Tag: Nadia

Nadia

  • Nadia: নদিয়ায় ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে কলেজ ছাত্রীর মৃত্যু, জেলায় কতজন আক্রান্ত জানেন?

    Nadia: নদিয়ায় ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে কলেজ ছাত্রীর মৃত্যু, জেলায় কতজন আক্রান্ত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ায় (Nadia) ডেঙ্গিতে লাগাম টানতে পারেনি স্বাস্থ্য দফতর। জেলায় হু হু করে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এর আগে রানাঘাটে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছিল। এবার ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল কলেজ ছাত্রীর। কলেজ ছাত্রীর নাম সুস্মিতা মণ্ডল। তাঁর বয়স কুড়ি বছর। রানাঘাট কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। তাঁর বাড়ি শান্তিপুর থানার পুলতা গ্রামে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    কয়েকদিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন ওই কলেজ ছাত্রী। তাঁকে প্রথমে হবিবপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় নদিয়ার (Nadia) রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে। ছাত্রীর পরিবারের লোকজন ভালো চিকিৎসার জন্য তাঁকে রানাঘাটে একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করেন। তারপর থেকেই শুরু হয় চিকিৎসার গাফিলতি। যখন পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হয় তখন ওই কলেজ ছাত্রীকে নার্সিংহোম থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরবর্তীতে পরিবারের পরিজনেরা তাঁকে রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা সাফ জানিয়ে দেন, চিকিৎসার গাফিলতির জন্যই ওই ছাত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়েছে। সোমবার রাতে রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসা শুরু হলেও কিছুক্ষণ পরই মৃত্যু হয় ওই কলেজ ছাত্রীর। শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা গ্রামে। রানাঘাটের ওই  নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। আবারও কলেজ ছাত্রীর মৃত্যুতে একাধিক প্রশ্ন চিহ্নের মুখে রানাঘাটের ওই বেসরকারি নার্সিংহোম।

    নদিয়া (Nadia) জেলায় ডেঙ্গিতে কতজন আক্রান্ত?

    নদিয়া (Nadia) জেলায় হু হু করে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। স্থানীয় পঞ্চায়েত, পুরসভার পক্ষ থেকে কোনও উদ্যোগই চোখে পড়ছে না বলে জেলার বাসিন্দাদের অভিযোগ। এখনও পর্যন্ত জেলায় প্রায় ৪ হাজার জন আক্রান্ত রয়েছেন। যদিও স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, অনেকেই সুস্থ হয়ে গিয়েছেন। অনেকের জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের বক্তব্য, ডেঙ্গি মোকাবিলায় সবরকম পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ডাকাতি মামলায় গ্রেফতার হরিণঘাটার তৃণমূল কর্মী, নদিয়া জেলা জুড়ে চাঞ্চল্য

    Nadia: ডাকাতি মামলায় গ্রেফতার হরিণঘাটার তৃণমূল কর্মী, নদিয়া জেলা জুড়ে চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে উঠেছিল তৃণমূলের এক নেতার বিরুদ্ধে। যদিও ঘটনার পর থেকে উধাও অভিযুক্ত নেতা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই ঘটনার জের কাটতে না কাটতে এবার ডাকাতি করার জন্য জমায়েত হওয়ার অভিযোগে দু’জনকে গ্রেফতার করল নদিয়ার (Nadia) রানাঘাট থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম জাকির হোসেন মণ্ডল ও শ্যামল রায়। তাদের বাড়ি হরিণঘাটা থানা এলাকায়। এই জাকির তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। পাশাপাশি সে হরিণঘাটার কাষ্ঠডাঙা-২ পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য আনোয়ার হোসেন মণ্ডলের ছেলে। সে এখন পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    ধৃত তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ? (Nadia)  

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৫ সেপ্টেম্বর পাটুলিতে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে জাকির সহ দু’জন ডাকাতির উদ্দেশ্যে এসেছিল। তখনই পুলিশ তাদের ধরে ফেলে। পুলিশের দাবি, তাদের কাছ থেকে লাল রঙের একটি গাড়ি ও একটি দেশি আগ্নেয়াস্ত্র, দু’টি কার্তুজ ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। জাকির আগেও মাদক আইনে গ্রেফতার হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে নদিয়ার (Nadia) হরিণঘাটা থানা এলাকায় হিংসা, অশান্তি, সংগঠিত অপরাধের মামলাও রয়েছে। হরিণঘাটা তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, কাষ্ঠডাঙা-২ পঞ্চায়েতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েও গত ১১ অগাস্ট প্রধান নির্বাচন নিয়ে অস্বস্তিতে পড়েছিল দল। প্রধান পদের জন্য দলের বাছাই ছিলেন শুভদীপ সাহা। কিন্তু, সদস্যদের একাংশ চিন্ময় দাস নামে আর এক জনের নাম প্রস্তাব করেন। ভোটাভুটিতে দলের শুভদীপকে হারিয়ে প্রধান হন চিন্ময়। বিজেপি সদস্যরা ভোটে যোগ দেননি। তখনই তৃণমূলের একাংশ অভিযোগ তুলেছিল, প্রধান নির্বাচনের আগের রাতে দলের কয়েকজন নির্বাচিত সদস্যকে অপহরণ করে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে ভয় দেখানো হয়। যদিও কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। সূত্রের খবর, এই অপহরণের পিছনে ছিল জাকির।

    ধৃত তৃণমূল কর্মীর বাবা কী সাফাই দিলেন?

    জাকিরের বাবা আনোয়ার হোসেন বলেন, ডাকাতির উদ্দেশ্যে ছেলে জড়ো হয়নি। মিথ্যা অভিযোগ। আসলে নদিয়ার (Nadia) আড়ংঘাটায় দলের মিটিং ছিল, জাকির সেখানে গিয়েছিল। তারপর রাতে আকাইপুরে শ্বশুরবাড়িতে খেয়ে ফিরছিল। আর ছেলের বিরুদ্ধে অপহরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দল এক জনকে প্রধান করতে চেয়েছিল। কিন্তু, আমরা একটা ভাল ছেলেকে প্রধান করার জন্য তাঁর বিরুদ্ধে গিয়েছিলাম। ছেলে কাউকে অপহরণ করেনি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?  

    ডাকাতির মামলায় দলীয় কর্মী গ্রেফতার হওয়ায় চরম বিড়ম্বনায় পড়েছে দল। হরিণঘাটা জুড়ে এই বিষয় নিয়ে চর্চা চলছে। এই ঘটনায় শাসক দল বেশ কিছুটা ব্যাকফুটে রয়েছে। এই প্রসঙ্গে হরিণঘাটা ব্লক তৃণমূলের সভাপতি নারায়ণচন্দ্র দাস ‘দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়’ বলে মন্তব্য করে আর কোনও কথা বলতে চাননি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: রাত পোহালেই বিশ্বকর্মা পুজো, বিক্রি নেই প্রতিমার, মাথায় হাত নদিয়ার মৃৎশিল্পীদের

    Nadia: রাত পোহালেই বিশ্বকর্মা পুজো, বিক্রি নেই প্রতিমার, মাথায় হাত নদিয়ার মৃৎশিল্পীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ রাজ্যে নেই শিল্প, গড়ে ওঠেনি নতুন কল কারখানা! মেলেনি বিশ্বকর্মা ঠাকুর তৈরির বরাদ, চরম আর্থিক সংকটে দিন কাটছে কৃষ্ণনগরের মৃৎশিল্পীদের। নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগরের মৃৎশিল্পীদের ঐতিহ্য রয়েছে রাজ্য তথা গোটা দেশজুড়ে। মাটির পুতুল থেকে শুরু করে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেবদেবীর মূর্তি, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যায় কৃষ্ণনগরের মৃৎশিল্পীদের কাছ থেকে। বিভিন্ন পুজোর দিকেই তাকিয়ে থাকেন তাঁরা। পুজো এলেই কাজের বরাত পৌঁছে যায়। রাত পোহালেই বিশ্বকর্মা পুজো। মূলত বর্তমানে বিভিন্ন ঘরে ঘরেই ছোটখাটো বিশ্বকর্মার পুজো হয়ে থাকে। সেই প্রতিমাও বিক্রি নেই। মাথায় হাত মৃৎশিল্পীদের।

    একসময় বিশ্বকর্মা পুজোর আগে ব্যস্ত থাকতেন মৃৎশিল্পীরা

    অন্যদিকে,কয়েক দশক আগে নদিয়ার (Nadia) কল্যাণী শিল্পাঞ্চল জুড়ে বড় বড় কলকারখানা থেকে এবং শিল্পপতিদের থেকে বিশ্বকর্মা ঠাকুর তৈরির অর্ডার পেতেন মৃৎশিল্পীরা। সেখান থেকে তাঁদের মোটা টাকা আয়ও হত। কিন্তু, আস্তে আস্তে গোটা রাজ্যের বড়, মাঝারি শিল্প থেকে শুরু করে ছোটখাটো শিল্প বন্ধ হয়ে গেছে। একাধিক কলকারখানা এখন জঙ্গল এবং আগাছা গ্রাস করে নিয়েছে। সেই কারণে বড় ঠাকুর তৈরির অর্ডার আর আসে না। সেই কারণেই কিছুটা হলেও সমস্যায় পড়েছেন তাঁরা।

    কী বললেন মৃৎশিল্পীরা? (Nadia)

    মৃৎশিল্পীদের মূলত ঠাকুর তৈরির ওপরে তাঁদের সংসার চলে। কিন্তু, বড় বড় ঠাকুর তৈরির অর্ডার না এলে কিভাবে এই পেশায় যুক্ত থেকে সংসার চালাবেন তা নিয়েই চিন্তিত তাঁরা। নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগরে দীর্ঘদিনের মৃৎশিল্পী তারক পাল বলেন, প্রায় দশ বছর ধরে রাজ্যের বিভিন্ন কলকারখানা এবং শিল্প বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আগে যে সমস্ত আমরা বড় বড় বিশ্বকর্মা ঠাকুর তৈরির অর্ডার পেতাম এখন তা আর আসে না। মূলত ছোট ছোট বাড়ির পুজোর ঠাকুর তৈরির উপরেই আমাদের নির্ভর করতে হয়। কিন্তু সেখানে লাভের অংশ নিতান্তই কম। সেই কারণে এই পেশায় যুক্ত থেকে সংসার চালানো খুব কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা চাই আগের মত যাতে গোটা রাজ্য জুড়ে শিল্প এবং কলকারখানা নতুন করে চালু হোক। তাহলে কিছু আর্থিক দিক থেকে সবল হব। আর এক মৃৎশিল্পী অরবিন্দ পাল বলেন, বর্তমানে যেভাবে জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে সেখানে লাভের শতাংশ অনেকটা কমে গেছে। ঠাকুর তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম এখন ডবল দাম দিয়ে কিনতে হয়। কিন্তু, সেই অর্থে আমরা ঠাকুরের দাম বাড়াতে পারিনি। যে কারণে আর্থিক দিক থেকে সমস্যায় পড়তে হয় আমাদের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mandarmani: যুবতীকে ধর্ষণ করে খুন, উদ্ধার মন্দারমণিতে, নারীপাচার চক্রের যোগ!

    Mandarmani: যুবতীকে ধর্ষণ করে খুন, উদ্ধার মন্দারমণিতে, নারীপাচার চক্রের যোগ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:১১ সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে মন্দারমণির (Mandarmani) চাঁদপুরে অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবতীর অর্ধনগ্ন মৃতদেহ উদ্ধার হয়। সেই যুবতীর পরিচয় পেলেন তদন্তকারীরা। যুবতীর বাড়ি নদিয়ার তাহেরপুরে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, তাঁকে ধর্ষণ করে শ্বাসরোধ খুন করা হয়েছে। মন্দারমণি, চাউলখোলা এলাকায় একটি নারী পাচার চক্র রয়েছে। তারা বিভিন্ন এলাকা থেকে গরিব মেয়েদের ভাল কাজ দেওয়ার নাম করে নিয়ে এসে বিপথে চালিত করে। এই যুবতীও এই ধরনের চক্রের খপ্পড়ে পড়েছিল বলে বলে পরিবারের লোকজনের দাবি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Mandarmani)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতি সপ্তাহে শনিবার কিংবা রবিবার সোদপুরে বিউটিশিয়ানের কোর্স শিখতে যেতেন মৃত যুবতী। শনিবার দিদির বাড়ি বারাকপুরে থেকে সোদপুরের উদ্দেশে বের হন এবং বাড়িতে ফোন করে জানান ফিরতে রাত হবে। ১০ সেপ্টেম্বর রবিবার সন্ধে ৬টার সময় মায়ের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর আর তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এরপর তাঁর ফোন সুইচ অফ দেখায়। ১১ সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে মন্দারমণি (Mandarmani) কোস্টাল থানা এলাকার চাঁদপুরে সমুদ্রের পাশে বোল্ডারের ওপর একটি অর্ধনগ্ন মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সেই সময় নাম-পরিচয় জানতে পারেনি পুলিশ। এদিকে যুবতীর পরিবার তাহেরপুর থানায় মিসিং ডায়েরি করে। এরপর জানা যায়, মৃত যুবতীই তাহেরপুরের বাসিন্দা।

    পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    কীভাবে নদিয়ার তাহেরপুর থেকে সোদপুর হয়ে মন্দারমণি (Mandarmani) পৌঁছলেন, তার ব্যাখা নেই পরিবারের কাছেও। যদিও মৃত যুবতীকে ধর্ষণের পর গলা টিপে খুন করা হয়েছে বলে বিস্ফোরক দাবি করলেন মৃত যুবতীর দাদা দিলীপকুমার পাল। তিনি বলেন, ‘মন্দারমণির চাউলখোলায় একটি বড়সড় চক্র রয়েছে। যাঁরা বিভিন্ন জায়গা থেকে গরিব বাড়ির মেয়েদের কাজ ও টাকার প্রলোভন দেখিয়ে বিপথে পরিচালনা করে। সোদপুর পর্যন্ত এই চক্র কাজ করছে কিনা পুলিশ তদন্ত করলে পরিষ্কার হয়ে যাবে। হয়তো আমার বোনকে এখানে নিয়ে এসে বাজে কাজ করানোর চেষ্টা করেছিল। রাজি হয়নি বলেই বোনকে মেরে ফেলা হয়েছে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shantipur: এটাই কি উন্নয়ন! অভাবের তাড়নায় দুধের শিশুকে বিক্রি করে দিচ্ছেন মা?

    Shantipur: এটাই কি উন্নয়ন! অভাবের তাড়নায় দুধের শিশুকে বিক্রি করে দিচ্ছেন মা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাকার বিনিময়ে এক মাসের শিশুকন্যাকে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল মায়ের বিরুদ্ধে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান পুরসভার চেয়ারম্যান সহ পুর প্রতিনিধিরা। ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে স্বামী-স্ত্রীকে আটক করে। যদিও শিশু বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গৃহবধূ ও তাঁর পরিবারের লোকজন। নদিয়ার শান্তিপুর (Shantipur) পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বেড় পাড়ার ঘটনা।

    ঘটনাস্থলে পুরসভার চেয়ারম্যান

    শান্তিপুর (Shantipur) পুরসভার চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষের দাবি, হঠাৎই তিনি জানতে পারেন, ওই এলাকার এক গৃহবধূ তাঁর একটি এক মাসের শিশুকন্যাকে বিক্রি করে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। ওই গৃহবধূর আরও এক বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। খবর পেতেই নিজে ওই গৃহবধূর শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে ঘটনার সত্যতা জানার চেষ্টা করেন তিনি। ওই গৃহবধূকে একাধিক বার জিজ্ঞাসাবাদ করলে পরবর্তীতে নিজের মুখে স্বীকার করে নেন, হ্যাঁ, তিনি এই কাজ করার চেষ্টা করেছেন। এই ঘটনা নিন্দনীয় বলেই জানিয়েছেন পৌরসভার চেয়ারম্যান।

    কী বললেন গৃহবধূ?

    অন্যদিকে গৃহবধুর পরিবারের দাবি, অর্থের অভাবে কোনও রকমে সংসার চলে। যে কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মাঝেমধ্যেই অশান্তি হত। বেশ কয়েক হাজার টাকা দেনা হয়ে যায় ওই গৃহবধূ ও তাঁর স্বামীর। সেই কারণেই বাচ্চাদের মানুষ করতে পারবেন না বলে ওই গৃহবধূ তাঁর নিজের আত্মীয়কে আইনের পথে হেঁটেই  শিশুকন্যাকে দিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। যদিও এসব অস্বীকার করে অভিযুক্ত গৃহবধূর (Shantipur) দাবি, তিনি বাচ্চা বিক্রি করেননি। নিজের ইচ্ছাতেই তাঁর জা-এর কাছে দিয়ে দিচ্ছিলেন। কারণ দেনার দায়ে কর্মসংস্থানের জন্য অন্যত্র চলে যেতেন তিনি।

    তদন্তে শান্তিপুর (Shantipur) থানা

    এই ঘটনায় এলাকায় রীতিমতো উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এখন শিশুকন্যা সহ স্বামী-স্ত্রী দুজনেই রয়েছেন পুলিশের (Shantipur) হেফাজতে। এখন দেখার সত্যিই কি ওই গৃহবধূ নিজে থেকেই তাঁর শিশুকন্যাকে বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, নাকি ঘটনার পিছনে রয়েছে অন্য কোনও কারণ। এসবই তদন্ত করে দেখছে শান্তিপুর থানার পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: সীমান্তে কাঁটাতার কেটে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, বিএসফের গুলিতে হত পাচারকারী

    Nadia: সীমান্তে কাঁটাতার কেটে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, বিএসফের গুলিতে হত পাচারকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিএসএফের সঙ্গে পাচারকারীর গুলির লড়াই! বিএসএফের (Nadia) গুলিতে মৃত্যু এক পাচারকারীর। ঘটনাটি নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জ থানার নোনাগঞ্জ বর্ডার এলাকার। জানা যায়, গতকাল গভীর রাতে নোনাগঞ্জ বর্ডার এলাকায় এক পাচারকারী সীমান্তে থাকা কাঁটাতার কাটছিল। তখন বিএসএফের তরফ থেকে তাকে আটকানোর চেষ্টা করা হয়। অভিযোগ, ঠিক তখনই ওই পাচারকারী বিএসএফকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এরপর বিএসএফের তরফ থেকেও তাকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। ওই পাচারকারীর গায়ে গুলি লেগে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার। যদিও পরবর্তীকালে তাকে উদ্ধার করে কৃষ্ণগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    পরিচয় জানার চেষ্টা

    তবে মৃত ওই পাচারকারীর পরিচয় এখনও জানা যায়নি। বিএসএফ এবং কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশের যৌথ উদ্যোগে ওই ব্যক্তির পরিচয় এবং ঠিকানা জানার চেষ্টা চলছে। মূলত ওই ব্যক্তি কী পাচার করত এবং কোন গ্যাঙের সঙ্গে যুক্ত, তাও জানার চেষ্টা করছে সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (Nadia)। অন্যদিকে ওই পাচারকারীর মৃতদেহ আজ ময়নার তদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    আগেও একই ধরনের ঘটনা

    প্রসঙ্গত এর আগেও ধানতলা থানার (Nadia) দত্তপুলিয়ায় ফেন্সিং না থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ইছামতী নদীর ব্রিজের নিচ দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে ৬ থেকে ১০ টি গরু পাচার করার চেষ্টা করেছিল পাচারকারীরা। অভিযোগ, বিএসফের জওয়ানরা গরু পাচারকারীদের আটকাতে গেলে পাচারকারীরা বিএসএফকে লক্ষ্য করে পাথর ও বোমা ছোড়ে। পরে বিএসএফ কাউন্টার ফায়ার করলে বেশ কয়েকজন গরু পাচারকারী আহত হয়। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশ পালিয়ে গেলেও ধরা পড়ে যায় এক গরু পাচারকারী। তাকে পরবর্তীকাল ধানতলা পুলিসের হাতে তুলে দেয় বিএসএফ।

    পিছনে বড় বড় গাং

    বিএসএফের পাচারকারীদের এটা কোনও প্রথম ঘটনা নয়। গরু পাচার থেকে শুরু করে সোনার বিস্কুট সহ একাধিক জিনিস কখনও বাংলাদেশ থেকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে (Nadia), আবার কখনও ভারতের বর্ডার পার করে বাংলাদেশে পাচার হয়। বড় বড় গ্যাং কাজ করে এইসব পাচার চক্রের পিছনে। এর আগেও বিএসএফের তরফ থেকে পাচার চক্র রোধে একাধিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি নিরাপত্তা আরও বাড়িয়ে তোলার চেষ্টা চালানো হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: এক টাকার সুস্বাদু শিঙাড়ায় মজেছেন নদিয়াবাসী

    Nadia: এক টাকার সুস্বাদু শিঙাড়ায় মজেছেন নদিয়াবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে এক টাকায় কী পাওয়া যায়? এই প্রশ্ন করলে প্রত্যেককেই মাথা চুলকাতে হবে। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেও কিছুই মাথায় আসবে না। উত্তরে হয়তো অনেকেই বলবেন, এক টাকায় এখন আর কিছুই পাওয়া যায় না। কিন্তু, সেই উত্তর যে ভুল, তা প্রমাণ করেছেন নদিয়ার (Nadia) শিবনিবাসের গোপালচন্দ্র রায়। তাঁর দোকানের শিঙাড়া এখনও এক টাকায় পাওয়া যায়।

    আগে এই শিঙাড়ার কত দাম ছিল? (Nadia)

    ভাবতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি, বর্তমানে যেখানে জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া, সেখানে এক টাকায় শিঙাড়া পাওয়া সত্যিই অদ্ভুত ব্যাপার। যদিও এখন শিঙাড়ার দাম এক টাকা হলেও আগে তা পাওয়া যেত মাত্র কুড়ি পয়সায়। পরবর্তীতে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে একটু একটু করে দাম বেড়েছে। ৪০ পয়সা, ৫০ পয়সা থেকে এখন এক টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে গোপালবাবু এই শিঙাড়া বিক্রি করে আসছেন নদিয়ার (Nadia) শিবনিবাস মন্দিরের কাছেই। যেহেতু শিবনিবাস মন্দির বহু প্রাচীন এবং এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গ এখানে প্রতিষ্ঠিত, তাই মন্দির চত্বরে কোনওরকম আমিষ খাবার বিক্রির প্রচলন নেই। তাই নিরামিষভাবে তৈরি করেন এই শিঙাড়া। ৫০ বছর ধরে তা বিক্রি করে আসছেন। ক্রেতারা বলেন, গোপালবাবুর শিঙাড়া খুবই সুস্বাদু এবং খুব পরিষ্কার। আর দামেও সস্তা।

    কী বললেন এই শিঙাড়া তৈরির কারিগর?

    গোপালবাবু জানান, যতদিন তিনি বাঁচবেন, ততদিনই এই শিঙাড়া এক টাকাতেই বিক্রি করবেন। এই শিঙাড়ার চাহিদা প্রচুর, তাই দোকান খুললেই শিঙাড়ার জন্য লাইন পড়ে যায়। নদিয়া (Nadia) জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এই শিঙাড়া খাওয়ার জন্য এখানে আসেন। তিনি বলেন, আট থেকে আশি, সবাই আমার এই এক টাকার শিঙাড়া খাওয়ার জন্য মুখিয়ে থাকে প্রতিদিন। কীভাবে ১ টাকায় শিঙাড়া বিক্রি করছেন? লাভের অংশই বা কী? এই প্রশ্ন করলে দোকানদার গোপালবাবু জানাচ্ছেন, তাঁর লাভ বিক্রির উপরে। বিক্রির পরিমাণ বেশি হলে লাভ হয় বেশি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: আর্থিক অনটন, যেতে পারছে না তাসখন্দের চ্যাম্পিয়নশিপে, ক্রীড়ামন্ত্রীর দ্বারস্থ দুই ছাত্র

    Nadia: আর্থিক অনটন, যেতে পারছে না তাসখন্দের চ্যাম্পিয়নশিপে, ক্রীড়ামন্ত্রীর দ্বারস্থ দুই ছাত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুযোগ পেয়েও টাকার অভাবে তাসখন্দে এশিয়ান জিমন্যাস্টিক চ্যাম্পিয়নশিপে যাওয়া নিয়ে সংশয়ে নবদ্বীপের (Nadia) দুই স্কুলছাত্র। পারিবারের অভাবের কাছে কি হার মানবে মেধাবী খেলাপ্রিয় ছাত্ররা? বাধ্য হয়ে তারা দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রীর। কারণ, আর্থিক সাহায্য পেলে তবেই তারা যেতে পারবে তাসখন্দের চ্যাম্পিয়নশিপে।

    বাইরে যেতে কত টাকার প্রযোজন (Nadia)?

    আগামী ১৮ থেকে ২০ ডিসেম্বর আফগানিস্তানের তাসখন্দে এশিয়ান জিমন্যাস্টিকের আসর বসতে চলেছে। তাতে ডাক পেয়েছে নদিয়ার (Nadia) নবদ্বীপ হিন্দু স্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্র অঙ্কুশ কর্মকার এবং নবদ্বীপ তারাসুন্দরী বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী রাইনা মজুমদার। রাইনার বাবা পেশায় নিরাপত্তারক্ষী, অঙ্কুশের বাবা মেশিন মেকানিক, সেলাইয়ের কাজ করেন। তাসখন্দে যেতে হলে ভাড়া এবং অন্যান্য খরচ বাবদ একেক জনের যেতে-আসতে দেড় লক্ষ করে, মোট তিন লক্ষ টাকা করে প্রয়োজন। পরিবারের পক্ষে এই টাকা জোগাড় করা কোনও মতেই সম্ভব নয়। আর তাই তারা দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের। আফগানিস্তানের তাসখন্দে আয়োজিত জুনিয়র ও সিনিয়র অ্যাক্রোবেটিক জিমন্যাস্টিকস এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে দেশের হয়ে তারা মিক্সড পেয়ার ইভেন্টে অংশগ্রহণ করতে পারবে কিনা, সেটাই এখন সংশয়ের।

    খেলোয়াড়দের বক্তব্য

    সাংবাদিকদের সামনে নদিয়ার (Nadia) এই দুই পারদর্শী মেধাবী ছাত্র বলে, আমাদের পারিবারের আর্থিক অভাবের কারণে আমরা তাসখন্দে যেতে পারব কি না, এই নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। এই জিমন্যাস্টিকস এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে আমরা পশ্চিমবঙ্গ থেকে দুজনই সুযোগ পেয়েছি। আমরা রাজ্যের মন্ত্রীকে আর্থিক সহযোগিতার জন্য আবেদন করেছি। ইতিমধ্যে নবদ্বীপ পৌরসভা থেকে তারা ৫০ হাজার করে আর্থিক সাহায্য পেয়েছে। রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রীর বিষয়ে আমরা ভীষণ আশাবাদী। কারণ সরকার পাশে দাঁড়ালে তবেই দেশের হয়ে খেলতে যেতে পারবে তারা।

    পরিবারের বক্তব্য

    অবিভাবক অঞ্জনা মজুমদার (Nadia) বলেন, আমাদের আর্থিক সামর্থ তেমন নেই যে আমরা আমাদের ছেলেকে খেলতে যেতে পাঠাতে পারবো। তিনি আরও বলেন, অঙ্কুশের বাবা নিজে সেলাইয়ের কাজ করেন। কোনও রকমে সংসার চলে আমাদের। তাই সকলের কাছে সাহায্যের আবেদন করেছি। সরকারের কাছেও আমরা সাহায্যের কথা জানিয়েছি।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প রক্ষায় স্থানীয়দের সরাতে উদ্যোগী বন দফতর, দ্রুত ছাড়া হতে পারে বাঘ!

    Alipurduar: বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প রক্ষায় স্থানীয়দের সরাতে উদ্যোগী বন দফতর, দ্রুত ছাড়া হতে পারে বাঘ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে শতবর্ষ পুরনো জয়ন্তীর (Alipurduar) জনপদ। সব ঠিকঠাক এগোলে ২০২৫ সালের মার্চের আগেই ব্রিটিশ আমলে তৈরি জয়ন্তী গ্রামের কোনও অস্তিত্ব আর থাকবে না। বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প রক্ষায় স্থানীয়দের সরাতে উদ্যোগী বন দফতর, দ্রুত ছাড়া হতে পারে বাঘ! বাঘের অভয়ারণ্যকে রক্ষা করতে স্থানীয়দের বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করে অন্যত্র সরানোর পরিকল্পনা করেছে বন দফতর। রাজি হয়েছেন এলাকার মানুষও। বাঘ ছাড়ার জন্য বন দফতর গত তিন বছরে কয়েক দফায় প্রায় হাজারের উপর হরিণ ছেড়েছে। এবার জনপদকে অভয়ারণ্য থেকে দূরে সরিয়ে বাঘেদের থাকার অনুকূল পরিবেশ নির্মাণে উদ্যোগী হয়েছে বন দফতর। এলাকার মানুষও এই পরিবেশ এবং জন্তুদের রক্ষায় সহমত জানিয়েছেন। আশা করা যাচ্ছে বক্সায় দ্রুত পর্যটকরা বাঘ দেখতে পারবেন।  

    সরানো হবে জয়ন্তীর জনপদ (Alipurduar)?

    বড় বড় সব সরকারি-বেসরকারি ডলোমাইট খননকারী কোম্পানি ছিল এখানে (Alipurduar)। এক সময় এখানে রেলপথও ছিল। ডলোমাইট কারখানা ছিল। আজ আর সে সবের কিছুই নেই! তাই মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাওয়া সুন্দরী জয়ন্তী, বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের কোর এলাকা থেকে সরে যাবে। সোমবার এই মর্মে জয়ন্তীর বেশির ভাগ মানুষের সই করা ‘জয়ন্তী ভিলেজ রিলোকেশন ফর্ম’ জমা হয়েছে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প অফিসে। বিষয়টি নিয়ে ২৬ অগাস্ট জয়ন্তীতে বৈঠক করে বন দফতর।

    সারানো হবে জয়ন্তী গ্রাম

    ওই বৈঠকে জয়ন্তী গ্রামকে (Alipurduar) বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের কোর এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেয় বন দফতর। জয়ন্তীর বেশির ভাগ মানুষ সেই প্রস্তাবে রাজি হয়ে গেছেন বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, এর জন্য জয়ন্তীর প্রত্যেক পরিবারকে ১৫ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেবে সরকার। জয়ন্তীকে সরিয়ে নিতে খরচ হবে প্রায় ৭০ কোটি টাকা। তবে এর সবটাই দেবে কেন্দ্র। এছাড়া রাজ্য সরকার প্রত্যেক পরিবারকে ৫ ডেসিমেল করে জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হাসিমারার গুদাম ডাবরি এলাকায়, জয়ন্তী থেকে সরে যাওয়া পরিবারদের জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।

    বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ক্ষেত্র অধিকর্তা বক্তব্য

    বিষয়টি নিয়ে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ক্ষেত্র অধিকর্তা অপূর্ব সেন (Alipurduar)  বলেন, “ যে কোনও টাইগার রিজার্ভ থেকে বনবস্তিবাসীদের সরানোর জন্য এই প্যাকেজ গোটা দেশেই চালু রয়েছে। জয়ন্তী সহ বক্সাতে দুই একটি গ্রামের লোকেদের সাথে এই বিষয়ে আমাদের কথা হয়েছে। তাঁরা বন ও পরিবেশের কথা বিবেচনা করে সরে যেতে চাইলে এই প্যাকেজ পাবেন।” সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী জয়ন্তীতে লোকসংখ্যা প্রায় ৭০০ জন। প্রায় ২০০ পরিবারের এই জনসংখ্যা দিন দিন কমছে। এই সব পরিবারের বেশির ভাগই জয়ন্তী থেকে সরে যেতে চাইছেন।

    স্থানীয় মানুষের বক্তব্য

    জয়ন্তীর (Alipurduar) স্থানীয় বাসিন্দা তপন দত্ত বলেন, “ জয়ন্তী দিন দিন শশ্মানে পরিণত হচ্ছে। এক সময় বাইরে থেকে মানুষ জয়ন্তীতে কাজ করতে আসতেন। এখন উল্টোটাই ঘটছে। জয়ন্তী নদী যে কোনও দিন এই জনপদকে ভাসিয়ে নিয়ে যেতে পারে। সেই কারণে আমরা বন দফতরের প্যাকেজে রাজি হয়ে, এখান থেকে সরে যাওয়ার জন্য লিখিতভাবে মত দিয়েছি।” জয়ন্তীর আরেক বাসিন্দা মনি কুমার লামা বলেন, “বনের ভিতর কোনও সুযোগ-সুবিধা নেই। আমাদের জীবন এভাবে কাটল। কিন্তু পরবর্তী প্রজন্ম এভাবে কেন থাকবে! বন দফতরের প্রচণ্ড কড়াকড়ি। এলাকায় কোনও কাজ নেই। নেই হাসপাতাল ও ভালো স্কুলও। ফলে শুধু পারিবারিক ভিটের আবেগে ভর করে আর এখানে থেকে কোআও লাভ নেই। সেই কারণে বন দফতরের প্যাকেজে আমরা রাজি হয়ে গেছি ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: চাকদার ফাইবারের দুর্গা প্রতিমা পাড়ি দিচ্ছে প্যারিসে, উচ্ছ্বসিত জেলাবাসী

    Nadia: চাকদার ফাইবারের দুর্গা প্রতিমা পাড়ি দিচ্ছে প্যারিসে, উচ্ছ্বসিত জেলাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতি বছরই তাঁর তৈরি দুর্গা প্রতিমা বিদেশে পাড়ি দেয়। এই বছর তাঁর তৈরি ফাইবারের দুর্গা প্রতিমা নদিয়া (Nadia) থেকে পাড়ি দিচ্ছে প্যারিসে। দেশের মূর্তি বিদেশের মাটিতে পূজিত হবে, এটা ভেবেই আপ্লুত জেলাবাসী।

    কীভাবে প্যারিসে যাবে ফাইবারের মূর্তি (Nadia)?  

    নদিয়ার (Nadia) চাকদার মৃৎশিল্পী অনুপ গোস্বামী। ছোট থেকেই বিভিন্ন প্রতিমার মূর্তি তৈরি করেছেন তিনি। প্রথমে মাটি দিয়ে বিভিন্ন পূজোর ঠাকুর তৈরি করতেন। পরবর্তীকালে তাঁর হাতের সুন্দর কারুকার্য দেখে হঠাৎ করে বিদেশ থেকে কাজের অর্ডার আসতে শুরু করে। মাটির তৈরি মূর্তি ওজনে অনেকটাই বেশি। অন্যদিকে মজবুতের দিক থেকে কিছুটা দুর্বল। সেই কারণে মাটির তৈরি মূর্তি বিদেশে নিয়ে যেতে অনেকটাই সমস্যায় পড়তে হয়। তাই তিনি বর্তমানে ফাইবারের দুর্গা প্রতিমা তৈরি করছেন। এবার সেই ফাইবারের দুর্গা প্রতিমা পাড়ি দিচ্ছে প্যারিসে। এর আগেও অনুপ গোস্বামীর তৈরি মূর্তি অস্ট্রেলিয়া সহ একাধিক দেশে পাড়ি দিয়েছে।

    মৃৎশিল্পীর বক্তব্য

    মৃৎশিল্পী অনুপ গোস্বামী (Nadia) জানান, কখনও জাহাজে কখনও ফ্লাইটে দুর্গা প্রতিমা নিয়ে যাওয়া হয়। যেহেতু বাঙালিরা বর্তমানে বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে রয়েছে, সেই কারণে দুর্গা পুজো বিদেশেও কমবেশি অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। তবে প্রতিমা তৈরির সরঞ্জামের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ায় অসুবিধায় পড়তে হয়েছে শিল্পীদের। লাভের মূল্য আগের তুলনায় অনেকটাই কমে গেছে বলে জানান তিনি। তাঁর তৈরি করা মূর্তি গতব ছর বাহারিন, প্যারিস এবং চিলিতে গিয়েছিল। সেখানে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বছর দুর্গা মূর্তি যাবে প্যারিসে। পাশাপাশি তিনি আরও জানান, শুধু দুর্গা প্রতিমা নয়, বিভিন্ন মুনিঋষির মূর্তি তৈরি করে থাকেন। তাঁর তৈরি মূর্তি অন্যান্য রাজ্য সহ দেশের বাইরেও নিয়ে যাওয়া হয়। ব্রোঞ্জ,পাথর এবং ফাইবার দিয়ে মূর্তি তৈরি করে থাকেন তিনি। এই বছর রথযাত্রার পরেই বিদেশ থেকে বিশেষ অর্ডার দেওয়া হয়। এই মূর্তি তৈরি করতে প্রায় দুই মাস সময় লেগেছে। তিনি মূর্তি তৈরি প্রসঙ্গে আরও বলেন, প্রথমে সব মূর্তি মাটির তৈরি হয়, এরপর হলোকাস্টিং করে ফাইবারের ছাঁচে তৈরি করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share