Tag: Narendra Modi

Narendra Modi

  • PM Narendra Modi: “আমার মিশন হল সমগ্র দেশের উন্নয়ন”, সাক্ষাৎকারে বললেন মোদি

    PM Narendra Modi: “আমার মিশন হল সমগ্র দেশের উন্নয়ন”, সাক্ষাৎকারে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিন পরেই দিল্লিতে বসছে জি২০ সম্মেলন। তার আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) সাক্ষাৎকার দিলেন ‘মানি কন্ট্রোল’-কে। বর্তমান পৃথিবীতে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে ভারতের অবস্থান এবং ভূমিকা ঠিক কী হতে চলেছে, এ বিষয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। ‘মানি কন্ট্রোল’কে দেওয়া সেই সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হল।

    প্রশ্ন: জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে ভারত সভাপতিত্ব করছে, এ বিষয়ে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি কী?

    প্রধানমন্ত্রীর উত্তর (PM Narendra Modi): যদি আপনারা জি২০ সম্মেলনের দিকে লক্ষ্য করেন, তাহলে দেখবেন আমাদের মোটো রয়েছে ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’। যার অর্থ ‘‘এক পৃথিবী, এক পরিবার এবং এক ভবিষ্যৎ’’। আমাদের কাছে সমস্ত পৃথিবী হল একটা পরিবারের মতো। যেখানে পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে অন্য সদস্যের উপর। যখন আমরা একসঙ্গে কাজ করি তখন আমরা একসঙ্গে এগিয়ে যাই। গত ৯ বছর ধরে আমরা সাক্ষী থেকেছি ‘‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস, সবকা প্রয়াস’’ এই নীতির। এটাই হল আমাদের বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্কের উপাদান।

    সবকা সাথ: সমগ্র পৃথিবী একসঙ্গে থেকে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করা।

    সবকা বিকাশ: পৃথিবীর প্রতিটি অঞ্চলে মানব উন্নয়নের কাজ করা।

    সবকা বিশ্বাস: প্রত্যেকের বিশ্বাসকে জিতে নেওয়া।

    সবকা প্রয়াস: প্রতিটি দেশের যে সমস্ত কিছু শক্তি এবং রসদ আছে, তার ভরপুর প্রয়োগ করা।

    প্রশ্ন: বর্তমানে আপনি (PM Narendra Modi) বিশ্ব নেতাদের সম্মেলন করছেন, যখন সারা পৃথিবী একটি ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে এমন অস্থির-পরিস্থিতি আর দেখা যায়নি। এই আবহে জি২০ শীর্ষ সম্মেলনের থিম রাখা হয়েছে ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’, ‘‘এক পৃথিবী এক পরিবার এবং এক ভবিষ্যৎ।’’ এ বিষয়ে বিশ্ব নেতাদের প্রতিক্রিয়া ঠিক কী? 

    প্রধানমন্ত্রীর উত্তর: বিগত কয়েক বছরে সারা পৃথিবী সাক্ষী থেকেছে ভারতবর্ষের উন্নয়নের। বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই উন্নয়ন হয়েছে। আমরা অর্থনৈতিক ভাবে সমৃদ্ধশালী হয়েছি, আমাদের ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রের সংস্কার হয়েছে। সামাজিকভাবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমরা এগিয়েছি। ডিজিটাল, ফিনান্সিয়াল সহ আরও অনেক দিকে ভারতের উন্নতি যথেষ্ট সদর্থক। বিদ্যুৎ, হাউসিং সমেত বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারত উন্নতির শিখর ছুঁয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং সংস্থা ভারতের এই বিকাশকে স্বাগত জানিয়েছে। সারা বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগকারীরা ভারতবর্ষকে তাঁদের অন্যতম পছন্দের জায়গা হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

    যখন বিশ্বব্যাপী মহামারি ছড়িয়ে পড়ল, তখন সবার একটা কৌতূহল ছিল যে ভারত কীভাবে এই চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করবে! আমরা অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে এই চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে পেরেছি। ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চলের দরিদ্র মানুষদেরকেও এই সুবিধা আমরা দিয়েছি। আমাদের ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার আমাদের সাহায্য করেছে সরাসরি উন্নয়নকে ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দিতে। আমরা ২০০ কোটিরও বেশি করোনা ভ্যাকসিনের ডোজ বিনামূল্যে দিতে পেরেছি। আমরা ১৫০-এরও বেশি দেশে করোনার ভ্যাকসিন এবং ওষুধ সরবরাহ করতে পেরেছি। এটা আমাদের মানবকেন্দ্রিক বিকাশ নীতির কারণেই সম্ভব হয়েছে।

    এরই মাঝে বিগত ৯ বছর ধরে সারা পৃথিবী সাক্ষী থেকেছে, অপ্রচলিত শক্তির ব্যবহার এবং বিপর্যয় মোকাবিলার পরিকাঠামো তৈরিতে ভারত ঠিক কতটা এগিয়েছে। সারা বিশ্বের মানুষের আস্থা এবং বিশ্বাসের জায়গা করে নিতে পেরেছে আমাদের দেশ। সে কারণেই আমরা জি২০ এর মতো শীর্ষ সম্মেলনের সভাপতিত্ব করতে পেরেছি। জি২০ বিষয়ে যখন আমরা আমাদের অ্যাজেন্ডা প্রকাশ করি, বিশ্বব্যাপী তা গ্রহণ করা হয় এবং প্রশংসিত হয়। তার কারণ পৃথিবীর বিভিন্ন ইস্যুতে সমস্যার সমাধান করতে আমরা সক্ষম, যা সকলেই জানে। বর্তমান জি২০ সম্মেলনের সভাপতি হিসেবে আমরা লঞ্চ করব বায়োফুয়েল-অ্যালায়েন্স। এর ফলে পরিবেশ বান্ধব শক্তির ব্যবহার যেমন বাড়বে বিভিন্ন দেশগুলির মধ্যে, তেমনই খরচ কমবে জ্বালানির।

    প্রশ্ন: আপনি (PM Narendra Modi) ব্যাখ্যা করেছেন যে ভারতের সভাপতিত্বে জি২০ সম্মেলন আসলে জনগণের সভাপতিত্ব। শুধু একটি বা দু’টি শহরে নয়, জি২০ এর ইভেন্টগুলি অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের বিভিন্ন শহরে। কেন নিলেন এমন সিদ্ধান্ত?

    প্রধানমন্ত্রীর উত্তর: অনেক মানুষই আমার জীবন সম্পর্কে পুরোটা জানেন। আমি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগে, অনেক দশক ধরেই সাংগঠনিক কাজ করতাম রাজনৈতিক এবং অরাজনৈতিক ক্ষেত্রে। সেই হিসেবে আমাকে জেলায় জেলায় সফর করতে হতো। ভারতবর্ষের প্রায় প্রতিটি জেলাতেই আমার সফর করার সৌভাগ্য হয়েছে। এই সময়কালের মধ্যে আমি অনেক কিছু শিখেছি, ভারতের বৈচিত্র, বিভিন্ন অঞ্চলে মানুষের সংস্কৃতি, তাদের সমস্যা এবং আরও বিভিন্ন দিক সম্পর্কে। যা আমার কাছে একটা অনন্য অভিজ্ঞতা। এই এত বৈচিত্রতার মধ্যেও আমি লক্ষ্য করেছি যে আমাদের মধ্যে একটা সাধারণ বিষয় আছে এবং সেটা হল ‘হ্যাঁ পারব’ ‘আমরা পারব’। ক্ষমতার বৃত্তে থেকে সর্বপ্রথম ভাবা গিয়েছে দিল্লির বাইরেও কিছু করার কথা।

    আমরা (PM Narendra Modi) আরও দেখেছি যে পৃথিবীব্যাপী নেতারা শুধুমাত্র রাজধানীতে অথবা দু-একটি নির্বাচিত শহরে আসতেন। এবারে দেশের প্রায় কম বেশি গুরুত্বপূর্ণ সব শহরেই অনুষ্ঠিত হয়েছে জি২০ সম্মেলন। যার ফলে বিশ্বের নেতারা ভারতের বৈচিত্র নিজের চোখে দেখার সুযোগ পেয়েছেন। এই যেমন ধরুন তৎকালীন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মের্কেল তিনি বেঙ্গালুরুতে সফর করেছেন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ, জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে বারাণসীতে সফর করেছেন। পর্তুগিজের রাষ্ট্রনেতারা গোয়া এবং মুম্বইতে সফর করেছেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শান্তিনিকেতনের সফর করেছেন। দিল্লির বাইরেও বিভিন্ন জায়গাতে সফর করার সুযোগ পেয়েছেন বিশেষ তাবড় রাষ্ট্রনেতারা। জি২০ সম্মেলনে ২২০টি মিটিং হয়েছে দেশের ৬০টি শহরে, ২৮টি রাজ্যে এবং ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। এক লাখেরও বেশি প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেছেন ১২৫টি দেশ থেকে। আমাদের দেশে প্রায় দেড় কোটি মানুষ কোনও না কোনও ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন এই অনুষ্ঠানগুলোকে সফল করার জন্য।

    প্রশ্ন: জি২০ গঠন করা হয়েছিল ১৯৯৯ সালে, এশিয়ার অর্থনৈতিক সংকটকে সামলানোর জন্য। ঘটনা হল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তীকালে অসংখ্য আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে, কিন্তু সেগুলি তাদের উদ্দেশ্য পূরণে সেভাবে সফল হয়নি। আপনি (PM Narendra Modi) কি মনে করেন জি২০ তাদের উদ্দেশ্য পূরণে সফল হবে? 

    প্রধানমন্ত্রীর উত্তর: আমি মনে করি এটা আমার বিষয় নয়। কিন্তু আমি মনে করি এটা একটা ভালো প্রশ্ন। সম্প্রতি, জি২০, ২৫ বছরে পদার্পণ করতে চলেছে। এই সময়ের মধ্যে অবশ্যই দেখতে হবে জি২০ কতটা উদ্দেশ্য পূরণ করতে পেরেছে! জি২০ প্রসঙ্গে বলতে গেলে এটা বলা যায় যে বিভিন্ন দেশ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন, ধারাবাহিকভাবে জি২০ এর সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলি নিজেদের মতো করে তথ্য আদান-প্রদান করছে। বিভিন্ন পরিকল্পনা নিচ্ছে। আমাদের দেশ ভারতও এই অ্যাকটিভ ফোরামের অংশ। সন্ত্রাসবাদ থেকে কালো টাকা, জলবায়ু থেকে সার্বিক উন্নয়ন-এই সমস্ত বিষয়েই আলোচনা হয়েছে এবং পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে।

    প্রশ্ন: পৃথিবীব্যাপী বিভিন্ন শক্তির বিচ্ছিন্নতা নজরে পড়ছে। যেমন একদিকে চিনের নেতৃত্বে তৈরি হয়েছে জোট, অন্যদিকে আমেরিকার নেতৃত্বে তৈরি হয়েছে অন্য আরেকটি জোট। অন্যদিকে ভারত ‘মাল্টি পোলার’ পৃথিবীর পক্ষে সওয়াল করছে। এ বিষয়ে আপনার (PM Narendra Modi) কী বক্তব্য?

    প্রধানমন্ত্রীর উত্তর: আমরা এমন একটা পৃথিবীতে বাস করছি যেখানে প্রত্যেকেই প্রত্যেকের উপর নির্ভরশীল। এই সময়ে মধ্যে এটাও বাস্তব যে প্রত্যেক দেশই তার নিজস্ব স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছে। তাই এই আবহে সচেতনতা বাড়াতে হবে আমাদের, প্রত্যেকের সাধারণ উদ্দেশ্যটা ঠিক কী। বর্তমানে পৃথিবীতে অনেকগুলি শক্তি অবস্থান করছে। প্রত্যেকেই অন্য দেশের একাধিক ইস্যুতে সম্মত হচ্ছে। আবার বিরুদ্ধ মতও পোষণ করছে। এই বাস্তবতাকে স্বীকার করে নিজ দেশের স্বার্থকে তুলে ধরতে হবে আমাদের। বহু দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক রয়েছে যারা বিভিন্ন ইস্যুতে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, আবার বিরোধিতাও করেছে।

    প্রশ্ন: বহুমুখী সংস্কারের ক্ষেত্রে আপনার নীতি ঠিক কী?

    প্রধানমন্ত্রীর উত্তর: কোনও প্রতিষ্ঠানে কখনও সংস্কার হতে পারে না, যদি তা পৃথিবীর কোনও নিয়মকে লঙ্ঘন করে। আমরা প্রতিষ্ঠানিক সংস্কারের কথা বলি। এর বাইরেও বহুমাত্রিক সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। ব্যক্তিগত পর্যায়ে উন্নয়নকে পৌঁছে দেওয়ার জন্য, সামাজিকভাবে অগ্রগতির জন্য সাংস্কৃতিকভাবে সমৃদ্ধশালী হওয়ার জন্য এবং সভ্যতার অগ্রগতির জন্য যে কোনও ক্ষেত্রে সংস্কার খুবই প্রয়োজন। এটা তখনই সম্ভব যখন গণতান্ত্রিকভাবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিটি দেশের সঙ্গে প্রতিটি দেশের একটি সম্পর্ক তৈরি হবে। সারা পৃথিবীর মানুষের মধ্যে যোগাযোগের সেতু তৈরি হলেই এটা সম্ভব। এক দেশের মানুষের সঙ্গে অপর দেশের মানুষের যোগাযোগ বাড়বে বাণিজ্য এবং পর্যটনের মাধ্যমে, বিজ্ঞান এবং ক্রীড়ার মাধ্যমে, সংস্কৃতি এবং বাণিজ্যের মাধ্যমে।

    প্রশ্ন: সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ভারতের আজ সুসম্পর্ক রয়েছে।  আপনার (PM Narendra Modi) কি মনে হয় যে জি২০ তে ভারতবর্ষ বর্তমানে সকল দেশের বিশ্বস্ত কণ্ঠস্বর? 

    প্রধানমন্ত্রীর উত্তর: বিগত কয়েক দশকের একটি অস্থিরতার পরে ২০১৪ সালে ভারতের জনগণ একটি স্থায়ী সরকারকে নির্বাচিত করেছেন। যে সরকারের অ্যাজেন্ডা শুধুই সারা ভারতের অগ্রগতি এবং বিকাশ। এই সংস্কারগুলি সম্ভব হয়েছে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে, শিক্ষার ক্ষেত্রে, স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে এবং সামাজিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে। যখনই কোনও দেশ আমাদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেছে তখনই তারা বুঝেছে যে ভারত একটি বিশ্বস্ত বন্ধু। সেই সমস্ত দেশগুলির নিজেদেরও নানা সমস্যার মোকাবিলা এবং সংস্কারের জন্য ভারতকে দরকার পড়ছে। এইভাবেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে।

    প্রশ্ন: জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে উন্নত দেশগুলি তাদের প্রতিশ্রুতি রাখেনি, উপরন্তু দেখা যাচ্ছে যুদ্ধক্ষেত্রে তারা অর্থ ব্যয় করেই চলেছে। এবিষয়ে জি২০ সম্মেলনে বিশ্বের ধনী দেশগুলি সম্পর্কে আপনার (PM Narendra Modi) বার্তা ঠিক কী?

    প্রধানমন্ত্রীর উত্তর: আমার মনে হয় আমাদের সকলকে বুঝতে হবে যে সারা পৃথিবীতে উন্নয়নশীল দেশ এবং উন্নত দেশ রয়েছে। শুধুমাত্র জলবায়ুর পরিবর্তন কোনও অঞ্চলের সমস্যা নয়, এটা সারা পৃথিবীব্যাপী সমস্যা। আমাদের এটা বুঝতে হবে যে এই পৃথিবীতে গরিব দেশগুলির সাহায্য দরকার। বিশ্বের বৃহত্তম জনসংখ্য়াকে যা বিপদে ফেলবে তা অবশ্যই সারা বিশ্বের সমস্যা-এটা আমাদের বুঝতে হবে। পাশাপাশি আমাদের নীতি এবং কৌশলেও পরিবর্তন করতে হবে। পারস্পরিক দোষারোপ, সমালোচনা এগুলি আমাদের যেন লক্ষ্য না হয়। পরিবর্তে আমাদের সম্পূর্ণ ফোকাস করতে হবে কৃষি সমেত শক্তিক্ষেত্র এবং জীবনযাত্রার মানের ওপর।

    প্রশ্ন: আপনি (PM Narendra Modi) অপ্রচলিত শক্তির ক্ষেত্রে সর্বদাই সওয়াল করেন। অপ্রচলিত শক্তির ব্যবহারের বিষয়ে জি-২০ এর সদস্য দেশগুলির কী করা উচিত? 

    প্রধানমন্ত্রীর উত্তর: আমি আপনাদেরকে বলে দিতে চাই, ২০২৩ সালের মধ্যে ৪০ শতাংশ আমাদের শক্তি আসবে নন ফসিলস্ জ্বালানির উৎস থেকে। সরকার এখন নজর দিচ্ছে ইলেকট্রিক যানবাহন শিল্পের উপর এবং এতে এখন সফলতাও দেখা গিয়েছে। মানুষ ভাল রকমের প্রতিক্রিয়া দিচ্ছে অপ্রচলিত শক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রে। কারণ এটি একটি বিকল্প শক্তির উৎস। গত ৯ বছরে মোদি সরকারের নানা প্রকল্পের ফলে নিরাপদ স্যানিটেশন, ব্যবস্থা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ইন্টারন্যাশনাল সোলার অ্যালায়েন্স বর্তমানে একটি মন্ত্র নিয়েছে তা হল, ‘ওয়ান ওয়ার্ল্ড ওয়ান সান ওয়ান গ্রিড’। বিশ্বের ১০০টি দেশে এই প্রকল্পের কাজ চলছে। ভারতবর্ষ এমন একটি দেশ যা দেশের মানুষের জীবন শৈলী এবং পরিবেশকে পাশাপাশি সমান দৃষ্টিতে দেখছে। বিশ্বব্যাপী আমাদের প্রতিটি ক্রিয়াকলাপ করা উচিত যাতে আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হয়। তাই যা প্রকৃতি, পরিবেশকে ধ্বংস করবে এগুলো থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে। আমি মনে করি স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতন একজন মানুষ সদা তাঁর স্বাস্থ্যের প্রতি যেমন দৃষ্টি রাখেন, তেমনি আমাদেরও নিজেদের গ্রহের প্রতি সদা দৃষ্টি রাখা দরকার। ভারতের নীতি হল প্রকৃতি বান্ধব। যে কোনও অঞ্চলের অধিবাসীদের দেখলেই তা বোঝা যায়।

    প্রশ্ন: বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যের সুবিধার্থে জি২০ এর ছাতার তলায় ভারতের ভূমিকা ঠিক কী? 

    প্রধানমন্ত্রীর (PM Narendra Modi) উত্তর:  ভূ-রাজনৈতিক এবং অন্যান্য উপাদান বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যে যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করে। এরকম অবস্থায় প্রতিটি দেশের প্রয়োজন একটি স্থায়ী নীতি যা বাণিজ্য, শিল্প এবং নতুন নতুন আবিষ্কারকে উৎসাহিত করবে। জি২০ সম্মেলনের সভাপতিদের জন্য ভারত একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। জি২০ এর সভাপতিত্বের দ্বারা ভারত খুব উল্লেখ যোগ্য ভূমিকা পালন করছে বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যের ক্ষেত্রে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সংস্কারের ক্ষেত্রেও ভারতের দৃষ্টি রয়েছে।

    প্রশ্ন: বিশ্বের দরিদ্রতম দেশগুলির উন্নয়নের জন্য একটি ন্যায়সঙ্গত বাণিজ্যনীতি থাকা প্রয়োজন কি? 

    প্রধানমন্ত্রীর (Pm Modi) উত্তর: ভারত বর্তমান জি২০-তে সভাপতিত্ব করছে। এর পাশাপাশি বিশ্বের সামগ্রিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে ভারত সদা আগ্রহী। যে সমস্ত দেশ জি২০ এর সদস্য নয়, সেই দেশগুলোর উন্নয়নের দিকেও ভারতের দৃষ্টি রয়েছে। যেমন আফ্রিকা মহাদেশের বিভিন্ন দেশ। সম্ভবত এটা জি২০ ইতিহাসে প্রথম যখন ইন্দোনেশিয়া, ভারত এবং ব্রাজিল এই তিন দেশ বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলির সম্পর্কে আওয়াজ তুলেছে।

    প্রশ্ন: কম এবং মধ্য আয়ের দেশগুলিতে ঋণের পরিমাণ ক্রমশ বেড়েই চলেছে। এই সমস্ত দেশগুলির সার্বিক উন্নয়নের জন্য এবং ঋণ কমানোর জন্য জি-২০ কী করতে পারে?

    প্রধানমন্ত্রীর উত্তর: ভারতের সভাপতিত্বে জি২০ সম্মেলন হচ্ছে যেখানে কম এবং মধ্য আয়ের দেশগুলির বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে আলোচনা হবে। আমরা এই সমস্ত দেশগুলির স্বার্থের পক্ষে আওয়াজ তুলেছি। আমরা সমন্বয়ে আস্থা রাখি এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতেই এই ঋণের পরিমাণ কমানো সম্ভব বলে আমাদের (PM Narendra Modi) মনে হয়। জি২০ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীরা এবং বিভিন্ন দেশের জাতীয় ব্যাঙ্কের গভর্নররা এ নিয়ে আলোচনা করেছেন। বর্তমানের এই তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ঋণের এই সংকটের খবর এক দেশ থেকে অন্য দেশে পৌঁছে যেতে খুব বেশি সময় নেয় না। যার ফলে আরেক দেশ সহজেই বুঝে যায় যে একই রকম পরিস্থিতি তৈরি না করার জন্য কী কী করতে হবে। আমাদের দেশের ক্ষেত্রেও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে কুফল আনতে পারে এই সমস্ত নীতিগুলি থেকে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ এই জাতীয় ভুল নীতি শুধু অর্থনীতি নয় সমাজকেও ধ্বংস করে দেয়।

    প্রশ্ন: আমাদের দেশ ‘ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার’-এর ক্ষেত্রে ক্রমশ এগিয়ে চলেছে। ইউপিআই, আধার বা ওএনডিসি-এই সমস্ত কিছুই রয়েছে যা প্রভাব সৃষ্টি করেছে ভারতীয় অর্থনীতিতে। বিশ্বের মাপকাঠিতে আপনি (PM Narendra Modi) কীভাবে দেখেন একে?

    প্রধানমন্ত্রীর উত্তর: বছর বছর ধরে আমাদের দেশ প্রতিভার জন্য পরিচিত। বর্তমানে ‘ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার’ গত ৯ বছর ধরে আমাদের অর্থনীতিকে প্রভাবিত করেছে। ভারতবর্ষের এই প্রযুক্তি বিপ্লব শুধুমাত্র যে অর্থনীতিক প্রভাবিত করেছে তা নয়, সামাজিক ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করেছে। মানবকেন্দ্রিক এই উন্নয়নের মডেলে আমরা ভরপুর প্রযুক্তির সাহায্য নিয়েছি। জনধন প্রকল্প, আধার এবং মোবাইল এই তিন প্রকল্পের মাধ্যমে দরিদ্র থেকে দরিদ্রতর মানুষের কাছে দেশের উন্নয়নকে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। ভারতবর্ষে বিদেশী প্রতিনিধিরা এসে আশ্চর্য হয়েছেন যে কীভাবে রাস্তার ধারের ব্যবসায়ীরাও কিউআর কোড শেয়ার করে ক্রেতাদের কাছে টাকা নিচ্ছেন। করোনার সময়কালে একটি টেক প্ল্যাটফর্ম Cowin আমাদেরকে ২০০ কোটি ভ্যাকসিন দিতে সাহায্য করেছে, সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। একটি উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে আমাদের ‘ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার’-এর নীতি সারা দেশের বিভিন্ন অর্থমন্ত্রীরা গ্রহণ করেছেন।

    প্রশ্ন: সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জন্য মুদ্রাস্ফীতি একটি বড় সমস্যা, এ বিষয়ে জি২০ এর ধনী দেশগুলির কী দৃষ্টিভঙ্গী রয়েছে যাতে উন্নয়নশীল দেশগুলিকে মুদ্রাস্ফীতির বোঝা না বইতে হয়? 

    প্রধানমন্ত্রীর উত্তর: মুদ্রাস্ফীতি আজকে একটা সারা পৃথিবীব্যাপী ইস্যু। করোনা মহামারির পর থেকে সারা পৃথিবীতে মুদ্রাস্ফীতির পরিমাণ বাড়তে থাকে। জি২০ সম্মেলনে একটি মিটিং হয় বিভিন্ন দেশের অর্থমন্ত্রী এবং সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কের গভর্নরদের মধ্যে। সেখানে তাঁরা বলেন, ‘‘একটা শক্তিশালী নীতির প্রয়োজন। যেখানে প্রত্যেকটি দেশ মিলিতভাবে এই মুদ্রাস্ফীতিকে রোধ করতে পারবে।’’ আমাদের ভারতবর্ষের ক্ষেত্রে আমরা একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি মুদ্রাস্ফীতিকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য। আপনারা লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন যে ২০২২ সালে সারা পৃথিবীব্যাপী যে মুদ্রাস্ফীতি রয়েছে, ভারতে তার থেকে ২.২ শতাংশ কম রয়েছে। এই কারণে আপনারা বুঝতে পারবেন এই বছরের রাখি বন্ধনের সময় আমরা গ্যাসের দাম কমাতে পেরেছি উপভোক্তাদের জন্য।

    প্রশ্ন: ভারতবর্ষ বর্তমানে পৃথিবীর পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। ২০২৭ সালের মধ্যে আমরা তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হতে চলেছি। সারা পৃথিবীব্যাপী এর প্রভাব কী হতে পারে?

    প্রধানমন্ত্রীর উত্তর: আপনারা ঠিকই বলছেন ভারতবর্ষ পৃথিবীর পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনৈতিক দেশ হিসেবে উঠে এসেছে। কীভাবে এটা হল, আমার (PM Narendra Modi) মনে হয় সেটা গুরুত্বপূর্ণ। এই শিরোপা দখল করতে অনেক কিছু প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আমাদের যেতে হয়েছে। সব থেকে বড় কথা বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকার তার জনগণকে বিশ্বাস করে। জনগণের যে সামর্থ্য সেটাকেও বিশ্বাস করে। এটা মনে রাখতে হবে যে জনগণ আমাদেরকে এতটাই বিশ্বাস করে যে তারা আমাদেরকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়েছে শুধুমাত্র একবারের জন্য নয়, দু’দুবারের জন্য। এর ফলে আমাদের দেশের রাজনৈতিক স্থিরতা এসেছে। সামাজিক ক্ষেত্রে বিভিন্ন বঞ্চিত শ্রেণির ক্ষমতায়ন হয়েছে। সামাজিক বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। পরিকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে। ‘ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট’ ভারতবর্ষে এসেছে রেকর্ড পরিমাণে। ভারতবর্ষের রফতানি হয়েছে রেকর্ড পরিমাণে। বিগত বছরগুলির সমস্ত রেকর্ড ভেঙে ফেলেছে। মেক ইন ইন্ডিয়া প্রজেক্টে আমরা ব্যাপক সফলতা পেয়েছি। এর ফলে সারা দেশে কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। বিগত পাঁচ বছরে ১৩.৫ কোটি মানুষ বহুমাত্রিক দারিদ্রতা থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন। যেটা আমাদের কাছে একটা বড় সফলতা। ভারতের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এই শ্রীবৃদ্ধি শুধুমাত্র ভারতের জন্য নয় সারা পৃথিবীর জন্যই ভাল।

    প্রশ্ন: আপনি (PM Narendra Modi) ৭২ বছরে পা দিলেন, কিন্তু আপনার এনার্জি লেভেল দেখে যে কোনও যুবকও ঈর্ষা করবে। আপনি কীভাবে এতটা তরতাজা এবং সক্রিয় থাকেন? 

    প্রধানমন্ত্রীর উত্তর: সারা পৃথিবীব্যাপী অনেক মানুষই থাকেন, যাঁরা তাঁদের শক্তিকে সময় এবং সংস্থান দিয়ে উদ্দেশ্যের পথে নিয়ে যান। এটা শুধুমাত্র আমি একা নই বা আমি ব্যতিক্রম এমনটাও নয়। আমি যখন রাজনীতিতে আসিনি তখন সমাজের জন্য কাজ করতাম এবং একদম ভূমিস্তরে এই কাজ ছিল আমার। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আমি ঘুরতে পেরেছি। দ্বিতীয় দিক হল, পার্থক্য আছে একটি মিশন এবং অ্যাম্বিশনের মধ্যে। যখন একজন মানুষ অ্যাম্বিশনের জন্য কাজ করেন, তখন তিনি নিজের পদ, ক্ষমতা এবং সুবিধাকে লক্ষ্য রাখেন। কিন্তু যখন একজন মানুষ মিশনের জন্য কাজ করেন, তখন তাঁর ব্যক্তিগতভাবে সেখানে পাওয়ার কিছু থাকে না। তাই উত্থান এবং পতন সেখানে খুব বেশি ভূমিকা রাখে না। তিনি মিশনের মধ্যেই নিজেকে উৎসর্গ করে দেন। তাঁর যা কিছু সংস্থান আছে সেই সমস্ত কিছুকে তিনি সেখানে রাখেন। আমার মিশন হল সমগ্র দেশের উন্নয়ন। আমি আগেও বলেছি যে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগে আমি সারা ভারতের প্রতিটি জেলাতেই সফর করেছি একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে এবং সেখানে আমি দেখেছি যে সাধারণ মানুষ কীভাবে থাকে এবং বাঁচে।

    ‘মানি কন্ট্রোল’-কে দেওয়া প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাক্ষাৎকার থেকে অনুবাদিত। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India-China Conflict: মোদি-জিনপিং বৈঠকের আগে পূর্ব লাদাখে মেজর জেনারেল স্তরের আলোচনা শুরু

    India-China Conflict: মোদি-জিনপিং বৈঠকের আগে পূর্ব লাদাখে মেজর জেনারেল স্তরের আলোচনা শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকায় চিনের (India-China Conflict) প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকের আগে পূর্ব লাদাখের সীমান্ত সমস্যা মেটাতে চুসুল-মলডো সীমান্তবর্তী এলাকায় বৈঠকে বসলেন দু’দেশের সেনাকর্তারা। আগামী সপ্তাহে ব্রিকস সম্মেলনের আসরে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে দেখা হবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। তার আগে দু-দেশের সীমান্ত বিরোধের একটা মুখরক্ষার সমাধান সূত্র বের হোক চাইছে দুপক্ষই। দুই দেশের পরিকল্পনা, সেনা কর্তাদের বৈঠকে অগ্রগতি হলে তা সামনে রেখে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। 

    দক্ষিণ আফ্রিকা ও গ্রিস সফর মোদির

    পূর্ব লাদাখে অচলাবস্থার অবসান ঘটাতে মেজর জেনারেল পর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দৌলত বেগ ওল্ডি এবং চুসুলে বর্তমান অচলাবস্থার অবসান ঘটাতে ইন্দো-চিন (India-China Conflict) সেনারা মেজর-জেনারেল পর্যায়ে আলোচনা করছে। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের বৈঠকের আগে এটিকে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। পঞ্চম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি মালামেলা সিরিল রামাফোসার আমন্ত্রণে শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ২২ থেকে ২৪ অগাস্ট জোহানেসবার্গে থাকবেন। দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শেষে গ্রিসের বিদেশমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিতসোটাকিসের আমন্ত্রণে সরকারি সফরে গ্রিস যাবেন মোদি।

    আরও পড়ুন: আর্থিকভাবে এগিয়ে চলেছে দেশ, বেড়েছে গড় আয় ও করদাতার সংখ্যা, রিপোর্ট প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    ভারত-চিন আলোচনা

    প্রতিরক্ষা সূত্র জানিয়েছে যে পূর্ব লাদাখে অচলাবস্থা কাটানোর জন্য মেজর জেনারেল পর্যায়ের আলোচনা চলছে। মোদি জিনপিংয়ের (India-China Conflict) মধ্যে আলোচনার আগে এই বৈঠকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আলোচনায় ভারতীয় পক্ষের প্রতিনিধিত্ব করেন ত্রিশূল ডিভিশনের কমান্ডার মেজর জেনারেল পিকে মিশ্র এবং ইউনিফর্ম ফোর্স কমান্ডার মেজর জেনারেল হরিহরণ। ১৩-১৪ অগাস্ট চুসুল-মলডো বর্ডার মিটিং পয়েন্টে দুই পক্ষের মধ্যে অনুষ্ঠিত কোর কমান্ডার পর্যায়ের ১৯তম দফার আলোচনার ফলাফলের উপর ভিত্তি করে এই আলোচনা হয়। বৈঠকে ভারতের পক্ষ থেকে তিন বছরের আগেকার স্থিতাবস্থা অবিলম্বে বহাল রাখা ও ডেপসাং ও ডেমচক থেকে চিনা সেনাদের পিছিয়ে যাওয়ার উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। তিন বছর আগে গলওয়ান উপত্যাকায় ভারতীয় অংশে আচমকাই ঢুকে আসে চিন সেনা। দু’পক্ষের সংঘর্ষে ক্ষয়ক্ষতি হয় উভয় শিবিরের। তারপর থেকেই সেনা প্রত্যাহার নিয়ে আলোচনা চলছে দু’দেশের মধ্যে। যার ফল হিসাবে ২০২১ সালে গোগরা হটস্প্রিং এলাকা ও প্যাংগং লেকের বিস্তীর্ণ অংশ থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নেয় দু’দেশই। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Captain Zoya Agarwal: প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় গর্বিত নারীরা! প্রতিক্রিয়া মহিলা পাইলটের

    Captain Zoya Agarwal: প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় গর্বিত নারীরা! প্রতিক্রিয়া মহিলা পাইলটের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের  ভাষণে ভারতীয় মহিলাদের অগ্রগতির এক রূপরেখা তুলে ধরেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। লালকেল্লা থেকে প্রশংসা করেছিলেন ভারতীয় মহিলা পাইলটদের। প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় গর্বিত ভারতের মহিলা পাইলট ক্যাপ্টেন জোয়া আগরওয়াল (Captain Zoya Agarwal)। প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা তাঁর কাছে অনুপ্রেরণার কাজ করবে বলে প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন ভারতীয় ওই বাণিজ্যিক মহিলা পাইলট।

    কী বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী

    ৭৭ তম  স্বাধীনতা দিবসে মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত নারী নেতৃত্বাধীন উন্নয়নে মনোনিবেশ করেছে। বিমান চালনা থেকে শুরু করে একাধিক ক্ষেত্রে পারদর্শিতা দেখিয়েছে। তিনি বলেন, “আমাদের নারী শক্তির সাফল্যকে কুর্নিশ জানাই। আমরা ভারতের অগ্রগতিতে নারীদের ভূমিকাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিই। আমাদের সরকার নারীর ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করে যাবে।” দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে নারী শক্তির প্রয়োজনের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। সিভিল এভিয়েশনে মহিলা পাইলটের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রসঙ্গ তুলে মোদি বলেন, “বর্তমানে সিভিল এভিয়েশনে সর্বাধিক মহিলা পাইলট আছে। আর এটা দেশের পক্ষে গর্বের বিষয়।”

    আরও পড়ুন: অতিভারী বৃষ্টিতে তিনদিনে ৭১ জন মৃত হিমাচলে, ‘পর্বত সমান চ্যালেঞ্জ’ বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    শুধু এভিয়েশন নয়, ভারতের চন্দ্রযান মিশনের নেতৃত্বেও মহিলারা আছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। জি-২০ ভুক্ত দেশগুলিও ভারতে মহিলাদের অগ্রগতির গুরুত্ব স্বীকার করেছে বলে জানান তিনি। মহিলা পরিচালিত গ্রামীণ ভারতে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির কাজেরও প্রশংসা করেন মোদি। সেই সঙ্গে উল্লেখ করেন মহিলাদের আর্থ সামাজিক উন্নয়নই তাঁর সরকারে প্রধান লক্ষ্য বলে তুলে ধরেন। সেই সঙ্গে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের আগামী দিনে ড্রোন ওড়ানোর প্রশিক্ষণ দেওয়ার সরকারি পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি। ড্রোন মেরামতের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলেও ঘোষণা করেন। 

    গর্বিত জোয়া

    মহিলাদের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর নানান ঘোষণার প্রশংসা করেন মহিলা পাইলট ক্যাপ্টেন জোয়া আগরওয়াল (Captain Zoya Agarwal)। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা, আগামী দিনে আরও বেশি করে মহিলাদের বাণিজ্যিক পাইলটের পেশা বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা যোগাবে। শুধু পাইলট নয়, অন্যান্য ক্ষেত্রেও মহিলাদের যোগদানের সংখ্যা বাড়বে বলে মনে করছেন জোয়া। কোভিডের সময় বিদেশ থেকে ভারতীয়দের আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন জোয়া আগরওয়াল। বেঙ্গালুরু-সান ফ্রান্সিসকো দীর্ঘতম রুটে বিমান চালানোর ছাড়পত্র রয়েছে তাঁর।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Modi Cabinet: ১০০ শহরে ১০ হাজার বৈদ্যুতিন বাস! ৫ শতাংশ সুদে ১ লক্ষ টাকা ঋণ পাবেন ‘বিশ্বকর্মা’রা

    Modi Cabinet: ১০০ শহরে ১০ হাজার বৈদ্যুতিন বাস! ৫ শতাংশ সুদে ১ লক্ষ টাকা ঋণ পাবেন ‘বিশ্বকর্মা’রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী ই-বাস পরিষেবার অধীনে ১০০টি শহরে ১০০০ নতুন বৈদ্যুতিন বাসের ঘোষণা করল কেন্দ্র। বুধবার ‘পিএম বিশ্বকর্মা’ বা ‘প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা’ প্রকল্পেরও অনুমোদন করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভা। এই প্রকল্পের অধীনে, প্রথম কিস্তিতে ‘উদার শর্তে’ ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় কিস্তিতে আরও ২ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে। জানা গিয়েছে, সুদ দিতে হবে মাত্র ৫ শতাংশ হারে।

    ই-বাস পরিষেবা

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর অনুরাগ ঠাকুর বলেছেন, গ্রিন মোবিলিটি বাড়ানোর জন্য মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রী ই বাস পরিষেবার অনুমোদন দিয়েছে। এই প্রকল্পে ৫৬, ৬১৩ কোটি বরাদ্দ করা হয়েছে। যার মধ্যে কেন্দ্র প্রদান করবে ২০,০০০ কোটি।

    কীভাবে বাস্তবায়িত হবে এই প্রকল্প? জানা গিয়েছে ১৬৯ শহরের মধ্যে বেছে নেওয়া হয়েছে ১০০টি শহরকে। সেই শহরগুলিতে এই পরিষেবা চালু হবে যেখানে ৩ লক্ষ বা তার বেশি জনবসতি। এছাড়াও, যে সব অঞ্চলে কোনও সংগঠিত বাস পরিষেবা নেই, সেই সমস্ত শহরকেও পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এই প্রকল্পে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ বা পিপিপি মডেলে তৈরি হবে ১০ হাজার ই-বাস। দূষণ কমাতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা সিটি বাস পরিষেবায় ই-বাসের সংখ্যা বাড়ানোয় জোর দিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ফুটে উঠল ভারতের জাতীয় পতাকা! স্বাধীনতা দিবসে বুর্জ খলিফায় জ্বলল তেরঙা

    প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা স্কিম

    বুধবার (১৬ অগস্ট), প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অধীনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার এক বৈঠকের পর, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান, পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্পের অধীনে সরকার মৃৎশিল্প, কমার, নির্মাণ, টেলারিং এবং নৌকা নির্মাণ সহ ঐতিহ্যগত দক্ষতার প্রচার করবে। বিশ্বকর্মা যোজনায় উপকৃত হবে ৩০ লক্ষ কারিগর।

    এই প্রকল্পের আওতায় আসা শিল্পীরা ৫ শতাংশ সুদের হারে ১ লক্ষ টাকা ঋণ পেতে পারবেন। আর্থিক সাহায্য পাবেন আধুনিক সরঞ্জাম কেনার জন্যও। ১৭ সেপ্টেম্বর বিশ্বকর্মা জয়ন্তীতে ১৩,০০০ কোটি টাকার আর্থিক ব্যয়ের এই প্রকল্প চালু করা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi : “ভারত লাভবান হয়েছে তাঁর নেতৃত্বে”, প্রয়াণ দিবসে অটল বিহারী বাজপেয়ীকে স্মরণ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi : “ভারত লাভবান হয়েছে তাঁর নেতৃত্বে”, প্রয়াণ দিবসে অটল বিহারী বাজপেয়ীকে স্মরণ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর। বুধবার অটল বিহারী বাজপেয়ীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এমনটাই জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে শ্রদ্ধা জানাতে সদৈব অটল মেমোরিয়ালে যান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মূর্মূ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং অন্যান্য আরও অনেকে।

    বাজপেয়ীকে শ্রদ্ধা

    সোশ্যাল সাইটে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে লিখতে গিয়ে মোদি জানান যে, বাজপেয়ীর নেতৃত্বে দেশ ভালোভাবে লাভবান হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি লেখেন, “অটল বিহারী বাজপেয়ীকে শ্রদ্ধা জানাতে ১৪০ কোটি ভারতবাসীর সঙ্গে আমিও যুক্ত হলাম। ভারত তাঁর নেতৃত্ব থেকে ভালভাবে লাভবান হয়েছে। দেশের উন্নতির ক্ষেত্রে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন যা ২১ শতকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছড়িয়ে পড়েছে”।

    গোয়ালিয়রে  ১৯২৪ সালে জন্ম হওয়া অটল বিহারী বাজপেয়ী বিজেপির অন্যতম মুখ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। প্রথম অকংগ্রেসীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পূর্ণ সময়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি। ১৯৯৬ সালের ১৬ মে থেকে ১ মে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি। এবং পরবর্তীতে ১৯ মার্চ ১৯৯৮ সাল থেকে  ২২ মে ২০০৪ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী হন। এছাড়া ১৯৭৭ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাইয়ে ক্যাবিনেটে বিদেশমন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছিলেন তিনি। ২০১৮ সালে অগাস্টের ১৬ তারিখে দিল্লির এইমস হাসপাতালে প্রয়াত হন অটল বিহারী বাজপেয়ী। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sant Ravidas Temple: মধ্যপ্রদেশে মোদির বড় চমক, আজ সন্ত রবিদাসের ১০০ কোটির মন্দিরের শিলান্যাস

    Sant Ravidas Temple: মধ্যপ্রদেশে মোদির বড় চমক, আজ সন্ত রবিদাসের ১০০ কোটির মন্দিরের শিলান্যাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী কাল, শনিবার সন্ত রবিদাসের ১০০ কোটি টাকার মন্দিরের (Sant Ravidas Temple) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলার বুন্দেলখণ্ড এলাকায় প্রায় ২০ থেকে ২৫ শতাংশ মানুষ মুচি সম্প্রদায়ের মানুষ। এঁরা হলেন সন্ত রবিদাসের একনিষ্ঠ ভক্ত। অপর দিকে সমানেই মধ্যপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন। তাই তার আগে তফশিলি সমাজের জন্য সন্ত গুরু রবিদাসের মন্দিরের স্থাপনা করে বড় চমক দিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    কবে হবে মন্দিরের শিলান্যাস (Sant Ravidas Temple)?

    সূত্রে জানা গেছে, আগামী কাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলায় চতুর্দশ সন্ত সাধক রবিদাসের একটি ভব্য মন্দির নির্মাণের (Sant Ravidas Temple) শিলান্যাস করবেন। এর পাশাপাশি তিনি প্রকাশ্য সভা করবেন বলেও জানা গেছে। এই মন্দির নির্মাণে আনুমানিক খরচ হবে মোটামুটি ১০০ কোটি টাকা। ঠিক সামনেই মধ্যপ্রদেশ নির্বাচন। তাই এই সন্ত মহাপুরুষের মন্দির নির্মাণ করে সন্ত রবিদাসের ভক্তদের বিশেষ উপহার তুলে দিতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    মন্দির দেখতে কেমন হবে?

    সন্ত রবিদাসের মন্দিরটি (Sant Ravidas Temple) হবে নাগারা স্থাপত্যশৈলীর অনুকরণে, যার বিস্তৃতি প্রায় দশ হাজার বর্গ কিলোমিটার। এই মন্দিরের মধ্যে একটি বিশেষ প্রদর্শনীশালা থাকবে এবং বিভিন্ন রকম শিক্ষণীয় বিষয় রাখা থাকবে। বিশেষ করে সন্ত রবিদাসের জীবনী বিষয়ক নানান কথাচিত্র সঙ্কলিত থাকবে। এখনে বড় বড় চারটি ভবন থাকবে। যার মধ্যে একটিতে ‘নির্গুণ সম্প্রদায়ের’ দার্শনিক তত্ত্ব কথার সাহিত্যগ্রন্থ রাখা থাকবে। আরেকটিতে থাকবে ‘সঙ্গত হল’ যেখানে সমাবেশ বা সম্মেলন কক্ষ হবে। আর বাকি দুটি থাকবে মন্দিরে আগত ভক্তদের জন্য ‘ভক্ত নিবাস’ এবং বিশেষ জলাধার বা ‘জল কুণ্ড’। উল্লেখ্য, ভক্ত নিবাসে দেশ-বিদেশ থেকে সন্ত রবিদাসকে নিয়ে যাঁরা গবেষণা করতে চান, তাঁদের থাকার ব্যবস্থা থাকবে। প্রত্যেক ভবনেই থাকবে অত্যধুনিক আলো এবং সিসিটিভির ব্যবস্থা।

    উল্লেখ্য মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান কিছু দিন আগে ছাতনা জেলার মাহিরের পুণ্যভূমিতে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা খরচ করে সন্ত রবিদাসের একটি মন্দির নির্মাণ করেছিলেন। মধ্যপ্রদেশে প্রায় ১৬ শতাংশ মানুষ হলেন সন্ত রবিদাসের ভক্ত, যাঁরা প্রত্যেকেই পেশায় মুচি এবং তফশিলি সম্প্রদায়ভুক্ত। মধ্প্রদেশের মোট ২৩০ আসনের মধ্যে ৩৫ টি আসন হল এসসি সামজের জন্য সংরক্ষিত। তাই এই সামজের মানুষের জন্য বিশেষ উপহার হবে ভব্য মন্দিরটি।

    কে ছিলেন সন্ত রবিদাস?

    সন্ত রবিদাস (Sant Ravidas Temple) ছিলেন ভারতের মধ্যযুগের ভক্তিবাদী আন্দোলনের একজন অন্যতম প্রবক্তা। মূলত মধ্য ভারত, পশ্চিম ভারত এবং উত্তর ভারতে ভক্তিবাদী আন্দোলনের অন্যতম প্রচারক ছিলেন। মানুষের মধ্যে জাতপাত, বর্ণ বিদ্বেষকে দূরে রেখে ভক্তিবাদের প্রচার, প্রসার ঘটান তিনি। তাঁর সমসাময়িক ভক্তিবাদী সন্ত মহাপুরুষদের মধ্যে ভক্তিবাদে বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছিলেন দাদুর, নানক, কবীর, মীরা বাঈ, শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু প্রমুখ। জগতের মুক্তির জন্য মুখে মুখে দোহা বা পদের মাধ্যম গানে রচনা করে গিয়েছেন সন্ত রবিদাস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: কুর্নিশ প্রধানমন্ত্রীর! ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি গেমসে ভারতের ঝুলিতে ২৬টি মেডেল

    PM Modi: কুর্নিশ প্রধানমন্ত্রীর! ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি গেমসে ভারতের ঝুলিতে ২৬টি মেডেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রীড়াক্ষেত্রে বিশাল সাফল্য ভারতের ছেলে-মেয়েদের। ৩১ তম ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি গেমসে (World University Games 2023) ভারতের ঝুলিতে এসেছে মোট ২৬টি মেডেল, যা নিঃসন্দেহে রেকর্ড।  যার মধ্যে ১১টি সোনা, ৫টি রুপো এবং ১০টি ব্রোঞ্জ রয়েছে। দেশের খেলোয়াড়দের এই ‘দুর্ধর্ষ পারফরম্যান্সের’ উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ‘দেশের গর্ব’ ওই সমস্ত খেলোয়াড়দের কুর্নিশ জানিয়ে মঙ্গলবার ট্যুইটও করেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা

    ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি গেমস ২০২৩-এ অংশগ্রহণকারী দেশের সমস্ত খেলোয়াড়দের কুর্নিশ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এদিন পরপর দুটি ট্যুইট করেছেন। ট্যুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “৩১ তম ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি গেমসে ভারতীয় খেলোয়াড়রা ২৬টি পদক নিয়ে রেকর্ড গড়ে ফিরে এসেছেন। আমাদের সবচেয়ে ভাল পারফরম্যান্স ছিল এটি। যার মধ্যে ১১টি সোনা, ৫টি রুপো এবং ১০টি ব্রোঞ্জ রয়েছে। যাঁরা গোটা দেশকে গৌরবান্বিত করে তুলেছে এবং আগামী দিনের ক্রীড়াবিদদের অনুপ্রাণিত করেছে, সেই সমস্ত অসাধারণ ক্রীড়াবিদদের স্যালুট। এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স আমাদের ক্রীড়াবিদদের অটল একনিষ্ঠতার প্রমাণ।” এই সাফল্যের জন্য পদকজয়ী ক্রীড়াবিদ, তাঁদের পরিবার এবং কোচদের অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রসঙ্গত, গত ২৯ জুলাই চিনের ছেংতু শহরে শুরু হয় ৩১ তম ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি গেমস। প্রথম দিনই সোনার হ্যাটট্রিক করে ভারত। এছাড়া একটি ব্রোঞ্জও আসে ভারতের ঝুলিতে। তারপর খেলা যত এগোতে থাকে ততই ভারতের ঝুলিতে পদকের সংখ্যা বাড়তে থাকে। ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি গেমসে এর আগে একসঙ্গে এত পদক পায়নি ভারত। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Modi Biggest Statue: পুণের লাভাসায় বসতে চলেছে মোদির ২০০ মিটার উঁচু মূর্তি, উদ্বোধনের তারিখ প্রকাশ্যে

    Modi Biggest Statue: পুণের লাভাসায় বসতে চলেছে মোদির ২০০ মিটার উঁচু মূর্তি, উদ্বোধনের তারিখ প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুণের লাভাসা নগরে কাছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সবথেকে উঁচু মূর্তি (Modi Biggest Statue) বসতে চলেছে। এই মূর্তিকে ঘিরে শুরু হয়েছে আলোচনা। ডার্বিন প্লাটফর্ম ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড (DPIL) সংস্থার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মূর্তি বসানো হবে বলে জানানো হয়। এর আগে সোনার কয়েন দিয়ে ১৫৬ গ্রামের একটি মূর্তি গুজরাটে নির্মাণ হয়েছিল। কিন্তু পুণের এই মূর্তিটি আগামী ৩১ ডিসেম্বরে উন্মোচন করা হবে বলে জানা গেছে। এই মূর্তি উন্মোচনের অনুষ্ঠানে আমেরিকা, ইজরায়েল, ফ্রান্স, সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত থাকবেন।

    মোদির এই মূর্তি কেমন হবে (Modi Biggest Statue)?

    ডার্বিন প্লাটফর্ম ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড সংস্থার অধিকর্তা অজয় হরিনাথ সিং এই মূর্তি বসানোর কথা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, ‘‘নরেন্দ্র মোদির এই মূর্তি (Modi Biggest Statue) হল ভারতের একতা এবং অখণ্ডতার বিশেষ প্রতীক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের জন্য নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন। দেশের একতা এবং অখণ্ডতাকে নতুন দিশা দেখিয়েছেন। তাঁর অবদান দেশের জন্য অত্যন্ত গৌরবের।’’

     মূর্তির সঙ্গে আর কী থাকবে?

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi Biggest Statue) এই মূর্তি, গুজরাটের তৈরি ‘স্ট্যাচু অফ ইউনিটি’ সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের মূর্তির থেকেও বেশি উঁচু হবে। গুজরাটে বল্লভ ভাই প্যাটেলের মূর্তিটি উচ্চতায় ছিল ১৮২ মিটার। আর লাভাসায় মোদির এই নবনির্মিত মূর্তির উচ্চতা হবে প্রায় ১৯০ থেকে ২০০ মিটার। এই মূর্তির নিচে নির্মাণ করা হবে একটি জাদুঘর। সেখানে প্রদর্শিত হবে ভারতের প্রাচীন ইতিহাস এবং ঐতিহ্যের নানা চিত্র। এখানে থাকবে নতুন আধুনিক ভারতের একটি চিত্ররেখা। আগত দর্শক, পর্যটকদের জন্য একটি বিশেষ শিক্ষামূলক বিনোদনের ব্যবস্থাও রাখা হবে। এছাড়া, এই জাদুঘরে থাকবে নরেন্দ্র মোদির জীবন সংক্রান্ত নানান তথ্য ও  ছবির সংকলন। আগত দর্শকদের এই তথ্য চিত্র এবং ছবির নানান খণ্ডচিত্র অনুপ্রেরণা সঞ্চার করবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi : মোদির মুখে ‘কুইট ইন্ডিয়া’! জাতীয় হ্যান্ডলুম দিবসের মঞ্চে বিরোধীদের তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi : মোদির মুখে ‘কুইট ইন্ডিয়া’! জাতীয় হ্যান্ডলুম দিবসের মঞ্চে বিরোধীদের তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটকে ফের আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার সরকারি মঞ্চ থেকেই বিরোধীদের বয়কটের ডাক দিলেন তিনি। রেলের ‘অমৃত ভারত’ প্রকল্পের ভার্চুয়াল শিলান্যাস অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী যে অভিযোগ করেছিলেন সোমবার জাতীয় হ্যান্ডলুম দিবসে প্রগতি ময়দানে একইভাবে বিরোধীদের নিশানা করলেন তিনি। এদিন মোদি বলেন, ‘বিরোধীরা নিজেরা কোনও কাজ করবে না, অন্যদেরও করতে দেবে না। এক ভারত উন্নতির ভারতের পথে বাধা বিরোধীরা।’ আর এই সূত্র ধরে ফের সরাসরি বিরোধী জোটের নাম না-করে মহাত্মা গান্ধীর ‘কুইট ইন্ডিয়া’ স্লোগানের প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি বলেন, ‘আজ দেশজুড়ে রব উঠছে, দুর্নীতি কুইট ইন্ডিয়া, পরিবারবাদ কুইট ইন্ডিয়া, তোষণের রাজনীতি কুইট ইন্ডিয়া।’

    প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ

    গত ক’দিন ধরে এনডিএ সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন, বিরোধী জোটকে আক্রমণের সময়ে ‘ইন্ডিয়া’র পরিবর্তে ‘আইএনডিআইএ’ বলে অভিহিত করতে অথবা অন্য কোনওভাবে বিরোধীদের কাজকর্মের সমালোচনা করতে। এদিন সরকারি অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে সরাসরি ‘ইন্ডিয়া’ জোটের কথা না-বললেও যেভাবে গান্ধীজির ‘কুইট ইন্ডিয়া’ স্লোগান তুলেছেন, তাতে বিরোধীরা স্পষ্টই বুঝতে পারছেন, মোদির আক্রমণের তির তাঁদের দিকেই। 

    ভোটব্যাঙ্কের ঊর্ধ্বে উন্নয়ন

    এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকার ভোটব্যাঙ্কের ঊর্ধ্বে উঠে উন্নয়নে প্রত্যয়ী। সেখানে বিরোধীরা নেতিবাচক রাজনীতি করছেন। না নিজেরা কিছু করবে, না অন্যদের করতে দেবে, এই চিন্তাভাবনা নিয়ে চলছেন বিরোধীরা।’ বিরোধীদের উদ্দেশে মোদির মন্তব্য, ‘৭০ বছরে নিজেরা ওয়ার মেমোরিয়াল করেনি। কিন্তু ওয়ার মেমোরিয়াল তৈরি হওয়ার পর থেকেই সমালোচনা করেছে। নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধনেরও বিরোধিতা করেছে। ভবিষ্যতের প্রয়োজনের কথা চিন্তা করে সংসদের আধুনিক ইমারত তৈরি হয়েছে। সংসদ গণতন্ত্রের প্রতীক। সরকার, বিরোধী সকলের প্রতিনিধিত্ব থাকে। বিরোধীরা তারও বিরোধ করেছে। সর্দার প্যাটেলের মূর্তি স্থাপনেরও সমালোচনা করেছে বিরোধীরা।  

    আরও পড়ুন: বিক্ষিপ্ত অশান্তি চিত্রাঙ্গদার দেশে, মণিপুর সহ আট রাজ্যের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মোদি

    প্রধানমন্ত্রীর দাবি, ‘আমরা এর ঊর্ধ্বে গিয়ে উন্নয়নকে গুরুত্ব দিচ্ছি। সদর্থক রাজনীতি করছি। গোটা বিশ্ব ভারতকে দেখছে। নতুন ইতিহাসের সূচনা ঘটছে দেশে।’ মোদি এদিন বলেন, তাঁতিদের উন্নতির স্বার্থে সরকার অনেক কাজ করছে। তাঁতিদের আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য দেওয়া হয়েছে। ৩০ বছর বাদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার এসেছে। যা কঠিন চ্যালেঞ্জের স্থায়ী সমাধানের পথে পদক্ষেপ করছে। এটা বলে আসলে প্রধানমন্ত্রী ২৬টি বিরোধী দলের জোটকেই খোঁচা দিতে চেয়েছেন বলে মত রাজনৈতিক মহলের।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Modi-Biden Meeting: আলোচনা মোদির সঙ্গে! ভারতে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন

    Modi-Biden Meeting: আলোচনা মোদির সঙ্গে! ভারতে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি-২০ সামিটে (G-20 Summit) যোগ দিতে ভারতে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)।  আগামী ৭ সেপ্টেম্বর তিনি ভারতে (India Visit) আসবেন। ১০ সেপ্টেম্বর তিনি ওয়াশিংটন ফিরে যাবেন। জি-২০ বৈঠকের পাশাপাশি তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi-Biden Meeting) সঙ্গেও বৈঠক করতে পারেন। জি-২০ সদস্য হিসাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের এটাই প্রথম ভারত সফর। ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‌বাইডেন জি–২০ সম্মেলনে ভারতের সভাপতিত্ব নিয়ে ভীষণই খুশি। ভারতের এই সভাপতিত্ব আন্তর্জাতিক স্তরে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করেছে।’‌ 

    কবে আসছেন বাইডেন

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই ভারতসফরের আগে মার্কিন আধিকারিক ডোনাল্ড লু জানান, প্রেসিডেন্ট বাইডেন (Modi-Biden Meeting) এই সফর নিয়ে অত্য়ন্ত উৎসাহী। জি-২০ লিডার্স সামিটের সদস্য় হিসেবে এটিই তাঁর প্রথম ভারতসফর হতে চলেছে । এবার জি-২০ বৈঠকের সভাপতিত্বের দায়িত্ব পেয়েছে ভারত। আগামী ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে জি-২০ সামিট। জি-২০ সামিটে ১১০টি দেশের ১২৩০০ প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। কোনও দেশের নেতৃত্বাধীনে জি-২০ সম্মেলনে এটাই সর্বোচ্চ যোগদানের সংখ্যা। জানা গেছে, এবার জি-২০ ভুক্ত দেশগুলির সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন থেকে শুরু করে সন্ত্রাসবাদ সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনার হওয়ার সম্ভাবনা। এছাড়া জি-২০ ভুক্ত দেশগুলির মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্ব, অর্থনৈতিক এবং পরিকাঠামো গত উন্নয়ন নিয়েও আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ‘অষ্টলক্ষ্মী’র সঙ্গে মোদির বৈঠকে হরেক রকম পদ! জানেন কী কী রয়েছে তালিকায়?

    বিগত কয়েক বছরে ভারত ও আমেরিকা দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে, আরও বিস্তৃত হয়েছে। গত জুন মাসেই প্রথমবার মার্কিন স্টেট ভিজিটে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi-Biden Meeting)। তাঁকে স্বাগত জানানোর জন্য হোয়াইট হাউসে বিশেষ নৈশভোজেরও আয়োজন করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এবার ভারত সফরে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।  জি-২০ সম্মেলনের মাঝে মোদি-বাইডেন দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে যোগ দিতে পারেন খবর। দুই দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলে হোয়াইট হাউস সূত্রে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। দ্বিপাক্ষিক সেই বৈঠকে প্রতিরক্ষা, বাণিজ্যিক সংক্রান্ত একাধিক বিষয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share