Tag: Narendra Modi

Narendra Modi

  • Citizenship Amendment Act: কোনও বাপের বেটা সিএএ রুখতে পারবে না! হুঁশিয়ারি মোদির

    Citizenship Amendment Act: কোনও বাপের বেটা সিএএ রুখতে পারবে না! হুঁশিয়ারি মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের মাঝে নাগরিকত্ব আইন (Citizenship Amendment Act) নিয়ে বিরোধীদের উদ্দেশে খোলাখুলি চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রসঙ্গত, ১৬ মে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সভা করেন উত্তর প্রদেশের আজমগড়ে এবং সেখানেই লালগঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি সমাবেশে মোদি বলেন, ‘‘ভোটের প্রচারে ‘ইন্ডি’ জোটের নেতারা বলছেন, তাঁরা সিএএ বাতিল করবেন। কিন্তু সে ক্ষমতা কারও হবে না।’’ এর পরেই জনতাকে তাঁর প্রশ্ন, ‘‘দেশে এমন কোনও ‘মাই কা লাল’ (চলতি বাংলায় ভাবানুবাদে ‘বাপের বেটা’) জন্মেছে যে সিএএ বাতিল করতে পারে?’’

    প্রধানমন্ত্রীর আরও হুঁশিয়ারি

    লালগঞ্জের ওই সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী আরও হুঁশিয়ারি দেন, ‘‘সমাজবাদী পার্টি এবং কংগ্রেসের মতো দলগুলি সিএএ (Citizenship Amendment Act) ইস্যুতে মিথ্যাচার করছে। তারা উত্তরপ্রদেশ-সহ গোটা দেশকে দাঙ্গার আগুনে পোড়ানোর প্রবল চেষ্টা করেছিল। আজও ওই ‘ইন্ডি’ জোটের লোকেরা বলছে যে, মোদী সিএএ নিয়ে এসেছেন এবং যে দিন তিনি যাবেন, সিএএ-ও সরানো হবে। কিন্তু তাদের সেই ক্ষমতা নেই।’’ প্রসঙ্গত গত মার্চ মাসেই নাগরিকত্ব আইন লাগু করেছে কেন্দ্র এবং তারপর গত বুধবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় কুমার ভাল্লা প্রথম দফায় ১৪ জন আবেদনকারীর হাতে ভারতীয় নাগরিকত্বের শংসাপত্র তুলে দিয়েছেন। সেই আবহে প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্য সামনে এল।

    ২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর নাগরিকত্ব আইন পাশ করিয়েছিল মোদি সরকার

    দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর ২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর নাগরিকত্ব আইন (Citizenship Amendment Act) পাশ করিয়েছিল মোদি সরকার। ওই আইন অনুযায়ী ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তানের মতো দেশ থেকে যে সমস্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায় (হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি, শিখ) ধর্মীয় অত্যাচারের কারণে ভারতবর্ষে এসেছেন, তাদেরকে নাগরিকত্ব দেবে ভারত সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ষষ্ঠ দফায় ফের প্রচারে আসছেন মোদি, কোথায় কবে সভা জেনে নিন…

    PM Modi: ষষ্ঠ দফায় ফের প্রচারে আসছেন মোদি, কোথায় কবে সভা জেনে নিন…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রাজ্যে ভোট প্রচারে (Loksabha Election 2024) আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) । ষষ্ঠ দফার দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে রবিবার এবং সোমবার মোট ছটি সভা করবেন তিনি। ষষ্ঠ দফায় যে কেন্দ্রগুলিতে ভোট রয়েছে তার কয়েকটিতে যাওয়ার কথা রয়েছে মোদির। রাজ্য বিজেপি সূত্রে খবর ষষ্ঠ দফায় (6th Phase) প্রচারের জন্য রবিবার রাজ্যে দুটি সভা করবেন তিনি। প্রথম সভাটি রয়েছে বাঁকুড়ার বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকারের সমর্থনে। এরপর প্রধানমন্ত্রী যেতে পারেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁয়ের সমর্থনে জনসভায়।

    রবি ও সোমবার মিলিয়ে ৬টি সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    সোমবার রাজ্যে চারটি সভা করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। রবিবার রাতে তিনি কলকাতায় থাকবেন বলে সূত্রের খবর। সোমবার প্রথম সভা হবে পুরুলিয়ায় বিজেপি প্রার্থী জ্যোতির্ময় মাহাতোর সমর্থনে। এরপর তমলুক এবং ঘাটাল কেন্দ্রের জন্য যৌথ একটি সভা করবেন মোদি। তমলুক আসনে প্রার্থী হয়েছেন প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং ঘাটাল কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়। এই সভা শেষে ঝাড়গ্রামে তৃতীয় সভা হওয়ার কথা রয়েছে সেখানকার বিজেপি প্রার্থী প্রণত টুডুর সমর্থনে। চতুর্থ এবং শেষ সভাটি হওয়ার কথা রয়েছে মেদিনীপুরের বিজেপি (BJP) প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালের সমর্থনে।

    আরও পড়ুন: “দু’-তিন বছরের মধ্যেই দেশ নকশাল মুক্ত হবে”, বললেন শাহ

    যে ছটি সভা হবে প্রধানমন্ত্রীর সেই সব কেন্দ্রে ভোট রয়েছে ২৫ শে। ষষ্ঠ দফায় মোট আটটি কেন্দ্রে ভোট হওয়ার কথা রয়েছে। তার মধ্যে রবিবার এবং সোমবার মিলিয়ে সাতটি কেন্দ্রকে ছুঁয়ে ফেলবেন নরেন্দ্র মোদি। বাকি থাকছে শুধুমাত্র কাঁথি কেন্দ্রটি। এই কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) ভাই সৌমেন্দু অধিকারী। পুনরায় এই দফায় মোদি রাজ্যে আসবেন কি না তা জানা যায়নি।

    সপ্তম দফাতেও রাজ্যে মোদি

    লোকসভা নির্বাচনে ৭ দফায় ভোট হবে। ১ জুন সপ্তম দফায় (7th Phase) নির্বাচন হবে। প্রচারের জন্য প্রতি দফায় রাজ্যে এসেছেন মোদি। একসঙ্গে চার থেকে পাঁচটি করে সভা করেছেন। শেষ দফাতেও প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) পশ্চিমবঙ্গে প্রচারে আসার কথা রয়েছে। তবে ষষ্ঠ দফা এখন বিজেপির পাখির চোখ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব পশ্চিমবঙ্গ বিজেপিকে ৩৫ আসনের টার্গেট দিয়েছে। বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব এই টার্গেটের কাছাকাছি পৌঁছানোর বিষয়ে যথেষ্ট আশাবাদী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Slovakia PM Fico: প্রকাশ্যে গুলিবিদ্ধ স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী, ‘‘কাপুরুষোচিত কাজ’’, প্রতিক্রিয়া মোদির

    Slovakia PM Fico: প্রকাশ্যে গুলিবিদ্ধ স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী, ‘‘কাপুরুষোচিত কাজ’’, প্রতিক্রিয়া মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনে দুপুরে প্রকাশ্য রাস্তায় গুলিবিদ্ধ স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো (Slovakia PM Fico)। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল প্রধানমন্ত্রী ফিকোর গুলিবিদ্ধ হওয়ার মুহূর্ত। জানা গিয়েছে তাঁর পেটে চারটি গুলি লেগেছে। এরমধ্যে একটি গুলি সরাসরি তাঁর পাকস্থলীতে লেগেছে। ঘটনার পরেই সঙ্কটজনক অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে, এই ঘটনায় সন্দেহভাজন এক আততায়ীকে আটক করেছে পুলিশ।   

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Slovakia PM Fico)

    বুধবার স্লোভাকিয়ার রাজধানী ব্রাতিশ্লোভার ১০০ মাইল উত্তর-পূর্বে হ্যান্ডলোভা শহরে ‘হাউস অফ কালচার’ ভবনে দলীয় সমর্থকদের সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল ফিকোর। সেই মতোই জনসংযোগ সারছিলেন তিনি। সেই সময়ই তাঁকে নিশানা করে গুলি চালায় এক হামলাকারী। ঘটনার পরেই হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে তাঁকে। আপাতত চিকিৎসা চলছে তাঁর। চিকিৎসকরা আশা করছেন কিছুদিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠবেন স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী। 

    আরও পড়ুন: রাজস্থানে উদ্ধার মহাভারত ও মৌর্য যুগের অবশিষ্টাংশ

    ফিকোর আরোগ্য কামনায় মোদি 

    অন্যদিকে বৃহস্পতিবার রবার্ট ফিকোর (Slovakia PM Fico) আরোগ্য কামনা করে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) লেখেন, ‘‘স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর উপর যেভাবে হামলা হয়েছে তাতে আমি স্তম্ভিত। আমি এই কাপুরুষোচিত ও জঘন্য কাজের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আমি প্রধানমন্ত্রী ফিকোর আরোগ্য কামনা করছি। তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন। স্লোভাকিয়ার মানুষদের প্রতি ভারতের সংহতি রয়েছে। আমরা ওঁদের পাশে রয়েছি।’’

    উল্লেখ্য, এই ঘটনার খবর পেয়েই মুলতুবি হয়ে যায় স্লোভাকিয়ার (Slovakia PM Fico) পার্লামেন্ট। আপাতত অনির্দিষ্টকালের জন্য পার্লামেন্টের অধিবেশন বন্ধ থাকবে। তবে ঠিক কী কারণে গুলি চালানো হয়েছে, সেটার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। বিষয়টি নিয়ে আপাতত স্লোভাকিয়া (Slovakia) সরকারি অফিসের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • LAC: ‘‘পরিস্থিতি অস্বাভাবিক’’, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় প্রচুর সেনা মোতায়েন রয়েছে, জানালেন জয়শঙ্কর

    LAC: ‘‘পরিস্থিতি অস্বাভাবিক’’, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় প্রচুর সেনা মোতায়েন রয়েছে, জানালেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (LAC) বরাবর লাদাখ থেকে শুরু করে অরুণাচল প্রদেশ পর্যন্ত চিনা আগ্রাসনের খবর প্রায়ই আসতে থাকে। কখনও রাস্তা বা সেতু তৈরিতে বাধা, আবার কখনও ভারতীয় ভূখণ্ডের উপরে লাল ফৌজের টহলের অভিযোগ। কোথাও আবার ভারতীয় ভূখণ্ডেই গ্রাম গড়ে তুলেছে চিনা প্রশাসন। এমন অভিযোগ এসেছে বারংবার। এবার খোদ বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানালেন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় অস্বাভাবিক হারে সেনা মোতায়ন রয়েছে।

    চিনের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে বিদেশমন্ত্রী

    ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্সের একটি অনুষ্ঠানে চিনা আগ্রাসন নিয়ে মুখ খোলেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, “গালওয়ান সংঘর্ষের পর সীমান্তে (LAC) অতিরিক্ত সেনা মোতায়ন করে জবাব দিয়েছে ভারত (India)। শুধু সেনাবাহিনী মোতায়েন নয়, সেনার জন্য উপযুক্ত পরিকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। সেনার যাতে গোলাবারুদ এবং রসদে কোনরকম সমস্যা না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা হচ্ছে। দেশের নিরাপত্তার বিষয়ে কারও সঙ্গে আপোসের কোনও প্রশ্ন নেই। তাই অস্বাভাবিক হলেও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় প্রচুর সেনা মোতায়ন করেছে ভারত।”

    গলওয়ানের পর বদলে গেছে পরিস্থিতি  

    বিদেশমন্ত্রী আরও বলেন, “১৯৬২ সালের পর ১৯৮৮ সালে চিন গিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। চিনের (China) সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রেই ওই পদক্ষেপ করা হয়েছিল। দুই দেশের মধ্যে স্পষ্ট বোঝাপড়া হয়েছিল যে আলোচনার মাধ্যমে সীমান্ত সংক্রান্ত মতপার্থক্য মিটিয়ে নেব আমরা। সীমান্তে শান্তি এবং স্থিতাবস্থা বজায় রাখা হবে। আগের মত সব চলবে। সেই নীতিতে ভর করে এতদিন সম্পর্ক টিকে ছিল চিনের সঙ্গে।

    আরও খবর: সংঘাতের মধ্যেই মলদ্বীপকে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থ সাহায্য ভারতের

    কিন্তু ২০২০ সালে সেই নীতিতে পরিবর্তন এসেছে। চিনের সঙ্গে সম্পর্ক আমূল পরিবর্তন ঘটেছে । ২০২০ সালের চিন একাধিক চুক্তি লঙ্ঘন করে। আমাদের সীমান্তে বিরাট বাহিনী এনে (LAC) হাজির করে করোনা কালে ভারতে যখন লকডাউন চলছে তখন এই কাণ্ড ঘটানো হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mathura: “৪০০ পেলে ফেরত আসবে কৃষ্ণ জন্মভূমি ও পাক অধিকৃত কাশ্মীর”, ইঙ্গিত অসমের মুখ্যমন্ত্রীর

    Mathura: “৪০০ পেলে ফেরত আসবে কৃষ্ণ জন্মভূমি ও পাক অধিকৃত কাশ্মীর”, ইঙ্গিত অসমের মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “৩০০ সিট পেয়ে আমরা রাম জন্মভূমিতে মন্দির তৈরি করেছি। ৪০০ পেলে মথুরায় (Mathura) কৃষ্ণ জন্মভূমিতে (Krishna Janmabhoomi) মন্দির তৈরি করব। ফেরত নেব পাক (POK) অধিকৃত কাশ্মীর।” সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। মোদি ৩.০ সরকারের পরিকল্পনার যেন আগাম ইঙ্গিত দিলেন তিনি।

    কাশ্মীর ইস্যুতে কংগ্রেসকে কটাক্ষ হিমন্ত বিশ্বশর্মার  

    কাশ্মীর প্রসঙ্গে অসমের মুখ্যমন্ত্রীর সরাসরি কংগ্রেসকে নিশানা করে বলেন, “কংগ্রেস জমানায় জবর দখল করে রাখা কাশ্মীরের অংশ ফেরত আনা নিয়ে কোনও আলোচনা হত না। শুধু ভারতীয় কাশ্মীরের প্রসঙ্গে আলোচনা হত। কৌশলগত সুবিধার জায়গায় ছিল পাকিস্তান। কিন্তু মোদি জামানায় হয়েছে ঠিক উল্টো। ওই সাক্ষাৎকারে অসমের মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “কংগ্রেস জামানায় বলা হত কাশ্মীরের একটি অংশ ভারতের, অপর অংশ পাকিস্তানের। সংসদে কখনই বলা হত না যে পাকিস্তান কাশ্মীরের একটি অংশকে বলপূর্বক দখল করে রেখেছে। কিন্তু এখন দিন বদলেছে। পাকিস্তানের মানুষ এখন ভারতীয় পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। সেখানকার প্রশাসনের কাছ থেকে পরিত্রাণ চাইছে পাকিস্তানের দখল করে রাখা কাশ্মীরের মানুষ। আগে লালচৌকের আশেপাশে পাকিস্তানের পতাকা উড়ত। কিন্তু সেসব দিন অতীত হয়ে গিয়েছে।”

    অসমের মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “বিজেপি সরকার সংরক্ষণ বিরোধী নয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজেই অনগ্রসর শ্রেণির মানুষ। বিজেপি যাকে রাষ্ট্রপতি করেছে তিনি তফশিলি শ্রেণিভুক্ত। আমরা চাই সংরক্ষণ থাক। কিন্তু কংগ্রেস এবং ইন্ডি জোটের অনেকেই এসসি, এসটি ও ওবিসির সংরক্ষণ তুলে দিয়ে সবটাই মুসলিমদের দিয়ে দিচ্ছে। আমরা এটার বিরোধী।

    বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরের প্রতিক্রিয়া

    প্রসঙ্গত পাকিস্তানের যে গণবিদ্রোহ শুরু হয়েছে সে সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর আগেই বলেছেন,  “ভারতের সংসদের রিজোল্যুশন আছে। আমরা স্পষ্টভাবে মনে করি, পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের অংশ। ঐতিহাসিকভাবে এটি শুধুমাত্র ভারতেরই অংশ। আগেও ছিল, আগামীতেও থাকবে।“

    আরও পড়ুন: “৩০ এর বেশি সিট পেলে ছমাসের মধ্যে নবান্নে বসবে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী”, ঘোষণা সুকান্তর

    আমাদের সংকল্প একদিন আমরা পাকিস্তানের কব্জা শেষ করে দেব। এবং ওই অঞ্চল ভারতের সঙ্গে জুড়ে যাবে। কিন্তু ভারতের কিছু বিরোধী দলের নেতা আজব যুক্তি দিয়ে চলেছেন। যেমন ফারুক আবদুল্লা। তিনি বলেছেন এ বিষয়ে কথা বলা যাবে না। কারণ পাকিস্তানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র আছে। আমরা আমাদের দেশের পারমাণবিক অস্ত্রের উপর গর্ব করি। কিন্তু মনিশংকর আইয়ার এবং ফারুক আবদুল্লার মতো নেতারা পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্রকে বেশি গুরুত্ব দেয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: প্রকাশ্যে প্রধানমন্ত্রীর হলফনামার তথ্য, কত সম্পত্তির মালিক নরেন্দ্র মোদি?

    PM Modi: প্রকাশ্যে প্রধানমন্ত্রীর হলফনামার তথ্য, কত সম্পত্তির মালিক নরেন্দ্র মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চার বার বসেছেন মুখ্যমন্ত্রীর আসনে। দুই বারের প্রধানমন্ত্রী। তাঁর নামে নেই গাড়ি-বাড়ি। হাতে নগদ টাকা মাত্র ৫২ হাজার ৯২০ টাকা। সব মিলিয়ে মোট সম্পত্তি মাত্র ৩ কোটির টাকার কাছাকাছি। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সম্পত্তির হিসেব নিকেশ।

    প্রধানমন্ত্রীর অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ

    হাতে নগদ টাকা – ৫২ হাজার ৯২০ টাকা।

    সঞ্চিত টাকার পরিমাণ

    ১. গুজরাতের গান্ধিনগরে স্টেট ব্যাঙ্কে – ৭৩ হাজার ৩০৪ টাকা।

    ২. উত্তরপ্রদেশের স্টেট ব্যাঙ্কের শিবাজী নগর শাখায় জমা রয়েছে মাত্র ৭ হাজার টাকা।

    ৩. স্টেট ব্যাঙ্কে ফিক্সড ডিপোজিট রয়েছে ২ কোটি ৮৫ লক্ষ ৬০ হাজার ৩৩৮ টাকার।

    ৪. ন্যাশনাল সেভিং সার্টিফিকেটে রয়েছে ৯ লক্ষ ১২ হাজার ৩৯৮ টাকার।

    ৫. ৪টি সোনার আংটি রয়েছে। যার ওজন ৪৫ গ্রাম। আর্থিক মূল্য ২ লক্ষ ৬৭ হাজার ৭৫০ টাকা।

    মোট সম্পদ– ৩ কোটি ২ লক্ষ ৬ হাজার ৮৮৯ টাকা।

    স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ

    ১.প্রধানমন্ত্রীর নামে নেই কোনও জমি।

    ২. প্রধানমন্ত্রীর নামে নেই কোনও বাড়ি-গাড়ি।

    কোনও ঋণ নেই নরেন্দ্র মোদির নামে

    কোনও ব্যাঙ্ক, আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বা ব্যক্তির কাছে ঋণ বা বকেয়া নেই নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নামে । বর্তমানে আয়ের উৎস হিসেবে PMO থেকে পাওয়া বেতন উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার মনোনয়ন জমা দিয়েছেন তিনি। হলফনামায় উল্লেখ করেছেন তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ। এবারও বারাণসী লোকসভা আসন থেকে তৃতীয় মেয়াদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোদি। ১৪ মে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সহ বেশ কয়েকজন এনডিএ নেতাকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন জমা দেন তিনি। তার আগে কাল ভৈরব মন্দিরে প্রার্থনা এবং দশশ্বমেধ ঘাটে গঙ্গার তীরে আরতি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় তাঁর পরনে ছিলেন নীল জ্যাকেট ও সাদা কুর্তা-পায়জামা।

    আগে কত সম্পত্তি ছিল প্রধানমন্ত্রীর 

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সম্পত্তি সংক্রান্ত হলফনামার খবর ছড়িয়েছে সামাজিক মাধ্যমে। নিন্দুকেরা বলছেন প্রধানমন্ত্রীর এতদিনে যা সম্পত্তি হয়েছে, তার থেকে অনেক বেশি টাকা ইডি বা ইনকাম ট্যাক্সের হানায় বিভিন্ন রাজ্যের নেতাদের খাট কিংবা আলমারি থেকে বের হয়।

    আরও পড়ুন: মোদির বিরুদ্ধে আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে, নির্বাচন কমিশনে অভিযোগের পরামর্শ

    প্রসঙ্গত ২০০৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় মোদি সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৪৩ লক্ষ টাকা ছিল। ২০১২ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই সংখ্যা হল এক কোটি। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের হলফনামায়, মোদি মোট সম্পদের ছিল ১.৫ কোটি টাকার। ২০১৯ এর হলফনামায় বেড়ে হল ২.৫ কোটি টাকা। এবার মোট সম্পত্তির পরিমাণ হয়েছে ৩.২ কোটি টাকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: মোদির বিরুদ্ধে আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে, নির্বাচন কমিশনে অভিযোগের পরামর্শ

    Supreme Court: মোদির বিরুদ্ধে আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে, নির্বাচন কমিশনে অভিযোগের পরামর্শ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘৃণাভাষণের অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে পদক্ষেপের আর্জি খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। চলতি লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে মোদি- সহ বিজেপি নেতারা বিদ্বেষমূলক ভাষণ দিচ্ছে, এই অভিযোগ তুলে মামলা দায়ের হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে ৷ মঙ্গলবার বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং সতীশ চন্দ্র শর্মার বেঞ্চ এই মামলা খারিজ করে  আবেদনকারীকে ‘উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের’ অর্থাৎ প্রথমে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

    কী বলল শীর্ষ আদালত

    এদিন আবেদনকারীদের আইনজীবী আনন্দ এস জোন্ধালে শীর্ষ আদালতে (Supreme Court) অভিযোগ করেন, ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন লঙ্ঘন করে লোকসভা ভোটের প্রচারে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের কথা বলছেন মোদী। যা আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধির পরিপন্থী। শাস্তি হিসাবে ছ’বছরের জন্য মোদীর ভোটে লড়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করারও আবেদন জানান আইনজীবী জোন্ধালে। জবাবে দুই বিচারপতির বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, ‘‘আপনি কি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন? এই আবেদন জানানোর আগে আপনাকে প্রথমে কর্তৃপক্ষের কাছে যেতে হবে। এর পরেই আবেদন প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেয় বিচারপতি নাথ এবং বিচারপতি শর্মার বেঞ্চ।

    আরও পড়ুুন: “চাবাহার বন্দর চুক্তিতে খুলে গেল বিনিয়োগের বৃহত্তর দ্বার”, বললেন জয়শঙ্কর

    ড. ইমানি অনন্ত সত্যনারায়ণ শর্মা ও অন্যদের দায়ের করা আর একটি মামলারও এদিন শুনানি হয়। সেখানেও সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দুই বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং সতীশ চন্দ্র শর্মার বেঞ্চ জানিয়ে দেয় যে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত কোনও বিষয়ে তারা নির্দেশিকা জারি করবে না ৷ আবেদনকারীদের আইনজীবী সঞ্জয় হেগড়ে বারবার বোঝানোর চেষ্টা করেন যে নির্বাচন কমিশন নিজেদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছে না ৷ তার পরও সুপ্রিম কোর্ট কোনও নির্দেশিকা এই নিয়ে জারি করতে রাজি হয়নি ৷ বিজেপির সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে পোস্ট করা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরের দুটি পোস্টকে উল্লেখ করেই এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল ৷

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় মোদির প্রস্তাবক কারা ছিলেন, জানেন?

    PM Modi: মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় মোদির প্রস্তাবক কারা ছিলেন, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বিজেপির প্রার্থী তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বারাণসী লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী তিনি। প্রস্তাবক হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন ওবিসি সম্প্রদায়ের দু’জন, একজন দলিত এবং একজন ব্রাহ্মণ। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় প্রস্তাবক হিসেবে কারা থাকবেন, তা ঠিক হয়েছিল ১৫ দিন আগেই। ৫০ জনের মধ্যে থেকে বেছে নেওয়া হয় ওই চারজনকে।

    মোদির চার প্রস্তাবক (PM Modi)

    তবে সেটাও সহজে হয়নি। প্রথমে ৫০ জনের মধ্যে থেকে ১৮ জনকে বেছে নেন প্রধানমন্ত্রীর সেনাপতি তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনশাল। সেখান থেকে বেছে নেওয়া হয় চারজনকে। এঁরা হলেন গণেশ্বর শাস্ত্রী (ব্রাহ্মণ), বৈজনাথ প্যাটেল (জনসংঘের সময় থেকে দলের বিশ্বস্ত কর্মী) ও লালচাঁদ কুশওহা (দুজনেই ওবিসি সম্প্রদায়ের) এবং সঞ্জয় সোনকর (দলিত)। অযোধ্যার রাম মন্দিরে কোন শুভ মুহূর্তে বিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে, তা ঠিক করেছিলেন এই গণেশ্বরই।

    মোদির পুজো-প্রার্থনা

    জানা গিয়েছে, ১৮ জনের মধ্যে থেকে এই চারজনকে বেছে নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) স্বয়ং। এদিন তিনি যখন মনোনয়নপত্র জমা দিতে যান, এই চারজন ছাড়াও তাঁর সঙ্গে ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং বিজেপির কয়েকজন শীর্ষ নেতৃত্ব। মনোনয়নপত্র পেশের আগে প্রধানমন্ত্রী ঘুরে দেখেন দশাশ্বমেধ ঘাট। সেখানে মা গঙ্গার কাছে প্রার্থনা করেন তিনি। পরে দর্শন করে কালভৈবর মন্দিরও। সেখানে পুজোও দেন।

    দেশে চলছে অষ্টাদশতম লোকসভা নির্বাচন। ভোটগ্রহণ হবে সাত দফায়। ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে চতুর্থ দফার নির্বাচন। বাকি এখনও তিন দফার ভোট। বারাণসীতে নির্বাচন হবে ১ জুন, শেষ দফায়। এই বারাণসী কেন্দ্রেই আগের দু’বার বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এবারও তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেসের অজয় রাই।

    আরও পড়ুুন: “চাবাহার বন্দর চুক্তিতে খুলে গেল বিনিয়োগের বৃহত্তর দ্বার”, বললেন জয়শঙ্কর

    প্রধানমন্ত্রীর মনোনয়ন উপলক্ষে সারা শহর জুড়ে ছিল সাজ সাজ রব। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, মা গঙ্গা তাঁকে শহরে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। বারাণসীর বাসিন্দারা তাঁকে বানারসিয়া (বারাণসীর বাসিন্দা) বানিয়ে নিয়েছেন। এদিন মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে রোড-শো-ও করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “হর হর মহাদেব” ধ্বনির মধ্য দিয়েই বারাণসীতে মনোনয়ন জমা দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi: “হর হর মহাদেব” ধ্বনির মধ্য দিয়েই বারাণসীতে মনোনয়ন জমা দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গা সপ্তমীর পুণ্য তিথিতে বারাণসী কেন্দ্র থেকে মনোনয়ন পেশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এই কেন্দ্র থেকে গত দুবার লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha 2024) জিতেছেন তিনি। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনেও মহাদেবের আশীর্বাদে এই কেন্দ্রে তাঁর আধিপত্য বজায় থাকবে বলেই মনে করছে গেরুয়া শিবির। এদিন তাঁর মনোনয়ন পেশের সময়ই বারাণসীর রাস্তার দুই ধারে উপচে পড়ে ভিড়। প্রধানমন্ত্রীকে একবার চাক্ষুষ দেখার জন্য বিপুল জনসমাগম ঘটে।

    মনোনয়ন পেশ

    মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৪০ নাগাদ বারাণসীর জেলাশাসকের দফতরে পৌঁছে যান  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেখানেই নিয়ম মেনে মনোনয়ন পেশ করেন তিনি। এদিন প্রধানমন্ত্রীর পরনে ছিল সাদা চুড়িদার-কুর্তা ও নীল রঙের জ্যাকেট। গত দুবারের প্রথা মেনে এদিনও মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে বারাণসীর কাল ভৈরব মন্দিরে গিয়ে পুজো দেন প্রধানমন্ত্রী। কাল ভৈরবের বিগ্রহের সামনে দাঁড়িয়ে আরতিও করেন তিনি। মন্দিরে মোদির সঙ্গে হাজির ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তার আগে এদিন, বারাণসীর দশাশ্বমেধ ঘাটে পুজো দেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন ঘাটে পৌঁছতেই উত্তরীয় পরিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান পুরোহিতরা। তারপর নিয়ম মেনে মন্ত্রোচ্চারণে গঙ্গাপুজো করেন তিনি । হাত জোর করে পরিক্রমণ করতেও দেখা যায় তাঁকে। পুজো শেষ করে দশাশ্বমেধ ঘাট থেকেই ক্রুজে চড়েন মোদি। গঙ্গার ঘাট ভ্রমণ করবেন তিনি। 

    একাধিক নেতামন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে এদিন মনোনয়ন জমা দিতে যান প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও হাজির ছিলেন মনোনয়ন পেশের সময়ে। বিহারের নীতীশ কুমার ছাড়াও প্রত্যেকটি বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা হাজির ছিলেন। সবমিলিয়ে ২৫ জন হেভিওয়েট নেতাকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন পেশ করেন প্রধানমন্ত্রী। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে বারাণসী লোকসভা কেন্দ্র থেকে নরেন্দ্র মোদি ৫ লাখ ৮১ হাজার ভোট পেয়েছিলেন। শতাংশের নিরিখে যা ৫৬.৩৭। তাঁর নিকটম প্রতিদ্বন্দ্বী অরবিন্দ কেজরিওয়াল সেবারে এই আসন থেকে পেয়েছিলেন ২ লাখ ৯ হাজার (২০.৩০ শতাংশ) ভোট। আর ২০১৯ সালে মোদি বারাণসী থেকে পেয়েছিলেন ৬ লাখ ৭৪ হাজার (৬৩.৬২ শতাংশ) ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন সমাজবাদী পার্টির শালিনী যাদব। তিনি পেয়েছিলেন ১ লাখ ৯৫ হাজার (১৮.৪০ শতাংশ) ভোট। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ‘মা গঙ্গা ডেকেছেন, বারাণসীর সঙ্গে আত্মিক-যোগ’, মনোনয়নের সকালে আবেগঘন পোস্ট মোদির

    Narendra Modi: ‘মা গঙ্গা ডেকেছেন, বারাণসীর সঙ্গে আত্মিক-যোগ’, মনোনয়নের সকালে আবেগঘন পোস্ট মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উৎসবের আবহ বারাণসীতে। আজ, মঙ্গলবার সকালে আর কিছুক্ষণের মধ্যেই কালভৈরব মন্দিরে পুজো দিয়ে মনোনয়ন জমা দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। বারাণসী তাঁকে কখনও খালি হাতে ফেরায়নি। কাশীর বিশ্বনাথ ও কালভৈরবের প্রতি তাই তাঁর বিশ্বাস অটুট। ১ জুন কাশীর মানুষ তাঁকে ফেরাবে না, আশা নরেন্দ্র মোদির। এদিন মনোনয়ন পেশের আগে এক্স হ্যান্ডেলে আবেগঘন পোস্ট করলেন প্রধানমন্ত্রী। কাশীর সঙ্গে নিজের সম্পর্ককে তিনি ব্যাখ্যা করলেন, ‘অদ্ভুত, অভিন্ন, অপ্রতিম’ বলে ব্যাখ্যা করেন।

    আবেগঘন বার্তা মোদির

    এই নিয়ে তৃতীয়বার কাশী থেকে মনোনয়ন জমা দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এদিন সকালে এক্স হ্যান্ডেলে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘২০১৪ সালে আমি যখন কাশী আসি আমার মনে হয়েছিল, আমি এখানে এসেছি এমন নয় বা কেউ আমাকে পাঠিয়েছে এমনও নয়। আমায় মা গঙ্গা ডেকেছে। ১০ বছর কেটে গিয়েছে। কাশীর সঙ্গে এখন আমার এমন বন্ধন তৈরি হয়েছে যে আমি বলতে পারি আমার কাশী। একজন মায়ের তার সন্তানের সঙ্গে যে সম্পর্ক, আমার সঙ্গে কাশীর সেই সম্পর্ক। লোকতন্ত্র, তাই মানুষের কাছে আশীর্বাদ চাইব, মানুষ আশীর্বাদ দেবেনও। তবে এই সম্পর্ক জনপ্রতিনিধির নয়, এই সম্পর্ক আলাদা অনুভূতির যা আমি অনুভব করি।’ কথাগুলি বলতে বলতে চোখ ভিজে আসছিল প্রধানমন্ত্রীর, গলা ধরে আসছিল আবেগে।

    কড়া নিরাপত্তা 

    সোমবারই বারাণসীতে এক মেগা রোড শো করেছেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)।  ৬ কিলোমিটার রোড শো ঘিরে মানুষের উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। রোড শো শেষে কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে পুজো দিয়ে বারাণসীতেই রাত্রিবাস করেন প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার দশাশ্বমেধ ঘাটে স্নান করে কালভৈরব মন্দিরে পুজো দিয়ে মনোনয়ন জমা দিতে যাবেন তিনি। নরেন্দ্র মোদির মনোনয়নে উপস্থিত থাকবেন ১২ জন বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, ১৮ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সাংসদ-বিধায়ক ও এনডিএ জোটের নেতারা। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার কারণে যানজটের আশঙ্কায় বিবৃতি দিয়ে বিমান যাত্রীদের সময় হাতে নিয়ে বেরনোর  আবেদন জানানো হয়েছে। বারাণসী বিমানবন্দরে পৌঁছতে সময় লাগতে পারে অন্যদিনের থেকে বেশি, সে-বিষয় আগে থেকেই সতর্ক করা হয়েছে বিমান সংস্থা ভিস্তারার তরফে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share