Tag: Narendra Modi

Narendra Modi

  • PM Modi: উত্তরপ্রদেশে পুর নির্বাচনে গেরুয়া ঝড়, যোগীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ মোদি

    PM Modi: উত্তরপ্রদেশে পুর নির্বাচনে গেরুয়া ঝড়, যোগীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশে পুরসভা নির্বাচনে কার্যত গেরুয়া (BJP) ঝড়। শনিবার ফল বের হয় ওই নির্বাচনের। তার পরেই যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে রাজ্যে যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে, এই ফলই তার প্রমাণ। ট্যুইট-বার্তায় প্রধানমন্ত্রী উত্তরপ্রদেশের বিজেপি কর্মী এবং পুরভোটে জয়ী দলীয় প্রার্থীদেরও অভিনন্দন জানিয়েছেন। রাজ্যের শাসকদল বিজেপি ১৭টি পুরসভার মধ্যে মেয়র পদে জিতেছে ১৭টিতেই। অযোধ্যা, ঝাঁসি, বরেলি, মথুরা-বৃন্দাবন, মোরদাবাদ, সাহারানপুর, প্রয়াগরাজ, আলিগড়, শাজাহানপুর এবং গাজিয়াবাদে জয়ী হয়েছেন দলীয় প্রার্থীরা।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)…

    উত্তরপ্রদেশে দলের এই বিরাট জয়ের যাবতীয় কৃতিত্ব বিজেপির তরফে দেওয়া হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে। নির্বাচনের আগে ১৩ দিনে ৫০টি জনসভা করেছেন তিনি। বস্তুত এ রাজ্যে বিজেপির প্রচারের মুখ ছিলেন তিনিই। তাই প্রধানমন্ত্রীও তাঁর প্রশংসা করেছেন। দু দফায় হয়েছে পুরসভা নির্বাচন। ভোট (PM Modi) হয়েছে মেয়র, নগর পঞ্চায়েত চেয়ারপার্সন এবং নগরপালিকা পরিষদ চেয়ারপার্সন বাছাই করতে। সর্বত্রই ক্লিন বোল্ড হয়ে গিয়েছেন বিরোধীরা। প্রচারে মুখ্যমন্ত্রী মূলত দুটি বিষয়ের ওপর জোর দিয়েছিলেন।

    একটি হল, উত্তরপ্রদেশে অপরাধী এবং মাফিয়াদের দিন শেষ হয়ে গিয়েছে। দ্বিতীয়টি হল, অখিলেশ যাদবের নেতৃত্বাধীন সমাজবাদী পার্টি। প্রসঙ্গত, ওই নির্বাচনে বিজেপি জিতেছে ১৭টি মেয়র পদে। নগর পঞ্চায়েতের ৫৪৪টি আসন গিয়েছে গেরুয়া ঝুলিতে। নগর পালিকা পরিষদ নির্বাচনে ১৯৯টি আসনেও জয়ী হয়েছে বিজেপি।

    আরও পড়ুুন: সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরতে ব্যাপক প্রচারে নামতে চলেছে মোদি সরকার

    রাজ্যের যে ১৭টি নগর নিগমে বিজেপি (PM Modi) জিতেছে সেগুলি হল রাজধানী লখনউ, প্রয়াগরাজ, কানপুর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্বাচনী কেন্দ্র বারাণসী, মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ যোগীর শহর গোরক্ষপুর এবং অযোধ্যা। সাহারানপুর, আগ্রা, মোরাদাবাদ, ফিরোজাবাদ, মথুরা, ঝাঁসি, মিরাট, গাজিয়াবাদ, বরেলি, শাহজাহানপুর এবং আলিগড়ও রয়েছে এই তালিকায়। এই নগরনিগমগুলির মেয়রপদের পাশাপাশি ১,৪০১টি ওয়ার্ডের কর্পোরেটর পদের ৫০ শতাংশেরও বেশি আসনও গিয়েছে বিজেপির ঝুলিতে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • CBI: সিবিআইয়ের নয়া ডিরেক্টর হচ্ছেন প্রবীণ সুদ, জানেন তিনি কে?

    CBI: সিবিআইয়ের নয়া ডিরেক্টর হচ্ছেন প্রবীণ সুদ, জানেন তিনি কে?

    মাধ্যম বাংলা নিউজ: কর্নাটক (Karnataka) ক্যাডারের আইপিএস (IPS) অফিসার প্রবীণ সুদ (Praveen Sood) হতে চলেছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের (CBI) নয়া ডিরেক্টর। রবিবার এই পদে তাঁর নাম ঘোষণা করা হয়। মেয়াদ শেষ হতে চলেছে সিবিআইয়ের বর্তমান প্রধানের। সেই কারণেই প্রয়োজন ছিল নয়া সিবিআই প্রধান নির্বাচন। সেই জন্যই শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে হয় উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক। বিরোধী দলের প্রতিনিধি হিসেবে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের অধীররঞ্জন চৌধুরী। ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ও। এদিন সিবিআই প্রধান পদে তিনজনের নামের সুপারিশ জমা পড়েছিল। এঁরা হলেন, কর্নাটকের ডিজিপি প্রবীণ সুদ, মধ্যপ্রদেশের ডিজিপি সুধীরকুমার সাক্সেনা এবং দমকল পরিষেবা, নাগরিক প্রতিরক্ষা এবং হোমগার্ড বিভাগের তাজ হাসান।

    সিবিআইয়ের (CBI) ডিরেক্টর…

    বর্তমানে সিবিআইয়ের (CBI) ডিরেক্টর পদে রয়েছেন মুম্বই পুলিশের প্রাক্তন কমিশনার সুবোধকুমার জয়সওয়াল। ২০২১ সালের ২৬ মে সিবিআই ডিরেক্টর পদে উন্নীত হয়েছিলেন তিনি। ২৫ মে শেষ হতে চলেছে তাঁর কার্যকালের মেয়াদ। তাঁর মেয়াদ বাড়ানো হবে, নাকি নতুন কাউকে নিয়োগ করা হবে, তা ঠিক করতেই শনিবার বসেছিল বৈঠক। রবিবার ঘোষণা করা হল প্রবীণের নাম।

    বস্তুত সিবিআই ডিরেক্টর হওয়ার দৌড়ে প্রথম থেকেই এগিয়েছিলেন প্রবীণ। হিমাচল প্রদেশের বাসিন্দা প্রবীণ আইআইটি দিল্লির প্রাক্তনী। ১৯৮৬ সালের আইপিএস অফিসার তিনি। এর আগে টানা তিন বছর ধরে কর্নাটকের ডিজিপি হিসেবে কাজ করেছেন প্রবীণ। ২০২৪ সালের মে মাসে অবসর নেওয়ার কথা ছিল তাঁর। সিবিআই ডিরেক্টর মনোনীত হওয়ায় তাঁকে কাজ করতে হবে কমপক্ষে ২০২৫ সালের মে মাস পর্যন্ত। প্রসঙ্গত, দুর্নীত ও অর্থনৈতিক নানা অপরাধ থেকে শুরু করে সন্ত্রাসবাদের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে হাই প্রোফাইল মামলার তদন্তের দায়িত্ব পায় সিবিআই (CBI)।

    আরও পড়ুুন: সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরতে ব্যাপক প্রচারে নামতে চলেছে মোদি সরকার

    রবিবার যে সরকারি নির্দেশনামা প্রকাশিত হয়েছে, তাতে জানানো হয়েছে প্রবীণকেই সিবিআইয়ের পরবর্তী ডিরেক্টর হিসেবে বেছে নিয়েছে ভারত সরকার। তাঁর কার্যকালের মেয়াদ হবে দু বছর। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলনেতা এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে গঠিত কমিটি নিয়োগ করেন সিবিআই প্রধানকে। এই পদে কাউকে মনোনীত করা হয় দু বছরের জন্য। পরে প্রয়োজনে সর্বাধিক পাঁচ বছর পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে তাঁর মেয়াদ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vande Bharat: ১৫ মে থেকে ছুটবে হাওড়া-পুরী বন্দে ভারত! উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    Vande Bharat: ১৫ মে থেকে ছুটবে হাওড়া-পুরী বন্দে ভারত! উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার অবসান। ১৫ মে থেকে ছুটবে রাজ্যের দ্বিতীয় বন্দে ভারত। হাওড়া-পুরী বন্দে ভারত (Vande Bharat) এক্সপ্রেস ইতিমধ্যে সফল ট্রায়াল রান সম্পন্ন করেছে। ভারতীয় রেল সূত্রে জানা গিয়েছে ১৫ মে থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে, হাওড়া পুরী বন্দে ভারত (Vande Bharat) এক্সপ্রেস। তবে হাওড়া থেকে এই যাত্রা শুরু হবে না, পুরী বা ভুবনেশ্বর থেকেই ট্রেনের উদ্বোধন হবে। উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে তিনি সশরীরে উদ্বোধন করবেন নাকি ভার্চুয়ালি তা এখনও স্থির হয়নি। পাশাপাশি ওই দিনই গড়িয়া থেকে রুবি অবধি মেট্রো পরিষেবারও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    হাওড়া থেকে পুরীর উদ্দেশে কখন ছাড়বে বন্দে ভারত (Vande Bharat)? 

    প্রসঙ্গত, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উদ্বোধন করেন রাজ্যের প্রথম বন্দে ভারত (Vande Bharat) এক্সপ্রেস। হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারতের উদ্বোধন করতে প্রধানমন্ত্রীর কলকাতায় আসার কথা থাকলেও সে সময় অবশ্য ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করতে হয় প্রধানমন্ত্রীকে। প্রধানমন্ত্রীর মাতৃ বিয়োগ হওয়াতেই কাটছাঁট হয় তাঁর কর্মসূচি। পরবর্তীকালে হাওড়া-রাঁচি রুটের বন্দে ভারতের কথা শোনা যায়। কিন্তু পরে তা পরিবর্তিত হয়ে হাওড়া-পুরী রুট করা হয়। তীর্থস্থান এবং পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পুরীর বিপুল জনপ্রিয়তাকেই এক্ষেত্রে মাথায় রাখা হয়েছিল। ১৫ মে দুপুর দেড়টা নাগাদ বন্দে ভারত এক্সপ্রেস এই রুটে প্রথম যাত্রা শুরু করবে বলে জানা যাচ্ছে, তবে তা পুরী বা ভুবনেশ্বর থেকেই। রেল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, হাওড়া-পুরী বন্দে ভারত এক্সপ্রেস প্রতিদিন সকালে হাওড়া স্টেশন থেকে ছাড়বে এবং দুপুরে পুরীতে পৌঁছাবে। আবার ওই ট্রেন পুরী থেকে ছাড়বে এবং হাওড়ার উদ্দেশে রওনা দেবে। বন্দে ভারত (Vande Bharat) এক্সপ্রেসের পুরী পৌঁছাতে সময় লাগবে প্রায় সাড়ে ৬ ঘন্টা। রেলওয়ে আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, প্রতিদিন সকাল ৬:১০ মিনিটে হাওড়া থেকে যাত্রা শুরু করবে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, পুরী থেকে দুপুর ১:৫০ মিনিটে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস আবার হাওড়া উদ্দেশে রওনা দেবে, পৌঁছাবে রাত সাড়ে আটটায়। জানা গিয়েছে হাওড়া পুরীর মাঝে পশ্চিমবঙ্গ থেকে শুধু একটিমাত্র স্টপেজ থাকবে তা হল খড়্গপুর, এছাড়াও ওড়িশার বালাসোর, ভদ্রক, কটক, ভুবনেশ্বর, খুরদায় স্টপেজ দেবে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। ট্রেনের গতিবেগ সম্পর্কে রেলওয়ে আধিকারিকরা জানিয়েছেন তা ঘন্টায় সাধারণভাবে ৭৭ কিলোমিটার এবং সর্বোচ্চ ১৩০ কিলোমিটার বেগে চলবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Third Front: “থার্ড ফ্রন্টে যাচ্ছি না”! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর ঘোষণা নবীনের

    Third Front: “থার্ড ফ্রন্টে যাচ্ছি না”! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর ঘোষণা নবীনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন, অ-বিজেপি, অ-কংগ্রেসী রাজনৈতিক দলগুলিকে এক ছাতার তলায় আনতে রীতিমতো প্রতিযোগিতায় নেমেছে আঞ্চলিক দলগুলি। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক সেই থার্ড ফ্রন্টের (Third Front) সম্ভাবনাতেই জল ঢেলে দিলেন। অ-বিজেপি ও অ-কংগ্রেসী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নবীনের উক্তি, ‘‘এখনই এরকম কোন সম্ভাবনা নেই।’’ প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই বিহার থেকে উড়ে নবান্নে এসেছিলেন নীতিশ কুমার এবং তেজস্বী যাদব। দুজনেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। সম্ভাবনা তৈরি হয় অ-বিজেপি ও অ-কংগ্রেসী দলগুলোর একছাতার তলায় আসার। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, ২০২৪ সালে আবারও সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে বিজেপি। থার্ড ফ্রন্টের (Third Front) মুখ কে হবেন, সে নিয়েই সংশয় রয়েছে। তো এরকম পরিস্থিতিতে থার্ড ফ্রন্টের (Third Front) সম্ভাবনাকে একটা অলীক কল্পনা বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। অভিজ্ঞ মহল বলছে, প্রতিবারই লোকসভা নির্বাচনের আগে আঞ্চলিক দলগুলো মিলে এরকম একটা হাওয়া তৈরি করে। কিন্তু জাতীয় রাজনৈতিক দল হিসেবে কংগ্রেস এবং বিজেপি ছাড়া সব রাজ্যে প্রার্থী দেওয়ার ক্ষমতা কারও নেই।

    বৃহস্পতিবারে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে

    প্রসঙ্গত, এদিন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। জানা গেছে, ওড়িশার উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দুজনের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। বৈঠক শেষে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে এবং ওড়িশার বিভিন্ন উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি, প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি, আমরা পুরীতে একটা বিমানবন্দর গড়তে চাই। ভুবনেশ্বর এয়ারপোর্টের উপর চাপ কমাতেই এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছি, প্রধানমন্ত্রী সব রকম দিক থেকে সহযোগিতা করবেন বলে জানিয়েছেন।’’ প্রসঙ্গত, নীতিশ কুমারের সঙ্গে মঙ্গলবারই বৈঠক হয় নবীন পট্টনায়কের। যদিও এটিকে সৌজন্য সাক্ষাৎকার হিসেবে বলেছেন নবীন পট্টনায়ক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: কর্নাটকে শেষ মুহূর্তের প্রচারে মোদি ঝড়! দুদিনে ৩৬ কিমি রোড শো

    Narendra Modi: কর্নাটকে শেষ মুহূর্তের প্রচারে মোদি ঝড়! দুদিনে ৩৬ কিমি রোড শো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ মুহূর্তে কর্নাটকে নির্বাচনী প্রচারে ঝড় তুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। প্রধানমন্ত্রীকে এক ঝলক দেখতে রাস্তার দুপাশে মানুষের ঢল নামে। বিশেষ ডিজাইনের তৈরি গাড়িতে প্রধানমন্ত্রী সওয়ার হন। বেঙ্গালুরুর আশপাশের ১৩ টি বিধানসভা কেন্দ্রের উপর দিয়ে হয় প্রধানমন্ত্রীর রোড শো। শনিবার ২৬ কিমি রোড শো করার পর রবিবারও প্রধানমন্ত্রী ১০কিমি শোভাযাত্রা করেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, দক্ষিণের এই রাজ্য জয়ের ব্যাপারে ভারতীয় জনতা পার্টি একেবারেই আশাবাদী। বছর ঘুরলেই লোকসভার ভোট। উত্তর ভারতে এখনও যে বিজেপির জনসমর্থনের ভিত্তি আছে, তা স্পষ্ট হয়ে গেছে গত বছরের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে। যেখানে ৩০ বছর পরে কোনও দল দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসতে সক্ষম হয়েছে। অন্যদিকে কর্নাটকেও আবার বিজেপি ক্ষমতায় আসতে চলছে, এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সারাদেশে এই মুহূর্তে সবথেকে বড় ভোট-ক্যাচার নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। তাঁর রোড শো ঘিরে কর্নাটকে ছিল তুমুল আগ্রহ। রবিবার প্রধানমন্ত্রীর রোড শো শুরু হয় সকাল ১০টা নাগাদ বেঙ্গালুরুর তিপ্পাসন্দ্রা রোড থেকে এবং তা শেষ হয় ট্রিনিটি সার্কেলে বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ।

    কর্নাটকের ভোট ১০ মে এবং গণনা ১৩ মে

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এদিন রোড শো’তে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর, যিনি বর্তমানে কর্নাটক থেকে রাজ্যসভার সাংসদ। বেঙ্গালুরু সেন্ট্রালের সাংসদ পি সি মোহনকেও দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। গতকালই প্রধানমন্ত্রী কর্নাটকের রাজধানীর দক্ষিণ দিকে রোড শো করেন। বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, রাস্তার দুপাশে মানুষের ঢল যেভাবে নেমেছে, তা তিনি সারা জীবন মনে রাখবেন। জানা গিয়েছে, আজকের পর বেশ কতগুলি জায়গায় জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রসঙ্গত কর্নাটকের ভোট ১০ মে এবং গণনা ১৩ মে।

     

    আরও পড়ুন: চলতি মাসেই কাশ্মীরে জি২০-র বৈঠক, বানচাল করতেই কি লাগাতার জঙ্গি হামলা?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anji Khad Bridge: দেশের প্রথম কেবল রেলসেতু উদ্বোধনের অপেক্ষায়! ভিডিও পোস্ট রেলমন্ত্রীর

    Anji Khad Bridge: দেশের প্রথম কেবল রেলসেতু উদ্বোধনের অপেক্ষায়! ভিডিও পোস্ট রেলমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া পালক ভারতীয় রেলের মুকুটে। দেশের প্রথম কেবল রেলসেতু, অঞ্জি খাড় ব্রিজের (Anji Khad Bridge) কাজ সম্পূর্ণ। এবার এই কেবল সেতুর উপর দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হওয়া কেবল সময়ের অপেক্ষা! ইতিমধ্যে সেতুর ভিডিও পোস্ট করে ট্যুইট করেছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। ৬৫৩ কিলোমিটার দীর্ঘ কেবল দিয়ে তৈরি রেলসেতুটি ট্রেন চলাচলের জন্য প্রস্তুত বলেও জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী। তাঁর সেই ট্যুইট-ভিডিওটি চমৎকার বলে পাল্টা রি-ট্যুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    রেলমন্ত্রীর ট্যুইট

    রেলমন্ত্রীর ট্যুইটে অঞ্জি খাড় কেবল রেলসেতুর (Anji Khad Bridge) নিঁখুত বর্ণনা তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিটি কেবল সেতু প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত কীভাবে বাঁধা রয়েছে, সেটিও ভিডিওতে দেখানো হয়েছে। বিভিন্ন দিক, এমনকি উপর ও নীচে থেকেও সেতুটির ছবি তুলে ধরা হয়েছে ভিডিওটিতে। অঞ্জি খাড় সেতুর ভিডিও পোস্ট করে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব শিরোনামে লিখেছেন, “১১ মাসে ভারতের প্রথম কেবল রেল সেতু প্রস্তুত। মোট ৯৬টি কেবল রয়েছে অঞ্জি খাড় ব্রিজে (Anji Khad Bridge)। কেবলের মোট দৈর্ঘ্য ৬৫৩ কিলোমিটার।”

    ভূমিকম্পেও ব্রিজের কোনও ক্ষতি হবেনা

    ভারতীয় রেলওয়ের উদমপুর-শ্রীনগর-বারমুল্লা রেল সংযোগ প্রকল্পের অধীনে জম্মু ও কাশ্মীরের রিয়াসি জেলায় অঞ্জি খাড় কেবল সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। এটিই দেশের প্রথম কেবল রেলসেতু। এটি কাটরা থেকে বানিহালের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে। উন্নতমানের প্রযুক্তিতে নির্মিত এই ব্রিজটির উপর দিয়ে ১০০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন ছুটতে পারবে এবং ভূমিকম্পেও ব্রিজটির (Anji Khad Bridge) কোনও ক্ষতি হবে না বলে কর্তৃপক্ষের দাবি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mann ki Baat: ‘মন কি বাত’-এর শততম পর্বে ১০০ টাকার স্মারক মুদ্রা আনতে চলেছে মোদি সরকার

    Mann ki Baat: ‘মন কি বাত’-এর শততম পর্বে ১০০ টাকার স্মারক মুদ্রা আনতে চলেছে মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আসতে চলেছে নতুন ১০০ টাকার কয়েন। জানা গিয়েছে, এ সংক্রান্ত যাবতীয় প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই সারা হয়ে গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মন কি বাত’ (Mann ki Baat) ১০০তম পর্ব পূর্ণ করছে আগামী ৩০ এপ্রিল। এই পর্বটিকে স্মরণীয় করে রাখতেই ১০০ টাকার একটি স্মারক কয়েন আনা হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। এছাড়া মন কি বাত-এর ১০০তম পর্বকে বিশেষ করে তুলতে আরও একাধিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা যাচ্ছে। এক লাখেরও বেশি বুথে প্রধানমন্ত্রীর এই অনুষ্ঠানের পর্ব সম্প্রচারের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    এই ১০০ টাকার কয়েন দেখতে কেমন হবে

    জানা গিয়েছে, ১০০ টাকার এই কয়েনটি দেখতে হবে গোলাকার। আয়তন ৪৪ মিলিমিটার। চারটি ধাতু রুপো, তামা, নিকেল এবং দস্তা দিয়ে তৈরি হবে এই কয়েনটি। অশোক স্তম্ভের সিংহ থাকবে কয়েনের উল্টোদিকে ঠিক মাঝ বরাবর। তার নিচে লেখা থাকবে ‘সত্যমেব জয়তে’। দেবনাগরী লিপিতে ‘ভারত’ শব্দটি বাম পেরিফেরিতে এবং ইংরেজিতে ‘ইন্ডিয়া’ ডান পেরিফেরিতে লেখা থাকবে।

    এছাড়া মুদ্রার উলটো দিকে থাকবে ‘মন কি বাত’ (Mann ki Baat)-এর ১০০তম পর্বের প্রতীক। শব্দতরঙ্গ সহ একটি মাইক্রোফোনের ছবি থাকবে প্রতীক হিসেবে। মাইক্রোফোনের ছবির উপরে ২০২৩ লেখা থাকবে এবং এই ছবির উপরে দেবনাগরী লিপিতে এবং ইংরেজিতে ‘মন কি বাত ১০০’ লেখা থাকবে। জানা যাচ্ছে, এক একটি কয়েনের ওজন হবে ৩৫ গ্রাম।

    পূর্বে ১০০ টাকার কয়েনের ইতিহাস

    প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর স্মরণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ১০০ টাকার কয়েন প্রকাশ করেছিলেন।
       

    রাজমাতা বিজয়রাজে সিন্ধিয়ার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ১০০ টাকার একটি স্মারক মুদ্রা আনা হয়েছিল।

    এআইএডিএমকে-এর প্রতিষ্ঠাতা এমজি রামচন্দ্রনের শতবর্ষে ১০০ টাকার একটি মুদ্রা জারি করা হয়েছিল।

    মহারানা প্রতাপের ৪৭৬তম জন্মবার্ষিকীতে ১০০ টাকার একটি কয়েন আনা হয়েছিল।
        
    এর আগে ২০১০, ২০১১, ২০১২, ২০১৪, ২০১৫ সালেও ১০০ টাকার কয়েন সামনে আনা হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।
  • Narendra Modi: কালো টুপি, জংলা পোশাক! নয়া লুকে জঙ্গল সাফারিতে প্রধানমন্ত্রী 

    Narendra Modi: কালো টুপি, জংলা পোশাক! নয়া লুকে জঙ্গল সাফারিতে প্রধানমন্ত্রী 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালো টুপি, খাকি প্যান্ট আর জলপাই রঙের টি-শার্ট। হাতে ধরা হাতাকাটা জ্যাকেট। অন্য লুকে ধরা দিলেন প্রধানমন্ত্রী। রবিবার সকালে মহীশূরের বান্দিপুর ও মধুমালাই ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্রে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi)। এদিন তিনি দিল্লি থেকে রওনা হতেই প্রধানমন্ত্রী দফতরের তরফে ছবি প্রকাশ করা হয়। সেখানেই নয়া লুকে তাঁকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, এদিন মহীশূরে ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনের পাশাপাশি ব্যাঘ্র প্রকল্পের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠানেরও উদ্বোধন করবেন তিনি।

    কর্নাটক ও তামিলনাড়ুতে সফর প্রধানমন্ত্রীর

    এদিন বাঘ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গিও স্পষ্ট করেন প্রধানমন্ত্রী। International Big Cats Alliance বা IBCA নামে প্রকল্পও চালু করেন তিনি। প্রথমে চামরাজানগর জেলার বান্দিপুর ব্যাঘ্র প্রকল্প, সেখানে বনাধিকারী ও বনকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)। এর পরই পড়শি রাজ্য তামিলনাড়ুর মধুমালাই ব্যাঘ্র প্রকল্পের অন্তর্গত থেপাক্কাডু কুনকি হাতির ক্যাম্পে রওনা হন তিনি। উল্লেখ্য, এদিন বাঘ সংরক্ষণ কেন্দ্রের ফিল্ড ডিরেক্টরদের সঙ্গেও বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। সূত্রের খবর, বাঘ সংরক্ষণ নিয়ে তাঁদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন তিনি। 

    মোদি (Narendra Modi) সরকারের আমলে কমেছে চোরা শিকার

    ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বন্যপ্রাণীর চোরাশিকার ও চোরাচালান বন্ধ করতে উদ্যোগী হন মোদি (Narendra Modi)। এব্যাপারে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলিকে এগিয়ে আসতে আহ্বান জানান তিনি। তাঁর সেই বার্তাকেই গোটা দুনিয়ায় ছড়িয়ে দিতে IBCA চালু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। অন্যদিকে তাঁর এই উদ্যোগে মিলেছে সাফল্যও। অসমে বন্ধ করা গেছে চোরা শিকার। পরিসংখ্যান বলছে গত বছরে একটিও গণ্ডার শিকার হয়নি অসমে।

    বাড়ছে বাঘের সংখ্যা

    প্রাথমিক পর্যায়ে বাঘের সংখ্যা বাড়াতে মোট ৯টি সংরক্ষিত বনাঞ্চলকে বেছে নেওয়া হয়েছিল। ১৮ হাজার ২৭৮ বর্গ কিলোমিটার জঙ্গলে শুরু হয় বাঘ সংরক্ষণের কাজ। বর্তমানে গোটা দেশে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের সংখ্যা ৫৩। ৭৫ হাজার বর্গ কিলোমিটার জুড়ে যা ছড়িয়ে রয়েছে। কেন্দ্রের দেওয়া সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে বছরে ৬ শতাংশ হারে বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিন হাজারের কাছাকাছি বাঘ রয়েছে গোটা দেশে। এই সংখ্যা যথেষ্ট স্বস্তি দায়ক বলেই মানছেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: গুলাম নবির মোদি বন্দনা! একহাত নিলেন রাহুলকেও, কী বললেন বর্ষীয়ান নেতা?  

    Narendra Modi: গুলাম নবির মোদি বন্দনা! একহাত নিলেন রাহুলকেও, কী বললেন বর্ষীয়ান নেতা?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার মোদির (Narendra Modi) প্রশংসায় পঞ্চমুখ জম্মু কাশ্মীরের দলত্যাগী কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদ। প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা সম্প্রতি ফের একবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) প্রশংসা করে তাঁকে ‘২৪ ঘণ্টার রাজনীতিক’ এবং ‘যোগ্যতমের উদবর্তন’ বলে প্রশংসা করেন। লড়াই করে নিজের জায়গা তৈরি করেছেন মোদি। পাশাপাশি রাহুল গান্ধীর প্রতিও আক্রমণ শানিয়েছেন এই প্রবীণ নেতা। তাঁর মতে, ইন্দিরা গান্ধী বা রাজীব গান্ধী যা করেছেন তার ১ শতাংশ কাজ করলেই তিনি ‘সফল’ হতেন। তিনি আরও বলেন, রাহুলই প্রধান কারণ যে তিনি এবং আরও অনেকে আজ কংগ্রেসে নেই। এমনকী তাঁর দাবি, এতদিনের পুরনো একটি দলের সদস্য হয়ে থাকতে কেউই ‘মেরুদণ্ডহীন’ হবে না। প্রসঙ্গত, এই নতুন নয় এর আগে ২০২১ সালেও নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) প্রশংসা করেছিলেন গুলাম নবি আজাদ। তখন কংগ্রেসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ওই নেতা বলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী যেভাবে নিজের সাধারণ জীবনযাপনের অতীতকে অকপটে বলতে পারেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়। ২০২৪ সালের ভোটের আগে এমনিতেই ব্যাকফুটে কংগ্রেস। দল ছাড়ছেন একের পর এক কংগ্রেস নেতা, সেই আবহে বর্ষীয়ান এই প্রবীণ নেতার মোদি (Narendra Modi) স্তুতি বিজেপিকে বাড়তি অক্সিজেন দেবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    ‘ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ আজাদ পার্টি’ নামে একটি দল গঠন করেন আজাদ 

    গুলাম নবি আজাদ, গত বছর দলের নেতৃত্বের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে কংগ্রেস ছেড়ে ‘ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ আজাদ পার্টি’ নামে একটি দল গঠন করেছিলেন। কংগ্রেস সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সন সনিয়া গান্ধী এবং  কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে-র তার দলের ফেরার সম্ভাবনা নিশ্চিত করে বলতে পারেনি। এদিন নবি আরও বলেন, ‘রাহুলের অপরিণত এবং শিশুসুলভ আচরণের জন্যই কংগ্রেসের এই বিপর্যয়’। এদিন তিনি রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দলের অনান্য নেতাদের সুরাটের আদালতে যাওয়া নিয়েও পালটা প্রশ্ন তোলেন। আজাদ তার বিবৃতিতে বলেন, ‘সমস্ত রাজনৈতিক দলের কিছু ত্রুটি রয়েছে, কংগ্রেসেও কিছু ত্রুটি রয়েছে। আমি আশা করি কংগ্রেস দল নিজেদের সেই ভুলগুলি সংশোধন করবে।’ তিনি আরও বলেন, সময় কারো জন্য অপেক্ষা করে না। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) বা তাঁর মতাদর্শকে তিনি পছন্দ করেন না বলে মন্তব্য করে নবি জানান, কিন্তু তিনি চব্বিশ ঘণ্টার রাজনীতিক, তাঁর সঙ্গে লড়াই করার সময় সেটা উপেক্ষা করা উচিত নয়। যদিও এটা বলার পর কংগ্রেস নেতারা আমাকে ‘মোদি-ভক্ত’ বলে কটাক্ষ করছেন, কিন্তু আমি ‘আজাদি-ভক্ত’। গুলাম নবি আজাদ দাবি করেন, তিনি কংগ্রেস পার্টি ছেড়ে দিয়েছেন ঠিকই কিন্তু রাজনীতির প্রতি তাঁর দৃষ্টিকোণ বদলায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ফের কর্ণাটকে বিঘ্নিত প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা! কনভয়ে ঢোকার চেষ্টা যুবকের

    Narendra Modi: ফের কর্ণাটকে বিঘ্নিত প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা! কনভয়ে ঢোকার চেষ্টা যুবকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জানুয়ারি মাসের পর আবারও! ফের কর্ণাটকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) নিরাপত্তায় বড়সড় গলদ। এবার রোড শো চলাকালীন প্রধানমন্ত্রীর কনভয়ে ঢোকার চেষ্টা করলেন এক অজ্ঞাতপরিচয় যুবক। যদিও প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাওয়ার আগেই ওই যুবককে আটকে দেন নিরাপত্তারক্ষীরা।

    কর্ণাটকে এদিন নির্বাচনী প্রচারে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)

    শনিবার কর্ণাটকে জনসভা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi)। জনসভা শেষে একটি রোড শো করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই রোড শো চলাকালীনই মোদির কনভয়ে এক যুবক ঢোকার চেষ্টা করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই ঘটনার একটি ভিডিও ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। যাতে দেখা যাচ্ছে, এক যুবক হঠাৎ করেই নিরাপত্তা বলয় ভেঙে প্রধানমন্ত্রীর রোড শো-তে ঢোকার চেষ্টা করছেন। যদিও পরক্ষণেই নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে আটকে দেন।

    গত জানুয়ারি মাসেও একই ঘটনা ঘটেছিল 

    এর আগে গত জানুয়ারি মাসেই কর্ণাটকে প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) নিরাপত্তায় গলদ ধরা পড়েছিল। সেবারেও প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় এক যুবক ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন। জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর রোড শো চলছিল। রাস্তায় দু’পাশে ছিলেন অসংখ্য মানুষ। গাড়ির দরজায় দাঁড়িয়ে জনতার অভিবাদন গ্রহণ করছিলেন মোদি। আচমকা হাতে মালা নিয়ে নিরাপত্তার বলয় ভেঙে ঢুকে পড়েন এক যুবক। তিনি গাড়ির কাছে প্রধানমন্ত্রীর গলায় মালা পরানোর চেষ্টা করেন। শেষ পর্যন্ত তাকে নিরস্ত করেন উপস্থিত নিরাপত্তারক্ষীরা।

    বছরখানেক আগে পাঞ্জাবে প্রশ্নের মুখে পড়েছিল প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা

    বছর খানেক আগে পাঞ্জাব সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়েছিল। উড়ালপুলে ওঠার মুখে বিক্ষোভকারীরা রাস্তা আটকে দাঁড়িয়ে থাকায় প্রধানমন্ত্রীর কনভয় প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট আটকে পড়েছিল। পঞ্জাব সরকারের কাছ থেকে এই ঘটনার বিশদ রিপোর্ট চেয়ে পাঠায় কেন্দ্র। ঘটনার জল সুপ্রিম কোর্ট অবধি গড়ায়। সেই সময় পাঞ্জাবের কংগ্রেস সরকার রাজ্যের পুলিশ প্রধানকে পদ থেকে সরিয়ে দেয়। এভাবে পরপর প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় গলদ ধরা পড়াটা বেশ উদ্বেগজনক। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

LinkedIn
Share