Tag: Nadia

Nadia

  • BJP: চাপড়ায় বিজেপি কর্মীকে বন্দুকের বাঁট দিয়ে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: চাপড়ায় বিজেপি কর্মীকে বন্দুকের বাঁট দিয়ে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা রাজ্য জুড়ে ঘটেই চলেছে। ভোটে তৃণমূল জয়ী হওয়ার পরও বিরোধীদের উপর হামলা চালানোর ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে বিজেপি (BJP) কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। পাশাপাশি তৃণমূল কোনও বুথে হারলেও নিজের আধিপত্য দেখাতে এলাকায় সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরি করছে। নদিয়ার চাপড়ায় ঘোষপাড়া এলাকাতেই ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় এক বিজেপি কর্মীকে বন্দুকের বাঁট দিয়ে মেরে মুখ ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। যদিও হামলা চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

    কী বললেন আক্রান্ত বিজেপি (BJP) কর্মী?

    প্রদীপবাবু এলাকায় সক্রিয় বিজেপি (BJP) কর্মী। চাপড়ার ঘোষপাড়া এলাকায় দলীয় প্রার্থীদের হয়ে তিনি প্রচুর খেটেছেন। এই এলাকায় বিজেপি প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। শনিবার রাতে শিবানী হালদার নামে নব নির্বাচিত বিজেপি সদস্যার বাড়িতে তিনি দেখা করতে যান। সেই সময় তৃণমূল কর্মীরা দল বেঁধে এসে তাঁর উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। প্রদীপবাবু বলেন, এই এলাকায় দলের হয়ে আমি নেতৃত্ব দিই। তিনজন বিজেপি প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। এটা তৃণমূলের ছেলেরা মেনে নিতে পারছে না। তাই, আমি দলীয় পঞ্চায়েত সদস্যার সঙ্গে দেখা করতে গেলে তৃণমূলের লোকজন দল বেঁধে এসে হামলা চালায়। আমাকে বেধড়ক মারে। আমি মাটিতে পড়ে গেলে ওরা বুকে লাথি মারে। আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে মুখে বেধড়ক মারে। আমার মুখ ফেটে যায়। জানা গিয়েছে, ঘটনার পর পরই গুরুতর জখম অবস্থায় চাপড়া গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপির (BJP) উত্তরের জেলা সভাপতি অর্জুন বিশ্বাস বলেন, গোটা রাজ্য জুড়ে বিজেপির একাধিক পঞ্চায়েত দখল নেওয়ার কারণে তৃণমূলের পায়ের তলার মাটি সরে যাচ্ছে। সেই কারণে আতঙ্কিত করতে বিজেপি কর্মীদের মারধর করছে তৃণমূল। আর তাদের সাহায্য করছে প্রশাসন।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    অন্যদিকে ঘটনার কথা অস্বীকার করে কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক তৃণমূলের জেলা সভাপতি কল্লোল খাঁ বলেন, গোটা রাজ্য জুড়ে তৃণমূলের জয় দেখে নিজের দলীয় কর্মীদের মারধর করে তৃণমূলকে বদনাম করার চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি (BJP)। প্রশাসন তদন্ত করছে, নিশ্চয় সঠিক ঘটনা সামনে আসবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: মাথা ন্যাড়া করে তৃণমূলের পঞ্চায়েতকে পাপমুক্ত করলেন বিজেপির বিজয়ীরা

    Nadia: মাথা ন্যাড়া করে তৃণমূলের পঞ্চায়েতকে পাপমুক্ত করলেন বিজেপির বিজয়ীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস হেরে যাওয়ায় পঞ্চায়েত দখল করার আনন্দে মাথা ন্যাড়া করে আনন্দ উৎসবে মেতে উঠলেন বিজেপি কর্মীরা। নদিয়া (Nadia) জেলা জুড়ে এই ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা।

    কোথায় ঘটল ঘটনা (Nadia)?

    নদিয়ার (Nadia) ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী কৃষ্ণগঞ্জ ব্লক। আর এই ব্লকের অন্তর্গত ১৮ টি আসন বিশিষ্ট ভাজনঘাট টুঙ্গী গ্রাম পঞ্চায়েত দীর্ঘ ১৫ বছর নিজেদের দখলে রেখেছিল শাসক দল তৃণমূল। সদ্য সমাপ্ত ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচনে ১৮ টি আসনের মধ্যে ১২ টিতে জয়লাভ করেছে বিজেপি। টিএমসি পেয়েছে বাকি ৬টি আসন। ১৫ বছরের ঘাসফুল দুর্গে ধস নামিয়ে বিপুল সংখ্যক ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করার পর পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন করেই নিজেদের ঘর গোছাতে শুরু করে দিয়েছে বিজেপি। তৃণমূলের হাত থেকে পঞ্চায়েত মুক্ত হওয়ার আনন্দে ভাজনঘাট টুঙ্গী গ্রাম পঞ্চায়েত ভবনের সামনে মাথা ন্যাড়া করে আনন্দ উৎসবে মাতলেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।

    বিজেপির বক্তব্য

    এলাকার (Nadia) বিজেপির নেতা অক্ষয় ঘোষ বলেন, দীর্ঘ এতগুলো বছর ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও এলাকার সাধারণ মানুষের স্বার্থে কোনও প্রকার কাজ করেনি তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েত। আর এই কারণেই এত বছর পর শাসকদলের পরাজয়ের মধ্যে দিয়ে বিজেপির উত্থান ঘটিয়ে কার্যত পাপমুক্ত করা হল পঞ্চায়েতকে। মূলত ১৫ বছরের দুঃসময় কাটিয়ে প্রায়শ্চিত্ত করার লক্ষ্যে মাথা ন্যাড়া করে পঞ্চায়েত ভবনের সামনে আনন্দ উৎসবে মাতলেন বিজেপির জয়ী প্রার্থীরা। এই প্রসঙ্গে বিজেপির জয়ী প্রার্থী নারায়ণ মল্লিক বলেন, তৃণমূলের পাপ মুক্ত হওয়ার জন্য মাথা ন্যাড়া করলাম।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এলাকার (Nadia) ১২৮ নম্বর বুথের জয়ী প্রার্থী তৃণমূল নেতা আজাদ মণ্ডল বলেন, এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেস অনেক কাজ করেছে। কিন্তু আমাদের দলের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল থাকার কারণেই তৃণমূলের বিপর্যয় ঘটেছে। ফলে দলের অনেক ক্ষতি হয়েছে। তবে আমাকে সাধারণ মানুষ দুই হাত তুলে আশীর্বাদ করেছেন। তিনি আরও বলেন, যাঁরা ন্যাড়া করেছেন তাঁরাও কোনও না কোনও ভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ভোটে হারতেই শান্তিপুরে জয়ী বিজেপি প্রার্থীকে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: ভোটে হারতেই শান্তিপুরে জয়ী বিজেপি প্রার্থীকে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটে জেতার কারণে বিজেপি প্রার্থীকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন একাধিক বিজেপি কর্মী। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার শান্তিপুর থানার বেলঘড়িয়া ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের গবাচ্চর এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনা চলে যায় শান্তিপুর থানার পুলিশ। যাতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা না ছাড়ায় সেই কারণে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোটের দিন থেকেই এলাকায় অশান্তি বাধানোর চেষ্টা করছিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ভোটের দিনও ওই এলাকার বিজেপি প্রার্থী গৌরাঙ্গ বিশ্বাসকে মারধরের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার ভোটের ফলাফলে গ্রাম পঞ্চায়েতে ওই এলাকায় গৌরাঙ্গ বিশ্বাস জিতে যান। অন্যদিকে ওই এলাকারই বিজেপির প়ঞ্চায়েত সমিতি প্রার্থী কামনা বিশ্বাস জয় লাভ করেন। ভোটের ফলাফল বের হওয়ার পর থেকেই এলাকায় তাণ্ডব শুরু করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। বুধবার সকালে হঠাৎ কয়েকজন তৃণমূল কর্মী এলাকায় চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন। সেখানেই  বিজেপি প্রার্থী এবং বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে বচসা বাধে। এরপরেই আচমকা গৌরাঙ্গ বিশ্বাসের মাথায় বাঁশ দিয়ে বাড়ি মারে তৃণমূল কর্মীরা। পাশাপাশি ওই এলাকার বিজেপির জয়ী পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থীর স্বামী সমীর বিশ্বাসকেও মারধর করা হয়। বিজেপির অন্যান্য কর্মীদের উপর হামলা চালানো হয়। তড়িঘড়ি তাদের উদ্ধার করে শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বর্তমানে চিকিৎসাধীন বিজেপি প্রার্থী সহ আরও বেশ কয়েকজন।

    কী বললেন আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থীর পরিবারের লোকজন?

    এ বিষয়ে বিজেপি প্রার্থী গৌরাঙ্গ বিশ্বাসের মেয়ে পিপাসা বিশ্বাস বলেন, ভোটের পর থেকে তৃণমূল এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছিল। ভোটের দিনও ছাপ্পা ভোট মেরেছে এবং বোমাবাজি করেছে এলাকায়। এদিন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী পুতুল বিশ্বাস হেরে যাওয়ার কারণে আচমকা আমার বাবার উপর ওরা হামলা চালায়। মাথায় আঘাত করে। এর পাশাপাশি অন্য দলীয় নেতা কর্মীদের ওরা মারধর করে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এই ঘটনার কথা অস্বীকার করেছেন পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী পুতুল বিশ্বাস। তাঁর বক্তব্য, গৌরাঙ্গ বিশ্বাসের পরিবার তাদের উপর হামলা করেছে। তৃণমূল কোনও হামলা চালায়নি। ওরা আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: পুনর্নির্বাচনেও ভোটে বাধা তৃণমূলের, রাস্তা অবরোধ, বাইক ভাঙচুর করল উত্তেজিত জনতা

    TMC: পুনর্নির্বাচনেও ভোটে বাধা তৃণমূলের, রাস্তা অবরোধ, বাইক ভাঙচুর করল উত্তেজিত জনতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুনর্নির্বাচনের দিনেও অশান্তি। ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের (TMC) বিরুদ্ধে। সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার বার্নিয়ায়। এই ঘটনায় এলাকার মানুষ ক্ষুব্ধ। তাঁরা এদিন জোটবদ্ধ হয়ে শ্রীকৃষ্ণপুরে তেহট্ট ঘাট থেকে দেবগ্রাম রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    ৮ জুলাই তৃণমূলের (TMC) সন্ত্রাসের কারণে তেহট্টের বার্নিয়া এলাকায় বহু মানুষ ভোট দিতে পারেননি। এরপর এই এলাকায় ফের ভোট করার দাবি জানানো হয়। সেই মতো প্রশাসন উদ্যোগ গ্রহণ করে। কিন্তু, গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এদিন সকালে ভোট দিতে গেলে তাদের ভয় দেখিয়ে ফিরিয়ে দিচ্ছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এরপর কয়েকজন গ্রামে ঢুকে গ্রামবাসীদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করে। এমনিতেই এর আগে ভোট দিতে না পারার রাগ ছিল। তৃণমূলের ওই দুষ্কৃতীদের সামনে পেয়ে গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ করেন। তাঁদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। গ্রামবাসীরা প্রতিরোধ করলে তৃণমূলের এক দুষ্কৃতীকে তাঁরা ধরে ফেলেন। যদিও সে বাইক রেখে পালিয়ে যায়। এরপরই উত্তেজিত জনতা তার বাইক ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরে, পুলিশ-প্রশাসনের পক্ষ থেকে এলাকাবাসীকে বোঝানোর পর অবরোধ ওঠে। ভোটদানের ব্যবস্থা হয়।

    কী বললেন আন্দোলনকারীরা?

    আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, এর আগেও আমরা তৃণমূলের (TMC)  সন্ত্রাসের কারণে ভোট দিতে পারিনি। আমাদের দাবি মেনে ফের এলাকায় ভোট হচ্ছে। এদিনও তৃণমূল এলাকায় সন্ত্রাসের চেষ্টা করে। আমরা দোষীদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের (TMC)  কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি কল্লোল খাঁ বলেন, ওই এলাকায় সকাল থেকে শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছিল। কিন্তু বিরোধীরা একজোট হয়ে সন্ত্রাস করার চেষ্টা করেছে। আমাদের দলীয় কর্মীদের গাড়ি ভাঙচুর করেছে। আমরা চাই, সুস্থ এবং শান্তিতে নির্বাচন হোক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ভোটের দুদিন আগে নিখোঁজ হওয়া বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: ভোটের দুদিন আগে নিখোঁজ হওয়া বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশঙ্কা ছিল। আর সেটাই সত্যি প্রমাণিত হল। নির্বাচনের দুদিন আগে থেকে রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ থাকার পর অবশেষে বিজেপি কর্মীর দেহ মিলল বাড়ির কিছুটা দূরে পাটের জমিতে। এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদীয়ার ধুবুলিয়া থানার পণ্ডিতপুর গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত বিজেপি (BJP) কর্মীর নাম অষ্টম মণ্ডল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কীভাবে নিখোঁজ হয়ে যান ওই বিজেপি (BJP) কর্মী?

    স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তাঁর বউদি ১০১ নম্বর বুথের বিজেপি প্রার্থী। তিনি এলাকায় সক্রিয় বিজেপি কর্মী হিসেবে পরিচিত। বউদি দলের প্রার্থী হওয়ায় তিনি এলাকায় চুটিয়ে প্রচার করছিলেন। নির্বাচনের দুদিন আগে সন্ধ্যায় প্রচার করতে বেরিয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন অষ্টম। পরিবারের পক্ষ থেকে ধুবুলিয়া থানায় তাঁর নিখোঁজ থাকার একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। সোমবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা পাটের জমি থেকে ওই বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার করেন। পরে, পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    মৃত বিজেপি (BJP) কর্মীর পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, অষ্টম যাতে নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে কাজ না করতে পারে, সেই কারণে আগে থেকেই তাঁকে সরিয়ে দিয়ে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনার জন্য তৃণমূল দায়ী। আমরা সিবিআই তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    এ বিষয়ে নদিয়া উত্তর বিজেপি সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ ঘোষ বলেন, নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় সন্ত্রাসের ছবি আমরা দেখেছি। বিজেপিকে যাতে দমিয়ে রাখা হয়, সেই কারণে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আমাদের কর্মীকে খুন করেছে। অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি কল্লোল খাঁ বলেন, এটি বিজেপির (BJP) গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফলেই হয়েছে। সব কিছুতেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠবে, এটা তো হতে পারে না। এই ঘটনা নিয়েও প্রশাসনকে আমরা জানিয়েছি। পুলিশ-প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: নাকাশিপাড়ায় সিপিএম কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    TMC: নাকাশিপাড়ায় সিপিএম কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসা অব্যাহত। রাজ্য জুড়ে বোমাবাজি, বিরোধীদের বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে। এবার সিপিএম কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল (TMC) আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার নাকাশিপাড়া থানার পাটুয়াডাঙা পূর্বপাড়া এলাকায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে কাজ সেরে বাইকে করে বাড়ি ফিরছিলেন সিপিএম কর্মী সাজ্জাদ মণ্ডল এবং তাঁর ভাই তারিকুল মণ্ডল। একটি বাড়ি থেকে তাঁদের লক্ষ্য করে আচমকা গুলি চলতে থাকে। বাইক ফেলে রেখে দুজনেই ঘটনাস্থল ছেড়ে পালাতে যান। সেই সময় সাজ্জাদ মণ্ডলের পায়ে একটি গুলি লাগে। কোনও রকমে রক্তাক্ত অবস্থায় সেখান থেকে তাঁরা পালিয়ে নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেন। অভিযোগ, শাসকদলের (TMC) দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবে এতটাই আতঙ্কিত ছিলেন যে তাঁরা সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে পর্যন্ত যেতে পারেননি। এরপর রবিবার গভীর রাতে কোনওরকমে হাসপাতালে ভর্তি হন সাজ্জাদসাহেব।

    কী বললেন আক্রান্ত সিপিএম কর্মী?

    আক্রান্ত সিপিএম কর্মী সাজ্জাদ মণ্ডল হাসপাতালের বেডে শুয়ে বলেন, এলাকায় তৃণমূল (TMC) সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করে রেখেছে। ভোটের আগে গণ্ডগোল হয়েছিল। তবে, এরকমভাবে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেনি। রাতে আমরা বাইকে করে বাড়ি ফেরার সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালায়। আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

    নাকাশিপাড়ার একাধিক বুথে সোমবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে পুনঃনির্বাচন। তার আগের রাতে সিপিএম কর্মী গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় যথেষ্ট আতঙ্ক রয়েছে এলাকায়। তবে, এদিন সকাল থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে চলছে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। বুথে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের লাইন রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ছাপ্পা মারতে এসে ধরা পড়ল তৃণমূলের দুষ্কৃতী, গাছে বেঁধে বেধড়ক মার

    Nadia: ছাপ্পা মারতে এসে ধরা পড়ল তৃণমূলের দুষ্কৃতী, গাছে বেঁধে বেধড়ক মার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার (Nadia) চাপড়ার মহেশনগর গ্রামে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা ভোট লুট করতে এলে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদেরকে ধরে ফেলে। তাদের মধ্যে একজনকে বেধড়ক মারধর করে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। দুষ্কৃতীদের তিনটি মোটর বাইক ভাঙচুর করে। বাকি দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রায় ৩০ জন এসেছিল বাইকে করে ভোট লুট করতে এবং ছাপ্পা মারতে। খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছেছে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    নাকাশিপাড়ায় (Nadia) ধারালো অস্ত্রের আঘাত

    বেলা বৃদ্ধির সাথে সাথে পঞ্চায়েত ভোটকে কেন্দ্র করে অশান্ত হয়ে উঠছে নদিয়ার বিভিন্ন প্রান্ত। নাকাশিপাড়া ব্লকের তেঁতুলবেড়িয়া ৩০৮ নং বুথ দখলের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। দুষ্কৃতীদের ধারালো অস্ত্রের কোপে গুরুতর জখম হয়েছেন তিনজন সিপিআইএম কর্মী। তাঁদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    চাপড়ায় চলল ছাপ্পা

    নদিয়ার (Nadia) চাপড়ার বড় আন্দুলিয়া হাইস্কুলের ১০০ নম্বর বুথে ছাপ্পা মারার অভিযোগের পাশাপাশি শাসকদলের বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ তুলল বিরোধীরা। রীতিমতো বুথ দখল করে সাধারণ ভোটারদের ভয় দেখিয়ে এই ভোট লুটের অভিযোগ করছেন বিরোধীরা। 

    শান্তিপুরে চলল কোপাকুপি

    নদিয়ার (Nadia) শান্তিপুর ব্লকের গয়েশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভোলাডাঙ্গা ৮ এবং ৯ নম্বর বুথে নির্দল-তৃণমূলের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। একাধিক কর্মীর মাথায় কোপের আঘাত লেগেছে বলে জানা যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ২০ জন। এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। হরিণঘাটার বইকরায় শাসক-বিরোধীদের ব্যাপক বোমাবাজি হয়। আক্রান্ত ৫ জনের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের এক শিশু সহ দুজন রয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রত্যেককে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    হেমায়েতপুরে ছাপ্পা

    হেমায়েতপুর (Nadia) ২১৯ নম্বর বুথে ছাপ্পার অভিযোগ শাসক দলের বিরুদ্ধে। সকাল থেকে চলছিল ছাপ্পা, বের করে দেওয়া হয় সাধারণ ভোটারদের। বুথগুলিকে সকাল থেকেই দখলে নেয় দুষ্কৃতীরা। এলাকায় ঢুকতে দেওয়া হয়নি সাধারণ মানুষকে, আর সেই সঙ্গে চলছিল ছাপ্পা। বুথের ভেতরে নিদ্রায় মগ্ন ছিল পুলিশ। এরপরে গ্রামবাসীরা ক্ষুব্ধ হয়ে পথ অবরোধ করে। প্রতিবাদ জানিয়েও কোনও লাভ না হওয়ায় অবশেষে গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ করতে গেলে ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী এসে পৌঁছায়। এরপর গ্রামবাসীদের সঙ্গে পুলিশের খণ্ডযুদ্ধ বাধে।এই ঘটনায় চরম উত্তেজনা গোটা গ্রামে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: নদিয়ায় বিজেপি প্রার্থীর দেওরকে অপরহরণ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    BJP: নদিয়ায় বিজেপি প্রার্থীর দেওরকে অপরহরণ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) প্রার্থীর দেওরকে অপহরণ। আর অপহরণের অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার ধুবুলিয়া থানার পন্ডিতপুর এলাকায়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নদিয়ার ধুবুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের পন্ডিতপুর এলাকার বিজেপি (BJP) প্রার্থীর নাম সঙ্গীতা মণ্ডল। তাঁর দেওর অষ্টম মণ্ডল এলাকার দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সক্রিয় কর্মী। এবছর তাঁর বউদি বিজেপির প্রার্থী হয়ে পঞ্চায়েতে লড়াই করছেন। এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করতেই তৃণমূল অপহরণ করেছে। জানা গিয়েছে, গত পাঁচ জুলাই রেশন তুলে অষ্টমবাবু সন্ধ্যা নাগাদ দলীয় প্রচারে বের হয়েছিলেন। তারপরে আর তিনি বাড়ি ফেরেনি। এরপরে ই পরিবারের পক্ষ থেকে ধুবুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও এখনও কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি ওই বিজেপি কর্মীর। তাই চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা।

    কী বললেন স্থানীয় বিজেপি (BJP) কর্মীরা?

    এই বিষয়ে এলাকারই এক বিজেপি (BJP) কর্মী পরিমল মণ্ডল বলেন, ৫ জুলাই সন্ধ্যায় ঘোষপাড়ায় নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়েছিলেন। প্রচার শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যান। আমাদের ধারণা, এই এলাকায় বিজেপি শক্ত ঘাঁটি রয়েছে। তাই, দলীয় প্রার্থীর দেওরকে অপহরণ করে সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে তৃণমূল।  

    কী বললেন নিখোঁজ বিজেপি (BJP) কর্মীর মা?

     নিখোঁজ বিজেপি (BJP) কর্মী অষ্টম মন্ডলের মা উরফি মণ্ডল বলেন, আমার ছেলে বিজেপি করে, সেই কারণে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়েছে। প্রশাসনকে একাধিকবার লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। কিন্তু, কোনও কাজ হয়নি। আমাদের দাবি, আমার ছেলেকে সুস্থ অবস্থায় প্রশাসন বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে আসুক।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল কোনভাবেই জড়িত নয়। ওই এলাকায় বিজেপির কোন অস্তিত্ব নেই। সেটা বুঝতে পেরেই নির্বাচনের আগের দিন নাটক করছে বিজেপি। পুলিশ তদন্ত করে সত্য ঘটনা বেরিয়ে আসলেই বিজেপির চক্রান্ত ফাঁস হয়ে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: নির্দল প্রার্থীদের বাড়িতে ভাঙচুর, আতঙ্কে ঘরছাড়া পরিবার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    TMC: নির্দল প্রার্থীদের বাড়িতে ভাঙচুর, আতঙ্কে ঘরছাড়া পরিবার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার একাধিক জায়গায় তৃণমূলেরই (TMC) বিক্ষুব্ধরা টিকিট না পেয়ে নির্দল হিসেবে দাঁড়িয়েছে। আর এই নির্দলরা এখন মন্তবড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই, ভোটের দুদিন আগেই এলাকায় চলছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের তাণ্ডব। ঘর ছাড়া নির্দল প্রার্থী সহ বেশ কয়েকটি পরিবার। এমনটাই অভিযোগ নির্দল প্রার্থী বিশু শেখের পরিবার। বুধবার রাতে নদিয়ার শান্তিপুর হরিপুর পঞ্চায়েতের চাঁদকুড়ি গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। তৃণমূলীদের হামলায় ভাঙচুর করা হয় নির্দল প্রার্থীর বাড়ি। আতঙ্কে ঘরছাড়া নির্দল প্রার্থীর পরিবারের লোকজন।

    কী বললেন নির্দল প্রার্থীদের পরিবারের লোকজন?

    বান্টি খাতুন বিবি আগে তৃণমূলের সদস্য ছিলেন। এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে টিকিট পাননি তিনি। তাই, তাঁর দেওর বিশু শেখ এবার ভোটে দাঁড়িয়েছেন। আর তারপর থেকে তাঁকে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। নির্দল প্রার্থী বিশু শেখের বউদি বান্টি খাতুন বিবি বলেন, আমার দেওর বিশু শেখ নির্দলে দাঁড়ানোর পর থেকেই তৃণমূলরা প্রতিনিয়ত আমাদের উপর ভয় দেখাচ্ছে। এদিন সকালেও তৃণমূলীরা গ্রামে ঢুকে একাধিক নির্দল কর্মীদের বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর করে লুটপাট চালাই তৃণমূলের কর্মীরা। তৃণমূলের সন্ত্রাসের কারণে গ্রামে ঢুকতে পারছি না। অনেক পরিবার ঘরছাড়া রয়েছে। এই ঘটনায় শান্তিপুর থানায় আমরা লিখিত অভিযোগ করেছি।

    হবিবপুরেও নির্দল প্রার্থীর বাড়ি ভাঙচুর

    নির্বাচনী প্রচার চলাকালীন নির্দল প্রার্থীর বাড়ি ভাঙচুর ও তাঁর পরিবারের লোকজনকে মারধর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের (TMC) বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার হবিবপুর পঞ্চায়েতের এলাকায়। এই প্রসঙ্গে নির্দল প্রার্থী গোপাল ঘোষের বাবা সুশান্ত ঘোষ বলেন, আমার ছেলে এই পঞ্চায়েতের দীর্ঘ কুড়ি বছরের তৃণমূল সদস্য ছিল। কিন্তু, এবার পঞ্চায়েত ভোটে দলের থেকে টিকিট না দেওয়ার কারণে সেই নির্দল প্রার্থী হয়ে নির্বাচনি লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। এদিন নির্বাচনী প্রচার চলাকালীন ছেলে ছাড়াও কয়েকজনকে হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি বেধড়ক মারধর করে তৃণমূল নেতাকর্মীরা। এমনকী আমাকেও তাঁরা মেরেছে। তিনি আরও বলেন, তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকে আমরা দল করি। আমি নিজে তৃণমূল পরিচালিত হবিবপুর পঞ্চায়েতের কুড়ি বছরের সভাপতি পদে নিযুক্ত ছিলাম। কিন্তু, আমাকেও ওরা মারধর করতে ছাড়েনি। এই ঘটনার পর থেকে বাড়িছাড়া গোটা পরিবার। বর্তমানে আতঙ্কের মধ্যে দিয়েই দিন কাটছে নির্দল প্রার্থীর পরিবারের। খোঁজ নেই নির্দল প্রার্থীর। পরিবারের অভিযোগ তৃণমূল নির্দল প্রার্থীকে তুলে নিয়ে গিয়েছে। নির্বাচন কমিশন ও পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতার দাবি করছেন নির্দল প্রার্থীর পরিবার।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের (TMC) জেলা নেতা সনৎ চক্রবর্তী বলেন, নির্দলদের কোথাও হামলা চালানো হয়নি। বরং,ওরা অশান্তি পাকাচ্ছে। শান্তিপুরে আমাদের কর্মীদের উপর ওরা হামলা চালিয়েছে। ৩ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। ওরা আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bjp: পথসভা করতেই চক্ষুশূল! বিজেপি কর্মীদের লোহার রড-বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মার

    Bjp: পথসভা করতেই চক্ষুশূল! বিজেপি কর্মীদের লোহার রড-বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পথসভা কেন করবে? সেই দাবি তুলে বিজেপির (Bjp) কর্মীদের বাঁশ, লাঠি দিয়ে বেধড়ক মার! রক্ষা পেল না মহিলারাও। বেধড়ক মারের চোটে আহত কুড়ি জন। পাঁচজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি। অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। অবশেষে রাজ্য সড়ক অবরোধ বিজেপির (Bjp)।

    কী ঘটেছে নদিয়ায়?

    ঘটনাটি নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার বোয়ালিয়া গ্রামের। জানা যায়, ওই এলাকায় কিছুদিন ধরেই বেশ কিছু তৃণমূলের দুষ্কৃতী দাপিয়ে বেড়াচ্ছিল। বিরোধীরা ঠিকমতো পতাকা পর্যন্ত লাগাতে পারছিল না। এর আগেও একাধিকবার পথসভা করতে গেলে বিভিন্ন ধরনের হুমকি চলছিল! এমনকী প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। গতকাল সন্ধ্যায় ওই এলাকায় একটি পথসভা করার কথা ছিল বিজেপির। সেইমতো বিকেলে বেশ কিছু বিজেপি কর্মী এবং মহিলা ব্যানার, ফেস্টুন লাগাচ্ছিলেন। অভিযোগ, ঠিক তখনই একদল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তাঁদের দেখেই অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। আর তার প্রতিবাদ করতে গেলে আচমকা লোহার রড এবং বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মারতে থাকে তাঁদের। প্রাণভয়ে অন্যের বাড়িতে ঢুকে গেলে বাড়ির ভিতর ঢুকে বিজেপি কর্মীদের মারা হয়। বিজেপির (Bjp) কয়েকজন মহিলা কর্মীদেরও মারার অভিযোগ ওঠে। এরপর দুষ্কৃতীরা চলে যায়। খবর পেয়ে জেলার বিজেপি কর্মীরা তড়িঘড়ি রক্তাক্ত অবস্থায় আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়।

    পুলিশের ভূমিকা

    হাসপাতালে ১৫ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হলেও, বাকি পাঁচজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি হন। এরপর এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বিষ্ণুপুর রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিজেপি কর্মীরা। দীর্ঘক্ষণ অবরোধ চলার পর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আছে কৃষ্ণনগর (Nadia) কোতোয়ালি থানার পুলিশ। এরপরে পুলিশের সঠিক পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস পেয়ে অবশেষে অবরোধ তুলে নেন তাঁরা।

    বিজেপির (Bjp) বক্তব্য

    আহত এক বিজেপি (Bjp) কর্মী সুনীল বাগ বলেন, আমরা পথসভা করার জন্য ওই এলাকায় (Nadia) ব্যানার এবং পতাকা লাগাচ্ছিলাম। আচমকা তখনই তৃণমূলের একদল দুষ্কৃতী মদ্যপ অবস্থায় আসে। তাদের অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করার প্রতিবাদ করাতে আচমকা আমাদের উপর হামলা করা হয়। আমরা চাই অবিলম্বে ওই দুষ্কৃতীরা গ্রেফতার হোক।

    এই বিষয়ে ওই এলাকার (Nadia) গ্রাম পঞ্চায়েত ২৪ এর বিজেপির জেলা পরিষদের প্রার্থী গুরুপদ দে বলেন, এর আগেও আমরা যেখানে যেখানে পথ সভা করছি সেখানেই তৃণমূল দুষ্কৃতীরা মাইক বাজিয়ে পথসভা নষ্ট করার চেষ্টা করছে। গতকাল সন্ধ্যায় আমাদের এই পথসভার কথা ছিল। সকাল থেকেই সে কথা জানতে পেরে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিচ্ছিল কর্মীদের। গতকাল আচমকা আমাদের কর্মীদের বেধড়ক মারধর করা হয়। অবিলম্বে ওই দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করে পুলিশকে গ্রেফতার করতে হবে, এই দাবি জানাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share