Tag: Nadia

Nadia

  • Sukanta Majumdar: ‘কালীঘাটের কাকু শুয়ে রয়েছেন  শিশুর বেডে!’ কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘কালীঘাটের কাকু শুয়ে রয়েছেন শিশুর বেডে!’ কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মের কল বাতাসে নড়ে, একজন বলেছিলেন কালী মদ খায় আর মাংস খায়। এক বছরও গেল না সেই কালী মায়ের কৃপায় সাংসদ হারা হয়ে গেলেন তিনি। নদিয়ার নবদ্বীপে একটি নাম সংকীর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে এই ভাষাতেই কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করেন তিনি।

    শিশুর বেডে কালীঘাটের কাকু শুয়ে রয়েছেন, কটাক্ষ সুকান্তর (Sukanta Majumdar)

    নদিয়ার নবদ্বীপে সারা ভারত কীর্তন ও বাউল গীতি সংগঠনের পক্ষ থেকে একটি মহাসম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানেই উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তাঁকে করতাল হাতে নিয়ে কীর্তন করতেও দেখা যায়। এরপরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ মহুয়া মৈত্র এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেন তিনি। তিনি বলেন ধর্মকে যদি আমরা রক্ষা না করতে পারি তাহলে ধর্ম আমাদের রক্ষা করবে না। তার জলজ্যান্ত উদাহরণ কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ। মুর্শিদাবাদে শিশু মৃত্যুর ঘটনা নিয়েও কটাক্ষ করেন তিনি। তিনি বলেন রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের স্বাস্থ্য ভালো নেই। যেখানে শিশুর চিকিৎসা হওয়ার কথা, সেই বেডে কালীঘাটের কাকু শুয়ে রয়েছে।

    কৃষক মৃত্যু নিয়ে কী বললেন সুকান্ত?

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, রাজ্যে সারের কালোবাজারি চলছে। সরকারের কোনও হেলদোল নেই। গোঘাট থানার ওসি কৃষকদের সঙ্গে যা আচরণ করেছে তাতে বোঝাই যাচ্ছে এই সরকার কৃষকদের কথা ভাবে না। তাই, কৃষকরা এই পথ বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছেন।

    মুখ্যমন্ত্রীর আত্মীয়ের বিয়ে নিয়েও সরব বিজেপির রাজ্য সভাপতি

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, সরকার যে বিয়ে তা এই প্রথম দেখলাম। এবার তো সরকার প্রজাপতি অফিস খুলবে। পাত্র-পাত্রী কে বাছাইয়ের কাজ করবে। রাজ্যে কৃষকের মৃত্যু হচ্ছে, হাসপাতালে শিশুর মৃত্যু হচ্ছে আর মুখ্যমন্ত্রী বিয়ে নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন।

    চাকরি প্রার্থীদের নিয়ে কী বললেন সুকান্ত?

    চাকরি প্রার্থীদের আন্দোলন ১০০১দিনে পড়ল। ১০০০দিনে এক চাকরি প্রার্থী মস্তক মুন্ডন করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, চাকরি প্রার্থীদের আন্দোলন নিয়ে এই সরকারের কোনও হেলদোল নেই। তাই, এই সরকার যতদিন থাকবে ওই চাকরি প্রার্থীরা চাকরি পাবেন না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার ভয়াবহ অবনতি! ভর সন্ধ্যায় বাড়িতে ঢুকে ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুন

    Nadia: রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার ভয়াবহ অবনতি! ভর সন্ধ্যায় বাড়িতে ঢুকে ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে কথায় কথায় গুলি চলাটা এখন যেন জলভাত হয়ে গিয়েছে। রাজনৈতিক কারণে তো বটেই, এখন গুলি চলে পারিবারিক বিবাদ, পাড়ার বিবাদ, এমনকি ব্যর্থ প্রেমের পরিণতিতেও। বিরোধীরা বার বার অভিযোগ করেন, বারুদের স্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে আছে রাজ্য। সেই অভিযোগ যে নেহাত কথার কথা নয়, তা একের পর ঘটনাতেই প্রমাণিত। এবার গুলি চলল নদিয়া জেলায় (Nadia)। তাহেরপুর থানার বাদকুল্লায় এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুন করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, শুক্রবার ভর সন্ধ্যায় বাদকুল্লার ভাদুরী এলাকার রাজা ভৌমিক নামে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে  করে দুষ্কৃতীরা। পরিবার সূত্রে খবর, তিন জন দুষ্কৃতী বাড়িতে ঢুকে তার স্ত্রীকে চুলের মুঠি ধরে মারধর করে। এরপর বাড়ির দোতলায় থাকা রাজা ভৌমিকের সঙ্গে বচসা হয় তাদের। সেখানেই হাতাহাতি চলাকালীন দুষ্কৃতীদের হাতে গুলিবিদ্ধ হন ব্যবসায়ী রাজা ভৌমিক। ঘটনাস্থলেই রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন তিনি। এরপর ওই দুষ্কৃতীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

    শোকের ছায়া এলাকা সহ পরিবারে (Nadia)

    ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বাদকুল্লা এলাকায়। পরে এলাকাবাসীর তৎপরতায় রক্তাক্ত রাজা ভৌমিককে বাদকুল্লা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। তবে কী কারণে এই খুন, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে তাহেরপুর থানার পুলিশ (Nadia)। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য তাহেরপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যদিও ভরসন্ধ্যায় এই ঘটনায় রীতিমতো শোকের ছায়া এলাকা সহ পরিবারে। ঘটনার কথা জানতে পেরে ছুটে আসেন মৃত রাজু ভৌমিকের দিদি টিংকু ভদ্র। তিনি বলেন, দোতলার উপরে উঠে আমার ভাইকে গুলি করে খুন করা হয়।

    “রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই” (Nadia)

    এ বিষয়ে জেলার (Nadia) পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজ বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। এর সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই। সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত এবং ব্যবসায়িক কারণ রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে। দোষীদের চিহ্নিত করার উদ্দেশ্যে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Krishna Nagar: উদ্বোধন করেই দায় শেষ মুখ্যমন্ত্রীর ! কৃষ্ণনগরের কন্যাশ্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের হাল জানেন?

    Krishna Nagar: উদ্বোধন করেই দায় শেষ মুখ্যমন্ত্রীর ! কৃষ্ণনগরের কন্যাশ্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের হাল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঢাকঢোল পিটিয়ে ঘটা করে নদিয়ার কৃষ্ণনগরে (Krishna Nagar) কন্যাশ্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এই জেলার ছাত্রীদের জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয় চালু করা হয়েছিল। কিন্তু, গত তিন বছরে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনও পরিকাঠামো তৈরি করা হয়নি। ফলে, মুখ্যমন্ত্রী স্বপ্নের কন্যাশ্রী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীর সংখ্যা ক্রমশ কমছে।

    কন্যাশ্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের কী অবস্থা? (Krishna Nagar)

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে বিশ্ববিদ্যালয়টি চালু হয়। নিজস্ব ভবন না-থাকায় প্রথমে কৃষ্ণনগর (Krishna Nagar) উইমেন্স কলেজে এর ক্লাস হচ্ছিল। বছর খানেক পরে কৃষ্ণনগর কলেজিয়েট স্কুলের নতুন ভবনে ক্লাস শুরু হয়। কৃষ্ণনগর সরকারি মহাবিদ্যালয়ের প্রিন্সিপ্যালের আবাসনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়। ফলে,  কন্যাশ্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ভবন নেই। কোনও স্থায়ী অধ্যাপক বা শিক্ষক নেই। স্থায়ী উপাচার্যও নেই। তিন বছর পেরিয়েও এমনই হাল এই বিশ্ববিদ্যালয়ের। ছাত্রী সংখ্যা কমছে বিশ্ববিদ্যালয়ে। কর্মীদের অনেকেই মনে করছেন, পরিকাঠামোর অভাব দেখেও অনেক ছাত্রী এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার উৎসাহ হারাচ্ছেন। বরং তাঁরা চলে যাচ্ছেন নিকটবর্তী বর্ধমান বা কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০টি বিষয়ে মোট আসন ৪৬০টি। এ বছর ভর্তি হয়েছেন ৩৪৩ জন। যেখানে গত বছর ভর্তি হয়েছিলেন ৪৩৭ জন।

    কেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কোনও ভবন নেই?

    প্রশাসন সূত্রে খবর, কৃষ্ণনগরে (Krishna Nagar) এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবন তৈরির জন্য প্রায় ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। তবে সেই টাকা পূর্ত দফতরের হাতে আসেনি। ফলে ভবন তৈরির কাজ বিশ বাঁও জলে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩ জন শিক্ষাকর্মী। সকলেই অস্থায়ী। ১৪৪ জন অতিথি অধ্যাপক। কোনও স্থায়ী অধ্যাপক নেই। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কন্যাশ্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হয়েছেন কাজল দে। তিনি বর্তমানে ডায়মন্ডহারবার উইমেন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। তাঁকে কন্যাশ্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে তিনিও নিয়মিত বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে পারেন না। এ ছাড়া ফিনান্স অফিসার, কন্ট্রোলার, রেজিস্ট্রার- সকলেই অবসরপ্রাপ্ত। তাঁদের নতুন করে নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁদের সকলে আবার নিয়মিত বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে পারেন না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: অধ্যাপিকাকে অশ্লীল মন্তব্য টিএমসিপি ছাত্রনেতার! কলেজে বিক্ষোভ এবিভিপির

    Nadia: অধ্যাপিকাকে অশ্লীল মন্তব্য টিএমসিপি ছাত্রনেতার! কলেজে বিক্ষোভ এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণগঞ্জের মাজদিয়া সুধীররঞ্জন লাহিড়ী মহাবিদ্যালয়ের এডুকেশন বিভাগের অধ্যাপিকাকে ফোন করে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ওই কলেজের টিএমসিপি’র সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে। সেই সঙ্গে এই ফোনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হতেই কৃষ্ণগঞ্জ ব্লক জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়। অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্রের নাম বিভাস হালদার। প্রতিবাদে কলেজ ক্যাম্পাসে সরব হয়ে বিক্ষোভ দেখায় এবিভিপি।

    শাস্তির দাবিতে এবিবিপির বিক্ষোভ (Nadia)

    অধ্যাপিকার ওপর এহেন আচরণের প্রতিবাদে সোমবার মাজদিয়া (Nadia) কলেজের সামনে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের পক্ষ থেকে ছাত্রছাত্রীরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। দাবি একটাই তৃণমূল ছাত্র নেতার শাস্তি চাই। আর এই বিক্ষোভ প্রদর্শনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই কৃষ্ণগঞ্জ থানার নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী আসে মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গনে। ঘটনায় পুলিশ বাধা দিলে, এভিবিপি ছাত্রছাত্রীরা জোর করে কলেজে ঢুকতে গেলে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। সেই সঙ্গে ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে পুলিশ প্রশাসনের ব্যাপক তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। কারণ ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও কলেজের ভিতরে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়। এরপর ঘটনাস্থলে আসেন কৃষ্ণগঞ্জ থানার আইসি বাবিন মুখার্জী।

    প্রিন্সিপালের বক্তব্য

    কলেজ (Nadia) প্রিন্সিপাল এই প্রসঙ্গে বলেন, “আই কার্ড থাকলে ছাত্র-ছাত্রীরা কলেজের ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে।” এরপর প্রিন্সিপালের হস্তক্ষেপে যারা আইডেন্টিটি কার্ড নিয়ে এসেছিল, সেই সমস্ত ছাত্রছাত্রীদের কলেজের ভিতরে ঢুকতে দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। এই প্রসঙ্গে প্রিন্সিপাল আরও বলেন, “ফোনে অশালীন মন্তব্য করার ঘটনায় অধ্যাপিকা নিজে বিবরণ দিয়ে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।”

    টিএমসিপি ছাত্রনেতার শাস্তির দাবি

    এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দুপুরে কলেজের (Nadia) অধ্যাপক, অধ্যাপিকা ও স্টাফদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন প্রিন্সিপাল। মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয় কোনও মতেই অধ্যাপিকার উপর এই অসভ্য আচরণ বরদাস্ত করা হবে না। অভিযুক্ত ছাত্র যাতে শাস্তি পায় তার ব্যবস্থা করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: নদিয়ার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে উদ্ধার ২ কোটির সোনার বিস্কুট, গ্রেফতার ৮

    Nadia: নদিয়ার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে উদ্ধার ২ কোটির সোনার বিস্কুট, গ্রেফতার ৮

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার (Nadia) ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে ২ কোটির সোনার বিস্কুট উদ্ধার করল সীমান্ত সুরক্ষ বাহিনী। একই সঙ্গে উদ্ধার একটি পিস্তল, ফেনসিডিল এবং গাঁজা। একেবারে হাতেনাতে ধরা হয়েছে পাঁচ মহিলা সহ মোট ৮ জনকে। এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এই ঘটনায়।

    নদিয়ার কোথায় উদ্ধার হয়েছে (Nadia)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল। কিন্তু এই পাচারের গোপন খবর আগেই পেয়ে যান বিএসএফের অফিসারেরা। এরপর নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণগঞ্জের পুলিশ এবং রাজস্ব গোয়েন্দা দফতরের কাছে খবর দেওয়া হয়। এরপর শুরু হয় সীমান্ত সংলগ্ন বিজয়পুর গ্রামে চলে যৌথ অভিযান। সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩০ নভেম্বর এবং ১ ডিসেম্বর দুই দিন ধরে চলে অপারেশেন। অবশেষে উদ্ধার হয় গতকাল শনিবারে।

    সীমান্তে চলেলে যৌথ অভিযান

    গত কয়েক মাসে নদিয়ার (Nadia) ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বেশ কয়েকবার অভিযান চালিয়ে বড়সড় সাফল্য পেয়েছে বিএসএফ। গতকাল শনিবার বিজয়পুর গ্রামে সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী এবং ডিআরআই যৌথ ভাবে অভিযান চালিয়ে ৩ কেজি ৫০০ গ্রাম সোনার বিস্কুট উদ্ধার করে। যার বাজার মূল্য প্রায় ২ কোটি ১৮ লাখ টাকা। এছাড়াও পুলিশের তল্লাশিতে উদ্ধার হয়েছে একটি পিস্তল, তিনটি কার্তুজ, একটি ম্যাগাজিন, দুই কেজি গাঁজা এবং ৬৯ বোতল ফেনসিডিল।

    সীমান্তের সক্রিয় বিএসএফ

    ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে চোরাকারবার নিয়ে বারবার সংবাদ মাধ্যমে খবর উঠে এসেছে। কেন্দ্র সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সীমান্তবর্তী এলাকায় ইতিমধ্যে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকাকে বিএসএফের নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে রাজ্য সরকারের পুলিশ প্রশাসনকে সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করার উপদেশ দেওয়া হয়েছে। যদিও এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিএসএফের ক্ষমতা বৃদ্ধিকে কটাক্ষ করে রাজ্যের ক্ষমতায় কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের দাবি তুলেছেন। কিন্তু রাজনৈতিক মহলের একাংশের কাছে নদিয়ার (Nadia) এই সাফল্য, সীমান্তে বিএসএফের ক্ষমতা বৃদ্ধিকেই ইতিবাচক বলে মনে করছেন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Shantipur: সিভিক ভলান্টিয়ারে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    Shantipur: সিভিক ভলান্টিয়ারে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিভিক ভলান্টিয়ার এর চাকরি করে দেওয়ার নাম করে দফায় দফায় এক লক্ষ টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠল এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। টাকা চাইতে গেলে হুমকির অভিযোগ পরিবারের। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার শান্তিপুর (Shantipur) থানার ফুলিয়া হাসপাতালপাড়া এলাকার।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Shantipur)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ছয় মাস আগে শান্তিপুর (Shantipur) হাসপাতাল পাড়া এলাকার বাসিন্দা মালা শর্মার কাছ থেকে তাঁর ছেলেকে সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি করে দেওয়ার নাম করে টাকার দাবি করেন। প্রথমে ৫০ হাজার টাকা নেন ওই মহিলার কাছ থেকে। এরপর দ্বিতীয় দফায় আরও ৫০ হাজার টাকা নেন বলে অভিযোগ ওঠে। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা সুপ্রভাত সরকার ফুলিয়া টাউনশিপ অঞ্চলের তৃণমূলের আহ্বায়ক। মালা শর্মার দাবি, তিন মাসের মধ্যে চাকরি দেওয়ার শর্ত থাকলেও ছয় মাস পেরিয়ে গেল চাকরি দিতে পারেনি ওই তৃণমূল নেতা। ছয় মাস অতিক্রান্ত হয়ে যাওয়ার পর টাকা চাইতে গেলে বিভিন্ন কথা বলে বার বার বাড়ি পাঠিয়ে দেন তিনি। শুধু তাই নয় অবশেষে টাকা চাইলে হুমকি দেন। কোনও উপায় না পেয়ে অবশেষে শান্তিপুর থানায় অভিযোগ জানাই।

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কী বললেন?

    প্রতারিত মহিলার তোলা অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন তৃণমূল নেতা সুপ্রভাত সরকার। তিনি বলেন, ওই মহিলা সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ করছেন। এটা বিরোধী রাজনৈতিক দলের চক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে। আমি কারও কাছ থেকে কোনও টাকা পয়সা আজ পর্যন্ত নিইনি।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এ বিষয়ে বিজেপি নদিয়া দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক সোমনাথ কর বলেন, তৃণমূলের সব ছোট বড় নেতারই একই চরিত্র। সবাই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। আসলে পুলিশের নাম করেই এরা দুর্নীতি করেই চলেছে। এরা জানে রাজ্য পুলিশ কোনও তৃণমূল নেতাকে কিছু করতে পারবে না। আমরা চাই যে নেতা টাকা আত্মসাৎ করেছে তাঁর কঠোরতম শাস্তি হোক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: সালিশি সভায় যুবতীকে ব্যাপক মারধর! অভিযুক্ত তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য

    Nadia: সালিশি সভায় যুবতীকে ব্যাপক মারধর! অভিযুক্ত তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সালিশি সভায় নিজের বাড়িতে ডেকে মহিলাদের মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য এবং দাদা সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে। পঞ্চায়েত সদস্যর পাল্টা দাবি, তার বাড়িতে ঢুকেই আচমকা আক্রমণ চালিয়েছে অভিযোগকারিণী। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) শান্তিপুর থানার বেলঘড়িয়া এলাকায়। এই নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা শুরু হয়েছে। দুই পক্ষ থেকেই পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে।

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Nadia)?

    স্থানীয় (Nadia) সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকার এক যুবতী অপর এক যুবকের সঙ্গে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে। যুবতীর বাড়ির তরফ থেকে নিজেদের মেয়েকে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়। সেই দাবি নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার ওই এলাকার তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য বিজয় শিকদারের বাড়িতে একটি সালিশি সভা বসানো হয়। অভিযোগ ওঠে, সেখানে নিজেদের মেয়েকে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার দাবি তুললেই আচমকা যুবতীর পরিবারকে মারধর করা হয়। অভিযোগ ওঠে যে তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য বিজয় শিকদার এবং তাঁর দাদা পেশায় সিভিক ভলান্টিয়ার মহিলাদের মারধর করেন। মারধরের হাত থেকে রেহাই পায়নি বৃদ্ধ মহিলারাও। মারের আঘাতে এক বৃদ্ধা গুরুতর আহত হন। তিনি বর্তমানে রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অন্যদিকে গোটা ঘটনার কথা অস্বীকার করেছেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য বিজয় শিকদার। তিনি বলেন, “সালিশি সভায় বসার নাম করে যুবতীরা আচমকা দলবল নিয়ে আমার বাড়িতে চড়াও হয়। আচমকা তারা ঘরে ঢুকে পড়ে। এরপর আমার বাড়িতে থাকা সকল সদস্যদের মারধর করে ওই যুবতীরা। এমনকি বাড়ির এক ছোট্ট মেয়েকে মারধর করা হয়। ঘটনায় জখম হওয়া মেয়েকে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা করাতে হয়।”

    ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দুপক্ষই শান্তিপুর (Nadia) থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার না হলেও ঘটনার সত্যতা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Brucellosis: রাজ্যে চোখ রাঙাচ্ছে ব্রুসেলোসিস! ফের মৃত্যু হল একজনের

    Brucellosis: রাজ্যে চোখ রাঙাচ্ছে ব্রুসেলোসিস! ফের মৃত্যু হল একজনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার রেশ সবে কেটেছে। চিনা নিউমোনিয়া নিয়ে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় চলছে। এরই মধ্যে এই রাজ্যে চোখ রাঙাচ্ছে ব্রুসেলোসিস (Brucellosis)। এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুরও ঘটনা ঘটেছে। চলতি মাসেই এই রাজ্যে আরও একজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম নিরঞ্জন রাহা। তাঁর বয়স ৫০ বছর। তাঁর বাড়ি নদিয়ার নাকাশিপাড়ার গোটেপাড়া এলাকায়।

    কীভাবে ছড়ায় এই রোগ? (Brucellosis)

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্রুসেলা জেনাসের অন্তর্ভুক্ত একদল ব্যাক্টেরিয়াই ব্রুসেলোসিসের (Brucellosis) কারণ। শুধু মানুষ নয়, সংক্রমিত করে পশুদেরও। আক্রান্ত পশুর ফ্লুইড থেকে সরাসরি মানুষের শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে এই ভয়ঙ্কর ব্যাকটেরিয়া। কাঁচা অথবা আনপাস্তুরাইজড ডেয়ারি প্রোডাক্ট থেকেও ছড়িয়ে পড়ে ব্রুসেলোসিস। আরও নানাভাবে সংক্রামিত হতে পারে মানুষ। গত ৫ সেপ্টেম্বর, হুগলির পোলবার চৈতালী দেশি এই একই রোগে ভুগে বাঙুর হাসপাতালে মারা গিয়েছিলেন। এই মহিলা প্রাণীমিত্র ছিলেন। ফলে, কাজের সূত্রে পশুর নজরদারি করতে হত তাঁকে। সেখান থেকে তিনি সংক্রামিত হতে পারেন। তবে, তিনি প্রথম আক্রান্ত কি না সেই সংখ্যা নিয়ে দ্বিমত রয়েছে। এই প্রথম বা দ্বিতীয়, এটা সর্বকালীন না চলতি বছরের পরিসংখ্যান, তা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। কারণ, সংবাদমাধ্যমের একাংশের দাবি, গত বছর ডিসেম্বরে এই ব্রুসেলোসিসে আক্রান্ত হয়ে স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনে মারা গিয়েছিলেন পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের ৫১ বছরের বাসিন্দা শরবিন্দু ঘোষ। চলতি বছরে আরও দুজনের মৃত্যু হল।

    নদিয়ার ব্যক্তি কীভাবে আক্রান্ত হলেন?

    জানা গিয়েছে, নিরঞ্জন রাহার বাড়িতে গবাদি পশু ছিল। একইসঙ্গে তিনি চাষাবাদও করতেন। প্রাথমিক অনুমান, গবাদি পশুর শরীর থেকে তাঁর শরীরে এই ব্যাকটেরিয়ার প্রবেশ ঘটে। চলতি মাসের শুরুতে তিনি অসুস্থ বোধ করায় স্থানীয় হাসপাতালে দেখান। কিন্তু, শারীরিক উন্নতি না হওয়ায় তাঁকে গত ১৩ নভেম্বর আলিপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরই মাঝে ১৬ নভেম্বর ব্রুসেলা (Brucellosis) রিপোর্ট পজিটিভ আসে তাঁর। গত ২৪ নভেম্বর ওই বেসরকারি হাসপাতালেই মৃত্যু হয় তাঁর। গত দুমাসে পর পর দুজন এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগে রয়েছেন চিকিৎসকরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: “মিড ডে মিলের টাকা নিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলে যাবেন” হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Nadia: “মিড ডে মিলের টাকা নিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলে যাবেন” হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মিড ডে মিলের টাকা নিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলে যাবেন। ১ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা নিয়ে কম্বল বিতরণ এবং বিভিন্ন জনসভায় খরচ করেছেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হবে।” শুক্রবার নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এভাবেই হুঁশিয়ারি দিলেন রাজের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    ২৯ নভেম্বর দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ডাক (Nadia)

    উল্লেখ্য, চাকরির দুর্নীতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পে দুর্নীতির প্রতিবাদে আগামী ২৯ নভেম্বর বিজেপির পক্ষ থেকে কলকাতা চলো ডাক দেওয়া হয়েছে। এই জনসভাকে সামনে রেখে এদিন একটি প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয় নদিয়ার কৃষ্ণনগরের (Nadia) পোস্ট অফিস মোড়ে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বক্তব্যের শুরুতেই তিনি বলেন, “এরাজ্যে এনআরসি খুব শীঘ্র চালু হচ্ছে। রাজ্যে যখন করোনার সময় চলছিল, তখন পিএম কেয়ারের টাকা লুট করেছে তৃণমূল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এবং রাজিব সিন্‌হাকে কাজে লাগিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা লুট করেছেন। মিড ডে মিলের টাকা নিয়ে হিঙ্গলগঞ্জে কম্বল বিতরণ করেছেন। আমি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য দফতরে এবিষয়ে একটি চিঠি লিখব। তদন্ত শুরু হলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর ভাইপো দুজনেই জেলে যাবেন।”

    হাইকোর্টের নির্দেশকে স্বাগত শুভেন্দুর (Nadia)

    ২৯ নভেম্বরের সভা নিয়ে কৃষ্ণনগরে (Nadia) শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “রাজ্য সরকার ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করলেও জয় আমাদেরই। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি অত্যন্ত সঠিক কথা বলেছেন। যে যুক্তি রাজ্য সরকার দেখিয়েছে, ঠিক একই যুক্তিতে ২১ শে জুলাইতে তৃণমূলের সভাও বাতিল হতে পারে। আমি এই নির্দেশকে স্বাগত জানাই।” এছাড়া শুভেন্দু আরও বলেন, “উত্তর ২৪ পরগনা এবং নদিয়াতে জাল পাসপোর্টের রমরমা চলছে। জেলার জনবিন্যাস পুরোপুরি বদলে যাচ্ছে। অনুপ্রবেশকারীরা একটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। হাবড়ার তৃণমূল নেত্রী প্রকাশ্যে বলছেন জাকির নামক দুষ্কৃতীর মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নাম সরকারি তালিকায় তোলার কাজ হচ্ছে। খুব ভয়ঙ্কর হতে চলেছে। মানব পাচারের বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যে এনআইএ তল্লাশি চালিয়েছে। প্রয়োজনে আরও সক্রিয় হয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে চিঠি লিখব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: হাতে নয়, পেট দিয়ে বিশ্বকাপ ফাইনালে মহম্মদ শামির ছবি এঁকে নজির গড়লেন নদিয়ার তুহিন

    Nadia: হাতে নয়, পেট দিয়ে বিশ্বকাপ ফাইনালে মহম্মদ শামির ছবি এঁকে নজির গড়লেন নদিয়ার তুহিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে গোটা দেশে এখন উন্মাদনা তুঙ্গে। বিশ্বকাপে নিজের ক্যারিশ্মায় দেশবাসীর মন জয় করে নিয়েছেন ক্রিকেটার মহম্মদ শামি। ক্রিকেটার মহম্মদ শামির ছবি পেট দিয়ে এঁকে এক অনন্য নজির গড়লেন নদিয়ার (Nadia) চাপড়ার অঙ্কন শিল্পী তুহিন মণ্ডল।

    পেট দিয়ে ছবি আঁকলেন শিল্পী

    আজ বহু অপেক্ষিত বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ। যেখানে ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া প্রতিদ্বন্দ্বিতাই মাঠে নামবে। যদিও গোটা ভারতবাসীর স্বপ্নের জালে শুধুই জয়। ঠিক তেমনি নদিয়ার (Nadia) চাপড়ার অঙ্কন শিল্পী তুহিনবাবু তার পেট দিয়ে এঁকে একে ফেললেন জয়ের গুরু দায়িত্ব সামলানোর মহম্মদ শামির ছবি। ভারতের ১৩৫ কোটি মানুষের স্বপ্নের জালে শুধুই বিশ্বকাপ জয়। যার নেপথ্যে অন্যতম নাম শামি। আর সেই  ছবি এঁকে সকলের মন জয় করলেন শিল্পী তুহিন। তবে, হাতে নয়, দুহাত ছাড়াও পেট দিয়ে ছবি এঁকেছেন এই শিল্পী ।

    কী বললেন অঙ্কন শিল্পী?

    শিল্পীর এই শিল্পকলা চাক্ষুষ দেখার জন্য ভিড় করেছেন ক্রীড়া প্রেমীরা। নদিয়া (Nadia) জেলার চাপড়ার বড় অন্দুলিয়ার বাসিন্দা তুহিন মণ্ডল ছোট থেকে বাবার কাছে তার আঁকা শেখা। তবে সেভাবে কোনও শিক্ষক শিক্ষিকার কাছে আঁকা শেখেননি। নিজের চেষ্টায় তিনি শিল্পী হিসেবে পারদর্শী হওয়ার পর পেটকে নিয়ন্ত্রণ করেছেন রং তুলির মাধ্যমে। তবে এবার বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে একজন দেশবাসী হিসেবে সর্বোপরি একজন শিল্পী হিসাবে বিশ্বকাপের জয়ের প্রার্থনায় অপরূপ তাঁর এই প্রচেষ্টা দেখেই বোঝা যাচ্ছে কত আবেগ রয়েছেন তুহিনবাবু। অঙ্কন শিল্পী তুহিনবাবু বলেন, ভবিষ্যতে যদি কখনও মহম্মদ শামির কাছে পৌঁছাতে পারি, তাহলে তাঁর হাতে এই ছবি তুলে দিয়ে নিজেকে ধন্য মনে করব। আমরা চাইব, মহম্মদ শামি আগামীদিনে ক্রিকেটার এক অনন্য নক্ষত্র হয়ে উঠুক। যার নাম ইতিহাসের পাতায় অক্ষরে অক্ষরে লেখা থাকবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share