Tag: Narendra Modi

Narendra Modi

  • India Canada Ties: “ভারতের নয়া সরকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আশাবাদী”, বলছেন ট্রুডো

    India Canada Ties: “ভারতের নয়া সরকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আশাবাদী”, বলছেন ট্রুডো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-কানাডা (India Canada Ties) সম্পর্কের বরফ গলল জি৭ সম্মেলনের মঞ্চে। সম্মেলনের ফাঁকে উপস্থিত রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে পার্শ্ব বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৈঠক হয় কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গেও। তার পরেই দুই দেশের মধ্যে যেসব বড় ইস্যুগুলিতে জটিলতা রয়েছে, সেই জট খুলে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। নয়া ভারত সরকার সম্পর্কে আশাও প্রকাশ করেন তিনি। দুই দেশের জাতীয় নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়েও আশা প্রকাশ করেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী।

    কী বললেন ট্রুডো? (India Canada Ties)

    ওটাওয়া সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে (India Canada Ties) ট্রুডো বলেন, “এই সম্মেলন মঞ্চের বড় সুযোগ হল বিশ্বের বিভিন্ন নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ। বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে, বিশেষত ভারতের সঙ্গে। সেখানে লোকের সঙ্গে লোকের বন্ধন রয়েছে। তাদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হল অর্থনৈতিক বন্ধন।” দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে ট্রুডো বলেছিলেন, “আমাদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল বিষয়ে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে। সেগুলি কী, তা নিয়ে আমি এখানে কথা বলতে চাই না। তবে আগামিদিনে আমরা খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল বিষয়ে এক সঙ্গে কাজ করব বলে একমত হয়েছি।”

    ট্রুডোর অভিযোগ

    কানাডায় খুন হয় সন্ত্রাসবাদী হরদীপ সিং নিজ্জর। এই ঘটনায় কানাডা আঙুল তোলে ভারতের দিকে। কানাডার পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে ট্রুডো বলেছিলেন, “এই ঘটনার নেপথ্যে ভারতের হাত রয়েছে।” অভিযোগ অস্বীকার করে দ্বিতীয় মোদি সরকার বলেছিল, এই দাবির স্বপক্ষে কানাডা প্রমাণ দিতে পারলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বস্তুত, কানাডা এমন কোনও প্রমাণ দিতে পারেনি। তবে কানাডার এই অভিযোগের পরপর ভারত-কানাডা সম্পর্ক গিয়ে ঠেকে তলানিতে। তারপর থেকে আর মুখোমুখি হননি মোদি-ট্রুডো। কূটনৈতিক মহলের মতে, সেদিক থেকে দেখতে গেলে জি৭ এর সম্মেলনের ফাঁকে ভারত ও কানাডা দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে যে পার্শ্ব বৈঠক হয়েছে, তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

    আর পড়ুন: নৈসর্গিক ডাল লেকের পাড়ে যোগ দিবস পালন, যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, আঁটসাঁট নিরাপত্তা

    প্রসঙ্গত, বৈঠকের পর দুই রাষ্ট্রনেতার করমর্দনের ছবি দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রী লিখেছিলেন, ‘কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল জি৭ সম্মেলন মঞ্চে।’ ১৩ থেকে ১৫ জুন ইটালির আপুলিয়া অঞ্চলে বসেছিল জি৭ এর সম্মেলন। ভারত জি৭ এর সদস্য দেশ নয়। তবে সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল ভারতকে (India Canada Ties)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: নৈসর্গিক ডাল লেকের পাড়ে যোগ দিবস পালন, যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, আঁটসাঁট নিরাপত্তা

    PM Modi: নৈসর্গিক ডাল লেকের পাড়ে যোগ দিবস পালন, যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, আঁটসাঁট নিরাপত্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার, ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। ফি বছর বিভিন্ন জায়গায় দিনটি পালন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এবার যোগ দিবস পালনের জন্য তিনি বেছে নিয়েছেন ভূস্বর্গকে।  কাশ্মীরের ডাল লেকের পাড়েই এবার যোগ দিবস পালন করবেন প্রধানমন্ত্রী। যেহেতু প্রধানমন্ত্রী যাচ্ছেন, তাই বহুস্তরীয় নিরাপত্তার বলয়ে মুড়ে ফেলার পরিকল্পনা করা হয়েছে শ্রীনগরকে।

    ‘রেড জোন’ (PM Modi)

    মঙ্গলবার জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ শ্রীনগরকে অস্থায়ীভাবে ‘রেড জোন’ ঘোষণা করেছে। শহরে ড্রোন চালানো যাবে না। নিষিদ্ধ করা হয়েছে কোয়াড কপ্টার চলাচলও (PM Modi)। কেন্দ্রীয় আয়ূষ মন্ত্রী প্রতাপরাও যাদব বলেন, “চলতি বছরের আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালিত হবে ২১ জুন, শ্রীনগরে।” সূত্রের খবর, শুক্রবার সকালে দশম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন করা হবে ডাল লেকের ধারে শের-ই-কাশ্মীর ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে। বৃহস্পতিবার সন্ধেয় শ্রীনগরে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী। এই অনুষ্ঠানে প্রচুর যোগ-প্রেমী এবং স্পোর্টস পার্সন যোগ দিতে পারেন বলে আধিকারিকদের আশা।

    ভূস্বর্গে দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী

    গত বছর নিউইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘের সদর দফতরে যোগ দিবস পালন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, ভূস্বর্গ থেকে ৩৭০ ধারা রদ হওয়ার পর এই নিয়ে দ্বিতীয়বার উপত্যকা সফরে যেতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। ভূস্বর্গে বিজেপির এক নেতা মহম্মদ আরিফ বলেন, “মোদিজিকে অভ্যর্থনা জানানোর বিরাট সুযোগ কাশ্মীরের কাছে। তৃতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রী হয়েই তিনি আমাদের এখানে আসছেন।”

    রাজনৈতিক মহলের মতে, চলতি মাসেই ঘোষণা করা হতে পারে জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভার নির্বাচন। জানা গিয়েছে, অগাস্টের মধ্যেই নির্বাচনের কাজ শেষ করে ফেলার চেষ্টা চলছে। তার আগে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালনের জন্য ভূস্বর্গকে বেছে নেওয়া প্রধানমন্ত্রীর মাস্টার স্ট্রোক বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    আর পড়ুন: বিশ্বমঞ্চে বন্দিত! লন্ডনে ‘রিস্ক ম্যানেজার অফ দ্য ইয়ার ২০২৪’ পুরস্কারে ভূষিত আরবিআই

    প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো ছিল জম্মু-কাশ্মীর। উন্নয়নও ছিল অধরা। ভূস্বর্গে ৩৭০ ধারা রদ করে গোটা দেশের সঙ্গে উপত্যকাকেও এক করে দেন প্রধানমন্ত্রী। বইয়ে দেন উন্নয়নের জোয়ারও। অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের আগে মার্চ মাসের গোড়ার দিকেও শ্রীনগরে গিয়ে ৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকার নানা সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধনও করেছিলেন তিনি (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mann ki Baat: তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম মন কি বাত, কী বার্তা থাকবে প্রধানমন্ত্রীর?

    Mann ki Baat: তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম মন কি বাত, কী বার্তা থাকবে প্রধানমন্ত্রীর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয় সরকার প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম ‘মন কি বাত’ (Mann ki Baat) অনুষ্ঠান করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। জানা গিয়েছে আগামী ৩০ জুন এই অনুষ্ঠান করবেন তিনি। তবে বক্তৃতার বিষয়বস্তু কী হবে ইতিমধ্যেই তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মতামত চাওয়া হয়েছে। যা নিঃসন্দেহে বড় চমক। 

    কর্মসূচি ভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টন 

    অন্যদিকে মন কি বাত (Mann ki Baat) শোনার জন্য যাতে দেশব্যাপী সাংগঠনিক বন্দোবস্ত করা হয় তার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দলের দুই ন্যাশনাল জেনারেল সেক্রেটারি বিনোদ তাওড়ে এবং দুষ্মন্ত গৌতমকে। জানা গিয়েছে নির্বাচন মিটতেই  জমি পুনরুদ্ধারে একগুচ্ছ সাংগঠনিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিজেপির। আসলে প্রত্যেকটি কর্মসূচির যাতে সঠিক বাস্তবায়ন হয় তা সুনিশ্চিত করতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের মধ্যে কর্মসূচি ভিত্তিক এই দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে।   

    তৃতীয়বার মোদি (PM Modi) সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য এবার ভোটারদের অভিনন্দন জানাতে দেশব্যাপী ‘মতদাতা অভিনন্দন যাত্রা’ শুরু করতে চলেছে বিজেপি। রাজ্যভিত্তিক অভিনন্দন যাত্রার পাশাপাশি আয়োজিত হবে অভিনন্দন সমারোহ। কর্মসূচিতে কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচারের পাল্টা ন্যারেটিভ তুলে ধরাই লক্ষ্য। প্রত্যেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে তাঁর সংশ্লিষ্ট রাজ্যে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অভিনন্দন জানানো হবে। দেশব্যাপী এই কর্মসূচির দায়িত্বে থাকবেন বিজেপির ন্যাশনাল জেনারেল সেক্রেটারি সুনীল বনশল।

    আরও পড়ুন: দুই গাড়ির চালকের কাছে ছিল ‘কাগুজে অনুমতি’! তবে কার ভুলে এমন বিপদ?

    রয়েছে একাধিক কর্মসূচি (Mann ki Baat) 

    একইসঙ্গে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা স্মরণ করতে ২৩ জুন থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি করছে বিজেপি। ‘এক পেড় মা কে নাম’ কর্মসূচিতে এই বৃক্ষরোপণ করা হবে। কর্মসূচির দায়িত্বে থাকবেন রাজ্যসভার সাংসদ রাধামোহন দাস এবং আরএএস নেতা অরবিন্দ মেনন। তবে এর আগে ২১ জুন সরকারি উদ্যোগে পালিত হবে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। সারাদেশে বিজেপি নেতাকর্মীদের এই কর্মসূচিতে যোগ দিতে বলা হয়েছে। এরপর ২৫ জুন পালিত হবে ‘আপৎকাল কা কালা দিবস’। এমার্জেন্সির সময় যাঁরা জেলবন্দি ছিলেন, এমন জীবিত ব্যক্তিদের বাড়ি গিয়ে তাঁদের সঙ্গে দেখা করবেন বিজেপি নেতারা।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: পিএম কিষান প্রকল্পে ২০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করবেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: পিএম কিষান প্রকল্পে ২০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিএম কিষান প্রকল্পের ১৭তম ইনস্টলমেন্টে ২০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ১৮ জুন বারাণসীতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। সেখানেই বরাদ্দ করবেন ৯.২৬ কোটি টাকা। কৃষি এবং কৃষক কল্যাণ মন্ত্রকের মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান বলেন, “তাঁর দুটি মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অগ্রাধিকারের তালিকায় সব সময় রয়েছে কৃষিক্ষেত্র। পুরোপুরি স্বচ্ছতা বজায় রেখে এবং কৃষকদের সম্পর্কে তথ্য যাচাই করেই এই প্রকল্পে টাকা দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পে ৩.০৪ লাখ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। উপকৃত হয়েছেন ১১ কোটিরও বেশি কৃষক। নতুন করে এই যে বরাদ্দ হল, তাতে উপকৃত হবেন আরও বেশি কৃষক।”

    স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে শংসাপত্র প্রদান (PM Modi)

    স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে যে (PM Modi) শংসাপত্র প্রদান করা হবে, সেকথাও জানান চৌহান। তিনি বলেন, “৩০ হাজারেরও বেশি স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে শংসাপত্র দেওয়া হবে। পিএম কিষান প্রকল্পের ১৭তম কিস্তি দেওয়ার পর গোষ্ঠীগুলিকে দেওয়া হবে কৃষি সাক্ষী শংসাপত্র।” চলতি মাসেই তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেন নরেন্দ্র মোদি। তার পরেই ১০ জুন তিনি পিএম কিষান নিধি প্রকল্পে ১৭তম কিস্তি বরাদ্দ করেন। সরকার যে কৃষকদের পাশে রয়েছে, সেই বার্তা দিতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রথমে স্বাক্ষর করেন এ সংক্রান্ত ফাইলে।

    পিএম কিষান নিধি প্রকল্প

    উনিশে সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের আগে ফেব্রুয়ারি মাসে দিল্লির তখতে বসেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চালু করেন পিএম কিষান নিধি প্রকল্প। এই প্রকল্পে তিনটে সমান কিস্তিতে কৃষকদের বছরে মোট ৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়। সেই টাকা সরাসরি জমা হয় কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। চৌহান বলেন, “দেশজুড়ে ভিডিওর মাধ্যমে ২.৫ কোটি কৃষক এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। দেশের ৭৩২টি কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র, এক লাখের বেশি প্রাইমারি এগ্রিকালচারাল কো-অপারেটিভ সোস্যাইটি এবং পাঁচ লাখ কমন সার্ভিস সেন্টারও অনলাইনে যোগ দেবে এই অনুষ্ঠানে।

    আরও পড়ুন: সংখ্যালঘু কুরিয়েনকে মন্ত্রিসভায় জায়গা দিলেন মোদি, কেন জানেন?

    কৃষকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতেই এই অনুষ্ঠানের আয়োজন।” জানা গিয়েছে, বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেশের ৫০টি কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র পরিদর্শন করবেন। কথা বলবেন কৃষকদের সঙ্গে। দফতরের বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে কৃষকদের সচেতনও করবেন তাঁরা। এই সব এলাকার প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কৃষি সাক্ষীদের সার্টিফিকেটও দেবেন তাঁরা। কিষান সম্মেলনের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যাবেন কাশী বিশ্বনাথ মন্দির দর্শনে। দশাশ্বমেধ ঘাটে দর্শন করবেন গঙ্গা আরতি (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: উষ্ণ আলিঙ্গন বাইডেনকে, খালিস্তানি সমস্যার মধ্যেও ট্রুডোর হাতে হাত রেখে সৌজন্য মোদির

    PM Modi: উষ্ণ আলিঙ্গন বাইডেনকে, খালিস্তানি সমস্যার মধ্যেও ট্রুডোর হাতে হাত রেখে সৌজন্য মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছর সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত জি-২০ সম্মেলনের পর ফের মুখোমুখি মোদি-ট্রুডো। খলিস্তানি ইস্যুতে সংঘাতের মধ্যেই কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে দেখা হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)। তাঁদের মধ্যে কী কথা হয়েছে, তা নিয়ে আপাতত বিদেশ মন্ত্রকের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। ইটালিতে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনে (G7 Summit) যোগ দিয়েছেন মোদি। এখানেই সকলের সঙ্গে খোশ মেজাজে ধরা দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। পোপ ফ্রান্সিস থেকে শুরু করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মতো অনেক রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে কথা বলেন তিনি। 

    ট্রুডো -মোদি সাক্ষাত

    তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) আসনে বসার পর এটাই মোদির প্রথম বিদেশ সফর। ইটালির প্রধানমন্ত্রীর জর্জিয়া মেলোনির আমন্ত্রণে বিশেষ অতিথি হিসাবে ৫০তম জি-৭ সামিটে যোগ দিয়েছেন তিনি। এই সম্মেলনের ফাঁকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর হাতে হাত রেখে কথা বলতে দেখা গেল মোদিকে। তবে তার মধ্যে ছিল শীতলতার ছোঁয়া। অন্য রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে সাক্ষাতের পরে সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক এবং ব্যক্তিগত রসায়ন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লেখেন মোদি। কিন্তু ট্রুডোর ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শুধু লেখেন, ‘জি৭ সম্মেলনে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে দেখা হল।’  

    খালিস্তানি ইস্যু নিয়ে বিরোধ

    কানাডার সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক বিরোধ গত বছরের মাঝামাঝি সময় তীব্র হয়েছে। কানাডার বাসিন্দা খালিস্তানপন্থী হরদীপ সিং গুজ্জরের হত্যাকাণ্ড নিয়ে ভারতের দিকে আঙুল তোলেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী। দেশের সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি অভিযোগ করেন, নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে ভারতীয় এজেন্টরা যুক্ত। ট্রুডোর এই মন্তব্যের পর দুই দেশই কূটনৈতিক সম্পর্কে রাশ টানে। কানাডা কয়েকজন শীর্ষ স্থানীয় ভারতীয় কূটনীতিককে দেশ থেকে বের করে দেয়। ভারতও নয়াদিল্লিতে অবস্থিত কানাডার দূতাবাসের ৪০ জন অফিসারকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করে। দুই দেশই ভিসা প্রদান বন্ধ করে দিলেও পরে তা চালু হয়। নয়াদিল্লির অভিযোগ, কানাডার মাটি ভারত বিরোধী শক্তি ব্যবহার করছে। বিশেষ করে পাঞ্জাবের খলিস্থানপন্থীরা ওই দেশকে আশ্রয় করে গোটা বিশ্বে ভারত বিরোধী কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। তথ্যপ্রমাণ-সহ বলা সত্ত্বেও ট্রুডো সরকার কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। 

    মোদি-বাইডেন সাক্ষাৎ

    জি-৭ সম্মেলনের (G7 Summit) মাঝেই শুক্রবার বাইডেনের সঙ্গে দেখা করেন মোদি (PM Modi)। দীর্ঘদিন পর বন্ধুকে দেখে জড়িয়ে ধরেন তিনি। এর পর বৈঠকে বসেন দুজনে। যা নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ সবসময়ই খুব আনন্দের। আগামী দিনে দুদেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করতে ও বিশ্বের উন্নতি সাধনে আমরা একযোগে কাজ করব।’ প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে হাসিমুখে দেখা যায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনকেও।

    প্রযুক্তিকে সৃজনশীল করার আহ্বান

    এদিন  জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের একটি অধিবেশনে সারা বিশ্বের  প্রযুক্তি ক্ষেত্রে একচেটিয়া আধিপত্যের অবসানের কথা বলেন মোদি। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের ভিত্তি স্থাপনের জন্য প্রযুক্তিকে সৃজনশীল করার আহ্বান জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপরও বিশেষ জোর দেন। মোদি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিষয়ে জাতীয় কৌশল তৈরি করা প্রথম কয়েকটি দেশের মধ্যে ভারত রয়েছে। শনিবারই দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: জি৭ সম্মেলনে হাজির মোদি, মাক্রঁ-সুনকের সঙ্গে কী আলোচনা হল প্রধানমন্ত্রীর?

    PM Modi: জি৭ সম্মেলনে হাজির মোদি, মাক্রঁ-সুনকের সঙ্গে কী আলোচনা হল প্রধানমন্ত্রীর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) পদে শপথ নিয়েই প্রথম বিদেশ সফরে গিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। ইটালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে তিনি গিয়েছেন ইটালি, জি৭ সম্মেলনে যোগ দিতে। সম্মেলনের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী যে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে যোগ দেবেন, সে খবর জানানো হয়েছিল মাধ্যমের পাঠকদের। শুক্রবার বিশ্বনেতাদের সঙ্গে লাগাতার বৈঠক করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, ইটালির আপুলিয়া শহরে বসেছে জি৭ সম্মেলন।

    মাক্রঁ-মোদি বৈঠক (PM Modi)

    এদিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) সাক্ষাৎ করেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর সঙ্গে। ভারত ও ফ্রান্সের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করার বিষয়েই হয়েছে আলোচনা। বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়েও হয়েছে বার্তা বিনিময়। ট্যুইট-বার্তায় বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল লেখেন, ‘ইটালির আপুলিয়ায় ৫০তম জি৭ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁর সঙ্গে পার্শ্ব বৈঠকে যোগ দেন।

    প্রতিরক্ষা, পরমাণু, মহাকাশ, শিক্ষা, জলবায়ু অ্যাকশন, ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাকস্ট্রাকচার, ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি, কানেকটিভিটি এবং সংস্কৃতি নিয়ে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে আলোচনা হয়েছে। তারা বৈশ্বিক এবং আঞ্চলিক নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।’ ২৬ জানুয়ারি ভারতের ৭৫তম প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাক্রঁ। সেই সময় সাক্ষাৎ হয়েছিল মোদি-ম্যাক্রঁর। সেই সময় দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা ও হরাইজন ২০৪৭ এর রোডম্যাপ নিয়েও কথা হয় এই দুই রাষ্ট্রনেতার।

    মোদি-সুনক বৈঠক

    মাক্রঁর পাশাপাশি মোদি পার্শ্ববৈঠক করেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনকের সঙ্গে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হয়েছে দুই রাষ্ট্রনেতার। সুনক-মোদির শেষবারের মতো সাক্ষাৎ হয়েছিল গত সেপ্টেম্বরে, নয়াদিল্লিতে, জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে। মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও আলোচনা হয়েছে দুই রাষ্ট্রনেতার। অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে মোদির বিপুল জয়ে তাঁকে অভিনন্দন জানান ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী। ব্রিটেনেও আসন্ন নির্বাচনে ঋষির জয় কামনা করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এই বৈঠকেও ভারত-ব্রিটেনের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা হয় মোদি-ঋষির (PM Modi)।

    আরও পড়ুন: তৃতীয় মোদি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ বাদল অধিবেশনেই, কবে জানেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Jammu and Kashmir: কাশ্মীরে সন্ত্রাস দমনে পূর্ণশক্তি প্রয়োগের নির্দেশ মোদির, বাস হামলায় আটক ৫০

    Jammu and Kashmir: কাশ্মীরে সন্ত্রাস দমনে পূর্ণশক্তি প্রয়োগের নির্দেশ মোদির, বাস হামলায় আটক ৫০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত উপত্যকা। সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে জঙ্গিরা। থেমে থাকেনি প্রশাসনও। জঙ্গি দমনে কঠোর অভিযান চালাচ্ছে কাশ্মীর পুলিশ ও সেনা। এই আবহে জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদ দমন করতে পূর্ণশক্তি প্রয়োগের নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈঠক করেন তিনি। সেই বৈঠকেই কাশ্মীরে শান্তি ফেরানোর কথা বলা হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

    নিরাপত্তা সংক্রান্ত বৈঠকে বৃহস্পতিবার কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে রিপোর্ট দেওয়া হয়। গত কয়েক দিনে সেখানে কী কী ঘটেছে, পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য পুলিশ এবং নিরাপত্তারক্ষীরা কী কী করেছেন, তার খতিয়ান দেওয়া হয় মোদির কাছে। সূত্রের খবর, এর পরেই প্রধানমন্ত্রী জানান, যে কোনও মূল্যে কাশ্মীরে শান্তি বজায় রাখতে হবে। সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলায় যা যা করা প্রয়োজন, তা করতে হবে। সূত্রের খবর, কাশ্মীর পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং জম্মু ও কাশ্মীরের লেফ্‌টেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিং এর সঙ্গেও কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। উপত্যকায় আরও বেশি নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা এবং জঙ্গিদমনমূলক অভিযানের সংখ্যা বৃদ্ধি করার বিষয়ে তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: বৃষ্টি-ধসে বিপর্যস্ত সিকিম, বিপর্যস্ত লাচুং-লাচেন, আটকে ১৫০০ পর্যটক, বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ

    জঙ্গিযোগে আটক ৫০

    রিয়াসি জেলায় জঙ্গি হামলায় গত রবিবার মৃত্যু হয়েছিল ৯জন তীর্থযাত্রীর। গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন আরও ৩৩ জন। কাশ্মীর (Jammu and Kashmir) পুলিশ সূত্রে খবর, ওই ঘটনায় সন্দেহভাজন ৫০ জনকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের পর প্রকৃত অভিযুক্তদের হেফাজতে নেওয়া হবে। বাকিদের ছেড়ে দেওয়া হবে। রবিবার জম্মু ও কাশ্মীরের রিয়াসি জেলার দিক থেকে জম্মুর কাটরার বৈষ্ণো দেবী মন্দিরের দিকে যাওয়ার  পথে জঙ্গিদের হামলার মুখে পড়েছিল তীর্থ যাত্রীদের বাস। পরের দিন সেনা ছাউনিতেও হামলা চালায় জঙ্গিরা। এরপরই জঙ্গিদের খোঁজে উপত্যকার সুন্দরবনি, নাওশেরা, ডোমানা, অখনুর-সহ বিভিন্ন এলাকায় আলপিন খোঁজার মতো করে জঙ্গি খোঁজে অভিযানে নামে বাহিনী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kuwait Fire: দাউ দাউ করে জ্বলছে আগুন, কুয়েতের বহুতলে জীবন্ত দগ্ধ ৪০ ভারতীয়

    Kuwait Fire: দাউ দাউ করে জ্বলছে আগুন, কুয়েতের বহুতলে জীবন্ত দগ্ধ ৪০ ভারতীয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহুতলে ভয়াল আগুন (Kuwait Fire)। জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মৃত্যু হল ৪০ জন ভারতীয় সহ মোট ৪১ জনের। হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন আরও অন্তত ৫০ জন। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ কুয়েতের মাঙ্গাফ শহরে। এই বহুতলটিতে অনেক শ্রমিক বাস করতেন। অনুমান, একতলায় থাকা গ্যাস সিলিন্ডারে কোনওভাবে আগুন লাগে। সেখান থেকেই দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে আগুন। জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মারা যান ৪০ জন ভারতীয়।

    শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রী মোদির (Kuwait Fire)

    বিদেশে কাজ করতে গিয়ে যে ভারতীয়দের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের মধ্যে অনেকেই দক্ষিণ ভারতীয়। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যে বহুতলটিতে আগুন লেগেছে, সেখানে কেরলের অনেক মানুষ বাস করতেন (Kuwait Fire)। ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “কুয়েত শহরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। যাঁরা তাঁদের পরিবার-পরিজনদের হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি সমবেদনা জানাই। প্রার্থনা করি, আহতরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন। কুয়েতে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত পুরো পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন। আহতদের সাহায্য করতে সহায়তা করছেন সে দেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে (Kuwait Fire)।

    দুঃখ প্রকাশ জয়শঙ্করেরও

    দুঃখ প্রকাশ করেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “কুয়েতের ঘটনায় আমি শোকাহত। ঘটনায় ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পেয়েছি। ৫০ জন হাসপাতালে ভর্তি। আমাদের রাষ্ট্রদূত ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন।”

    বহুতলে আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকল। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে আগুন নেভানোর কাজ। অগ্নিদগ্ধ ব্যক্তিদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় এলাকার বিভিন্ন হাসপাতালে। কুয়েতের স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে প্রকাশিত বিবৃতি অনুযায়ী, অগ্নিদগ্ধদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। জানা গিয়েছে, ছ’তলার ওই বহুতলে প্রায় ১৫০ জন শ্রমিক বাস করতেন। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে যান কুয়েতের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী শেখ ফাহাদ ইউসুফ সাউদ আল-সাভ। ৪১ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন তিনিই।

    আর পড়ুন: প্রাণভিক্ষার আর্জি খারিজ রাষ্ট্রপতির, ফাঁসি নিশ্চিত লালকেল্লা হামলায় দোষী আরিফের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohan Charan Majhi: এবার ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী পদেও উপজাতি সম্প্রদায়ের নেতাকে বসাল বিজেপি

    Mohan Charan Majhi: এবার ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী পদেও উপজাতি সম্প্রদায়ের নেতাকে বসাল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবীন পট্টনায়েক জমানার অবসান হয়েছে। এবার ওড়িশার কুর্সিতে বসতে চলেছেন কেওনঝড়ের চারবারের বিধায়ক মোহনচরণ মাঝি (Mohan Charan Majhi)। উপমুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন দু’জন – একজন পার্বতী পরিদা এবং অন্যজন কণকবর্ধন সিংহদেও। আজ, মঙ্গলবার বিকেলে দলের দুই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক রাজনাথ সিংহ এবং ভূপেন্দ্র যাদবের উপস্থিতিতে বিজেপি বিধায়কদের বৈঠকে ঘোষণা করা হয় মুখ্যমন্ত্রী ও দুই উপমুখ্যমন্ত্রীর নাম।

    আদিবাসী নেতা (Mohan Charan Majhi)

    বছর বাহান্নর মোহন (Mohan Charan Majhi) আদিবাসী নেতা। সৎ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির মানুষ। লড়াকু মেজাজের নেতা। গত বছর বিধানসভা নির্বাচনে অধিবেশন চলাকালীন স্পিকারের আসনে ডাল ছুড়ে সাসপেন্ড হয়েছিলেন। কণকবর্ধন ওড়িশা বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি। ১৯৯৫ সাল থেকে টানা পাঁচবারের বিধায়ক। বোলাঙ্গিরের রাজ পরিবারের সন্তান তিনি। বোলাঙ্গিরেরই পাটনাগড় কেন্দ্রের বিধায়ক। পার্বতী জয়ী হয়েছেন এবারই। পুরী জেলার নিমাপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক তিনি।

    ওড়িশায় পদ্মরাজ

    অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গে হয়েছিল ওড়িশা বিধানসভার নির্বাচনও। রাজ্যের ১৪৭টি আসনের মধ্যে বিজেপি জিতেছে ৭৮টি আসনে। বিজেডি জিতেছে ৫১টি আসনে। কংগ্রেসের ঝুলিতে গিয়েছে ১৪টি আসন। অন্যরা পেয়েছে চারটি। গত প্রায় আড়াই দশক ধরে ওড়িশার কুর্সিতে ছিলেন নবীন। তাঁকে পরাস্ত করে এবারই ওড়িশায় শুরু হয়েছে পদ্মরাজ। কেবল বিধানসভা নির্বাচন নয়, লোকসভা নির্বাচনেও রাজ্যে পর্যুদস্ত হয়েছে নবীনের দল বিজেডি। ২১টি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে ২০টিতে জিতেছেন পদ্ম-প্রার্থীরা। কংগ্রেস জয়ী হয়েছে একটি আসনে। শূন্য হাতে ফিরতে হয়েছে নবীনের দলকে।

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং মাজিকে ‘ইয়ং, ডাইনামিক’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, “কেভি সিং-ই প্রথম মোহন মাঝির নাম প্রস্তাব করেছিলেন তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী করতে। অন্য বিধায়করাও তাঁর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। এর পরেই মোহনকে সর্বসম্মতিক্রমে ওড়িশা বিজেপি আইনসভা দলের নেতা নির্বাচিত করা হয়।”

    আর পড়ুন: সংখ্যালঘু মন্ত্রকের দায়িত্বে বৌদ্ধ রিজিজুকে বসিয়ে মাস্টারস্ট্রোক মোদির

    মোহন ওড়িশার ১৫তম মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন। আগামিকাল, বুধবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন তিনি। দেবেন রাজ্যে প্রথম বিজেপি সরকারের নেতৃত্ব। পঞ্চায়েত প্রধান হিসেবে রাজনৈতিক কেরিয়ার শুরু করেছিলেন মোহন। ২০০০ সালে কেওনঝড় বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিধানসভায় পা রেখেছিলেন তিনি। রাত পোহালেই তিনি বসবেন মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে। প্রসঙ্গত, দেশের রাষ্ট্রপতি উপজাতি সম্প্রদায়ের। ওড়িশায় মোহনের মতো উপজাতি সম্প্রদায়ের এক ভূমিপুত্রকে মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসিয়ে এক ঢিলে একাধিক (Mohan Charan Majhi) পাখি মারলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Amrit Bharat Express: ৭০০টি অমৃত ভারত রেল ইঞ্জিনের মধ্যে ১০০টি তৈরি হবে চিত্তরঞ্জনে

    Amrit Bharat Express: ৭০০টি অমৃত ভারত রেল ইঞ্জিনের মধ্যে ১০০টি তৈরি হবে চিত্তরঞ্জনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে ভারতের অগ্রগতির সঙ্গে ভারতীয় রেলেরও নবজাগরণ হয়েছে। রেল ব্যবস্থায় অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের থেকে পিছিয়ে নেই ভারত। ইতিমধ্যে বন্দে ভারত, অমৃত ভারত-এর মতো বহু ট্রেন পেয়েছে দেশ। এর সঙ্গেই চলছে আগামী দিনের প্রস্তুতি, কীভাবে এই রেল ব্যবস্থাকে আরও বিশ্বমানের করা যায়, তারই চিন্তাভাবনা এবং পরিকল্পনা। তার জন্য বর্তমানে আমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের অধীনে নাম নথিভুক্ত করেছে ভারতের বহু রেল স্টেশন। তাছাড়াও জোর দেওয়া হয়েছে ভারতে ভবিষ্যতে কীভাবে আরও হাই স্পিড ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো যেতে পারে, তার ওপর। আর এই উদ্দেশ্যেই এবার বেছে নেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের চিত্তরঞ্জন রেল ইঞ্জিন কারখানাক। এবার এখান থেকেই তৈরি হবে অমৃত ভারত ট্রেনের হাই স্পিড ইঞ্জিন (Amrit Bharat Express)। আর তারই বরাত দেওয়া হয়ে গিয়েছে এই রেল ইঞ্জিন কারখানাকে। জানানো হয়েছে, চলতি অর্থবর্ষেই বরাত পাওয়া ইঞ্জিনগুলি তৈরি করে রেল মন্ত্রকের হাতে তুলে দেওয়া হবে। কারখানা কর্তৃপক্ষ থেকে শুরু করে শ্রমিক সংগঠনগুলি এই বরাত পাওয়াতে খুবই গর্ববোধ করেছেন। আর এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য নতুন শ্রমিক নিয়োগের আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা।

    কতগুলি অমৃত ভারত ইঞ্জিন তৈরি হবে? (Amrit Bharat Express)

    অনেকদিন ধরেই মানুষের দাবি ছিল, বন্দে ভারতের মতো আরও এক ট্রেনের, যাতে সমস্ত শ্রেণির মানুষ উঠতে পারবে, আবার বন্দে ভারতের মতো উচ্চ গতিও উপভোগ করবে। সেই লক্ষ্যেই রেল মন্ত্রকের সহায়তায় অমৃত ভারত ট্রেন চালু করা হয়, যা বন্দে ভারতের থেকে কম স্বাচ্ছন্দ্যযুক্ত, কিন্তু বন্দে ভারতের মতোই উচ্চগতি সম্পন্ন। বর্তমানে এই অমৃত ভারতের মতো ইঞ্জিনের সংখ্যা আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে এই ইঞ্জিন তৈরির বরাত (Amrit Bharat Express) ভারতের অন্যতম বৃহত্তম রেল ইঞ্জিন কারখানা চিত্তরঞ্জনকে দেওয়া হয়েছে। এই কারখানার সিনিয়র ডেপুটি ম্যানেজার প্রমোদ ক্ষেত্রী বলেন, “আমরা এই ধরনের ইঞ্জিন মোট ১০০টির বরাত পেয়েছি। ইতিমধ্যেই এই ইঞ্জিন তৈরি করার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। এই ইঞ্জিন তৈরিতে যে ধরনের কারিগরি কৌশল ব্যবহার করা হয়, ঠিক সেই অনুযায়ী তৈরি হবে।

    অন্যান্য ইঞ্জিনের থেকে অনেকাংশেই আলাদা (Amrit Bharat Express) 

    অন্যান্য সাধারণ ইঞ্জিনের থেকে অনেকাংশেই আলাদা এই অমৃত ভারত ইঞ্জিন। রেল ইঞ্জিন কারখানার ইঞ্জিনিয়ারদের কাছ থেকে জানা গিয়েছে এই ইঞ্জিন প্রায় দশ হাজার অশ্বশক্তি ক্ষমতা সম্পন্ন। ট্রেনের সামনে এবং পিছনে দুই দিকেই এই ইঞ্জিন থাকবে। এই দুটি ইঞ্জিনকে (Amrit Bharat Express) একজন চালকই এক সঙ্গে একই সময়ে পরিচালনা করতে পারবেন। এই ইঞ্জিনগুলি যেমন দ্রুতগতিতে ছুটতে পারে, ঠিক তেমনভাবে দ্রুত থামতেও সক্ষম। রেল মন্ত্রকের তরফ থেকে জানা গিয়েছে, চলতি অর্থবর্ষে প্রায় ৭০০টি অমৃত ভারত রেল ইঞ্জিন তৈরি করা হবে। তার মধ্যে ১০০ টি তৈরি করবে চিত্তরঞ্জন রেল কারখানা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share