ্যযোগ্য ব্যাক্তিত্ব। ১৯৮০ সালে কংগ্রেস প্রার্থী হিসাবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন তিনি। এরপর কয়েক বছর ধরে নীতীশ কুমারের জনতা দল (ইউনাইটেড) এবং লালু প্রসাদ যাদবের রাষ্ট্রীয় জনতা দল সহ অনেক দলের অংশ হয়েছেন। তিনি নীতীশ কুমারের মন্ত্রিসভায় তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতি কল্যাণ মন্ত্রী হিসাবেও কাজ করেছিলেন। এরপর ২০১৪-২০১৫ সাল পর্যন্ত তিনি বিহারের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। প্রসঙ্গত, এবারের লোকসভা নির্বাচনে তিনি গয়া আসনে জয়ী হন।  
    উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে প্রথম প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে তৃতীয় মেয়াদে (PM Modi 3.0) এসে প্রথমবারের মতো জোট সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মোদি। তাঁর মন্ত্রিসভায় (Modi Cabinet) এবার নতুন মুখ ৯টি। অন্যদিকে মন্ত্রিসভায় নারী মন্ত্রী রয়েছেন সাতজন। এদের মধ্যে দুইজন ক্যাবিনেট মন্ত্রী, তারা হলেন নির্মলা সীতারমণ ও ঝাড়খণ্ডের কোডারমা থেকে নির্বাচিত বিজেপি সাংসদ অন্নপূর্ণ দেবী। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcium: শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি নানা রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে! মোকাবিলা করবেন কীভাবে? 

    Calcium: শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি নানা রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে! মোকাবিলা করবেন কীভাবে? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বয়স বাড়ার সঙ্গে কমে ক্যালসিয়াম। এমন ধারণা এখন বদলে যাচ্ছে। তিরিশের চৌকাঠ পেরিয়েই অনেকের কমছে ক্যালসিয়াম (Calcium)। তবে চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুদের মধ্যেও বাড়ছে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি। আর এর জেরে বাড়ছে নানান রোগের ঝুঁকি। তাই সতর্কতা জরুরি। কারণ, চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, ক্যালসিয়ামের অভাব শরীরে একাধিক রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। কম বয়স থেকে ক্যালসিয়ামের অভাব দেখা দিলে দীর্ঘমেয়াদি একাধিক শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। যার জেরে স্বাভাবিক জীবন যাপন ব্যাহত হয়।

    কী কী রোগের প্রকোপ বাড়ায়? (Calcium)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ক্যালসিয়ামের অভাবে শিশুদের হাড় ও স্নায়ুর একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে‌। পেশির জোর কমে। এর ফলে শিশুদের মধ্যে দুর্বলতা দেখা যায়। হাত ও পায়ে মাঝে মধ্যে খিঁচুনি হতে পারে। এমনকী অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। যা পরবর্তীতে নানান জটিল রোগের কারণ হয়। ক্যালসিয়ামের অভাবে শিশুদের অস্টিওপেনিয়া, রিকেটের মতো রোগ হতে পারে। এর ফলে শিশুর হাত ও পায়ের গঠন ঠিকমতো হয় না। দীর্ঘমেয়াদি স্বাভাবিক জীবন যাপন ব্যাহত হয়। 
    তরুণ বয়সে ক্যালসিয়ামের অভাব দেখা দিলে হাড়ের একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কম বয়সি বিশেষত মহিলাদের মধ্যে বাড়ছে অস্ট্রিয়পোরেসিসের সমস্যা। এটা এক ধরনের হাড়ের ক্ষয় রোগ। ক্যালসিয়ামের (Calcium) অভাবের জেরেই এই রোগ হয়। 
    এছাড়াও, দাঁতের সমস্যার কারণ ক্যালসিয়ামের অভাব। অনেকেই দাঁতে ব্যথা অনুভব করেন। মাড়িতে নানান সংক্রমণ ঘটে। এগুলোর কারণ, শরীরে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম না থাকা। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, পড়ে গেলে অনেকের হাড় ভেঙে যায়। সামান্য দুর্ঘটনাতেও তাই ভোগান্তি বাড়ে। ক্যালসিয়ামের অভাব থাকলে হাড় দুর্বল হয়। এর জেরেই সামান্য আঘাতেও হাড় ভাঙার মতো বিপত্তি ঘটতে পারে। ছোটদের পাশপাশি বড়দেরও শরীরে দুর্বলতা বা ক্লান্তি বাড়ায় ক্যালসিয়ামের অভাব।

    কীভাবে সহজে মিটবে ক্যালসিয়ামের অভাব? (Calcium)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সহজেই ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ করা সম্ভব। তাছাড়া শিশুরা খাবার থেকেই প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম পেতে পারে। তাই ছোট থেকেই খাবারে নজরদারি করলে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দেবে না।‌ 
    নিয়মিত দুধ, পনির বা দই  খাওয়া জরুরি। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, যে কোনও দুগ্ধজাত খাবার শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ করে‌। মহিলারা নিয়মিত টক দই খেতে পারেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, মহিলাদের ক্যালসিয়ামের অভাব বেশি দেখা যায়‌। তাই দুধের পাশাপাশি দই খেলে হাড় মজবুত হবে। 
    রোজ যে কোনও এক ধরনের বাদাম খাওয়া জরুরি। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, কাঠবাদাম হোক কিংবা কাজুবাদাম, নিয়মিত যে কোনও ধরনের বাদাম খাদ্যতালিকায় রাখা দরকার। কারণ, বাদাম ক্যালসিয়ামের অন্যতম উৎস। নিয়মিত বাদাম খেলে কমবে ক্যালসিয়ামের (Calcium) ঘাটতি। 
    ডিম এবং লেবু ক্যালসিয়ামের জোগান দেয়। তাই শিশুর আট মাস বয়স থেকেই নিয়মিত ডিম খাওয়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। পাশপাশি যে কোনও এক ধরনের লেবু নিয়মিত খেলে ক্যালসিয়ামের চাহিদা সহজেই পূরণ হবে। 
    পালং শাকের মতো সবুজ সবজিও শরীরে ক্যালসিয়ামের জোগান দেয় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রাণীজ প্রোটিন, দুধের পাশপাশি এই ধরনের সবুজ সবজি নিয়মিত খাওয়া জরুরি। তবেই শরীরে ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jamai Sasthi: রাত পোহালেই জামাই ষষ্ঠী! কীভাবে চালু হল এই প্রথা? জানুন বিশেষ দিনটির তাৎপর্য

    Jamai Sasthi: রাত পোহালেই জামাই ষষ্ঠী! কীভাবে চালু হল এই প্রথা? জানুন বিশেষ দিনটির তাৎপর্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঙালি হিন্দুর ষষ্ঠীর তালিকা নেহাত ছোট নয়। অশোক ষষ্ঠী, নীল ষষ্ঠী এসব তো রয়েছেই। তবে, ষষ্ঠীর মধ্যে জামাই ষষ্ঠী (Jamai Sasthi) বেশ জনপ্রিয়। খাওয়া-দাওয়ার রাজকীয় আয়োজন। জামাই আপ্যায়নে ত্রুটি থাকে না কোনও শ্বশুরবাড়িতেই। সকাল থেকেই লুচি সমেত নানা ব্যঞ্জনে ভরে যায় জামাইয়ের পাত। দুপুরেও এ চিত্র বদলায় না। জামাই ষষ্ঠীকে ঘিরে ভিড় দেখা যায়, ফলের স্টলে, বাজারে, পোশাকের দোকানে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জামাই ষষ্ঠীর প্রথা অনেক প্রাচীন। সেই বৈদিক আমল থেকেই।

    জামাই ষষ্ঠীর বিশেষ প্রথা…

    কন্যার সুখের জন্য জামাইয়ের মঙ্গল কামনায় জ্যৈষ্ঠ মাসের ষষ্ঠী তিথিতে ব্রত পালন করেন মা। এটাই প্রসিদ্ধ জামাই ষষ্ঠী (Jamai Sasthi) নামে।  জামাইষষ্ঠীর দিন জামাইয়ের কবজিতে হলুদ মাখানো সুতো বেঁধে দেন শাশুড়ি মা। ষষ্ঠীর ডোর বাঁধার সময় মুখে শ্বাশুড়ি ষাট-ষাট-ষাট বলেন। এরপর মঙ্গল কামনায় তেল-হলুদের ফোঁটা কপালে দিয়ে তালপাতার পাখা দিয়ে বাতাস করেন। সাবেকি ঘরানায় নতুন বস্ত্র, উপহার, ফল-ফলাদি, পান-সুপারি, ধান-দূর্বা, বাঁশের করুল, তালের পাখা, করমচা দিয়ে শাশুড়ি মায়েরা উদযাপন করেন জামাইষষ্ঠী। জামাইয়ের মাথায় ধান-দূর্বা দিয়ে আশীর্বাদ করেন মেয়ের মা। জামাইকে আশীর্বাদ করে জামাকাপড় উপহার দেন। সেই সঙ্গে থালায় সাজিয়ে দেওয়া হয় পাঁচ রকমের গোটা ফল। পরে, দুপুরে জামাইয়ের জন্য নানা পদ সাজিয়ে দেওয়া হয়। যা নিজের হাতে রান্না করেন শাশুড়ি মা। 

    এর সঙ্গে জড়িত সংস্কার…

    বাংলার লোকায়ত দেবী মা ষষ্ঠী হলেন উর্বরতার দেবী। তাঁর আশীর্বাদে দম্পতির কোল আলো করে সন্তান আসে। সন্তান লাভ ও তাদের মঙ্গল কামনায় মা ষষ্ঠীর পুজো করে থাকেন বাংলার মায়েরা। ভারতবর্ষ তথা দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে একসময় সংস্কার ছিল একটি মেয়ে যতদিন না পুত্রবতী হয়, ততদিন তার বাবা- মা কন্যা গৃহে পা রাখবেন না৷ এই ব্যবস্থায় সমস্যা দেখা দেয়, সন্তানধারণে সমস্যা বা সন্তান মৃত্যুর (শিশুমৃত্যু) ফলে বাবা- মাকে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হত মেয়ের বাড়ি যাওয়ার জন্য৷ সেক্ষেত্রে বিবাহিত মেয়ের মুখ দর্শনের জন্য সমাজের বিধানদাতা জৈষ্ঠ্য মাসের শুক্লা ষষ্ঠীকে বেছে নেয় জামাই ষষ্ঠী (Jamai Sasthi) হিসাবে৷ যেখানে মেয়ে জামাইকে নিমন্ত্রণ করে সমাদর করা হবে ও মেয়ের মুখ দর্শন করা যাবে এবং সেই সঙ্গে মা ষষ্ঠীর পুজো করে তাঁকে খুশি করা। যাতে, মেয়ে শীঘ্র পুত্রমুখ দর্শন করাতে পারে।

    এবছর জামাই ষষ্ঠীর (Jamai Sasthi) তিথি ও ক্ষণ

    প্রতি বছর জ্যৈষ্ঠ মাসে শুক্ল পক্ষের ষষ্ঠী তিথিকে জামাই ষষ্ঠী হিসেবে পালন করা হয়। এই বছর জামাই ষষ্ঠী পড়েছে ১২ জুন অর্থাৎ ২৯ জ্যৈষ্ঠ, বুধবার। আজ মঙ্গলবার, ১১ জুন সন্ধ্যা ৫/৫৮/৫৭ মিনিট থেকে ১২ জুন রাত ৭/২৪/৫২ মিনিট পর্যন্ত থাকবে ষষ্ঠী তিথি।

    প্রচলিত লৌকিক কাহিনী…

    কথিত আছে, কোনও এক সময়ে কোনও এক পরিবারে, একটি বাড়ির বউ খেতে ভীষণ ভালোবাসত। বাড়িতে মাছ বা অন্য কিছু ভাল রান্না হলেই নিজে সব খেয়ে ফেলে দোষ চাপাত একটি কালো বিড়ালের ওপর। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে, বিড়াল হল মা ষষ্ঠীর বাহন। নিজের সম্পর্কে এই মিথ্যে অভিযোগ শুনে বিড়াল মা ষষ্ঠীর কাছে গিয়ে সব জানায়। নিজের বাহন সম্পর্কে এই মিথ্যে কথা শুনে মা ষষ্ঠী অত্যন্ত রেগে যান এবং অভিশাপ দেন (Jamai Sasthi)। এরপর মা ষষ্ঠীর অভিশাপে ওই বউ এর একটি করে সন্তান হয়, আর জন্মের কিছু পরেই তার মৃত্যু হয়। সাত পুত্র ও এক কন্যা এই ভাবে জন্মের পরেই মারা যায়। স্বামী, শাশুড়ি ও শ্বশুরবাড়ির সবাই মিলে তখন বউকে অলক্ষণা বলে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। বউ এরপর মনের দুঃখে বনে চলে যায়।

    …দেখা দেন মা ষষ্ঠী

    একদিন জঙ্গলে বসে একা একা কাঁদছে, এমন সময় বৃদ্ধার ছদ্মবেশ ধারণ করে তাকে দেখা দেন মা ষষ্ঠী। কান্নার কারণ জিজ্ঞাসা করলে বউ তখন সব সত্যিটা বলে ওই বৃদ্ধাকে। নিজের আগের অন্যায় আচরণের কথা স্বীকার করে মা ষষ্ঠীর কাছে ক্ষমা চায় সে। মা ষষ্ঠী তাঁকে ক্ষমা করে দেন এবং বলেন যে ঘরে ফিরে গিয়ে ভক্তিভরে তাঁর পুজো করলে নিজের মৃত সাত পুত্র ও এক কন্যার জীবন ফিরে পাবে। এরপর সংসারে ফিরে এসে মা ষষ্ঠীর পুজো করে নিজের সব পুত্র কন্যাদের ফিরে পায় বউ। এরপরেই ষষ্ঠী পুজোর মাহাত্ম্য দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়ে। এই অবস্থায় মেয়ে দীর্ঘদিন বাপের বাড়ি যায়নি। তাকে দেখার জন্য ব্যাকুল মা-বাবা একবার ষষ্ঠীপুজোর দিন জামাইকে সাদরে নিমন্ত্রণ জানান। জামাই ষষ্ঠী (Jamai Sasthi) পুজোর দিনে সস্ত্রীক উপস্থিত হন। সেই থেকে শুরু হয় জামাই ষষ্ঠী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohan Bhagwat: “রটনায় নাম জড়ানো হচ্ছে আরএসএসের, এটা ঠিক নয়”, বললেন মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “রটনায় নাম জড়ানো হচ্ছে আরএসএসের, এটা ঠিক নয়”, বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রযুক্তির সাহায্যে মিথ্যে রটিয়ে নির্বাচনের সঙ্গে যে আরএসএসের নাম জড়িয়ে ফেলা হচ্ছে, তা ঠিক নয়।” সোমবার নাগপুরে কথাগুলি বললেন আরএসএস কর্তা মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। ১০ জুন, সোমবার এখানেই বসেছিল কার্যকর্তা বিকাশ বর্গের বিদায়ী অধিবেশন। প্রধান অতিথি ছিলেন গোদাবরী ধামের রামগিরি মহারাজ, আরএসএসের সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ইনচার্জ সর্দার ইকবাল সিং।

    কী বললেন রামগিরি মহারাজ? (Mohan Bhagwat)

    রামগিরি মহারাজ বলেন, “সঙ্ঘে আপনারা সংস্কার শেখেন, অনুকূল হোক কিংবা প্রতিকূল যে কোনও পরিস্থিতিতে কীভাবে মূল্যবোধ বজায় রাখা যায়, সেই শিক্ষাও দেওয়া হয়।” তিনি বলেন, “যখন আপনি আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত হন, তখন আপনি ডেডিকেশন শেখেন, সামাজিক ঐক্য কীভাবে বজায় রাখতে হয়, তা-ও শেখেন।” আরএসএসের সরসঙ্ঘচালক ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “আজ পঞ্চম গুরু অর্জুন দেবজি মহারাজের বলিদান দিবস। তিনি দেশের জন্য আত্মোৎসর্গ করেছিলেন।” তিনি বলেন, “গ্বালিয়র দুর্গে গুরু অর্জুন দেবকে অনেক নৃশংসতার শিকার হতে হয়েছিল। তা সত্ত্বেও স্রেফ ধর্মের কারণে তিনি হাসতে হাসতে জীবন বলিদান দিয়েছিলেন।”

    ভাগবত উবাচ…

    আগের দিন মহারাণা প্রতাপের জন্মজয়ন্তী ছিল। এই দিনটিতেই আত্ম-বলিদান করেছিলেন বিরসা মুন্ডাও। এই দুই প্রসঙ্গের অবতারণা করে ভাগবত বলেন, “এই প্রশিক্ষণ শিবিরে আমরা জেনেছি কীভাবে একদল মানুষ দেশের স্বার্থে নিজেদের জীবন বলিদান দিয়েছিলেন।” লোকসভা নির্বাচনের শেষে যেভাবে আরএসএস সম্পর্কে মিথ্যে কথা রটানো হয়েছে, এদিন সে প্রসঙ্গেরও উল্লেখ করেন সরসঙ্ঘচালক। বলেন, “নির্বাচনের ফল প্রকাশ হয়ে গিয়েছে। নয়া সরকার শপথও নিয়ে নিয়েছে। তাই আর নির্বাচনের ফল নিয়ে আলোচনার কোনও প্রয়োজন নেই।”

    আর পড়ুন: নিজেদেরই মহিলা পঞ্চায়েত প্রধানকে চুলের মুঠি ধরে পেটাল তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা

    তিনি বলেন, “মানুষ তাঁর ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। তার ফলও বেরিয়ে গিয়েছে। এর সঙ্গে সঙ্ঘের কোনও যোগ নেই।” বলেন, “প্রতিটি নির্বাচনে সঙ্ঘ জনমত পরিশুদ্ধ করে, যেমন এই নির্বাচনেও করেছিল। যদিও ফলের কোনও বিশ্লেষণ সঙ্ঘ করেনি।” ভাগবত বলেন, “সঙ্ঘ সব সময় মর্যাদা রক্ষা করে চলে। কখনও তার সীমা ছাড়িয়ে যায় না (Mohan Bhagwat)।”

     

    শের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • T20 World Cup 2024: কম রানের পুঁজি নিয়ে জয়ের রেকর্ড, বাংলাদেশকে ৪ রানে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা

    T20 World Cup 2024: কম রানের পুঁজি নিয়ে জয়ের রেকর্ড, বাংলাদেশকে ৪ রানে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-পাকিস্তানের পর, বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা। শেষ ওভারে নাটকীয় পরিস্থিতিতে ৪ রানে বাংলাদেশকে হারাল প্রোটিয়াসরা। সোমবার এই ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করে মাত্র ১১৩ রান তোলে দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ১০৯ রান তোলে বাংলাদেশ। এত কম রানের পুঁজি নিয়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে (T20 World Cup 2024) যে জয় সম্ভব তা বারাবার দেখাচ্ছে চলতি বিশ্বকাপ। আগের দিনই ১২০ রান করে পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় পায় ভারত।

    লো-স্কোরিং ম্যাচ

    চলতি টি-২০ বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2024) শুরু থেকেই চর্চায় নিউ ইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামের বাইশগজ। পিচ যে বিশ্বকাপের মানের নয়, সেটা প্রকারান্তরে মেনে নিয়েছে আইসিসিও। হতে পারে বোলিং সহায়ক বাইশগজে বিস্তর রান উঠছে না, যেমনটা দেখতে অভ্যস্ত ক্রিকেটপ্রেমীরা। তবে লো-স্কোরিং ম্যাচ কত উত্তেজক রূপ নিতে পারে, সেটা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে পরপর ২ দিনেই। রবিবার মাত্র ১১৯ রান করেও শেষ ওভারের থ্রিলারে পাকিস্তানকে হারায় ভারত। সোমবার আরও কম রান তুলে ম্যাচ জেতে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রোটিয়ারা মাত্র ১১৩ রান তুলেও শেষ ওভারে রুদ্ধশ্বাস জয় ছিনিয়ে নেয় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে।

    দুরন্ত বোলিং-ফিল্ডিং

    এদিন দক্ষিণ আফ্রিকা টসে জিতে ব্যাটিং নিয়ে বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। বাংলাদেশের হয়ে ভাল বল করলেন তানজিম হাসান। চাপের মুখে মাথা ঠান্ডা রেখে ব্যাট করেন ক্লাসেন ও মিলার। ৪৪ বলে ৪৬ রান করেন ক্লাসেন, মিলার করেন ২৯ রান। ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১১৩ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ব্যাটারাও বেকায়দায় পড়েন। শেষ পর্যন্ত হাল ধরেন তৌহিদ হৃদয় এবং মাহমুদুল্লাহ। দু’জনে মিলে পঞ্চম উইকেটে ৪৪ রানে জুটি গড়েন। ১৮তম ওভারের প্রথম বলে তৌহিদ ফেরার পর চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। তখনও উইকেটে ছিলেন মাহমুদুল্লাহ। শেষ ওভারে মাত্র ১১ রান দরকার ছিল জেতার জন্য। কিন্তু মাহমুদুল্লাহ সে ভাবে ব্যাট করার সুযোগই পেলেন না। শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলে এক রান নেন। তার পর পঞ্চম বলে আউট।  কেশব মহারাজের ফুলটস বল সপাটে মেরেছিলেন তিনি। কিন্তু ব্যাটে-বলে সংযোগ ঠিক মতো হয়নি। লং অন বাউন্ডারির একদম ধার থেকে দু’হাত বাড়িয়ে ছোঁ মেরে সেই বল ধরে নেন এডেন মার্করাম। সেখানেই শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের (Bangladesh) জয়ের স্বপ্ন। 

    আম্পায়ারিং নিয়ে অসন্তুষ্ট

    একসময়ে ২৪ বলে ২৭ রান দরকার ছিল বাংলাদেশের। হাতে তখনও ছয় উইকেট। ক্রিজে জমে গিয়েছিলেন তৌহিদ হৃদয় ও মাহমুদুল্লাহ। ১৭ তম ওভারে বার্টমানের বল আছড়ে পড়ে মাহমুদুল্লাহের প্যাডে। আউট দিয়ে দেন আম্পায়ার। যদিও সেই বল পায়ে লেগে বাউন্ডারি লাইন পার হয়ে যায়। ডিআরএস (DRS) নিলে দেখা যায় আউট ছিলেন না বাংলাদেশি ব্যাটার। আম্পায়ারও সিদ্ধান্ত ফিরিয়ে নেন। কিন্তু তার আগে আউট দেওয়ায় নিয়মমতো বল ‘ডেড’ হয়ে যায়। ফলে অতিরিক্ত চার রান জোড়েনি বাংলাদেশের খাতায়। আর শেষ পর্যন্ত ৪ রানেই হারেন হৃদয়রা। ওই চার রান দিলে ম্যাচের ফল অন্যরকম হতে পারত। এই ঘটনায় বিরক্তি প্রকাশ করেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার ওয়াসিম জাফর।


    এই ঘটনার সময় বাংলাদেশের (Bangladesh) অধিনায়ক শান্তকেও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠতে দেখা যায়। পরে অবশ্য তিনি বলেন, “আমাদের এই ম্যাচ জেতা উচিত ছিল। শেষ কয়েক ওভার ওরা খুব ভালো বল করেছে। কিন্তু ক্রিকেটে এটা হতেই পারে।” তবে আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন হৃদয়। তাঁর মতে, “নিয়ম আমাদের হাতে নেই। কিন্তু ওই সময়ে চার রান আমাদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমার মতে, আম্পায়ারের আউট সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া মুশকিল। ওই চার রান ম্যাচের ছবি বদলে দিতে পারত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC Conflict: নিজেদেরই মহিলা পঞ্চায়েত প্রধানকে চুলের মুঠি ধরে পেটাল তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা

    TMC Conflict: নিজেদেরই মহিলা পঞ্চায়েত প্রধানকে চুলের মুঠি ধরে পেটাল তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাসক দলের মহিলা পঞ্চায়েত প্রধানকে চুলের মুঠি ধরে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোণায়। তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল (TMC Conflict) একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    পঞ্চায়েত অফিসে ঢুকে প্রধানের ওপর হামলা! (TMC Conflict)

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চন্দ্রকোণার বান্দিপুর-১  নং গ্রাম  পঞ্চায়েত অফিসে বসে কাজ করছিলেন পঞ্চায়েত প্রধান পিঙ্কি দলুই। আচমকাই অফিসের ভিতর ঢুকে পড়েন বেশ কয়েকজন মহিলা। কোনও কিছু বুঝে ওঠার আগেই প্রধানের চুলের মুঠি ধরে বেধড়ক মারধর করতে থাকেন তৃণমূল কর্মীরা। এখানেই শেষ নয়, টানতে টানতে বাইরে নিয়ে গিয়ে মাটিতে ফেলে পঞ্চায়েত প্রধানকে লাথি-ঘুষি মারারও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সামনে এসেছে ইতিমধ্যেই। এই ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব (TMC Conflict) প্রকাশ্যে এসেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় চন্দ্রকোণা গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন পঞ্চায়েত প্রধান। থানায় অভিযোগ হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    ব্লক সভাপতির মদতেই হামলা

    পঞ্চায়েত প্রধান পিঙ্কি দলুই বলেন, “তৃণমূলের ব্লক সভাপতির মদতেই আমার ওপর হামলা হয়েছে। আমাকে প্রধানের পদ থেকে সরানোর চেষ্টা চলছে অনেকদিন ধরেই। এদিন দুপুরে আমি কাজ করছিলাম। আচমকাই বেশ কয়েকজন মহিলা আমার ওপর হামলা চালায়। চুলের মুঠি ধরে মাটিতে ফেলে লাথি-ঘুষি মারল তৃণমূল কর্মীরা। হাতে চোট লেগেছে। পায়ে চোট লেগে রক্ত বেরিয়েছে। আমাকে বারবার তোলাবাজি এবং চুরি করতে বলেছিল। তাতে সায় না দেওয়ায় আমার ওপর এই হামলা।”

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতি কী সাফাই দিলেন?

    অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি হীরালাল ঘোষ। তিনি বলেন, “পুরো অভিযোগটাই ভিত্তিহীন। আমিও বলতে পারি, আমার ওপর হামলা করা হয়েছে। তথ্যপ্রমাণ চাই।” এই ঘটনায় স্তম্ভিত গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্মীরা। অনেকেই এই বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ।

    সরব বিজেপি নেতৃত্ব

    বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সুদীপ কুশারি বলেন, মহিলাকে মারধরের ঘটনায় নিন্দা জানাচ্ছি । তবে, তৃণমূলের কোন্দল (TMC Conflict) নিয়ে কোনওরকম আগ্রহ নেই। বরং, এই অবস্থায় এলাকার উন্নয়ন আদৌ হবে তো!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Success Story: সুপার মডেল থেকে আইএফএস, জানুন ঐশ্বর্য শেওরানের চমকপ্রদ কাহিনি

    Success Story: সুপার মডেল থেকে আইএফএস, জানুন ঐশ্বর্য শেওরানের চমকপ্রদ কাহিনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউপিএসসি দেশের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষাগুলির মধ্যে অন্যতম। এই পরীক্ষা পাস করার জন্য পরীক্ষার্থীদের ১৪ থেকে ১৫ ঘন্টা কঠিন পরিশ্রম করতে হয়। আবার কিছু মেধাবী পরীক্ষার্থী চাকরি করার সঙ্গে সঙ্গে ইউপিএসসির চেষ্টা করে থাকে। অনেকে আছে যারা পরীক্ষার জন্য চাকরি ছেড়ে দেয়। এরই মাঝে এমন এক পরীক্ষার্থীর খবর সামনে এসেছে যে নিজের মায়ের স্বপ্ন পূরণ করার প্রথমে মডেলিং কেরিয়ার বেছে নিলেও পরে নিজের স্বপ্ন পূরণ করার জন্য মডেলিং ছেড়ে প্রথম চেষ্টাতেই (Success Story) ইউপিএসসি পরীক্ষা পাস করে। তবে মডেলিং ছেড়ে দিলেও সে এখনও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার। তাঁর ইস্টাগ্রামে ফলোয়ার সংখ্যা দু লক্ষের বেশি।

    প্রথম চেষ্টাতেই ইউপিএসসি পাস (Success Story)

    ২০১৮ সালে প্রথম চেষ্টাতেই ইউপিএসসি পাস করে আইএএস হন ঐশ্বর্য শেওরান। তিনি এর আগে ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া ফাইনালিস্ট হয়েছিলেন। দিল্লি শ্রীরাম কলেজ অফ কমার্স থেকে গ্র্যাজুয়েশন করার পর নিজের মায়ের স্বপ্ন পূরণ করার জন্য মডেলিংয়ে কেরিয়ার তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেন। ছোটবেলায় পড়াশোনায় খুব ভালো ছিলেন ঐশ্বর্য।

    আরও পড়ুন: প্রকাশিত হল ২০২৫ সালের ইউপিএসসি পরীক্ষার তারিখ, জেনে নিন সূচি

    দিল্লির চাণক্যপুরী সংস্কৃতি স্কুল থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৯৭.৫ শতাংশ নম্বর সহ স্কুলের টপার হয়েছিলেন তিনি। ২০১৪ সাল থেকেই মডেলিংয়ের দুনিয়ায় ঐশ্বর্যর প্রবেশ। সে বছর দিল্লিতে ক্লিন এন্ড ক্লিয়ার ফ্রেশ ফেস হয়েছিলেন। এরপর ২০১৬ সালের ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতায় ফাইনালিস্ট ছিলেন। ২০১৮ সালে মডেলিংয়ের কেরিয়ার ছেড়ে ইউপিএসসির জন্য চেষ্টা শুরু করেন ঐশ্বর্য। কলেজ ছাড়ার পর ক্যাট পরীক্ষাও দিয়েছিলেন সেখানে তিনি। সিলেক্ট হন। কিন্তু তা সত্বেও অ্যাডমিশন নেন নি।

    ঐশ্বর্যর ইউপিএসি র‍্যাংক ছিল ৯৩

    ঐশ্বর্য শেরন বলেন, “আমার মা বলিউডের অভিনেত্রী ঐশ্বর্যর নামেই আমার নাম রেখেছিলেন। মা চাইতেন ছোটবেলা থেকেই অভিনয় করি। ঐশ্বর্যর মত বলিউডে এবং মডেলিংয়ে নাম করি। এর জন্য মডেলিংয়ে এসেছিলাম। কাজ করেছি চুটিয়ে। কিন্তু মনে হল দেশের জন্য কিছু করা দরকার। মডেলিং ছেড়ে ইউপিএসসি এর জন্য ১০ মাস বাড়িতে থেকেই পড়াশোনা করি। কোনও কোচিং ছাড়াই শুধুমাত্র নিজের চেষ্টাতেই প্রথমবারেই ইউপিএসসি পরীক্ষা পাশ করেছি। আমার সর্বভারতীয় র‍্যাঙ্ক ছিল ৯৩। এখনও আমি (Success Story) ইন্সটা স্টার।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: সুকান্ত জোড়া মন্ত্রক পেতেই মিষ্টি বিলিয়ে বাজি ফাটিয়ে খুশিতে মাতলেন বালুরঘাটবাসী

    Sukanta Majumdar: সুকান্ত জোড়া মন্ত্রক পেতেই মিষ্টি বিলিয়ে বাজি ফাটিয়ে খুশিতে মাতলেন বালুরঘাটবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শপথ নিয়েছিলেন রবিবারই। আর সোমবার জোড়া মন্ত্রক পেলেন দুবারের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) । মন্ত্রক ঘোষণা হতেই বিজেপির নেতা-কর্মীরা পৌঁছে গেলেন সুকান্ত মজুমদারের বাড়ি। মিষ্টিমুখ করালেন সুকান্তর সহধর্মিনী ও তাঁর মাকে। পরিবারের সকলের সঙ্গে আনন্দের দিনকে আরও আনন্দময় করে তুললেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা।

    মিষ্টি বিলিয়ে বাজি ফাটিয়ে খুশিতে মাতলেন বালুরঘাটবাসী (Sukanta Majumdar)

    সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা থেকে প্রথমবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন রবিবার। তারপর থেকেই উচ্ছ্বাসে মাতেন বিজেপির কর্মী -সমর্থকরা। সোমবার দিনভর উৎকণ্ঠায় ছিলেন কর্মীরা। সুকান্ত মজুমদার কোন দফতর পাচ্ছেন তা জানার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন। সন্ধ্যায় মন্ত্রক বন্টনের খবর পৌঁছাতেই খুশিতে মাতেন সকলে। বাজিও ফাটানো হয়। মিষ্টি বিলি করেন বিজেপি কর্মীরা। প্রসঙ্গত,এই প্রথম বালুরঘাট থেকে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয়বারের জন্য সাংসদ নির্বাচিত হওয়া সুকান্তকে নিয়ে আগেই চর্চা চলছিল। অবশেষে রবিবার দুপুরে এনিয়ে বার্তা পৌঁছায় সুকান্তর পরিবার এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপি নেতৃত্বদের কাছে। খবর মুহূর্তে ছড়িয়ে পরে জেলায়। এরপরেই বাজি ও শহরবাসীকে মিষ্টি মুখ করিয়ে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন দলের নেতা -কর্মীরা।

    আরও পড়ুন: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    কী বললেন সুকান্ত?

    দিল্লি থেকে এক ভিডিও বার্তায় সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘আমার মতো একজন সাধারণ কর্মীকে যেভাবে এত বড় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন ও শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। আমার নিজের যত সামর্থ্য রয়েছে, সবটুকু দিয়ে মোদিজি লক্ষ্যকে সামনে এদিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব। পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা তো শেষ। সেটাকে কেন্দ্রের তরফে যতটা করা যায়, সেই চেষ্টা করব।’ সুকান্ত মজুমদারের স্ত্রী কোয়েল চক্রবর্তী বলেন, আমরা খুব খুশি। আশা করি তিনি ভালো করে কাজ করবেন ও জেলার উন্নয়ন করবেন। এই বিষয়ে  এক শহরবাসী বলেন, আমরা আশাবাদী এবার আমাদের জেলা ও শহরের উন্নয়ন হবে।

    পূর্ণমন্ত্রী হলে আরও বেশি খুশি হতাম

    সুকান্ত মজুমদারের মা নিবেদিতা মজুমদার বলেন, ‘খুবই আনন্দ হচ্ছে। ছেলেটা বাড়িতে থাকলে আরও ভাল লাগত। শুনলাম প্রতিমন্ত্রী হচ্ছে। ও যদি পূর্ণমন্ত্রী হত, আরও বেশি খুশি হতাম। ছোটবেলা থেকেও যে কাজটা করে, খুব মন দিয়ে কাজ করে। রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর একটা দিনও বিশ্রাম পায়নি।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ethical Hacker: পেয়েছেন নাসার ‘হল অফ ফেম’ স্বীকৃতি, এথিক্যাল হ্যাকিংকেই পেশা করেছেন কাশ্মীরের মুনীব

    Ethical Hacker: পেয়েছেন নাসার ‘হল অফ ফেম’ স্বীকৃতি, এথিক্যাল হ্যাকিংকেই পেশা করেছেন কাশ্মীরের মুনীব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সফটওয়্যার ডেভেলপার নয়, বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে সব চেয়ে বেশি চাহিদা হ্যাকারদের। কিন্তু এই হ্যাকারদের অপরাধী নয়, বরং গোয়েন্দা বলা যেতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হ্যাকিং শব্দটির সঙ্গে সাইবার অপরাধীরা ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। কিন্তু হ্যাকারদের শায়েস্তা করতেও হ্যাকিং জানতে হয়। সেই কৌশলকে বলে ‘এথিক্যাল হ্যাকিং’ (Ethical Hacker) অর্থাৎ যেখানে নৈতিকতা থাকে। আর এই এথিক্যাল হ্যাকিং-এর দুনিয়ায় নয়া পালক যোগ করল দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগাম জেলার জুঙ্গালপোরা গ্রামের বাসিন্দা মুনীব আমিন।

    কে এই মুনীব?  

    মুনীব হলেন একজন কাশ্মীরি প্রযুক্তিবিদ, যিনি সম্প্রতি এথিক্যাল হ্যাকিং-এর দুনিয়ায় তার কাজের ক্ষেত্রে যথেষ্ট উন্নতি লাভ করেছে। একজন এথিক্যাল হ্যাকার হিসেবে ’ (Ethical Hacker) কাজের ক্ষেত্রে তার উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য ২০২৩ সালের অগস্ট মাসে ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (NASA)-এর ‘হল অফ ফেম’-এ বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। মুনীবের কৃতিত্ব সাইবার নিরাপত্তা জগতে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং আজকের ডিজিটাল ল্যান্ডস্কেপে সংবেদনশীল তথ্য রক্ষায় তা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমানে তিনি ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল ওপেন ইউনিভার্সিটি (IGNOU) থেকে কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশনে স্নাতক (BCA) ডিগ্রির জন্য পড়াশোনা করছেন। 
    আসলে বর্তমান সময়ে বিভিন্ন কর্পোরেট সংস্থা ও তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে যে ভাবে তথ্য চুরি ও সাইবার হানা বাড়ছে তা ঠেকাতেও এই এথিক্যাল হ্যাকারদের ’ (Ethical Hacker)  প্রয়োজন। তাই সাইবার জগতে মুনীবের এই কৃতিত্ব একটি অনুপ্রেরণা হিসাবে রয়ে যাবে। এ প্রসঙ্গে মুনীব বলেছিল, “আজকের ডিজিটাল যুগে, কিছুই সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়। একটি সংস্থা যত বড়ই হোক না কেন, যদি এটি কোনও নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত থাকে তবে এটি হ্যাক হওয়ার সম্ভবনা থেকেই যায়।”  

    আরও পড়ুন: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    এথিক্যাল হ্যাকিং এর ভবিষ্যৎ ’ (Ethical Hacker)  

    আর ঠিক এই কারণেই সাইবার সিকিউরিটি (Cybersecurity Expert) এবং এথিক্যাল হ্যাকিং বর্তমান সময়ে একটি ক্রমবর্ধমান ক্ষেত্র হিসেবে অগ্রসর হচ্ছে, যেখানে ভারত এবং বিদেশে এই কাজের জন্য একাধিক চাকরির পরিসর রয়েছে। আর এই এথিক্যাল হ্যাকিং দুনিয়ায় প্রবেশ করতে সাধারন ডিগ্রির চেয়েও বেশি প্রয়োজন হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম এবং নেটওয়ার্কিং সম্পর্কে স্ব-শিক্ষা এবং জ্ঞান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share