Tag: Nawaz sharif

Nawaz sharif

  • POJK Polls: পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ আখ্যা ইমরানের দলের, কারচুপির অভিযোগে সরব বিলাওয়াল

    POJK Polls: পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ আখ্যা ইমরানের দলের, কারচুপির অভিযোগে সরব বিলাওয়াল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে সাম্প্রতিক নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করেছে জেলবন্দি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। ২৯ জুলাই দলটি পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে “প্রহসন” বলে অভিহিত করেছে। একই সঙ্গে ওই অঞ্চলে সাম্প্রতিক হিংসার নিন্দা করে পিটিআই বলেছে, গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে আন্তর্জাতিক মহলে পাকিস্তান সম্পর্কে ভুল বার্তা যাচ্ছে। পিটিআই চেয়ারম্যান গওহর আলি খানের সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী সর্দার কাইয়ুম নিয়াজি বলেন, কাশ্মীরিদের নজিরবিহীন নিপীড়ন ও বর্বরতার মুখে পড়তে হচ্ছে। সংবাদমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, “কাশ্মীরিদের এমনভাবে পিষে ফেলা হচ্ছে, যার কোনও নজির নেই।” তিনি বলেন, জম্মু ও কাশ্মীর যৌথ আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির বিক্ষোভকারীরা সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য সব ধরনের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু নিজেদের দাবিদাওয়া আর শোনা হচ্ছে না বুঝতে পেরে তাঁরা ৯ জুন বিক্ষোভের কথা ঘোষণা করেন। নিয়াজির কথায়, “তাঁরা শান্তিপ্রিয় মানুষ এবং আজও শান্তিপূর্ণ রয়েছেন। বলুন তো, সেখানে আমাদের বাহিনীর কোনও সদস্য গুলিতে নিহত হয়েছেন, কিংবা লাঠির ঘায়ে আহত হয়েছেন? এই মানুষগুলি গুলি খাচ্ছেন, তবুও শান্তিপূর্ণভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছেন।”

    তিন দফায় নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন (POJK Polls)

    পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে তিন দফায় নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নিয়াজি। তাঁর দাবি, ওই অঞ্চলের জনসংখ্যা মেরেকেটে ৩৫ থেকে ৪০ লাখ। অথচ ২৫ কোটি মানুষের পাকিস্তানে এক দফায়ই নির্বাচন হয়। তিনি প্রশ্ন করেন, “পাকিস্তানের জনসংখ্যা ২৫ কোটি এবং সেখানে এক দফায় নির্বাচন হয়। এখানে তিন দফার কী প্রয়োজন? কাশ্মীরে কী ধরনের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে?” তিনি ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচনের প্রসঙ্গও তোলেন। ওই নির্বাচনে একই সঙ্গে প্রাদেশিক পরিষদ ও জাতীয় পরিষদের ভোট হয়েছিল। নিয়াজির অভিযোগ, সেই নির্বাচনে পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজের পক্ষে ব্যাপক কারচুপি করা হয়েছিল। দলটির প্রধান নওয়াজ শরিফকে লন্ডন থেকে পাকিস্তানে ফিরে এসে নির্বাচনী প্রচারে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।

    গওহরের বক্তব্য

    গওহরও সাম্প্রতিক নির্বাচনী প্রক্রিয়ার তীব্র সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, ২৭ জুলাইয়ের নির্বাচন ওই অঞ্চলের মানুষের সঙ্গে “প্রহসন” করা হয়েছে। তিনি বলেন, “২৭ তারিখে যে নির্বাচন হয়েছে, তা আপনারা সবাই দেখেছেন। নির্বাচনের নামে এটি ছিল একটি প্রহসন। এখন সবাইকে মেনে নিতে হবে যে গুলি ও লাঠি ব্যবহার করে, মানুষকে দমন করে, তাদের কণ্ঠরোধ করে এবং প্রতিবাদ করতে বাধা দিয়ে সমস্যার সমাধান করা যায় না। মানুষের কথা শোনাই গণতন্ত্র।” পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতির নিন্দা করে গওহর পাকিস্তান পিপলস পার্টি এবং পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজের বিরুদ্ধেও রাজনৈতিক স্বার্থে পরিস্থিতিকে ব্যবহার করার অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, “আমরা প্রকাশ্যেই বলছি, সেখানে মৃতদেহ পড়ে ছিল, মানুষ রক্তে ভেসে যাচ্ছিল, আর রাজনৈতিক দলগুলি তা নিয়ে রাজনীতি করেছে। একজন আর একজনকে অভিনন্দন জানিয়েছে, অন্যজন অভিযোগ করেছে যে তার বিরুদ্ধে নির্বাচন কারচুপি করা হয়েছে।” গওহরের দাবি, এই দুই দলই গত ৪০ বছর ধরে চলা রাজনৈতিক ব্যবস্থার অধীনে ক্ষমতায় থেকেছে এবং নিজেদের প্রদেশগুলিতে পরাজিত হয়েছে। তাঁর মতে, নির্বাচনে কম ভোটার উপস্থিতিই এই দুই দলের প্রতি মানুষের প্রত্যাখ্যানের প্রতিফলন। তিনি বলেন, “এত কম ভোটার উপস্থিতি পুরো ব্যবস্থা এবং এই দুই দলের ওপর অনাস্থার প্রতিফলন। এটি তাদের বিরুদ্ধে গণভোটের সমান।” গওহর আরও বলেন, বর্তমান রাজনীতি মূলত ব্যক্তিগত স্বার্থ দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।

    পিপিপি ও পিএমএল-এনের সংঘাত

    এদিকে মিরপুর বিভাগের নির্বাচনী ফল নিয়ে পাকিস্তান পিপলস পার্টি এবং পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজের মধ্যে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ শুরু হয়েছে। পিপিপি চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির অভিযোগ, সর্বত্র কারচুপি করে, ভয় দেখানো এবং রাজনৈতিক ঘুষকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে পিএমএল-এন জনগণের রায় চুরি করেছে। পিএমএল-এনের নির্বাচনী বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিলাওয়াল। পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের প্রথম দফার ভোটে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানান তিনি। ২৯ জুলাই মুজাফফরাবাদে পিপিপির এক কর্মী সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিলাওয়াল নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে বলেছিলেন, “আপনারা যদি এই কারচুপির সঙ্গে জড়িত না থাকেন, তাহলে মিরপুরে পুনর্নির্বাচনের আয়োজন করুন।” নির্বাচন কমিশনের কথিত নিরপেক্ষতার বিরুদ্ধে এটিই এখন পর্যন্ত তাঁর সবচেয়ে সরাসরি ও কঠোর চ্যালেঞ্জ বলে মনে করা হচ্ছে।

    শাহবাজ-মরিয়ম জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসেননি’

    পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ শরিফকে সরাসরি কটাক্ষ করেন বিলাওয়াল। তিনি বলেন, “আজ কেউ যদি প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসে থাকেন, কিংবা কেউ মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসে থাকেন, তা জনগণের ভোটে বা আপনাদের কর্মদক্ষতার কারণে নয়—এটি একটি ফর্ম-৪৭-এর ফল, এটা একটি শিশুও জানে।” ফর্ম-৪৭ হল কোনও নির্বাচনী এলাকার সব ভোটকেন্দ্রে গণনা করা ভোটের ফলের প্রাথমিক সমন্বিত বিবরণী, যা সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং আধিকারিক প্রস্তুত করেন। ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর থেকে পিটিআই-সহ বিরোধীরা এই শব্দটি ব্যবহার করে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে আসছে। বিলাওয়ালের অভিযোগ, পাঞ্জাব ও জাতীয় পরিষদের একাধিক আসনে পিএমএল-এন পরাজিত হলেও, রিটার্নিং আধিকারিকরা মিথ্যাভাবে দলটিকে বিজয়ী ঘোষণা করেন। তাঁর দাবি, নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়তায় এই কারচুপির ফলেই শাহবাজ শরিফ প্রধানমন্ত্রী এবং মরিয়ম নওয়াজ পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে বিলাওয়াল দাবি করেছিলেন, দেশজুড়ে ব্যাপক জনসমর্থনের কারণে তাঁর দল কেন্দ্রীয় সরকার গঠন করবে। তবে পরে ইমরানের পিটিআইও অভিযোগ করে, তাদের নির্বাচনী প্রতীক ক্রিকেট ব্যাটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে না দেওয়া-সহ বিভিন্ন উপায়ে প্রাদেশিক পরিষদ ও জাতীয় পরিষদে তাদের জনগণের রায় থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।

    এটা আপনার কথা নয়, ফর্ম-৪৭ কথা বলছে’

    বিলাওয়ালের বক্তব্যের আগেই মরিয়ম নওয়াজ সোশ্যাল মিডিয়ায় পিপিপিকে কটাক্ষ করে বলেন, “কারচুপির সূক্ষ্ম শিল্পে ওস্তাদ পিপিপি এখন অন্যায় হয়েছে বলে কান্নাকাটি করছে। প্রলয় কবে আসবে?” এর জবাবে পিপিপির শরজিল মেমন বলেন, “এটা আপনি বলছেন না, ফর্ম-৪৭ কথা বলছে। প্রলয় এসেছিল ২০২৪ সালে, যখন জনগণের রায় দান হিসেবে বিলিয়ে দেওয়া হচ্ছিল।” বিলাওয়ালও পিএমএল-এনকে “কারচুপির ফসল” বলে আখ্যা দেন। নিজের দলের সঙ্গে পিএমএল-এনের তুলনা করে তিনি বলেন, পিপিপির রাজনৈতিক ইতিহাস তিন প্রজন্মের। তাঁর দাবি, “এমন একটি নির্বাচনও নেই, যেখানে পিএমএল-এন জনগণের ভোটে জিতেছে—সবসময় কারচুপির মাধ্যমে জিতেছে।”

    কাশ্মীরের মানুষের রায় চুরি করতে দেওয়া হবে না’

    বিলাওয়াল প্রশ্ন করেন, “তারা কি মনে করে, কাশ্মীরে আমরা তাদের নির্বাচন কারচুপি করতে দেব?” তিনি আরও বলেন, “কাশ্মীরের মানুষ মাথা নত করবে না এবং কাউকে তাদের রায় চুরি করতে দেবে না।” মুজাফফরাবাদের উদ্দেশে ইঙ্গিত করে বিলাওয়াল বলেন, “এটি মুজাফফরাবাদ, শ্রীনগর নয়।” তাঁর দাবি, বিরোধী পক্ষের কারচুপির চেষ্টা ব্যর্থ করতে তাঁর দল সর্বাত্মক চেষ্টা করবে। তিনি আরও দাবি করেন, ৩০টি ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৯০ শতাংশ, অথচ অধিকাংশ নির্বাচনী এলাকায় ভোটার উপস্থিতি ছিল ৪০ থেকে ৫০ শতাংশের মধ্যে। পিপিপি কর্মীদের উদ্দেশে বিলাওয়ালের প্রতিশ্রুতি, “আমি চুরি যাওয়া প্রতিটি ভোট ফিরিয়ে আনব”। তিনি বলেন, “আমি পরাজয় মেনে নিতে প্রস্তুত। কিন্তু আপনারা যদি নির্বাচন কারচুপি করে আমাদের রায় চুরি করতে চান, তাহলে আমি এই ফল মেনে নিতে পারি না।”

    সত্য ও পুনর্মিলন কমিশনের প্রস্তাব

    পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের চলমান অস্থিরতা মোকাবিলায় সত্য ও পুনর্মিলন কমিশন গঠনের প্রস্তাবও পুনর্ব্যক্ত করেন বিলাওয়াল। তিনি বলেন, “আমি এই প্রস্তাব রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বা বিক্ষোভকারীদের পক্ষ থেকে দিচ্ছি না। আমি এটি দিচ্ছি সেই প্রতিটি কাশ্মীরির পক্ষ থেকে, যারা এই দু’পক্ষের কোনওটির সঙ্গে যুক্ত নন।” সরকার এবং বর্তমানে নিষিদ্ধ ঘোষিত যৌথ আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি—উভয় পক্ষকেই এই দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। বিলাওয়ালের প্রশ্ন, “আপনারা যদি সঠিক পথে থাকেন এবং সত্যের পক্ষে থাকেন, তাহলে কমিশন গঠন করছেন না কেন?”

    কাশ্মীরের অর্থনৈতিক সঙ্কট নিয়েও সরব বিলাওয়াল

    কাশ্মীরে কর্মসংস্থানের কথা পিপিপি কেন বলছে, তার ব্যাখ্যায় বিলাওয়াল বলেন, তাঁর দল এই অঞ্চলের “অর্থনৈতিক সঙ্কট” সম্পর্কে সচেতন। এরপরেও পিএমএল-এনকে আক্রমণ করে তিনি দাবি করেন, দলটির অর্থনৈতিক দর্শন মূলত “ধনীদের আরও ধনী করা” নীতির ওপর নির্ভরশীল। বিলাওয়াল বলেন, “তারা আমাদের কটাক্ষ করে বলে, আমরা নাকি কাশ্মীরকে সিন্ধে পরিণত করতে চাই। না, আমি চাই কাশ্মীর কাশ্মীরই থাকুক এবং মানুষই তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করুক।” তিনি আরও বলেন, “পাঞ্জাব, ইসলামাবাদ, খাইবার পাখতুনখোয়া, সিন্ধ বা বালুচিস্তান কাশ্মীরের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে না।” নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন পিপিপি নেতা। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার সঙ্গে পাঞ্জাবের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের ভূমিকার তুলনাও করেন তিনি।

     

  • Nawaz Sharif wishes Modi: শপথের পরেরদিন পড়শি দেশ থেকে এল শুভেচ্ছা বার্তা! মোদিকে অভিনন্দন নওয়াজ ও শেহবাজের

    Nawaz Sharif wishes Modi: শপথের পরেরদিন পড়শি দেশ থেকে এল শুভেচ্ছা বার্তা! মোদিকে অভিনন্দন নওয়াজ ও শেহবাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটানা তৃতীয়বার (PM 3.0) ভারতের প্রধানমন্ত্রী হলেন নরেন্দ্র মোদি। রবিবার সন্ধ্যায় তৃতীয়বারের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। মোদি শপথ নেওয়ার পর থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে শুভেচ্ছা-বার্তা পেয়েছেন তিনি। এবার পাকিস্তান থেকেও এল শুভেচ্ছা-বার্তা। সোমবার পাক প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও নওয়াজ শরিফ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। তবে কি এবার পড়শি দেশের সঙ্গে শত্রুতা ঘুচবে ভারতের? মোদির জয়ে পাকিস্তানের এই শুভেচ্ছা বার্তায় আশার আলো দেখছেন অনেকেই। 

    শেহবাজ শরিফের শুভেচ্ছা বার্তা (Shehbaz Sharif) 

    সোমবার দুপুর ১২.৫৫ মিনিট নাগাদ মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্স-এ একটি পোস্ট করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। সেই এক্স-বার্তায় মোদিকে প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন শরিফ। এক্স-বার্তায় তিনি লেখেন, “ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ (PM 3.0) নেওয়ার জন্য নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন।” 

    নওয়াজ শরিফের শুভেচ্ছা বার্তা (Nawaz Sharif wishes Modi)

    অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে নওয়াজ শরিফ তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ” মোদিজি কে আমার উষ্ণ অভ্যর্থনা, তাঁর তৃতীয়বার (PM 3.0) প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার জন্য।” 

    তবে মোদির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রতিবেশী বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের সরকারপ্রধানরা উপস্থিত থাকলেও পাকিস্তানের কোনো নেতাকে দেখা যায়নি। অথচ, ২০১৪ সালের নির্বাচনে জয়ের পর প্রথমবার যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন মোদি, সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শেহবাজ শরিফের বড়ভাই এবং পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ (Nawaz Sharif)। তারপর দশ বছর ধরে টানাপোড়েনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে দুই প্রতিবেশী দেশ। এখন দেখার ভবিষ্যতে দুই দেশের সমকরণ ঠিক কোন অবস্থায় থাকে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nawaz Sharif: লাহোর চুক্তি ভঙ্গ হয়েছিল, ‘দোষ’ কবুল পাকিস্তানের

    Nawaz Sharif: লাহোর চুক্তি ভঙ্গ হয়েছিল, ‘দোষ’ কবুল পাকিস্তানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ ‘দোষ’ কবুল করল পাকিস্তান। তারা স্বীকার করল, ১৯৯৯ সালে স্বাক্ষরিত লাহোর চুক্তি ভঙ্গ করেছে তারা। চুক্তি ভঙ্গের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ (Nawaz Sharif)। প্রসঙ্গত, লাহোর চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বিজেপির অটলবিহারী বাজপেয়ী। কার্গিলে পাক অনু্প্রবেশ যে ভুল ছিল, তা-ও কবুল করেন শরিফ। বলেন, “এটা আমাদের ভুল ছিল।”

    কী বললেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী? (Nawaz Sharif)

    দলীয় এক সভায় পাকিস্তানের প্রাক্তন এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, “১৯৯৮ সালের ২৮ মে পাকিস্তান পাঁচটি পারমাণবিক পরীক্ষা চালিয়েছিল। এরপর বাজপেয়ী সাহেব এখানে এসে আমাদের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছিলেন। কিন্তু আমরা সেই চুক্তি লঙ্ঘন করেছি।…এটা আমাদের ভুল ছিল।” তিনি বলেন, “এই চুক্তির পরে পরেই পাকিস্তান কার্গিলে অনুপ্রবেশ করে চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। পাক সেনার অনুপ্রবেশের কারণেই হয়েছিল কার্গিল যুদ্ধ।” উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তানের তৎকালীন সেনাপ্রধান পারভেজ মোশারফ তার বাহিনীকে জম্মু-কাশ্মীরের কার্গিল জেলায় অনুপ্রবেশের নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শরিফ (Nawaz Sharif)। কার্গিল যুদ্ধে জয়ী হয়েছিল ভারত। 

    বিল ক্লিন্টনের প্রস্তাব

    প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষার ২৬তম বার্ষিকী উদযাপনের দিন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টন পারমাণবিক পরীক্ষা চালানো থেকে আমাদের বিরত রাখতে পাকিস্তানকে পাঁচশো মার্কিন বিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু আমি তা প্রত্যাখ্যান করেছিলাম।” তিনি বলেন, “যদি আমার আসনে ইমরানের (প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান) মতো লোক থাকত, তাহলে তারা ক্লিন্টনের প্রস্তাব মেনে নিত।”

    আর পড়ুন: নির্বাচনী প্রচার শেষ, তিনদিনের জন্য কন্যাকুমারীতে ধ্যানে বসবেন প্রধানমন্ত্রী

    ১৯৯৯ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভারত ও পাকিস্তান শান্তি-নিরাপত্তা ও মানুষের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগের স্বার্থে স্বাক্ষর করেছিল লাহোর চুক্তি। সেই সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন অটলবিহারী বাজপেয়ী। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পদে ছিলেন নওয়াজ শরিফ। এই চুক্তির কিছুদিনের পরেই কার্গিলে অনুপ্রবেশ করে পাক সেনা।

    পড়শি দেশ পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চেষ্টার কম কসুর করেননি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ী। লাহোর বাসযাত্রার সূচনা করেছিলেন তিনিই। সেই বাস লাহোরে পৌঁছলে বাজপেয়ী আলিঙ্গন করেছিলেন পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফকে। বাজপেয়ীর এই বন্ধুত্বের বার্তাকে সেদিন মর্যাদা দেয়নি পাকিস্তান। সেই ভুলের ‘রজত জয়ন্তী’তেই ভুল কবুল প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর (Nawaz Sharif)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Pakistan Election Day: ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে পাকিস্তানে

    Pakistan Election Day: ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে পাকিস্তানে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের ভোটের দিনক্ষণ (Pakistan Election Day) স্থির করা হল। জানা গিয়েছে, আগামী বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে পাকিস্তানে। বৃহস্পতিবার সে দেশের নির্বাচন কমিশন, নির্বাচন সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় নিয়ে সুপ্রিম কোর্টকে অবহিত করেছে। প্রসঙ্গত, কবে হতে পারে পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই চর্চা চলছিল। চলতি বছরের ৯ অগাস্ট জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন সে দেশের রাষ্ট্রপতি আরিফ আলভি। তার প্রায় ২ মাস পরে পাকিস্তানের ভোটের দামামা বেজে গেল। পাকিস্তানের রাজনৈতিক ক্ষমতা কার হাতে থাকবে, সেদিকে নজর রয়েছে অনেকেরই। সে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (Pakistan Election Day) বর্তমানে জেলে রয়েছেন, অন্যদিকে স্বেচ্ছা নির্বাসন কাটিয়ে দেশে ফিরেছেন নওয়াজ শরিফ।

    ভোটের দাবিতে একাধিক মামলা পাকিস্তানে

    পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন (Pakistan Election Day) সূত্রে জানা গিয়েছে, সে দেশে সুপ্রিম কোর্টে একাধিক মামলা জমা হচ্ছিল ভোট সংক্রান্ত। জাতীয় সংসদ ও আঞ্চলিক বিধানসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে ভোট করানোর আবেদনও জানানো হচ্ছিল। পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংবাদ সংস্থা ডন পত্রিকায় যে প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে তাতে লেখা হচ্ছে, সে দেশের প্রধান বিচারপতি কাজি ফয়েজ ইসা, বিচারপতি আমিন উদ্দিন খান, বিচারপতি আতহার মীনাল্লাহ ভোট সংক্রান্ত এই মামলাগুলি শোনেন।

    ২৯ জানুয়ারির মধ্যেই সংসদীয় এলাকা পুনর্বিন্যাসের কাজ শেষ হয়ে যাবে

    প্রসঙ্গত, এর আগে চলতি বছরের ৬ নভেম্বরের মধ্যে পাকিস্তানে নির্বাচন প্রক্রিয়া সেরে ফেলতে সে দেশের প্রেসিডেন্টের কাছে অনুরোধও জানিয়েছিল ইমরান খানের দল (Pakistan Election Day)। তবে সে দেশের আইন মন্ত্রক ইমরানের দলের এই আবেদনের বিরোধিতা করে। জানা গিয়েছে, বর্তমানে চলছে সংসদীয় এলাকা বিন্যাসের কাজ। পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী জানিয়েছেন, ২৯ জানুয়ারির মধ্যেই সংসদীয় এলাকা পুনর্বিন্যাসের কাজ শেষ হয়ে যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nawaz Sharif: বছর ঘুরলেই নির্বাচন, চার বছরের স্বেচ্ছা নির্বাসন কাটিয়ে পাকিস্তানে নওয়াজ

    Nawaz Sharif: বছর ঘুরলেই নির্বাচন, চার বছরের স্বেচ্ছা নির্বাসন কাটিয়ে পাকিস্তানে নওয়াজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চার বছরের স্বেচ্ছা-নির্বাসন কাটিয়ে ভোটের মুখে পাকিস্তানে ফিরলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ ( Nawaz Sharif)। প্রসঙ্গত, ৩ বার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ৭৩ বছর বয়সী নওয়াজ। পাকিস্তান মুসলিম লিগ (নওয়াজ) পিএমএলএন পার্টির সুপ্রিমো নওয়াজ শরিফ শনিবার দুবাই থেকে ইসলামাবাদে ফিরেছেন। এদিন তাঁর চাটার্ড বিমানে নওয়াজের ( Nawaz Sharif) পরিবারের কিছু সদস্য এবং তাঁর পার্টির কিছু শীর্ষস্থানীয় নেতাও এসেছেন বলে খবর। 

    বছর ঘুরলেই পাকিস্তানে রয়েছে সাধারণ নির্বাচন

    প্রসঙ্গত, বছর ঘুরলেই পাকিস্তানে রয়েছে সাধারণ নির্বাচন। ঠিক তার প্রাক মুহূর্তে নওয়াজ শরিফের দেশে আগমন রাজনৈতিকভাবে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। কারণ সে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যতম জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতা ইমরান খান বর্তমানে জেলে রয়েছেন। এমতো অবস্থায় নওয়াজ শরিফ ফের সাধারণ নির্বাচনে লড়ে প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন কিনা! সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে পাকিস্তানের রাজনৈতিক মহল।

    কী বললেন নওয়াজ?

    শনিবার বেশ খুশির মেজাজেই দেখা যায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফকে ( Nawaz Sharif)। দুবাই থেকে বিমানে ওঠার আগে তাঁকে সংবাদমাধ্যমগুলি ঘিরে ধরে এবং সে সময় তিনি বলেন, ‘‘চার বছর পরে আমি পাকিস্তানে ফিরছি। যখন আমি বিদেশে চলে গিয়েছিলাম তখন আমার মনে কোনও আনন্দ ছিল না। তবে আজ আমি অত্যন্ত খুশি।’’ এর পাশাপাশি পাকিস্তান সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘‘দেশের পরিস্থিতি দেখে আমি হতাশ। অর্থনৈতিকভাবে এবং  ঐক্যের নিরিখে দেশ অনেকটাই পিছিয়ে গিয়েছে।’’  প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন নওয়াজ শরিফ ( Nawaz Sharif)। পরবর্তীকালে, ২০১৭ সালে তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করে সুপ্রিমকোর্ট। পানামা পেপার দুর্নীতির কারণেই তাঁকে অপসারণ করা হয়। আপাতত ইসলামাবাদ হাইকোর্ট তাঁকে রক্ষাকবচ দিয়েছে। যার ভিত্তিতে চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না কোনোভাবেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Pakistan Elections: পাকিস্তানের নয়া প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ!

    Pakistan Elections: পাকিস্তানের নয়া প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan Elections) পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন শাহবাজ শরিফ। প্রধানমন্ত্রী পদে তাঁর নাম ঘোষণা করেন তাঁরই দাদা পাকিস্তানের তিনবারের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। মঙ্গলবার এক্স হ্যান্ডেলে পাকিস্তান মুসলিম লিগ (নওয়াজ) এর মুখপাত্র মারিয়াম অওরঙ্গজেব জানান, ‘পিএমএল এন প্রধান বছর চুয়াত্তরের নওয়াজ তাঁর ছোট ভাই বছর বাহাত্তরের শাহবাজকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে ও তাঁর কন্যা বছর পঞ্চাশের মারিয়াম নওয়াজকে পঞ্জাব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মনোনীত করেছেন।’

    প্রধানমন্ত্রীর দৌড়

    প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী পদের (Pakistan Elections) দৌড় থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন পাকিস্তান পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান বিলাবল ভুট্টো জারদারি। বছর পঁয়ত্রিশের বিলাবল জানিয়েছিলেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী হতে চান না। বরং প্রেসিডেন্ট পদের জন্য তাঁর বাবা আসিফ আলি জারদারি উপযুক্ত। বিলাবল এও জানিয়েছিলেন, তাঁর দল পিএমএল এনকে সমর্থন করলেও, সরকারে যোগ দেবে না। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, সেনাবাহিনীর সমর্থন তিনি পাবেন না বুঝেই সরে দাঁড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পদের দৌড় থেকে। পাক সেনা প্রধান আসিফ মুনীর অবশ্য প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফকেই ফের ক্ষমতায় চেয়েছিলেন। তবে নওয়াজই তাঁর ভাই শাহবাজের নাম ঘোষণা করেন (Pakistan Elections)।

    ত্রিশঙ্কু সংসদ

    দিন কয়েক আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয় পাকিস্তানে। এই নির্বাচনে কোনও দলই সরকার গড়তে প্রয়োজনীয় ম্যাজিক নম্বর পায়নি। পাক সংসদের আসন সংখ্যা ৩৩৬টি। এর মধ্যে ৯৪টির দখল নিয়েছে জেলবন্দি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পার্টি পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ। সংসদের এই ত্রিশঙ্কু দশা কাটাতে হাত মিলিয়েছে নওয়াজ ও বিলাবলের দল। তার পরেও জোগাড় হয়নি সরকার গড়ার প্রয়োজনীয় ম্যাজিক সংখ্যা। এমতাবস্থায়  ভাইকেই প্রধানমন্ত্রী পদে বসিয়ে নওয়াজ ঝুঁকি এড়াতে চাইলেন বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    আরও পড়ুুন: “আমি ক্রুদ্ধ এবং ক্ষুব্ধ”, সন্দেশখালিকাণ্ডে প্রতিক্রিয়া বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    অথচ নওয়াজের দল পিএমএল এনের সঙ্গে সমর্থন রয়েছে পাকিস্তানের সেনার। সে দেশে সেনার অঙ্গুলি হেলনেই সরকার চলে। সেই সেনার সর্বাত্মক সমর্থন নিয়েও সরকার গড়ার ম্যাজিক সংখ্যা জোগাড় করতে ব্যর্থ হয়েছে পিএমএল এন। তার পরেও মঙ্গলবার শাহবাজ জানিয়ে দিয়েছিলেন, তাঁর দাদা নওয়াজই প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন। বেলা গড়াতেই ভাইয়ের নামই প্রধানমন্ত্রী পদে প্রস্তাব করে বসলেন দাদা (Pakistan Elections)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Pakistan Election: পাক নির্বাচনে সর্বাধিক আসন নির্দলদের! সরকার গড়তে হাত মেলালেন শরিফ-ভুট্টো

    Pakistan Election: পাক নির্বাচনে সর্বাধিক আসন নির্দলদের! সরকার গড়তে হাত মেলালেন শরিফ-ভুট্টো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের চলছে ভোট গণনা (Pakistan Election)। ফলাফল এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হয়নি। এরই মধ্যে নওয়াজ শরিফের পাকিস্তান মুসলিম লিগ এবং বিলাবল ভুট্টোর পাকিস্তান পিপলস পার্টি হাত মেলানোর কথা ঘোষণা করল। শুক্রবার রাতেই বিলাবলের বাবা আসিফ আলি জারদারি এবং নওয়াজ শরিফ দুজনে বৈঠকে বসেছিলেন। শনিবার দুপুরেই দু’দল ভোট পরবর্তী জোটের আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে।

    কোন দল কত আসন পেল?

    পাকিস্তানে (Pakistan Election) মোট আসন রয়েছে ৩৩৬টি কিন্তু তার মধ্যে ৭০টি আসন ধর্মীয় সংখ্যালঘু এবং মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত। ওই আসনগুলির ফলাফল সরকার গঠনে কোনও ভূমিকা নেয় না। তাই ভোট হওয়ার কথা ২৬৬ আসনে। একজন প্রার্থীর মৃত্যু হওয়াতে ভোট গণনা চলছে ২৬৫ আসনে। সেই অনুপাতে জাদু সংখ্যা হল ১৩৩। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জানা গিয়েছে,পাকিস্তানের মুসলিম লিগ ৭১ আসনে জিতেছে। অন্যদিকে পাকিস্তান পিপলস পার্টি ৫৩টি আসনে জিতেছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দলকে চলতি বছরে নির্বাচনের প্রতীকে লড়তে দেয়নি নির্বাচন কমিশন। ৯১টি আসনের জয়ী হয়েছে জেলবন্দি প্রাক্তন পাকিস্তান ক্রিকেট দলের অধিনায়কের দল তেহরিক-ই-ইনসাফ সমর্থিত নির্দল প্রার্থীরা। অন্যান্যরা ৩৫টি আসনে জয়ী হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    শুভেচ্ছা জানাল পাক সেনা

    পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনের (Pakistan Election) ফলাফল প্রায় সামনে চলে এসেছে। এরকম অবস্থায় সে দেশের সেনা প্রধান জেনারেল মুনির পাকিস্তানের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। নিজের বিবৃতিতে তিনি বলেন যে পাকিস্তানকে কট্টরপন্থা এবং বিশৃঙ্খলা রাজনীতি থেকে সরে আসতে হবে। পাকিস্তানের রাজনীতিতে সে দেশের সেনাবাহিনীর ভূমিকা সবাই জানে। বলা হয় যে গত বছর ইমরান খানের জয়ে সেদেশের সেনাবাহিনীর হাত ছিল। পরে সে দেশে গোয়েন্দা দফতরের প্রধান পদে নিয়োগের জন্য সেনাবাহিনীর সঙ্গে মতবিরোধ সামনে আসে ইমরান খানের। তারপরই নাকি পদ খোয়াতে হয় ইমরানকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Pakistan Elections 2024: নওয়াজের সভায় জ্যান্ত বাঘ-সিংহ! কী বললেন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী?

    Pakistan Elections 2024: নওয়াজের সভায় জ্যান্ত বাঘ-সিংহ! কী বললেন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক ঝলক দেখলে মনে হবে বুঝি, সার্কাস চলছে। আসলে তা না। চলছে পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের নির্বাচনী (Pakistan Elections 2024) প্রচার। খাঁচায় বন্দি বাঘ-সিংহ। বাঘের হালুম, সিংহের গর্জন ভয় ধরায় বুকে। সেসব উপেক্ষা করেই বাঘ-সিংহের সঙ্গে সেলফি তুলছে জনতা। সম্প্রতি এমনই ছবি ভাইরাল রয়েছে। ৪ বছরের বিদেশ-বাসের পর পাততাড়ি গুটিয়ে পাকিস্তানে ফিরেছেন নওয়াজ। নেমে পড়েছেন নির্বাচনী ময়দানে। ফেব্রুয়ারি মাসের ৮ তারিখে ভোট হওয়ার কথা সে দেশে। জনতার মন পেতে তাই কোমর কষে নেমে পড়েছেন পাকিস্তানের রাজনৈতিক দলগুলির নেতারা।

    নওয়াজের সভা

    মঙ্গলবার লাহোরের এক নির্বাচনী সভায় অংশ নিয়েছিলেন নওয়াজ (Pakistan Elections 2024)। সেখানেই জ্যান্ত বাঘ-সিংহ নিয়ে হাজির হয়েছিলেন তাঁর সমর্থকরা। বিষয়টি জানতে পেরে সেগুলিকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে বলেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে এনএ-১৩০ আসনে প্রার্থী হয়েছেন নওয়াজ। তাঁর নির্বাচনী প্রতীক হওয়ায় বাঘ-সিংহ নিয়ে আসছেন সমর্থকরা। যদিও তিনি তাঁদের এসব করতে নিষেধ করেছেন বলে খবর। নওয়াজের মেয়ে মরিয়ম আওরঙ্গজেব বলেন, “বাবা সমাবেশে সিংহ আনার খবর জানতে পারে। তাঁর নির্দেশে সিংহটি ফিরিয়ে আনা হয়।”

    ভোটে লড়তে পারবেন না ইমরান

    নওয়াজ প্রার্থী হতে পারলেও, ভোটে লড়তে পারবেন না পাকিস্তানের আর এক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ২০২২ সালে প্রধানমন্ত্রীর পদ খোয়াতে হয়েছিল তাঁকে। তোষাখানা সহ একাধিক মামলায় নাম জড়ায় তাঁর। গ্রেফতারও হন। সম্প্রতি ছাড়া পেয়েছেন জামিনে। তবে নির্বাচনী ময়দানে দেখা যাবে না তাঁকে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘কেন ইম্পিচমেন্টের প্রক্রিয়া শুরু হবে না?’’ বিচারপতি সেনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    নওয়াজ জানান, তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর থেকে সমস্যায় পড়েছে পাকিস্তান। চার বছর লন্ডনে কাটিয়ে গত বছরের শেষের দিকে পাকিস্তানে ফেরেন নওয়াজ। জমা দেন মনোনয়ন। তাঁর প্রার্থিপদ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কোনও সদস্য আপত্তি না জানানোয় নির্বাচনে লড়ার ছাড়পত্র দেওয়া হয় তাঁকে। নওয়াজ নির্বাচনে লড়ার ছাড়পত্র পাওয়ায় বেজায় চটেছে ইমরানের দল তেহরিক-ই-ইনসাফ। তাদের দাবি, পরিকল্পনামাফিক নওয়াজকে ভোটে লড়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, আয় বহির্ভূত সম্পত্তি রাখার অভিযোগ উঠেছিল নওয়াজের বিরুদ্ধে। ২০১৭ সালে তাঁর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ওপর স্থগিতাদেশ জারি করেছিল পাকিস্তানের (Pakistan Elections 2024) সুপ্রিম কোর্ট।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Nawaz Sharif: “ভারত চাঁদে যাচ্ছে, ডলারের জন্য ভিক্ষে করছে পাকিস্তান”, আক্ষেপ নওয়াজ শরিফের

    Nawaz Sharif: “ভারত চাঁদে যাচ্ছে, ডলারের জন্য ভিক্ষে করছে পাকিস্তান”, আক্ষেপ নওয়াজ শরিফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত যখন চাঁদে যাচ্ছে, তখন ডলারের জন্য ভিক্ষে করছে পাকিস্তান।” কথাগুলি যিনি বললেন, তিনি এক সময় শাসন করেছেন পাকিস্তান। পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ (Nawaz Sharif) আরও বলেন, “ভারত চাঁদে যাচ্ছে। ভারতে হয়েছে জি২০ শীর্ষ সম্মেলন। অথচ পাকিস্তান এক বিলিয়ন ডলারের জন্য ভিক্ষে করছে।”

    ‘পাকিস্তান ধার মেটাতে পারছে না’

    দেউলিয়া হতে বসা দশা থেকে দেশকে উদ্ধার করতে বন্ধু দেশগুলির দোরে দোরে ঘুরছে পাক সরকার। এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে নওয়াজ বলেন, “পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বেজিং গিয়েছিলেন। আরব দেশগুলিতে গিয়েছিলেন। ভিক্ষের বাটি নিয়ে তিনি গিয়েছিলেন। ফান্ডের জন্য তিনি ভিক্ষে চেয়েছিলেন। পাকিস্তান তার ধার মেটাতে পারছে না, এটা অত্যন্ত হতাশার।” পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ (Nawaz Sharif) ২০১৯ সালের নভেম্বর মাস থেকে লন্ডনে নির্বাসিত রয়েছেন। সেখান থেকেই তোপ দাগেন পাক সরকারকে।

    শরিফের নিশানায় আর কারা?

    প্রাক্তন পাক সেনা প্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া এবং আইএসআইয়ের তৎকালীন ডিজি তথা গুপ্তচরদের মাথা ফৈয়জ হামিদকেও আক্রমণ শানিয়েছেন নওয়াজ। পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে পাকিস্তানের মসনদে বসিয়েছিলেন এঁরাই।

    পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন হতে পারে চলতি বছরই। সে দেশের তদারকি সরকার তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন করানোর প্রস্তাব দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে। তবে সেনাবাহিনীর শিলমোহর মিললেই হবে নির্বাচন। সূত্রের খবর, এহেন পরিস্থিতিতে দেশে ফেরার চেষ্টা চালাচ্ছেন নওয়াজ। মাস কয়েক আগে গুঞ্জন ছড়ায়, দেশে ফিরতে প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন নওয়াজ (Nawaz Sharif)। জল্পনার কারণ ছিল, পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশের গভর্নর লন্ডনে গিয়ে দেখা করেন নওয়াজের সঙ্গে। পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দূরাবস্থা নিয়ে আলোচনা হয় দু’ জনের।

    প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে কেন্দ্রের ক্ষমতায় আসে বিজেপির নেতৃত্বে নরেন্দ্র মোদির সরকার। তার পরের বছর ডিসেম্বরে আচমকাই লাহোরে পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজের বাড়িতে হাজির হন মোদি। মোদি বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিলেও, পাকিস্তান অটল থাকে স্বধর্মে। মোদি পাকিস্তান ছেড়ে দেশের ফেরার দিন কয়েক পরেই পাঠানকোট বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হামলা চালায় পাকিস্তানি ফিদায়েঁ জঙ্গিরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shehbaz Sharif: পাক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে উঠল দেশদ্রোহিতার অভিযোগ! কেন জানেন?

    Shehbaz Sharif: পাক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে উঠল দেশদ্রোহিতার অভিযোগ! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) নয়া প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার (Treason) অভিযোগ! সম্প্রতি এই মর্মে পাকিস্তানের পাঞ্জাব বিধানসভায় পাশ হয়েছে একটি রেজলিউশন। তাতে পাকিস্তানের নয়া প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের (PM Shehbaz Sharif) বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। ঘটনার জেরে ফের একবার তপ্ত হয়ে উঠেছে ভারতের প্রতিবেশী দেশটির রাজনৈতিক আবহ।

    দিন কয়েক আগে প্রয়াত হয়েছেন ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। তাঁরই শেষকৃত্যে যোগ দিতে লন্ডন গিয়েছেন শেহবাজ। অভিযোগ, সেখানে তিনি দেখা করেছেন তাঁর পলাতক ভাই নওয়াজ শরিফের সঙ্গে। এই নওয়াজ তিন দফায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। শেহবাজের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, তিনি পাকিস্তানের নয়া সেনা প্রধান নিয়োগের ব্যাপারে তাঁর ভাইয়ের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।

    পাকিস্তানের পাঞ্জাবে ক্ষমতায় রয়েছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল তেহেরিক-ই-ইনসাফ এবং সহযোগী পিএমএলকিউয়ের জোট সরকার। সম্প্রতি এই সরকারই একটি রেজিলিউশন পাশ করেছে। তাতেই দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ তোলা হয়েছে। দুই তৃতীয়াংশ ভোটে সেই রেজলিউশান পাশও হয়েছে। পাঞ্জাবের সংসদীয় মন্ত্রী বাসারত রাজা শেহবাজের বিরুদ্ধে বিধানসভায় ওই রেজলিউশন নিয়ে আসেন। সেখানে সংবিধানের ৬ নম্বর ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। রেজিলিউশনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ পলাতক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের সঙ্গে দিন দুই আগে দেখা করেছিলেন। সেখানে নয়া সেনা প্রধান নিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে দুই ভাইয়ের মধ্যে। এটা সংবিধান বিরোধী। শুধু তাই নয়, দেশের সেনা বাহিনীর পক্ষেও অপমানজনক।  

    আরও পড়ুন :মোদির মুখোমুখি শি, শেহবাজ! এবারের এসসিও সম্মেলনে ভারতের গুরুত্ব কতটা?

    জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে লন্ডন চলে যান নওয়াজ শরিফ। সেই সময় লাহোর হাইকোর্ট মেডিক্যাল গ্রাউন্ডে তাঁর আট সপ্তাহের জামিন মঞ্জুর করেছিল। এর আগে তাঁর বিরুদ্ধে আল জাজিরা দুর্নীতি মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। জামিন পেয়ে চলে যান লন্ডন।

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের নভেম্বরে অবসর নেবেন পাক সেনা প্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া। শরিফের নেতৃত্বে জোট সরকার জানিয়েছিল ওই পদে কাকে বসানো যায়, তা নিয়ে সহযোগী দলগুলির সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তার মধ্যেই প্রকাশ্যে এল শেহবাজের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ।   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

LinkedIn
Share