Tag: Madhyom

Madhyom

  • Daily Horoscope 08 June 2024: শত্রুরা আপনার কাজে বাধা দেবে, সতর্ক থাকুন

    Daily Horoscope 08 June 2024: শত্রুরা আপনার কাজে বাধা দেবে, সতর্ক থাকুন

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজ মিশ্র পরিণাম লাভ করবেন।

    ২) ব্যবসাতে মন্দার কারণে চিন্তিত থাকবেন।

    ৩) পরিজনদের পূর্ণ সহযোগিতা লাভ করবেন।

    বৃষ

    ১) বন্ধুর কাছ থেকে সুসংবাদ পেতে পারেন।

    ২) জনকল্যাণের কাজে লাগাতার অগ্রসর হতে থাকবেন।

    ৩) ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় ভাইদের পরামর্শ নিন।

    মিথুন

    ১) সাহস ও পরাক্রম বৃদ্ধি পাবে।

    ২) জীবনসঙ্গী আপনাকে শপিংয়ে নিয়ে যেতে পারেন।

    ৩) যে কোনও পরিস্থিতিতে নিজের ধৈর্য ধরে রাখুন।

    কর্কট

    ১) নতুন কাজ শুরু করলে ভালো ফলাফল পাবেন।

    ২) আপনার শত্রুরা নিজেদের মধ্যে লড়াই করে ধ্বংস হবে।

    ৩) কারও শোনা কথায় কান দেবেন না।

    সিংহ

    ১) আকস্মিক লাভ অর্জন করায় আনন্দের সীমা থাকবে না।

    ২) ছোটদের ভুল ক্ষমা করুন।

    ৩) লগ্নির বিষয়ে রুচি বাড়বে।

    কন্যা

    ১) মা-বাবাকে ধর্মীয় যাত্রায় নিয়ে যেতে পারেন।

    ২) শত্রুরা আপনার কাজে বাধা দেবে, সতর্ক থাকুন।

    ৩) সন্তানকে দায়িত্ব দিন।

    তুলা

    ১) পরিবারের কোনও সদস্য দূরে চাকরি পেতে পারেন।

    ২) কর্মক্ষেত্রে কোনও কাজের কারণে অযথা অবসাদে থাকবেন।

    ৩) পৈতৃক সম্পত্তি সংক্রান্ত বিবাদে জয়ী হবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) কোনও বড় চুক্তি চূড়ান্ত করতে পারেন।

    ২) ছাত্রছাত্রীদের উচ্চশিক্ষার পথ প্রশস্ত হবে।

    ৩) ছোট দূরত্বের ভ্রমণ করবেন আজ।

    ধনু

    ১) আজকের দিনের সূচনা কিছুটা দুর্বল থাকবে।

    ২) ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করবেন না।

    ৩) আকস্মিক যাত্রা।

    মকর

    ১) বন্ধুর সঙ্গে বিবাদের সমাধান হবে।

    ২) স্বাস্থ্যের প্রতি কোনও গাফিলতি করবেন না।

    ৩) বড়সড় রোগের মুখোমুখি হবেন।

    কুম্ভ

    ১) টাকা ধার নেবেন না।

    ২) বিবাদ এড়িয়ে যান।

    ৩) রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা বড়সড় পদ অর্জন করতে পারেন।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি খুব ভালো কাটবে।

    ২) ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার প্রতি রুচি বাড়বে।

    ৩) সময়ের মধ্যে জরুরি কাজ সম্পন্ন করুন।

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিকাণ্ডে ইডি আক্রান্তের ঘটনায় থানার ওসিকে ভর্ৎসনা আদালতের

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিকাণ্ডে ইডি আক্রান্তের ঘটনায় থানার ওসিকে ভর্ৎসনা আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ইডি আক্রান্তের ঘটনায় থানার ওসিকে ভর্ৎসনা করল আদালত। আজ নেজাট থানার ওসি শুভাশিষ প্রামাণিক এবং তদন্তকারী অফিসারকে তীব্র তুলোধনা করেছেন বসিরহাট মহকুমা আদালতের বিচারক। উল্লেখ্য রেশন দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা শেখ শাহজাহানকে জিজ্ঞাসবাদ করার জন্য তাঁর বাড়িতে হানা দিয়েছিল। এরপর তৃণমূল দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে তদন্তকারী আধিকারিকদের উপর।

    ঘটনার দিন পুলিশ কাকে গ্রেফতার করেছিল (Sandeshkhali)?

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) আকুঞ্জিপাড়ায় চলতি বছরে পাঁচই জানুয়ারি রেশন দুর্নীতি তদন্ত করতে গিয়েছিলেন ইডির আধিকারিকরা। শেখ শাহাজানের বাড়িতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আক্রান্ত হন ইডি আধিকারিকেরা। এই ঘটনায় ন্যাজাট থানায় একদিকে পুলিশের পক্ষ থেকে একটি মামলা করা হয়। আবার অন্যদিকে ইডি আধিকারিকেরা পাল্টা মামলা করেন। সেইদিন বিকেল বেলায় ভারপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক সুভাশিষ প্রামাণিকের নেতৃত্বে সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়। যাঁদের নাম-সুকোমল সর্দার, মেহেবুব মোল্লা, আলী হোসেন ঘরামী, এনামুল শেখ, হাজিমুল শেখ, সঞ্জয় মন্ডল এবং আইজুল শেখ।

    আরও পড়ুনঃ রচনার জয়ের পরেও চুঁচুড়ায় তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যদের ইস্তফা! কেন জানেন?

    কোর্টের বক্তব্য

    বসিরহাট মহকুমা আদালতের বিচারক, আজ এই সাতজনের নাম সিবিআই চার্জশিটে নেই বলে মন্তব্য করেন। কোন গ্রাউন্ডে এই সাতজনকে নেজাট (Sandeshkhali) থানার পুলিশ আধিকারিক গ্রেফতার করেছিলেন? সেই বিষয়ে জানতে চান। এই প্রেক্ষিতে আদালতে নেজাট থানার ২৬১ নম্বর কেসে মামলার শুনানি করে। আদালতের বিচারক তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক সুভাশিষ প্রামাণিক ও তদন্তকারী অফিসারকে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছেন এবং গ্রেফতারের কারণ জানাতে বলেছেন। অপর দিকে যাঁদের নাম সিবিআই চার্জশিট দিয়েছে তাঁরা হলেন, শাহজাহান শেখ, শেখ আলমগীর, জিয়া উদ্দিন মোল্লা, মাহফুজার মোল্লা, সিরাজুল মোল্লা, দিদাস বক্স মোল্লা, ফারুক আকঞ্জি। এই এই ছয়জনের নামে সিবিআই চার্জশিট দিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: রবিতে শপথ! ভাবী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ রাষ্ট্রপতির

    Narendra Modi: রবিতে শপথ! ভাবী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ রাষ্ট্রপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার দেশে সরকার গড়ার পথে এনডিএ (NDA)। শুক্রবার সেন্ট্রাল হলে অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট এনডিএ-র সংসদীয় দলের বৈঠক। এই বৈঠকে নরেন্দ্র মোদিকেই (Narendra Modi) প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করা হয়েছে। এরপরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তৃতীয় বার সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক দাবি জানিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (Droupadi Murmu) কাছে আবেদন করেন। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে বেরিয়ে মোদি জানান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁকে আগামী ৯ জুন সন্ধ্যায় শপথ গ্রহণের কথা বলেছেন।

    আডবাণী-জোশীর সঙ্গে সাক্ষাত

    এদিন এনডিএ বৈঠক সেরে রাষ্ট্রপতি ভবন যাওয়ার আগে বিজেপির দুই প্রবীণ নেতার সঙ্গে দেখা করেন মোদি (Narendra Modi)। প্রথমেই তিনি যান দলের মার্গদর্শন মণ্ডলীর সদস্য লালকৃষ্ণ আডবাণীর সঙ্গে দেখা করতে। অনেকেই মনে করেন মোদির রাজনৈতিক গুরুই হলেন আডবাণী। এরপর তিনি যান রাম মন্দির আন্দোলনের প্রথম সারির নেতা  মুরলীমনোহর জোশীর বাড়িতে। শেষে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের বাড়িতে যান মোদি।

    আরও পড়ুন: রেপো রেট এক রাখল আরবিআই, মোদির উপর আস্থা রেখে ফের সর্বকালীন উচ্চতায় সেনসেক্স

    রাষ্ট্রপতি ভবনে মোদি

    সেখান থেকে শুক্রবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি ভবনে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সরকার গঠনের দাবি জানান নরেন্দ্র মোদি। এনডিএ-র মোট ২১ জন নেতার সমর্থনপত্র নিয়ে রাষ্ট্রপতি কাছে গিয়ে সরকার গড়ার দাবি জানান মোদি (Narendra Modi)। তার সেই প্রস্তাব মেনে নিয়ে সরকার গঠণের আমন্ত্রণপত্র নরেন্দ্র মোদির হাতে তুলে দেন রাষ্ট্রপতি। পাশাপাশি, চিরাচরিত প্রথা মেনে হবু প্রধানমন্ত্রীকে দই খাওয়ান রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পর রাষ্ট্রপতি ভবনের লনেই ফের ভাষণ দেন তিনি। সেই ভাষণেই তিনি জানান, রবিবার তাঁকে শপথ গ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতি ভবনের ভাষণে নির্বাচন জুড়ে অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য দেশের সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের সুস্থতা কামনা করেন মোদি। এর পাশাপাশি তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার কোন পথে চলবে তার দিশাও দেখান।

    মোদি (Narendra Modi) বলেন, “বিকাশের পথে দেশকে চালিত করে দেশবাসীর আশা আকাঙ্খা পূরণ করাই নতুন সরকারের (NDA) লক্ষ্য হবে।” তাঁর কথায়, “আমি যখন গণতন্ত্রের সমৃদ্ধির কথা ভাবি, আমি বিশ্বাস করি মধ্যবিত্তের জীবনে সরকারের হস্তক্ষেপ যত কম হবে, ততই ভালো। আজকের প্রযুক্তির যুগে আমরা এটা করতে পারি। আমরা উন্নত ভারতের স্বপ্ন পূরণ করতে থাকব। এটুকু আশ্বাস দিতে পারি, গত দু’দফায় উন্নয়নের যে গতি বজায় ছিল, তৃতীয় দফার পাঁচ বছরেও তা থাকবে।”  এর পরে তিনি বলেন, ‘‘মাননীয় রাষ্ট্রপতি আমাকে ডেকেছিলেন। সরকার গড়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আমি তাঁকে জানিয়েছি, ৯ তারিখ (রবিবার) বিকেলে শপথগ্রহণ হলে ভাল হয়। তার মধ্যেই মন্ত্রীদের তালিকা আমি রাষ্ট্রপতিকে পাঠিয়ে দেব।’’

    পরে, রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে জানানো হয়, এনডিএ সাংসদদের অনুরোধ মেনে আগামী রবিবার ৯ জুন সন্ধ্যা সাতটা ১৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যদের শপথ গ্রহণ করাবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। 

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: “অন্তর্ঘাত হয়েছে, বেইমানদের উচিত জবাব দেওয়া হবে”, ভোটে হেরে বিস্ফোরক বিপ্লব মিত্র

    Balurghat: “অন্তর্ঘাত হয়েছে, বেইমানদের উচিত জবাব দেওয়া হবে”, ভোটে হেরে বিস্ফোরক বিপ্লব মিত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জয়ের মুখ থেকে খালি হাতে ফিরে আসতে হয়েছে। ২০০৯ সালের পর ফের লোকসভায় ভোটে নিজের হারের পিছনে এবার অন্তর্ঘাত দেখছেন বালুরঘাটের (Balurghat) তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্র। তাঁর অভিযোগের তির মূলত দলের অন্য গোষ্ঠীর দিকে। এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    অন্তর্ঘাত হয়েছে, বেইমানদের উচিত জবাব দেওয়া হবে (Balurghat)

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে লড়াই বলে বালুরঘাট আসনে নজর ছিল রাজ্যবাসীর। সেই যুদ্ধে গণনা শুরুর প্রথম থেকেই আধিপত্য বজায় রেখেছিলেন বিপ্লব। প্রথম রাউন্ড থেকে শুরু করে ৭ম রাউন্ড পর্যন্ত লিড ধরে রাখেন। তখন থেকেই জয়ের আশা জাগতে শুরু করে তৃণমূল শিবিরে। ৮ম রাউন্ডে এগিয়ে যান সুকান্ত। ১৩ রাউন্ডে গিয়ে ফের সুকান্তকে টক্কর দিয়ে এগিয়ে যান বিপ্লব। ১৪ রাউন্ডের পর পিছিয়ে যেতে থাকে রাজ্যের শাসকদল। বালুরঘাট (Balurghat), গঙ্গারামপুর ও তপন বিধানসভায় লিড বাড়ে সুকান্তর। বিপ্লবের গড় বলে পরিচিত গঙ্গারামপুরে শাসকদল দাঁত ফোটাতে পারেনি। হারের পর বিপ্লব মিত্র বলেন, বিজেপি এমন কোনও কাজ করেনি যে তারা জিতবে। আমরা জেতার মতো জায়গায় ছিলাম। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করেছি। জেলায় যা উন্নয়ন হয়েছে, সব রাজ্য সরকার করেছে। দলে নিশ্চয়ই অন্তর্ঘাত হয়েছে। রয়েছে। এনিয়ে আর বিতর্কের জায়গা নেই। আমরা পর্যালোচনা করব। বেইমানদের উচিত জবাব দেওয়া হবে। রাজ্য থেকে আমার কাছে হারের কারণ জানতে চাওয়া হলে অন্তর্ঘাতের বিষয়টি তখন ব্যাখ্যা করব।

    আরও পড়ুন: সাতটি কেন্দ্রে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করল বিজেপি, অভিজিতের জয়ে খুশি তমলুকবাসী

    মুখ্যমন্ত্রীও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন

    দলীয় অন্তর্ঘাতের তত্ত্ব সামনে আনলেও ঠিক কোনদিকে ইঙ্গিত করছেন জেলার বর্ষীয়ান নেতা বিপ্লব মিত্র , সেই অঙ্ক কষতে শুরু করেছেন দলের ভোট ম্যানেজাররা। জেলার রাজনৈতিক মহল মনে করছে, জেলার প্রাক্তন দুই সভাপতি রয়েছেন তপন ও গঙ্গারামপুর বিধানসভা এলাকায়। তাঁদের সঙ্গে নির্বাচনের আগে থেকেই অনেকটা দূরত্ব বজায় রেখেছিলেন বিপ্লব। নির্বাচনে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ পৌঁছেছিল খোদ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। পরে, বালুরঘাটে (Balurghat) সভায় এসে মুখ্যমন্ত্রী তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সবাইকে নিয়ে চলার বার্তা দিয়েছিলেন। তারপরও সবকিছু যে ঠিক হয়নি, বিপ্লবের দাবিতে সেকথা স্পষ্ট।

    দলীয় প্রার্থীর হার নিয়ে কী বললেন তৃণমূল নেতারা?

    এ প্রসঙ্গে জেলা তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি গৌতম দাস বলেন, আমি তো দলের একজন সামান্য কর্মী। দল মনে করেছে বড় জায়গায় কাজ করতে পারব না, সেজন্য ছোট জায়গায় কাজ করার সুযোগ দিয়েছে। সেই মতো  দলের কাজ করেছি। কে কী মন্তব্য করেছেন, আমার জানা নেই। প্রার্থীর হার নিয়ে নিশ্চয় পর্যালোচনা হবে। আবার জেলা তৃণমূলের আর এক প্রাক্তন সভাপতি মৃণাল সরকার বলেন, লোকসভা নির্বাচনে আমাদের প্রার্থী যেমন কাজ করতে বলেছেন, সেভাবেই চলেছি। কে অন্তর্ঘাত  করেছেন, দলীয়স্তরে তার পর্যালোচনা  করা হোক। গঙ্গারামপুর শহরে দলের বিপর্যয় কেন হল, সেটাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Stock Market: রেপো রেট এক রাখল আরবিআই, মোদির উপর আস্থা রেখে ফের সর্বকালীন উচ্চতায় সেনসেক্স

    Stock Market: রেপো রেট এক রাখল আরবিআই, মোদির উপর আস্থা রেখে ফের সর্বকালীন উচ্চতায় সেনসেক্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদির গ্যারান্টিতেই ভরসা দেখাল শেয়ার বাজার (Stock Market)। নরেন্দ্র মোদি এনডিএ সরকারের নেতা নির্বাচিত হওয়ার পরই শুক্রবার ফের চাঙ্গা শেয়ার রাজার। সর্বকালীন উচ্চতায় পৌঁছল সেনসেক্স। শেয়ার বাজরে ধসের জন্য গতকালই  মোদিকে (Narendra Modi) দায়ী করেছিলেন রাহুল গান্ধী। কিন্তু কংগ্রেস নেতার অভিযোগের জবাব এদিন দিয়ে দিল শেয়ার বাজার। ভরসা রাখল মোদি ৩.০-তে।

    রেপো রেট এক রইল

    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস এদিন মুদ্রানীতির বৈঠক শেষে জানান যে, এবারেও রেপো রেট একই থাকবে। এই নিয়ে অষ্টমবার রেপো রেটে কোনও বদল আনল না রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। এর আগে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে শেষবার রেপো রেট (RBI MPC Meeting) বদল করেছিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। তখনই রেপো রেট বাড়িয়ে করা হয় ৬.৫ শতাংশ আর তারপর থেকে একই আছে সেই রেপো রেট। এই ঘোষণার পরই ১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি দেখা যায় নিফটি, সেনসেক্সে (Stock Market)। রেপো রেট এক রাখার সঙ্গে জিডিপি গ্রোথও বাড়িয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। এর আগে দেশের সম্ভাব্য জিডিপি গ্রোথ ৭ শতাংশ রেখেছিলে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। ফের মোদী প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন তা সুনিশ্চিত হওয়ার পরেই ৭.২ শতাংশ করা হয়েছে। যার জেরেই হু হু করে চড়তে শুরু করে সেনসেক্স। ফের বিনিয়োগ কারীরা আস্থা ফিরে পেয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

    শেয়ার বাজারে প্রভাব

    রিজার্ভ ব্যাঙ্ক রেপোরেট এবং জিডিপি গ্রোথ ঘোষণা করতেইপর পর ২ দিনের মন্দা কাটিয়ে ফের চাঙ্গা হয়ে উঠেছে শেয়ার বাজার (Stock Market)। এক ধাক্কায় ৬০০ পয়েন্ট চড়ল সেনসেক্স। শুক্রবার নিফটি ২৩ হাজার পয়েন্টে ছাড়িয়ে যায়। সেনসেক্স বৃদ্ধি পায় ৮০০ পয়েন্ট। বিএসই সেনসেক্স ৫০০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। বিএসই মিডক্যাপ ০.১৬ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, তবে বিএসই স্মলক্যাপ ০.৩৪ শতাংশ বেশি হয়েছে। সেক্টরগুলির মধ্যে, নিফটি আইটি এবং রিয়েলটি সূচকগুলি প্রতিটি ১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

    আরও পড়ুন: পাশে নীতীশ, নায়ডু, মোদির নেতৃত্বেই সরকার গড়ার পথে এনডিএ

    রাহুলের অভিযোগ

    বৃহস্পতিবারই শেয়ার বাজার (Share Market) নিয়ে মারাত্মক অভিযোগ করেছিলেন কংগ্রস নেতা রাহুল গান্ধী। লোকসভা ভোটের ফলাফল প্রকাশের আগের দিন রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছিল শেয়ার বাজার। একাধিক শেয়ারের দাম হু হু করে চড়েছিল। খুশির হাওয়া বইছিল শেয়ার বাজারে। আবার ফল প্রকাশের দিন শেয়ার বাজার মুখ থুবড়ে পড়ে। ভোটের ফল প্রকাশের আগের দিন শেয়ার বাজারের এই বিপুল উর্ধ্বগতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি অভিযোগ করেছেন ইচ্ছে করে শেয়ার বাজারে দর বাড়ানো হয়েছিল। তিনি এই দুর্নীতির তদন্ত দাবি করেছিলেন। কিন্তু এদিন রাহুলের অভিযোগ নয় মোদির (Narendra Modi) গ্যারান্টিই মেনে নিল শেয়ার মার্কেট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Hooghly: রচনার জয়ের পরেও চুঁচুড়ায় তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যদের ইস্তফা! কেন জানেন?

    Hooghly: রচনার জয়ের পরেও চুঁচুড়ায় তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যদের ইস্তফা! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলিতে (Hooghly) জয়ের পরও চুঁচুড়া বিধানসভায় তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যরা ইস্তফা দিলেন। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। লোকসভা ভোটে বিজেপির প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়কে হারিয়ে জয় লাভ করেছেন তৃণমূলের তারকা প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এই পদত্যাগের ঘটনায় দলের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দলের চিত্র কি আরও একবার স্পষ্ট হল?

    তিনটি বিধানসভায় এগিয়ে বিজেপি (Hooghly)

    হুগলিতে (Hooghly) সাতটি বিধানসভার মধ্যে তিনটিতে এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি। রচনা জয়যুক্ত হয়েছেন ৭৬৮৫৩ ভোটে। কিন্তু ওই তিনটি বিধানসভার মধ্যে লকেট ৮২২৮৪ ভোটে এগিয়ে ছিলেন। তবে দলের প্রার্থী জয়ী হলেও চুঁচুড়াতে খুব একটা উচ্ছ্বাস দেখা যায়নি তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে। হারের কারণ খোঁজ করতে গিয়ে বিশ্লেষণে বসে জেলা নেতৃত্ব। ব্যান্ডেল, দেবানন্দপুর, কোদালিয়া-১ এবং ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য এবং চুঁচুড়া পুরসভার দলীয় কাউন্সিলরদের নিয়ে বৈঠক করেন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার। সেখানে প্রধান, উপপ্রধান এবং জন প্রতিনিধিদের চরম অপমান করেন এই বিধায়ক। এরপর পঞ্চায়েতগুলির প্রধান এবং উপপ্রধানেরা মগরা বিডিও অফিসে গিয়ে পদত্যাগ করেন।

    পঞ্চায়েত সদস্যদের বক্তব্য

    তৃণমূলের (Hooghly) বিক্ষুব্ধ পঞ্চায়েত সদস্যরা বলেন, “রচনা তিনটি বিধানসভায় কম ভোট পেয়েছেন বলে গরু-ছাগলের মতো ব্যবহার করা হয়েছে। আমাদের অপমান করা হয়েছে।” এই প্রসঙ্গে কোদালিয়া-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সুচেতা মান্না পাল বলেন, “আমাদের উপর কোনও চাপ ছিল না। তবে দলের পরাজয়ের দায় নিয়ে আমি পদত্যাগ করলাম।“ আবার চুঁচুড়া পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর ঝন্টু বিশ্বাস বলেন, ‘‘মানুষের সঙ্গে, দলের কর্মী এবং কাউন্সিলরদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহারের ফল এই পরাজয়।

    আরও পড়ুনঃ তমলুক কেন্দ্রে ভোটে হেরে দলেরই বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দেবাংশু ভট্টাচার্য

    অসিত মজুমদারের বক্তব্য

    বিধায়ক (Hooghly) অসিত মজুমদার বলেন, “ওঁদের বিবেক আছে। ওঁরা থাকা অবস্থায় দলের পরাজয় হয়েছে। মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন। তবে কেন দিয়েছেন, তা নিয়ে বসে পর্যালোচনা করব আমরা।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Santipur: শান্তিপুর কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দাদাগিরি! রক্ত ঝরল অধ্যাপকের

    Santipur: শান্তিপুর কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দাদাগিরি! রক্ত ঝরল অধ্যাপকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলেজের মধ্যেই তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দাদাগিরি। কাজের বরাত না পাওয়ায় শুক্রবার রক্ত ঝরল অধ্যাপকের! শিক্ষাঙ্গনে চরম নিন্দনীয় ঘটনার সাক্ষী থাকল নদিয়ার শান্তিপুর (Santipur) কলেজ। আক্রান্ত অধ্যাপকের নাম রামকৃষ্ণ মণ্ডল। তিনি হামলাকারীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Santipur)

    কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে কলেজের স্টাফরুমে আক্রান্ত অধ্যাপক বসেছিলেন। এরপর কয়েকজন ছাত্র এবং সঙ্গে বহিরাগতরা এসে অধ্যাপককে বাইরে বেরিয়ে আসতে বলেন। অধ্যাপক বাইরে বের হতেই তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। মারধরের কারণে তাঁর মাথা ফেটে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এরপর তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা করা হয়। হামলাকারীরা সকলেই তৃণমূল ছাত্র পরিষদ করেন। অন্যদিকে, হামলাকারীদের বক্তব্য, “অধ্যাপক লাইব্রেরির মধ্যে এক কলেজ ছাত্রীর হাত ধরে টানেন। তাকে কুপ্রস্তাব দেন।” অধ্যাপকের শাস্তির দাবিতে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ব্যানারে হামলাকারীরা বিক্ষোভ দেখান। সঙ্গে নির্যাতিতা ছাত্রীও ছিলেন। তিনি বলেন, আমাকে অধ্যাপক হাত ধরে টেনেছেন। কুপ্রস্তাব দিয়েছেন। তাঁর আমি শাস্তি চাই। কলেজ অধ্যক্ষকে বিষয়টি লিখিতভাবে জানিয়েছি।

    আরও পড়ুন: সাতটি কেন্দ্রে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করল বিজেপি, অভিজিতের জয়ে খুশি তমলুকবাসী

    আক্রান্ত অধ্যাপক কী বললেন?

    আক্রান্ত অধ্যাপক বলেন, ছাত্রীর সঙ্গে অভব্য আচরণের যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন। সিসিটিভি ফুটেজ দেখলেই সব কিছু প্রমাণ হয়ে যাবে। আসলে, সম্প্রতি কলেজের পাঁচিল তৈরির জন্য কলেজ পরিচালন সমিতির সভাপতি তথা শান্তিপুরের (Santipur) বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামীর নির্দেশে আমি ওই কাজ দেখাশোনা করতাম। এরজন্য প্রায়ই আমার কাছে ছাত্রদের কয়েকজন এবং বহিরাগত কয়েকজন দুষ্কৃতী তোলা চাইত। তোলা না দিলে হুমকি দিত। একইসঙ্গে আমাকে কলেজে  কাজ চাইত। ই টেন্ডারের মাধ্যমে কলেজে সব কাজ হচ্ছে। ওরা কাজ পায়নি। তাই, আমার ওপর রাগ। এমনকী বাড়িতে গিয়েও পর্যন্ত হুমকি দিয়ে আসে। এদিনও একই দাবিতে তারা অশ্রাব্য গালিগালাজ শুরু করে কলেজের মধ্যেই। এমনকী কলেজ কর্মচারীরা প্রতিবাদ করতে গেলেও তাদের মধ্য থেকেও একজনকে মারধর করা হয়। আমাকেও ওরা মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয়।

    কলেজের অধ্যক্ষ কী বললেন?

    শান্তিপুর (Santipur) কলেজের অধ্যক্ষ শুচিস্মিতা সান্যাল বলেন, একজন অধ্যাপকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ আমি বিশ্বাস করি না। আর এদিন কোনও ঘটনাই ঘটেনি। ওই অধ্যাপক লাইব্রেরিতে যাননি। তিনি স্টাফ রুমে বসেছিলেন। কলেজ পরিচালন সমিতির সভাপতিকে এবং থানায় জানিয়েছি। পুলিশ তদন্ত করছে। এক্ষেত্রে শান্তিপুর কলেজের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দিয়ে সহযোগিতা করা হবে।

    তৃণমূল বিধায়ক কী সাফাই দিলেন?

    কলেজ পরিচালন কমিটির সভাপতি তথা বিধায়ক ব্রজ কিশোর গোস্বামী বলেন, ছাত্রদের সঙ্গে শিক্ষকের কী নিয়ে সমস্যা তা জানি না। তবে,তোলাবাজির কোনও বিষয় নয়, কারণ টেন্ডার দেখাশোনা করে অন্য একটি কমিটি। পুলিশ প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখুক। যদি অধ্যাপক দোষী হয়ে থাকে, তাহলে তিনি শাস্তি পাবেন। আর যদি ছাত্ররা অপরাধ করে থাকে তারা শাস্তি পাবে। এক্ষেত্রে আমার আলাদাভাবে কিছু বলার নেই।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এই ঘটনার নিন্দা জানান শান্তিপুর (Santipur) বিজেপির মণ্ডল সভাপতি অমিত বৈরাগী। তিনি বলেন, শুধুমাত্র শান্তিপুর কলেজ নয় রাজ্যের প্রতিটি কলেজে তৃণমূল এই নোংরা রাজনীতি করছে। এরা অধ্যাপক, শিক্ষক কাউকে মানে না। নিজেদের স্বার্থে আঘাত পড়লে হিংস্র পশুর মত আচরণ করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tamluk: তমলুক কেন্দ্রে ভোটে হেরে দলেরই বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দেবাংশু ভট্টাচার্য

    Tamluk: তমলুক কেন্দ্রে ভোটে হেরে দলেরই বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দেবাংশু ভট্টাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার ভোটে হেরে বেজায় চটেছেন তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য। তমলুক (Tamluk) লোকসভার বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছিলেন এই তৃণমূল নেতা। কিন্তু শুক্রবার ভোটে হারার কারণ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন তিনি। দলের কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “এই জেলায় অনেকে দুই নৌকায় পা দিয়ে চলছেন।” দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে এই মন্তব্যে জেলার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    ঠিক কী বললেন তৃণমূল নেতা (Tamluk)?

    তমলুকে (Tamluk) নিজের হারের কথা বলতে গিয়ে দলের কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে ক্ষোভ প্রকাশ করে দেবাংশু বলেন, “আমার নির্বাচনের অভিজ্ঞতা বেশ ভালো। অনেকে আমাকে আশীর্বাদ করেছেন। আমি দেখেছি, এই জেলায় অনেকে দুই নৌকায় পা দিয়ে চলছেন। সেই জন্য ভোটে প্রভাব পড়েছে। যাঁরা এই দুই নৌকায় পা দিয়ে চলছেন, তাঁদের আমি চিহ্নিত করতে পেরেছি। তবে এই ভাবে চলতে পারে না। দুই দিকে থাকব আবার দলের হয়ে কাজ করব, এমনটা চলতে পারে না। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে গোটা বিষয়টি জানিয়েছি।”

    আরও পড়ুনঃ পশ্চিম মেদিনীপুরের বিরোধীশূন্য পুরসভায়ও ধরাশায়ী তৃণমূল, এগিয়ে বিজেপি

    ৭৭ হাজার ভোটে পরাজিত দেবাংশু

    ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে ভোটের টিকিটের জন্য বিস্তর জল্পনা হয়েছিল। কিন্তু সেই সময়ে দল দেবাংশুকে টিকিট দেয়নি। এইবারে লোকসভা নির্বাচনে তমলুক থেকে তাঁকে টিকিট দেওয়া হয়েছিল। এরপর সেখানে নির্বাচনে লড়াই করেন। কিন্তু বিজেপির কাছে ৭৭ হাজার ভোটে পরাজিত হন। তবে নির্বাচনের সময় নানা জায়গায় প্রচার করতে গেলে চোর চোর শ্লোগান শুনতে হয়েছিল তাঁকে। এই বিষয়ে একটি ভিডিও সামজিক মাধ্যমে ব্যাপক ভাবে ভাইরাল হয়েছিল। কিন্তু আজ নিজে ভোটে হেরে বিস্ফোরক মন্তব্য করায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    যদিও এই তমলুক (Tamluk) লোকসভা থেকে একটা সময় সিপিএম নেতা লক্ষণ শেঠকে পরাজিত করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এরপর তাঁর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী ২০১৯ সালে এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন। এবার লোকসভার নির্বাচনে প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে পরাজয় হতে হয়েছে দেবাংশুকে। তবে এই নির্বাচনে, এই কেন্দ্র ছিল বিরাট হাই ভোল্টেজ কেন্দ্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার প্রবেশ দেরিতে, পারদ চড়ছে শহরে, কয়েকটি জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা

    Weather Update: দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার প্রবেশ দেরিতে, পারদ চড়ছে শহরে, কয়েকটি জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সময়ের আগে বাংলায় বর্ষা (Monsoon in Bengal) প্রবেশ করলেও তা আটকে থেকেছ উত্তরেই। দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা আসার দিনক্ষণ এখনও জানায়নি হাওয়া অফিস (Weather Update)। প্রতিদিনই চড়ছে তাপমাত্রার পারদ।  দক্ষিণবঙ্গের অন্তত তিন জেলায় তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আগামী ১০ জুনের বদলে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা ঢুকতে পারে ১২ বা ১৩ জুন। 

    কোথায় কোথায় তাপপ্রবাহ

    গত কয়েক দিন ধরেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় আর্দ্রতাজনিত গরম এবং অস্বস্তি চলছে। বিক্ষিপ্ত ভাবে বৃষ্টি (Monsoon in Bengal) হলেও গরম থেকে নিস্তার মেলেনি। এই পরিস্থিতিতে হাওয়া অফিস (Weather Update) জানিয়ে দিল, আগামী কয়েক দিনেও পরিস্থিতি বদলের কোনও আশা নেই। আলিপুর আরও জানিয়েছে যে, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং বাঁকুড়া জেলার কিছু জায়গায় তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।  ওই তিন জেলা বাদে দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পাবে।

    আরও পড়ুন: পাশে নীতীশ, নায়ডু, মোদির নেতৃত্বেই সরকার গড়ার পথে এনডিএ

    কবে থেকে বৃষ্টি

    উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যে বর্ষা (Weather Update) প্রবেশ করেছে। তবে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা (Monsoon in Bengal) প্রবেশ করতে দু’তিন দিন দেরি হতে পারে বলে মনে করছেন আবহবিদদের একাংশ। মৌসুমি বায়ুর প্রবাহ কমে যাওয়ার কারণেই দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা প্রবেশে বিলম্ব হতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহবিদেরা। গত ৩১ মে কেরল হয়ে বর্ষা প্রবেশ করার কথা ছিল দেশে। কিন্তু দেশবাসীকে দহনজ্বালার হাত থেকে মুক্তি দিতে এক দিন আগেই, অর্থাৎ ৩০ মে কেরল উপকূলে এসে পৌঁছয় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। কেরলে ইতিমধ্যেই বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। মৌসুমি বায়ু বর্তমানে একটু একটু করে উত্তর-পূর্বের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। যার প্রভাবে বৃষ্টি শুরু হয়েছে অরুণাচল প্রদেশ, ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড, মেঘালয়, মিজোরাম, মণিপুর এবং অসমেও। বৃষ্টি চলছে উত্তরবঙ্গেও। কিন্তু দক্ষিণে বর্ষামঙ্গলের ধ্বনি বাজতে অপেক্ষা করতে হবে আরও কয়েকদিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indoor Plants: বাড়ির পরিবেশ স্বাস্থ্যকর রাখবে ইন্ডোর প্ল্যান্ট! কোন গাছ বসালে কমবে অসুখের ঝুঁকি?

    Indoor Plants: বাড়ির পরিবেশ স্বাস্থ্যকর রাখবে ইন্ডোর প্ল্যান্ট! কোন গাছ বসালে কমবে অসুখের ঝুঁকি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বাড়ি‌ সাজাতে নানান রকমারি ছবি কিংবা শো-পিস‌ এখন পুরানো রেওয়াজ হয়ে গিয়েছে। নতুন ফ্ল্যাট কিংবা বাড়ি সাজানোর ফ্যাশনে এখন এগিয়ে রয়েছে গাছ। হরেক রকমের গাছ, বিশেষত ইন্ডোর প্ল্যান্ট দিয়ে বাড়ি বা ফ্ল্যাট সাজানোই এখন রেওয়াজ। তবে, বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শুধুই ফ্যাশনের জন্য নয়। বাড়িতে এমন কিছু ইন্ডোর প্ল্যান্ট (Indoor Plants) রাখা উচিত, যাতে পরিবারের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। তাঁরা জানাচ্ছেন, এমন কয়েকটি গাছ রয়েছে, যা শোওয়ার ঘরে কিংবা বাইরের ঘরে রাখলে পরিবেশ ভালো থাকে। রোগের ঝুঁকি কমে। এমনকি সেই গাছের পাতা নিয়মিত ব্যবহার করলে একাধিক রোগ প্রতিরোধ সহজ হয়। একদিকে বাসস্থানের সৌন্দর্য, আরেকদিকে রোগ প্রতিরোধ ও সুস্বাস্থ্য। ইন্ডোর প্ল্যান্টের গুণ অনেক। কিন্তু কোন ইন্ডোর প্ল্যান্ট সুস্বাস্থ্যের পথ সহজ করে?

    বায়ুদূষণ কমায় স্নেক প্ল্যান্ট! (Indoor Plants)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, স্নেক প্ল্যান্ট একটি জনপ্রিয় ইন্ডোর প্ল্যান্ট। লম্বাটে হলুদ-সবুজ পাতার স্নেক প্ল্যান্ট শুধু সৌন্দর্য বাড়ায় না, এই গাছ বাড়ির পরিবেশও ভালো রাখে। বাতাসে দূষণ বাড়ছে‌। ফুসফুসের সমস্যা কিংবা বক্ষঃরোগের অন্যতম কারণ হল দূষিত বাতাস। স্নেক প্ল্যান্ট বাতাসের খারাপ উপাদান সহজেই শোষণ করে নেয়। এই গাছ বাড়িতে এয়ার পিউরিফায়ারের মতোই কাজ করে‌। তাই স্নেক প্ল্যান্ট অত্যন্ত উপকারী একটি ইন্ডোর প্ল্যান্ট।

    অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারীর একাধিক উপকার! 

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, বাড়িতে অ্যালোভেরা কিংবা ঘৃতকুমারীর মতো ইন্ডোর প্ল্যান্ট রাখলে একাধিক উপকার পাওয়া যায়। সবুজ সতেজ এই গাছ বাড়ির সৌন্দর্য কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। আবার অ্যালোভেরার স্বাস্থ‌্যগুণ অপরিসীম। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, একাধিক ত্বকের রোগ কমাতে অ্যালোভেরার (Indoor Plants) বিকল্প নেই। তাই বাড়িতে এই গাছ রাখলে তার পাতার ভিতরের জেলি ব্যবহার করা যেতে পারে‌। অ্যালোভেরার পাতার জেলি ত্বকে ব্যবহার করলে ত্বক মসৃণ হয়। ত্বকের একাধিক রোগ কমে।

    পিস লিলি অক্সিজেনের জোগান দেয় (Indoor Plants)

    বাড়ি সাজাতে অনেকেই নানান সুন্দর গাছ ব্যবহার করেন। তার মধ্যে অন্যতম হল পিস লিলি। এই গাছ বাড়ির যে কোনও জায়গায় রাখলেই আলাদা মাত্রায় সৌন্দর্য বাড়াবে। এই গাছ কম আলোতেও ভালো থাকে। এই শোওয়ার ঘরের কোণেও এই গাছ রাখা যায়।  তবে এই গাছের গুণ বিশেষ রকমের। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অক্সিজেন দ্রুত তৈরি করতে পারে পিস লিলি। তাই এই গাছ বাড়িতে থাকলে বাড়ির পরিবেশ সুস্থ থাকে। রোগের দাপট কমাতে পারে পিস লিলি। 

    আরেকা পাম সুস্বাস্থ্যের জন্য বিশেষ উপকারী 

    যে কোনও পাম জাতীয় গাছ বাতাসের দূষিত কণা দ্রুত টেনে নেয়। তবে ইন্ডোর প্ল্যান্ট (Indoor Plants) হিসেবে সব চেয়ে জনপ্রিয় আরেকা পাম। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই গাছের রক্ষণাবেক্ষণ সহজ। এই গাছ সহজেই বাড়ির বাতাস বিশুদ্ধ করে। বাতাসের দূষিত কণা টেনে নেওয়ার পাশপাশি বাড়ির পরিবেশকেও স্বাস্থ‌্যকর করে তোলে এই গাছ। 

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share