Tag: Madhyom

Madhyom

  • Rajiv Kumar: জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন কবে, জানিয়ে দিলেন রাজীব কুমার

    Rajiv Kumar: জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন কবে, জানিয়ে দিলেন রাজীব কুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই হয়ে যাবে জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভার নির্বাচন। লোকসভা নির্বাচন চলাকালীনই একথা জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি এ-ও জানিয়েছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার আগেই (সেপ্টেম্বরের মধ্যেই) শেষ হবে উপত্যকার নির্বাচন। তবে জম্মু-কাশ্মীরে ঠিক কবে হবে বিধানসভার নির্বাচন, এবার তা জানিয়ে দিলেন জাতীয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার (Rajiv Kumar)। তিনি জানিয়েছেন, শীঘ্রই আয়োজন করা হবে ওই নির্বাচনের। প্রসঙ্গত, ভূস্বর্গে শেষবার বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল ২০১৪ সালে।

    সাংবাদিক বৈঠকে রাজীব (Rajiv Kumar)

    সোমবার সাংবাদিক বৈঠক করেন রাজীব। সেখানেই তিনি জানান, কাশ্মীরে এবার ভোটের হার বেড়েছে তাৎপর্যপূর্ণভাবে। রাজীব বলেন, “উপত্যকার মানুষ গণতন্ত্রের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ ঠিক করতে প্রস্তুত।” এর পরেই তিনি বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরে আমরা খুব শীঘ্রই বিধানসভা নির্বাচনের আয়োজন করতে চলেছি। সেখানে লোকসভায় যে হারে মানুষ ভোট দিয়েছেন, তাতে আমরা উৎসাহিত।” জম্মু-কাশ্মীরে লোকসভার আসন রয়েছে পাঁচটি। জম্মুতে ভোট পড়েছে ৫৮.৫৮ শতাংশ। আর কাশ্মীরে ৫১.০৫ শতাংশ। রাজীব (Rajiv Kumar) বলেন, “চার দশকের মধ্যে এবার লোকসভা নির্বাচনে জম্মু-কাশ্মীরে ভোট পড়েছে সর্বোচ্চ, শতাংশের হিসেবে ৫৮.৫৮।”

    ভূস্বর্গে শেষ ভোট

    ২০১৪ সালের শেষের দিকে শেষ বারের মতো বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিয়েছিলেন ভূস্বর্গের মানুষ। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে দ্বিতীয়বার দিল্লির তখতে ফিরে ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ নম্বর ধারা বাতিল করে দেয় মোদি সরকার। এই ধারার বলে ভূস্বর্গ ভোগ করত বিশেষ অধিকার। সেই সময় বিলোপ করা হয়েছিল রাজ্যের মর্যাদাও। যদিও রাজনৈতিক অচলাবস্থার জেরে তার বছর তিনেক আগেই ভেঙে দেওয়া হয়েছিল বিধানসভা। জারি হয়েছিল রাষ্ট্রপতি শাসন। তার পর থেকে এখনও পর্যন্ত বিধানসভার নির্বাচন হয়নি উপত্যকায়। স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যের মর্যাদা ফিরে পায়নি জম্মু-কাশ্মীর।

    আর পড়ুন: “ধ্যানের মধ্যেও নিরন্তর ভেবেছি উজ্জ্বল ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    কেবল বিধানসভা নয়, অন্য কোনও ভোটও হয়নি উনিশের লোকসভা নির্বাচনের পর। দীর্ঘদিন পর এবার লোকসভা নির্বাচনে তাই হাত উপুড় করে ভোট দিয়েছেন উপত্যকাবাসী। যার জেরে উৎসাহিত কেন্দ্রের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনও (Rajiv Kumar)। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যেই জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন করতে হবে বলে আগেই নির্দেশ দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Milk Price: আমূলের পর  দুধের দাম বাড়াল মাদার ডেয়ারি, জানেন কেন বাড়ছে দাম?

    Milk Price: আমূলের পর দুধের দাম বাড়াল মাদার ডেয়ারি, জানেন কেন বাড়ছে দাম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমূলের পর মাদার ডেয়ারি (Mother Dairy)। ভোটের পর সোমবার থেকে দুধের দাম লিটার প্রতি ২টাকা করে বাড়াল মাদার ডেয়ারিও। বর্ধিত মূল্য (Milk Price) দিল্লি এবং এনসিআর এলাকার জন্য প্রযোজ্য। উৎপাদনের খরচ বাড়ার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, বলে জানিয়েছে সংস্থা।

    কেন বাড়ল দাম

    মাদার ডেয়ারি (Mother Dairy) সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ৩ জুন থেকে মাদার ডেয়ারির তরল দুধের দাম লিটার প্রতি ২ টাকা বাড়ানো হচ্ছে। উৎপাদনের খরচ বাড়ার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১৫ মাস পর মাদার ডেয়ারি দুধের দাম বাড়াল। মাদার ডেয়ারির তরফে জানানো হয়েছে, গত ১৫ মাসে প্যাকেটজাত তরল দুধের উৎপাদন এবং বণ্টনের মূল্য বৃদ্ধি (Milk Price) পেয়েছে। উৎপাদনের খরচ বাড়লেও, গ্রাহকদের কথা মাথায় রেখে এতদিন দুধের দাম বাড়ানো হয়নি। এবার দাম বাড়ালেও, তা মাত্র ৩ থেকে ৪ শতাংশই বৃদ্ধি করা হয়েছে। যা কিনা খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির হারের তুলনায় খুবই কম।  

    আরও পড়ুন: দুধের দাম বাড়াল আমূল, জানেন কত টাকা করে প্রতি প্যাকেট?

    কোথায় কত দাম

    দাম বাড়ার (Milk Price) পর মাদার ডেয়ারির (Mother Dairy) ফুল ক্রিম দুধের দাম লিটার প্রতি ৬৮ টাকা হবে। টোনড দুধের নতুন দাম লিটার প্রতি ৫৬ টাকা এবং ডবল টোনড দুধের দাম লিটার প্রতি ৫০ টাকা পড়বে। উল্লেখ্য, সোমবার থেকে আমুলেরও সব রকমের দুধের দাম লিটারে ২ টাকা করে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সংস্থার তরফে আরও জানানো হয়, মূলত দুধ প্রস্তুতিকরণ ও সরবরাহের কারণেই এই দাম বৃদ্ধি করতে হয়েছে। সারা দেশে গরম বৃদ্ধি পাওয়ায় দুধ উৎপাদন প্রভাবিত হয়েছে। আর সেই কারণেই বিক্রয়মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থা। দাম বাড়ালে উৎপাদনকারীরা লাভবান হবে। অন্যদিকে গ্রাহকদের কথা মাথায় রেখে খুব কমই দাম বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়ে দুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Arjun Singh: “তৃণমূলের নির্দেশে বিজেপির কাউন্টিং এজেন্টদের গ্রেফতার করছে পুলিশ”, সরব অর্জুন

    Arjun Singh: “তৃণমূলের নির্দেশে বিজেপির কাউন্টিং এজেন্টদের গ্রেফতার করছে পুলিশ”, সরব অর্জুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই ভোট গণনা শুরু হবে। তার  আগেই তৃণমূল কংগ্রেস এবং পুলিশকে তীব্র আক্রমণ করলেন বারাকপুরের বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং (Arjun Singh)। গণনা কেন্দ্রে কর্মীদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করবে তৃণমূল। এমনকী বিজেপির কাউন্টিং এজেন্টকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসাচ্ছে পুলিশ! এনিয়ে ট্যুইটও করেছেন তিনি।

    কাউন্টিং এজেন্টদের গ্রেফতার নিয়ে সরব অর্জুন (Arjun Singh)

    সোমবার সাংবাদিক সম্মেলন করে বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং (Arjun Singh) বলেন, বীজপুর বিধানসভার দুজন বিজেপি কর্মী তৃণমূলের অত্যাচারে ঘরছাড়া রয়েছেন। তাঁরা কল্যাণীতে ঘরভাড়া করে থাকেন। ভোটের দিন তাঁরা বুথে এজেন্ট ছিলেন। আমরা তাঁদের এবার কাউন্টিং এজেন্ট করেছি। তাঁদের দুজনকে মিথ্যে মামলায় ফাঁসিয়ে গয়েশপুর ফাঁড়ির পুলিশ গ্রেফতার করে। বিষয়টি নিয়ে কমিশনে ট্যুইট করেছিলাম। পরে, শুনলাম সোমবার তাঁদের ছে়ড়ে দেওয়া হয়েছে। আসলে তৃণমূলের পুলিশ এই কাজ করেছে। কাউন্টিং এজেন্টদের এভাবে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। মানুষ আর ওদের সঙ্গে নেই।

    <p

    style=”text-align: justify;”> 

    গণনা কেন্দ্রে জমায়েত তৃণমূলের, কমিশনে কাছে নালিশ অর্জুনের

    অর্জুন (Arjun Singh) আরও বলেন, টিটাগড় পুরসভার চেয়ারম্যান কমলেশ সাউ গণনা কেন্দ্রের পাশেই ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় তৃণমূল কর্মীদের জমায়েত করার নির্দেশ দিয়েছেন। ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় কোনও রাজনৈতিক দলের শিবির করা যায় না। আর যদি শাসক দল ওখানে তাদের শিবির করে, তাহলে আমাদেরও ক্যাম্প করার অনুমতি দিতে হবে। আমি বিষয়টি প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, নির্বাচন কমিশন সকলকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছি। কারণ, এভাবে জমায়েত করে সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে তৃণমূল। সেটা তারা করতে পারে না। বিশ্বস্ত সূত্র আমি খবর পেয়েছি, পুলিশ আমাদের ভোট গণনার কর্মীদের নাকা চেকিংয়ের নামে আটকানোর চেষ্টা করবে। তবে, আমরা লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত আছি। যেখানে বাধা পাবে, সেখানেই পাল্টা হবে। প্রসঙ্গত, এর আগে অর্জুন  সিং গণনা কেন্দ্রে পুরসভার চেয়ারম্যান, বিধায়কদের না ঢুকতে দেওয়ার জন্য কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। তাঁর যুক্তি ছিল, তৃণমূলের চেয়ারম্যান, বিধায়করা গণনা কেন্দ্রে ঢুকে ভোটকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election: মোদি তথা বিজেপির বড় জয়ের কামনায় বারাণসীর মন্দিরে রুদ্রাভিষেক

    Lok Sabha Election: মোদি তথা বিজেপির বড় জয়ের কামনায় বারাণসীর মন্দিরে রুদ্রাভিষেক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তম দফা লোকসভার ভোট শেষ হতেই দেশ জুড়ে সামনে এসেছে এক্সিট পোল। প্রতিটি এক্সিট পোলেই দেখা যাচ্ছে বিজেপির জয়জয়কার। সারা দেশের নজর এখন ৪ জুনের ফলাফলের দিকে। ঠিক এই আবহেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তথা বিজেপির বড় জয়ের কামনায় (Lok Sabha Election) বারাণসীর মহামৃত্যুঞ্জয় মন্দিরে রুদ্রাভিষেক করলেন জ্ঞানবাপী মামলার একদল মামলাকারী এবং আইনজীবী। এই রুদ্রাভিষেক পর্বে বিধি অনুসারে মহাদেবের দুগ্ধাভিষেক ও জলাভিষেক করা হয়।

    কী বললেন অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তারা?

    অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তারা এদিন সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমাদের একটাই প্রার্থনা যে বিজেপি তথা এনডিএ যেন ৪০০ আসন পায় এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যেন বড় জয় পান। এই কামনাই আমরা মহামৃত্যুঞ্জয় ভগবানের কাছে করেছি।’’ প্রসঙ্গত, বারাণসী কেন্দ্র থেকেই ২০১৪ সাল থেকে টানা জিতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Lok Sabha Election)। ২০১৯ সালের মতো এবারেও তাঁর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন কংগ্রেসের অজয় রাই। দেশের আধ্যাত্মিক রাজধানী বলে পরিচিত বারাণসীতে অষ্টাদশ লোকসভায় ভোটদান পর্ব সম্পন্ন হয়েছে গত ১ জুন।

    আরও পড়ুন: “ধ্যানের মধ্যেও নিরন্তর ভেবেছি উজ্জ্বল ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    রাম মন্দিরের মতো সমস্যার সমাধান হোক মথুরা ও জ্ঞানবাপী

    জ্ঞানবাপীর অন্যতম মামলাকারী শোভনলাল আর্য, তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘যেভাবে ভগবান রামচন্দ্রের মন্দির অযোধ্যাতে তৈরি হয়েছে, ঠিক একইভাবে জ্ঞানবাপী এবং মথুরাতেও সমস্যার সমাধান হোক। এটাই চাইছি। এছাড়াও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ক্ষেত্রেও শক্তিশালী নীতি নেওয়া প্রয়োজন এবং এগুলো তখনই সম্ভব যখন ভারতীয় জনতা পার্টি ব্যাপকভাবে জিতে আসবে (Lok Sabha Election)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজি ও ভারতীয় জনতা পার্টির বিপুল সাফল্য কামনায় আজকে সংকল্প নেওয়া হয়েছে মহামৃত্যুঞ্জয় মন্দিরে এবং রুদ্রাভিষেক করা হয়েছে ভগবানের কাছে। প্রার্থনা করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদীজি যেন বড় ব্যবধানে জেতেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।
     

  • Maniktala: মানিকতলায়  উপনির্বাচনের জট কাটল, শীঘ্রই ভোটের দিন ঘোষণা

    Maniktala: মানিকতলায়  উপনির্বাচনের জট কাটল, শীঘ্রই ভোটের দিন ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোট গণনার প্রস্তুতির মধ্যেই  মানিকতলা উপনির্বাচনের (Maniktala By Election) তোড়জোড় শুরু হয়ে গেল। উপনির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ এবং সংশ্লিষ্ট সূচি মুখবন্ধ খামে সুপ্রিমকোর্টে জমা দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, যে কোনও সময় নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ও বিধি ঘোষণা হতে পারে।

    বিধায়ক শূন্য মানিকতলা কেন্দ্র

    কলকাতা উত্তর লোকসভার মধ্যে পড়ে মানিকতলা বিধানসভা কেন্দ্র (Maniktala By Election)। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রয়াত হন মানিকতলার তৃণমূল বিধায়ক সাধন পাণ্ডে। সেই থেকে মানিকতলা কেন্দ্রটি বিধায়ক শূন্য। অথচ ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধি আইন বলে, কোনও বিধানসভা কেন্দ্র বিধায়ক শূন্য হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে উপনির্বাচন করাতে হবে। তবে মানিকতলার ক্ষেত্রে তা হয়নি।

    আরও পড়ুন: ভোট গণনার দিন বৃষ্টি! উত্তরে বর্ষা ঢুকলেও দক্ষিণে এখনও অপেক্ষা

    কেন দেরিতে উপনির্বাচন

    ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে সাধন পাণ্ডের বিরুদ্ধে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন কল্যাণ চৌবে। নির্বাচনের পর তিনি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন। বিষয়টি শীর্ষ আদালতে পৌঁছায়। মামলার কারণে ওই কেন্দ্রের বিধায়ক সাধন পাণ্ডে মারা যাওয়ার পর থমকে থাকে নির্বাচন। সম্প্রতি বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, একটি কেন্দ্রের উপনির্বাচনে কেন এত দেরি হচ্ছে, যেখানে চব্বিশের লোকসভা ভোটের সঙ্গে বরানগর ও ভগবানগোলা বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন হচ্ছে, সেখানে মানিকতলায় (Maniktala By Election) কেন ভোট নেওয়া হচ্ছে না? কমিশন ও মামলাকারীদের থেকে হলফনামা চায় শীর্ষ আদালত এবং দুমাসের মধ্যে উপনির্বাচনের সময়সীমাও বেঁধে দেয়। মামলাকারীর আবেদন ছিল, ৩০ জুনের মধ্যে উপনির্বাচন হলে ভালো হয়। ৩১ মে সুপ্রিম কোর্টের মুখবন্ধ খামে মানিকতলা উপনির্বাচনের প্রস্তাবিত দিনক্ষণ জানায় কমিশন। বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথন জানান, কমিশনের সক্রিয়তা সন্তোষজনক। এই মামলার আর ভিত্তি নেই, তাই তা খারিজ করা হল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Odisha Train accident: মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতিই সার, রেল দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারে আজও মেলেনি চাকরি

    Odisha Train accident: মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতিই সার, রেল দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারে আজও মেলেনি চাকরি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পয়েন্ট-সিগন্যালের সমস্যায় তিন ট্রেনের সংঘর্ষে মর্মান্তিক রেল দুর্ঘটনা ঘটেছিল ২০২৩ সালের ৩ জুন। ওড়িশার বাহানাগার রেল দুর্ঘটনায় (Odisha Train accident) মৃতদেহের স্তূপ থেকে শনাক্ত করা হয়েছিল মোট এই রাজ্যের ৯০ জনের মৃতদেহকে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মৃত পরিবারের একজন করে স্পেশাল হোমগার্ডে চাকরির কথা ঘোষণা করেছিলেন। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল খড়্গপুরের হীরা নায়েকের। আজ এক বছর অতিক্রম করলেও চাকরি মেলেনি হীরার মেয়ে ভবানীর। দরিদ্র অসহায় পরিবার দিন কাটাচ্ছেন আর্থিক সঙ্কটে।

    রেল দুর্ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী কী বলেছিলেন(Odisha Train accident)?

    গত বছর ৫ জুন হুগলির টোল প্লাজায় রেল দুর্ঘটনায় (Odisha Train accident) মৃতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “আমি ঠিক করেছি মৃত পরিবারকে পাঁচ লাখ করে টাকা দেব, সঙ্গে স্পেশাল হোমগার্ডের চাকরি দেব।” এরপর থেকে কাজ শুরু করেছিল প্রশাসন। খড়্গপুরের প্রশাসনের লোকেরা হীরার বাড়িতে গিয়ে চাকরির জন্য নথি দিতে বলেছিলেন। কিন্তু লাভ কিছুই মেলেনি মৃতের পরিবারগুলির। চাকরি আজও মেলেনি। প্রশ্ন করলে বর্তমান প্রশাসনের পক্ষ থেকে মহকুমা শাসক যোগেশ আশোকরাও বলেন, “ওই রেল দুর্ঘটনার অনেক পরে আমি এখানে দায়িত্বে এসেছি। আমার কাছে কেউ এই বিষয়ে সরাসরি এসে এখনও পর্যন্ত কেউ কিছু বলেননি। যদি এমন কোনও ঘটনা থাকে, তা হলে ৪ জুনের পরে আমার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করুন। আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখে নিশ্চই পদক্ষেপ গ্রহণ করব।”

    আরও পড়ুনঃ “দলের একাংশ কংগ্রেস-বিজেপির হয়ে কাজ করছে”, গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে বিস্ফোরক তৃণমূল নেতা

    পরিবারের বক্তব্য

    খড়্গপুরের আম্বেডকর রেলবস্তির বাসিন্দা হলেন ভবানী। গত বছর ২ জুন মৃত্যু হয়েছিল হীরা নায়কের। যশবন্তপুরের ইঞ্জিন থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল হীরার দেহ। মা কশিতা দাসকে চিকিৎসা করে কটক থেকে এই যশবন্তপুর এক্সপ্রেসেই ফিরছিলেন হীরা। কিন্তু পথেই ভয়াবহ দুর্ঘটনা (Odisha Train accident) ঘটেছিল। রাজ্য সরকারের সাহায্য বা চাকরির কোনও সুবিধাই পাননি তাঁরা। অত্যন্ত অভাবের মধ্যে দিন কাটছে পরিবারের। দুবেলা খাবার ঠিক মতো জোটে না ভাল ভাবে। হীরার পরিবারের তরফ থেকে মেয়ে ভবানী বলেছেন, “বার বার ঘুরেও নতুন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে দেখা করতে পারিনি। পরবর্তী সময়ে মুখ্যমন্ত্রীর নবান্নের শ্রমদফতরে গিয়ে ছিলাম। কিন্তু চাকরি হয়নি। মাননীয়া চাকরি দেবেন বলায় আমরা চেয়েছিলাম, কিন্তু চাকরি হল কোথায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election: শেষ দফায় বাংলায় ভোট পড়ল ৭৬.৮ শতাংশ, আগের সংখ্যা বদলে দিল কমিশন

    Lok Sabha Election: শেষ দফায় বাংলায় ভোট পড়ল ৭৬.৮ শতাংশ, আগের সংখ্যা বদলে দিল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ১ জুন শেষ হয়েছে দেশের ১৮তম লোকসভা নির্বাচনের অন্তিম তথা সপ্তম দফার ভোট গ্রহণ। শেষ দফাতে পশ্চিমবঙ্গের ন’টি কেন্দ্রে নির্বাচন (Lok Sabha Election) ছিল। নির্বাচন কমিশন যে তথ্য দিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে, শেষ দফায় পশ্চিমবঙ্গে ভোট পড়েছে ৭৬.৮ শতাংশ। প্রসঙ্গত, শেষ দফায় ভোট ছিল- দমদম, বারাসাত, বসিরহাট, জয়নগর, মথুরাপুর, ডায়মন্ড হারবার, যাদবপুর, কলকাতা উত্তর এবং কলকাতা দক্ষিণ কেন্দ্রে।

    রবিবার ও সোমবার কমিশনের দেওয়া পরিসংখ্যানে তারতম্য

    তবে উল্লেখযোগ্য ভাবে রবিবার নির্বাচন কমিশন (Lok Sabha Election) যে তথ্য প্রকাশ করে সেখানে দেখা যায় ভোটদানের গড় হার ছিল ৭৩.৭৯ শতাংশ। সোমবারই কমিশনের দেওয়া তথ্যে দেখা যায় যে ওই ভোটদানের গড় হার ৭৬.৮ শতাংশ। অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ভোটের হার বেড়ে গেল ৩ শতাংশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০২৪ সালে এই ন’টি কেন্দ্রে ভোটদানের গড় হার ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের থেকে কম। আজ অর্থাৎ সোমবারও দুটি বুথে পুনর্নির্বাচন চলছে যার মধ্যে একটি বুথ রয়েছে বারাসাত লোকসভার অন্তর্গত এবং অপরটি মথুরাপুর লোকসভার অন্তর্গত।

    ৯ কেন্দ্রে ভোটের হার

    সোমবার কমিশন জানায়, দমদমে ভোট পড়েছে ৭৩.৮১ শতাংশ। তবে রবিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই কেন্দ্রে ভোটের হার ছিল ৭২.৩৭ শতাংশ। রবিবার কমিশন বলেছিল, বারাসত লোকসভা কেন্দ্রে ভোটদানের হার ৭৬.১১ শতাংশ। সোমবারের দেওয়া তথ্যে দেখা যাচ্ছে, ওই কেন্দ্রে ভোটদানের হার বেড়ে হয়েছে ৮০.১৮ শতাংশ। বসিরহাট কেন্দ্রের ক্ষেত্রে কমিশন রবিবার জানিয়েছিল সেখানকার ভোটদানের হার ৮২.৮১ শতাংশ। তবে জানানো হয়েছে বসিরহাট লোকসভা (Lok Sabha Election) কেন্দ্রে ভোটদানের হার ৮৪.৩১ শতাংশ। জয়নগর লোকসভা কেন্দ্রেও কমিশনের দেওয়া তথ্যে ভোটদানের হার প্রায় সাড়ে তিন শতাংশ বেড়ে গিয়েছে সোমবার, তা হয়েছে ৮০.০৮ শতাংশ।

    ভোটের হার বদলে গেল ২৪ ঘণ্টায়

    রবিবার কমিশন জানিয়েছিল মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রে ভোটদানের হার ৮০.৭৩ শতাংশ। সোমবার তা বেড়ে হয়েছে ৮২.০২ শতাংশ। রবিবারের তুলনায় ডাময়ন্ড হারবারের ভোটদানের হারও বেড়েছে কমিশনের দেওয়া তথ্যে। সোমবার কমিশন জানিয়েছে এই কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৮১.০৪ শতাংশ। যাদবপুর, কলকাতা উত্তর এবং কলকাতা দক্ষিণেও একই তারতম্য দেখা গিয়েছে কমিশনের দেওয়া তথ্যে। সোমবার কমিশন জানিয়েছে, যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রে ভোটদানের হার ৭৬.৬৮ শতাংশ। কলকাতা উত্তর এবং কলকাতা দক্ষিণে ভোট পড়েছে যথাক্রমে ৬৩.৫৯ শতাংশ এবং ৬৬.৯৫ শতাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Burglar Enters House: চুরি করতে এসে এসি ঘরে ঘুমিয়ে গেল চোর! পুলিশের ডাকে ভাঙল ঘুম

    Burglar Enters House: চুরি করতে এসে এসি ঘরে ঘুমিয়ে গেল চোর! পুলিশের ডাকে ভাঙল ঘুম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একি আজব কাণ্ড বলুন দেখি! চুরি করতে এসে স্বয়ং চোরই (Burglar Enters House) কিনা ঘুমিয়ে পড়ল? আসলে চুরি করতে এসে এসির ঠান্ডা হাওয়া পেতেই ঘুমিয়ে পড়েছিল চোর। আর সেই ঘুম ভাঙল পুলিশের ডাকে। মজার এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) রাজধানী লখনউতে (Lucknow)। আর এই ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই হেসে লুটোপুটি খেতে শুরু করে নেটিজেনরা।

    ঠিক কী ঘটেছিল? 

    জানা গিয়েছে, ঘটনাটি লখনউ-এর (Lucknow) ইন্দিরানগর থানা এলাকার সেক্টর-২০ এর। সুনীল পান্ডে নামের ওই এলাকার এক ব্যক্তির ফাঁকা বাড়িতে ঢুকে পড়ে চোর। পেশায় ডাক্তার সুনীলবাবু ওইদিন  কাজের সূত্রে ছিলেন বারাণসীতে। আর সেই সুযোগেই ফাঁকা বাড়িতে চুরির উদ্দেশ্যে (Burglar Enters House) ঢুকে পড়ে চোর। বাড়ির মেন গেট খুলে ড্রয়িং রুমে পৌঁছতেই সেখানে এসি রয়েছে দেখে সেটা চালিয়ে দেয় সে। ঘর ঠান্ডা হতে শুরু করতেই চোখ ক্রমশ পড়ে আসতে থাকে চোরের। আর এরপর চুরি করা বাদ দিয়ে এক সময় সে মেঝেতে শুয়ে পড়ে। কিছুক্ষনের মধ্যেই গভীর ঘুমে চলে যায় চোর। 
    এদিকে, প্রতিবেশীরা গেট খোলা দেখে বাড়ির মালিক ডাক্তারবাবুকে ফোন করে খবর দেন। এরপর সুনীল বাবু বিষয়টি পুলিশকে জানান। পুলিশ (police) ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পায় চোর ঘরের এসি চালিয়ে আরামে ঘুমাচ্ছে। এরপর ঘটনাস্থল থেকে তাকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ।   

    আরও পড়ুন: ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বাংলার ৫৫ গণনাকেন্দ্রেই! ভোটগণনা ঘিরে তৎপর কমিশন

    পুলিশ আধিকারিকের মন্তব্য (Burglar Enters House) 

    এ প্রসঙ্গে ঘটনার দায়িত্বে থাকা পুলিশ আধিকারিক বলেন, “চোর চুরির উদ্দেশ্য নিয়ে ঢুকেছিল (Burglar Enters House) কিন্তু সে এসির ঠান্ডা হাওয়ায় ঘুমিয়ে পড়েছিল এবং এতটাই ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে যায় যে সে আর উঠতে পারেননি। প্রতিবেশীরা খবর দিলে তাকে আটক (Arrest) করা হয়।”

      
    যদিও চুরি করতে এসে চোরের ঘুমিয়ে পড়ার ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও অন্ধ্র প্রদেশের গোদাবরী জেলায় এক গৃহস্থের বাড়িতে চুরি করতে এসে এসি-র মায়ায় পড়ে ঘুমিয়ে পড়েছিল চোর। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Mandir: তাপপ্রবাহের জের, রামলালার পোশাক ও ডায়েটে আসল বিশেষ বদল

    Ayodhya Ram Mandir: তাপপ্রবাহের জের, রামলালার পোশাক ও ডায়েটে আসল বিশেষ বদল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বর্ষা প্রবেশ করলেও উত্তরপ্রদেশে তাপপ্রবাহ চলছে। তীব্র গরমে কষ্ট হচ্ছে রাম লালার (Ram Lala) । তাই প্রভুর জন্য বসল কুলারের পরিবর্তে এয়ার কন্ডিশন মেশিন। এই গরমে প্রভুকে সুস্থ রাখতে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে রাম মন্দির (Ayodhya ram Mandir) কর্তৃপক্ষের তরফে। প্রভুর দৈনন্দিন কার্যকলাপ এবং খাবারে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

    রাম লালাকে পরানো হচ্ছে সুতির পোশাক 

    প্রভু এই (Ayodhya ram Mandir)  মন্দিরে বিরাজ করছেন পাঁচ বছরের বালক রূপে। রাম লালার যাতে এই গরমে কষ্ট না হয় সেই কারণে সুতির পোশাক পরানো হচ্ছে। রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডের কারিগররা সুতি ও মলমলের পোশাক তৈরি করেছেন প্রভুর জন্য। চলতি বছর অন্ধ্রপ্রদেশের কলামকারি, পশ্চিমবঙ্গের জামদানি সুতি, ওড়িশার সম্বলপুরি পোশাক পড়েছেন প্রভু (Ram Lala) । তাঁকে গরমে ঠান্ডা রাখতে ফুলের অঙ্গরাগ করা হচ্ছে। প্রথমে এয়ার কুলার বসানো হলেও এবার গর্ভবৃহে বসানো হয় এয়ার কন্ডিশন। রাম লালাকে গরমে স্বস্তি দিতে তাঁর খাদ্যাভ্যাসও বদলানো হয়েছে রামলালাকে এখন ভোগে দেওয়া হচ্ছে দই, লসসি, ফলের রস। থাকছে শরীর ঠান্ডা রাখার জন্য তরমুজ, শসা, আম, লেবু ও নানা মরসুমী ফল। আরতির শিখার তাপে যাতে প্রভুর গরম না লাগে সেই কারণে শিখার প্রদীপের তেজ কম রাখা হচ্ছে।

    ভক্তদের জন্য ব্যবস্থা করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ 

    প্রভুর তীব্র তাপপ্রবাহে কষ্ট হলেও রামলালাকে দর্শন করতে এখনও হাজার হাজার ভক্ত আসছেন প্রতিদিন।ভারতবর্ষের নানান প্রান্ত থেকে ছাতা মাথায় ছুটে আসছেন তাঁরা। মন্দির কর্তৃপক্ষের (Ayodhya ram Mandir)  তরফ থেকে ভক্তদের জন্যও রয়েছে বিশেষ আয়োজন। গরম থেকে বাঁচতে মন্দিরের নানান প্রান্তে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: তাঁদের বীরত্ব ও দাপটের সামনে হার মানে আফগান বাহিনীও, জানুন নাগা সাধুদের ইতিহাস

    প্রসঙ্গত ৮ জুন অব্দি ‘নৌতপা’ চলবে। প্রতিবছর গ্রীষ্মের জ্যেষ্ঠ মাসে নটি দিন তীব্র গরম থাকে। এবার সেই নৌতপা ২৫ মে শুরু হয়েছিল। শেষ ছয়দিন সবচেয়ে বেশি গরম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর জন্যই প্রভুর (Ram Lala) উপর বিশেষ ধ্যান রাখছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Diarrhea: জামালপুরে ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত ১০০জন, মৃত্যু হল এক মহিলার, আতঙ্ক

    Diarrhea: জামালপুরে ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত ১০০জন, মৃত্যু হল এক মহিলার, আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পেটের গোলমাল,বমি-সহ ডায়ারিয়ার (Diarrhea) নানা উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ প্রায় ১০০ জন গ্রামবাসী। ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। আর এই ঘটনায় পূর্ব বর্ধমানের  জামালপুর ব্লকের পাঁচড়া গ্রামে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। কী করে একসঙ্গে এতজন ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত হল তা নিয়ে স্বাস্থ্য দফতরে চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে।

    আক্রান্তের সংখ্যা ১০০! (Diarrhea)

    স্থানীয় সূত্রে খবর, গত তিন-চারদিন ধরেই ওই গ্রামে ডায়ারিয়ার (Diarrhea) প্রকোপ দেখা দেয়। ঘরে ঘরে বমি, পায়খানা। গ্রামের লোকজনকে নিয়ে হাসপাতালে ছোটাছুটি চলে। সূত্রের খবর, মোট ৩২ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। সন্ধ্যা রায় নামে ৫৪ বছরের এক মহিলার মৃত্যু হয়। জামালপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে বর্ধমান নিয়ে যাওয়ার পথেই মারা যান তিনি। গ্রামবাসীদের দাবি, ডায়ারিয়াতে মারা গিয়েছেন তিনি। দিনের পর দিন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বহু মানুষ অসুস্থ হয়ে বাড়িতে রয়েছেন। সবমিলিয়ে বর্তমানে প্রায় ১০০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। গ্রামবাসীদের বক্তব্য, কী কারণে গ্রামের এতজন মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ল তা আমরা বুঝতে পারছি না। আমরা চরম আতঙ্কে রয়েছি। অবিলম্বে স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

    আরও পড়ুন: “স্বামীকে বেধড়ক মারল তৃণমূল, মাথা ফাটিয়ে দিল আমার,” মুখ খুললেন বিজেপি কর্মীর স্ত্রী

    ভারপ্রাপ্ত বিএমওএইচ কী বললেন?

    এই বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত বিএমওএইচ চন্দন মজুমদার বলেন, “আশা কর্মী, মেডিক্যাল অফিসার, মেডিক্যাল টিম সবই গ্রামে পাঠানো হয়েছে। জলও পাঠানো হয়েছে। সংক্রমণ একটা ছিল, তবে তা কমেছে। ফুড সেফটি অফিসার, বিডিও, ওসি এসেছিলেন।” ডায়ারিয়ায় (Diarrhea) আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ” ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত ওই রোগী স্থিতিশীলই ছিলেন। তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়ারও পরিকল্পনা ছিল। এই অবস্থায় রোগীর আচমকাই শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা শুরু হয়। এমার্জেন্সি হিসাবে যা যা মেডিক্যাল সাপোর্ট দেওয়া দরকার ছিল, দেওয়াও হয়। তবে, দুর্ভাগ্যজনিত কারণে তিনি মারা যান। কার্ডিও রেসপিরেটরি ফেলিওর হয়ে যায় তাঁর।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share