Tag: Nadia

Nadia

  • Mandarmani: যুবতীকে ধর্ষণ করে খুন, উদ্ধার মন্দারমণিতে, নারীপাচার চক্রের যোগ!

    Mandarmani: যুবতীকে ধর্ষণ করে খুন, উদ্ধার মন্দারমণিতে, নারীপাচার চক্রের যোগ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:১১ সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে মন্দারমণির (Mandarmani) চাঁদপুরে অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবতীর অর্ধনগ্ন মৃতদেহ উদ্ধার হয়। সেই যুবতীর পরিচয় পেলেন তদন্তকারীরা। যুবতীর বাড়ি নদিয়ার তাহেরপুরে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, তাঁকে ধর্ষণ করে শ্বাসরোধ খুন করা হয়েছে। মন্দারমণি, চাউলখোলা এলাকায় একটি নারী পাচার চক্র রয়েছে। তারা বিভিন্ন এলাকা থেকে গরিব মেয়েদের ভাল কাজ দেওয়ার নাম করে নিয়ে এসে বিপথে চালিত করে। এই যুবতীও এই ধরনের চক্রের খপ্পড়ে পড়েছিল বলে বলে পরিবারের লোকজনের দাবি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Mandarmani)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতি সপ্তাহে শনিবার কিংবা রবিবার সোদপুরে বিউটিশিয়ানের কোর্স শিখতে যেতেন মৃত যুবতী। শনিবার দিদির বাড়ি বারাকপুরে থেকে সোদপুরের উদ্দেশে বের হন এবং বাড়িতে ফোন করে জানান ফিরতে রাত হবে। ১০ সেপ্টেম্বর রবিবার সন্ধে ৬টার সময় মায়ের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর আর তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এরপর তাঁর ফোন সুইচ অফ দেখায়। ১১ সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে মন্দারমণি (Mandarmani) কোস্টাল থানা এলাকার চাঁদপুরে সমুদ্রের পাশে বোল্ডারের ওপর একটি অর্ধনগ্ন মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সেই সময় নাম-পরিচয় জানতে পারেনি পুলিশ। এদিকে যুবতীর পরিবার তাহেরপুর থানায় মিসিং ডায়েরি করে। এরপর জানা যায়, মৃত যুবতীই তাহেরপুরের বাসিন্দা।

    পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    কীভাবে নদিয়ার তাহেরপুর থেকে সোদপুর হয়ে মন্দারমণি (Mandarmani) পৌঁছলেন, তার ব্যাখা নেই পরিবারের কাছেও। যদিও মৃত যুবতীকে ধর্ষণের পর গলা টিপে খুন করা হয়েছে বলে বিস্ফোরক দাবি করলেন মৃত যুবতীর দাদা দিলীপকুমার পাল। তিনি বলেন, ‘মন্দারমণির চাউলখোলায় একটি বড়সড় চক্র রয়েছে। যাঁরা বিভিন্ন জায়গা থেকে গরিব বাড়ির মেয়েদের কাজ ও টাকার প্রলোভন দেখিয়ে বিপথে পরিচালনা করে। সোদপুর পর্যন্ত এই চক্র কাজ করছে কিনা পুলিশ তদন্ত করলে পরিষ্কার হয়ে যাবে। হয়তো আমার বোনকে এখানে নিয়ে এসে বাজে কাজ করানোর চেষ্টা করেছিল। রাজি হয়নি বলেই বোনকে মেরে ফেলা হয়েছে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shantipur: এটাই কি উন্নয়ন! অভাবের তাড়নায় দুধের শিশুকে বিক্রি করে দিচ্ছেন মা?

    Shantipur: এটাই কি উন্নয়ন! অভাবের তাড়নায় দুধের শিশুকে বিক্রি করে দিচ্ছেন মা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাকার বিনিময়ে এক মাসের শিশুকন্যাকে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল মায়ের বিরুদ্ধে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান পুরসভার চেয়ারম্যান সহ পুর প্রতিনিধিরা। ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে স্বামী-স্ত্রীকে আটক করে। যদিও শিশু বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গৃহবধূ ও তাঁর পরিবারের লোকজন। নদিয়ার শান্তিপুর (Shantipur) পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বেড় পাড়ার ঘটনা।

    ঘটনাস্থলে পুরসভার চেয়ারম্যান

    শান্তিপুর (Shantipur) পুরসভার চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষের দাবি, হঠাৎই তিনি জানতে পারেন, ওই এলাকার এক গৃহবধূ তাঁর একটি এক মাসের শিশুকন্যাকে বিক্রি করে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। ওই গৃহবধূর আরও এক বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। খবর পেতেই নিজে ওই গৃহবধূর শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে ঘটনার সত্যতা জানার চেষ্টা করেন তিনি। ওই গৃহবধূকে একাধিক বার জিজ্ঞাসাবাদ করলে পরবর্তীতে নিজের মুখে স্বীকার করে নেন, হ্যাঁ, তিনি এই কাজ করার চেষ্টা করেছেন। এই ঘটনা নিন্দনীয় বলেই জানিয়েছেন পৌরসভার চেয়ারম্যান।

    কী বললেন গৃহবধূ?

    অন্যদিকে গৃহবধুর পরিবারের দাবি, অর্থের অভাবে কোনও রকমে সংসার চলে। যে কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মাঝেমধ্যেই অশান্তি হত। বেশ কয়েক হাজার টাকা দেনা হয়ে যায় ওই গৃহবধূ ও তাঁর স্বামীর। সেই কারণেই বাচ্চাদের মানুষ করতে পারবেন না বলে ওই গৃহবধূ তাঁর নিজের আত্মীয়কে আইনের পথে হেঁটেই  শিশুকন্যাকে দিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। যদিও এসব অস্বীকার করে অভিযুক্ত গৃহবধূর (Shantipur) দাবি, তিনি বাচ্চা বিক্রি করেননি। নিজের ইচ্ছাতেই তাঁর জা-এর কাছে দিয়ে দিচ্ছিলেন। কারণ দেনার দায়ে কর্মসংস্থানের জন্য অন্যত্র চলে যেতেন তিনি।

    তদন্তে শান্তিপুর (Shantipur) থানা

    এই ঘটনায় এলাকায় রীতিমতো উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এখন শিশুকন্যা সহ স্বামী-স্ত্রী দুজনেই রয়েছেন পুলিশের (Shantipur) হেফাজতে। এখন দেখার সত্যিই কি ওই গৃহবধূ নিজে থেকেই তাঁর শিশুকন্যাকে বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, নাকি ঘটনার পিছনে রয়েছে অন্য কোনও কারণ। এসবই তদন্ত করে দেখছে শান্তিপুর থানার পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: সীমান্তে কাঁটাতার কেটে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, বিএসফের গুলিতে হত পাচারকারী

    Nadia: সীমান্তে কাঁটাতার কেটে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, বিএসফের গুলিতে হত পাচারকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিএসএফের সঙ্গে পাচারকারীর গুলির লড়াই! বিএসএফের (Nadia) গুলিতে মৃত্যু এক পাচারকারীর। ঘটনাটি নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জ থানার নোনাগঞ্জ বর্ডার এলাকার। জানা যায়, গতকাল গভীর রাতে নোনাগঞ্জ বর্ডার এলাকায় এক পাচারকারী সীমান্তে থাকা কাঁটাতার কাটছিল। তখন বিএসএফের তরফ থেকে তাকে আটকানোর চেষ্টা করা হয়। অভিযোগ, ঠিক তখনই ওই পাচারকারী বিএসএফকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এরপর বিএসএফের তরফ থেকেও তাকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। ওই পাচারকারীর গায়ে গুলি লেগে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার। যদিও পরবর্তীকালে তাকে উদ্ধার করে কৃষ্ণগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    পরিচয় জানার চেষ্টা

    তবে মৃত ওই পাচারকারীর পরিচয় এখনও জানা যায়নি। বিএসএফ এবং কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশের যৌথ উদ্যোগে ওই ব্যক্তির পরিচয় এবং ঠিকানা জানার চেষ্টা চলছে। মূলত ওই ব্যক্তি কী পাচার করত এবং কোন গ্যাঙের সঙ্গে যুক্ত, তাও জানার চেষ্টা করছে সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (Nadia)। অন্যদিকে ওই পাচারকারীর মৃতদেহ আজ ময়নার তদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    আগেও একই ধরনের ঘটনা

    প্রসঙ্গত এর আগেও ধানতলা থানার (Nadia) দত্তপুলিয়ায় ফেন্সিং না থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ইছামতী নদীর ব্রিজের নিচ দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে ৬ থেকে ১০ টি গরু পাচার করার চেষ্টা করেছিল পাচারকারীরা। অভিযোগ, বিএসফের জওয়ানরা গরু পাচারকারীদের আটকাতে গেলে পাচারকারীরা বিএসএফকে লক্ষ্য করে পাথর ও বোমা ছোড়ে। পরে বিএসএফ কাউন্টার ফায়ার করলে বেশ কয়েকজন গরু পাচারকারী আহত হয়। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশ পালিয়ে গেলেও ধরা পড়ে যায় এক গরু পাচারকারী। তাকে পরবর্তীকাল ধানতলা পুলিসের হাতে তুলে দেয় বিএসএফ।

    পিছনে বড় বড় গাং

    বিএসএফের পাচারকারীদের এটা কোনও প্রথম ঘটনা নয়। গরু পাচার থেকে শুরু করে সোনার বিস্কুট সহ একাধিক জিনিস কখনও বাংলাদেশ থেকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে (Nadia), আবার কখনও ভারতের বর্ডার পার করে বাংলাদেশে পাচার হয়। বড় বড় গ্যাং কাজ করে এইসব পাচার চক্রের পিছনে। এর আগেও বিএসএফের তরফ থেকে পাচার চক্র রোধে একাধিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি নিরাপত্তা আরও বাড়িয়ে তোলার চেষ্টা চালানো হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: এক টাকার সুস্বাদু শিঙাড়ায় মজেছেন নদিয়াবাসী

    Nadia: এক টাকার সুস্বাদু শিঙাড়ায় মজেছেন নদিয়াবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে এক টাকায় কী পাওয়া যায়? এই প্রশ্ন করলে প্রত্যেককেই মাথা চুলকাতে হবে। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেও কিছুই মাথায় আসবে না। উত্তরে হয়তো অনেকেই বলবেন, এক টাকায় এখন আর কিছুই পাওয়া যায় না। কিন্তু, সেই উত্তর যে ভুল, তা প্রমাণ করেছেন নদিয়ার (Nadia) শিবনিবাসের গোপালচন্দ্র রায়। তাঁর দোকানের শিঙাড়া এখনও এক টাকায় পাওয়া যায়।

    আগে এই শিঙাড়ার কত দাম ছিল? (Nadia)

    ভাবতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি, বর্তমানে যেখানে জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া, সেখানে এক টাকায় শিঙাড়া পাওয়া সত্যিই অদ্ভুত ব্যাপার। যদিও এখন শিঙাড়ার দাম এক টাকা হলেও আগে তা পাওয়া যেত মাত্র কুড়ি পয়সায়। পরবর্তীতে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে একটু একটু করে দাম বেড়েছে। ৪০ পয়সা, ৫০ পয়সা থেকে এখন এক টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে গোপালবাবু এই শিঙাড়া বিক্রি করে আসছেন নদিয়ার (Nadia) শিবনিবাস মন্দিরের কাছেই। যেহেতু শিবনিবাস মন্দির বহু প্রাচীন এবং এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গ এখানে প্রতিষ্ঠিত, তাই মন্দির চত্বরে কোনওরকম আমিষ খাবার বিক্রির প্রচলন নেই। তাই নিরামিষভাবে তৈরি করেন এই শিঙাড়া। ৫০ বছর ধরে তা বিক্রি করে আসছেন। ক্রেতারা বলেন, গোপালবাবুর শিঙাড়া খুবই সুস্বাদু এবং খুব পরিষ্কার। আর দামেও সস্তা।

    কী বললেন এই শিঙাড়া তৈরির কারিগর?

    গোপালবাবু জানান, যতদিন তিনি বাঁচবেন, ততদিনই এই শিঙাড়া এক টাকাতেই বিক্রি করবেন। এই শিঙাড়ার চাহিদা প্রচুর, তাই দোকান খুললেই শিঙাড়ার জন্য লাইন পড়ে যায়। নদিয়া (Nadia) জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এই শিঙাড়া খাওয়ার জন্য এখানে আসেন। তিনি বলেন, আট থেকে আশি, সবাই আমার এই এক টাকার শিঙাড়া খাওয়ার জন্য মুখিয়ে থাকে প্রতিদিন। কীভাবে ১ টাকায় শিঙাড়া বিক্রি করছেন? লাভের অংশই বা কী? এই প্রশ্ন করলে দোকানদার গোপালবাবু জানাচ্ছেন, তাঁর লাভ বিক্রির উপরে। বিক্রির পরিমাণ বেশি হলে লাভ হয় বেশি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: আর্থিক অনটন, যেতে পারছে না তাসখন্দের চ্যাম্পিয়নশিপে, ক্রীড়ামন্ত্রীর দ্বারস্থ দুই ছাত্র

    Nadia: আর্থিক অনটন, যেতে পারছে না তাসখন্দের চ্যাম্পিয়নশিপে, ক্রীড়ামন্ত্রীর দ্বারস্থ দুই ছাত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুযোগ পেয়েও টাকার অভাবে তাসখন্দে এশিয়ান জিমন্যাস্টিক চ্যাম্পিয়নশিপে যাওয়া নিয়ে সংশয়ে নবদ্বীপের (Nadia) দুই স্কুলছাত্র। পারিবারের অভাবের কাছে কি হার মানবে মেধাবী খেলাপ্রিয় ছাত্ররা? বাধ্য হয়ে তারা দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রীর। কারণ, আর্থিক সাহায্য পেলে তবেই তারা যেতে পারবে তাসখন্দের চ্যাম্পিয়নশিপে।

    বাইরে যেতে কত টাকার প্রযোজন (Nadia)?

    আগামী ১৮ থেকে ২০ ডিসেম্বর আফগানিস্তানের তাসখন্দে এশিয়ান জিমন্যাস্টিকের আসর বসতে চলেছে। তাতে ডাক পেয়েছে নদিয়ার (Nadia) নবদ্বীপ হিন্দু স্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্র অঙ্কুশ কর্মকার এবং নবদ্বীপ তারাসুন্দরী বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী রাইনা মজুমদার। রাইনার বাবা পেশায় নিরাপত্তারক্ষী, অঙ্কুশের বাবা মেশিন মেকানিক, সেলাইয়ের কাজ করেন। তাসখন্দে যেতে হলে ভাড়া এবং অন্যান্য খরচ বাবদ একেক জনের যেতে-আসতে দেড় লক্ষ করে, মোট তিন লক্ষ টাকা করে প্রয়োজন। পরিবারের পক্ষে এই টাকা জোগাড় করা কোনও মতেই সম্ভব নয়। আর তাই তারা দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের। আফগানিস্তানের তাসখন্দে আয়োজিত জুনিয়র ও সিনিয়র অ্যাক্রোবেটিক জিমন্যাস্টিকস এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে দেশের হয়ে তারা মিক্সড পেয়ার ইভেন্টে অংশগ্রহণ করতে পারবে কিনা, সেটাই এখন সংশয়ের।

    খেলোয়াড়দের বক্তব্য

    সাংবাদিকদের সামনে নদিয়ার (Nadia) এই দুই পারদর্শী মেধাবী ছাত্র বলে, আমাদের পারিবারের আর্থিক অভাবের কারণে আমরা তাসখন্দে যেতে পারব কি না, এই নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। এই জিমন্যাস্টিকস এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে আমরা পশ্চিমবঙ্গ থেকে দুজনই সুযোগ পেয়েছি। আমরা রাজ্যের মন্ত্রীকে আর্থিক সহযোগিতার জন্য আবেদন করেছি। ইতিমধ্যে নবদ্বীপ পৌরসভা থেকে তারা ৫০ হাজার করে আর্থিক সাহায্য পেয়েছে। রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রীর বিষয়ে আমরা ভীষণ আশাবাদী। কারণ সরকার পাশে দাঁড়ালে তবেই দেশের হয়ে খেলতে যেতে পারবে তারা।

    পরিবারের বক্তব্য

    অবিভাবক অঞ্জনা মজুমদার (Nadia) বলেন, আমাদের আর্থিক সামর্থ তেমন নেই যে আমরা আমাদের ছেলেকে খেলতে যেতে পাঠাতে পারবো। তিনি আরও বলেন, অঙ্কুশের বাবা নিজে সেলাইয়ের কাজ করেন। কোনও রকমে সংসার চলে আমাদের। তাই সকলের কাছে সাহায্যের আবেদন করেছি। সরকারের কাছেও আমরা সাহায্যের কথা জানিয়েছি।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প রক্ষায় স্থানীয়দের সরাতে উদ্যোগী বন দফতর, দ্রুত ছাড়া হতে পারে বাঘ!

    Alipurduar: বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প রক্ষায় স্থানীয়দের সরাতে উদ্যোগী বন দফতর, দ্রুত ছাড়া হতে পারে বাঘ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে শতবর্ষ পুরনো জয়ন্তীর (Alipurduar) জনপদ। সব ঠিকঠাক এগোলে ২০২৫ সালের মার্চের আগেই ব্রিটিশ আমলে তৈরি জয়ন্তী গ্রামের কোনও অস্তিত্ব আর থাকবে না। বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প রক্ষায় স্থানীয়দের সরাতে উদ্যোগী বন দফতর, দ্রুত ছাড়া হতে পারে বাঘ! বাঘের অভয়ারণ্যকে রক্ষা করতে স্থানীয়দের বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করে অন্যত্র সরানোর পরিকল্পনা করেছে বন দফতর। রাজি হয়েছেন এলাকার মানুষও। বাঘ ছাড়ার জন্য বন দফতর গত তিন বছরে কয়েক দফায় প্রায় হাজারের উপর হরিণ ছেড়েছে। এবার জনপদকে অভয়ারণ্য থেকে দূরে সরিয়ে বাঘেদের থাকার অনুকূল পরিবেশ নির্মাণে উদ্যোগী হয়েছে বন দফতর। এলাকার মানুষও এই পরিবেশ এবং জন্তুদের রক্ষায় সহমত জানিয়েছেন। আশা করা যাচ্ছে বক্সায় দ্রুত পর্যটকরা বাঘ দেখতে পারবেন।  

    সরানো হবে জয়ন্তীর জনপদ (Alipurduar)?

    বড় বড় সব সরকারি-বেসরকারি ডলোমাইট খননকারী কোম্পানি ছিল এখানে (Alipurduar)। এক সময় এখানে রেলপথও ছিল। ডলোমাইট কারখানা ছিল। আজ আর সে সবের কিছুই নেই! তাই মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাওয়া সুন্দরী জয়ন্তী, বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের কোর এলাকা থেকে সরে যাবে। সোমবার এই মর্মে জয়ন্তীর বেশির ভাগ মানুষের সই করা ‘জয়ন্তী ভিলেজ রিলোকেশন ফর্ম’ জমা হয়েছে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প অফিসে। বিষয়টি নিয়ে ২৬ অগাস্ট জয়ন্তীতে বৈঠক করে বন দফতর।

    সারানো হবে জয়ন্তী গ্রাম

    ওই বৈঠকে জয়ন্তী গ্রামকে (Alipurduar) বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের কোর এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেয় বন দফতর। জয়ন্তীর বেশির ভাগ মানুষ সেই প্রস্তাবে রাজি হয়ে গেছেন বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, এর জন্য জয়ন্তীর প্রত্যেক পরিবারকে ১৫ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেবে সরকার। জয়ন্তীকে সরিয়ে নিতে খরচ হবে প্রায় ৭০ কোটি টাকা। তবে এর সবটাই দেবে কেন্দ্র। এছাড়া রাজ্য সরকার প্রত্যেক পরিবারকে ৫ ডেসিমেল করে জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হাসিমারার গুদাম ডাবরি এলাকায়, জয়ন্তী থেকে সরে যাওয়া পরিবারদের জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।

    বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ক্ষেত্র অধিকর্তা বক্তব্য

    বিষয়টি নিয়ে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ক্ষেত্র অধিকর্তা অপূর্ব সেন (Alipurduar)  বলেন, “ যে কোনও টাইগার রিজার্ভ থেকে বনবস্তিবাসীদের সরানোর জন্য এই প্যাকেজ গোটা দেশেই চালু রয়েছে। জয়ন্তী সহ বক্সাতে দুই একটি গ্রামের লোকেদের সাথে এই বিষয়ে আমাদের কথা হয়েছে। তাঁরা বন ও পরিবেশের কথা বিবেচনা করে সরে যেতে চাইলে এই প্যাকেজ পাবেন।” সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী জয়ন্তীতে লোকসংখ্যা প্রায় ৭০০ জন। প্রায় ২০০ পরিবারের এই জনসংখ্যা দিন দিন কমছে। এই সব পরিবারের বেশির ভাগই জয়ন্তী থেকে সরে যেতে চাইছেন।

    স্থানীয় মানুষের বক্তব্য

    জয়ন্তীর (Alipurduar) স্থানীয় বাসিন্দা তপন দত্ত বলেন, “ জয়ন্তী দিন দিন শশ্মানে পরিণত হচ্ছে। এক সময় বাইরে থেকে মানুষ জয়ন্তীতে কাজ করতে আসতেন। এখন উল্টোটাই ঘটছে। জয়ন্তী নদী যে কোনও দিন এই জনপদকে ভাসিয়ে নিয়ে যেতে পারে। সেই কারণে আমরা বন দফতরের প্যাকেজে রাজি হয়ে, এখান থেকে সরে যাওয়ার জন্য লিখিতভাবে মত দিয়েছি।” জয়ন্তীর আরেক বাসিন্দা মনি কুমার লামা বলেন, “বনের ভিতর কোনও সুযোগ-সুবিধা নেই। আমাদের জীবন এভাবে কাটল। কিন্তু পরবর্তী প্রজন্ম এভাবে কেন থাকবে! বন দফতরের প্রচণ্ড কড়াকড়ি। এলাকায় কোনও কাজ নেই। নেই হাসপাতাল ও ভালো স্কুলও। ফলে শুধু পারিবারিক ভিটের আবেগে ভর করে আর এখানে থেকে কোআও লাভ নেই। সেই কারণে বন দফতরের প্যাকেজে আমরা রাজি হয়ে গেছি ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: চাকদার ফাইবারের দুর্গা প্রতিমা পাড়ি দিচ্ছে প্যারিসে, উচ্ছ্বসিত জেলাবাসী

    Nadia: চাকদার ফাইবারের দুর্গা প্রতিমা পাড়ি দিচ্ছে প্যারিসে, উচ্ছ্বসিত জেলাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতি বছরই তাঁর তৈরি দুর্গা প্রতিমা বিদেশে পাড়ি দেয়। এই বছর তাঁর তৈরি ফাইবারের দুর্গা প্রতিমা নদিয়া (Nadia) থেকে পাড়ি দিচ্ছে প্যারিসে। দেশের মূর্তি বিদেশের মাটিতে পূজিত হবে, এটা ভেবেই আপ্লুত জেলাবাসী।

    কীভাবে প্যারিসে যাবে ফাইবারের মূর্তি (Nadia)?  

    নদিয়ার (Nadia) চাকদার মৃৎশিল্পী অনুপ গোস্বামী। ছোট থেকেই বিভিন্ন প্রতিমার মূর্তি তৈরি করেছেন তিনি। প্রথমে মাটি দিয়ে বিভিন্ন পূজোর ঠাকুর তৈরি করতেন। পরবর্তীকালে তাঁর হাতের সুন্দর কারুকার্য দেখে হঠাৎ করে বিদেশ থেকে কাজের অর্ডার আসতে শুরু করে। মাটির তৈরি মূর্তি ওজনে অনেকটাই বেশি। অন্যদিকে মজবুতের দিক থেকে কিছুটা দুর্বল। সেই কারণে মাটির তৈরি মূর্তি বিদেশে নিয়ে যেতে অনেকটাই সমস্যায় পড়তে হয়। তাই তিনি বর্তমানে ফাইবারের দুর্গা প্রতিমা তৈরি করছেন। এবার সেই ফাইবারের দুর্গা প্রতিমা পাড়ি দিচ্ছে প্যারিসে। এর আগেও অনুপ গোস্বামীর তৈরি মূর্তি অস্ট্রেলিয়া সহ একাধিক দেশে পাড়ি দিয়েছে।

    মৃৎশিল্পীর বক্তব্য

    মৃৎশিল্পী অনুপ গোস্বামী (Nadia) জানান, কখনও জাহাজে কখনও ফ্লাইটে দুর্গা প্রতিমা নিয়ে যাওয়া হয়। যেহেতু বাঙালিরা বর্তমানে বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে রয়েছে, সেই কারণে দুর্গা পুজো বিদেশেও কমবেশি অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। তবে প্রতিমা তৈরির সরঞ্জামের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ায় অসুবিধায় পড়তে হয়েছে শিল্পীদের। লাভের মূল্য আগের তুলনায় অনেকটাই কমে গেছে বলে জানান তিনি। তাঁর তৈরি করা মূর্তি গতব ছর বাহারিন, প্যারিস এবং চিলিতে গিয়েছিল। সেখানে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বছর দুর্গা মূর্তি যাবে প্যারিসে। পাশাপাশি তিনি আরও জানান, শুধু দুর্গা প্রতিমা নয়, বিভিন্ন মুনিঋষির মূর্তি তৈরি করে থাকেন। তাঁর তৈরি মূর্তি অন্যান্য রাজ্য সহ দেশের বাইরেও নিয়ে যাওয়া হয়। ব্রোঞ্জ,পাথর এবং ফাইবার দিয়ে মূর্তি তৈরি করে থাকেন তিনি। এই বছর রথযাত্রার পরেই বিদেশ থেকে বিশেষ অর্ডার দেওয়া হয়। এই মূর্তি তৈরি করতে প্রায় দুই মাস সময় লেগেছে। তিনি মূর্তি তৈরি প্রসঙ্গে আরও বলেন, প্রথমে সব মূর্তি মাটির তৈরি হয়, এরপর হলোকাস্টিং করে ফাইবারের ছাঁচে তৈরি করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Aditya-L1:  মিশন সূর্য! ‘আদিত্য-এল ওয়ান’ অভিযানের প্রযুক্তি টিমের সদস্য নদিয়ার বরুণ বিশ্বাস

    Aditya-L1: মিশন সূর্য! ‘আদিত্য-এল ওয়ান’ অভিযানের প্রযুক্তি টিমের সদস্য নদিয়ার বরুণ বিশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চন্দ্রযান- ৩ এর সাফল্যের পিছনেও ইসরোর অন্য বিজ্ঞানীদের সঙ্গে ছিলেন নদিয়ার কালীনারায়ণপুরের পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের রাধানগরের বাসিন্দা বরুণ বিশ্বাসও। আদিত্য-এল ওয়ান এর বিশেষ দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। এদিন আদিত্য-এল ওয়ান (Aditya-L1) এর সফল উৎক্ষেপণ হওয়ায় গর্বিত পরিবারের সদস্যরা।

    আদিত্য-এল ওয়ানের (Aditya-L1) কী দায়িত্বে রয়েছেন বরুণ?

    মাত্র কয়েকদিন আগে চাঁদের মাটিতে পা রেখেছে চন্দ্রযান-৩। প্রতি মুহূর্তে চাঁদের আপডেট দিচ্ছে সে। এই সাফল্যের পিছনে রয়েছে ইসরোর কয়েকশো বিজ্ঞানীদের অক্লান্ত পরিশ্রম। চন্দ্রযান-৩ এর পর এবার আদিত্য-এল ওয়ানের সফল উৎক্ষেপণ হয়েছে। এর পরই ইসরোর অন্য বিজ্ঞানীদের সঙ্গে কালীনারায়ণপুরের বরুণও চরম ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। বরুণ প্রথমে নদিয়া জেলার কালীনারায়ণপুরের রাধানগর গ্রামের স্কুল থেকে পড়াশুনা করেন। পরে, বীরনগর উচ্চ বিদ্যালয় পাশ করে বিড়লা ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন। পরে, হলদিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে গত ১০ বছর আগে ইসরোতে তিনি যোগ দেন। চন্দ্রযান-৩ ল্যান্ডিংয়ের তিনি দায়িত্বে ছিলেন। অদ্যিত্য-এলওয়ান (Aditya-L1) সফল উৎক্ষেপণ হওয়ায় দেশবাসীর সঙ্গে চরম আনন্দিত বরুণের পরিবারের লোকজন। কারণ, অদ্যিত্য-এলওয়ান প্রযুক্তি টিমে রয়েছেন বরুণ।

    কী বললেন বিজ্ঞানী বরুণের পরিবারের লোকজন?

    পরপর দুটি সাফল্যের পথে এগিয়ে যাওয়া নিয়ে গর্বে বুক ভরে উঠেছে বরুণের মা, বাবার। বাবা জহরলাল বিশ্বাস বলেন, ছোটবেলা থেকেই টেকনিক্যাল বিষয়ে বরুণের ঝোঁক ছিল বরাবরই। পড়াশুনার ফাঁকে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স যন্ত্র দিয়ে নানারকম জিনিস তৈরি করত,যা আমরা দেখে অবাক হয়ে যেতাম। আজকে ছেলের এই সাফল্যে আমরা গর্বিত। মা সরস্বতী বিশ্বাস বলেন, আদিত্য-এল ওয়ানের জন্য অন্যদের ছেলে খুব পরিশ্রম করেছে। আজ সকাল থেকে খুব দুশ্চিন্তায় ছিলাম। অবশেষে সফল উৎক্ষেপণ হওয়ার পরই আমরা গর্বিত। অন্যদিকে, বরুণের এই সাফল্যে গর্বিত গোটা গ্রামের মানুষ। তবে, চন্দ্রযান-৩ যখন ভারতের মাটি ছেড়ে চাঁদের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় তখনও টিভির পর্দায় চোখ ছিল গোটা গ্রামের মানুষের, এবারও আদিত্য-এল ওয়ানের (Aditya-L1) সাফল্য কামনা করেছে গোটা গ্রামের বাসিন্দারা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ডাকাতি হওয়া সেনকো গোল্ডের শো-রুমে ফের উদ্ধার গুলির খোল, নতুন করে আতঙ্ক

    Nadia: ডাকাতি হওয়া সেনকো গোল্ডের শো-রুমে ফের উদ্ধার গুলির খোল, নতুন করে আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডাকাতি হওয়া সেনকো গোল্ডের শো-রুমে নতুন করে গুলির খোল উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য। আজ দোকান পরিষ্কার করতে গিয়ে গুলির খোলটি দেখতে পান কর্মীরা। খবর পেয়ে রানাঘাট (Nadia) থানার পুলিশ গিয়ে সেটি উদ্ধার করে নিয়ে আসে। এই ঘটনায় নতুন করে আতঙ্ক শুরু হয়েছে এলাকায়।

    কী ঘটেছিল (Nadia)?

    উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগে নদিয়ার (Nadia) রানাঘাট থানা এলাকায় সেনকো গোল্ডের শো-রুমে হঠাৎ একদল দুষ্কৃতী হাতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ডাকাতির উদ্দেশ্যে হানা দেয়। কুড়ি মিনিটের মধ্যেই ৯০ শতাংশ সোনার গয়না লুট করে নেয় তারা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রানাঘাট থানার পুলিশ। এর পরই দুষ্কৃতীদের সঙ্গে শুরু হয় পুলিশের গুলির লড়াই। ঘটনাস্থলে গুলি লেগে দুই দুষ্কৃতী জখম হয়। এখনও পর্যন্ত মোট গ্রেফতারের সংখ্যা ৫। এত বড় ভয়ঙ্কর ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্কে রয়েছেন শো-রুমের কর্মীরা। এদিন নতুন করে গুলির খোল উদ্ধার হওয়ায় ফের আতঙ্ক শুরু হয়েছে।

    শো-রুম কর্মীর বক্তব্য

    এই বিষয়ে ওই দোকানের (Nadia) এক মহিলা কর্মী সুমনা দেবনাথ বলেন, এই ঘটনার পর এমনিতেই আমরা আতঙ্কে রয়েছি। মানসিক দিক থেকে আমরা অসুস্থ হয়ে পড়েছি। আবারও নতুন করে গুলির খোল উদ্ধার হওয়ায় আমাদের আতঙ্ক আরও বেড়েছে।

    পুলিশের সঙ্গে দুষ্কৃতীদের গুলি বিনিময়

    রাজ্যের দুই প্রান্তে একই সময়ে সেনকো গোল্ডের শো-রুমে ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছিল গত ২৯ অগাস্ট। একটি ঘটেছিল পুরুলিয়ায় এবং অপরটি ঘটেছে নদিয়া (Nadia) জেলার রানাঘাটে। একাবারে হিন্দি সিনেমার কায়দায় প্রকাশ্যে রানাঘাটে পুলিশের সঙ্গে দুষ্কৃতীদের গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটতে দেখা গিয়েছিল। এই দৃশ্য দেখে এলাকার মানুষ রীতিমতো হতবাক। বন্দুক দেখিয়ে কর্মীদের মারধর এবং কোটি কোটি টাকা সোনার গয়না লুট করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ডাকাতির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসে এবং দুষ্কৃতীদের সঙ্গে পুলিশের গুলির লড়াই হয়। গুলিতে জখম হয় ২ জন দুষ্কৃতী। ঘটনায় গ্রেফতার হয় চারজন। ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। এই ডাকাতির ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এলাকায়। অপর দিকে পুরুলিয়াতেও সেনকো গোল্ডের শো-রুমে ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Robbery: রানাঘাটে সেনকো গোল্ড-এর শো-রুমে ডাকাতিকাণ্ডে বিহারের গ্যাং জড়িত, ধৃত ৫

    Robbery: রানাঘাটে সেনকো গোল্ড-এর শো-রুমে ডাকাতিকাণ্ডে বিহারের গ্যাং জড়িত, ধৃত ৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার রানাঘাটে সেনকো গোল্ডে ডাকাতির (Robbery) ঘটনায় বিহারের গ্যাংয়ের যোগ পেল পুলিশ। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় ৫ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। সোনার দোকানে ডাকাতি করার আগে রেইকি করেছিল দুষ্কৃতীরা। ডাকাতি করার পর কোন রাস্তা ধরে পালাবে তার রুটম্যাপও তারা তৈরি করে নিয়েছিল। কিন্তু, শেষ রক্ষা হল না। চেনা ছকে ডাকাতি করে যাওয়ার পথেই পুলিশের জালে ধরা পড়ে যায় চারজন। পরে, আরও একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অন্যদিকে, পুরুলিয়া ডাকাতিকাণ্ডে ২৪ ঘণ্টা কেটে গেলেও কেউ গ্রেফতার হয়নি।

    বিহার থেকে দুষ্কৃতীরা ডাকাতি (Robbery) করতে কবে এসেছিল?

    এক মাস ধরে কল্যাণীতে বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতো রানাঘাটের সোনার দোকানে ডাকাতি (Robbery) করা দুষ্কৃতীরা। নদিয়ার কল্যাণী থানার বি ব্লকের ১১ নম্বর ওয়ার্ডে একটি বাড়ি ভাড়া নিয়েছিল তারা। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ধৃত পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই উঠে এসেছে নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য। প্রতিবেশীরা বলছেন, প্রায় একমাস আগে তারা এসেছিল। দুটো ঘর ভাড়া নেয়। কিন্তু, কী কাজ করতো তা আমরা কেউ জানতাম না। তারা নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা বলতো, আসা-যাওয়া করতো এবং দুটি বাইকও ছিল তাদের। কিন্তু, রানাঘাটে ডাকাতির ঘটনার পরেই এখন কল্যাণীর ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা রয়েছেন রীতিমতো আতঙ্কে। তবে দুষ্কৃতীদের ভাড়া নেওয়া ঘর দুটি সিল করেছে পুলিশ।

    ডাকাতি নিয়ে কী বললেন মুর্শিদাবাদ রেঞ্জের ডিআইজি?

    এ বিষয়ে মুর্শিদাবাদ রেঞ্জের ডিআইজি রশিদ মুনির খান বলেন, মূলত এই ডাকাতির (Robbery) ঘটনায় মোট আটজনের একটি টিম ছিল। প্রত্যেকে বিহারের বাসিন্দা। স্থানীয় একজন বিহারী প্রথমে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে যায়। তারপর এই দুষ্কৃতী টিমকে বিহার থেকে ডেকে আনে। মঙ্গলবার দুপুর তিনটে নাগাদ তারা ক্রেতা সেজে শোরুমে ঢোকে। তাদের প্রত্যেকের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। খবর পেয়ে কুড়ি মিনিটের মধ্যে আমাদের পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশকে লক্ষ্য করে ওরা গুলি ছোড়ে। তাদেরকে তাড়া করে আমাদের পুলিশও পাল্টা ফায়ারিং করা শুরু করে। এরপর দুইজনের পায়ে গুলি লাগে। তাদের কাছ থেকে মোট চারটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে এবং ২২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এক কোটি টাকা সোনার গয়না, নগদ সাড়ে তিন লক্ষ টাকা, কিছু অবৈধ বাইকের নম্বর প্লেট এবং আধার কার্ড বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share