Tag: Madhyom

Madhyom

  • Indian Railway: এবার থেকে ওয়েটিং লিস্টের ঝামেলা থেকে মুক্তি! ট্রেনের টিকিটে বড় বদল

    Indian Railway: এবার থেকে ওয়েটিং লিস্টের ঝামেলা থেকে মুক্তি! ট্রেনের টিকিটে বড় বদল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দূরপাল্লার ট্রেনের যাত্রীদের জন্য এবার দারুণ খুশির খবর দিল ভারতীয় রেল (Indian Railway)। এবার থেকে আর ওয়েটিং লিস্টে থাকবে না টিকিট। প্রথমবারেই একেবারে হাতে পাওয়া যাবে কনফার্ম ট্রেনের টিকিট। কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব সম্প্রতি একটি ঘোষণা করে জানিয়েছেন, ভারত জুড়ে রেলপথ ভ্রমণে একটি নতুন যুগের সূচনা হতে চলেছে। এবার থেকে আর ওয়েটিং লিস্টের চিন্তা থাকবে না। প্রতিটি যাত্রী টিকিট কাটার সময় তাঁর যাত্রায় নির্দিষ্ট কনফার্ম বার্থ পাবেন। এদিন তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারতীয় রেলের (Railway Announcement) অসাধারণ বিবর্তন তুলে ধরে জনসাধারণকে জানান আগামী পাঁচ থেকে ছয় বছরের মধ্যে ভারতীয় রেল ওয়েটিং লিস্টের সমস্যা দূর করার লক্ষ্য নিয়েছে।

    যাত্রী সুবিধার্থে নতুন অ্যাপ লঞ্চ (Indian Railway) 

    বর্তমানে যাত্রী সুবিধার্থে ভারতীয় রেল (Railway Announcement) রেলওয়ে সুপার অ্যাপ নামে একটি নতুন অ্যাপ লঞ্চ করতে চলেছে। যেই অ্যাপের মাধ্যমে যাত্রীরা সহজেই টিকিট কাটা থেকে শুরু করে ভ্রমণ পরিষেবাগুলিকে স্ট্রিমলাইন করা ও রিয়েল টাইম তথ্য নজরে রাখতে পারবেন। রেলওয়ে সুপার অ্যাপ লঞ্চের ফলে যাত্রীরা তাদের রেল যাত্রায় একটি দৃষ্টান্ত পরিবর্তন লক্ষ্য করতে পারবেন। এই অ্যাপটি টিকিট বুকিং থেকে শুরু করে ভ্রমণ পরিকল্পনা পর্যন্ত বিস্তৃত পরিসেবাকে অন্তর্ভুক্ত করবে। যা ভারতীয় রেলের (Indian Railway) ক্ষেত্রে একটি বিপ্লব ঘটাবে।  

    আরও পড়ুন: হঠাৎ বিস্ফোরণ! জগন্নাথ দেবের চন্দন যাত্রায় ঝলসে গেলেন একাধিক ভক্ত

    ওয়েটিং লিস্ট সিস্টেম বন্ধের পরিকল্পনা 

    জানা গিয়েছে ওয়েটিং লিস্ট সিস্টেম বন্ধ করার জন্য ভারতীয় রেল (Indian Railway) প্রতিদিন ৩০০০ ট্রেন চালাতে পারে। বাজেট সেই মতো বরাদ্দ করা হয়েছে। ১ লক্ষ কোটি টাকা বাজেট। ৭ থেকে ৮ হাজার পুরনো ট্রেন পাল্টে ফেলা হবে। ট্রেনের গতি কমপক্ষে ৫০ কিমি প্রতি ঘণ্টা বাড়ানোর ব্যবস্থাও করছে রেল। ২৫০ কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে ছুটতে পারে এমন ১০০০টি ট্রেন চালানো হবে বলেও জানা যাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: বিরোধীদের ‘ব্রহ্মাস্ত্রে’ই তাঁদের ঘায়েল করলেন প্রধানমন্ত্রী, কীভাবে জানেন?

    PM Modi: বিরোধীদের ‘ব্রহ্মাস্ত্রে’ই তাঁদের ঘায়েল করলেন প্রধানমন্ত্রী, কীভাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রহ্মাস্ত্র প্রয়োগ করেছিলেন বিরোধীরা। তবে অস্ত্র প্রয়োগের সঠিক কৌশল না জানলে যে সেটি বুমেরাং হয়ে ফিরতে পারে, তা বোধহয় জানা ছিল না ইন্ডি জোটের নেতাদের! বিরোধীদের সেই ব্রহ্মাস্ত্রকেই হাতিয়ার করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শুধু হাতিয়ারই করলেন না, বিধোধীদের অস্ত্রেই কুপোকাত করলেন তাঁদের। হেঁয়ালি ছেড়ে আসা যাক খবরে।

    ‘ইন্ডি’র হাতিয়ার (PM Modi)

    দেশে চলছে অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন। নির্বাচন হচ্ছে সাত দফায়। ১৯ এপ্রিল শুরু হয়েছিল ভোটগ্রহণ-পর্ব। সপ্তম তথা শেষ দফার নির্বাচন হবে পয়লা জুন। এই নির্বাচনে বিজেপিকে পরাস্ত করতে জোট বেঁধেছে পদ্ম-বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। জোটের নাম ‘ইন্ডি’। প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এই জোটের নেতারাই বিভিন্ন জনসভায় দাবি করেছেন, কেন্দ্রে ফের মোদি সরকার এলে বিপন্ন হবে সংবিধান। এই সংবিধান রক্ষার্থেই ইন্ডিয়া ব্লককে ভোট দেওয়া প্রয়োজন বলে গলা ফাটিয়েছিলেন কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী, তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ইন্ডি জোটের বিভিন্ন নেতা।

    পাল্টা বাণ মোদির

    বিরোধীদের এই ব্রহ্মাস্ত্রকেই হাতিয়ার করে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) সেটি পাল্টা ছুড়েছেন বিরোধীদের দিকেই। নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “আপনারা যদি প্রকৃতই সংবিধান বাঁচাতে চান, গণতন্ত্র রক্ষা করতে চান, চান ওবিসিদের সংরক্ষণ, তাহলে আপনাদের উচিত বিজেপিকে ভোট দেওয়া।” কর্নাটকে মুসলমানদের জন্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাকেও নিশানা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর প্রশ্ন, “কীভাবে সংবিধানের বিধি লঙ্ঘন করে ধর্মের ভিত্তিতে মুসলমানদের সংরক্ষণের আওতায় আনা হল?”

    কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে বড় খোলসা

    প্রধানমন্ত্রীর দাবি যে নিছক কথার কথা নয়, তার প্রমাণ মেলে কলকাতা হাইকোর্কের রায়েই। লোকসভা নির্বাচন চলাকালীনই ২০১০ সালের পর পশ্চিমবঙ্গে যাঁদের ওবিসি শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে, সেগুলিকে ‘অবৈধ’ তকমা সেঁটে দিয়ে তা বাতিল করে দেয় উচ্চতর আদালত। আদালতের এই রায়কেও হাতিয়ার করে বিজেপি। প্রসঙ্গত, ন্যাশনাল কমিশন ফর ব্যাকওয়ার্ড ক্লাসেসের চেয়ারম্যান হংসরাজ আহির জানান, রাজ্যের ওবিসি তালিকায় ১৭৯টি শ্রেণির নাম রয়েছে। এর মধ্যে ১১৮টি শ্রেণিই মুসলমান সম্প্রদায়ভুক্ত।

    আর পড়ুন: ফের ইডির জেরার মুখে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা, এবার তলব রেশন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে

    রাহুল যখন বিজেপির বিরুদ্ধে সংবিধানকে দুর্বল করে দেওয়ার কথা বলছেন, তখনও তাকেই ‘বাণ’ হিসেবে বিরোধীদের দিকে ফিরিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “ওরা (কংগ্রেস) ভোটব্যাঙ্কের স্বার্থে সংবিধানকে অপমান করতে চায়। কিন্তু আমি তাদের বলতে চাই, যতদিন আমি বেঁচে থাকব, আমি তাদের দলিত, এসসি-এসটি এবং ওবিসিদের সংরক্ষণের ভাগ কমিয়ে মুসলমানদের দিতে দেব না। ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ করতে দেব না।”

    উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুরের এক জনসভায়ও প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “বিরোধীরা মুসলমানদের সংরক্ষণের আওতায় আনতে সংবিধান বদলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” অন্যত্র তিনি বলেছিলেন, “ইন্ডি জোটের নেতারা সংবিধান বদলে দেবে। তারা আবার নতুন করে সংবিধান লিখবে। ভারতে ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করবে (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Nutrition: ক্যান্সার থেকে হার্ট অ্যাটাক, রুখতে পারে কোন খাবার? কী কী খাবারে বাড়ছে সমস্যা?

    Nutrition: ক্যান্সার থেকে হার্ট অ্যাটাক, রুখতে পারে কোন খাবার? কী কী খাবারে বাড়ছে সমস্যা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ক্যান্সার, হার্ট অ্যাটাক কিংবা স্ট্রোক, যে কোনও বড় স্বাস্থ্যসঙ্কট আটকে দিতে পারে সঠিক খাবার (Nutrition)। আবার, শরীরে ফুসফুস থেকে লিভার, যে কোনও অঙ্গে রোগের অন্যতম কারণ হল খাবার। ওয়ার্ল্ড নিউট্রিশন ডে-তে পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, খাবারেই রয়েছে সুস্থ জীবনযাপনের চাবিকাঠি। সঠিক পুষ্টি যেমন মানুষকে সুস্থ রাখে, ঠিক তেমনি পুষ্টি সম্পর্কে অসচেতনতা বিপদ বাড়িয়ে দেয়। যা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক। একাধিক রোগেরও ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষত অপরিকল্পিত ডায়েটের অভ্যাস কমবয়সিদের জন্য একাধিক রোগের কারণ হয়ে উঠছে। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, কোন খাবারে বাড়ছে কোন রোগের ঝুঁকি?

    চিনি ও ময়দার তৈরি তেলে ভাজা খাবার বাড়াচ্ছে ক্যান্সারের ঝুঁকি! (Nutrition)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দেহের যে কোনও অঙ্গের কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ক্যান্সারের ঝুঁকি তৈরি করে। অতিরিক্ত মশলাদার খাবার, বিশেষত ময়দা আর চিনি দিয়ে তৈরি তেলে ভাজা খাবার এই ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, ময়দা শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। তাই অতিরিক্ত পরিমাণ ময়দার তৈরি জিনিস‌ খেলে ক্যান্সারের মতো‌ রোগের ঝুঁকিও বাড়ে‌।

    অতিরিক্ত মিষ্টি ডায়াবেটিসের কারণ

    পেস্ট্রি, কেক হোক কিংবা রসগোল্লা, সন্দেশ-যে কোনও মিষ্টিজাতীয় খাবার নিয়মিত খেলেই ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়বে। দেশজুড়ে ডায়াবেটিসের প্রকোপ বাড়ছে। শিশুদের মধ্যেও টাইপ ২ ডায়াবেটিসের প্রকোপ দেখা দিচ্ছে। যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, অধিকাংশ ভারতীয় শিশুকাল থেকেই নিয়মিত মিষ্টি খাওয়ায় অভ্যস্থ। এর জেরে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। কিডনি, হার্ট সহ একাধিক অঙ্গের উপরে তার প্রভাব পড়ছে (Nutrition)। পাশপাশি চিনি খাওয়ার অভ্যাস শরীরে বিপদ বাড়াচ্ছে। রান্নায় অতিরিক্ত পরিমাণ চিনি দেওয়া‌ কিংবা চা-কফিতে চিনি খাওয়ার অভ্যাস অত‌্যন্ত বিপজ্জনক বলেই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ।

    চর্বিযুক্ত খাবার বাড়াচ্ছে হৃদরোগের ঝুঁকি (Nutrition)

    মাংসের পদ হোক কিংবা প্রিজার্ভ করা খাবার বাড়াচ্ছে হৃদরোগের ঝুঁকি।‌ পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের অনেকের নিয়মিত খাদ্যতালিকায় ভিটামিন, কার্বোহাইড্রেটের সঙ্গে প্রাণীজ প্রোটিনের ভারসাম্য থাকে না।‌ অর্থাৎ সব্জির পরিমাণ কম থাকে। অথচ মাছ, মাংসের পরিমাণ বেশি থাকে। এর ফলে শরীরে প্রোটিন ও ফ্যাট বেশি পরিমাণে যায়। অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়। এর জেরে হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়ে।

    হজমের গোলমাল থেকে ত্বকের সমস্যা বাড়াচ্ছে বাড়তি তেল

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ভারতীয় প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল খাবারে খান। নিয়মিত রান্নায় অতিরিক্ত পরিমাণ তেল ব্যবহারের জেরে একদিকে লিভার, পাকস্থলীতে চাপ পড়ছে‌। হজমের গোলমাল হচ্ছে। হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়ছে। আবার অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় খাবার (Nutrition) খেলে ত্বকের একাধিক সমস্যা দেখা দেয়। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, সঠিক পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত খেলেই উপকার পাওয়া যাবে। রুখে দেবে নানান‌ রোগ।

    নিয়মিত মাশরুম ও রসুন রুখবে ক‌্যান্সার

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত না হলেও অন্তত সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন মাশরুম খাওয়া জরুরি। একাধিক আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, শরীরে ক্যান্সার রুখতে মাশরুম খুবই উপকারী। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, শরীরে দ্রুত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট জোগান দেয় মাশরুম। ক্যান্সার রুখতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট খুবই জরুরি। তাই মাশরুম খাদ্যতালিকায় রাখলেই উপকার পাওয়া যাবে। এর পাশপাশি ক্যান্সার রুখতে আরেক ভারতীয় উপকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। সেটা হলে রসুন। তাঁরা জানাচ্ছেন, রসুনে থাকে অ্যালিসিস। এই যৌগ ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

    নিয়মিত ৫-৬ লিটার জল কমাবে হজমের গোলমাল ও ত্বকের সমস্যা (Nutrition)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, পরিশ্রুত জল কমাবে হজমের সমস্যা।‌ লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়াতে ও হজমের গোলমাল কমাতে নিয়মিত একজন প্রাপ্তবয়স্কের ৫-৬ লিটার জল খাওয়া জরুরি। এর জেরে ত্বকও ভালো থাকবে। শুষ্কতা কমবে। ত্বকের যে কোনও রকমের সমস্যা কমিয়ে উজ্জ্বলতা বাড়াবে।

    খেজুর ও বাদাম কমাবে হৃদরোগের ঝুঁকি

    রোজকার খাবারের তালিকায় খেজুর, কাজু, আখরোট কিংবা কাঠবাদামের মতো উপাদান রাখলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে (Nutrition)। খেজুর, কাঠবাদাম কিংবা কাজুতে রয়েছে একাধিক খনিজ পদার্থ। পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজের মতো খনিজ পদার্থে ভরপুর এই খাবার নিয়মিত খেলে দেহে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা বাড়ে। ফলে, হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।

    লেবু বাড়াবে রোগ প্রতিরোধ শক্তি (Nutrition)

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, যে কোনও ঋতুতেই শরীর সুস্থ রাখতে জরুরি দেহের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ানো। নিয়মিত লেবু জাতীয় ফল খেলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়বে। কারণ লেবুতে থাকে‌ ভিটামিন সি। তাই নিয়মিত লেবু খেলে যে কোনও ভাইরাস‌ঘটিত রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া সহজ‌ হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ED: ফের ইডির জেরার মুখে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা, এবার তলব রেশন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে

    ED: ফের ইডির জেরার মুখে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা, এবার তলব রেশন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর পাঁচেক পরে ফের ইডির (ED) তলব অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে। ২০১৯ সালে ইডি তাঁকে জেরা করেছিল বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থা রোজভ্যালির আর্থিক নয়ছয়ের মামলায়। আর এবার অভিনেত্রীকে তলব করা হয়েছে রেশন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে। যে কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ানোয় জেলে বন্দি তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, সেই কাণ্ডেই এবার তলব করা হয়েছে ঋতুপর্ণাকে।

    ঋতুপর্ণাকে তলব ইডির (ED)

    ৫ জুন ইডির দফতরে ডেকে পাঠানো হয়েছে তাঁকে। উল্লেখ্য, তার ঠিক আগের দিনই ফল ঘোষণা হবে অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের। বর্তমানে আমেরিকায় রয়েছেন অভিনেত্রী। বুধবারই ই-মেলে তলব করা হয়েছে তাঁকে। ইডি (ED) সূত্রে খবর, রেশন কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার এক অভিযুক্তের সঙ্গে এই অভিনেত্রীর নগদ প্রায় এক কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে বলে তদন্তে জানা গিয়েছে। কেন লেনদেন করা হয়েছে ওই পরিমাণ নগদ অর্থ, পাঠানোই বা হয়েছে কোথায়, তা জানতেই অভিনেত্রীকে তলব বলে ইডিরই সূত্রের খবর।

    রোজভ্যালিকাণ্ডে তলব

    এক সময় টলিউডের বেশ কয়েকটি ছবি প্রযোজনা করেছিল বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থা রোজভ্যালি। তার কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করেছিলেন প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা জুটি। সেই সূত্রেই রোজভ্যালির কর্ণধার গৌতম কুণ্ডুর সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল অভিনেত্রীর। তার জেরেই ২০১৯ সালের জুলাই মাসে তাঁকে ও প্রসেনজিৎকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। সেবার সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে গিয়ে ইডির মুখোমুখি হয়েছিলেন ঋতুপর্ণা।

    রেশন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন একাধিক তৃণমূল নেতা। এই তালিকায় রয়েছেন জ্যোতিপ্রিয়, বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্যও। রেশন ডিলার বাকিবুর রহমানকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। এই বাকিবুরই মূল অভিযুক্ত বলে খবর।

    আর পড়ুন: ‘‘অর্ধসত্য, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা বন্ধ করুন’’, কৌশিক বসুকে পাঠ পড়ালেন বিশেষজ্ঞরা

    রেশন কেলেঙ্কারিকাণ্ডের তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পেয়েছেন ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা। এই কেলেঙ্কারিতে যুক্ত কয়েকজনকে জেরা করার সময় একাধিকবার শোনা গিয়েছে ঋতুপর্ণার নাম। কেবল তাই নয়, রেশন কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার এক অভিযুক্তের সঙ্গে এই অভিনেত্রীর নগদ প্রায় এক কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে বলেও জেনেছেন তদন্তকারীরা। সেই সূত্রেই ফের একবার ইডির মুখোমুখি হতে হবে টলিউডের এই অভিনেত্রীকে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, অভিনেত্রীকে কোন কোন বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে, তাও চূড়ান্ত করে ফেলেছেন ইডির আধিকারিকরা। এখন দেখার, মার্কিন মুলুক থেকে এসে অভিনেত্রী ইডির (ED) মুখোমুখি হন কিনা!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Monsoon 2024: কেরলে ঢুকে পড়ল বর্ষা, কয়েক দিনেই পৌঁছবে উত্তর-পূর্ব ভারতে

    Monsoon 2024: কেরলে ঢুকে পড়ল বর্ষা, কয়েক দিনেই পৌঁছবে উত্তর-পূর্ব ভারতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার কেরলে বর্ষা প্রবেশ করল। ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (IMD) জানিয়েছে, আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যে উত্তর-পূর্ব ভারতেও মৌসুমী বায়ু (Monsoon 2024) ঢুকে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর জেরে টানা বৃষ্টিপাতের (Heavy Rainfall) সম্ভাবনা রয়েছে। ২৮ মে পর্যন্ত বৃষ্টি দক্ষিণ আরব সাগর এবং মালদ্বীপ অঞ্চলে পৌঁছেছিল।

    যেসব অঞ্চলে বেশি বৃষ্টি হবে (Monsoon 2024)

    “বর্ষার (Monsoon 2024) অনুকূল পরিস্থিতি অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। দক্ষিণ আরব সাগরের আরও বেশি এলাকায় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর অগ্রগতি, মালদ্বীপের অবশিষ্ট অংশ এবং কমোরিন অঞ্চল, লক্ষদ্বীপ এলাকার কিছু অংশ, কেরালা, দক্ষিণ-পশ্চিমের অতিরিক্ত অঞ্চল এবং আগামী তিন বা চার দিনের মধ্যে কেন্দ্রীয় বঙ্গোপসাগর, উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলির কিছু অংশে টানা বর্ষা হবে” আইএমডি জানিয়েছে। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার কেরলে প্রাক-বর্ষার বৃষ্টিতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়েছে। রাজ্যের বেশ কয়েকটি শহরে রাস্তাগুলি প্লাবিত হয়। যার ফলে স্থানীয়দের বাড়ির বাইরে পা রাখা কঠিন হয়ে পড়েছিল।

    আরও পড়ুন: হঠাৎ বিস্ফোরণ! জগন্নাথ দেবের চন্দন যাত্রায় ঝলসে গেলেন একাধিক ভক্ত

    কাক্কানাদ-ইনফোপার্ক এবং আলুভা-এডাপ্পল্লি এলাকায় ব্যাপক জলমগ্ন ছিল। সোমবার রাত থেকে তিরুবনন্তপুরম জেলায় প্রবল বর্ষণ চলছে। বর্তমানে, মধ্যম ট্রপোস্ফিয়ারিক স্তরে একটি ঘূর্ণিঝড় দক্ষিণ তামিলনাড়ু এবং এর আশেপাশের অঞ্চলে অবস্থান করছে। এর ফলে কেরল, লক্ষদ্বীপ এবং আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ঝড়, বজ্রপাত এবং দমকা হাওয়া (৩০-৪০ কিমি প্রতি ঘণ্টা) সহ বিস্তৃত এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তামিলনাড়ু, পুদুচেরি, কারাইকাল, উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলঙ্গানা, রায়ালসীমা এবং কর্নাটকের মত রাজ্যগুলিতেও আগামী সাত দিন বিক্ষিপ্ত হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

    বহু অংশে বৃষ্টি কম হবে

    আইএমডি-র পূর্বাভাস, জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত (Monsoon 2024) প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সারা দেশে মৌসুমী বৃষ্টিপাত গড় বৃষ্টিপাতের ১০৬ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তবে উত্তর-পশ্চিম ভারত, উত্তর-পূর্ব ভারত, মধ্য ভারতের পূর্ব অংশ এবং পূর্ব ভারতের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে অনেক জায়গায় স্বাভাবিক থেকে স্বাভাবিকের কম বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Puri Chandan Yatra:  হঠাৎ বিস্ফোরণ! জগন্নাথ দেবের চন্দন যাত্রায় ঝলসে গেলেন একাধিক ভক্ত

    Puri Chandan Yatra:  হঠাৎ বিস্ফোরণ! জগন্নাথ দেবের চন্দন যাত্রায় ঝলসে গেলেন একাধিক ভক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই রথযাত্রা। সেজে উঠছে পুরী। কিন্তু রথযাত্রার আগেই ঘটল বিপত্তি। জগন্নাথ দেবের চন্দন যাত্রায় (Puri Chandan Yatra) ভয়াবহ দুর্ঘটনা। বাজি ফেটে ঝলসে গেলেন বহু ভক্ত। বুধবার রাতে ওড়িশার (Odisha) পুরীতে চন্দন যাত্রা উপলক্ষে  জড়ো হয়েছিলেন হাজার হাজার ভক্ত। তখনই ঘটে এই দুর্ঘটনাটি। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ২০ জনেরও বেশি গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, আতশবাজি থেকেই আগুন লেগেছিল। ঘটনার পরেই আতঙ্ক ছড়ায় এলাকায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে প্রশাসন। অ্যাম্বুল্যান্সে করে জখমদের নিয়ে আসা হয় হাসপাতালে। শুরু হয় চিকিৎসা।   

    কী করে ঘটল এই দুর্ঘটনা? (Puri Chandan Yatra) 

    জগন্নাথদেবের চন্দন যাত্রা উপলক্ষে পুরীর নরেন্দ্র পুষ্করিণী এলাকায় কয়েক’শ পুণ্যার্থী জড়ো হয়েছিলেন। আসলে এই দিনে রথযাত্রা উৎসবের জন্য পুরীতে রথ নির্মাণ শুরু হয়ে থাকে। তাই এই উৎসবে অনেকে সেখানে বাজি পুড়িয়ে আনন্দ করছিলেন। সেই সমস্ত বাজি ওখানেই জড়ো রাখা ছিল। আর তার থেকেই বাধে বিপত্তি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাজি পোড়ানোর সময় আগুনের ফুলকি ছিটকে এসে লাগে বাজির স্তূপে। সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়। একের পর এক বাজি ফাটতে শুরু করে। 

    যেখানে বাজি রাখা ছিল, তার আশেপাশে যারা ছিলেন, তারা অগ্নিদ্বগ্ধ হন। অনেকে প্রাণ বাঁচাতে সরোবরে ঝাঁপ দেন। জানা গিয়েছে হটাৎ এই দুর্ঘটনায় অন্তত ২০ জন জখম হয়েছেন। সকলেই জেলার সদর হাসপাতালে ভর্তি। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।  

    ঘটনায় শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর 

    এই ঘটনায় (Puri Chandan Yatra) শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক। তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে তিনি আহত ব্যক্তিদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়াও আহতদের চিকিৎসার খরচ ওড়িশার (Odisha) মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে মেটানো হবে বলেও জানানো হয়েছে। পুরো বিষয়টির দিকে নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।  

    আরও পড়ুন: ‘‘অর্ধসত্য, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা বন্ধ করুন’’, কৌশিক বসুকে পাঠ পড়ালেন বিশেষজ্ঞরা

    শোক প্রকাশ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    অন্যদিকে এ ঘটনায় (Puri Chandan Yatra) কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানও গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি লিখেছেন, “দুর্ভাগ্যজনক এই ঘটনার কথা আমি শুনেছি। আমি অত্যন্ত দুঃখিত। আমার প্রার্থনা ভগবানের আশীর্বাদে যেন আহত ব্যক্তিরা দ্রুত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরতে পারেন।”  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kaushik Basu: ‘‘অর্ধসত্য, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা বন্ধ করুন’’, কৌশিক বসুকে পাঠ পড়ালেন বিশেষজ্ঞরা

    Kaushik Basu: ‘‘অর্ধসত্য, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা বন্ধ করুন’’, কৌশিক বসুকে পাঠ পড়ালেন বিশেষজ্ঞরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের অর্থনীতির আমূল পরিবর্তন হয়েছে গত দশ বছরে। মোদি জমানায় ভারতের অর্থনীতির লেখচিত্র যে ঊর্ধ্বগামী, তাও মেনে নিয়েছেন বিশ্বের অর্থনীতিবিদদের সিংহভাগই। দেশ এগোচ্ছে উন্নত ভারতের স্বপ্ন বুকে নিয়ে। এহেন আবহে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বেকারত্বকেই হাতিয়ার করছেন বিরোধীরা। এবার তাতে ইন্ধন জোগালেন প্রাক্তন মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ কৌশিক বসুও (Kaushik Basu)।

    নেটিজেনদের নিশানায় অর্থনীতিবিদ (Kaushik Basu)

    তার পরেই তাঁকে নিশানা করেছেন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা। তাঁরা বলছেন, “ভুল তথ্য দেবেন না, বিপথে চালিত করবেন না। দেশে বেকারত্বের হার মাত্রই দু’শতাংশ।” বুধবার কৌশিক সরকারকে অনুরোধ করেছেন ভারতে ক্রমবর্ধমান বেকারত্বে রাশ টানতে। তিনি বলেন, “সিএমআইই-র সাম্প্রতিক ডেটা থেকে জানা যাচ্ছে, ভারতের যুব বেকারত্বের হার পৌঁছে গিয়েছে অ্যালার্মিং লেভেলে। বর্তমানে এর হার ৪৫.৪ শতাংশ, বিশ্বের মধ্যে সব চেয়ে বেশি।”

    কী বলেছেন কৌশিক বসু?

    কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন অর্থনীতির পাঠ দেন কৌশিক (Kaushik Basu)। তিনি বলেন, “দেশের স্বার্থে আমরা অবশ্যই স্লোগানের আড়ালে লুকিয়ে যাব না। রাজনীতিকে সরিয়ে রাখব এক পাশে। এবং উপযুক্ত পদক্ষেপ করব।” কৌশিকের মন্তব্যে সোশ্যাল মিডিয়াজুড়ে সমালোচনার ঝড়। সোশ্যাল মিডিয়া ইউজার সাথী বেল্লাম লিখেছেন, “যে ৪৫ শতাংশ বেকারত্বের কথা আপনি বলছেন, এরা ২০-২৪ বছর বয়সী। এদের অধিকাংশই এখনও পড়াশোনা করছেন। ৩০ এর ওপরে যাঁদের বয়স, তাঁদের ক্ষেত্রে বেকারত্বের হার মাত্র ২ শতাংশ। এর অর্থ হল, পড়াশোনা শেষ করে অধিকাংশই কাজ পেয়ে যাচ্ছেন।”

    কৌশিকের ৪৫ শতাংশ বেকারত্ব তত্ত্বের দাবি ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়েছেন এক প্রবীণ টেকনোক্র্যাট অ্যান্ড সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারও। সাথীর মতো তিনিও জানিয়ে দিয়েছেন যে ৪৫ শতাংশ বেকারত্বের কথা বলা হচ্ছে, তারা সবাই ২০-২৪ বছর বয়সী। যাঁদের সিংহভাগই পড়াশোনা করছেন। তিনি লিখেছেন, “৩০ বছর এবং তার ওপরে যাঁদের বয়স, তাঁদের ক্ষেত্রে বেকারত্বের হার মাত্র ২ শতাংশ। এই একই রিপোর্ট অনুযায়ী, আপনি উদ্ধৃতি দিচ্ছেন। অপপ্রচারের চূড়ান্ত (Kaushik Basu)।”

    আর পড়ুন: ভারতীয় অর্থনীতি পজিটিভ, জানিয়ে দিল এস অ্যান্ড পি গ্লোবাল রেটিং

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • S&P Global Rating: ভারতীয় অর্থনীতি পজিটিভ, জানিয়ে দিল এস অ্যান্ড পি গ্লোবাল রেটিং

    S&P Global Rating: ভারতীয় অর্থনীতি পজিটিভ, জানিয়ে দিল এস অ্যান্ড পি গ্লোবাল রেটিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘স্টেবল’ তকমা আগেই জুটেছিল। এবার মিলল ‘পজিটিভ’ ছাপও। এস অ্যান্ড পি গ্লোবাল রেটিংয়ের (S&P Global Rating) তরফে এভাবেই ‘গুণকীর্তন’ করা হয়েছে ভারতীয় অর্থনীতির। ভারতীয় অর্থনীতির এই বদল যে আসলে দেশের শক্তিশালী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিই প্রমাণ করে, তাও জানানো হয়েছে ওই রেটিং সংস্থার তরফে। বুধবার সংস্থার তরফে যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে ভারতের ক্রেডিট রেটিং উল্লেখ করা হয়েছে ‘বিবিবি-’। ‘বিবিবি মাইনাস’ হল সর্বনিম্ন বিনিয়োগ গ্রেড রেটিং দেওয়া।

    কী বলছে রেটিং সংস্থা? (S&P Global Rating)

    সংস্থার (S&P Global Rating) তরফে বলা হয়েছে, আগামী দু-তিন বছরের মধ্যেই আমূল বদলে যাবে ভারতীয় অর্থনীতির হাল। গত দশ বছরে ভারত সরকার যে অর্থনৈতিক সংস্কার করে চলেছে, তার জেরেই ক্রমেই উন্নত হচ্ছে ভারতীয় অর্থনীতি। রেটিং ওই সংস্থার তরফে জানা গিয়েছে, ভারতীয় অর্থনীতির দৃঢ় প্রবৃদ্ধি, তাৎপর্যপূর্ণভাবে সরকারি ব্যয়ে নিয়ন্ত্রণ এবং দেশের অর্থনীতি মজবুত করার যে দৃঢ় অঙ্গীকার করেছে সরকার, তার জেরেই দেশের অর্থনীতির এই উৎকর্ষ সাধন। এস অ্যান্ড পি-র রিপোর্টে বলা হয়েছে, “আমরা বিশ্বাস করি এই ফ্যাক্টরগুলি এবং ক্রেডিট মেরিটের সুফলই পাচ্ছে ভারতীয় অর্থনীতি।” রেটিং সংস্থার মূল্যায়নকে স্বাগত জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তিনি বলেন, ‘‘এস অ্যান্ড পি-র সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আগামী বছরগুলিতে ভারতের মজবুত বৃদ্ধির হার এবং দেশের অর্থনৈতিক রূপরেখা প্রতিফলিত হচ্ছে।’’ 

    আউটলুক পরিবর্তনের অর্থ

    এস অ্যান্ড পি গ্লোবাল রেটিং (S&P Global Rating) হল একটি মার্কিন মূল্যায়ন সংস্থা। এটি এস অ্যান্ড পি গ্লোবালের একটি বিভাগ যা স্টক, বন্ড এবং পণ্যের ওপর আর্থিক গবেষণা ও বিশ্লেষণ প্রকাশ করে।আউটলুক পরিবর্তন মানে আগামী দু’বছরে রেটিং আপগ্রেড হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সংস্থার তরফে বলা হয়েছে, “বর্তমানে ভারতের কাছে চ্যালেঞ্জ হচ্ছে আর্থিক ঘাটতি, উচ্চ ঋণপত্র এবং করের বোঝা। তা সত্ত্বেও, ভারতের আর্থিক বৃদ্ধি অটূট।” সংস্থার আশা, আর্থিক ঘাটতির হার চলতি অর্থবর্ষে ৭.৯ শতাংশ থেকে কমে  ২০২৮ অর্থবর্ষ নাগাদ ৬.৮ শতংশ হতে পারে। সংস্থাটির মতে, আগামী তিন বছর ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির হার যদি ৭ শতাংশ থাকে, তাহলে অচিরেই জিডিপি ও ঘাটতির অনুপাত কমে আসবে। এস অ্যান্ড পি তাদের রিপোর্টে বলেছে, “ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী প্রতিফলিত করে যে অব্যাহত নীতিগত স্থিতিশীলতা, গভীরতর অর্থনৈতিক সংস্কার এবং উচ্চ পরিকাঠামো বিনিয়োগ দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা বজায় রাখবে।”

    আর পড়ুন: সিএএ শংসাপত্র বিলির কাজ শুরু বাংলায়, বড় ঘোষণা শাহের মন্ত্রকের

    ভারতের অর্থনীতির ভিত যে ক্রমেই মজবুত হচ্ছে, তার প্রমাণ মিলেছে মোদি সরকারের আমলে দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তির অবস্থানেই। ২০১৪ সালের আগে বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ভারত ছিল ১০ নম্বরে। মোদি সরকারের দশ বছরের রাজত্বে ওই তালিকায় ভারতের জায়গা হয়েছে পাঁচ নম্বরে। অর্থনীতিবিদদের সিংহভাগের মতে, আগামী এক বছরের মধ্যেই ভারত চলে আসবে ওই তালিকার চার নম্বরে। তার আগে থাকবে কেবলই আমেরিকা, চিন এবং জাপান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • CAA: সিএএ শংসাপত্র বিলির কাজ শুরু বাংলায়, বড় ঘোষণা শাহের মন্ত্রকের

    CAA: সিএএ শংসাপত্র বিলির কাজ শুরু বাংলায়, বড় ঘোষণা শাহের মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন, সংক্ষেপে সিএএ (CAA) অনুযায়ী শংসাপত্র বিলির স্থান-কাল জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। আপাতত এই শংসাপত্র বিলি হবে পশ্চিমবঙ্গ, হরিয়ানা এবং উত্তরাখণ্ডে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বুধবার থেকে সিএএ আইন অনুযায়ী শংসাপত্র বিলির কাজ শুরু করেছে সিএএ সংক্রান্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি। প্রসঙ্গত, গত ১৫ মে প্রথমবার তিনশো জন আবেদনকারীকে সিএএ-র শংসাপত্র বিলি করেছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার। দিল্লিতে ১৪ জন আবেদনকারীর হাতে এই শংসাপত্র তুলে দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয়কুমার ভাল্লা স্বয়ং।

    সিএএ শংসাপত্র বিলি শুরু (CAA)

    বুধ-সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA), ২০২৪ এর আওতায় পশ্চিমবঙ্গে নাগরিকত্ব শংসাপত্র মঞ্জুরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আজ প্রথম দফার আবেদনকারীদের নাগরিকত্ব প্রদান করেছে পশ্চিমবঙ্গের এমপাওয়ার্ড কমিটি। একইভাবে হরিয়ানা এবং উত্তরাখণ্ডেও বুধবার থেকে প্রথম দফার আবেদনপত্রগুলির ভিত্তিতে নাগরিকত্ব প্রদান শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের এমপাওয়ার্ড কমিটি।

    সিএএ

    গত ১১ মার্চ, দেশজুড়ে লাগু হয় সিএএ। যদিও ২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর সিএএ পাশ করিয়েছিল মোদি সরকার। সংসদের দুই কক্ষেই বিলটি পাশ হওয়ার পর পাঠানো হয় রাষ্ট্রপতির কাছে। বিলটিতে স্বাক্ষর করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। এই আইন অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তানের মতো দেশ থেকে যে সব অ-মুসলিম মানুষ ধর্মীয় অত্যাচারের কারণে এ দেশে এসে আশ্রয় নিয়েছেন এবং অন্তত পাঁচ বছর ভারতে বাস করছেন, তাঁরা নাগরিকত্বের শংসাপত্র পেতে সিএএতে আবেদন করতে পারেন বলেও জানিয়েছে কেন্দ্র।

    আর পড়ুন: ইভিএম পরীক্ষার আবেদন করতে পারবেন ‘হেরো’ প্রার্থীরা, বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের

    সিএএ আইনের ব্যাখ্যায় যাঁরা পাঁচ নম্বরের অন্তর্ভুক্ত, তাঁদেরও আবেদনের কথা ভাবতে হতে পারে। এই ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ২০০৪ সালের ৩ ডিসেম্বর কিংবা তার পরে যাঁদের ভারতে জন্ম, তাঁদের বাবা-মা দুজনেই ভারতীয় হলে, তিনিও এ দেশের নাগরিক। কিন্তু বাবা-মায়ের মধ্যে অন্তত একজন ভারতীয় নাগরিক না হলে প্রশ্নের মুখে পড়বে তাঁদের সন্তানের নাগরিকত্ব (CAA)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Highest Temperature: ৫২.৩ ডিগ্রি ছুঁয়ে ফেলল দিল্লি, দেশের সর্বকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা

    Highest Temperature: ৫২.৩ ডিগ্রি ছুঁয়ে ফেলল দিল্লি, দেশের সর্বকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাপপ্রবাহে রেকর্ড গড়ল দিল্লি, বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছায় রাজধানীতে (Highest Temperature) ৫২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস । ভারতে এর আগে কোথাও এত বেশি তাপমাত্রা কখনও দেখা যায়নি। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহের শেষের দিকেই পূর্বাভাস দিয়েছিল আবহাওয়া দফতর যে রাজধানীতে তীব্র তাপপ্রবাহ হতে চলেছে। সেই মতো আবহাওয়া দফতর জানিয়েছিল যে বুধবার দিল্লির তাপমাত্রা পৌঁছাতে পারে ৪৫ ডিগ্রির থেকে সামান্য বেশি। কিন্তু সেই যাবতীয় পূর্বাভাসকে মিথ্যা প্রমাণ করে দিয়ে ৫২ ডিগ্রির বেশি ছুঁয়েছে তাপমাত্রা।

    এর আগে ২০১৬ সালে ভারতের সর্বকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা দেখা গিয়েছিল

    এর আগে ভারতের সর্বকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা দেখা গিয়েছিল ২০১৬ সালে। ওই বছরের ১৯ মে রাজস্থানের ফলোদি শহরে তাপমাত্রা পৌঁছেছিল ৫১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, কিন্তু বুধবার সেই সমস্ত কিছুকে পিছনে ফেলে দিয়েছে দিল্লি। ঘটনাক্রমে বুধবার ফালোদির তাপমাত্রা ছিল ৫১° সেলসিয়াস। হরিয়ানার সিরসায় এদিন তাপমাত্রা পৌঁছায় ৫০.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে ভারতের আবহাওয়া বিভাগের আঞ্চলিক প্রধান, কুলদীপ শ্রীবাস্তব বলেছেন, “দিল্লিতে আগেই তীব্র গরম আবহাওয়া ছিল। রাজস্থান থেকে আসা গরম বাতাসের কারণে রাজধানীর কিছু বিশেষ অংশের আবহাওয়া আরও খারাপ হয়ে গিয়েছে। মুঙ্গেশপুর, নারেলা এবং নজফগড়ের মতো অঞ্চলগুলিতে (Highest Temperature) এই গরম বাতাসের পূর্ণ শক্তি দেখা যাচ্ছে।”

    জল নষ্ট করলেই নাগরিকদের দিতে হবে জরিমানা  

    অন্যদিকে এই সময়ে দিল্লি সরকার ঘোষণা করেছে যে জল নষ্ট করলেই নাগরিকদের দিতে হবে জরিমানা। জল অপচয় করতে দেখা গেলেই দু হাজার টাকা করে জরিমানা নেওয়া হবে। কারণ প্রচণ্ড গরমে ইতিমধ্যে রাজধানীতে জল সংকট দেখা দিয়েছে। ওই নতুন নিয়ম অনুযায়ী কোনও বাড়ির জলের ট্যাঙ্ক থেকে জল উপচে পড়লে, ব্যক্তিগত গাড়ি বা অন্যান্য যানবাহন ধোয়া নির্মাণ ও বাণিজ্যিক কারণে পানীয় জল (Highest Temperature) ব্যবহার করলে জরিমানা গুনতে হবে। কোথাও কোনও জল অপচয় হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে ২০০টি দল মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে দিল্লি সরকার। এই নিয়ম লঙ্ঘন করলেই দিতে হবে জরিমানা। বৃহস্পতিবার সকাল আটটা থেকে এই ২০০টি দল কাজ শুরু করবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share