Tag: Nadia

Nadia

  • Bjp: পথসভা করতেই চক্ষুশূল! বিজেপি কর্মীদের লোহার রড-বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মার

    Bjp: পথসভা করতেই চক্ষুশূল! বিজেপি কর্মীদের লোহার রড-বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পথসভা কেন করবে? সেই দাবি তুলে বিজেপির (Bjp) কর্মীদের বাঁশ, লাঠি দিয়ে বেধড়ক মার! রক্ষা পেল না মহিলারাও। বেধড়ক মারের চোটে আহত কুড়ি জন। পাঁচজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি। অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। অবশেষে রাজ্য সড়ক অবরোধ বিজেপির (Bjp)।

    কী ঘটেছে নদিয়ায়?

    ঘটনাটি নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার বোয়ালিয়া গ্রামের। জানা যায়, ওই এলাকায় কিছুদিন ধরেই বেশ কিছু তৃণমূলের দুষ্কৃতী দাপিয়ে বেড়াচ্ছিল। বিরোধীরা ঠিকমতো পতাকা পর্যন্ত লাগাতে পারছিল না। এর আগেও একাধিকবার পথসভা করতে গেলে বিভিন্ন ধরনের হুমকি চলছিল! এমনকী প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। গতকাল সন্ধ্যায় ওই এলাকায় একটি পথসভা করার কথা ছিল বিজেপির। সেইমতো বিকেলে বেশ কিছু বিজেপি কর্মী এবং মহিলা ব্যানার, ফেস্টুন লাগাচ্ছিলেন। অভিযোগ, ঠিক তখনই একদল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তাঁদের দেখেই অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। আর তার প্রতিবাদ করতে গেলে আচমকা লোহার রড এবং বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মারতে থাকে তাঁদের। প্রাণভয়ে অন্যের বাড়িতে ঢুকে গেলে বাড়ির ভিতর ঢুকে বিজেপি কর্মীদের মারা হয়। বিজেপির (Bjp) কয়েকজন মহিলা কর্মীদেরও মারার অভিযোগ ওঠে। এরপর দুষ্কৃতীরা চলে যায়। খবর পেয়ে জেলার বিজেপি কর্মীরা তড়িঘড়ি রক্তাক্ত অবস্থায় আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়।

    পুলিশের ভূমিকা

    হাসপাতালে ১৫ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হলেও, বাকি পাঁচজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি হন। এরপর এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বিষ্ণুপুর রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিজেপি কর্মীরা। দীর্ঘক্ষণ অবরোধ চলার পর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আছে কৃষ্ণনগর (Nadia) কোতোয়ালি থানার পুলিশ। এরপরে পুলিশের সঠিক পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস পেয়ে অবশেষে অবরোধ তুলে নেন তাঁরা।

    বিজেপির (Bjp) বক্তব্য

    আহত এক বিজেপি (Bjp) কর্মী সুনীল বাগ বলেন, আমরা পথসভা করার জন্য ওই এলাকায় (Nadia) ব্যানার এবং পতাকা লাগাচ্ছিলাম। আচমকা তখনই তৃণমূলের একদল দুষ্কৃতী মদ্যপ অবস্থায় আসে। তাদের অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করার প্রতিবাদ করাতে আচমকা আমাদের উপর হামলা করা হয়। আমরা চাই অবিলম্বে ওই দুষ্কৃতীরা গ্রেফতার হোক।

    এই বিষয়ে ওই এলাকার (Nadia) গ্রাম পঞ্চায়েত ২৪ এর বিজেপির জেলা পরিষদের প্রার্থী গুরুপদ দে বলেন, এর আগেও আমরা যেখানে যেখানে পথ সভা করছি সেখানেই তৃণমূল দুষ্কৃতীরা মাইক বাজিয়ে পথসভা নষ্ট করার চেষ্টা করছে। গতকাল সন্ধ্যায় আমাদের এই পথসভার কথা ছিল। সকাল থেকেই সে কথা জানতে পেরে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিচ্ছিল কর্মীদের। গতকাল আচমকা আমাদের কর্মীদের বেধড়ক মারধর করা হয়। অবিলম্বে ওই দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করে পুলিশকে গ্রেফতার করতে হবে, এই দাবি জানাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: রাতে সরকারি স্কুলে মদ-মাংসের পিকনিক! ভোট কেনার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    Nadia: রাতে সরকারি স্কুলে মদ-মাংসের পিকনিক! ভোট কেনার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতের অন্ধকারে সরকারি স্কুল খুলে তৃণমূলের পতাকা লাগিয়ে চলছে মাংস-ভাত খাওয়া। স্কুল চত্বরে পড়ে রয়েছে মদের বোতল। ভোটের আগে এলাকা দখলের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপি বলছে, নির্বাচনী পর্যবেক্ষকদের চোখে কি তুলসি পাতা লাগানো রয়েছে?

    ঘটনা কী ঘটেছে (Nadia)?

    সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। গ্রামগঞ্জের প্রতি বুথে চলছে রাতের বেলায় খাওয়া-দাওয়ার আসর। একই ভাবে নবদ্বীপ (Nadia) বিধানসভার চরমাজদিয়া চরব্রহ্মনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার একটি সরকারি স্কুলে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় পতাকা লাগিয়ে চলল মাংস-ভাত খাবার আয়োজন। গ্রামের মানুষকে নিমন্ত্রণ করে চরমাজদিয়া গভর্নমেন্ট কলোনি জুনিয়র স্কুলে হয়ে গেল পিকনিক। স্কুলের চৌদ্দহির ভিতরেই পড়ে রয়েছে মদের বোতল। আর এ নিয়েই বিরোধীদের অভিযোগ, তৃণমূল প্রার্থীরা ওই এলাকায় মাংস-ভাত খাইয়ে ভোট কিনতে চাইছে! রাতের বেলায় স্কুলের চাবি পেল কোথায় তৃণমূল কংগ্রেস? তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীরা। স্কুলের ভিতরে মাইক এবং দলীয় পতাকা লাগিয়ে দেদার অনুষ্ঠান রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের। ভোটের আগে এলাকায় শাসক দলের এই আচরণে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    এলাকার (Nadia) বিজেপি নেতা দিলীপ সরকার বলেন, এই স্কুলের শিক্ষকরা আসেন এবং চলে যান। পড়াশুনা হয় না বললেই চলে। রাজনৈতিক নেতাদের গোপন আস্তানা হয়েছে এই স্কুল। ভোটের নিয়মবিধি চালু হওয়ার পর থেকেই স্কুলের মধ্যে তৃণমূলের পাতাকা লাগিয়ে মাংস-ভাত খাইয়ে রাতের অন্ধকারে ভোট কেনাবেচা চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষকরা কি কিছুই দেখতে পাচ্ছেন না! নাকি চোখে তুলসি পাতা লাগিয়ে রেখেছেন! ঠিক এই ভাবেই শাসকদলের ভোট কেনার কথা বলে নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করেন এই বিজেপি নেতা।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এলাকার (Nadia) তৃণমূল নেতা বলেন, খাওয়া দাওয়ার সেরকম কিছু ব্যাপার নয়। ওই এলাকায় সারা বছরই স্কুলে পিকনিক হয়। দুর্গাপুজো, কালীপুজো এরকম বছরের ১২ থেকে ১৩ বার খাওয়া দাওয়া চলে। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগাযোগ নেই। মদ খাওয়ার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, যারা মদ খায় তারা খেতেই থাকে, সারা বছরই মদ খায়। নির্বাচনকে সামনে নিয়ে বিরোধীরা মূলত অপ্রচার করছে।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: তৃণমূলের হুমকিতে বাড়িছাড়া, এলাকায় গেলেই দেখে নেওয়ার হুঁশিয়ারি

    Nadia: তৃণমূলের হুমকিতে বাড়িছাড়া, এলাকায় গেলেই দেখে নেওয়ার হুঁশিয়ারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাসক দল তৃণমূলের ভয়ে বাড়িতে ঢুকতে পারছেন না, এমন অভিযোগ তুলে বিডিওর দ্বারস্থ হয়েছেন কংগ্রেস কর্মীরা। এমনই ঘটনা ঘটেছে নদিয়া ধুবুলিয়ায় (Nadia)। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, মনোনয়নের পর থেকেই একমাত্র শাসক দলের বিরোধী প্রার্থী হওয়ায় এইরকম অতাচারের সম্মুখীন হতে হয়েছে। 

    কী ঘটেছে (Nadia)?

    বেশ কয়েক দিন আগে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে মিথ্যা মোকদ্দমায় ফাঁসানো হয় ধুবুলিয়া থানার অন্তর্গত খাজুরি পুকুরপাড় এলাকার কয়েকজন বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদের। ভোটের আগে বাড়িতে ফিরতে চেয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠিও লিখেছেন এই বিরোধী কর্মীরা। কিন্তু কিছু ফল হয়নি। গত বুধবার দুপুর আনুমানিক আড়াইটে নাগাদ কৃষ্ণনগর (Nadia) ২ নম্বর ব্লকের বিডিওর কাছে উপস্থিত হন তাঁরা। এলাকার বিরোধী কর্মীদের দাবি, আমরা কংগ্রেস করি। তাই আমাদের উপর অত্যাচার করছে শাসক দলের লোকেরা। এখন আমরা বাড়িতে ফিরতে চাই। তাই প্রশাসন এবং বিডিওর কাছে নিরাপত্তা চেয়ে, একটা মীমাংসা করে বাড়ি ফিরতে চাইছি।

    আক্রান্তদের বক্তব্য

    এলাকায় (Nadia) কংগ্রেস করেন সুনিতা বিবি। তিনি বলেন, আমরা গত এক মাস ধরে ঘরছাড়া। কংগ্রেস দল করার জন্য আমাদের বাড়িতে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। এলাকায় গেলেই বলে, দেখে নেব, খুন করে দেব এবং বাড়িঘর লুটপাটেরও ভয় দেখানো হচ্ছে। বাড়ির পুরুষদের খুনের হুমকি মিলছে রোজ। শুধু তাই নই, প্রথমে শাসক দল আমদের বিরুদ্ধে মিথ্যা কেস দেয় এবং এর পর আমদের গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়। পরিস্থিতি বুঝে আমরা জামিন নিয়ে জেল থেকে বের হই। কিন্তু তাতেও শান্তি নেই। বাড়িতে গেলেই রোজ মিলছে খুনের হুমকি। পুলিশের কাছে আমাদের কোনও অভিযোগের গুরুত্ব নেই। তিনি আরও বলেন, ছোট ছোট বাচ্চাদের নিয়ে কোথায় যাবো! নিজের বাড়ি থাকতেই আমরা আজ গৃহহীন! এই প্রসঙ্গে সুনীতা বিবি পুলিশের থেকে কোনও রকম সহযোগিতা পাচ্ছেন না বলে জানান। অবশেষে এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে বাড়িতে ভয়মুক্ত হয়ে শান্তিতে বসবাস করার জন্য বিডিও অফিসের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জানা গেছে।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rath Yatra: বীরনগরে মুখার্জি পরিবারের তামা ও পিতল মিশ্রিত রথে প্রাচীনত্বের ছোঁয়া

    Rath Yatra: বীরনগরে মুখার্জি পরিবারের তামা ও পিতল মিশ্রিত রথে প্রাচীনত্বের ছোঁয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিংহ দুয়ার মুখার্জি পরিবার। নামটা অতি পরিচিত নদিয়ার বীরনগরবাসীর কাছে। প্রায় ৭০০ বছরেরও বেশি প্রাচীন এবং মিশ্রিত ধাতুর তৈরি রথে পূজিত হন আরাধ্য দেবতা জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা (Rath Yatra)। মুখার্জি বাড়ির সদস্যরা জানিয়েছেন, রথটি ৭০০ বছর আগে ঢাকা থেকে নদিয়ার ফুলিয়াতে আনা হয়। সেখানে ২০০ বছর অবস্থান করার পর নিয়ে যাওয়া হয় মুখার্জি পরিবারে। রথটি তৈরি তামা ও পিতল দিয়ে। রথের চাকাও তৈরি মিশ্রিত ধাতু দিয়ে। এখনও মুখার্জি পরিবারে গেলে দেখা যাবে প্রাচীনত্বের ছোঁয়া। সুদর্শন কারুকার্যের মধ্যে দিয়ে এখনও ফুটে ওঠে ইটের প্রাচীর।

    রথ উৎসবের (Rath Yatra) দিন সবাই একত্রিত হন

    একটা সময় দেশ-বিদেশ থেকে পণ্ডিতরা আসতেন। ধুম ধাম করে পালিত হত রথ উৎসব (Rath Yatra)। উৎসব শেষে পণ্ডিতরা দীর্ঘদিন ওই স্থানে বসবাস করতেন। কিন্তু হঠাৎই গভীর রাতে চুরি করার উদ্দেশ্যে ছক করে একদল ডাকাত। এরপর চুরি করে নেয় রথের সারথি ও মূল্যবান বেশ কিছু ধাতু। তারপর থেকে সারা বছরই বিগ্রহ দেবতাদের রাখা হয় মুখার্জি বাড়ির একটি শিব মন্দিরে। তবে সেকালের রথ উৎসবের জাঁকজমকে এখন অনেকটাই ঘাটতি পড়েছে। চিরাচরিত প্রথা মেনে রথ উৎসব পালন হলেও আগের মতো আর মানুষের আনাগোনা দেখা যায় না। তবে পরিবারের সদস্যরা কর্মসূত্রে বিভিন্ন জায়গায় থাকলেও এই রথ উৎসবের দিন সবাই একত্রিত হয়ে পালন করেন রথ উৎসব। মিশ্রিত ধাতুর রথের চারদিকে ঘুরলে দেখা যাবে সেকালের শিল্পীদের অপূর্ব কারুকার্য, যা এখনকার শিল্পীদের ভাবনার বিষয়। চিরাচরিত প্রথা অনুযায়ী রথের রশিতে টান দেন মুখার্জি পরিবারের বংশধররা। এর পরে একই জায়গাতে রেখে দেওয়া হয় মিশ্রিত ধাতুর তৈরি রথ সহ আরাধ্য দেবতা জগন্নাথ, বলরাম সুভদ্রা দেবীকে।

    এখনও নিয়মিত পালিত হয় এই রথযাত্রা (Rath Yatra)

    আজ উল্টোরথ, সকাল থেকেই রথকে সাজানো হয় সুন্দরভাবে। বিকেলের পরে হরিনাম সংকীর্তন করে জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রা দেবীকে নিয়ে যাওয়া হবে আবার শিব মন্দিরে। বংশের ৩৬ তম বংশধর অশোক মুখোপাধ্যায় বলেন, ৭০০ বছর আগে ঢাকা থেকে এই রথটি ফুলিয়া এলাকায় ছিল প্রায় ২০০ বছর ধরে। বিভিন্ন কারণে পরবর্তীকালে ওই রথ নিয়ে এসে নিজেদের বাড়িতে একটি মন্দিরে রাখে আমাদের এই বংশধরের। প্রাচীন সেই রীতি মেনেই এখনও নিয়মিত পালিত হয় এই রথযাত্রা (Rath Yatra)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ‘নির্লজ্জ, বেহায়া’! অভিষেকের চ্যালেঞ্জের জবাবে তীব্র আক্রমণ বিজেপি সাংসদের

    BJP: ‘নির্লজ্জ, বেহায়া’! অভিষেকের চ্যালেঞ্জের জবাবে তীব্র আক্রমণ বিজেপি সাংসদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “অভিষেক নির্লজ্জ বেহায়া। কয়লা, বালি চুরিতে নিজেকে বাঁচাতে ব্যস্ত। তাই ও চোখে কিছু দেখতে পাচ্ছে না।” গতকাল প্রকাশ্য জনসভা থেকে বিজেপি সাংসদকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন অভিষেক। এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই ভাষাতেই পাল্টা আক্রমণ করলেন বিজেপি (BJP) সাংসদ জগন্নাথ সরকার।

    কী ঘটেছে?

    উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচার অভিযানে নেমেছে। তৃণমূলের তরফ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন জেলায় প্রচার অভিযান শুরু করেছেন। গতকাল নদিয়ার হাঁসখালি ব্লকের বাদকুল্লা অনামি ক্লাবের মাঠে একটি প্রকাশ্য জনসভা করে তৃণমূল। সেখানেই উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বিজেপি (BJP) সাংসদ জগন্নাথ সরকারের নাম করে বলেন, চার বছর আগে রানাঘাট কেন্দ্রের মানুষ প্রায় আড়াই লক্ষ ভোটে জগন্নাথ সরকারকে জিতিয়েছিলেন। কিন্তু এই চার বছরে তিনি কোনও উন্নয়ন করেননি। রানাঘাটবাসীর জন্য কোনও মন্ত্রীর সঙ্গে উন্নয়ন নিয়ে কথা বলেছেন, এমন তথ্য কেউ যদি দিতে পারে, তাহলে আমি চ্যালেঞ্জ করে যাচ্ছি, আমি জীবনে আর রানাঘাটে পা রাখবো না।

    বিজেপি (BJP)  সাংসদের বক্তব্য

    গতকাল তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রানাঘাটে সভার পর বিজেপি (BJP) সাংসদ জগন্নাথ সরকারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমি অভিষেকের মতো বড় বড় বাতেলা মারি না। কয়লা চুরি থেকে শুরু করে বালি চুরির বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্ট আর হাইকোর্টে যেতে যেতে মাথা খারাপ হয়ে গেছে অভিষেকের। সেই কারণে চোখে কিছু দেখতে পাচ্ছে না। রানাঘাটবাসীর উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে তিনি বলেন, অভিষেকের জানা উচিত ভারতবর্ষের কোনও কৃষক রেল তার মন্ত্রীর সঙ্গে কথা না বলে আনা যায় না।। আমি রানাঘাটে কৃষক রেল চালু করেছি। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ২০০০ লাইটের ব্যবস্থা করেছি রানাঘাট কেন্দ্রে। তার মূল্য কি কোনওদিন তৃণমূল হিসাব করে দেখেছে? অন্যদিকে তিনি আরও বলেন, প্রতিবন্ধীদের জন্য আমি যে গাড়ির ব্যবস্থা করেছি, তা তৃণমূলের কোনও সাংসদ আজ পর্যন্ত করতে পারেনি। তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির সঙ্গে কথা বলে ফুলিয়ায় ৬০ কোটি টাকার প্রজেক্ট বাস্তবায়িত হতে চলেছে। তৃণমূলের কোনও সাংসদ এমন কাজ করতে পেরেছেন! পাল্টা চ্যালেঞ্জ করেন বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বাড়িতে বোমাবাজি, আক্রান্ত বিজেপি বিধায়কের ভাই, বাবা সহ তিন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: বাড়িতে বোমাবাজি, আক্রান্ত বিজেপি বিধায়কের ভাই, বাবা সহ তিন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার রানাঘাট দক্ষিণ কেন্দ্রের বিজেপি (BJP) বিধায়ক মুকুটমণি অধিকারীর বাড়িতে বোমাবাজি। গুরুতর জখম বিধায়কের ভাই এবং বাবা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাঁরা। এই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার সকাল থেকে কৃষ্ণগঞ্জ থানার সামনে চলছে বিজেপির বিক্ষোভ। অন্যদিকে, হামলার প্রতিবাদে নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের মাজদিয়া রাজ্য সড়কে মাজদিয়ার ভাজনঘাট মোড়ে বিজেপির পক্ষ থেকে টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করা হয়। বিজেপি বিধায়ক মুকুটমনি অধিকারী নেতৃত্বে এই বিক্ষোভ চলে। 

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার গভীর রাতে আচমকাই বিজেপির (BJP) বিধায়ক মুকুটমণি অধিকারীর বাড়ি এবং আশপাশের বেশ কিছু বাড়িতে বোমাবাজি শুরু হয়। বোমার আঘাতে রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন মুকুটমণি অধিকারীর ভাই অনুপম অধিকারী এবং তাঁর বাবা ভূপাল অধিকারী। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এসে বোমাবাজি করে পালায়। এমনিতেই পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার পর থেকে রাজ্য জুড়ে বিজেপি সহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা শাসকদলের হাতে আক্রান্ত হচ্ছেন। কোথাও প্রার্থীদের জোর করে মনোনয়নপত্র তুলে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে, আবার কোথাও মারধর করা হয়েছে। সেই কারণেই আদালতের নির্দেশে দীর্ঘ টালবাহানার পর কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট পরিচালনা করার নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী জেলায় জেলায় রুটমার্চ শুরু করলেও সন্ত্রাসের খবর উঠে আসছে একাধিক জায়গা থেকে। এবার বিজেপি বিধায়কের বাড়িতেই বোমাবাজির ঘটনায় জেলা জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক?

    এ বিষয়ে বিজেপির (BJP) বিধায়ক মুকুটমনি অধিকারী বলেন, রবিবার রাতে বেশ কিছু দুষ্কৃতী এসে বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি করে। আশপাশেও তারা বোমা ছোড়ে। বোমার আঘাতে জখম হন আমার ভাই,বাবা এবং আরও এক বিজেপি নেতা। এই ঘটনার পিছনে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা জড়িত রয়েছে। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, কৃষ্ণগঞ্জ থানার আইসি আমাদের কথা দিয়েছিলেন এই এলাকায় কোনও সন্ত্রাস হতে দেবেন না। তা সত্ত্বেও এই ধরনের ঘটনা ঘটে গেল। আর এই ঘটনার পিছনে পুরোপুরি দায়ী প্রশাসন এবং তৃণমূল। যত দ্রুত সম্ভব অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করা হলে থানার সামনে বিক্ষোভ-আন্দোলন চলবে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের জেলা নেতা সনৎ চক্রবর্তী বলেন, পুরো ঘটনাটি তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই ওই এলাকায় বিজেপির প্রার্থী বাছাই নিয়ে ঝামেলা চলছিল। আর রবিবারের রাতের ঘটনা পুরোটাই বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। এর সঙ্গে তৃণমূল কোনভাবেই জড়িত নয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: প্রার্থী বাছাই এবং মনোনয়ন নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধেই বিস্ফোরক দলের বিধায়ক

    Nadia: প্রার্থী বাছাই এবং মনোনয়ন নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধেই বিস্ফোরক দলের বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই দলের কোনও অনুশাসন নেই, নেই নির্দিষ্ট কোনও গাইডলাইন। কেউ কাউকে মানে না। একশ্রেণির নেতারা এই দলটাকে শেষ করছে। যাদের কথা শুনে দল প্রার্থী ঠিক করছে সেই প্রার্থীর দায়িত্ব তাদেরকেই নিতে হবে। এখানে আমার কিছু করার নেই। দলের কর্মীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় দলের বিরুদ্ধেই বিস্ফোরক তেহট্টের (Nadia) তৃণমূল বিধায়ক তাপসকুমার সাহা।

    নদিয়ায় (Nadia) মনোনয়নকে ঘিরে কী হয়েছে?

    উল্লেখ্য, এক দফা পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে চলছে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কাজ। আজ তার শেষ দিন। সেইমতো তেহট্ট (Nadia) বিডিও অফিসে দলের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে যান। সেখানেই উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল বিধায়ক তাপসকুমার সাহা। আর সেখানেই পছন্দের প্রার্থীদের নাম না থাকায় দলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি। 

    বিক্ষুব্ধ বিধায়ক কী বললেন?

    নির্বাচনে মনোনয়নের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে এই তৃণমূল বিধায়ক (Nadia) বলেন, ব্লক সভাপতি, অঞ্চল সভাপতি এবং আমি একসঙ্গে বসে দলের নির্দেশে যে তালিকা দলকে পাঠিয়েছিলাম, সেখান থেকে অনেকের নাম বাদ গেছে। অথচ দল যেভাবে বলেছে, সই করে নাম সেই ভাবেই পাঠিয়েছি। কিন্তু তারপরেও আমাদের অনেকের নাম বাদ গেছে। আমরা বুঝতে পারছি, কেউ দলকে শেষ করার জন্যই এই ঘটনা ঘটাচ্ছে। এরপর তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের আইপ্যাক এবং দলের শীর্ষ স্তর থেকেও কেউ কেউ এই নাম বদল করেছেন বলে অভিযোগ করেন। বলেন, আমার তালিকার বাইরে যে নামগুলি এসেছে, তাঁদের দায়িত্ব আমি নেবো না! আর আমার দেওয়া যে সমস্ত নাম দল নির্বাচিত করেছে, তাঁদের দায়িত্ব আমি নিচ্ছি। পাশাপাশি তিনি আরও আক্রমণাত্মক হয়ে বলেন, এই দলের কোনও অনুশাসন নেই, নির্দিষ্ট গাইডলাইন নেই। জেলা সভাপতি, আইপ্যাক, অঞ্চল সভাপতিদের মধ্যে কোনও সংযোগ নেই। দলের তরফ থেকে নেই কোনও বিশেষ নির্দেশিকাও। এই প্রসঙ্গে আরও স্পষ্ট করে বলেন, দলের একটা অংশের নির্দেশে এই ঘটনা ঘটছে এবং এই বিষয়ের মধ্যে প্রদেশের কিছু নেতা যুক্ত হয়ে তৃণমূল দলকে নষ্ট করছেন বলে অভিযোগ করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: ঝড়বৃষ্টির দাপটে লণ্ডভণ্ড অভিষেকের নবজোয়ার, আতঙ্কে পালালেন তৃণমূল নেতারা

    Abhishek Banerjee: ঝড়বৃষ্টির দাপটে লণ্ডভণ্ড অভিষেকের নবজোয়ার, আতঙ্কে পালালেন তৃণমূল নেতারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৈরি করা হয়েছিল বিশাল প্যান্ডেল। নীল-সাদা কাপড়ে সভাস্থলে ঢোকার রাস্তার দুপাশ মুড়ে দেওয়া হয়েছিল। একেবারে এলাহি আয়োজন। তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বক্তব্য শুনবেন বলে অনেক কর্মী-সমর্থকও সভাস্থলে এসে গিয়েছিলেন। অনেকে রাস্তায় ছিলেন। কিন্তু, প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে সব কিছু লণ্ডভণ্ড হয়ে গেল। সভার শুরুতেই তুমুল ঝড়-বৃষ্টি। ত্রিপলের শেড ভেঙে মাথায় পড়ে জখম হলেন দুজন। তাঁরা ডেকরেটরের কর্মী। ঝড়ে ভেঙে পড়ার আতঙ্কে মঞ্চ ছেড়ে পালান তৃণমূল নেতারা। ভেঙে যায় তোরণ। বন্ধ হয়ে যায় অভিষেকের (Abhishek Banerjee) সভা।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এদিন নদীয়ার বাদকুল্লায় বেলা তিনটেয় তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) নবজোয়ার কর্মসূচি ছিল। বাদকুল্লার অনামী ক্লাবের মাঠে ত্রিপলের শেড করা হয়েছিল। আচমকাই কালো মেঘে গোটা এলাকা ঢেকে যায়। তখনও সভাস্থলে কর্মী, সমর্থকরা ঢুকছেন। প্রচুর পুলিশ কর্মী মোতায়েন রয়েছেন। মঞ্চে জেলা স্তরের সব নেতা রয়েছেন। আচমকাই শুরু হয় প্রবল ঝড় আর বৃষ্টি। দমকা হাওয়ায় রীতিমতো দুলছিল ত্রিপলের শেড। দমকা হাওয়ায় শেডের একাংশ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। তখনও মঞ্চে ছিলেন তৃণমূলের জেলা স্তরের নেতানেত্রীরা। মঞ্চের পিছনের ত্রিপল ছিঁড়ে যেতেই মঞ্চ ছেড়ে নিচে নেমে আসেন তাঁরা। এ বিষয়ে তৃণমূল নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এদিনই প্রথম জনসভা ছিল। সমস্ত রকম প্রস্তুতি ছিল। প্রচুর কর্মী, সমর্থক চলে এসেছিলেন। রাস্তাতে অনেকে ছিলেন। কিন্তু, প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে মূলত বন্ধ হয়ে গেল জনসভা কর্মসূচি। দলীয় নেতার সঙ্গে কথাও হয়েছে। এই অবস্থায় আর সভা করা সম্ভব নয়। তবে, রাস্তায় মিছিল করে জনসংযোগ কর্মসূচি করা হবে। জানা গিয়েছে, পরে, গাড়ি থেকেই তিনি কর্মীদের সঙ্গে জনসংযোগ করেন। তবে, এই প্রথম নয় এর আগেও আরামবাগ সহ একাধিক জায়গায় অভিষেকের (Abhishek Banerjee) নবজোয়ার কর্মসূচি ঝড়বৃষ্টির কারণে বাতিল হয়ে গিয়েছে। সেই ঘটনারই পুনরাবৃত্তি হল নদীয়ার বাদকুল্লায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Abhishek Banerjee: আদালত নির্দেশ দিলে অভিষেককে কান ধরে নিয়ে যাবে ইডি, বললেন সুকান্ত

    Abhishek Banerjee: আদালত নির্দেশ দিলে অভিষেককে কান ধরে নিয়ে যাবে ইডি, বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) তলব করল ইডি। ১৩ জুন ইডি অফিসে তাঁকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তৃণমূলের জনজোয়ার কর্মসূচিতে অভিষেক প্রথমে নদিয়ার কৃষ্ণনগরে রোড শো করেন। পরে, ধুবুলিয়াতে দলীয় কর্মসূচিতে তিনি যোগ দেন। সেখান থেকে নদিয়ার নাকাশিপাড়া, পলাশীপাড়া সহ কালীগঞ্জে একাধিক কর্মসূচিতে তিনি যোগদান করেন। সেখানেই ইডি-র নোটিশের বিষয়ে তিনি জানতে পারেন।

    ইডিতে হাজিরা নিয়ে কী বললেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)?

    ইডির নোটিশ প্রসঙ্গে অভিষেক (Abhishek Banerjee) বলেন, “এর আগে যখন আমাকে সিবিআই প্রায় আট ঘণ্টা অফিসে বসিয়ে রেখেছিল, আমি তদন্তে সম্পূর্ণ সাহায্য করেছি। এর পাশাপাশি অনুরোধ করেছিলাম, তৃণমূলের যে নবজোয়ার কর্মসূচি চলছে, তার মধ্যে যেন আমাকে না ডাকা হয়। কিন্তু, দেখা গেল, আমার স্ত্রীকে ডেকেও দীর্ঘক্ষণ জেরা করা হল। স্ত্রীকে ছেড়ে দেওয়ার পনেরো মিনিট পরই আমাকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এটা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক চক্রান্ত। তৃণমূলের নবজোয়ার কার্যত জনজোয়ারে পরিণত হয়েছে। আর তা দেখেই বিজেপি ভয় পেয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে। আমি তাদের সম্পর্কে কোনও খারাপ মন্তব্য করব না এবং দোষও দেব না। বিজেপি রাজনৈতিকভাবে আমার সঙ্গে পেরে না উঠে এই চক্রান্ত চালাচ্ছে। তবে যে কদিন জনজোয়ার কর্মসূচি রয়েছে, সেই কদিন আমার অন্য কোথাও যাওয়ার মতো সময় নেই। তারপর সামনে ৮ জুলাই পঞ্চায়েত ভোট। তার আগে আট ঘণ্টা কোথাও গিয়ে নষ্ট করার মতো সময় আমার হাতে নেই। ভোট মিটে যাওয়ার পর আমাকে যেদিন ডাকবেন, আমি সেদিনই যাব। তার আগে আমার পক্ষে যাওয়া সম্ভব নয়।”

    অভিষেক (Abhishek Banerjee) প্রসঙ্গে কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “কুকুরের লেজ তো সহজে সোজা হয় না। তাই, ইডি ডাকলে তো তিনি (Abhishek Banerjee) যাবেন না, এটাই স্বাভাবিক বিষয়। ইডির হাত থেকে বাঁচতে এত কিছু হচ্ছে। যাত্রা হচ্ছে, নবজোয়ারের নাটক হচ্ছে, পঞ্চায়েত ভোট হচ্ছে। ইডি এবার আদালতকে বিষয়টি জানাবে। আদালত কান ধরে নিয়ে আসার নির্দেশ দেবে। ইডি তখন কান ধরে নিয়ে আসবে। তখন দেখবেন ঠিক হাজির হয়ে যাবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ইসকনের জগন্নাথ মন্দিরে পালিত হল স্নানযাত্রা, আনন্দিত ভক্তবৃন্দ

    Nadia: ইসকনের জগন্নাথ মন্দিরে পালিত হল স্নানযাত্রা, আনন্দিত ভক্তবৃন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাড়ম্বরে পালিত হলো নদিয়ার (Nadia) মায়াপুর ইসকনে শ্রীজগন্নাথের স্নানযাত্রার উৎসব। মায়াপুর চন্দ্রোদয় মন্দির থেকে সাড়ে চার কিলোমিটার দূরে রাজাপুর শ্রীজগন্নাথ মন্দিরে স্নানযাত্রা উপলক্ষে সকাল থেকেই হাজার হাজার ভক্তের ভীড়। এলাকায় স্নানযাত্রা উপলক্ষে মহামহোৎসবের আবির্ভাব।

    মায়াপুরে (Nadia) কীভাবে শ্রী জগন্নাথদেবকে স্নান করানো হল?

    দাবদাহকে উপেক্ষা করেই দীর্ঘ লাইন দিয়ে শ্রীজগন্নাথকে স্নান করানোর জন্য দেশ-বিদেশের ভক্তরা সকালেই পৌছে গেছেন মন্দিরে। কথিত আছে আজকের স্নানযাত্রার পরেই শ্রীজগন্নাথের শরীরে আসবে ধুম জ্বর। জ্বরে কাবু হয়ে রথের দিন পর্যন্ত তিনি গৃহবন্দী হয়ে থাকবেন। রথের দিন রাজকীয় বেশে, রথে করে পুনরায় ভক্তদের মাঝে অবতীর্ণ ও পূজিত হবেন শ্রীজগন্নাথের ঠাকুর। এইদিন স্নানযাত্রা উপলক্ষে সমস্ত ভক্তদের জন্য প্রসাদের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল ইসকনের পক্ষ থেকে। একইসাথে বিশৃঙ্খলা এড়াতে মোতায়েন করা হয়েছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকা রাজাপুর (Nadia) শ্রীজগন্নাথ মন্দিরে শুরু হয়ে গেল স্নানযাত্রার মাধ্যমে রথের প্রস্তুতি। এলাকায় উৎসবের আবহ।

    ইসকনের পক্ষ থেকে বক্তব্য

    স্নানযাত্রা উপলক্ষে ইসকনের জনসংযোগ আধিকারিক রসিক গৌরাঙ্গ দাস জানান, অন্যান্য উৎসবের মতো ইসকনের রথযাত্রা এবং শ্রীজগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা একটি ধর্মীয় মুখ্য অনুষ্ঠান। জগতের নাথ অর্থাৎ জগন্নাথদেব এই স্নানযাত্রার পরে গৃহবন্দী অবস্থায় থাকবেন। রথের দিন পুনরায় তিনি ভক্তদের মাঝে অবতীর্ণ হবেন। প্রতিবছরের মত এবারও রাজাপুরের চন্দ্রোদয় মন্দিরে মহাসামরহে চলছে স্নানযাত্রার উৎসব। স্নানযাত্রার পর ২০ শে জুন থেকে রথযাত্রা শুরু হবে। এই রথ নিয়ে যাওয়া হবে মায়াপুর (Nadia) ধামে। আবার মায়াপুর থেকে ২৮শে জুন পুনরায় রাজাপুরে নিয়ে আসা হবে। প্রভু শ্রীজগন্নাথ রথের দিনে আপামর জগতবাসীকে আশীর্বাদ করবেন। তিনি আরও বলেন ইসকনের মহাপ্রভু শ্রীপ্রভুপাদ বিদেশের মাটিতে ১৯৬৭ সালে রথযাত্রা পালন করেন। মঙ্গলময় ঈশ্বর জগত সকলের মঙ্গল কামনা কবেন এই আশাই প্রকাশ করেছেন গৌরাঙ্গ দাস।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share