Tag: Nadia

Nadia

  • Nadia: কৃষ্ণনগর-করিমপুর রেলপথ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিল কেন্দ্র, শুরু হল জমি জরিপের কাজ

    Nadia: কৃষ্ণনগর-করিমপুর রেলপথ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিল কেন্দ্র, শুরু হল জমি জরিপের কাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর খুব বেশিদিন নয়, নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগর থেকে করিমপুর যেতে শুধু বাসের উপর জেলার মানুষকে নির্ভর করতে হবে না। কৃষ্ণনগর থেকে ট্রেনে চড়েই সোজা তেহট্ট, করিমপুর পৌঁছে যেতে পারবেন এই এলাকার মানুষ। করিমপুর, তেহট্ট এলাকার লক্ষ লক্ষ মানুষের দাবি মেনেই এবার কৃষ্ণনগর থেকে করিমপুর পর্যন্ত রেল লাইন সম্প্রসারণে উদ্যোগী হল কেন্দ্রীয় সরকার। রেল লাইন তৈরি প্রস্তাব দিয়েছে এমন নয়। চলতি বছরের অগাস্ট মাসেই রেল সম্প্রসারণের জন্য জমি জরিপের কাজ শুরু করেছে রেল মন্ত্রক। এতদিন এই রেল লাইন সম্প্রসারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। রেল চলাচল শুরু হওয়ার দেড়শো বছর পরও করিমপুর, তেহট্ট রেল মানচিত্রের বাইরে রয়েছে।

    রেলপথ সম্প্রসারণে রেল কী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে? (Nadia)

    সিপাহী বিদ্রোহের পর পরই শিয়ালদা থেকে নদিয়ার (Nadia) গেদে হয়ে বাংলাদেশের কুষ্টিয়া পর্যন্ত ১৩৫ কিলোমিটার রেলপথ তৈরি করা হয়েছিল। আর ১৮৬২ সাল নাগাদ প্রথম এই রেল লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল করা শুরু করেছিল। পরবর্তীকালে রানাঘাট-কৃষ্ণনগর হয়ে লালগোলা পর্যন্ত রেল লাইন সম্প্রসারিত হয়। নদিয়ার বুকে রেল চলাচলের প্রায় দেড়শো বছরের বেশি সময় আগে রেল চলাচল শুরু হলেও করিমপুর আজও রেল মানচিত্রের বাইরে। করিমপুর, তেহট্ট, পলাশীপাড়া সহ এই এলাকার লক্ষ লক্ষ মানুষকে চলাচলের জন্য নির্ভর করতে হয় বাস কিংবা প্রাইভেট গাড়়ির উপর। এবার সেই করিমপুর, তেহট্টকে রেল মানচিত্রের মধ্যে আনতে চলেছে মোদি সরকার। করিমপুরের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের সুবিধার জন্য ৮০ কিলোমিটার সমীক্ষার অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই বছরের অগাস্টে ইতিমধ্যেই জমা দেওয়া ধারণাগত পরিকল্পনার সঙ্গে মাটি অনুসন্ধানের কাজ, টপোগ্রাফি জরিপ এবং ট্রাফিক জরিপ চলছে। অবিচ্ছিন্ন করিডোর সৃষ্টির লক্ষ্যে জমি অধিগ্রহণের পরিকল্পনা প্রস্তুত করার জন্য গ্রামের মানচিত্র সরবরাহ করে সাহায্যের জন্য রেলওয়ে বিভিন্ন মৌজা এবং ব্লক এলাকার ব্লক এবং সংস্কার অফিসারদের চিঠি পাঠিয়েছে রেল। অগাস্ট থেকে জরিপের কাজ শুরু করে রেলওয়ে ইতিমধ্যেই সমীক্ষার একটি অগ্রসর পর্যায়ে পৌঁছেছে। আশা করা হচ্ছে যে কৃষ্ণনগর-করিমপুর নতুন লাইনের জন্য সম্পূর্ণ জরিপ কাজ ছয় মাসের মধ্যে শেষ হবে। এরপর সম্ভাব্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, নদিয়া (Nadia) জেলায় তেহট্ট, করিমপুর, বেতাই, পলাশীপাড়া সব সময় অবহেলিত। এই সব এলাকার লক্ষ লক্ষ মানুষের গণ পরিবহণের ভরসা বাস। পলাশী বা কৃষ্ণনগর স্টেশনে পৌঁছাতেও এই সব এলাকার মানুষের ভরসা বাস। ফলে, দীর্ঘদিন ধরে কৃষ্ণনগর-করিমপুর রেল লাইন চালু করার আমরা দাবি জানিয়েছি। এর আগে অনেক রাজনৈতিক দল এই রেল সম্প্রসারণের ইস্যুটিকে তুলে ধরে রাজনৈতির ফয়দা তুলেছে। কিন্তু, বাস্তবে কাজের কাজ কিছু হয়নি। এবার কেন্দ্রীয় সরকার এই রেলপথ সম্প্রসারণে উদ্যোগ নেওয়ায় ভাল লাগছে। রেলপথ তৈরি হলে এই এলাকার লক্ষ লক্ষ মানুষ উপকৃত হবেন।

    রেল আধিকারিক কী বললেন?

    পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যন্ত অঞ্চলের এমনকী আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি করার লক্ষ্যে কেন্দ্র সরকারের লক্ষ্যের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য, রাজ্য সরকারের আধিকারিকদের কাছ থেকে সব ধরনের প্রত্যাশিত সহযোগিতা রেলওয়ে দ্বারা গ্রহণ করা হবে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED: ছিটে বেড়ার বাড়ি থেকে অট্টালিকা! উল্কার গতিতে উত্থান রেশন ডিলার নিতাইয়ের

    ED: ছিটে বেড়ার বাড়ি থেকে অট্টালিকা! উল্কার গতিতে উত্থান রেশন ডিলার নিতাইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবারই রাজ্যের একাধিক জায়গার পাশাপাশি রানাঘাটে রেশন ডিলার নিতাই ঘোষের চালকলে ইডি (ED) হানা দেয়। শুধু চালকল নয়, রানাঘাট শহরের ওল্ড বহরমপুর রোডের পাশে থাকা অট্টালিকার মতো বাড়িতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা হানা দিতেই নিতাই ঘোষকে নিয়ে জেলা জুড়ে শোরগোল পড়ে যায়।

    কে এই নিতাই ঘোষ? (ED)

    ছোট একটা বেড়ার ঘরে বাবার সঙ্গে গরুর গাড়ির চাকা তৈরির কাজ করতেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এক সময় রানাঘাট শহরের রেশন ডিলার বিশ্বনাথ পালের দোকানের কর্মী ছিলেন নিতাই। অল্প দিনের মধ্যেই পাল পরিবারের বিশ্বাস অর্জন করেন তিনি। তারপর রেশন ডিলারের লাইসেন্সও হাতে আসে নিতাইয়ের। শুরু হয় রেশন সামগ্রীর ব্যবসা। এক সময়ে বিশ্বনাথ ও নিতাই যৌথ ভাবে ব্যবসা করতেন। পরে নিতাই নিজের আধিপত্য বিস্তার করেন ও ব্যবসা বাড়িয়ে অন্যান্য রেশন ডিলারদের নিজের ছত্রচ্ছায়ায় নিয়ে আসেন। অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, যৌথ ভাবে ব্যবসা করার সময় থেকেই রেশন সামগ্রী কালোবাজারি করার কাজে জড়িয়ে পড়েন তিনি। তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় খাদ্য সরবরাহ দফতরের দেওয়া রেশন সামগ্রীর বদলে নিম্নমানের সামগ্রী উপভোক্তাদের দেওয়ার অভিযোগ ছিল। রাস্তার পাশে তাঁদের গরুর গাড়ি চাকা তৈরি করার ভাঙাচোরা ঘরটা এখনও রয়েছে। তার পাশেই উঠেছে তিনতলা বাড়ি। বছর আটেক আগে আনুলিয়ায় চালকল তৈরি করে ব্যবসার পরিধি বাড়ান নিতাই। রানাঘাট রেল বাজারে তাঁর পাইকারি মুদির দোকানও রয়েছে। বর্তমানে রেশন সামগ্রীর ব্যবসা ছাড়াও চালকলের মালিক সেই নিতাই ঘোষই। এমনকী তিনি এখন পশ্চিমবঙ্গ এম আর ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের রানাঘাট শাখার সম্পাদকও।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, রেশন সামগ্রী নিয়ে অবৈধ কারবার করার জন্য বাম জামানা থেকেই পুলিশ, প্রশাসন ও নেতাদের হাত ছিল তাঁর মাথায়। সরকার বদলের পর শাসক দলের নেতাদের হাত ছিল তাঁর মাথায়। তবে, তিনি কখনও কোনও দলের সামনে আসতেন না। টাকার জোগান দিয়ে নেতাদের মুঠোয় রাখতেন তিনি। ফলে, তাঁকে খুব বেশি কেউ চিনত না। তবে, সামান্য রেশন দোকানের কর্মী থেকে তাঁর উল্কার গতিতে উত্থান নিয়ে এলাকায় চর্চা ছিল। ইডি (ED) তাঁর বাড়িতে হানা দিতেই তিনি ফের চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ‘পঞ্চায়েত নির্বাচনে টিকিট বিক্রি করেছে দল’, বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহা

    Nadia: ‘পঞ্চায়েত নির্বাচনে টিকিট বিক্রি করেছে দল’, বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজয়া সম্মেলনী অনুষ্ঠানে দলের বিরুদ্ধেই বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক। পঞ্চায়েত নির্বাচনের টিকিট দেওয়াকে কেন্দ্র করে ভরা মঞ্চে দলের শীর্ষ নেতৃত্বদের সামনেই ক্ষোভ উগরে দিলেন নদিয়ার (Nadia) তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহা। প্রকাশ্যে তৃণমূল বিধায়কের অভিযোগ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে জেলা রাজনীতি। চরম বিড়়ম্বনায় পড়েন জেলা নেতৃত্ব।

    ঠিক কী অভিযোগ করেছেন তৃণমূল বিধায়ক? (Nadia)

    এদিন নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগর রবীন্দ্রভবনে বিজয়া সম্মেলনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস, কল্লোল খাঁ সহ তৃণমূলের এক ঝাঁক শীর্ষ নেতৃত্ব। যদিও একের পর এক নেতৃত্ব বক্তব্য দেওয়ার মাঝে বক্তব্য রাখেন তেহট্টের বিধায়ক তাপস সাহা। ভরা মঞ্চে নির্বাচনী টিকিট দেওয়াকে কেন্দ্র করে একের পর এক অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে সব স্তরের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে পঞ্চায়েতের প্রার্থীদের তালিকা তৈরি করলাম। সেই প্রার্থী তালিকা জমা দেওয়ার পর দেখলাম আমাদের তালিকা অনুযায়ী প্রার্থী করা হয়নি। সেই তালিকায় কতজন পাশ করেছেন তা জানার অধিকার আমাদের আছে। জেলা নেতৃত্ব কল্লোল খাঁ, নাসিরুদ্দিন আহমেদের কাছে জানতে চাইলে তারা কিছু জানেন না বলে জানাচ্ছে। ৪৩ বছরের রাজনীতি জীবনে টিকিট নিয়ে এরকম ঘটনা ঘটেনি। পঞ্চায়েতে টিকিট বিক্রি হয়েছে। যা আমি আমার রাজনীতি জীবনে দেখিনি। দলীয় কর্মী কিছু জানতে চাইলে উত্তর দিতে পারি না।

    তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশ কী বললেন?

    ভরা মঞ্চে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ তুলতেই তাপস সাহাকে সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে তৃণমূল নেতৃত্ব। যদিও মঞ্চে তাঁর অভিযোগ তুলে ধরা নিয়ে সকলের সামনে ক্ষমা প্রার্থনা করেন তাপসবাবু। তবে, বিজয়া সম্মেলনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হঠাৎই যে দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করবেন তাপস সাহা, এটা দলেরই কাছে ছিল অজানা। এই ঘটনায় দলের দ্বন্দ্ব একেবারে সামনে চলে এল। যদিও সভায় উপস্থিত তৃণমূল কর্মীদের একাংশ বেজায় খুশি। তাঁদের বক্তব্য, তাপসদা আমাদের মনের কথা বলেছেন। বহু যোগ্য কর্মী এবার টিকিট পাননি। পঞ্চায়েতে টিকিট নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ঘর থেকে মোবাইল চুরি করে ‘পাসওয়ার্ড’ জানতে ফিরে এল চোর, তারপর কী হল?

    Nadia: ঘর থেকে মোবাইল চুরি করে ‘পাসওয়ার্ড’ জানতে ফিরে এল চোর, তারপর কী হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘর থেকে মোবাইল চুরি হওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। কিন্তু, মোবাইল চুরি হওয়ার পর ফের চোর মোবাইলের পাসওয়ার্ড জানতে ফিরে এসেছে, এরকম ঘটনা কখনও শুনেছেন? অনেকের কাছে এটা অবাস্তব মনে হবে। তবে, এটা বাস্তবে ঘটেছে। নদিয়ার (Nadia) তেহট্ট থানার বেতাইয়ের দক্ষিণ জিৎপুরের বধূ উর্মিলা বিশ্বাস এই ঘটনার সাক্ষী। তাঁর স্বামী রাজু বিশ্বাস পরিযায়ী শ্রমিক। কাজের সূত্রে বাইরে থাকেন। মোবাইল চুরি যাওয়ার পর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই বধূ। তেহট্টের এসডিপিও শুভতোষ সরকার বলেন, অভিযোগ খতিয়ে দেখে তদন্ত করা হচ্ছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নদিয়ার (Nadia) বেতাইয়ের রাজু বিশ্বাসের মাটির ঘর আর টিনের ছাউনি। বাড়িতে বধূ একাই ছিলেন। মাঝ রাতে মাটির বাড়ির সিঁধ কেটে চোর ঘরের ভিতর ঢোকে। ঘরের ভিতর হঠাৎ শব্দে উর্মিলাদেবীর ঘুম ভেঙে যায়। ঘরের আলো জ্বেলে এদিক-ওদিক খুঁজেও কিছু দেখতে পাননি। মোবাইল খুঁজতে গিয়েই বুঝতে পারেন, ঘরের ভিতরের মোবাইল উধাও। ঘরের দেওয়াল ভাঙা রয়েছে। তখনই বুঝতে পারেন, ঘরে চোর ঢুকে মোবাইল হাতিয়ে নিয়ে চম্পট দিয়েছে। সাধের মোবাইল ঘর থেকে চুরি হয়ে যাওয়ায় হতাশ হয়ে ফের লাইট বন্ধ করে তিনি শুয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পরে ফের ঘরের মধ্যেই সেই একই শব্দ শুনে পান। ঘরের মধ্যে অচেনা কারও উপস্থিতি টের পেয়ে হুড়মুড়িয়ে ঘুম থেকে উঠে বসেন তিনি। ঠিক করে চোখ খোলার আগেই দেখতে পান, ধারাল অস্ত্র নিয়ে একজন দাঁড়িয়ে চাপা কণ্ঠে বলছে, ‘মোবাইলের পাসওয়ার্ড বলুন।’ ভয়ের চোটে তড়িঘড়ি মহিলাও মোবাইল খোলার পাসওয়ার্ড বলে দেন। তার পরেই সব শান্ত। চোর চলে যাওয়ার আগে মহিলাকে ধন্যবাদ জানাতে ভোলেনি।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    এলাকাবাসীর বক্তব্য, মহিলার একা থাকার সুযোগেই বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরের সাহস দেখে আমরা হতবাক। চোরের কত বড় সাহস, মোবাইল চুরি করে আবার ফিরে এসেছে পাসওয়ার্ড চাইতে। এই ঘটনা এর আগে কখনও শুনিনি। পুলিশ সূত্রে খবর, চোরের সন্ধানে নানা জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এখনও তার সন্ধান মেলেনি।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: বিজেপি সাংসদের উদ্যোগ, ৪২ লক্ষ টাকা খরচ করে গড়ে উঠছে বৈদ্যুতিক চুল্লি

    Nadia: বিজেপি সাংসদের উদ্যোগ, ৪২ লক্ষ টাকা খরচ করে গড়ে উঠছে বৈদ্যুতিক চুল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে গিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের শিবনিবাসে বৈদ্যুতিক চুল্লি তৈরি করার কথা ঘোষণা করেছিলেন রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। তিন মাসের মধ্যে তিনি প্রতিশ্রুতি রক্ষা করলেন। সাংসদের হাত ধরে এলাকাবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবির অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বৈদ্যুতিক চুল্লি পেতে চলেছেন নদিয়ার (Nadia) ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী কৃষ্ণগঞ্জের শিবনিবাস এলাকার বাসিন্দারা।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন? (Nadia)

    নদিয়ার (Nadia) শিবনিবাস একটি ধর্মীয় তীর্থস্থান হওয়ার সুবাদে সারা বছর দর্শনার্থীদের সমাগম ঘটে ওই এলাকায়। পাশাপাশি ধর্মীয় স্থান হওয়ার সুবাদে একটি অত্যাধুনিক বৈদ্যুতিক চুল্লি নির্মাণের মধ্যে দিয়ে মহাশ্মশান গড়ে তোলার দাবি দীর্ঘদিন ধরেই জানিয়ে আসছিলেন এলাকাবাসীরা। গত ১৮ই অগাস্ট ভারত ভুক্তি অনুষ্ঠানে যোগদান করতে এসে এলাকাবাসীদের দাবি মতো শিবনিবাসে একটি বৈদ্যুতিক চুল্লি গড়ে তোলার আশ্বাস দেন রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ জগন্নাথ সরকার। এরই মধ্যে এলাকার উন্নতির স্বার্থে শুকদেব ঘোষ নামের স্থানীয় এক সহৃদয়ক ব্যক্তি বৈদ্যুতিক চুল্লি নির্মাণের জন্য স্বেচ্ছায় জমি দান করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এমনকী সরকারকে তিনি জমি রেজিস্ট্রি পর্যন্ত করে দেন। মূলত তারই পরিপ্রেক্ষিতে এলাকাবাসীদের দীর্ঘ প্রত্যাশিত বৈদ্যুতিক চুল্লি তৈরির কাজ বাস্তবায়িত হতে চলেছে। চূর্ণি নদীর ধারে বৈদ্যুতিক চুল্লি তৈরির কাজ শুরু হতে চলেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, সাংসদ প্রতিশ্রুতি দেওয়ার তিনমাসের মধ্যে কাজ শুরু হওয়ায় খুব ভালো লাগছে।

    কী বললেন বিজেপি সাংসদ?

    বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, এই এলাকার মানুষের এটা দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। গত অগাস্ট মাসে তাঁদের দাবির বিষয়টি জানতে পারি। এরপরই আমি উদ্যোগী হয়ে ৪২ লক্ষ টাকা অনুমোদনের ব্যবস্থা করি। আসলে এই চুল্লিটি তৈরি হলে কৃষ্ণগঞ্জ, শিবনিবাস এলাকা ছাড়াও আশপাশের একাধিক গ্রামের বাসিন্দাদের শবদেহ দাহ করার ক্ষেত্রে অনেকটাই সুবিধা হবে।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bakibur Rahaman: তথ্যপ্রমাণ লোপাটের চেষ্টা! পোড়া নথি উদ্ধারে ব্যাপক চাঞ্চল্য বাকিবুরের চালকলে

    Bakibur Rahaman: তথ্যপ্রমাণ লোপাটের চেষ্টা! পোড়া নথি উদ্ধারে ব্যাপক চাঞ্চল্য বাকিবুরের চালকলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য জুড়ে তৃণমূলের শাসনে লাগাম ছাড়া দুর্নীতিতে ফুলে ফেঁপে উঠেছে শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীরা। ইতিমধ্যে অনেক তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা, দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন। সেই সঙ্গে তদন্ত থেকে বাঁচতে, অসুস্থতার ভান করে অনেকেই হাসপাতালে দিন কাটাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এবার তদন্ত থেকে বাঁচতে তথ্যপ্রমাণ লোপাটের চেষ্টাও কি শুরু হয়েছে? বাকিবুরের (Bakibur Rahaman) নদিয়ার চালকলের পিছনে মিলল পোড়া নথি। নথির পোড়া অংশে দেখা যাচ্ছে সরকারি সিলমোহর। ফলে দুর্নীতির তদন্ত ঘিরে চরম চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছে রাজ্য জুড়ে।

    প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা (Bakibur Rahaman)

    সূত্রে জানা গেছে, তৃণমূল নেতা বাকিবুরের (Bakibur Rahaman) হরিণঘাটার সাত শিমুলিয়ার চালকলের পিছনে সরকারি সিলমোহর দেওয়া বেশ কিছু পোড়া নথি দেখতে পাওয়া গেছে। গতকাল রবিবার সন্ধ্যার সময় আশে পাশের গ্রামের মানুষ, এই নথির পোড়া অবশেষ দেখতে পান। এই নথি কি দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত? এরপর এলাকায় তীব্র উত্তেজনা শুরু হয়েছে।

    নদিয়ায় রেশন দুর্নীতি

    ২০২১-২২ সালে নদিয়ায় রেশনের সামগ্রী, খোলা বাজারে চড়া দামে বিক্রি করা হয়েছিল বলে, শাসক দলের নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানায়, এই নিয়ে রীতিমতো তিনটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। প্রাথমিক ভাবে পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও এরপর রেশন দুর্নীতির তদন্তভার নেয় ইডি। এরপর থেকে ইডি, জেলার একাধিক জায়গায় তল্লাশি শুরু করে। তদন্তে বাকিবুরের (Bakibur Rahaman) আরও চালকলের সন্ধান মিলেছে নদিয়ায়।

    বাদুড়িয়াতে উদ্ধার আরও সম্পত্তি

    অপর দিকে বাদুড়িয়াতে বাকিবুরের (Bakibur Rahaman) ২১০ কাঠা সম্পত্তির হদিশ মিলেছে বলে জানা গেছে। বসিরহাট এলাকার পুরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জেলে পাড়ায় এই সম্পত্তি রয়েছে। বাকিবুর, এলাকার মানুষের জমি জোর করে, ভয় দেখিয়ে লিখিয়ে নেন বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় এলাকার বাসিন্দা অরবিন্দবাবুর অভিযোগ, ‘রাস্তার পাশে তাঁর ২ শতক জমি ছিল। যা কার্যত মস্তানদের দিয়ে দখল করে নিয়েছে বাকিবুর। ‘এলাকার আরেক বাসিন্দা রীতাদেবী বলেন, ‘এলাকায় দু’কাঠা জমি ছিল, সেখানে নিজেরা ঘর করে থাকছিলাম, কিন্তু বাকিবুরের গুন্ডারা এসে চাপ দিয়ে জবরদখল করে নেয়।’

    সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাকিবুরের ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তির সন্ধান মিলিছে বলে জানিয়েছে ইডি। এরমধ্যে ১ হাজার ৬৩২ কাঠা জমির কথাও জানা গিয়েছে। পার্কস্ট্রীট, রাজারহাট, বারাসত, রঘুনাথপুরে ৯ টি ফ্ল্যাটের খোঁজ মিলেছে।

           

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ইভটিজারদের হামলায় খুন! নিষ্ক্রিয় পুলিশ, প্রতিবাদে দেহ নিয়ে রাতভর জাতীয় সড়ক অবরোধ

    Nadia: ইভটিজারদের হামলায় খুন! নিষ্ক্রিয় পুলিশ, প্রতিবাদে দেহ নিয়ে রাতভর জাতীয় সড়ক অবরোধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর সময় ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করেছিলেন বছর চব্বিশের শুভ দাস। আর তারপরই তিনি হামলার শিকার হন। টানা কয়েকদিন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে তিনি হেরে যান। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছিল নদিয়ার (Nadia) হরিণঘাটার বিরহী এলাকায়। শনিবার রাতে হাসপাতাল থেকে দেহ এলাকায় আসতেই পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের মূল সড়ক যোগাযোগ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় হরিণঘাটা থানার পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (Nadia)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নদিয়ায় (Nadia) হরিণঘাটা থানার বিরহীর বাসিন্দা শুভ দাস পুজোর মধ্যে এক দিন বাড়ির কাছের পুজোমণ্ডপে বসেছিলেন। তিনি দেখতে পান, কয়েক জন মত্ত যুবক এক মহিলাকে উত্যক্ত করছেন। শুভ তাঁদের বাধা দেন। ইভটিজারদের সঙ্গে বচসা শুরু হয় তাঁর। কিছুক্ষণ পর অবশ্য এলাকা ছেড়ে চলে যায় ইভটিজাররা।  অভিযোগ, পরে শুভ যখন বাইক চালিয়ে অন্যত্র যাচ্ছিলেন, তখন ওই ইভটিডজারা তাঁর পিছনে ধাওয়া করে।  বাইকে লাথি মেরে তাঁকে রাস্তায় ফেলে দেন। স্থানীয় বাসিন্দারা রক্তাক্ত অবস্থায় শুভকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে স্থানান্তরিত করানো হয় কলকাতার হাসপাতালে। তারপর থেকে কলকাতায় চিকিৎসাধীন ছিলেন শুভ। কিন্তু, শেষ রক্ষা হয়নি। গত শুক্রবার শুভর মৃত্যু হয়। এরপরেই ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। শনিবার দেহ এলাকায় ফিরলে তা নিয়ে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে চলতে থাকে বিক্ষোভ। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    বিক্ষোভকারীদের কী বক্তব্য?

    বিক্ষোভকারীরা বলেন, পুজোর মধ্যে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করতে এলাকার ছেলে খুন হল। পুলিশে জানানোর পরও কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার যদি এই অবস্থা হয় তা হলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? আগামীদিনে রাস্তা অন্যায় হলেও কেউ প্রতিবাদ করতে এগিয়ে আসবে না। আমাদের দাবি, অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি দিতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: শিশু নির্যাতন-নারী ধর্ষণ রুখতে একরত্তি কন্যাকে মা লক্ষ্মী রূপে আরাধনা বাগচি দম্পতির

    Nadia: শিশু নির্যাতন-নারী ধর্ষণ রুখতে একরত্তি কন্যাকে মা লক্ষ্মী রূপে আরাধনা বাগচি দম্পতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমাজে শিশু নির্যাতন এবং নারী ধর্ষণ রোধ করতে নিজের সাড়ে তিন বছর কন্যাকে, মা লক্ষ্মী রূপে পুজো করে অভিনব উপায়ে প্রতিবাদ জানালেন বাগচি দম্পতি। এমন পুজো কার্যত সামজিক সচেতনতার প্রতীক। এই পুজো অনুষ্ঠিত হয়েছে, নদিয়া জেলার (Nadia) ভারত বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী কৃষ্ণগঞ্জ থানার নাঘাটা পাড়ায়। মা লক্ষ্মীর এই অভিনব পুজোতে খুশির উচ্ছ্বাস এলাকায়।

    কন্যাকে মা লক্ষ্মী রূপে পুজো (Nadia)

    লক্ষ্মী পূর্ণিমার পুণ্য তিথিতে, সারা বিশ্ব যখন ধন-সম্পদ লাভের আশায় ব্রতী, ঠিক সেই মুহূর্তে নিজের সাড়ে তিন বছর বয়সী একরত্তি শিশু কন্যাকে, দেবী লক্ষ্মী রূপে ধর্মীয় রীতি মেনে পুজো করলেন বাবা-মা। সেই সঙ্গে, পৃথিবী থেকে শিশু নির্যাতন ও নারী ধর্ষণের মতো অসামাজিক ঘটনা যাতে আর না ঘটে, তার জন্য প্রার্থনা করলেন এই বাগচি দম্পতি। নাঘাটা (Nadia) এলাকার বাগচি পরিবারের ঠাকুর ঘরের সিংহাসনে, মা লক্ষ্মীর প্রতিকৃতি রয়েছে। মায়ের সামনেই এদিন নিজের শিশু কন্যা অরিত্রিকা বাগচিকে, মা লক্ষ্মীর রূপে সজ্জিত করে, পুরোহিত ডেকে পুজো করলেন তাঁরা।

    কন্যার মায়ের বক্তব্য

    নদিয়ার (Nadia) পুজো প্রসঙ্গে, কন্যা অরিত্রিকা বাগচির মা ঝুমা বাগচি বলেন, “মেয়ে সন্তানকে পরিবারের লক্ষ্মী হিসাবে দেখছি আমরা। নারী হল মাতৃশক্তির আরেক রূপ। মূলত সেই কারণেই মা লক্ষ্মীর মৃন্ময়ী মূর্তির বদলে, ঘরের মেয়েকেই আমরা মা লক্ষ্মী হিসাবে আরাধনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” পাশাপাশি নিজের মেয়েকে ভগবান রূপে আরাধনা করার মধ্যে দিয়ে, সমাজ থেকে শিশু-নারী নির্যাতনের মতো অমানবিক ঘটনার, চিরতরে অবলুপ্তির আহ্বান জানিয়েছেন পরিবার।

    কন্যার বাবার বক্তব্য

    বহুক্ষেত্রে গ্রাম বাংলার বহু জায়গায় বাস্তব জীবনে মেয়েদের পিছন সারিতে ফেলে রাখার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। তাই কন্যা অরিত্রিকা বাগচির বাবা অর্জুন বাগচি বলেন, “কন্যা সন্তানদের প্রতি ভ্রান্ত ধারণা ও অসামাজিক মনোভাবকে মুছে দিতে হবে। নারীদের প্রতি সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।”

    দুর্গা পুজোকে কেন্দ্র করে কুমারী পুজোর প্রচলন থাকলেও, কোনও শিশু কন্যাকে লক্ষ্মী রূপে আরাধনা করার ঘটনা এখনও পর্যন্ত নজিরবিহীন। বাগচি দম্পতির এই কর্মকাণ্ডকে স্বচক্ষে দেখে, নাঘাটার (Nadia) বাড়িতে এইদিন ভিড় জমান আশেপাশের প্রতিবেশীরাও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue: ডেঙ্গিতে স্বামীর মৃত্যুর খবর শুনেই অ্যাসিড খেয়ে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা স্ত্রীর

    Dengue: ডেঙ্গিতে স্বামীর মৃত্যুর খবর শুনেই অ্যাসিড খেয়ে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা স্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেঙ্গিতে (Dengue) আক্রান্ত হয়ে স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। সেই শোক সামলাতে না পেরে অ্যাসিড খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন স্ত্রী। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার হাঁসখালির বেনালি গ্রামে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম বিকাশ হালদার। তাঁর বয়স ছিল ৫৩ বছর। তিনি বগুলা হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্মী হিসাবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর স্ত্রীর নাম প্রীতি হালদার। তাঁকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে বগুলা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে মঙ্গলবার গভীর রাতে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তাঁর অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক বলে পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Dengue)

    প্রায় এক সপ্তাহ ধরে জ্বরে ভুগছিলেন বিকাশবাবু। বগুলা হাসপাতালে তিনি কাজেও গিয়েছিলেন। তবে, এক সপ্তাহ পরেও সুস্থ হচ্ছিলেন না দেখে জ্বর এবং গলাব্যথার উপসর্গ নিয়ে বগুলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করানো হয় তাঁকে। জ্বর না কমায় রক্তের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। রক্ত পরীক্ষার পর জানা যায়, তাঁর ডেঙ্গি (Dengue) হয়েছে। ডেঙ্গির চিকিৎসার জন্য তাঁকে বগুলা হাসপাতাল থেকে রানাঘাটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রক্তে প্লেটলেট অস্বাভাবিক হারে কমতে থাকে। বহু চেষ্টার পরও প্লেটলেট বৃদ্ধি পায়নি। মঙ্গলবার বিকেলে চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয় বিকাশবাবুর। শোকে ভেঙে পড়েন তাঁর স্ত্রী প্রীতি হালদার। স্বামীর মৃত্যু মেনে নিতে না পেরে অ্যাসিড খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন প্রীতি। বিকাশের মৃত্যুর পর গ্রামের বাড়ি থেকে বগুলা হাসপাতালে তাঁর মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসক থেকে শুরু করে হাসপাতালের অন্যান্য কর্মীরা তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। পরে শেষকৃত্যের জন্য বিকাশের দেহ হাসপাতাল থেকে সরাসরি স্থানীয় শ্মশানঘাটে নিয়ে যাওয়া হয়।

    মৃতের পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    বিকাশবাবুর ভাই প্রসেনজিৎ হালদার বলেন, দাদা বেশ কয়েকদিন ধরে জ্বরে ভুগছিল। রক্ত পরীক্ষা করে জানা যায় যে তার ডেঙ্গি (Dengue) হয়েছে। অনেক চেষ্টা করেও তাকে বাঁচানো যায়নি। দাদার মৃতদেহ বাড়িতে পৌঁছতেই বউদি অ্যাসিড খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। দাদার মৃত্যুর পর বউদি এভাবে আত্মহত্যার চেষ্টা করবে, তা ভাবতেও পারিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: নদিয়ায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সক্রিয় কর্মী বাইক চুরির পান্ডা! এতদিন পুলিশ কী করছিল?

    Nadia: নদিয়ায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সক্রিয় কর্মী বাইক চুরির পান্ডা! এতদিন পুলিশ কী করছিল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ায় (Nadia) তৃণমূল  ছাত্র পরিষদের সক্রিয় কর্মী এখন গাড়ি চুরির পান্ডা। সেই কর্মীকে গ্রেফতার করে একাধিক মোটরবাইক উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধৃতের নাম মনিরুল দফাদার। প্রসঙ্গত শান্তিপুরের মনিরুল একনিষ্ঠ তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কর্মী। শান্তিপুর কলেজে ছাত্র সংসদে তার যাতায়াত ছিল নিয়মিত। কলেজের নেতাদের সঙ্গে ওঠা বসা ছিল তার। সব কিছুর আড়ালে সে মোটরবাইক চুরি  করত বলে অভিযোগ।

    গাড়ি চুরির পান্ডা কীভাবে জানা গেল? (Nadia)

    গত এক সপ্তাহ আগে নদিয়ার (Nadia) বাদকুল্লা সবজি বাজার থেকে একটি বাইক চুরি হয়। একটি দোকানের সিসি ক্যামেরা দেখে থানার পুলিশ মনিরুলকে গ্রেফতার করে। অপর দিকে, মনিরুল মোটর সাইকেল যার কাছে বিক্রি করেছিল, পুলিশ তাকেও গ্রেফতার করেছে। উদ্ধার করেছে বাইকও। ধৃতদের পুলিশি হেফাজতে নিয়ে ঘটনার তদন্তে নেমে জানতে পারে মনিরুলই হল চক্রের পান্ডা। সে মোটরবাইক চুরি করে বিক্রি করত। শান্তিপুর থেকে আরও দু’টি চোরাই মোটরবাইক উদ্ধার করে পুলিশ। শান্তিপুর, ফুলিয়া, বাদকুল্লা সহ একাধিক বাইক চুরির ঘটনার সঙ্গে সে জড়িত। সে কোথায় কোথায় চুরি করা বাইক বিক্রি করত তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। সব চুরি চুরি যাওয়া মোটরবাইক উদ্ধারের চেষ্টা কাছে চালাচ্ছে পুলিশ। মনিরুল তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী হওয়াতে ঘটনায় বিপাকে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। পাশাপাশি শান্তিপুর কলেজে যাতে আগামীতে মনিরুল প্রবেশ করতে না পারে সেই আশ্বাসও তারা হয়। দিয়েছেন। শান্তিপুর কলেজ থেকে বেশ কিছু মোবাইল চুরি হয়েছে। এখন সকলের সন্দেহ মনিরুলই সে সব করেছে।

    বিরোধীদের কী বক্তব্য?

    বিরোধী দলের নেতাদের বক্তব্য, তৃণমূল দলটা কেমন তা আরও একবার প্রমাণিত হয়ে গেল। এই ধরনের বড় সড় চুরি চক্রের পান্ডা ওই তৃণমূল কর্মী। এরাই দলের সম্পদ। অবিলম্বে পুলিশের ওই তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share