Tag: Narendra Modi

Narendra Modi

  • Narendra Modi: ‘রাম নবমী আটকানোর সমস্ত রকমের ষড়যন্ত্র করেছে তৃণমূল’, তোপ মোদির

    Narendra Modi: ‘রাম নবমী আটকানোর সমস্ত রকমের ষড়যন্ত্র করেছে তৃণমূল’, তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাম নবমী আটকানোর সমস্ত রকমের ষড়যন্ত্র করেছে তৃণমূল।” মঙ্গলবার দুপুরে বালুরঘাটে বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের সমর্থনে জনসভা করতে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “রাম নবমী গুরুত্বপূর্ণ, নববর্ষও গুরুত্বপূর্ণ, আর নবরাত্রিও গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রথম রাম নবমী, যেখানে অযোধ্যায় রামলালা বিরাজমান। আমি জানি, তৃণমূল প্রত্যেকবারের মতো এখানে রাম নবমী আটকানোর জন্য সব ষড়যন্ত্র করেছে, কিন্তু জয় সত্যেরই হয়েছে। এই কারণে আদালতের থেকে অনুমতি মিলেছে। কাল রাম নবমীর শোভাযাত্রা বের হবে।”

    সন্ত্রাসবাদীদের দমন চলছে (Narendra Modi)

    এদিন মোদি (Narendra Modi) বলেন, “সন্ত্রাসবাদীদের দমন চলছে, চলবে। দেশবাসীর সাহস মোদির গ্যারান্টি। আরও একবার মোদি সরকার। পদ্মফুল চিহ্নে ভোট দিন। বিজেপিকে জয়ী করুন। হেলিকপ্টার থেকে নামার সময়ে দেখছি, চর্তুদিকে মানুষ। মা-বোনেদের আশীর্বাদ বলছে, বাংলায় জিত বিকাশেরই হবে। চার জুন চারশো পার। দেশের লক্ষ্য গ্যারান্টি মোদির, আরও একবার মোদি সরকার। পদ্মফুল চিহ্নে ভোট দিন। বিজেপিকে জয়ী করুন। ২ দিন আগেই পয়লা বৈশাখের দিন আমাদের সংকল্পপত্র দেশের সামনে রেখেছে। সেখানে মোদি আগামী ৫ বছরের গ্যারান্টি দিয়েছে। গরিবদের জন্য ৩ কোটি নতুন বাড়ি বানানো হবে। এটা মোদির গ্যারান্টি। বিনামূ্ল্যে বিদ্যুতের জন্য সোলার প্যানেল, বিদ্যুতের বিল জিরো হয়ে যাবে, বিনা পয়সায় রেশন, এই সব মোদির গ্যারান্টি।”

    আরও পড়ুন: মমতা-অভিষেকের প্রচার বন্ধ করার দাবিতে কমিশনের কাছে আর্জি সুকান্তর

    মোদির প্রকল্পে বাংলার সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা দিচ্ছে তৃণমূল

    মোদি (Narendra Modi) বলেন, “বাংলার গরিব, দলিত, আদিবাসী মহিলাদের কল্যাণ করবে বিজেপি। মোদির গ্যারান্টির কারণে তৃণমূলের লোক পাগল হয়ে যাচ্ছে। মোদির প্রকল্প বাংলার সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে তৃণমূল বাধা দিচ্ছিল। কেন্দ্রের টাকা ভাগ বাটোয়ারা হয়ে যেত। এবার মানুষের কাছে প্রকল্প পৌঁছানোর গ্যারান্টি মোদির। গরিব যখন এগিয়ে যাবে, তখন তো তৃণমূলের দোকান বন্ধ হয়ে যাবে। এই কারণে তৃণমূলের লোক এখন মিথ্যাচার করছে। মোদির গ্যারান্টি হল গ্যারান্টি পূরণ করার গ্যারান্টি। বিজেপি আদিবাসী, দলিতদের সম্মানের জন্য লড়ছে। জনজাতি গৌরব দিবস পালন করে। আদিবাসী বাচ্চাদের জন্য ৮ লক্ষ একলব্য আবাসিক বিদ্যালয় খুলেছে। দেশের প্রথম আদিবাসী রাষ্ট্রপতি বানিয়েছে বিজেপি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: মমতা-অভিষেকের প্রচার বন্ধ করার দাবিতে কমিশনের কাছে আর্জি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: মমতা-অভিষেকের প্রচার বন্ধ করার দাবিতে কমিশনের কাছে আর্জি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জলপাইগুড়ির টর্নেডো পীড়িতদের সহায়তা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের বিধি ভেঙে রাজনীতি করার অভিযোগ তুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সুকান্তবাবু তৃণমূলের এই দুই সর্বোচ্চ নেতা-নেত্রীর বিরুদ্ধে প্রচার বন্ধের দাবি তুলেছেন নির্বাচন কমিশনের কাছে।

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ করা উচিত (Sukanta Majumdar)

    মঙ্গলবার বালুরঘাটে এক সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপি প্রার্থী তথা রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “নির্বাচন কমিশন মুখ্যসচিবকে উপভোক্তাদের সহায়তা করতে বলেছেন। কিন্তু, এনিয়ে রাজনীতি করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই নিয়ম ভাঙায় তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি কমিশনের কাছে।” পাশাপাশি বেঙ্গালুরুর বিস্ফোরণ কাণ্ডে জড়িতদের পশ্চিমবাংলায় গ্রেফতার প্রসঙ্গে সুকান্তবাবু বলেন, ‘বিজেপি সংকল্পপত্রে ভারতবর্ষকে ওয়েডিং ডেস্টিনেশন হিসেবে অযোধ্যা নগরীর ধাঁচে গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গকে সন্ত্রাসবাদীদের ডেস্টিনেশন হিসেবে গড়ে তুলতে চাইছেন। নইলে এমন কুখ্যাত জঙ্গিরা রাজ্যের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত ঘুরে বেড়াল, অথচ পুলিশের কাছে খবর পর্যন্ত ছিল না। পুলিশ মন্ত্রী হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ করা উচিত।’

    আরও পড়ুন: “তোলাবাজ ভাইপোকে উত্তরসূরি হিসাবে প্রতিষ্ঠা করাই একমাত্র এজেন্ডা মমতার”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মুখ্যমন্ত্রী ভাঁওতা দিচ্ছেন

    বালুরঘাট জেলা পার্টি অফিসে সাংবাদিক সম্মেলন করেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। উপস্থিত ছিলেন বালুরঘাটের বিজেপি বিধায়ক অশোক লাহিড়ি, স্বরূপ চৌধুরী। জেলার এয়ারপোর্ট, মেডিক্যাল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে রাজ্যকে আক্রমণ করেছেন তাঁরা। বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে অশোকবাবু বলেন, “উনি সব জায়গায় বলছেন সবকিছু করে দিয়েছি। বাস্তবে বালুরঘাটের বিশ্ববিদ্যালয় চোখে দেখা যায় না। এমনকী মেডিক্যাল কলেজও রাজ্য সরকার করতে পারেনি। ভোটের সময় মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূলের নেতারা এসে শুধু ভাঁওতা দিচ্ছেন।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভা নিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “মোদিজি বালুরঘাটে প্রথম আসছেন। বালুরঘাটে মোদি ঝড় হবে। রাস্তায় তৃণমূল বাদে সবাই মাঠে থাকবে। সবাইকে বলব, তাড়াতাড়ি মাঠে যাওয়ার জন্য। নাহলে পরে আর জায়গা থাকবে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: মমতার আসল এজেন্ডা ঠিক কী, খোলসা করলেন শুভেন্দু, কী বললেন তিনি?

    Suvendu Adhikari: মমতার আসল এজেন্ডা ঠিক কী, খোলসা করলেন শুভেন্দু, কী বললেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নরেন্দ্র মোদিজি যেটা ভেবেছেন, যেটা করছেন, জনস্বার্থে করছেন। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা করেন, যা ভাবেন, ধান্দার জন্য ভাবেন। আর কীভাবে তোলাবাজ ভাইপোকে প্রতিষ্ঠা করা যায় তাঁর উত্তরসূরি হিসাবে, এটাই তাঁর একমাত্র এজেন্ডা।” সোমবার উত্তর দিনাজপুর জেলায় ইসলামপুরের কোর্ট ময়দানে দলীয় প্রার্থী কার্তিকচন্দ্র পালের সমর্থনে নির্বাচনী প্রচারে এসে  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এভাবেই তীব্র কটাক্ষ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ।

    মোদিজি জনস্বার্থে সব কিছু করছেন (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে প্রাক্তন হবেন তা জানেন। তাই, তিনি এক দেশ এক ভোটের বিরোধিতা করছেন। এক একটা রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন করতে কয়েক হাজার কোটি টাকা খরচ হয় দেশের। এই টাকা যদি সাশ্রয় হয়, এই টাকা দিয়ে নতুন কয়েকশো মেডিক্যাল কলেজ, কয়েক হাজার কিলোমিটার রেললাইন, কয়েক হাজার কিলোমিটার জাতীয় সড়ক, একাধিক নতুন এয়ারপোর্ট, কয়েক কোটি জনগণের পাকা বাড়ি তৈরি করে দেওয়া যেতে পারে। তাই নরেন্দ্র মোদিজি যেটা ভেবেছেন, যেটা করছেন, জনস্বার্থে করছেন।”

    আরও পড়ুন: “তৃণমূল সরকার রাজ্যে জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে”, বিস্ফোরক অনুরাগ ঠাকুর

    তৃণমূল চুরি-দুর্নীতি ছাড়া কোনও কাজ করেনি

    পাশাপাশি ইসলামপুরকে আলাদা জেলার দাবি প্রসঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “সঠিক দাবি। ইসলামপুরে কোনও উন্নয়ন হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে পুরবোর্ডের নির্বাচন হয় না। এখানে মাঝে মাঝেই উচ্ছেদ করা হয়। কিন্তু, উন্নয়ন হয় না। একটা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল হয়েছে, না আছে নিউরো সার্জেন, না আছে এমআরআই মেশিন, না আছে আইসিইউ। ওটাকে বলা হয় রেফার হসপিটাল। যে আসবে তাকে নর্থ বেঙ্গল মেডিক্যাল কলেজে রেফার করাই হচ্ছে কাজ। তৃণমূল চুরি-দুর্নীতি ছাড়া কোনও কাজ করেনি।”

    মন্ত্রীর পরিবারের লোক চাকরি পেয়েছেন

    পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী তথা গোয়ালপোখরের বিধায়ক গোলাম রব্বানী ও চোপড়ার দাপুটে বিধায়ক হামিদুল রহমানকেও তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। তিনি বলেন, “চাকরি দুর্নীতি, গরু পাচার, জমি দখল, এইদিকে হামিদুল রহমানের। আদিবাসীদের জমি পর্যন্ত দখল করেছে। আর যত চাকরি রব্বানীর পরিবার, হামিদুল রহমানের পরিবারের লোকজন পেয়েছে।” পাশাপাশি চোপড়ার বিধায়ক হামিদুল রহমানকে তীব্র হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। তিনি বলেন, “হামিদুল রহমানকে বলে যাই, তোমার থেকেও বড় গুন্ডা ছিল শাহজাহান। তার যা অবস্থা হয়েছে তোমার অবস্থা তার থেকেও খারাপ হবে।” অন্যদিকে, দাড়িভিটে দুই ছাত্র খুনের বিচার প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “এর জন্য দায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেহেতু বাংলা ভাষার পক্ষে লড়েছিল, মমতা ব্যানার্জি সেই কারণে তার লোক দিয়ে খুন করিয়েছে, এনআইএ, সিট তদন্তে বাধা দিয়েছে। আমরা ভারতীয় জনতা পার্টি কথা দিতে পারি, বিচার হবে, খুনিরা শাস্তি পাবে।”

    রাম নবমী নিয়ে মমতাকে তোপ

    এদিকে রাম নবমী প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের তীব্র কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছে ১৭ তারিখ দাঙ্গা ডে। এই রকম একটা জালি হিন্দুর পক্ষে এই ধরনের কথা বলা সম্ভব। গোটা ভারতবর্ষে ২২ শে জানুয়ারি রামমন্দির উদ্বোধনের দিন এমনকী বিরোধী মুখ্যমন্ত্রীরাও ছুটি দিতে বাধ্য হয়েছেন। আর উনি পাল্টা মিছিল করেছেন। জনগণ সব দেখছে। এগুলো করছেন সংখ্যালঘু ভোটকে নিজের কাছে আনার জন্য। আর শাহজাহান, আরাবুল, শওকত মোল্লা, গোলাম রব্বানীদের সৃষ্টি করার জন্য।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “দেশকে কালো টাকার দিকে ঠেলে দেওয়া হল”, বললেন মোদি  

    PM Modi: “দেশকে কালো টাকার দিকে ঠেলে দেওয়া হল”, বললেন মোদি  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী বন্ড বাতিলের ‘সুপ্রিম’ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে একটি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “দেশকে কালো টাকার দিকে ঠেলে দেওয়া হল।” তাঁর দাবি, নির্বাচনী বন্ড না থাকলে কেউ জানতেই পারতেন না, কোন সংস্থা, কোন দলকে কত টাকা দিচ্ছে। নির্বাচনী বন্ডকে ‘অসাংবিধানিক’ আখ্যা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। অথচ সাক্ষাৎকারে নির্বাচনী বন্ডের পক্ষেই সওয়াল করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    নির্বাচনী বন্ডের পক্ষে সওয়াল (PM Modi)

    তিনি বলেন, “নির্বাচনে কালো টাকার ব্যবহার বন্ধ করতেই নির্বাচনী বন্ড চালু করা হয়েছিল। যদি সৎ প্রতিফলন দেখা যায়, সকলেই একদিন তা নিয়ে অনুশোচনা করবে।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আমি কখনওই বলিনি একটি সিদ্ধান্ত পুরোপুরি ত্রুটিমুক্ত। কিন্তু বিরোধী দলগুলি নির্বাচনী বন্ড নিয়ে মিথ্যা প্রচার করছে।” ২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারতের প্রতিশ্রুতি পূরণ হবে বলেও নানা সময় দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিনের সাক্ষাৎকারে সে প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। কাউকে ভয় পাওয়ানো বা দমন করা আমার সরকারের লক্ষ্য নয়। যখন আমি বলি আমার বড় পরিকল্পনা রয়েছে, তখন কারও ভয় পাওয়া উচিত নয়। আমি কাউকে ভয় দেখানো বা তাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিই না। আমি দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য সিদ্ধান্ত নিই।”

    ‘ট্রেলর, পুরো সিনেমা এখনও বাকি’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি সব সময় সঠিক পথে চলার চেষ্টা করেছি। তবুও দেখতে পাই যে, দেশে আমার এত চাহিদা রয়েছে। আমি কীভাবে প্রতিটি পরিবারের স্বপ্ন পূরণ করব, সেটাই বলার চেষ্টা করছি এই পরিকল্পনায়।” তাঁর সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটা তো শুধু ট্রেলর। পুরো সিনেমা এখনও বাকি রয়েছে।” ‘এক দেশ, এক নির্বাচনে’র পক্ষেও আরও একবার সওয়াল করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “বার বার নির্বাচনের আয়োজন করতে গেলে উন্নয়ন কর্মসূচির ক্ষতি হয়। আমরা প্রতিশ্রুতি মতোই এই কর্মসূচি রূপায়ণের চেষ্টা করব।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আপনার স্বপ্নই হল মোদির সঙ্কল্প। আপনারা যখন বুথে ভোট দিতে যাবেন, তখন মাথায় রাখবেন এটা দেশের নির্বাচন। এটা দেশকে তৃতীয় আর্থিক বৃহত্তম শক্তি বানানোর নির্বাচন।”

    আরও পড়ুুন: বিজেপির ‘সঙ্কল্পপত্রে’ করা হয়েছে কোন কোন সঙ্কল্প, জানেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Narendra Modi: স্বাধীনতার পর প্রথম আসছেন কোনও প্রধানমন্ত্রী, জন-সুনামি হবে মোদির সভায়, দাবি বিজেপির

    Narendra Modi: স্বাধীনতার পর প্রথম আসছেন কোনও প্রধানমন্ত্রী, জন-সুনামি হবে মোদির সভায়, দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনও প্রধানমন্ত্রী জনসভা করতে আসছেন রায়গঞ্জে। বিজেপি নেতা, কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি উন্মাদনা তুঙ্গে সাধারণ মানুষেরও। পাড়ায়-পাড়ায়, হাটে-বাজারে, প্রতিটি চায়ের দোকানের আড্ডায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) নিয়ে চর্চা চলছে।

    মোদির সভার প্রস্তুতি চলছে তুঙ্গে (Narendra Modi)

    জানা গিয়েছে, ১৯৮৬ সালে দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে শিলিগুড়ি যাওয়ার পথে শিলিগুড়ি মোড় এলাকায় সস্ত্রীক এসেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। সেই সময়ও সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীকে দেখার ব্যাপক উৎসাহ দেখা গিয়েছিল। এমনকী ওই এলাকার বিভিন্ন বাড়ি ও দোকানের ছাদে উঠে সাধারণ মানুষ ভিড় করেছিলেন। একটি ছাদ ভেঙে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন একাধিক মানুষ। পথসভা করলেও কোনও প্রধানমন্ত্রী জনসভা করেননি রায়গঞ্জে। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী কার্তিকচন্দ্র পালের সমর্থনে আগামী ১৬ই এপ্রিল নির্বাচনী জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। রায়গঞ্জ শহর সংলগ্ন দক্ষিণ গোয়ালপাড়া এলাকায় সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। সভার প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে এসপিজি কমান্ডোরা জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন এবং বিজেপি নেতৃত্বদের সঙ্গে বৈঠক করে, সভাস্থল সহ আসা-যাওয়ার রাস্তা, হেলিপ্যাড এবং গোটা শহরের সার্বিক অবস্থা সমস্তটাই খতিয়ে দেখছেন।

    জন্মের পর প্রথম প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে পাব, বলল রায়গঞ্জবাসী

    ইতিমধ্যে বায়ুসেনার একাধিক MI17 হেলিকপ্টার এসে রায়গঞ্জ স্টেডিয়াম ও মিরুয়ালে অবস্থিত বিএসএফ ক্যাম্পের হেলিপ্যাডে এসে ট্রায়াল দিয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) সভা ঘিরে বিজেপি নেতা-কর্মীদের উৎসাহ ও উদ্দীপনা চোখে পড়ার মতো। শুধু বিজেপি নেতা-কর্মী নয়, সাধারণ মানুষের মধ্যেও চরম উদ্দীপনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সভা ঘিরে। গণেশ দাস নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, “আমরা খুব উৎসাহী, প্রধানমন্ত্রীকে সামনে থেকে দেখতে পাব। জন্মের পর থেকে এই প্রথম কোনও প্রধানমন্ত্রীকে রায়গঞ্জে দেখতে পাব।” বাপ্পা সাহা নামে রায়গঞ্জের অপর এক বাসিন্দা বলেন, “এই প্রথম কোনও প্রধানমন্ত্রী রায়গঞ্জে সভা করবেন। অবশ্যই দেখতে যাব। আমরা সাধারণ মানুষ খুবই উৎসাহী।” রায়গঞ্জের অপর এক বাসিন্দা তথা ছাত্রী সুস্মিতা দাস বলেন, “প্রধানমন্ত্রী রায়গঞ্জে আসছেন, আমরা খুবই এক্সাইটেড। খুব ভালো লাগছে যে জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী রায়গঞ্জে আসবেন। রায়গঞ্জের উন্নয়ন হোক এটাই চাই।” কৌশিক সরকার নামে এক কংগ্রেস কর্মী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তো কোনও দলের নয়, প্রধানমন্ত্রী সবার। এই প্রথম কোনও প্রধানমন্ত্রী রায়গঞ্জে আসছেন, অবশ্যই ভালো। সাধুবাদ জানাই।”

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালির পথেই কি নন্দীগ্রাম? তৃণমূল নেতার বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ মহিলাদের

    জন সুনামি হবে 

    বিজেপির জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকার বলেন, “আগামী কাল লক্ষাধিক মানুষের জন-সুনামি হবে। সাধারণ মানুষের মধ্যে যে উৎসাহ,উদ্দীপনা, রোমাঞ্চ কাজ করছে, তা কল্পনাতীত। আমাদের কর্মীরা বিভিন্ন বাজারে, দোকানে, প্রতিষ্ঠানে গিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) সভাতে আসার নিমন্ত্রণ করতে গিয়ে তাঁদের স্বতঃস্ফূর্ত উৎসাহ লক্ষ্য করেছে। আমরা চিন্তায় রয়েছি যে এত লোককে কোথায় জায়গা দেব? তাই সাধারণ মানুষের যাতে কোনও রকম সমস্যা না হয়, এবং প্রধানমন্ত্রীর সভা যাতে সুষ্ঠুভাবে হয়, পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সমস্তটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: সুকান্তর সমর্থনে প্রচারে ঝড় তুলতে বালুরঘাটে আসছেন মোদি, চলছে শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি

    Narendra Modi: সুকান্তর সমর্থনে প্রচারে ঝড় তুলতে বালুরঘাটে আসছেন মোদি, চলছে শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয়বারের জন্য জেলায় ভোটপ্রচারে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এর আগে ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটের আগে বুনিয়াদপুরে এবং ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের আগে গঙ্গারামপুরে ভোটপ্রচারে এসেছিলেন। ১৬ এপ্রিল ফের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় আসছেন প্রধানমনন্ত্রী। বালুরঘাট রেল স্টেশন ময়দানে নরেন্দ্র মোদির সভাকে ঘিরে প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে।

    মোদির সভাস্থলে শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি (Narendra Modi)

    রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সমর্থনে সভা করতে আসছেন নরেন্দ্র মোদি। জেলার সমস্ত বিধানসভা ক্ষেত্র থেকেই কর্মী-সমর্থকরা আসবেন মোদির এই সভায় যোগ দিতে। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মোদির (Narendra Modi) সভায় এক লক্ষ মানুষের ভিড় হবে। এর আগে ২০১৯ সালে বুনিয়াদপুরে এসেছিলেন সুকান্তর হয়ে ভোট প্রচারে। সেবার ৩৫ হাজারেরও বেশি ভোটে জয়লাভ করেছিলেন সুকান্ত মজুমদার। এবার ভোটের ব্যবধান বাড়াতে বিজেপি নেতৃত্ব কোনওরকম কসুর রাখছেন না। এর আগেই জেলায় সভা করে গিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বুনিয়াদপুরের সভা করেছেন। এবার নরেন্দ্র মোদির সভা বালুরঘাটে। মোদির সভা মঞ্চ গড়ে তোলার কাজ প্রায় শেষ। চলছে বিশেষ সুরক্ষা বাহিনীর কুকুর ও মেটাল ডিটেক্টর নিয়ে তল্লাশি। এছাড়াও সভাস্থলে নিরাপত্তা রক্ষার জন্য এখন থেকেই শুরু হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন। ইতিমধ্যে সভাস্থল পরিদর্শন করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি সভাস্থলের কাজ পুরো খতিয়ে দেখেন। মোদির সভাস্থলে সঞ্চালনার কাজ করবেন একজন আদিবাসী নেত্রী ও একজন আদিবাসী নেতা। সভাস্থলের হেলিপ্যাডে তিনটি পরীক্ষামূলক উড়ান দেয় বায়ুসেনার হেলিকপ্টার। বালুরঘাটে নরেন্দ্র মোদির সভাকে কেন্দ্র করে উৎসাহে আছে বালুরঘাট সহ জেলাবাসী।

    আরও পড়ুন: “পিটিয়ে মেরে দিল তৃণমূলের লোকজন”, বলল নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবার

    কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন,”অন্য রাজনৈতিক দলের যেটুকু হাওয়া রয়েছে, ওটুকুই থাকবে। কারণ, আগামীকাল ১৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) বালুরঘাটে সভা করবেন। সভা করে যাওয়ার পর জেলায় বিজেপির যে ঝড় উঠবে, তাতে অন্য রাজনৈতিক দলগুলি লড়াই থেকে ছিটকে যাবে। এই আসনে জয় নিশ্চিত হয়ে যাবে বিজেপির।” তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল পাল্টা বলেন, প্রধানমন্ত্রী এসেও কোনও লাভ নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: আলিপুরদুয়ারে মনোজ টিগ্গার হয়ে প্রচারে রাজনাথ সিং, জয় জয়কার মোদির

    Narendra Modi: আলিপুরদুয়ারে মনোজ টিগ্গার হয়ে প্রচারে রাজনাথ সিং, জয় জয়কার মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোট (Lok Sabha Election 2024) এগিয়ে আসতেই প্রার্থীর হয়ে ভোটের ময়দানে প্রচারে নামলেন দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। আর প্রচারে নেমে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন তিনি (Rajnath Singh)। আলিপুরদুয়ারের বিজেপি প্রার্থী মনোজ টিগ্গার হয়ে প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) জয়গান করে বিশ্বের দরবারে ভারত কোন উচ্চতায় পৌঁছেছে, সেকথাই তুলে ধরলেন রাজনাথ সিং। সব মিলিয়ে তাই উত্তরবঙ্গে বিজেপির ভোটপ্রচার বেশ জমজমাট।

    মোদি প্রসঙ্গে কী বলেছেন রাজনাথ (Narendra Modi)?

    আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar) সভা থেকে মনোজ টিগ্গার (Manoj Tigga) হয়ে প্রচারের সময় রাজনাথ তুলে ধরেন, কীভাবে এক ফোনেই কাতারে কর্মরত ভারতীয় নৌসেনার প্রাক্তন অফিসারদের ফাঁসির সাজা আটকেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। রাজনাথ সিং এদিনের সভায় বলেন, “ভারতীয় নৌসেনার কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত অফিসার কাতারের কিছু সংস্থায় কাজ করতেন। সেখানে তাঁদের ফাঁসির সাজা দেওয়া হয়েছিল। সেই খবর প্রধানমন্ত্রীর কানে পৌঁছতেই তিনি সঙ্গে সঙ্গে কথা বলেছিলেন কাতারের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে। আর তার দু-তিন দিনের মধ্যেই সেখানকার প্রেসিডেন্ট আমাদের প্রাক্তন নৌসেনার অফিসারদের ফাঁসির সাজা মুকুব করে দিয়েছিলেন এবং এরপর তাঁরা প্রত্যেকেই ভারতে ফিরে আসেন।”

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রসঙ্গ

    এর পাশাপাশি রাজনাথ সিং-এর বক্তব্যে উঠে আসে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতির কথাও। ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর প্রচুর ভারতীয় ছাত্রছাত্রী আটকে পড়েছিলেন সেখানে। সেই সময়েও কীভাবে আটকে পড়া পড়ুয়াদের নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) উদ্ধার করেছিলেন, সে কথাও মনে করালেন রাজনাথ (Rajnath Singh)। দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদি দ্রুত রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন, ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সঙ্গে কথা বলেন। তার পরই চার ঘণ্টার জন্য রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ বন্ধ হয়ে যায় এবং সাড়ে ২২ হাজার ভারতীয় দেশে ফিরে আসেন। এই সাফল্য দেশের জন্য বড় বিষয়।”

    আরও পড়ুন: “পিটিয়ে মেরে দিল তৃণমূলের লোকজন”, বলল নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবার

    মোদির জয়গান

    উল্লেখ্য, সামনেই রাজ্যে প্রথম দফার লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024)। আগামী ১৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ রয়েছে আলিপুরদুয়ারে। তাই তার আগে শেষ মুহূর্তের রবিবাসরীয় প্রচারে মোদির (Narendra Modi) জয়গান করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। যদিও পাহাড়ের মাটিতে বিজেপির (BJP) গড় বেশ শক্তই রয়েছে। তার মধ্যেই জনসাধারণের মধ্যে বিজেপির হাওয়া সতেজ রাখতে উদ্যোগী রাজনাথ সিং।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “এতদিন শাহি জাদুগর কোথায় লুকিয়েছিলেন?”, রাহুলকে নিশানা মোদির

    PM Modi: “এতদিন শাহি জাদুগর কোথায় লুকিয়েছিলেন?”, রাহুলকে নিশানা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীকে ‘শাহি জাদুগর’ আখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এক ধাক্কায় দেশ থেকে দারিদ্র হঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন রাহুল। রবিবাসরীয় দুপুরে তারই জবাব দিতে প্রধানমন্ত্রী বেছে নিলেন মধ্যপ্রেদেশের হোসাঙ্গাবাদের জনসভাকে। এই জনসভায় প্রধানমন্ত্রী রাহুলকে ‘শাহজাদা’ আখ্যাও দেন। রাহুলের প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গোটা দেশ বিস্মিত হয়েছিল তখন, যখন কংগ্রেসের শাহজাদা ঘোষণা করেছিলেন তিনি এক ধাক্কায় দেশ থেকে দারিদ্র দূর করে দেবেন। দেশ জিজ্ঞাসা করছেন এতদিন শাহি জাদুগর কোথায় লুকিয়েছিলেন।”

    কী বলেছিলেন রাহুল? (PM Modi)

    প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে রাজস্থানের এক নির্বাচনী প্রচার সভায় রাহুল বলেছিলেন, “আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস জয়ী হলে দেশ থেকে এক ধাক্কায় দ্রারিদ্র দূর করা হবে।” তিনি বলেছিলেন, “আপনি যদি দারিদ্র সীমার নীচে থাকেন, তাহলে প্রতি বছর এক লাখ করে টাকা আপনার অ্যাকাউন্টে জমা হবে। এভাবে এক ধাক্কায় আমরা ভারত থেকে দারিদ্র দূর করব।” প্রসঙ্গত, মহালক্ষ্মী প্রকল্পে দারিদ্র সীমার নীচে বসবাসকারী মহিলারা প্রতি বছর এক লাখ করে টাকা পাবেন।

    মোদির বাণে বিদ্ধ কংগ্রেস

    এদিন হোসাঙ্গাবাদের জনসভায় কংগ্রেসকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “একটা দলের একটা পরিবারই প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে স্বাধীনতার পর থেকে কয়েক দশক ধরে দেশ চালিয়ে গিয়েছিল। এই পরিবারই দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছিল। দেশের বিভিন্ন অংশে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে ফেলতে তারা যখনই চেয়েছে, জরুরি অবস্থা জারি করেছে।” তিনি বলেন, “২০১৪ সালের আগে দশ বছর তারা রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে দেশ চালিয়েছে। বলেছে, তারা পেয়ে গিয়েছে ঝটকা ভালা মন্ত্র। এই মন্ত্র তারা কোথা থেকে পেল? আপনারা আমায় বলুন, এটা কি গরিবদের উপহাস করা নয়? এটা কি দরিদ্রদের অপমান করা নয়?”

    বিরোধীদের ইস্তাহারকেও এদিন আক্রমণ শানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “ইন্ডিয়া ব্লকের নেতারা এখনও স্থিরই করে উঠতে পারলেন না যে একটা ইস্তাহার একটা দায়িত্ব, দেশবাসীর প্রতি দায়বদ্ধতা। কংগ্রেসের ওই ইস্তাহারে অনেক ভয়ঙ্কর প্রতিশ্রুতিও রয়েছে। তাদের ইস্তাহার দেশকে আর্থিকভাবে দেউলিয়া করে দেবে (PM Modi)।”

    আরও পড়ুুন: সলমনের বাড়ির সামনে চলল গুলি, দায় স্বীকার বিষ্ণোই গ্যাংয়ের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Subhas Sarkar: অম্বেডকরের জন্মদিনে বিজেপির শ্রদ্ধাঞ্জলি, প্রচারে বেরিয়ে জুতো পালিশ সুভাষের

    Subhas Sarkar: অম্বেডকরের জন্মদিনে বিজেপির শ্রদ্ধাঞ্জলি, প্রচারে বেরিয়ে জুতো পালিশ সুভাষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই লোকসভা ভোট (lok sabha vote 2024), হাতে গোনা আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। তাই রবিবার বাংলা নববর্ষের দিনেও চুটিয়ে ভোট প্রচারে নেমেছেন প্রার্থীরা। জনসংযোগ বাড়াতে এবার ভোট প্রচারে বেরিয়ে জুতো পালিশ করতে দেখা গেল বাঁকুড়ার বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকারকে (Subhas Sarkar )। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল।

    জুতো পালিশ করে প্রচার (Subhas Sarkar)

    রবিবার ডক্টর বি.আর.অম্বেডকরের (B.R Ambedkar) জন্মদিন উপলক্ষে বাঁকুড়ার মাচানতলা থেকে লালবাজার পর্যন্ত বিশেষ পদযাত্রায় অংশ নেন বাঁকুড়ার বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকার (Subhas Sarkar)। সেখানেই হুড খোলা গাড়িতে চড়ে নিজের জুতো পালিশ করলেন তিনি। মিছিলে প্রচার চালাতে চালাতে হঠাৎই তিনি নিজের হাতে তুলে নেন নিজের জুতো। গাড়িতে দাঁড়িয়েই ব্রাশ দিয়ে সেই জুতো পালিশ করতে শুরু করেন তিনি।

    সুভাষ সরকারের বক্তব্য (Subhas Sarkar )

    বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকার (Subhas Sarkar ) বলেন, “নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করলে কোনও কাজই ছোটো নয়। ডক্টর বি.আর.অম্বেডকর দলিত ও অত্যন্ত নিম্নবর্গ থেকে উঠে এসে সংবিধান প্রণয়নের মতো মহান কাজ করেছিলেন। একই সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) নাম করে তিনি বলেন, “অম্বেডকরের স্বপ্ন আজ পূরণ করছেন প্রধানমন্ত্রী। ডক্টর বি.আর.অম্বেডকরের সেই ভাবনা মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতেই আজ জুতো পালিশ করলাম।”

    তৃণমূলের কটাক্ষ

    জুতো পালিশের বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল কংগ্রেস। ওই কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অরূপ চক্রবর্তী বলেন, “এটা কি জনগণের জুতো পালিশ হচ্ছে। সেটা তো হয়নি। জনগণকে তো ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে। এসব করে নাটক করছেন সুভাষবাবু (Subhas Sarkar )। এতে কি ভোট বাড়ে।”

    আরও পড়ুন: নন্দীগ্রামে তৃণমূলের কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ বিজেপির

    নানা প্রচারের প্রার্থীরা

    যদিও এমন ঘটনা আশ্চর্যের নয়। ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে ভোটের প্রচারে বেরিয়ে এর আগে বিষ্ণুপুরের তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডলকে কখনও চুল কাটতে দেখা গিয়েছে ,কখনও আবার দেখা গেছে চা, চপ, পাঁপড় ভেজে তা বিক্রি করতে। কোনও প্রার্থীকে আবার দেখা গেছে টোটো চালাতে, কাউকে আবার দেখা গেছে সবজি বিক্রি করতে। তাই এই কাজকে জনগনের হয়ে  অম্বেডকরের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি ছাড়া আর কিছুই না বলে মনে করেন না সুভাষ সরকার (Subhas Sarkar )।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bjp Manifesto: দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে, প্রতিশ্রুতি বিজেপির ইস্তাহারে

    Bjp Manifesto: দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে, প্রতিশ্রুতি বিজেপির ইস্তাহারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের গরিব, যুব সমাজ, কৃষক ও মহিলাদের লক্ষ্যেই মূলত ইস্তাহার প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ইস্তাহারে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বিজেপির ইস্তাহারের নাম ‘সঙ্কল্প পত্র’। রবিবার ইস্তাহার (Bjp Manifesto) প্রকাশের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। এবার দেখা যাক, ইস্তাহারে কী কী রয়েছে।

    দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ (Bjp Manifesto)

    দুদিন আগেই বাংলা সফরে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। ইস্তাহারেও সেই কথা উল্লেখ রয়েছে। ইস্তাহারে বলা হয়েছে, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। দেশের স্বার্থে কড়া পদক্ষেপ করতে পিছপা হবে না সরকার। গরিবদের যারা লুট করেছে, তারা জেলে যাচ্ছে। এছাড়া ইস্তাহারে উল্লেখ রয়েছে, আমরা কোটি কোটি পরিবারকে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছি। এবার আমরা কোটি কোটি পরিবারের বিদ্যুতের বিল শূন্য করে দেওয়া এবং বিদ্যুৎ থেকে উপার্জনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। ১ কোটি মানুষ ইতিমধ্যেই নাম রেজিস্টার করেছেন। আমরা সস্তায় বাড়ি বাড়ি রান্নার গ্যাস পৌঁছে দিয়েছি। এবার আমরা সস্তায় পাইপলাইনের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি গ্যাস পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করব। দেশে গ্রিন জব তৈরি করা হবে। দেশে ইলেকট্রিক ভেহিকেলের বিক্রি বাড়ানো হবে। মহাকাশ ক্ষেত্রেও উন্নতি হবে। সামাজিক, ডিজিটাল পরিকাঠামোর উন্নয়ন করা হবে। উড়ান ব্যবস্থার উন্নতি করা হবে। ড্রিম সেন্টার তৈরি করা হবে।

     বুলেট ট্রেন চালু

    ইস্তাহারে বলা হয়েছে, আরও বন্দে ভারত ট্রেন চালু হবে। তিনটি মডেল চলবে-বন্দে ভারত স্লিপার, বন্দে ভারত চেয়ারকার ও বন্দে ভারত মেট্রো। বুলেট ট্রেন চালু হবে দক্ষিণ, উত্তর, পূর্ব ও পশ্চিম ভারতে। দেশের সব থেকে পুরনো ভাষা তামিল। তামিল ভাষার বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠার জন্য বিজেপি প্রচার করবে। জনজাতীয় গৌরব দিবস পালন করা হবে। ২০২৫ সালে বীরসা মুন্ডার ১৫০ তম জন্মজয়ন্তী। এটা রাষ্ট্রীয় স্তরে পালিত হবে। ডিজিটাল জনজাতি কলা অ্যাকাডেমি তৈরি করা হবে। ৭০০-রও বেশি একলব্য স্কুলের স্বীকৃতি দেওয়া হবে। ন্যাচরাল ফার্মিংয়ে জোর দেওয়া হবে। ভারতকে ফুড প্রসেসিং হাব বানানো হবে। ভারতকে গ্লোবাল নিউট্রিশন হাব বানানোর জন্য শ্রীঅন্নের উপরে জোর দেওয়া হবে। ২ কোটিরও বেশি কৃষক উপকৃত হবেন। ফিশারি ও স্টোরেজের উন্নয়ন করা হবে। পিএম কিষান সম্মাননিধিতে ১০ কোটি কৃষক উপকৃত। এই প্রকল্প চালু থাকবে। দেশে ডেয়ারি বাড়ানো হবে।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে মানবাধিকার লঙ্ঘন, ডিজি-মুখ্যসচিবের রিপোর্ট তলব কমিশনের

    ৩ কোটি বোনকে লাখপতি দিদি

    মহিলা খেলোয়াড়দের জন্য ইস্তাহারে জানানো হয়েছে, বিশেষ প্রোগ্রাম ও ব্যবস্থা করা হবে। মহিলাদের সুস্বাস্থ্যের জন্য সার্ভাইক্যাল ক্যানসার নিয়ে প্রচার চালানো হবে। আগামী ৫ বছর নারীশক্তির ভিত্তি হবে। ১০ কোটি বোনকে আমরা আইটি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রিটেলের কাজ করার জন্য আমরা প্রশিক্ষণ দেব। ৩ কোটি বোনকে লাখপতি দিদি বানানোর গ্যারান্টি দিচ্ছে মোদি। গ্রামের মেয়েরা ড্রোন পাইলট দিদির পরিচিতি দেওয়া হবে। সরকার ড্রোন দেবে।

    আগামী ৫ বছরও বিনামূল্যে রেশন পরিষেবা

    ট্রান্সজেন্ডারদেরও স্বীকৃতি দিয়েছে বিজেপি সরকার। ইস্তাহারে বলা হয়েছে, রূপান্তরিতদেরও আয়ুষ্মান ভারতের অন্তর্গত করা হবে। ঠেলাগাড়ি চালান যারা, তাদেরও ব্যাঙ্ক আজ ঋণ দিচ্ছে। বিজেপি স্বনিধি যোজনাকে আরও বাড়াবে। ৫০ হাজার টাকা অবধি ঋণের সীমা বাড়ানো হবে। যোজনা গ্রামেও পৌঁছে দেওয়া হবে। উদ্যোগপতিদের সাহায্য করেছে মুদ্রা যোজনা। এই সফলতাকে মাথায় রেখে বিজেপি মুদ্রা যোজনার অধীনে উদ্যোগপতিদের সাহায্য করা হবে। যুবশক্তিকে নিজের পছন্দের কাজ করার জন্য আর্থিক সাহায্য করা হবে। বিজেপি সরকার ৪ কোটি পাকা বাড়ি তৈরি করে দিয়েছে। আমরা আরও ৩ কোটি পাকা বাড়ি তৈরির প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। মোদির গ্যারান্টি হল, জনঔষধি সেন্টারে ৮০ শতাংশ ছাড় পাওয়া যাবে ওষুধের দামে। আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে ৫ লক্ষ টাকা অবধি বিনামূল্যে চিকিৎসা ব্যবস্থা চালু থাকবে। ৭০ বছরের ঊর্ধ্বে সকল বয়স্ক ব্যক্তিকে আয়ুষ্মান ভারতের অধীনে আনা হবে। গরিব, মধ্যবিত্ত- সকলেই ৫ লক্ষ টাকা অবধি বিনামূল্যে চিকিৎসা পাবেন। সংকল্প পত্রে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে, আগামী ৫ বছরও বিনামূল্যে রেশন পরিষেবা জারি থাকবে।কংগ্রেস দেশের জন্য চিন্তিত ছিল না, রামলালার কথা ভাবেনি। ওরা শুধু ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করেছে এবং বাধা সৃষ্টি করেছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ঘরে ফিরেছেন রামলালা। তৈরি হয়েছে রাম মন্দির।

    ১০ বছরে সব প্রতিশ্রুতি রেখেছে বিজেপি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “আজ বাবাসাহবে আম্বেদকরের জন্মদিন। এই শুভদিনে বিজেপি ইস্তাহার  (Bjp Manifesto) প্রকাশ করল। দেশ জুড়ে লাখো মানুষ ভারতীয় জনতা পার্টির প্রতি অসীম আস্থা প্রকাশ করেছেন। এর জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানাই। পুরো দেশ অপেক্ষা করছিল বিজেপির ইস্তাহারের। এর কারণ হল বিগত ১০ বছরে বিজেপি প্রতিটি প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে।

    ইস্তাহার কমিটিতে কারা রয়েছেন?

    বিজেপির এই ইস্তাহার (Bjp Manifesto) কমিটিতে রয়েছেন ২৭ জন। কমিটির আহ্বায়ক নির্মলা সীতারামন। সহ-আহ্বায়ক পীযূষ গয়াল। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের মধ্যে কমিটিতে জায়গা হয়েছে ধর্মেন্দ্র প্রধান, অশ্বিনী বৈষ্ণব এবং ভূপেন্দ্র যাদবের। ইস্তাহার কমিটির মাথায় রয়েছেন রাজনাথ। ইতিমধ্যেই এই কমিটির বৈঠক হয়ে গিয়েছে দু’বার। ইস্তাহার তৈরিতে বিজেপি দেড় মিলিয়নেরও বেশি প্রস্তাব পেয়েছে জনগণের কাছ থেকে। সমৃদ্ধশালী ভারত, মহিলা, যুব, গরিব এবং কৃষকের জন্য কী কী উন্নয়নমূলক প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে তা উল্লেখ রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share